Tuesday, October 15, 2013
সহজিয়া কড়চা- যদি এমন হতো দশম জাতীয় সংসদ by সৈয়দ আবুল মকসুদ
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গদ্যকার্টুন- সেই সব দিন by আনিসুল হক
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মন্তব্য- আ.লীগের লগি-বৈঠার জবাবে বিএনপির দা-কুড়াল! by সোহরাব হাসান
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উপাচার্য পদটি মর্যাদা হারাচ্ছে by মেজর সুধীর সাহা (অ ব.)

সম্ভবত তখন সপ্তম শ্রেণীতে পড়ি। শিক্ষক দত্ত বাবু আমার পাশে বসা ছাত্রটিকে বেত্রাঘাত করছিলেন। শিক্ষকের ভাষায়, ছেলেটি ভুল উত্তর দিয়েছিল। আমি নিশ্চিত ছিলাম যে, ছাত্রটি সঠিক উত্তর দিয়েছে। তাই শিক্ষক দত্ত বাবুকে কথাটা বলেছিলাম। ব্যস, সমস্ত রাগ এবার পড়ল আমার ওপর। বেদম বেত্রাঘাত করলেন আমাকে। রীতিমতো রক্ত বের হচ্ছিল। মনে মনে খুব রেগে গিয়েছিলাম এবং প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, বড় হয়ে শিক্ষক হব এবং স্যারের ছেলেকে পিটিয়ে এর বদলা নেব। সেই সময়ের একটি ছাত্রের জন্য এর বাইরে কোনো কিছু চিন্তা করার সুযোগ ছিল না। শিক্ষকের প্রতি সম্মান থেকেই এ পদ্ধতি সেই সময়ে ছিল। যখন আরেকটু বড় হয়েছি, তখন বন্ধু মোতালেব দুঃখ করে বলেছিল, অংকের শিক্ষক হালদার স্যার তাকে অংকে ফেল করিয়ে দিচ্ছেন বারবার। তাই মোতালেব ’আদু ভাই’। আমার বড় ভাইয়ের সঙ্গেও ছিল, আবার এখন আমার সঙ্গেও আছে। হয়তো এরপরও সে একই ক্লাসে থাকবে। মোতালেব হালদার স্যারকে রাস্তায় একা পেয়ে ধরবে এবং অপমান করবে- এমন আস্ফালন করেছিল আমার কাছে অনেকবার। প্রস্তুতিও নিয়েছিল কয়েকবার। কিন্তু হালদার স্যারের কাছাকাছি গিয়ে একটি সালাম দিয়ে দ্রুত সরে পড়েছিল প্রতিবারই।
ঢাকা কলেজে পড়ার সময় হিন্দু হোস্টেলে সরস্বতী পূজার চাঁদা তোলার দায়িত্ব পড়েছিল আমার ওপর ধানমণ্ডি অঞ্চলে। অন্য দু’জন ছাত্র নিয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরে একসময় গিয়েছিলাম তৎকালীন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসায়। ভয়ে ভয়ে ভেতরে ঢুকে স্যারকে চাঁদার কথা বলাতে স্যার জানালেন, স্যরি, তোমরা এসেছ কিন্তু আমি তো ধর্মীয় কারণে পূজার জন্য চাঁদা দিতে পারব না। আমরা রীতিমতো লজ্জা পেয়ে যখন বেরিয়ে আসছিলাম, তখন স্যার আবার আমাদের ডাকলেন এবং বললেন, পূজার জন্য নয় বরং তোমাদের ওই উপলক্ষে আনন্দ করার জন্য আমি চাঁদা দিচ্ছি।
স্বাধীনতার অব্যবহিত পর একদল মুক্তিযোদ্ধা কোনো এক উপাচার্যকে রাস্তায় পেয়ে অপমান করেছিল। ওই উপাচার্য মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলেন। তার এক মুক্তিযোদ্ধা ছাত্র তাকে একটি থাপ্পড় মেরেছিল। বিষয়টি ছিল সে সময়ের টক অব দ্য টাউন এবং বিষয়টি পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুর কাছে পর্যন্ত রিপোর্ট করা হয়েছিল। ১৯৭৪ সালে ঢাকার অদূরের একটি স্কুলের শিক্ষককে জাসদের লোকজন গুলি করে হত্যা করেছিল। ওই শিক্ষকের জন্য সেই স্কুলের সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা রাস্তায় গড়াগড়ি করে কেঁদেছিল। প্রথম তিনদিন অনেক ছাত্রছাত্রী অভুক্তও ছিল।
বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলেই শিক্ষক নিয়ে এমন ধরনের গল্প ছড়িয়ে আছে। শিক্ষকদের একটি বিশেষ সম্মানের স্থান স্বীকৃত ছিল সর্বত্র। সেই সম্মানের স্থানটি ধরে রাখতে শিক্ষকদেরও ছিল আন্তরিক প্রচেষ্টা। একজন সত্যিকারের শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রাইভেট পড়ানোর বিষয় ছাড়া আর কোনো অভিযোগ প্রদানের সুযোগ ছিল না। সেই শিক্ষকের মর্যাদা আজ আর সেই জায়গায় নেই। প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকের চাকরিতে আজ তারাই যাচ্ছে, যারা অন্যত্র কোনো চাকরি পাচ্ছে না। স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের নিয়োগে ঘটছে অপরিসীম দুর্নীতি। ঘুষ প্রদানের মাধ্যমে অনেকেই আজ প্রবেশ করছে শিক্ষকের মতো একটি সম্মানের পেশায়। অযোগ্যতার কারণে শিক্ষকরা আজ ধরে রাখতে পারছে না তাদের সম্মানটুকু। অধিকাংশ শিক্ষক হয়ে পড়ছে রাজনীতির শিকার। রাজনীতিতে প্রবেশ করে অধিকাংশ শিক্ষক শিক্ষকতার মহান পেশায় কম সময় দিয়ে দলীয় রাজনীতির চর্চায় বেশি সময় দিচ্ছে।
২.
