Thursday, March 22, 2018
অবশেষে সিরিয়ার পারমাণবিক চুল্লী ধ্বংসের স্বীকারোক্তি ইসরাইলের

শুধু সিরিয়ায় নয়। এর আগে ইরাকের একটি পারমাণবিক চুল্লিও ধ্বংস করে ইসরাইল। ১৯৮১ সালে আচমকা হামলা চালিয়ে বাগদাদের দক্ষিণ পূর্বে নির্মাণাধীন ওই চুল্লী ধ্বংস করে ইসরাইলি যুদ্ধবিমান। ওই সময় ইরাকের শাসক ছিলেন সাদ্দাম হোসেন।
সিরিয়ার চুল্লী ধ্বংস করার ব্যাপারে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী বলেছে, ‘২০০৪ সালের শেষের দিকে ব্যাপক আকারে গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে ইসরাইল। সেই সময় ইসরাইলি গোয়েন্দারা জানতে পারেন যে, বিদেশী কিছু বিশেষজ্ঞ (ধারণা করা হয়, উত্তর কোরীয়) সিরিয়ার পারমাণবিক প্রকল্পে সহায়তা করছেন।’
ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পারমাণবিক স্থাপনার অবস্থান নিশ্চিত করার পর অনুমান করে যে, ২০০৭ সালের শেষের দিকে এই পারমাণবিক চুল্লী কার্যক্ষম হবে। এরপর সামরিক বাহিনী সেখানে বিমান হামলার ছক কষে। ওই অভিযানের নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন আউটসাইড দ্য বক্স’।
২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরের ৫ তারিখ রাত সাড়ে ১০টার দিকে, ইসরাইলের এফ-১৬ ও এফ-১৫ যুদ্ধবিমান দক্ষিণাঞ্চলীয় ইসরাইলের দুইটি ঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করে। তাদের গন্তব্যস্থল ছিল দেইর আল-জৌর। যাত্রার জন্য ভূমধ্যসাগর ও সিরিয়া-তুরস্ক সীমান্ত এলাকাকে বেছে নেয় ইসরাইলি যুদ্ধবিমান।
চার ঘণ্টা পর ফিরে আসে ওই যুদ্ধবিমানগুলো। মাঝেই তারা হামলা চালায়, যার ফলে ওই চুল্লী সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে যায়। ইসরাইল বলছে, খুবই সংবেদনশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এতদিন ধরে এই হামলার কথা স্বীকার করা হয় নি।
সিরিয়ার সামরিক বাহিনী ওই ইসরাইলি হামলার প্রতিশোধ নেয় নি। প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ওই সময় শুধু এটাই বলেছিলেন যে, সামরিক বাহিনীর স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। পরে ২০১১ সালে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) উপসংহার টানে যে, ওই স্থাপনায় পারমাণবিক চুল্লি ছিল, এই দাবি সত্য হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি।
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার-রোধ চুক্তির অন্যতম স্বাক্ষরকারী সিরিয়া। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণের অধিকার দেশটির ছিল। কিন্তু কোনো ধরণের পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনার আগে আইএইএ’কে জানানো বাধ্যতামূলক ছিল।
ইসরাইল ওই আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে নি। ধারণা করা হয়, দেশটির কাছে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে, যদিও দেশটি এই তথ্যের সত্যতা স্বীকার বা অস্বীকার করে নি।
ইসরাইল এখন বলছে, দেইর আল-জৌর, যেখানে ওই পারমাণবিক চুল্লি নির্মিত হচ্ছিল, সেটি ২০১৪ সালে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস’র দখলে যায়। সেই বিষয়টি উল্লেখ করে দেশটির সামরিক বাহিনী বলেছে, ‘আইএস’র হাতে পারমাণবিক স্থাপনার দখল থাকলে, পৃথিবীর বুকে কী যে তা-বলীলা তারা চালাতে পারতো, সেটা কল্পনাতীত।’
কিন্তু ১০ বছর পর এই তথ্যের কথা এখন স্বীকার করছে কেন ইসরাইল? বিবিসির জেরুজালেম প্রতিনিধি টম বেটমেন এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তিনি লিখেছেন, এক দশক আগে সিরিয়ার মরুভূমিতে যখন ওই হামলা ঘটে, তখন এ নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহ ছিল না যে, এর নেপথ্যে ছিল ইসরাইল। কিন্তু এতদিন ইসরাইল সেটা স্বীকার করেনি। ইসরাইলের এখনকার স্বীকারোক্তির তাৎপর্য আছে। যে সময়কে ইসরাইল এই হামলার কথা স্বীকার করতে বেছে নিয়েছে, সেটি এখানে গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া যেভাবে ওই হামলার বিস্তারিত বিবরণ ইসরাইল প্রকাশ করছে, সেটিও তাৎপর্যপূর্ণ। ইসরাইল যে বার্তা দিতে চায় সেটি হলো, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা করতে ইসরাইল প্রস্তুত।
ইসরাইলের অভিযোগ হলো, পারমাণবিক উচ্চাভিলাষ রয়েছে ইরানের, যা ইসরাইলের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। ইসরাইল আরও মনে করে, সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে ইসরাইল সীমান্তের কাছে স্থায়ীভাবে নিজের অবস্থান নিশ্চিত করতে চায় ইরান। এই দাবি অবশ্য অস্বীকার করেছে ইরান।
ইরান ২০১৫ সালে বিশ্বের ৬টি শক্তিধর দেশের সঙ্গে একটি চুক্তি করে। ওই চুক্তি অনুযায়ী, বিপুল অর্থনৈতিক ছাড়ের বিনিময়ে পারমাণবিক প্রকল্প সীমিত করতে সম্মতি দেয় দেশটি। কিন্তু ওই চুক্তি পছন্দ হয় ইসরাইলের। ইসরাইল মনে করে, ওই চুক্তি যথেষ্ট নয়। বর্তমান মার্কিন প্রশাসনেরও একই মত। ওই চুক্তি সংশোধন করতে এই মুহূর্তে ইউরোপের ওপর কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করছে যুক্তরাষ্ট্র। ঠিক তখনই ইসরাইল সিরিয়ার পারমাণবিক চুল্লী ধ্বংসের তথ্য নিশ্চিত করলো। এর মাধ্যমে আমেরিকার কূটনৈতিক চাপের পাশাপাশি সামরিক চাপ তৈরি হবে বলে আশা করছে ইসরাইল। কিন্তু এই চুক্তি ভেস্তে গেলে মধ্যপ্রাচ্য চরম অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে বলে অনেকেই মনে করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দিনমজুর তৈয়ব যেভাবে ইয়াবা ব্যবসায়ী

গোয়েন্দা পুলিশের দাবি, তৈয়ব ইয়াবা ব্যবসায়ী। তার কাছে আট হাজার ইয়াবা পাওয়া গেছে। কিন্তু তৈয়বের দাবি সে ইয়াবা ব্যবসায়ী নয়। আর তাকে অলংকার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। অলংকার তিনি চিনেন না, সেখানে তিনি কখনো যাননি।
অথচ অলংকার মোড় থেকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে মাদক মামলায় তাকে আদালতে তুলে পুলিশ। আদালত তাকে কারাগারে পাঠায়।
তৈয়বের ছেলে সাজ্জাদ খানের দাবি, তার বাবাকে আনোয়ারার কাফকো এলাকা থেকে ধরে নিয়ে ইয়াবা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। যার কাছে ইয়াবা পেয়েছে মূলত তাকে ছেড়ে দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। আর ইয়াবা আট হাজার নয়; প্রায় এক লাখ।
অভিনব এই কারসাজি করে তৈয়বকে যারা ইয়াবা ব্যবসায়ী বানিয়েছে তারা হচ্ছেন নগর গোয়েন্দা পুলিশের এসআই আবুল ফজল, সাইদ তালুকদার, এসআই আনোয়ার হোসেন ও এএসআই মনির হোসেন।
আলাপকালে স্থানীয়রা জানান, গত ১৩ই মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় আনোয়ারা কাফকো এলাকা থেকে আবু তাহের নামে এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করে পুলিশ। পরে বাড়ি থেকে ডেকে এনে দিনমজুর তৈয়বকে একটি রেস্তরাঁর সামনে থেকে ধরে নিয়ে যায়। পরের দিন তৈয়বকে আদালতে পাঠায়।
আবু তাহের বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোমপানির (কাফকো) একজন কর্মচারী। তার পদবি ফিল্ড মেনটেনেন্স কন্ট্রোলার। তিনি কাফকো সিবিএ’র সাবেক সহ-সভাপতি। দুইবছর আগে সভাপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হেরে যান বলে নিশ্চিত করেন কাফকো সিবিএ’র বর্তমান সভাপতি ও আনোয়ারা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সমপাদক ওসমান গণি রাসেল।
রাসেল বলেন, আবু তাহেরের প্রতিবেশী তৈয়ব। গ্রামে তিনি সাধারণত চাষাবাদ করেন। ১৩ই মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ওশান তাজ নামক একটি রেস্তরাঁর সামনে থেকে তৈয়বকে ধরে নিয়ে যায় বলে জানান রেস্তরাঁর মালিক আবদুল বাসেক। তবে কি কারণে তৈয়বকে ধরে নিয়ে গেছে সেটা তিনি জানেন না বলে জানান।
অভিযোগ উঠেছে, মোটা অঙ্কের লেনদেনের কারণে পুলিশ আবু তাহেরকে রাতে সন্দেহজনক ঘোরাফেরা করার অপরাধ দেখিয়ে আদালতে পাঠায়। আর আদালত মাত্র ১০০ টাকার জিম্মায় আবু তাহেরের জামিন মঞ্জুর করেন। পুলিশ প্রথমে কাফকো সেন্টার এলাকার রিমিক্স রেস্তরাঁ থেকে আবু তাহেরকে গ্রেপ্তার করে।
আর গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা তৈয়বকে তার বাড়ি গোবাদিয়া গ্রাম থেকে ডেকে ওশান তাজ রেস্তরাঁয় আনেন। সেখান থেকে তৈয়বকে গ্রেপ্তার করেন। রাতে দুজনকেই নগরীর গোয়েন্দা কার্যালয়ে আনা হয়। তৈয়বকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে রেখে তাহেরকে ছেড়ে দেয়া হয়।
পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কে বা কারা প্রকাশ করলে তাহেরকে ডেকে এনে লোক দেখানো আটক দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। অভিযানের নেতৃত্বে থাকা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই আনোয়ার হোসেনের বাড়িও আনোয়ারা উপজেলার শিলাইগড়া গ্রামে।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে আবু তাহের বলেন, আমাকে কাফকো এলাকার একটি রেস্তরাঁ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু আমার কাছে কিছু না পাওয়ায় সাধারণ আইনে আমাকে চালান করে। পরে আদালত আমাকে জামিন দেয়। আমার কাছে ইয়াবা পায়নি পুলিশ।
ইয়াবা না পেলে কেন আপনাকে গ্রেপ্তার করা হলো প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভাই আমি ডিবির লোক। প্রায় সময় ডিবিকে আমি সহযোগিতা করি। ডিবি না বুঝে আমাকে ধরে নিয়ে এসেছিল। রাতে ছেড়েও দিয়েছে। এর মধ্যে কে বা কারা ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে লেখালেখি করে। তাই আবার আমাকে ডেকে এনে লোকজনকে দেখাতে আদালতে পাঠায়।
তৈয়বকে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে তাহের বলেন, তৈয়ব গ্রামে চাষাবাদ করে। তবে সে ইয়াবা ব্যবসা করে কিনা জানি না। লোক হিসেবে সে খারাপ নয়।
তবে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, আবু তাহের ইয়াবা ব্যবসার সহযোগী। আবু তাহেরের সঙ্গে সমঝোতা হওয়ার পর পুলিশ তৈয়বকে ৮ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার দেখায়। আর আবু তাহেরকে পুরোপুরি বাদ দেয়া হয় ওই ঘটনা থেকে।
তৈয়বের ছেলে সাজ্জাদ খান বলেন, আবু তাহেরই বাবাকে মোবাইল ফোনে ঘর থেকে ওশান তাজ রেস্তরাঁয় ডেকে আনেন। পরে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসে। আমরা সকালে গোয়েন্দা কার্যালয়ে এসে বাবার সঙ্গে দেখা করি। বাবা আমাকে বলেন, তাকে অলংকার মোড় থেকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে বলে পুলিশ মামলা বানাচ্ছে। অথচ বাবা অলংকার মোড় কোথায় তা চেনেনও না।
ডিবি পুলিশ প্রথমে বলেছে, আমার বাবার দেয়া তথ্য অনুযায়ী অলংকার এলাকা থেকে ইয়াবা পেয়েছে। পরে বলেছে, আমার বাবার কাছে ইয়াবা পেয়েছে। অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল ফজলের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই বলতে পারবো না। আপনি এডিসি স্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। জানতে চাইলে নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক বলেন, তৈয়বের কাছে ইয়াবা পাওয়া গেছে। তাহেরকে সন্দেহজনক হিসেবে আনা হয়েছিল। কাফকোতে তার প্রতিপক্ষ রয়েছে। তারাই মূলত এ বিষয়ে ভুল তথ্য সরবরাহ করেছে। তাহেরের কাছে কিছুই পাওয়া যায়নি। তাহেরের ডিবির লোক পরিচয় দেয়া প্রসঙ্গে এডিসি আবু বকর বলেন, তাহের ডিবির লোক হতে যাবে কেন? সে যদি বলে থাকে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সীমান্তে নজরদারি কড়াকড়ি করবে ভারত

