Thursday, October 31, 2019
ভারত থেকে আলাদা হওয়ার ঘোষণা মণিপুরের

মঙ্গলবারের ঘোষণায় নরেংবাম ও বিরেন জানান, তারা মণিপুরের মহারাজার অনুমোদন নিয়েই এই নির্বাসিত সরকার গঠন করেছেন। বক্তব্যের সমর্থনে একটি নথিপত্রও উপস্থাপন করেছেন তারা।
তাতে দেখা যায়, মহারাজা ২০১৩ সালের ১৫ই মার্চ স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় তাদেরকে রাজ্যের রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করার ক্ষমতা দিয়েছেন। তারা উভয়ই নিশ্চিত করেছেন যে, সরকারের নির্যাতন ও দমন থেকে পালিয়ে তারা বৃটেনে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন জানিয়েছেন। তারা বলেন, ভারতে স্বাধীনতার ঘোষণা দিলে তাদের গ্রেপ্তার করা হতো ও মেরে ফেলা হতো।
তারা বলেন, আমরা বিশ্বাস করি যে, আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের কাছে মণিপুরের স্বাধীন সরকারকে উপস্থাপন করার, স্বাধীনতা ঘোষণা করার ও স্বীকৃতি চাওয়ার সঠিক সময়। আমরা আজ থেকে মণিপুরের বিধিসম্মত এবং নির্বাসিত সরকারকে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য জাতিসংঘের সকল সার্বভৌম রাষ্ট্রের সরকারকে অনুরোধ করছি। ত্রিশ লক্ষ মণিপুরী জনগণও স্বীকৃতি চান।
তারা আরো বলেন, ভারতে থাকাকালীন মণিপুরের স্বাধীনতা ঘোষণা করা আমাদের পক্ষে সম্ভব ছিল না। কারণ আমরা, মণিপুর রাজ্য কাউন্সিলের সদস্যরা ভারত সরকারের হাতে গ্রেপ্তার, নির্যাতন এবং বিচারবহির্ভূত হত্যার মুখোমুখি হতাম।
তারা বলেন, নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন সরকার অসহিষ্ণু। এই সরকার হিন্দুত্বের আধিপত্যবাদের স্বার্থে ক্ষুদ্র জাতি ও সমপ্রদায়কে নির্মূল করে দেয়ার নীতিতে বিশ্বাস করে। তাই ভারত থেকে কাজ চালিয়ে যাওয়া তাদের পক্ষে নিরাপদ ছিল না। নরেংবাম ও বিরেন ঘোষণা দেন, তাদের সরকার হচ্ছে মণিপুরের মহারাজার সরকার। এই সরকারের প্রধান তিনি। সাংবিধানিকভাবে মণিপুর একটি রাজতন্ত্র শাসিত দেশ।
স্বঘোষিত মণিপুর সরকারের নেতারা বলেন, ভারতীয় দখলদার সরকারের কঠোর আইনের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে মণিপুর। এর মধ্যে রয়েছে, সশস্ত্র বাহিনী (বিশেষ ক্ষমতা) আইন ১৯৫৮। মণিপুর দখল করার পর থেকে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। গত দশ বছরে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ মানুষকে অবৈধভাবে হত্যা করা হয়েছে সেখানে। ১ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষকে অবৈধভাবে আটকে রাখা হয়েছে। বিবিসি’র এক প্রতিবেদন উল্লেখ করে তারা বলেন, গত কয়েক দশকে প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজারের বেশি। তারা বলেন, ভারতের সুপ্রিম কোর্টে বিচারবহির্ভূত হত্যার ১ হাজার ৫২৮টিরও বেশি মামলা ঝুলে আছে। তাদের বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনী মণিপুরের মানুষকে দায়মুক্তি দিয়ে হত্যা করে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মণিপুরে প্রবাসী সরকার গঠন, সাবেক মহারাজার বিরোধিতা

হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে আজ বুধবার এ খবর জানানো হয়েছে। এদিনই মণিপুরের সাবেক মহারাজা এক ভিডিও বার্তায় প্রবাসী সরকারের সঙ্গে নিজের দূরত্বের কথা ঘোষণা করেছেন। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, প্রবাসী সরকার গঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইয়ামবেন বীরেন ও নরেংবাম সমরজিতের অনুরোধে কিছু নথিপত্রে তিনি স্বাক্ষর করেছিলেন। কিছু গবেষণাকাজের অনুমতির জন্য ওই নথিপত্রে স্বাক্ষরের প্রয়োজন ছিল বলে জানিয়েছিলেন বীরেন ও সমরজিৎ। এর বেশি কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন মণিপুরের সাবেক মহারাজা।
যুক্তরাজ্যে মণিপুরের প্রবাসী সরকার গঠনের দাবি করেছেন বীরেন ও সমরজিৎ। বীরেন নিজেকে এই প্রবাসী সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ও সমরজিৎ নিজেকে পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দাবি করছেন। প্রবাসী সরকারের নাম দেওয়া হয়েছে ‘দ্য মণিপুর স্টেট কাউন্সিল’।
সাবেক মহারাজা লেইশেম্বা সানাজাওবা বলেছেন, এ ঘটনার খবর শুনে তিনি স্তম্ভিত এবং বিস্মিত হয়েছেন।
অন্যদিকে মণিপুরের প্রবাসী সরকারের জন্য সমর্থন আদায়ে বীরেন ও সমরজিৎ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কাছে যাবেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। প্রবাসী সরকারের জন্য সমর্থন আদায়ে পরে তাঁরা জাতিসংঘের স্বীকৃতির জন্য আবেদন করবেন বলেও জানিয়েছেন।
![]() |
| ভারতের মণিপুরের সাবেক মহারাজা লেইশেম্বা সানাজাওবা। স্বাধীনতার ঘোষণা ও প্রবাসী সরকার গঠনের বিরোধিতা করেছেন তিনি। ছবি: ভিডিও বার্তা থেকে সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারত থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করল মনিপুর রাজ্য; প্রবাসী সরকার গঠন
পাশাপাশি ব্রিটেনে একটি প্রবাসী সরকার গঠন করেছেন তারা। এর নাম দিয়েছেন ‘মনিপুর রাষ্ট্রীয় পরিষদ’। স্বঘোষিত ওই সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ইয়ামবেন বিরেন এবং পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নরেংবাম সমরজিত গণমাধ্যমের সামনে গতকাল এ ঘোষণা দেন। তাদের এই প্রবাসী সরকার ব্রিটেন থেকেই পরিচালিত হবে। তারা জাতিসংঘের সমর্থন অর্জনের চেষ্টাও চালাবেন বলে জানিয়েছেন। পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক এক্সপ্রেস এ খবর দিয়েছে।
![]() |
| মনিপুর রাজ্যের স্বাধীনতা ঘোষণা করছেন মহারাজা লিসেম্বা সানাজাওবার প্রতিনিধিরা |
![]() |
| মনিপুর রাজ্যের স্বাধীনতা ঘোষণা করছেন মহারাজা লিসেম্বা সানাজাওবার প্রতিনিধিরা |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউরোপের উগ্র-দক্ষিণপন্থী এমপিরা কেন কাশ্মীরে? by শুভজ্যোতি ঘোষ
![]() |
| প্রতিনিধিদলের সদস্যদের সঙ্গে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী মোদী |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বাধীনতার ঘোষণা মনিপুরের, লন্ডনে প্রবাসী সরকার

১৯৪৭ সালে যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে ভারতের স্বাধীনতা লাভের সময় মনিপুর ছিল প্রিন্সলি স্টেট বা রাজা শাসিত স্বতন্ত্র অঞ্চল। এর দুই বছরের মাথায় ১৯৪৯ সালে অঞ্চলটি ভারতের নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে তখন থেকেই স্বাধীনতার দাবিতে সেখানে আন্দোলন চলছে। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার ‘প্রবাসী মনিপুর সরকার’ গঠনের ঘোষণা আসে। লন্ডনে বসবাসরত দুই মনিপুরি নেতা ইয়ামবিন বিরেন ও নরেংবাম সমরজিত এ ঘোষণা দেন।
লন্ডনের প্রবাসী সরকারের নাম দেওয়া হয়েছে মনিপুর স্টেট কাউন্সিল। কাউন্সিলের মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছে ইয়ামবিন বিরেন-কে। আর পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন নরেংবাম সমরজিত। তারা দুইজনই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
প্রবাসী সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নরেংবাম সমরজিত বলেন, তারা জাতিসংঘের সমর্থন লাভের চেষ্টা করবেন। লন্ডনে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, আমরা আজ থেকে এখান থেকেই প্রবাসী সরকার পরিচালনা করবো। জাতিসংঘের সদস্য হতে বিভিন্ন দেশের সমর্থন চাইবো। আশা করছি, বহু দেশ আমাদের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেবে।
ভারতের অন্যতম ছোট রাজ্য মনিপুর। সেখানকার জনসংখ্যা মাত্র ২৮ লাখ। সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাত রাজ্যের একটি মনিপুর। মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় এর অবস্থান।
রাজ্যটিতে স্বাধীনতার দাবিতে কয়েক দশক ধরে লড়াই করছে শতাধিক সশস্ত্র গোষ্ঠী। তারা বিভিন্ন মাত্রায় স্বায়ত্তশাসন দাবি করে আসছে। স্বাধীনতাকামীদের সঙ্গে ভারতীয় সেনাবাহিনীর লড়াইজনিত সহিংসতা মনিপুরের বাসিন্দাদের প্রাত্যহিক জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নাগা, কুকি, পাঙ্গালসহ নানা নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর বাস এই রাজ্যে। এসব গোষ্ঠী নিজেদের সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখতে চায়।
লন্ডনে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে সমরজিত বলেন, আমরা সেখানে স্বাধীন নই। আমাদের ইতিহাস ধ্বংস করে ফেলা হচ্ছে, আমাদের সংস্কৃতি বিলুপ্ত হতে চলেছে। সেই কারণে জাতিসংঘকে আমাদের বক্তব্য শুনতে হবে। সারা বিশ্বের কাছে জোরালোভাবে বলছি, মনিপুরে বসবাস করা জনগোষ্ঠীও মানুষ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে নিহত হন ইন্দিরা গান্ধী

১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তারই দুই দেহরক্ষীর গুলিতে প্রাণ হারান।
