Thursday, June 22, 2017
‘স্বেচ্ছায় মৃত্যুদণ্ড’ চান রাজীব গান্ধী হত্যা মামলার আসামী
![]() |
| ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী ১৯৯১ সালের ২১শে মে দক্ষিণ ভারতে এক বোমা হামলায় নিহত হন। |
ওই ব্যক্তি এখন নিজেই বলছেন তিনি "মৃত্যুর অনুমতি" চান।
রাজীব গান্ধীর হত্যা মামলায় শ্রীলঙ্কার বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন তামিল টাইগার্সের যে সাত সদস্যকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে, রবার্ট পায়াস তাদের একজন।
রবার্ট পায়াস তামিলনাডুর সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তাকে যেন 'যন্ত্রণাহীনভাবে মেরে ফেলা হয়' বা 'স্বেচ্ছায় মৃত্যুদণ্ডে'র অনুমতি দেয়া হয়।
এই অনুমতি চেয়ে মি: পায়াস বলেছেন যে, তার পরিবারের কেউই তাকে আর দেখতে আসেন না। তার জেল থেকে বের হওয়ারও আর কোনো আশা নেই।
২৬ বছর কারাগারে থাকার পর জীবনের এখন আর কোনো অর্থ নেই বলছেন রবার্ট পায়াস।
যদিও ভারতের তামিলনাডু সরকার চেয়েছিল এই সাতজনকেই মুক্তি দিতে কিন্তু তার বিরুদ্ধে আবেদন করে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। আর ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট তামিলনাডু সরকারকে এক নোটিশ জারি করেন যে আসামিদের সাজা মওকুফের কোনো সুযোগ নেই।
এনডিটিভি তাদের প্রতিবেদনে বলছে রাজ্য সরকারের কাছে লেখা ওই চিঠিতে মি: পায়াস বলেছেন "তামিলনাডু সরকার আমাদের সমর্থন করলেও কেন্দ্রী সরকারের কাছ থেকে কোনো ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তারা আমাদের মুক্তির বিষয়টা এতই নীরব, মনে হচ্ছে যে আমার জীবন যেন কারাগারেই শেষ হয় সেটাই তারা চায়"।
রাজীব গান্ধীকে হত্যায় জড়িত সবাই শ্রীলঙ্কার বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন তামিল টাইগার্সের সদস্য।
ওই হত্যা মামলায় তিন আসামীকে মৃত্যুদণ্ড ও চারজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছিল আদালত। পরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীদের প্রাণভিক্ষার আবেদনের প্রেক্ষিতে তাদের সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।
ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী ১৯৯১ সালের ২১শে মে দক্ষিণ ভারতে এক বোমা হামলায় নিহত হন। নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয়ার সময় তাঁর ওপর এক তামিল গেরিলা এই আত্মঘাতী বোমা হামলা চালায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঈদ: তারিখ জানতে বিজ্ঞানের দ্বারস্থ হতে সমস্যা কোথায় by আহ্রার হোসেন

উনত্রিশতম রোজার সন্ধ্যেবেলায়, অর্থাৎ আগামী রবিবার জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেয়ার পরই নিশ্চিতভাবে জানা যাবে ঈদের দিনটি। ঐতিহাসিকভাবেই এমনটা হয়ে আসছে।
কিন্তু জোতির্বিজ্ঞানিরা অনেক আগেই হিসেবে করে বের করে ফেলেছেন, এবার রোজা হবে উনত্রিশটি, ঈদ হবে সোমবার।
এমনকি তারা আগামী ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতিটা ঈদের দিন তারিখ, প্রতিটি হিজরি মাস শুরু হওয়ার সুর্নির্দিষ্ট দিন জানেন।
বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের প্রয়াত অধ্যাপক আনোয়ারুর রহমান খান আগামী ২০২৫ সাল পর্যন্ত চাঁদের এই গতিবিধির হিসেব করে গেছেন।
ততদিন পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রতিটি ঈদের দিনক্ষণ, প্রতিটি হিজরী মাসের শুরু হবার সময় এখন জোতির্বিজ্ঞানীদের জানা।
সোসাইটির সহ-সভাপতি মুনির হাসান বিবিসিকে এ তথ্য জানিয়ে বলছেন, "আমরা বলছি, নতুন চাঁদের জন্ম হবে শনিবারে। কিন্তু সে চাঁদটা দেখা যাবে না। কারণ সেটার আলোকিত অংশ এত কম যে সেটা আমাদের চোখে পড়বে না। রোববারে সন্ধে সাতটা একুশ মিনিটে চাঁদের আলোকিত অংশ অনেক বেশি অর্থাৎ ১৪% থাকবে, ফলে সেটা খালি চোখে দেখা যাবে"।
"এটা কিন্তু শুধু চাঁদের বেলায় না, আমরা আপনাকে বলতে পারব এর পরের সূর্যগ্রহণটি কবে হবে, এর পরের চন্দ্রগ্রহণটা কবে হবে। খুবই সহজ হিসেব এটা, ক্যালকুলেশন করেই বের করে ফেলা যায়"।
অথচ প্রতি বছর ঈদ এলেই মানুষের মনে প্রশ্ন জাগে উনত্রিশ রোজা শেষে ঈদ হবে না কি ত্রিশ রোজা শেষ ঈদ হবে। এই প্রশ্নের উত্তর জানা যায় উনত্রিশতম রোজার সন্ধেবেলায়।
কারণ জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি ওইদিন সন্ধেবেলায় এসে একটি বৈঠক করে ঠিক করে মাসটি উনত্রিশ দিনে হবে নাকি ত্রিশ দিনে হবে।
আর এজন্য তাদের ব্যবহৃত একমাত্র পদ্ধতি হলো খালি চোখে চাঁদ দেখা। অর্থাৎ, বাংলাদেশের ভূখণ্ড থেকে এই চাঁদ দেখা কমিটির নির্ভরযোগ্য কোনো ব্যক্তিকে স্বচক্ষে চাঁদ দেখতে হবে।
কিন্তু যেখানে বৈজ্ঞানিক হিসেব নিকেশের মাধ্যমে যেখানে দিনটি সম্পর্কে আগেভাগেই নিশ্চিত জোতির্বিজ্ঞানীরা, সেখানে শেষ দিন পর্যন্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা কেন?
চাঁদ দেখা কমিটির সদস্য ও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ভারপ্রাপ্ত খতিব মিজানুর রহমান বলছেন, "যদি তাদের হিসেবে ১% গড়মিল হবারও সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, সেক্ষেত্রে কি করবো আমরা? সেক্ষেত্রে আমাদের দেখার উপরেই নির্ভর করতে হবে"।
মি: রহমান বলছেন, ঈদ, রোজা, হিজরী মাস ইত্যাদি যেহেতু ইসলাম ধর্মের বিধান অনুযায়ী চলে, সেহেতু তারা ধর্মীয় নির্দেশনা মেনেই এটা করবেন, এটাই নিয়ম।
অ্যাস্ট্রোনোমিক্যাল সোসাইটি যদিও তাদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রবিবার সন্ধেবেলায় চাঁদ উঠবার কথা হিসেব নিকেশ সহকারে বলে দিচ্ছে, কিন্তু এখানে তারা 'নিশ্চিত' শব্দটি ব্যবহার না করে 'সম্ভাবনা' শব্দটি ব্যবহার করছে ওই ইসলামী নিয়মের ব্যাপারটি মাথায় রেখেই।
যদিও সোসাইটির মুনির হাসান বলছেন, তারা হিসেব শুরু করার পর থেকে অদ্যবধি কখনো ভুল প্রমাণিত হননি, আশা করেন ভবিষ্যতে ভুল হবে না।
কিন্তু এটাও ঠিক, আপনি যদি এখনই জেনে যান ২০২৫ সাল বা তারও অনেক বছর পর পর্যন্ত প্রতিটি ঈদুল ফিতরের দিনক্ষণ, তাতে উত্তেজনা কোথায়।
বরং উনত্রিশতম রোজার সন্ধেবেলায় নিজ চোখে চাঁদ দেখে ঈদের দিনক্ষণ সম্পর্কে জানার মধ্যে একটি আনন্দের ব্যাপার আছে বৈকি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঈদের কেনাকাটায় ভারতের বাজারে কেন ছুটছে বাংলাদেশীরা? by শায়লা রুখসানা

