Saturday, July 19, 2014
রানা প্লাজা-তহবিল আছে ক্ষতিপূরণ দেয়া হচ্ছে না by আলী ইদরিস

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খেলা এবং খেলা by ড. মাহফুজ পারভেজ
বাংলাদেশে আবেগ ও উত্তেজনার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে নেশা ধরিয়ে দেয়া এক অতি সহজ ব্যাপার। রাজনীতি থেকে খেলা বা গুজবে এদেশে মানুষ উত্তেজিত হয়ে ওঠে। ঘরে ভাত নেই, পরনে কাপড় নেই, তবু ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার পতাকা মাথায় পাগড়ির মতো বেঁধে পথে পথে নাচছে, এমন লোকের অভাব এদেশে নেই। এমনই হলো এদেশের অবস্থা। খেলার উত্তেজনায় দেশের বাইরে গাজায় কি হলো বা আমাদের নিজের দেশ সমুদ্রসীমায় কি পেলো বা হারালো, দক্ষিণ তালপট্টি নিয়ে কি হলো, সেসবও জানার ফুরসত নেই কারও। প্রয়োজনও নেই অনেকের। এমনই এক দেশদর্শিতায় চলছে সবাই।

সমাজবিজ্ঞানীরা হয়ত গবেষণা করে অতি-আবেগ, অতি-উগ্রতার ব্যাখ্যা করতে পারবেন। বলতে পারবেন, কেন এদেশের মানুষ, বিশেষত তরুণ সমাজ আবেগ ও উত্তেজনার নেশায় মাতাল হয়ে ওঠে। যুক্তি ও আবেগের মধ্যে বিরাট ফারাক এদেশে সব সময়ই দেখা যাচ্ছে। ‘ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না’, এ তত্ত্ব এদেশে মানা হয় না। এদেশে মানা হয়, লাফ দিয়ে আবেগে ঝাঁপিয়ে পড়ার তত্ত্ব। সমাজে, রাজনীতিতে, অর্থনীতিতে, সংস্কৃতিতে দাপাদাপি-ঝাঁপাঝাঁপির দিন চলছে। যে যার মতো বাহাদুরি, নর্দন-কুর্দন করেই মাত করছে সবাইকে আর পাচ্ছে বাহবাও। যে লোকটি নিরন্নকে আহার দিচ্ছে, এদেশে তার কথা কেউ বলে না, কিন্তু যে এক মাইল লম্বা ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার পতাকা তৈরি করেছে, তাকে নিয়ে লম্ফঝম্পের শেষ নেই।
আসলে বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষের চিন্তা-চেতনা-দর্শনের জায়গাটুকু ক্রমেই ফাঁপা হয়ে যাচ্ছে। এক সময় বুঝে বা না বুঝে সমাজতন্ত্রের বৈপ্লবিক লাল মরীচিকার পেছনে এদেশের তরুণদের ছোটানো হয়েছে। তারপর ধাওয়া করা হয়েছে উগ্র জাতীয়তাবাদের পেছনে। এখন পশ্চিমা সমাজের নানা লারে-লাম্পা মার্কা কোকাকোলা সংস্কৃতি আর ব্যক্তিগত ভোগবাদের পেছনে লেলিয়ে দেয়া হয়েছে তরুণ-তরুণীদের। ইউরোপ, আমেরিকা আর ভারতের দোকানদাররা কনজিউমারিজমের ধাক্কায় বেসামাল করে ফেলেছে তরুণ, উঠতি বয়সী, স্বল্পশিক্ষিত তরুণ-তরুণীকে। বাংলাদেশে এরাই সংখ্যায় বেশি। এরাই এখন সমাজ ও সংস্কৃতির নিয়ামক। পুরাতন প্রথা, প্রতিষ্ঠান, মূল্যবোধ ভেঙে চলাই তাদের নিয়ম। এটা ঠিক যে, যে কোন দেশ বা সমাজের জন্য তরুণ-তরুণীরাই প্রধান শক্তি। এরাই সমাজ ও প্রগতির বাহন। কিন্তু এরা যদি কেবল ভোগ ও উৎসবে মগ্ন থাকে, তাহলে দেশের স্বার্থ দেখবে কে? দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের কবল থেকে সমাজ ও মানুষকে বাঁচাবে কে? নতুন প্রজন্মকে কেবলমাত্র ব্যবসা প্রশাসন আর নানা উৎসবের জালে আটকে ফেললে ধর্ম, সমাজতত্ত্ব, দর্শন, নৈতিকতা, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক রাজনীতি, জাতীয় স্বার্থ ইত্যাদি সম্পর্কে অজ্ঞ রাখা হলে একদিকে মাঠের খেলা আর অন্যদিকে রক্তের খেলা চলতেই থাকবে আর আমরা আসল খেলাটি ধরতে বা বুঝতেই পারব না। যে রক্ত গাজায়, ফিলিস্তিনে, ইরাকে, সিরিয়ায়, আফগানিস্তানে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে, সে রক্ত ভাসিয়ে দিচ্ছে বিশ্বের গণতন্ত্রকে, মুসলিম জাতিসত্তাকে। কিন্তু গণতন্ত্রের প্রশ্নে বা মুসলমানদের অধিকারের প্রশ্নে সোচ্চারও হওয়া যাচ্ছে না প্রতিপক্ষের মৌলবাদ, যুদ্ধাপরাধী ইত্যাদি চাপিয়ে দেয়া মিথ্যা আরোপ ও অপপ্রচারের কারণে। এখানেও অন্ধ আবেগ আর উগ্রতার বিজয় এবং যুক্তির পরাজয়। কোথাও আইন, যুক্তি, সাক্ষ্য, তথ্য, উপাত্ত ইত্যাদি সম্পর্কে কাউকেই অবহিত করা যাচ্ছে না। দেখবো না, শুনবো না বলে অন্ধ ও বধির আবেগে ঘাড় শক্ত করে রেখেছে অনেকেই। অতএব বিশ্বকাপের খেলা আর রক্তের খেলার প্রবল বিপরীতমুখী বিশ্ব পরিস্থিতির মধ্যে দাঁড়িয়ে আমরা দেখছি যে, পুরো দুনিয়া এবং আমাদের আশপাশ ভেসে যাচ্ছে আবেগে। আবেগ আর যুক্তির লড়াইয়ে খুব কম মানুষই যুক্তি, সত্য, ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়াতে পারছেন। সবাই গা ভাসিয়ে দিচ্ছে চলতি হাওয়ার মাতাল উন্মাদনায়। এরই অন্য নাম গড্ডালিকা প্রবাহ। দুঃখের বিষয়, অতি-উচ্চস্তরের নেতা-নেত্রীরা হামেলিনের বংশীবাদকের মতো যে উত্তেজনা আর আবেগের মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাতে যুক্তি, বুদ্ধি, আইন ও বিবেকের স্থান নেই বললেই চলে। ফলে রক্তের খেলা আর মাঠের খেলার পার্থক্য করতে পারছে না মানুষ। মাঠের খেলা দেখে ক্লান্ত হয়ে ঘুমাচ্ছে। অন্যদিকে বিশ্বের মাটি ভিজে যাচ্ছে রক্তে। বিপদ দ্রুত ঘনিয়ে আসতে থাকছে আমাদের দিকেও। অতএব, খেলা শুধু খেলা নয়, ভাবারও বিষয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমরা যাবো কোথায়? by শামীমুল হক

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোহলির ৪২ দিনের ডেটিং সঙ্গী হলেন আনুশকা শর্মা

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চলে যাওয়া মানে ভুলে যাওয়া নয় by সাজেদুল হক

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিজের যৌনাঙ্গ কর্তন ও নিজেকে ‘ঈশ্বর’ দাবি

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৩০০ পেরিয়েছে
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুদ্ধবিরতিতে উভয় পক্ষকে রাজি করাতে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আজ ওই অঞ্চলে সফরে যাচ্ছেন জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন।
গাজায় ইসরায়েলের প্রায় একতরফা হামলা আজ দ্বাদশ দিনে গড়িয়েছে। ভোরে খান ইউনিস শহরে একটি মসজিদের বাইরে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে সাতজন নিহত হয়। এরপর গাজায় আরও হামলা হয়। এতে চারজন নিহত হয়।
আজকের ঘটনা নিয়ে গত ১২ দিনে গাজায় নিহতের সংখ্যা ৩০৭ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছে দুই সহস্রাধিক ফিলিস্তিনি। হতাহত ব্যক্তিদের অধিকাংশ বেসামরিক নাগরিক। তাদের মধ্যে অনেক নারী ও শিশু রয়েছে।
অপর দিকে চলমান সংঘাতে এ পর্যন্ত দুজন ইসরায়েলি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে কয়েকজন।