কেমন ছিল সেই দিনটি, কীভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছিল- বিভিন্ন বই পড়ে তারই একটি বিবরণ তুলে ধরেছেন বিবিসির হিন্দি বিভাগের রেহান ফজল।
ওড়িশার রাজধানী ভুবনেশ্বর শহরের সঙ্গে ইন্দিরা গান্ধীর বেশ কিছু স্মৃতি জড়িয়ে আছে। তবে বেশিরভাগ স্মৃতিই আনন্দের নয়। এই শহরেই তার বাবা জওহরলাল নেহরু প্রথমবার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তারপরেই ১৯৬৪ সালের মে মাসে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
১৯৬৭ সালের নির্বাচনী প্রচারে এই শহরেই ইন্দিরা গান্ধীর দিকে একটা পাথর ছোঁড়া হয়েছিল, যাতে তার নাক ফেটে গিয়েছিল। সেই ভুবনেশ্বর শহরেই ১৯৮৪ সালের ৩০ অক্টোবর জীবনের শেষ ভাষণটা দিয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। প্রতিটা ভাষণের মতোই ওই ভাষণও লিখে দিয়েছিলেন মিসেস গান্ধীর মিডিয়া উপদেষ্টা এইচ ওয়াই শারদা প্রসাদ। কিন্তু ভাষণ দিতে দিতে হঠাৎই লেখা ভাষণ থেকে সরে গিয়ে নিজের মতো বলতে শুরু করেন ইন্দিরা। তার বলার ধরনও পাল্টে গিয়েছিল সেদিন।
তিনি বলেছিলেন, আমি আজ এখানে রয়েছি। কাল নাও থাকতে পারি। এটা নিয়ে ভাবি না যে আমি থাকলাম কী না। অনেকদিন বেঁচেছি। আর আমার গর্ব আছে যে আমি পুরো জীবনটাই দেশের মানুষের সেবায় কাজে লাগাতে পেরেছি বলে। আর শেষ নিশ্বাসটা নেওয়া পর্যন্ত আমি সেটাই করে যাব। আর যেদিন মরে যাব, আমার রক্তের প্রতিটা ফোঁটা ভারতকে আরও মজবুত করার কাজে লাগবে।
কখনও কখনও বোধহয় শব্দের মাধ্যমেই নিয়তি ভবিষ্যতের একটা ইশারা দিয়ে দেয়। ভাষণের শেষে যখন মিসেস গান্ধী রাজ্যপালের আবাস রাজভবনে ফিরেছেন, তখন রাজ্যপাল বিশ্বম্ভরনাথ পান্ডে তাকে বলেছিলেন, একটা রক্তাক্ত মৃত্যুর কথা বলে আপনি আমাকে ভয় পাইয়ে দিয়েছেন।
আমি যা বলেছি, তা নিজের মনের কথা। এটা আমি বিশ্বাস করি, জবাব দিয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধী।
সেই রাতেই দিল্লি ফিরে গিয়েছিলেন তিনি। খুব ক্লান্ত ছিলেন। সারা রাত প্রায় ঘুমাননি। পাশের ঘরে সোনিয়া গান্ধী ঘুমাচ্ছিলেন। ভোর প্রায় চারটে নাগাদ শরীরটা খারাপ লাগছিল সোনিয়ার। বাথরুমের দিকে যাচ্ছিলেন। সেখানে ওষুধও রাখা থাকত।
সোনিয়া গান্ধী নিজের বই 'রাজীব'-এ লিখেছেন, "উনিও আমার পেছন পেছন বাথরুমে চলে এসেছিলেন। ওষুধটা খুঁজে দিয়ে বলেছিলেন, শরীর বেশী খারাপ লাগলে যেন একটা আওয়াজ দিই। উনি জেগেই আছেন।"
সকাল সাড়ে সাতটার মধ্যে তৈরি হয়ে গিয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। কালো পাড় দেওয়া একটা গেরুয়া রঙের শাড়ি পড়েছিলেন মিসেস গান্ধী সেদিন। দিনের প্রথম অ্যাপয়েন্টমেন্টটা ছিল পিটার উস্তিনভের সঙ্গে। তিনি ইন্দিরা গান্ধীর ওপরে একটা তথ্যচিত্র বানাচ্ছিলেন সেই সময়ে। আগের দিন ওড়িশা সফরের সময়েও তিনি শুটিং করেছিলেন।
দুপুরে মিসেস গান্ধীর সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেমস ক্যালিঘান আর মিজোরামের এক নেতার সঙ্গে। সন্ধায় ব্রিটেনের রাজকুমারী অ্যানের সম্মানে একটা ডিনার দেওয়ার কথা ছিল মিসেস গান্ধীর। তৈরি হয়েই ব্রেকফাস্ট টেবিলে এসেছিলেন তিনি। দুটি পাউরুটি টোস্ট, কিছুটা সিরিয়াল, মুসাম্বির জুস আর ডিম ছিল সেদিনের ব্রেকফাস্টে। সকালের খাবারের পরে মেকআপ ম্যান তার মুখে সামান্য পাউডার আর ব্লাশার লাগিয়ে দিয়েছিলেন। তখনই হাজির হন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডাক্তার কে পি মাথুর।
রোজ ওই সময়েই মিসেস গান্ধীকে পরীক্ষা করতে যেতেন তিনি। ভেতরে ডেকে নিয়েছিলেন ডাক্তার মাথুরকে। হাসতে হাসতে বলেছিলেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি রোনাল্ড রেগান কী রকম অতিরিক্ত মেকআপ করেন, যখন ৮০ বছর বয়সেও তার মাথার বেশির ভাগ চুল কালোই রয়েছে।
ঘড়িতে যখন ন'টা বেজে দশ মিনিট, ইন্দিরা গান্ধী বাইরে বের হলেন। বেশ রোদ ঝলমলে দিনটা। তবুও রোদ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে আড়াল করতে সেপাই নারায়ণ সিং একটা কালো ছাতা নিয়ে পাশে পাশে হাঁটছিলেন। কয়েক পা পেছনেই ছিলেন ব্যক্তিগত সচিব আর কে ধাওয়ান আর তারও পেছনে ছিলেন ব্যক্তিগত পরিচারক নাথু রাম। সকলের পেছনে আসছিলেন ব্যক্তিগত নিরাপত্তা অফিসার, সাব ইন্সপেক্টর রামেশ্বর দয়াল।
ঠিক সেই সময়েই সামনে দিয়ে এক কর্মচারী হাতে একটা চায়ের সেট নিয়ে পেরিয়ে গিয়েছিলেন। ওই চায়ের সেটে তথ্যচিত্র নির্মাতা পিটার উস্তিনভকে চা দেওয়া হয়েছিল। ওই কর্মচারীকে ডেকে ইন্দিরা বলেছিলেন মি. উস্তিনভের জন্য যেন অন্য আরেকটা চায়ের সেট বার করা হয়। বাসভবনের লাগোয়া দপ্তর ছিল আকবর রোডে। দুটি ভবনের মধ্যে যাতায়াতের একটা রাস্তা ছিল। সেই গেটের সামনে পৌঁছে ইন্দিরা গান্ধী তার সচিব আর কে ধাওয়ানের সঙ্গে কথা বলছিলেন। মি. ধাওয়ান তাকে বলছিলেন যে, ইন্দিরার নির্দেশমতো ইয়েমেন সফররত রাষ্ট্রপতি গিয়ানী জৈল সিংকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে তিনি সন্ধ্যা সাতটার মধ্যেই দিল্লি চলে আসেন। পালাম বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে রিসিভ করে সময়মতো যাতে রাজকুমারী অ্যানের নৈশভোজ সভায় পৌঁছাতে পারেন ইন্দিরা, সেই জন্যই ওই নির্দেশ।
হঠাৎই পাশে দাঁড়ানো নিরাপত্তাকর্মী বিয়ন্ত সিং রিভলবার বের করে ইন্দিরা গান্ধীর দিকে গুলি চালায়। প্রথম গুলিটা পেটে লেগেছিল। ইন্দিরা গান্ধী ডান হাতটা ওপরে তুলেছিলেন গুলি থেকে বাঁচতে। তখন একেবারে পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জ থেকে বিয়ন্ত সিং আরও দুবার গুলি চালায়। সে-দুটো গুলি তার বুকে আর কোমরে লাগে। ওই জায়গার ঠিক পাঁচ ফুট দূরে নিজের টমসন অটোমেটিক কার্বাইন নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল সতবন্ত সিং।
ইন্দিরা গান্ধীকে মাটিতে পড়ে যেতে দেখে সতবন্ত বোধহয় কিছুটা ঘাবড়ে গিয়েছিল। স্থাণুর মতো দাঁড়িয়ে ছিল। তখনই বিয়ন্ত চিৎকার করে সতবন্তকে বলে 'গুলি চালাও।' সতবন্ত সঙ্গে সঙ্গে নিজের কার্বাইন থেকে চেম্বারে থাকা ২৫টা গুলিই ইন্দিরা গান্ধীর শরীরে গেঁথে দিয়েছিল।
বিয়ন্ত সিং প্রথম গুলিটা চালানোর পরে প্রায় ২৫ সেকেন্ড কেটে গিয়েছিল ততক্ষণে। নিরাপত্তা কর্মীরা ওই সময়টায় কোনও প্রতিক্রিয়া দেখান নি, এতটাই হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন সবাই। তারপরে সতবন্ত সিং গুলি চালাতে শুরু করতেই একদম পিছনে থাকা নিরাপত্তা অফিসার রামেশ্বর দয়াল দৌড়ে এগিয়ে আসেন।
সতবন্ত তখন একনাগাড়ে গুলি চালিয়ে যাচ্ছেন। মি. দয়ালের উরু আর পায়েও গুলি লাগে। সেখানেই পড়ে যান তিনি। ইন্দিরা গান্ধীর আশপাশে থাকা অন্য কর্মচারীরা ততক্ষণে একে অন্যকে চিৎকার করে নির্দেশ দিচ্ছেন।
ওদিকে এক নম্বর আকবর রোডের ভবন থেকে পুলিশ অফিসার দিনেশ কুমার ভাট এগিয়ে আসছিলেন শোরগোল শুনে। বিয়ন্ত সিং আর সতবন্ত সিং তখনই নিজেদের অস্ত্র মাটিতে ফেলে দিয়েছে। বিয়ন্ত বলেছিল, আমাদের যা করার ছিল, সেটা করেছি। এবার তোমাদের যা করার করো।
ইন্দিরার আরেক কর্মচারী নারায়ণ সিং সামনে লাফিয়ে পড়ে বিয়ন্ত সিংকে মাটিতে ফেলে দেন। পাশের গার্ডরুম থেকে বেরিয়ে আসা ভারত- তিব্বত সীমান্ত পুলিশ বা আই টি বি পির কয়েকজন সদস্য দৌড়ে এগিয়ে এসে সতবন্ত সিংকেও ঘিরে ফেলে।
সবসময়ে একটা অ্যাম্বুলেন্স রাখা থাকত ওখানে। ঘটনাচক্রে সেদিনই অ্যাম্বুলেন্সের চালক কাজে আসেন নি।ইন্দিরা গান্ধীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মাখনলাল ফোতেদার চিৎকার করে গাড়ি বার করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। মাটিতে পড়ে থাকা ইন্দিরাকে ধরাধরি করে সাদা অ্যাম্বাসেডর গাড়ির পিছনের আসনে রাখেন আর কে ধাওয়ান আর নিরাপত্তা কর্মী দিনেশ ভাট। সামনের আসনে, ড্রাইভারের পাশে চেপে বসে পড়েন মি. ধাওয়ান আর মি. ফোতেদার।
গাড়ি যেই চলতে শুরু করেছে, সোনিয়া গান্ধী খালি পায়ে, ড্রেসিং গাউন পরে 'মাম্মি, মাম্মি' বলে চিৎকার করতে করতে দৌড়ে আসেন। ইন্দিরা গান্ধীকে ওই অবস্থায় দেখে সোনিয়া গান্ধীও গাড়ির পিছনের আসনে চেপে পড়েন। রক্তে ভেসে যাচ্ছিল ইন্দিরা গান্ধীর শরীর। সোনিয়া তার মাথাটা নিজের কোলে তুলে নেন। খুব জোরে গাড়িটা 'এইমস' বা অল ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট ফর মেডিক্যাল সায়েন্সের দিকে এগোতে থাকে। চার কিলোমিটার রাস্তা কয়েক মিনিটের মধ্যেই পেরিয়ে যায়।
সোনিয়া গান্ধীর ড্রেসিং গাউনটা ততক্ষণে ইন্দিরা গান্ধীর রক্তে পুরো ভিজে গেছে।
ওই গাড়িটা 'এইমস'এ ঢুকেছিল ন'টা ৩২ মিনিটে। ইন্দিরা গান্ধীর রক্তের গ্রুপ ছিল ও নেগেটিভ। ওই গ্রুপের যথেষ্ট রক্ত মজুত ছিল হাসপাতালে। কিন্তু সফদরজং রোডের বাসভবন থেকে কেউ ফোন করে হাসপাতালে খবরও দেয় নি যে ইন্দিরা গান্ধীকে গুরুতর আহত অবস্থায় এইমস-এ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। জরুরী বিভাগের দরজা খুলে গাড়ি থেকে ইন্দিরা গান্ধীকে নামাতে মিনিট তিনেক সময় লেগেছিল। কিন্তু সেখানে তখন কোনও স্ট্রেচার নেই। কোনওরকমে একটা স্ট্রেচার যোগাড় করা গিয়েছিল।
