Friday, July 5, 2019
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে দরকার হলে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিয়ানমারে যাবেন

বৈঠকের পর চীনের প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘চীন চেষ্টা করবে যাতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার আলোচনার মধ্যেই একটি সমাধান খুঁজে পায়। চীন মিয়ানমারকে এ ব্যাপারে বোঝাবে, বলছে এবং বলবে।’
পররাষ্ট্রসচিব বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন তার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে দুই দফায় মিয়ানমার পাঠিয়েছে বলেও বৈঠকে চীনের প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন। লি খোয়াছিয়াং বলেছেন, ‘একটি সমাধানে পৌঁছতে প্রয়োজনে আমরা আবারও আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মিয়ানমার পাঠাব।’
উল্লেখ্য, দালিয়ানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনের পর বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বিপক্ষীয় সফরে রোহিঙ্গা ইস্যুই সবচেয়ে গুরুত্ব পাচ্ছে। বেইজিং মিশনের দ্বিতীয় দিন গতকাল চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর আজ শুক্রবার তিনি বৈঠক করবেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে। সেখানেও বিশেষ গুরুত্ব পাবে রোহিঙ্গা সংকট। কেবল বৈঠক নয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মানে নৈশভোজেরও আয়োজন করেছেন চীনের রাষ্ট্রপ্রধান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব পিপলে পৌঁছলে তাঁকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এরপর চীনের প্রধানমন্ত্রী লি খোয়াছিয়াংয়ের সঙ্গে শেখ হাসিনার আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে ৯টি চুক্তি, সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও ‘লেটার অব এক্সচেঞ্জ’ (বিনিময়পত্র) সই হয়। পররাষ্ট্রসচিবকে উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা বাসস জানায়, ‘লেটার অব এক্সচেঞ্জের’ আওতায় মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য চীন বাংলাদেশে আড়াই হাজার মেট্রিক টন চাল সরবরাহ করবে।
গতকাল সই হওয়া চুক্তি ও এমওইউগুলো হলো ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কম্পানি এলাকায় বিদ্যুত্ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ ও সম্প্রসারণে কাঠামো চুক্তি, ডিপিডিসি এলাকা প্রকল্পে বিদ্যুত্ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ ও সম্প্রসারণে সরকারি পর্যায়ে ‘কনসেশনাল’ ঋণচুক্তি, ডিপিডিসি এলাকা প্রকল্পে বিদ্যুত্ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ ও সম্প্রসারণে ‘প্রেফারেনশিয়াল বায়ারস’ ঋণচুক্তি, পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণে কাঠামো চুক্তি, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহায়তা চুক্তি, বিনিয়োগ সহযোগিতা ওয়ার্কিং গ্রুপ প্রতিষ্ঠা বিষয়ে এমওইউ, ব্রহ্মপুত্র/ইয়ালু ঝাংবো নদের পানিপ্রবাহসংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত বিনিময়ের পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়ন বিষয়ে এমওইউ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় ও পর্যটন কর্মসূচির বিষয়ে এমওইউ। বাংলাদেশ ও চীনের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার মধ্য দিয়েই যে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান সে বিষয়ে চীন বাংলাদেশের সঙ্গে একমত হয়েছে। চীনের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সমস্যা সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। তবে তিনি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে দ্বিপক্ষীয়ভাবে ও আলোচনার মাধ্যমে এ সংকট সমাধানের ওপর জোর এবং প্রয়োজনে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। চীনের প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ ও মিয়ানমার—উভয়েই চীনের বন্ধু। অতীতে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আমরা দুই দেশকে সহযোগিতা করেছি। আমরা এই প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব।’
পররাষ্ট্রসচিব সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের জন্য আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার ওপর জোর দিয়েছেন। রোহিঙ্গা সংকট এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতায় প্রভাব ফেলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শেখ হাসিনা বলেছেন, সময় যত গড়াবে চ্যালেঞ্জ ততই বাড়বে। তাই দ্রুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনই একমাত্র সমাধান। মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় আলোচনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা আরো নৃশংসতার আশঙ্কায় ফিরে যাচ্ছে না। মিয়ানমার বিভিন্ন সময় আশ্বাস দিলেও বাস্তবে কিছুই করছে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারকেই সমস্যা সমাধান করতে হবে। এখানে বাংলাদেশের কিছু করার নেই।
প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকট সমাধান এবং তাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে চীনের ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।
পররাষ্ট্রসচিব জানান, চীনের প্রধানমন্ত্রী বৈঠকের শুরুতে পুনর্নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরো উচ্চপর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে তিনি আগ্রহ প্রকাশ করেন।
চীনের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের এখন ‘স্ট্র্যাটেজিক অংশীদারি’ আছে। এটা আরো গভীর ও শক্তিশালী হবে বলে তারা আশা করে। চীন মনে করে, বাংলাদেশে যে উন্নয়ন হয়েছে তা অব্যাহত থাকবে। তারা বাংলাদেশকে সহায়তা করবে।
প্রধানমন্ত্রী চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা কমিয়ে আনার ওপর জোর দিলে চীনা প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে কাজ করার আশ্বাস দেন। মুক্তবাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) সম্ভাব্যতার বিষয়ে সমীক্ষার বিষয়েও চীন গভীরভাবে নজর রাখছে বলে তিনি জানান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার ওপর জোর দেন এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে আরো বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেন। ব-দ্বীপ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়তেও তিনি চীনের সহযোগিতা চান।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় ‘ক্লাইমেট অ্যাডাপটেশন সেন্টার’ গড়তে এবং ‘তিস্তা রিভার কম্প্রিহেনসিভ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রেস্টোরেশন’ প্রকল্পের ব্যাপারেও প্রধানমন্ত্রী চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন। এ ছাড়া তিনি ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উচ্চ গতির রেল প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন।
পররাষ্ট্রসচিব জানান, চীনা নাগরিকদের বাংলাদেশ যে ‘ভিসা অন অ্যারাইভাল’ (আগমনী ভিসা) দেয় তা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী চীনের কাছ থেকে বাংলাদেশিদের জন্য একই ধরনের সুবিধা প্রত্যাশা করেন। বিশেষ করে, তিনি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের চীনে ‘আগমনী ভিসা’ পাওয়ার ব্যপারে জোর দিয়েছেন। চীনের প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে একমত পোষণ করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি আরবে নিকি মিনাজের কনসার্ট নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিস্ময়
![]() |
| খোলামেলা পোশাক এবং যৌন বক্তব্য সংবলিত গানের কারণে নিকি মিনাজের বিশেষভাবে পরিচিত রয়েছে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেনা প্রত্যাহারের খসড়া তৈরিতে হিমশিম খাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবান প্রতিনিধিরা by ক্যাথি গ্যানন

আলোচনার ব্যাপারে অবগত কর্মকর্তারা বলেছেন, বুধবার রাত পর্যন্ত আলোচনা চলেছে এবং বৃহস্পতিবার আবার আলোচনা বসবে। বৃহস্পতিবার তালেবান আর মার্কিন দূত জালমাই খলিলজাদের মধ্যে আলোচনা ষষ্ঠ দিনে গড়ায়।
তালেবানদের কাতারের রাজনৈতিক অফিসের মুখপাত্র সুহাইল শাহীন অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে বৃহস্পতিবার বলেন যে, “আলোচনা চলছে এবং পরদিনও আলোচনা চলবে। আমাদের কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে”।
এর আগে তিনি বলেছিলেন যে, যে সব ধারার ব্যাপারে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে, সেগুলোর সমন্বয়ে একটা চুক্তির খসড়া পুণরায় লেখা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, দুই পক্ষ তাদের আলোচনার পরিধি বাড়িয়েছে। তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত আর কিছু তিনি বলেননি।
এখন পর্যন্ত সেনা প্রত্যাহারের সময়ের ব্যাপারে দুই পক্ষ বিভক্ত হয়ে আছে, এবং যুক্তরাষ্ট্র এ ব্যাপারে আরও সময় চাচ্ছে।
পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে তালেবান কর্মকর্তারা এর আগে বলেছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সেনা পুরোপুরি প্রত্যাহারের জন্য ১৮ মাস পর্যন্ত সময় চেয়েছে, যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ফক্স নিউজকে বলেছেন যে, সেনা প্রত্যাহার এরই মধ্যে নিরবে শুরু হয়েছে এবং সেনা সংখ্যা ৯,০০০ এ নামিয়ে আনা হয়েছে। তবে একজন সিনিয়র মার্কিন কর্মকর্তা এরপর প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের সাথে দ্বিমত পোষণ করে বলেন যে, বাহিনীর আকার অপরিবর্তিত রয়েছে এবং এই সংখ্যাটা হলো ১৪,০০০।
এর পরও, ট্রাম্পের বিবৃতির মাধ্যমে আফগানিস্তানে আমেরিকার ১৮ বছরের যুদ্ধের ইতি টানার জন্য প্রেসিডেন্টের আকাঙ্ক্ষার বিষয়টি উঠে এসেছে।
সেনা প্রত্যাহারে তার ব্যাগ্রতার কারণে তালেবানের অবস্থান সংহত হয়েছে। তালেবানরা এখন সফলভাবে দেশের অর্ধেক অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে এবং আসন্ন শান্তি সম্মেলন আয়োজনের ব্যাপারে তারা সফলও হয়েছে, যেখানে আফগান সরকারের কোন প্রতিনিধি থাকবে না।
জার্মানি আর কাতার এই সংলাপে সহায়তা করছে এবং সকলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তারা জানিয়েছে যে, অংশগ্রহণকারীরা ব্যক্তিগতভাবে সম্মেলনে অংশ নিবেন, যে ধারণাটা মোটেই সমর্থন করেন না প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি। রোববারের বৈঠকের ব্যাপারে তিনি কোন মন্তব্য করেননি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জয় শ্রীরাম’ না-বলায় এ বার মার পুরুলিয়ায়