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এর হিসেবে চলতি বছরের এগারো মাসেই টুরিস্ট ভিসায় ভারতে যাওয়ার জন্য ৫৭ মিলিয়ন ডলার(৫কোটি ৭০ লাখ ডলার) বৈদেশিক মুদ্রা করা হয়েছে যা গত বছরের তুলনায় ১০ মিলিয়ন বেশি।
আর ঢাকায় ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভ্রমণ ভিসা নিয়ে যারা যাচ্ছেন তাদের একটা বড় অংশই যান ঈদের আগে এবং ভারতেই তারা ঈদের কেনাকাটা সেরে ফেলছেন।
ফলে বড় একটি ক্রেতা হারাচ্ছে বাংলাদেশের বাজার।
ভারতের পণ্যের প্রতি বাংলাদেশের ক্রেতাদের এই আগ্রহ কেন?
ঢাকার ফার্মগেট এলাকার বাসিন্দা ফারহানা ওয়ারিস। রোজার আগে আগে ভারতের কোলকাতায় গিয়েছিলেন পুরো পরিবার নিয়ে। সামনে ঈদ আর সেটা মাথায় রেখে কিনে এনেছেন বেশকিছু পোশাক। এর আগেও যতবার গিয়েছেন প্রতিবারই ভারতে ভ্রমণের পাশাপাশি বাড়তি আকর্ষণ থাকে কেনাকাটা।
তিনি বলেন, "দেশের কাপড়ের সাথে ভারতের কাপড়ের পার্থক্য প্রধানত দাম বেশি। ওদের কাজ ভাল, কালার কম্বিনেশন ভালো। ওখানকার পোশাক এনে বাংলাদেশে বিক্রি করে কিন্তু দাম রাখে দুইগুণের বেশি"।
কয়েকবার ভারতে গিয়েছেন ধানমন্ডি এলাকার ফাহমিদা মাহবুব। তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম বাড়তি কী আকর্ষণ কোলকাতার বাজারে যেজন্য বাংলাদেশের বাজার ছেড়ে তারা ভারতে যাচ্ছেন?
ফাহমিদা মাহবুব উল্টো প্রশ্ন করেন, "একইসঙ্গে বেড়ানো এবং কেনাকাটা দুটোই করা যায়। তাহলে মানুষ কেন যাবে না।?"
তিনি বলেন, "দাম আর মান ছাড়াও আর একটা বড় ব্যাপার হল ব্যবহার। ভারতে যেকোনো দোকানে আপনি দুশো টাকার শাড়ি কিনলে একশোটা শাড়ি দেখাবে । কিন্তু বাংলাদেশের দোকানিদের মধ্যে সেটা নেই"।
তিনি বলেন "এখানে অনেকসময় বিক্রেতারা পোশাক পছন্দ না হলে ক্রেতারা ফিরে গেলে তখন অনেক আজে-বাজে কথা বলেন বিক্রেতারা, আমি নিজে দেখেছি"।
'রমজানে দশজনের মধ্যে ৪জনই বাংলাদেশের কাস্টমার'
রমজান শুরুর আগ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার নিউমার্কেট এলাকাসহ এর আশপাশের বিপনীবিতানগুলোতে শুরু হয় বাংলাদেশি ক্রেতাদের ভিড়। আর এই সংখ্যাটা ঈদের আগ পর্যন্ত বাড়তে থাকে।
ভারতীয় দোকান মালিকেরা জানান, ঈদ এর একেবারে এক সপ্তাহ আগেই কোলকাতা থেকে কেনাকাটা চুকিয়ে বাংলাদেশীরা চলে আসেন। তারপরও রোজার শেষ সপ্তাহেও কোলকাতার নিউমার্কেটে দেখা মিলে যায় কেনাকাটা করতে আসা লোকজনের। কোলকাতায় বিবিসি বাংলার প্রতিনিধি অমিতাভ ভট্টশালীর সাথে কথা হয় তেমনই একটি পরিবারের। চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তারা সেখানে গেলেও ঈদের কোনাকাটার বাজেট নিয়েই সেখানে গিয়েছিলেন তারা।
কথোপকথনটি ছিল এরকম:
বিবিসি বাংলার পক্ষ থেকে প্রশ্ন: কী কিনলেন?
পরিবারটির নারী সদস্যের উত্তর:সবকিছুই কিনলাম। পরিবারের সদস্যদের জন্য জুতা জামা, কসমেটিক্স সব।
প্রশ্ন: ঢাকায় পাওয়া যায়না এমন কী আছে?
উত্তর: সবই আছে। তবে প্রাইসটা (দাম) কম।
আর কোলকাতার নিউমার্কেটে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশী ক্রেতা আমিনুল হক লোটন বলেন, ঈদের বাজেট থেকে টাকা কিছুটা বাঁচাতেও পেরেছেন।
তিনি জানান, তাদের যেমনটা ঈদের বাজেট ছিল তার চেয়ে অনেক কম দামে জিনিসপত্র কিনতে পেরেছেন কোলকাতায়। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড -এসব দেশে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থাকলেও কেনাকাটায় ভারতের ব্যাপারে তিনি 'সন্তুষ্ট'বলে জানান।
এগারো মাসেই ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার ভারতে ভ্রমণ ব্যয়, বলছে বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসেব বলছে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৪৫ মিলিয়ন ডলার নিয়ে গেছে বাংলাদেশের টুরিস্টরা। পরের বছর তা বেড়েছে আরও দুই মিলিয়ন। তবে চলতি বছর তা অনেক বেশি ছাড়িয়ে যাবে। কারণ জুলাই থেকে মে মাস পর্যন্ত এগারো মাসেই বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার সময় ৫৭ মিলিয়ন ডলার ইনডোর্স করে নিয়ে গেছেন পর্যটকরা। বলছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা।
" ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৪৫ মিলিয়ন ডলার নিয়ে গেছে বাংলাদেশের টুরিস্টরা। পরের বছর তা বেড়েছে আরও দুই মিলিয়ন। তবে চলতি বছর এগারো মাসেই বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার সময় ৫৭ মিলিয়ন ডলার (৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার) এনডোর্স করে নিয়ে গেছেন পর্যটকরা"।
অর্থাৎ বাংলাদেশী টাকায় হিসেবে করলে চারশো ষাট কোটি টাকা ভারতে নিয়ে গেছেন বাংলাদেশীরা। মি. সাহা জানান, এর তুলনায় চিকিৎসা, শিক্ষা বা ব্যবসায়িক খাতে ভারতে অর্থ বহনের অংক খুবই নগণ্য।
তবে এর কতটা কেনাকাটায় খরচ করেছেন সে হিসেব পুঙ্খানুপুঙ্খ বলা সম্ভব নয় ,জানান মি. সাহা। তিনি বলেন, এর বাইরে অনেকে মানি চেঞ্জারদের মাধ্যমে মুদ্রা লেনদেন করে নিয়ে যান যার হিসেব আমরা চাইছি কিন্তু পুরো হিসেব হয়তো পাওয়া যায়না। আবার বাংলা টাকাও থাকে কারো কারো মানিব্যাগে। তবে ঈদের মৌসুমে যে কেনাকাটা বেশি করেন পর্যটকরা সেটা তিনিও যোগ করেন।
"আসলে ছুটিও পাওয়া যায় এইসময়টায়, চাকরিজীবী লোকজনের হাতে বোনাস আসে। ফলে এই সময়টাতে তারা ভ্রমণ এবং কেনাকাটা দুটোই সেরে ফেলেন। আর সে কারণে ঈদ মৌসুমে আমাদের 'আউটার ইনভিসিবল' খরচ অন্য সময়ের চেয়ে বেশি"।
ভারতের মুদ্রা অবমূল্যায়নের ফলে রুপির সাথে বাংলাদেশি টাকার মূল্য ব্যবধানও কমে এসেছে। কেনাকাটায় আগ্রহ বাড়ার সেটাও একটি কারণ বলে মনে করা হয়।
আর ঈদ উপলক্ষে বিশেষ ছাড়ও দিয়ে থাকেন ভারতের ব্যবসায়ীরা। কোলকাতার ব্যবসায়ী সমিতির নেতা আশরাফ আলী বিবিসি বাংলাকে বলেন, স্থানীয় ক্রেতাদের যে খরা ছিল সেটা ঈদের আগে বাংলাদেশের ক্রেতাদের দ্বারা পূরণ হয়েছে।
"আসলে এখানে বাংলাদেশের কাস্টমার ৩৬৫ দিনই থাকে । তবে ঈদের সময় বাড়ে। এখানে.স্থানীয় ক্রেতাদের যে খরা ছিল সেটা ঈদের আগে বাংলাদেশের ক্রেতাদের দ্বারা পূরণ হয়েছে। প্রতি দশজনের মধ্যে ৩/৪জনই বাংলাদেশী কাস্টমার"।
কোলকাতার আরেকজন বিক্রেতা সুনীল শেঠি বলেন, "দশরোজা পর্যন্ত বাংলাদেশীদের ভিড় ছিল। এখন তারা প্রায় সবাই চলে গেছে"।
কি ধরনের পোশাক খোঁজেন বাংলাদেশীরা?
বিক্রেতারা জানান, শাড়ি, চুড়িদার, পাঞ্জাবি থেকে গয়না সবকিছুই কিনে নিয়ে আসেন বাংলাদেশের ক্রেতারা। পশমিনা শাল নিয়ে একধরনের ক্রেজ লক্ষ্য করা যায় বলেও জানান তারা।
ভিসা সহজ হওয়ায় বেড়েছে পর্যটকদের সংখ্যা
গতবছর বাংলাদেশে ভারতীয় দূতাবাস কর্তৃপক্ষ ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার ঘোষণা দেয় এবং ঈদের আগ দিয়ে বিশেষ ভিসা ক্যাম্পও করে। সেখানে দুই সপ্তাহ ধরে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়।
গতবছর ঈদের আগে ভারতে যাওয়ার জন্য অতিরিক্ত দেড়-লাখ লোক ভিসা নেন । এবার বিশেষ ক্যাম্প না থাকলেও ভিসা প্রক্রিয়া সহজ হওয়ায় এবং লম্বা সময়ের জন্য ভিসা সুবিধা মেলায় অনেকেই বাসে বা ট্রেনে যাচ্ছেন কোলকাতায়, বলছেন বাংলাদেশের ভ্রমণকারীরা।
ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাস ভিসা নিয়ে প্রবেশে বাংলাদেশী পর্যটকেদর জন্য সহজ করার বিষয় ঘোষণা দেয়া হয়েছে চলতি জুন মাসের শুরুতেই। তাদের ওয়েবসাইটে বলা বলা হয়, ২৪টি আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর এবং চেকপোস্ট দিয়ে যাতায়াতকারী বাংলাদেশী নাগরিকদের ভিসায় প্রবেশ ও প্রস্থান নিষেধাজ্ঞা অপসারণ করা হয়েছে। উদ্দেশ্য ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াতকে আরও সুগম করা।
উৎসব বাণিজ্যে কেন পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশ?
অনেক বছর ধরেই ঈদ মৌসুম ছাড়াও অন্যান্য সময় এবং বিয়ের বাজারের জন্যই বাংলাদেশের অনেক ক্রেতার পছন্দ ভারতের বাজার।
শাড়ী, শাল, পাঞ্জাবি কিংবা জুতার জন্য নিউমার্কেট গড়িয়া হাটা নামগুলো তাদের কাছে গাউছিয়া-চাঁদনিচক-বেইলিরোডের বিকল্প।
একসময় উচ্চবিত্ত বা উচ্চ মধ্যবিত্তের মাঝে প্রবল থাকলেও বর্তমানে এই আকর্ষণ বাড়ছে বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত সমাজের মানুষের মাঝে। মূলত টুরিস্ট ভিসায গিয়ে বেড়ানো এবং কেনাকাটা দুটোই চলে ।
ঈদ উল ফিতর যেহেতু মুসলিম ধর্মানুসারীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব, ফলে এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বছরের সবচে বড় বাণিজ্যের-ব্যবসার আশায় থাকে বাংলাদেশের পোশাক খাতের সাথে জড়িতরা।
বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে তাই এ বিষয়টিকে দেখা হচ্ছে হুমকি হিসেবে।
বাংলাদেশের দোকান মালিক সমিতির সভাপতি এবং এফবিসিসিআইর সাবেক সহ-সভাপতি হেলালউদ্দিন বলেন, "মূলত ভারতের দূতাবাস ভিসা সহজ করে দিচ্ছে। বাসের-ট্রেনের টিকেট দেখালেই ছয়মাসেরও ভিসা দিচ্ছে। সেখানে দামও কম। ফলে উৎসব অর্থনীতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি আমরা"।
প্রশ্ন: কেন যেতে হয় ?বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা পূরণ করতে পারেন না?
তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে ভ্যাট আইনের কারণে দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না।
প্রশ্ন: কিন্তু অনেক ক্রেতা তো মানের বিষয়টির কথাও বলছেন?
মি. উদ্দিন বলেন, "দেখেন পহেলা বৈশাখে কিন্তু বাংলাদেশে অনেক কাপড় বিক্রি হয়। তখন কিন্তু ভারত থেকে এখানে আসার মত অবস্থা হয়। ঈদের সময় আসলে অনেক কাপড় লাগে। আর সবাই একটু দামী কাপড় কিনতে চায়। সেক্ষেত্রে আমরা তাদের সাথে পেরে উঠছি না-এটা ঠিক"।
ভারতে ভিসা প্রক্রিয়াটি আগের চেয়ে সহজ হওয়ায় অনেকেই মাল্টিপল ভিসা নিয়ে ছয়মাসের সুবিধা থাকায় বাসে বা ট্রেনে যাচ্ছেন ভারতে।
ইন্ডিয়ান হাইকমিশনের কয়েকজন কর্মকর্তাও এই সময়ে বাংলাদেশী পর্যটকদের চাপের বিষয়টি স্বীকার করলেন।
যদিও বাংলাদেশের ক্রেতারা ব্যবসায়ীদের বড় টার্গেট এই মৌসুমে তবে, এখানকার ক্রেতারাও কেবলমাত্র মান বা দামের বিষয়টিকেই সবেচয়ে বড় করে দেখার পক্ষে নন।
পণ্য বিক্রীর ক্ষেত্রে ভারতের দোকানি বা ব্যবসায়ীদের ব্যবহার বাংলাদেশের ক্রেতাদের চেয়ে অনেকটাই যে ভাল-সেটাও গুরুত্ব দিচ্ছেন অনেকেই।
সবমিলিয়ে দেশের বাজারে দাম, মান ও বিক্রয় ব্যবস্থাপনার দিকে নতুন করে নজর না দিলে দেশীয় বাজার নিয়ে ব্যবসায়ীদের দুর্ভাবনা কমার বদলে দিনদিন বাড়বে বলেই প্রতীয়মান হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেকোনো মুহূর্তে গ্রহাণুর হামলা, ধ্বংস হয়ে যাবে বিখ্যাত সব শহর

ইংল্যান্ডের বেলফাস্টের কুইনস বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালান ফিটসজসিমন্সের মতে, আগে মনে করা হচ্ছিল গ্রহাণু আছড়ে পড়তে পারে পৃথিবীর বুকে। আর এখন গবেষণা চলছে কবে গ্রহাণু আছড়ে পড়বে। অর্থাৎ গ্রহাণুর হামলা যে পৃথিবীতে হবেই এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। শুধু সময়ের অপেক্ষা বলে জানানো হচ্ছে।
গ্রহাণু দিবস আগামী ৩০ জুন গ্রহাণু দিবস। এদিনে ১৯০৮ সালে সাইবেরিয়ায় তুঙ্গুস্কা এলাকায় ছোট একটি গ্রহাণু আছড়ে পড়ে। যার ফলে বিস্ফোরণে ২ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা বিপর্যস্ত হয়ে যায়। এ বছরের উদযাপন এবছর গ্রহাণু দিবসে আগামী ৩০ জুন লুক্সেমবার্গে বিশেষ আলোচনা সভা ও প্রেজেন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেই সভায় লাইভ স্ট্রিমিং করে দেখানোও হবে বলে উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন। থাকবেন বিশেষজ্ঞরা সেই আলোচনা সভায় অ্যাপোলো ৯ নভশ্চর রাস্টি স্কেইকার্ট ও আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের নভশ্চর নিকোল স্টট হাজির থাকবেন এবং সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেবেন বলে জানা গিয়েছে। স্যোশাল মিডিয়ার মাধ্যমেও প্রশ্ন করা যাবে ও জবাব পাওয়া যাবে। ফিটসজসিমন্সের সতর্কবাণী ফিটসজসিমন্সের মতে, ১৯০৮ সালে যেরকম গ্রহাণু সাইবেরিয়ার বুকে আছড়ে পড়ে, সেরকম বা তার চেয়ে বড় গ্রহাণুর হামলা হলে পৃথিবীর অনেক বড় শহরই পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। গ্রহাণু চিহ্নিতকরণ বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, পৃথিবীর আশপাশে ঘোরাফেরা করা গ্রহাণুদের চিহ্নিত করে তাদের থেকে কতটা বিপদ রয়েছে পৃথিবীর তা নির্ধারণে ব্যস্ত রয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
বলা হচ্ছে, পৃথিবীর আশপাশে মোট ১৮০০ এবং গ্রহাণু বা গ্রহাণুর মতো বস্তু মহাকাশে ভেসে বেড়াচ্ছে বলে আবিষ্কার করা গেছে। এর চেয়েও বেশি সংখ্যায় গ্রহাণুর এখনো খোঁজ পাওয়ার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। গ্রহাণুর খোঁজ বিজ্ঞানীদের মতে রোজই একটা না একটা গ্রহাণুর খোঁজ মেলে। তার বেশিরভাগই ততটা ক্ষতিকর নয়। তবে তার মানে এটা নয় যে সাইবেরিয়ার মতো হামলা আর হবে না। যেকোনো দিন অজান্তে হামলা হতে পারে। তাই তার হাত থেকে বাঁচতে ও বড় গ্রহাণু খুঁজে বের করতে নিরন্তর গবেষণা চলছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দাবির তালিকা পায়নি কাতার

গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে দুই সপ্তাহ আগে শুরু হওয়া সংকট সমাধানে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় রয়েছে কুয়েত।
শনিবার কাতার টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল থানি বলেন, ‘জিসিসিভুক্ত কোনো রাষ্ট্র কিংবা অভিযোগকারীদের পক্ষ থেকে কুয়েত কোনো দাবিদাওয়া পায়নি।’ দাবি উত্থাপন করতে না পারায় তাদের অভিযোগগুলোকেও ভিত্তিহীন বলে এ সময় দাবি করেন তিনি।
অভিযোগ পর্যবেক্ষণের আহ্বান
দ৵ গার্ডিয়ান জানায়,সন্ত্রাসবাদে কাতারের মদদদানের অভিযোগ পর্যবেক্ষণে পশ্চিমা মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনোয়ার গারঘাস। উপসাগরীয় রাষ্ট্র কাতারকে একঘরে করার সিদ্ধান্তের পর প্রথমবারের মতো দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা কোনো দেশের পক্ষ থেকে পশ্চিমা সাহায্য চাওয়া হলো।
কাতারের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার পক্ষে কূটনৈতিক সমর্থন আদায়ে লন্ডন সফররত ইউএইর পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনোয়ার গারঘাস বলেন, ‘যদি আমরা বুঝি যে কাতার পরিবর্তন হতে চলেছে এবং ইসলামিক স্টেটকে অর্থায়ন তারা বন্ধ করবে, তবেই আলোচনা হবে। কিন্তু আমাদের পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা দরকার।’
উল্লেখ্য, আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা তৈরি, সন্ত্রাসবাদে উসকানি ও জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটকে মদদ দেওয়ার অভিযোগে ৫ জুন কাতারের সঙ্গে সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছেদ করার ঘোষণা দেয় সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ সাতটি দেশ। উদ্ভূত সংকট সমাধানে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে চাইছে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, কুয়েত ও তুরস্ক।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন সরকারের প্রস্তাব তুলে ধরলেন রানি