উপাচার্যের পদ সম্পর্কে পাঠকের কোনো ভুল ধারণা থাকার সুযোগ নেই। মন্ত্রী-এমপি, রাজনীতিক, চেয়ারম্যান-মেম্বার, ব্যবসায়ী যে কেউ হতে পারলেও উপাচার্য হতে হলে প্রয়োজন পড়ে একটি বিশেষ গুণের। উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার সেই গুণের বদৌলতে কেউ পেতে পারেন উপাচার্যের মতো এমন একটি সম্মানজনক পদ। কিন্তু সেই পদটির বর্তমান অবস্থা কী? পত্রপত্রিকার বদৌলতে পাঠকদের ধারণা আছে, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন উপাচার্যের কী অবস্থা এখন। আজ একজন উপাচার্যকে গৃহে আটকে রাখা হচ্ছে, আগামীকাল অন্য একজন উপাচার্যকে অফিসে অবরুদ্ধ করে রাখা হবে, কোনো উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হচ্ছে, কোনো উপাচার্যকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে ইত্যাদি ঘটনা আজ আমাদের দেশের অসংখ্য খারাপ খবরের অন্যতম হয়ে দাঁড়িয়েছে। ছাত্ররা স্লোগান দিচ্ছে- ‘উপাচার্যের অপসারণ চাই’। শিক্ষকরা স্লোগান দিচ্ছে- ‘উপাচার্যের দুর্নীতি বা অপকর্মের শাস্তি চাই’। আবার কোথাও দেখা যাচ্ছে, বিশৃংখলাকারী একদল উপাচার্যের পক্ষের লোক, অন্যদল অন্য শিক্ষকদের লোক। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যের কথাই বলছি। তারা সুখে নেই। প্রতিদিন কোনো না কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কোনো না কোনো ঝামেলার শিকার হচ্ছেন।
কেন এমনটা হচ্ছে? শিক্ষকরা তাদের গুরুকে মানছে না কেন? ছাত্ররা তাদের শিক্ষকের ওপর মারমুখী কেন? সবকিছু মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদটি কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়েছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য দেশের রাষ্ট্রপতি। তিনিই নিয়োগ দেন উপাচার্যদের। তবে কি সেখানেই গলদ? ভুল ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে? তারা কি রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগপ্রাপ্ত হচ্ছেন? শিক্ষক বা ছাত্ররা কি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উপাচার্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে? হয়তো সবক’টি প্রশ্নের উত্তরই ‘হ্যা’ হয়ে যাবে বর্তমান পরিস্থিতিতে। একদল নিয়োগ পাচ্ছে রাজনৈতিক বিবেচনায়, আর অন্যদল তাদের বিরুদ্ধাচারণও করছে রাজনৈতিক বিবেচনায়। খেলাটির শুরু ও শেষ দুটোই রাজনীতির কালচারে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যাচ্ছে। উপাচার্যের মতো একটি সম্মানজনক পদে রাজনীতির বিবেচনায় নিয়োগ দিলে তা দেশের জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে- এটা সম্ভবত অন্য সবাই বুঝলেও দেশের রাজনৈতিক মহল বুঝতে সক্ষম হচ্ছে না। শিক্ষক হোক, সরকারি কর্মকর্তা হোক, সবাইকেই তাদের দলীয় লোক হতে হবে- এমন একটি অপরাজনীতির ধারণা থেকে এদেশের রাজনীতি বের হয়ে আসতে পারছে না।
যে কোনো দেশেই কতগুলো জায়গা থাকে যা বিতর্কের উর্ধ্বে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদটিও তেমন একটি সম্মানজনক পদ, যা কোনো বিতর্ক কিংবা রাজনীতির ছোবলে পড়ার কথা নয়। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য যে, আজ আমাদের দেশের অন্য সব জায়গার মতো এ পদটিও সম্মান ধরে রাখার মতো অবস্থান থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। যখন শুনি উপাচার্যকে আটকে রাখা হয়েছে, যখন শুনি উপাচার্যের বিরুদ্ধে শিক্ষকরা দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন, যখন শুনি উপাচার্যের অপসারণে ছাত্র-শিক্ষক একজোট হয়ে তুলকালাম কাণ্ড করছে, তখন আর যা-ই হোক, কোনো পক্ষের ওপরই সম্মান ধরে রাখার ধৈর্য্য ধারণ করতে পারি না।
মেজর সুধীর সাহা (অব.) : কলামিস্ট
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সবার জীবনেই আসুক ঈদ by আসিফ রশীদ

ঈদ মানে যদি আনন্দ হয়, ঈদুল আজহার মানে যদি ত্যাগ হয়- তাহলে কেন এ দেশের গরিব মানুষের সন্তানদের ভাগ্যে একটা নতুন জামা জোটে না? এই শহরে এত বিত্তবান, এত সুউচ্চ বাড়ি, সড়কজুড়ে সর্বাধুনিক মডেলের গাড়ি, এত জৌলুশ; তবু কেন এত অভাব? এর একটিই কারণ- বৈষম্য। আমরা যদি গভীরে তাকাই, দেখতে পাবো ঈদের সব আনন্দ আয়োজন উচ্চবিত্ত আর মধ্যবিত্তের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। নিম্নবিত্তের কাছে ঈদের দিনটি বছরের আর দশটা দিনের চেয়ে ভিন্ন কোনো অর্থ নিয়ে আসে না। কোরবানির কথাই ধরা যাক। রাজধানীতে হাজার হাজার পশু কোরবানি দেয়া হয়। এর ক’টি হয় ত্যাগের মহিমায়? ঈদ এলে একটি শ্রেণীর মধ্যে কে কত বড় পশু কোরবানি দেবে তার প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায়। ডিপ ফ্রিজ-রেফ্রিজারেটরের বিক্রি বেড়ে যায়। কেউ কি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন, তাদের কাছে পশুর মাংস খাওয়াটাই মুখ্য নয়? এই কি ত্যাগ? এই কি আমাদের ধর্মে প্রদত্ত কোরবানির মর্মবাণী? ধর্ম তো বলেছে, আল্লাহর কাছে কোরবানি করা পশুর রক্ত বা মাংস কিছুই পৌঁছায় না, বরং পৌঁছায় বান্দার ভক্তি। কাজেই কোরবানি কোনো লোক দেখানো বা প্রতিযোগিতার বিষয় নয়। বর্তমানে মাংস বণ্টনের যে রীতি চালু আছে, তা দেশের বিরাট দরিদ্র জনগোষ্ঠীর একটি সামান্য অংশের চাহিদা মেটাতে পারে মাত্র। অথচ একবার ভাবুন, যাদের কোরবানি দেয়ার সামর্থ্য আছে, তারা যদি মাংসের একটি অংশ নয়- পুরোটাই গরিবদের মধ্যে বিলিয়ে দিতেন, তাহলে কতই না ভালো হতো। সারা বছর প্রয়োজনীয় আমিষ জোটে না বলে যারা পুষ্টিহীনতায় ভোগে, বছরের একটি সময় তারা কিছুদিনের জন্য মাংস জমিয়ে রেখে আমিষের চাহিদা মেটাতে পারত। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অভুক্ত শীর্ণ মানুষের জন্য একবেলা বা দুই বেলা উন্নতমানের আহারের ব্যবস্থা হতে পারত। কিছু পশু হালের পশু হিসেবে দরিদ্র কৃষকদের মাঝে দান করে দেয়া যেত। সব ধর্মেই দানকে মহিমান্বিত করা হয়েছে। মানবতার সেবাই তো প্রকৃত ধর্ম। অথচ মানুষের কাছে ধর্মীয় আচারটাই পরিণত হয়েছে মুখ্য বিষয়ে। ধর্মে প্রদত্ত মানবতার বিষয়টি হয়ে পড়েছে গৌণ।