তবে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের জেলা সভাপতি শান্তিরাম মাহাতোর দাবি, ‘‘বিজেপি উগ্র হিন্দুত্বের জিগির তুলে সন্ত্রাস চালাচ্ছে।” বিজেপির জেলা সভাপতি বিদ্যাসাগর চক্রবর্তীর পাল্টা দাবি, ‘‘বিজেপির ভাবমূর্তিতে কালি ছেটাতে তৃণমূল এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।’’
ছাত্রটি জানায়, এক বন্ধুকে বাসে তুলে দিয়ে মাদ্রাসায় ফিরছিল সে। পথ আটকায় বছর তিরিশের জানা চারেক। প্রথমে পরিচয় জানতে চায়। তার পর ‘জয় শ্রীরাম’ বলার জন্য চাপাচাপি করে। তার অভিযোগ, ‘‘ওদের কথা না শোনায় লাথি, ঘুষি মারে। কাকুতি-মিনতি করছিলাম। শোনেনি। পরে ওদের এক জন বলল, ‘খারাপ কিছু হলে ফেঁসে যাব’। তার পরে মার থামে।’’ মাদ্রাসার মৌলানা বলেন, ‘‘রাত পর্যন্ত ঘুমোচ্ছে না দেখে ছেলেটাকে ডেকে কথা বলি। তখনই জানলাম, কী কাণ্ড হয়েছে।’’ ছেলেটিকে এ দিন বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যান তার বাবা। তিনি বলেন, ‘‘কোন ভরসায় মাদ্রাসায় ছেলেকে রাখব? যদি আরও খারাপ কিছু হয়! বাড়ি ফিরেও ছেলে ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছে।”
মাসখানেক আগে কোচবিহারের তুফানগঞ্জে এক ব্যক্তিকে এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর এক মাদ্রাসা শিক্ষককেও ‘জয় শ্রীরাম’ না বলায় নিগ্রহের অভিযোগ ওঠে। নিতুড়িয়ার মাদ্রাসাটির মৌলানা বলেন, ‘‘বুধবার যা ঘটল, তার পরে খুব অস্বস্তি হচ্ছে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হবেন তালেবানদের সঙ্গে বৈঠককারী প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান
কর্মকর্তাটি আরো বলেন, আফগান পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে এটা করা হচ্ছে। বৈঠকের পর পাকিস্তান এ বিষয়ে আফগানিস্তানকে ব্রিফ করবে বলেও জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার প্রথম পাকিস্তানের মিডিয়ায় এই খবর প্রকাশ পায়।
রেডিও পাকিস্তানের খবরে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী নাইম উল হক জানিয়েছেন যে আফগান সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য শিগগিরই ইমরান খান তালেবান নেতাদের সঙ্গে কথা বলবেন।
গত ফেব্রুয়ারিতেও ইসলামাবাদে একই ধরনের বৈঠক আয়োজন করা হয়। কিন্তু কাবুল সরকারের প্রবল আপত্তির মুখে শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করা হয়। হক বলেন, আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির সাম্প্রতি পাকিস্তান সফর ব্যাপকভাবে সফল হয়েছে। এতে আস্থা জোরদার হয়েছে।
ইসলামাবাদে এক সাংবাদিক সম্মেলনে হক যেদিন এই ঘোষণা দেন সেই একই দিন আরেক ঘোষণায় বলা হয় যে চলতি মাসের শেষ দিকে তিন দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন ইমরান। সেখানে ২২ জুলাই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাত করবেন তিনি।
এসব অগ্রগতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কে বরফ গলার ইংগিত দিচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ইসলামাবাদ ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সম্পর্কে টানাপড়েন চলছে। গত বছর পাকিস্তানকে দেয়া ১.৬ বিলিয়ন ডলারের নিরাপত্তা সহায়তা বাতির করে যুক্তরাষ্ট্র।
তালেবানের সঙ্গে আলোচনা
কাতারের রাজধানী দোহায় তালেবানদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র যখন সপ্তম দফা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে তখনই আফগান বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির সঙ্গে পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের খবর প্রকাশ করা হয়।
দোহা আলোচনার ব্যাপারে তালেবান মুখপাত্র সোহাইল শাহিন বুধবার আল জাজিরাকে বলেন যে বর্তমান দফা আলোচনায় দুই পক্ষ চমৎকার অগ্রগতি করেছে। ২০০১ সাল থেকে চলে আসা সংঘাত নিরসনে একটি খসড়া চুক্তি তৈরির কাজ ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ শেষ হয়েছে।
পাশাপাশি কাতার ও জার্মান সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় দোহায় ৭-৮ জুলাই একটি আন্ত:আফগান সংলাপের আয়োজন করা হয়েছে।
কাবুল থেকে সেখানে ৬৪ জন প্রতিনিধি যাচ্ছেন এবং তাদের মধ্যে আফগান সরকারের প্রতিনিধি থাকবে বলে ঘানির সহাকারি মুখপাত্র শামিম আরিফ জানান। অবশ্য কর্মকর্তারা নিজেদের সামর্থ্যে সেখানে যাবে বলে স্পষ্ট করে দেন তিনি।
এ পর্যন্ত তালেবান নেতারা কাবুল সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে অস্বীকার করে আসছে। কাবুল সরকারকে পশ্চিমাদের পুতুল মনে করে তালেবানরা।
পাকিস্তানে নিযুক্ত আফগান রাষ্ট্রদূত আতিফ মাশাল বলেন, শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সরকারকে ছকের উপর রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
দোহা বৈঠকের তালিকায় নারী, সুশীল সমাজের সদস্য এবং আফগান সাংবাদিকদের প্রতিনিধিরাও রয়েছে।
![]() |
| গত ২৭ জুন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি (বাঁয়ে) পাকিস্তান সফর করেন |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অবসরের বয়স বাড়াতে চায় কেন্দ্র, বাজেটের আগে ইঙ্গিত অর্থমন্ত্রী নির্মলার

অর্থনৈতিক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ২০৩১-’৪১ সালের মধ্যে, অর্থাৎ আগামী দু’দশকের মধ্যে ভারতের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ০.৫ শতাংশের নিচে ঘোরাফেরা করতে পারে। যেমন জন্মের হার কমবে, তেমনই বাড়বে গড় আয়ু। সে কারণে অবসরের বয়সসীমা বাড়ানো জরুরি। কর্মক্ষম লোকের অভাব যাতে তৈরি না হয়, মূলত সেই কারণেই অবসরের বয়স বাড়ানোর ভাবনা। এদিন সংসদে আর্থিক সমীক্ষার সঙ্গে জনসংখ্যার বিষয়ে একটি গবেষণাপত্র পেশ করা হয়। সেখানেই বলা হয়েছে, অবসরের বয়সসীমা বাড়ানোর জন্য মোটামুটি এক দশক আগে থেকেই তৈরি হতে হবে, যাতে আগামী দিনের কর্মীবাহিনী প্রস্তুত থাকে। রিপোর্টে আরও দাবি, আগামী ২০ বছরে ভারতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার জার্মানি ও ফ্রান্সের কাছাকাছি হবে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমার কারণ হিসেবে দেশের সামগ্রিক গর্ভধারণের হার অস্বাভাবিক কমছে তা বিভিন্ন সমীক্ষায় ধরা পড়েছে বলে জানান হয়েছে। জন্মহার কমার কারণে সমস্যায় পড়বে সেই সব সংস্থা যারা ভারতের নবীন প্রজন্মকে নিযুক্ত করবে বলে পরিকল্পনা করেছে।
এমনকী, বর্তমানে যে রাজ্যগুলিতে (উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড) গর্ভধারণের হার বেশি, সেখানেও জন্মহার উল্লেখ্যযোগ্যভাবে কমবে বলে রিপোর্টে দেখা গিয়েছে। সমীক্ষার দাবি, জন্মের হার কমার ফলে হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যে প্রাথমিক স্কুলে ভর্তি হওয়ার হার ৫০% বা তার নিচে নেমে গিয়েছে। এই প্রবণতা দেখা গিয়েছে ছত্তিশগড়, অসম ও ওড়িশার মতো রাজ্যেও। জন্মহার কমায় এইসব রাজ্যে স্কুল সংযুক্তিকরণের কথা ভাবা হচ্ছে। অর্থাৎ, তিনটি স্কুল একত্রিত করে একটি স্কুল হয়ে যেতে পারে। অর্থনৈতিক সমীক্ষায় চলতি আর্থিক বছরে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশ স্থির করা হয়েছে। ছ’বছরের মধ্যে ভারতে ৫ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারিত হয়েছে। তার জন্য অবশ্য ফি বছর জিডিপি বৃদ্ধির হার ৮ শতাংশ হওয়ায় বাঞ্ছনীয় বলে উল্লেখ রয়েছে সমীক্ষা রিপোর্টে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা প্রকাশের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইটারে লেখেন, “ভারতকে ৫ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতির দেশ হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০১৯-এর অর্থনৈতিক সমীক্ষা আমাদের কাছে একটি দৃষ্টিভঙ্গির রূপরেখা তৈরি করে দিয়েছে। সামাজিক ক্ষেত্রে অগ্রগতি, প্রযুক্তিকে গ্রহণ এবং শক্তির ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হওয়ায় আমরা যে সুবিধাগুলো পাচ্ছি সেটাও তুলে ধরেছে।”
ভারতীয় সংসদের ইতিহাসে এই প্রথমবার পূর্ণসময়ের কোনও মহিলা অর্থমন্ত্রী বাজেট পেশ করবেন। শুক্রবার বেলা এগারোটায় লোকসভায় নির্মলার ব্রিফকেস দেশের মানুষের জন্য কী কী বার্তা নিয়ে আসতে চলেছে, তার দিকে অধীর আগ্রহে তাকিয়ে রয়েছে সারা দেশই। কৃষিজীবী সম্প্রদায়ের নজর রয়েছে প্রতিশ্রুতি মতো তাদের আয় দ্বিগুণ করার লক্ষ্যে কী পদক্ষেপ হয় সেদিকেই। কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে অর্থব্যবস্থাকে চাঙ্গা করার মতো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। নির্মলা তার কতটা মোকাবিলা করতে সমর্থ হবেন সে জবাব কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মিলবে। বাজেটে সামাজিক বিষয়গুলির উপর নজর দেওয়া হবে। গতবারের মোদি সরকারের ‘স্বচ্ছ ভারত মিশন’-এর মতো এবার সবার জন্য পানীয় জল সংক্রান্ত প্রকল্প ঘোষণা হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। অর্থনীতিতে গতি আনতে মানুষের হাতে নগদ রাখার চেষ্টা হতে পারে। মানুষের হাতে টাকা বেশি থাকলেই তারা বেশি কেনাকাটা করবে বলেই মনে করা হয়। সেক্ষেত্রে আয়করের ক্ষেত্রে সুবিধা দেওয়ারর সম্ভাবনা রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমাদের বন্দিশালা পছন্দ না হলে আমেরিকায় আসবেন না: ট্রাম্প
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বিরোধী ডেমোক্র্যাট সদস্য ও মানবাধিকার সংস্থার লোকজন মেক্সিকো সীমান্তে কয়েকটি বন্দিশিবির পরিদর্শনের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনা করেছেন। এসব বন্দিশিবিরে লোকজনকে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে এবং ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি লোক রাখা হয়েছে। সেখানে পর্যাপ্ত খাদ্য ও পানিসহ মৌলিক জিনিসপত্রের ব্যবস্থা নেই।
এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প গত বুধবার তার টুইটার পোস্টে বলেছেন, “যদি অবৈধ অভিবাসীদের এ অবস্থা ভালো না লাগে তাহলে তাদেরকে বলে দিন যে, তারা যেন না আসে। সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।”
তিনি বলেন, “আমাদের সীমান্তরক্ষীরা হাসপাতাল কর্মচারি, ডাক্তার অথবা নার্স নয়। তারা সীমান্তে তাদের দায়িত্ব খুব ভালোভাবে পালন করছে। অবৈধ লোকজন বন্দিশালায় যে পরিবেশে আছে তার চেয়ে তারা তাদের দেশে ভালো ছিল না।”
| আমেরিকার একটি বন্দিশিবির |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুক্তি পাচ্ছেন ইউসুফ কারযাভির মেয়ে
![]() |
| স্বামীর সাথে ওলা আল কারযাভি |
‘পূর্বসতর্কতামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে এই মুক্তির আদেশর শর্ত হচ্ছে তাকে নির্দিষ্ট সময় পরপর স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে হাজিরা দিতে হবে। তবে আদালতের এই আদেশের বিরুদ্ধে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপিল করতে পারবে সরকারি কৌশলিরা। তেমনটি হলে তার মুক্তি নাও হতে পারে।
দুই বছর আগে ৫৬ বছর বয়সী ওলা কারযাভি ও তার স্বামী হোসাম খালাফকে আটক করে মিসরের জান্তা সরকার। বিনাবিচারে তারা দুই বছর ধরে আটক রয়েছে মিসরের কারাগারে।
তাদের পরিবার বলছেন, কোন অপরাধ ছাড়া শুধুমাত্র ইউসুফ কারযাভির মেয়ে ও মেয়ে জামাই হওয়ার কারণেই তাদের আটক করা হয়েছে। ওলা কারযাভির মেয়ে আয়াহ বলেছেন, কোন ধরনের অভিযোগ বা প্রমাণ ছাড়াই তাদের দুই বছর ধরে কারাগারে বন্দী করে রাখা হয়েছে।
আয়াহ বলেন, আমরা আশা করছি এবার তারা মুক্তি পাবেন।
২০১৭ সালের জুনে ওলা ও তার স্বামী হোসামকে আটক করা হয় ব্রাদারহুডের সাথে সম্পর্ক আছে এমন সন্দেহে। একই সাথে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয় তাদের ওপর। যদিও এসব অভিযোগে গ্রেফতার করা হলেও দুই বছরে তার কোন বিচার শুরু হয়নি। এই দুই বছর তাদের কোন ধরনের আইনি সহায়তা গ্রহণ, পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ ও চিকিৎসার সুযোগ দেয়া হয়নি।
মিসরের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ মুরসকিকে সরিয়ে ৬ বছর আগে সামরিক জান্তা ক্ষমতা দখলের পর দেশটিতে ভিন্নমতের সদস্যদের ওপর চলছে নানা নিপীড়ন। হত্যা, গুম, নির্যাতন, কারাবরণসহ সব ধরণের নির্যাতন চলছে নাগরিকদের ওপর। কাতারে বসবাসরত বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ইসলামিক স্কলার ইউসুফ কারযাভির মেয়েকে গ্রেফতার করা হয়েছে শুধুমাত্র তার পরিবারের সদস্য এ কারণে। আল্লামা কারযাভি মিসরের মুসলিম ব্রাদারহুডের আধ্যাতিক নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মিডল ইস্ট মনিটর
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লর্ডসে আজ বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে নামবে পাকিস্তান