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদিতে সিলেটের রিপার আকুতি: আমাকে বাঁচাও- নতুবা নির্যাতনে মারাই যাবো by ওয়েছ খছরু

পরিচয় মুন্না মিয়ার। জানতে পারেন- সরকারি খরচে সৌদি আরবে মহিলা শ্রমিক পাঠানো হচ্ছে। হামিদ মিয়ার কথায় মুন্না মিয়া সায় দেন। কথা বলেন স্ত্রী রিপার সঙ্গে। পরিবারকে সচ্ছল করতে তিনি সাহায্য চান স্ত্রীর। স্ত্রীও তার কথায় সায় দেন। কিন্তু রাজি হচ্ছিল না রিপার পরিবার। তারা কোনো ভাবেই রিপাকে সৌদিতে পাঠাতে মত দিচ্ছিলো না। অবশেষে রিপা তার পরিবারের সবাইকে বুঝিয়ে রাজি করান। করা হয় পাসপোর্টও। সব প্রস্তুতি শেষ হওয়ার পর সিলেটের ওই ট্রাভেলস এজেন্সির মাধ্যমে রিপাকে গত ৮ই মার্চ পাঠানো হয় সৌদি আরবে। মুন্না মিয়া নিজেই স্ত্রীকে ফ্লাইটে তুলে দিয়ে আসেন। ওই দিন সৌদি আরবে যাওয়ার পর রিপা স্বামীর সঙ্গে ১০ মিনিট মোবাইল ফোনে কথা বলেন। এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় একটি বাসায়। সেখানে আটকে রেখে রিপার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে। রিপা যে বাসায় রয়েছে সেই বাসায় এক মহিলা রয়েছে। তার মোবাইলে মাঝে মধ্যে কথা হয় স্বামীর সঙ্গে। কিন্তু দুই থেকে তিন মিনিট কথা বলার পর ওই প্রান্ত থেকে রিপার কাছ থেকে মোবাইল কেড়ে নেয়া হয়। মুন্না মিয়া জানিয়েছেন, রিপার সঙ্গে যখনই কথা হয়- তখন সে অঝোরে কাঁদে। তার জীবন হুমকির মুখে বলে জানায়। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার অনুরোধ করে। এদিকে এ ঘটনার পর ট্রাভেলস এজেন্সির সঙ্গে কথা বলেও কোনো সান্ত্বনা পাচ্ছেন না মুন্না মিয়া। তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। ওদিকে হামিদ ট্রাভেলস সূত্রে জানা গেছে, প্রতিমাসে ৮শ’ রিয়াল চুক্তিতে তাকে গৃহকর্মী হিসেবে সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছে। তবে নির্যাতনের বিষয়টি ট্রাভেলস এজেন্সির জানা নেই। এ ব্যাপারে তারাও সৌদি আরবে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন বলে জানান এজেন্সির কর্মকর্তারা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্ব বেশি -বিবিএসের শ্রমশক্তি জরিপ

জরিপে দেখানো হয়েছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশে ১৪ লাখ শ্রমশক্তি যুক্ত হয়েছে যাদের বয়স ১৫ বছরের উপরে। কিন্তু এ সময় দেশের অভ্যন্তরে নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে মাত্র ১৩ লাখ। ফলে বেকার বেড়েছে। সবমিলিয়ে দেশে বেকার রয়েছে ২৬ লাখ ৮০ হাজার। আগের অর্থবছর এই সংখ্যা ছিল ২৬ লাখ।
বেকারত্বের হার বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দেশে উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যে বেকারের হার বাড়ছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছর তরুণ বেকারদের মধ্যে উচ্চ শিক্ষিতের হার ছিল ১২.১১ ভাগ। ২০১৬-১৭ অর্থবছর এই হার দাঁড়িয়েছে ১৩.৪ ভাগে। সংখ্যার হিসাবে ৩ লাখ ৯০ হাজার তরুণ উচ্চশিক্ষিত বেকার রয়েছে যাদের বয়স ৩০ বছরের নিচে। তাদের মধ্যে ১১.২ ভাগ ২ বছরের বেশি সময় ধরে বেকার রয়েছেন।
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সংজ্ঞানুযায়ী যারা সপ্তাহে অন্তত ১ ঘণ্টা কর্মে নিয়োজিত থাকবেন তারা আর বেকার নন। বাংলাদেশে সপ্তাহে এক ঘণ্টাও কাজ করতে পারেন না এমন বেকারের সংখ্যা বেড়ে ২৬ লাখ ৮০ হাজারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টার কম কাজ করেন অথবা নিজেদের উপযোগী নয়, তাই নতুন কাজ খুঁজছেন এমন ‘আন্ডার এমপ্লয়মেন্ট’ এর সংখ্যা কিছুটা কমে ১৫ লাখ হয়েছে। অর্থাৎ দেশে প্রকৃত বেকারত্বের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ৪১ লাখ ৮০ হাজারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বেকারত্বের হার তুলনামূলক কম ৬.২ ভাগ। অন্যদিকে প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়েছে এমন পর্যায়ে এই হার ২.৭ ভাগ। অর্থাৎ শিক্ষার উচ্চ পর্যায়ে বেকারত্বের হার বেশি।
বিবিএস প্রকল্প পরিচালক কবির উদ্দিন আহমেদ উল্লেখ করেন, মূলত: উচ্চ শিক্ষিতরা ভালো চাকরির জন্য অপেক্ষা করেন। এজন্য সে পর্যায়ে বেকারের হার বেশি।
বিশ্লেষকরা বলেন, যে হারে প্রবৃদ্ধি হচ্ছে সেই হারে কর্মসংস্থান হচ্ছে না। এজন্য শুধু প্রবৃদ্ধি বাড়ালেই হবে না। কর্মসংস্থানের দিকেও বিশেষ নজর দিতে হবে। যাতে প্রবৃদ্ধির সঙ্গে কর্মসংস্থানের সংযোগ ঘটে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা মীর্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, কর্মসংস্থান কমার কোনো কারণ নেই। তবে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ স্থবির রয়েছে। কিন্তু তারপরও তো কিছুটা বিনিয়োগ হচ্ছে। কিন্তু বেকার সংখ্যা বাড়াটা স্বাভাবিক। কেননা প্রতিবছর ২০ লাখ মানুষ কর্মের বাজারে প্রবেশ করছে। সে তুলনায় কর্মসংস্থান হচ্ছে না।
বিবিএসের শ্রমশক্তির জরিপের তথ্য মতে, গত এক বছরে দেশে মোট কর্মসংস্থান হয়েছে ৩৭ লাখ। এর মধ্যে নতুন কর্মসংস্থান ১৩ লাখ। মজুরি ছাড়াই কাজ করতেন (আনপেইড) এমন ১৪ লাখ মানুষ মজুরিভিত্তিক (পেইড) কর্মসংস্থানে যুক্ত হয়েছেন। আর প্রবাসের শ্রমবাজারে যোগ দিয়েছেন ১০ লাখ মানুষ।
জরিপে দেখা গেছে, অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে ঘটেছে রূপান্তর। কর্মক্ষেত্রে এসেছে পরিবর্তন। এসব পরিবর্তনের অংশ হিসেবে দেশের কৃষিখাতে কর্মজীবী মানুষের সংখ্যা কমেছে। বিপরীতে বেড়েছে শিল্প ও সেবাখাতে শ্রমশক্তির সংখ্যা। দেশের মোট শ্রমশক্তির ৫৬ শতাংশ কৃষি, শিল্প ও সেবাখাতে নিয়োজিত রয়েছে, যা সংখ্যায় ৬ কোটি ৮০ লাখ। শ্রমশক্তির বাইরে রয়েছে ৪ কোটি ৫৫ লাখ মানুষ।
এতে আরো বলা হয় ৬ কোটি ৩৬ লাখ শ্রমশক্তির মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ৪ কোটি ৩৫ লাখ। আর নারীর সংখ্যা ২ কোটির মতো। ২০১৫-২০১৬ সালের জরিপে ৬ কোটি ২১ লাখ শ্রমশক্তির মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৩১ লাখ। আর নারীর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৯১ লাখ। এ হিসেবে ২ বছরে শ্রমশক্তিতে নারীর হার বেড়েছে প্রায় ৯ লাখ। গত এক দশকে শ্রমের রূপান্তর ঘটছে অনেক। কৃষিনির্ভরতা থেকে শ্রম চলে গেছে সেবা ও শিল্পের দিকে।
জরিপে বলা হয়েছে, ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে কৃষিখাতে নিয়োজিত ছিল ২ কোটি ৫৪ লাখ মানুষ। সেখান থেকে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে কমে গিয়ে কৃষি শ্রমিকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৪৭ লাখ। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে সেবাখাতে। গত অর্থবছরে সেবাখাতে কর্মসংস্থান হয়েছে ২ কোটি ৩৭ লাখ। তার আগের অর্থবছর এর পরিমাণ ছিল দুই কোটি ২০ লাখ। এছাড়া শিল্পখাতে গত অর্থবছরে নিয়োজিত ছিল ১ কোটি ২৪ লাখ, তার আগের অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ১ কোটি ২২ লাখ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক বছরে ১০,০০০ কোটি টাকার মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানি by কাজী সোহাগ

