Friday, September 23, 2011

দুই কোম্পানির অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি কন্টিনেন্টাল ইনস্যুরেন্স ও অ্যাপেক্স অ্যাডেলচি ফুটওয়্যার তাদের শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা থেকে ১০ টাকা করার ঘোষণা দিয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ডিএসইর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, কন্টিনেন্টাল ইনস্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা থেকে ১০ টাকায় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে মার্কেট লট ৫০টি থেকে ২৫০টি করার সিদ্ধান্ত নেয় পর্ষদ। শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের পর বিষয়টি কার্যকর হবে।
এ-সংক্রান্ত বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আগামী ২৭ অক্টোবর সকাল ১০টায় আইডিই বাংলাদেশের মাল্টিপারপাস হল, ১৬০ কাকরাইল, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। ইজিএমের রেকর্ড ডেট আগামী ৪ অক্টোবর।
অ্যাপেক্স অডেলচি ফুটওয়্যারের পরিচালনা পর্ষদ প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা থেকে ১০ টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ছাড়া মার্কেট লট ২০টি থেকে ২০০টি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পর্ষদ। এ-সংক্রান্ত ইজিএম আগামী ৩ নভেম্বর বেলা ১১টায় ঢাকা লেডিস ক্লাব, ৩৬ ইস্কাটন গার্ডেন, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। ইজিএমের রেকর্ড ডেট আগামী ৩ অক্টোবর।
এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সব কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার এবং ইউনিটের অভিহিত মূল্য (ফেসভ্যালু) ১০ টাকা করার বিষয়ে নির্দেশনা জারি করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গত বৃহস্পতিবার এসইসির ওয়েবসাইটে এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ১ ডিসেম্বর সব কোম্পানির অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে।

শেয়ার কিনতে শুরু করেছেন উদ্যোক্তা-পরিচালকেরা

নিজ কোম্পানির শেয়ার কিনতে শুরু করেছেন সংশ্লিষ্ট কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকেরা। বেক্সিমকোর উদ্যোক্তা ও পরিচালক সালমান এফ রহমান, সিটি ব্যাংকের ফাহমিদা মোহাম্মাদ ও ইউনাইটেড লিজিংয়ের সৈয়দ এহসান কাদির এ ঘোষণা দেন।
আজ বৃহস্পতিবার ডিএসইর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, বেক্সিমকোর উদ্যোক্তা ও পরিচালক সালমান এফ রহমান কোম্পানিটির পাঁচ লাখ শেয়ার কিনবেন। তিনি স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিদ্যমান বাজারমূল্যে আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে এসব শেয়ার কিনতে চান।
অব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের কোম্পানি ইউনাইটেড লিজিংয়ের পরিচালক সৈয়দ এহসান কাদির প্রতিষ্ঠানটির ২০০টি শেয়ার বিদ্যমান বাজারমূল্যে স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে কিনতে চান।
অপরদিকে সিটি ব্যাংকের ৪০ হাজার শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন ব্যাংকটির উদ্যোক্তা ও পরিচালক ইভানা ফাহমিদা মোহাম্মাদ। আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে বিদ্যমান বাজারমূল্যে স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে তিনি শেয়ারগুলো কিনবেন।

আফ্রিকা ও আরব উপদ্বীপে ড্রোন ঘাঁটি নির্মাণ করছে যুক্তরাষ্ট্র

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের পর আফ্রিকা ও আরব উপদ্বীপে গোপন ড্রোন (মানববিহীন বিমান) ঘাঁটি স্থাপন করছে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে ড্রোন হামলা চালিয়ে জঙ্গি নির্মূলে সাফল্য পেয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলেও এই ঘাঁটি গড়ার কাজে হাত দেয়। গতকাল বুধবার দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে এ খবর প্রকাশ করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আল-কায়েদার সহযোগী সংগঠনগুলোকে মোকাবিলা করতে নতুন ড্রোন ঘাঁটি স্থাপন করে যুক্তরাষ্ট্র। আফ্রিকার ইথিওপিয়ায় একটি ঘাঁটি নির্মাণের কাজ চলছে। আরেকটি ঘাঁটি নির্মাণ করা হয় ভারত মহাসাগরের সেশেল্স দ্বীপে। চলতি মাসেই এই দ্বীপের ঘাঁটি থেকে অভিযান চালানো শুরু হয়েছে। এর আগে পরীক্ষামূলক অভিযানও পরিচালনা করা হয়। ওই অভিযানে মার্কিন ড্রোন সোমালিয়ায় সফলভাবে টহল দিয়ে আসে।
আফ্রিকার জিবুতির ঘাঁটি থেকে মার্কিন কর্মকর্তারাও ড্রোনে করে সোমালিয়া ও ইয়েমেন ঘুরে আসেন। আর মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) আরব উপদ্বীপে গোপন বিমানক্ষেত্র (বিমান ওঠানামার জায়গা) তৈরি করছে। ইয়েমেনকে লক্ষ্য করে ড্রোন ওঠানামা করার জন্য এই গোপন বিমানক্ষেত্র তৈরি করছে সিআইএ।
হোয়াইট হাউস ওয়াশিংটন পোস্ট-এর এই প্রতিবেদন নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকার করে। এর আগে মার্কিন ও সেশেলসের কর্মকর্তারা সেশেল্স দ্বীপে ড্রোনের উপস্থিতির বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে জলদস্যুদের শনাক্ত করাই এর প্রধান উদ্দেশ্য বলে উল্লেখ করেন তাঁরা।
ওয়াশিংটন পোস্ট-এর প্রতিবেদনে উইকিলিকসের ফাঁস করা মার্কিন গোপন তারবার্তার বরাত দিয়ে বলা হয়, সেশেল্স দ্বীপের ড্রোন ঘাঁটি থেকে উড়ে যাওয়া ড্রোন সন্ত্রাসবাদবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সোমালিয়া অভিযানে ব্যবহার করা হয়। সেশেল্স থেকে সোমালিয়ার দূরত্ব এক হাজার ২৮৭ কিলোমিটার।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, সেশেল্স ঘাঁটি থেকে মূলত পর্যবেক্ষক ড্রোন ওঠানামা করে। তবে এবার এই ঘাঁটি থেকে প্রথমবারের মতো অস্ত্রবাহী ড্রোন এমকিউ ৯ রিপার্স উড়বে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মার্কিন অভিযান আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেন নিহত হওয়ার পর মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিওন প্যানেট্টা ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার চাপে সেশেল্স দ্বীপের ঘাঁটি থেকে ড্রোন ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ভারতে দৈনিক ২৫ রুপি উপার্জনকারী গরিব নন

