Thursday, August 7, 2014

প্রিয়াংকা আসছেন, রাহুল বাদ!

প্রিয়াংকা গান্ধী
কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর মেয়ে প্রিয়াংকা গান্ধী শিগগিরই দলে সক্রিয় হচ্ছেন বলে প্রচারণা চালিয়ে উত্তর প্রদেশ রাজ্যের এলাহাবাদে পোস্টার লাগানো হয়েছে। এতে বলা হয়, ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কেন্দ্রীয় সভাপতি অমিত শাহর প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড় করাতে হলে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বকে প্রিয়াঙ্কার কথাই ভাবতে হবে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। পোস্টারে লেখা হয়েছে, ‘কংগ্রেস কা মুন, প্রিয়াঙ্কা ইজ কামিং সুন’ (কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ মুখ প্রিয়াঙ্কা শিগগিরই রাজনীতিতে আসছেন)। পোস্টারে প্রিয়াঙ্কার পাশাপাশি তাঁর মা কংগ্রেসের সভাপতি সোনিয়া গান্ধীর ছবি থাকলেও স্থান পায়নি ভাই রাহুল গান্ধীর ছবি।
পোস্টারে স্থানীয় কংগ্রেসের দুই তরুণ নেতা হাসিব আহমেদ ও শিরিশ চন্দ্র দুবের ছবি রয়েছে। পোস্টারে হাসিবের পরিচয় লেখা হয়েছে শহর কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। ওই দুই তরুণ নেতার পক্ষে নতুন এই পোস্টার সাঁটানো হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। উভয়ই দাবি করেন, প্রিয়াঙ্কাই ১২৯ বছরের পুরোনো দল কংগ্রেসের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করতে পারবেন। এর আগেও তাঁরা এ ধরনের পোস্টার বের করেছিলেন। সেখানেও রাহুলের ছবি বাদ দেওয়া হয়েছিল।

ছাত্রীর চিঠির জবাব দিলেন মোদি

১৬ বছর বয়সী ছাত্রী ঐশ্বরিয়া
নরেন্দ্র মোদিকে দুই বছর ধরে চিঠি লিখছিল ১৬ বছর বয়সী ছাত্রী ঐশ্বরিয়া। প্রত্যেক নাগরিকের জন্য অবকাঠামো, শিক্ষা, খাবার ও আশ্রয়ের সমস্যার কথা থাকত সেসব চিঠিতে। জবাব পাবে, এমন আশা সে করেনি। নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এই আশা করাটা অকল্পনীয় ছাড়া আর কিছু নয়। কিন্তু বাস্তবে ঘটেছে সেই অকল্পনীয় ঘটনা। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে একটি চিঠি পেয়েছে ঐশ্বরিয়া। এতে সে অনেক আনন্দিত এবং একই সঙ্গে বিস্মিত। খবর এনডিটিভির। ঐশ্বরিয়ার হাতে লেখা সব চিঠি ও উল্লিখিত সমস্যাগুলোর প্রশংসা করেছেন মোদি।
মহারাষ্ট্র রাজ্যের বরিভলি এলাকার বাসিন্দা ও কান্দিভলি কেইএস শ্রফ কলেজের উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ছাত্রী ঐশ্বরিয়া বলেছে, ‘আমি কখনোই উত্তরের আশা করে তাঁর কাছে চিঠি লিখিনি। নিত্যদিনের জীবনে আমি যেসব বিষয় দেখি এবং যেগুলো আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়, সেসবের প্রতি তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে আমার নামে চিঠি আসায় আমি সত্যিই অনেক অবাক হয়েছি।’ মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অনেক আগে থেকেই তাঁকে চিঠি লিখছিল ঐশ্বরিয়া। তার ভাষ্য, ‘তিনি আমার কাছে আদর্শ। আর আমি বিশ্বাস করি, তিনি দেশে পরিবর্তন আনতে পারবেন।’

দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতির চেষ্টা

ইসরায়েলি গোলার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত গাজার শোবি
আল কার্স বিদ্যালয়ের ব্ল্যাকবোর্ড। যুদ্ধবিরতির প্রথম
দিন গত মঙ্গলবার আপন মনে সেই ব্ল্যাকবোর্ডে কী
যেন লিখছে এক ফিলিস্তিনি বালক। ছবি: এএফপি
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েল-হামাস ৭২ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি গতকাল বুধবার দ্বিতীয় দিনে গড়িয়েছে। এ সুযোগে একটি দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতির জন্য মিসরের মধ্যস্থতায় জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন আন্তর্জাতিক কূটনীতিকেরা। এদিকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ বলেছে, গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধাপরাধের ‘সুস্পষ্ট প্রমাণ’ রয়েছে। তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মামলা করবে। খবর এএফপি, রয়টার্স, সিএনএন, ইউএসএটুডে ও বিবিসির। মিসরের মধ্যস্থতায় ৭২ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ার পর ইসরায়েল গত মঙ্গলবার গাজা থেকে স্থল বাহিনী প্রত্যাহার করে নেয়।
এরপর উভয় পক্ষকে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি করাতে কায়রোতে কূটনীতিকদের জোর প্রচেষ্টা শুরু হয়। দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা এখন কায়রোতে রয়েছেন। এসব কূটনৈতিক প্রচেষ্টার লক্ষ্য হচ্ছে, গাজায় তিন দিনের চলমান অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই একটি দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার উপায় বের করা। উভয় পক্ষকে এ বিষয়ে রাজি করাতে মিসরের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কূটনীতিকেরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক কূটনীতিক টনি ব্লেয়ার ও জাতিসংঘের মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রচেষ্টা সমন্বয়কারী রবার্ট সেরি এখন মিসরে রয়েছেন। অবশ্য কায়রোতে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল উভয় পক্ষ প্রতিনিধিদল পাঠালেও তাদের মধ্যে সরাসরি কোনো আলোচনা হচ্ছে না। মিসরের কর্মকর্তারা আলাদাভাবে সাক্ষাৎ করে এক পক্ষের বক্তব্য অন্যের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। মিসরীয় কর্মকর্তারা গত মঙ্গলবার রাতে ইসরায়েলি প্রতিনিধিদলটির সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর তাঁরা ইসরায়েলি দাবিগুলো ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদের কাছে পৌঁছে দেন। তবে উভয় পক্ষ যেসব শর্ত দিচ্ছে, তাতে করে একটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা অনেক কঠিন হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ইসরায়েলের দাবি, হামাসকে তাদের মিলিশিয়া বাহিনীকে নিরস্ত্র করতে হবে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মুখপাত্র মার্ক রেগেভ বলেন, ‘ইসরায়েলের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, অসামরিকীকরণ। আমাদের অবশ্যই হামাসের পুনরায় অস্ত্রসজ্জিত হওয়া রুখতে হবে। অবশ্যই গাজা উপত্যকার অসামরিকীকরণ করতে হবে।’
তবে হামাসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এরই মধ্যে বলে দিয়েছেন, তাঁরা গাজার মিলিশিয়াদের নিরস্ত্র করার ইসরায়েলি দাবি মানবেন না। মামলা করবে ফিলিস্তিন: ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ আল-মালিকি গত মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) আইনজীবীদের সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে সাক্ষাৎ করেন। এরপর তিনি বলেন, গাজায় অভিযানের সময় ইসরায়েল যে যুদ্ধাপরাধ সংঘটন করেছে, সে বিষয়ে তাঁদের কাছে ‘সুস্পষ্ট প্রমাণ’ রয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনী স্পষ্টতই আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। তাই দেশটির বিরুদ্ধে মামলা করার ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা নেই। হামাসকে স্বীকৃতি দিন- কার্টার: গাজার শাসনক্ষমতায় থাকা কট্টর ইসলামপন্থী সংগঠন হামাসকে রাজনৈতিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার। কূটনীতিবিষয়ক সাময়িকী ফরেন পলিসিতে লেখা যৌথ এক নিবন্ধে তিনি এ আহ্বান জানান। যৌথ নিবন্ধটির আরেকজন লেখক হলেন সাবেক আইরিশ প্রেসিডেন্ট ম্যারি রবিনসন। ইসরায়েলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে লেখা ওই নিবন্ধে বলা হয়েছে, ‘ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী (আইডিএফ) যেভাবে এই যুদ্ধ পরিচালনা করেছে, তার কোনো মানবিক বা আইনগত ন্যায্যতা নেই।’ নিবন্ধে কার্টার ও রবিনসন লিখেছেন, ‘হামাসকে নিশ্চিহ্ন করা যাবে না। তারা নিজেরা নিজেদের শেষ ঘণ্টা বাজাবে, সেটাও ভাবা যাবে না। কেবল রাজনৈতিক পক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমেই পাশ্চাত্য হামাসকে অস্ত্র পরিত্যাগ করার জন্য সঠিক প্রাপ্য দিতে পারে।’ কেরির আহ্বান: বড় পরিসরে আলোচনায় বসতে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন উভয় পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কেরি। বিবিসির হার্ড টক অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেরি বলেন, বড় পরিসরে আলোচনার মাধ্যমে দুই রাষ্ট্র ইস্যুর সমাধান করতে হবে।

