Sunday, February 7, 2016
কোলনে এবার লাইভ রিপোর্টিংয়ের সময় যৌন হয়রানির শিকার সংবাদিক
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন মোদি’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সব ধর্মই নারী বিদ্বেষী- তসলিমা নাসরিন
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রাজিলে উৎসব, রাজপথে স্বল্প বসনে যুবতী
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কথা নয়, ফাইল ফেরতের প্রত্যাশা প্রধান বিচারপতির
অবসরের পর রায় লেখা নিয়ে বিতর্কের মধ্যে বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী রোববার সাংবাদিকদের কাছে নিজের বক্তব্য দেয়ার পর সুপ্রিম কোর্টের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রধান বিচারপতির এই প্রত্যাশার কথা জানানো হয়।
সুপ্রিম কোর্টের ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকাজ চলাকালীন সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অবসরপ্রাপ্ত বিচারতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী একটি প্রেস কনফারেন্স করেন যা ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে প্রধান বিচারপতির গোচরীভূত হয়। যদিও সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে এ ধরনের প্রেস কনফারেন্স নজিরবিহীন। প্রধান বিচারপতি আশা করেন, বর্তমান ও ভবিষ্যতে মাননীয় বিচারপতিরা কোর্টের পবিত্রতা বজায় রাখার স্বার্থে এরূপ কার্য হতে বিরত থাকবেন।’
‘উক্ত বক্তব্য প্রধান বিচারপতির গোচরে এলে প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারক বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞার দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি প্রধান বিচারপতিকে অবহিত করেন যে, সাবেক বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী তার কাছে লিখিত রায় কিংবা আদেশ গ্রহণ করার জন্য জমা দেননি।’
‘বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি আশা করেন যে, সাবেক বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মিডিয়াতে মামলার রায় ও আদেশ সংক্রান্ত কোনোরূপ বক্তব্য না দিয়ে তার নিকট যতগুলো অনিষ্পিত্তিকৃত রায়ের মামলার ফাইল রয়েছে তা সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল অফিসে অতিস্বত্ত্বর ফেরত প্রদান করবেন, যাতে বিচারপ্রার্থীদের আর ভোগান্তি না হয়।’
এর আগে সকালে আপিল বিভাগের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক অবসরের পর তার লেখা পূর্ণাঙ্গ রায় ও আদেশ গ্রহণ করতে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দিয়েছেন।
রোববার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বরাবর লেখা এ চিঠি জমা দেন বলে বিচারপতি মানিক নিজেই সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।
চিঠিতে বিচারপতি মানিক বলেন, ‘আমার প্রিজাইডিং জজ, মাননীয় বিচারপতি জনাব মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিয়াকে আমার লেখা সমাপ্ত হওয়া রায় ও আদেশগুলো গ্রহণ করার অনুরোধ করলে তিনি অপারগতা প্রকাশ করে বলেন যে, মাননীয় প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা অনুসারে কোনো অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির লিখিত রায় ও আদেশ গ্রহণ করা যাচ্ছে না।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তেলের সঙ্গে কোকেন- পাঁচ আসামির এক দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর
আসামিরা হলেন চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান খান জাহান আলী লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান প্রাইম হ্যাচারির ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা, কসকো বাংলাদেশ শিপিং লাইনসের ব্যবস্থাপক এ কে আজাদ, পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মণ্ডল গ্রুপের বাণিজ্যিক নির্বাহী আতিকুর রহমান, সিকিউরিটিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মেহেদি আলম ও আবাসন ব্যবসায়ী মোস্তফা কামাল। র্যাবের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ রোববার বিকেলে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম নুরুল আলম মোহাম্মদ নিপু শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে ১ ফেব্রুয়ারি খান জাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত।
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী প্রথম আলোকে বলেন, তেলের চালানে কোকেন শনাক্তের মাদক মামলায় গ্রেপ্তার পাঁচ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র্যাব-৭-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন ফারুকী দুই দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের এক দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা র্যাব-৭-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন ফারুকী আজ বিকেলে বলেন, আগে রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামি নূর মোহাম্মদসহ ছয় আসামিকে কয়েক দিনের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কারাগার থেকে নিয়ে যাওয়া হবে। কোকেনের গন্তব্য সম্পর্কে তাঁদের কাছ থেকে তথ্য জানার চেষ্টা করা হবে।
আসামি গোলাম মোস্তফা ও মেহেদি আলমের আইনজীবী কাজী সানোয়ার আহমেদ বলেন, মামলাটি যখন নগর গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করেছিল তখনো আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। নতুন করে রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা না থাকায় রিমান্ড বাতিলের আবেদন করা হয়। কিন্তু আদালত তা নামঞ্জুর করে এক দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ ঘটনার সঙ্গে তাঁদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
গত বছরের ৬ জুন পুলিশের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কোকেন সন্দেহে চট্টগ্রাম বন্দরে সূর্যমুখী তেলের চালান জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। বলিভিয়া থেকে সূর্যমুখী তেলের এ চালানটি উরুগুয়ের মন্টিভিডিও বন্দর হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আনা হয় গত বছরের ১২ মে। চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের খানজাহান আলী লিমিটেডের নামে চালানটি আনা হয়। চালানটি ধরা পড়ার পর প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ দাবি করেন, কেউ তাঁর প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করেছে। এই পণ্য আমদানির সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতা নেই। আমদানি করা তেলের চালানের ১০৭টি ড্রামের মধ্যে ২৭ জুন একটি ড্রামের নমুনায় কোকেন শনাক্ত করা হয়। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রাসায়নিক পরীক্ষাগারসহ চারটি পরীক্ষাগারে তেলের চালানের দুটি ড্রামের (৯৬ ও ৫৯ নম্বর) নমুনায় কোকেন শনাক্ত করে। কোকেন জব্দের ঘটনায় চট্টগ্রামের বন্দর থানায় ২৭ জুন নূর মোহাম্মদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়। তদন্ত শেষে ১৯ নভেম্বর গোয়েন্দা পুলিশ এজাহারভুক্ত আসামি নূর মোহাম্মদকে বাদ দিয়ে লন্ডনপ্রবাসী দুই বাংলাদেশিসহ আটজনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয়। ৭ ডিসেম্বর আদালত অভিযোগপত্রটি গ্রহণ না করে র্যাবকে মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বাজেট বাড়ালে নাটকের সমস্যা অনেক কমে যাবে’
কেমন আছেন? কেমন চলছে সব?
ভালো আছি। কাজ করছি নিয়মিত। শুটিং, বাসা আর সংসার সামলানোÑ এই তো দিন যাচ্ছে। এর মধ্যে ভালো যতটা থাকা যায়।
এখনকার ব্যস্ততা কি?
খ- নাটকে নিয়মিত অভিনয় করছি। এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি নাটকের শুটিং শেষ হয়েছে। আসছে ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে কিছু কাজ করলাম। দারুণ উপভোগ করেছি কাজগুলো করতে গিয়ে। আশা করছি দর্শকের ভালো লাগবে।
নতুন করে ধারাবাহিকে অভিনয়ও শুরু করেছেন...
আফসানা মিমির পরিচালনায় ‘ডলস হাউস টু : সাতটি তারার তিমির’ ধারাবাহিকে অভিনয় করছি। এছাড়া মুরাদ পারভেজের পরিচালনায় ‘রেডিও জকি ও কতিপয় গল্প’ ধারাবাহিকের কাজে হাত দিয়েছি। এর গল্প ভাবনা আমার।
ধারাবাহিকে তো মাঝে উপস্থিতি ছিলেন না অনেক দিন। কারণ কি?
টিভি নাটকে তো দুই বছর যাবৎ এভাবেই যাচ্ছে। কারণ, চলচ্চিত্রের শুটিংয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়। যখন সময় হাতে থাকে তখনই করি। এছাড়া ধারাবাহিকে তেমন কাজ করা হয় না। আসলে ব্যাপারটা হলো ধারাবাহিকে অভিনয় করতে হলে আমাকে সময় দিতে হয়। তাই খুব একটা কাজ ইচ্ছা থাকলেও করতে পারি না।
আপনার পছন্দের জায়গা কোনটি? খ- না ধারাবাহিক?
অভিনয় করাটা আমার কাজ। আর সেটা যে কোনো ধরনের নাটকেই হতে পারে। আমি অভিনেত্রী হিসেবে সব ধরনের নাটকেই কাজ করি। যেহেতু ধারাবাহিকে সময় বেশি দিতে হয় তাই এখানে কাজ কিছুটা কমিয়ে করি। কারণ, আমাকে টিভি নাটকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও সময় দিতে হয়।
এখনকার নাটক নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কি?
আসলে মূল্যায়ন করার মতো সময় বা পরিপক্বতা আমার হয়েছে কিনা জানি না। তবে এটুকু বলতে পারি, এখন ভালো নাটক নির্মাণ হচ্ছে। অনেক ভালো গল্প আসছে। কিন্তু একটা কারণে দর্শক পর্যন্ত নাটক পৌঁছানো যাচ্ছে না।
কি কারণ সেটা?
মাত্রাতিরিক্ত বিজ্ঞাপন। এর কারণে নাটকের দর্শক বিরক্ত। নাটক দেখা ছেড়ে দিয়েছেন বললেই চলে। বিদেশি চ্যানেলনির্ভর হচ্ছেন তারা। অবশ্য বিজ্ঞাপন না প্রচার হলে আবার চ্যানেলও অচল হয়ে যাবে। সবদিকেই সমস্যা। অবশ্য এ সমস্যার সমাধান আসতে পারে ভালো বাজেটের মাধ্যমে। নাটকে বাজেট বাড়ালে সমস্যা অনেক কমে যাবে।
নতুন একটি ছবিতে অভিনয় করছেন...
এ ছবিতে আমাকে অতিথি চরিত্রে দেখা যাবে। সে সঙ্গে একটি গানের দৃশ্যেও দর্শক দেখবেন আমাকে। এটি আসলে শিশুতোষ চলচ্চিত্র। তবে আমাকে তো নায়িকা হিসেবে অনেক ছবিতেই দর্শক দেখেছেন। এবার না হয় ভিন্নভাবে তাদের সামনে আসি। এ এক নতুন অভিজ্ঞতা বলতে পারেন।
কলকাতার একটি ছবিতেও অভিনয় করেছেন। সেটার কি খবর?