গাড়ি থেকে তাকে নামানোর সময়ে ওই অবস্থা দেখে সেখানে উপস্থিত ডাক্তাররা ঘাবড়ে গিয়েছিলেন। ইন্দিরা গান্ধীর সাথে তার ব্যক্তিগত সচিব আর কে ধাওয়ান। ফোন করে সিনিয়র কার্ডিয়োলজিস্টদের খবর দেওয়া হয়। কয়েক মিনিটের মধ্যেই ডাক্তার গুলেরিয়া, ডাক্তার এম এম কাপুর আর ডাক্তার এস বালারাম ওখানে পৌঁছে যান।
ইসিজি করা হয়েছিল, কিন্তু তার নাড়ীর স্পন্দন পাওয়া যাচ্ছিল না। চোখ স্থির হয়ে গিয়েছিল। বোঝাই যাচ্ছিল যে মস্তিষ্কে আঘাত লেগেছে। একজন চিকিৎসক মুখের ভেতর দিয়ে একটা নল ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন যাতে ফুসফুস পর্যন্ত অক্সিজেন পৌঁছাতে পারে। মস্তিষ্কটা চালু রাখা সবথেকে প্রয়োজন ছিল তখন। ৮০ বোতল রক্ত দেওয়া হয়েছিল ইন্দিরা গান্ধীকে। শরীরে যে পরিমাণ রক্ত থাকে, এটা ছিল তার প্রায় ৫ গুণ।
ডাক্তার গুলেরিয়া বলছেন, "আমি তো দেখেই বুঝে গিয়েছিলাম যে উনি আর নেই। কিন্তু নিশ্চিত হওয়ার জন্য ইসিজি করতে হয়েছিল। তারপরে আমি ওখানে হাজির স্বাস্থ্যমন্ত্রী শঙ্করানন্দকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, এখন কী করণীয়? ঘোষণা করে দেব আমরা যে উনি মৃত? তিনি না বলেছিলেন। তখন আমরা মিসেস গান্ধীকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাই।"
চিকিৎসকরা 'হার্ট এন্ড লাং মেশিন' লাগিয়েছিলেন ইন্দিরার শরীরে। ধীরে ধীরে তার শরীরে রক্তের তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি থেকে কমে ৩১ ডিগ্রি হয়ে গেল। তিনি যে আর নেই, সেটা সকলেই বুঝতে পারছিল, কিন্তু তবুও 'এইমস'এর আটতলার অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাকে। চিকিৎসকেরা দেখেছিলেন যে যকৃতের ডানদিকের অংশটা গুলিতে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। বৃহদান্ত্রের বাইরের অংশটা ফুটো হয়ে গেছে। ক্ষতি হয়েছে ক্ষুদ্রান্ত্রেরও। ফুসফুসের একদিকে গুলি লেগেছিল আর পাঁজরের হাড় ভেঙ্গে গিয়েছিল গুলির আঘাতে। তবে হৃৎপিণ্ডতে কোনও ক্ষতি হয় নি।
দেহরক্ষীদের গুলিতে ছিন্নভিন্ন হওয়ার প্রায় চার ঘণ্টা পর, দুপুর দুটো ২৩ মিনিটে ইন্দিরা গান্ধীকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু সরকারি প্রচারমাধ্যমে সেই ঘোষণা করা হয়েছিল সন্ধ্যা ছ'টার সময়ে।
ইন্দিরা গান্ধীর জীবনীকার ইন্দর মালহোত্রা বলছেন, গোয়েন্দা এজেন্সিগুলো আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল যে মিসেস গান্ধীর ওপরে এরকম একটা হামলা হতে পারে। তারা সুপারিশ পাঠিয়েছিল যে প্রধানমন্ত্রীর আবাস থেকে সব শিখ নিরাপত্তা-কর্মীদের যেন সরিয়ে নেওয়া হয়। কিন্তু সেই ফাইল যখন ইন্দিরা গান্ধীর টেবিলে পৌঁছায়, তখন ভীষণ রেগে গিয়ে তিনি নোট লিখেছিলেন, "আরন্ট উই সেকুলার?" অর্থাৎ, "আমরা না ধর্মনিরপেক্ষ দেশ?"
এরপরে ঠিক করা হয়েছিল যে একসঙ্গে দু'জন শিখ নিরাপত্তা-কর্মীকে প্রধানমন্ত্রীর কাছাকাছি ডিউটি দেওয়া হবে না। ৩১ অক্টোবর সতবন্ত সিং বলেছিল যে তার পেট খারাপ। তাই তাকে শৌচালয়ের কাছাকাছি যেন ডিউটি দেওয়া হয়।
এইভাবেই বিয়ন্ত আর সতবন্ত সিংকে একই জায়গায় ডিউটি দেওয়া হয়েছিল। যার পরিণতিতে স্বর্ণ মন্দিরে সেনা অপারেশন - 'অপারেশন ব্লুস্টার'এর বদলা নিয়েছিল তারা প্রধানমন্ত্রীকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিয়ে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লারা দত্তের ইউরোপ ভ্রমণ
![]() |
| লিনিং টাওয়ার অব পিসার কাছে লারা দত্ত, সায়রা ও মহেশ ভূপতি |
![]() |
| রোমে লারা দত্ত ও সায়রা |
![]() |
| রোমে স্বামী-সন্তানের সঙ্গে লারা দত্ত |
![]() |
| ফ্লোরেন্সে মেয়ে সায়রার সঙ্গে লারা দত্ত |
![]() |
| টেমস নদীর তীরে লারা দত্ত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিধ্বংসী বন্যার ঝুঁকিতে বাংলাদেশের ৪ কোটি মানুষ : সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি

মঙ্গলবার প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, সমুদ্রপৃষ্ঠ বৃদ্ধি পাওয়ায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হবে এশীয় দেশগুলো। এর মধ্যে রয়েছে, বাংলাদেশ, ভারত, চীন, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ড।
এই দেশগুলো সবচেয়ে বেশি বন্যার শিকার হবে। এর মধ্যে মুম্বই, সাংহাই ও ব্যাংকক পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আগামী ৩০ বছরে কেবল এশিয়াতেই বন্যাক্রান্ত হবেন ২৩ কোটি ৭০ লাখ মানুষ।
গবেষণা প্রতিবেদনটির লেখক স্কট কাল্প বলেছেন, এই গবেষণায় জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে শহর, অর্থনীতি, উপকূলীয় অঞ্চল ও পুরো বিশ্বের পরিবর্তন ফুটে ওঠেছে। মাত্র তিন দশকে পানির নিচে পুরোপুরি তলিয়ে যাবে মুম্বই ও সাংহাই। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এর ডিনা আয়োনেসকো জানান, ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মাপের মানুষ স্থানান্তরের ঘটনা ঘটবে এমনটি হলে। তিনি বলেন, আমরা এ ব্যাপারে সতর্কবার্তা ছড়ানোর চেষ্টা করছি। আমরা জানি যে, এটা আসছে।
গবেষণা অনুসারে, ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোয় বসববাসরত ৪ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ প্রতি বছর বন্যাক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছেন। চীন, বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড ও ভারত মিলে বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে ১২ কোটি ১০ লাখ মানুষ। ভারতে মুম্বই ছাড়া পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশাও বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।
এছাড়া, মিসরের আলেক্সান্দ্রিয়া ও ইরাকের বাসরাও পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ভিয়েতনামের দক্ষিণাঞ্চল পুরোটাই বন্যায় ভেসে যেতে পারে শতকের অর্ধেক পার হওয়ার আগে। গবেষণায় উল্লেখিত দেশগুলোর ঝুকিপূর্ণ জনসংখ্যাকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। ক্লাইমেট সেন্ট্রালের যোগাযোগ পরিচালক পিটার জিরার্ড বলেন, এই গবেষণার ফলাফল শুনতে যতটাই ভয়ানক লাগুক না কেন, এগুলো আসলে আশার জাগানিয়া ফলাফল। এ থেকে আমরা কোটি কোটি মানুষকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবো। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট এড়াতে পারবো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে দেশে প্রেম-বিয়ে নির্ভর করে জিন পরীক্ষার ওপর

নাইজেরিয়ার যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ডেমিলোলা ওগুনপেবি সম্প্রতি বিয়ে করেছেন। কিন্তু এই বিয়ে করার জন্য তাকে পাড়ি দিতে হয়েছে দীর্ঘ এক পথ। বিয়ের উপযোগী পাত্রীর সন্ধানে তাকে অনেক অনুসন্ধান করতে হয়েছে। এমন অনেককে পছন্দ হলেও দুই জনের জিন পরীক্ষায় সন্তোষজনক ফলাফল না আসায় বিয়ে করা হয়নি। ডেমিলোলা বলেন, আমি আমার বর্তমান সঙ্গীকে খুঁজে পাওয়ার আগে দীর্ঘদিন খোঁজখবর করেছি। উপযুক্ত জিনোটাইপের সমস্যা ছিল। যখনই কারো সঙ্গে ‘ডেটে’ যেতাম প্রথমেই আমাকে এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হতো—তোমার জিনোটাইপ কি? এইভাবে অনেকের সঙ্গে দেখা করলেও দুই জনের জিনোটাইপের সমন্বয় না হওয়ায় সেসব সম্পর্ক আর সামনে এগোয়নি। মূলত যাদের জিনে সিকল সেল ডিজেজের গুণাগুন থাকে তাদের সঙ্গে বিয়ের মতো সম্পর্ক তৈরিতে অনীহা প্রকাশ করে মানুষ।
সিকল সেল ডিজেজ মূলত উত্তরাধিকারী রক্তের ব্যাধি। অর্থাত্ বাবা-মায়ের রক্তের মাধ্যমে এটি পরবর্তী প্রজন্মের কাছে যায়। এসসিডিতে আক্রান্তদের রক্তের কোষের গঠন সাধারণত সি আকারের হয়। সুস্থ রক্তের হিমোগ্লোবিন শরীরে অক্সিজেন পরিবহন করে। সুস্থ ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিন সাধারণত মসৃণ, গোলাকার এবং নমনীয় হয়। কিন্তু এসসিডিতে আক্রান্তদের রক্তের হিমোগ্লোবিনের আকার অস্বাভাবিক হয়। এই ধরনের রোগীদের শরীরে অ্যানিমিয়া, অসম্ভব ব্যথা এবং অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেয়। এই কারণে জিনোটাইপ পরীক্ষা না করে যখন এই ধরনের ব্যক্তিরা বিয়ে করে সন্তান জন্ম দেয় তখন ওইসব সন্তানের সিকল সেল ডিজেজে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। প্রতিবছর নাইজেরিয়াতে দেড় লাখের বেশি শিশু এসসিডি রোগ নিয়ে জন্ম হয় যা কি না বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০০৬ সালে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটিতে গড়ে ২৪ শতাংশ মানুষ সিকল সেল জিন বহন করে। আর প্রতি হাজারে অন্তত ২০টি শিশুর জন্ম হয় সিকল সেল নিয়ে। >>-সিএনএন
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে বাধার সৃষ্টি করছে সিগারেটের বাট
![]() |
| সিগারেটের উচ্ছিষ্ট ফিল্টার |
কী বলছে ব্রিটিশ আইন ?