রীতি অনুযায়ী রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ গতকাল বুধবার ব্রিটিশ সংসদের উচ্চকক্ষ হাউস অব লর্ডসে দেওয়া ভাষণে সরকারের প্রস্তাব তুলে ধরে নতুন সরকারের সূচনা করেন। এদিনই নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে রানির ভাষণের ওপর বিতর্ক শুরু হয়। ২৭ জুন চূড়ান্ত ভোটাভুটিতে এ ভাষণ পাস হলে সরকারে টিকতে পারবেন মে।
৮ জুন অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে থেরেসা মে মাত্র ১০ আসনে জয়ী উত্তর আয়ারল্যান্ডের ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নিস্টস পার্টির (ডিইউপি) সঙ্গে সমঝোতা করে সরকার গঠনের ঘোষণা দেন। কিন্তু গত ১২ দিনেও সেই সমঝোতা হয়নি।
সাধারণত প্রতিবছর রানির ভাষণের মাধ্যমে সরকার সংশ্লিষ্ট বছরের আইন প্রণয়ন ও আইন সংস্কারসংক্রান্ত পরিকল্পনা তুলে ধরেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে রানির আগামী বছরের নির্ধারিত ভাষণ বাতিল ঘোষণা করে বলেছেন, ব্রেক্সিট নিয়ে আগামী বছর খুব ব্যস্ত যাবে। তাই এবার সরকার দুই বছরের পরিকল্পনা একসঙ্গে তুলে ধরেছে।
৯৫ বছর বয়সী রানি এবার সংসদে তাঁর ৬৪তম ভাষণ দিলেন। রানির ভাষণে মে মোট ২৪টি আইন প্রণয়ন ও সংস্কারের প্রস্তাব তুলে ধরেছেন। তার ৮টিই ব্রেক্সিটসংক্রান্ত। ইইউ ছাড়ার পর ব্রিটেনের নিজস্ব অভিবাসন, বাণিজ্য, কৃষি, বিচারব্যবস্থা-সংক্রান্ত এসব আইন করা হবে। বাকি বিলগুলোর বেশির ভাগই আগের মেয়াদের, যা মধ্যবর্তী নির্বাচনের কারণে সম্পন্ন করা যায়নি।
মে এত দিন প্রয়োজনে সমঝোতা ছাড়াই ইইউ ছাড়ার কথা বলে এলেও রানির ভাষণে সেই ইঙ্গিত নেই। ভাষণে বলা হয়েছে, ২০১৮
সালের এপ্রিলে কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের নিয়ে সম্মেলনের আয়োজন করবে যুক্তরাজ্য। একের পর এক সন্ত্রাসী হামলার পরিপ্রেক্ষিতে উগ্রবাদ দমনে নতুন কমিশন গঠন করা হবে। প্যারিস জলবায়ু চুক্তি মেনে চলবে মের সরকার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কে এই মোহাম্মদ বিন সালমান?

সর্বশেষ গতকাল বুধবার তিনি বাদশাহর আদেশে যুবরাজের পদ পেয়েছেন। চাচাতো ভাই মোহাম্মদ বিন নায়েফকে হটিয়ে বিন সালমানের এই উত্থান সৌদি আরবের কয়েক দশকের গতিপথ নতুন করে গড়ে দিতে পারে। যুবরাজ বিন সালমানের জন্ম ১৯৮৫ সালের ৩১ আগস্ট। তাঁর মা ফাহদাহ বিনতে ফালাহ বিন সুলতান তৎকালীন প্রিন্স সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের তৃতীয় স্ত্রী। রাজধানী রিয়াদের কিং সৌদ ইউনিভার্সিটি থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক হওয়ার পর বিন সালমান সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। তাঁর বাবা যখন রিয়াদের গভর্নর ছিলেন, তখন বিন সালমান গভর্নরের বিশেষ পরামর্শক নিযুক্ত হন। ২০১৩ সালে তিনি মন্ত্রিপদমর্যাদায় একটি দায়িত্ব পান। ২০১৫ সালে বাদশাহ আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন এবং সালমান ৭৯ বছর বয়সে সিংহাসনে বসেন। তিনি তাৎক্ষণিক বিন সালমানকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিয়োগ দিয়ে পর্যবেক্ষকদের চমকে দেন। বাদশাহ সালমানের ছেলে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে প্রথম যে কাজটি করেছিলেন, সেটা ছিল ২০১৫ সালের মার্চে ইয়েমেনে সামরিক অভিযানের সূচনা। হুতি বিদ্রোহীদের উত্থানে ইয়েমেনি প্রেসিডেন্ট মনসুর হাদি নির্বাসনে যেতে বাধ্য হলে আরব দেশগুলো সৌদি নেতৃত্বে ইয়েমেনে অভিযানের প্রতি সমর্থন দেয়। এ অভিযানে গত দুই বছরে অগ্রগতি সীমিত। সৌদি ও তার মিত্ররা ইয়েমেনে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে বলেও অভিযোগ আছে। পাশাপাশি আরব বিশ্বের দরিদ্রতম দেশ ইয়েমেন এ যুদ্ধের কারণেই মানবিক সংকটে পড়েছে।
২০১৫ সালের এপ্রিলে বাদশাহ সালমান নিজ পুত্রকে ডেপুটি ক্রাউন প্রিন্স বানিয়ে দেন। পাশাপাশি কাউন্সিল অব ইকোনমিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যাফেয়ার্সের প্রধান এবং দ্বিতীয় উপপ্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বও বিন সালমান পেয়ে যান। তখন থেকে তিনি তেলনির্ভর দেশটিতে ব্যাপক আর্থসামাজিক পরিবর্তনের পরিকল্পনা (ভিশন ২০৩০) বাস্তবায়নে তৎপরতা শুরু করেন। বাদশাহর প্রতিনিধি হিসেবে তিনি বিদেশ সফরও করেন। ইতিমধ্যে বেইজিং, মস্কো এবং ওয়াশিংটনে গেছেন। সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্র সফরে তিনি গত মার্চে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরাকে ৫০ লাখ শিশুর জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুঁড়িয়ে দেয়া হলো বিখ্যাত আল-নূরি মসজিদ

তবে এ দাবিকে অস্বীকার করে মসজিদটি ধ্বংসের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে আইএস। তারা এই মসজিদকে তাদের কথিত 'খেলাফতে'র প্রধান কেন্দ্র হিসেবে দাবি করতো।
ইরাকের সরকারি বাহিনী মসজিদ উড়িয়ে দেয়ার তথ্য দেয়ার পাশাপাশি মসজিদ গ্রাউন্ডের একটি ছবিও প্রকাশ করেছে যেখানে মসজিদ যেখানে ছিলো সেই স্থানটিকে একটি ধ্বংসস্তূপের মতো মনে হচ্ছে।
দ্যা গ্রেট মস্ক অফ আল নূরি- হিসেবে পরিচিত এই বিখ্যাত মসজিদটি একটি প্রাচীন স্থাপনা যেটি তার বিশেষ ধরনের মিনারের জন্য ব্যাপক বিখ্যাত ছিলো।
২০১৪ সালে এখানেই কথিত 'খেলাফতে'র ঘোষণা দিয়েছিলেন আইএস নেতা আবু বকর আল বাগদাদি।
তবে আইএস তার নিজস্ব বার্তা সংস্থা হিসেবে পরিচিত আমাকের মাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে মসজিদটি ধ্বংসের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বোমারু বিমানকে দায়ী করেছে।
ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল আবাদি বলেছেন ওই মসজিদটি উড়িয়ে দেয়ার ঘটনা আইএসের আনুষ্ঠানিক পরাজয়ের ঘোষণা।
উপর থেকে তোলা ছবিতে দেখা যাচ্ছে মসজিদ ও এর মিনারগুলোর বড় অংশই ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইরাকি এক কমান্ডার বলছেন, ইরাকি সেনারা মসজিদটির ৫০মিটারের মধ্যে পৌঁছানোর পরে আইএস মসজিদটি ধ্বংস করে আরও একটি ঐতিহাসিক অপরাধ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এক সিনিয়র সেনা কমান্ডার বলছেন, আইএস মসুল ও ইরাকের বিখ্যাত একটি স্থাপনা ধ্বংস করে দিয়েছে।
সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জোসেফ মার্টিন বলেন, "এটি মসুল ও ইরাকের জনগণের বিরুদ্ধে একটি অপরাধ। এটি একটি উদাহরণ যে কেন এই নিষ্ঠুর সংগঠনটির সমূলে বিনাশ দরকার"।
এর আগেও আইএস ইরাক ও সিরিয়ায় বিভিন্ন স্থানে অনেক ঐতিহাসিক স্থাপনা ধ্বংস করেছিলো।
এটি মসুলের সবচেয়ে বিখ্যাত সুন্নি মসজিদ। এর নামকরণ করা হয়েছিলো মুসলিম তেনা নূর আল দিন মাহমুদ জাঙ্গির নামে।
তিনি খ্রিস্টান ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে জিহাদের ডাক দিয়ে বিখ্যাত হয়েছিলেন।
এখানেই একবার প্রকাশ্যে এসেছিলেন আইএস নেতা আবু বকর আল বাগদাদি। এর কদিন আগেই ইরাক ও সিরিয়ায় 'খেলাফত' ঘোষণা করেছিলো আইএস।
এই মসজিদ হারানোর পর ধারণা করা হচ্ছে মসুল থেকে পুরো নিয়ন্ত্রণই হারাতে যাচ্ছে আইএস।
সূত্র : বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পলাশী যুদ্ধের কালপঞ্জি

এপ্রিল, ১৭৫৬, শেষ সপ্তাহ : ইউরোপে সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধের অজুহাতে বাংলায় ইংরেজ ও ফরাসিদের দুর্গ নির্মাণ। নবাবের আদেশে ফরাসি দুর্গ নির্মাণ বন্ধ হলেও ইংরেজদের দুর্গ নির্মাণ অব্যাহত।
১৬ মে, ১৭৫৬ : বিদ্রোহী শওকত জঙ্গকে দমনের উদ্দেশ্যে পূর্ণিয়ায় নবাব সিরাজউদ্দৌলার সামরিক অভিযান।
২০ মে, ১৭৫৬ : নবাব সিরাজউদ্দৌলা রাজমহল পৌঁছেন। গভর্নর ড্রেকের চিঠি পান। চিঠিতে দুর্গ নির্মাণ বন্ধের কোনো কথা নেই।
১৬ জুন, ১৭৫৬ : ক্রুদ্ধ নবাব সিরাজউদ্দৌলা পূর্ণিয়া না গিয়ে মুর্শিদাবাদে ফিরে এলেন। কলকাতায় ইংরেজদের দমনের উদ্দেশ্যে সসৈন্যে যাত্রা। পথে কাশিমবাজার কুঠি দখল।
২০ জুন, ১৭৫৬ : কলকাতার দুর্গ নবাব সিরাজউদ্দৌলার দখলে। গভর্নর ড্রেক ও অন্য ইংরেজদের পলায়ন। গভর্নর হলওয়েলের আত্মসমর্পণ।
কলকাতার পতনের পর ড্রেক ও অন্য ইংরেজদের টিকে থাকতে সহায়তা দেন প্রভাবশালী হিন্দু উমীচাঁদ, জগৎশেঠ, রায়দুর্লভ, মানিকচাঁদ, নবকিষেণ প্রমুখরা।
১৬ অক্টোবর, ১৭৫৬ : পূর্ণিয়ার নবাবগঞ্জে বিদ্রোহী শওকত জঙ্গের সাথে নবাব সিরাজউদ্দৌলার যুদ্ধ। যুদ্ধে শওকত জঙ্গ পরাজিত ও নিহত।
১৫ ডিসেম্বর, ১৭৫৬ : মাদ্রাজ থেকে রবার্ট ক্লাইভ ও অ্যাডমিরাল ওয়াটসনের অধীনে একদল সৈন্যের ফালতা আগমন ও ড্রেকের সাথে যোগদান।
২৭ ডিসেম্বর, ১৭৫৬ : ইংরেজ সৈন্য ও নৌবহরের কলকাতা অভিমুখে যাত্রা।
২ জানুয়ারি, ১৭৫৭ : মানিকচাঁদের বেঈমানি। ইংরেজদের কলকাতা পুনর্দখল।
৩ জানুয়ারি, ১৭৫৭ : দখলদার ইংরেজ বাহিনীর আসার সংবাদ পেয়ে নবাব সিরাজউদ্দৌলার কলকাতা অভিমুখে যুদ্ধযাত্রা।
১০ জানুয়ারি, ১৭৫৭ : রবার্ট ক্লাইভ হুগলি শহর দখল করে লুটতরাজ শুরু করে। আশপাশের গ্রাম জনপদ জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়।
১৯ জানুয়ারি, ১৭৫৭ : নবাব সিরাজউদ্দৌলার হুগলি আগমন। ইংরেজদের কলকাতা ত্যাগ।
৩ ফেব্রুয়ারি, ১৭৫৭ : নবাব সিরাজউদ্দৌলা কলকাতার শহরতলী আমির চাঁদের বাগানে শিবির স্থাপন করেন।
৫ ফেব্রুয়ারি, ১৭৫৭ : নবাব সিরাজউদ্দৌলার শিবির আক্রমণ করে ক্লাইভ ও ওয়াটসন শেষ রাতে। সিরাজবাহিনী পাল্টা আক্রমণ চালালে ক্লাইভ পিছু হটেন।
৯ ফেব্রুয়ারি, ১৭৫৭ : নবাব সিরাজউদ্দৌলার সাথে ইংরেজদের আলীনগরের সন্ধি।
২৩ মার্চ, ১৭৫৭ : ক্লাইভের ফরাসি ঘাঁটি ও বাণিজ্য কেন্দ্র চন্দননগর দখল।
২৩ জুন, ১৭৫৭ : ভাগীররথী নদীর তীরে পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বাহিনীর সাথে রবার্ট ক্লাইভের নেতৃত্বে ইংরেজ বাহিনীর যুদ্ধ।
রণাঙ্গনের চিত্র
নবাব সিরাজউদ্দৌলার পক্ষ :
০১. সৈন্যসংখ্যা ৫০ হাজার। এর মধ্যে পদাতিক ৩৫ হাজার, অশ্বারোহী ১৫ হাজার
০২. মোট কামান ৫৩টি
০৩. ফরাসি সৈনিক সিনফ্রেঁর অধীনে কিছু কামান ও সৈন্য।
রবার্ট ক্লাইভের পক্ষ :
০১. সৈন্যসংখ্যা তিন হাজার
সিপাহি- দুই হাজার ২০০
ইউরোপীয়-৮০০
যুদ্ধে বিশ্বাসঘাতক সেনাপতি মীরজাফর ও রায়দুর্লভের চক্রান্তে এক বিশাল সৈন্যবাহিনী যুদ্ধ থেকে বিরত থাকে। মীরমদন ও মোহনলাল তাদের অধীন স্বল্পসংখ্যক সৈন্য নিয়ে প্রাণপণ যুদ্ধ করেন। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি।
২৬ জুন, ১৭৫৭ : নবাব হিসেবে মীরজাফর আলী খানের অভিষেক।
২৯ জুন, ১৭৫৭ : মীরজাফরের সিংহাসনে আরোহণ।
৩০ জুন ১৭৫৭ : রাজমহলে নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে গ্রেফতার।
২ জুলাই, ১৭৫৭ : শৃঙ্খলিত অবস্থায় নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে মুর্শিদাবাদে আনয়ন। রাতে মীরজাফরের পুত্র মীরনের আদেশে ঘাতক মোহাম্মদী বেগের ছুরিকাঘাতে নবাব সিরাজউদ্দৌলা শাহাদত বরণ করেন।
গ্রন্থনা : আলম মাসুদ
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহা খরার কবলে পড়তে চলছে মধ্যপ্রাচ্য : বিজ্ঞানীদের আশংকা