জাতিসংঘের পক্ষ থেকে গতকাল শুক্রবার বলা হয়েছে, চলমান সহিংসতা বন্ধে উভয় পক্ষকে একটি সমঝোতায় আনার লক্ষ্যে সংস্থাটির মহাসচিব বান কি মুন আজ ওই অঞ্চল সফরে যাচ্ছেন।
নিজেকে রক্ষার ব্যাপারে ইসরায়েলের অধিকারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তবে বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
গাজা উপত্যকায় গতকাল আবার স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। যুদ্ধবিমান ও সামরিক হেলিকপ্টারের সহায়তা নিয়ে স্থলবাহিনীর ওই অভিযানে গতকালও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। প্রাণ বাঁচাতে গাজার বাসিন্দারা বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছেন।
এর আগে ১৩ জুলাই দিবাগত রাত থেকে প্রথম গাজায় স্থল অভিযান শুরু করেছিল ইসরায়েলি নৌ কমান্ডোরা। এক দিন পরই ওই স্থল হামলা স্থগিত করা হয়েছিল।
হামাস হুঁশিয়ারি করে বলেছে, এ আগ্রাসনের জন্য ইসরায়েলকে চড়া মূল্য দিতে হবে। ইসরায়েলি হামলার জবাবে তারা গাজা থেকে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে রকেট ছুড়ছে।
ইসরায়েল বলছে, গতকাল এক ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন। তবে কোথায় ও কীভাবে নিহত হয়েছেন, তা সুনির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি।
৮ জুলাই থেকে ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইসরায়েলের সর্বশেষ হামলার সূত্রপাত ইসরায়েলি তিন কিশোরকে সম্প্রতি অপহরণ ও হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। হামাসই ওই ঘটনা ঘটায় বলে মনে করে ইসরায়েল। তবে হামাস তা অস্বীকার করে। পরে ফিলিস্তিনি এক কিশোরকে একইভাবে হত্যা ও অপহরণের পর উত্তেজনা নতুন মাত্রা পায়। এরপর গাজা থেকে রকেট ছোড়া হচ্ছে—এমন দাবি তুলে ‘অপারেশন প্রটেক্টিভ এজ’ শুরু করে ইসরায়েল।
এর আগে ২০১২ সালের নভেম্বরে গাজায় অভিযান চালায় ইসরায়েল। তখন আট দিনের মাথায় মিসরের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়।
ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে ফিলিস্তিনের দুই অংশ পশ্চিম তীর ও গাজা ২০০৭ সালের আগস্টে চলে যায় দুটি দলের নিয়ন্ত্রণে। সেই থেকে মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বে ফাতাহ পশ্চিম তীরে ও খালেদ মেশালের নেতৃত্বে হামাস গাজা শাসন করছিল। এই অবস্থায় গত এপ্রিলে দুই দলের মধ্যে একটি চুক্তি হয়। সে অনুযায়ী নতুন করে নির্বাচনের পর চলতি বছরের শেষ নাগাদ একটি জাতীয় সরকার গঠনের কথা। কিন্তু হামাস-ফাতাহর চুক্তিকে ভালোভাবে নেয়নি ইসরায়েল। তাদের মতে, হামাস একটি জঙ্গি সংগঠন। হামাস-ফাতাহ জাতীয় ঐক্যের সরকার হলে সেই সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় যাবে না বলে জানিয়ে দেয় ইসরায়েল।
১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইহুদিদের জন্য ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবিতে ফিলিস্তিনিদের সংগ্রামের শুরু। এর পর থেকে নিয়মিত রক্ত ঝরলেও আজও তাদের সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনের স্বাধীন সত্তা মেনে নিতে রাজি নয় ইসরায়েল।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘তারা গুপ্তচর পরিবহন করছিল’

। ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষ রাশিয়ান ভাষার এই টেলি-সংলাপ তিনটি ইউটিউবে প্রকাশ করেছে। বিবিসি’র প্রতিবেদনে এই ফোনালাপের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এগুলোর যথার্থতা সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কথোপকথন তিনটির বক্তব্য নিচে হুবহু উদ্ধৃত করা হলো। ইউক্রেন কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রথম টেলি-সংলাপটি ছিল বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা আইগর বেজলার ও রাশিয়ার সেনা গোয়েন্দা কর্মকর্তা কর্নেল ভ্যাসিলিন গেরানিন।
বেজলার: খনির লোকেদের (বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ছদ্ম নাম) একটি গ্রুপ একটু আগে একটি বিমান ভূপাতিত করেছে। সেটি ইয়েনাকিয়েভোর পেছনে বিধ্বস্ত হয়েছে।
কর্নেল গেরানিন: বিমান চালক। বিমান চালকেরা কোথায়?
বেজলার: খুঁজে দেখতে ও ছবি তুলতে মানুষ পাঠানো হয়েছে। ওখানে কেবল ধোঁয়া।
কর্নেল গেরানিন: কত মিনিট আগে?
বেজলার: প্রায় ৩০ মিনিট আগে।
দ্বিতীয় ফোনালাপে দুজন ব্যক্তির প্রথম জনকে ‘গ্রিক’ বলে সম্বোধন করা হয়। অপরজনকে বলা হচ্ছিল ‘মেজর’।
গ্রিক: হ্যাঁ, মেজর।
মেজর: চেরনুখিনোর ছেলেরা বিমানটা ভূপতিত করেছে।
গ্রিক: কে ভূপতিত করেছে?
মেজর: চেরনুখিনো রোডব্লক থেকে করা হয়েছে। কসাকরা চেরনুখিনোতে আছে।
গ্রিক: বলুন মেজর।
মেজর: পেরত্রোপাভলোভস্কায়ার কয়লা খনির কাছে আকাশেই বিমানটি আংশিক ভেঙে পড়েছে। প্রথম
নিহত কাউকে খুঁজে পাওয়া গেছে। একজন বেসামরিক ব্যক্তির লাশ।
গ্রিক: সেখানে কি পেলেন আপনারা?
মেজর: মূলত এটা ছিল একটি শতভাগ বেসামরিক বিমান।
গ্রিক: সেখানে কি অনেক মানুষ আছে?
মেজর: ধ্বংসাবশেষ খোলা জায়গায় পড়েছে।
গ্রিক: কি ধরনের বিমান সেটি?
মেজর: আমি এখনও এটি বের করিনি। কারণ আমি এখনও মূল ধ্বংসাবশেষের কাছে যাইনি। আমি শুধু খুঁজছি কোথায় প্রথম হতাহতদের শরীর পড়েছিল।
গ্রিক: কোন অস্ত্র আছে ওখানে?
মেজর: একেবারেই নেই। বেসামরিক মানুষের জিনিসপত্র। কিছু ওষুধপত্র, তোয়ালে, টয়লেট পেপার, ইত্যাদি।
গ্রিক: কোন কাগজপত্র?
মেজর: হ্যাঁ। একজন ইন্দোনেশিয়ান ছাত্রের। থম্পসন বিশ্ববিদ্যালয়ের।
তৃতীয় ফোনালাপে একজন যোদ্ধার সঙ্গে কথা বলছিলেন নিকোলাই কোজিতসিন নামের একজন কসাক সামরিক নেতা।
যোদ্ধা: স্লেঝনোয়-তোরেজ এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে বিমানটি। এটা একটি বেসামরিক বিমান। গ্রাবোভোর কাছেই এটি পড়েছে। এখানে বহু নারী ও শিশুর লাশ পড়ে আছে। কসাকরা সব কিছু দেখছে। টিভি’তে বলা হচ্ছে, এটা ইউক্রেনের এএন-২৬ পরিবহন বিমান। কিন্তু ওরা বলছে এটার গায়ে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্স লেখা ছিল। এটা ইউক্রেনের ভেতর কি করছিল?
নিকোলাই কোজিতসিন: এর মানে হলো, তারা গুপ্তচর পরিবহন করছিল। তাদের ওড়া উচিত হয়নি।
এখানে একটি যুদ্ধ চলছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যাহা জয় বাংলা তাহাই জিন্দাবাদ!