‘ষড়ঋপু’ নামের ওই ছবিটিই কলকাতায় আমার প্রথম কাজ। এটি জীবনের অন্য আরেক অধ্যায় বলতে পারেন। কলকাতার এ ছবিটিতে কাজ করতে গিয়ে দারুণ সব অভিজ্ঞতা হয়েছে। নির্মাতা, সহশিল্পী, সর্বোপরি পুরো শুটিং ইউনিট আমাকে বেশ সহযোগিতা করেছে। এর নতুন খবর হলো আগামী এপ্রিলে ছবিটি মুক্তি পাবে। তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে মুক্তির সব প্রস্তুতি নেয়া হয়ে গেছে।
‘দৌড়’ ছবির শুটিং শুরু হচ্ছে কবে?
ছবিটির কাজ শিগগিরই শুরুর কথা রয়েছে। সহশিল্পী থেকে শুরু করে আমাদের সব প্রস্তুতি নেয়া হয়ে গেছে। শুধু কাজ শুরুর অপেক্ষা। আমি ছাড়াও ঢাকাই ছবির অন্যতম নায়ক শাকিব খান, নায়িকা অপু বিশ্বাস ও কলকাতার ইন্দ্রনীল ছবিটিতে অভিনয় করবেন।
কাজের বাইরে অবসরটা কাটে কীভাবে?
আমরা যারা শোবিজে কাজ করি কেউই তো ফ্রি টাইম পাই না। তবে এর মধ্যে যতটুকু সময় হয় মুভি দেখি, বই পড়ি। আর মাঝে মাঝে ফেসবুক তো আছেই। এছাড়া বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডাও দিই কোনো কোনো সময়।
আপনার চলার পথে স্বামী মুরাদ পারভেজের অবদান কতটুকু?
মুরাদের সঙ্গে আমার বাস্তব জীবনের কেমেস্ট্রিটা যেমন, কাজের ক্ষেত্রে সেটা অনেকটাই আলাদা। কাজের জন্য তার কাছে কোনো ছাড় নেই। আর অনুপ্রেরণার কথা? সেটা শতভাগ। আমার ক্যারিয়ারে তার অনুপ্রেরণার কারণে এতদূর আসা সম্ভব হয়েছে। আমি কোনো কাজে সাহস না পেলে মুরাদ তা জুগিয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রিয় আইনমন্ত্রী! প্রধান বিচারপতি হতাশ কেন? by গোলাম মাওলা রনি
প্রধান বিচারপতি বলেছেন- অবসরে যাওয়ার পর রায় লেখা সংবিধানসম্মত নয়। দুনিয়ার কোথাও এমন নজির নেই। আমাদের দেশে দীর্ঘকাল ধরে এটি প্রথা হিসেবে চলে এলেও, বর্তমান প্রধান বিচারপতি তার আমলে অতীতের সেই প্রথাটিকে চালু রাখতে নারাজ। অবসরে রায় লেখা কেন এবং কিভাবে অসাংবিধানিক, তা-ও তিনি চমৎকারভাবে অতি সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন, যা সাধারণ মস্তিষ্কের অল্প বুদ্ধি এবং বোধসম্পন্ন মানুষের বুঝতে কষ্ট হওয়ার কথা নয়। ফলে দেশের সাধারণ মানুষ প্রধান বিচারপতির বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছে এবং একটি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সামনে টেনে আনার জন্য সুধীসমাজ তাকে সাধুবাদ জানিয়েছে। কিন্তু সমস্যা দেখা দিয়েছে অতি চালাক, স্বার্থপর ও দলকানা শ্রেণীর মানুষজনের জন্য। প্রধান বিচারপতির বক্তব্যের পর সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো নড়েচড়ে বসে। তারা বক্তব্যটিতে রাজনৈতিক রঙ লাগান এবং নিজেদের ইচ্ছেমতো বক্তৃতা-বিবৃতি দিতে থাকেন। অনেকে আবার প্রধান বিচারপতিকে টুকটাক খোঁচাও দিতে শুরু করেন।
বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো প্রধান বিচারপতির বক্তব্যকে একটি বিচারিক রায়ের মর্যাদায় উন্নীত করে বলতে থাকেন, সর্বনাশ হয়ে গেছে। সরকার অবৈধ হয়ে গেছে- প্রধান বিচারপতির বক্তব্যের পর সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অবৈধ হয়ে গেছে। কারণ, ওই মামলার চূড়ান্ত রায় লিখেছিলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক তার অবসরে যাওয়ার বহু দিন পর। কিছু অনলাইন পত্রিকা হাল আমলের টকশোজীবী এবং বড়গলায় কথা বলা বিতর্কিত লোকজন ঘটনার গভীরে না ঢুকেই উল্টাপাল্টা বক্তব্য দিয়ে পুরো বিষয়টিকে রাজনীতিকীকরণ করে ফেলেন এবং বক্তব্যদাতা প্রধান বিচারপতিকে বিব্রত করতে থাকেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায়, যাতে সন্দেহপ্রবণ লোকজন প্রপাগান্ডা চালানোর সুযোগ পান এই বলে যে- দেশের আপাত শান্ত রাজনীতি প্রধান বিচারপতির কারণে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। কেউ কেউ মন্তব্য শুরু করেন, তিনি কোন এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য এই সময়ে হঠাৎ করে এমন একটি উদ্ভট কথা বললেন? তিনি কি সরকারের প্রতি বিরূপ ধারণা পোষণ করেন? প্রধান বিচারপতির চেয়ারে বসে এস কে সিনহার সাক্ষ্য সব প্রগাগান্ডার সমুচিত জবাব দেয়া সম্ভব ছিল না। তিনি শুধু ইঙ্গিতে নিজের মনোভাব বোঝানোর জন্য কোনো একটি অনুষ্ঠানে বললেন- পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দশজন বুদ্ধিজীবীর মধ্যে আমাদের প্রধানমন্ত্রী অন্যতম।
বিরোধী দলগুলো যখন প্রধান বিচারপতির বক্তব্যকে তাদের প্রয়োজনে রাজনৈতিক রঙ মাখিয়ে নিজ নিজ দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রচার করে যাচ্ছিল, তখন সরকারের উচিত ছিল বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবেই মোকাবেলা করা। এটা করা মোটেও কঠিন ছিল না। আমার মতো স্বল্পজ্ঞানের একজন আইনের ছাত্রকে যদি দায়িত্ব দেয়া হতো তাহলে আমি বিষয়টিকে এমনভাবে মোকাবেলা করতাম, যাতে প্রধান বিচারপতির সম্মান অক্ষুণ্ন থাকত এবং বিরোধী দলগুলোও চুপ হয়ে যেত। সরকারি দল স্বাভাবিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় না এগিয়ে উল্টো প্রধান বিচারপতিকে আক্রমণ করে বসে। অ্যাটর্নি জেনারেল প্রথমে বলেন- এটা প্রধান বিচারপতির ব্যক্তিগত বক্তব্য। এর সাথে আইন-আদালত ও সুপ্রিম কোর্টের কোনো সম্পর্ক নেই। পরে তিনি আবার বলেন- অবসরে গিয়ে রায় লেখা অবশ্যই সংবিধানসম্মত। সরকারি মদদপুষ্ট উকিল নেতারা এলোমেলো পেঁচানো বক্তব্য দিতে আরম্ভ করেন অনেকটা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হিং টিং ছট্ কবিতার মতো করে। আইনমন্ত্রী বলেন- প্রধান বিচারপতি ব্যক্তিগত হতাশা থেকে এ কথা বলেছেন, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত আরো একধাপ এগিয়ে প্রধান বিচারপতিকে নসিয়তের সুরে বলেন- মুখে লাগাম দিন!
আমি সেনগুপ্ত বাবুর বক্তব্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় যাবো না। কারণ, মুখে লাগাম দেয়ার পরামর্শটি অত্যন্ত অবমাননাকর। লাগাম শব্দটি মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা মোটেও রুচিসম্মত এবং বিবেচনাপ্রসূত নয়। কাজেই ওদিকে না গিয়ে আমরা বরং আইনমন্ত্রীর বক্তব্যটি পর্যালোচনার চেষ্টা করি। এ ক্ষেত্রে আমার প্রথম প্রশ্ন- প্রধান বিচারপতি কেন হতাশ হবেন?