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টার্গেট চাপে অস্বস্তিতে ব্যাংকাররা by রোকনুজ্জামান পিয়াস

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, গত বছরের শেষের দিকে ব্যাংকিং খাতে এক লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা অলস তারল্য ছিল। গত কয়েক মাসে ঋণ বিতরণের ফলে তা ৮৬ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ ঋণই গেছে সরকারি ব্যাংক থেকে। গত বছর ব্যাংকগুলো ৮৫ হাজার ৯১১ কোটি টাকা আমানত সংগ্রহ করে। কিন্তু ঋণ বিতরণ করেছে এক লাখ ৩১ হাজার ৩২৩ কোটি টাকা। এতে আমানতের তুলনায় ৪৫ হাজার ৪১২ কোটি টাকা বেশি ঋণ বিতরণ হওয়ায় অলস অর্থ চলে গেছে। এদিকে তারল্য সংকট মোকাবিলায় এরই মধ্যে আকর্ষণীয় মুনাফায় আমানত সংগ্রহের ঘোষণা দিয়ে অধিকাংশ বেসরকারি ব্যাংক মাঠে নেমেছে। ব্যাংকগুলো আগের চেয়ে ২ থেকে ৩ শতাংশ পর্যন্ত আমানতের সুদহার বাড়িয়েছে।
ব্যাংকগুলোতে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, বেসরকারি একটি ব্যাংকের মধ্যম সারির একজন কর্মকর্তার গড়ে প্রতি মাসে ৫০ লাখ টাকা আমানত সংগ্রহের টার্গেট দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ দিনে প্রায় দুই লাখ টাকা করে আমানত সংগ্রহ করতে হবে এ সারির একজন ব্যাংকারকে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আরো বেশি। ফলে ব্যাপক মানসিক চাপে রয়েছেন ব্যাংকাররা। ব্যাংকের তারল্য সংকট এখন এমনই দাঁড়িয়েছে যে, দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানোর মতো অর্থও অনেক ব্যাংকে নেই। ফলে অন্য ব্যাংকের কাছ থেকে ধার নিয়ে প্রয়োজনীয় কাজ সারতে হচ্ছে। এজন্য আন্তঃব্যাংক কলমানি সুদহার প্রায় সাড়ে চার শতাংশ হয়ে গেছে, যা ২০১৫ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ। আমানতের সুদহার ব্যাপকহারে বেড়ে যাওয়ার কারণে এমন পরিস্থিতি হয়েছে। এদিকে আমদানি-রপ্তানিসহ প্রায় সব ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য ব্যাংকের টাকায় পরিচালিত হয়। এসব কার্যক্রমের জন্য চুক্তি মোতাবেক অর্থ চেয়ে পাচ্ছেন না উদ্যোক্তারা। ফলে বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে অর্থনীতিতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিভিন্ন ব্যাংকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় সব ব্যাংকই আমানতের সুদহার বাড়িয়েছে। বিশেষ করে যেসব ব্যাংকের আমানত তুলনামূলক কম তারা বেশি বাড়িয়েছে। বেসরকারি খাতের নতুন প্রজন্মের ব্যাংকগুলো এক্ষেত্রে বেশি এগিয়ে রয়েছে। ক্ষেত্রবিশেষে সুদ ১৩ শতাংশের পর্যন্তও দেয়া হচ্ছে। যা গত এক মাস আগেও ৯ শতাংশের মধ্যে ছিল। অন্যদিকে নতুন ব্যাংকের পাশাপাশি পুরনো ব্যাংকগুলোও আমানতে এখন ১০ থেকে ১১ শতাংশ পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে। এদিকে ব্যাংক আরোপিত এ টার্গেট পূরণ করতে না পারায় সিটি ব্যাংকের ৭০০ কর্মকর্তাকে সতর্কবার্তা দেয়া হয়েছে। চিঠিতে আমানতের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণেরও হুমকি দেয়া হয়। আর এ নিয়ে চরম অস্বস্তিতে রয়েছে ব্যাংকটির কর্মকর্তারা। ই-মেইল বার্তায় পাঠানো ওই চিঠিতে টার্গেট পূরণের জন্য নির্দেশনা দেয়ার পাশাপাশি পূরণ না করতে পারলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণেরও হুমকি দেয়া হয়। এমন একটি চিঠি পাওয়া সিটি ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, শাখায় যারা কাজ করেন, তাদের জন্য টার্গেট বেশি। আর প্রধান কার্যালয়ের জন্য টার্গেট অনেক শিথিল। অপর এক কর্মকর্তা বলেন, ব্যাংকিংয়ে তারল্য সংকট নতুন নয়। বেসরকারি অনেক ব্যাংকেই সংকট চলছে। ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদ সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছে। কিন্তু এখানে ওষুধ ও বিমা কোম্পানির মতো ব্যাংকারদের এফডিআর সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়া হচ্ছে, যা উদ্বেগজনক। লক্ষ্য নিয়ে আমরাও কাজ করছি; কিন্তু এখানে তড়িঘড়িটা বেশি। এতে বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। কয়েক যুগ ধরে কাজ করছি, কিন্তু এর আগে এমন বাজে অবস্থায় পড়তে হয়নি। এদিকে চিঠি না দিলেও অন্যান্য বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে কর্মকর্তাদের ওপর মৌখিকভাবে চাপ অব্যহত রয়েছে। টার্গেট পূরণ না করলে পদোন্নতিসহ নানা সুবিধা বঞ্চিত হতে পারেন তারা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদিতে পাসপোর্ট বিড়ম্বনায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি by দীন ইসলাম

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চীনের চাওয়া: বাংলাদেশের নির্বাচন -নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং জু

চীন, ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার- কেউ কারও শত্রু নয়: এদিকে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, এক বন্ধু আমার কাছে সমপ্রতি জানতে চান চীন-ভারত, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার কে কার শত্রু। আমি বলি- না, এখানে কেউ কারও শত্রু নয়। আমাদের (৪টি দেশের ) সবার কমন এক শত্রু আছে। তাহলো- দরিদ্রতা। দরিদ্রতা দূর করতে আমাদের আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানো দরকার। রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, আঞ্চলিক এ সহযোগিতা এবং উন্নয়নই শুধু পারে রাখাইনের সমস্যার কার্যকর সমাধান করতে। সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশকে চীনের ‘গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী’ উল্লেখ করে বলেন, এ বছর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অনেক দ্বিপক্ষীয় বিষয় ছাড়াও ১২তম কূটনৈতিক সভা, সমুদ্র সহযোগিতা বিষয়ে দ্বিতীয় বাংলাদেশ-চীন সংলাপ এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে চীন-বাংলাদেশ যৌথ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী বক্তৃতায় রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং জু বলেন, আমি ও আমার স্ত্রী এ বছরের ১২ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে আসি। এটা বাংলাদেশে আমার প্রথম আসা। আমি এখানে এসেই বুঝেছি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে সোনার বাংলা গড়ছে এ দেশের মানুষ। দু’দেশের সম্পর্ক হাজার বছরের। এ সম্পর্ক আরো জোরদার করতে আমরা কাজ করে যাবো। আমরা আশা করি, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার কৌশলগত সম্পর্ক সামনের দিনগুলোতে আরো এগিয়ে যাবে। গত সপ্তাহে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আবারও নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে (শি জিনপিংকে) অভিনন্দন জানিয়েছেন- উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত। সংবাদ সম্মেলনে উপ-রাষ্ট্রদূত চ্যাং উই ছাড়াও দূতাবাসের জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অকার্যকর মেগা সিটি -গার্ডিয়ানের রিপোর্ট