২. প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তাঁর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের আলোচনা সভায় বলেছেন, ‘রাজনীতির একটি পক্ষ এখনো স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। মনে-প্রাণে পাকিস্তানের অংশ হয়ে যেতে চায়। যারা জয় বাংলা বলতে লজ্জা পায়, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলে জাতিকে বিভ্রান্ত করতে চায়, তারা পাকিস্তানের এজেন্ট। তাদের সেখানেই চলে যাওয়া উচিত। (সমকাল, ১২ জুলাই ২০১৪)। কারও নাম উল্লেখ না করলেও বুঝতে অসুবিধা হয় না যে বিএনপিকে উদ্দেশ করেই তিনি এসব কথা বলেছেন। কোনো দলের নীতি ও আদর্শের সমালোচনা করা আর সেই দলকে পাকিস্তানের বা অন্য কোনো দেশের এজেন্ট বানানো এক কথা নয়। এখন বিএনপি বা তার সহযোগী কোনো দল ক্ষমতায় নেই। সজীব ওয়াজেদ যে দলের সদস্যপদ নিয়েছেন, সেই আওয়ামী লীগই ক্ষমতায় আছে মহাপ্রতাপ নিয়ে। অতএব, যাঁরা বিদেশি এজেন্ট হিসেবে বাংলাদেশের ও জনগণের স্বার্থের বিপক্ষে কাজ করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্বটা সরকারেরই। স্বাধীনতার ৪৩ বছর পরও যারা মনে-প্রাণে পাকিস্তানের অংশ হয়ে যেতে চায়, তাদের ঠিকানা তো হওয়া উচিত জেলখানা। কিন্তু সরকার এ পর্যন্ত এই অভিযোগে কারও বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছে বলে জানা নেই। সজীব ওয়াজেদ জিন্দাবাদের বিরোধিতা করতে গিয়ে বলেছেন, এটি যেহেতু উর্দু শব্দ (আসলে এটি ফারসি শব্দ), সেহেতু বাংলাদেশে চলতে পারে না এবং যারা জিন্দাবাদ বলবে, তাদের পাকিস্তানেই চলে যাওয়া উচিত। তাঁর এই যুক্তি মেনে নিলে বাংলা ভাষাকেই নতুন করে লিখতে হবে। বহু বিদেশি শব্দের সমাহারে হাজার বছর ধরে বাংলা ভাষার ভিত তৈরি হয়েছে। উর্দু শব্দ বলে যদি জিন্দাবাদ পরিত্যাজ্য হয়, তাহলে ‘আওয়ামী’ শব্দটি কেন হবে না?
৩. বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আন্দোলনের ইতিহাস দীর্ঘ। আওয়ামী লীগের নেতাদের দাবি, পঞ্চাশের দশক থেকেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিলেন। কিন্তু জয় বাংলা স্লোগানটি প্রথম উচ্চারিত হয় ১৯৬৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর মধুর ক্যানটিনে ছাত্রলীগের এক কর্মিসভায়। এরপর এটি তরুণদের মধ্যে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় এটি প্রধান রণধ্বনিতে রূপান্তরিত হলেও সব মুক্তিযোদ্ধা এই স্লোগান দেননি। অনেকে সমাজ বিপ্লবের পক্ষে স্লোগান দিয়েছেন। তাহলে জয় বাংলা স্লোগান না দেওয়া মুক্তিযোদ্ধাদেরও কি এখন পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিতে হবে? একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষের মধ্যে জয় বাংলা বা জিন্দাবাদ নিয়ে কোনো বিতর্ক ছিল না। বিতর্ক হয়েছে স্বাধীনতার পরে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ও তার আগে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জয় বাংলা ছিল বাঙালির রাজনৈতিক স্লোগান। নিপীড়নের বিরুদ্ধে নিপীড়িতের, সুবিধাভোগীদের বিরুদ্ধে অধিকারবঞ্চিতদের স্লোগান। কিন্তু স্বাধীনতার পর এই স্লোগানের চরিত্র পুরোপুরি বদলে যায়। এক দল আরেক দলের বিরুদ্ধে, এক নেতা আরেক নেতার বিরুদ্ধে এই স্লোগান কাজে লাগান। মুক্তিযুদ্ধের সময় যাঁরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছিলেন, তাঁদের একাংশ যেমন স্বাধীনতার পর এই স্লোগানকে বর্জন করে, তেমনি যাঁরা সে সময় জয় বাংলা স্লোগান দিতেন না, আওয়ামী লীগে এসে এখন সেই স্লোগান রপ্ত করেছেন। বর্তমান মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন সদস্য আছেন, যাঁরা এখনো জয় বাংলা বলেন না, তাই বলে কি তাঁরা মনে-প্রাণে পাকিস্তানি হয়ে গেছেন? জয় বাংলা স্লোগানের উদ্যোক্তা ছাত্রলীগ স্বাধীনতার পর বিভক্ত হয়ে পড়লে একাংশ আর এই স্লোগান ব্যবহার করে না। আজও না।
সোহরাব হাসান: কবি, সাংবাদিক।
sohrabo3@dhaka.net
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউক্রেনের আকাশ বয়কট
সম্ভবত তা পাইলটের কণ্ঠ হবে। যাত্রী উঠানো ও মাল বোঝাই করার শেষপর্যায়ে রয়েছি আমরা। আবারও বলছি, অনুগ্রহ করে সবার মোবাইল ফোনগুলো বন্ধ করে নিন। এর পরই ভিডিও দৃশ্যটি শেষ হয়ে যায়।মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের এমএইচ-১৭ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২৯৮ আরোহীর সবাই নিহত হওয়ায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক। বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার দিনটিকে শোকের দিন ও চলতি বছরকে মালয়েশিয়ার জন্য শোকের বছর হিসেবে উল্লেখ করেছেন রাজাক। তিনি দিনটিকে একটি শোকাবহ দিন এবং ২০১৪ সালকে মালয়েশিয়ার জন্য একটি শোকতপ্ত বছর হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি এ দুর্ঘটনার পূর্ণ তদন্ত প্রত্যাশা করে বলেন, এ ঘটনার তদন্তকে কোনোভাবেই বিপথে যেতে দেয়া যাবে না। প্রধানমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, আন্তর্জাতিক বেসামরিক উড্ডয়ন সংস্থা বিমানটির যাত্রাপথকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ঘোষণা করেছিল। এছাড়া বিমানটি থেকে কোনো বিপদ সংকেতও আসেনি। তার দেশ এ মুহূর্তে শোকাবহ এ ঘটনার সঠিক কারণ উদ্ধার করতে না পারলেও, অচিরেই উদঘাটিত হবে, এবারের বিমানটির ভাগ্যে কি ঘটেছে। শোনা যাচ্ছে, প্রতিপক্ষের বিমান ভেবে ইউক্রেনীয় সরকারি বাহিনী কিংবা সশস্ত্র রুশপন্থী- এ দুই পক্ষের কোনো এক পক্ষ ওটাকে উদ্দেশ্য করে বিস্ফোরক ছুড়েছে। যে কারণে কোনো ধরনের যান্ত্রিক ত্র“টির রেকর্ডবিহীন বিমানটি ইউক্রেন সীমান্তে বিধ্বস্ত হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হঠাৎ অবসরে লাম
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেনাকাটা করাই হল ঈদের বাড়তি আনন্দ
**সামনে ঈদ, তাই ঈদের কাজ নিয়েই বেশি ব্যস্ত আছি। অভিনয়ের পাশাপাশি নাচের অনুষ্ঠানও করছি। তবে সারা দিন রোজা থেকে অভিনয় করা খুব কষ্টের। তারপর ভালোভাবে সব কাজ করার চেষ্টা করছি।
*নাচের অনুষ্ঠানে প্রাধান্য কী থাকবে?
**নাচের ক্ষেত্রে ভালোবাসার জায়গাটা একটু বেশিই। তবে অধিক্য নেই। এবার ঈদে নাচ নিয়ে আমার বাংলাভিশনে একক অনুষ্ঠান থাকবে। মোট ছয়টি নাচ নিয়ে দর্শকের সামনে হাজির হব। আর রোজার কারণে বাইরের অনুষ্ঠানে নাচ করছি না।
*ধারাবাহিকেই আপনাকে বেশি দেখা যায়। এখন কোন কোন ধারাবাহিক প্রচার চলছে?
**চোরকাঁটা, ক্ষণিকালয়, নিঃসঙ্গ পানকৌড়ি, মামলাবাজ, চেয়ারম্যান বাড়িসহ একাধিক ধারাবাহিক প্রচার হচ্ছে। এছাড়া প্রচারের অপেক্ষায় আছে ‘প্রেমের ১৪৪ ধারা’।
*চলমান ধারাবাহিকের পরও ঈদের নাটকের জন্য সিডিউল দিচ্ছেন কীভাবে?
**অভিনয় জীবন হতে হবে সুশৃংখল। সবসময় নিয়ম মেনে চললে ঝামেলা কম হয়। ধারাবাহিক নাটকের সিডিউলের পর যে সময় থাকছে, তা সঠিকভাবে ব্যবহার করছি আসন্ন ঈদের কাজের জন্য। একটু কষ্ট হলেও ঈদের জন্য কাজ করতে পেরে মজা পাচ্ছি।
*বিজ্ঞাপনে অনুপস্থিত বেশি কেন?
**অভিনয়ের ব্যস্ততা শেষ করে পারছি না। বিজ্ঞাপন হল দর্শকদের কাছে যাওয়ার একটি ভালো মাধ্যম। কিন্তু ভালো পণ্যের বিজ্ঞাপন করতে চাই। ভালো পণ্যের প্রস্তাব আসলে বিবেচনা করব।
*ঈদে ব্যক্তিগত কেনাকাটা কতদূর...