আসলে সবকিছুর মূলে রয়েছে বৈষম্য। এ বৈষম্যের কারণ শুধু প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বললে সবটা বলা হয় না। মানুষের মনমানসিকতাও এজন্য দায়ী। প্রচলিত ব্যবস্থাটাই হয়তো এমন এক ভোগবাদী মানসিকতা তৈরি করেছে যে, সমাজের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী কীভাবে ঈদ উদযাপন করে, সামর্থ্যবানরা তা নিয়ে কখনও মাথা ঘামায় না। দেশে মাথাপিছু আয় বেড়েছে। আমাদের ৬ থেকে ৬.৫০ শতাংশের নিরবচ্ছিন্ন প্রবৃদ্ধি অর্থনৈতিক অগ্রগতির মানদণ্ড হিসেবে বেশ বড় ধরনের সূচক। ইতিপূর্বে লন্ডনের খ্যাতনামা গার্ডিয়ান পত্রিকা বলেছে, এ বছর প্রবৃদ্ধির হিসাবে বিশ্বের শীর্ষ ২০-এ থাকবে বাংলাদেশ। ২০৫০ সাল নাগাদ এ দেশ নাকি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমের উন্নত দেশগুলোকেও ছাড়িয়ে যাবে। দেশে যে অর্থনৈতিক উন্নতি হচ্ছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। মূলত প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স ও রফতানি আয় এ ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখছে। তবে দেখার বিষয়, দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী এর সুফল পাচ্ছে কতটা। বাস্তবতা হল, সম্পদের সিংহভাগ মুষ্টিমেয় কিছু লোকের হাতে কেন্দ্রীভূত। দেশের যা কিছু উন্নতি হয়, তার সুফল মূলত তারাই ভোগ করে, অন্যরা পায় ছিটেফোঁটা। একটা উদাহরণ দেয়া যাক। পোশাক শিল্প দেশের সবচেয়ে বড় রফতানি খাত। এক্ষেত্রে বিশ্ববাজারে চীনের পরই বাংলাদেশের স্থান। বলা হচ্ছে, পোশাক রফতানিতে শিগগিরই চীনকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ। এর কারণ একটিই- সস্তা শ্রম। এ থেকেই বোঝা যায়, এ শিল্পে বাংলাদেশী শ্রমিকরা পান বিশ্বের সবচেয়ে কম মজুরি। অর্থাৎ যাদের কারণে দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হচ্ছে, তাদের জীবনমানের উন্নতি হচ্ছে সামান্যই। বৈষম্য হ্রাস পাবে কীভাবে!
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয়বৈষম্য যে দেশগুলোতে, বাংলাদেশ তার অন্যতম। বস্তুত এ দেশে আয়বৈষম্য, সম্পদের মালিকানায় বৈষম্য এত প্রকট যে তা সাদা চোখেই দেখা যায়, গবেষণার দরকার হয় না। এই ভয়াবহ বৈষম্যের কারণেই দেশে দারিদ্র্য বিমোচনের গতি এত মন্থর।
তবে বৈষম্যের আরও একটি বড় কারণ আছে। সেটা হল দুর্নীতি। প্রশাসন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বড় বড় পদে বসে থাকা লোকগুলোর নির্লজ্জ ও লাগামহীন দুর্নীতি সম্পদের বৈষম্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। যে প্রবৃদ্ধির কারণে অর্থনীতির সূচক উপরের দিকে রয়েছে, তার অনেকটাই খেয়ে ফেলছে দুর্নীতি। কোরবানির হাটে এই যে হাজার হাজার পশু বিক্রি হয়, তার কয়টি সৎ পথে অর্জিত টাকায় কেনা হয়, সেটা যদি বের করা যেত তা দেখে আমাদের চোখ হয়তো কপালে উঠত। ভোগবাদী ও দুর্নীতিবাজ মানুষের কাছে কোরবানির মাংস দরিদ্রদের মাঝে বণ্টনের চেয়ে ভোগের বিষয়টি প্রাধান্য পাওয়াই বুঝি স্বাভাবিক!
দেশে বর্তমান বাস্তবতায় এ অবস্থার পরিবর্তন প্রায় অসম্ভব বলেই মনে হয়। তবে আর্থিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার বিভিন্ন স্তরে পরিবর্তন এনে মানুষের আয়বৈষম্য কমিয়ে আনা সম্ভব। সেই উদ্যোগটি নেয়া অত্যন্ত জরুরি। পরিবর্তন দরকার মানসিকতারও।
আমরা চাই না, অন্তত ঈদ উৎসবে কারও মনে বঞ্চনার অনুভূতি জেগে উঠুক। ঈদ হোক আনন্দের। ঈদ হোক প্রকৃতই ত্যাগের। যারা ভাগ্যবান, যাদের সামর্থ্য আছে- তাদের সামান্য ত্যাগ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ বঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারে। এর মাধ্যমেই সার্থক হয়ে উঠতে পারে ঈদের সব আয়োজন। একটি নতুন জামার জন্য, এক টুকরো কোরবানির মাংসের জন্য যেন একজন মানুষেরও চোখের কোণে পানি দেখতে না হয় আমাদের।
আসিফ রশীদ : সাংবাদিক ও লেখক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই নেত্রীকে সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দেখতে চাই by বিমল সরকার

রাষ্ট্রপতি প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত বিতর্কিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ঘোষিত ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারির নির্বাচনের আগেই সেনাসমর্থিত ফখরুদ্দীন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব না নিলে সে সময় কত প্রাণ সংহার হতো, কে জানে। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সন্দেহ, অবিশ্বাস, অনাস্থা ও প্রতিশোধপরায়ণতার মাত্রা এমন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে যে, একটি অর্থবহ সংলাপ বা সমঝোতা ছাড়া আসন্ন দশম সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের কথা চিন্তাও করা যায় না। এরূপ মনে হওয়ার কারণ ’৮৮, ’৯৬ (১৫ ফেব্র“য়ারি) এবং ২০০৬-০৭ সালের (ঘোষিত) নির্বাচনকে ঘিরে সপ্তাহ কিংবা মাসব্যাপী সংঘটিত অনাকাক্সিক্ষত সব স্মৃতি। এসব দুঃসহ স্মৃতি আজও দেশের শান্তিপ্রিয় মানুষকে প্রতিনিয়ত তাড়া করে ফেরে।