গাজা প্রশ্নে আরব বিশ্ব বাস্তব পদক্ষেপ নিতে পারছে না

গাজা ছেড়েছে আগ্রাসী ইসরায়েলি বাহিনী। লোকজন ফিরতে
শুরু করেছেন আপন ঠিকানায়। কিন্তু ঘরবাড়ি কোথায়।
চারদিকে কেবলই ধ্বংসস্তূপ। আবার কীভাবে মাথা
গোঁজার ঠাঁই করে নেবেন, সেই চিন্তা এখন অনেক
গাজাবাসীর মনে। গতকাল তোলা ছবি। এএফপি
মুসলিম বিশ্বের সংগঠন অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কনফারেন্সের (ওআইসি) মহাসচিব আয়াদ আমিন আবদুল্লাহ মাদানি স্বীকার করেছেন, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলা বন্ধে আরব রাষ্ট্রগুলো কোনো বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিতে পারছে না। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অবস্থিত ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজে ‘মুসলিম বিশ্বের জন্য সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ: ওআইসির লক্ষ্য ও ভূমিকা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় গত সোমবার আবদুল্লাহ মাদানি এ কথা বলেন। খবর ডনের। আবদুল্লাহ মাদানি দাবি করেন, ১৯৬৭ সালে সিনাই মরুভূমি, জর্ডান নদীর পশ্চিম তীর ও গোলান মালভূমিতে ইসরায়েলি বাহিনীর প্রবেশ আরবদের পরাজয় ডেকে আনে।
আরবরা ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন দেওয়া বন্ধ করার কথা ভাবতেও পারে না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, তারা ফিলিস্তিনিদের জন্য কোনো কিছু করার মতো অবস্থায় নেই। ওআইসি মহাসচিব বলেন, ওআইসি এখন ফিলিস্তিনিদের নির্বিচারে হত্যার বিষয়টিকে ‘যুদ্ধাপরাধ’-এর শ্রেণিভুক্ত করার জোর চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলো, মানবাধিকারের মোড়লেরা ইসরায়েলকে কেবল সমর্থনই দিচ্ছে না, রাজনৈতিক আশ্রয়ও দিচ্ছে। আয়াদ আমিন বলেন, অথচ মধ্য আফ্রিকা ও মিয়ানমার প্রশ্নে আলোচনার সময় ওআইসি তার যথাযথ ভূমিকা পালন করে সমস্যাগুলোর সমাধান করেছে। তিনি বলেন, ওআইসির মানবাধিকারবিষয়ক সংস্থা এর ৫৭টি সদস্যরাষ্ট্রের নাগরিকদের সমান অধিকার নিশ্চিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সংস্থাটি অমুসলিমদের জন্যও কাজ করছে।

কংগ্রেসে গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখা যাবে প্রিয়াংকাকে?