এমন আকাশ কুসুম সমীকরণেও আশাহত নয় পাকিস্তান। লক্ষ্যে পৌঁছতে সেভাবে জিততেই মরিয়া তারা। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠেছে রসিকতার ঝড়। হাসি ঠাট্টা মশকরায় মেতেছেন নেটিজেনরা। যে যার মতো করে মজা করছেন।
খোদ পাকিস্তানেরই সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ ইউসুফ এ বিষয়ে বিদ্রুপ করেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ দলের ওপর বজ্রপাত হলে কিংবা ১০ রানে অলআউট হলে সেমিতে যাবে সরফরাজরা।
তবে পাকিস্তানের সাবেক স্পিডস্টার শোয়েব আখতারের সমর্থন পাচ্ছেন সরফরাজরা। শেষ চারে না হোক অন্তত তাদের জয়ের সাহস দিচ্ছেন তিনি। এজন্য যেভাবে খেলতে হবে, সেই উপায়ও বাতলে দিয়েছেন গতিতারকা।
লর্ডসে আজ বাংলাদেশের বিপক্ষে অনুজদের ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলার পরামর্শ দিয়েছেন,‘টাইগারদের বিপক্ষে জিততে চাইলেই হবে না। এজন্য ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে হবে।’
পাকপ্যাশনকে তিনি বলেন, আমরা যেভাবে আগের ম্যাচগুলোতে খেলেছি, সেভাবে খেললে হবে না। রীতিমতো রূদ্রমূর্তির রূপ ধারণ করতে হবে। আগুনে পারফরম্যান্স করতে হবে। যাতে জ্বলে-পুড়ে ছারখার হবে প্রতিপক্ষ। মানসিক ও শারীরিক ভাষা হতে হবে সেরকমই। ভয়ে কুঁচকে গেলে হবে না। সাহসী ক্রিকেট উপহার দিতে হবে। যেটা পাকিস্তান ক্রিকেটের চিরাচরিত চরিত্র ও বৈশিষ্ট্য।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আয়কর থেকে প্রতিরক্ষা, দ্বিতীয় মোদি সরকারের প্রথম বাজেটে থাকতে পারে এই চমকগুলি

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক দ্বিতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে কী কী অপেক্ষা করছে সাধারণ মানুষের জন্য৷
১- চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে লোকসভা ভোটের আগে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করেছিল মোদি সরকার৷ যেখানে আয়কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করা হয়। বলা হয় কোনও ব্যক্তির বার্ষিক আয়ের পরিমাণ ৫ লক্ষ টাকা বা তার কম হলে, সেক্ষেত্রে তাকে কোনও আয়কর দিতে হবে না। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারনা, অন্তর্বর্তী বাজেটের এই প্রস্তাব, পূর্ণাঙ্গ বাজেটে কার্যকর করতে পারে মোদি সরকার৷ যার ফলে দেশের একটা বড় অংশের মানুষ স্বস্তি পাবেন৷
২- প্রথম ইনিংসে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে কৃষকবিরোধী হওয়ার যে অভিযোগ তুলেছিল বিরোধীরা, অন্তর্বর্তী বাজেটে যা কিছুটা খণ্ডনের চেষ্টা করেন তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল৷ লোকসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে দু’হাত খুলে কৃষকদের জন্য বিনিয়োগ ঘোষণা করে সরকার। ‘প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি’ প্রকল্পে ৭৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কৃষকদের ফি বছর ৬ হাজার টাকা দেওয়ার ঘোষণা করে সরকার। এছাড়া পশুপালক ও মৎস্যজীবীদের জন্য ২ শতাংশ সুদ ভর্তুকির কথাও ঘোষণা করেন পীযুষ গোয়েল। পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এই বরাদ্দা বাড়তে পারে বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের৷
৩- পূর্ণাঙ্গ বাজেটের সঙ্গে শুক্রবার ঘোষিত হবে রেল বাজেট৷ সমগ্র দেশের পাশাপাশি এই বাজেটের দিকে চেয়ে রয়েছে উত্তরবঙ্গ৷ প্রতিশ্রুতি মতো, বৃহস্পতিবারই রেলমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে উত্তরবঙ্গের জন্য বিশেষ রেলের ব্যবস্থা করার অনুরোধ করেছেন রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী৷ সেই দাবি আদৌ পূরণ হয় নাকি, তার দিকে তাকিয়ে রয়েছে উত্তরবঙ্গের মানুষজন৷
৪- অন্তর্বর্তী বাজেটে আগেই দেশের প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিল মোদি সরকার৷ চলতি বছর এই খাতে ৪.৩১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা করেছিল কেন্দ্র৷ যা গতবারের তুলনায় ৬.৬ শতাংশ বেশি৷ চিন ও পাক আগ্রাসনের কথা মাথায় রেখে পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এটা মোদি সরকারের বড় পদক্ষেপ হতে পারে বলে আশা বিশেষজ্ঞদের৷
৫- এছাড়া স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রে এবং ডিডিটাল ভিলেজ প্রকল্পে এই বাজেটে চমক থাকতে বলে অনুমান অর্থনৈতিক মহলের৷
পূর্ণাঙ্গ বাজেটের আগে, বৃহস্পতিবারই রাজ্যসভায় আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্ট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। সমীক্ষায়,
চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশ স্থির করা হয়েছে। ছ’বছরের মধ্যে ভারতে ৫ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারিত হয়েছে। তার জন্য অবশ্য ফি বছর জিডিপি বৃদ্ধির হার ৮ শতাংশ হওয়ায় বাঞ্ছনীয় বলে উল্লেখ রয়েছে সমীক্ষা রিপোর্টে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা প্রকাশের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইটারে লেখেন, “ভারতকে ৫ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতির দেশ হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০১৯-এর অর্থনৈতিক সমীক্ষা আমাদের কাছে একটি দৃষ্টিভঙ্গির রূপরেখা তৈরি করে দিয়েছে। সামাজিক ক্ষেত্রে অগ্রগতি, প্রযুক্তিকে গ্রহণ এবং শক্তির ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হওয়ায় আমরা যে সুবিধাগুলো পাচ্ছি সেটাও তুলে ধরেছে।”
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ৯টি চুক্তি স্বাক্ষর

এর মধ্যে রয়েছে- রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তার জন্য এলওসি (লেটার অব এক্সচেঞ্জ) এবং অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতা, বিনিয়োগ, বিদ্যুৎ, সংস্কৃতি এবং পর্যটন সংক্রান্ত চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক ।
বহস্পতিবার সকালে বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব পিপল’এ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরিত হয়।
বৈঠক শেষে দুই নেতার উপস্থিতিতে উভয় দেশের মন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এতে স্বাক্ষর করেন বলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক জানিয়েছেন। চুক্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে:
১.রোহিঙ্গা শরণার্থীদের খাদ্য সাহায্য সংক্রান্ত এলওসি।
এর আওতায় মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য চীন ২ হাজার ৫শ’ মেট্রিক টন চাল সরবরাহ করবে বলে পররাষ্ট্র সচিব জানান।
২.সাংস্কৃতিক বিনিময় ও পর্যটন কর্মসূচি নিয়ে সমঝোতা স্মারক।
৩.ইয়ালু ঝাংবো ও ব্রহ্মপুত্র নদীর তথ্য বিনিময় সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক ও তা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা।
৪.ডিপিডিসির আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ নিয়ে ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট।
৫. বাংলাদেশ ও চীন সরকারের মধ্যে অর্থনীতি ও কারিগরি সহযোগিতা বিষয়ক চুক্তি।
৬. ইনভেস্টমেন্ট কোঅপারেশন ওয়ার্কিং গ্রুপ প্রতিষ্ঠা নিয়ে সমঝোতা স্মারক।
৭.পিজিসিবি প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎ গ্রিড নেটওয়ার্ক জোরদার প্রকল্পের জন্য ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট।
৮. ডিপিডিসির আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ নিয়ে গভর্নমেন্ট কনসেশনাল লোন এগ্রিমেন্ট।
৯. ডিপিডিসির আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ নিয়ে প্রিফারেনশিয়াল বায়ার্স ক্রেডিট লোন এগ্রিমেন্ট।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিইসি উচ্চ আদালতের রায় পড়ে দেখতে পারেন