আমাদের জাতীয় জীবনে আরেকটি অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ’৯৬ সালের ১৫ ফেরুয়ারির ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করেও তামাশা কম হয়নি। তিন দফা তফসিল পরিবর্তনের পর শেষ পর্যন্ত রমজান মাসে (২৫ রমজান) অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচনটি (এর আগে বা পরে রমজান মাসে দেশে এ পর্যন্ত কোনো সংসদ নির্বাচন তো বটেই, অন্য কোনো নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা যায় না)। ওই নির্বাচনে অন্য দল বা স্বতন্ত্র কোনো প্রার্থী না দাঁড়ানোয় সংসদের মোট ৩০০ আসনের মধ্যে ৪৮টিতেই ক্ষমতাসীন বিএনপি দলীয় প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত বলে ঘোষণা করা হয়। নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগেই সারাদেশ অশান্ত হয়ে ওঠে। সরকার ও বিরোধী পক্ষ একেবারে মারমুখো হওয়ায় জনজীবনে দেখা দেয় চরম অনিশ্চয়তা। বিরাজমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার অভাবে স্বতন্ত্র ও দলীয় অনেক প্রার্থী পত্রিকায় বিবৃতি দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। বিবিসি পরিবেশিত এক খবরে বলা হয়, উত্তরাঞ্চলে প্রায় একশ’ প্রার্থী নিজ এলাকা থেকে পালিয়ে অন্যত্র বা আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। নির্বাচনী দায়িত্ব এড়াতে ২৫ হাজার কর্মকতা-কর্মচারী ছুটির আবেদন করেন। নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত সহিংসতায় একজন সহকারী পুলিশ কমিশনারসহ ৪জন পুলিশ সদস্যের মৃত্যু ঘটে। কোথাও কোথাও প্রার্থী ও প্রিসাইডিং অফিসারকে দিগম্বর করে ফেলে নির্বাচন প্রতিরোধকারীরা। নির্বাচনের দুদিন আগেও অন্তত ২০টি জেলায় প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ দিতে পারেনি কমিশন। অনেক স্থানে প্রিসাইডিং অফিসারদের কর্মশালা বোমাবাজির কারণে পণ্ড হয়ে পড়ে। অস্ত্র উদ্ধার ও সহিংসতার জের ধরে সারাদেশে অন্তত ২০ হাজার বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীকে করা হয় গ্রেফতার। দেশব্যাপী এরূপ গভীর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা এবং চরম অস্থিরতার মাঝেও সরকারদলীয় প্রার্থী ও নেতারা একে ‘স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং সংবিধান রক্ষার নির্বাচন’ বলে উল্লেখ করে নির্বাচনী মাঠে একতরফা প্রচারণা চালিয়ে যেতে থাকেন। নির্বাচনের দুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ‘রাজনৈতিক অস্থিরতা নিরসনে নির্বাচনের পর আলোচনার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হবে’ বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। এতে বিরোধীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। নির্বাচন কমিশন ৮০টি আসনে পুনর্নির্বাচন করতে বাধ্য হয়। দেশী-বিদেশী মিডিয়াতেও নির্বাচনে ভোটারদের কম উপস্থিতি, সহিংসতা, ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনা স্বীকার করা হয়। ভোটারবিহীন একতরফা নির্বাচনের পর ভয়েস অব আমেরিকা খবর প্রচার করে যে, ‘বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের পরিমাণ মাত্র ৫ থেকে ১০ ভাগ।’ কিন্তু হলে কী হবে- নির্বাচনের পরদিন বিএনপি ঘটা করে রাজধানীতে বিজয় মিছিল করে এবং মিছিল শেষে সমাবেশে বক্তৃতায় নেতারা বলেন, ‘সন্ত্রাসের মাধ্যমে জনগণকে অধিকার বঞ্চিত রাখা যায় না।’
সেসব দুঃসহ দিনের স্মৃতির কথা রাজনীতিকরা বিস্মৃত হলেও দেশবাসীর মনে এসব স্মৃতি অনেকদিন জাগরুক হয়ে থাকবে। ক্ষমতার বলয়ে থেকে জাতির সংকটকালে ’৮৮, ’৯৬ ও ২০০৬-০৭ সালে দফায় দফায় সংবিধানের পাঠ শিখিয়েছেন এবং এখনও শিখিয়ে চলেছেন আমাদের রাজনীতিকরা। কিন্তু প্রশ্ন হল, যাদের গণতন্ত্র, নির্বাচন, সংবিধান, এমনকি মৌলিক অধিকার সম্পর্কেও ন্যূনতম ধারণা নেই- সেসব অজ্ঞ নিরপরাধ নিরীহ মানুষকে স্বার্থান্ধ রাজনীতির যুপকাষ্ঠে আর কতবার বলি করা হবে? অনেকে বলছেন, বর্তমান সরকার বিরোধী দলগুলোকে নির্বাচনে আনার বদলে একতরফা নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে।
অন্যদিকে বিএনপিসহ ১৮ দলীয় জোট এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, তারা দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে অংশ নেবে না এবং নির্বাচন করতেও দেবে না। সেক্ষেত্রে অতীতের মতো প্রাণঘাতী সংঘাত যে অনিবার্য, তা ব্যাখ্যা করে বলার দরকার নেই। রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে সমঝোতা বা অর্থবহ সংলাপের কোনো দৃষ্টান্ত আমাদের দেশে আছে কি-না, জানা নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া উভয়েই অত্যন্ত জনপ্রিয়। গত ২২ বছর ধরে জনগণের রায় নিয়ে তারাই পৌনঃপুনিকভাবে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা হচ্ছেন। মূলত দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা তাদের একজনকে দেশরত্ন এবং অন্যজনকে দেশনেত্রী বলে সম্বোধন করে থাকেন। ইচ্ছা করলেই তারা এসব অভিধারও ঊর্ধ্বে উঠে দেশে-বিদেশে এক একজন সফল রাষ্ট্রনায়কের অভিধায় অভিষিক্ত হয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারেন। দেশপ্রেম কেবল থাকলেই হবে না, দেশপ্রেমে উজ্জীবিতও হতে হবে। অতীতের কথা ভেবে দুই নেত্রী খোলা মন নিয়ে সমঝোতা বৈঠকে বসলে একদিনেই গোটা জাতিকে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠামুক্ত করতে পারবেন বলে বিশ্বাস করি। আলোচনার কোনো বিকল্প নেই। আমরা দেশবাসী দুই নেত্রীর অনতিবিলম্ব কার্যক্রমের দিকে তাকিয়ে আছি। সুন্দর ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সব দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচনই দেশবাসীর প্রত্যাশা।
বিমল সরকার : কলেজ শিক্ষক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে অশনি সংকেত by তারেক শামসুর রেহমান

