Sunday, March 29, 2020
মাংসপেশিতে টান পড়লে কী করবেন by সানজানা চৌধুরী
![]() |
| Add caption |
মাসল পুল কেন হয়, কাদের হয়:
কখন বুঝবেন মাসল পুল হয়েছে:
মাসল পুল হলে কি করবেন:
চিকিৎসা:
মাসল পুল এড়াতে কি করবেন:
![]() |
| রাইস থেরাপির ৪টি ধাপে মাসল পুলের ব্যথা থেকে সাময়িক মুক্তি পাওয়া যায় |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Friday, March 27, 2020
লাল কাঁকড়ার দেশে by মোস্তাফিজুর রহমান সজীব

ছোট বড় মিলিয়ে আমরা মোট আট জনের দল। এর মাঝে দু’জনের বয়স মাত্র চার ছুঁই ছুঁই করছে। বাসে করে ঢাকা থেকে কুয়াকাটার দীর্ঘ যাত্রায় তাই কনিষ্ঠ দুই সদস্যকে নিয়ে যে কিছুটা দুঃশ্চিন্তায় ছিলাম না তা কিন্তু নয়। তবে এটুকু বলতে পারি ট্যুর শেষে সব থেকে বেশি প্রাপ্তিও ছিল কনিষ্ঠ দুই জনার।
কুয়াকাটায় আমার এর আগেও যাওয়া হয়েছে। তাই গতবারের অনেক অপূর্ণতাকে এবার পূর্ণতায় রূপ দিতে কুয়াকাটাকে নিয়ে আমার আগ্রহ বরং একটু বেশিই ছিল। কক্সবাজারের চাইতে কেন যেন কুয়াকাটা আমার কাছে একটু আলাদা। শহর বলতে সাগর পাড়ের বেড়িবাঁধের কোল ঘেঁষা জনপদ। এখানেই পর্যটকদের থাকার জন্য ছোট-বড় আবাসিক হোটেলগুলোর ভির। ঢাকা থেকে বাসে করে আসতে পথে দুই জায়গায় ফেরিতে প্রায় ৫ ঘণ্টা সময় নষ্ট হবার কারণে কিছুটা দেরিতেই পৌঁছাই আমরা। হোটেল বুকিং যেহেতু ঢাকা থেকেই দেয়া ছিল বাস থেকে নেমে প্রথম গন্তব্য তাই হোটেল রুম।
আগেই বলেছি কক্সবাজারের থেকে কুয়াকাটা আমার কাছে একটু আলাদা। কক্সবাজারে বিশাল সমুদ্রের পাশে বিশাল বিশাল অট্টালিকা আর হাজার হাজার মানুষের মাঝে যেন দু’দ- অবসর পাওয়া খুব কষ্ট। অন্যদিকে কুয়াকাটা এখনো অনেকটা অবসরের জায়গা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বুক উজার করে। আছে প্রকৃতি, আছে নদীর মোহনা, আছে লাল কাঁকড়ার দল, আছে প্রাকৃতিক বনভূমি লেবুর চর, ঝাউ বন, আর উপকূলীয় ফাতারার বনের হাতছানি। ফলে সমুদ্র ছাড়াও কুয়াকাটার রয়েছে নানান বৈচিত্র্য। এখানে আপনি সমুদ্রকে একপাশে রেখে আনমনে হেঁটে চলে যেতে পারবেন প্রকৃতির কাছাকাছি। বিরক্ত করার যেন কেউ নেই।
প্রথম দিন যেহেতু পৌঁছাতেই আমাদের প্রায় দুপুর তাই হোটেলে যে যার রুম বুঝে নিয়েই বেড়িয়ে পরি পেটকে শান্ত করার জন্য। খাওয়া শেষ হতে দেরি সমুদ্রে ঝাঁপিয়ে পরতে যেন দেরি হয়নি আমাদের। যাত্রার সব ক্লান্তি সমুদ্রকে দিয়ে যখন আমরা হালকা তখন দিন প্রায় শেষের পথে। পূর্ব পরিচিত স্থানীয় গাইড সালেহর পরামর্শে তাই ফ্রেশ হয়েই সূর্যাস্ত দেখার জন্য বেড়িয়ে পড়ি সব্বাই মিলে। গন্তব্য তিন নদীর মোহনা, ৮-১০ মিনিটের এই পথ যেতে হবে মোটরসাইকেলে। যদিও কুয়াকাটায় ঘুরে বেড়ানোর জন্য এই মোটরসাইকেলের কোনো বিকল্প নেই। সমুদ্রকে বাঁ-পাশে রেখে আমারা ছুটে চলেছি পশ্চিম দিকে। সূর্য ততক্ষণে সমুদ্রে ডুব দেই দেই করছে। তিন নদীর মোহনায় পৌঁছেই আমরা সূর্যকে তার সব আলোকছটা নিয়ে সমুদ্রে ডুব দিতে দেখলাম। এ এক অদ্ভুত সময়। মানুষ বলতে ছিলাম শুধুই আমাদের দল। সবার মধ্যেই কেমন যেন এক অদ্ভুত নীরবতা। কানে শুধু শো শো বাতাসের শব্দ। এর মাঝেই দলের একটি অংশ আবার নদীতে চলা এক নৌকায় ওঠে কিছুটা নৌকা ভ্রমণ সেরে নিলো। সূর্য তার নতুন গন্তব্যে ফিরে গেলে আমরাও ফেরার পথ ধরলাম, গন্তব্য কুয়াকাটার প্রধান সৈকত।
ফিরতে ফিরতে চারপাশে অন্ধকার নেমে এসেছে। সমুদ্রে জোয়ার শুরু হয়ে গেছে। মোটরসাইকেল ছুটে চলছে আপন গতিতে। হঠাৎ লাইটের আলোতে আবিষ্কার করলাম সাগর পাড়ের বালু থেকে বেড়িয়ে আসছে হাজার হাজার লাল কাঁকড়া। ছোটাছুটি করছে এদিক সেদিক। কিছুক্ষণের জন্য থেমে গেলাম আমরা, কাঁকড়া দেখব বলে। যেদিকে তাকাই শুধুই কাঁকড়ার দল। একটু কাছে যেতেই দৌড়ে গর্তে ঢুকে যাচ্ছিল। কিছুটা সময় লাল কাঁকড়ার সাথে খেলা শেষে আবার ছুটে চলা। সমুদ্রকে এবার ডান পাশে রেখে ছুটছে আমাদের মোটরসাইকেলগুলো। প্রচ- বাতাসের শব্দে কানে তালা লেগে যাবার জোগাড়। জোয়ারের পানি বাড়তে থাকায় মাঝে মাঝেই পানি দিয়ে ছুটে চলছিলাম আমরা। সৈকতে ফিরতে দেখি কুয়াকাটার আরেক রূপ, রাতের কুয়াকাটা। ছোট ছোট দোকানগুলোতে আলো জ্বলজ্বল করছে। পর্যটকেরা ব্যস্ত সামুদ্রিক মাছ ভাজা খাওয়াতে। দেরি না করে আমরাও নাম লেখাই সেই দলে।
এখন দেশের যেকোনো সমুদ্র সৈকতের বিশেষ আকর্ষণ হচ্ছে সামুদ্রিক মাছ ভেজে খাওয়া। এখানেও তার ব্যতিক্রম নয়। নির্দিষ্ট একটি জায়গায় ১০ থেকে ১৫টি দোকান বাহারি সামুদ্রিক মাছের পসরা সাজিয়ে বসেছে। টুনা, লাক্ষা, কোরাল, রূপ চাঁদা, কাঁকড়া, স্কুইড, লইটকাসহ আরো নাম না জানা বাহারি মাছ। পছন্দসই মাছের অর্ডার দিয়ে সমুদ্রের গর্জন শুনতে শুনতে ডাবের পানিতে গলা ভেজানোর আহ কি সুখ!