প্রিয়াংকা গান্ধী
ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিনের সংকট শিগগিরই হয়তো কাটতে চলেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেসের চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধীর মেয়ে প্রিয়াংকা গান্ধী ভদ্রকে দলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যেতে পারে। সেই সঙ্গে নেতৃত্ব নিয়ে সোনিয়াপুত্র রাহুল গান্ধীর প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা এখনো কাটেনি। খবর ইকোনমিক টাইমসের। চলতি বছর আরও পরের দিকে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিধানসভার পরবর্তী ধাপের নির্বাচন। খুব সম্ভবত এর পরই কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় প্রিয়াংকা গান্ধীর আনুষ্ঠানিক অভিষেক হতে পারে। কংগ্রেসের নেতৃত্ব সংকট নিয়ে চলমান আলোচনা প্রক্রিয়ায় ঘনিষ্ঠ দলটির তিনজন জ্যেষ্ঠ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রিয়াংকার সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে যেসব বিকল্প আলোচনা টেবিলে উঠে আসছে, সেগুলোর মধ্যে আছে, তাঁকে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বা কংগ্রেসের উত্তর প্রদেশ শাখার প্রধানের দায়িত্ব দেওয়া।
এই দুই পদের দায়িত্ব গ্রহণে এরই মধ্যে প্রার্থী হিসেবে যাঁদের নাম এসেছে তাঁরা হলেন সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) পদে জনার্দান দ্বিভেদী ও উত্তর প্রদেশ কংগ্রেসপ্রধান পদে নির্মল ক্ষত্রী। নেতারা বলেন, যদি প্রিয়াংকা এর কোনোটির দায়িত্ব নিতে চান, তবে এই দুই প্রার্থীর কেউই সম্ভবত প্রতিবাদ জানাবেন না। কংগ্রেসের ওই জ্যেষ্ঠ তিন নেতার একজন বলেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পালা এখন প্রিয়াংকার। এ বিষয়ে সোনিয়া ও রাহুলের কাছ থেকে মূল পরামর্শ আসবে। এ বিষয়ে প্রিয়াংকা গান্ধীর কোনো মন্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। প্রশ্নবিদ্ধ রাহুলের ভূমিকা: কংগ্রেসের তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও কিছু জ্যেষ্ঠ নেতা অনেক দিন ধরেই গোপনে ও প্রকাশ্যে প্রিয়াংকা গান্ধীকে দলের দায়িত্বশীল পদে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। গত সাধারণ নির্বাচনে কংগ্রেসের চরম ভরাডুবির পর এই দাবি আরও জোরালো হয়। লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস মাত্র ৪৪টি আসন পেলে দেশজুড়ে কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা খোলাখুলিভাবে নির্বাচনে নেতৃত্বদানকারী রাহুলের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

উইনির দাবি

উইনি ম্যান্ডেলা
দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা প্রয়াত নেলসন ম্যান্ডেলার শৈশবের বাড়িটি দাবি করেছেন তাঁর সাবেক স্ত্রী উইনি ম্যান্ডেলা। উইনির আইনজীবীরা বলেন, কুনু গ্রামের বাড়িটি দাবি করার মাধ্যমে উইনি নিজের ‘প্রথাসিদ্ধ অধিকার’ জানান দিয়েছেন। উইনিকে প্রতিনিধিত্বকারী আইনবিষয়ক প্রতিষ্ঠান এমভুজো নোটেসি ইনকরপোরেটেড দক্ষিণ আফ্রিকার ডেপুটি প্রধান বিচারপতি ডিকগ্যাং মোসেনেকিকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি দিয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, ম্যান্ডেলা শ্বেতাঙ্গদের শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে যখন কারাগারে যান, তখন ওই বাড়িটি উইনির নিয়ন্ত্রণে ছিল। নিয়মানুযায়ী এখন উইনির সন্তানসন্ততি ও নাতি-নাতনিদেরই বাড়িটি দিতে হবে। বিবিসি