Wednesday, October 16, 2019
আমেরিকা বুঝতে পেরেছে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ পাল্টে গেছে: শামখানি
![]() |
| আলী শামখানি |
তিনি বলেছেন, "ধারণা করা হচ্ছে অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে মার্কিন কর্মকর্তারা এটা বুঝতে পেরেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ পাল্টে গেছে এবং এ অঞ্চলে ক্ষমতার ভারসাম্যেও ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। মার্কিন সরকার ব্যাপক প্রচার চালালেও এখন আর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের ক্ষমতা বা শ্রেষ্ঠত্ব দাবি করার মতো অবস্থায় নেই।" শামখানি মনে করেন, "আমেরিকা এটাও বুঝতে পেরেছে তাদের সামনে এখন দু'টি পথ খোলা রয়েছে। প্রথমত তাদের লক্ষ্য উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য হয় বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হবে যার সাফল্যের ব্যাপারে নিশ্চয়তা নেই। অথবা বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতা মেনে বিরাট ব্যয়ভার কিংবা ক্ষতির হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হবে আমেরিকাকে।"
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন কর্মকাণ্ড থেকে বোঝা যায়, আমেরিকা এ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা বললেও বাস্তবতা হচ্ছে তারা কখনোই শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে না এবং সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধেও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। একদিকে, আমেরিকা উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশ লেলিয়ে দিয়ে ইরাক ও সিরিয়াকে নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিয়েছে। অন্যদিকে আমেরিকার সহায়তায় সৌদি আরব গত প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে ইয়েমেনে গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে আমেরিকার আসল চরিত্র ও উদ্দেশ্যের বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
আমেরিকাই মধ্যপ্রাচ্যে গত কয়েক দশক ধরে চলে আসা নানা সংকট ও যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছে। এখনো তারা এ অঞ্চলে নিরাপত্তা রক্ষার কথা বলে মার্কিন নেতৃত্বে সামরিক জোট গঠনের চেষ্টা করছে। যদিও তাদের জোট গঠনের লক্ষ্য বাস্তবায়িত হবে না কিন্তু এর মাধ্যমে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টিতে মার্কিন ভূমিকার বিষয়টি স্পষ্ট গেছে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আমেরিকার ভুল নীতি এবং আন্তর্জাতিক রীতিনীতি লঙ্ঘনের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে এবং এর জন্য মার্কিন কর্মকর্তারাই দায়ী।
১৫ বছর আগে খ্যাতনামা মার্কিন চিন্তাবিদ স্যামুয়েল হান্টিংটন সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন, আমেরিকা স্বেচ্ছাচারী পরাশক্তি হতে চলেছে। এ ব্যাপারে আরেক খ্যাতনামা চিন্তাবিদ নওম চমস্কি বলেছেন, এ ধরনের আইনলঙ্ঘনকারী ও স্বেচ্ছাচারী দেশগুলো লুটতরাজে ব্যস্ত এবং তারা চায় না এ অন্যায়ের বিরুদ্ধে কেউ রুখে দাঁড়াক। এ ক্ষেত্রে আমেরিকা ও দখলদার ইসরাইল মধ্যপ্রাচ্যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে এবং সৌদি আরব তাদের প্রধান সহযোগী।"
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বহুবার বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করার ক্ষমতা ইরানের নেই। গত ১৪ বছর ধরে আফগানিস্তানে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এর প্রমাণ। তারা সেখানে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা তো দূরের কথা বরং পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটিয়েছে।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে বলা যায়, বিদেশিদের মাধ্যমে এ অঞ্চলে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। বরং এর জন্য প্রয়োজন আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যকার সহযোগিতা। এ ক্ষেত্রে ইরান এরই মধ্যে বেশ কিছু প্রস্তাব তুলে ধরেছে এবং বহু দেশ এটাকে স্বাগত জানিয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাবি’র গণরুম; যেন একেকটি টর্চার সেল by শাহাদাত হোসাইন স্বাধীন

গণরুমে সারা রাত জাগিয়ে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ম্যানার শেখানোর নামে এই নির্যাতন করে দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা। যাদের সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। গণরুমে কেউ বিশেষ কোনো ভুল করলে তার ডাক পড়ে হলের গেস্টরুমে। সেখানে আরো বেশকিছু সিনিয়রসমেত শুরু হয় ‘ভুলের’ বিচার প্রক্রিয়া।
নাম প্রকাশ না করে তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্রলীগ কর্মী বলেন, গেস্টরুমে ছাত্রলীগ কর্মীদের ভুলেরও বিচার করা হয়। একবার অন্য হলের সঙ্গে গ্যাঞ্জামের কারণে আমাদের হলের সিনিয়র (৪২ ব্যাচ) আমাকে মেরে রক্তাক্ত করে। আর গণরুমের অতি ‘পাকনা’দেরও গেস্টরুমে এনে ‘সাইজ’ করা হয়।
র্যাগিংয়ের ভয়ে প্রথম বর্ষে কয়েকদিন ক্লাস করার পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভর্তি বাতিল করে চলে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে। এমন একজন শিক্ষার্থী ফুয়াদ খন্দকার বলেন, আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় জেনে জাহাঙ্গীরনগরে ভর্তি হয়েছিলাম। কিন্তু র্যাগিংয়ের জন্য হলে থাকতে পারতাম না। ডেমরা থেকে এসে ক্লাস করাও আমার জন্য কষ্টকর ছিল। একসময় হতাশ হয়ে ক্যাম্পাসই ছেড়ে দেই। এদিকে প্রায় এসব নির্যাতনে গুরুতর আহত হয় প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা। গত বছরের ?মার্চে গণরুমে রড ধরে ঝুলার নির্দেশ মানতে গিয়ে কোমর ও পায়ে প্রচণ্ড চোট পেয়ে গুরুতর আহত হন প্রথম বর্ষের ছাত্র আজওয়াদ রহমান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের (৪৭তম ব্যাচ) ছাত্র। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে চিকিৎসকের কাছে ‘টয়লেটে পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়েছে’ বলার নির্দেশও দিয়েছিল কথিত সিনিয়ররা। এই ঘটনার মাসখানেক আগে র্যাগিংয়ের শিকার হয়ে মানসিক ভারসাম্য হারান কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র মো. মিজানুর রহমান। তৎকালীন ২য় বর্ষের শিক্ষার্থীরা মিজানের সহপাঠীদের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার নামে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে। মিজানুর সরল-সোজা হওয়ার কারণে সিনিয়ররা তাকে আলাদাভাবে অকথ্য ভাষায় গালি দেয়াসহ শারীরিক নির্যাতন করে। পরদিন আবারো বিভাগের সিনিয়ররা হুমকি-ধমকি দেয় মিজানকে। নির্যাতনের মুখে একসময় মিজান অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে। পরবর্তীতে মিজানের বাবা আসলে তাকেও চিনতে পারেন না মিজান। স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে মিজানকে অনেকদিন ঢাকায় চিকিৎসা নিতে হয়েছে।
চলতি বছরের এপ্রিলে পরিচয় দিতে ভুল করায় রসায়ন বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র মোশাররফ হোসেনের কান ফাটান কথিত সিনিয়ররা। ১৭ই এপ্রিল মধ্যরাতের দিকে মওলানা ভাসানী হলের ১১৪ নং রুমে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, ভাসানী হলের ১১৩ নং ও ১১৪ নং রুম হলো টর্চার সেল। এইসব রুমে নিয়মিত জুনিয়রদের ডেকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়।
একদিন প্রথম বর্ষের (৪৮ আবর্তন) শিক্ষার্থীদের ১১৪ নং রুমে ডাকা হয়। কিন্তু পরিচয় দিতে ভুল করায় মোশাররফকে বাংলা বিভাগের ৪৭ ব্যাচের জাহিদ হাসান তুহিন মারধর করেন। মারধরের পর তাকে ১১৩ নং রুমে পাঠানো হয়। এরপর বাংলা বিভাগের ৪৭ ব্যাচের মো. নজরুল তাকে পুনরায় মারধর করেন। এতে তার বাম কান ফেটে রক্ত বের হতে থাকে। পরবর্তীতে তাকে সুস্থ হতে উন্নত চিকিৎসা নিতে হয়।
গত জুলাই মাসের মধ্যরাতে বঙ্গবন্ধু হলের গণরুমে প্রথম বর্ষের আরেক শিক্ষার্থীর কান ফাটান কথিত সিনিয়ররা। গণিত বিভাগের প্রথম বর্ষের মো. ফয়সাল আলম নামে এক শিক্ষার্থী এই বর্বরতার শিকার হন। জানা যায়, রাত ১টার দিকে গণরুমে দ্বিতীয় বর্ষের ৩০/৩৫ জন শিক্ষার্থী গিয়ে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের কাছে পরিচয় জানতে চান।
ঠাণ্ডাজনিত সমস্যার কারণে উচ্চস্বরে পরিচয় দিতে না পারায় ফয়সালকে বিকৃত অঙ্গভঙ্গি করতে বলা হয়। এরপর তাকে আবার জানালার গ্রিল ধরে ঝুলে থাকার নির্দেশ দেন শিহাব নামে দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী। অসুস্থ থাকায় ফয়সাল এতে অস্বীকৃতি জানালে শিহাব তাকে চড়-থাপ্পড় মারেন। এতে ফয়সালের কান ফেটে যায়। পরবর্তীতে ফয়সালকেও দীর্ঘমেয়াদি উন্নত চিকিৎসা নিতে হয়।
তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীরা গণমাধ্যম ও প্রশাসনের কাছে মুখ খুলেন না। অধিকাংশ র্যাগিংয়ের ঘটনায় ছাত্রলীগের কর্মীরা জড়িত থাকার খবর আসে। এ ছাড়া নেতাদের নির্দেশে ছাত্রলীগকর্মীরা গণরুমে ‘ম্যানার’ শেখাতে যায় বলে অভিযোগও রয়েছে।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানা বলেন, ‘আমাদের কোনো কর্মীই র্যাগিংয়ের সঙ্গে জড়িত নই। ঢালাওভাবে এধরনের অভিযোগ করা হচ্ছে। এটা আগে ছিল কিন্তু আমরা এই সংস্কৃতিটি বন্ধ করে দিয়েছি। আমরা এ বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছি। কেউ যদি অতি উৎসাহী হয়ে এমন করে তবে আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।
প্রাধ্যক্ষ কমিটির সভাপতি অধ্যাপক বশির আহমেদ বলেন, ‘অন্যান্য বছরের তুলনায় র্যাগিং অনেকটা কমে আসছে। সামনে আরো কমবে বলে আমরা আশাবাদী। র্যাগিং বন্ধের জন্য আমরা হলের বিভিন্ন জায়গায় সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছি। আর কোনো ঘটনা ঘটলে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে থাকি।
ভিসি অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম বলেন, প্রভোস্ট কমিটির একটা বৈঠক হয়েছে। সেখানে শিক্ষকরা নিজেদের উপস্থিতি ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে র্যাগিং নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টাদের এই ব্যাপারে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। র্যাগিংয়ের ঘটনা কিছু গোপনেও ঘটছে। তবে অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। হলগুলোর করিডোর, কমনরুম ও গণরুমের সামনে দরজায় সিসি ক্যামেরা লাগানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গণরুমে কে ঢুকছে এসব তথ্য আমরা নেবো। তবে যারাই প্রথম বর্ষে র্যাগিংয়ের শিকার হচ্ছে তারাই দ্বিতীয় বর্ষে এসে র্যাগ দিচ্ছে। আশ্চর্য সাইকোলজি। ফলে আমরা কাউন্সেলিংয়ের ব্যাপারেও ভাবছি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৪৩ জনের তালিকা শ’ শ’ কোটি টাকা পাচারের তথ্য by মারুফ কিবরিয়া