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পর্নো তারকা কিম্বারলি মনে করেন হতাশার জন্য দায়ী পর্নোগ্রাফি

তিনি বৃটিশ একটি পত্রিকার সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেছেন। এ ছাড়া এ নিয়ে তিনি ব্লগ পোস্ট লিখেছেন। তার মতে, যৌন শিক্ষায় ঘাটতি রয়েছে।
এটা অন্যতম একটি কারণ। এ জন্য বিছানায় আত্মবিশ্বাস ফেরাতে লড়াই করতে হয় অনেককে। তিনি বলেন, এসব মানুষ হাজার হাজার ঘন্টা পর্নো ছবি দেখেন। এতে তাদের মধ্যে আস্থা ফেরানোর চেয়ে তাদের ভিতর এক অতৃপ্তি আসে। তারা তাদের গোপন অঙ্গের আকার, আকৃতি নিয়ে ভাবেন। অস্বস্তি বোধ করেন। শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের সময় যদি তার পার্টনার শিৎকার না করেন তাহলে তিনি বা তারা মনে করেন, সঠিকভাবে অগ্রসর হচ্ছেন না তিনি। কোনো ভুল করছেন। তিনি আরো বলেন, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের আগে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে, যা একজন পুরুষ ও একজন নারীর এমন সম্পর্কের জন্য অত্যাবশ্যক। এর মধ্য দিয়ে দু’জনকে পূর্বেই প্রস্তুতি নিতে হয়। কিন্তু পর্নোগ্রাফিতে সেই অংশগুলো দেখানো হয় না। অন্তরঙ্গ সেই মুহূর্তগুলো মাঝে মাঝে এড়িয়ে যাওয়া হয়।
কিম্বারলি যৌন শিক্ষা সম্পর্কে বলেন, যৌন শিক্ষায় ঘাটতি রয়েছে। এ জন্য কিশোর বা যুবকরা পর্নোছবি দেখেন। তারা এসব ছবি দেখে যৌন জীবন বা যৌন সম্পর্কের বিষয়ে শিক্ষা নেয়ার চেষ্টা করেন। পর্নোগ্রাফি এখনও বিনোদন হিসেবে রয়ে গেছে। এখনও শিক্ষার বিষয় হয়ে উঠতে পারে নি। তিনি আরো বলেন, পর্নোগ্রাফি এবং বাস্তব শারীরিক সম্পর্কের বিষয় আমি ব্যাখ্যা করি একটি প্রশ্নের মাধ্যমে। তাহলো, আপনি পর্নোছবিতে যে সুপারম্যানসুলভ অভিনয় দেখেন তা কি বাস্তব? আপনি কি বিশ্বাস করেন অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সুপারম্যান উড়ে বেড়াচ্ছে? অবশ্যই না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Wednesday, October 30, 2019
শিল্পী পরিচয়ের আড়ালে ইয়াবার ডিলার সুবর্ণা by রুদ্র মিজান

তিনি সুবর্ণা রূপা। রাজধানী ঢাকার খিলগাঁও এলাকায় ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকেন। স্বামী, সন্তান কেউ সঙ্গে না থাকলেও বিভিন্ন পরিচয়ে থাকেন কয়েক তরুণী ও এক তরুণ। শিল্পী পরিচয়ের আড়ালে তার ছিলো ভিন্ন ব্যবসা। নারী ও মাদকের আখড়া ছিলো তার ফ্ল্যাট। এমনটিই জানিয়েছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।
খিলগাঁও তিলপাপাড়া এলাকার ১৯ নম্বর সড়কের ছয় তলা ভবনের একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকেন সুবর্ণা রুপা। ওই বাসা থেকেই রুপা ও তার সহযোগী রুবেলকে ইয়াবাসহ আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা। জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন তারা। গ্রেপ্তারের পর বারবার নিজেকে বড় মাপের শিল্পী এবং কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক এক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতার পুত্রবধূ হিসেবে পরিচয় দেন সুবর্ণা। তাকে ছাড়িয়ে নিতে তদবির করেন পুলিশ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে প্রভাবশালী অনেকে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার পরপরই সুবর্ণার বাসাতেই আয়োজন করা হতো পার্টির। এতে অংশ নিতেন সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, প্রবাসীসহ প্রভাবশালী অনেকে। বিলাসবহুল গাড়িগুলো পার্কিং করা থাকতো নিচে। গভীর রাত পর্যন্ত চলতো পার্টি। সেখানে গান করতেন সুবর্ণা রুপাসহ অনেকে। এই পার্টিতেই নিরাপদে ইয়াবা সেবন করতেন আগতরা। সেইসঙ্গে মনোরঞ্জনের জন্য থাকতো একঝাঁক সুন্দরী। গানে, মাদকে বুঁদ হয়ে স্বল্পবসনা তরুণীদের সঙ্গে নাচ করতেন পার্টিতে অংশগ্রহণকারীরা।
ওই বাড়ির মালিক বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা আলী আহমদ। অভিযানিক টিমকে তিনি জানিয়েছেন, সন্ধ্যার পর সুবর্ণার ফ্ল্যাটে অনেকেই যেতেন। এসব কারণে চলতি মাসে তাকে বাসা ছাড়ার নোটিশ দেয়া হয়েছে। শুরুতে ওই বাড়ির ছয় তলার ফ্ল্যাটে থাকতেন তিনি। কয়েক মাস আগে ভাড়া নিয়েছেন তিন তলার ফ্ল্যাট।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, নিয়মিত চার-পাঁচ জন তরুণী থাকতো সুবর্ণা রুপার বাসায়। অভিযানকালে বাসায় চার তরুণীকে পাওয়া গেছে। ওই তরুণীরাও মাদকাসক্ত। আটকের পর উত্তরার একটি মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে তাদের।
তরুণীদের সম্পর্কে সুর্বণা রুপা তদন্ত সংশ্লিষ্টদের শুরুতে জানিয়েছেন, একজন গৃহপরিচারিকা, দ্বিতীয়জন আত্মীয়, বাকি দু’জন তার ভক্ত। তাদের বাড়ি নারায়ণগঞ্জে। থাকেন জর্ডানে। ফেসবুকে পরিচয়। এই সূত্রধরে সোমবার বেড়াতে এসেছিলেন তার বাসায়। এ বিষয়ে তিনি একেক সময় একেক তথ্য দিচ্ছেন।
সুবর্ণার বাসায় থাকেন রুবেল। রুবেলকে প্রথমে ভাই পরিচয় দিলেও এক পর্যায়ে জানিয়েছেন, পৈত্রিক নিবাস নোয়াখালীর সেনবাগের ছাতাপাইয়া এলাকার সম্পর্কে রুবেল তার ভাই হয়। ইয়াবা ও নারীদের খদ্দের সংগ্রহের কাজ করতেন এই রুবেল। প্রায় তিন লাখ টাকা মূল্যের ফিজার বাইক চালান তিনি। ইয়াবা বিক্রেতা ও অনৈতিক ব্যবসার দালাল পরিচয়ের আড়ালে নিজেকে পাঠাও চালক হিসেবে পরিচয় দিতেন রুবেল। মূলত পার্টিতে অংশগ্রহণকারীদের কাছেই নিয়মিত ইয়াবা বিক্রি করা হতো। সুবর্ণা রুপা জানিয়েছেন তার স্বামী রেজাউল করিম রেজা থাকেন সৌদি আরবে। তাদের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক ছেলে ও স্কুল পড়ুয়া এক মেয়ে রয়েছে। দুই সন্তানই থাকেন কক্সবাজারে। কক্সবাজারের বাহারছড়ায় সুবর্ণা রুপার শ্বশুরবাড়ি। প্রতিবেশীরা জানান, ছেলে-মেয়ে খিলগাঁওয়ের ওই বাসায় তেমন আসতো না। মাঝে-মধ্যে এলে তখন ওই বাসায় কোনো পার্টি হতো না। বাইরের লোকজনও আসতো না। ছেলে-মেয়ে থাকাকালীন বোরকা পড়ে চলাফেরা করেন সুবর্ণা।
ইয়াবা বিক্রি করার খবর পেয়ে খিলগাঁওয়ের বাসায় তল্লাশি চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এসময় তার শরীরের বিশেষস্থানে রাখা ১০৭ পিস ইয়াবা জব্দ করে অধিদপ্তরের নারী সদস্যরা। এ ঘটনায় মঙ্গলবার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে খিলগাঁও থানায় মামলা করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক কামরুল ইসলাম জানান, হোম পার্টিসহ রুবেলের মাধ্যমে ঢাকার বিভিন্নস্থানে ইয়াবা সাপ্লাই দিতেন সুবর্ণা। ইয়াবা সংগ্রহ করা হতো কক্সবাজার থেকে। ধারণা করা হচ্ছে তার সঙ্গে বড় কোনো মাদক সিন্ডিকেটের সম্পর্ক রয়েছে। এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড চাইবেন বলে জানান তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জুয়াড়ি ও সাকিবের মধ্যে যা আলাপ হয়

সম্ভাব্য দুর্নীতি ও এতে দীপক আগারওয়াল নামে এক ব্যক্তির জড়িত থাকার সন্দেহে তদন্ত করছিল আইসিসি’র দুর্নীতি-বিরোধী ইউনিট (এসিইউ)। এর অংশ হিসেবে একাধিকবার বাংলাদেশ জাতীয় দলের এই অলরাউন্ডারের দীর্ঘ সাক্ষাৎকার নিয়েছে এসিইউ। প্রথমবার এই সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় এ বছরের ২৩শে জানুয়ারি। এরপর দ্বিতীয়বার এ বছরের ২৭শে এপ্রিল। ক্রিকেট বিষয়ক সংবাদ মাধ্যম ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব সাক্ষাৎকার থেকে আইসিসি যা জানতে পেরেছে ও নিশ্চিত হতে পেরেছে, তা নিম্নরূপ:
- ২০১৭ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) চলাকালে, সাকিব জানতেন যে, তারই পরিচিত এক ব্যক্তি তার টেলিফোন নম্বর দীপক আগারওয়ালকে দিয়েছেন। আগারওয়াল ওই ব্যক্তিকে আগেই বিপিএল-এর খেলোয়াড়দের নম্বর দেওয়ার জন্য বলে রেখেছিলেন।
- ২০১৭ সালের নভেম্বরে আগারওয়ালের পিড়াপীড়িতে সাকিব হোয়্যাটসঅ্যাপে তার সঙ্গে কিছু বার্তা আদানপ্রদান করেন। তখন আগারওয়াল সাকিবের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন।
- ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ, শ্রীলংকা ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আয়োজিত ত্রিদেশীয় ওডিআই টুর্নামেন্ট শুরু হয়। এতে সাকিবও খেলেছিলেন। ওই সিরিজ চলাকালে আগারওয়াল ও সাকিবের মধ্যে আরও হোয়্যাটসঅ্যাপ বার্তা আদানপ্রদান হয়। ১৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত খেলায় ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়ে সাকিবকে সেদিনই হোয়্যাটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান আগারওয়াল। এরপর আগারওয়াল তাকে আরেকটি বার্তা পাঠান: ‘আমরা কি এবারই কাজ করবো, নাকি আইপিএল-এর জন্য অপেক্ষা করবো’।
- এখানে ‘কাজ’ বলতে বোঝানো হয়েছে যে, সাকিব আগারওয়ালকে ভেতরের খবর দেবেন। সাকিব এই যোগাযোগের বিষয়টি এসিইউ অথবা অন্য কোনো দুর্নীতি-বিরোধী কর্তৃপক্ষকে জানাননি।
- ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারি, আগারওয়ালের কাছ থেকে আরেকটি বার্তা পান সাকিব। ওই হোয়্যাটসঅ্যাপ বার্তায়, আগারওয়াল তার কাছে ফের ভেতরকার তথ্য চেয়ে যোগাযোগ করে। বার্তাটি ছিল এরকম: ‘ভাই, এই সিরিজে কিছু হবে?’ (ব্রো, অ্যানিথিং ইন দিজ সিরিজ?)। সাকিব নিশ্চিত করে বলেছেন যে, ওই বার্তার মাধ্যমে তখন চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজের বিষয়ে ভেতরকার তথ্য চাচ্ছিলেন আগারওয়াল। কিন্তু এটিও তিনি এসিইউ বা অন্য কোনো দুর্নীতি-বিরোধী সংস্থাকে অবহিত করেননি।
- ২০১৮ সালের ২৬ এপ্রিল, আইপিএল-এ সানরাইজার্স হায়দেরাবাদ ও কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের মধ্যকার খেলায় অংশগ্রহণ করেন সাকিব। ওই দিনই সাকিব হোয়্যাটসঅ্যাপে আগারওয়ালের কাছ থেকে বার্তা পান। ওই ম্যাচে খেলবেন কিনা সেই ব্যাপারে সাকিবের কাছ থেকে তথ্য চাচ্ছিলেন আগারওয়াল। অর্থাৎ, আবারও ভেতরকার তথ্য চাচ্ছিলেন তিনি।
- আগারওয়াল এই আলাপচারিতা চালিয়ে যান। তিনি বিটকয়েন ও ডলার অ্যাকাউন্টের প্রসঙ্গ তুলেন। সাকিবের ডলার অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত জানতে চান। এই আলাপচারিতার সময়ই, সাকিব আগারওয়ালকে বলেন যে, তিনি ‘আগে’ তার সঙ্গে দেখা করতে চান।
- ২০১৮ সালের ২৬ এপ্রিলের ওই হোয়্যাটসঅ্যাপ আলাপচারিতায় অনেকগুলো ডিলেট করা বার্তা ছিল। সাকিব নিশ্চিত করে বলেছেন যে, মুছে ফেলা ওই বার্তাগুলো ছিল মূলত ভেতরকার তথ্য চেয়ে আগারওয়ালের অনুরোধ।
- সাকিব আইসিসি’কে বলেছেন যে, আগারওয়ালের বিষয়ে তার মধ্যে উদ্বেগ ছিল। তার মনে হয়েছিল, এই ব্যক্তি কিছুটা ‘চতুর’। হোয়্যাটসঅ্যাপ আলাপগুলোর পর তার মনে হয়েছিল যে, আগারওয়াল একজন জুয়াড়ি ছিলেন।
- ২০১৮ সালের ২৬ এপ্রিল আগারওয়ালের সঙ্গে যোগাযোগ বা তথ্য চেয়ে তিনি যেসব অনুরোধ করেছেন, সেই ব্যাপারে সাকিব এসিইউ বা অন্য কোনো দুর্নীতি-বিরোধী সংস্থাকে কিছুই জানাননি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারত থেকে আলাদা হওয়ার ঘোষণা মনিপুরের, প্রবাসী সরকার গঠন

মঙ্গলবারের ঘোষণায় নরেংবাম ও বিরেন জানান, তারা মনিপুরের মহারাজার অনুমোদন নিয়েই এই নির্বাসিত সরকার গঠন করেছে। বক্তব্যের সমর্থনে একটি নথিপত্রও উপস্থাপন করেছে তারা।
তাতে দেখা যায়, মহারাজা ২০১৩ সালের ১৫ ই মার্চ স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় তাদেরকে রাজ্যের রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করার ক্ষমতা দিয়েছেন। তারা উভয়ই নিশ্চিত করেছে যে, সরকারের নির্যাতন ও দমন থেকে পালিয়ে তারা বৃটেনে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন জানিয়েছে। তারা বলেন, ভারতে স্বাধীনতার ঘোষণা দিলে তাদের গ্রেপ্তার করা হতো ও মেরে ফেলা হতো।
তারা বলেন, আমরা বিশ্বাস করি যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে মনিপুরের স্বাধীন সরকারকে উপস্থাপন করার, স্বাধীনতা ঘোষণা করার ও স্বীকৃতি চাওয়ার সঠিক সময়। আমরা আজ থেকে মনিপুরের বিধিসম্মত এবং নির্বাসিত সরকারকে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য জাতিসংঘের সকল সার্বভৌম রাষ্ট্রের সরকারকে সরকারকে অনুরোধ করছি। ত্রিশ লক্ষ মনিপুরী জনগণও স্বীকৃতি চান।
তারা আরো বলেন, ভারতে থাকাকালীন মনিপুরের স্বাধীনতা ঘোষণা করা আমাদের পক্ষে সম্ভব ছিল না। কারণ আমরা, মনিপুর রাজ্য কাউন্সিলের সদস্যরা ভারত সরকারের হাতে গ্রেপ্তার, নির্যাতন এবং বিচার বহির্ভূত হত্যার মুখোমুখি হতাম।
তারা বলেন, নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন সরকার অসহিষ্ণু। এই সরকার হিন্দুত্বের আধিপত্যবাদের স্বার্থে ক্ষুদ্র জাতি ও সম্প্রদায়কে নির্মূল করে দেয়ার নীতিতে বিশ্বাস করে। তাই ভারত থেকে কাজ চালিয়ে যাওয়া তাদের পক্ষে নিরাপদ ছিল না। নরেংবাম ও বিরেন ঘোষণা দেন, তাদের সরকার হচ্ছে মনিপুরের মহারাজার সরকার। এই সরকারের প্রধান তিনি। সাংবিধানিকভাবে মনিপুর একটি রাজতন্ত্র শাসিত দেশ।
স্বঘোষিত মনিপুর সরকারের নেতারা বলেন, ভারতীয় দখলদার সরকারের কঠোর আইনের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে মনিপুর। এর মধ্যে রয়েছে, সশস্ত্র বাহিনী (বিশেষ ক্ষমতা) আইন ১৯৫৮। মনিপুর দখল করার পর থেকে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। গত দশ বছরে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ মানুষকে অবৈধভাবে হত্যা করা হয়েছে সেখানে। ১ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষকে অবৈধভাবে আটকে রাখা হয়েছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করে তারা বলেন, গত কয়েক দশকে প্রাণহানীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজারের বেশি। তারা বলেন, ভারতের সুপ্রিম কোর্টে বিচারবহির্ভূত হত্যার ১ হাজার ৫২৮টিরও বেশি মামলা ঝুলে আছে। তাদের বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনী মনিপুরের মানুষকে দায়মুক্তি দিয়ে হত্যা করে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লঘু পাপে গুরু দণ্ড

সাকিবের এ শাস্তি নিয়ে অবশ্য লাখ লাখ ক্রিকেট ভক্ত প্রশ্ন তুলেছেন। তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন তারা। বলছেন, লঘু পাপে তাকে গুরু দণ্ড দেয়া হয়েছে।
গতকাল অফিসিয়াল বিবৃতিতে সাকিবকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আইসিসি। ৩টি অভিযোগে সাকিবকে আর্টিকেল ২.৪.৪ অনুযায়ী শাস্তি দেয়া হয়েছে। অনুতপ্ত সাকিব দায় শিকার করে নেয়ার কারণে আপিল করতে পারবেন না। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি জানায়, ২০১৮ এর জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চার মাসের মধ্যে তিন বার সাকিবের কাছে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব আসে। কোনোবারই এ বিষয়ে আইসিসিকে কিছু জানাননি এই অলরাউন্ডার। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজ চলাকালে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পান সাকিব। পরবর্তীতে সে বছরেরই আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ-কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব ম্যাচের আগেও তাকে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দেন জুয়াড়িরা। আর একবার তার কাছে প্রস্তাব আসে ত্রিদেশীয় সিরিজ অথবা আইপিএল নিয়ে। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থাটির দুর্নীতি বিরোধী ধারা অনুযায়ী, কারও কাছ থেকে অনৈতিক কিছুর প্রস্তাব পেলে যত দ্রুত সম্ভব আইসিসি বা সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে জানাতে হয়। প্রতিটি সিরিজের আগে ক্রিকেটারদের ক্লাস নিয়ে এ নিয়ম মনে করিয়ে দেয়া হয় আনুষ্ঠানিকভাবে। অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী, এই ধারা ভঙ্গের শাস্তি সর্বনিম্ন ৬ মাস থেকে সর্বোচ্চ ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা। সাকিব তার অপরাধ স্বকীর করে নেয়ায় ১ বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন। প্রথম এক বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটানোর সময়ে নতুন করে কোনো আইন না ভাঙলে পরবর্তী এক বছরের শাস্তি থেকে তিনি রেহাই পাবেন।
নিজের দায় শিকার করে আইসিসিতে সাকিব বলেন, ‘আমি সত্যিই খুব মর্মাহত। যেই খেলাটাকে এতো ভালোবাসি সেখানে নিষিদ্ধ হলাম। তবে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব আইসিসিতে না জানানোয়, আমি আমার নিষেধাজ্ঞা মেনে নিচ্ছি। আইসিসির অ্যান্টি করাপশন ইউনিট খেলোয়াড়দের দুর্নীতিমুক্ত রাখতে প্রাণপণে লড়ে যাচ্ছে। কিন্তু আমি আমার অংশটা ঠিকঠাক পালন করতে পারিনি।’
সাকিব প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আকসুর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আগামী দিনগুলোতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়ে যাবেন। বাংলাদেশি অলরাউন্ডার বলেন, ‘বিশ্বের সব খেলোয়াড়ের মতো আমিও চাই ক্রিকেট খেলাটা যেন দুর্নীতিমুক্ত থাকে। আগামী দিনগুলোতে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের সঙ্গে তাদের দুর্নীতিবিরোধী প্রোগ্রামে কাজ করতে আগ্রহী আমি। আমার মতো ভুল যেনো কোনো তরুণ খেলোয়াড় ভবিষ্যতে না করে, আমি এটি নিশ্চিত করতে চাই।’
সাকিব আল হাসান অতীতে আকসুর বিভিন্ন প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছেন। একজন সচেতন ক্রিকেটার হিসেবে কীভাবে এই ভুলটা করলেন সাকিব তা ভেবে বিস্মিত আইসিসির মহাব্যবস্থাপক অ্যালেক্স মার্শাল। তিনি বলেন, ‘সাকিব আল হাসান একজন অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। আইসিসির অনেক দুর্নীতিবিরোধী প্রোগ্রামে সে উপস্থিত ছিলো। সকল নিয়মকানুন ভালোই জানা রয়েছে তার। তবুও সে তিনটি প্রস্তাবের কথা গোপন রাখে। যেসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবেই আমাদের জানানো উচিৎ ছিল তার।’
তবে সাকিব ভুল মেনে নেয়ায় খুশি আইসিরি মহাব্যবস্থাপক। অ্যালেক্স মার্শাল বলেন, ‘সাকিব তার নিজের ভুলগুলো স্বীকার করে নিয়েছে এবং তদন্তের স্বার্থে সম্পূর্ণ সহায়তা করেছে। এমনকি ভবিষ্যতে আইসিসির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের সঙ্গে কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছে। যাতে করে তরুণ খেলোয়াড়রা সাকিবের এই ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। আমি তার এই প্রস্তাবে খুশি।’