**এখনও কেনাকাটা শুরু করিনি। ঈদের বাড়তি আনন্দ হল কেনাকাটা। কিন্তু শুটিংয়ের জন্য একটু ঝামেলা হচ্ছে। আশা করছি দু’চার দিনের মধ্যে ঝামেলা কাটাতে পারব। এবারের ঈদে বাড়ির সবাইকে কিছু না কিছু উপহার দেয়ার ইচ্ছা আছে। বিএম ইমরান
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্কুল হামলায় দায়ী আইএসআই
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্নায়ুযুদ্ধের শত্রুর সঙ্গে আবার বন্ধুত্ব আমেরিকার
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এখনও কৃষ্ণাঙ্গ বিড়ম্বনার শিকার ওবামা পরিবার
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাঈম শায়নার সেলফি ম্যানিয়া
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যথিত, ক্ষুব্ধ বিশ্ব সমাজ
![]() |
| অশ্রুসিক্ত আতিকা আবদুল রহমান। বিধ্বস্ত মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসের বৈমানিক ওয়ান আমরানের ভাগনি তিনি। গতকাল কুয়ালালামপুর থেকে তোলা ছবি। |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রিয় মাদিবার জন্মদিনে পরিচ্ছন্নতার আয়োজন
![]() |
| ম্যান্ডেলার জন্মদিনে গুগলের ডুডল |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোদির পথ বদল
![]() |
| নরেন্দ্র মোদি |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সামরিক অভিযানে ভেস্তে গেল চতুর্থ বিয়ের স্বপ্ন
![]() |
| নিজের কয়েকটি সন্তানের সঙ্গে গুলজার খান l এএফপি |
ইসলামি আইনে একজন পুরুষের চারটি বিয়ের বৈধতা রয়েছে। পাকিস্তানের অত্যন্ত রক্ষণশীল উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বড় পরিবারগুলোয় সেই প্রথা মেনে চলা হয়। গুলজারের স্ত্রীরা গড়ে এক ডজন করে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর সন্তান নিতে অনাগ্রহী। তিনি বলেন, ‘তিন স্ত্রীই এখন আমাকে এড়িয়ে চলে। তারা আর সন্তান চায় না। তাই আমি চতুর্থ বিয়ে করতে চাই। তারা আমাকে কাছে ঘেঁষতে দেয় না। কিন্তু আমি আরও সন্তান চাই।’ ১৭ বছর বয়সে গুলজার প্রথম বিয়ে করেন ১৪ বছর বয়সী চাচাতো বোন শাওয়াকে। তাঁদের আট ছেলে ও চার মেয়ে রয়েছে। প্রথম বিয়ের আট বছর পর ১৭ বছর বয়সী আরেক তরুণীকে বউ করেন গুলজার। বান্নু এলাকায় ১৭ কক্ষের একটি বাড়িতে ঠাঁই নিয়েছে গুলজারের বিশাল পরিবার। তিনি ১৯৭৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরে ট্যাক্সিচালকের কাজ করেন। তিনি তৃতীয় বিয়ে করেন নিজের ভাইয়ের বিধবা স্ত্রীকে। স্থানীয় একটি বিরোধের জেরে গুলজারের ভাই নিহত হন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ইসরায়েল বিশ্বসম্প্রদায় থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারে’
![]() |
| বিল ক্লিনটন |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওবামাকে বিষ মাখানো চিঠি পাঠানোর দায়ে অভিনেত্রীর কারাদণ্ড
![]() |
| শ্যানন গেস রিচার্ডসন |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুদ্ধবিরতির সময়ও হামলা থামেনি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অদেখা হুমায়ূন আহমেদ by নাসির আলী মামুন
সব শাখায় পাঠক ও দর্শকদের নিয়ে বিশাল সাম্রাজ্য গড়েছেন।
২০১২ সালের ১৯ জুলাই আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন অন্তরালে।
মনে পড়ে, তাঁর ৪৮তম জন্মদিনকে সামনে রেখে আমি একটি সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম। সেটি প্রথম আলোয় ছাপা হয়েছিল। সেখানে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি শিওর, একদিন ক্যানসারমুক্ত পৃথিবী হবে।’ আরেকবার বলেছিলেন, ‘যেদিন ক্যানসারের ওষুধ আবিষ্কার হবে, সেদিন পৃথিবীর সমস্ত জনগণ একসঙ্গে উল্লাস করবে।’

২০০২ সালের সেপ্টেম্বরে নুহাশপল্লীতে এসেছিলেন কলকাতার সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। সেদিন সুইমিংপুলের পাশে দুই কিংবদন্তির উপস্থিতি এবং সিগারেট ধরানোর দৃশ্য আমার ক্যামেরায় বন্দী হয়। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বলছিলেন, তিনি আর সিগারেট ধরাবেন না। কারণ, এতে ক্যানসারের ঝঁুকি বাড়ে। পাশে বসা হুমায়ূন বললেন, সিগারেট খেলে যদি ক্যানসার হয়, যারা খায় না, তাদের কেন হয়? এ নিয়ে কথা-চালাচালি শেষ না হতেই ফুলপ্যান্ট পরে পানিতে নেমে পড়লেন হুমায়ূন। আর যাঁরা উপস্থিত ছিলেন একে একে প্রায় সবাই পানিতে নেমে পড়লেন। সুনীল উদোম গায়ে পায়জামা পরে সুইমিংপুলে সাঁতরালেন, সঙ্গে হুমায়ূন আহমেদ। এমন বিরল দৃশ্য ভুলি কী করে!
মৃত্যুর কদিন আগে, ৯ মে ২০১২, তাঁর নিউইয়র্কের ভাড়া বাড়িতে দেখা করতে গিয়ে অন্য আরেক মানুষকে পেলাম। ফুলহাতা লাল চেক শার্ট। মাথায় পশ্চিমা ঘরানার হ্যাট। বাড়ির সামনে তাঁর ছবি তুললাম আমি। ক্যানসারে ক্ষতবিক্ষত মানুষটির ফুর্তি এতটুকুও কমেনি। হ্যাট খুললে দেখি মাথায় চুল নেই, শরীর কম্পমান। কোথাও বসলে উঠতে কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু কথা বলছেন অনর্গল। মনে হলো, তাঁর কঠিন কিছু হয়নি। তিনি আবার সেরে উঠবেন ঠিকঠাক।
ক্যানসারের চিকিৎসা চলাকালেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তিনি ঢাকায় এলেন। চলে গেলেন তাঁর ঠিকানায় নুহাশপল্লীতে। সবাইকে সময় দিয়েছেন তিনি। এর আগেও বেশ কয়েকবার নুহাশপল্লীতে তাঁর ছবি তুলতে গেছি। কিন্তু সেদিনটা ছিল অন্য রকম। সেদিন কেন যেন মনে হলো তাঁর হাতে লাগানো ফুল লতাপাতা—সবাই তাঁকে দেখছে, স্পর্শ করতে চাইছে। তিনিও সবকিছুর সঙ্গে নিজেকে সমর্পণ করে দিচ্ছেন। আমার ক্যামেরায় তিনি প্রিয় গাছ ও ফুলগুলোর সঙ্গে ছবি তুললেন। সুইমিংপুলের পাশে সিমেন্টের হাঁ করা অতিকায় মুখোশের ভেতর দিয়ে অনর্গল পানি ঝরছে। সেখানে দাঁড়িয়ে একটা ছবি তুলে দিতে অনুরোধ করলেন।
তারপর দেখা হয়েছে ধানমন্ডির দখিন হাওয়ার বাসায়। প্রতিটি মুহূর্তের ছবি তুলেছি আর ভেবেছি। তিনি যে হারিয়ে যাচ্ছিলেন, সেই সংকেত যেন আমি আমার ক্যামেরায় অনুধাবন করতে পারছিলাম। এখন আর মাতম করলেও ফির পাব না তাঁকে। শুধু গভীর মমতায় তাঁর আলোকচিত্রগুলো আঁকড়ে আছি। আমি যেদিন থাকব না সেদিন কি হবে ছবিগুলোর?