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বেশ কয়েকজন পরিচ্ছন্নকর্মীর বিষয়ে তথ্য তুলে ধরা হয়। তাদের একজন সুজন লাল রাউত। তিনি কয়েক দশক ধরে ঢাকায় সুয়ারেজ লাইন পরিষ্কার করেন। এ সময়ে অনেক বিপর্যয় দেখেছেন তিনি। তার মধ্যে ২০০৮ সালের ট্র্যাজেডি ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ। ওই সময় যথারীতি ভারি বৃষ্টিতে রাস্তা ডুবে যায়। তখন রামপুরায় আটকে থাকা পানি চলাচলের জন্য সুয়ারেজ লাইন পরিষ্কার করার দায়িত্ব দেয়া হয় সাত শ্রমিককে। সাধারণত শ্রমিকরা এসব কাজ করতে যখন নামেন তখন তাদের শরীর উপর থেকে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়, যাতে পানির তীব্র স্রোত তাদেরকে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে না পারে বা ডুবে না যান। কিন্তু ওই গ্রুপটি কাজে ছিল নতুন। সুজন বলেন, তারা জানতেন না কীভাবে বিপদ মোকাবিলা করতে হয়। ওই পরিস্থিতিতে কীভাবে কাজ করতে হয়। সুয়ারেজের পানিতে ডুবে যান ওই শ্রমিকরা। পথযাত্রীরা হাতুড়ি আর শাবল দিয়ে রাস্তা খুঁড়ে তাদের তিন শ্রমিককে মৃত অবস্থায় বের করে আনেন। আরো চারজনকে পাওয়া যায় গুরুতর আহত অবস্থায়। তাদের মধ্যে একজন পরবর্তীতে হাসপাতালে মারা যান। সুজন বলেন, ওই দুর্ঘটনা আমাদের ভেতরে ভয় ঢুকিয়ে দেয়। কয়েক মাস ধরে আমরা ড্রেনের ভেতর তাকাতেও ভয় পেতাম। সুজন জানান, বাংলাদেশ সরকার ঢাকা শহর সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার চেষ্টা করছে। তবে এখন পর্যন্ত সে কাজে প্রত্যাশানুযায়ী সফল হয়ে ওঠতে পারেনি।
এই কাজ করতে আমি বাধ্য: বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ মুসলিম। ড্রেন বা নর্দমা পরিষ্কারকদের বেশিরভাগও মুসলিম। কিন্তু সুজন একজন হিন্দু। তার ওপর তিনি একজন দলিত। পুরো এশিয়াজুড়ে তারা ‘অচ্ছুৎ’ হিসেবেই পরিচিত। এই সমপ্রদায়ের বেশিরভাগকেই দাসোচিত কাজ করতে দেখা যায়। এমনিতে তাদের অবমাননা করে ‘মেথর’ (যারা বিষ্ঠা পরিষ্কার করে) বলেও ডাকা হয়। ৪০ বছর বয়সী সুজন জানান, তার পূর্বপুরুষরাও তার মতো একই কাজ করতো। একই ধারায় তিনিও এই কাজ করে চলেছেন। তিনি বলেন, আমার আর কোনো কাজ করার দক্ষতা নেই। আমাকে একটা পরিবার সামলাতে হয়। সন্তানদের শিক্ষার দিক দেখতে হয়। মাস শেষে বাড়ি ভাড়াসহ বিল পরিশোধ করতে হয়। আমি জানি যে, এই কাজ আমার জন্য অসম্মান ও মর্যাদাহানি বয়ে আনে। কিন্তু, আমি এই কাজ করতে বাধ্য।
এই কাজে কৃতজ্ঞতা নেই, আছে ঝুঁকি। সমপ্রতি একটি মলশোধনী ট্যাংক পরিষ্কার করার সময় ট্যাংকটি বিস্ফোরিত হয়ে সুজনের এক বন্ধু নিহত হয়। তাদেরকে কাজ করার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও সরবরাহ করা হয় না। সুজন বলেন, আমাদেরকে শুধু কাজ করে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। তাই আমরা লোকজন ঠিক করে যত দ্রুত সম্ভব তা শেষ করার চেষ্টা করি। এসবের পাশাপাশি স্বাস্থ্যজনিত ঝুঁকি তো আছেই। সুজন বলেন, নর্দমাগুলো পচা, বিষাক্ত ময়লায় ভর্তি থাকে। সেগুলো পরিষ্কার করতে গেলে স্বাস্থ্যজনিত সমস্যায় পড়ার সম্ভাবনা ১০০ ভাগ। বিশেষ করে, চামড়াজনিত সমস্যায় ভুগতে হয় পরিষ্কারকারীদের। বেশিরভাগ সময় তারা এই সমস্যা বোঝে না। তারা হয়তো স্থানীয় মদ কিনবে, গিলবে, কিছুটা তন্দ্রাচ্ছন্ন বোধ করবে, একসময় ঘুমিয়ে পড়বে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই চিরতরে বিদায় নেবে।
বসবাসের অযোগ্য শহর: বর্তমানে ঢাকার রাস্তায় খালি রাস্তা অনেকটা অমাবস্যার চাঁদের মতো হলেও সবসময় এমনটা ছিল না। অধ্যাপক নুরুন নবী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের আগে, ’৬০-এর দশকে ঢাকার খালি রাস্তায় গাড়ি চালানো যেত। শহরের পুরাতন অংশে মোঘল আমলের খালগুলোতে মানুষজন গোসল করতে পারতো। তবে উন্নয়নের খাতিরে অনেক কিছুই পরিবর্তিত হয়েছে। খালগুলো ভরাট হয়েছে। আর এতে করে নষ্ট হয়েছে নিষ্কাশনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎসের। বিশ্বের অন্যান্য অংশের মতন, বাংলাদেশও দ্রুত ও অপরিকল্পিত নগরায়নের শিকার হয়েছে। সৌভাগ্যের খোঁজে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মানুষ রাজধানীতে পাড়ি জমিয়েছে। কিন্তু তাদের জায়গা দেয়ার মতন অবকাঠামো তৈরি হয়নি। আর ঢাকা ব্যতিত ভিন্ন শহরগুলোতে বিনিয়োগের তীব্র অভাব এই সংকট আরো প্রকট করে তুলেছে। নবী বলেন, আপনি ভারতে যান, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ। সেখানে আপনি কলকাতা, মুম্বই, চেন্নাই, হায়দ্রাবাদসহ বাস করার মতো অনেক শহর পাবেন। আপনি বেঁচে থাকতে পারবেন। কিন্তু এখানে, আমাদের কাছে এখনো (বাস করার জন্য) কেবল ঢাকাই আছে।
নবী জানান, ঢাকায় বেশ কয়েকটি সংগঠন ব্যবস্থাপনার জন্য দায়ী। আর এ কারনে ব্যবস্থাপনা মূলত বিশৃঙ্খল অবস্থায় আছে। তিনি বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব হচ্ছে প্রধান বাধাগুলোর একটি। ঢাকার জলাবদ্ধতা দূরীকরণের জন্য বর্তমানে সাতটি ভিন্ন সরকারি বিভাগ কাজ করছে। এই সংগঠনগুলো একপক্ষ অপরপক্ষের ওপর দোষ চাপানোর এক হাস্যকর খেলায় মেতে থাকে। এদের মধ্যে রয়েছেন শহরের দুই মেয়রও। গত জুলাইয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাইদ খোকন রাস্তায় হাটুপানিতে দাঁড়িয়ে বলেন, ওয়াসা(ওয়াটার সাপ্লাই এন্ড সুয়েজ অথরিটি) এর জন্য দায়ী কিন্তু তাদেরকে তেমন একটাব কাজে দেখা যায়না। পালটা জবাবে, ওয়াসা খোকনের ওপর দোষ চাপায়। অন্যদিকে, উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হক ক্রোধ নিয়ে এক সাংবাদিককে জিজ্ঞেস করে বসেন, কেউ আমাকে বলুন সমাধান কি?
ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম খান বলেন, নিষ্কাশনের প্রাকৃতিক উৎসের স্বল্পতা থাকায় সরকারকে কয়েক কিলোমিটার লম্বা পাইপলাইন ব্যবহার করে পানি শহরের বাইরে বের করতে হয়। এছাড়া তিনি জনবহুলতাকেও দোষ দেন। তিনি বলেন, আগে আমরা ৬০ লাখ মানুষের জন্য কাজ করতাম। কিন্ত এখন আমাদের ১ কোটি ৫০ লাখ মানুষের জন্য কাজ করতে হয়। আর একারণে পানি ধারনের প্রাকৃতিক উৎস ও ড্রেন সিস্টেম ধংস হয়ে যাচ্ছে। সেখানে স্থাপিত হচ্ছে বসতবাড়ি। ২০১৩ সালে ঢাকায় খাল খননের একটি চুক্তি করা হয়। তবে সে কাজে এখন পর্যন্ত তেমন অগ্রগতি দেখা যায়নি।
এদিকে, বহুদিন ধরে ভুগলেও পরিবর্তন আসছেনা ড্রেন পরিষ্কারকের ভাগ্যে। এ থেকে বোঝা যায় যে, ঢাকা শহর যত বড় হচ্ছে এখানে অসমতাও ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুজনের জানান, তার সমপ্রদায় মুসলিম ও হিন্দু উভয় ধর্মের লোক দিয়েই ভরা। তিনি বলেন, কেউ আমাদের দুর্দশার কথা শুনতে আসেনা, সাংবাদিকরাও না। তার মেয়েরা স্কুলে পড়ে। অথচ তাদেরকে বন্ধুদের কাছে বাবার পরিচয় লুকিয়ে রাখতে হয়। সুজন বলেন, আমার সন্তানেরা স্কুলে যেতে পারে। কিন্তু তাদেরকে অবশ্যই তাদের আসল পরিচয় লুকিয়ে রাখতে হয়। নয়তো তারা অপমানিত হতে পারে বা তাদেরকে সবাই এড়িয়ে চলতে পারে। সুজন বলেন, ‘পুরো সিস্টেম আমাদের বিপক্ষে। আমাদের উন্নতির বিপক্ষে, আমাদের উন্নয়নের বিপক্ষে। বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন করেছে ঠিকই, কিন্তু আমাদের সমপ্রদায়ের অবস্থার কোন পরিবর্তন হয়নি।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বরাদ্দ নেই, আটকে যাচ্ছে স্কুল-কলেজ জাতীয়করণ by নূর মোহাম্মদ