মৃত সাগর বা ডেড সি’র নুনে আটকে থাকা বায়ু-বুদ্বুদে পাওয়া তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এ দাবি করেছেন গবেষকরা। তারা বলছেন, চলতি শতাব্দীতেই হয়ত এ মহা খরার করাল গ্রাসে পড়বে মধ্যপ্রাচ্য।
ভূতত্ত্ববিদরা মনে করেন, মৃত সাগরের ৮০ ভাগ পানিই শুকিয়ে গেছে অতীতের মহা খরায়। এ ছাড়া, মানবীয় তৎপরতার কারণে এরই মধ্যে মৃত সাগরের একই পরিমাণ পানি শুকিয়ে গেছে। অবশ্য, কাদা, পাথর এবং নুনে লুকিয়ে থাকা তথ্য প্রমাণ ওই এলাকার ভবিষ্যৎ আবহাওয়ার খাম খেয়ালি সম্পর্কে জানতে সহায়তা করবে।
আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্যে দেখা যায় যে ১৯৫০ সাল থেকে গোটা অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১০ শতাংশ কমেছে। এ ধারা চলতি শতাব্দীতেও অব্যাহত থাকবে বলেই আশংকা করছেন বিজ্ঞানীরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরিয়া ইস্যুতে ইরানি-রুশ অক্ষের সঙ্গে এরদোগানের আপোষের রহস্য