বাংলাদেশের হয়ে ৫৬ টেস্ট, ২০৬ ওয়ানডে ও ৭৬ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন সাকিব আল হাসান। তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ১১৭৫২ রান ও ৫৬২ উইকেট নিয়েছেন বাঁহাতি এই স্পিনার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেকারত্ব, আর্থিক মন্দায় আরব দেশগুলোতে বাড়ছে সামাজিক উত্তেজনা :- আইএমএফের রিপোর্ট

এ মাসের শুরুর দিকে আরব জাতিগুলো এবং ইরানের ঘটনাকে মাথায় রেখে আইএমএফ এ অঞ্চলের জন্য পূর্বাভাষ দিয়েছে যে, গত বছরের তুলনায় অর্থনীতি শতকরা ১.১ ভাগের চেয়ে কমে যাবে ০.১ ভাগ। ওই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির তিনটি দেশ সৌদি আরব, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে দৃষ্টিপাত করে এসব কথা বলেছে আইএমএফ। এতে এ মাসের শুরুতে যে পূর্বাভাষ দেয়া হয়েছিল তা নিম্নমুখী হয়েছে। ওই এলাকা বৈশ্বিক বিষয়াবলীর ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক আইএমএফের পরিচালক জিহাদ আজুর বলেছেন, বেকারত্বের সমাধান করতে যে পরিমাণ প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন, এ অঞ্চলে তা অনেক নিচে রয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমরা এমন একটি অঞ্চলের কথা বলছি, যেখানে তরুণ বেকারত্বের বর্তমান শতকরা হার ২৫ থেকে ৩০ ভাগের বেশি। এ সঙ্কট কাটাতে প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হবে শতকরা ১ থেকে ২ ভাগ। আইএমএফের এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, আরব দেশগুলোতে উচ্চ হারে বেকারত্ব বেড়ে যাওয়ার কারণে সামাজিক উত্তেজনাকর অবস্থা সৃষ্টি হচ্ছে। পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। বর্তমানে ওই অঞ্চলে বেকারত্বের গড় হার শতকরা ১১ ভাগ। কিন্তু উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে এই হার শতকরা মাত্র ৭ ভাগ। এখানে নারী ও যুব সমাজ কাজের বাইরে থাকার ঝুঁকি রয়েছে। ২০১৮ সালে শতকরা ১৮ ভাগেরও বেশি নারী কাজের বাইরে ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের শুরুর দিক থেকে আরবের বেশ কিছু দেশে সহিংস বিক্ষোভ শুরু হয়। এর নাম দেয়া হয়েছে আরব বসন্ত। এর ফলে সিরিয়া, ইয়েমেন এবং লিবিয়াকে পরিণত করেছে রক্তাক্ত গৃহযুদ্ধের দেশ হিসেবে। গত বছর নতুন করে এক বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে আলজেরিয়া, সুদান, ইরাক ও লেবাননে। এসব দেশে অর্থনৈতিক সংস্কার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে এমন বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে। জিহাদ আজুর বলেছেন, দেশের পুরো রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে সংস্কার করার দাবিতে লেবাননে বিক্ষোভ হচ্ছে। এতে দেশে এক অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ দেশটিতে গত কয়েক বছর অর্থনীতির বৃদ্ধি ঘটছে খুবই ধীর গতিতে। এসব অসঙ্গতি সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছে লেবানন সরকার।
ওদিকে আরবের অনেক দেশে সরকারি ঋণের মাত্রা অনেক বেশি। অনেক দেশে তা গড়ে জাতীয় প্রবৃদ্ধির শতকরা ৮৫ ভাগেরও বেশি। অন্যদিকে লেবানন ও সুদানে জাতীয় প্রবৃদ্ধির শতকরা ১৫০ ভাগেরও বেশি এই ঋণের পরিমাণ। আএমএফ বলেছে, অনেক বছর ধরে জমতে জমতে সরকারি পর্যায়ে এই ঋণের বোঝা অনেক বড় হয়েছে। ফলে ওই অঞ্চলে দীর্ঘ মেয়াদে আর্থিক বিনিয়োগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। আইএমএফ বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবরোধের ফলে কুঁকড়ে যাচ্ছে ইরান। সেখানে মুদ্রাস্ফীতি আকাশচুম্বী হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে ইরানকে লড়াই করতে হচ্ছে। এখানে এ বছর অর্থনীতি শতকরা ৯.৫ ভাগ অর্জিত হবে বলে ধরা হয়েছে। ২০১৮ সালে এই অর্থনীতি শতকরা নেগেটিভ ৪.৮ ভাগ অর্জিত হয়েছিল। অবরোধ থাকার ফলে ধারণা করা হয়, প্রতিদিন ইরান মাত্র ৫ লাখ ব্যারেল অশোধিত তেল রপ্তানি করতে পারে। অবরোধের আগে এই পরিমাণ ছিল ২০ লাখ ব্যারেল প্রতিদিন। আইএমএফ বলছে, সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন তেলসমৃদ্ধ গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলভুক্ত (জিসিসি) দেশগুলো এ বছর শতকরা মাত্র ০.৭ ভাগ অর্থনীতি বৃদ্ধি করতে পারবে। ২০১৮ সালে তা ছিল শতকরা ২ ভাগ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভয় পেলে অভিযানে নামতাম না :- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সাম্প্রতিক বক্তব্যের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি প্রতিক্রিয়া না জানালেও বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুললে তার জয়ও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যায়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাম্প্রতিক ইস্যুগুলো নিয়েও কথা বলেন। চলমান দুর্নীতিবিরোধী অভিযান নিয়ে বিরোধী দলগুলোর সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি ছোটবেলা থেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম। আমার বাবাকে দেখেছি কীভাবে সাহসের সঙ্গে বাংলাদেশকে স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। কাজেই ভয় এ শব্দটা আমার ছোটবেলা থেকেই নেই। ভয় পাওয়ার লোক আমি না। ভয় পেলে এ অভিযানে আমি নামতাম না। আমি যখন নেমেছি, তখন সে কি করে, কোন দলের সেটি আমার কাছে বিবেচ্য বিষয় নয়। বিএনপিকে দুর্নীতির খনি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে দুর্নীতির দুয়ার খুলে দিয়েছিল জিয়াউর রহমান। তার হাতে গড়া দল, সেখানে আপনারা দেখেন প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মামলা তো আছেই। হত্যা, খুন, দুর্নীতি এমন ধরনের কোন কাজ নেই, যা তারা করেনি। সেই দলের নেতা যিনি চেয়ারপারসন দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি কারাগারে। আরেকজন যাকে ভারপ্রাপ্ত করা হলো, সে দুর্নীতিগ্রস্ত এবং মামলায় দেশান্তর। তাদের মুখে এতো কথা কোথা থেকে আসে, কোন সাহসে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অপরাধীর সঙ্গে যারা জড়িত আমরা তাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছি। আর আমরা ঘর থেকে অভিযানটা শুরু করেছি। না হলে তো আবার বলত রাজনৈতিক হয়রানির জন্য আমরা এটা করছি।
চলমান অভিযানকে বিএনপির তরফে আইওয়াশ বলা হচ্ছে-এটি আসলে কি আইওয়াশ এমন প্রশ্নে শেখ হাসিনা বলেন, আইওয়াশ করতে যাবো কেন? আমি তো আমার আপন-পর কিছু দেখিনি। যারাই অপরাধ জগতের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাদেরই ধরা হচ্ছে। তাহলে আইওয়াশ বলে কী করে? আইওয়াশের ব্যবসা বিএনপিই ভালো জানে-বোঝে। দেশটাকে দুর্নীতিতে নিয়ে এসেছে তো বিএনপি। দুর্নীতিকে ‘নীতি’তে নিয়ে এসেছে তারা। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে এমন কিছু করেনি দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলমান শুদ্ধি অভিযান আইওয়াশ নাকি অন্য কিছু, অপেক্ষা করুন দেখতে পাবেন। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমি বাংলাদেশে যেদিন এসেছি, সেদিন থেকেই ভয় নেই। আমার বিরোধীরা বিদেশের মাটিতে সক্রিয়, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগতভাবে আমাকে হত্যা করা হতে পারে। তবে আমি এসবকে ভয় পাই না।
কলকাতা টেস্ট দেখতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী: সৌরভ গাঙ্গুলীর আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন প্রানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিসিসিআইয়ের নতুন প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে ইডেন গার্ডেনে ভারত-বাংলাদেশ টেস্ট দেখতে যাবেন তিনি। এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, সৌরভ আমার সাথে ফোনে কথা বলেছে। আমাকে দাওয়াত দিল। আমি যেন যাই। কলকাতায় যেন থাকি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সৌরভ গাঙ্গুলি দাওয়াত দিয়েছে, আমি বলেছি যাব। এটা প্রধানমন্ত্রীর দাওয়াত না, মুখ্যমন্ত্রীর দাওয়াতও না। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে সব সময় প্রটোকল, নীতিমালা এতকিছু থাকবে কেন। খেলা দেখতে সকালে যাব বিকালে চলে আসবো। এটুকুই। কলকাতায় ভারত-বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেট দেখতে গিয়ে তিস্তা নদী নিয়ে কূটনৈতিক কোন আলোচনা হবে কিনা এমন প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রীর পাল্টা প্রশ্ন, ক্রিকেটকে নদীতে নিয়ে যাচ্ছেন কেন? ক্রিকেট খেলা দেখতে যাবো সেখানে তিস্তা নিয়ে কথা বলে তিক্ততা এখানে তুলবো কেন? এসময় প্রধানমন্ত্রী জানান, ওই খেলা দেখতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আসছেন না। আর কূটনীতি বিষয়ে তিনি বলেন, এসব বিষয়ে কথা বলার তো আরও সময় আছে। তখন কথা হবে।