আমরা সাধারণত কোথাও ঘুরতে গেলে সেখানে পাওয়া লোকাল খাবারের প্রতি বেশি আকর্ষণ বোধ করি। ফলে কুয়াকাটার তরমুজ, নির্ভেজাল কলা ইতিমধ্যেই আমরা রুমে নিয়ে জড়ো করেছি। আজকে আমাদের দ্বিতীয় দিন, আগের দিনের ক্লান্তিতে আজ একটু অলসতা দিয়ে শুরু করতে চেয়েছি। ফলে সকালে কোনো পরিকল্পনা রাখিনি আমরা। আগের রাতে মাছ ভাজা খাওয়াকে আজকে আরো বড় আকার দেয়ার ইচ্ছা থেকেই চলে যাই স্থানীয় মাছের পাইকারি বাজারে। সেখান থেকে পছন্দসই মাছ কিনে বুঝিয়ে দেই গাইড সালেহর হাতে। এরপর সময় শুধুই দল বেঁধে সমুদ্রের পানিতে নিজেদের উজাড় করে দেয়া।
বিকেল পর্যন্ত বিশ্রাম নিয়ে আমরা বেড়িয়ে পরি একটা দীর্ঘ সময়ের যাত্রায়। এবার গন্তব্য কুয়াকাটার সৈকত ধরে পূর্ব দিকে। সমুদ্রকে ডানে রেখে আমরা ছুটে চলেছি লাল কাঁকড়ার চর হয়ে মিশ্রীপাড়া বৌদ্ধ বিহারের দিকে। রোদ নেই বললেই চলে। কিছুক্ষণের মধ্যেই কেওড়া বনের মাথার উপর দিয়ে সূর্য হারিয়ে গেল অজানা ঠিকানায়। আমরা যখন মিশ্রীপাড়ায় পৌঁছাই ততক্ষণে চারদিকে অন্ধকার নেমে এসেছে, বিহারের প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ফলে বিশেষভাবে অনুরোধ করে আমাদের জন্য বিহারের দরজা আবার খোলা হয়। শত বছর আগে গড়া ৩২ ফুট উচু এই বৌদ্ধ মূর্তিটি একসময় উপমহাদেশের সব থেকে বড় বৌদ্ধ মূর্তি ছিল। যা তৎকালীন সময়ে রাখাইন অধিবাসী মিশ্রী তালুকদার তৈরি করেন। ফলে কালের পরিক্রমায় তার নামেই এই এলাকার নামকরণ হয় মিশ্রীপাড়া হিসেবে।
মিশ্রীপাড়ার বিহার দর্শন শেষে স্থানীয় রাখাইন মার্কেটে কিছুটা সময় ঘুরে ফিরে আসি কুয়াকাটা সৈকতে। সমুদ্রের পাড়ে বসে চলতে থাকে আড্ডা। স্থানীয় এক শিল্পীর কণ্ঠে গান আড্ডায় নতুন মাত্রা যোগ করে। একসময় কথা হয় কুয়াকাটা থেকে ৪০ কি.মি গভীর সমুদ্রে ‘চর বিজয়’ এর আবিষ্কারের সাথে যারা জড়িত ছিলেন তাদের সাথে। ভাবতেই শিহরিত হচ্ছিলাম আমরা। যে চরের হাজার হাজার গাঙচিল মানুষ দেখলে না কি মোটেও ভয় পায় না। ভয়ে উড়ে পালায় না। আরো রয়েছে হাজার হাজার লাল কাঁকড়ার বাস। এভাবেই সমুদ্রের ঠান্ডা বাতাসে আড্ডায় আড্ডায় সময় গড়িয়ে যেতে থাকে। এরই মাঝে দলের কেউ কেউ আবার ব্যস্ত হয়ে যায় টুকটাক কেনাকাটায়। এমন সময় হঠাৎ প্রচ- ঝড়ো বাতাসে সেদিনের মতো আড্ডা ফেলে হোটেলে ফিরে আসতে হয় আমাদের।
তৃতীয় দিন, পহেলা বৈশাখ। পরিকল্পনা ছিল মেয়েরা একরকম শাড়ি আর ছেলেরা একরকম পাঞ্জাবি পরার। কিন্তু প্রচ- গরমে আর সে পথে হাঁটা হয়নি আমাদের। তবে গরম যতই থাক সমুদ্রে নামা কি আর আটকে থাকে? ঢেউয়ের সাথে যুদ্ধ করতে করতে কখন যে দুপুর গড়িয়েছে সেদিকে আমাদের খেয়াল ছিল না। সালেহ যখন আমাদের মনে করিয়ে দেয় তখন পেটজুড়ে ক্ষুধার রাজ্য। তার পরামর্শেই সবাই মিলে ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাবারের জন্য চলে যাই লেবুর বনে। যাবার আগেই ফোন করে সালেহ দুপুরের খাবারের সব বন্দোবস্ত করে রাখে। মোটরসাইকেল করে যেতে মিনিট পাঁচেক সময়। পৌঁছে দেখি ভাত, ডাল, লক্ষা মাছের ভর্তা আর সাথে রূপচাঁদা ফ্রাই। জীবনে সুখের মানে একেকজনের কাছে একেক রকম। যেমন আমার কাছে এই এক বেলা খাবারের সময়টুকু ছিল একরকম অনন্য সুখের। ভাবতে পারেন সমুদ্র পাশে বাঁশের খুঁটিতে কোনো রকমে দেয়া চাটাইয়ের ছাউনির নিচে বসে আপনি ভাত খাচ্ছেন। পাশেই জোড়া খালেই মাছ ধরার অলস নৌকা, পায়ের নিচে সমুদ্র সমান বালু, সামনে সমুদ্রের ঢেউ আর সদা ব্যস্ত হোটেলের মালিক কাম বাবুর্চির সব সুস্বাদু টাটকা খাবার।
খাওয়া শেষে সবার তৃপ্তিই বলে দেয় আমরা যা ইট বালুর শহরে খুঁজে ফিরি তা আসলেই রয়ে গেছে এই নড়বড়ে বাঁশের চাটাইয়ের নিচে সরলতায়। আমাদের খাওয়া শেষ হতে হতেই সূর্য নিজেকে আড়াল করার সব প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে। ফলে আবার ছুটে যাই তিন নদীর মোহনার কাছাকাছি ঝাউ বনের পাশে। প্রথম দিনের চাইতে আজকে হাতে কিছুটা বেশি সময় থাকায় সবাই মিলে হারিয়ে যাই সূর্যের সাথে সাথে। কেউ কেউ আবার সমুদ্রের পানিতে পা ভিজিয়ে প্রাণ জুড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। আনন্দ আর ভালো লাগার পাশাপাশি কেমন যেন একটা বিষাদের ছোঁয়া ছিল সবার মধ্যে। এটাই ছিল এবারের কুয়াকাটায় আমাদের শেষ সূর্যাস্ত।
সবাই মিলে কুয়াকাটার প্রধান সৈকতে ফিরে এসে আগের দিনের কিনে রাখা সামুদ্রিক মাছের ফ্রাইয়ের প্রস্তুতি নেই। এর পাশাপাশি একদল ব্যস্ত হয়ে পরে সমুদ্রের পাশে বসে আড্ডা দিতে। আড্ডায় আড্ডায় সময় গড়িয়ে যে কখন রাত ১১টা বেজে গেছে তা যেন কারোই মনে ছিল না। একসময় রাতের আঁধারে আছড়ে পরা সমুদ্রের বিশাল ঢেউগুলো বুকে নিয়ে সবাই রুমে ফিরে আসি। এবার ফেরার পালা। পরের দিন সকালের বাসে বরিশাল হয়ে লঞ্চে ঢাকায় ফেরা। ফিরতে হবে সেই কোলাহল পূর্ণ শহুরে জীবনে। যেখানে চাইলেই সমুদ্রকে পাশে নিয়ে হেঁটে যাওয়া যাবে না কিছুটা সময়। হয়তো এখানেই সমুদ্র সবার থেকে আলাদা। এর মায়া যেন শেষ হবার নয়। বারবার হাতছানি দিয়ে কাছে ডাকে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Wednesday, March 25, 2020
ঐতিহাসিক অন্যায়ের জন্য ক্ষমা চাওয়ার কিছু নজির
দৃষ্টি ফেরানো যাক কোন দেশ কখন এবং কেন এমনভাবে ক্ষমা চেয়েছিল।
দাসপ্রথা এবং জাতিগত পৃথকীকরণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমা প্রার্থনা
দাসপ্রথার বিষয়ে দুটো সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র দুঃখ প্রকাশ করেছিল - ২০০৮ সালে প্রতিনিধি পরিষদে একবার এবং ২০০৯ সালে সিনেটে আরেকবার।
কংগ্রেসের এই দুটো কক্ষই মার্কিন জনগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে আফ্রিকান আমেরিকানদের কাছে ক্ষমা চেয়েছে তাদের এবং তাদের পূর্বপুরুষদের সঙ্গে দাসপ্রথা ও এর পরবর্তীতে দশকের পর দশক ধরে চলা পৃথকীকরণ নীতির আওতায় যে অন্যায় আচরণ করা হয়েছে, তার জন্য।
এই ক্ষমা প্রার্থণার ঘটনায় খুব সামান্যই বিরোধীতা হয়েছে। তবে কংগ্রেসের দুটো কক্ষ কেবল একটি মাত্র সিদ্ধান্ত প্রস্তাবে একমত হতে পারেনি - অর্থাৎ ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি কিছু দ্বিমতকে সামনে নিয়ে এসেছে।
সিনেটের প্রস্তাবে এমন একটি ধারা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে বলা হয়েছে যে দাসপ্রথা এবং জাতিগত পৃথকীকরণের কারণে এটি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আর্থিক ক্ষতিপূরণ চাইতে ব্যবহার করা যাবে না।
তবে এটির বিরোধীতা করেছেন প্রতিনিধি পরিষদের কংগ্রেসনাল ব্ল্যাক ককাসের কিছু সদস্য, যারা ক্রীতদাসদের উত্তরাধিকারীদের ক্ষতিপূরণ দিতে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
ওই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন বারাক ওবামা। তিনি কংগ্রেসের ক্ষমা প্রার্থণাকে স্বাগত জানিয়েছেন, কিন্তু দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় কখনোই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য আহবান জানাননি।
ওবামার পরিবারের সঙ্গে দাসপ্রথার ইতিহাসের সংযোগ রয়েছে। তার শ্বেতাঙ্গ মায়ের পরিবারের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় যে তাদের দাসের মালিকানা ও দাস - এই দুইয়ের সঙ্গেই সংশ্লিষ্টতা ছিলো। অন্যদিকে তার কৃষ্ণাঙ্গ পিতা দাসপ্রথা শেষ হওয়ার অনেক পরে আমেরিকায় আসেন। ফলে এটি প্রমাণ করে যে ক্ষতিপূরণের বিষয়টি বেশ জটিল একটি ব্যাপার।
সুতরাং ক্ষতিপূরণ যদি দেওয়া হয়, তাহলে কে তা দেবে আর কেই-বা পাবে?
ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টির সাথে ক্ষতিপূরণের বিষয়টিও আসা উচিত - এই ধারণার কারণে অনেক নেতাই আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন।
আয়ারল্যান্ডের দুর্ভিক্ষে ব্রিটেনের ভূমিকা
আইরিশ দুর্ভিক্ষ শুরু হয়েছিল ১৮৪৫ সালে। এর ১৫০ বছর পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার বলেছিলেন: ‘সে সময় যারা লন্ডন থেকে শাসনকার্য পরিচালনা করছিলেন, তারা আসলে সুশাসন দিতে ব্যর্থ হয়েছিলেন।’
ওই দুর্ভিক্ষে ১০ লক্ষ মানুষ মারা গিয়েছিলো, আর দেশত্যাগ করেছিলো ২০ লক্ষ আইরিশ। এর কারণ হিসেবে বলা হয়, দেশটিতে তখন আলু উৎপাদনে ধস নামলেও ব্রিটিশ পার্লামেন্ট খাদ্য আমদানীতে চালু থাকা বিধিনিষেধ তুলে নিতে দেরি করে।
টনি ব্লেয়ারের ১৯৯৭ সালে দেওয়া বক্তব্য এমন একটি সময় আসে যখন ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার সম্পর্ক ধীরে ধীরে উন্নত হচ্ছিল। ১৯২২ সাল পর্যন্ত আয়ারল্যান্ড ব্রিটেনের অংশ ছিলো, তবে উত্তর আয়ারল্যান্ড নিয়ে দুটো দেশের মধ্যে সম্পর্ক পরে চরম তিক্ততায় গড়ায়।
সমস্যা সমাধানে দেশ দুটো এরপর 'গুড ফ্রাইডে চুক্তি' করে। সমালোচকরা অবশ্য বলছেন যে ব্লেয়ারের কথাগুলোকে একটি পূর্ণাঙ্গ, আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা হিসেবে নেয়া যায় না।
যদিও দুর্ভিক্ষের কারণে আয়ারল্যান্ডকে কখনোই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়নি, তবে ব্রিটেন সাম্প্রতিক সময়ে ব্রিটিশদের দ্বারা শাসিত কিছু মানুষকে অর্থ দিয়েছে।
এদিকে, ১৯৫০-এর দশকে কেনিয়ার মওমও বিদ্রোহের সময় যারা নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন, ব্রিটিশ সরকার ২০১৩ সালে তাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছে। তাদের জন্য আড়াই কোটি মার্কিন ডলারের একটি ক্ষতিপূরণ প্যাকেজও ঘোষণা করা হয়।
হলোকাস্টের জন্য পশ্চিম জার্মানির ক্ষতিপূরণ
অন্যদের তুলনায় এক্ষেত্রে পশ্চিম জার্মানি বেশ দ্রুতই পদক্ষেপ নিয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরপরই নাৎসী জার্মানির কৃতকর্মের জন্য পশ্চিম জার্মানি ক্ষতিপূরণ দিতে রাজী হয়। ১৯৫১ সালে চ্যান্সেলর কনরাড অ্যাডিনয়ের বলেন: ‘জার্মান জনগণের নামে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না এমন অপরাধ ঘটনো হয়েছে, যা নৈতিক ও বস্তুগত খেসারত দেয়ার দাবী রাখে।’
ইসরায়েল রাষ্ট্র ও হলোকস্ট থেকে বেঁচে যাওয়া মানুষদের অর্থ দেওয়া শুরু হয় ১৯৫৩ সালে। সব মিলিয়ে দেয়া হয়েছে ৭,০০০ কোটি মার্কিন ডলারেরও বেশী। তবে হলোকস্টের শিকার অনেকে ক্ষতিপূরণের বিষয়টিতে আপত্তি জানিয়েছেন।
বিরোধীরা বিশ্বাস করেন, পশ্চিম জার্মানীর কাছ থেকে ইসরায়েলের অর্থ নেয়ার বিষয়টি অপরাধের জন্য নাৎসীদের ক্ষমা করে দেওয়ার সামিল।
ইহুদি শরণার্থীদের ইউরোপ থেকে ইসরায়েলে পুনর্বাসিত করার ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেশটিকে অর্থ দেওয়া হয়েছিল। ওই অর্থের একটি অংশ প্রথম দিকে ইসরায়েলকে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করেছিলো।
দুঃখিত বলার সংগ্রাম
অন্য অনেক দেশ অবশ্য এতোটা দৃঢ়সংকল্প হতে পারেনি। জাপান যদিও দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিভিন্ন আর্থিক প্যাকেজ সম্বলিত চুক্তি সই করেছে, তারপরও নিকট প্রতিবেশী এই দুটো দেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের প্রায়ই অবনতি ঘটে।
জাপান যুদ্ধের সময় ‘আগ্রাসী’ ছিলো কি-না, সেই ব্যাপারটিতে স্পষ্ট কোন বক্তব্য না দেয়ার কারণে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছে। শিনজো আবে এমন একটি মন্দির পরিদর্শন করেছেন এবং সেখানে অর্ঘ্য পাঠিয়েছেন, যেটি আরও কিছু বিষয়ের সঙ্গে যুদ্ধাপরাধীদেরও সম্মানিত করে।
তবে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার ওইসব নারীদের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে রাজী হয়েছেন, যাদেরকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানী সেনারা যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করেছে।
আরও অনেক রাজনীতিবিদদের মতো আবে পরস্পরবিরোধী দাবীর মধ্যে সমতা আনতে বেগ পাচ্ছেন, যেখানে দেশের মধ্যে জাতীয়তাবাদী অনুভূতির বিষয়টির দিকে খেয়াল রাখতে হচ্ছে, অন্যদিকে আবার ভালো সম্পর্ক রাখতে হচ্ছে বিশ্বনেতাদের সঙ্গেও।
![]() |
| দাস প্রথার জন্য আফ্রিকানদের কাছে ক্ষমা চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র - ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেসব মায়েরা নিজ সন্তান হত্যা করেন

যত ট্যাবু
আলোয়না
এই নারীরা কারা?