ফেডারেল সরকার ঋণ গ্রহণ করতে না পারায় ওয়াশিংটনে ফেডারেল সরকারের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক কাজে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। বেতন দিতে না পারায় ৮ লাখ কর্মচারীকে, যারা ফেডারেল সরকারের বেতনভুক্ত, তাদের বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। ওবামা স্বাস্থ্যসেবায় যে সংস্কার আনতে চান, তাতেও আপত্তি রিপাবলিকানদের। তারা স্বাস্থ্যসেবায় ফেডারেল সরকারের বরাদ্দে আরও কাটছাঁট করতে চান। ইতিমধ্যে অনেক স্বাস্থ্যসেবা সংকুচিত করা হয়েছে। অনেক বাংলাদেশীও এখন আর স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন না। ফেডারেল সরকার ঋণ গ্রহণ করতে না পারায় রাষ্ট্রের তহবিল শূন্য হতে চলেছে। সরকারের প্রতিদিনের খরচ ৬ হাজার কোটি ডলার। ১৭ অক্টোবরের পর সরকারের হাতে থাকবে মাত্র ৩ হাজার কোটি ডলার। অথচ ১ নভেম্বর রাজস্ব বিভাগকে স্বাস্থ্য খাতের কর্মচারী ও অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের ৬ হাজার কোটি ডলার পরিশোধ করতে হবে। রাজস্ব খাতে সে পরিমাণ টাকা আসছে না। বিনিয়োগকারীদের সুদের অর্থও পরিশোধ করতে পারছে না। বলা ভালো, যুক্তরাষ্ট্র চীনের কাছ থেকে ঋণ নিয়েছিল ১ দশমিক ২৭ ট্রিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রে যত বিনিয়োগ হয়েছে তার ২৩ ভাগ এককভাবে চীনের।
যুক্তরাষ্ট্রের এই অর্থনৈতিক পরিস্থিতি দেশটির অর্থনীতিতে মন্দাবস্থাই প্রমাণ করে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি প্রাপ্তবয়স্ক ৭ জন নাগরিকের মধ্যে একজন ‘ফুড স্টাম্প’ গ্রহণ করে থাকেন। অর্থাৎ ফেডারেল সরকারের কাছ থেকে খাদ্য সাহায্য পেয়ে থাকেন। ১৭ দশমিক ৬ মিলিয়ন পরিবার খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। ৪৯ মিলিয়ন মানুষ জানেন না পরের বেলার খাদ্য তারা কোত্থেকে জোগাড় করবেন। ফেডারেল সরকার প্রতি বছর ৭৮ বিলিয়ন ডলার এই ফুড স্টাম্পের পেছনে ব্যয় করে। অর্থাৎ গরিব জনগোষ্ঠী খাদ্য সহায়তা পায়। এখন যদি অর্থ পাওয়া না যায় তাহলে নির্দ্বিধায় এই খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে। এর ফলে গরিব মানুষের সংখ্যা আরও বাড়বে। শুধু খাদ্য সহায়তা নয়, বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা ব্যাহত হবে। পরিসংখ্যান বলে, যুক্তরাষ্ট্রে কর্মজীবী জনশক্তির শতকরা ৭ ভাগ এখন বেকার। আফ্রো-আমেরিকানদের মাঝে এই হার ১৩ ভাগ। প্রায় ২ কোটি মানুষের কোনো কাজ নেই। এখন যদি যুক্তরাষ্ট্র আবার যুদ্ধে জড়িয়ে যায়, তাহলে উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ আর বাড়বে না। স্মরণ থাকার কথা, আফগানিস্তান ও ইরাক যুদ্ধে প্রায় ৮ হাজার মার্কিন সৈন্য প্রাণ হারিয়েছিল। আর সাধারণ মানুষের মৃত্যুর সংখ্যা ১০০-রও বেশি। একমাত্র ইরাকে ৪ থেকে ৯ লাখ মানুষ হয় মারা গেছে, নতুবা স্থানচ্যুত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ শুরু করে আফগানিস্তান ও ইরাকে যে যুদ্ধ শুরু করেছিল, তাতে ব্যয় হয়েছিল ৩ থেকে ৪ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার। এখন সিরিয়ায় যুদ্ধ শুরু হলে ওবামাকে অর্থ বরাদ্দ করতে হবে এবং এর পরিমাণ কোথায় গিয়ে ঠেকবে কেউ বলতে পারে না।
যুক্তরাষ্ট্র তিন তিনটি দেশে (আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়া) যুদ্ধ শুরু করলেও সেখানে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারেনি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা তো স্বপ্নই থেকে গেছে। আফগানিস্তান এখন বাহ্যত তালেবানদের নিয়ন্ত্রণে। ২০১৪ সালে সেখান থেকে সব সৈন্য প্রত্যাহার করা হলে কারজাইকেও দেশ ত্যাগ করতে হবে। আর টাইমস ম্যাগাজিনের খবর অনুযায়ী (৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩) গত কয়েক মাসে ইরাকে ৩ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। ইরাকে আত্মঘাতী বোমাবাজির প্রবণতা বেড়েছে। ইরাক এখন সিয়া, সুন্নি ও কুর্দি- এই তিন সম্প্রদায়ের মাঝে বিভক্ত হয়ে আছে। লিবিয়াতে কোনো স্থিতিশীল সরকার নেই। অস্ত্রবাজরা আজ রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করে। এদের হাতেই প্রাণ হারিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত। সিরিয়ার ক্ষেত্রেও এমনটি হতে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে আল কায়দার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো শক্তিশালী হয়েছে। ইরাক ও লিবিয়াতে এরা শক্তিশালী হয়েছে। সিরিয়ায় আল কায়দার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আল-নুসরা ফ্রন্ট ও ইরাকের ইসলামিক স্টেট অব ইরাক সিরিয়া-ইরাক সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করে। যুদ্ধে আল-কায়দা উৎখাত হয়নি, বরং আল-কায়দার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো শক্তিশালী হয়েছে। এই ‘যুদ্ধ’ একটি আঞ্চলিক যুদ্ধে পরিণত হতে পারে। সিরিয়ার পার্শ্ববর্তী দেশ ইরান, লেবানন ও ইসরাইল এ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে এবং সেই সঙ্গে বিশ্ব নতুন করে স্নায়ুযুদ্ধ প্রত্যক্ষ করতে পারে। এর সঙ্গে জড়িয়ে যাবে বিশাল অর্থের প্রশ্নটি।
তবে শুধু অর্থনৈতিক সংকটের কারণেই যে ওবামা প্রশাসন সিরিয়ায় যুদ্ধ শুরু করেনি, তেমনটি নয়। সিরিয়ায় যুদ্ধ শুরু না করার কারণ অন্য। এখন অর্থনৈতিক সংকট ওবামার হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিতে পারে। ওবামা সামাজিক খাতে, বিশেষ করে স্বাস্থ্য খাতের দিকে নজর দিলে এবং তাতে রিপাবলিকানদের সমর্থন না পাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সমাজে বৈষম্য বাড়বেই। অর্থাৎ ফুড স্টাম্প বন্ধ হয়ে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে কৃষাঙ্গ জনগোষ্ঠী, যাদের একটা বড় অংশের কোনো চাকরি নেই, বাসস্থান নেই। এদের অনেকেই ফুড স্টাম্পের ওপর নির্ভরশীল। এখন টাকার অভাবে এই ফুড স্টাম্প বন্ধ হয়ে গেলে কৃষ্ণাঙ্গদের মাঝে দরিদ্রতা আরও বাড়বে। এটা সত্যিই দুঃখজনক যে, যুক্তরাষ্ট্র পৃথিবীর এক নম্বর অর্থনৈতিক শক্তি হলেও সাধারণ মানুষের ন্যূনতম যে সামাজিক অধিকার, তার একশ’ ভাগ নিশ্চয়তা দিতে পারছে না। চাকচিক্যময় এ দেশে দরিদ্রতা একটি বড় সমস্যা। দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া, সম্পদ একশ্রেণীর মানুষের কাছে কেন্দ্রীভূত হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের মতো বড় গণতান্ত্রিক দেশের জন্য দুঃখজনক সংবাদ। সবচেয়ে দুঃখজনক হচ্ছে, কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠীর মাঝে দরিদ্রতা কমানো সম্ভব হয়নি। ১৯৬০ সালে মোট জনগোষ্ঠীর মাঝে কৃষ্ণাঙ্গরা যেখানে ছিল শতকরা ১১ ভাগ, এখন তা বেড়েছে ১৪ ভাগে। ১৯৬০ সালে প্রায় ১৫৫ মিলিয়ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে কৃষ্ণাঙ্গ ছিল ১৭ দশমিক ০৫ মিলিয়ন, এখন ২৪১ মিলিয়ন শ্বেতাঙ্গ জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কৃষ্ণাঙ্গ ৪৫ মিলিয়ন। তারা সবচেয়ে বড় এথনিক গ্র“প নয়। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের জনগোষ্ঠীর বড় অংশ হচ্ছে ল্যাতিনো অথবা হিসপানিক, ৫৪ মিলিয়ন। শিক্ষাক্ষেত্রে দেখা গেছে ১৯৬৭ সালে স্কুল ত্যাগকারী কৃষ্ণাঙ্গের হার যেখানে ছিল শতকরা ২৯ ভাগ, ২০১১ সালে তা কমে এসে দাঁড়ায় ৭ ভাগে। অথচ একই সময় শ্বেতাঙ্গদের স্কুলত্যাগের হার ছিল ১৫ ভাগ (১৯৬৭)। আর এখন তা ৫ ভাগ। ১৯৬০ সালে কৃষ্ণাঙ্গদের মাঝে ব্যাচেলর ডিগ্রি গ্রহণকারীদের হার ছিল ৪ ভাগ (শ্বেতাঙ্গ ৮ ভাগ)। ২০১২ সালে কৃষ্ণাঙ্গদের বেড়েছে ২১ ভাগে, আর শ্বেতাঙ্গদের এ হার ৩৫ ভাগ। তবে কৃষ্ণাঙ্গদের মাঝে অপরাধ প্রবণতার হার বেশি। পরিসংখ্যান বলে, কারাগারে অবস্থানকারী কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠীর হার ৩৭ ভাগ। এর মধ্যে শতকরা ৪২ ভাগ আবার মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত। কিশোর অপরাধীর হার (কৃষ্ণাঙ্গ) শতকরা ৩২ ভাগ। পরিসংখ্যান বলে, কৃষ্ণাঙ্গদের মাঝে দরিদ্রতার হার কিছুটা কমেছে। ১৯৬০ সালের মাঝামাঝি কৃষ্ণাঙ্গদের মাঝে দরিদ্রতার হার যেখানে ছিল শতকরা ৪১ ভাগ, সেখানে বর্তমানে এই হার শতকরা ২১ ভাগ। অঙ্গরাজ্যগুলোর মাঝে মেইন-এ কৃষ্ণাঙ্গদের মাঝে বেকারদের হার বেশি, শতকরা ২১ ভাগ, আর দরিদ্রতার হারও বেশি, শতকরা ৪৬ ভাগ। মিসিসিপি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে দরিদ্র রাজ্য। অথচ এখানে শতকরা ৫৭ ভাগ কৃষ্ণাঙ্গের নিজস্ব বাড়ি রয়েছে। নিউইয়র্কে সবচেয়ে বেশি কৃষ্ণাঙ্গ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, এ সংখ্যা দুই লাখ চার হাজার ৩২। আয়ের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। কৃষ্ণাঙ্গদের গড় আয় যেখানে বছরে ২১ হাজার ডলার, সেখানে শ্বেতাঙ্গদের আয় ২৭ হাজার ডলার। চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে কৃষ্ণাঙ্গরা এখনও পিছিয়ে আছে। ২০১৩ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী যেখানে শতকরা ৭ জন শ্বেতাঙ্গ বেকার, সেখানে কৃষ্ণাঙ্গদের মাঝে এই হার শতকরা ১৫ জন। এই পরিসংখ্যান শুধু পুরুষদের জন্য। কৃষ্ণাঙ্গ মহিলাদের মাঝে বেকারত্বের হার শতকরা ১৩ ভাগ। ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গদের মাঝে বেকারত্বের হার ২৩ ভাগ। আর ৬০ থেকে ৬৪ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠীর মধ্যে বেকারত্বের হার মাত্র ৯ ভাগ। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, শতকরা মাত্র ৭ ভাগ ব্যবসা রয়েছে কৃষ্ণাঙ্গদের নিয়ন্ত্রণে (২০০৭ সালের হিসাব অনুযায়ী)। যদিও ১৯৬৭ সালের হিসাব অনুযায়ী এই সংখ্যা তিনগুণ বেশি ছিল। গত দুই সপ্তাহ ধরে চলা অর্থনৈতিক অব্যবস্থা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে। শাট ডাউনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রিপাবলিকানদের জনপ্রিয়তায়ও ধস নেমেছে। এনবিসি ও ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের সর্বশেষ জরিপে দেখা গেছে, শতকরা ৫৩ ভাগ মানুষ মনে করে শাট ডাউনের ঘটনার জন্য রিপাবলিকানরা দায়ী। সত্যিকার অর্থেই যুক্তরাষ্ট্রের এই অর্থনৈতিক অব্যবস্থা বিশ্ব নেতৃত্ব দেয়ার সক্ষমতা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে অনেক পেছনে ফেলে দিয়েছে। এই প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র অ্যাপেক সম্মেলনেও যোগ দিতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্রের আগামী দিনগুলো তাই সত্যিকার অর্থেই কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র থেকে
ড. তারেক শামসুর রেহমান : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাই সোসাইটির পতিতা সেক্সসিম্বল অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ

ছবির কাহিনীতে দেখা যাবে আফতাব ব্যবসার খাতিরে লন্ডনের একটি হোটেলে ওঠেন। সেই হোটেলেই পরিচয় ও পরিণয় হয় জ্যাকুলিনের সঙ্গে। কিন্তু পরে আফতাব জানতে পারেন জ্যাকুলিন আসলে হাই সোসাইটির পতিতা। এরকম কাহিনী নিয়েই এগিয়ে যায় ছবির কাহিনী। এখানে আফতাবের সঙ্গে ইতিমধ্যে বেশ কিছু রগরগে দৃশ্যে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন জ্যাকুলিন। পাশাপাশি চুমো দৃশ্যেও কাজ করেছেন।

এ বিষয়ে জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ বলেন, প্রিয়দর্শনের অনেক ছবি আমি দেখেছি। তবে এবার তার ছবিতে প্রথমবারের মতো কাজ করছি। পতিতা চরিত্রে দর্শকরা এখানে দেখতে পাবেন আমাকে। আমার কাছে চরিত্রটি অনেক বড় চ্যালেঞ্জের। বেশ ভালভাবেই এর শুটিং করছি এখন। আমার কো-আর্টিস্ট আফতাব অনেক সহযোগিতা করছেন। তার মতো হ্যান্ডসাম পুরুষের সঙ্গে রোমান্টিক চরিত্রে কাজ করতে সত্যি বলতে অনেক ভাল লাগছে। আশা করছি ছবিটি সবার খুব ভাল লাগবে।

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Burqa si, Burqa no, Burqa boh...esempio di grande giornalismo
Scrivo delle osservazioni sulla "guerra al burka" che in questi giorni sta animando i sindaci italiani. A ben ragione, secondo me, non tanto perché sia un burka (certo affermare che sia un bell'abito mi sembra troppo!), ma mi sembra si stia tralasciando l'aspetto della sicurezza, di questi tempi da non trascurare.