আপিল বিভাগ একাধিক রায় নিশ্চিত করে বলেছেন, নির্বাচন ‘ফেয়ার, জাস্টলি এবং অনেস্টলি’ হলো কিনা সেটা খতিয়ে দেখার দায় ইসির। ইসি যদি সন্তুষ্ট হয় যে, নির্বাচন অবাধ হয়নি, তাহলে ইসির ক্ষমতা আছে, গোটা নির্বাচন বাতিল করা। এবং নতুন করে নির্বাচন দেয়া।
গত ৩০শে ডিসেম্বরের সাধারণ নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৬ মাস বিলম্বে প্রকাশিত হয়েছে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল। আর এতে দেখা যায়, ১০৩টি আসনের ২১৩টি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে একশত ভাগ এবং ৯০ থেকে ৯৯ শতাংশ ভোট পড়েছে ১৪টি আসনের সাড়ে সাত হাজার কেন্দ্রে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা গত রোববার সাংবাদিকদের বলেছেন, শতভাগ ভোট পড়া স্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয়।
তৎকালীন প্রধান বিচারপতি লতিফুর রহমান, বিচারপতি বিবি রায় চৌধুরী, বিচারপতি এএমএম রহমান ও বিচারপতি কাজী এবাদুল হক সমন্বয়ে গঠিত আপিল বিভাগ ২০০০ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি ইসির ক্ষমতা বিষয়ে একটি রায় দেন।
৫ বিএলসিতে ছাপা আপিল বিভাগের ওই রায়ে বলা হয়, ১৯৯৭ সালে সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে মো. নজরুল ইসলাম ও নূর হোসেনের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। নূর হোসেন নির্বাচনী ফল বাতিল চেয়ে রিট করেন।
হাইকোর্ট তা নাকচ করলে নূর হোসেন আপিল বিভাগে যান।
হাইকোর্ট ডিভিশন এই যুক্তিতে নির্বাচনের ফল বাতিলের আবেদন নাকচ করেছিলেন যে, নির্বাচনের দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে নির্বাচনের ফলাফল এবং ঘোষণার পরে। তাদের যুক্তি ছিল আপিল বিভাগের এমন ডিসিশন রয়েছে যে, নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পরে রিটে নির্বাচনের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না। নির্বাচনের ট্রাইব্যুনাল হয়ে আসতে হবে। কিন্তু অ্যাপিলেট ডিভিশন বলেছে, এই ক্ষেত্রে নির্বাচনের পরে অভিযোগ আনা হয়েছে মর্মে যে কথা বলা হয়েছে, তা সত্য নয়। দুটি নির্বাচন কেন্দ্রে নির্দিষ্টভাবে নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ ছিল এবং তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। সুতরাং এই নির্বাচনের বিষয়ে ইলেকশন কমিশন পুনরায় নির্বাচনের সিদ্ধান্ত দিতে পারবে।
আপিল বিভাগ মত দেন যে, সাক্ষ্য-প্রমাণ দ্বারা যেহেতু এটা প্রমাণিত যে নির্বাচন কমিশন এ মর্মে সন্তুষ্ট যে, দুটি কেন্দ্রে নির্বাচন কারচুপি হয়েছে। এবং ভালো নির্বাচন হয়নি। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে এই ক্ষমতা রয়েছে। কারণ তাকে দেখতে হবে যে নির্বাচন জাস্টলি, অনেস্টলি এবং ফেয়ারলি হয়েছে কিনা।
এফ এম শাহ আলম বনাম মুজিবুল হক মামলায় ৪১ ডিএলআর-এ বর্ণিত আপিল বিভাগের রায়ের বরাতে বলা হয়, নির্বাচন হয়ে গেছে বলে নির্বাচনের ফলাফল বাতিলে নির্বাচন কমিশনের কিছুই করণীয় নেই, এই যুক্তি দেয়া যাবে না। কারণ সামগ্রিক দায়িত্বশীলতা ইসির। একটি সত্যিকারের সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন সততার সঙ্গে করার দায়িত্ব শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের। নির্বাচন কমিশন যদি তার এই ক্ষমতা নেই বলে দাবি করে তাহলে পেশিশক্তিকেই উৎসাহিত করা হয়।
প্রিজাইডিং অফিসার সকালে একটি কেন্দ্রে ভোটের ফলাফলের বিষয়ে এক ধরনের কথা বলেছেন, আবার সন্ধ্যায় বলেছেন, এখানে কোনো নির্বাচনই অনুষ্ঠিত হয়নি। কিছু ক্ষেত্রে এটাও প্রমাণিত হয়েছে যে প্রিজাইডিং অফিসার হুমকির মুখে নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা করেছেন।
আপিল বিভাগ এই মন্তব্যও করেছে যে, নো ইলেকশন নো ডেমোক্রেসি।
নির্বাচনের প্রয়োজন রয়েছে কিন্তু একটা বিকৃত নির্বাচন অথবা ভোট বিহীন নির্বাচন গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে। নির্বাচন কমিশনের যে পুনঃনির্বাচন দেয়ার এবং ফলাফল বাতিল করে যে নির্বাচন দিতে পারে তা সুপ্রতিষ্ঠিত নীতি দ্বারা সমর্থিত। এটা কোনো নতুন উদ্ভাবন নয়।
৪৫ ডিএলআর এ বর্ণিত আলতাফ হোসেন বনাম আবুল কাশেম ৪১ ডিএলআর-এ বর্ণিত এফএম শাহ আলম বনাম মুজিবুল হক এবং ৪৩ ডিএলআরে বর্ণিত আবদুর রব মিয়া বনাম ফজলুর রহমান মামলায় আপিল বিভাগের দেয়া রায়গুলো পর্যালোচনা করে ওই রায়ে আপিল বিভাগ মন্তব্য করেন যে, এমন অনেক উপলক্ষ আসতে পারে, যখন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার উদ্ভব ঘটতে পারে। মাস্তান দখল করে নিতে পারে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা প্রতিপক্ষের এজেন্টদের তাড়িয়ে দিতে পারে এবং তারপর তারা ব্যালটবক্সে ব্যালট পেপার ঢুকাতে পারে আর তারপর জবরদস্তি অথবা সততা কিনে নিয়ে প্রিজাইডিং অফিসারকে দিয়ে তাদের পক্ষে ফলাফল ঘোষণা করিয়ে নিতে পারে। আর সেই ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের নতুন নির্বাচন দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে।
আপিল বিভাগের পর্যবেক্ষণে আরো উল্লেখ করা হয় যে, কোন একটি কেন্দ্রে নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হতে পারে এবং প্রিজাইডিং অফিসার কোনো একজন প্রার্থীর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ভুয়া প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশনই হচ্ছে, সেই সংস্থা যদি তার কাছে এই অভিযোগ গ্রহণযোগ্য মনে হয়, তাহলে তার পক্ষে হস্তক্ষেপ করাটা হবে সমীচীন।
ওই রায়ে বলা হয়, ১৯৯৮ সালে আবুল বাশার বনাম কামরুল হাসান মামলায় বলা হয়, এক পরাজিত প্রার্থী নির্বাচনে অনিয়মের দরখাস্ত করেছিলেন। কিন্তু তা নাকচ করা হয়। রিটার্নং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করা হলে তারা তদন্ত করে বলেছিলেন, ভোট সঠিক হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও ওই পরাজিত প্রার্থীর পক্ষে বিএনপির মহাসচিব ইলেকশন কমিশনে অভিযোগটি পাঠান।
তখন ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার বিষয়টি তদন্ত করেন এবং তদন্ত করে তিনি বলেন যে নির্বাচনে অনিয়ম হয়েছে। একটা কেন্দ্রে নির্বাচনী অনিয়ম হয়েছে এবং এই রিপোর্টের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন পুনরায় নির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু তার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হলে হাইকোর্ট বিভাগ নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পক্ষেই মত দিয়েছিলেন।
২০১৭ সালে এই রায় হাইকোর্টের আরেকটি রায়ে সমর্থিত হয়। ওই রায়ের ৩৪ প্যারাগ্রাফ-এ লেখা হয়েছে, আমাদের আপিল বিভাগ একাধিক্রমে তিনটি মামলায় ফেয়ার ইলেকশন যদি না হয়, তাহলে নির্বাচন কমিশনের কর্তৃত্ব কি হবে তা উত্তমরূপে পরীক্ষা করেছেন।
আপিল বিভাগ বলেছে, কোনো দরখাস্তকারী যদি কোনো নির্বাচনী অনিয়ম সম্পর্কে অভিযোগ করেন, আর নির্বাচন কমিশন যদি সে বিষয়ে নীরব থাকে, নির্বাচনী অনিয়মের বিষয়ে প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতি যদি ইসি তার চোখ বন্ধ করে রাখে, তাহলে সেটা হবে স্পষ্টরূপেই ‘এ কেস অফ মেলিস।’ আর সে কারণে তা রিটের আওতায় হস্তক্ষেপের যোগ্য হয়ে উঠবে।
২০১৭ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক বনাম বাংলাদেশ ও অন্যান্য মামলায় বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেন এবং বিচারপতি আমির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দিয়েছেন।
২০১৬ সালে নোয়াখালীর সেনবাগের কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন প্রসঙ্গে মামলাটি আদালতে এসেছিল। এই মামলায় দরখাস্তকারীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন।
নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে এই মামলায় অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন নির্বাচনের ফল বাতিল করে পাঁচটি কেন্দ্রে পুনরায় নির্বাচন দাবি করেছিলেন। হুমায়ুন বলেছিলেন এটা বোধগম্য যে কিশোরপুর ইউনিয়নের কোথাও সত্যিকারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।
অ্যাটর্নি জেনারেল এর বিরোধিতা করে দাবি করেছিলেন এই নির্বাচন নিয়ে এখন প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ নেই। কারণ ফল ঘোষণা করা হয়েছে।
লক্ষণীয় হাইকোর্ট বিভাগ এই বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত না দিয়ে সিদ্ধান্তের জন্য ইসির কাছে পাঠিয়েছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাসিনা-লি বৈঠক: ঢাকা-বেইজিং ৯ চুক্তি সই

আমরা এর আগে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে দু’দেশকে সহায়তা করেছি এবং আমরা আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রাখবো। চীনের প্রধানমন্ত্রী বলেন, দু’দেশকে আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান বের করতে হবে। এ প্রসঙ্গে কেকিয়াং উল্লেখ করেন যে, চীন তার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে দু’বার মিয়ানমারে পাঠিয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনে আমরা আবারো আমাদের মন্ত্রীকে মিয়ানমারে পাঠাবো। শহীদুল হক বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের কারণে এই শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হচ্ছে। আলোচনায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, যতই সময় যাবে এই সমস্যা ততই বড় আকার ধারণ করবে এবং এর একমাত্র সমাধান হচ্ছে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান হবে। তিনি বলেন, মিয়ানমারকে এ সমস্যার সমাধান করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থা করেছে। আমরা এ ব্যাপারে সব ধরনের প্রয়াস চালিয়েছে। কিন্তু, রোহিঙ্গারা ফেরত যেতে চায় না। কারণ, তারা শঙ্কিত যে তাদের ওপর আবারো নৃংশসতা চালানো হবে।
এই শংকা দূর করতে এবং রোহিঙ্গারা যাতে নিরাপদে, মর্যাদা ও নিজস্ব পরিচয়ে নিজ দেশে ফেরত যেতে পারে সেজন্য অনুকূল পরিবেশ গড়ে তুলতে চীনের ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন শেখ হাসিনা। বলেন, তাদের জমি-সম্পত্তির ওপর অবশ্যই তাদের অধিকার থাকতে হবে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রেক্ষিতে চীনের প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, তাঁর দেশ এটা বুঝতে পেরেছে যে রোহিঙ্গা সমস্যা হচ্ছে বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। চীনের প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটে মানবিক সাড়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
গ্রেট হলের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার মেয়ে বাংলাদেশের অটিজম বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপারসন সায়মা ওয়াজেদ হোসেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম।
বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টা থেকে প্রায় আধা ঘণ্টা এ বৈঠক চলে। বেলা পৌনে ১১ টার দিকে শেখ হাসিনা গ্রেট হল অব দ্য পিপলে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান লি কেকিয়াং। হলের সামনে তিয়েনআনমেন স্কয়ারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়। এরপর সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার দেয়। তোপধ্বনির পর সুসজ্জিত একটি বাদক দল দুই দেশের জাতীয় সংগীত বাজিয়ে শোনায়।
৯ চুক্তি সই: দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পর বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যে ৯টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সাক্ষরিত হয়। এর মধ্যে রয়েছে- রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তার জন্য এলওসি (লেটার অব এক্সচেঞ্জ) এবং অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতা, বিনিয়োগ, বিদ্যুৎ, সংস্কৃতি এবং পর্যটন সংক্রান্ত চুক্তি ও সমঝোতা। বৈঠক শেষে দুই নেতার উপস্থিতিতে উভয় দেশের মন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তির মধ্যে রয়েছে-১. রোহিঙ্গা শরণার্থীদের খাদ্য সাহায্য সংক্রান্ত এলওসি। এর আওতায় মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য চীন ২ হাজার ৫শ’ টন চাল সরবরাহ করবে। ২.সাংস্কৃতিক বিনিময় ও পর্যটন কর্মসূচি নিয়ে সমঝোতা স্মারক। ৩.ইয়ালু ঝাংবো ও ব্রহ্মপুত্র নদীর তথ্য বিনিময় সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক ও তা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা। ৪.ডিপিডিসির আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সমপ্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ নিয়ে ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট। ৫. বাংলাদেশ ও চীন সরকারের মধ্যে অর্থনীতি ও কারিগরি সহযোগিতা বিষয়ক চুক্তি। ৬. ইনভেস্টমেন্ট কোঅপারেশন ওয়ার্কিং গ্রুপ প্রতিষ্ঠা নিয়ে সমঝোতা স্মারক। ৭.পিজিসিবি প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎ গ্রিড নেটওয়ার্ক জোরদার প্রকল্পের জন্য ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট। ৮. ডিপিডিসির আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সমপ্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ নিয়ে গভর্নমেন্ট কনসেশনাল লোন এগ্রিমেন্ট। ৯. ডিপিডিসির আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সমপ্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ নিয়ে প্রিফারেনশিয়াল বায়ার্স ক্রেডিট লোন এগ্রিমেন্ট।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ত্রিপলির অভিবাসী শিবিরে বিমান হামলায় এক বাংলাদেশি নিহত
হামলার জন্য দায়ী কে?
![]() |
| সরকার পরিচালিত বন্দী শিবিরে হাজার হাজার অভিবাসীকে আটকের পর রাখা হয়। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুস্থ হয়ে উঠছে ফাবিয়ান চৌধুরী by ওয়েছ খছরু