প্রতিরোধ

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Tuesday, March 24, 2020
তিন সাগরের রানি কন্যাকুমারী by সজল জাহিদ
![]() |
| সাগরের কোলে বিবেকানন্দ রক |
তিনটি কারণে কন্যাকুমারী দেখার তীব্র ইচ্ছা মনের মধ্যে। এক. এটি ভারতের শেষ বিন্দু বা মূল ভূখণ্ডের শেষ প্রান্ত। দুই. এখানে বঙ্গোপসাগর, আরব সাগর আর ভারত মহাসাগরের মহামিলনে নীল জলরাশির এক রুদ্ধশ্বাস রোমাঞ্চ থাকে সব সময়। তিন. এখানে আছে ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম চিন্তাবিদ এবং গুরু স্বামী বিবেকানন্দের নামাঙ্কিত ‘বিবেকানন্দ রক’। মনে হলো বাঙালির স্মৃতিধন্য নীল জলরাশিতে ডুবসাঁতার কাটার আনন্দে রোমাঞ্চিত হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করাটা ঠিক হবে না।
হুট করে এই ঈদের ছুটিতে পারিবারিক প্রয়োজনে চিকিৎসার জন্য যেতে হয়েছিল চেন্নাইয়ে। তখন থেকেই কন্যাকুমারী দর্শনের তীব্র ইচ্ছা মনে জেগেছিল। তিন দিনের বিরতি পেয়েই ঝটপট ব্যাগপত্র গুছিয়ে চলে গেলাম চেন্নাই সেন্ট্রাল স্টেশনে। কিন্তু মাকড়সার জালের মতো বিস্তৃত ভারতীয় ট্রেনের ততোধিক জটিল নিয়মকানুনের জন্য টিকিট পাওয়া গেল না।
![]() |
| তিন সমুদ্রের সঙ্গম ও বিবেকানন্দ রক |
বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে সরকারি ননএসি বাসের টিকিট পেয়ে গেলাম। টিকিট করে ঝটপট হোটেলে ফিরে এসে একটু ফ্রেশ হয়ে ব্যাগপত্র নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম চেন্নাই থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দূরের কন্যাকুমারী যাওয়ার ননএসি বাসের উদ্দেশে। মনে মনে কিছুটা ভয়, শঙ্কা ছিল ঠিকই। কারণ, একটানা এত লম্বা বাসভ্রমণ এর আগে কখনোই করা হয়নি। দীর্ঘ ১৩ ঘণ্টার ননএসি বাস জার্নি, তাও জুনের এই ভয়াবহ গরমে! শেষ পর্যন্ত মনে অদম্য সাহস নিয়ে উঠেই পড়লাম বাসে। গরমে, ঘামে, জ্যামে, ঝিরঝিরে বাতাসে, আঁধার রাতে কত যে অচেনা শহর-বন্দর-গ্রামের পথ পেরিয়ে, পথের মাঝে তিন থেকে চারটি বিরতি দিয়ে বেলা ১১টায় পৌঁছে গেলাম কাঙ্ক্ষিত সেই ছোট্ট শহরে, দুই সাগর আর এক মহাসাগর—তিন বিশাল জলরাশির মহামিলনস্থল স্বপ্নের সেই কন্যাকুমারীতে।

বাস যখন কন্যাকুমারীর শেষ পথে চলতে শুরু করেছিল তখন থেকেই সমুদ্র সমুদ্র একটা পুলক অনুভব করছিলাম চারপাশের প্রকৃতি দেখে। পথের দুধারে সারি সারি নারকেলগাছ, সামুদ্রিক বাতাসে যারা সারাক্ষণ নেচে বেড়াচ্ছে আপন মনে, মাতাল বাতাসে। উইন্ড মিলের বিশাল বিশাল পাখাগুলো জানিয়ে দিচ্ছিল কাছেই মহাসমুদ্রের মহামিলন। হু হু বাতাসের তোড়ে শেষ পথটুকু বাস যেন উড়ে উড়ে চলছিল! বাস থেকে নেমে, একটি মনের মতো হোটেল খুঁজে সেখানে ব্যাগপত্র রেখে, একটু ফ্রেশ হয়ে নিলাম দীর্ঘতম বাসভ্রমণের ধকল কাটিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করে নিতে।
উত্তাল নীল জলরাশি, মহাসমুদ্রের মহামিলন, কয়েক মানুষের চেয়েও উঁচু উঁচু ঢেউয়ের আছড়ে পড়া, সমুদ্রের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা বিবেকানন্দ রক, নতুন গড়ে ওঠা বিশাল মূর্তি, মহাসাগরের মাঝে ঢেউয়ের দোলায় ভেসে চলা রঙিন বোট, মাছ ধরার ট্রলার, শত মানুষের ভিড়, ঝকঝকে আকাশে সাদা মেঘেদের উড়ে যাওয়া, চারপাশে সবুজের নাচন, উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো মাতাল বাতাস—সবকিছুই উপভোগ করা যাচ্ছিল আমার রুমের কাচের জানালা দিয়ে। কোনো সরাইখানার এমন অপূর্ব, অপার্থিব আর মোহময় কক্ষে এই জীবনে খুব কমই থেকেছি। ইচ্ছে হচ্ছিল রুমের উন্মুক্ত বেলকনিতে বসে কাটিয়ে দিই এ বেলাটুকু। কিন্তু মন তখন দুভাগে বিভক্ত। একটা মন চাইছে মহাসাগর থেকে আসা ঝিরঝিরে বাতাস গায়ে মেখে বেলকনিতে বসে নীল জলরাশি দেখতে দেখতে অলস সময় কাটাতে, আর মনের অন্য অংশ চাইছে একছুটে শেষ বিন্দুতে গিয়ে দাঁড়িয়ে মহাসাগরের মহামিলন দেখতে। তর্কযুদ্ধে জয় হলো বাঙালি জেদের।
একদম নতুন কাপড় পরে পথ ধরলাম অনেক দিনের লালিত স্বপ্নের সীমানা ছুঁতে—কন্যাকুমারীর শেষ বিন্দু, ভারতের শেষ ভূখণ্ড স্পর্শ করে, মহাসমুদ্রের উত্তাল জলরাশির মহামিলনে নিজেকে উজাড় করে দিয়ে স্বপ্ন পূরণের শিহরণে পুলকিত হতে।
![]() |
| বিবেকানন্দ রক ছাড়িয়ে নীল জলের হাতছানি |
![]() |
| ১৮৯২ খ্রি, স্বামী বিবেকানন্দ এখানে তপস্যা করেছিলেন |
কন্যাকুমারী যাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো ঢাকা থেকে কলকাতা হয়ে প্লেনে ভারতের দক্ষিণ প্রান্তের সর্বশেষ বিমানবন্দর ত্রিভুন্নাপুরামে উড়ে যাওয়া। যেখান থেকে কন্যাকুমারী পথের দূরত্ব প্রায় ৯০ কিলোমিটার। এরপরের উপায় হলো কলকাতা থেকে কন্যাকুমারী ট্রেন। সাপ্তাহিক দুটি ট্রেন ছাড়ে কলকাতা থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত। সময় লাগে ৪২ থেকে ৪৫ ঘণ্টা। এ ছাড়া চেন্নাই হয়েও কম সময়ে ট্রেন আর বাসে করে যাওয়া যায় কন্যাকুমারী। ভ্রমণপিপাসুদের একবার হলেও ঘুরে আসা উচিত ভারতের দক্ষিণের শেষ প্রান্ত কন্যাকুমারী থেকে।
ছবি: লেখক
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেসব খাবার খেলে গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়

১) বার্লি- বার্লির অনেক ভাল গুণ থাকলেও গর্ভাবস্থার প্রথম অবস্থায় বার্লি খেলে মিসক্যারেজ হয়ে যেতে পারে।
২) কাঁচা পেঁপে- প্রেগন্যান্সির প্রথম তিন মাস অবশ্যই কাঁচা পেঁপে সেদ্ধ, রান্নায় পেঁপে বা পেঁপের চাটনি খাওয়া এড়িয়ে চলুন। পরের দিকেও পেঁপে খেলে গর্ভপাত না হলেও রক্তপাত হতে পারে।
৩) অপাস্তুরিত দুধ- স্বাস্থ্যসম্মত ভাবে না খেলে সব থেকে বেশি ব্যাকটেরিয়া দুধ থেকেই ছড়ায়। সব সময়ই দুধ ভাল করে ফুটিয়ে খাওয়া উচিত্। বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় অপাস্তুরিত দুধ গর্ভপাত পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে।
৪) কাঁকড়া, চিংড়ি- গর্ভাবস্থায় কাঁকড়া, চিংড়ি অথবা খোলসওয়ালা সি ফুড খাওয়া একেবারে ছেড়ে দিন। এই ধরনের খাবার থেকে অ্যালার্জি হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে।
৫) কচ্ছপের মাংস- কচ্ছপ খাওয়া বেআইনি হলেও এখনও অনেকেই খান। গর্ভাবস্থায় কিন্তু কচ্ছপ খুবই বিপজ্জনক হতে পারে।
৬) কাঁচা ডিম- অনেকে ডিম কাঁচা খান। যদি আপনার এই অভ্যাস থাকে তাহলে প্রেগন্যান্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা ত্যাগ করুন। হাফ বয়েল বা ডিমের পোচ খেলেও বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে। ডিম সেদ্ধ বা ভাজি করে খান।
৭) প্রসেসড মিট- প্রক্রিয়াজাত মাংস খাওয়া কখনই ভাল না। ক্যানসারও ডেকে আনতে পারে এই খাবার। গর্ভাবস্থায় তাই একেবারেই এড়িয়ে চলুন।
৮) আধোয়া সবজি- শরীর সুস্থ রাখতে সবুজ শাক-সবজি খাওয়া যেমন জরুরি, তেমনই আধোয়া শাক-সবজি থেকে হতে পারে মিসক্যারেজ। বিশেষ করে যে ধরনের সবজি কাঁচা খাওয়া হয় যেমন টম্যাটো, শশা, পেঁয়াজ, গাজর, কাঁচালঙ্কা, লেবু সেগুলো খাওয়ার আগে অবশ্যই ভাল করে ধুয়ে নেবেন। না ধুলে সবজি শরীরে বিষাক্ত জীবাণু ছড়ায় যা গর্ভস্থ সন্তানের ক্ষতি করে।
৯) আনারস- গর্ভাবস্থায় সবচেয়ে ঝুঁকি ডেকে আনতে পারে আনারস। প্রথম তিন মাসে আনারস, আনারসের চাটনি খেলে গর্ভপাত হওয়ার ঝুঁকি বহু গুণ বেড়ে যায়। গর্ভবতীদের মধ্যে আনারস খেয়ে ডায়েরিয়া বা অ্যালার্জি হওয়ার উদাহরণও দেখা যায় প্রচুর।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Sunday, March 22, 2020
মানুষের জন্য স্বাস্থ্যকর পাঁচটি ভবিষ্যত ‘সুপার ফুড’

নতুন এক রিপোর্ট বলছে, শ্যাওলার মত কিছু জলজ উদ্ভিদ, ক্যাকটাস আর প্রাচীন শস্যদানা হতে পারে ভবিষ্যতের ‘সুপার ফুড’। মানে যেগুলো একই সাথে স্বাস্থ্যকর, আবার পৃথিবীকেও রক্ষা করবে ধ্বংস হয়ে যাবার হাত থেকে।
এ রিপোর্টে ৫০টি তথাকথিত 'সুপার ফুডে'র তালিকা করা হয়েছে, এর মধ্যে কোনগুলো ভবিষ্যতের মেন্যুতে থাকবে?