অর্থমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে সচিব বলেছেন, আসন্ন ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের জন্য ২৫ হাজার ৪৬২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা বরাদ্দের সিলিং পাওয়া গেছে। এর মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে ১৮ হাজার ৪৩০ কোটি এবং উন্নয়ন খাতে৭ হাজার ৩২ কোটি টাকা সম্ভাব্য প্রাক্কলন করা হয়েছে। তিনি জানান, আসন্ন বাজেটের মধ্যে সরকারিকরণের চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকা ৩২৯টি মাধ্যমিক স্কুল ও ২৯৯টি কলেজের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। বিষয়টি অর্থ মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সচিব লেখেন, আসন্ন বাজেটে সরকারি হওয়া ৩২৭টি স্কুলের জন্য ৩৪৯ কোটি ৪০ লাখ এবং ২৯৯ কোটি কলেজ সরকারিকরণের জন্য ৬২৬ কোটি ৩৪ লাখ ২৩ হাজার টাকাসহ মোট ৯৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ২৩ হাজার টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দের প্রয়োজন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, জাতীয়করণ হওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আসন্ন বাজেটে বরাদ্দ না পেলে পুরো প্রক্রিয়া অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যাবে। কারণ, এটি বর্তমান সরকারের শেষ বাজেট। এ ছাড়াও জাতীয়করণ হওয়া কলেজগুলো শিক্ষকদের ক্যাডার স্ট্যাটাস দেয়া না দেয়ার বিষয়টি কোর্ট পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে।
জানা গেছে, ২০১০ সালে সরকারি স্কুল ও কলেজবিহীন উপজেলায় একটি করে স্কুল ও কলেজ জাতীয়করণের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে কয়েক দফায় ৩২৯টি স্কুল ও ২৯৯টি কলেজ জাতীয়করণে সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর মাউশির কর্মকর্তারা সরজমিনে পরিদর্শন করে-স্থাবর, অস্থাবর সম্পদ, শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত তথ্যসহ আনুষঙ্গিক সকল তথ্য সংগ্রহ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে ৩৫টি স্কুল সরকারিকরণের জিও (সরকারি আদেশ) জারি হয়েছে। এর মধ্যে আটটি স্কুলে শিক্ষক-কর্মচারীর পদ সৃজন হয়েছে। তারাই শুধু সরকারি সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন। আর ৮০ স্কুল ও ২৯৯টি কলেজ সরকারি করতে অর্থ ছাড়ের সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। অর্থ মন্ত্রণালয় প্রতি বছর এক শত কলেজ জাতীয়করণের প্রস্তাব দিয়ে গত বছরের ১৪ই ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় চিঠি দিয়েছিল। তিন ধাপে জাতীয়করণ হলে অসম প্রতিযোগিতা ও ঘুষ দুর্নীতির আশঙ্কায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক সঙ্গে জাতীয়করণ করতে চিঠি দিয়েছিল অর্থ মন্ত্রণালয়ে। তাতে সম্মতি দেয়নি অর্থ মন্ত্রণালয়। আগামী অর্থ বছরের বাজেটে অর্থ বরাদ্দ না করলে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়ন না হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় অর্থ মন্ত্রণালয়কে দোষারোপ করছে।
এদিকে আত্তীকৃত কলেজ শিক্ষকদের ননক্যাডার ঘোষণা করে বিধিমালা জারির দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে বিসিএস সাধারণ শিক্ষক সমিতি। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিব ও সমিতির মহাসচিব শাইদুল খবির ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদনও করেন। রাষ্ট্রকে বিবাদী করায় জাতীয়করণের তালিকায় থাকা শিক্ষকরা পক্ষভুক্ত হন। আদালতে মামলাটি বিচারাধীন থাকায় সরকারিকরণের জিও জারি করতে পারছে না সরকার। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কলেজ সরকারি করার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কোনো সিদ্ধান্ত নিবে না বলে জানিয়েছেন সচিব মো. সোহরাব হোসাইন। ফলে জাতীয়করণের চূড়ান্ত তালিকায় থাকা কলেজের অসংখ্য শিক্ষক-কর্মচারী সুবিধা না পেয়েই অবসরে চলে যাচ্ছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাজা ভোগের ২ যুগের বেশি সময় পর নির্দোষ ঘোষণা by উৎপল রায়

গতকাল রায়ের পর কুমার দেবুল দে এই মামলার নথির বরাত দিয়ে মানবজমিনকে জানান, যশোর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ৬টি গরু আমদানির অভিযোগে ১৯৮৬ সালের ২৭শে আগস্ট তৎকালীন বিডিআরের (বর্তমান বিজিবি) একজন ল্যান্স নায়েক যশোর জেলার শার্শা থানায় আবদুল কাদের ও মফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ১৯৮৭ সালের ৩০শে মার্চ যশোরের একটি বিচারিক আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ওই দুজনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। পাশাপাশি তাদের ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন আদালত। পরে ওই বছরই তারা সাজার বিরুদ্ধে যশোরে তৎকালীন বিভাগীয় হাইকোর্ট বেঞ্চে আপিল করেন। কিন্তু পরবর্তীতে যশোর হাইকোর্ট বেঞ্চ অবলুপ্ত হলে আপিলটি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আসে। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে আইনি জটিলতায় এর শুনানি শেষ হয়নি। মামলাটিও চলে যায় হিমাগারে। এরই মধ্যে ১৯৮৯ সালে সাজার মেয়াদ শেষ হলে আবদুল কাদের ও মফিজুর রহমান কারাগার থেকে মুক্তি পান। মফিজুর রহমান ইতিমধ্যে মারা যান। কুমার দেবুল দে জানান, আসামিদের তৎপরতা না থাকা, আইনিসহ বিভিন্ন জটিলতায় এই মামলার আপিলের শুনানি ও নিষ্পত্তি তখন হয়নি। তিনি আরো জানান, সুপ্রিম কোর্টের পুরনো মামলা নিষ্পত্তির উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের শুরুতে এই মামলাটি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে পাঠানো হয়। ওই বেঞ্চ মামলার নথি পর্যালোচনা করে জানতে পারেন যে, আসামিপক্ষের আইনজীবী ইতিমধ্যে মারা গেছেন। তখন আইনজীবী নিয়োগের জন্য আসামিপক্ষকে নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশ পাঠানোর পর আবদুল কাদের সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসে যোগাযোগ করেন। এরপরই মামলার শুনানির উদ্যোগ নেয়া হয়। কুমার দেবুল দে বলেন, মঙ্গলবার শুনানি শেষে আজ (গতকাল) রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। আপিল গ্রহণ করে দুজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। আদালত বলেছেন, রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। কুমার দেবুল দে বলেন, আপিল করার ৩১ বছর পর হাইকোর্টের রায়ে দুজনই বেকসুর খালাস পেলেন। এত দীর্ঘ সময়ে এই মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইনিসহ বিভিন্ন জটিলতা তো ছিলই, আসামিরাও আপিল নিষ্পত্তির ব্যাপারে তৎপর ও উদ্যোগী ছিলেন না। যে কারণে বিচারে এই বিলম্ব হয়েছে। আবদুল কাদেরের বয়স বর্তমানে ৬৫ বছর। থাকেন যশোরের শার্শা উপজেলার হরিশচন্দ্রপুর গ্রামে। সেখানে কৃষিকাজ করেন তিনি। গতকাল তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মানবজমিনকে তিনি বলেন, ‘আইজ দুপুরে শুনছি খালাস পাইছি। খুব ভালো লাগতাছে। আমার জীবনে, কপালে যা লেখা আছিলো সেইটিই হইছে। আমি আর কারে দুষবো। আমি বইল্লে তো হবে না, আমি কিছু করতেও পারবো না। কোর্ট যেইটা ভালো মনে করে করবে। তিনি জানান, মামলার অপর আসামী তিন বছর আগেই মারা গেছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিসিটিভি ফুটেজে চার সন্দেহভাজন

মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে গুলশান কালাচাঁদপুরের মাঞ্চল স্কুল গলির ৫৮/২ সাততলা বাড়ির চতুর্থ তলা থেকে গারো সম্প্রদায়ের দুই নারী বেশেথ চিরান (৬৫) ও তার মেয়ে সুজাতা চিরান (৪৩) এর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সুজাতার স্বামী আশীষ মানকিন বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলা নম্বর-২৫। মামলাটি থানা পুলিশের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে তদারকি করা হচ্ছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই মোশারফ হোসেন জানান, বাড়ির নিচতলায় থাকা ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, বিকাল ৪টার দিকে সুজাতের বোনের ছেলে সঞ্জিব চার ব্যক্তিসহ বাসায় এসেছিলেন। তারা বেরিয়ে যাওয়ার পর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা জানাজানি হয়। পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে মা-মেয়ের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। নিহত সুজাতার বোনের ছেলে সঞ্জিবকে ধরতে পারলেই এ হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য জানা যাবে। তিনি জানান, এ ঘটনায় পরিবারের অন্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের কাছে হত্যাকাণ্ডের কয়েকটি ক্লু পাওয়া গেছে।
নিহত সুজাতার মেয়ে মায়াবী চিরান মানবজমিনকে জানান, বছর খানিক আগে শহরে কাজের সন্ধানে এসে খালা সুজাতার বাসায় থাকতেন সঞ্জিব। মাস কয়েক আগে তার চাকরি চলে গেলে শ্বশুর বাড়ি শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি থানার দেফলাইএ থাকতেন। মাঝখানে দীর্ঘদিন খালার সঙ্গে সঞ্জিবের তেমন কোনো যোগাযোগ ছিল না।
তিনি জানান, তারা তিন বোন ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। ঘটনার সময় তাঁরা নিজ নিজ কর্মস্থলে ছিলেন। সুজাতের স্বামী আশিষ মানকিনও সেসময় নিজ কর্মস্থলে ছিলেন বলে জানান মায়াবী। সুজাতের একমাত্র ছেলে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে নিজ গ্রামে থাকেন। গুলশানের একটি কসমেটিকের দোকানে বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ করেন মায়াবী। মায়াবীর স্বামী প্যালেস্তার দারিং কাজের সুবাদে মালিকের বাসায় থাকেন। ঘটনার দিন বিকাল ৬টা ৩০ মিনিটে মেয়েকে নিতে এসে বাসায় প্রবেশ করে শাশুড়ির মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে একই সঙ্গে মায়াবীর মেয়েকে পাশের একটি খাটের ওপর শোয়া অবস্থায় দেখেন। এ সময় বাসার আসবাবপত্র ছড়ানো ছিটানো এবং আলমিরা ও ওয়ারড্রপের তালা ভেঙ্গে তার ভেতর থাকা টাকা পয়সা নিয়ে সন্দেহভাজনরা পালিয়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত সুজাতা বাসাবাড়ির কাজ করতেন। গৃহকর্তার আচরণ খারাপ হওয়ায় ৪-৫ দিন আগে হঠাৎ করে বাসার কাজ ছেড়ে দেয়। দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে মেজো সুজাতা।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন দুপুরে আনুমানিক ২টা ৭ মিনিটে সুজাতার বোনের ছেলে সঞ্জিব তার এক বন্ধুকে নিয়ে সুজাতার বাসায় প্রবেশ করে। ঠিক তার ৩০ মিনিট পর তার আরো দুই বন্ধুকে নিয়ে বাসায় প্রবেশ করে। বাসার সিসি টিভির ফুটেজ অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে বাসা থেকে বেরিয়ে যায় তারা।
সূত্র জানায়, সঞ্জিব যখন বাসায় আসে তখন সুজাতের দুই মেয়ে বাসায় ছিল। দুপুরের পর তারা কাজে যাওয়ার সময় সঞ্জিত ও তার বন্ধুরা বাসায় ছিল। ধারণা করা হচ্ছে তারাই দুজনকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। ওই বাসার নিচে যে সিসি ক্যামেরায় ফুটেজ দেখা গেছে সেই ফুটেজে তাদের ছবি স্পষ্ট দেখা গেছে। ঘটনার পরই নিহতের পরিবারের সদস্যরা সঞ্জিবকে ফোন দিলে সঞ্জিব তাদের জানায়, সে তার বন্ধুদের সঙ্গে শেরপুর আছে। এরপর থেকে সঞ্জিবের মুঠোফোন আর খোলা পাওয়া যায় নি। কিছুদিন আগে সঞ্জিব তার নানী বেশেথ চিরানের কাছে টাকা চেয়েছিল কিন্তু বেশেথ তাকে টাকা দেয়নি। ওই ঘটনায় সঞ্জিবের ক্ষোভ থাকতে পারে জানা গেছে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে নিয়ে নিহতের শেষকৃত্য হবে।
নিহতদের লাশের ময়নাতদন্তকারী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক ডা. প্রদীপ বিশ্বাস জানান, নিহত সুজাতার শরীরে মোট ১৪টি ধারলো অস্ত্রের আঘাত পাওয়া গেছে। এর মধ্যে গলার আঘাত ছিল গুরুতর। তিনি আরো জানান, বেশেথ চিরানের শরীরে কোনো ধারালো অস্ত্রের চিহ্ন পাওয়া যায় নি। তবে তার শরীরে অক্সিজেনের অভাব পাওয়া গেছে। প্রথমিক পর্যায়ে নিতহদের ভিসারা, এইচভিএস ও রক্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। এগুলো দিয়ে মাইক্রোবায়োলজিকাল ও ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্যাসের দাম বাড়ানোর তোড়জোড় by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচনী কার্যক্রমকে ডিজিটাল করতে ইসির পরিকল্পনা by সিরাজুস সালেকিন