রেডিও তেহরান: জনাব মোহাম্মাদ মুনির হোসেন খান সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ার পরিস্থিতিতে একটি বড় পরিবর্তন দেখা গেছে। আর এরই প্রমাণ হল তুরস্কের এরদোগান সরকার সিরিয়ায় ইরান ও রাশিয়ার প্রস্তাবিত ডিএস্কেলেশন জোন তথা উত্তেজনা-মুক্ত বা যুদ্ধ-মুক্ত অঞ্চল গঠনের প্রস্তাবটি মেনে নিয়েছে। প্রশ্ন হল তুর্কি সরকার ইরান ও রাশিয়ার এই প্রস্তাবে কেন সম্মত হলো? আর পাশ্চাত্য ও তার আঞ্চলিক মিত্র আর সেবাদাস সরকারগুলো কেনোইবা আসাদের বিরোধিতায় আদাজল খেয়ে লেগেছিল? সিরিয়ার নিকট-অতীত ও সাম্প্রতিক পরিস্থিতির পটভূমিসহ এসব বিষয়ে আপনার মতামত ও ব্যাখ্যা জানতে চাই।
মোহাম্মাদ মুনির হোসেন খান: আপনার প্রশ্নের প্রথম অংশের জবাব স্পষ্টভাবে দেয়ার জন্যই আগে আমাদের জানা দরকার সিরিয়া সংকটের নিয়ামক বা ফ্যাক্টরগুলো সম্পর্কে। এই ফ্যাক্টরগুলোর অন্যতম হচ্ছে তুরস্কের এরদোগান সরকার। শুধু অন্যতমই নয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টরও বটে এই তুরস্ক। তুরস্ক যদি এ সংকট সৃষ্টির ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা পালন না করত তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,ব্রিটেন, ইসরাইল, সৌদি আরব, কাতার, আমিরাত, জর্দান প্রভৃতির পক্ষে সিরিয়ায় গোলযোগ, ফিতনা ও সংকট তৈরি করা আদৌ সম্ভব হতো কিনা সন্দেহ। সিরিয়ায় গোলযোগ সৃষ্টিকারী অধিকাংশ দেশি-বিদেশি জঙ্গি সন্ত্রাসীর সামরিক প্রশিক্ষণ এবং তাদের জন্য বেশিরভাগ অস্ত্র-গোলাবারুদ ও রসদপত্র সরবরাহ আর লজিস্টিক সাপোর্টসহ নানা ধরনের সহায়তা দান তুর্কী-সিরিয়া সীমান্ত দিয়ে তুরস্কের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। অবশ্য ইহুদিবাদী ইসরাইলও এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান ও ভূমিকা রেখেছে এবং বর্তমানেও রাখছে। আর জর্দান ছোট দেশ এবং সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হওয়ার কারণে জর্দানের পক্ষ থেকে সিরিয়ায় গোলযোগ সৃষ্টিকারীদের প্রতি লজিস্টিক সুযোগ-সুবিধা দেয়া স্বাভাবিকভাবে যে কম হবে তা স্পষ্ট।
তাছাড়া তুরস্ক ও ইরাকের সাথে রয়েছে সিরিয়ার সবচেয়ে বেশি দীর্ঘ সীমান্ত। তুরস্ক জর্দানের চেয়ে সামরিক, অর্থনৈতিক ওজন আর শক্তির দিক থেকে বহুগুণ শক্তিশালী একটি শিল্পোন্নত দেশ এবং ন্যাটোর এক অন্যতম শক্তিশালী সক্রিয় সদস্য। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর ন্যাটো-জোটভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক বাহিনী রয়েছে তুরস্কের। তুরস্ক শিল্পোন্নত ও অর্থনৈতিকভাবে প্রাগ্রসর ২০ জাতি জোটেরও অন্তর্ভুক্ত। আবার বিশ্বের বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলো থেকে রিক্রুটকৃত বহু জঙ্গি জিহাদিকে ইসরাইলে এনে সামরিক ট্রেনিং এবং ইসরাইল-সিরিয়া সীমান্ত দিয়ে সিরিয়ায় পাঠাতে গেলে তাদের অনেকেই হয়তো তাতে রাজী হতো না। কিন্তু তুরস্ক এক্ষেত্রে সীমান্তের দেশ ও সহযোগী হওয়াতে এই সমস্যায় পড়তে হয়নি মার্কিন, সৌদি, কাতারি ও আমিরাত সরকারকে। তাই, তুরস্কে এদেরকে অনায়াসে চালান দেয়া সম্ভব হয়েছে।
উল্লেখ্য, যখন এরদোগান-আব্দুল্লাহ গুলের এ.কে পার্টি (জাস্টিস পার্টি) বিংশ শতাব্দীর ৯০ দশকের শেষের দিকে তুরস্কে ক্ষমতা লাভ করে তখন সিরিয়ার বাশার আল আসাদ সরকারের সাথে আব্দুল্লাহ-এরদোগান প্রশাসনের বেশ উষ্ণ সম্পর্ক ছিল। এরদোগান তো বাশার আল আসাদকে ভাই পর্যন্ত বলেছিল। তুরস্ক-সিরিয়া উষ্ণ সম্পর্কের বদৌলতে সিরিয়ায় আশ্রয়গ্রহণকারী তুরস্কের বামপন্থী বিদ্রোহী কুর্দি নেতা আব্দুল্লাহ ওজালানকে তুরস্কে এনে পরবর্তীতে তার সাথে শান্তি ও যুদ্ধবিরতি চুক্তি করে দক্ষিণ তুরস্কের কুর্দিস্তানে দীর্ঘ তিন দশক স্থায়ী কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী পিকেকে’র বিদ্রোহের আপাততঃ নিষ্পত্তি হয়। ২০১১ সাল পর্যন্ত এ সম্পর্ক ভালোই ছিল।
কিন্তু ২০১১ সালের জানুয়ারি ফেব্রুয়ারি মাসে তিউনিসিয়া, মিসর, লিবিয়া, বাহরাইন, ইয়েমেনের জনগণ মার্কিন ও পাশ্চাত্য সমর্থিত স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণ অভ্যুত্থান করলে একের পর এক তিউনিসিয়া ও মিসরের স্বৈরাচারী শাসক বেন আলী ও হুসনি মুবারক সরকারের পতন ঘটে এবং লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধের সূচনা হয় এবং কয়েক মাস গৃহযুদ্ধ চলার পর লিবিয়ায় গাদ্দাফি সরকারের পতন হয় এবং ঐ বছরই স্বৈরতান্ত্রিক একনায়ক গাদ্দাফি নিহত হয়।
ঠিক একইভাবে ইয়েমেনের মার্কিন-সৌদি সমর্থিত একনায়ক আলী আব্দুল্লাহ সালেহ সরকারেরও পতন ঘটে। কিন্তু মার্কিন সরকারের নির্দেশে সৌদি সরকার সামরিক বাহিনী পাঠিয়ে ২০১১ সালে বাহরাইনের ক্ষমতাসীন রাজবংশ আল-খলিফাকে বাহরাইনি জনগণের ন্যায্য গণতান্ত্রিক ও নাগরিক অধিকার আদায়ের আন্দোলনের হাত থেকে রক্ষা করে। নিতান্ত পরিহাসের বিষয় হচ্ছে এই যে,পাশ্চাত্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাহরাইনের জনগণের জন্য গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার গুরুত্বপূর্ণ নয় এবং সেদেশে স্বৈরাচারী জালেম শাসকের মধ্যযুগীয় রাজতন্ত্র থাকলেও তাতে আপত্তি ও অসুবিধা নেই!
কিন্তু পাশ্চাত্য ও মার্কিন সরকারের দৃষ্টিতে সিরিয়ায় তথাকথিত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা অত্যাবশ্যক তথা ফরজ! এর কারণ হচ্ছে বাহরাইনে গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হলে মার্কিন ও পাশ্চাত্যের অবৈধ স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় এবং সিরিয়ায় তথাকথিত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলে পাশ্চাত্যের সেইসব অবৈধ স্বার্থ অটুট থাকে! অর্থাৎ সিরিয়ায় আসাদকে ক্ষমতা থেকে সরাতে পারলে ইসরাইলের নিরাপত্তা, অস্তিত্ব ও গোটা মধ্যপ্রাচ্যের উপর এর অবৈধ আধিপত্য, কর্তৃত্ব ও একচেটিয়া দাপট প্রতিষ্ঠার নিশ্চয়তা বিধান করা সম্ভব যা ইতোমধ্যে হুমকির সম্মুখীন ও সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছিল ৩৩ দিনের ইসরাইল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধে এবং ২২দিন ও ৮ দিনের দু-দু’টো ইসরাইল গাজা যুদ্ধে।
এটা স্পষ্ট মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের আধিপত্য, কর্তৃত্ব ও একক দাপট আসলে পাশ্চাত্য, বিশেষকরে ইঙ্গ-মার্কিন আধিপত্য,কর্তৃত্ব ও শ্রেষ্ঠত্বেরই নামান্তর এবং এ যুদ্ধগুলোয় ইসরাইলের ভরাডুবি ও ব্যর্থতায় সিরিয়ার বাশার আল আসাদ সরকারের অবদান ও ভূমিকা ছিল সত্যিই অনস্বীকার্য যা ইসরাইল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। তাই আরব বিশ্বে পাশ্চাত্য সমর্থিত স্বৈরাচারী শাসকদের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান চলাকালে মধ্যপ্রাচ্যের এ অবস্থা ও সুযোগের সদ্ব্যবহার করে সিআইএ, এমআই-সিক্স (ব্রিটেন), মোসাদ(ইসরাইল) এবং সৌদি-কাতারি-তুর্কি শাসকচক্রের নীলনকশা, সার্বিক সহায়তা ও মদদে সিরিয়ায় এক কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাশার আল আসাদ সরকারের পতন ঘটানোর উদ্যোগ নেয়া হয় খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে।
সিরিয়া বিরোধী ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলী পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রে আরব প্রতিক্রিয়াশীল চক্রের (সৌদি আরব, কাতার,প্রভৃতি)সহযোগিতা নিতান্ত স্বাভাবিক কিন্তু তুরস্ক কেন এর সহযোগী হয়েছে? এরদোগান ইসরাইল আরোপিত ২০০৮ সালে গাজা অবরোধ ভাঙ্গার জন্য ত্রাণ সামগ্রী এবং গাজা অবরোধের বিরুদ্ধে সোচ্চার মানবাধিকার কর্মীদের বহনকারী তুর্কী জাহাজে ইসরাইলী হেলিকপ্টারের আক্রমণে কিছু তুর্কী ও বিদেশী নাগরিক নিহত হওয়া এবং ইসরাইলী নৌবাহিনী কর্তৃক উক্ত জাহাজ আটক করার প্রতিবাদে ইসরাইল থেকে তুর্কী রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করে তুর্কী-ইসরাইল কূটনৈতিক সম্পর্ক স্মরণাতীতকালে সর্বনিম্ন পর্যায় নামিয়ে এনেছিল।
আর ২০০৯ সালের ডিসেম্বর -২০১০ সালের জানুয়ারির ২২ দিনের প্রথম ইসরাইল-গাজা যুদ্ধে সহস্রাধিক বেসামরিক নারী-পুরুষ ও শিশু নৃশংস ইসরাইলী বিমান হামলায় নিহত হওয়ার প্রতিবাদ হিসেবে ইসরাইলি প্রেসিডেন্ট শিমোন পেরেজকে শিশু হত্যাকারী ও যুদ্ধাপরাধী বলে আখ্যায়িত করে সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স কক্ষ সবার সামনে ত্যাগ করেছিল এরদোগান। অথচ সেই এরদোগানই আবার শরীক হয়েছে অশুভ অপবিত্র শয়তানি খবিস ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলী-আরব জোটে সিরিয়ার বিরুদ্ধে ২০১১ সালে।
এত অল্প সময়ের মধ্যে এত বিরাট পরিবর্তন ও মহাডিগবাজি তথা এরপর অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই এই এরদোগান সরকার রাষ্ট্রদূত পর্যায় তুর্কী-ইসরাইল কূটনৈতিক সম্পর্ককে আবার সম্পূর্ণ স্বাভাবিক করেছে। অথচ এই সময়ের মধ্যে ইসরাইল গাজার সাথে আরও দু-দু’টি যুদ্ধ করে (৮দিনের যুদ্ধ ও ২০১৪ সালের জুন-জুলাইয়ের (রমযান-শাওয়াল) প্রায় ৫৪ দিনের যুদ্ধ) নির্বিচারে বোমাবর্ষণ ও বিমান হামলা চালিয়ে গাজায় হাজার হাজার বেসামরিক ফিলিস্তিনি নর-নারী ও শিশু হত্যা করে। এ দুই যুদ্ধে ইসরাইল অবরুদ্ধ গাজায় হাজার হাজার নিরীহ নর-নারী ও শিশু হত্যা করা সত্ত্বেও এরদোগানের দৃষ্টিতে নেতানিয়াহু (ইসরাইলী প্রধান মন্ত্রী),ইহুদ বারাক ও শিমোন পেরেজ আর শিশু হত্যাকারী বলে গণ্য হয় নি! এর কারণ কি?..
কারণ, এ দুটো (ইসরাইল-গাজা) যুদ্ধ হয়েছিল সিরিয়ায় ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলি-সৌদি-কাতারি-তুর্কি সরকারের চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধ ও গোলযোগ চলাকালীন সময়। তাই এরদোগান কিভাবে সিরিয়ায় অশান্তি, সংকট ও গোলযোগ সৃষ্টির পরিকল্পনা ও প্রক্রিয়ায় নিজ শরীককে (ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী) শিশু-হত্যাকারী বলে অভিহিত করতে পারে?
এখন আমরা উত্থাপিত প্রশ্নের প্রথম অংশের জবাব দেয়ার চেষ্টা করব। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিলুপ্ত ওসমানী (অটোম্যান) সাম্রাজ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠার স্বপ্নে বিভোর উচ্চাভিলাষী এরদোগানকে সিরিয়ায় মার্কিন-ইসরাইল-সৌদি-কাতারি-তুর্কি আধিপত্য স্থাপনে শরীক হওয়ার টোপ দিয়ে সেদেশে এই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিতে টেনে নিয়ে আসে। আর এভাবে সৌদি-কাতারি অর্থায়নের পাশাপাশি তুরস্কের সার্বিক ও সর্বাত্মক লজিস্টিক সহায়তা এবং ফিল্ড সাপোর্টে নোংরা-অশুভ-কুচক্রী ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলি অক্ষটি (The unholy evil vicious Anglo-U.S-Israeli AXIS) সিরিয়ায় নিজেদের নীল-নক্সা বাস্তবায়নে সচেষ্ট হয়। এ নীল নক্সার স্বরূপটা আরও কিছু পরে ব্যাখ্যা করব।
আর ওসমানী সাম্রাজ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠার স্বপ্নে বিভোর উচ্চাভিলাষী এরদোগান সিরিয়ায় আধিপত্য স্থাপনের আশায় অথবা অন্ততপক্ষে সিরিয়ার তুর্কি সীমান্তবর্তী উত্তরাঞ্চল যার কিছু অধিবাসী তুর্কী ভাষাভাষী তুর্কমেন এবং তেলসমৃদ্ধ হওয়ায় তা তুরস্কের অন্তর্ভুক্ত করার লোভে ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলি এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় জড়িত হয়।
তুরস্কের এ ধরণের উচ্চাভিলাষ ইরাককে নিয়েও রয়েছে। ইরাকের তেলসমৃদ্ধ কির্কুক ও মসুল প্রদেশের প্রতিও তুরস্কের লোলুপ দৃষ্টি রয়েছে। কারণ এ অঞ্চলের অধিবাসীদের একটা অংশ তুর্কী ভাষাভাষী তুর্কমেন। তাই দায়েশ (আইএস) জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ইরাকী সেনাবাহিনী ও জনপ্রিয় গণবাহিনী আল-হাশদুশশাবী সফল অভিযান শুরু করলে সুপ্রতিবেশীসুলভ মনোবৃত্তি পরিহার করে তুর্কী বাহিনী সীমান্ত অতিক্রম করে মসুল প্রদেশের উত্তরে ইরাকী ভূখণ্ডের কয়েক কিলোমিটার ভিতরে দখলদার বাহিনীর মতো অবস্থান নেয়। ইরাক সরকার এর তীব্র প্রতিবাদ করে আসছে। ঠিক এ ধরণের কাজ তুরস্ক উত্তর সিরিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চলেও করে আসছে। সিরিয়া সরকারের সেনাবাহিনীর হাতে বিপর্যস্ত পলায়নপর জঙ্গি সন্ত্রাসীরা যাতে করে সীমান্ত অতিক্রম করে তুরস্কের ভেতরে অনুপ্রবেশ করতে না পারে সেই অজুহাতে তুর্কি সরকার সিরিয়ার এইসব সীমান্তে সেনা পাঠায়। অথচ এসব পলায়নপর জঙ্গি সন্ত্রাসীদের সিংহভাগই বিগত বছরগুলোয় তুরস্কে সামরিক ট্রেনিং নিয়ে তুর্কী-সিরিয় সীমান্ত দিয়ে সিরিয়ায় প্রবেশ করেছে।এদের কাছেই তুরস্ক হতে অস্ত্র, গোলাবারুদ, খাদ্য ও রসদপত্র সরবরাহ করা হত এবং বর্তমানেও তা করা হচ্ছে যা শুনতে সত্যি খুব অবাকই লাগে।
উল্লেখ্য ইরাক ও সিরিয়ার দায়েশ (আইএস) অধিকৃত অঞ্চলের তেলখনির তেল (পেট্রোলিয়াম) এ জঙ্গি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটি তুরস্ক এবং ইউরোপীয় ফরাসী-সুইডিশ আন্তর্জাতিক সিমেন্ট ও নির্মাণ সামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লা ফার্জ হোলসিম কোম্পানির মাধ্যমে জ্বালানী তেল ও পেট্রোলিয়ামের কালো বাজারে বিক্রি করে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার কামিয়েছে। আর দায়েশ-তুর্কী তেল-চোরাচালানে স্বয়ং এরদোগানের ছেলে ও জামাতাও জড়িত বলে জানা যায় এবং এরদোগানের ছেলে এ কারণেই দায়েশের তেলমন্ত্রী বলে খ্যাতি অর্জন করেছে। ইরাক সিরিয়া থেকে লুণ্ঠিত এ তেল তুরস্ক হয়ে চলে যেত ইসরাইলে এবং সেখান থেকে ইসরাইলের যেটুকু প্রয়োজন তা রেখে বাকি তেল সাপ্লাই দেয়া হতো বিশ্ব বাজারে। আর এভাবে সিরিয়া সংকটের বদৌলতে গড়ে উঠেছে ইরাক-সিরিয়ার তেল-সম্পদ লুণ্ঠন করে বিশ্ব তেলের কালো বাজারে তুর্কী-ইসরাইলি-পশ্চিমা বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর রমরমা ব্যবসা।
এ ছাড়া সিরিয়া সংকটের সুবাদে সেদেশে ঢুকে তুর্কী সীমান্তবর্তী সিরিয়ার কুর্দি অধ্যুষিত অঞ্চল কব্জা করতে পারলে তুরস্ক নিয়ন্ত্রিত কুর্দি প্রদেশগুলোর পিকেকে এবং অন্যান্য কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী দলগুলোর ভবিষ্যৎ বিদ্রোহ ও গোলযোগ দমন করাও তুরস্কের জন্য হয়তো বহুলাংশে সম্ভব হবে। আর সিরিয়ায় গোলযোগ ও সংকটে বাশার আল আসাদ সরকারের পতনে নোংরা-অশুভ-কুচক্রী ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলী-সৌদি-কাতারি অক্ষের সাথে সহযোগিতার সুবাদে সিরিয়ার বেশ কিছু অঞ্চল মালে গনিমত হিসেবে পাওয়া গেলে ভবিষ্যতে ইরাকেও এ ধরণের মালে গনিমত পেতে পারে তুরস্ক। তা ছাড়া এ প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা ও সম্প্রসারণে এই অশুভ অক্ষের সাথে থেকে যদি ইয়েমেনসহ মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা এমনকি ইরানেও ভবিষ্যতে মালে গনিমত পাওয়া যায় তাহলে মন্দ কি! ইরানে মালে গনিমত পাওয়ার অর্থ: সিরিয়া আর ইরাকে নোংরা-অশুভ-কুচক্রী ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইল-সৌদি-কাতারি অক্ষের ফিতনা, গোলযোগ, যুদ্ধ ও সংকট সৃষ্টির এক অন্যতম বৃহৎ বরং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ হচ্ছে ভবিষ্যতে ফিতনা, গোলযোগ, দ্বন্দ্ব, যুদ্ধ ও সংকট বাধিয়ে ইরানকে ধরাশায়ী করা যা করতে পারলে ইসরাইলের চূড়ান্ত নিরাপত্তা বিধান সম্ভব হবে এবং সেইসাথে ইরানকে টুকরো টুকরো করে এর তেল-গ্যাস ও অন্যান্য খনিজসম্পদ সমৃদ্ধ অঞ্চলগুলোর উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই অক্ষ ও তার সহযোগী দেশগুলো তখন ইরানে তাদের মালে গনিমত লাভ করতে পারবে। কি মহাভয়ানক এ পরিকল্পনা যা সমেত জাহান্নামে যাক্ এই অপবিত্র-অশুভ-খবিস শয়তানি অক্ষ।
অপবিত্র-অশুভ-শয়তানি-খবিস মূল ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলী অক্ষটি সৌদি আরব, কাতার, আমিরাত ও তুরস্কের শাসকচক্রকে বুঝিয়েছে ইসরাইল, আরব রাজন্যবর্গ ও তুরস্কের যৌথ স্বার্থ সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন সিরিয়া, ইরাক ও ইরানকে টুকরো টুকরো করা। আবার সেই সাথে হয়তো অশুভ অপবিত্র শয়তানি খবিস ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলী অক্ষটি এরদোগানের কানে কানে বলে থাকতে পারে যে সিরিয়া সংকটে সহযোগিতা করলে এর নগদ আরেকটি পুরস্কার তুরস্কের জন্য অপেক্ষা করবে আর তা হচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নে তুরস্কের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিতকরণ যা হচ্ছে এক কালের ‘সিক ম্যান অব ইউরোপ’ বলে খ্যাত তুরস্কের বহুযুগের লালিত স্বপ্ন এবং যা বহু বছর যাবত পাশ্চাত্য তুরস্কের সামনে মূলোর মত ঝুলিয়ে রেখে কেবল ফায়দাই লুটছে! আর এ থেকে পাশ্চাত্যের সর্বশেষ ফায়দা হচ্ছে এই যে বিশেষ প্রাণীর মুখের সামনে মুলো ঝুলিয়ে তাকে যেমন যেদিকে ইচ্ছা সেদিকে চালনা করা যায় ঠিক তেমনি তুর্কী প্রধানমন্ত্রী এরদোগানের সামনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মূলো ঝুলিয়ে তাকে সিরিয়ায় গোলযোগ ও সংকট সৃষ্টির পরিকল্পনায় শরিক করেছে পাশ্চাত্য! আসলে মূল অশুভ-অপবিত্র-খবিস-শয়তানি ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলী অক্ষের আসল লক্ষ্য ও মহাপরিকল্পনা হচ্ছে শুধু সিরিয়া, ইরাক ও ইরানকেই নয় বরং সৌদি আরব, ইয়েমেন, তুরস্ক, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, মিসর, লিবিয়া (বর্তমানে তা বিজাতীয় ষড়যন্ত্রে তিন টুকরায় বিভক্ত হয়ে আছে),আলজেরিয়া, সুদান,তিউনিসিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, চাদ, ইন্দোনেশিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর ও পশ্চিম আফ্রিকাসহ গোটা মুসলিম বিশ্বকে খণ্ড বিখণ্ড করে নতুন মধ্যপ্রাচ্য বা গ্রেটার মিডল ইস্ট (মরক্কো থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত প্রসারিত বৃহৎ মধ্যপ্রাচ্য) গঠন করা।