মোরিঙ্গা
মোরিঙ্গা গাছকে প্রায়শঃ 'যাদুর গাছ' বলে ডাকা হয়। এটি দ্রুত বাড়ে এবং খরা বা মরুতে অনায়াসে টিকে থাকতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ার বহু দেশে এই গাছের বিভিন্ন অংশ আয়ুর্বেদিক ওষুধ বানানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
পাতা জাতীয় এই গাছের ফলন বছরে অন্তত সাত বার তোলা যায়। এতে ভিটামিন 'এ' ও 'সি' রয়েছে, এছাড়া ক্যালসিয়াম ও পটাসিয়াম রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। ফিলিপিন্স ও ইন্দোনেশিয়াতে এখনই গাছ প্রচুর চাষ করা হয়। এখন স্যুপ বা কারি জাতীয় খাবারে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া ড্রামস্টিক বানানোর কাজেও ব্যবহার হয় এই গাছ।
ওয়াকামি
জাপানি এই শৈবাল দীর্ঘদিন ধরেই খাবার হিসেবে প্রচলিত ও সমাদৃত। সমুদ্রের পাড়ের কৃষকরা বিশেষ উপলক্ষে এই খাবার খায় এবং এর ওপর কর দেয়। বর্তমানে জাপানের বাইরে ফ্রান্স, নিউজিল্যান্ড এবং আর্জেন্টিনাতেও এর চাষ হচ্ছে। সারা বছর এর ফলন হয় এবং সার ও কীটনাশক ছাড়াই এটি চাষ করা যায়।
শুকনো ওয়াকামি নোনা স্বাদের এবং এতে আয়োডিন ও প্রচুর ওমেগা থ্রি রয়েছে, বিশেষ করে যারা প্রাণীজ প্রোটিন কম খান তাদের জন্য এটি ভীষণ উপকারী। এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপ ঠেকানোর এক ধরণের প্রক্রিয়া রয়েছে এর মধ্যে।
ক্যাকটাস
ফ্যাকাসে হয় না এমন জাতের এক ক্যাকটাসও থাকবে ভবিষ্যতের 'সুপার ফুডে'র তালিকায়। মেক্সিকোতে এটি খুবই প্রচলিত খাবার। এর কাঁটাযুক্ত পাতা ও ফল কাঁচা খাওয়া যায়। আবার রান্না করে কিংবা জ্যাম বা জেলী বানিয়েও খাওয়া যায়। সাধারণত মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকা এবং ইউরোপে হয় এই ক্যাকটাস।
এই ক্যাকটাসের বিশেষত্ব হচ্ছে এতে 'টাইপ টু ডায়াবেটিস' কমানোর উপাদান আছে। এটি শরীরে জমা বাড়তি চর্বি কমিয়ে দেয়। তবে এই ক্যাকটাস ওজন কমাতে পারে এমন তথ্য এখনও প্রমাণিত হয়নি। এই ক্যাকটাস হ্যাংওভার কাটাতেও সাহায্য করে।
তবে, অনেকের আবার এই ক্যাকটাস পেটে সহ্য হয় না। কারো-কারো ডায়রিয়া, বামি ভাব এবং তলপেট ফেঁপে থাকা এমন উপসর্গ দেখা যায়।
ফোনিও
এই প্রাচীন আফ্রিকান শস্যদানা বাদামের মত স্বাদের জন্য জনপ্রিয়, বিশেষত মালির বামবারা জনগোষ্ঠীর খুব প্রিয় খাবার এটি। ৫০০০ বছর আগে এটি মিসরে চাষ করা হতো। মরুতে জন্মায় এ উদ্ভিদ, সাদা ও কালো দুই ধরণের ফোনিও পাওয়া যায় বাজারে।
স্বাদে কিছুটা এশিয়ার শস্যদানা কাউনের মত এই খাবার চালের মত ব্যবহার করা হয়। এমনকি এ থেকে বিয়ারও বানানো যায়। এতে প্রচুর আয়রন, জিঙ্ক এবং ম্যাগনেসিয়াম আছে।
বামবারা
মটরশুটি জাতীয় এই খাবারের স্বাদ কিছুটা কম এবং তৈলাক্ত চীনাবাদামের মত। এটি খারাপ জাতের মাটিতেও ফলানো যায়। আফ্রিকার ঐতিহ্যবাহী এই শস্যদানা এখন থাইল্যান্ড আর মালয়েশিয়ার কোন কোন অঞ্চলেও উৎপাদন করা হচ্ছে।
বিজ্ঞানীরা একে পরিপূর্ণ খাবার আখ্যা দিয়েছেন ইতোমধ্যে। এটি সিদ্ধ করে, ভেজে বা রোস্ট করে খাওয়া যায়। আফ্রিকায় এটি দিয়ে স্যুপ রান্না হয়। এতে প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে, নতুন রক্ত পরিবাহী শিরা তৈরিতে সাহায্য করে। এটি মানুষের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধকারী ক্ষমতা শক্তিশালী করে। সূত্র : বিবিসি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘৮৪,০০০ ধাঁধাঁ’: এশিয়ার সবচেয়ে বড় পরিচয়হীনদের গোরস্থান by কাসিম সাঈদ

করাচির উপকণ্ঠে মোওয়াচ গোথের কাছি এধি কবরস্থানে নাদিম একা একাই কোনরকমে তৈরি একটা ঘরে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস কাটিয়ে দিচ্ছেন।
প্রতিটি কবরে কাঠের একটি টুকরো দিয়ে চিহ্ন দেয়া। ওটাই কবরের ফলক। প্রতিটি কাঠের টুকরায় তিনটা করে চিহ্ন: উপরে কবরের নাম্বার, কবর দেয়ার দিন আর একটি সিরিয়াল নাম্বার। ৮৪ হাজার কবরের মধ্যে কিছু সিমেন্টে বাধানো কবর চোখে পড়বে। এগুলো হলো তাদের যাদের ছবি দেখে কবর দেয়ার সময় তাদের চিহ্নিত করতে পেরেছে পরিবারের সদস্যরা। এগুলোতে কাঠের বদলে সিমেন্টের ফলক দেয়া। আর সাথে রয়েছে নিহতের নাম।
নাদিম বললেন, ‘এগুলো ৮৪ হাজার পরিচয়হীন মৃতদেহ নয়, এগুলো ৮৪ হাজার ধাঁধাঁ’।
“বিগত তিন দশক ধরে কাজ করছি আমি এখানে।যখন ছোট ছিলাম, বাবার সাথে তখন এখানে আসতাম। প্রতি বছর এখানে কবরের সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু করাচির আর দশটা কবরস্থানের মতো ধর্মীয় দিনগুলোতে বা পবিত্র অনুষ্ঠানে এখানে কেউ আসে না”।
নাদিম জানান, তিনি টুকরো টুকরো মৃতদেহ, পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত সন্ত্রাসী এবং যারা পুড়ে মারা যান – যাদের পরিচয় উদ্ধার করা যায় না – এ রকম বহু মানুষের জন্য কবর খুঁড়েছেন তিনি।
তিনি বললেন, “সাধারণত তিন ফুট গভীর, দুই ফুট চওড়া এবং ছয় ফুট লম্বা কবর খুঁড়ি আমি। কিন্তু যখনই কোন পানিতে ডুবে মরা ব্যক্তির লাশ আসে, আমাদেরকে কবর আরও চওড়া করতে হয়, কারণ শরীরগুলো ফুলে থাকে”।
হাজার হাজার কবরের মধ্যে আলাদাভাবে দাঁড়িয়ে আছে কাঠের একটা ক্রুশ। বোঝা যাচ্ছে নিহত ব্যক্তিটি ছিল খ্রিস্টান। তার পরিবার আলাদাভাবে কিছু করতে চায়নি, তাই শুধু কাঠের একটা ক্রুশ বসিয়ে দিয়ে গেছে।
প্রয়াত আব্দুস সাত্তার এধির ছেলে এবং এধি ফাউন্ডেশানের প্রধান ফয়সাল এধি বলেন, “পরিচয়হীন মৃতদেহ কবর দেয়ার ক্ষেত্রে ধর্ম কোন বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। ধর্মের ভিত্তিতে আমরা কবর আলাদা করি না। আমরা সবাই মানুষ আর অন্তত মৃত্যুর পর কোন বৈষম্য থাকা উচিত নয়”।