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নৌকায় ভোট দিন, আমরা উন্নয়ন দেবো by কাজী সোহাগ

জনসভায় দেয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বলেন, আপনারা নৌকায় ভোট দিন, আমরা আপনাদের উন্নয়ন দিতে পারবো। তিনি বলেন, আপনাদের জন্য আমি যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত। যেভাবে আমার পিতা আপনাদের জন্য জীবন দিয়ে গেছেন, প্রয়োজনে বুকের রক্ত দিয়েও আপনাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে আপনাদের সুন্দর জীবন দেবো। তিনি বলেন, আমি আপনাদের কাছে দোয়া চাই। আমি আপনাদের কাছে আশীর্বাদ চাই। আমার রাজনীতি জনগণের কল্যাণের জন্য। আমার রাজনীতি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। আমি আপনাদের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চাই। যদি নৌকা মার্কায় ভোট পাই, আমরা যদি আগামীতে ক্ষমতায় আসি তাহলে আমাদের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা থাকবে। আজকে আমরা দেশের উন্নতি করছি কাদের স্বার্থে? আপনাদের স্বার্থে। একমাত্র নৌকা মার্কায় ভোট দিলে দেশের উন্নতি হবে। কাজেই আমি আপনাদের কাছে ওয়াদা চাই- আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আগামীতে আবারও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে সাহায্য করবেন কি না। আমাকে হাত তুলে ওয়াদা করেন। এ সময় জনসভায় উপস্থিত সকলেই হাত তুলে ওয়াদা করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আপনাদের কাছ থেকে সব সময় সহযোগিতা পেয়েছি। স্বজন হারানো বেদনা নিয়ে যখন এসেছি আপনাদের মাঝেই পেয়েছি বাবার স্নেহ, হারানো মায়ের স্নেহ, হারানো ভাইয়ের স্নেহ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। এই দেশ জাতির পিতা স্বাধীন করে গেছেন। আজ আমরা উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছি। বিশ্ব সভায় আজকে আমরা মাথাউঁচু করে চলতে পারি। কারও কাছে হাত পেতে নয়। কেউ মিথ্যা অপবাদ দিতে পারবে না। আপনারা জানেন, পদ্মা সেতু নিয়ে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছিলো ওয়ার্ল্ড ব্যাংক। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলাম। এবং বলেছিলাম, নিজের অর্থে আমরা পদ্মা সেতু করবো। যে কথা বলেছিলাম সে কথা রেখেছি। আজকে নিজের অর্থায়নে আমরা করে যাচ্ছি। কাজেই আমরা দেশকে উন্নয়ন করতে চাই। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন,আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি। ভাইদের হারিয়েছি। আমার ছোট বোন রেহানা আর আমি বিদেশে ছিলাম। আর বিদেশে ছিলাম বলেই আমরা বেঁচে গিয়েছি। একজন আপনজনও যদি আপনারা হারান সেই কষ্ট কি সইতে পারেন? পারেন না। আর একইদিনে আমি মা-বাবা, আমার তিনটা ভাই, ছোট্র রাসেল, একমাত্র চাচা, মেজো ফুপু, সেজো ফুপু, ছোট ফুপু প্রত্যেকের বাড়ি আক্রমণ করে প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছে। ছয়টা বছর দেশে ফিরতে পারিনি। বিদেশের মাটিতে থাকতে হয়েছে। আসতে দেয়নি জিয়াউর রহমান। দেশে আসতে বাধা দিয়েছে। ৮১ সালে আওয়ামী লীগ আমাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করেছে। তখন আমি জনগণের সমর্থন নিয়ে দেশে ফিরেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার একটাই কাজ, একটাই চিন্তা, এই দেশ আমার পিতা স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। এদেশের মানুষের জন্য বুকের রক্ত দিয়ে গেছেন আমার মা। বুকের রক্ত দিয়েছেন আমার বাবা, আমার ভাইয়েরা। আমি চাই, এই স্বাধীন বাংলাদেশ উন্নত হবে। প্রতিটি মানুষ পেট ভরে ভাত খাবে। প্রতিটি মানুষের বাসস্থান হবে। প্রতিটি মানুষ চিকিৎসা পাবে। প্রতিটি মানুষ শিক্ষা পাবে। প্রতিটি মানুষ উন্নত জীবন পাবে। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমি কাজ করি। আমার জীবনে কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। আমার একটাই লক্ষ্য-আমার বাংলার মানুষ একেবারে শহর থেকে গ্রামপর্যায় পর্যন্ত যে মানুষগুলো বসবাস করে তারা সুন্দর জীবন পাবে, উন্নত জীবন পাবে। সুন্দরভাবে বাঁচবে সেটাই আমার লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোটা ব্যবস্থা রাখতেই হবে। কারণ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। আমরা দুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। তাদের বিশেষ সম্মানে সম্মানিত করেছি। এ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কারণেই স্বাধীনতা পেয়েছি। এ কথা ভুললে চলবে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাজই তাদের (মুক্তিযোদ্ধা) আমাদের সম্মান দিতেই হবে। তাদের ছেলে, মেয়ে, নাতি, পুতি পর্যন্ত যেন চাকরি পায়, তার জন্য কোটার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। আর যদি কোটায় না পায়, তাহলে ইউনিভার্সিটির যারা মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী তাদের দেয়া যাবে। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আমাদের এ বিশেষ ব্যবস্থা করতেই হবে। তিনি বলেন, তাদের (মুক্তিযোদ্ধা) আত্মত্যাগের কারণেই তো আজকের চাকরির সুযোগ। আজকের স্বাধীনতা, আজকের মানুষের উন্নয়ন। যদি দেশ স্বাধীন না হতো তাহলে কোনো উন্নয়নও হতো না, কারও চাকরি হতো না। কেউ কোনো উচ্চপদে যেতে পারতো না। এ কথা আমাদের ভুললে চলবে না। আমরা চাই, দেশ এগিয়ে যাক। চট্টগ্রামবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ২৮টি প্রকল্প উদ্বোধন করে গেলাম। আরও কিছু প্রকল্পের কাজ চলছে। আরো কিছু প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। এই উন্নয়নগুলো আপনাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজে লাগবে। কক্সবাজার পর্যন্ত চার লেন করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দরে আমরা উড়াল সেতু করে দিচ্ছি। কর্ণফুলী তৃতীয় সেতু করে দিচ্ছি। বিএনপি-জামায়াতের সমালোচনা করে বলেন, আমরা উন্নয়ন করি। আর বিএনপি-জামায়াত জোট মিলে দেশকে পিছিয়ে দেয়। বিগত নির্বাচন ঠেকানোর নামে খালেদা জিয়ার নির্দেশে পুড়িয়ে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করা হয়েছে। খালেদা ও তার দুই ছেলে কালো টাকা সাদা বানিয়েছে। তাদের পাচারের টাকা বিদেশে ধরা পড়েছে। তিনি বলেন, কোরআন শরীফে লেখা রয়েছে, এতিমের হক মেরো না। সেই নির্দেশ না মেনে এতিমের টাকা না দিয়ে সব টাকা মেরে দিয়েছে খালেদা জিয়া। এই মামলা দিয়েছে কারা? এটা দিয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। কোর্ট রায় দিয়েছে। কোর্টের রায়ও তারা মানে না। তারা আইন মানবে না কানুন মানবে না। জনগণের টাকা মেরে খাবে।
সভায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য মোশাররফ হোসেন ও প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বক্তব্য রাখেন। জনসভা সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আবদুছ ছালাম, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন প্রমুখ। এর আগে সকাল থেকেই আশপাশের উপজেলা থেকে ঢাক-ঢোল বাজিয়ে জনসভায় আসতে শুরু করে স্থানীয় নেতাকর্মীরা। শেখ হাসিনার আগমনী বার্তায় রাজপথ ভরে ওঠে। নেতাকর্মীদের মুহুর্মুহু স্লোগানে প্রকম্পিত হয় পুরো এলাকা। তীব্র রোদ উপেক্ষা করে বিদ্যালয় মাঠে অবস্থান নেন জনসভায় যোগ দিতে আসা নেতাকর্মীরা। দুপুর ১২টার মধ্যেই জনসভাস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। প্রায় ১৭ বছর পর চট্টগ্রামের পটিয়ায় আসেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার এটাই প্রথম পটিয়া সফর। প্রায় ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে পটিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও ব্যয়বহুল ৮০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩২ ফুট প্রস্থের নৌকা আকৃতির মঞ্চ নির্মাণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর আগমনের উৎসবে পিছিয়ে ছিলেন না আগামী সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীরাও। সড়কের মোড়ে মোড়ে এমপি হিসেবে দেখতে চাই লেখা তোরণ ও বিলবোর্ডও ছিলো চোখে পড়ার মতো। এদিকে কড়া নিরাপত্তায় পটিয়ার জনসভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পটিয়ার হেলিপ্যাড থেকে সমাবেশস্থল পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার সড়কজুড়ে ছিলো চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনী। হেলিকপ্টারযোগে সমাবেশস্থলে যোগ দিলেও সড়কপথে প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা রাখা ছিলো। নৌবাহিনীর ঈশা খাঁ ঘাঁটি থেকে কাস্টমস বন্দর ভবন কোতোয়ালি ফিরিঙ্গীবাজার-নতুনব্রিজ-মইজ্জ্যার টেক হয়ে পটিয়া পর্যন্ত সড়কপথেও ছিলো কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। হেলিপ্যাড থেকে সমাবেশস্থল পর্যন্ত মোতায়েন ছিলো নয় হাজার পুলিশ সদস্য। একই সঙ্গে লাগানো হয় ৫০টি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা। পটিয়ার কচুয়া ইউনিয়নের ফকিরপাড়ায় তৈরি করা অস্থায়ী হেলিপ্যাডে অবতরণের পর দেড় কিলোমিটার সড়কপথ পেরিয়ে সমাবেশস্থলে যান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সড়কের দুই পাশে পাঁচশ’ পুলিশের নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনী থাকে। সমাবেশস্থলে প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চকে ঘিরে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে প্রথম স্তরে এসএসএফ, দ্বিতীয় স্তরে পিজিআর, তৃতীয় স্তরে পুলিশ ও চতুর্থ স্তরে সাদাপোশাকের পুলিশ মোতায়েন ছিলো। আশেপাশের ভবনগুলোতেও রাখা হয় পুলিশি প্রহরা। ঢাকা থেকে আনা ৫০টি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা (সিসি ক্যামেরা) লাগানো হয় সমাবেশস্থলে। পটিয়া কলেজের লাইব্রেরিতে বসে সিসি ক্যামেরা মনিটরিং করা হয়। গেটে বসানো হয় আর্চওয়ে ও আর্চওয়ে মেটাল ডিটেকটর।
বিএনএ বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স উদ্বোধন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল চট্টগ্রামের নৌবাহিনী একাডেমিতে বিএনএ বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করেছেন। এটি দেশের নৌবাহিনীর জন্য প্রথম সকল আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ একাডেমি। কর্ণফুলী নদীর মোহনা এবং বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী এই একাডেমিতে নির্মিত অত্যাধুনিক বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্সটি আধুনিক স্থাপত্যকলার এক অনন্য নিদর্শন। জাহাজের আদলে নির্মিত এই কমপ্লেক্সের সামনে ৪১ ফুট উঁচু ব্রোঞ্জ নির্মিত বঙ্গবন্ধুর একটি আবক্ষ মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। ১৮ ফুট প্রতিকৃতিকে ২৩ ফুট উঁচু কালো বেদির ওপর স্থাপন করা হয়েছে। যা দেখলে মনে হবে বঙ্গবন্ধু সুদূর সমুদ্র পানে তাকিয়ে আছেন। ১৬টি ভবনের সমন্বয়ে গড়ে তোলা এই কমপ্লেক্সে একাডেমিক এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালানোর পাশাপাশি আবাসিক সুবিধা রয়েছে। এতে ওয়ার্ডরুম, প্যারেড গ্রাউন্ড, সুইমিং পুল, বোট পুল এবং অন্যান্য সুবিধাদি রাখা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে কমপ্লেক্সটি গড়ে তুলতে এখানে সিম্যানশিপ, এন্টিসাবমেরিন, যুদ্ধাস্ত্র এবং কমিউনিকেশন মডেল রুম, চার্ট রুম, লাইব্রেরি, কম্পিউটার এবং ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, আধুনিক মিলনায়তন এবং সাত ধরনের বিভিন্ন ল্যাবরেটরি রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালের ২৯শে ডিসেম্বর এই কমপ্লেক্সটি নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রী এখানে নৌবাহিনীর ক্যাডেট, মিডশিপম্যান এবং নৌবাহিনী স্কুল ও কলেজের পরিবেশনায় একটি মনোজ্ঞ ডিসপ্লেও উপভোগ করেন।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, সরকারের পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ, নৌবাহিনীর ক্যাডেট ও মিডশিপম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নৌবাহিনী একাডেমিতে পৌঁছলে তাঁকে নৌবাহিনী প্রধান চিফ এডমিরাল মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন আহমেদ স্বাগত জানান।
সমুদ্র সম্পদকে দেশের কল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দক্ষতার সঙ্গে বিপুল সমুদ্র সম্পদ আহরণের মাধ্যমে কাজে লাগানোর জন্য বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের ফলে আমরা অর্জন করেছি প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ বিশাল এক সমুদ্র এলাকা। এই বিস্তৃত সমুদ্র সম্পদকে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজে লাগাতে নৌবাহিনীকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। দেশের ব্লু ইকোনমি’র বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে।’ গতকাল দুপুরে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ নেভাল একাডেমির বানৌজা ঈসা খাঁ প্যারেড গ্রাউন্ডে বিএন ডকইয়ার্ডকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান এবং বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ আহ্বান জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, বিএন ডকইয়ার্ডের এ অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আজ ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান করা হলো, যা নৌবাহিনীর ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জল অধ্যায় হয়ে থাকবে। বিএন ডকইয়ার্ডের এ কৃতিত্বের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানান। এরআগে প্রধানমন্ত্রী ডকইয়ার্ডে পৌঁছলে তাঁকে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন আহমেদ এবং ডকইয়ার্ডের কমোডর সুপারিন্টেন্ডেন্ট কমোডর মনিরুল হক তাঁকে স্বাগত জানান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য খালেদার মুক্তি ও সংলাপ প্রয়োজন -কূটনীতিকদের বিএনপি