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মূল্যস্ফীতির ভুল বার্তাসমূহ by আবুল বাসার
প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী গত অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ, যা তার আগের অর্থবছরে ছিল ৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এর অর্থ হলো, একজন মানুষ আর আগের বছর যে মানের জীবনযাপন করত, সেই একই মানের জীবনযাপন করতে গত অর্থবছর তাকে ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। এর আগের বছর, অর্থাৎ ২০১২-১৩ অর্থবছরে তার আগের অর্থবছরে যাপিত জীবনমান ধরে রাখার জন্য ৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে।
তবে সরকার এবং বাংলাদেশ ব্যাংক একটি বিষয়ে কিছুটা কৃতিত্বের বৈধ দাবিদার। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল মূল্যস্ফীতিকে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশের মধ্যে আটকে রাখা, যা তারা করতে সমর্থ হয়েছে। কিন্তু মূল্যস্ফীতিকে শুধু সংখ্যার হিসাব দিয়ে বিচার করা ঠিক হয় না, তার ধরনটির ওপরও আলোকপাত করতে হয়। প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে দেখা যায়, গত অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির মূল নিয়ামক ছিল খাদ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। সামগ্রিকভাবে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ হলেও খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে সেটা ছিল প্রায় ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ, যা তার আগের বছরে ছিল ৫ দশমিক ২২ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি পরিমাপ করার সময় অনুমান করে নেওয়া হয় যে খাদ্যের ওপর ব্যয়িত অর্থের পরিমাণ আমাদের মোট ব্যয়ের ৫৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। যদি কোনো পরিবারের ক্ষেত্রে এর পরিমাণ তার মোট ব্যয়ের অংশ হিসাবে তার চেয়ে অধিক হয়, তাহলে সেই পরিবারকে গত বছরে যাপিত জীবনমান অটুট রাখার জন্য গত বছরের তুলনায় ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশের চেয়েও বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে।
যারা সাধারণত তাদের মোট ব্যয়ের বড় অংশ খাদ্যসামগ্রীতে ব্যয় করে, তারা মূলত স্বল্প আয়ের মানুষ। তারা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই জাতীয় আয়-প্রবৃদ্ধির সুবিধাবঞ্চিত থেকে যায়। তাই সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশের কম হলেও উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতির কারণে তাদের জীবনে ব্যয়ের বোঝা আনুপাতিক হারে অনেক বেশি বেড়ে যাবে। অর্থাৎ গত বছরের মূল্যস্ফীতির যা ধরন, তাতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ওপর তার প্রভাবটা অন্যান্য জনগোষ্ঠীর তুলনায় বেশি পড়েছে। অংশীদারিমূলক উন্নয়নের দৃষ্টিকোণ থেকে সেটা উদ্বেগের বিষয়।
আবার দেখা যাচ্ছে, শহুরে এলাকায় খাদ্য মূল্যস্ফীতি আরও বেশি, প্রায় ৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এর অর্থ হলো, শহরসমূহে যেসব কর্মজীবী স্বল্প আয়ের মানুষ বাস করছে, যারা তাদের আয়ের একটা বড় অংশ খরচ করে খাদ্যসামগ্রীতে, তাদের জীবনযাত্রার মান ধরে রাখা গত অর্থবছরে খুব কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বাংলাদেশের শিল্প খাতের যতটুকু প্রসার হয়েছে, তার পেছনে অন্যতম প্রধান অনুঘটক ছিল নিম্ন মজুরি। আর এই নিম্ন মজুরিভিত্তিক শিল্পায়ন হুমকির মুখে পড়বে যদি শহর এলাকায় খাদ্য মূল্যস্ফীতি গত বছরের মতো বাড়তেই থাকে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমানো না গেলে শ্রমিকের জীবনযাত্রার মান ব্যাহত হবে।
মূল্যস্ফীতিকে সরকার তার লক্ষ্য মোতাবেক সাড়ে ৭ শতাংশের মধ্যে আটকে রাখতে পারলেও মূল্যস্ফীতির যে প্রকৃতি গত অর্থবছরে পরিলক্ষিত হয়েছে, তা অর্থনীতির জন্য সামগ্রিকভাবে অশুভ পরিণতির ইঙ্গিত বহন করে। আশি বা নব্বইয়ের দশকে নিম্ন মজুরি প্রদান করেই যে হারে গ্রামীণ এলাকা থেকে, বিশেষ করে কৃষি খাত থেকে শ্রমিক এনে শহুরে এলাকায় শিল্প খাতে নিয়োগ করা যেত, সেটা এখন সম্ভব নয়। অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে এমনটিই ঘটে দুনিয়াব্যাপী। তার ওপর খাদ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি যোগ হয় তাহলে শিল্পায়ন মারাত্মক হুমকির মুখে পড়তে পারে। গত অর্থবছরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বাংলাদেশে যেভাবে বেড়েছে, বিশেষ করে শহর এলাকায়, তা বাংলাদেশের শিল্পায়নের স্বার্থে একটি গুরুতর সতর্কবার্তাই দিচ্ছে। সামগ্রিক উন্নয়নের খাতিরে এই সতর্কবার্তাকে সরকারকে গুরুত্বের সঙ্গেই নেওয়া উচিত।
খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি অনেক কমে এসেছে। গত অর্থবছরে তা ছিল ৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ, যা তার আগের অর্থবছরে ছিল ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। আপাতদৃষ্টিতে এটি শুভকর। কিন্তু বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, বিষয়টি আসলে ভালোর চেয়ে খারাপের ইঙ্গিতই বেশি বহন করছে। অর্থাৎ খাদ্যবহির্ভূত চাহিদা আগের বছরের তুলনায় কম হারে বাড়া। গত অর্থবছরে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমার পেছনে মূল কারণটা হলো চাহিদার নিম্নমুখী প্রবণতা, যার সঙ্গে সম্পৃক্ত মূল কারণ হলো মানুষের ব্যয়ক্ষমতার অপ্রতুলতা।
আমাদের প্রবৃদ্ধি গত অর্থবছরে ৬ শতাংশ হয়েছে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবতা হলো মানুষের ব্যয়ক্ষমতা অন্যান্য বছরের তুলনায় একই হারে বাড়েনি। মানুষ একই হারে খাদ্যবহির্ভূত পণ্য ক্রয় করেনি। আর সে জন্যই খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ থেকে কমে ৫ দশমিক ৫৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু একটি উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে চাহিদার এ রকম হ্রাস মূল্যস্ফীতিকে কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও প্রবৃদ্ধি এবং উন্নয়নের চাকাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য মোটেও ভালো নয়। সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে—এ রকম আত্মতুষ্টিতে না থেকে বরং সরকারের খতিয়ে দেখা উচিত খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের অভ্যন্তরীণ চাহিদা না বাড়ার কারণগুলো কী কী। এগুলো দূরীকরণ ছাড়া অর্থনীতির চাকা সামনে এগোবে না।
প্রকাশিত মূল্যস্ফীতির উপাত্ত অনুযায়ী শহর এবং গ্রামাঞ্চলে খাদ্য এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি এক রকম নয়। গ্রামে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেশি এবং শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেশি। এর পেছনে মূল কারণ হলো সরবরাহব্যবস্থার দুর্বলতা, বিপণনব্যবস্থার অদক্ষতা। গ্রামে উৎপাদিত কৃষিজ পণ্য আসতে আসতে দাম বেড়ে যায়, আর শহরে উৎপাদিত শিল্পজ পণ্য গ্রামাঞ্চলে যেতে যেতে দাম বেড়ে যায়। বিদ্যমান উপাত্ত অনুযায়ী এই দাম বাড়ার পরিমাণ অস্বাভাবিক বেশি। এসব দুর্বলতা এবং অদক্ষতা দূর না করে মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে ধরা যাবে না।