এরপরও ফাবিয়ানের জ্ঞান না ফেরায় তাকে ঘটনার দু’দিনের মাথায় ঢাকার গ্রীনলাইফ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রায় ১০ দিন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিল ফাবিয়ান। এরপর তার জ্ঞান ফিরে। ধরা পড়ে তার বুকের টিস্যু ছেঁড়া এবং কোমরের নিচের অংশ আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে প্রায় বিচ্ছিন্ন। এই অবস্থায় ডাক্তাররা গত সোমবার তার শরীরে অস্ত্রোপচার করেন। এই অস্ত্রোপচার সফল হওয়ায় আপাতত ফাবিয়ানের জীবনহানির শঙ্কা কেটে গেছে বলে পরিবার সূত্র জানিয়েছে। কী হয়েছিল ফাবিয়ানের- সেটি নিয়ে এখনো কৌতূহল। বিষয়টি নিয়ে ফাবিয়ানের সঙ্গে পরিবারের সদস্যরাও ভালোভাবে কথা বলেননি। তবে ফাবিয়ান এইটুকু বলেছে- ‘তাকে ছাদ থেকে কেউ ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে।’ পারিবারিক সূত্রের বরাত দিয়ে ফাবিয়ানের এই বক্তব্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন অ্যাডভোকেট গোলাম সুবহান চৌধুরী। তিনি ফেসবুক আইডিতেও এ তথ্য উল্লেখ করেছেন। ফাবিয়ানকে হাসপাতালে দেখে এসে গত বুধবার অ্যাডভোকেট গোলাম সুবহান চৌধুরী নিজের ফেসবুকে স্ট্যাটাসে লিখেছেন- ‘ফাবিয়ান চৌধুরীর বাম পায়ে ও কোমরের নিচে মেজর অপারেশন হয়েছে দু’দিন পূর্বে। পাশেই তার উদ্বিগ্ন বাবা-মা ব্যতিব্যস্ত যেন সন্তানের কোনো কষ্ট না হয়। কিছুক্ষণ পর পর ব্যথায় সে কুঁকড়ে উঠছে তাতেই বাবা-মা স্থির থাকতে পারছেন না। সুস্থ হয়ে উঠার জন্য বহুদিন লড়ে যেতে হবে ফাবিয়ান ও তার পরিবারকে।’ স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ফাবিয়ান বলেছে যে- তাকে কেউ পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে স্কুলের ছাদ থেকে ফেলে দিয়েছে। তাই সচেতন মহল মনে করে স্কুলের ছোট বাচ্চাদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিষয়টি তদন্ত হওয়া উচিত এবং তদন্তের ফলাফল সবার জানা দরকার। ছোট শিশুদের নিরাপত্তা প্রদানে স্কুল কর্তৃপক্ষ সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করেছিল কি-না, তাতে তাদের কোনো গাফলতি ছিল কি-না তাও উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা জানতে চান।’ এদিকে ফাবিয়ানের ঘটনার পর স্কলার্সহোমের শিক্ষকদের আচরণে চরম ক্ষুব্ধ পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার পর প্রিন্সিপালের নানা কথা আহত করেছে পিতা ফারহিম চৌধুরীকে। তিনিও নিজের ফেসবুক আইডিতে স্কলার্সহোমের অভিভাবকদের উদ্দেশ্য করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। এতে তিনি উল্লেখ করেছেন- ‘স্কলার্সহোম স্কুলের শিবগঞ্জ শাখা ও অন্যান্য শাখার অভিভাবকদের জ্ঞাতার্তে বলছি- আপনারা কি জানেন আপনার সন্তান স্কুলে কতটুকু নিরাপদে থাকে। আপনারা অবশ্যই জোর করে হলে স্কুলের ভেতর প্রদক্ষিণ করবেন এবং সম্পূর্ণ নিরাপদ পরিবেশ না হলে আপনার সন্তানকে সেখানে দিবেন না। আমি চাই না আজ যেটা আমার সন্তানের বেলায় ঘটেছে সেটা আপনার সন্তানের বেলায় ঘটুক।’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘স্কলার্সহোমের শিবগঞ্জ শাখার প্রিন্সিপাল ওয়েসিস হাসপাতাল অথরিটিকে জানালেন- সে পাঁচতলায় মেয়েদের বাথরুমে গিয়েছিল, এরকম নোংরা মনে যে সমস্ত শিক্ষক কথা বলে তাদের মানসিকতা নিশ্চয় প্রশ্নবিদ্ধ। ফাবিয়ান যখন আলহারামাইনে ছিল তখন তিনি বললেন- সে পয়জন খেয়েছে। কিন্তু তার পাকস্থলি ও রক্ত পরীক্ষা করে দেখা গেছে কিছুই পাওয়া যায়নি। তিনি এখন আবার বলছেন- সে পরীক্ষায় সি পেয়েছে বলে সে সুইসাইড করার চেষ্টা করেছে। এটা নিতান্তই হাস্যকর। এত কম বয়সের শিশুদের মধ্যে এই ট্যান্ডেন্সি তৈরি হয় না।’ ফাবিয়ানের ঘটনা নিয়ে এখনো অন্ধকারে স্কলার্সহোম কর্তৃপক্ষ। তবে- স্কুলের ট্রাস্টি হাফিজ আহমদ মজুমদার এমপি ফাবিয়ানের চিকিৎসা সম্পর্কে আন্তরিক। তিনি ঢাকার গ্রীন লাইফ হাসপাতালে গিয়ে ফাবিয়ান চৌধুরীকে দেখে এসেছেন। তার পিতা-মাতাকে সান্ত্বনা দিয়ে এসেছেন। এবং ফাবিয়ানের ঘটনাটি তারা গুরুত্ব সহকারে নিয়েছেন বলে জানিয়ে এসেছেন। এ কারণে ফাবিয়ানের পরিবার কিছুটা সান্ত্বনা পেয়েছে। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষের আচরণে তারা খুশি নয়। ঘটনাটিকে ঝাপসা করে রাখায় পরিবারের ক্ষোভ। একই ভাবে ক্ষুব্ধ স্কুলের অভিভাবকরা। তারা জানিয়েছেন, সিলেটের স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে স্কলার্সহোম একটি। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে অভিভাবকদের উৎকণ্ঠা কমছে না। এদিকে ফাবিয়ানের ঘটনায় স্কুলের ট্রাস্টের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই তদন্ত কমিটি তাদের প্রাথমিক একটি রিপোর্ট ট্রাস্টের সেক্রেটারি বরাবর দিয়েছে। স্কলার্সহোম শিবগঞ্জ শাখার প্রিন্সিপাল প্রাণবন্ধু বিশ্বাস গতকাল মানবজমিনকে জানিয়েছেন, ট্রাস্টের গঠিত তদন্ত কমিটি এরই মধ্যে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে সুনির্দিষ্ট কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ না পাওয়ায় ফাবিয়ানের বক্তব্যের জন্য অপেক্ষার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আশার কথা হলো- ফাবিয়ান সুস্থ হয়ে উঠছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি আরব মাতাতে যাচ্ছেন র্যাপ তারকা নিকি মিনাজ

খবরে বলা হয়, কট্টোর রক্ষণশীল সৌদি আরব ভবিষ্যতের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার লক্ষ্যে রক্ষণশীলতার চাদর থেকে বেড়িয়ে আসছে। এরই অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে দেশটি। এরমধ্যে সিনেমা হল তৈরি ও হালাল নাইটক্লাব খোলার ঘোষণা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এরইমধ্যে নতুন করে ঘোষণা এল, জেদ্দায় সাংস্কৃতিক উৎসব মাতাতে আসছেন বিশ্বখ্যাত র্যাপ তারকা নিকি মিনাজ।
তার আগমনের খবর জানাতে বুধবার সৌদি আয়োজকরা একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে তারা নিশ্চিত করেন যে, আগামি ২৮ জুলাই তাদের উৎসবে আসছেন এই র্যাপ তারকা।
নিকি মিনাজের পুরো নাম হচ্ছে অনিকা তানিয়া মারাজ। তিনি আবেদনময়ী ও অতিযৌনতাসূচক ভাবমূর্তির জন্য বিখ্যাত। তাকে সবসময়ই যৌন উত্তেজক মিউজিক ভিডিও তৈরি করতে দেখা যায়। তার লাইভ কনসার্টেও দেখা যায় একই চিত্র। নিকি মিনাজের গানের কথাও বেশিরভাগ যৌনতা ও নারী ক্ষমতায়ন সম্পর্কৃত। সৌদি আইন অনুযায়ী এই কনসার্ট হবে মদমুক্ত। এটি কিং আব্দুল্লাহ স্পোর্টস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে যারা এই ইভেন্টে অংশ নিতে চান তাদের জন্য দ্রুত ইলেক্ট্রনিক ভিসার সুযোগ চালু করেছে সৌদি আরব।
সৌদি গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই অনুষ্ঠানটি এমটিভিতে লাইভ দেখানো হবে। এতে নিকি মিনাজের পাশাপাশি আরো অংশ নেবে বৃটিশ সঙ্গীত তারকা লায়াম পায়েন ও মার্কিন ডিজে স্টিভ আওকি। বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে তাদের সকলের ছবি প্রদর্শন করা হয়। তাদের এ ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেক সৌদি নাগরিকদের দেখা গেছে এ ঘোষণায় আনন্দ প্রকাশ করে টুইট করতে। আবার অনেককেই সৌদি সরকারের দ্বিমুখী নীতি নিয়ে সমালোচনাও করতে দেখা গেছে।
সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান দেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎ চিন্তা করে দেশের মধ্যেই বিনোদনের নানা ক্ষেত্র সৃষ্টির ঘোষণা দেন। এই লক্ষ্যে ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে রিয়াদ ৩৫ বছর পর সিনেমার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। ইতিমধ্যে সিনেমার বড় বাজার সৃষ্টিতে সমগ্র সৌদি আরবজুড়ে আধুনিক সিনেমা হল নির্মানের ঘোষণাও দেয়া হয়েছে। গত কয়েক মাসে দেশটিতে কনসার্ট করেছেন নানা বিশ্বখ্যাত তারকারা। এরমধ্যে আছেন, এনরিকে ইগ্লেসিয়াস, দ্য ব্ল্যাক আইড পিয়াস, সিন পাল, ডিজে ডেভিড গেটা ও তিয়েস্তো। কনসার্টের উচ্চ শব্দে পুরো শহর মাতিয়েছেন এই আন্তর্জাতিক তারকারা।
নতুন করে নানা উতসবের দ্বার উন্মোচন করছে সৌদি আরব। আর এতে অংশ নিতে পারবেন ১৬ বছরের ওপরের সকল নারী। দেশটিতে এখনো নারীদের বিষয়ে নানা রক্ষণশীলতা বিদ্যমান থাকলেও গত বছর থেকে অবস্থার কিছুটা উন্নতি দেখা যায়। এ বছরই প্রথমবারের মত সৌদি নারীরা গাড়ি চালানোর অনুমোদন পায়। একইসঙ্গে, নারীরা এখন স্টেডিয়ামে গিয়ে বা যে কোনো স্পোর্টস ইভেন্ট সরাসরি দেখতে পারেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড পছন্দ করি না