ক্যাসিনো বন্ধে অভিযান শুরু হওয়ার পর নাম আসতে থাকে যুবলীগসহ সরকারদলীয় অনেক নেতার। গ্রেপ্তার করা হয় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটসহ বেশ কয়েকজনকে। অভিযানকালে ক্যাসিনোয় জড়িতদের বাসায় পাওয়া যায় বড় অংকের টাকাও।
এ ছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচার ও সম্পদ থাকার তথ্যও উঠে আসে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদে।
প্রাথমিক তথ্যের সূত্র ধরে গত ৩০শে সেপ্টেম্বর থেকে ক্যাসিনো হোতাদের অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। যুবলীগ সভাপতি (বহিষ্কৃত) সম্রাট ছাড়াও মোট ৪২ জনের নাম সংস্থাটির অনুসন্ধান টেবিলে রয়েছে। দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে এই অনুসন্ধান কার্যক্রম চলছে। গতকাল দুদকের সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখ্ত জানান, ক্যাসিনোর মাধ্যমে যারা অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন এখন পর্যন্ত ৪৩ জনের নাম পাওয়া গেছে। তাদের সম্পদের বিবরণী নেয়া হচ্ছে। তিনি আরো জানান, সম্পদের আয়ের উৎস যদি সঠিকভাবে না পাওয়া যায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলা এবং মানি লন্ডারিংয়ের মামলা হতে পারে। দুদকের অনুসন্ধানে জানা যায়, মালয়েশিয়ার আমপাং তেয়ারাকুন্ডে ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে। এ ছাড়া কয়েকটি ব্যাংকে সম্রাট যে লেনদেন করেছেন সে তথ্যও পেয়েছে সংস্থাটি। দুদকের অনুসন্ধানের সময় পুলিশের ইমিগ্রেশন বিভাগ, বিএফআইইউ, পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, সেকেন্ড হোমের এজেন্ট, মালয়েশিয়ান হাইকমিশন অনুমোদিত বিভিন্ন ভিসা এজেন্ট থেকে পাওয়া তথ্য, পাসপোর্টের কপি, সেকেন্ড হোম প্রকল্পে অনুমোদনপ্রাপ্তদের অনুমোদনপত্রের কপি ও ব্যাংক হিসাব বিবরণী যাচাই-বাছাইয়ে সম্রাটের মালয়েশিয়ায় অর্থ পাচার ও ফ্ল্যাট থাকার তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এর আগে ১৮ই সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশানের একটি ভবন থেকে নগদ অর্থ, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হন যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। গ্রেপ্তারের পরপরই বেরিয়ে আসে তাদের যত অবৈধ সম্পদের তথ্য।
সূত্র জানায়, ক্যাসিনো থেকে আয় করা যত অর্থ তার বেশিরভাগই যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ পাচার করতেন বিদেশে। গত ১০ বছরে অঢেল সম্পদের মালিক হন তিনি। এছাড়া পিডব্লিউডি, রাজউক, খামারবাড়ি, বিদ্যুৎ ও রেলভবনে টেন্ডারবাজির মাধ্যমে অন্তত দেড় হাজার কোটি টাকা আয় করেছেন খালেদ। এসব টাকারও একটি বড় অংশ তিনি বিদেশে পাচার করেন। খালেদ মূলতঃ থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় বড় অংকের অর্থ নিয়ে যান। ব্যাংককে খালেদ একটি দুই তারকা মানের হোটেল কেনেন। এছাড়া থাইল্যান্ডের পর্যটন শহর পাতায়ায় ৫টি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন। মালয়েশিয়াতেও ১১ কোটি টাকায় ফ্ল্যাট কিনে সেকেন্ড হোম করেছেন খালেদ। গত ২০শে সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতন থেকে গ্রেপ্তার হন যুবলীগের আরেক নেতা জি কে শামীম। এদিন তার কার্যালয় থেকে নগদ টাকাসহ ১৬৫ কোটি টাকা মূল্যের এফডিআর নথি উদ্ধার করে র্যাব। সে সঙ্গে অস্ত্রও পাওয়া যায় সেখানে। গ্রেপ্তারের পর এই প্রভাবশালী নেতারও সম্পদের নানা তথ্য বেরিয়ে আসে। সূত্র জানায়, টেন্ডারবাজির মাধ্যমে জি কে শামীম বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার নিকেতন ও বাসাবো এলাকায় ৫টি করে ১০টি বহুতল বাড়ি, বাসাবোতে ১ বিঘার একটি বাণিজ্যিক প্লট, পর্যটন শহর বান্দরবানে একটি ৩ তারকা মানের রিসোর্ট রয়েছে তার। এছাড়া বিদেশেও পাচার করেছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ।
এদিকে, ক্যাসিনোর মাধ্যমে বিপুল পরিমান অবৈধ সম্পদের মালিকদের অর্থ পাচার করার গোয়েন্দা তথ্যও এখন দুদকের হাতে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) পক্ষ থেকে ক্যাসিনো হোতাদের অর্থ পাচার ও মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত অপরাধের তথ্য-উপাত্ত দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের কাছে এরই মধ্যে হস্তান্তর করা হয়। গত সপ্তাহেই চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ ও বিএফআইউ প্রধান আবু হেনা মোহা. রাজী হাসানের মধ্যকার এক বৈঠকে অর্থ পাচারসহ অবৈধ ব্যাংকিং নিয়ে আলোচনা হয় । বিএফআইইউ প্রধান চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে মানলিন্ডারিং সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য দুদক চেয়ারম্যানের কাছে সরবরাহ করেন। এছাড়া ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মানিলন্ডারিংয়ের আর্থিক গোয়েন্দা তথ্যও অবহিত করেছেন বলে জানিয়েছে দুদকের একটি সূত্র।
অর্থ পাচারের মাধ্যমে সেকেন্ড হোম প্রকল্পে বিনিয়োগের একটি অভিযোগ ২০১৫ সাল থেকে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। প্রথম পর্যায়ে স্বল্প কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান হলেও পরে এ অভিযোগের সঙ্গে অনেকের নাম পাওয়া যায়। ২০১৭ সালের মাঝামাঝিতে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ও বিএফআইইউ থেকে ১০ হাজার ৯১৭ জনের তালিকা পাওয়া যায়। এর মধ্যে এসবির তালিকায় ১০ হাজার ৯০৪ জন ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকায় ১৩ জনের নাম ছিল। দুদককে দেয়া এসবির নথিতে বলা হয়, বিভিন্ন সময়ে ওই ১০ হাজার ৯০৪ জন মালয়েশিয়ায় যাতায়াত করেছেন। তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক। অর্থ পাচারের তথ্য-প্রমাণসহ ১৩ জনের তালিকা দিয়েছিল বিএফআইইউ। তিন বছরের বেশি সময়ে দুদকের একাধিক টিম অনুসন্ধান করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নানা তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করেছে। সর্বশেষ, পরিচালক মো. জুলফিকার আলীর নেতৃত্বাধীন টিম অনুসন্ধান করে ১০ হাজার ৯১৭ জনের তালিকা থেকে ২৩ জনকে চিহ্নিত করে। ওই ২৩ জনের মধ্যে ১২ জনের নাম চিহ্নিত করা হয়েছে এসবির নথিপত্র যাচাই করে। বিফআইইউর নথি যাচাই করে চিহ্নিত করা হয় ১১ জনের নাম। ওই ২৩ জনের তালিকায়ও সম্রাটের নাম ছিল। অনুসন্ধান দল তাদের প্রতিবেদনে সম্রাটসহ ওই ২৩ জনের অবৈধ সম্পদের বিষয়টি খতিয়ে দেখার সুপারিশ করে কমিশনে প্রতিবেদন দিয়েছিল।
গত ১৮ই সেপ্টেম্বর র্যাবের অভিযানে একের পর এক প্রভাবশালী নেতাদের ক্যাসিনোর সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ উঠে। সেই ধারাবাহিকতায় দুদকের পক্ষ থেকেও সেসব প্রভাবশালীদের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করা হয়। ৩০শে সেপ্টেম্বর দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন এ বিষয়ে কার্যক্রম শুরু করেন। খালেদ-সম্রাট-শামীম ছাড়াও ক্যাসিনো কাণ্ডে যাদের নাম ফলাও করে প্রকাশ্যে এসেছে তারা হলেন- কৃষক লীগ নেতা শফিকুল আলম, মোহামেডান ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়া, গেন্ডারিয়ার আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক এনু, রুপম ভুঁইয়া, অনলাইন ক্যাসিনো এর মূল হোতা সেলিম প্রধান এবং কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মিজান ওরফে পাগলা মিজান।
গ্রেপ্তারের সময় কৃষক লীগ নেতা শফিকুল আলম ফিরোজ কলাবাগান স্পোর্টিং ক্লাবের আড়ালে ক্যাসিনো চালাতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ক্যাসিনোর মাধ্যমে শ শ কোটি টাকার মালিকও হয়েছেন তিনি। এর বড় একটা অংশ দেশের বাইরে পাচার করতেন শফিকুল আলম ফিরোজ। মোহামেডান ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়াকেও ক্যাসিনোর সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাবের অভিযান ও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে র্যাব জানায় ক্যাসিনো ব্যবসা থেকেই লোকমান বিপুল পরিমাণ অর্থের অধিকারী হয়েছেন। শুধু তাই নয়, ক্যাসিনো থেকে অর্জিত ৪১ কোটি টাকা তিনি অস্ট্রেলিয়ায় পাচারও করেছেন।
এদিকে গত ২৩শে সেপ্টেম্বর অভিযানের সময় র্যাব গেন্ডারিয়ার আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক এনু ও রুপম ভুঁইয়া এবং তাদের সহযোগীদের বাসার পাঁচটি ভল্ট ভেঙে নগদ পাঁচ কোটি চার লাখ ৯০ হাজার টাকা, ৭২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, বিভিন্ন ধরনের ছয়টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে র্যাব। পরে পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় তাদের ১৫টি বাড়ির সন্ধান মিলেছে। এছাড়া তাদের ব্যাংক হিসাবে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদের বিষয়েও তথ্য পাওয়া গেছে। জানা যায়, ক্যাসিনোর মাধ্যমে আয় করা টাকা বিদেশে পাচার করেছেন এই দুই ভাই। অনলাইন ক্যাসিনোর মাধ্যমে বিপুল পরিমান অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগেই মূলত সেলিম প্রধান গ্রেপ্তার হয়েছেন। র্যাব জানায়, দেশে বিদেশে শ্রীলঙ্কার একটি ব্যাংকসহ মোট তিনটি ব্যাংকে বাংলাদেশের অনলাইন ক্যাসিনোর লেনদেন করে সেলিম। ব্যাংক তিনটি হলো, বিদেশী ব্যাংক কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন এবং দেশের বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক দ্য সিটি ব্যাংক ও যমুনা ব্যাংক। অনলাইন গেটওয়ে দিয়ে এই তিন ব্যাংকে টাকা আসতো। লেনদেন করত সেলিম প্রধানের সহকারী আক্তারুজ্জামান। সেলিম প্রধানের সঙ্গে সমান অংশীদারিত্বে উত্তর কোরিয়ার নাগরিক মিস্টার তু অনলাইন ক্যাসিনোর ব্যবসা করত। এই অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে পাচার হতো অথবা কোরিয়ান নাগরিক নিজে এসেও টাকা নিতেন।
সবশেষ, ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার হন কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মিজান। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অবৈধ আয়ের অর্থেই টেক্সাসের বাড়ি কিনেছেন বলে স্বীকার করেছেন তিনি। ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় পাঁচ ও ছয়তলার দুটি বাড়ি এবং একটি ফ্ল্যাটও রয়েছে। এছাড়া দেশে-বিদেশে নিজের ও আত্মীয়স্বজনের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ করেছেন। গত শুক্রবার মিজানকে গ্রেপ্তারের পর তার ঢাকার বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এক কোটি টাকার স্থায়ী আমানতের (এফডিআর) কাগজপত্র এবং ছয় কোটি ৭৭ লাখ টাকার চেক। এছাড়া বিদেশে অর্থ পাচারের অনেক তথ্য পাওয়া গেছে মিজানের বিরুদ্ধে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অস্ট্রেলিয়ায় প্রতিবাদের নামে নগ্নতা

যুবতীরা তাদের শরীরের উপরের অংশ একেবারে অনাবৃত করে তার ওপর সামান্য অংশে পেইন্ট ব্যবহার করেছেন। পরনে ছিল বিকিনি। আর পুরুষদের তো কথাই নেই। উদোম গা। পরনে শুধু একটি অন্তর্বাস। এই যা!