এধি বলেন, “বালদিয়া কারখানায় আগুন লেগে যারা মারা গিয়েছিল, তাদের কবর দিয়েছি আমরা। এনকাউন্টারে নিহত কথিত সন্ত্রাসীদের কবর দিই আমরা। এদের কারো কারো মৃতদেহ চিহ্নিত করা সম্ভব ছিল, কিন্তু তাদের পরিবারের কেউই এগিয়ে আসেনি কারণ পুলিশি ঝামেলার ভয় পাচ্ছিল তারা”।
এধি বললেন, “নব্বইয়ের দশকের করাচি অপারেশান এবং ২০১৩ সালে আমরা বহু অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিচ্ছিন্ন মৃতদেহ পেয়েছি। তাদের পরিবারের সদস্যরা সম্ভবত তাদের মৃত্যু সম্পর্কে অজ্ঞ ছিল এবং কেউই সেগুলোর পরিচয় চিহ্নিত করতে আসেনি। আমরা তাদের এখানে কবর দিয়েছি”।
মাওয়াচ গোথ কবরস্থানে করাচির ৮৪ হাজারেরও বেশি পুরুষ আর নারীর গল্পের কবর হয়েছে, বিদেহী আত্মা যেখানে এখনও পরিচয় খুঁজে ফেরে। জন্মের সময় তাদের নাম দেয়া হয়েছিল, কিন্তু এখন মাটির নিচে নামহীন ঘুমিয়ে আছে তারা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
“শার্লক হোমস” যখন ক্রিকেটার! by হাসনাইন মো: আকিফ

স্যার আর্থার কোনান ডয়েল, “ক্রাইম ফিকশন”-এর চিন্তাধারাই যিনি পাল্টে দিয়েছিলেন বিখ্যাত শার্লক হোমস চরিত্রের মাধ্যমে। ১৮৮৭ সালে “A Study in Scarlet” উপন্যাসের মাধ্যমে জন্ম নেয় গোয়েন্দা শার্লক হোমস।
শার্লক হোমস একটি কাল্পনিক গোয়েন্দা চরিত্র এই কথা এখনো অনেকেই বিশ্বাস করেন না। কেউ কেউ বলেন স্যার আর্থার কোনান ডয়েল নিজেই শার্লক হোমস। তাদের দুইজনের চরিত্রের ভেতর অসম্ভব মিল। দুইজনের কাজের ধরন, কোকেন আসক্তি, গভীর রাতে বেহালা নিয়ে বসে পড়া! নিজের ব্যক্তিজীবনের প্রতিফলন ঘটিয়েছিলেন শার্লক হোমস চরিত্রে আর পেশাগত জ্ঞানের প্রতিফলন ঘটিয়েছিলেন হোমসের ঘনিষ্ঠ সহচর ডা. ওয়াটসনের মাধ্যমে। বর্তমানে শার্লক হোমসের রচনাসমগ্র স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডসহ বিশ্বের প্রায় ২৩ দেশের গোয়েন্দা ট্রেনিং স্কুলের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
আমি শার্লক হোমস রচনাসমগ্র প্রথম পড়েছিলাম ক্লাস ফোর অথবা ফাইভে! স্বাভাবিক, বেশিরভাগ রহস্যই বুঝিনি তখন। পরে আরো অনেকবার পড়েছি স্কুল এবং কলেজে উঠে। এতো অসাধারণ!
![]() |
| ক্রিকেট ব্যাট হাতে কিশোর আর্থার |
১৮৯৯-১৯০৭ সালের ভেতর ঐতিহ্যবাহী মেরিলিবোর্ন ক্রিকেট ক্লাব অর্থাৎ ক্রিকেটের আঁতুড়ঘর এমসিসির হয়ে দশটি প্রথম শ্রেনীর ম্যাচ খেলেছিলেন। প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে তার সর্বোচ্চ রান ৪৩। ওকেশনাল বোলার ছিলেন, ক্যারিয়ারে একটিই মাত্র উইকেট পেয়েছিলেন, সেটা কার জানেন? বিখ্যাত ক্রিকেটার, ক্রিকেটের “খ্যাঁপাটে বুড়ো” ক্রিকেটের অমর চরিত্র আরেক ডাক্তার ডব্লিউ. জে. গ্রেসের!
শার্লক হোমসের আস্তানা, 221-B বেকার স্ট্রিট লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডের একদম কাছেই। যদিও বাস্তবে এইরকম কোন ঠিকানা ছিলো না, কিন্তু বেকার স্ট্রিট নামে একটা জায়গা ছিলো একসময়। বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে ওই ঠিকানায় প্রচুর চিঠি আসে প্রতিদিন। বেশিরভাগ চিঠিতে বিভিন্ন রহস্য সমাধানের অনুরোধ থাকে। অবশ্য চিঠির উত্তরে ভক্তদের জানানো হয় “শার্লক হোমস বর্তমানে অবসর গ্রহণ করায় কেসটি নিতে পারছেন না”।
![]() |
| শিল্পীর তুলিতে ক্রিকেট মাঠে স্যার আর্থার কোনান ডয়েল |
“It is an old maxim of mine that when you have excluded the impossible, whatever remains, however improbable, must be the truth.’
“I never guess. It is a shocking habit,—destructive to the logical faculty.”
“You see, but you do not observe. The distinction is clear.”
“The world is full of obvious things which nobody by any chance ever observes.”
“They say that genius is an infinite capacity for taking pains,’ he remarked with a smile. ‘It’s a very bad definition, but it does apply to detective work.”
“It is a capital mistake to theorize before one has data. Insensibly one begins to twist facts to suit theories, instead of theories to suit facts.”
“You know my method. It is founded upon the observation of trifles.”
“My name is Sherlock Holmes. It is my business to know what other people don’t know.”
“I think that you know me well enough, Watson, to understand that I am by no means a nervous man. At the same time, it is stupidity rather than courage to refuse to recognize danger when it is close upon you.”
“I confess that I have been blind as a mole, but it is better to learn wisdom late than never to learn it at all.”
“When a doctor does go wrong, he is the first of criminals. He has the nerve and he has the knowledge.”
“I think that there are certain crimes which the law cannot touch, and which therefore, to some extent, justify private revenge.”
“I listen to their story, they listen to my comments, and then I pocket my fee.”
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Friday, March 20, 2020
রাশিয়ার জার সাম্রাজ্যের ইতিকথা
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্যাতিত তাতারদের জন্য কে কথা বলবে?