আদালতে ডেপুটি এটর্নি জেনারেল মামলার অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনের উদ্বৃতি দিয়ে আদালতকে জানান, এ মামলায় ১২ জন এজাহারনামীয় আসামি আছেন। তার মধ্যে পাঁচজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। আত্মরক্ষার স্বার্থে গুলি ছুড়তে বাধ্য হয় পুলিশ। ঘটনাস্থলে একজন আসামি নয়ন বন্ড বলে চিহ্নিত করেন।
আরো জানানো হয়, এজাহারভুক্ত ৫ এবং সন্দেহভাজন ৪ জনসহ মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রিফাত হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মামলার ২ নম্বর আসামি রিফাত ফরাজী (২৩), ৪ নম্বর আসামি চন্দন (২১), ৯ নম্বর আসামি মো. হাসান (১৯), ১১ নম্বর আসামি মো. অলিউল্লাহ অলি (২২) ও ১২ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয় (২১)। সন্দেহভাজন গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. নাজমুল হাসান (১৯), তানভীর (২২), মো. সাগর (১৯), কামরুল হাসান সাইমুন (২১) ও রাফিউল ইসলাম রাব্বি। এজাহারভুক্ত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। তখন আদালত বলেন, আমরা কখনই নির্বাহী বিভাগের যেসব দায়িত্ব পালন করার কথা সেসব বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চাই না। এটা তাদের দায়িত্ব, তাদের রুটিন ওয়ার্ক। যদি সেখানে কোনো ব্যত্যয় ঘটে তখনই শুধুমাত্র বিচার বিভাগ নির্দেশনা বা হস্তক্ষেপ করে থাকে। তবে আমরা এক্সট্রা জুডিশিয়াল কিলিং পছন্দ করি না। হয়তো প্রয়োজনের খাতিরে অনেক সময় জীবন বাঁচানোর তাগিদে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী করে থাকে। তবে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এ বিষয়ে আরো সতর্ক হতে হবে। আইন যে সুযোগ-সুবিধা দিয়েছে সেটা যেন নিশ্চিত হয়। আদালত আরো বলেন, একদিনে এই নয়ন বন্ডরা তৈরি হয় না। কেউ না কেউ তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করে। কেউ না কেউ তাদের লালন-পালন করে ক্রিমিনাল বানায়।
পরে ডেপুটি এটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাসার সাংবাদিকদের বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ প্রশাসন ও সরকারের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। উনারা একটি প্রতিবেদন মহামান্য হাইকোর্টে দাখিল করেছেন। আমরা মহামান্য আদালতের কাছে সে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেছি। এ বিষয়ে সার্বিক অগ্রগতি অবহিত করেছি। এ মামলায় ১২ জন এজাহারনামীয় আসামি আছেন। তার মধ্যে পাঁচজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। নয়ন বন্ড নামে একজন আসামি ঘটনাস্থলে গুলিতে মারা যান। এ পর্যায়ে আদালত নয়ন বন্ড কিভাবে মারা গেল তা জানতে চায় বলে জানান তিনি। আমরা জানিয়েছি পুলিশের কাছে গোপন সংবাদ ছিল আসামিরা সেখানে অবস্থান করছেন। পুলিশ সেখানে গিয়েছে এবং পুলিশের উপরে প্রথমে অতর্কিতভাবে গুলিবর্ষণ শুরু হয়। তখন পুলিশ নিজেদের জীবন বাঁচনোর জন্য পাল্টা গুলি চালালে সেখানে একজন মারা যান। ইতিমধ্যে এলাকাবাসী সেখানে ছুটে আসে। এলাকাবাসীই প্রথম নয়ন বন্ডকে শনাক্ত করে। তারপর তারা জানতে পারেন নিহত ব্যক্তিই নয়ন বন্ড ছিল। সেখানে তার গ্রুপ ০০৭ এর অন্যান্য সদস্যরা ছিল। এ সময় আদালত বিচার বহির্ভূত হত্যা কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেন। একইসঙ্গে আদালত এমন মন্তব্যও করেন, নয়ন বন্ডরা একদিনে তৈরি হয়নি। কেউ তাকে লালন করেছে। বিচার বহিভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরো সতর্ক হতে বলেছেন।
গত ২৬ মার্চ বরগুনা শহরে প্রকাশ্যে সড়কে স্ত্রীর সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয় যুবক রিফাতকে। ওই ঘটনার ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় বয়ে যায়। পরের দিন বৃহস্পতিবার সকালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট রুহুল কুদ্দুস কাজল বরগুনায় রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রকাশিত বিভিন্ন পত্রিকার প্রতিবেদন বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চের নজরে আনেন। এরপর আদালত মামলার অগ্রগতি শুনতে বৃহস্পতিবার দিন ঠিক করে দিয়েছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দ্রুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারকে সম্মত করার চেষ্টা করবে চীন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রধানমন্ত্রী কেকিয়াংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বেইজিং এ আশ্বাস দিয়েছে।
বৈঠকে চীনের প্রধানমন্ত্রী এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা দ্রুত সমাধানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, এতে কোন সন্দেহ নেই যে এটা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সমস্যা।
লি কেকিয়াং এ সমস্যা দ্বিপক্ষীয় ভিত্তিতে সমাধানেও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, চীন এই সমস্যা সমাধানে সহায়তা করবে।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক চীনের প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উভয়ে চীনের বন্ধু। আমরা এর আগে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে দু’দেশকে সহায়তা করেছি এবং আমরা আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রাখবো।
চীনের প্রধানমন্ত্রী বলেন, দু’দেশকে আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান বের করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে কেকিয়াং উল্লেখ করেন যে, চীন তার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে দু’বার মিয়ানমারে পাঠিয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনে আমরা আবারো আমাদের মন্ত্রীকে মিয়ানমারে পাঠাবো।
শহীদুল হক বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের কারণে এই শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হচ্ছে।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, যতই সময় যাবে এই সমস্যা ততই বড় আকার ধারণ করবে এবং এর একমাত্র সমাধান হচ্ছে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন।
শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান হবে।
কেন রোহিঙ্গারা ফিরে যেতে চায় না? উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিয়ানমারকে এ সমস্যার সমাধান করতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের করার কিছুই নেই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থা করেছে। আমরা এ ব্যাপারে সব ধরনের প্রয়াস চালিয়েছে। কিন্তু, রোহিঙ্গারা ফেরত যেতে চায় না। কারণ, তারা শঙ্কিত যে তাদের ওপর আবারো নৃংশসতা চালানো হবে।
এই শংকা দূর করতে এবং রোহিঙ্গারা যাতে নিরাপদে, মর্যাদা ও নিজস্ব পরিচয়ে নিজ দেশে ফেরত যেতে পারে সেজন্য অনুকূল পরিবেশ গড়ে তুলতে চীনের ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, তাদের জমি-সম্পত্তির ওপর অবশ্যই তাদের অধিকার থাকতে হবে।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রেক্ষিতে চীনের প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, তাঁর দেশ এটা বুঝতে পেরেছে যে রোহিঙ্গা সমস্যা হচ্ছে বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
চীনের প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটে মানবিক সাড়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
সূত্র : বাসস
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুন্দরবনকে বিপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা থেকে বাদ দিলো ইউনেস্কো
![]() |
| সুন্দরবন (ছবি: ইন্টারনেট থেকে) |
ফ্রান্সে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সুন্দরবনের পাশে রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ, বনের ভেতর দিয়ে জাহাজ চলাচলসহ বিভিন্ন কারণে সুন্দরবনের পরিবেশ ও প্রতিবেশ হুমকির মুখে, দীর্ঘদিন ধরেই এমন অভিযোগ জানিয়ে আসছিল জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত সংস্থাটি। একারণে বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটি সুন্দরবনকে বিপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। এ বিষয়ে শুনানি ছিল আজ।
দূতাবাসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সভায় বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটিকে এ বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। ২১ সদস্য বিশিষ্ট বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটিতে বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনার পর সর্বসম্মতভাবে সুন্দরবনকে বিপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, কিউবা, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং চীন সুন্দরবনকে বিপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করার নতুন সিদ্ধান্ত উপস্থাপন করে। আলোচনাকালে পরিবর্তিত সিদ্ধান্ত প্রস্তাবকারী কিউবা, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং চীন ছাড়াও আজারবাইজান, ব্রাজিল, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, তিউনিসিয়া, তানজানিয়া, বুরকিনাফাসো, উগান্ডা, জিম্বাবুয়ে ও পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে ভারতসহ ১৫টি সদস্য রাষ্ট্র সরাসরি এ সিদ্ধান্তের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বক্তব্য প্রদান করে।
কমিটিতে সুন্দরবন সংরক্ষণে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ প্রশংসিত হয় বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
কমিটি সদস্য রাষ্ট্রগুলো উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও পরিবেশ রক্ষায় পদক্ষেপের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন এবং এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জনকে স্বাগত জানান। পরবর্তীতে অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্র তাদের অবস্থানের প্রতিফলন ঘটিয়ে সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
এ কমিটির নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ বছর বাংলাদেশ সরকার বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির বিশেষজ্ঞের সমন্বয়ে একটি প্রতিনিধিদলকে আমন্ত্রণ জানাবে এবং আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে হালনাগাদ তথ্য সম্বলিত প্রতিবেদন জমা দেবে। এছাড়াও বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের কৌশলগত পরিবেশ অবস্থা জানাতে প্রক্রিয়া শুরু করার ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানায়।
সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী কমিটির সদস্যদেরকে ধন্যবাদ জানান। বর্তমান কমিটির উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষায় গৃহীত এ সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকারকে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়নে উৎসাহিত করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের প্রায় ৫ কোটি মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্মিতব্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর প্রতি সমর্থন জানালো বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটি।
একইসঙ্গে কমিটির সদস্যরা পরিবেশ সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেছেন বলে জানিয়েছেন তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। সুন্দরবনকে বাংলাদেশের গর্ব হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সুন্দরবন সুরক্ষায় সরকার প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে কমিটিকে আশ্বস্ত করা হয়েছে।
ইউনেস্কোর সভা আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে ৩০ জুন থেকে শুরু হয়ে আগামী ১০ জুলাই ২০১৯ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
এই সভায় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তৌফিক- ই- ইলাহী চৌধুরী। প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও ইউনেস্কোতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি কাজী ইমতিয়াজ হোসেন।
উল্লেখ্য, সুন্দরবন ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
![]() |
| আজারবাইজানের বাকুতে বিপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির সভায় বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১২ ছাত্রীর ‘ধর্ষক’ মাদ্রাসা প্রধান আল আমিন by বিল্লাল হোসেন রবিন