Questa estate nel mio paese natìo in Sardegna, dal fruttivendolo in un baracchino all'aperto si è fermato per far spesa un motociclista col casco in testa. Beh, ha tenuto il casco (integrale) con visiera scura abbassata per tutto il tempo fino a quando è salito di nuovo sulla sua moto ed è volato via a 300Km/h! Ricordo che nel momento mi sono un pò spaventata nel vedere questo uomo "mascherato" che si avvicinava. Poi si è rivelato essere solo un amante della frutta. Ma se al suo posto ci fosse stato un malintenzionato?
Quando poi al Tg ho sentito della legge italiana che vieta di andare in giro con il volto coperto, ricordo di aver pensato: "Giusto, dovrebbero essere multate persone come il motociclista! Potrebbero essere pericolose." Non sono contro il casco, anzi, ma non mi era sembrato il caso che lo portasse anche per fare spesa.
Ora il caso delle donne col burka. Mi sembra che l'attenzione dell'opinione pubblica si tesa a vedere cosa fa Gentilini, cosa dice la Lega, cosa fa il sindaco di Pordenone, cosa fa il Prefetto in risposta, senza considerare la pericolosità di questo gioco.
Col rischio che si corre in Italia di questi tempi, non mi sembra proprio il caso far andare in giro persone coperte dalla testa ai piedi. Qualcuno, con in mente piani criminali, potrebbe approfittare della cosa, far danni e solo dopo si dirà: "Tutti col viso scoperto!" E giustamente la legge dovrebbe, anzi, deve valere per tutti! Perché si deve aspettare che succedano le stragi prima di prendere provvedimenti?
Cordiali saluti.
"Gentile lettrice"
PREMESSA: Si noti come la cortese lettrice non faccia alcun riferimento a guerre di cultura o religione ma , con un nitore espressivo ed una ammirevole ed equilibrata essenzialità, si limiti a segnalare proprio disagio di fronte ad un altrui inosservanza di una norma di legge posta a tutela di dell'ordine pubblico. La norma, prevista dal nostro ordinamento giuridico, che prevede che NESSUNO possa circolare con il volto coperto ( si tollera tale comportamento a carnevale ).
Il brillante giornalista risponde.
Si noti come la sua risposta alla "cortese lettrice" assomigli molto a quei temi di italiano scritti da uno studente svogliato che, non avendo alcuna idea precisa ed alcun interesse per la materia da trattare, opera una sorta di "assemblaggio selvaggio" di frasi fatte e luoghi comuni .
Risultato: un'accozzaglia di periodi insulsi tanto per presentare il temino alla professoressa sperando di raggiungere la sufficienza
Nota: (le parti i giallo sono miei commenti)
TEMINO DEL GRANDE GIORNALISTA
Gentile signora,
come sempre, quando scoppia un caso che fa "notizia", ci si butta tutti (giornalisti compresi) sopra facendogli assumere proporzioni di gran lunga superiori alla realtà.
- quel (giornalisti compresi) era indispensabile. Grazie della precisazione. Non l'avremmo mai pensato.
È esattamente quanto sta accadendo con il burka. I casi registrati in Italia sono pochissimi e riguardano persone regolarmente residenti. Donne, probabilmente succubi dei mariti, ma forse anche animate da profonde convinzioni,
- succubi o animate da profonde convinzioni? non fa,forse, qualche differenza?
che non vanno nè derise nè compiante.
- bravo! ma la lettrice ha solo sollevato il problema della sicurezza.
È una realtà che esiste,
- sic!
in altri Paesi è la normalità.
- e allora?
Non dobbiamo giudicare e tantomeno condannare.
- detta così è solo banalità buonistico-qualunquista.. e allora?...ma la lettrice ha solo sollevato il problema della sicurezza!
E poi...possiamo dare per scontato che "Non dobbiamo giudicare e tantomeno condannare" ?
Non sono daccordo perchè:
A) Rivendico il diritto di farmi una mia opinione su tutto ciò che mi circonda e, conseguentemente di esprimerla dando IL MIO PERSONALE GIUDIZIO (giudizio etico, morale....non giudiziario)!
B) Quanto a "condannare" ci penseranno i giudici (quelli veri) se ravviseranno un comportamento antigiuridico, una violazione di legge.
Certamente per la nostra cultura, diciamo pure anche per la nostra civiltà, una simile discriminazione della donna pare inaccettabile.
- e allora che facciamo? giudichiamo o non giudichiamo? ..e deciditi!...bravo! ma la lettrice ha solo sollevato il problema della sicurezza.