প্রখ্যাত ব্রিটিশ রাজনীতিজ্ঞ জর্জ গ্যালোওয়ের মতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ অটোম্যান সাম্রাজ্যকে ভেঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে ২২টি দুর্বল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিল ১০০ বছর আগে। আর বর্তমানে পাশ্চাত্য (নয়া ইঙ্গ-মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ) চাচ্ছে এই ২২টি দুর্বল রাষ্ট্রকে ভেঙ্গে আরও ৩০০টি অতি ক্ষুদ্র ও মহাদুর্বল রাষ্ট্র (রাজ্য বলাই শ্রেয়) প্রতিষ্ঠা করতে। তাহলে যেমন অতি সহজে ইসরাইলের অস্তিত্ব, নিরাপত্তা ও হেজেমোনি সুনিশ্চিত করা যাবে ঠিক তেমনি আরও অতি সহজে অত্র অঞ্চলের সমুদয় সম্পদ লুণ্ঠন এবং সব ধরণের সুযোগ সুবিধা ভোগ করা সম্ভব হবে। পাশ্চাত্য অর্থাৎ নয়া ইঙ্গ-মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের এটা হচ্ছে এশিয়া, আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা জুড়ে দেশ ভাঙ্গা-গড়ার যে গোপন মহাপরিকল্পনা ও নীল নক্সা আছে সেটার প্রথম পর্যায় বা ধাপ।
এর পরবর্তী ধাপে রয়েছে ভারত ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়াসহ ইউরেশিয়ার দেশগুলো বিশেষ করে রাশিয়া ও চীনের ভাঙ্গা-গড়ার প্রক্রিয়া। দেশ ভাঙ্গা-গড়ার প্রক্রিয়ায় লাতিন ও মধ্য আমেরিকার ঐ সব দেশ ও রাষ্ট্রগুলো সংযোজিত হতে পারে যেগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পটেনশিয়াল থ্রেট বা হুমকি স্বরূপ।
এ ভাঙ্গা-গড়ার সর্বশেষ ধাপ বা পর্যায়ে থাকতে পারে মধ্য ও পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলো যেমন: জার্মানি, স্পেন,ফ্রান্স,বেলজিয়াম, ইতালি ইত্যাদি। স্পেনের বাস্ক ও ক্যাটালোনিয়ায় বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন সক্রিয় এবং বেলজিয়ামে উত্তরাঞ্চলীয় ধনী ডাচ(ফ্লেমিং ফ্লেমিশ)জনগোষ্ঠীর সাথে দক্ষিণাঞ্চলীয় দরিদ্র ফরাসী ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব রয়েছে। এ ছাড়াও উত্তরের ধনী ডাচ জনগোষ্ঠী বেলজিয়াম থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চায়। আর ব্রেক্সিটের পর খোদ গ্রেট ব্রিটেন থেকে স্কটল্যান্ডের বের হয়ে যাওয়ার আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। আর ব্রেক্সিটই প্রমাণ করে যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার ব্যাপারে ইঙ্গ-মার্কিন অক্ষ তেমন একটা আগ্রহী নয়।
ব্রেক্সিট যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মৃত্যু-ঘণ্টা তাতে সন্দেহ নেই। যা হোক এ ব্যাপারে আরও চিন্তা-ভাবনা,গবেষণা ও অধ্যয়নের দরকার আছে। পূর্ব ইউরোপকে উল্লেখ করা হয়নি এ কারণে যে, সেখানে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি দেশে এ ভাঙ্গা-গড়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে যার সর্বশেষ উদাহরণ হচ্ছে ইউক্রেন।
রেডিও তেহরান: কিন্তু জনাব মোহাম্মাদ মুনির হোসেন খান ইউক্রেনের ভাঙ্গনের জন্য রাশিয়াই কি দায়ী নয়?
মোহাম্মাদ মুনির হোসেন খান: অনেকে হয়তো বলতে পারে যে, ইউক্রেন থেকে ক্রিমিয়াকে রাশিয়া ছিনিয়ে নিয়েছে এবং ইউক্রেনের রুশ-ভাষাভাষী অঞ্চলটি রাশিয়ার উস্কানিতে কিয়েভের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চাচ্ছে। তাদের উদ্দেশ্য বলতে হয় পাশ্চাত্য বিশেষকরে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো জোট অত্র অঞ্চলে রুশ প্রভাব খর্ব করার উদ্দেশ্যে ইউক্রেনের নির্বাচিত রুশপন্থী সরকারের বিরুদ্ধে কৃত্রিম গোলযোগ,সংকট ও ফিতনা সৃষ্টি করে এই সরকারের পতন ঘটিয়ে সেখানে পাশ্চাত্যের একটি ধামাধরা সরকারকে ক্ষমতায় বসানোর কারণেই ইউক্রেনের বর্তমান অবস্থার উদ্ভব হয়েছে। দেশটিতে আজ ইউক্রাইনী ও রুশ ভাষাভাষীদের মধ্যে যে জাতিগত দ্বন্দ্ব হচ্ছে তার আসল উদগাতাই হচ্ছে পাশ্চাত্যের এ উস্কানিমূলক পদক্ষেপ। অত্র অঞ্চলসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে রুশ প্রভাব খর্ব করার পাশাপাশি খোদ রাশিয়াকেও বিশেষ করে দেশটির অর্থনৈতিক শক্তিকে দুর্বল করা এবং আভ্যন্তরীণ গোলযোগ ও অশান্তির শিকার করে রুশ জাতির জাগরণের প্রতীক ভ্লাদিমির পুতিনের ভাবমূর্তি ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ারকেও নষ্ট করার লক্ষ্যে রাশিয়াকে ইউক্রেইন সংকটের মূল হোতা বলে প্রচারের চেষ্টা করছে পাশ্চাত্য তথা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আর এই অজুহাত দেখিয়েই রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ওয়াশিংটন। আর সম্ভবত: এটাই হচ্ছে ইউক্রেইন সংকটের নেপথ্য কারণ। আর কই পাশ্চাত্য কর্তৃক এই গোলযোগ সৃষ্টি এবং ইউক্রেনের ঘরোয়া বিষয়ে পাশ্চাত্যের অযাচিত হস্তক্ষেপের আগে তো দেশটি কখনও এ ধরণের ভাঙ্গা-গড়া প্রক্রিয়ার শিকার হয়নি।
রেডিও তেহরান: আমাদের সেই মূল প্রশ্নটি তথা সিরিয়া ইস্যুতে তুর্কি ভূমিকায় পরিবর্তনের পটভূমির কথা মাথায় রেখে দেশগুলোর ভাঙ্গা-গড়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে আপনি কি আরও ব্যাখ্যা দেবেন?
মোহাম্মাদ মুনির হোসেন খান: যে কোন দেশ উল্লেখিত ভাঙ্গা-গড়া প্রক্রিয়ার শিকার হবে কি হবে না তা নির্ভর করে কতকগুলো কারণ বা ফ্যাক্টরের উপর যেগুলোর কিছু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ (internal) অর্থাৎ দেশীয় এবং কিছু হচ্ছে বাইরের বা বিদেশীদের সৃষ্ট (external) কারণ। আবার দেশীয় বা বিদেশী উভয় ধরণের ফ্যাক্টর বা কারণের কিছু হতে পারে সুপ্ত (dormant) অর্থাৎ সম্ভাবনাময় তথা বর্তমানে অনুদ্ভুত বা বর্তমানে বিরাজমান ও বিদ্যমান নয় তবে ভবিষ্যতে তার উদ্ভব হবে এবং কিছু হতে পারে বর্তমানে বিরাজমান ও বিদ্যমান। যদি কোন দেশ এসব কারণ মোকাবেলায় যথেষ্ট শক্তিশালী ও পর্যাপ্ত ক্ষমতার অধিকারী হয় তাহলে সে দেশ উক্ত ভাঙ্গা-গড়া প্রক্রিয়ার শিকার হবে না এবং নিজ অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হবে। আর এর অন্যথা হলে সেদেশের অস্তিত্ব সত্যি সত্যি বিপন্ন হবে। প্রতিটি দেশই- তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মত মহাশক্তিধর পরাশক্তি হোক না কেন- এ ধরণের ভাঙ্গা-গড়া প্রক্রিয়ার যাবতীয় ফ্যাক্টরের সম্মুখীন হতে পারে যে কোন যুগ সন্ধিক্ষণে। আর এটাই হচ্ছে চরম ঐতিহাসিক সত্য ও ইতিহাসের অমোঘ নিয়ম যার পুনরাবৃত্তি যুগে যুগে হয়েছে, হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হবে।
সিরিয়ার ওপর দীর্ঘ ৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে সংকট চাপিয়ে দেয়ার পরও দেশটির পরিস্থিতি অপবিত্র-অশুভ-শয়তানি-খবিস অক্ষটির অন্তর্ভুক্ত কোন একটি দেশের পক্ষে যায়নি। অর্থাৎ বাশার আল আসাদ সরকারের পতন ঘটেনি বরং এই সরকার টিকে রয়েছে। আর রণাঙ্গনগুলোতে বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও দলগুলোর বিরুদ্ধে সিরিয় সরকারের উত্তরোত্তর বিজয় ও সাফল্য অব্যাহত রয়েছে। সিরিয় সরকার বিরোধী সকল গ্রুপের মধ্যে ঐক্যও দেখা যাচ্ছে না। বরং তাদের অন্তর্দ্বন্দ্ব ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ক্রমেই বাড়ছে। বিভিন্ন সময় সিরিয়ায় বিভিন্ন অঞ্চল দখল ও পুনর্দখলকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বিদ্রোহী তাকফিরি সালাফি ওয়াহাবি জঙ্গি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, দল, গ্রুপ ও মোর্চাগুলোর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংঘর্ষ ও যুদ্ধ হচ্ছে। এ পর্যন্ত বিদ্রোহী শিবিরের নানা গোষ্ঠী একে অপরের হাজার হাজার সমর্থক ও যোদ্ধাকে হত্যা করেছে। সম্প্রতি (১৬-৫-২০১৭) বার্তা সংস্থাগুলোর খবরে জানা গেছে, সিরিয়ায় জঙ্গি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী জাবহাতুন নুসরা এবং অপর একটি জঙ্গি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী জাইশুল ইসলামের মধ্যকার সংঘর্ষে উভয় পক্ষেরই বহু যোদ্ধা ও সমর্থক হতাহত হয়েছে।
যে তুর্কি সরকার সিরিয়ার আসাদ সরকারের পতন ঘটানোর জন্য নানা বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে মদদ দিয়েছে সেই তুর্কি সরকারই এখন সেইসব মদদের ফলে সৃষ্ট মারাত্মক নানা পরিণতির শিকার হচ্ছে। যেমন, সিরিয়ায় পরাজিত বিভিন্ন জঙ্গি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর পলায়নপর সমর্থক, কর্মী ও যোদ্ধারা বিশেষ করে দায়েশের সন্ত্রাসীরা সীমান্ত পেরিয়ে তুরস্কে ঢুকছে এবং তুরস্কের বিভিন্ন শহরে বিগত এক থেকে দেড় বছরে এসব জঙ্গিদের সন্ত্রাসী হামলায় ৩০০রও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। ফলে তুরস্কের অভ্যন্তরীণ জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হয়েছে।
সিরিয়ার গোলযোগে তুর্কি সরকার ও সেদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর জড়িত থাকার সুযোগে হাজার হাজার তুর্কি যুবক সিরিয়ায় গিয়ে জঙ্গি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর তত্ত্বাবধানে অস্ত্র ও বোমা হামলা এবং সন্ত্রাসী কর্মতৎপরতার ট্রেনিং নিয়ে তুরস্কে ফিরে এসেছে। সিরিয়ায় কুবানিসহ কুর্দি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদ ও সহযোগিতায় সশস্ত্র সিরিয় কুর্দি গ্রুপ ও দলগুলো কর্তৃক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সুযোগে তুরস্কের কুর্দিস্তানে যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাতিল ঘোষণা দিয়ে ‘পিকেকে’সহ বিভিন্ন কুর্দি বিচ্ছন্নতাবাদী গ্রুপ তুর্কি সরকার ও সেনাবাহিনীর উপর সশস্ত্র হামলা শুরু করেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ কর্তৃক প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ সংঘাতময় ১০ দেশের তালিকায় তুরস্ক রয়েছে সপ্তম স্থানে। (দৈনিক যুগান্তর ১৩-৫-২০১৭ দ্রঃ)
২০১৫ সালের একদম শেষের দিকে তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্তে তুর্কী বিমান বাহিনী কর্তৃক একটি রুশ জঙ্গি বিমান ভূপাতিত হলে তুরস্ক ও রাশিয়ার মধ্যে রাজনৈতিক টানাপড়েন দেখা দেয়। ফলে রাশিয়া তুরস্কে সব রুশ পণ্য রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপকরে এবং রুশ পর্যটকদের তুরস্ক ভ্রমণ স্থগিত হয়।
এদিকে ২০১৬ সালের জুলাই মাসে এরদোগান সরকারের বিরুদ্ধে ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত ফাতহুল্লাহ গুলেন ও তার সংগঠনের জড়িত থাকাকে কেন্দ্র করে এরদোগান সরকার ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য সন্দেহ ও আস্থাহীনতা বেড়ে যায়। পার্লামেন্টারি পদ্ধতি থেকে প্রেসিডেন্সিয়াল ব্যবস্থায় সরকার পরিচালনা পদ্ধতিতে অনুমোদন দানকারী গণভোটের আয়োজনকে কেন্দ্র করে পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলোর সাথে এরদোগান সরকারের সম্পর্কে তীব্র অবনতি ঘটে। এরফলে ইউরোপীয় ইউনিয়নে তুরস্কের অন্তর্ভুক্তি একরকম অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। আর এর আগে ২০১৩সালের জুন মাসে মিশরের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা নিয়ে সৌদি আরব ও কাতারের কামড়াকামড়ির জের ধরে সৌদি সমর্থিত জেনারেল সিসির সামরিক অভ্যুত্থানে তুরস্ক-কাতার সমর্থিত মুরসি সরকারের পতন ঘটে। আর এসবই ছিল এরদোগান সরকারের জন্য এক একটি বড় ধাক্কা বা আঘাত।
সিরিয়ায় বাশার আল আসাদ সরকারের পতন হলে দেশটিকে যে টুকরো টুকরো করে দেয়া হবে এবং আরব এই দেশ ভাঙ্গা-গড়া প্রক্রিয়ার পরবর্তী টার্গেট যে ইরান নয় বরং তুরস্ক -যার আলামতও ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে- তাতে এরদোগান সরকারের মনেও এখন কোন সন্দেহ নেই। রাশিয়া আরোপিত রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা ও তুরস্কে রুশ পর্যটকদের আগমন স্থগিত হওয়ার কারণে দেশটি অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর রুশ বোমারু বিমান ভূপাতিত করার কারণে রাশিয়া কর্তৃক প্রতিশোধ গ্রহণের আশংকায় হয়তো সিরিয়ায় অপবিত্র অশুভ শয়তানি খবিস ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলী-প্রতিক্রিয়াশীল আরব অক্ষের সাথে জয়েন্ট অ্যাডভেনচারিজম বা সম্মিলিত হঠকারী অভিযানে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানের মোহ ভঙ্গ হয়ে থাকতে পারে!
এ ছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়নে তুরস্কের অন্তর্ভুক্তি বর্তমানে এক রকম অসম্ভব হয়ে পড়ায় ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাময় চীন-রাশিয়ার প্রাধান্যের সাংহাই জোট এবং ব্রাজিল-রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা নিয়ে সদ্য-গঠিত জোট ব্রিক্সে তুরস্কের অন্তর্ভুক্তি যাতে সহজ হয় সেজন্য হয়তো রাশিয়ার প্রস্তাবিত ও দামেস্ক-তেহরান সমর্থিত সিরিয়ায় ডিএস্কেলেশন বা উত্তেজনা-প্রশমণ জোন গঠন প্রক্রিয়ায় তুরস্ক সম্মত হয়ে থাকতে পারে। তবে শয়তানি খবিস ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলী-আরব প্রতিক্রিয়াশীল অক্ষের কোন লোভনীয় টোপে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান যে আবারও ডিগবাজী খাবেন না তা গ্যারান্টি দিয়ে বলার উপায় নেই!
রেডিও তেহরান: সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রস্থানীয় মুসলিম দেশগুলোসহ যে কোন বড় মুসলিম দেশকে কেন খণ্ড বিখণ্ড করতে চায়?
মোহাম্মাদ মুনীর হোসেন খান: এ প্রশ্নের জবাবে বলতে হয়: মিত্র দেশগুলো যে ভবিষ্যতে শত্রুদেশে পরিণত হবে না এমন নিশ্চয়তা কি দেয়া সম্ভব? রাজতান্ত্রিক যুগে ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিল এবং ইরানের শাহ-সরকারকে পারস্যোপসাগরীয় অঞ্চল ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ-সংরক্ষণকারী পুলিশ বলা হত। এ ছাড়াও শাহ-শাসিত ইরান এককালে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দান সহ আরব-ইসরাইল যুদ্ধগুলোতে ইসরাইলের পক্ষাবলম্বন করেছিল এবং শাহ সরকার ইসরাইলে নিয়মিত তেল ( পেট্রোলিয়াম )রপ্তানি করত। অথচ সেই ইরান ১৯৭৯ সালে ইমাম খোমেনীর (র) নেতৃত্বে ইসলামী বিপ্লবের বিজয়ের পরে মার্কিন বলয় থেকে বের হয়ে এসে ৩৮ বছর ধরে পাশ্চাত্য বিশেষ করে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এবং ইসরাইল বিরোধী প্রতিরোধ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে। তাই ইরান সেই থেকে আজ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে পাশ্চাত্য ও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের অবৈধ স্বার্থ ও হেজিমোনি বা একাধিপত্যের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ হুমকিস্বরূপ।
ইসলামী বিপ্লবের কল্যাণে ইরান আজ শক্তিশালী দেশ এবং আঞ্চলিক পরাশক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,পাশ্চাত্য ও ইসরাইলের কাছে মোটেও কাম্য নয়। তাই ভবিষ্যতে এ ধরণের ঘটনার আর যেন পুনরাবৃত্তি না হয় সেজন্য পাশ্চাত্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরাইল অর্থাৎ সেই অপবিত্র-অশুভ-খবিস-শয়তানি অক্ষ তাই আর রিস্ক নিতে চায় না এবং সেজন্য প্রথম পর্যায়ে শত্রু-মিত্র নির্বিশেষে মধ্যপ্রাচ্যের সব মুসলিম দেশ বিশেষকরে যেসব দেশ বড় ও শক্তিশালী সেগুলোকে ভাঙ্গা-গড়া প্রক্রিয়ার শিকার করে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দেশ ও জাতিতে বিভক্ত করে দিতে চাচ্ছে।
সুদান, লিবিয়া, ইয়েমেন, আফগানিস্তান, ইরাক ও সিরিয়াকে এ প্রক্রিয়ার মধ্যে ফেলে দেয়া হয়েছে। যদিও ইরান ইয়েমেন, আফগানিস্তান, ইরাক ও সিরিয়াকে এধরণের ধ্বংসাত্মক প্রক্রিয়া থেকে মুক্ত করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে এবং এ ক্ষেত্রে অনেক সাফল্যও অর্জন করেছে এবং আশা করা যায় যে এ জাতীয় সাফল্যার্জন অব্যাহত থাকবে এবং অশুভ অপবিত্র খবিস শয়তানি অক্ষের সকল অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্র নস্যাৎ ও ভণ্ডুল হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তানকেও হাঁটি-হাঁটি পা পা করে খণ্ড-বিখণ্ড করার দিকে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আর ন্যাটো জোটভুক্ত শক্তিশালী দেশ তুরস্ককেও দেশ ভাঙ্গা-গড়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে প্রবেশ করানো হয়েছে যার আলামত প্রকাশিত হয়েছে তুরস্কের অন্তর্ভুক্ত কুর্দিস্তানে বিচ্ছিন্নতাবাদী পিকেকে।
Parstoday.com
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরাকি নেতা সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসির সময়ে কেঁদেছিলেন যে আমেরিকান সৈন্যরা