দ্বিতীয়ত, আইনমন্ত্রী কি দেশের প্রধান বিচারপতি সম্পর্কে এ ধরনের বক্তব্য দিতে পারেন কিংবা দেয়ার এখতিয়ার রাখেন? আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধি মতে, আইনমন্ত্রী সরকারকে খুশি করতে গিয়েই কথাগুলো বলেছেন, যা প্রকারান্তরে তার নিজের বিরুদ্ধে চলে গেছে। এ বিষয়ে প্রকৃত ঘটনা অনুধাবনের জন্য প্রধান বিচারপতির বক্তব্যের কিয়ৎ আগেকার কিছু ঘটনা উল্লেখ করা প্রয়োজন।
পত্রিকায় দেখলাম- প্রধান বিচারপতি অ্যাটর্নি জেনারেলকে তার অফিসে ডেকে নিয়ে বলেছেন, বিচারাঙ্গনে অস্থিরতা চলছে। মূলত বিচারকবৃন্দের বেতনভাতা, নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি ও স্বাধীনতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট এবং মন্ত্রণালয়ের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরেই বিভিন্ন বিষয়ে মতানৈক্য চলে আসছিল। সুপ্রিম কোর্ট চাচ্ছেন বিখ্যাত মাজদার হোসেন মামলার রায় মোতাবেক সব ক্ষমতা তাদের হাতে ন্যস্ত থাকুক। অন্য দিকে, সরকারের নির্বাহী বিভাগ, অর্থাৎ মন্ত্রণালয় কিছুতেই তাদের ক্ষমতা হস্তান্তরে রাজি নয়। এ দিকে অন্য একটি মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জেলা জজদের বেতন ও পদবি নির্ধারণ করে দেন এবং অর্থ মন্ত্রণালয়কে সেই রায় বাস্তবায়নের নির্দেশ পাঠান। গত কয়েক বছরে বহুবার তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও সুপ্রিম কোর্টের সেই রায় বাস্তবায়নে অর্থ মন্ত্রণালয় কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। সুপ্রিম কোর্টের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যয়, বেতনভাতা ও বিচারপতিগণের চিকিৎসা এবং আবাসন সঙ্কট নিয়ে অতীতে সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রার অফিস এবং আইন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে বহু দেনদরবার হলেও কোনো ইতিবাচক সুরাহা হয়নি। দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসা বিরোধীয় বিষয়ের সাথে সাম্প্রতিককালে যুক্ত হয়েছে নিম্ন আদালতের বিচারকদের বদলিসংক্রান্ত জটিলতা, যা নিয়ে প্রধান বিচারপতি রীতিমতো বিব্রত অবস্থায় রয়েছেন।
উপরিউল্লিখিত বিষয়গুলোর বাইরে বিচারপতি সামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের নানা কর্মকাণ্ড, কথাবার্তা এবং উৎসাহ-উদ্দীপনা পুরো বিচারাঙ্গনকে অস্থির করে তুলেছে। বিচারপতি চৌধুরী নানা কারণে আলোচিত-সমালোচিত এবং কারো কারো কাছে অতীব বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। সরকারবিরুদ্ধ দল-গোষ্ঠী তাকে কট্টর সরকারপন্থী একজন রাগ চণ্ডাল মানুষ হিসেবে জানে। সরকারি দলে তাকে নিয়ে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। সরকারি দলের প্রভাবশালী নেতারা প্রায়ই অভিযোগ করেন তার বিরুদ্ধে এবং একান্তে প্রশ্ন তোলেন- কে এই মানিক? সরকারের কার সাথে তার পরিচয়, তার ক্ষমতার উৎস কী ইত্যাদি। নবম সংসদের তৎকালীন স্পিকার এবং বর্তমানের রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে বিচারপতি মানিকের কিছু মন্তব্য সারা দেশে ঝড় তুলেছিল। স্পিকারসহ পুরো জাতীয় সংসদ এবং আওয়ামী ঘরানার তাবৎ রাজনীতিবিদ-বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক একসাথে সমস্বরে চিৎকার-চেঁচামেচি করার পরও বিচারপতি চৌধুরীর যখন কিছু হয়নি, তখন সারা দেশের সাধারণ মানুষের মতো বিচারপতি স্বয়ং হয়তো ভেবেছেন- তিনি সত্যিকার অর্থেই সরকারের ওপর প্রভাব বিস্তারকারী একজন মহা ক্ষমতাধর ব্যক্তি।
বিচারপতি মানিক যখন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে দায়িত্বরত ছিলেন, তখন বিভিন্ন মামলা রিট এবং আদালতের স্যুয়োমেটো রুলের ক্ষমতার প্রয়োগ দেখিয়ে তিনি কয়েক দিন পর পরই সারা দেশে হইচই ফেলে দিতেন। সচিব থেকে চাপরাশি, আইজি থেকে চৌকিদার- সবাই বিচারপতি মানিক আতঙ্কে দিনরাত দুঃস্বপ্ন দেখতেন। রাস্তায় কোনো বিচারপতির গাড়ি দেখামাত্র দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ-জনগণ সন্ত্রস্ত হয়ে ভাবত- ওই বুঝি মানিক এসে গেলেন। তিনি যে দিন আপিল বিভাগে পদোন্নতি পেলেন, সে দিন সাধারণ মানুষ ও সরকারি কর্তাদের ভীতু অংশটি হাঁফ ছেড়ে বাঁচল এবং পণ্ডিত প্রকৃতির লোকজন সমীকরণ খুঁজতে ব্যস্ত হয়ে গেল, কেন বিচারপতি মানিককে আপিল বিভাগে স্থান করে দেয়া হলো।
বিচারপতি মানিকের ইদানীংকালের কথাবার্তায় মনে হচ্ছে, তিনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাজটি কাক্সিক্ষত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যাপক ঝুঁকি নিয়েছিলেন। এ কারণে তিনি কয়েকবার শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার পরও দমেননি, বরং দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে গিয়েছেন। তার এই এগিয়ে যাওয়ার পেছনে কী ধরনের স্বার্থ বা ব্যক্তিগত ইচ্ছে-আকাক্সক্ষা ছিল, তা হয়তো তিনি নিজেই ভালো বলতে পারবেন। আমরা সাধারণ মানুষ সব সময়ই ভেবেছি- তিনি মহা ক্ষমতাধর ব্যক্তি, যার অঙ্গুলি হেলনে পুরো বিচারাঙ্গন কেঁপে ওঠে। কিন্তু তিনি যে তা নন এবং তিনিও যে ক্ষমতাহীন অবাঞ্ছিত হয়ে অপমানকর সময় পার করছেন, তা তিনি নিজেই লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে পুরো জাতিকে জানালেন। চিঠিতে তিনি নজিরবিহীনভাবে প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে কিছু গুরুতর অভিযোগ আনলেন এবং নিজের বক্তব্যের ব্যাপারে জনমত সৃষ্টির জন্য প্রধান বিচারপতির একটি একান্ত ব্যক্তিগত টেলিফোন সংলাপ সরকারপন্থী বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ৭১ টিভিতে বিরতিহীনভাবে কয়েক দিন ধরে ঢালাওভাবে প্রচারের ব্যবস্থা করলেন। সারা দেশে শুরু হলো নতুন বিতর্ক, নবতর তোলপাড় এবং মহলবিশেষের তির্যক টিটকারি।
সুপ্রিম কোর্ট স্বপ্রণোদিত হয়ে ৭১ টিভির কর্তৃপক্ষকে আদালতে তলব করলেন, কিন্তু শেষ অবধি দৃষ্টান্তমূলক কিছু না ঘটার কারণে আপাতদৃষ্টিতে বিচারপতি মানিকের সফলতা ফুটে উঠল। এরই মধ্যে তিনি অবসরে চলে গেলেন এবং প্রধান বিচারপতি তার অবসর সময়ের রায় লেখার ব্যাপারে নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন। বিচারপতি মানিক প্রধান বিচারপতির সিদ্ধান্তে বিক্ষুব্ধ হলেন এবং এ ব্যাপারে অতীতের প্রথা এবং নিজের অধিকার বর্ণনা করে প্রধান বিচারপতি বরাবরে পত্র লিখলেন। এই পত্রের অনুলিপি সব মিডিয়ায় প্রকাশিত হলো এবং জনাব মানিক নিজের পক্ষে সাফাই গাওয়ার জন্য কয়েকটি সরকারসমর্থক টিভির কট্টর সরকারি তাঁবেদার টকশো উপস্থাপকের মাধ্যমে রোজ রাতে টিভি টকশোতে অংশ নিতে শুরু করলেন। চার দিকে শুরু হলো নতুন কানাঘুষা, নতুন বিতর্ক এবং একই সাথে অস্থিরতা। এ অবস্থায় প্রধান বিচারপতি জনাব মানিকের অবসরকালীন সময়ে রায় লেখা নিয়ে মন্বব্য করতে বাধ্য হলেন। উপরিউল্লিখিত অবস্থায় সরকারের উচিত ছিল, গোপনে প্রধান বিচারপতির সাথে বসে একটি সম্মানজনক নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেয়া। অন্য দিকে প্রধান বিচারপতির বক্তব্য নিয়ে সৃষ্টি হওয়া রাজনৈতিক বিতর্কগুলো রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলার উদ্যোগ নেয়া। কিন্তু সরকার সে দিকে না গিয়ে যা করল তাতে এক দিকে যেমন সুপ্রিম কোর্টের মানমর্যাদা ক্ষুণ্ন হলো, অন্য দিকে নিজেদের দৈন্য প্রকাশ করে দিলো। আইনমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়ার মোদ্দাকথা হলো- প্রধান বিচারপতি যা বলেছেন তা হয়তো ব্যক্তিগত হতাশা এবং বিচারপতি মানিকের সাথে পেরে না ওঠার ব্যর্থতার গ্লানি থেকে বলেছেন। আইনমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে এ কথাও প্রমাণিত হয়, বিচারপতি মানিক অবসরে গিয়েও রায় লিখতে পারবেন, যা প্রথা অনুযায়ী আইনগতভাবে বৈধ। অবসরে রায় লেখার বিষয়টি পৃথিবীর কোথাও নেই এবং এটি বাংলাদেশের সংবিধানের পরিপন্থী- প্রধান বিচারপতির এই বক্তব্যও আইনমন্ত্রীর কথায় পাল্টা চ্যালেঞ্জে পড়েছে, যা সার্বিক বিবেচনায় সরকারের বিপক্ষে যাবে।