Ma non dobbiamo per questo sentirci superiori o migliori:
- sentirci chi? superiori o migliori di che? ma chi l'ha detto - LA LETTRICE NO DI CERTO! ..uffa.....ma la lettrice ha solo sollevato il problema della sicurezza!
non sono passati molti anni da quando le donne hanno conquistato, nel progredito Occidente, il diritto di voto; per non parlare, andando indietro solo di pochi decenni, delle discriminazioni che i civilissimi Stati Uniti imponevano ai neri. E se entriamo nel campo della religione, ricordiamoci che la Chiesa, un Papa nero lo ha tollerato solo nella canzone dei Pitura Freska. Non siamo superiori, abbiamo compiuto percorsi diversi rispetto agli islamici.
- bravo..azz..hai dimenticato le crociate. (..e..forse anche la questione palestinese). Ma.....ma la lettrice ha solo sollevato il problema della sicurezza!!
POI, FINITO IL PENOSO "TEMINO" ECCO IL NOSTRO GIORNALISTA CHE "CI METTE DEL SUO" CON UN PENSIERO A DIR POCO ILLUMINANTE
Però tutto questo preambolo di tolleranza e comprensione, prevede anche il principio della reciprocità: accettiamo le diversità altrui, ma pretendiamo il rispetto delle nostre regole.
- - E finalmente una cosa sensata! Complimenti al giornalista! Bravo, bravo, bravo. Ha introdotto anche il bel concetto della RECIPROCITA'. vediamo come lo sviluppa...
In Italia non si può girare a volto coperto. Nè con il casco, nè con il burka: chi vuole vivere in Italia deve adeguarsi.
Punto. Fine. Grande giornalista si ferma qui.
:-? ... beh?
Ooooooo!!!!!!!!!!!!!! BRAVO
Ma, mi vien da riflettere sulla " RECIPROCITA' "
Bella parola ...la reciprocità...ma..che vuol dire..che se nel paese fondamentalista consentiranno alle donne italiane di girare allegramente in minigonna e decolletè anche noi lasceremo girare le donne islamiche "osservanti" a volto coperto per le vie dei nostri borghi?
Come lo spiegheremo, allora agli amanti del passamontagna e del casco integrale senza moto (burqa si, passamontagna no)
Oppure, nel caso Burqa si, passamontagna anche, come lo spiegheremo all madre del bimbo ucciso da un camorrista col volto coperto da un "qualchecosa" che siccome la Gruber puo' girare per baghdad in minigonna anche "pasquale o fetentone" noto cammorrista puo' andarsene allegramente in giro a volto coperto.
E poi, francamente, con i tempi che corrono, stareste tranquillamente seduti all'aeroporto accanto ad una persona con il volto coperto ed un vestito che copre bene qualsiasi cosa alla vista dalla testa ai piedi?
Che baggianata!
..Va là..va là...
Ma...poi...è davvero l'Islam che vuole il burqa?
http://www.repubblica.it/online/mondo/afgsedici/noburqa/noburqa.html
Premesso: Che non sto parlando dell'Islam ma del Burqa e del fondamentalismo (islamico o cattolico che sia - per me pari sono)
Mi chiedo:
Come è possibile per una bella mente aperta difendere parimenti e con ugual convinzione.
a) L'uso del burqa come libera espressione di una cultura diversa (e..allora..perchè non l'infibulazione, la lapidazione dell'adultera, o la simpatica pratica del rogo domestico della ragazzina biricchina che non ne vuol sapere dei dictat del padre, appoggiato, spesso, dalla "libera scelta" di sottomissione della madre?)
b) La difesa più elementare della dignità di un essere umano (nel caso di specie una donna che , se non imburkata rischia, nel paese d'origine, qualche sensibile e corporale manifestazione di dissenso di quella società civile?)
Davvero si può pensare che tutte le idee abbiano pari dignità e debbano essere rispettate con il semplice riferimento a non ben definiti "connotati culturali"?
Qualche esempio:
In una società mafiosa chi denuncia un assassino merita di essere ucciso perche " è un'infame". E' una regola di un ordinamento giuridico improprio (quello mafioso)
Uno scrittore islamico che scriva in difformità al pensiero fondamentalista rischia una condanna a morte in contumacia per un'interpretazione (arbitraria e strumentale?) della legge Coranica : E' una regola "morale"di quel sistema che ha tristi conseguenze (non solo sul piano morale)
In alcuni paesi l'adulterio"della donna" e' punito con la lapidazione. Norma giuridica di un ordinamento valido.
Quando i soldati nazisti uccidevano gli ebrei lo facevano "eseguendo degli ordini" - le regole di un ordinamento giuridico valido (quello dello stato nazional socialista della germania nazista)
A che serve, in questi casi ragionare in termini di "Reciprocità".
E poi......
Che senso ha dire che "ci sentiamo superiori" perchè non lapidiamo l'adultera.
L'adultera non va lapidata. Punto e basta.
Il giornalista del "Gazzettino" di cui sopra , dopo una serie di banalità per riempire delle righe del giornale, una cosa semplice e sensata l'ha detta (ma l'aveva già detta la cortese lettrice):
"Ma..se la legge italiana vieta di andare in giro a volto coperto (anche con un casco integrale o un bel passamontagna) perchè mai dovrebbe essere consentito, in italia, l'uso del burqa?"
Qui son d'accordo.
Chi viene in italia deve rispettare la legge italiana.
Può attivarsi politicamente affinchè essa venga cambiata.
Ma..finchè essa non viene cambiata, democraticamente e attraverso canali legislativi ordinari, essa va rispettata.
Se una donna (per sua libera scelta?) vuole indossare il burqa, lo faccia pure. Dove la legge dello stato in cui vive lo permette.
(ma l'aveva già detta la cortese lettrice)
Il resto dell'articolo (tutto) è "aria fritta".
Libertà e dignità = sempre
Reciprocità = si, certo, ma non quando si parla di diritti umani. I diritti umani vanno sempre rispettati. La reciprocità non c'entra.

Comunque (tanto per mandare in vacca la tirata moralista di cui sopra) ...
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোশাররফ দেশত্যাগ করতে পারবেন না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
October
(362)
-
▼
Oct 15
(10)
- সহজিয়া কড়চা- যদি এমন হতো দশম জাতীয় সংসদ by সৈয়দ আব...
- গদ্যকার্টুন- সেই সব দিন by আনিসুল হক
- মন্তব্য- আ.লীগের লগি-বৈঠার জবাবে বিএনপির দা-কুড়াল!...
- উপাচার্য পদটি মর্যাদা হারাচ্ছে by মেজর সুধীর সাহা ...
- সবার জীবনেই আসুক ঈদ by আসিফ রশীদ
- দুই নেত্রীকে সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দেখতে চাই by ব...
- যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে অশনি সংকেত by তারেক শামস...
- হাই সোসাইটির পতিতা সেক্সসিম্বল অভিনেত্রী জ্যাকুলিন...
- Burqa si, Burqa no, Burqa boh...esempio di grande ...
- মোশাররফ দেশত্যাগ করতে পারবেন না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
-
▼
Oct 15
(10)
-
▼
October
(362)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