এ ছাড়া পশুর অধিকার রক্ষার নামেও বিক্ষোভ র্যালি হয় নগ্ন। পোশাক পরে প্রতিবাদ র্যালি করার পরিবর্তে এমন অধিকারকর্মীরাও একই রকম নগ্ন র্যালি করেন। এমন প্রতিবাদের সঙ্গে যুক্ত ‘পিপল ফর দ্য এথিক্যাল ট্রিটমেন্ট অব এনিম্যালস’ (পেটা) ও পশু অধিকার বিষয়ক অন্যান্য গ্রুপ। এ ছাড়া ষাঁড়ের লড়াই এবং প্যাম্পলোনা ষাঁড়ের দৌড় আয়োজন নিয়েও নগ্ন র্যালি হয়। পেটা বলে, তারা এমন র্যালির আয়োজন করে যাতে মানুষের মধ্যে চিন্তা করার শক্তি আসে। তারা চিন্তা করতে পারে যে, তাদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ শরীর দিয়ে এমন সব ইভেন্টের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
এ ছাড়া শরণার্থী ইস্যুতেও নগ্ন র্যালি হয়। এ বছরের জানুয়ারিতে সৌদি আরবের টিনেজ রাহাফ মোহাম্মদ আলকুনুন সারা বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি ওই সময়ে সৌদি আরবে তার নিজের পরিবারের কাছ থেকে পালিয়ে প্রথমে অবস্থান নেন থাইল্যান্ডে। সেখান থেকে অস্ট্রেলিয়াগামী বিমানে আরোহন করেন। কিন্তু ১৯ বছর বয়সী এই টিনেজারকে কর্তৃপক্ষ থামিয়ে দেয় সৌদি আরবে তার প্রভাবশালী পিতার অনুরোধে। ফলে রাহাফ নিজেকে হোটেলের মধ্যে অবরুদ্ধ করে ফেলেন। বিশ্ব নেতাদের কাছে তিনি সেখান থেকে টুইটার ব্যবহার করে আশ্রয়ের আবেদন জানান। শেষ পর্যন্ত তাকে আশ্রয় দেয় কানাডা। তার আশ্রয়ের সিদ্ধান্ত হওয়ার আগে সারাবিশ্ব থেকে তার প্রতি সমর্থন আসতে থাকে। এর মধ্যে সিডনিতে তার প্রতি সমর্থন জানিয়ে হয় নগ্ন প্রতিবাদ।
প্রতিবাদ হয় বৈশ্বিকীকরণ, মাল্টিন্যাশনাল করপোরেশন ও আয়ে বৈষম্যের প্রতিবাদে। এসব ইস্যুতে অস্টেলিয়ানরা নগ্ন প্রতিবাদ করেন। ২০০০ সালে সিডনিতে অনুষ্ঠিত হয় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বৈঠক। এর বাইরে ওই সময় নগ্ন প্রতিবাদ হয়। ২০০৭ সালে অনুষ্ঠিত হয় এশিয়া-প্যাসিফিক কোঅপারেশনের সামিট। এর বাইরেও তখন নগ্ন প্রতিবাদ হয়েছে।
সাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তা, পরিবেশ ও শরীরের ইতিবাচক দিকে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বার্ষিক ভিত্তিতে নগ্ন সাইকেল রাইড আয়োজন করে ‘ওয়ার্ল্ডওয়াইড ন্যাকেড বাইক রাইড’।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফেরার উপায় নেই দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর বাসিন্দাদের by আলিমুজ্জামান মিলন

এ পথে আসার পেছনে প্রত্যেকের জীবনেই থাকে কষ্টের দীর্ঘ ইতিহাস। জীবিকার প্রয়োজনে কৃত্রিম আনন্দের মধ্যে তা লুকিয়ে রাখতে হয়। প্রতিদিন যৌনপল্লীর বিভিন্ন গলিতে হাসিমুখ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় খদ্দের ধরতে। কারণ হাসি মুখ না দেখলে খদ্দের পাবে না। এক পৃথিবী কষ্ট বুকে চেপে কৃত্রিম হাসি মুখে খদ্দেরের অপেক্ষায় থাকে ওরা। কাউকে বুঝতে বা জানতে দেয় না তারা।
এই অভিশপ্ত জীবন কাটানো আরো একজন হলেন দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর বাসিন্দা রুপা (১৮)। ময়মনসিংহ শহরে তার জন্ম। ছোটবেলা থেকেই সাজু-গুজুর প্রতি ছিল তার দারুণ আগ্রহ। এ আগ্রহই তার জীবনের কাল হয়েছে। সুশ্রী চেহারার সঙ্গে কথা বলার বাচনভঙ্গিতে সহজেই ফুটে ওঠে আভিজাত্য। আলাপকালে তিনি জানান, বছর তিনেক আগের কথা। তাদের বাড়িতে ভাড়া থাকত বৃষ্টি নামের এক নারী। লেখাপড়ায় তার তেমন আগ্রহ ছিল না।
বৃষ্টি তাকে বিউটি পার্লারের কাজ শোখার কথা বলে ফুসলিয়ে বাড়ি থেকে নিয়ে আসেন টাঙ্গাইলে। সেখানে একটি বাসায় আটকে প্রায় এক মাস তাকে লিপ্ত করে যৌন পেশায়। মাসখানেক পর সেখান থেকে বৃষ্টি তাকে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে এনে বিক্রি করে দেন। হয়ে যান তালিকাভুক্ত যৌনকর্মী। তিনি আরো জানান, প্রথম দিকে তাকে একজন পাহারাদার সব সময় পাহারা দিয়ে রাখত। এরই মাঝে একদিন সুযোগ বুঝে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর কথিত পাহারাদার বাহিনীর সহযোগিতা চান।
কিন্তু তাকে সহযোগিতা করার বিনিময়ে ওই বাহিনীর কর্তাব্যক্তিরা দাবি করেন ২০ হাজার টাকা। ওই টাকা দেয়ার সামর্থ্য না থাকায় তাদের কোনো সহযোগিতা পাননি। বরং এ অপরাধে তার ওপর নেমে আসে শারীরিক নির্যাতন। এরপর থেকে এ পেশায় নিজেকে অনেকটা মানিয়ে নিয়েছেন। এখনো পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ আছে। কিন্তু তারা জানে না তার এই অভিশপ্ত জীবন সম্পর্কে।
এ পল্লীর আরেক বাসিন্দা রানী (৩৫)। মানিকগঞ্জে উচ্চ বর্ণের এক হিন্দু পরিবারে তার জন্ম। কিশোরী বয়সেই প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এক মুসলিম ছেলের সঙ্গে। তার হাত ধরে সেই বয়সেই রানী ঘর ছাড়েন। কিন্তু তার সেই প্রেমিক ছিলেন একজন প্রতারক। তাকে নিয়ে বিক্রি করে দেন তৎকালীন নারায়ণগঞ্জ যৌনপল্লীতে। রানী জানান, এরপর থেকে শুরু হয় তার অন্ধকারে পথচলা। নারায়ণগঞ্জ থেকে উচ্ছেদ হলে চলে আসেন দৌলতদিয়া। এখানে তার গর্ভে জন্ম হয় তিনজন ছেলে-মেয়ের। এই পেশা থেকে আয় করা টাকা দিয়ে ছেলেকে সেফ হোমে এবং মেয়েকে পল্লীর বাইরে একটি বাড়িতে রেখে মাসিক খরচ দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা উপজেলার নীলা (৩৬)। ছোট ছোট তিন বোনকে রেখে বাবা-মা দুজনই মারা যায় তার। তখন এক রকম না খেয়েই চলে তাদের জীবন। এ পরিস্থিতিতে তার বড় বোন বাড়ি থেকে বের হন কাজের সন্ধানে। কি কাজ করতেন তারা তা জানতেন না। সেই বোনের টাকায়ই জোটে তাদের এক বেলার খাবার। একদিন বড় বোন ওই কাজের জন্য তাকেও নিয়ে আসে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে। বিশ বছর ধরে তিনি এখানেই আছেন।
তিনি আবেগ ভরা কণ্ঠে বলেন, ‘এ অভিশপ্ত পথ আর ভালো লাগে না। এখন ভালো কিছু করতে চাই।’ তবে তা কীভাবে সম্ভব তা সে নিজেও জানে না।
পল্লীর আরেক বাসিন্দা নূপুর (১৮)। তার বাড়ি যশোর জেলায়। কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি জানান, তার বাবার ছোট একটা মুদি দোকান আছে। কিন্তু ঘরে সৎ মার নির্যাতন সইতে না পেরে তার বড় বোনের সঙ্গে কাজের সন্ধানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। দৌলতদিয়া ঘাটে এসে তার বোনকে হারিয়ে ফেলেন। এলোমেলোভাবে ঘুরতে ঘুরতে এক সময় ঢুকে পড়েন দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আটকা পড়ে যান পল্লীর এক সর্দারনীর কাছে। এরপর এক বছর তাকে দিয়ে ওই সর্দারনী যৌন ব্যবসা চালিয়ে তাকে মুক্ত করে দেন। কলঙ্কিত এই জীবন নিয়ে আর কোনোদিন ফিরে যেতে চান না স্বাভাবিক জীবনে। কেন জানতে চাইলে তার সোজা উত্তর, এ সমাজ আমাকে আর কোনোদিন স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে দেবে না, মেনে নেবে না। বাকি জীবনটা রাস্তায় কাটাতে হবে।
ছিপছিপে গড়নের শ্যামলা মেয়ে বৃষ্টি (১৮)। কুড়িগ্রাম জেলার দরিদ্র এক পরিবারের মেয়ে বৃষ্টি। দরিদ্র পরিবারে একটু সচ্ছলতা দিতে স্থানীয় পরিচিত এক ব্যক্তির হাত ধরে রাজধানীতে আসে গার্মেন্টসে কাজের সন্ধানে। সামান্য বেতনে কিছুদিন কাজও করেন। কিন্তু তা দিয়ে তার চলছিল না। একদিন এক সহকর্মী আরো ভালো বেতনে কাজ পাইয়ে দেয়ার প্রলভোন দেখিয়ে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে বিক্রি করে দেন। প্রথম দিকে প্রাণপণ চেষ্টা করেছে এই অভিশপ্ত জীবন থেকে মুক্তির। কিন্তু প্রতিবারই ব্যর্থ হয়েছেন। এখন মাঝে মধ্যেই বাড়িতে টাকা পাঠান বৃষ্টি। তবে চাকরি করে নয়, নিজেকে বিক্রি করে।
দৌলতদিয়া যৌনপল্লী সংলগ্ন একটি এনজিও অফিসে কথা হয় পাপিয়া (৩৫) নামের এক নারীর সঙ্গে। তিনি এক সময় দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে থাকতেন। তখন জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংগ্রহ চলছিল। তথ্য সংগ্রহকারী তার স্বামীর নাম জানতে চাইলে তিনি তার কাছে মাঝে মধ্যে আসা এক ব্যক্তির নাম বলেন। সে অনুযায়ী তার জাতীয় পরিচয়পত্র হয়ে যায়। কিন্তু এর কিছুদিন পর তাকে ভালোবেসে বিয়ে করেন এক ব্যবসায়ী।
বর্তমানে সেখানে তিনি সংসার করছেন। একটি কন্যা সন্তানও হয়েছে তাদের ঘরে। এখন কন্যার বাবার পরিচয়সহ বিভিন্ন কাজে তাকে দারুণ সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। স্বামীর নাম পরিবর্তন করতে হলে নিয়ম অনুযায়ী তালাকনামা প্রয়োজন হয়। কিন্তু তার তো বিয়েই হয়নি। তালাকনামা পাবে কোথায়।
কীভাবে তিনি যৌনপল্লীতে এসেছিলেন জানতে চাইলে তিনি অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেন, চার বোন ও মাকে রেখে বাবার মৃত্যু হয়। বড় বোন অভাবের তাড়নায় কাজের খোঁজে ঢাকায় গিয়ে ঠিকানা হয় নারায়ণগঞ্জের যৌনপল্লী। সেই প্রিয় বোন বাড়িতে গিয়ে আমাকে বলেছিল, ‘তোর দুলাভাই বিদেশে থাকে, আমি একা থাকি, তুই আমার কাছে থাকবি।’ তার কথা বিশ্বাস করে তার সঙ্গে এলে সেই বোন আমাকে জোর করে এই অভিশপ্ত জীবনযাপনে বাধ্য করে।
দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে অন্তত দুই হাজার যৌনকর্মীর বসবাস। এদের বেশির ভাগই ফিরতে চান স্বাভাবিক জীবনে। পাল্টে নিতে চায় তাদের জীবনের গতিপথ। কিন্তু তাদের গন্তব্য জানা নেই। কারণ কে বাড়াবে সহযোগিতার হাত? কে দেখাবে সহানুভতি?