আইনের একজন সাধারণ ছাত্র হিসেবে আমার মনে হচ্ছে, প্রধান বিচারপতির বক্তব্যই সঠিক এবং বিরুদ্ধবাদীরা জেনে-শুনে ভ্রান্ত ধারণা প্রচার করছেন। প্রথা অনুসরণের ধারণাটি এসেছে ব্রিটিশ কমন ল থেকে। কোন কোন ক্ষেত্রে প্রথা অনুসরণ করা যাবে এবং কোন ক্ষেত্রে বিধিবদ্ধ আইনের কারণে প্রথা অনুসরণ করা যাবে না, তাবৎ দুনিয়ায় মোটামুটি সেটেলড হয়ে গেছে। কোনো প্রথা অনুসরণ করতে গিয়ে যদি বিধিবদ্ধ কোনো আইনের ব্যত্যয় হয়, তাহলে অবশ্যই সেই প্রথাটির আইনগত অগ্রাধিকার সৃষ্টি হয় না। বিচারপতিগণের শপথ, অবসরে যাওয়ার পর শপথের বাধ্যবাধকতা না থাকা এবং রাষ্ট্রীয় নথির গোপনীয়তাসংক্রান্ত আইনের কারণে অবসর সময়ে রায় লেখা বিধিসম্মত নয়। অন্য দিকে বিষয়টি একেবারেই সংবিধানসম্মত নয়। সংবিধানের কোথাও লেখা নেই যে- অবসরে গিয়ে রায় লেখা যাবে না, এই যুক্তিতে বিষয়টিকে সংবিধানসম্মত বলা যাবে না, কারণ সংবিধানে এ কথাও লেখা নেই যে, অবসরে বসে রায় লেখা যাবে। সংবিধানের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য ও রাষ্ট্র, রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা এবং বিচারপতিগণের কার্যকাল সম্পর্কিত ধারাগুলো বিশ্লেষণ করলে অবসরে রায় না লেখার ব্যাপারে একাধিক নির্দেশনা বের করা যাবে। কিন্তু পুরো সংবিধান তন্ন তন্ন করে খুঁজেও একটি অন্তর্নিহিত নির্দেশনা বের করা যাবে না, সেটার বলে বলীয়ান হয়ে বলা যাবে যে, অবসরে বসে যত দিন ইচ্ছে তত দিন সময় নিয়ে আদালতের পুরো নথি নিজগৃহে এনে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি তার কার্যকালীন মামলার রায় লিখতে পারবেন এবং আদালতের এজলাসের পরিবর্তে আদালতের সিঁড়ির ওপর দাঁড়িয়ে টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে পুরো জাতির উদ্দেশ্যে রায়সংক্রান্ত বয়ান পেশ করতে পারবেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইএসের সঙ্গে মিত্রতা আছে ৩৪টি গ্রুপের
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সন্ত্রাসী তৎপরতার কারণে ১২৫০০০ টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাবরি মসজিদ ধ্বংস: আদভানির বিরুদ্ধে মামলা করবে হিন্দু মহাসভা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উত্তর কোরিয়ার রকেট উৎক্ষেপণ, উত্তেজনা, নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বান
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরিয়ার শরণার্থীদের জন্য সীমান্ত খুলে দিতে তুরস্ককে অনুরোধ ইইউ’র
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ক্রিকেট উজ্জ্বল দিগন্তে বাংলাদেশ’ by অধ্যাপক রায়হান আহমেদ
পৃথিবীর বহু দেশের মানুষের মুখে মুখে ঘুরে ফিরছে বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে খেলাটির প্রসঙ্গে নানা গুণীজনের নানান মন্তব্য। অনেক ক্রিকেট তারকারাই মনে করেন বাংলাদেশের সাথে বিমাতাসুলভ আচরণ করা হয়েছে। বাংলা দেশের অধিনায়ক মাশরাফি অঝুর ধারায় মাঠে কেঁদে ফিরেছেন এমন বিমাতাসুলভ আচরণের জন্যে। আমার জিজ্ঞাসা থাকবে খেলার মাঠে বাংলাদেশের সাথে এই বৈরিতা কেন? মানুষের কাছে ক্রিকেট এক পরিচ্ছন্ন খেলার প্রতিচ্ছবি। যদিও ক্রিকেট খেলা এখন আর তার বিতর্ক এড়াতে পারছে না। তাহলে কি বিশ্ববাসী খেলা নামে খেলার রাজনীতি দেখবে। এটাতো হয় না। এবং হতেও পারে না এমন কি হওয়াটাও উচিত নয় বলে আমি মনে করি। কারণ সবকিছুর মধ্যে রাজনীতি ঢুকে গেলে, স্বার্থ ঢুকে গেলে, খেলা রাজনীতি হয়ে গেলে, মানুষ তাহলে দাঁড়াবে কোথায়?
বাংলাদেশ একটি ছোট ও উন্নয়ন মুখী দেশ বলে এবং একটি ক্রিকেট উজ্জ্বল দেশের বীর সন্তানেরা তাদের ভালো খেলার যোগ্যতাও রাখতে পারবে না! এটি কি ধরনের মানসিকতা। বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রধান কর্মকর্তা এমন কি সরকারের পক্ষ থেকে আইসিসির কাছে এই সমস্ত বিতর্কিত বিষযগুলোকে জোর উচচারণে তুলে ধরা উচিত বলে আমি মনে করি। আমাদের মনে রাখতে হবে বাংলাদেশ এগিয়েছে, এদেশের ক্রিকেট শিল্পও অনেক এগিয়েছে। সে কারণে এই ক্রিকেট শক্তিকে বিশ্বের দরবারে আমাদের ন্যার্য্য অধিকারের ভিত্তিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। ক্রিকেট বিশ্বকে বুঝাতে হবে খেলার যোগ্যতাই আসল, দেশ ছোট কি বড়, ধনী কি গরীব সেটা বিবেচ্য নয়। ক্রিকেটকে গুটি কয়েক দেশ শাসন করতে চায়, এই মোড়লিপনা ও হীন মনোভাব ত্যাগ না করলে ক্রিকেট পিছিয়ে পড়বে। ক্রিকেট তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারাবে। আমরা ক্রিকেট উজ্জ্বল বাংলা দেশ, তা চাই না। কথা একটাই, খেলা হউক আনন্দের অন্যতম স্থান। আর খেলা নামক জায়গাটি থাকুক রাজনীতি-শক্তি-প্রভাব ও কলঙ্কমুক্ত, তা হউক দেশে কিংবা বিদেশে।
ক্রিকেটে বাংলাদেশের দারুণ প্রত্যাশা ছিল এবং আছে। তাই প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির যোগ অবশ্য সব সময় হয়না কিন্তু একটা ভালো খেলা দেখার আশা অন্তত সকালেই করতে পারে। আমার বিশ্বাস আমাদের দামাল ছেলেরা সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে একদিন কাঙ্খিত জয় ছিনিয়ে আনবে। বাংলাদেশের উদীয়মান ক্রিকেট প্রেমি ছেলে মেয়েদের আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে নতুন বাংলাদেশ যে বাংলাদেশ কে বিশ্বকাপে অবাক বিস্ময়ে দেখেছে সবাই। শুধু তাই নয়, সাকিব, তামিম, মাশরাফি, মুশফিক তাঁরকারাও এ নিয়ে আশাবাদী ভবিষ্যৎ নিয়ে। তাছাড়া বিশ্বকাপের মঞ্চ সৌম্য, সাব্বির ও তাসকিনের মতো নতুনেরা আলো ছড়িয়েছেন। আরও অনেক ক্রিকেট প্রতিভা উঠে আসছে। সাকিবের সাথে সুর মিলিয়ে আমিও বলতে চাই বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য আরও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। একই ভাবে এই আশাবাদের কথা জানিয়েছেন উইজডেন ইন্ডিয়া কে দেয়া এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে। সাকিব, তামিম, মুশফিক, মাশরাফি, রুবেল ও মাহমদুল্লাহর মতো ক্রিকেট তাঁরকারাও বলেছেন এখন আমরা আগের চেয়ে বেশি ভালো মনের ও মানের খেলোয়াড় পাচ্ছি। অনেক বেশি খেলোয়াড় থেকে দল বেছে নেয়ার সুযোগ হচ্ছে। তাছাড়া তরুণেরাও দলে আসার পর ভালো খেলছেন। এর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বিশ্বকাপে সৌম্য-তাসকিন দলে আসার পর দ্রুত তাদের ভালো খেলাটা আমাদের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত। তবে কেউ এসে মুখে খাবার তুলে দেবে না। আসল কাজটা নিজেদেরই করতে হবে। তার সাথে যদি সমস্ত বিভাগুলোতেও আরও অবকাঠামো তৈরি করলে এবংপ্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে অনেক অজানা ক্রিকেটার কে তোলে আনা যায়, যেমন বিপিএল এর মত সূদুর প্রসারি পরিকল্পনা আরও জোরদার করা যায় তবে ক্রিকেট আরও শক্তি শালী হবে বলে আমার বিশ্বাস। তার সাথে জাতীয় ক্রিকেট দলকে আরও বেশি সফরে গিয়ে খেলার সুযোগ করে দিতে হবে।
আরও মনে পড়ে দুই হাজার ছয় সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সাকিবের অভিষেক হয়, তখন বিষয়টি এমন ছিল যে, বাংলাদেশ নিজেদের দিনে যে কোন দলকে হারাতে পারে তেমনটি প্রমান হয়েছে। তাছাড়া দুই হাজার নয় সালের জানুয়ারিতে ওয়ানডে তে প্রথম বারের মত বিশ্ব সেরা অল রাউন্ডার নির্বাচিত হলেন সাকিব আল হাসান। পুরো বিশ্ব তখন থেকে বুঝতে শিখলো ক্রিকেট আমরা ও পারি। বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জাতীয় ক্রিকেট দল হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। সুতরাং তারা দি টাইগার নামেও বিশ্বের কাছে পরিচিত। আমি শুধু একজন বাঙালি টাইগার সমর্থক হিসেবে নয়, একজন ক্রিকেট প্রেমী হিসেবেও বলতে চাই উনিশ মার্চ দুই হাজার পনেরো তে ক্রিকেট ইতিহাসে যে কালো অধ্যায় রচিত হয়েছে তা যেন ভবিষ্যতে আর কোন খেলায় রচিত না হয়। এই কামনাই করি। বাংলাদেশকে সমীহ করে না বিশ্ব ক্রিকেটে এমন দেশ হয়তো এখন আর নেই। যা এদেশের ক্রিকেট প্রশাসনসহ সমস্ত জাতির জন্য গর্বের বিষয়। তাই আমি ও আমাদের সবার আকুল আবেদন থাকবে ক্রিকেট প্রশাসন সহ সকল রাজনৈতিক নেতৃবিন্দের প্রতি, বাংলার উজ্জ্বল ক্রিকেট যেন রাজনীতির বাহিরে থাকে। আমি বলতে বাধ্য হলাম এই জন্য যে,আমাদের দেশের রাজনীতি সর্বত্র বিরাজমান। তাই আমার অনুরোধ মাত্র। আর এটাই যদি আমরা মেনে চলতে পারি তবেই ক্রিকেট উজ্জ্বলের সাথে সাথে দেশটাও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দেখা পাবে বলে আমার ও আমাদের সবার বিশ্বাস। বাংলাদেশের অনেক প্রতিভাবান তরুণ যারা নিজেদের আগমনী বার্তা বিশ্ব ক্রিকটে জানান দেবার অপেক্ষায় আছে। যেমন নাঈম, মোস্তাফিজ, মেহেদী, লিমন, সজীব আরও নাম না জানা কত নাম অপেক্ষায় আছে ক্রিকেট উজ্জ্বল লিস্টে। শুধু ক্রিকেট প্রশাসন বিপিএল এর মতো আরও কার্যকরী ভূমিকা অব্যাহত রাখতে হবে।