আবুল বাসার: গবেষক, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস), সাবেক অর্থনীতিবিদ, বিশ্বব্যাংক।
abasher@bids.org.bd
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নরেন্দ্র মোদির ভণ্ডামি by শশী থারুর
হ্যাঁ, ব্যাপক শোরগোল তৈরি করা হয়েছিল। নির্বাচনী প্রচারণায় দাবি করা হয়, মোদি ইউপিএ সরকারের ‘বাজে শাসন’ ও ‘পক্ষাঘাতগ্রস্ত নীতি’র বদলে মৌলিকভাবে ভিন্ন টাটকা নীতি প্রণয়ন করবেন, যার ভিত্তি হবে করপোরেট ‘গুজরাটের উন্নয়ন মডেল’। এর মাধ্যমে তিনি নাকি ভারতের খোলনলচে বদলে ফেলবেন, ইউপিএ সরকারের নিঃশেষিত ও অকার্যকর নীতি ছুড়ে ফেলে কোটি কোটি মানুষের জীবনমান উন্নত করবেন। তাঁর বিজয়ের পর বিজেপির সমর্থকেরা ডুগডুগি বাজিয়ে বলছেন, ‘ভালো দিন আসছে।’
মোদির জনসংযোগ দপ্তর থেকে বলা হয়েছে, বিজেপি ইউপিএ জোটের নরম ও আপসকামী নীতির অবসান ঘটাবে। ইউপিএ সরকার যেসব কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি, মোদি সেসব গ্রহণের কথা দিয়েছেন। মানে, তিনি ভারতের ‘দানশীল’ ও ভর্তুকির সংস্কৃতি পরিহার করে সাহসী সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটিয়ে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান করবেন। তিনি হলফ করে বলেছেন, ভারতের জনগণের এখন কর্মসংস্থান প্রয়োজন, ভিক্ষা নয়।
কথা হচ্ছে, মোদির ক্ষমতা গ্রহণের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এসব দাবির অসাড়তা প্রমাণিত হয়ে গেছে। ইউপিএ সরকারের অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনার একটি বড় নজির হচ্ছে চিনির মূল্য নির্ধারণের নীতি। মনে করা হয়, ইউপিএ জোটের প্রভাবশালী আখ সমবায়ীরা সরকারকে অতিমূল্য নির্ধারণে এবং আখচাষিদের মন্দ ঋণ অবলোপনে বাধ্য করেছে। এর ফলে নাকি অতি উৎপাদন হয়েছে।
কিন্তু এই প্রথা তুলে দেওয়ার বদলে মোদির সরকার চিনি রপ্তানিতে ভর্তুকির পরিমাণ বাড়িয়েছে, বাস্তবে যার উল্টোটা হওয়ার কথা। মোদি সরকার চিনি আমদানির ওপর শুল্ক বাড়িয়ে দেশি চিনির সঙ্গে বিদেশি চিনির প্রতিদ্বন্দ্বিতা কমিয়েছে এবং পেট্রলের সঙ্গে আখভিত্তিক ইথানল মেশানো বাধ্যতামূলক করেছে। তাঁর এই প্রণোদনার কারণ খোঁজা খুব কঠিন কোনো ব্যাপার নয়: ভারতের সর্বাধিক আখ উৎপাদনকারী প্রদেশ মহারাষ্ট্রের ওপর নিয়ন্ত্রণ অর্জন, যাতে আগামী রাজ্যসভা নির্বাচনে সেখানে ভালো করা যায়।
এই লক্ষ্য থেকে আরেকটি ব্যাপার পরিষ্কার, এটা বিজেপির নীতিগত অবস্থানের বিরুদ্ধাচরণ। ইউপিএ সরকারের সমালোচকেরা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছিলেন, ট্রেনের যাত্রী ও মালামাল বহনের ভাড়া অত্যন্ত কম হওয়াটা আসলে সরকারের কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার অক্ষমতারই নামান্তর। এতে নাকি রেলগাড়ি ও লাইনের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ সম্ভব হয়নি এবং রেলের সম্প্রসারণ ও সেবার মান উন্নয়ন সম্ভব হয়নি।
ক্ষমতায় আসার পরপরই মোদি সরকার ভাড়া বৃদ্ধি কার্যকর করার উদ্যোগ নেয়, যদিও তারা বারবার বলেছে, তারা শুধু আগের একটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে। তারপর গণরোষের মুখে পড়লে উপশহরগুলোতে যাতায়াতকারী কমিউটার ট্রেনের মাসিক পাসের মূল্য পুনর্নির্ধারণ করতে বাধ্য হয়, এই পাসে উল্লেখযোগ্য হারে ছাড় দেওয়া হয়। মহারাষ্ট্রের রাজধানী মুম্বাইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী এলাকার ভোট বাগাতে এ ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
আর একটি অজনপ্রিয় কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে মোদি আরও দুর্বল অবস্থান নিয়েছেন: জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি। ভারতের বাজারে তেলের মূল্য বিশ্ববাজারের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ করে দেশীয় তেল ও গ্যাস উত্তোলকদের আরও তেল ও গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারে বিনিয়োগে সক্ষম করার উদ্দেশ্যে ইউপিএ সরকার গত ১ এপ্রিল থেকে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম দ্বিগুণ করার প্রস্তাব করেছিল। শেষ পর্যন্ত রেলের ভাড়ার মতো এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভারও মোদির ওপর বর্তায়। এ ক্ষেত্রে যা করণীয় ছিল, তা না করে মোদি আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া স্থগিত করেছেন, আবার পূর্বসূরিদের ওপরও দোষ দেওয়া হয়েছে।
বিজেপি সরকার আজ পর্যন্ত যা যা করেছে, তার ছত্রে ছত্রে রয়েছে এই ভণ্ডামি। বিজেপি সরকার ভারত-মার্কিন পরমাণু–সহায়তা চুক্তির বিরোধিতা করলেও মোদি ভারতকেন্দ্রিক ‘অ্যাডিশনাল প্রটোকল’ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন, যার ফলে আন্তর্জাতিক পরমাণু এজেন্সিগুলো ভারতের বেসামরিক পরমাণু স্থাপনাগুলোতে অবাধ প্রবেশাধিকার পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উল্লিখিত সামরিক চুক্তিটি ছিল ইউপিএ সরকারের পররাষ্ট্রনীতির একটি বড় সাফল্য। তদুপরি, মোদি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঙ্গে আলোচনারও বিরোধিতা করেছেন। এর ফলে ২০০৮ সালে মুম্বাই হামলায় অভিযুক্তদের বিচার ও শাস্তি প্রদানের প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়, যদিও এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছিল। এ হামলায় ১৬৪ জন মারা যায়, আহত হয় ৩০০ জনেরও বেশি। তার পরও নওয়াজ শরিফ মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন, দুই নেতা একে অপরকে উপহারও দিয়েছেন। ভেবে দেখুন, কী খেল দেখালেন মোদি।
মোদি সরকার ইউপিএ সরকারের প্রস্তাবিত গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স নীতি গ্রহণ করেছে। অথচ বিজেপির নেতৃত্বাধীন রাজ্যগুলোর বিরোধিতার কারণে এটা স্থগিত হয়ে গিয়েছিল, মোদির গুজরাটও এর মধ্যে আছে। এর ফলে সন্ত্রাসবিরোধী তৎপরতা জোরদার হবে, মোদি এর বিরোধিতা করে বলেছিলেন, এটা ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থায় ফাটল ধরাবে।
মোদি তাঁর নির্বাচনী প্রচারণার সময় থেকেই যেসব নীতি পরিহারে উচ্চকণ্ঠ হয়েছিলেন, বিজেপির সমর্থকেরা ইতিমধ্যে এগুলোর সমালোচনা শুরু করেছেন। ভারতীয় জনগণ বিস্ময়ে দেখছে, মোদি পরিবর্তনের কথা বলে বাস্তবে ইউপিএ সরকারের নীতিগুলোই একে একে গ্রহণ করছেন। ইউপিএ সরকারের অংশীদার হিসেবে বলছি, এসব কাণ্ড দেখে কিন্তু খুব খারাপ লাগছে না।
ইংরেজি থেকে অনূদিত: স্বত্ব: প্রজেক্ট সিন্ডিকেট
শশী থারুর: ভারতের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী।
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অধিকারহারা নারী by সালমা খান
বিদ্যমান বৈষম্য সামলে নিয়ে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে পারিবারিক সম্পদ উত্তরাধিকারের হার নারী-পুরুষের একই হওয়ার কথা। কারণ, যখনই একজন পুরুষ কিছু উত্তরাধিকার করেন, তার একটি অংশ নারীরও প্রাপ্য—অর্থাৎ, সম্পদের পরিমাপে ব্যতিক্রম হলেও হার একই হওয়ার কথা। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, সমাজে পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপকতা ও ধর্মীয় অপব্যাখ্যার কারণে নারী বঞ্চিত হচ্ছেন অর্থনৈতিক ন্যায্যতা থেকে।