৫ বছর আগে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর থেকে ক্রিমিয়ার প্রায় আড়াই লাখ তাতারদের ওপর নেমে এসেছে ভয়াবহ দুর্যোগ। তাদেরকে কাজ, ভাষা ও সংবাদপত্রের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তবে এটিই ক্রিমিয়ার তাতারদের ওপর নির্যাতনের প্রথম ঘটনা নয়। তাতার জাতি মূলত তুরস্ক থেকে এখানে এসেছে। গত এক শতাব্দী ধরে তাদের নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য জোরপূর্বক ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে রুশ শাসনে তাদেরকে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হচ্ছে।
ক্রিমিয়া দ্বীপে তাতাররা প্রথমে বাস করতে শুরু করেন ১৩ শতকে। তখন থেকেই বারবার তাতারদের ওপর বিভিন্ন গোষ্ঠী হামলা চালাতে থাকে। তবে এর পেছনে তাদের সংস্কৃতি বা ধর্ম কোনো কারণ ছিল না। তাদের কাছে ব্যাপক পরিমাণ পানির উৎস থাকায় তাদেরকে টার্গেট করা হয়। ক্রিমিয়া পুরোপুরিভাবে পানি দিয়ে ঘেরা। এর চারদিকে রয়েছে কৃষ্ণসাগর (ব্ল্যাক সি) ও আজভ সাগর। তাই সমুদ্রে সরাসরি প্রবেশের ইচ্ছে থেকে শতাব্দীর পর শতাব্দী ক্রিমিয়ার দিকে ক্ষুধার্থ চোখ ছিল রাশিয়ার।
সমস্যার সূচনা হয় ১৭৭০ সালে। সে সময় ক্যাথেরিন দ্যা গ্রেটের নেতৃত্বে ক্রিমিয়া দখল করে রাশিয়া। ক্রিমিয়া তখন অটোমান বা ওসমানীয় সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল। দখলের পর ক্রিমিয়ার প্রধান বন্দরগুলো ব্যবহারের সুযোগ পেয়ে যায় রাশিয়া। সেখানে রাজনৈতিক অনেক পরিবর্তন আনা হয়। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ক্রিমিয়ার শাসক তাতার খানকে উচ্ছেদ করে রুশ গভর্নরের হাতে শাসন ছেড়ে দেয়া। ক্যাথেরিন রুশ নাগরিকদের এই দ্বীপে এসে স্থায়ী আবাস গড়ার ব্যবস্থা করে দেন। ফলে প্রথমবারের মতো ক্রিমিয়া থেকে উচ্ছেদ হতে শুরু করেন তাতাররা। দ্বীপটির ৮৫ ভাগই ছিল তাতার জাতির। ১৭৮৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রিমিয়াকে নিজের অন্তর্ভুক্ত করে রাশিয়া। ফলে ৮ থেকে ১০ হাজার তাতারকে ওসমানীয় সাম্রাজ্যের অন্য কোথাও পালিয়ে যেতে হয়।
১৮৫৩ সালে রাশিয়া তার সাম্রাজ্য আরো বড় করার পরিকল্পনা নেয়। ফলে রুশদের থামাতে ওসমানীয়রা সৈন্য মোতায়েন শুরু করে। পরবর্তী দুই বছরে বৃটেন, ফ্রান্স ও সার্ডিনিয়া ওসমানীয়দের সঙ্গে যোগ দেয়। ইতিহাসে এটিই ক্রিমিয়া যুদ্ধ হিসেবে বিখ্যাত হয়ে আছে। এ যুদ্ধেই ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল একজন কিংবদন্তিতে পরিণত হন। এ যুদ্ধে রাশিয়া পরাজিত হয় এবং তাদের ক্ষোভ গিয়ে পড়ে তাতারদের ওপর। তৎকালীন জার সরকার তাতারদের অভিযুক্ত করে তুর্কিদের সাহায্য করার জন্য। শাস্তি হিসেবে তাতারদের ওপর রুশ ভাষা বাধ্যতামূলক করা হয়। সড়কের নাম বদলে রুশ নাম দেয়া হয়। দ্যা ক্রিমিয়ান তাতারস বই থেকে পাওয়া তথ্য থেকে জানা যায়, রুশ অত্যাচারে ১৮৫০ থেকে ১৮৬০ সালের মধ্যে মাত্র ১০ বছরেই ক্রিমিয়ায় তাতারদের সংখ্যা ২ লাখ ৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৯৪ হাজারে নেমে আসে। বাকিরা একান্ত বাধ্য হয়ে তখন থেকে গিয়েছিল। তাতাররা রুশ শাসকদের বিশ্বাস করতো না।
এর ১ শতাব্দী পর আরো একজন রুশ শাসকের দৃষ্টি পড়লো ক্রিমিয়ার ওপর। সমাজতন্ত্র রাশিয়ার ভাগ্য পরিবর্তন করলেও তাতারদের জন্য তা দুর্ভোগই ডেকে এনেছিল। সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টির সুপ্রিম লিডার জোসেফ স্তালিন তাতার বুদ্ধিজীবীদের সরিয়ে দিতে শুরু করলেন। এই বুদ্ধিজীবী সমপ্রদায় তাতারদের হারানো ঐতিহ্য, ভাষা ও সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট ছিল। ১৯২৭ সালে স্তালিন এদেরকে বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদী হিসেবে আখ্যায়িত করেন। আলাদা করে ৪০ হাজার তাতারকে তিনি সাইবেরিয়ায় পাঠিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেন।
আজ থেকে ৭৫ বছর আগের এই মাসেই এর শুরু হয়েছিল। ২য় বিশ্বযুদ্ধে তাতাররা নাৎসি বাহিনীর পক্ষ নিয়েছিল। জার্মানরা স্বাধীনতা দেয়ার লোভ দেখিয়ে তাতার মুসলিমদের দলে ভেড়ায়। হাজার হাজার তাতার সোভিয়েট রেড আর্মির বিরুদ্ধে নাৎসিদের হয়ে যুদ্ধ করে। ফলে ১৯৪৪ সালের ১৮ই মে স্তালিন আবারো তাতারদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং ক্রিমিয়ার সমুদ্র বন্দরগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেয়ার নির্দেশ দেন। স্তালিন তাতারদের ক্রিমিয়া থেকে সরিয়ে মধ্য এশিয়ার উজবেকিস্তানে সরিয়ে দিতে শুরু করেন। অসুখ ও না খেয়ে এদের মধ্যে অর্ধেক মারা গিয়েছিল পথেই। তবে কয়েক হাজার তাতার ইউরোপ ও তুরস্কে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
১৯৫৪ সালে সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ ইউক্রেনকে ক্রিমিয়া উপহার দেন। এরপর ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে গেলে তাতাররা ক্রিমিয়ায় ফিরতে শুরু করে। তবে ততদিনে ক্রিমিয়ার বেশির ভাগ এলাকা রুশদের দ্বারা জনাকীর্ণ হয়ে গেছে। তারপরেও পুনরায় হারানো ঐতিহ্য ফিরে পেতে তাতাররা মেজলিস নামে নিজেদের রাজনৈতিক দল গঠন করে।
২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ক্রিমিয়ায় হামলা চালায় রাশিয়া। ইউক্রেন থেকে উপদ্বীপটির আংশিক দখল নিয়ে নেয়। ওই বছরই মার্চ মাসে ক্রিমিয়ার ভাগ্য নির্ধারণ করতে একটি গণভোটের আয়োজন করে রুশ সরকার- হয়তো ইউক্রেনের সঙ্গে থাকবে বা রাশিয়ান ফেডারেশনের অংশ হয়ে থাকবে। এই গণভোটের পর থেকেই তাতারদের ওপর রুশদের হয়রানি বেড়ে যায়। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুসারে, ওই গণভোট ছিল রুশদের অবৈধ ও সহিংস হামলা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার মতো বিষয়। তাতাররা ওই গণভোটের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানায়। গ্রেপ্তার করা হয় বহু তাতার অধিকারকর্মী ও সাংবাদিককে। কেউ কেউ চিরদিনের জন্য নিখোঁজ হয়ে যান। আর কেউ কেউ প্রাণ হারান।
নিখোঁজ হওয়া সাংবাদিকদের একজন ছিলেন রেশাত আমেতভ। তিনি রুশ অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিলেন। তাকে ক্রিমিয়ার রাজধানী সিমফারোপলের কাউন্সিল অব মিনিস্টারস ভবনের সামনে থেকে অপহরণ করা হয়। দুই সপ্তাহ পর তার নির্যাতিত লাশ খুঁজে পাওয়া যায়। আজ অবধি তার হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়নি।
রুশ অধিগ্রহণের বছরগুলোতে তাতার পত্রিকা, রেডিও ও টিভি স্টেশনগুলোয় ভাঙচুর চালানো হয়। ক্রিমিয়ার ভাষাভিত্তিক সব পাঠদান নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়। ২০১৪ সালের এপ্রিল মাসে ক্রিমীয় তাতার নেতা ও মেজলিস প্রধান মোস্তফা ঝেমিলেভ বিদেশ সফর শেষে ক্রিমিয়ায় প্রবেশ করতে চাইলে তাকে ঢুকতে দেয়া হয়নি। এরপর থেকে নির্বাসনে রয়েছেন তিনি। ২০১৬ সালের এপ্রিলে রুশরা মেজলিসকে বিপজ্জনক ও চরমপন্থি প্রতিষ্ঠান হিসেবে আখ্যায়িত করে নিষিদ্ধ করে। এরপর থেকে অগণিত তাতারকে সন্ত্রাসবাদ সমর্থনের অভিযোগে বা মুসলিম দলের সদস্য থাকায় গ্রেপ্তার করেছে রুশরা।