গ্রেফতার হওয়ার আগে তাঁরা যে সাদ্দাম হোসেনের 'বন্ধু' ছিলেন, সেটা মোটেই নয়।
কিন্তু ওই ১২ জন আমেরিকান সৈন্য সাদ্দামের শেষ সময়ের বন্ধু হয়ে উঠেছিলেন। আক্ষরিক অর্থেই শেষ মুহূর্ত অবধি তাঁরাই ছিলেন সাদ্দামের সঙ্গে।
মার্কিন ৫৫১ নম্বর মিলিটারি পুলিশ কোম্পানির ওই ১২ জন সেনাসদস্যকে 'সুপার টুয়েলভ' বলে ডাকা হতো।
তাঁদেরই একজন, উইল বার্ডেনওয়ার্পার একটি বই লিখেছেন, 'দা প্রিজনার ইন হিজ প্যালেস, হিজ অ্যামেরিকান গার্ডস, অ্যান্ড হোয়াট হিস্ট্রি লেফট আনসেইড' নামে। বাংলা করলে বইটির নাম হতে পারে 'নিজের প্রাসাদেই এক বন্দী, তাঁর আমেরিকান প্রহরী - ইতিহাস যে কথা বলেনি'।
বইটি জুড়ে রয়েছে সাদ্দাম হোসেনকে তাঁর শেষ সময় পর্যন্ত সুরক্ষা দেওয়ার অভিজ্ঞতা।
মি. বার্ডেনওয়ার্পার স্বীকার করেছেন যে তাঁরা যখন সাদ্দাম হোসেনকে জল্লাদদের হাতে তুলে দিলেন ফাঁসির জন্য, তখন তাঁদের ১২ জনেরই চোখে পানি এসে গিয়েছিল।
দাদুর মতো দেখতে লাগত সাদ্দামকে
বার্ডেনওয়ার্পার তাঁরই এক সেনা-সঙ্গী রজারসনকে উদ্ধৃত করে লিখেছেন, "আমরা কখনও সাদ্দামকে মানসিক বিকারগ্রস্ত হত্যাকারী হিসাবে দেখিনি। তাঁর দিকে তাকালে নিজের দাদুর মতো লাগত অনেক সময়ে।"
ইরাকের জেলে জীবনের শেষ সময়টুকু কাটানোর সময়ে সাদ্দাম হোসেন আমেরিকান গায়িকা মেরি জে ব্লাইজার গান শুনতেন নিয়মিত। নিজের এক্সারসাইজ বাইকে চড়তে পছন্দ করতেন সাদ্দাম। ওটার নাম দিয়েছিলেন 'পনি'।
মিষ্টি খেতে খুব ভালবাসতেন। মাঝেমধ্যেই মাফিন খেতে চাইতেন।
বার্ডেনওয়ার্পার লিখেছেন, নিজের জীবনের শেষ দিনগুলোতে সাদ্দাম তাঁদের সঙ্গে খুব ভাল ব্যবহার করতেন। ওই ব্যবহার দেখে বোঝাই যেত না যে সাদ্দাম হোসেন কোনও এক সময়ে একজন অত্যন্ত নিষ্ঠুর শাসক ছিলেন।
কাস্ত্রো তাঁকে সিগার খেতে শিখিয়েছিলেন
সাদ্দামের 'কোহিবা' সিগার খাওয়ার খুব নেশা ছিল। মনে করা হয় কিউবার সিগারের মধ্যে এই 'কোহিবা' সবার চেয়ে সেরা সিগারগুলোর অন্যতম।
ভেজা ওয়াইপে জড়িয়ে একটা বাক্সের মধ্যে রাখা থাকত সিগারগুলো।
সাদ্দাম নিজেই বলেছিলেন যে বহু বছর আগে ফিদেল কাস্ত্রো তাকে সিগার খাওয়া শিখিয়েছিলেন।সিগার ছাড়াও বাগান করা আরেকটা শখ ছিল সাদ্দাম হোসেনের।
জেলের ভেতরে অযত্নে ফুটে থাকা জংলী ঝোপঝাড়গুলোকেও তিনি একটা সুন্দর ফুলের মতো মনে করতেন।
খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে খুবই সংবেদনশীল ছিলেন সাদ্দাম
সকালের নাস্তাটা তিনি কয়েকটা ভাগে খেতেন - প্রথমে অমলেট, তারপর মাফিন আর শেষে তাজা ফল।
ভুল করেও যদি তাঁর অমলেটটা টুকরো হয়ে যেত, সেটা তিনি খেতে অস্বীকার করতেন।
বার্ডেনওয়ার্পার স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে লিখেছেন: একবার সাদ্দাম তার ছেলে উদয় কতটা নিষ্ঠুর ছিল, সেটা বোঝাতে গিয়ে বীভৎস একটা ঘটনার কথা বলেছিলেন। ওই ব্যাপারটায় সাদ্দাম প্রচণ্ড রেগে গিয়েছিলেন।
উদয় কোনও একটা পার্টিতে গিয়ে গুলি চালিয়ে দিয়েছিল - তাতে বেশ কয়েকজন মারা গিয়েছিলেন। গুলিতে আহত হয়েছিলেন আরও কয়েকজন।সাদ্দাম ব্যাপারটা জানতে পেরে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে উদয়ের সবক'টা গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিতে। ওই ঘটনাটা বলতে গিয়ে সেনা প্রহরীদের সাদ্দাম ভীষণ রেগে গিয়ে শুনিয়েছিলেন যে উদয়ের দামী রোলস রয়েস, ফেরারি, পোর্শা গাড়িগুলোতে তিনি আগুন লাগিয়ে দিয়েছিলেন।
ভাইয়ের মৃত্যু সংবাদ
সাদ্দাম হোসেনের নিরাপত্তার জন্য নিযুক্ত আমেরিকান সেনারাই তাঁকে একদিন জানিয়েছিলেন যে তাঁর ভাই মারা গেছেন। যে সেনাসদস্য খবরটা দিয়েছিলেন, সাদ্দাম তাঁকে বুকে জড়িয়ে ধরে বলেছিলেন, "আজ থেকে তুমিই আমার ভাই।"
আরেকজন প্রহরীকে বলেছিলেন, "যদি আমার সম্পত্তি ব্যবহার করার অনুমতি পাই, তাহলে তোমার ছেলের কলেজে পড়তে যা খরচ লাগবে, সব আমি দিতে রাজী।"
এক রাতে বছর কুড়ি বয়সের সেনা প্রহরী ডসন বাজে মাপে কাটা একটা স্যুট পড়ে ঘুরছিল। জানা গেল যে ডসনকে ওই স্যুটটা সাদ্দাম উপহার হিসাবে দিয়েছেন।
বার্ডেনওয়ার্পারের কথায়, "বেশ কয়েকদিন আমরা সবাই ডসনকে নিয়ে হাসাহাসি করছিলাম ওই স্যুটটার জন্য। ওটা পড়ে ও এমন ভাবে হাঁটাচলা করত, যেন মনে হতো কোনও ফ্যাশন শো'য়ে ক্যাটওয়াক করছে ডসন।"
সাদ্দাম আর তাঁর প্রহরীদের মধ্যে বন্ধুত্ব বেশ ঘন হয়ে উঠছিল, যদিও তাদের ওপরে কড়া নির্দেশ ছিল যে সাদ্দামের ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টাও যেন কেউ না করে।
সাদ্দাম হোসেনকে মামলা চলা চলার সময় দুটো জেলে রাখা হয়েছিল।এক জেল ছিল আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের কয়েদখানা, আর অন্যটা উত্তর বাগদাদের সাদ্দামেরই একটা প্রাসাদে।
ওই প্রাসাদটা ছিল একটা দ্বীপে। একটা সেতু পেরিয়ে ওই দ্বীপে যেতে হতো।
"আমরা অবশ্য সাদ্দামকে এমন কিছু দিইনি, যেটা তিনি পাওয়ার অধিকারী ছিলেন না। কিন্তু ওঁর অহংবোধে কখনও আঘাত করতাম না আমরা," লিখছেন বার্ডেনওয়ার্পার।
স্টিভ হাচিনসন, ক্রিস টাস্করের মতো কয়েকজন প্রহরী ওই প্রাসাদেরই একটা স্টোর রুমে সাদ্দামের দপ্তর তৈরি করে দিয়েছিল।
সাদ্দামের দরবার
সাদ্দাম হোসেনকে একটা চমক দেওয়ার ইচ্ছা ছিল সবার।
পুরনো, ফেলে দেওয়া জিনিসপত্র থেকে একটা ছোট টেবিল আর চামড়ার ঢাকনা দেওয়া একটা চেয়ার নিয়ে আসা হয়েছিল। টেবিলের ওপরে ইরাকের একটা ছোট পতাকাও রাখা হয়েছিল।
"আমরা চেষ্টা করেছিলাম জেলের ভেতরেই সাদ্দামের জন্য শাসনকাজ পরিচালনার মতো একটা অফিস তৈরি করতে। যখন সাদ্দাম ওই ঘরটায় প্রথমবার গিয়েছিলেন, একজন সেনা সদস্য হঠাৎই খেয়াল করে যে টেবিলের ওপরে ধুলো জমে আছে। সে ধুলো ঝাড়তে শুরু করেছিল," লিখছেন বার্ডেনওয়ার্পার।
ওই আচরণটা সাদ্দামের নজর এড়ায়নি। চেয়ারে বসতে বসতে তিনি মুচকি হেসেছিলেন।তারপর থেকে তিনি রোজ ওই চেয়ারে এসে বসতেন। তাঁর নিরাপত্তার জন্য নিযুক্ত সেনাপ্রহরীরা সবাই সামনের চেয়ারগুলোতে বসতেন। যেন সাদ্দাম নিজের দরবারে বসেছেন।
নিরাপত্তা রক্ষীরা চেষ্টা করত সাদ্দামকে খুশী রাখতে। তার বদলে সাদ্দামও সকলের সঙ্গে হাসি-মস্করা করতেন।
কয়েকজন রক্ষী পরে বার্ডেনওয়ার্পারকে বলেছিলেন যে তারা বিশ্বাস করতেন 'যদি তাদের কোনও ঝামেলায় পড়তে হয়, তাহলে সাদ্দাম তাদের বাঁচানোর জন্য নিজের জীবনও বাজি রেখে দিতে পারেন'।
যখনই সময়-সুযোগ পেতেন, তখনই সাদ্দাম হোসেন পাহারার দায়িত্বে থাকা রক্ষীদের পরিবারের খোঁজখবর নিতেন।
বার্ডেনওয়ার্পারের বইটাতে সবথেকে আশ্চর্যজনক যে বিষয়টার উল্লেখ রয়েছে, সেটা হল সাদ্দামের মৃত্যুর পরে তাঁর প্রহরীরা রীতিমতো শোক পালন করেছিলেন, যদিও তিনি আমেরিকার কট্টর শত্রু ছিলেন।
প্রহরীদেরই একজন, অ্যাডাম রজারসন উইল বার্ডেনওয়ার্পারকে বলেছিলেন, "সাদ্দামের ফাঁসি হয়ে যাওয়ার পরে আমার মনে হচ্ছে আমরা ওর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছি। নিজেদেরই এখন তার হত্যাকারী বলে মনে হচ্ছে। এমন একজনকে মেরে ফেললাম আমরা, তিনি যেন আমাদের খুব আপনজন ছিলেন।"সাদ্দামের ফাঁসির পরে যখন তাঁর মরদেহ বাইরে নিয়ে আসা হয়েছিল, তখন সেখানে জমা হওয়া লোকজন মৃতদেহের ওপরে থুতু ছিটিয়েছিল।
ওই ঘটনা দেখে হতভম্ব হয়ে গিয়েছিল আমেরিকান সেনারা
বার্ডেনওয়ার্পার লিখছেন, ওই নোংরামি দেখে হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন তারা সকলে, বিশেষ করে যে ১২ জন তাঁর শেষ সময়ে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন।
তাদেরই মধ্যে একজন ওখানে জমা হওয়া লোকজনের কাছে হাত জোড় করে তাদের থামাতে চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু দলের বাকিরা তাকে টেনে সরিয়ে নেয়।
ওই ১২ জনের অন্যতম, স্টিভ হাচিনসন সাদ্দামের ফাঁসির পরেই আমেরিকার সেনাবাহিনী থেকে ইস্তফা দেন।
হাচিনসন এখন জর্জিয়ায় বন্দুক চালনা আর ট্যাকটিক্যাল ট্রেনিং দেওয়ার কাজ করেন। তাঁর মনে এখনও ক্ষোভ রয়েছে, কারণ সেদিন যেসব ইরাকী সাদ্দামের মৃতদেহকে অপমান করছিল, তাদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে না পড়ার আদেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁদের।
সাদ্দাম হোসেন কিন্তু শেষ দিন পর্যন্ত আশা করতেন যে তাঁর ফাঁসি হবে না।
একজন রক্ষী, অ্যাডাম রোজারসন বার্ডেনওয়ার্পারকে বলেছিলেন, কোনও নারীর সঙ্গে প্রেম করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন সাদ্দাম। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরে আবারও বিয়ে করার ইচ্ছাও হয়েছিল তাঁর।২০০৬ সালের ৩০শে ডিসেম্বর তিনটে নাগাদ ঘুম থেকে ডেকে তোলা হয়েছিল।
তাঁকে জানানো হয়েছিল যে কিছুক্ষণের মধ্যেই ফাঁসি দেওয়া হবে। এই কথাটা শোনার পরে সাদ্দামের ভেতরের সব বিশ্বাস ভেঙ্গে পড়েছিল। তিনি চুপচাপ গোসল করে ফাঁসির জন্য তৈরি হয়ে নিয়েছিলেন।
সেই সময়েও তাঁর একটা ভাবনা ছিল। জানতে চেয়েছিলেন, 'সুপার টুয়েলভের সদস্যরাও কি ঘুমোচ্ছে?'
ফাঁসির কয়েক মিনিট আগে স্টিভ হাচিনসনকে কারাকক্ষের বাইরে ডেকে পাঠান সাদ্দাম হোসেন। লোহার শিকগুলোর মধ্যে দিয়ে হাতটা বের করে নিজের রেমন্ড ওয়েইল হাতঘড়িটা দিয়ে দেন স্টিভকে।
হাচিনসন আপত্তি করেছিলেন। তবে সাদ্দাম কিছুটা জোর করেই ঘড়িটা স্টিভের হাতে পরিয়ে দেন।
জর্জিয়ায় হাচিনসনের বাড়ির একটা সিন্দুকে রাখা ঘড়িটা এখনও টিক টিক করে চলেছে।
সুত্রঃ বিবিসি বাংলা
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'উ.কোরিয়ার ওপর চাপ প্রয়োগ চীনের কূটনৈতিক দায়িত্ব'