ভাইয়ের অনুকূলে প্রাপ্য সম্পত্তি ত্যাগ করার, পারিবারিক চাপ এবং লিঙ্গনির্বিশেষে সম্পদে সম–অধিকারের আইনি দুর্বলতার কারণে ঘরে-বাইরে সমান অথবা ক্ষেত্রবিশেষে অধিক শ্রমদান করেও নারীর অর্থনৈতিক ভিত্তি সামগ্রিকভাবে পুরুষের তুলনায় অনেক দুর্বল থেকে যাচ্ছে।
বেসরকারি সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন ও স্টেপস টুয়ার্ডস ডেভেলপমেন্ট কর্তৃক পরিচালিত গবেষণায় প্রতীয়মান হয়, সম্পত্তিহীনতার ব্যাপারটি ওতপ্রোতভাবে নারী উদ্যোক্তা ও প্রতিযোগিতামূলক শ্রমবাজারে প্রবেশের সঙ্গে জড়িত। পারিবারিকভাবে দুর্বল অবস্থান নারীর জন্য অর্থনৈতিক ন্যায্যতা সৃষ্টিতে প্রতিকূল অবস্থার সৃষ্টি করে।
১৯৯৫ সালে চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলনে গৃহীত বেইজিং ঘোষণায় পরিবারে নারীর সমান অধিকার না পাওয়াকে নারীর বঞ্চনা ও দারিদ্র্যের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা আজও বিদ্যমান। যেহেতু নারী সন্তান ও পরিবারের কল্যাণকে পুরুষের তুলনায় অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন, তাই দারিদ্র্য পুরুষের তুলনায় নারীর জীবনে সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে, যা অর্থনৈতিক সুযোগে প্রবেশগম্যতার ক্ষেত্রে নারীর জন্য অধিক সমস্যার সৃষ্টি করে।
উল্লিখিত গবেষণায়ও দেখা গেছে, ৬১ শতাংশ নারী শ্রমিক পুরুষ শ্রমিকের চেয়ে প্রায় অর্ধেক মজুরি পেয়ে থাকেন। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় লিঙ্গভিত্তিক মজুরিবৈষম্যে বাংলাদেশের অবস্থান সবচেয়ে নেতিবাচক। বাংলাদেশের দরিদ্র নারীদের সিংহভাগ, যাঁরা গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োজিত, তাঁদের জন্য নিম্নতম মজুরি ও কর্মঘণ্টা আজও নির্ধারিত হয়নি। অর্থনৈতিক সুযোগে নারীর প্রবেশগম্যতা নিশ্চিতকরণ, নারী উদ্যোক্তার প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকা এবং মজুরিবৈষম্য দূর করতে হলে পরিবারের সদস্য হিসেবে নারী-পুরুষের বৈষম্য দূর করার আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নের সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে পরিবর্তন আনা অতি জরুরি। আমাদের মনে রাখতে হবে, সম্পদহীনতার সঙ্গে নারীর নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টিও জড়িত।
সালমা খান: অর্থনীতিবিদ, নারীনেত্রী।
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যাহা জয় বাংলা তাহাই জিন্দাবাদ! by সোহরাব হাসান

বঙ্গোপসাগরের এই সীমানা বিরোধ নিষ্পত্তি কিন্তু দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে হয়নি। হয়েছে আন্তর্জাতিক আদালতে। শেখ হাসিনার আগের সরকারই আদালতে গিয়েছিল। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ না থাকায় ভারতও তা মেনে নিয়েছে। সে ক্ষেত্রে ভারতের কাছে বাংলাদেশের পরাজয় কীভাবে হলো, বিএনপির নেতারা তা বুঝিয়ে দিলে উপকৃত হতাম। ২০১২ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের সময়ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম প্রথমে অভিনন্দন জানিয়ে পরে তা ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। একেই বলে রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব। ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম গতকাল এক মন্তব্য প্রতিবেদনে বিএনপির এই সংকীর্ণ মনোভাবকে বিকারগ্রস্ত রাজনীতি বলে অভিহিত করেছেন। বলার অপেক্ষা রাখে না যে আমাদের রাজনীতি ক্রমেই বিকারগ্রস্ততার দিকে যাচ্ছে।
এদিকে সরকারি দলের নেতারাও কম যান না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে সমুদ্র বিজয় হতো কি না সন্দেহ। এ পর্যন্ত না হয় মানা গেল। কিন্তু তিনি যখন বিএনপির নেতাদের সমালোচনার জবাবে তাঁদের দক্ষিণ তালপট্টি খুঁজে দেখার পরামর্শ দেন, তখনই খটকা লাগে। তিনি যুক্তি দেখিয়েছেন যে ১৯৮০ সালের পর বাংলাদেশের কোনো মানচিত্রে দক্ষিণ তালপট্টির অস্তিত্ব নেই। ১৯৮০ সালে বিএনপি ক্ষমতায় ছিল। এরপর এরশাদ ক্ষমতায় আসেন। মানলাম, তাঁরা মানচিত্রে দক্ষিণ তালপট্টি না রেখে কবিরাহ গুনাহ করেছে। কিন্তু ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে সেই গুনাহকে লাঘব করার কোনো উদ্যোগ নিল না কেন? দক্ষিণ তালপট্টির অস্তিত্ব নেই—আদালতে বাংলাদেশ এটাই প্রমাণ করতে চেয়েছিল। আর ভারতের চেষ্টা ছিল দক্ষিণ তালপট্টি আছে, সেটা দেখানো। অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ লিখেছেন, ভারতের প্রয়াস সফল হলে বঙ্গোপসাগরে তাদের সীমানা আরও বাড়ত। দ্বীপের চারপাশের কিছু এলাকারও মালিকানা পেত তারা। ভবিষ্যতে বঙ্গোপসাগরে দক্ষিণ তালপট্টি বা অন্য কোনো দ্বীপ জেগে উঠলে তার মালিকানা নিয়েও বিরোধ দেখা দিতে পারে। তাই দক্ষিণ তালপট্টি নেই ভেবে ক্ষমতাসীনদের আহ্লাদিত হওয়ার কারণ নেই।
২.
প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তাঁর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের আলোচনা সভায় বলেছেন, ‘রাজনীতির একটি পক্ষ এখনো স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। মনে-প্রাণে পাকিস্তানের অংশ হয়ে যেতে চায়। যারা জয় বাংলা বলতে লজ্জা পায়, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলে জাতিকে বিভ্রান্ত করতে চায়, তারা পাকিস্তানের এজেন্ট। তাদের সেখানেই চলে যাওয়া উচিত। (সমকাল, ১২ জুলাই ২০১৪)।
কারও নাম উল্লেখ না করলেও বুঝতে অসুবিধা হয় না যে বিএনপিকে উদ্দেশ করেই তিনি এসব কথা বলেছেন। কোনো দলের নীতি ও আদর্শের সমালোচনা করা আর সেই দলকে পাকিস্তানের বা অন্য কোনো দেশের এজেন্ট বানানো এক কথা নয়। এখন বিএনপি বা তার সহযোগী কোনো দল ক্ষমতায় নেই। সজীব ওয়াজেদ যে দলের সদস্যপদ নিয়েছেন, সেই আওয়ামী লীগই ক্ষমতায় আছে মহাপ্রতাপ নিয়ে। অতএব, যাঁরা বিদেশি এজেন্ট হিসেবে বাংলাদেশের ও জনগণের স্বার্থের বিপক্ষে কাজ করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্বটা সরকারেরই। স্বাধীনতার ৪৩ বছর পরও যারা মনে-প্রাণে পাকিস্তানের অংশ হয়ে যেতে চায়, তাদের ঠিকানা তো হওয়া উচিত জেলখানা। কিন্তু সরকার এ পর্যন্ত এই অভিযোগে কারও বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছে বলে জানা নেই।