এক সময় ক্রিকেট স্টার ব্রায়ান লারার শেষ জিজ্ঞাসা ছিল ‘ডিড আই এন্টারটেইন্ড ইউ’ এটাই যেন শেষ পর্যন্ত সত্য হলো। দিন শেষে ক্রিকেট কোন জীবন মরণের ব্যাপার নয়। ক্রিকেট একটা খেলা যার সাথে উচ্চারিত হয় স্পিরিট অব ক্রিকেট। যার সাথে জড়িত আছে নির্মল বিনোদন আর তুখোড় স্কিল এর প্রদর্শনী। ক্রিকেট ছিল, আছে, থাকবে। অপেক্ষায় আছি ক্রিকেটে বাংলাদেশ একদিন বিশ্ব সেরা হবে সেই দিনের। বাংলাদেশের ক্রিকেট এখন আর হাঁটার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বাংলাদেশ ক্রিকেট এখন একটি রেসের ঘোড়া যার দৌড় শুরু হয়েছে মাত্র যেতে হবে আরও বহু দূর একথা সবার মাথায় রেখে দৃঢ় মনোবল নিয়ে কাজ করার প্রত্যয়ে থাকতে হবে। তবেই জয় নিশ্চিত। আর এই নিশ্চিত কে চিনিয়ে আনতে চাই টিম ওয়ার্ক তার সাথে আত্মবিশ্বাস।
দুই হাজার পনেরো সালের অধিনায়ক মাশরাফির শুরুটাই ছিল গৌরবের। শুরুতেই চ্যালেঞ্জ অস্টেলিয়া নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ওয়ান্ডে বিশ্ব কাপ। অধিনায়ক মাশরাফির দল চমকে দিল বিশ্বকে। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়াটার ফাইন্যালে খেললো টাইগারেরা। তাও ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম শক্তি ইংল্যান্ডকে হারিয়ে। এই আসরেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অসাধারণ দু’টি বল করে নায়ক হয়েছিলেন বিশ্বকাপের আগে অখ্যাত নায়িকা হেপির সঙ্গে বিতর্কে জড়ানো রোবেল হোসেন। এই বছরেই অভিষেকে ব্যাট হাতে আস্থার মান রাখেন তরুণ সৌম্য সরকারও। তাছাড়া সেই আসরেই পরপর দুই সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে মাহমুদুল্লাহ জ্বলজ্বল তারা হয়ে রইলেন। দেশে ফিরে এ যেন অন্য রকম এক বাংলাদেশ। তাছাড়া পাকিস্তানের বিপক্ষে ষোল বছর পর ওয়ান ডে জয় দিয়ে শুরু আর যার শেষ হলো তাদের হোয়াইট ওয়াশ দিয়ে। এর পর ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ান্ডে সিরিজ জয়। বছর টি দলের জন্য কাটে রূপকথার মতোই। কারণ ওয়ান ডে র্যাংকিয়ে এখন বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ওযেষ্টইন্ডিজ কে টপকে সাত নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে। টেস্টেও খারাপ নয়, এই বছরই ক্রিকেটে সর্বাধিক চার ড্র। দেশের হয়ে তামিমের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির সঙ্গে ইমরুলকে নিয়ে ওপেনিংয়ে তিনশত বারো রানের ইতিহাস গড়া জুটি। তাছাড়া পাঁচটি টি ম্যাচ খেলে সারা বছরে দুই জয়ের একটি আবার পাকিস্তানের বিপক্ষে। তাই টেস্ট ও ওয়ান্ডের তুলনায় টি টুয়েন্টি যেন মিটি মিটি আলোর তারা। বাংলাদেশ ক্রিকেট আঁধার কাটিয়ে আলোর পথে ছুটে চলা যেন এক দ্রুতগামী রকেট। যেখানে শেষ ছয় মাসে চমকের পর চমক দেখিয়ে যুক্ত হয়েছেন গতি বালক মুস্তাফিজ। বিশ্বকাপ থেকে ছুটে চলার ফুয়েল টুয়েন্টি ফিফটিন এ বাংলাদেশ দল ছুটে চলার রকেটের ফুয়েল পেরেছিল ওয়ান্ডে বিশ্বকাপ থেকে। যা দেশের মাটিতে ছুটে চলার গতি বাড়িয়ে দিয়েছিল দ্বিগুণ। মনে হচ্ছে টুয়েন্টি ফিফটিন ছিল টাইগারদের দখলে।
পরিশেষে আমি বলতে চাই। ব্যক্তি কোন্দল, সামাজিক কোন্দল, রাজনৈতিক কোন্দল, পারিবারিক কোন্দল এবং দলীয় কোন্দল সবকিছু কে আলতো করে পিছনের দরজা দিয়ে ঠেলে দিয়ে সামনের দরজা দিয়ে এগিয়ে যান এবং টিম ওয়ার্ক কে শক্তিশালী করুন ইনসাআল্লাহ আপনাদের কঠোর পরিশ্রমে ক্রিকেট ভবিষ্যৎ একদিন বিশ্ব জয়ের মুখ দেখবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। তার সাথে সাথে সকল মিডিয়া কর্মকর্তাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ থাকবে আপনারা বাংলা দেশের ক্রিকেট কে তুলে ধরেছেন ঠিকই কিন্তু আমার ও আমাদের দাবি থাকবে এটাকে আরও বৃহৎ আকারে তুলে ধরবেন তা দেশে কিংবা বিদেশে। আর তাতে করে আমাদের ক্রিকেটাররা যেমন উৎসাহ পাবে তেমনটি দেশ ও জাতির ক্রিকেটের প্রচার হবে সারা বিশ্বে। যা ক্রিকেটের জয়কে ছিনিয়ে আনতে লাঘব হবে। সর্বোপরি আমার ও দেশের মানুষের দোয়া থাকবে আপনাদের সাথে। এগিয়ে যান শক্ত মনোবল নিয়ে, মনে রাখবেন এখন আর পিছন ফিরে তাকানোর সময় নয়। ইনশা-আল্লাহ জয় হবে নিশ্চয়। ষোলো কোটি মানুষের দোয়া তো আছেই। ‘ক্রিকেট দলটা যেন একটি সুখী পরিবার হয়’।
‘সাবাস বাংলাদেশ’ ‘সাবাস ক্রিকেট টিম’ সাবাস। ভূলেও ভেবোনা তোমরা শুধু একা। মনে রেখো তোমরাই ষোলো কোটি মানুষের গর্বের অহঙ্কার।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চা শ্রমিকের ঘাড়েও সরকারের লম্বা হাত! by জয়া ফারহানা
বাস্তবে ‘অশিক্ষিত’, ‘অপদার্থ’, ‘হতদরিদ্র’, ‘নির্বোধ’ চা শ্রমিকদের ডেকে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, জমি রক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে চা শ্রমিকদের করা আবেদন আইন অনুযায়ী আমলে আনা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ সেই ১৮৬৫-তেই ব্রিটিশ ডানকান চা কোম্পানির কাছে সরকার এই ৫১১ একর জমি লিজ দিয়েছে। এখন সরকার শ্রমিকদেরই স্বার্থে এখানে ইইজেড (এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এতে ২০০০ চা শ্রমিকের জায়গায় লাখ লাখ শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। খুবই ভালো কথা। দেখা যাচ্ছে, রাষ্ট্র আইনের প্রতি যতখানি শ্রদ্ধাশীল, শ্রমিক স্বার্থরক্ষার ব্যাপারে তার চেয়ে কোনো অংশে কম নয়! কিন্তু ‘বোকাসোকা’ শ্রমিকরা তো বলছেন অন্যরকম। তারা ভাবছেন বংশপরম্পরায় তারা কেবল চা পাতা তোলা অথবা চা সংশ্লিষ্ট কাজগুলোই শিখেছেন। তাদের দক্ষতাও কেবল এ কাজেই। এখন ইকোনমিক জোনের নামে যে মহাযজ্ঞ সাধিত হবে, যে এলাহি কাণ্ড অনুষ্ঠিত হবে, অত মহা মহা কাজে কি তাদের অংশগ্রহণ থাকবে? তারা ভাবছেন, থাকবে না। মহা এ ইইজেড প্রতিষ্ঠা হলে মূলত কাজ পাবে এলাকার বাইরের লোকজন, যারা এসব শিল্পের কাজে দক্ষ। আর ভিটেমাটি থেকে সমূল উচ্ছেদ হতে হবে তাদের। কী জানি, তারা বোধহয় তাদের মূর্খামির কারণেই সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বুঝতে অসমর্থ! বেশি বেশি উন্নয়ন মানে যে, বেশি বেশি মুনাফা, অ..নে..ক মুনাফা, এ বস্তু এখনও তাদের মাথায় ঢোকেনি। এ নগরের রিকশাওয়ালা, ঠেলাগাড়িওয়ালা, গার্মেন্টসহ বিভিন্ন কলকারখানার শ্রমিক, বস্তি-গলিঘুঁজির খেটে খাওয়া মানুষ এরা প্রায় সবাই কিন্তু উদ্বাস্তু, উন্মুল। খোঁজ নিলে দেখা যাবে, ঢাকায় এ ভাসমান অবস্থার আগে এদের প্রত্যেকের না হলেও অধিকাংশেরই উল্লেখ করার মতো ছোটখাটো সামাজিক পরিচিতি ছিল। এক-দু’কানি কৃষি জমি ছিল, দু-একটা গরু কিংবা গবাদিপশু ছিল। গ্রামের সমাজে তাদের মতামতের একটু হলেও মূল্য ছিল। সামাজিক বিবিধ কর্মকাণ্ডে কিছুটা হলেও অংশ ছিল। এখন এ শহরে তাদের একমাত্র পরিচয় রিকশাওয়ালা...। গত জোট সরকারের আমলে খুলনায় পর্যায়ক্রমে পাটকলগুলো লে-অফ ঘোষণা হলে যে মানবেতর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল এবং তার সামাজিক অভিঘাত কী হয়েছিল সেকথা কোথাও লেখা নেই। পাটকলগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর শ্রমিকদের চেয়ে বিপদে পড়ল ফোরম্যান বা এ অবস্থানের কর্মচারীদের পরিবার। অধিকাংশ পরিবারের মেয়েদের কাজের অভাবে, নানা পরিস্থিতির পাকে চক্রে শেষ পর্যন্ত আশ্রয় মিলেছিল বানিশান্তা ব্রথেলে। আমরা গার্মেন্ট ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে বড়াই করি। আন্তর্জাতিক বাজারে পোশাক শিল্প রফতানিতে দ্বিতীয় অবস্থান নিয়েও আস্ফালনের শেষ নেই। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে পোশাকে আমাদের এক্সেসের কারণ যে অসম্ভব সস্তা শ্রম- হ্যাঁ এ অসম্ভব সস্তা শ্রমের কথাও আমরা প্রায়শই বলি বটে; কিন্তু কতটা সস্তা সেটা, সে বিষয়ে গভীর জানাশোনা কি আমাদের আছে?
চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি উল্লেখ করতে তো সত্যিই সাহসের দরকার। তবু ওই সস্তা শ্রমেই সেখানে থাকতে চাচ্ছেন তারা। চা বাগান তাদের কাছে নিছক বাগান নয়। ওইখানে আসলে তাদের হৃদয়ও পোতা। না, কেবল আলংকারিক অর্থে কথাটা বলা নয়। চা বাগানের ভেতর যারা জীবনযাপন করছেন, চা বাগানকে ঘিরে বেড়ে উঠছেন অথবা বাগানের সংস্কৃতি যাদের রক্তে মিশে আছে, চা তাদের শরীরের অংশের মতো। এ সংস্কৃতি থেকে তাদের উচ্ছেদ করার অর্থ তাদের হত্যা করাই। এ অমানবিক কাজটি না করে অন্তত তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলার পরিবেশ তৈরি করা দরকার। পরিবেশ কী, পরিষ্কার কথা বলা দরকার।
রসায়নবিদরা বলেন, প্রমাণিত সত্য পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ গন্ধ থাকে চা’য়ে। এমনকি তা শ্যানেল-২৫ বা গোলাপের গন্ধের চেয়েও শ্রেষ্ঠতর।
সকালে দৈনিক পত্রিকার সঙ্গে এক পেয়ালা চা না হলে নগরবাসীর দিন আলুনি হয়ে যায়, সেই চা পানের সময় এখন আপনি ঠিকঠাক সেই গন্ধ পাচ্ছেন তো? জানি পাচ্ছেন। কারণ আপনাকে তো আর ৬৯ টাকা মজুরিতে দিন চালাতে হচ্ছে না।
জয়া ফারহানা : কলাম লেখক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা নিয়ে আশা-নিরাশার কথা by রিফাত আফরোজ ও তানজীবা চৌধুরী
অভিভাবকদের একটা বড় অংশ মনে করেন এ পরীক্ষাটি তাদের সন্তানদের পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করেছে। অনেকেই বলেন, ছেলেমেয়েরা এখন আগের চেয়ে বেশি পড়াশোনা করছে। তারা এখন খেলাধুলা, টিভি দেখা কমিয়ে পড়াশোনায় বেশি মনোযোগী হয়েছে। তাদের সন্তানরা এখন নিয়মিত স্কুলে যায়, বাড়ি ফিরে সন্ধ্যায় পড়তে বসে, আবার সকাল হলে স্কুলে যায়। সুতরাং বেশিরভাগ মা’ই মনে করছেন তাদের সন্তানরা অনেক বেশি শিখছে। এ পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি প্রতিযোগিতার মনোভাব তৈরি হয়েছে বলে তারা মনে করেন। একজন অভিভাবক বলেন, তার ছেলে চতুর্থ শ্রেণীর চেয়ে পঞ্চম শ্রেণীতে অনেক বেশি পড়াশোনা করছে। তাদের মতে, ভালো রেজাল্টের আশায় শিক্ষার্থীরা এখন নিজ থেকেই বেশি পড়াশোনা করছে।
একই রকমের চিত্র উপ-আনুষ্ঠানিক এবং অন্যান্য স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও দেখা গিয়েছে। বেশিরভাগ মায়ের মতে, তাদের সন্তানকে এখন আর বকাঝকা দিয়ে পড়তে বসাতে হয় না। একজন অভিভাবক বলেন, তার সন্তানের পড়ার চাপ দেখে তিনি তাকে বিশ্রাম নিতে বললে সে তা উপেক্ষা করে পড়াশোনা চালিয়ে যায় আর কারণ হিসেবে বলে, পড়া মুখস্থ না হলে শিক্ষক বকা দেবেন এবং সে অন্য সবার থেকে পিছিয়ে পড়বে। আরেকজন মায়ের মতে, এ পরীক্ষা চালু হওয়ার ফলে শুধু নিজের স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যেই নয়, অন্য স্কুল ও অন্যান্য আত্মীয়স্বজনের সঙ্গেও এ প্রতিযোগিতা চলে। যার ফলে বাবা-মা’র এবং নিজের সম্মানের দিকে তাকিয়ে শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করার চেষ্টা করে।
সমাপনীর আরেকটি সুফল খুব জোরালোভাবে অভিভাবকরা বলেছেন, তারা মনে করেন সমাপনী পরীক্ষার ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষাভীতি কমে গিয়েছে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে স্বল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষা দিত। কেবল তারাই বাইরের কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পেত; কিন্তু বর্তমানে সব শিক্ষার্থীই মডেল টেস্ট থেকে শুরু করে সমাপনী পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এর ফলে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ ও তাদের জানাশোনার পরিধি এবং সাহস বাড়ছে।
তবে শিক্ষার্থীরা সমাপনীর ফলে বেশ চাপের মধ্যে পড়ছে এরূপ মন্তব্যও এসেছে। তৃতীয়, চতুর্থ শ্রেণীতে শিক্ষার্থীরা যা পড়েছে, পঞ্চম শ্রেণীতে তার সঙ্গে কোনো মিল নেই বলেই এ সমস্যাটির উদ্ভব হয়েছে বলে অনেকে বলেছেন। পঞ্চম শ্রেণীতে শিক্ষার্থীদের অনেক বেশি পড়ালেখা করতে হচ্ছে। তাছাড়া আগের শ্রেণীগুলোতে পড়াশোনা এত কোচিং বা প্রাইভেটনির্ভর ছিল না। এখন বিদ্যালয়ের ক্লাসের পাশাপাশি কোচিং, প্রাইভেট এবং সবখানেই নিয়মিত পরীক্ষা থাকছে যার প্রস্তুতির জন্য বাড়িতে এসেও অনেক বেশি পড়ার চাপ থাকছে। ফলে পড়াশোনার বাইরে অতিরিক্ত সময় আর থাকছে না। এখন পরীক্ষার আগে প্রতিদিন ১৫ থেকে ১৬ ঘণ্টা পড়তে হয়। অনেক সময় অনিচ্ছা সত্ত্বেও অভিভাবকদের চাপে বই নিয়ে বসতে হয়। একজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করে, তার ঘুম পেলে, এমনকি শরীর খারাপ থাকলেও সে পড়া থেকে অব্যাহতি পায় না। শিক্ষার্থীদের কয়েকজন জানায়, সারা দিন ক্লাস, পরীক্ষা, প্রাইভেট শেষে বাসায় ফেরার পর তাদের প্রায়ই মাথাব্যথা করে। কিন্ডারগার্টেন স্কুলের একজন অভিভাবক বলেন, আমার মেয়ে স্কুল ও বাড়ি মিলিয়ে দিনে ১৬ ঘণ্টা পড়াশোনা করে। সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত সব বিষয় না পড়লে সৃজনশীল প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়া যায় না। একজন মা বলেন, পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীদের খাওয়া আর ঘুম ছাড়া বাকি সময় পড়াশোনা করতে হয়। ইবতেদায়ি মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণীর অধিকাংশ শিক্ষার্থীই জানায়, পড়ার চাপ এখন মাদ্রাসা এবং বাড়ি দুই জায়গাতেই অনেক বেশি। তারা সকালে ঘুম থেকে উঠে ফজরের নামাজ পড়ে এবং এক ঘণ্টা বাড়িতে বসে পড়ে। এরপর প্রাইভেট পড়তে যায়। সেখানে পড়া শেষ করে ৯.৩০ থেকে ১২টা পর্যন্ত কোচিং করে। ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত আবার কখনও কখনও ৩টা বা ৪টা পর্যন্ত তারা মাদ্রাসায় ক্লাস করে। এদের মধ্যে কিছু শিক্ষার্থী বিকালে আবার আরবি পড়তে যায়। ক্লাস, কোচিং, প্রাইভেট এবং বাড়িতে ফিরে এসে পরের দিনের পড়া প্রস্তুত করতে করতে সারাদিন কেটে যায়। বছরের শুরুর দিকে বিদ্যালয়ে পড়াশোনার চাপ কিছুটা কম থাকে; কিন্তু বছরের মাঝামাঝি এসে বিদ্যালয় থেকে অনেক বেশি পড়া দেয়া হয় এবং বাড়িতে এসে সেগুলো মুখস্থ করতে হয়। সব মিলিয়ে বছরজুড়েই তারা পর্যাপ্ত খেলার সময় পায় না, টিভি দেখতে গেলে বাবা-মার বকা খেতে হয় এবং কোনোভাবেই রাত ১০টার আগে ঘুমাতে পারে না। শিক্ষার্থীরা জানায়, আগে তারা অন্তত শুক্রবারে খেলতে, টেলিভিশন দেখতে বা বেড়াতে যেতে পারত যা এখন আর সম্ভব হচ্ছে না। পাশাপাশি তারা ভালো রেজাল্ট হবে কিনা সে বিষয়ে দুশ্চিন্তায় থাকে। একজন প্রধান শিক্ষক বলেন, শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ সময় ক্লাস করায় তাদের মাঝে একঘেয়েমি চলে আসে, ফলে তারা পড়ালেখার প্রতি অনীহা প্রকাশ করে। শারীরিকভাবে দুর্বল কিছু ছাত্র মাথাব্যথায় বা অন্যান্য অসুস্থতায় ভোগে। সরকারি স্কুলের একজন ছাত্র বলে, ‘স্কুলে আমাদের নিয়মিত ক্লাস, পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট নেয়া হয়। এছাড়া বাসায় খালি বলে পড়তে বস, পড়তে বস, টিভি দেখা ও বেড়ানো প্রায় বন্ধ।’