গণতন্ত্রহীন দেশে উন্নয়নশীল তকমা অর্থহীন: মওদুদ
কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, যেখানে গণতন্ত্র নেই, সেখানে উন্নয়নশীল দেশ অর্থহীন। দেশে একলাখ নতুন বেকার হয়েছে। গত নয় বছরে দুর্নীতি হয়েছে সীমাহীন। সরকারের কোনো জবাবদিহিতা নেই। আজকে কিছু মানুষের হাতে অনেক টাকা, আর কিছু মানুষ আরো দরিদ্র হচ্ছে। আগামী নির্বাচন সম্পর্কে ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, বিএনপি আগামীতে এমন একটা নির্বাচন চায়, যে নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করতে পারবে। সবাই সমান সুযোগ-সুবিধার অধিকারী হবে। আর বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলে গণতন্ত্র ফিরে আসবে। সারা দেশে প্রধানমন্ত্রীর সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় খরচে সকল সুযোগ-সুবিধা নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে পড়েছেন। তিনি মানুষের কাছে ভোট চাইছেন। একই সঙ্গে উন্নয়নমূলক অনেক প্রকল্প উদ্বোধন করছেন। এসব অনৈতিক ও নির্বাচনীবিধি বহির্ভূত। কারণ নির্বাচনীবিধিতে আছে নির্বাচনের সময় কোনো উন্নয়নমূলক কাজ বা প্রতিশ্রুতি কেউ ভোটারদের দিতে পারবেন না। প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই ভোট চাইতে পারেন। যদি তিনি আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবে জনসভা করতেন। নিজস্ব খরচে যদি জনসভা করতেন। সেখানে সরকারের সব সুযোগ সুবিধাগুলো না নিতেন। কিন্তু এখানে সেটা হয়নি। ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, একদিকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন, অন্যদিকে তার বড় প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখেছেন। সারা দেশের মানুষ জানে খালেদা জিয়া সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী। খালেদা জিয়া যতবার নির্বাচন করেছেন ততবার জয়লাভ করেছেন। এক্ষেত্রে জনপ্রিয়তার দিক থেকে প্রধানমন্ত্রীর তুলনায় খালেদা জিয়ার রেকর্ড অনেক ভালো। সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনকে জেলে রাখবেন। একটা দলকে একেবারে কোনো সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে না। নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হবে। একটি ছোট্ট ঘরোয়া বৈঠকও করতে দেয়া হবে না- এটা তো হতে পারে না। তিনি বলেন, আজকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সব দল জনসভা করছে। এমনকি ছোট ছোট রাজনৈতিক দলগুলোও ওখানে সভা করার অনুমতি পাচ্ছে। তাতে তাদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু বিএনপিকে কেন করতে দেয়া হচ্ছে না। নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধে সরকারকে চিঠি না দেয়ায় নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করেন প্রবীণ এ রাজনীতিক। তিনি বলেন, আজকে যদি নির্বাচন কমিশন সত্যিকারের অর্থে নিরপেক্ষ হতো তাহলে সরকারকে চিঠি দিতো। সংবিধানে তো এটা লেখা নেই যে সরকারকে তারা চিঠি দিতে পারবে না। তারা চিঠি লিখে সরকারের দৃৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে। এ সময় বিএনপিকেও নির্বাচনী প্রচারণার সুযোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া যাতে মানুষের কাছে যেতে পারে সেটা আশা করি। এ সুযোগ থেকে বিএনপি বঞ্চিত হলে তা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী হবে। এটা দেশের জন্য মঙ্গলজনক নয়। কূটনীতিকদের ব্রিফে সৌদি আরব, সুইজারল্যান্ড, সুইডেন, স্পেনের রাষ্ট্রদূত, অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, জাপান, নেদারল্যান্ডসের ডেপুটি রাষ্ট্রদূত, নরওয়ে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, ইউএস এইডের কান্ট্রি ডিরেক্টরসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন। অন্যদিকে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা রিয়াজ রহমান, সাবিহউদ্দিন আহমেদ, বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, ফাহিমা নাসরিন মুন্নী, নির্বাহী সদস্য তাবিথ আউয়াল কূটনীতিকদের ব্রিফে অংশ নেন। এর আগে একইদিন বেলা সোয়া ১১টার দিকে ভারতের একটি মিডিয়া টিমের সঙ্গে এক ঘণ্টার বৈঠক করেছেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ইসমাইল জবিউল্লাহ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি: প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা আজ