সজীব ওয়াজেদ জিন্দাবাদের বিরোধিতা করতে গিয়ে বলেছেন, এটি যেহেতু উর্দু শব্দ (আসলে এটি ফারসি শব্দ), সেহেতু বাংলাদেশে চলতে পারে না এবং যারা জিন্দাবাদ বলবে, তাদের পাকিস্তানেই চলে যাওয়া উচিত। তাঁর এই যুক্তি মেনে নিলে বাংলা ভাষাকেই নতুন করে লিখতে হবে। বহু বিদেশি শব্দের সমাহারে হাজার বছর ধরে বাংলা ভাষার ভিত তৈরি হয়েছে। উর্দু শব্দ বলে যদি জিন্দাবাদ পরিত্যাজ্য হয়, তাহলে ‘আওয়ামী’ শব্দটি কেন হবে না? এটিও উর্দু শব্দ। ‘আওয়াম’ শব্দের অর্থ গণ বা জনগণ। সেই ‘আওয়াম’ থেকেই আওয়ামী লীগ নামের দলটির সৃষ্টি হয়েছিল ১৯৪৯ সালে (প্রথমে নাম ছিল আওয়ামী মুসলিম লীগ)। নামের অপরাংশ ‘লীগ’ও নেওয়া হয়েছে ইংরেজি থেকে। আওয়ামী লীগের পুরো নামে কোথাও ‘বাংলা’ নেই বলে কি আমরা এটিকে বিদেশি দল হিসেবে চিহ্নিত করব? একেবারেই না। যেকোনো দলকে বিচার করতে হবে কাজ দিয়ে। কোন দলের নাম উর্দুতে হলো আর কোন দল হিন্দি স্লোগান ব্যবহার করল, সেসব দিয়ে নয়। তা ছাড়া, আওয়ামী লীগ জিন্দাবাদ ত্যাগ করেছে, এ কথাও পুরো সত্য নয়। সংবিধানে জিয়াউর রহমানের প্রবর্তিত ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম’ শব্দটি যেমন আওয়ামী লীগ সাদরে গ্রহণ করেছে, তেমনি জিন্দাবাদও, তবে বাংলা অনুবাদ করে। বিএনপি বা অন্য আরও অনেক দল যেমন বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলে, তেমনি আওয়ামী লীগ এটিকে বাংলা তরজমা করে নিয়েছে: ‘বাংলাদেশ চিরজীবী হোক’। আওয়ামী লীগের সব নেতা জয় বাংলার পাশাপাশি ‘বাংলাদেশ চিরজীবী হোক’ বলে বক্তব্য শেষ করেন।
দোষ শব্দ বা ভাষার নয়। দোষ হলো আমরা সেই শব্দ বা ভাষাকে আমরা কীভাবে ব্যবহার করছি। ইনকিলাব একসময় উপমহাদেশে বিপ্লবীদের স্লোগান ছিল। বাংলাদেশের একজন রাজাকার নেতা সেই নাম ব্যবহার করে পত্রিকা বের করে মানুষের শুভবোধ ও চিন্তার বিরুদ্ধে অবিরাম যুদ্ধ চালিয়েছেন বলে ইনকিলাব শব্দটি বাতিল হয়ে যেতে পারে না। তেমনি জিন্দাবাদও।
৩.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আন্দোলনের ইতিহাস দীর্ঘ। আওয়ামী লীগের নেতাদের দাবি, পঞ্চাশের দশক থেকেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিলেন। কিন্তু জয় বাংলা স্লোগানটি প্রথম উচ্চারিত হয় ১৯৬৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর মধুর ক্যানটিনে ছাত্রলীগের এক কর্মিসভায়। এরপর এটি তরুণদের মধ্যে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় এটি প্রধান রণধ্বনিতে রূপান্তরিত হলেও সব মুক্তিযোদ্ধা এই স্লোগান দেননি। অনেকে সমাজ বিপ্লবের পক্ষে স্লোগান দিয়েছেন। তাহলে জয় বাংলা স্লোগান না দেওয়া মুক্তিযোদ্ধাদেরও কি এখন পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিতে হবে? একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষের মধ্যে জয় বাংলা বা জিন্দাবাদ নিয়ে কোনো বিতর্ক ছিল না। বিতর্ক হয়েছে স্বাধীনতার পরে।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ও তার আগে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জয় বাংলা ছিল বাঙালির রাজনৈতিক স্লোগান। নিপীড়নের বিরুদ্ধে নিপীড়িতের, সুবিধাভোগীদের বিরুদ্ধে অধিকারবঞ্চিতদের স্লোগান। কিন্তু স্বাধীনতার পর এই স্লোগানের চরিত্র পুরোপুরি বদলে যায়। এক দল আরেক দলের বিরুদ্ধে, এক নেতা আরেক নেতার বিরুদ্ধে এই স্লোগান কাজে লাগান। মুক্তিযুদ্ধের সময় যাঁরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছিলেন, তাঁদের একাংশ যেমন স্বাধীনতার পর এই স্লোগানকে বর্জন করে, তেমনি যাঁরা সে সময় জয় বাংলা স্লোগান দিতেন না, আওয়ামী লীগে এসে এখন সেই স্লোগান রপ্ত করেছেন। বর্তমান মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন সদস্য আছেন, যাঁরা এখনো জয় বাংলা বলেন না, তাই বলে কি তাঁরা মনে-প্রাণে পাকিস্তানি হয়ে গেছেন? জয় বাংলা স্লোগানের উদ্যোক্তা ছাত্রলীগ স্বাধীনতার পর বিভক্ত হয়ে পড়লে একাংশ আর এই স্লোগান ব্যবহার করে না। আজও না। তাদেরও কি পাকিস্তানে চলে যেতে হবে?
সত্য যে জয় বাংলা মুক্তিযুদ্ধের প্রধান রণধ্বনি স্লোগান ছিল। আবার এও অসত্য নয় যে, এই স্লোগান দিয়ে অনেক অপকর্মও সাধিত হয়েছে। ১৯৭৩ সালে ছাত্রলীগের ক্ষমতাসীন অংশটি এই জয় বাংলা স্লোগান দিয়েই ডাকসুর ব্যালট বাক্স হাইজ্যাক করেছিল। ১৯৭৪ সালে মুহসীন হলে সাত খুনের হোতারাও এই স্লোগান দিয়েছিল। পরবর্তীকালে এই স্লোগান অনেক দুষ্কৃতকারীর কণ্ঠেও শোনা গেছে। আওয়ামী লীগের নেতাদের দাবি, বর্তমানে সারা দেশে ছাত্রলীগের নামে যে খুনোখুনি, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে, তা করছে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের অনুপ্রবেশকারীরা। তারা কেউই আগের জিন্দাবাদ বা ইসলামি শাসন কায়েমের স্লোগান দিচ্ছে না। জয় বাংলা বলেই এসব করছে। যে স্লোগান একাত্তরের প্রধান (একমাত্র নয়) রণধ্বনি ছিল, সেটি এখন একটি রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক স্লোগানে পরিণত হয়েছে। তাই সবাইকে জোর করে জয় বাংলা স্লোগান দেওয়ানোর চেষ্টা ব্যক্তি ও বাকস্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ বলেই মনে করি।
আর জিন্দাবাদ স্লোগান যাঁরা দিচ্ছেন, তাঁরাও এটিকে অন্যায্যভাবে জয় বাংলার বিপরীতে ব্যবহার করছেন। এর মধ্যে মুসলমানি জোশ আবিষ্কার করছেন। কিন্তু অভিধান অনুযায়ী জিন্দা মানে বেঁচে থাকা, জয়ী হওয়া। সেদিক থেকে জিন্দাবাদ ও জয় বাংলার মধ্যে বড় ফারাক দেখি না। ফারাকটি করেছে স্বার্থবাদী ও সংকীর্ণ রাজনীতি। ক্ষমতাসীন ও ক্ষমতাবহির্ভূত কোনো দলই এই বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। এমনকি নবীন প্রজন্মের প্রতিনিধিরাও নন। একজন ইতিমধ্যে পরীক্ষায় ফেল করেছেন। আরেকজন বাছাই পরীক্ষায় আছেন। দেখা যাক কী করেন?
সোহরাব হাসান: কবি, সাংবাদিক।
sohrabo3@dhaka.net
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
July
(592)
-
▼
Jul 19
(36)
- রানা প্লাজা-তহবিল আছে ক্ষতিপূরণ দেয়া হচ্ছে না by আ...
- খেলা এবং খেলা by ড. মাহফুজ পারভেজ
- আমরা যাবো কোথায়? by শামীমুল হক
- কোহলির ৪২ দিনের ডেটিং সঙ্গী হলেন আনুশকা শর্মা
- চলে যাওয়া মানে ভুলে যাওয়া নয় by সাজেদুল হক
- নিজের যৌনাঙ্গ কর্তন ও নিজেকে ‘ঈশ্বর’ দাবি
- গাজায় নিহতের সংখ্যা ৩০০ পেরিয়েছে
- ‘তারা গুপ্তচর পরিবহন করছিল’
- যাহা জয় বাংলা তাহাই জিন্দাবাদ!
- ইউক্রেনের আকাশ বয়কট
- হঠাৎ অবসরে লাম
- কেনাকাটা করাই হল ঈদের বাড়তি আনন্দ
- স্কুল হামলায় দায়ী আইএসআই
- স্নায়ুযুদ্ধের শত্রুর সঙ্গে আবার বন্ধুত্ব আমেরিকার
- এখনও কৃষ্ণাঙ্গ বিড়ম্বনার শিকার ওবামা পরিবার
- নাঈম শায়নার সেলফি ম্যানিয়া
- ব্যথিত, ক্ষুব্ধ বিশ্ব সমাজ
- প্রিয় মাদিবার জন্মদিনে পরিচ্ছন্নতার আয়োজন
- মোদির পথ বদল
- সামরিক অভিযানে ভেস্তে গেল চতুর্থ বিয়ের স্বপ্ন
- ‘ইসরায়েল বিশ্বসম্প্রদায় থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারে’
- ওবামাকে বিষ মাখানো চিঠি পাঠানোর দায়ে অভিনেত্রীর ...
- যুদ্ধবিরতির সময়ও হামলা থামেনি
- অদেখা হুমায়ূন আহমেদ by নাসির আলী মামুন
- মূল্যস্ফীতির ভুল বার্তাসমূহ by আবুল বাসার
- নরেন্দ্র মোদির ভণ্ডামি by শশী থারুর
- অধিকারহারা নারী by সালমা খান
- যাহা জয় বাংলা তাহাই জিন্দাবাদ! by সোহরাব হাসান
- ইসরাইল-ফিলিস্তিন যুদ্ধবিরতি হয়েও হলো না
- ‘আমি কার হাত ধরবো মা..?’
- কুতুবদিয়ায় ঘরহারা মানুষের চরম দুর্গতি জোয়ারের পানি...
- সৌদিতে জিয়া পরিবারের পুনর্মিলন by কাজী সুমন
- আমিরা হকের পদত্যাগ ডিপ্লোম্যাটিক ডিজাস্টার by কাউস...
- বাংলাদেশ এখান থেকে কোথায় যাবে? by ব্যারিস্টার আবদু...
- কর্নেল জিয়ার জবানিতে -ভিডিওচিত্র মোবাইল কথোপকথন
- ঢাকা পরিণত হয়েছে দুর্ভোগের নগরীতে
-
▼
Jul 19
(36)
-
▼
July
(592)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...