About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরিয়ায় আবারো অস্ট্রেলিয়ার বিমান হামলা শুরু

About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুনিয়ার কোথাও নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয় নেই : নাসিম

About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উবারসহ মোবাইল অ্যাপ নির্ভর পরিবহন সেবা উন্মুক্ত করতে চায় সরকার : ওবায়দুল কাদের

About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সাজিয়ে রাখার জন্য তৈরি হয়নি'

About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মিরে তিন স্বাধীনতাকামী নিহত

About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেক্সিকোয় হত্যাকাণ্ডের সর্বোচ্চ রেকর্ড

About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুঁড়িয়ে দেয়া হলো বিখ্যাত আল-নূরি মসজিদ

About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মসুল মসজিদ ধ্বংসের অর্থ আইএসের পরাজয় মেনে নেয়া : ইরাক প্রধানমন্ত্রী

About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হ্যাকিংয়ের চেষ্টা করেছিল রাশিয়া

About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিয়ের পোশাকের মূল্য সাত মিলিয়ন ডলার

About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমেরিকার পরিবর্তে চীন

About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইভরিকোস্টে প্রবল বৃষ্টিতে ১৫ জনের মৃত্যু

About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অসাবধানতায় উন্মুক্ত ২০ কোটি মার্কিনীর গোপন তথ্য

About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কক্সবাজারে ১৯ আগ্নেয়াস্ত্রসহ শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার

About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রংপুর জেলা জাতীয় পার্টির কমিটি বিলুপ্ত
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুন্সীগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের বিজয়
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
-
▼
2017
(8870)
-
▼
June
(1181)
-
▼
Jun 22
(66)
- ‘স্বেচ্ছায় মৃত্যুদণ্ড’ চান রাজীব গান্ধী হত্যা মাম...
- ঈদ: তারিখ জানতে বিজ্ঞানের দ্বারস্থ হতে সমস্যা কোথা...
- ঈদের কেনাকাটায় ভারতের বাজারে কেন ছুটছে বাংলাদেশীর...
- যেকোনো মুহূর্তে গ্রহাণুর হামলা, ধ্বংস হয়ে যাবে বিখ...
- দাবির তালিকা পায়নি কাতার
- নতুন সরকারের প্রস্তাব তুলে ধরলেন রানি
- কে এই মোহাম্মদ বিন সালমান?
- ইরাকে ৫০ লাখ শিশুর জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন
- গুঁড়িয়ে দেয়া হলো বিখ্যাত আল-নূরি মসজিদ
- পলাশী যুদ্ধের কালপঞ্জি
- মহা খরার কবলে পড়তে চলছে মধ্যপ্রাচ্য : বিজ্ঞানীদের ...
- সিরিয়া ইস্যুতে ইরানি-রুশ অক্ষের সঙ্গে এরদোগানের আপ...
- ইরাকি নেতা সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসির সময়ে কেঁদেছিলেন...
- 'উ.কোরিয়ার ওপর চাপ প্রয়োগ চীনের কূটনৈতিক দায়িত্ব'
- সিরিয়ায় আবারো অস্ট্রেলিয়ার বিমান হামলা শুরু
- দুনিয়ার কোথাও নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয় নেই : নাসিম
- উবারসহ মোবাইল অ্যাপ নির্ভর পরিবহন সেবা উন্মুক্ত কর...
- 'ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সাজিয়ে রাখার জন্য তৈরি হয়নি'
- কাশ্মিরে তিন স্বাধীনতাকামী নিহত
- মেক্সিকোয় হত্যাকাণ্ডের সর্বোচ্চ রেকর্ড
- গুঁড়িয়ে দেয়া হলো বিখ্যাত আল-নূরি মসজিদ
- মসুল মসজিদ ধ্বংসের অর্থ আইএসের পরাজয় মেনে নেয়া : ই...
- যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হ্যাকিংয়ের চেষ্টা করেছিল ...
- বিয়ের পোশাকের মূল্য সাত মিলিয়ন ডলার
- আমেরিকার পরিবর্তে চীন
- আইভরিকোস্টে প্রবল বৃষ্টিতে ১৫ জনের মৃত্যু
- অসাবধানতায় উন্মুক্ত ২০ কোটি মার্কিনীর গোপন তথ্য
- কক্সবাজারে ১৯ আগ্নেয়াস্ত্রসহ শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার
- রংপুর জেলা জাতীয় পার্টির কমিটি বিলুপ্ত
- মুন্সীগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে জাতীয়তাবা...
- মিরসরাইয়ে পাহাড়ে ঝুঁকিতে বসবাস ২০ হাজার মানুষের
- মরন ব্যাধি থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত দু’ ভাই বাচঁ...
- চান্দিনায় ১৩ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২
- শার্শায় বাসের সাথে জীপের সংঘর্ষ : চালক নিহত
- ২১ সাল নাগাদ বিদ্যুৎ বিতরণ ও সঞ্চালন ক্ষমতা দ্বিগু...
- গণমাধ্যমে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিতে সরকার কাজ কর...
- ৯৫৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে চাল সিন্ডিকেট
- ঈদের কেনাকাটায় ভারতের বাজারে কেন ছুটছে বাংলাদেশীরা?
- এএসপি মিজানুরের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন
- আদালতে খালেদা জিয়া
- অর্ধশত বছরের পুরনো ফিটনেসবিহীন লঞ্চ চলছে
- ছাত্রের সঙ্গে শিক্ষিকা নাজমার অনৈতিক সম্পর্ক
- মহিমান্বিত লাইলাতুল কদর
- বাংলাদেশ হবে আঞ্চলিক অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু : প্র...
- ট্রেন ও বিমান পরিবহনে বিপর্যয়
- ভারতীয় বাসের ধাক্কায় নিহত ১, বেনাপোল পরিচালকসহ আহত ২
- সৌদি যুবরাজ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি তথ্য
- মসুলে আল-নুরি মসজিদ উড়িয়ে দিয়েছে আইএস!
- মার্কিন নির্বাচনে হ্যাকিং-এর চেষ্টা করেছিল রাশিয়া
- ৩০ বছরের মধ্যে চাঁদ কিংবা মঙ্গলে সভ্যতা!
- রাষ্ট্রপতির গাড়ি ‘থামিয়ে’ অ্যাম্বুলেন্স পার করায় প...
- আদালতের পথে খালেদা জিয়া
- ছিনতাইকারীর গাড়ির ধাক্কায় ব্যবসায়ী নিহত
- পথে পথে যাত্রী ভোগান্তি
- ঈদের শপিংয়ে গিয়ে বাস চাপায় মেয়েসহ কনস্টেবল নিহত
- বিতর্কিত ৫৭ ধারা বহাল থাকছে?
- সুশাসন ও গণতন্ত্র দুটিই প্রশ্নবিদ্ধ
- বস্তুর বর্জ্য সরাচ্ছেন মেয়রদ্বয় চিন্তার ময়লা ফেলব ...
- হ্যাপির নয়া জীবন
- শিশুর বুদ্ধি বিকাশে যা করবেন
- তীব্র যানজটে দুর্ভোগে ঘরমুখো মানুষ
- সুন্দরগঞ্জে ঈদের পোশাক দেয়ার কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণ
- শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষে পুলিশসহ অর্ধশতাধিক আহত
- তিন প্রস্তাব নিয়ে খালেদা জিয়ার রুদ্ধদ্বার বৈঠক
- আজ আদালতে যাচ্ছেন খালেদা জিয়া
- পিছু হটছে সরকার
-
▼
Jun 22
(66)
-
▼
June
(1181)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