এদিকে মাদ্রাসার ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার পর শত শত এলাকাবাসী ও উৎসুক মানুষ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। এক পর্যায়ে এলাকাবাসী ধর্ষক আল আমিনের ফাঁসি ও মাদ্রাসা বন্ধের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করে। নারী অভিভাবকরা বলেন, আমরা এখন কোন নিরাপত্তায় সন্তানদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠাবো? এমন একজন হুজুর যদি এ কাজ করতে পারে এরপর আর কার ওপর বিশ্বাস থাকবে? তাই এই হুজুরকে প্রকাশ্যে ক্রসফায়ার দিয়ে মেরে ফেলা উচিত।
দুপুর ১টার দিকে ঘটনাস্থলে প্রেস ব্রিফিং করে র্যাব-১১ এর সিও লে. কর্নেল কাজী শামসের উদ্দিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন র্যাব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলেপ উদ্দিন, ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আসলাম ও ইন্সপেক্টর (অপারেশন) আব্দুল আজিজ প্রমুখ।
র্যাবের সিও জানান, অধ্যক্ষ আল আমিন মাদ্রাসার একটি রুমে তার পরিবার নিয়ে থাকতো এবং একটি অফিস কক্ষসহ কয়েকটি ক্লাসরুমে মেয়েদের পড়াতো। তার স্ত্রী একজন পর্দানশীল মহিলা, সে ভেতরের দিকে থাকতো, সামনে তেমন একটা আসতো না। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন সময় পড়তে আসা ছাত্রীদের ডেকে তার রুম ঝাড়ু দেয়া ও বিভিন্ন কৌশলে এনে রুমের ভেতর তাদের যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণ করে।
র্যাব-১১’র অধিনায়ক জানান, এসব ঘটনার প্রমাণস্বরূপ আমরা তার মোবাইলফোন ও কম্পিউটার তল্লাশি করে প্রচুর পর্নোগ্রাফি ভিডিও পেয়েছি। কিছু কিছু পর্নোগ্রাফি সে নিজেও তৈরি করেছে। সে তার কাছে পড়তে আসা কোনো ছাত্রীর ছবির মাথার অংশ পর্নোগ্রাফি ভিডিওর সঙ্গে সংযুক্ত করে ছাত্রীদের ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে একাধিকবার ধর্ষণ করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক অধ্যক্ষ আল আমিন ধর্ষণ, ধর্ষণের চেষ্টা ও যৌন হয়রানির বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে তার দাবি তিনি আগে এমনটা ছিলেন না। শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে সে এমনটা করতেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও তিনি জানান।
র্যাব-১১ এর লে. কর্নেল কাজী শামসের উদ্দিন জানান, কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া স্কুলশিক্ষকের ধর্ষণের ঘটনাটির প্রচারিত বিভিন্ন নিউজ ও ভিডিও আমরা আমাদের ফেসবুক পেইজে আপলোড করেছিলাম। এই নিউজ দেখে স্থানীয় একজন মহিলা যখন ফেসবুকে দেখছিলেন, তখন তার তৃতীয় শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে এটি দেখে তার মাকে জিজ্ঞাসা করে যে, ‘স্কুলের ওই শিক্ষকের শাস্তি হলে আমাদের হুজুরের কেন শাস্তি হবে না? আমাদের হুজুরও তো আমাদের সঙ্গে এমন করে। আমার ওই মাদ্রাসায় যেতে ভালো লাগে না। আমি মাদ্রাসায় আর যাবো না। পরে শিশুটি তার মাকে বিস্তারিত জানালে শিশুটির মা আমাদের কাছে অভিযোগ করেন যে, ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ একাধিক ছাত্রীকে তার মাদ্রাসায় বিভিন্ন সময় ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন করেছে। তিনি জানান, এরপর র্যাব এসব অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান শুরু করে। অনুসন্ধানে জানা যায়, শুধু ওই শিক্ষার্থী নয়, ২০১৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত অর্থাৎ এক বছর ধরে ওই মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ১২ জন ছাত্রীকে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানি করেছেন। পরে গতকাল ওই মাদ্রাসায় অভিযান চালিয়ে অধ্যক্ষ আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে গ্রেপ্তার হওয়ার পর মাওলানা আল আমিন সাংবাদিকদের জানান, আমি বড় অন্যায় করেছি। পাপ করেছি। আমি এমন ছিলাম না। শয়তান আমার ওপর ভর করেছে। শয়তানের প্ররোচনায় আমি এসব করেছি। এর জন্য আমি একক দায়ী। আমার স্ত্রী-সন্তান কোনো অন্যায় করেনি। তাদের সম্মান যাতে না যায়। আমি আমার মৃত্যুদণ্ড চাই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিয়ের জন্য সৌদি নারীদের নতুন শর্ত
সৌদি আরবে গত বছর ২৪ জুন নারীদের গাড়ি চালানোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়েছে সরকার, যার এক বছর পূর্তি হলো গত সোমবার। এরপরও গাড়ি চালানোর ওপর স্বামীর নিশ্চয়তা পেতে এই ধরনের শর্ত জুড়ে দিচ্ছেন স্ত্রীরা।
শুধু তা–ই নয়, নারীরা আরও অনেক রকম শর্তই জুড়ে দিচ্ছেন বিয়ের চুক্তিতে। কারও শর্ত তাঁকে বিয়ের পর চাকরি করতে দিতে হবে, কারও শর্ত বিয়ের পর স্বামীকে ধূমপান ছেড়ে দিতে হবে, কারও শর্ত স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারবেন না। স্ত্রীর উপার্জনে হাত দিতে পারবেন না, প্রথম বছরে বাচ্চা নিতে পারবেন না—এমন শর্তও দিচ্ছেন দেশটির কোনো কোনো নারী। বিয়ের সময়ই চুক্তিতে নারীদের এই ধরনের শর্ত যোগ করার বিষয়টি সৌদি আরবের সমাজ পরিবর্তনের চিত্রই উপস্থাপন করছে।
সৌদি রক্ষণশীল সমাজে পুরুষের আধিপত্যই শেষ কথা। দেশটিতে নারীদের পড়াশোনা, বিয়ে করা, এমনকি কারাভোগ শেষে কারাত্যাগের বিষয়েও পরিবারের পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি নিতে হয়।
সাম্প্রতিক ইতিহাসে সৌদি আরবই একমাত্র দেশ, যেখানে নারীদের গাড়ি চালানোর ওপর আইন করে নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। গত বছরের জুনে ওই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে নারীদের জন্য এমন অনেক সংস্কারই হচ্ছে দেশটিতে।
কড়া পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার সৌদি আরবে বিয়ের সময় করা চুক্তিপত্রই নারীদের নিরাপত্তাবলয় হিসেবে কাজ করে থাকে। স্বামীরা চুক্তির শর্ত ভাঙলে স্ত্রীর বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন গ্রাহ্য করেন আদালত। পুরুষেরাও এই চুক্তিতে স্ত্রীদের ওপর অনেক শর্ত চাপিয়ে দেন। যেমন স্ত্রী চাকরি করতে পারবেন না, বিয়ের পর শাশুড়ির (বরের মা) সঙ্গে থাকতে হবে ইত্যাদি। বিয়ে নিবন্ধনকারী কাজিরা জানিয়েছেন, ভবিষ্যৎ মতবিরোধ এড়াতেই চুক্তিপত্রে এসব শর্তের আশ্রয় নেন হবু স্বামী-স্ত্রী। তবে নারীদের শর্তে জুড়ে দেওয়া এখনো পুরোনো ধ্যানধারণার অনেকে মানতে পারেন না। অনেকে ‘ট্রোল’ করছেন ওই সব স্বামীদের।
দাম্মামের বাসিন্দা মাজেদ (২৯) বিয়ে করতে যাচ্ছেন। তাঁর হবু স্ত্রী (২১) তাঁকে শর্ত দিয়েছেন, বিয়ের পর তাঁকে গাড়ি চালাতে এবং চাকরি করতে দিতে হবে। মাজেদ এই শর্ত মেনে নিয়েছেন।
![]() |
| রিয়াদের ড্রাইভিং স্কুলে শিক্ষানবিশ দুই সৌদি নারী। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিশুদের পরিচর্যায় যুক্তরাজ্যে প্রচারণা চালাচ্ছেন টিউলিপ by অদিতি খান্না
![]() |
| টিউলিপ সিদ্দিক |
লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন আসন থেকে নির্বাচিত লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ সিদ্দিক ব্যক্তিগত জীবনে দুই সন্তানের জননী। এছাড়া তিনি হাউস অব কমন্সে অল পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপ ফর চাইল্ডকেয়ার অ্যান্ড আর্লি এডুকেশনের চেয়ারের দায়িত্ব পালন করছেন।
সর্বদলীয় এই পার্লামেন্টারি গ্রুপের সাম্প্রতিক এ প্রতিবেদনের শিরোনাম করা হয়েছে ‘স্টেপস টু সাসটেইনেবিলিটি।’ এতে সতর্ক করে দিয়ে বলা হয়, পর্যাপ্ত তহবিল দেওয়া না হলে যুক্তরাজ্যে শিশুদের পরিচর্যার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক শুধু ধনীদের বিষয় হয়ে উঠতে পারে।
টিউলিপ সিদ্দিক বলেন, আমরা জানি যে জীবনের প্রাথমিক বছরগুলো শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং ভবিষ্যত জীবনের সম্ভাবনাগুলো বিকশিত হওয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ শিশুদের পরিচর্যাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক স্থিতিশীলতা অর্জন এবং তা বজায় রাখার জন্য লড়াই করছে। সরকারের নীতির কারণেই তাদের এমন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।
তিনি বলেন, সরকারের প্রতি অনুরোধ যেন আমাদের এ সংক্রান্ত সুপারিশগুলো মেনে নেওয়া হয়। সফল ও টেকসই চাইল্ডকেয়ার নীতির আলোকে যেন তাৎক্ষণিক তহবিল ও সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়।
২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে উপযুক্ত কর্মীদের পরিবারের তিন ও চার বছর বয়সী শিশুরা সরকারি তহবিলে প্রতি সপ্তাহে ৩০ ঘণ্টা করে চাইল্ডকেয়ার সুবিধা ভোগ করে। তবে এটি চালুর পরপরই সমালোচনার মুখে পড়ে বিষয়টি। সমালোচকরা বলছেন, যে তহবিল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা দিয়ে এ ধরনের একটি সেবা চালু রাখা যায় না। গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিডা’র ধারণা, এই সেক্টর বছরে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি তহবিল ঘাটতির কবলে পড়বে।
প্রি-স্কুল লার্নিং অ্যালায়েন্সের প্রধান নির্বাহী নেইল লিচ বলেন, সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে আমরা দেখতে পাচ্ছি, নার্সারি, প্রি-স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ফি বাড়ছে। মা-বাবার ব্যয় বাড়ছে। এক্ষেত্রে হয় মানের ব্যাপারে আপোস করতে হচ্ছে অথবা ভালো কিছুর আশা ছেড়ে দেওয়ার দ্বারপ্রান্তে যেতে হচ্ছে।
সর্বদলীয় প্রতিবেদনে বলা হয়, বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো না হলে চাইল্ড কেয়ার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ধনীদের বিষয়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে। কর্মজীবী মা-বাবাদের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে।
উল্লেখ্য, শিশুদের রেখে নিশ্চিন্তে কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার মতো জায়গাগুলোর (চাইল্ডকেয়ার সেন্টার) খরচ বেশি হলে সাধারণ কর্মজীবী মায়েদের সন্তানদের লেখাপড়ার ব্যঘাত ঘটে। ফলে চাইল্ডকেয়ার সেন্টারগুলোতে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতার গুরুত্ব রয়েছে। এর ফলে কর্মজীবী মায়েদের পক্ষে সন্তানকে সেখানে রেখে কাজে যেতে সুবিধা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অস্ত্র কিনে যাচ্ছে মিয়ানমার

অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে সামরিক-বৌদ্ধতন্ত্রের প্রচারণায় রাখাইনে ছড়ানো হয়েছে রোহিঙ্গা বিরোধী বিদ্বেষ। ২০১৭ সালের আগস্টে সেখানে চালানো হয় এক নৃশংস সামরিক অভিযান। হত্যা করা হয় অসংখ্য মানুষকে, নারী ও কিশোরীদের করা হয় ধর্ষণ, পুড়িয়ে দেয়া হয় বাড়ি-ঘর। প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয় সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা। এসব নির্যাতনের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিভাবে নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ে মিয়ানমার।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ মিয়ানমারের সঙ্গে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। দেশটির বেশ কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। জাতিসংঘের তথ্য অনুসন্ধান মিশনের পক্ষ থেকে মিয়ানমারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ছিন্নের আহ্বান জানানো হয়। তবে তাতেও মিয়ানমারের অস্ত্র কেনায় কোনো ছেদ পড়েনি। থামেনি তাদের আগ্রাসী আচরণ। পরবর্তীতে মিয়ানমারের উপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এখনো তাদের কাছে অস্ত্র বিক্রি শুরু করেনি মার্কিন প্রশাসন। কিন্তু সামরিক নোবেলজয়ী সু চির দেশে অস্ত্র বিক্রি অব্যাহত রেখেছে চীন। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই) এর তথ্য অনুযায়ী, দেশটি মিয়ানমারের অস্ত্রের প্রধান উৎস। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ২০১৩ থেকে ২০১৭ সালে মিয়ানমারের ৬৮ শতাংশ অস্ত্রের আমদানি হয়েছে চীন থেকে। এসআইপিআরআইয়ের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের জ্যেষ্ঠ গবেষক সিমন উইজেম্যান জানান, সাঁজোয়া যান, ভূমি থেকে আকাশের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের প্রযুক্তি, রাডার ও মানববিহীন ড্রোনসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম ছিল এর মধ্যে। উল্লেখ্য, রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘে মিয়ানমারকে সমর্থন দিয়ে আসছে বেইজিং।
চীন ছাড়া আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মিয়ানমারের অন্যতম মিত্রদেশ রাশিয়া। গত মাসে সেদেশের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিং অং হ্লায়াং। রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শুইগু ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে মিয়ানমার সফর করেন এবং ৬টি এসইউ-৩০ বিমান বিক্রি নিয়ে একটি চুক্তিতে সই করেন। এই চুক্তিটি ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বলে অনুমান করা হয়। ‘ফাইটার জেট’ বিমান বাহিনীর প্রধান যুদ্ধবিমানে পরিণত হয়েছে বলে সেই সময় জানান মিয়ানমারের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে চীনের বিপরীতে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে প্রতিবেশী মিয়ানমারের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক বাড়ায় ভারত। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটেও নির্লিপ্ত ভূমিকা রাখে নরেন্দ্র মোদি সরকার। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কয়েকবার ভারত সফরে গেছেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিং অং লাইং। রোহিঙ্গা ইস্যুতে তীব্রভাবে সমালোচিত হন মিয়ানমারের বেসামরিক অংশের নেত্রি সুচি। কিন্তু তা সত্ত্বেও ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মোদি। সে সময় প্রতিরক্ষা সম্পর্ক বাড়ানোর বিষয়ে সম্মত হন তারা।
মিয়ানমারের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ২০১৮ সালে রোহিঙ্গা সংকটের মধ্যেও মিয়ানমার সরকারকে পানি বিশুদ্ধকরণ সিস্টেম প্রদান করে ইসরাইল। এর আগে ২০১৫ সালে ইসরায়েল সফর করেন জেনারেল হ্লায়াং।
তবে মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ইসরায়েলের অভ্যন্তরেই নানা ধরনের বিতর্ক রয়েছে। ২০১৭ সালে একবার অস্ত্র বিক্রি বন্ধও হয়ে গিয়েছিল। ইয়াঙ্গুনস্থ ইসরাইলি দূতাবাস জানিয়েছে, মিয়ানমারের কাছে অস্ত্র বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'ইমান অটুট রাখতে' বলিউড ছাড়ছেন জায়রা ওয়াসিম
![]() |
| জায়রা ওয়াসিমের জন্ম কাশ্মীরে |
তিনি বলেছেন, নিজস্ব পেশার ফলে ধর্ম ও বিশ্বাসের সাথে তার যে সম্পর্ক সেটা নষ্ট হচ্ছিল এবং এর ফলে তিনি মোটেও পরিতৃপ্ত ছিলেন না।
মেগা-তারকা আমির খান অভিনীত 'দঙ্গল' ও 'সিক্রেট সুপারস্টার' ছবিতে অভিনয় করেই আলোচিত হয়ে ওঠেন কাশ্মীরে জন্ম নেওয়া ভারতীয় এই অভিনেত্রী।
খুব অল্প সময়ের মধ্যে গোটা ভারতে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি।
জায়রা ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার কথা জানালে সেটি সাথে সাথেই সোশাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়ে পড়ে।
জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী এই অভিনেত্রী তাতে লিখেছেন, "আমি হয়তো এখানে (বলিউড) পুরোপুরি ঠিক আছি। কিন্তু আমি এখানকার মানুষ নই।"
"পাঁচ বছর আগে আমি একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যা আমার জীবন বদলে দিয়েছে। বলিউডে পা দেওয়া মাত্রই আমার জন্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তার দরজা খুলে গিয়েছিল।"
"আমি জনগণের কাছে আকর্ষণের কারণ হয়ে উঠতে শুরু করি। আমাকে তরুণদের জন্যে আদর্শ মডেল হিসেবেও তুলে ধরা হতে থাকে।"
জায়রা ওয়াসিম আরো লিখেছেন, "কিন্তু আমি কখনো এরকম হতে চাইনি। সাফল্য বা ব্যর্থতাকে আমি কখনো এভাবে দেখিনি। আর এটা আমি এখন বুঝতে শুরু করেছি।"
জায়রা ওয়াসিমের বয়স এখন ১৮। তার অভিনয় জীবন মাত্র পাঁচ বছরের, কিন্তু এর মধ্যেই তিনি জনপ্রিয়তার তুঙ্গে পৌঁছে যান।
![]() |
| ফেসবুকে জায়রা ওয়াসিমের পোস্ট |
"এখানে আমি প্রচুর ভালবাসা ও সমর্থন পেয়েছি, প্রশংসাও পেয়েছি। কিন্তু একই সাথে এটি আমাকে অজ্ঞানতার পথে নিয়ে যাচ্ছিল।"
তিনি মনে করেন যে এর ফলে অবচেতন মনেই তিনি তার 'ইমান' (ধর্মবিশ্বাস) থেকে দূরে সরে যাচ্ছিলেন।
"এধরনের পরিবেশে কাজ করতে করতে দেখলাম যে এটা আমার ইমানে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে, ধর্মের সাথে আমার সম্পর্কের ক্ষেত্রে হুমকি হয়ে উঠেছে।"
তিনি লিখেছেন, "এতো ছোট জীবনে এই বিশাল লড়াই আমি লড়তে পারব না। সুতরাং, সিদ্ধান্ত নিলাম।"
সিক্রেট সুপারস্টার ছবিতে জায়রা এমন এক কিশোরীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, যেখানে একটি ধর্মীয় প্রতিবন্ধকতার পরিবেশের বিরুদ্ধে লড়াই করে তিনি সঙ্গীতশিল্পী হয়ে উঠতে চেয়েছিলেন।
ছবিতে তার পিতা কখনো তার এই স্বপ্নকে সমর্থন করতেন না। ফলে তিনি নাম পরিচয় গোপন রেখে ইউটিউবে তার গান প্রচার করতে থাকেন। এবং এক সময় তিনি বড় এক প্রযোজকের চোখে পড়ে যান।
শেষ পর্যন্ত মায়ের সহযোগিতায় পিতার নিষেধাজ্ঞার বাধা ডিঙ্গিয়ে সফল শিল্পী হয়ে ওঠেন তিনি।
জায়রা ওয়াসিম তার ফেসবুকে পোস্টে লিখেছেন, ইমান অটুট রাখতে তিনি নিজের আত্মার সাথে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করেছেন এবং এতে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।
"শুধু একবার নয়, শত শতবার চেষ্টা করেও আমি তাতে জিততে পারিনি," জানিয়েছেন জায়রা।
"কোরানের মহৎ জ্ঞানের মধ্যেই আমি পূর্ণতা ও শান্তি খুঁজে পেয়েছি। হৃদয় যখন তার স্রষ্টার জ্ঞান অর্জন করতে পারে তখনই সে শান্তি খুঁজে পায়।"
জায়রা লিখেছেন, এখন থেকে তিনি নতুন এক জীবন শুরু করতে চান।
অন্যদের পরামর্শ দিতে গিয়ে তিনি আরও লিখেছেন, "সাফল্য, খ্যাতি, ক্ষমতা কিংবা বিত্ত কখনো মানুষকে শান্তি দিতে পারে না।"
![]() |
| আমির খানের সাথে জায়রা ওয়াসিম |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিজের ব্যর্থতা এড়িয়ে অন্যদের দোষী করা অন্যায়