সমাপনী পরীক্ষার প্রবর্তন হওয়ার ফলে আরেকটি জিনিস বেড়েছে সেটি হল অভিভাবকদের আর্থিক চাপ। কোচিং ফি, বাসার জন্য আলাদা শিক্ষকের বেতন, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের বেতন, গাইড বই কেনা, মডেল টেস্ট, সাজেশন এবং সমাপনীর রেজিস্ট্রেশনের খরচ সবমিলিয়ে একটা বড় ধরনের খরচ হয়ে যায়। সরকারি স্কুলে পড়ছে এমন একজন শিক্ষার্থীর পিতা বলেন, ‘আগে কোচিং এরকম বাধ্যতামূলক ছিল না, হয়তো ছাত্ররা প্রয়োজনে প্রাইভেট পড়ত। কিন্তু এখন কোচিং বাধ্যতামূলক। সেজন্য খরচটাও বেড়েছে। প্রতি মাসে ৫০০ টাকা এ বাবদ খরচ হয়’। কেজি স্কুলের একজন শিক্ষার্থীর পিতা বলেন, ‘সমাপনী পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগের কারণে এ খাতে ব্যয়ও আগের চেয়ে বেড়েছে। স্কুলের কোচিং যেহেতু বাধ্যতামূলক তাই সেখানে প্রতি মাসে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা দিতে হচ্ছে। বাইরের কোচিং ফি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকার কম নয়। আবার বাসায় শিক্ষক রাখলে আরও ২ থেকে ৩ হাজার টাকা দিতে হয়। এছাড়া খাতা, কলম, গাইড বই ইত্যাদি মিলিয়ে খরচও বেশ বেড়েছে’।
একজন ছাত্রের বাবা বলেন, ‘শুধু আমি না, আমার আত্মীয়দেরও একই অবস্থা। বছরের শুরু থেকেই সবাই খুব চিন্তায় পড়ে। সবাই A+ চায়। সবার একটা চিন্তা থাকে যে ভালো ফলাফল না হলে ভালো স্কুলে ভর্তি হওয়া যাবে না। কিন্তু শিক্ষার্থীরা তো বাচ্চা মানুষ, ওদের খেলাধুলা করতে এবং টিভি দেখতে ইচ্ছা করে। অনেক সময় পড়তে বসার জন্য জোর করা লাগে। কিছু করারও নেই। পড়া এত বেশি। ভালো ফলাফল করাও ভীষণ জরুরি।’ একজন বাবা বলেন, ‘স্কুলে বলা হয় পুরো বই পড়তে, কোচিংয়ে ২ থেকে ৩টা গাইড বইয়ের ওপর জোর দেয়া হয়। আবার মডেল টেস্টের প্রশ্নপত্র কিছুটা ভিন্ন রকম হয়। তাহলে কীসের ওপর বেশি গুরুত্ব দেব? কোনো রকমের দিকনির্দেশনা পাওয়া যায় না। অনেক সময় শিক্ষকরা মডেল টেস্টের প্রশ্নের যথাযথ উত্তরও দিতে পারেন না। আমার মেয়েকে আমি সবই পড়াচ্ছি। সুতরাং পড়ার চাপ ক্রমশ বাড়ছে।’
এছাড়া পরীক্ষায় বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির প্রভাবও অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে পড়তে দেখা গেছে। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার হলে দেখাদেখি করে লিখতে পারবে এমন একটি বিশ্বাস নিয়েই যায় এবং অভিভাবকরাও সন্তানকে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন জোগাড় করে দেয়ার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালান। শিক্ষার্থীরা নিজেরাই স্বীকার করে যে, তারা অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিক্ষার্থীকে দেখে লেখার সুযোগ করে দেয় যাতে করে সে পাস করে যেতে পারে, শিক্ষকরা এ ব্যাপারে কোনো আপত্তি করেন না। আবার এমন চিত্রও দেখা গেছে, সবচেয়ে ভালো শিক্ষার্থীও সমাপনী পরীক্ষায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলে, কারণ প্রশ্ন ফাঁস হওয়ায় তার থেকে কম মেধাসম্পন্ন শিক্ষার্থীরা ভালো পরীক্ষা দেয়। এটি শিক্ষার্থীর মনে দুর্নীতির ভিত তৈরি করে দেয় যাতে সাহায্য করে তার পিতামাতা আর শিক্ষকরাই; যাদের কাছ থেকে তার সুনাগরিক হওয়ার শিক্ষা পাওয়ার কথা। অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষার খরচ এখন যেমন অনেক বেড়েছে, পাশাপাশি মৌলিক ও আনন্দময় শিক্ষা, শিখনফল অর্জনের মতো লক্ষ্যগুলো কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ রেখে বর্তমান প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা ব্যস্ত রয়েছে পরীক্ষা গ্রহণে যার পরিচালনা নিয়ে রয়েছে নানা বিতর্ক এবং যা শিক্ষার্থী ও অভিভাবক উভয়ের জন্য ফলদায়ক না হওয়ার সম্ভাবনাই দেখা যাচ্ছে। শ্রেণীকক্ষে মানসম্মতভাবে শিক্ষাদান করার বিকল্প যে আর কোনো কিছুই হতে পারে না, সে বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে।
রিফাত আফরোজ ও তানজীবা চৌধুরী : শিক্ষা গবেষক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিরাপত্তা চেয়ে আগেই পুলিশের কাছে আবেদন করেছিলেন বাবুল
রাজু মাতুব্বর জানান, পুলিশের হয়রানি থেকে বাঁচতে ছয় মাস আগে গত বছরের ১৬ই আগস্ট পুলিশের মিরপুর বিভাগের ডিসি’র কাছে আবেদন করেছিলেন তার বাবা। ওই আবেদনে বাবুল লিখেছিলেন, ‘আমি ইলেকট্রিক্যাল কাজসহ যখন যে কাজ পাই, তখন সে কাজ করে কোনোরকমে পরিবার নিয়ে দিন যাপন করে আসছি। আমি কোনো মাদক খাইও না এবং বিক্রিও করি না। লোক মারফত শুনতে পাই, আশপাশের ঘরের লোকজন নাকি মাদক বিক্রয় করে। উক্ত ঘরে মাদক বিক্রেতাদের খুঁজতে এসে পুলিশ আমাকে নানাভাবে হয়রানি করে। গত বছর আমি আপনার অফিসে একটি দরখাস্ত দেয়ার পর গত এক বছর ধরে থানা-পুলিশ আমাকে হয়রানি করেনি। বর্তমানে আবার থানা-পুলিশ আমাকে হয়রানি করে আসছে। ফলে আমি সব সময় পুলিশের ভয়ে থাকি। থানা-পুলিশ অন্যদের খুঁজতে গিয়ে যাতে আমাকে হয়রানি না করে, এই বিষয়ে শাহ্ আলী থানাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান এবং আমাকে স্বাভাবিক জীবনযাপন করার সুযোগদানে আপনার মর্জি হয়।’ ওই চিঠি দেয়ার পর রাজু বলেন, ‘ডিসি থানায় বলে দিয়েছিলেন। কিছুদিন পুলিশ ডিস্টার্ব করেনি। কিন্তু মাস খানেক ধরে তারা আবার চাঁদা চাওয়া শুরু করে বলে রাজু জানান।
এদিকে চাঁদা না পেয়ে চা বিক্রেতা বাবুল মাতুব্বরকে পুড়িয়ে হত্যার পর অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা। তবে বুধবার এ ঘটনার পর থেকে গতকাল শনিবার পর্যন্ত তিন দিনেও পুলিশি তদন্তে পুলিশ সদস্যদের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেনি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। যদিও ঘটনার পরবর্তী দু’দিনে শাহ্ আলী থানার তিন এসআইসহ পাঁচ জনকে সাময়িক বরখাস্ত ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। এ দিকে দু’দিনের রিমান্ডে থাকা পারুল বেগমের কাছ থেকেও তেমন কোন তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা একই থানার উপ-পরিদর্শক মো. রোকনুজ্জামান। আজ ঘটনাস্থলের পাশে গুদারাঘাটের বাসায় পরিবারের পক্ষ থেকে নিহত বাবুলের কুলখানি আয়োজনের কথা রয়েছে।
এই আলোচিত হত্যাকা-ের পর গতকাল শনিবার সিলেটে এক অনুষ্ঠান শেষে পুলিশ মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক বলেছেন, কোন পুলিশ সদস্য যদি অপরাধ করে থাকে, সে দায়িত্ব তার নিজেরই । কারও ব্যক্তিগত অপরাধের দায় পুলিশ বাহিনীর নয়। তবে তদন্তে যদি কোনো পুলিশ সদস্যের অপরাধ প্রমাণ হয়, সে ক্ষেত্রে আমরা চাকরিচ্যুত করতেও দ্বিধা করি না। প্রায় অভিন্ন হুঁশিয়ারি সিআইডি প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি শেখ হিমায়েত হোসেনের। গতকাল ঝিনাইদহে সিআইডির একটি ক্যাম্প উদ্বোধন শেষে তিনি বলেন, পুলিশের ভাল কাজ সাধারণ মানুষের মাঝে আস্থা বৃদ্ধি করে। মানুষ আশান্বিত হয়। আর পুলিশ খারাপ কাজ করলে কঠোর ব্যবস্থাও নেয়া হবে। এমনকি মামলা হবে, পুলিশকে জেলহাজতেও পাঠানো হবে। একই ধরণের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার। গতকাল নিজ কার্যালয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশের সোর্স পরিচয়ে কেউ চাঁদাবাজি করলে তাদের ছাড় দেয়া হবে না। পুলিশের সোর্স পরিচয়ে কেউ যদি চাঁদাবাজি করে, সেক্ষেত্রে যার কাছে চাঁদা চাওয়া হবে, অথবা বিষয়টি কারও দৃষ্টিগোচর হলে তাৎক্ষণিক পুলিশের কাছে অভিযোগ করবেন। এতে কোন পুলিশ সদস্য জড়িত থাকলে, তার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ বা থানার ওসি ও সংশ্লিষ্ট জোনে উপ-কমিশনারকে জানাতে হবে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। পুলিশের অভিযানে সোর্স নিয়ে যাওয়া যায় কিনা, জানতে চাইলে মারুফ হোসেন বলেন, এ ধরনের সুযোগ নেই। এটি যদি কেউ করেন, নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. মোকতারুজ্জামান মানবজমিনকে বলেন, গত দু’দিন আমি মামলা তদন্তে তিন বার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রত্যক্ষদর্শীসহ পাঁচজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশ জড়িত থাকার কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ মিলেনি। কয়জন মিলে এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দু’দিনের রিমান্ডে থাকা পারুল বেগমও জিজ্ঞাসাবাদে চাতুরি করে কথা বলছেন। দোষও স্বীকার করেনি।