সূত্রমতে, দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর বাইরেও শত শত শিশু-কিশোরী যৌনকর্মী রয়েছে। এসব শিশু অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাদের ওপর নির্যাতনের চিত্র আরো ভয়াবহ। এদের অনেকেই যৌনকর্মীদের মেয়ে বা পরিবারের দারিদ্র্যতার কারণে চাকরির জন্য ঢাকায় এসে দালালের খপ্পরে পড়ে বিক্রি হয়ে যায়। এরপর তাদের ঠিকানা হয় দেশের বিভিন্ন যৌনপল্লী। আর এ পথ থেকে ফিরে যেতে পারে না স্বাভাবিক জীবনে।
এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, যৌনকর্মীদের অস্তিত্ব বাংলাদেশের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আর যাদের অস্তিত্ব স্বীকৃত নয়, তাদের কর্মসংস্থান দিয়ে পুনর্বাসনের মতো তেমন কোনো প্রকল্প সমাজ সেবা অধিদপ্তরে নেই। তবে যৌনকর্মীদের সামাজিক প্রতিবন্ধী হিসেবে গণ্য করে সমাজ সেবা অধিদপ্তরের সীমিত আকারে সামাজিক প্রতিবন্ধী পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে।
বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক উদ্ধার হওয়া নারীদের ওইসব কেন্দ্রে পাঠানো হয়ে থাকে। এ ছাড়া যৌনপল্লীতে কাজ করা বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে যৌনকর্মী ও তাদের সন্তানদের জীবন মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে স্থানীয় সমাজ সেবা অধিদপ্তর।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রাম্প-এরদোয়ানের হাতে নির্মিত হচ্ছে সিরীয় যুদ্ধের নতুন মানচিত্র: -বিবিসির বিশ্লেষণ

সিরিয়ার আট বছরের যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যকে বদলে দিয়েছে, এনেছে পরিবর্তন। গত সপ্তাহটি ছিল আরেকটি সন্ধিক্ষণ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘বিজ্ঞতা’ তাকে হয়তো ভবিষ্যতের ঘটনাপ্রবাহে দূরদৃষ্টি রাখতে সহায়তা করেছে। তবে নিজ প্রবৃত্তির ওপর তার গভীর আস্থা মধ্যপ্রাচ্যের সীমাহীন জটিলতার জমিনে একটি মারাত্মক ভুল হিসেবে পরিণত হতে পারে।
বহু বছর ধরে এটা স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, সিরীয়রা নয়, দেশটির ভাগ্য নির্ধারণ করবে বিদেশিরা। বারবার এই যুদ্ধে হস্তক্ষেপ স্থায়ী হয়েছে, বেড়েছে তার প্রচণ্ডতা। প্রতিবার সেনা প্রবেশের অর্থ দাঁড়িয়েছে বিপর্যয় আর বেসামরিক মৃত্যু। যেসব নেতা আদেশ দিয়েছেন, তাদের জন্য আক্রান্তদের দুর্ভোগের ভিডিও দেখা বাধ্যতামূলক করা উচিত। অনলাইন বা টেলিভিশনে সেসব খুঁজে পাওয়া কঠিন কিছু নয়।
সিরিয়ার নিরন্তর যুদ্ধ থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সরে যাওয়ার সিদ্ধান্তকে তুরস্ক বিবেচনা করেছে সেখানে তাদের সেনা পাঠানোর সবুজ সংকেত হিসেবে। সে দেশের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেব এরদোয়ান ঘোষণা করেন, তিনি কুর্দি বাহিনী সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সের (এসডিএফ) বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে চান। কারণ, তারা তার দেশের কুর্দি বিদ্রোহীদের মিত্র। তার পরিকল্পনা হলো সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সীমান্তের দুই পাশই নিয়ন্ত্রণ করা আর ৩২ মাইল ভেতর পর্যন্ত দখলকৃত এলাকা প্রতিষ্ঠা করা। ওই এলাকায় তিনি দশ লাখ বা তারও বেশি সিরীয় শরণার্থীকে সরিয়ে রাখতে চান।
যুক্তরাষ্ট্র যখন আইএসবিরোধী লড়াইয়ে সিরিয়ার কুর্দি এবং কয়েকটি আরব গোষ্ঠীকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তখন তারা সম্ভাব্য একটি সমস্যা সম্পর্কে সচেতন ছিল। ওয়াশিংটন জানতো তাদের ন্যাটো মিত্র তুরস্ক কুর্দিদের সন্ত্রাসী বিবেচনা করে। সেই কুর্দিরাই যখন ওয়াশিংটনের মিত্র, তখন ভবিষ্যতের সমস্যা সম্পর্কে চোখ বন্ধ করে ছিল মার্কিন প্রশাসন। সেই ভবিতব্য এখন বর্তমান, যা আজ বিস্ফোরিত হয়েছে।
এক সপ্তাহ আগেও যুক্তরাষ্ট্রের সীমিত সংখ্যক সেনা উপস্থিতিকে সিরীয় কুর্দিদের নিরাপত্তা সুরক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছিল। আইএস (ইসলামিক স্টেট) জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হয়ে উঠেছিল তারা। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অন্যদের দেওয়া বিমান সক্ষমতা ও বিশেষ বাহিনীর পাশাপাশি কুর্দিরা লড়াই করেছে মাঠে, তাদের বহু যোদ্ধা প্রাণ হারিয়েছে যুদ্ধের ময়দানে। আইএস কথিত খেলাফতের পতনের পর কুর্দিরা তল্লাশি চালিয়ে হাজার হাজার জিহাদি যোদ্ধাকে আটক করে কারাগারে পুরে রেখেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কয়েকটি টুইট বার্তার পর সিরিয়ার কুর্দিরা বুঝতে বাধ্য হয় তাদের ছেড়ে যাওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এস্পার অবশ্য কুর্দিদের ছেড়ে যাওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। তবে কুর্দিদের সমস্যাসংকুল ইতিহাসে আরও একবার বিদেশি শক্তি তাদের ছেড়ে গেলো। সে কারণেই তারা তাদের পুরনো শত্রু দামেস্কের দিকে ঘুরে যেতে বাধ্য হলো।
রবিবার কুর্দিরা সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাসার আল আসাদের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণা দেয়। চুক্তিতে ২০১২ সালের পর থেকে হাতছাড়া থাকা তুর্কি সীমান্তের দিকে দামেস্কের সেনাবাহিনীকে অগ্রসর হতে দিতে একমত হয় তারা। এটা আসাদের জন্য বড় বিজয়। দ্রুত তার সেনাবাহিনী উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ঘাঁটি ছেড়ে বেরিয়ে আসে। আসাদ অনুগতরা সিরিয়ার পতাকা ওড়াতে শুরু করে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য নীতির জন্য এটা এক বিপর্যয়কর মুহূর্ত। কুর্দিদের সঙ্গে মিত্রতা এবং সিরিয়ার অংশবিশেষে তাদের শাসনক্ষমতাকে সুরক্ষা দেওয়ার বাস্তবতা আমেরিকাকে যুদ্ধক্ষেত্রের বাজিতে একধাপ এগিয়ে দিয়েছিল। আসাদ প্রশাসনের মিত্র রাশিয়া আর ইরানকে পেছনে ঠেলে দেওয়ারও একটি উপায় ছিল এটা। তবে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে যাওয়া আর সিরীয় সেনাবাহিনীর সংহত অবস্থা ক্রেমলিন-তেহরানেরও বিজয়।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকায় আইএস (ইসলামিক স্টেট)-এর উগ্রবাদীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দরোজা খুলে গেছে বলে মনে হচ্ছে। তাদের কথিত মুখপত্র টেলিগ্রামে তারা সিরিয়ায় সহিংসতার নতুন অভিযানের ঘোষণা দিয়েছে। তারা তাদের খেলাফত হারিয়েছে কিন্তু যারা কারাগারের বাইরে আছে তারা পুনর্গঠিত হয়ে গেরিলা হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সাম্প্রতিক বাস্তবতাকে আইএস কারাগারে আটক থাকা তাদের হাজার হাজার যোদ্ধার মুক্তির সুযোগ হিসেবে দেখছে। এদের কেউ কেউ নৃশংস হত্যাকারী, যারা আরেকবার অস্ত্র ও বোমা হাতে তুলে নিতে পারলে শুধু সিরিয়া নয়, আরও বৃহত্তর এলাকায় মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠতে পারে। আইএস-এর নতুন এই হুমকির বিষয়ে স্নায়ুবিক চাপে পড়েছে পশ্চিমা দেশগুলো।
মধ্যপ্রাচ্যের এই নতুন সংকটে ইউরোপীয় দেশগুলো তুরস্ককে অভিযান থামানোর আহ্বান জানাচ্ছে। কোনও কোনও ন্যাটো সদস্য হয়তো রুশ-সমর্থিত সিরিয়ায় দুঃস্বপ্নের উন্মোচন দেখতে পাচ্ছে। রাশিয়া বলছে তারা তুরস্কের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। তবে যুদ্ধক্ষেত্রের সহিংসতায় ভুল অনুমান, ভুল পদক্ষেপ খুবই সাধারণ একটা ব্যাপার। গত সপ্তাহে যা ঘটেছে তা হয়তো সিরীয় যুদ্ধকে চূড়ান্ত পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে। বড় দুই নিয়ামক শক্তি আমেরিকা ও কুর্দিরা দৃশ্যপটের বাইরে চলে গেছে। আর প্রেসিডেন্ট আসাদ ও তার মিত্র ইরান ও রাশিয়া সিরিয়া যুদ্ধে তাদের বিজয়কে আরও সংহত করতে শুরু করেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরিয়ায় কুর্দিবিরোধী অভিযান: তুরস্ক সরকারের মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
কী বলা হয়েছে নিষেধাজ্ঞায়?
সিরিয়ায় কী হচ্ছে?
![]() |
| আইন ইসা শহরের প্রবেশ করেছে সিরিয় সরকারি বাহিনী |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছাত্ররাজনীতি বন্ধ হওয়া উচিত : -আনিসুল হক

আনিসুল হক বলেন, ‘৯০ সাল পর্যন্ত ছাত্র রাজনীতিতে একটা আদর্শ ছিল। এরপর থেকেই ছাত্ররাজনীতির মূল চালিকা শক্তি হয়ে গেলো পেশীশক্তি। এর কারণটা হলো লোভ, পার্থিব লাভ, অতি অল্প বয়সে অধিক টাকার মালিক হওয়ার মানসিকতা।অতীতের সফল আন্দোলনগুলোতে আমরা দেখেছি, যারা আন্দোলন করতেন তারা জমিদারের ছেলে হয়েও খদ্দের পড়তেন, এক কাপড়ে জীবন পার করে দিতেন। তাদের মধ্যে আদর্শ ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে আমরা দেখছি যেসব প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্ররাজনীতি আছে সেখানে নির্মমতা জায়গা করে নিচ্ছে। যেসব প্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতি নেই সেখানে র্যাগিং এর নামে নানা ধরণের নির্যাতন হচ্ছে।
যেটি আগে আমাদের দেশে ছিল না। এ ধরণের ঘটনা ভারতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছিল।
তিনি বলেন, আমাদের এখানে এখন যা দেখা যাচ্ছে এর পেছনে শুধু রাজনীতি যুক্ত না, সামাজিকতাও যুক্ত। আমাদের ছেলেমেয়েদেরকে শুধু জিপিএ-৫ পাওয়া শিখাচ্ছি। তাদের ভাষা শেখানোর জন্য একটা কাঠামোয় ছেড়ে দিচ্ছি। মাল্টিপল চয়েজ কোয়েশ্চন শিখাচ্ছি, কিন্তু সাহিত্য পড়াচ্ছি না। আগে আমরা সাহিত্য পড়ে ইংরেজি শিখেছি। সাহিত্য মানুষের হৃদয়কে কোমল করে। সাহিত্য পড়ে ঝরা পালকের জন্যও কষ্ট লাগে। উপন্যাস গল্প পড়ে চরিত্রগুলোর জন্য চোখে পানি আসে। তিনি বলেন, বইমেলায় গিয়ে দেখা যায়, ক্যারিয়ার ভিত্তিক বই বেশি বিক্রি হচ্ছে। এটা হওয়ার কথা না। শিক্ষার্থীরা ফিকশন পড়বে, গল্প-উপন্যাস পড়বে। এগুলো মানুষের হৃদয়কে সংবেদশীল করে। জনপ্রিয় এ লেখক বলেন, মানুষ কিভাবে মানুষকে আঘাত করে সেটা আমি ভাবতে পারি না। আর বুয়েটের একটি হলের শিক্ষার্থীকে একই হলের অন্যরা পিটিয়ে মেরে ফেলল, কেউ এগিয়ে আসছে না এটা আমার কাছে অকল্পনীয় লেগেছে। আমি মনে করি, ছাত্ররাজনীতি বন্ধ হওয়া উচিত, বাংলাদেশ কিন্তু মধ্যম আয়ের দেশ ইতোমধ্যেই হয়ে গেছে। স্বাধীনতার প্রায় ৫০ বছর হয়ে যাচ্ছে। আমরা সুবর্ণজয়ন্তি পালন করতে যাচ্ছি। আমরা যখন পরাধীন ছিলাম তখন ছাত্র রাজনীতির দরকার ছিল, তখন বঙ্গবন্ধু ছাত্রলীগ গঠন করেছিলেন। এমনকি সামরিক সরকারের সময়ও ছিল। এখন আর নেই।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আমরা তিনটি বড় আন্দোলন দেখেছি। এর মধ্যে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন, শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন এবং সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন। এই আন্দোলনগুলো ছাত্ররাজনীতির বাইরে হয়েছে। সুতরাং ছাত্র রাজনীতি না থাকলে দেশে অন্যায়ের প্রতিবাদ হবে না যারা এটা বলতে চান তারা ভুল করছেন।
তিনি বলেন, এখন আর রাজনৈতিক দলের মিছিলে লোক পাওয়া যায় না। এর কারণ প্রধানত মানুষ বুঝে গেছে যে, রাজনৈতিক দলকে রক্ত দিয়ে আমি যদি ক্ষমতায় আনি, ক্ষমতায় আসার পর সে আর আমার জন্য কাজ করে না। এছাড়া এখন প্রতিটি মানুষের একটি করে মোবাইল ফোন হয়েছে। সবার ছেলে মেয়ে এখন স্কুল কলেজে যাচ্ছে। তারা স্বপ্ন দেখে সন্তানটি ভবিষ্যতে সফল হবে। তাই আমি বলছি, দেশের বর্তমান আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে তথাকথিত ছাত্ররাজনীতির সংগঠনের আর বাস্তব প্রয়োজন নেই। এখন যারা ছাত্ররাজনীতিতে ব্যবহৃত হচ্ছে তারা ক্ষমতাকে পাহারা দেয়ার কাজ করছে। তিনি বলেন, ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়া সময়ের দাবি। বিশেষ করে বুয়েটের মতো বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে নিষিদ্ধ হওয়া উচিত। এর পাশাপাশি, স্কুলে, কলেজে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংস্কৃতি চর্চার একটি বিপ্লব শুরু করতে হবে। এগুলোর মাধ্যমে চিন্তার বিকাশ ঘটবে। সারা পৃথিবীতে, উন্নত দেশগুলোতে ছাত্র সংসদগুলো যেভাবে চলে আমাদের দেশেও সেভাবে চলুক, প্রচুর ক্লাব হোক, বিতর্ক, বক্তৃতা এগুলো যতো হবে ততো ভাল।