গত ডিসেম্বরে ঝেমিলেভ নিউ ইয়র্কস্থ আমেরিকান এসোসিয়েশন অব ক্রিমিয়ান তাতারে সফর করেন। সেখানে নির্বাসিত তাতারদের উদ্দেশে বলেন, ক্রিমিয়ার অবস্থা শোচনীয়। তিনি আরো জানান, সেখানে বাসরত তাতারদের পরবর্তী প্রজন্মের ভাগ্য নিয়ে তিনি শঙ্কিত। রুশরা তাদের ভুল বোঝাচ্ছে ও তাতার সংস্কৃতি, ভাষা, ইসলাম ধর্ম থেকে দূরে সরিয়ে নিচ্ছে। গত বছর রুশরা বিগ খান মসজিদ নতুন করে সাজিয়েছে। পুরনো টাইলস ও কাঠের কাজ সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত তাতাররা জানিয়েছে যে, তারা ক্রিমিয়ায় বাসরত তাদের পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা সেখানে প্রতিনিয়ত নিপীড়িত হচ্ছে। অনেকের চাকরি চলে গেছে। তারা বেকার হয়ে জীবনযাপন করছে, নতুন চাকরি পাচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা রুশ প্রতিহিংসার শিকার হওয়ার ভয়ে তাতারদের কাজে নিয়োগ দিচ্ছে না। তাতারদের ব্যবসা ও বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। কখনো কখনো বাজেয়াপ্ত করে নেয়া হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রিমিয়ায় মানবাধিকার দিনদিন হ্রাস পাচ্ছে। রুশ ফেডারেশন কর্তৃপক্ষ ফোর্থ জেনেভা কনভেনশন ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন করে ক্রিমিয়ার নাগরিকদের ওপর ক্রমাগতভাবে তাদের আইন চাপিয়ে দিচ্ছে। বর্তমানে ক্রিমিয়ায় তাতারদের সংখ্যা ফের ২ লাখ ৫০ হাজারে পৌঁছেছে। কিন্তু আঠারো শতকে যেখানে তারা ছিল উপদ্বীপটির মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ, সেখানে আজ তারা কেবল ১২ শতাংশ।
জাতিসংঘ, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ), ন্যাটো ও তুরস্ক ক্রিমিয়ায় রুশ অধিগ্রহণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ও উপদ্বীপটিকে রাশিয়ার অংশ মানতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ন্যাটো ক্রিমিয়াকে ইউক্রেনের অংশ ঘোষণা করেছে। গত বছর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন রুশদের ক্রিমিয়া থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রস্তাব পাস করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ অবৈধ অধিগ্রহণের দায়ে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কিন্তু এসব পদক্ষেপের কোনোটিই পর্যাপ্ত নয়। রাশিয়া আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। কিন্তু কেউ কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেয়নি, রুশদের জোরপূর্বক প্রত্যাহার তো দূরের কথা। উপরন্তু, রুশ কর্তৃক ক্রিমিয় তাতারদের সংস্কৃতি ও জাতিগত নিধনের ধীর প্রক্রিয়া রুখতেও কেউ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। উল্টো, পশ্চিমারা ও তাদের মানবাধিকার নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো নীরব ভূমিকাই পালন করেছে। তারা ক্রিমিয়া ও ক্রিমিয়ার তাতারদের বর্জন করেছে।
(এলমিরা বেরাসিল লিখিত প্রতিবেদনের সমপাদিত ভাবানুবাদ।)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আকাশে ভারতের চেয়ে এগিয়ে পাকিস্তান

সম্প্রতি ভারতের দ্য প্রিন্ট অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ হলে ভারতের চেয়ে এগিয়ে থাকবে পাকিস্তানের বিমানসেনারা।
এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ভয়াবহ আত্মঘাতী জঙ্গি হামলা ৪০ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ওই সময় দুই দেশের বিমানসেনাদের পক্ষ থেকে দাবি করে বলা হয়, তারা একে অপরের বিমান গুলি করে মাটিতে নামিয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে এও বলা হয় যে পাকিস্তানের বালাকোটে জঙ্গি আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়ে এসেছে ভারতের বিমানবাহিনীর সেনারা। যদিও এ হামলার পর হতাহত মানুষের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক চলছে এখনো। এমন সময় এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হলো।
যুদ্ধবিমান ও পাইলটে পাকিস্তানের চেয়ে পিছিয়ে ভারত
সামরিক শক্তিতে পাকিস্তানের চেয়ে ভারত অনেক এগিয়ে আছে বলে দেশটির নেতারা বলে বেড়ান। কিন্তু সম্প্রতি ভারতের দ্য প্রিন্ট পত্রিকা জানিয়েছে অন্য রকম তথ্য। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চ সূত্রের বরাত দিয়ে প্রিন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের বিমানবাহিনী পাকিস্তানের চেয়ে লোকবলে পিছিয়ে আছে। ভারতের বিমানবাহিনীতে বর্তমানে প্রতিটি বিমানের জন্য পাইলটের সংখ্যা মাত্র দেড়জন করে। সেখানে পাকিস্তানের বিমানবাহিনীতে এ সংখ্যা আড়াইজন করে। এখানে পিছিয়ে আছে ভারত।
যুদ্ধে এগিয়ে থাকবে পাকিস্তান
পাইলটের লোকবলের সংখ্যায় এগিয়ে থাকার পর দিনে ও রাতের যুদ্ধে এগিয়ে থাকবে ভারতের অন্যতম প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। দুই দেশের মধ্যে দিনে ও রাতে যুদ্ধ হলে ভালো অবস্থায় থাকবে পাকিস্তান। বিমানের পাইলট কম থাকায় চাপে থাকবে ভারতের বিমানবাহিনীর সেনাসদস্যরা। কারণ, যুদ্ধের কাজ চালাতে ভারতের পাইলটদের ক্লান্তি চলে আসবে। আর সংখ্যায় বেশি হওয়ায় উড্ডয়নের বেশি সুযোগ পাবেন পাকিস্তানের পাইলটেরা।
ভারতে বোমাবর্ষণ অনুশীলনের যথেষ্ট সুযোগ নেই
ভারতের ওয়েস্টার্ন এয়ার কমান্ড পাকিস্তান ও আংশিকভাবে চীনের আকাশপথের ওপরে নজরদারি চালায়। এদের একটিও ‘ফায়ারিং রেঞ্জ’ নেই, যা দ্বারা যুদ্ধের সময়ে শত্রুর আস্তানায় বা নিশানার ওপর বোমা ফেলার অনুশীলন করা যায়।
![]() |
| সামরিক শক্তিতে পাকিস্তানের চেয়ে ভারত অনেক এগিয়ে আছে—দেশটির রাজনৈতিক নেতারা বললেও এক প্রতিবেদনে এর উল্টোটাই বলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত |
উচ্চতায় সমস্যা
চীনের সঙ্গে উত্তরে ও পূর্বে ভারতের যে সীমানা আছে, সেখানকার সমস্যা উচ্চতা। তবে উচ্চতায় বোমাবর্ষণ করার অনুশীলনের বিমান নেই ভারতের বিমানবাহিনীর। এর ফলে যুদ্ধ বাধলে কতটা সাফল্য তারা পাবে, তা নিয়ে সন্দেহ আছে ভারতের সামরিক বিশ্লেষকদের। ভারতের বিমানসেনাদের অনুমোদিত স্কোয়াড্রন শক্তি হচ্ছে ৪২। আর অফিসারদের সংখ্যা ১২ হাজার ৫০০। একেকটি স্কোয়াড্রনে ১৬ থেকে ২০টি যুদ্ধবিমান আছে। যদিও প্রতিবছর গড়ে মাত্র ২ শতাংশ হারে অনুমোদিত অফিসারের সংখ্যা কমেছে।
দীর্ঘদিন ধরে এই অভাব চলতে থাকায় এখন সমস্যা বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া এখন মিগের বদলে দুই আসনবিশিষ্ট এসইউ ৩০ এমকেই বিমান ভারতের বহরে যোগ হয়েছে। আর এতে ভারতের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে আরও বেশি পাইলটের। সেখানেই লোকবলের অভাব ভারত বুঝতে পারছে বলে প্রিন্ট বিভিন্ন সূত্র থেকে জেনেছে।
![]() |
| যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স ও ইসরায়েলের কাছ থেকে নানা অস্ত্র কেনে ভারত। ছবি: সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ▼ 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...