এদিকে পুলিশ কর্মকর্তাদের হুঁশিয়ারি ও তদন্ত সম্পর্কে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার মানবজমিনকে বলেন, পৃথক তদন্ত কমিটি ঘটনার তদন্ত করছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তাও দায়ের করা মামলাটির তদন্ত করছেন। এখনও তেমন বেশি কিছু জানা যায়নি। তদন্ত প্রতিবেদনও হাতে আসেনি। প্রতিবেদন পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রত্যাহারকৃত পুলিশ সদস্যদের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এখনও তেমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঝাড়ুদার পদের জন্য ১৯হাজার এমবিএ ডিগ্রিধারী’র আবেদন
ঝাড়–ারের ১১৪টি খালি পদের জন্যে অনলাইনে ফর্ম আপলোডিং এখনও চলছে। এই পদের জন্যে যাঁরা দরখাস্ত জমা দিয়েছেন তাদের মধ্যে অধিকাংশই স্নাতক, স্নাতকোত্তর, বি টেক এবং এমবিএ ডিগ্রিধারীরা রয়েছেন। তবে এই পদের জন্যেও বাছাই প্রক্রিয়া এখন বন্ধ রয়েছে। কারণ ঝাড়–দার সংগঠনের তরফে দাবি তোলা হয়েছে শুধুমাত্র বাল্মীকি কমিউনিটির অন্তর্ভূক্ত সদস্যদেরই এই চাকরি দিতে হবে।
এরআগে পঞ্জাবের ভাতিন্ডায় পিওনের পদের জন্যে এমফিল, এমএসসি ও বি টেক প্রার্থীরা চাকরির আবেদন জানিয়ে ছিলেন। ভাতিন্ডা জেলা আদালতে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মী নিয়োগের জন্যে ১৯টি পদ খালি আছে, আবেদন পত্র পড়েছে সাড়ে আট হাজার। সেখানেও এক ছবি। চতুর্থ শ্রেণীর পদের জন্য চাকরিতে আবেদন করেছেন এমফিল, বি টেক, এমসিএ, এমএ ও বিএড প্রার্থীরা।
পিওনের পদের জন্যে নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্কুল ফাইনাল পাস ও সাইকেল চালাতে জানতে হবে।মাসিক বেতন ৪ হাজার ৯০০ টাকা থেকে ১০ হাজার ৬৮০ টাকা। এছাড়া ১৩০০ টাকা গ্রেড পে পাবে, তবে তাও দুবছরের প্রবেশনারি পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর। শুধুমাত্র কিছু বাছাই করা প্রার্থীকেই ৪ হাজার ৯০০ টাকা দেওয়া হবে প্রবেশনারি পিরিয়ড চলাকালীন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লন্ডনে কৃতিত্বের স্বাক্ষর অর্থমন্ত্রীর ভাতিজা রাইম সেলিমের
রাইমের আদি নিবাস সিলেটের সুবিদ বাজার। বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবী মরহুম সৈয়দ জাহাদার মিয়া রাইমের দাদা আর বৃহত্তর সিলেটের বিখ্যাত জমিদার মরহুম মিয়া সৈয়দ আজমল আলী চৌধুরীর ছেলে আবুল বশর চৌধুরীর ছোট কন্যা ও মরমী কবি সৈয়দ আশহর আলী চৌধুরী প্রপৌত্রী মরহুমা সৈয়দা জুমেয়া খাতুন রাইমের দাদী। রাইমের নানা সমাজসেবী আলহাজ্জ্ব মোহাম্মদ আব্দুল মোসাব্বির বর্তমানে সিলেটের টুলটিকর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘৮ জন মানুষ পুড়ে ছাই হয়া গেল বিচার পাল্যাম না বাহে’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
-
▼
2016
(3416)
-
▼
February
(648)
-
▼
Feb 07
(51)
- কোলনে এবার লাইভ রিপোর্টিংয়ের সময় যৌন হয়রানির শিকার...
- ‘দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন মোদি’
- সব ধর্মই নারী বিদ্বেষী- তসলিমা নাসরিন
- ব্রাজিলে উৎসব, রাজপথে স্বল্প বসনে যুবতী
- কথা নয়, ফাইল ফেরতের প্রত্যাশা প্রধান বিচারপতির
- তেলের সঙ্গে কোকেন- পাঁচ আসামির এক দিন করে রিমান্ড ...
- ‘বাজেট বাড়ালে নাটকের সমস্যা অনেক কমে যাবে’
- প্রিয় আইনমন্ত্রী! প্রধান বিচারপতি হতাশ কেন? by গোল...
- আইএসের সঙ্গে মিত্রতা আছে ৩৪টি গ্রুপের
- সন্ত্রাসী তৎপরতার কারণে ১২৫০০০ টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ
- বাবরি মসজিদ ধ্বংস: আদভানির বিরুদ্ধে মামলা করবে হিন...
- উত্তর কোরিয়ার রকেট উৎক্ষেপণ, উত্তেজনা, নিরাপত্তা প...
- সিরিয়ার শরণার্থীদের জন্য সীমান্ত খুলে দিতে তুরস্কক...
- ‘ক্রিকেট উজ্জ্বল দিগন্তে বাংলাদেশ’ by অধ্যাপক রায়হ...
- চা শ্রমিকের ঘাড়েও সরকারের লম্বা হাত! by জয়া ফারহানা
- প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা নিয়ে আশা-নিরাশার কথা by রি...
- নিরাপত্তা চেয়ে আগেই পুলিশের কাছে আবেদন করেছিলেন বাবুল
- ঝাড়ুদার পদের জন্য ১৯হাজার এমবিএ ডিগ্রিধারী’র আবেদন
- লন্ডনে কৃতিত্বের স্বাক্ষর অর্থমন্ত্রীর ভাতিজা রাইম...
- ‘৮ জন মানুষ পুড়ে ছাই হয়া গেল বিচার পাল্যাম না বাহে’
- তারেকের শাশুড়ি হওয়াতেই মামলা: ফখরুল
- এবারে আক্রমণের লক্ষ্য সিনেটর রুবিও
- রাজপুত্রের জন্মে ভুটানে আনন্দের বন্যা
- সামরিক শক্তি বাড়িয়েই চলেছে ইরান
- ২০ বছরে বিলীন হতে পারে সুন্দরী গাছ
- কফিনে ফেরত পাঠানো হবে সৌদি-তুরস্কের আগ্রাসী সেনাদের
- ঝাঁকে ঝাঁকে মরছে কাক : আতঙ্ক রাজশাহীতে
- অপরাধ করলে বিচার হয় না সব পুলিশের by আবু সালেহ আকন
- বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় আবারো সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠ...
- ভারত জয় করতে আইপিএলে মুস্তাফিজ
- রিনার রুপালি আনন্দ
- যেখানে মুশফিক-সৌম্যদের ‘সান্ত্বনা’
- মুদ্রণে ‘চতুর্থ’ মাত্রা!
- ২০৩০ সালে ৫০০ কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারী: জাকারবার্গ
- পরিবেশবান্ধব প্রথম ওভেন পোশাক কারখানা উদ্বোধন
- মসলিনের ইন্দ্রজাল ছড়াল মুগ্ধতা
- নদীর জায়গা দখল করে দোকান নির্মাণ
- সম্পদ কেন্দ্রীকরণ কি বন্ধ করা সম্ভব? by মুহাম্মদ ই...
- বাংলাদেশে রাজনীতি বেশি, উন্নয়ন কম -মানবজমিনকে মাহা...
- দুই কারণ স্তব্ধ করে দিতে পারে উদারমনাদের কণ্ঠ
- ভূমিকম্পে কাঁপল তাইওয়ান- ধসে পড়েছে একাধিক বহুতল ...
- আম্মু আমাকে মাফ করে দিও -শান্তার শেষ চিরকুট
- যারা নিরাপত্তার দায়িত্বে তারাই আগুনে পুড়িয়ে মারছে ...
- র্যাগিংয়ের নামে নিপীড়ন
- আমিনুল পাশে না দাঁড়ালে জিয়া হয়তো তার ভাগ্য তাহেরের...
- সব উপজেলাকে সমান গুরুত্ব দিন -প্রকৌশলীদের প্রধানমন...
- বিচারপতিদের ডাকা মানে স্বাধীনতা খর্ব করা
- ভয়ঙ্কর গাড়ি পার্টি
- এরশাদকে পদত্যাগ করাতে সচেষ্ট ছিলেন মেজর জেনারেল সালাম
- কেউ খোঁজ নেয়নি
- গাছ থেকে পড়ছে কাক, তারপর মরছে
-
▼
Feb 07
(51)
-
▼
February
(648)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


