বুয়েটে নিজের শিক্ষা জীবনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, আমরা যখন ভর্তি হই তখন প্রথম পরিচিতি সভায় বলা হয়েছিল, তোমরা ক্রিম অব দ্য ক্রিম। মানে মেধাবীদের মধ্য থেকে বাছাই করে অধিকতর মেধাবীদের নিয়ে এসেছি। আমাদের ক্লাশে জানতে চাওয়া হয়েছিল কারা কারা স্ট্যান্ড করেছে। তখন পুরো ক্লাস দাঁড়িয়ে গেলো। সবাই স্ট্যান্ড করা। চার-পাঁচ বছর পড়ার পর যখন আমাদের সমাপনী উৎসব করা হয় তখন একটা স্মরণিকা বের করা হয়। একটা জরিপে প্রশ্ন করা হয়, তুমি যদি কর্মক্ষেত্রে সুযোগ পাও, ঘুষ খাবে কি? ৯০ ভাগ ছাত্র উত্তর দেয় ঘুষ খাবো। আমি কিন্তু কেঁদে কেটে অস্থির হয়ে গিয়েছিলাম। দেশের সবচাইতে মেধাবীদের এনে পাঁচ বছর পড়িয়ে কী নৈতিক শিক্ষা দিলেন? এর মানে বুয়েটের কারিকুলামের মধ্যে একটা গভীর অসুখ আছে। বুয়েটে কিন্তু ডান পন্থা প্রবল। এখানে পড়াশোনা করে কি করতে হবে জগৎ সংসারের জন্য তা বুঝতে পারে না শিক্ষার্থীরা। এজন্য একই সঙ্গে তারা ঘুষও খেতে চায় আবার পারলৌকিক মুক্তিও চায়। আমি মনে করি আমাদের কারিকুলাম সিস্টেমে সমস্যা আছে। ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কে সমস্যা আছে। আমাদের নৈতিক মান এবং মূল্যবোধের সমস্যা আছে। আরেকটি সমস্যা হলো, এখানে যে কয়জন পড়ে তার মধ্যে ৯০ ভাগই বিদেশে চলে যায়। আমরা কিন্তু বিদেশে কর্মী পাঠানোর একটি ফ্যাক্টরিতে পরিণত হয়েছি। এই অবস্থায় আবরারের মৃত্যু আমাদেরকে জাগ্রত করুক। অবস্থার পরিবর্তনে আমাদের সার্বিক কারিকুলাম বদলাতে হবে, সিস্টেম বদলাতে হবে। শূন্যতা পূরণে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।
সূত্র: ভয়েস অফ আমেরিকা
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আঞ্চলিক উত্তেজনার মাঝে সৌদি সফরে পুতিন; ২০ চুক্তি সই
| পুতিন (বামে) ও সালমান |
এরইমধ্যে সৌদি রাজা সালমান বিন আব্দুল আজিজের সঙ্গে স্পর্শকাতর কিছু আঞ্চলিক এবং সামরিক ও কৌশলগত সহযোগিতার বিষয় নিয়ে তিনি মতবিনিময় করেছেন। গতকাল পুতিন সৌদি সফরে রিয়াদ পৌঁছান। এরপর সৌদি ও রাশিয়ার কর্মকর্তাদের মধ্যে ২০টি চুক্তি সই হয় এবং এসব চুক্তি অনুষ্ঠানে পুতিন উপস্থিত ছিলেন।
রাজা সালমান দু দেশের মধ্যকার সম্পর্কের প্রশংসা করেছেন; বিশেষ করে জ্বালানি চুক্তি নিয়ে তিনি প্রশংসা করেন। রাজা সালমান বলেন, “নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য আমরা রাশিয়ার সঙ্গে কাজ করতে চাই।” অন্যদিকে পুতিনের পক্ষ থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিস্তারে আগ্রহী মস্কো এবং এ ধরনের সম্পর্ককে রাশিয়া বিশেষ গুরুত্ব দেয়।
এদিকে, ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, প্রেসিডেন্ট পুতিন এবং রাজা সালমান সামরিক ও কৌশলগত সহযোগিতার ব্যাপারে আলোচনা করেছেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পেসকভ বলেন, সৌদি আরবের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৪০০ বিক্রি করা হবে কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়, তবে এ নিয়ে পরিকল্পনা আছে।
পুতিনের এ সফরে রাশিয়া ও সৌদি আরবের মধ্যে পেট্রোলিয়াম এবং অন্য জ্বালানি শিল্প, মহাকাশ এবং স্যাটেলাইট চলাচল, বিচার, স্বাস্থ্য সেবা শুল্ক প্রশাসন, খনিজ সম্পদ, বিমান চলাচল, সংস্কৃতি এবং বাণিজ্য বিষয়ে প্রায় ২০টি চুক্তি হয়েছে। দিমিত্রি পেসকভ আরো জানান, সৌদি যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমানের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট পুতিনের বৈঠক হয়েছে এবং ওই বৈঠকে তেলের দাম নিয়ে আলোচনা হয়। আজই সৌদি আরব থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাওয়ার কথা রয়েছে প্রেসিডেন্ট পুতিনের।
| সৌদি আরব ও রাশিয়ার মধ্যে চুক্তি সইয়ের অনুষ্ঠান |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১০ দিনের রিমান্ডে ক্যাসিনো সম্রাট

কড়া নিরাপত্তায় একটি প্রিজন ভ্যানে করে ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে আনা হয় ঢাকার সিএমএম কোর্ট প্রাঙ্গনে। কোর্টের সামনে মোতায়েন ছিল বিপুল পরিমান পুলিশ। দুপুর ১২ টা ৩৭ মিনিটে গারদ খানা থেকে সম্রাটকে আদালতে হাজির করার জন্য বের করা হয়। এসময় পুলিশ ও ডিবির শতাধিক কর্মকর্তা নিরাপত্তা বেষ্টনি দিয়ে সিএমএম ভবনে নেয়ার চেষ্টা করেন। তখন সম্রাটের অনুসারীরা স্লোগান দিতে থাকেন। সম্রাটকে একটু দেখার জন্য উৎসুক জনতাও ভিড় করেন। সবার ভিড় ঠেলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে নিয়ে যান সিএমএম ভবনের ২৭ নম্বর কোর্টে। এই কোর্টে বিচারকের আসনে ছিলেন মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেন। দুপুর ১২ টা ৫০ মিনিটে শুনানি শুরু হয়। অস্ত্র ও মাদক মামলার শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু, অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর সাজ্জাদুল হক শিহাব, তাপস পাল ও আজাদ রহমান। আর সম্রাটের পক্ষে শুনানি করেন আফরোজা শাহনাজ পারভীন হীরা, গাজী জিল্লুর রহমান, মো. খায়রুল ইসলাম, আকতার হোসেন ও সাইদুর রহমান। কাঠগড়ার ভেতরে সম্রাটের গাঁ থেকে ঘাম ঝরতে দেখা যায়। তার মুখ ছিল মলিন। মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেন শুনানি শুরু করার অনুমতি দিলে সম্রাটের এক আইনজীবি আদালতের উদ্দেশ্য বলেন, হুজুর আপনার কাস্টডিতে দাড়িয়ে আছেন সম্রাট। তিনি খুব অসুস্থ তাই শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে তার হ্যান্ডকাপটি খুলে দেবার অনুমতি দিন। তখন হাকিম বিষয়টি পরে দেখা যাবে বলে শুনানি শুরু করতে বলেন।
রমনা থানার দায়ের করা অস্ত্র মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে আব্দুল্লাহ আবু আদালতকে বলেন, ৬ অক্টোবর কুমিল্লা থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী আরমানকে গ্রেপ্তারের পর তাকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সম্রাট জানান মাদকদ্রব্য ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ কাকরাইল অফিসে তার সহযোগিরা অবস্থান করছেন। পরে উর্ধ্বতনদের অবহিত করে নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে সম্রাটকে নিয়ে তার কাকরাইল অফিসে অভিযান চালানো হয়। পরে সম্রাটের বেডরুমের তোষকের নিচ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এই পিস্তলটির কোনো কাগজপত্র তিনি দেখাতে পারেননি। তাই ধারনা করা হচ্ছে তার কাছে আরও অস্ত্র থাকতে পারে। তাই তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এসময় তিনি ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। মাদক মামলার শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, সম্রাটের অফিস থেকে ১৯ বোতল বিদেশি মদ ও ১১৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। তাই তার কাছে আর কোনো মাদক আছে কিনা এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড প্রয়োজন।
এসব মামলার শুনানিতে সম্রাটের পক্ষের আইনজীবী বলেন, সম্রাট যুবলীগ দক্ষিণের একজন নেতা। হাজার হাজার নেতাকর্মী তাকে মন থেকে ভালবাসে। কিন্তু একটি কুচক্রি মহল ষড়যন্ত্র করে তাকে গ্রেপ্তার করিয়ে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। যখন তাকে গ্রেপ্তার করা হয় তখন তার কাছে কোনো অস্ত্র- মাদক পাওয়া যায়নি। অথচ তার কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার দেখানো হয়েছে। আর এখন এসব মামলায় পুলিশ তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়।
শুনানি শেষে মাদক ও অস্ত্র আইনের পৃথক দুই মামলায় সম্রাটকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এছাড়া সম্রাটের সহযোগী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিস্কৃত সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানকেও ৫ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।
গত ৬ই অক্টোবর কুমিল্লা থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী আরমানকে আটক করা হয়। পরে তাকে নিয়ে র্যাব সদরদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বেলা একটার দিকে তার কাকরাইল অফিসে তল্লাশি অভিযান শুরু করেন। সম্রাটের দেখানো মতে তার বেডরুমের জাজিমের ওপরে তোষকের নিচ থেকে ৫ রাউন্ড গুলি ভর্তি একটি ম্যাগাজিনসহ একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। রুম থেকে ২টি ইলেকট্রিক শক মেশিন ও ২টি লাঠি উদ্ধার করা হয়। মাদক মামলার রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, কাকরাইলে সম্রাটকে নিয়ে অভিযানে ১৯ বোতল বিদেশি মদ, ৪ প্যাকেট তাস ও ১ হাজার ১৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তুরস্ককে তার নিজ ভূখণ্ডের জন্য লড়াই করতে দিন: ট্রাম্প

২০১৯ সালের ৯ অক্টোবর তুর্কি সীমান্তবর্তী সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে ‘অপারেশন পিস স্প্রিং’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে তুরস্ক। এ অভিযানের মাধ্যমে অঞ্চলটি থেকে আইএস জঙ্গি ও কুর্দি বিদ্রোহীদের বিতাড়িত করে সেখানে একটি সেফ জোন প্রতিষ্ঠা করতে আগ্রহী আঙ্কারা। এ সেফ জোনে দীর্ঘদিন ধরে তুরস্কে বসবাসরত সিরীয় শরণার্থীদের বসবাসের ব্যবস্থা করতে চায় আঙ্কারা। তুর্কি অভিযানের আগে সেখান থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা শুরু হলে তুরস্ককে সীমা অতিক্রমের বিষয়ে সতর্ক করে দেয় যুক্তরাষ্ট্র। তবে এ ইস্যুতে টুইটারে সিরিজ পোস্ট দেওয়া অব্যাহত রেখেছেন ট্রাম্প।
মঙ্গলবার টুইটারে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প বলেন, আইএস-এর কথিত খিলাফতকে শতভাগ পরাজিত করার পর আমি সিরিয়া থেকে মোটাদাগে আমাদের বাহিনী সরিয়ে নিয়েছি। সিরিয়া ও আসাদকে কুর্দিদের রক্ষা করতে দিন। তুরস্ককে তার নিজ ভূখণ্ডের জন্য লড়াই করতে দিন। আমার জেনারেলদের আমি বলেছি, কেন আমরা শত্রু ভূখণ্ড সিরিয়া ও আসাদের জন্য লড়াই করছি?
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, কুর্দিদের সুরক্ষায় কেউ সিরিয়াকে সহায়তা করতে চাইলে তাকে আমি স্বাগত জানাই। এটা রাশিয়া, চীন কিংবা নেপোলিয়ন বোনাপার্ট যে কেউই হতে পারে। আশা করি, তারা সবাই ভালো করবে। আমরা সাত হাজার মাইল দূরে!
তিনি বলেন, কিছু লোকজন চায় যুক্তরাষ্ট্র সাত হাজার মাইল দূরে অবস্থিত সিরিয়া সীমান্তের সুরক্ষা নিশ্চিত করুক। আর এই দেশটি শাসন করছে আমাদের শত্রু বাশার আল আসাদ। সিরিয়া এবং অন্যরা কুর্দিদের সুরক্ষা চায়। আমি বরং আমাদের দক্ষিণ সীমান্তের দিকে মনোনিবেশ করবো, যা যুক্তরাষ্ট্রের অংশ। যাই হোক, সীমানা দেয়ালটি নির্মিত হচ্ছে!
এদিকে উত্তর পূর্ব সিরিয়ায় তুরস্কের সামরিক হস্তক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। সোমবার এক বৈঠকের পর আঙ্কারার ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে একমত পারেননি তারা। তবে কয়েকটি সদস্য দেশের আঙ্কারায় অস্ত্র রফতানির লাইসেন্স স্থগিতের সিদ্ধান্তকে স্মরণ করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে এটি জোরালো জাতীয় অবস্থানকেই ইঙ্গিত করে। জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, এই সপ্তাহে ইইউ সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিরা বৈঠকে বসে তাদের অবস্থান পর্যালোচনা ও সমন্বয় করবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে করণীয় ঠিক করতে আইএসবিরোধী লড়াইয়ের আন্তর্জাতিক জোটেরও একটি মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক আহ্বানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইইউ।
লুক্সেমবার্গে ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের আলোচ্যসূচির শীর্ষে ছিলো সিরিয়ায় তুরস্কের অভিযান। সোমবার ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতিতে তুরস্কের সামরিক কার্যক্রমের নিন্দা জানানো হয়। এই অভিযান পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা ক্ষুণ্ন করছে আর বেসামরিক মানুষের দুর্ভোগ ও বাস্তুহারা হওয়ার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধা দিচ্ছে বলে মনে করে ইইউ।
গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিরিয়ার উত্তরাঞ্চল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়ার পর ওই অঞ্চলের কুর্দি যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে তুরস্ক। সোমবারের আলোচনার আগে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন ইয়েভস লা দ্রিয়ান বলেন, এই অভিযান মারাত্মক মানবিক বিপর্যয়ের কারণ হতে যাচ্ছে।
ওই অভিযান শুরুর জেরে জার্মানি, ফ্রান্সের পাশাপাশি সুইডেন, ফিনল্যান্ড ও নেদারল্যান্ড তুরস্কের কাছে অস্ত্র রফতানি স্থগিত করেছে। তবে আঙ্কারা বলছে, তাদের ওপর এর প্রভাব খুবই সামান্য। সুইডেন চায় তুরস্কের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করুক ইইউ। তবে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো মাস বলেন, তুরস্কের সঙ্গে আলোচনায় থাকা জরুরি। এতে সফলতা না আসলে অন্য ব্যবস্থার জন্য অবশ্যই প্রস্তুত থাকতে হবে। সূত্র: টুইটার, আল জাজিরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুখোমুখি তুরস্ক ও সিরিয়ার সেনাবাহিনী?