দলের পুনর্গঠনে কঠিন সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন। ২০১৯ নির্বাচনে ব্যর্থতার জন্য অনেককেই দায়ী করা যায়।
তবে দলের সভাপতি হিসেবে নিজের ব্যর্থতা এড়িয়ে শুধু অন্যদের দোষী করা হবে অন্যায়। আমার অনেক সহকর্মী পরামর্শ দিয়েছেন যাতে আমি পরবর্তী সভাপতি নির্ধারণ করে যাই। কিন্তু দলের যখন নতুন নেতৃত্ব প্রয়োজন তখন আমার উচিত হবে না সেই ব্যক্তিকে নির্ধারণ করে দেয়া। দল হিসেবে কংগ্রেসের সংগ্রাম ও মর্যাদার একটি শক্তিশালী ইতিহাস ও ঐতিহ্য আছে। এটি ভারত রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে গাঁথা রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি কংগ্রেসই এ বিষয়ে সেরা সিদ্ধান্তটি নেবে যে, কে আমাদের সাহস, ভালোবাসা ও বিশ্বস্ততার সঙ্গে নেতৃত্ব দেবে। কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটিকে আমি পরামর্শ দেব, আমার পদত্যাগের পর দ্রুতই তারা যেন নতুন সভাপতি নির্ধারণের কাজ শুরু করে। আমি তাদের সেই ক্ষমতাই দিয়েছি এবং এই প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সমর্থন দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।
আমি কখনোই রাজনৈতিক ক্ষমতার জন্য লড়াই করিনি। বিজেপির প্রতি আমার কোনো ক্রোধ নেই কিন্তু আমার শরীরের প্রতিটি কোষ তাদের আদর্শের বিরোধিতা করে। এটি কোনো নতুন যুদ্ধ নয়, আমাদের মাটিতে হাজার বছর ধরে এ যুদ্ধ চলছে। যেখানে তারা দেখে বিভেদ আমি দেখি সাদৃশ্য। যেখানে তারা দেখে ঘৃণা আমি দেখি ভালোবাসা। তারা যা ভয় পায় আমি তাকে আলিঙ্গন করি।
আমাদের দেশ ও সংবিধানের ওপর যে আক্রমণ হচ্ছে তা ভারতীয় জাতির সত্তাকে নষ্ট করে দিচ্ছে। আমি কোনো অবস্থাতেই এই যুদ্ধ থেকে পিছিয়ে আসব না। আমি কংগ্রেসের একজন অনুগত যোদ্ধা। ভারতমাতার একজন ত্যাগী সন্তান হিসেবে আমার সর্বশেষ নিশ্বাস দিয়ে আমি দেশকে রক্ষা করব। আমরা শক্তি ও গৌরবের সঙ্গে একটি নির্বাচনে লড়েছি। আমাদের প্রচারণা ছিল ভ্রাতৃত্ব, অহিংস ও সকল ধর্মের মানুষের জন্য সম্মানের। আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রী, আরএসএসের সঙ্গে লড়াই করেছি। আমি লড়াই করেছি কারণ আমি ভারতকে ভালোবাসি। যে আদর্শের ওপর ভারত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল আমি তার জন্য লড়াই করছি। আমি আমার কর্মী ও দলীয় সদস্যদের থেকে উদ্যম ও ত্যাগের শিক্ষা পেয়েছি।
একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নিরপেক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ। একটি নির্বাচন কখনই স্বাধীন গণমাধ্যম, স্বাধীন বিচারবিভাগ ও স্বচ্ছ নির্বাচন কমিশন ছাড়া অবাধ ও সুষ্ঠু হতে পারে না। নির্বাচনে আমরা কোনো দলের বিরুদ্ধে নয় বরঞ্চ সমগ্র রাষ্ট্রযন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়েছি। এটি এখন সপষ্ট হয়ে গেছে যে ভারতের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এখন আর সেই নিরপেক্ষতা নেই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
July
(817)
-
▼
Jul 05
(44)
- রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে দরকার হলে চীনা পররাষ্ট্রমন...
- সৌদি আরবে নিকি মিনাজের কনসার্ট নিয়ে সামাজিক মাধ্য...
- সেনা প্রত্যাহারের খসড়া তৈরিতে হিমশিম খাচ্ছে যুক্তর...
- জয় শ্রীরাম’ না-বলায় এ বার মার পুরুলিয়ায়
- পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হবেন তালেবানদের সঙ্গে বৈ...
- অবসরের বয়স বাড়াতে চায় কেন্দ্র, বাজেটের আগে ইঙ্গিত...
- আমাদের বন্দিশালা পছন্দ না হলে আমেরিকায় আসবেন না: ট...
- মুক্তি পাচ্ছেন ইউসুফ কারযাভির মেয়ে
- লর্ডসে আজ বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে নামবে পাকিস্তান
- আয়কর থেকে প্রতিরক্ষা, দ্বিতীয় মোদি সরকারের প্রথম...
- ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ৯টি চুক্তি স্বাক্ষর
- সিইসি উচ্চ আদালতের রায় পড়ে দেখতে পারেন
- হাসিনা-লি বৈঠক: ঢাকা-বেইজিং ৯ চুক্তি সই
- ত্রিপলির অভিবাসী শিবিরে বিমান হামলায় এক বাংলাদেশি...
- সুস্থ হয়ে উঠছে ফাবিয়ান চৌধুরী by ওয়েছ খছরু
- সৌদি আরব মাতাতে যাচ্ছেন র্যাপ তারকা নিকি মিনাজ
- বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড পছন্দ করি না
- দ্রুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারকে সম্মত করার ...
- সুন্দরবনকে বিপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা থেকে বাদ দ...
- ১২ ছাত্রীর ‘ধর্ষক’ মাদ্রাসা প্রধান আল আমিন by বিল্...
- বিয়ের জন্য সৌদি নারীদের নতুন শর্ত
- শিশুদের পরিচর্যায় যুক্তরাজ্যে প্রচারণা চালাচ্ছেন ট...
- নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অস্ত্র কিনে যাচ্ছে মিয়ানমার
- 'ইমান অটুট রাখতে' বলিউড ছাড়ছেন জায়রা ওয়াসিম
- নিজের ব্যর্থতা এড়িয়ে অন্যদের দোষী করা অন্যায়
- কারিগরি সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারছে না ভারতের তৈরি তে...
- হঠাৎ বদলে গেল আয়াজের জীবন by পিয়াস সরকার
- শ্রীলংকার সুফী মুসলিমদের আতঙ্কিত করেছিল জাহরান, পা...
- যে কারণে চুক্তি ভেঙে ইউরেনিয়ামের মজুদ বাড়িয়েছে ...
- ‘অসামান্য অগ্রগতি’, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পঞ্চম দিনে...
- শানশওকত ফেলে রাজকুমারী পালালেন কেন?
- ইউরোপিয়ান কমিশন প্রধান হিসেবে মনোনীত প্রথম নারী
- কাশ্মীর কি আগামীতে আরও সহিংসতার পথে চলেছে?
- ইরানকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হস্তান্তরে প্রস্তু...
- জীবনে প্রথমবার জুতা পেয়ে আনন্দে আত্মহারা উগান্ডার ...
- এনআরসি’র নিজস্ব সংস্করণ তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছে ভার...
- কলকাতায় মাঝরাতের আরেক রূপ by সুতীর্থ গুপ্ত
- নুসরতকে পাশে নিয়ে ইসকনের রথযাত্রায় সাম্প্রীতির বার...
- ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধ প্রস্তুতি
- পাখির বাসাটি বাঁচাতে...
- ভারতের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যনীতি সন্ধিক্ষণে by জিই চাও
- হাসপাতালে মৃত ফুরকান বাড়িতে নড়ে উঠলেন
- রাখাইনে সেনা হেফাজতে যুবকের মৃত্যু, নির্যাতনের অভিযোগ
- ঈমান নষ্ট হওয়ার ভয়ে অভিনয় ছাড়লেন আমির খানের মেয়ে!
-
▼
Jul 05
(44)
-
▼
July
(817)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...