জীবনে এমন ধর্মঘট দেখিনি: সমপ্রতি ক্রিকেটারদের ডাকা ধর্মঘট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তারা হঠাৎ করেই একটা ধর্মঘট ডেকেছে। তাদের দাবি থাকলে তো জানাতে পারত। কথা নেই বার্তা নেই, হুট করে ধর্মঘট ডাকা জীবনে শুনিনি ক্রিকেটাররা এভাবে ধর্মঘট ডাকে। পরবর্তী সময়ে তারা বোর্ডে গেছে। সে ঝামেলা মিটমাট হয়ে গেছে। আমার মনে হয় পৃথিবীর খুব কম দেশই আছে, যারা এভাবে ক্রিকেটারদের সমর্থন দেয়। এসময় ?সাকিব প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিসিবি সাকিবের পাশে আছে এবং সব রকমের সহযোগিতা দেবে। এই ধরনের ক্রিকেটারদের সঙ্গে জুয়াড়িরা যোগাযোগ করে। ওর (সাকিবের) যেটা উচিত ছিল, যখনই ওর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, ও খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি। ফলে সে আইসিসিকে বিষয়টি জানায়নি। নিয়মটা হচ্ছে, ওর সঙ্গে সঙ্গে জানানো উচিত ছিল। সাকিব এই জায়গায় ভুল করেছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এখানে সে একটা ভুল করেছে। এক্ষেত্রে আপনারা জানেন, আইসিসি যদি কোনও ব্যবস্থা নেয়, এখানে আমাদের খুব বেশি কিছু করার সুযোগ থাকে না। তবু আমরা বলব, বিশ্ব ক্রিকেটে তার একটা অবস্থান আছে। একটা ভুল সে করেছে এবং সেটা সে বুঝতেও পেরেছে। এখানে খুব বেশি কিছু করার নেই আমাদের। বিসিবি’র একজনের ক্যাসিনোতে জড়িত থাকার বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ক্যাসিনোর যে প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন, সেটা বোধহয় ঠিক না। বাইরে কে কী করছে, সেটার সঙ্গে বিসিবির কোনো সম্পর্ক নেই। খোঁজ করলে সাংবাদিকদের ভেতরেও হয়তো ক্যাসিনোতে জড়িত কাউকে পাওয়া যাবে। তখন কী হবে? আমরা তো অভিযান চালাচ্ছি। কে কখন কিভাবে ধরা পড়বে, বলা যায় না। আমরা কিন্তু ক্যাসিনো ব্যবসায়ীদের ধরেছি। তাদের কেউ বহাল তবিয়তে আছে, সেটাও ঠিক না। এর আগের এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, এখন আপনারা খুঁজে দেখেন, কোথায় কী পাওয়া যাচ্ছে। কারও যদি জুয়া খেলার আকাঙ্খা থাকে, হোম মিনিস্টারকে বলেছি, একটা চরে জুয়ার ব্যবস্থা করে দেন, ট্যাক্স বসান, নীতিমালা করেন। অন্তত ট্যাক্স তো পাওয়া যায়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের উন্নয়ন করে। আমরা ক্ষমতায় আসলে বাংলাদেশের উন্নয়ন হয়। বাংলাদেশের সম্মান ফিরে এসেছে। ন্যাম সম্মেলনে যাওয়ার পর সবাই বাংলাদেশের প্রশংসা করেছেন। সেখানকার প্রবাসীদের সঙ্গেও কথা হয়েছে। তারা বলেছেন তারা ভালো আছেন। বাংলাদেশের উন্নয়নে তারা খুশি। তাই কারও কথায় কিছু যায়-আসে না।
পদ্মাসেতু উদ্বোধনের সুনির্দিষ্ট সময় বলা যাবে না: মুজিব বর্ষে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা যাবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, পদ্মাসেতু উদ্বোধনের কোনও সুনির্দিষ্ট সময় বলা যাবে না। পদ্মা সেতুর পুরো প্রক্রিয়াটাই হাইলি টেকনিক্যাল বিষয়। সেতুর নিচের অংশে ট্রেন, ওপরের অংশে গাড়ি চলবে। এটার টেকনোলজিটাই ভিন্ন। এছাড়া নদীর চরিত্রও একটা বড় ব্যাপার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সবচেয়ে খরস্রোতা নদী। একটা বর্ষার পরেই নদীর চরিত্র বদলায়। পলি পড়ে। গতিপথ পরিবর্তন হয়। এসব কারণে অনেক দিন কাজ বন্ধও রাখতে হয়েছিল। তাই পদ্মা সেতুর কাজ শেষ করার বিষয়টি অনেক কিছুর ওপরও নির্ভর করে। মুজিব বর্ষের মধ্যেই বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব কিনা এমন আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা চলছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে চিঠিও দিয়েছিলাম এ ব্যাপারে। নূর আছে কানাডায়, তার ব্যাপারেও কানাডা সরকারের সঙ্গে কথা চলছে। ট্রুডোর (কানাডার প্রধানমন্ত্রী) সঙ্গেও কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন-ব্যক্তিগতভাবে তিনিও এরকম নৃশংস ঘটনার বিচার চান। কিন্তু তাদের দেশের আদালতের কিছু নিয়মের কারণে প্রতিবন্ধকতা আছে। বিশ্বের অনেক দেশই এখন মৃত্যুদণ্ড রহিত করেছে। যেহেতু তারা (খুনিরা) মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত, তাই সেই ছুতোয় তারা দেশে না ফেরার কৌশল অবলম্বন করছে। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুজনকে আমরা আনতে পেরেছিলাম। হুদাকে আনতে পেরেছি থাইল্যান্ড থেকে। মহিউদ্দিনকে আনতে পেরেছি। তিনি বলেন, যে বিচার করার প্রক্রিয়াই ছিল না, নিষিদ্ধ ছিল, সেই বিচার করতে পেরেছি। আমার জন্য কেউ সুন্দর রাস্তা বানিয়ে দেয়নি। রাস্তা তৈরি করতে হয়েছে। যুদ্ধাপরাধীর বিচার জাতির পিতা শুরু করেছিলেন। জিয়াউর রহমান এসে তা থামিয়ে দিলো, যারা জেলে ছিল তাদের ছেড়ে দিলো, তাদের রাজনীতি করার সুযোগ দিলো। নতুন প্রজন্মকে এসব বিষয়ে অবহিত করতে হবে।
পিয়াজ কিন্তু পচেও যায়: পিয়াজের দাম বাড়ার বিষয়ে এক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিয়াজ মজুত যারা করছে তারা কত দিন ধরে তা রাখতে পারে, পিয়াজ কিন্তু পচেও যায়। বেশি রাখতে গিয়ে, সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে গিয়ে তাদের লোকসান হবে। লাভ হবে না। এটাও বাস্তবতা। পিয়াজের দরজা খুলে দেয়া হলো। সমস্যা থাকবে না, হয়তো সাময়িক। ইতোমধ্যে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ চলে আসছে। ১০ হাজার টন কয়েক দিনের মধ্যেই চলে আসবে। পিয়াজ কিন্তু অলরেডি আছে। তিনি বলেন, আপনারা পত্রিকায়ই তো বের করেছেন অনেক জায়গায় পিয়াজ রয়ে গেছে। কিন্তু কেন তারা বাজারে ছাড়ছে না, সেটা বড় ব্যাপার।
এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যাম সম্মেলনে দেশগুলোর আর্থসামাজিক উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। উন্নয়ন গুরুত্ব পেয়েছে, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া, শান্তি যাতে প্রতিষ্ঠা হয়, সেদিকে দৃষ্টি ছিল। সবাই বাংলাদেশের উন্নয়নে বাহবা দিয়েছে বলেও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের অব্যবহিত পরেই দ্বিতীয় বৃহত্তম এই বহুপাক্ষিক ফোরামে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের অবস্থানকে জোরদার করেছে বলে আমি মনে করি। এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস-এসবের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া যেন বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা হয় সেদিকেই এবারকার সম্মেলনের দৃষ্টি বেশি ছিল। সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম প্রধানমন্ত্রীর পাশে ছিলেন। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে সাবেক ও বর্তমান অনেক ছাত্রলীগ নেতাকে এর আগে দেখা গেলেও গতকাল তাদের উপস্থিতি ছিল না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বায়ু দূষণের আতঙ্কে দিল্লি ছাড়ছে মানুষ

আশঙ্কা করা হচ্ছে, দিওয়ালীর সময় যে আতশবাজি ও রঙের ব্যবহার হয় তা এই বিষাক্ত বাতাসকে আরো ভয়াবহ করে তুলবে। ফলে অচিরেই সর্বকালের সব থেকে দূষিত বাতাসের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলবে দিল্লি। গত কয়েক বছর ধরেই এমন একটি প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে যে, দিল্লির মানুষ শীত আসলেই শহর ছেড়ে পাহাড়ি এলাকাগুলোতে চলে যাচ্ছে। তাদের কাছে দিল্লিকে এখন একটা গ্যাস চেম্বারের মতো মনে হয়।
বছরের অন্য সময় দিল্লিতে যে বায়ু দূষণ হয়ে থাকে তাতেই শহরটি বিশ্বের সব থেকে দূষিত শহরগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। তবে শীতে এই অবস্থা আরো বেশি ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। বাতাসের গতি কমে যাওয়ায় দূষণ যেন জমাট বেঁধে থাকে। এরমধ্যে যখন দিওয়ালীতে আতশবাজি ও রঙ উড়ানো হয় তখন সে বাতাস সমপূর্ণ বিষাক্ত হয়ে ওঠে।
গত শুক্রবার দিল্লির এয়ার কোয়ালিটি লেভেল ৩৮৮তে গিয়ে পৌঁছে। অথচ এর নিরাপদ সীমা হচ্ছে ৬০। গত বছর দিওয়ালীর পর এই লেভেল পৌঁছে গিয়েছিল ৮০০তে। ভার্মা এ নিয়ে বলেন, আমি আর এ বছর দিল্লিতে ফিরে যাচ্ছি না। এরইমধ্যে আমার ছেলে অ্যাজমায় আক্রান্ত হয়েছে।
দিল্লি কর্তৃপক্ষ নানাভাবে এই দূষণ কমানোর চেষ্টা করছে। আইন কড়া করছে। আদালত থেকে নিরাপদ আতশবাজির কথা বলা হয়েছে। তবে সমস্যা আছে আরো। বছরের এ সময় কৃষকরা তাদের জমিতে আগুন দিয়ে চাষযোগ্য করে তোলে। ফলে সৃষ্টি হয় ব্যাপক ধোঁয়ার। হরিয়ানা ও পাঞ্জাব থেকে এসব ধোঁয়া এসেও দিল্লির বাতাসকে ভারি করে তুলছে। সরকার চাইলেও কৃষকদের রাতারাতি এই পদ্ধতি থেকে দূরে সরিয়ে নিতে পারবে না। কারণ দরিদ্র কৃষকদের জন্য এটিই সব থেকে সস্তা পদ্ধতি। ফলে অপেক্ষা না করে অনেকেই দিল্লি ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। যারা যেতে পারছেন না তারা প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেরুচ্ছেন না। দরজা-জানালা আটকে ঘরে অবস্থান করছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কুঁড়ার তেলের বিদেশযাত্রা by ফখরুল ইসলাম