কুর্দিদের প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্র কিছুদিন আগে উত্তর সিরিয়া থেকে নিজেদের সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়। এরপর থেকেই মূলত সীমান্ত এলাকা থেকে কুর্দি বাহিনীকে অপসারণের উদ্দেশ্যে আক্রমণ শুরুর ঘোষণা দেয় তুরস্ক। এই সপ্তাহান্তে কুর্দি-নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ)-এর নিয়ন্ত্রণে থাকা অঞ্চলে ভারি বোমাবর্ষণ করে তুরস্ক।
ফলশ্রুতিতে রাস আল-দিন ও তাল আবিয়াদ নামে দুই গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত শহরে ঘাঁটি গাড়তে সক্ষম হয় তুর্কি স্থল বাহিনী।
উভয় পক্ষের কয়েক ডজন বেসামরিক নাগরিক ও যোদ্ধা নিহত হয়েছে। রোববার মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মার্ক এসপার ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, উত্তর সিরিয়া থেকে প্রায় ১ হাজার মার্কিন সৈন্যকে সরিয়ে নেওয়া হবে। অন্যথায়, তারা দুই প্রতিদ্বন্দ্বী বাহিনীর লড়াইয়ের মধ্যে আটকা পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন এসপার।
তবে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার ও পরবর্তী তুর্কি আক্রমণের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সমালোচনা অব্যাহত আছে। প্রসঙ্গত, তুর্কি নেতৃত্বাধীন এসডিএফ ছিল সিরিয়ায় জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস-কে পরাজিত করার ক্ষেত্রে পশ্চিমা বাহিনীর প্রধান মিত্র। ফলে এসডিএফ আক্রমণের শিকার হওয়ায় ওই অঞ্চলে আইএস-এর পুনরুত্থান ও আইএস-বন্দীদের পালিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে।
বর্তমানে তুর্কি বাহিনীকে মোকাবিলার লক্ষ্যে কুর্দি ও সিরিয়ান বাহিনীর মধ্যে রোববার একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ওই চুক্তি অনুযায়ী, কুর্দি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা সীমান্ত অঞ্চলে সিরিয়ান সেনাবাহিনীও নিয়োজিত হবে। ২০১২ সালের পর এবারই প্রথম ওই এলাকায় সরকারি সৈন্য প্রবেশ করবে। ২০১২ সালের দিকে বিদ্রোহী আক্রমণের মুখে সেনাবাহিনী পিছু হটলে, কুর্দি মিলিশিয়ারা ওই অঞ্চল দখলে নেয়।
কুর্দিরা এই অঞ্চলে স্বায়ত্তশাসন চায়। তবে সিরিয়ান প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ তাতে রাজি নন। আবার তিনি কুর্দি নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল পুনর্দখলেরও চেষ্টা করেননি। বিশেষ করে, কুর্দিরা আইএস-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আন্তর্জাতিক জোট বাহিনীর প্রধান মিত্রে পরিণত হওয়ার পর আসাদ তাদেরকে আর ঘাটাতে চাননি।
আসাদের সঙ্গে কুর্দিদের এই চুক্তি নানা কারণেই তাৎপর্যপূর্ণ। কুর্দিরা বলছে, মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের ফলে তুর্কি সামরিক আক্রমণের মুখে পড়ে সিরিয়া সরকারের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে তারা বাধ্য হয়েছে। তাদের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র কুর্দিদের ‘পেছন থেকে ছুরি মেরেছে’।
অপরদিকে তুরস্ক দীর্ঘদিন ধরেই সিরিয়ার কুর্দি বাহিনীকে নিষিদ্ধ কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি অর্থাৎ কেকেকে’র অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে। কেকেকে ৩ দশক ধরে তুরস্কের অভ্যন্তরে কুর্দি স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে লড়াই করছে। এছাড়া তুরস্কের অভ্যন্তরে বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী হামলাও পরিচালনা করেছে। তুরস্কের বক্তব্য, ‘সন্ত্রাসী’ কুর্দি বাহিনীর বিরুদ্ধেই তাদের লড়াই।
অপরদিকে সিরিয়ায় আইএস-এর বিরুদ্ধে লড়াই ছাড়াও, কুর্দিরা ওয়াশিংটনের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র ছিল অন্য কারণেও। কুর্দি উপস্থিতির কারণে মার্কিন প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিয়া, ইরানের প্রভাবও সীমিত রাখা সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু এখন তা দৃশ্যত আর নেই।
সিরিয়া ও কুর্দি চুক্তির আওতায়, সিরিয়ান বাহিনীকে ইতিমধ্যেই তুরস্কের দখলে থাকা তাল আবিয়াদ ও রাস আল-আইন-এ মোতায়েন করা হবে না। তবে আরেক গুরুত্বপূর্ণ শহর তাল তামের ছাড়াও আইন ইসা নামক শহরেও সরকারি বাহিনী প্রবেশ করেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চার বড় ভাইকে নিয়ে সিলেটে নানা জল্পনা by ওয়েছ খছরু

দীর্ঘদিন ধরে তারা লালন করছেন এসব কর্মী বাহিনীকে। এ কারণে সিলেটের ছাত্রলীগের রাজনীতির নিয়ন্ত্রক বনে গেছেন তারা। এক সময় তারা নিজেরাও ছিলেন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে। শীর্ষ পদ থেকে সাবেক হয়েছেন। এরপর থেকে তারা নিজেরাই গড়ে তোলেন গ্রুপ। গ্রুপিং রাজনীতির কারণে তারা কখনো হয়েছেন বিতর্কিত, আবার সমালোচিত। ক্যাডার ভিত্তিক রাজনীতির আঁচড় পড়েছে তাদের ক্লিন ইমেজে। এতে তাদের ভ্রূক্ষেপ নেই। যতটা সম্ভব কন্ট্রোল করেই চালাচ্ছেন রাজনীতি।
এখন তারা আওয়ামী লীগের মাঝারি সারির নেতা। সিনিয়রদের হাত থেকে ধীরে ধীরে আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণও চলে আসতে শুরু করেছে তাদের হাতে। আর এবারই হচ্ছে তাদের রাজনীতির টার্নিং পয়েন্ট। এই চার বড় ভাই হলেন- সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক নাসির উদ্দিন খান, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, মহানগর আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ ও জেলা আওয়ামী লীগের উপ দপ্তর সম্পাদক জগলু চৌধুরী। সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন সন্নিকটে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রের নির্দেশে বর্ধিত সভা করে দু’টি ইউনিটেরই সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আর সম্মেলনকে ঘিরে শুরু হয়েছে তোড়জোড়। এরই মধ্যে আলোচনায় এসেছেন এই চার বড় ভাই। তাদের নিজেদের কর্মীবাহিনী সরব হয়ে উঠেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা প্রচারণা। দু’টি ইউনিটেরই সাধারণ সম্পাদক পদকে কেন্দ্র করে চলছে আলোচনা। এ কারণে আওয়ামী লীগের ভেতরেও শুরু হয়েছে জল্পনা। তবে- এই চারজনের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের উপ দপ্তর সম্পাদক জগলু চৌধুরীর কোনো গ্রুপ নেই। তাকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনাও কম। আর বাকি তিনজনই হচ্ছেন সিলেট ছাত্রলীগের তিন গ্রুপের নিয়ন্ত্রক। তাদের কর্মী বাহিনীও কয়েক হাজার। এসব কর্মীবাহিনীর নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে তারা প্রায়ই বিতর্কিত হয়েছেন। সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক নাসির উদ্দিন খান এবার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শক্তিশালী প্রার্থী।
এমসি কলেজকেন্দ্রিক ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমে তার যাত্রা শুরু। এরপর তিনি সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হন। দীর্ঘদিন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক থাকার সময় আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন। ক্লিন ইমেজের ছাত্রনেতা হওয়ার কারণে সরাসরি তাকে ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক করা হয়। ২০১১ সালের কমিটিতে তিনি যুুগ্ম সম্পাদক হন। নাসির উদ্দিন খান সিলেট ছাত্রলীগের তেলীহাওর ব্লকের বড় ভাই। ছাত্রলীগের পাশাপাশি যুবলীগ ও অঙ্গ সংগঠনে রয়েছে তার কর্তৃত্ব। সর্বশেষ সিলেট চেম্বার নির্বাচনের নির্বাচনী বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। তার নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন সিলেট চেম্বার সুষ্ঠুু নির্বাচনের আয়োজন করে। এতে প্রশংসিত হন তিনি। নাসির বলয়ের নেতারা জানিয়েছেন- এবার সিলেট জেলা আওয়ামী লীগে পরিবর্তনের সুর লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ কারণে নতুন নেতৃত্ব হিসেবে নাসির উদ্দিন খান চমক দেখাতে পারেন। সিলেটে কোনো গ্রুপিং রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয় সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জগলু চৌধুরী। এককালে তিনি রাজনীতির পাশাপাশি সাংবাদিকতাও করতেন।
সিলেটে তার কোনো গ্রুপ নেই। এরপরও সাবেক সভাপতি হওয়ার কারণে সব বলয়ের নেতাদের কাছে তিনি বড় ভাই হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক। সফলতার সঙ্গে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। বালাগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও দলীয় গ্রুপিংয়ের কারণে অল্পভোটে তিনি পরাজয় বরণ করেন। এরপর সিলেট-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন। জগলু চৌধুরী এবার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী। সিনিয়রদের বাদ দিয়ে জুনিয়রদের সুযোগ এলে তিনি এ পদে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারবেন। গোটা জেলার নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভালো সম্পর্কের কারণে তিনি আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। তবে- দলের প্রয়োজন তিনি যে কোনো অবস্থানেই থেকেই কাজ করতে চান। জেলা আওয়ামী লীগে নাসির ও জগলু যেমনি সাধারণ সম্পাদকের জন্য লবিং চালাচ্ছেন তেমনি মহানগর আওয়ামী লীগে ব্যস্ত নাদেল ও আজাদ। শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল সিলেটের পরিচিত মুখ।
এক নামেই তাকে চিনেন সবাই। তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের প্রথম সাংগঠনিক সম্পাদক। ২০১১ সালে নতুন কমিটি গঠনের সময় তিনি সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলেন। শেষে তাকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। এবার সাধারণ সম্পাদকের তালিকায় তিনি শক্তিশালী প্রার্থী। মহানগর আওয়ামী লীগের পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক। সিলেটের ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণ হয়েছে তার হাত ধরেই। সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনের শীর্ষ নেতা এখন তিনি। সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের আস্থাভাজন নেতা হওয়ার কারণে সিলেটের রাজনীতিতে তিনি শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তুলেছেন। দীর্ঘদিন সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন তিনি। এরপর তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। সিলেটের নূর হোসেন ব্লক ছাত্রলীগের বড় ভাই তিনি। যুবলীগ সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনেও রয়েছে তারা কর্তৃত্ব। এছাড়া তিনি মেট্রোপলিটন চেম্বারের নেতা। সিলেটের রাজনীতিতে নাদেলের ক্লিন ইমেজ থাকলেও ক্রীড়াঙ্গনকেন্দ্রিক রাজনীতিতে তার বিতর্কের ছোঁয়া লেগেছে। আজাদুর রহমান আজাদ হচ্ছেন সিলেট জেলা ছাত্রলীগের টিলাগড় গ্রুপের বড় ভাই। বর্তমানে তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক। এর আগে তিনি জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
টিলাগড়কেন্দ্রিক রাজনীতির কারণে আজাদুর রহমান আজাদ বার বার বিতর্কিত হয়েছেন। সর্বশেষ, তার গ্রুপের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছিল। টিলাগড়ে প্রভাব রয়েছে আজাদের পরিবারের। এবার আজাদুর রহমান আজাদ সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী। বর্তমানে তিনি আমেরিকা সফরে থাকলেও তার গ্রুপের নেতারা ইতিমধ্যে তাকে নিয়ে সরব রয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। তিনি সিলেট সিটি করপোরেশনের ২০ নং ওয়ার্ডের একাধিকবারের কাউন্সিলর। গেল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তার ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই নির্বাচিত হন। সিটি করপোরেশনের উন্নয়নকেন্দ্রিক নানা ঘটনায় তিনি আলোচিত।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লাখ কোটি টাকায় আরো দুই মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন

পরিকল্পনা মন্ত্রী জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি সব বাসভবনে নেট লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, এখন থেকে যেসব সরকারি বাড়ি তৈরি করা হবে তার সবগুলোতে মসকিউটো নেটিং থাকতে হবে। সেই সঙ্গে আর্বজনা ডিসপোজালের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
বাড়ির নিচতলায় গাড়ি চালকদের জন্য টয়লেট, নামাজ পড়ার জায়গা ও বিশ্রামের জায়গা থাকতে হবে। সরকারি বাসভবনে গ্যাস সংযোগের বিষয়েও নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
পরিকল্পনা মন্ত্রী জানান, এখন সরকারি আবাসিক ভবনে গ্যাস সংযোগ না দেয়ার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ধীরে ধীরে সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহারে মানুষকে অভ্যস্ত হওয়ার আহবান জানান।
তিনি বলেন, এখন সরকারি অর্থে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলেও আগামীতে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডকে শেয়ার বাজারে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া আগামীতে ধানমণ্ডিকে ধরে আশপাশের এলাকার জন্য মেট্রোরেল তৈরির পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। মেট্রোরেলের ব্যয়ের প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, এখন বেশি জমি অধিগ্রহণ করায় নতুন মেট্রোরেলের ব্যয় বেশি হচ্ছে। এছাড়া মাটির নিচে ও এলিভেটেড দুই ধরনের হওয়ায় কারিগরি অনেক বিষয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, যেকোনো প্রকল্প সময়ের মধ্যেই সংশোধন করতে হবে। সময় শেষে নিয়ে আসা যাবে না।
এদিকে একনেক সভায় বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর রেলস্টেশন এবং নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল ডিপো পর্যন্ত ৩১.২৪১ কিলোমিটার এমআরটি লাইন-১ নির্মাণ ও হেমায়েতপুর-আমিনবাজার-গাবতলী-মিরপুর ১-মিরপুর ১০-কচুক্ষেত-বনানী-গুলশান ২-নতুনবাজার-ভাটারা পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার এমআরটি লাইন-৫: নর্দার্ন রুট প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
এমআরটি (লাইন-১) নির্মাণের জন্য চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ ধরা হয়েছে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ৫২,৫৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকার বহন করবে ১৩,১১১ কোটি ১১ লাখ টাকা, ৩৯,৪৫০ কোটি ৩২ লাখ টাকা বৈদেশিক ঋণ।
এমআরটি (লাইন-৫) নির্মাণ সম্পন্নের জন্য মেয়াদ রাখা হয়েছে চলতি বছরের জুলাই থেকে ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রকল্পটিতে মোট ব্যয় হবে ৪১,২৩৮ কোটি ৫৪ লাখ ৭৭ হাজার টাকা। এতে সরকারি অর্থায়ন ১২,১২১ কোটি ৪৯ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। বৈদেশিক ঋণ ২৯,১১৭ কোটি ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা।
অনুমোদিত ১০ প্রকল্প: সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ‘ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-১)’; ‘ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-৫): নর্দান রুট; ‘ডোমার-চিলাহাটি-ভাউলাগঞ্জ (জেড-৫৭০৬), ডোমার (বোড়াগাড়ী)-জলঢাকা-(ভাদুরদরগাহ) (জেড-৫৭০৪) এবং জলঢাকা-ভাদুরদরগাহ-ডিমলা (জেড-৫৭০৩) জেলা মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ’ ও ‘কিশোরগঞ্জ-করিমগঞ্জ-চামড়াঘাট জেলা মহাসড়ক যথাযথ মানে উন্নীতকরণসহ ছয়না-যশোদল-চৌদ্দশত বাজার সংযোগ সড়ক নির্মাণ’ প্রকল্প; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ‘গৃহায়ন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন (দ্বিতীয় সংশোধন) প্রকল্প’; গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ‘ঢাকাস্থ মিরপুর পাইকপাড়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বহুতল আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ’ ও ‘ঢাকার আজিমপুরে বিচারকদের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণ (প্রথম সংশোধন) প্রকল্প; পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘ইরিগেশন ম্যানেজমেন্ট ইনমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট ফর মুহরী ইরিগেশন প্রজেক্ট (দ্বিতীয় সংশোধন) প্রকল্প এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ‘জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব নিরসনে সিলেট বন বিভাগে পুনঃবনায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে ভারতের ওপর নির্ভরশীলতার ইতি টানতে চায় নেপাল

৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেল সংযোগ স্থাপিত হবে তিব্বতের গাইরন থেকে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু পর্যন্ত। বাস্তবায়িত হলে এটি হবে নেপালের সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী অবকাঠামো প্রকল্পের একটি। এই প্রকল্পের জন্য চীনের একটি দল ইতিমধ্যেই প্রাথমিক নিরীক্ষা চালিয়েছে। এই প্রকল্প চীনের বেল্ট ও রোড উদ্যোগের অংশ হবে।
এই রেল সংযোগের পাশাপাশি স্থাপিত হবে ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ভূগর্ভস্থ টানেল। যার ফলে কাঠমান্ডু ও চীনা সীমান্তের দূরত্ব অর্ধেকে নেমে আসবে।
ফলে বাঁচবে সময় ও খরচ।
নেপালের ভৌত অবকাঠামো ও পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রাজেশ্বর গাওয়ালি বলেন, ‘চীন এখন এই রেল প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পরীক্ষা করবে। পাশাপাশি টানেল পথ নির্মাণে সহায়তা করবে।’
২০১৫ ও ২০১৬ সালে ভারত সীমান্তে অবরোধের ফলে নেপালে কয়েক মাস ধরে জ্বালানি ও ওষুধের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর তীব্র সংকট দেখা দেয়। এরপর থেকেই চীনের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে তৎপর হয়ে ওঠে নেপাল। গাওয়ালি বলেন, ‘যদি ফের সীমান্তে অবরোধের সম্মুখীন হই, তাহলে এই নতুন অবকাঠামোর কারণে আমাদের কাছে বিকল্প পথ থাকবে।’
প্রসঙ্গত, নেপালে প্রভাব বৃদ্ধি নিয়ে লড়াই রয়েছে চীন ও ভারতের। দুই বৃহৎ দেশের মধ্যে অবস্থিত নেপাল। উভয় দেশই নেপালের অবকাঠামোতে বিনিয়োগ করছে। তবে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনই ভারতের ওপর নির্ভরশীল স্থলবেষ্টিত নেপাল। নেপালের মোট বাণিজ্যের দুই-তৃতীয়াংশই হয় ভারতের সঙ্গে। এছাড়া ভারতই দেশটির একমাত্র জ্বালানি সরবরাহকারী।
শি জিনপিং-এর সফরে ওই দুই চুক্তি ছাড়াও উভয় পক্ষ বাণিজ্য, পানি সরবরাহ, সাধারণ ওষুধ সরবরাহের বিষয়ে ২০টি চুক্তি সই করে। প্রসঙ্গত, এটি ছিল গত ২২ বছরে নেপালে প্রথম কোনো চীনা প্রেসিডেন্টের সফর।
নেপাল সফরে যাওয়ার আগে ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করে আসেন জিনপিং। শনিবার নেপালে তিনি এক নৈশভোজে বলেন, ‘স্থলবেষ্টিত দেশ থেকে স্থল-সংযোগের দেশে পরিণত হওয়ার যে স্বপ্ন রয়েছে নেপালের, তা পূরণে আমরা সহায়তা করবো।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীরে বিক্ষোভকালে ফারুক আব্দুল্লাহর মেয়ে ও বোনকে আটক করল পুলিশ
| সুরাইয়া ও সাফিয়া |
মঙ্গলবার এসব নারী জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার ও এটিকে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করার বিরোধিতা করছিলেন। বিক্ষোভকারী নারীরা পুলিশি নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করে প্ল্যাকার্ড, পোস্টারসহ লালচকের প্রতাপ পার্কে জড়ো হয়েছিলেন। এরপরে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন। পুলিশ সেখানে পৌঁছে প্রতিবাদী নারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় এবং এক ডজনেরও বেশি নারীকে আটক করা হয়।
এসময় পুলিশ বিক্ষোভকারীদেরকে গণমাধ্যমে বিবৃতি দিতে বাধা দেয়ার চেষ্টা করে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘কাশ্মীরের নারীরা ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ৩৭০ ও ৩৫-এ ধারা অপসারণের একতরফা সিদ্ধান্ত ও রাজ্যটিকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করার সিদ্ধান্তকে প্রত্যাখ্যান করেছেন।’ তাঁরা অবিলম্বে আটককৃতদের মুক্তি দেয়াসহ গ্রামীণ ও শহর এলাকাকে অসামরিকীকরণের দাবি জানিয়েছেন। তাঁরা কাশ্মীরে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমূলক প্রচারের জন্য জাতীয় গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে তাঁদের ক্ষোভ প্রকাশের কথাও বলেন।
ডা. ফারুক আবদুল্লাহ ও তার ছেলে ওমর আবদুল্লাহ আগে থেকেই আটক অবস্থায় রয়েছেন। ফারুক আবদুল্লাহকে জননিরাপত্তা আইনে আটক করা হয়েছে।
এদিকে, জম্মু-কাশ্মীরে এসএমএস পরিসেবা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সোমবার প্রায় ৭২ দিন পরে পোস্টপেইড মোবাইল নেটওয়ার্ক পরিসেবা চালু করা হয় কিন্তু এর কয়েক ঘণ্টা পরেই এসএমএস পরিসেবা বন্ধ করে দেয়া হয়। সোমবার কাশ্মীর উপত্যকার প্রায় ৪০ লাখ পোস্টপেইড মোবাইল ফোন চালু করা হয়। কিন্তু এখন সেখানকার মানুষের মধ্যে নয়া সমস্যা দেখা দিয়েছে। সেখানে মোবাইল ফোন পরিসেবা পুনরুদ্ধার হলেও আউটগোয়িং কল মানুষের জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেশিরভাগ মোবাইল ব্যবহারকারীদের গত ৭২ দিনের জন্য বিল পাঠানো হয়েছে এবং বিল জমা না দেয়ার কারণে তাদের বহির্গামী পরিসেবা বন্ধ করা হয়েছে। কাশ্মীরে ইন্টারনেট পরিসেবা এখনও চালু না হওয়ায় গ্রাহকরা বিল পরিশোধ করেনি।
গত ৫ আগস্ট জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল করাকে কেন্দ্র করে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ হিসেবে সেখানে যোগাযোগ পরিসেবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়া হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কিশোরগঞ্জে ধান ক্ষেতে নবজাতককে ফেলে গেল মা: ময়মনসিংহের রাস্তায় ফুটফুটে নবজাতক
![]() |
| ময়মনসিংহের রাস্তায় নবজাতক |
পরম মমতায় তিনি বাচ্চাটিকে কোলে তুলে নেন। বাড়িতে নিয়ে গিয়ে শুরু করে শিশুটির সেবা-শুশ্রুষা। ধান ক্ষেতে নবজাতক পাওয়ার খবরে এলাকাবাসী তার বাড়িতে ভিড় করেন। বাড়িতে নেয়ার পর থেকেই শিশুটি স্নেহ কাড়ে সবার। ঠাঁই পায় এক কোল থেকে আরেক কোলে। স্থানীয় সূত্র জানায়, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সুফিয়া খাতুন ধান ক্ষেতে নবজাতকের কান্নার শব্দ শুনতে পান। তিনি ছুটে গিয়ে মাতৃস্নেহে কোলে তুলে নেন শিশুটিকে। নবজাতক এই ছেলে শিশুটিকে জন্মের পরই মা ফেলে রেখে গেছেন বলে এলাকাবাসী ধারণা করছেন। অনেকেই শিশুটিকে দত্তক নেয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ধান ক্ষেতে পরিত্যক্ত অবস্থায় নবজাতক উদ্ধারের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে শিশুটিকে দুপুরে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এসে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়।
এ ব্যাপারে তাড়াইল থানার ওসি মো. মুজিবুর রহমান জানান, সুফিয়া খাতুনের পরিবারের কাছ থেকে শিশুটির খবর পেয়ে তাঁরা শিশুটিকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে রেখেছেন। চিকিৎসকের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, উদ্ধারের সময় শিশুটির বয়স একদিন বা দেড়দিন হবে। তিনি বলেন, শিশুটির বিষয়ে সমাজসেবা কার্যালয়কে অবহিত করা হয়েছে। বুধবার সমাজসেবার কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শিশুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক কামরুজ্জামান খান কুড়িয়ে পাওয়া এ শিশুটির বিষয়ে তিনি জেনেছেন জানিয়ে বলেন, শিশু আইন-২০১৩ অনুযায়ী স্থানীয় শিশু কল্যাণ বোর্ডের মাধ্যমে সাময়িকভাবে কাউকে পরিচর্যার জন্য দেওয়া হবে। বুধবার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে শিশুটিকে স্থায়ীভাবে কাউকে হস্তান্তর বা ছোটমণি নিবাসে পাঠানোর জন্য আদালতের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে চূড়ান্ত ফয়সালা হবে।
![]() |
| কিশোরগঞ্জে ধান ক্ষেতে নবজাতক |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাবার কোলেই ঘুমন্ত তুহিনকে জবাই করে চাচা

ঘটনায় জড়িত বাবা আব্দুল বাছির, চাচা মছব্বির আলী ও জমসের আলীকে তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