শিল্পকলা একাডেমি ও মৎস্য ভবন সংলগ্ন সমবেত স্থল থেকে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয় বিদ্যুৎ বিভাগ এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা শিল্পকলা একাডেমি-মৎস্য ভবন-কদম ফোয়ারা-প্রেস ক্লাব-পল্টন-বাইতুল মোকাররম হয়ে স্টেডিয়ামের উত্তর গেট (মশাল গেট) দিয়ে প্রবেশ করবেন। শিশু একাডেমি ও দোয়েল চত্বর সংলগ্ন এলাকার সমবেত স্থল থেকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়, অর্থ বিভাগ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ, সুরক্ষা সেবা বিভাগ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, আইন ও বিচার বিভাগ, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা শিশু একাডেমি-আব্দুল গণি রোড-জিপিও হয়ে বঙ্গবন্ধু পশ্চিম গেট দিয়ে প্রবেশ করবেন।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট সংলগ্ন এলাকার সমবেত স্থল থেকে স্থানীয় সরকার বিভাগ, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান-মৎস্য ভবন-কদম ফোয়ারা প্রেস ক্লাব-পল্টন-হয়ে স্টেডিয়ামের উত্তর গেট (মশাল গেট) প্রবেশ করবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জিমনেশিয়াম মাঠ ও সংলগ্ন এলাকার সমবেত স্থল থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর-সংস্থাসমূহ দোয়েল চত্বর-আব্দুল গণি রোড-জিপিও হয়ে স্টেডিয়ামের পশ্চিম গেটে প্রবেশ করবেন। এ ছাড়া নগর ভবন এলাকা থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা নগর ভবন-গোলাপশাহ মাজার-গুলিস্তান মোড়-রাজউক মোড় হয়ে স্টেডিয়ামের পূর্ব গেট দিয়ে প্রবেশ করবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক চত্বর এলাকা থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশ ব্যাংক চত্বর-দৈনিক বাংলা মোড় হয়ে স্টেডিয়ামের পূর্ব গেটে প্রবেশ করবেন। রমনা পার্কের দক্ষিণ-পূর্ব অংশ এলাকা দিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন মৎস্য ভবন-কদম ফোয়ারা-প্রেস ক্লাব-পল্টন-বাইতুল মোকাররম হয়ে-উত্তর গেট (মশাল গেট) এবং শিল্প ভবন চত্বরে সমবেত স্থল থেকে শিল্প মন্ত্রণালয় এবং আওতাধীন সংস্থাসমূহ শিল্প ভবন স্টেডিয়ামের পূর্ব গেট দিয়ে প্রবেশ করবেন। ডিএমপির নির্দেশনায় বলা হয়েছে র্যালিতে সমবেত হওয়া এবং নয়টি স্থান হতে র্যালি যোগে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করার কারণে আজ বেলা ২টা হতে ৬টা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম এবং চতুর্দিকের বর্ণিত রাস্তাসমূহে সাধারণ যানবাহন চলাচলে সমস্যা হবে। যানজট এড়িয়ে নির্বিঘ্নে র্যালি গমনের উদ্দেশ্যে উক্ত সময় শাহবাগ, কাকরাইল মসজিদ, নাইটেংগেল, ফকিরাপুল, শাপলা চত্বর, গুলিস্তান, ফুলবাড়ীয়া, চানখারপুল, বকশিবাজার, পলাশী, নীলক্ষেত অঞ্চল দিয়ে র্যালি এলাকায় গাড়ি প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের জন্য ডাইভারশনের প্রয়োজন পড়বে। সর্বসাধারণকে নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া গাড়ি নিয়ে র্যালি এলাকা এড়িয়ে চলার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে ডিএমপির পক্ষ থেকে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'ইসরাইল থেকে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি সরানোর ষড়যন্ত্র বানচাল করেছে ইরান'
তিনি বলেছেন, দায়েশ বা আইএসআইএল (আইএস)-এর মত সন্ত্রাসী নানা গোষ্ঠী গড়ে তুলে সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে দিয়ে ও মধ্যপ্রাচ্যে বিভেদ সৃষ্টির মাধ্যমে দখলদার ইসরাইলের দিক থেকে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি সরিয়ে নেয়ার ষড়যন্ত্র করেছিল মার্কিন সরকার। কিন্তু বিগত ফার্সি বছরে (১৩৯৬ সাল তথা ২০১৭ সালের মার্চের শেষ দিক থেকে ২০১৮ সালের ২০ মার্চ) তাকফিরি-ওয়াহাবি সন্ত্রাসীদের কোমর ভাঙ্গার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে ইসলামী ইরান ওই ষড়যন্ত্র বানচাল করে দিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যকে অনেকাংশে সন্ত্রাসমুক্ত করতে সক্ষম হওয়ায় বিশ্বে ইসলামী ইরানের পরাক্রম ও মর্যাদা বেড়েছে বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন।
ফার্সি নববর্ষ ১৩৯৭’র প্রথম দিনে ইরানের মাশহাদ শহরে বিশ্বনবী (সা)’র পবিত্র আহলে বাইতের সদস্য হযরত ইমাম রেজা (আ)’র পবিত্র মাজারে এক বিশাল জনসমাবেশে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, মার্কিন সরকার মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় না অথবা তা করতে সক্ষম নয়।
মার্কিন সরকারসহ পশ্চিমা সরকারগুলো প্রায় দেড় দশক ধরে আফগানিস্তানে সেনা মোতায়েন রেখেও দেশটিতে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি, বরং তারা সেখানকার নিরাপত্তা অতীতের চেয়েও দুর্বল করেছে বলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, মার্কিন সরকার দাবি করে যে দায়েশ দমনে তারা ভূমিকা রাখছে। কিন্তু এ দাবি পুরোপুরি মিথ্যা। কারণ, মার্কিন নীতি হল দায়েশ বা এ জাতীয় গোষ্ঠীগুলোকে টিকিয়ে রাখা এবং তাদেরকে সব সময় অনুগত দাসের মত ব্যবহার করা।
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় ইরানের সাম্প্রতিক ধারার নানা সাফল্য অব্যাহত থাকবে এবং এ অঞ্চলে ইরানের সব লক্ষ্যই পূরণ হবে, অন্যদিকে মার্কিন লক্ষ্যগুলোর একটিও বাস্তবায়িত হবে না বলে আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী ভবিষ্যদ্বাণী করেন।
মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের নানা অঞ্চলে ইসলামী ইরানের সক্রিয় উপস্থিতিতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সাম্রাজ্যবাদী পশ্চিমা শক্তিগুলোর গাত্রদাহের কথা তুলে ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেছেন, ইরান নানা দেশের নিরাপত্তা আর মানবিক সহায়তায় ভূমিকা রাখছে সেখানকার জনগণ ও সরকারের সাহায্যের আবেদনে সাড়া দিয়ে এবং এসব দেশে ইরানের এই ভূমিকা খুবই যৌক্তিক ও হস্তক্ষেপকামীতা, বলদর্পিতা আর আবেগ-প্রবণতা থেকে পুরোপুরি মুক্ত। আঞ্চলিক ও প্রতিবেশী দেশগুলোর বিষয়ে ইরানের সম্পর্ক ও ভূমিকার ব্যাপারে দূরবর্তী অঞ্চলের হস্তক্ষেপকামী পশ্চিমা শক্তিগুলোর নাক গলানোর প্রতিবাদ জানিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা বলেন, এ বিষয়ের সঙ্গে তোমাদের কোনো সম্পর্কই নেই।
তিনি ইসলামী ইরানের নানা সাফল্য ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বলেন, এমন কোনো সমস্যা নেই যা ইরানের বিপ্লবী যুব সমাজ বাইরের সহায়তা ছাড়াই সমাধান করতে সক্ষম নয়। তিনি এ প্রসঙ্গে প্রতিভাবান ইরানি যুব সমাজকে আরও ভালোভাবে ও সর্বোচ্চ মাত্রায় কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
ইসলামী বিপ্লবের সুবাদে ইরান বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে স্বাধীন দেশ বলে আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী মন্তব্য করেন। ইসলামী বিপ্লবের আগে বিদেশী শক্তিগুলোই ইরানে পছন্দের ব্যক্তিদেরকে ক্ষমতায় বসাত বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন।
ইরানে ইসলামী নীতিমালার আলোকে প্রণীত সংবিধানের আলোকে ভিন্নমতের স্বাধীনতা ও বাক-স্বাধীনতাও রয়েছে বলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা উল্লেখ করেন।
তিনি ইরানের বিচার বিভাগের নানা সাফল্য তুলে ধরে দেখান যে ইসলামী বিপ্লবের আগের তুলনায় ইরানে শ্রেণী-বৈষম্য ও দারিদ্র বিপুল মাত্রায় কমে গেছে। তবে দুর্নীতি দূর করা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য আরও অনেক কাজ করা উচিত বলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য-সেবার ক্ষেত্রে ইসলামী ইরান অন্য অনেক দেশের চেয়ে অনেক বেশি ভালো অবস্থায় রয়েছে।
ইরানের শত্রুরা নানা প্রচারণার মাধ্যমে ইরানিদেরকে হতাশ করার চেষ্টা করছে, কিন্তু ইসলামী এই দেশটির জাতীয় উৎপাদনের রেকর্ড সন্তোষজনক বলে সর্বোচ্চ নেতা মন্তব্য করেন।
ইরানের বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস সম্পদ থাকা সত্ত্বেও দেশটির অর্থনীতিকে তেল-নির্ভরতা থেকে মুক্ত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, তেল যেন আমাদের নিয়ন্ত্রণ না করে, বরং আমরাই তেলকে নিয়ন্ত্রণ করব।
ইরানের দেশীয় পণ্য ব্যবহার ও জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়ে সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে প্রবল অনুরাগ থাকা উচিত বলে আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী জোর দেন। ইরানি পণ্য রপ্তানি জোরদারে কূটনীতিবিদদের ভূমিকা রাখতে হবে বলে তিনি জোর দিয়ে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জরুরি নয় এমন কোনো পণ্য যাতে আমদানি করা না হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
March
(1701)
-
▼
Mar 22
(24)
- অবশেষে সিরিয়ার পারমাণবিক চুল্লী ধ্বংসের স্বীকারোক্...
- দিনমজুর তৈয়ব যেভাবে ইয়াবা ব্যবসায়ী
- সীমান্তে নজরদারি কড়াকড়ি করবে ভারত
- সৌদিতে সিলেটের রিপার আকুতি: আমাকে বাঁচাও- নতুবা নি...
- উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্ব বেশি -বিবিএসের শ্রম...
- এক বছরে ১০,০০০ কোটি টাকার মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানি...
- টার্গেট চাপে অস্বস্তিতে ব্যাংকাররা by রোকনুজ্জামান...
- সৌদিতে পাসপোর্ট বিড়ম্বনায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি by ...
- চীনের চাওয়া: বাংলাদেশের নির্বাচন -নবনিযুক্ত রাষ্ট্...
- অকার্যকর মেগা সিটি -গার্ডিয়ানের রিপোর্ট
- বরাদ্দ নেই, আটকে যাচ্ছে স্কুল-কলেজ জাতীয়করণ by নূর...
- সাজা ভোগের ২ যুগের বেশি সময় পর নির্দোষ ঘোষণা by উৎ...
- সিসিটিভি ফুটেজে চার সন্দেহভাজন
- গ্যাসের দাম বাড়ানোর তোড়জোড় by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
- নির্বাচনী কার্যক্রমকে ডিজিটাল করতে ইসির পরিকল্পনা ...
- নৌকায় ভোট দিন, আমরা উন্নয়ন দেবো by কাজী সোহাগ
- সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য খালেদার মুক্তি ও সংলাপ প্রয়...
- উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি: প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা আজ
- 'ইসরাইল থেকে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি সরানোর ষড়যন্ত্র বান...
- নিউটন ও ডারউইনের পাশে সমাহিত হবেন হকিং
- মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বিষয়ে জা...
- শিশুপার্কের ফলক থেকে মুছে যাচ্ছে জিয়ার নাম
- মৌলভীবাজার বিএনপিতে ঐক্যের সুর by ইমাদ উদ দীন
- ‘বিশ্রাম নিতে’ পদত্যাগ করেছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট
-
▼
Mar 22
(24)
-
▼
March
(1701)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...