*বাজারে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের তেল।
*দাম সয়াবিন তেলের চেয়ে কিছুটা বেশি।
*২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশ থেকে রপ্তানি হয় কুঁড়ার ২০ হাজার টন তেল।
*দেশে বছরে উৎপাদিত হয় ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ টন তেল।
*সাড়ে ছয় কেজি কুঁড়া থেকে এক লিটার তেল হয়।
দেশে তো জনপ্রিয় হচ্ছেই, ধানের কুঁড়ার তেল (রাইস ব্র্যান অয়েল) এখন বিদেশে রপ্তানিও হচ্ছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশ থেকে কুঁড়ার ২০ হাজার টন তেল রপ্তানি হয়েছে। রপ্তানির প্রায় পুরোটাই হচ্ছে বগুড়া থেকে। বর্তমানে এই তেল প্রধানত রপ্তানি হচ্ছে ভারতে। তবে শ্রীলঙ্কা, জাপান, চীন—এসব দেশেও রপ্তানির প্রক্রিয়া চলছে।
স্বাধীনতার পর এবং আশির দশকেও দেশে প্রধান ভোজ্যতেল ছিল সরিষার তেল। তবে নব্বইয়ের দশক থেকেই অপরিশোধিত পাম তেল ও সয়াবিন তেলের আমদানি বাড়তে থাকে। দেশে গড়ে ওঠে বেশ কয়েকটি ভোজ্যতেল পরিশোধন কারখানাও। আর ভোজ্যতেল হিসেবে ঘরে ঘরে জায়গা করে নেয় পাম তেল ও সয়াবিন তেল। কেউ কেউ অবশ্য সূর্যমুখী বা জলপাই তেলও (অলিভ অয়েল) রান্নায় ব্যবহার করেন।
একসময় বিজ্ঞানীদের গবেষণায় উঠে আসে অন্য ভোজ্যতেলের তুলনায় ধানের কুঁড়ার তেলে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক মাত্রা কম। ধানের তুষ ছাড়ানোর পর চালের গায়ে বাদামি যে অংশ থাকে, সেখান থেকে এই তেল নিষ্কাশন করা হয়।
গত ১০ বছরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধানের কুঁড়ার তেলের ১২টি কারখানা গড়ে ওঠে। পাবনার ঈশ্বরদীতে ২০১১ সালে রশিদ অয়েল মিলস লিমিটেড ‘হোয়াইট গোল্ড ব্র্যান্ড’ নামে ধানের কুঁড়ার তেল উৎপাদন শুরু করে। প্রায় একই সময়ে গড়ে ওঠে ময়মনসিংহে ‘স্পন্দন’ ব্র্যান্ডের আরেকটি কারখানা।
তবে উৎপাদনের মাঠে ভালোভাবে আছে এখন বগুড়ার মজুমদার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ ও তামিম অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ। মজুমদার গ্রুপের তেলের ব্র্যান্ড ‘স্বর্ণা’। মজুমদার গ্রুপের কারখানায় প্রতিদিন তেল উৎপাদন হয় ৯০ থেকে ১০০ টন। এ ছাড়া রংপুরের গ্রিন অ্যান্ড পোলট্রি ফিড ইন্ডাস্ট্রিজও কিছু তেল উৎপাদন করে।
মজুমদার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চিত্ত মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা রপ্তানি করছি মূলত ভারতে। তবে বিশ্বব্যাপীই এই তেলের চাহিদা রয়েছে এবং বছর বছর চাহিদা বাড়ছে।’
কুঁড়ার তেল উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলো জানায়, দেশে বর্তমানে প্রতিদিন ২৫০–৩০০ টন এই তেল উৎপাদিত হয়। বছরে হয় ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ টন। সাড়ে ছয় কেজি কুঁড়া থেকে এক লিটার তেল হয়। ধান থেকে চাল তৈরি করলে ৭ থেকে ৮ শতাংশ কুঁড়া পাওয়া যায়।
তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিদিনের কুঁড়ার চাহিদা ১ হাজার ৫০ থেকে ১ হাজার ১০০ টন। দেশের চালকল থেকে বছরে ৩৭ লাখ টনের বেশি কুঁড়া উৎপাদিত হয়। বর্তমানে দেশে ব্যবহৃত ভোজ্যতেলের মধ্যে কুঁড়ার তেলের অবদান সোয়া দুই থেকে আড়াই শতাংশ। সয়াবিন ও পাম তেলের চাহিদা ১৪ লাখ টন।
তবে অন্যদের কাছ থেকে পরিশোধন করিয়ে নিয়েও এই তেল বাজারজাত করছে কয়েকটি বড় কোম্পানি। যেমন এসিআই। এসিআইয়ের রাইস ব্র্যান তেলের নাম ‘নিউট্রিলাইফ’। বাংলাদেশ এডিবল অয়েলের ব্র্যান্ড ‘ফরচুন’। ‘নেচুরা’ নামের একটি ব্র্যান্ডও বাজারে রয়েছে।
এসিআই কনজ্যুমার প্রোডাক্টসের বিজনেস ডিরেক্টর অনুপ কুমার সাহা প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের এই পণ্যটির বিক্রির পরিমাণ যেহেতু বাড়ছে, অনুমান করা যায় যে সারা দেশে রাইস ব্র্যান তেল জনপ্রিয় হচ্ছে। বিশ্বব্যাপীও এর জনপ্রিয়তা রয়েছে, তবে নানা কারণে রপ্তানি বাজার এখনো অত বড় হতে পারছে না।’
জনপ্রিয়তার কারণ জানতে চাইলে অনুপ কুমার বলেন, ডাক্তাররাই বলছেন এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অরাইজানল রয়েছে এবং এই তেল মানুষের রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। অরাইজানল ইনসুলিন প্রতিরোধে সহায়তা করে। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের ধারণা বোতলে তেলের রংটা একটু হালকা হলে ভালো হয়। কিন্তু তা করতে গেলে তেল থেকে উপকারিতা কম পাওয়া যেতে পারে।
কারওয়ান বাজারের বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা যায়, বোতলজাত এক লিটার কুঁড়ার তেলের দাম পাম ও সয়াবিন তেলের দামের চেয়ে একটু বেশি। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম যেখানে ১০০ টাকার মতো, কুঁড়ার তেলের দাম সেখানে ১১৫ থেকে ১৩০ টাকা।
কুঁড়ার তেল উৎপাদনকারীরা বলছেন, এই তেল যেমন স্বাস্থ্যসম্মত, তেমনি সাশ্রয়ী। এক লিটার সয়াবিন তেলে যে খাবার রান্না করা যায়, তা পৌনে এক লিটার কুঁড়ার তেলেই করা সম্ভব। এদিকে বাংলাদেশ শিল্প ও বিজ্ঞান গবেষণা সংস্থার (বিসিএসআইআর) এক গবেষণাও বলছে, ভোজ্যতেলে যেসব খাদ্যগুণ থাকা উচিত, জলপাই তেলের পর সবচেয়ে বেশি তা কুঁড়ার তেলে রয়েছে।
মজুমদার গ্রুপের চিত্ত মজুমদার বলেন, ‘বড় সমস্যা কুঁড়ার সরবরাহ। যে পরিমাণ চাহিদা রয়েছে, সেই পরিমাণ কুঁড়া সব সময় পাওয়া যায় না। কিছু কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এ কারণেই। তবে সম্ভাবনা বিশাল। পরিকল্পিতভাবে উৎপাদনের দিকে যেতে হবে। রপ্তানি বাড়াতে দরকার নগদ সহায়তা। ভারতে আমরা রপ্তানি করি ঠিকই, কিন্তু ভারতই এ ব্যাপারে বাংলাদেশের বড় প্রতিযোগী।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহাকাশের গ্রহ কে-টু- ১৮বি-তে পানির সন্ধান; প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন আশা
![]() |
| কে-টু-১৮বি গ্রহের আবহাওয়া মণ্ডলের ৫০ শতাংশই পানি |
এক্সোপ্ল্যানেট কি?
- সৌরজগতের বাইরের গ্রহকে বলা হয় এক্সোপ্ল্যানেট।
- প্রথম এক্সোপ্ল্যানেট আবিষ্কৃত হয় ১৯৯২ সালে।
- বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ পর্যন্ত চার হাজারের বেশি এক্সোপ্ল্যানেট-এর সন্ধান পাওয়া গেছে।
- এদের বেশিরভাগই বড় আকারের গ্রহ যাদের আকার বৃহস্পতি বা নেপচুনের সমান বলে ধারণা করা হয়।
- অনেক বৃহৎ আকারের গ্রহ দেখা গেছে তাদের তারার কক্ষপথে খুব কাছ দিয়ে প্রদক্ষিণ করে।
দীর্ঘ পথ
![]() |
| ইউরোপীয়ান মহাকাশ কেন্দ্র-এর ২০২৮এর মহাকাশ মিশন থেকে আরও তথ্য পাওয়া যাবে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ: জেনারেল থেকে রাজনীতিক হিসেবে উত্থান ও আস্থার সংকট by কাদির কল্লোল
![]() |
| হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ |
এরশাদ উকিল হতে চেয়েছিলেন
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের পরিবারিক আরেকটি নাম ছিল
জেনারেল এরশাদের ছাত্রজীবন কেমন ছিল?
এরশাদের ক্ষমতা দখল
জেনারেল থেকে তাঁর রাজনীতিক হওয়ার গল্প
রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম
রাজনীতিতে তাঁর প্রভাব
আস্থার সংকট
![]() |
| শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট থেকে জেনারেল এরশাদের জাতীয় পার্টি এবং আরেক সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীর দল ২০১৮ সালের ৩০শে ডিসেম্বরের নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
October
(602)
-
▼
Oct 31
(11)
- ভারত থেকে আলাদা হওয়ার ঘোষণা মণিপুরের
- মণিপুরে প্রবাসী সরকার গঠন, সাবেক মহারাজার বিরোধিতা
- ভারত থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করল মনিপুর রাজ্য; প্রবাস...
- ইউরোপের উগ্র-দক্ষিণপন্থী এমপিরা কেন কাশ্মীরে? by শ...
- স্বাধীনতার ঘোষণা মনিপুরের, লন্ডনে প্রবাসী সরকার
- যেভাবে নিহত হন ইন্দিরা গান্ধী
- লারা দত্তের ইউরোপ ভ্রমণ
- বিধ্বংসী বন্যার ঝুঁকিতে বাংলাদেশের ৪ কোটি মানুষ : ...
- যে দেশে প্রেম-বিয়ে নির্ভর করে জিন পরীক্ষার ওপর
- উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে বাধার সৃষ্টি করছে সিগারেটের বাট
- পর্নো তারকা কিম্বারলি মনে করেন হতাশার জন্য দায়ী প...
-
►
Oct 30
(11)
- শিল্পী পরিচয়ের আড়ালে ইয়াবার ডিলার সুবর্ণা by রুদ্র...
- জুয়াড়ি ও সাকিবের মধ্যে যা আলাপ হয়
- ভারত থেকে আলাদা হওয়ার ঘোষণা মনিপুরের, প্রবাসী সরকা...
- লঘু পাপে গুরু দণ্ড
- বেকারত্ব, আর্থিক মন্দায় আরব দেশগুলোতে বাড়ছে সামাজি...
- ভয় পেলে অভিযানে নামতাম না :- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
- বায়ু দূষণের আতঙ্কে দিল্লি ছাড়ছে মানুষ
- কুঁড়ার তেলের বিদেশযাত্রা by ফখরুল ইসলাম
- মহাকাশের গ্রহ কে-টু- ১৮বি-তে পানির সন্ধান; প্রাণের...
- হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ: জেনারেল থেকে রাজনীতিক হিসেব...
-
▼
Oct 31
(11)
-
▼
October
(602)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...