এদিকে, ময়নাতদন্ত শেষে রাতেই তুহিনের মরদেহ দাফন করা হয়েছে গ্রামের বাড়িতে। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডে শোকে স্তব্ধ সুনামগঞ্জ জেলা। ছোট ওই শিশুকে হত্যার পর তার শরীরে নারকীয় অত্যাচারের ঘটনায় হতবিহ্বল বিবেকবান মানুষ। গতকাল সকাল থেকে সুনামগঞ্জ ও দিরাই উপজেলায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন। এর আগে সোমবার রাতে দিরাই থানায় তুহিনের বাবা আবদুল বাছির, চাচা জমশেদ আলী, আব্দুল মোছাব্বির, নাসির, জাকির, চাচাতো ভাই শাহারুল, চাচাতো বোন তানিয়া, চাচী খায়রুন বেগম, প্রতিবেশী আজাদুরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডে পরিবারের সদস্যরা সম্পৃক্ত জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য পেয়েছেন বলে জানান পুলিশ সদস্যরা।
গতকাল দুপুরে দিরাই থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম তুহিনের বাবা আবদুল বাছির, চাচা জমশেদ আলী, আবদুল মোছাব্বিরকে সুনামগঞ্জ আদালতে নিয়ে আসে। বিকাল সাড়ে ৪টায় ওই ৩ জনকে আদালতে তোলা হয়। দিরাই থানা পুলিশের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সন্দেহভাজন বাবা ও দুই চাচার ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালতের বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল খালিক।
ওদিকে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ায় গতকাল সকাল সাড়ে ৮টায় দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন তুহিনের মা। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাবার বাড়ি একই ইউনিয়নের জকিনগর গ্রামে যান তিনি। এ সময় তুহিনের মাকে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলেও তিনি কিছু বলেননি। তুহিনের মামা নুরুজ্জামান জানান, তুহিনের মা অসুস্থ। হত্যাকাণ্ড বিষয়ে তিনি পরে কথা বলবেন।
এ হত্যাকাণ্ডে প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠেছে সুনামগঞ্জ। জেলা শহর ও দিরাইয়ে পৃথক পৃথক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে সংগঠনগুলো। ‘খেলাঘর চায় না শিশুদের কান্না’ এই স্লোগানে শিশু তুহিন হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সুনামগঞ্জ ও দিরাইয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। সকালে খেলাঘর সুনামগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে শহরের আলফাত স্কয়ারে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, খেলাঘর সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি বিজন সেন রায়, সাধারণ সম্পাদক এনাম আহমদ, রবিউল ইসলাম, সুজনের সাধারণ সম্পাদক আলী হায়দার, সাংগঠনিক সম্পাদক সোরাজু আহমেদ প্রমুখ।
তুহিনের মামলার আসামিদের পক্ষে আদালতে দাঁড়াবেন না দিরাই উপজেলার কোনো আইনজীবী। আইনজীবীরা তুহিনের পক্ষে বিনা খরচে আইনি সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সুনামগঞ্জস্থ দিরাই কল্যাণ সমিতি আয়োজিত এক মানববন্ধনে।
গতকাল দুপুর একটায় সুনামগঞ্জ আদালত প্রাঙ্গণে দিরাই কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হুমায়ূন মঞ্জুর চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও অ্যাডভোকেট শহীদুল হাসমত খোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, অ্যাডভোকেট দিলীপ কুমার দাস, অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম, অ্যাডভোকেট জিয়াউর রহিম শাহীন, অ্যাডভোকেট আজাদুল ইসলাম রতন, অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম, অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন, অ্যাডভোকেট আব্দুল আহাদ, অ্যাডভোকেট সালেহ আহমদ, অ্যাডভোকেট ওবায়দুর রশিদ চৌধুরী মিটু প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ১৩ই অক্টোবর রাতে সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে রাতে ঘর থেকে তুলে নিয়ে পাঁচ বছরের শিশু তুহিনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ঘাতকরা তার লাশ রাস্তার পাশের একটি গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে। এ সময় তুহিনের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল। তার পেটে দুটি ছুরি ঢোকানো ছিল, দুটি কান কাটা, এমনকি যৌনাঙ্গটিও কেটে ফেলা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহারাষ্ট্রের ধারাবিতে আযান শুনে ভাষণ থামালেন রাহুল গান্ধী
![]() |
| রাহুল গান্ধী |
গত রোববারের ওই ঘটনায় রাহুল গান্ধীর অবস্থানকে উপস্থিত জনতা ব্যাপকভাবে স্বাগত জানান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তাঁকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। আযান চলাকালীন সময়ে যেসব সমর্থকরা ওই সমাবেশে আসেন তারা করতালি ও স্লোগান দিয়ে তাঁকে অভিনন্দিত করার চেষ্টা করলে রাহুল তাঁদেরকে মঞ্চ থেকে হাত নাড়িয়ে চুপ থাকার জন্য বলেন।
রাহুল গান্ধী এদিন তাঁর বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশাপাশি মহারাষ্ট্রের বিজেপি-শিবসেনা জোটকে টার্গেট বলেন, ‘রকেটে ধারাবির জনতার পেট ভরবে না। উল্টোপাল্টা কথায় ধারাবির জনতার পেট ভরবে না। আপনারা ধারাবির জনতাকে বলুন ফড়নবিসজি (মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী), মোদিজি (প্রধানমন্ত্রী), বিজেপি-শিবসেনার নেতা আপনারা বলুন ধারাবির অর্থব্যবস্থার জন্য, ধারাবিতে ব্যবসার জন্য, ছোটো ব্যবসাদারদের জন্য, দোকানদারদের জন্য কী করেছেন? এটা আপনার বলুন। ভোট চাচ্ছেন যখন জনতাকে এ নিয়ে বলুন। আপনারা বলুন, ভারতে বিগত ৪০ বছরের মধ্যে কেন এখন সবচেয়ে বেশি বেকারত্ব? কেন এই বেকারত্ব তা বুঝিয়ে বলুন।’
এরপরেই এলাকার বিভিন্ন মসজিদের মিনার থেকে ভেসে আসে আযানের ধ্বনি। রাহুল সঙ্গে সঙ্গে বক্তব্য থামিয়ে দিলে সভায় উপস্থিত জনতা করতালি দিয়ে তাঁকে অভিন্দিত করেন। এসময় তিনি আযান ও আযানের দোয়া পাঠ শেষ না হওয়া পর্যন্ত মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন। আযান শেষ হওয়ার পরে ফের ‘রাহুল গান্ধী জিন্দাবাদ’ ধ্বনি দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন দলীয় সমর্থকরা। রাহুল এসময় মহারাষ্ট্রের বিজেপি-শিবসেনা জোট সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনায় সোচ্চার হয়ে বলেন, মহারাষ্ট্রে দুই হাজার কারখানা বন্ধ হয়েছে। ধারাবিতে পঞ্চাশ হাজার ক্ষুদ্র ও ছোট শিল্পে দুই লাখ লোক কর্মহীন হয়েছেন।’
রাহুল বলেন, মারুতি কোম্পানি কারখানা বন্ধ করেছে। টাটা কারখানা বন্ধ করেছে। গোটা দেশে যেকোনো রাজ্যে হোক, গুজরাটে দেখুন হীরের ব্যবসা, কাপড়ের ব্যবসা শেষ হয়ে গেছে। চেন্নাইতে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। যেখানেই দেখবেন ছোটো ব্যবসা, মঝারি ব্যবসা, বড় ব্যবসা সব শেষ হয়ে গেছে।’
কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী গত এপ্রিলেও উত্তর প্রদেশের আমেথিতে এক জনসভা চলাকালীন আযান শুনে তাঁর বক্তব্য বন্ধ রেখেছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী
![]() |
| নিহত ব্যবসায়ীর শোকাভিভূত সন্তানেরা |
তিনি জানান, হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে নিহত আনোয়ার হোসেন খানের মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। মঙ্গলবার রাতের মধ্যে বিমানে করে তার মরদেহ চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থানরত আনোয়ারের ভগ্নিপতি মুহাম্মদ শাহজাহান।
মুহাম্মদ শাহজাহান জানান, কসমো সিটিতে বাংলাদেশি মসজিদে প্রতি বৃহসপতিবার রাতে জিকির-আজকার করা হয়। সেখানে আনোয়ার নিয়মিত অংশগ্রহণ করতেন। ঘটনার দিন তিনি এক পাকিস্তানিকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশি আবু বকরের দোকানে যান। আবু বকরকে মসজিদে নিয়ে যাওয়ার জন্য গাড়ি থেকে নেমে ডাকতে গেলে সেখানে ওঁৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তাদেরকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। এ সময় তিনটি গুলি আনোয়ারের গায়ে বিদ্ধ হয়। ধারণা করা হচ্ছে, সংঘবদ্ধ কৃষ্ণাঙ্গ সন্ত্রাসীরা ওই বাংলাদেশি দোকানের সামনে ডাকাতির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছিল। ওই সময় আনোয়ার খান সেখানে গেলে সন্ত্রাসীরা মনে করে দোকানদার হয়তো তাদেরকে ডেকে এনেছে। এমন সন্দেহ থেকে ডাকাতরা তাদের উপর গুলি ছোড়ে। তিনি আরও জানান, অন্য বাংলাদেশীরা গুরুতর অবস্থায় আনায়োরকে উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হেলেন জোসেফ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে ৪ দিনে তাকে দুইবার অস্ত্রোপাচার করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ই অক্টোবর মারা যান আনোয়ার।
তার বাবা সিরাজুল ইসলাম জানান, আনায়োর হোসেন খান সাতকানিয়ার একসময়ে নামি ফুটবলারও ছিলো। ১৯৯৬ সালে আনোয়ারের বড় ভাই দেলোয়ার হোসেন প্রথমে দক্ষিণ আফ্রিকায় যায়। তার হাত ধরে ২০০০ সালে ছোট ভাই বেলায়েত হোসেনসহ আফিকায় যায় আনোয়ার। তিন ভাই মিলে সেখানকার জোহানেসবার্গ শহরে ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের ব্যবসা গড়ে তোলে। বর্তমানে দুই ভাই দেশে আছে। জোহানেসবার্গে আনোয়ার একাই ব্যবসা দেখতো। তিনি আরও জানান, গত বছরের ডিসেম্বরে চট্টগ্রামে এসে একটানা ৯ মাস ছিলো আনায়োর খান। গত ২২শে সেপ্টেম্বর সে দক্ষিণ আফ্রিকায় ফিরে যায়। একমাসের ব্যবধানে তাকে দেশে ফিরতে হচ্ছে লাশ হয়ে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেন ব্রিটিশ ম্যাগাজিনগুলো মেগান মার্কেলকে ঘৃণা করে?
![]() |
| মেগান মার্কেল |
![]() |
| প্রিন্স হ্যারির সাথে তার প্রথম বারের প্রকাশ্যে ছবি আসলে দ্যা সানের মত পত্রিকা কাব্যিক বর্ণনা দিয়েছিল। |
![]() |
| এনগেজমেন্টের সময়কার রিং |
![]() |
| মেগানকে সব সময় কেটের সাথে তুলনা করা হয় |
![]() |
| প্রিন্সেস মার্গারেট |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
October
(602)
-
▼
Oct 16
(31)
- আমেরিকা বুঝতে পেরেছে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক হিসাব-...
- জাবি’র গণরুম; যেন একেকটি টর্চার সেল by শাহাদাত হোস...
- ৪৩ জনের তালিকা শ’ শ’ কোটি টাকা পাচারের তথ্য by মার...
- অস্ট্রেলিয়ায় প্রতিবাদের নামে নগ্নতা
- ফেরার উপায় নেই দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর বাসিন্দাদের by আ...
- ট্রাম্প-এরদোয়ানের হাতে নির্মিত হচ্ছে সিরীয় যুদ্ধের...
- সিরিয়ায় কুর্দিবিরোধী অভিযান: তুরস্ক সরকারের মন্ত...
- ছাত্ররাজনীতি বন্ধ হওয়া উচিত : -আনিসুল হক
- আঞ্চলিক উত্তেজনার মাঝে সৌদি সফরে পুতিন; ২০ চুক্তি সই
- ১০ দিনের রিমান্ডে ক্যাসিনো সম্রাট
- তুরস্ককে তার নিজ ভূখণ্ডের জন্য লড়াই করতে দিন: ট্রাম্প
- মুখোমুখি তুরস্ক ও সিরিয়ার সেনাবাহিনী?
- চার বড় ভাইকে নিয়ে সিলেটে নানা জল্পনা by ওয়েছ খছরু
- লাখ কোটি টাকায় আরো দুই মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন
- যেভাবে ভারতের ওপর নির্ভরশীলতার ইতি টানতে চায় নেপাল
- কাশ্মীরে বিক্ষোভকালে ফারুক আব্দুল্লাহর মেয়ে ও বোনক...
- কিশোরগঞ্জে ধান ক্ষেতে নবজাতককে ফেলে গেল মা: ময়মনসি...
- বাবার কোলেই ঘুমন্ত তুহিনকে জবাই করে চাচা
- মহারাষ্ট্রের ধারাবিতে আযান শুনে ভাষণ থামালেন রাহুল...
- দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত চট্টগ্রাম...
- কেন ব্রিটিশ ম্যাগাজিনগুলো মেগান মার্কেলকে ঘৃণা করে?
- ক্রিকেট: সৌরভ গাঙ্গুলি কি বিজেপিকে মুচলেকা দিয়ে ভ...
- তুরস্কে গত পাঁচ বছরের যে ঘটনা মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে
- টাকার মান কমানোর উদ্যোগ যা ভাবছেন বিশ্লেষকরা
- দলবেঁধে বিদেশ ভ্রমণ: সংসদ সচিবালয়ে ফাইলের স্তূপ by...
- বৈধ হতে রাজনৈতিক আশ্রয়! by আবদুল মোমিত (রোমেল)
- স্কুলেও ছাত্ররাজনীতি শঙ্কিত শিক্ষকরা by ইব্রাহিম খলিল
- ইউরোপের মুসলিম নারী by ডক্টর শেখ সালাহ্উদ্দিন আহমেদ
- বাংলাদেশের পানি সঙ্কট : একটি জেন্ডার কাহিনী by নেহ...
- রাইস্টচার্চ হামলার শিকার: নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশী ...
- মোহাম্মদপুরের সুলতান by মোহাম্মদ ওমর ফারুক
-
▼
Oct 16
(31)
-
▼
October
(602)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...