ভারতে দৈনিক ২৫ রুপি বা এর বেশি আয় করা গ্রামের বাসিন্দারা গরিব নন। তাঁরা সরকারি কোনো সহায়তা প্রকল্পের আওতায় সুবিধা পাবেন না। শহরের নাগরিকদের ক্ষেত্রে দৈনিক আয় ৩২ রুপি বা এর বেশি হলে ওই সুবিধা পাওয়া যাবে না। ভারতের পরিকল্পনা কমিশন গত মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টকে এ তথ্য জানায়।
কমিশন জানায়, গ্রামে বাস করে ২৫ রুপি ও শহরে বাস করে ৩২ রুপি দৈনিক আয় হলে তাঁরা খাদ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যয় মেটানোর সামর্থ্য রাখেন। ভারতে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় সুপ্রিম কোর্ট পরিকল্পনা কমিশনের কাছে দারিদ্র্যসীমা হালনাগাদ করার নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন দারিদ্র্যসীমা হালনাগাদ করে সুপ্রিম কোর্টকে এ তথ্য জানায়।

আগামী নির্বাচনে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার ঘোষণা আদভানির

ভারতের প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রবীণ নেতা এল কে আদভানি আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার ঘোষণা দিয়েছেন। গতকাল বুধবার তিনি এ ঘোষণা দেন।
তাঁর ঘোষিত দেশব্যাপী রথযাত্রার জন্য রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভগবতের আশীর্বাদ নেওয়া শেষে আদভানি (৮৩) সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি দলের অংশ হতে পেরেই সন্তুষ্ট। আমি আর প্রধানমন্ত্রী হতে চাই না।

ভূমিকম্প যেন যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানে

নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজয় কুমার বলেছেন, ভূমিকম্প যেন ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য উন্নত দেশে আঘাত হানে, সে প্রার্থনাই তিনি করেছেন।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে আছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বাবুরাম ভট্টরাই। এ জন্য ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর দায়িত্ব পালন করছেন বিজয় কুমারা।
গত রোববার আঘাত হানা ভূমিকম্পের পর উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে, গত মঙ্গলবার পার্লামেন্টে বিজয় কুমারের কাছে তা জানতে চান সাংসদেরা। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমরা তো ভূমিকম্প ঠেকিয়ে রাখতে পারি না। ভারত পারবে না, চীনও তা পারবে না।’
বিজয় কুমারা বলেন, ‘আমি ঈশ্বরের কাছে এ প্রার্থনাই করি, ভূমিকম্প যেন ভবিষ্যতে নেপালের পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য উন্নত দেশে আঘাত হানে।’

ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে গেছে

ভারত, নেপাল, ভুটান ও তিব্বতে গত রোববার আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে গেছে। ভূমিকম্পের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে পৌঁছাতে হিমশিম খাচ্ছেন উদ্ধার ও ত্রাণকর্মীরা। আহত ও আটকে পড়া ব্যক্তিদের হেলিকপ্টারের সাহায্যে উদ্ধার করা হচ্ছে।
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সিকিমের উত্তরাঞ্চলীয় মানগানের একটি হেলিপ্যাড থেকে খাবার ও চিকিৎসাসামগ্রী নিয়ে নিয়মিত সামরিক ও বেসামরিক হেলিকপ্টার উড়ে যাচ্ছে। প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিয়ে আহত ব্যক্তি ও বিদেশি পর্যটকদের নিয়ে ফিরে আসছে হেলিকপ্টারগুলো।
সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী পবন চামলিং বলেন, ভূমিকম্পে সিকিমে ৬৮ জন প্রাণ হারিয়েছে। তিনি বলেন, ভূমিকম্প-কবলিত অনেক গ্রামের সঙ্গে এখনো যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা যায়নি।
ভারী বর্ষণ, ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট ও ভূমিধসের কারণে দুই দিন ধরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যেতে হিমশিম খেতে হচ্ছে উদ্ধার ও ত্রাণকর্মীদের।
সিকিমের চুংটাংয়ের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এস কে প্রধান বলেন, জনবিরল গ্রামাঞ্চলের ওপর দিয়ে হেলিকপ্টারে করে যাওয়ার সময় তিনি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আলামত দেখতে পেয়েছেন। তিনি বলেন, তাঁদের প্রথম কাজ হচ্ছে আহত লোকজনকে উদ্ধার করা। এরপর তাঁরা মৃতদেহ উদ্ধারের কাজে হাত দেবেন।
চুংটাংয়ে নির্মাণাধীন একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাতা কোম্পানি জানায়, রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার এই ভূমিকম্পে তাদের ১৮ জন কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন।
ভূমিকম্পের কেন্দ্রের আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের উদ্বিগ্ন আত্মীয়স্বজনেরা মানগানে ভিড় করছে। তারা স্বজনদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা জানার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
ভারতের ক্ষমতাসীন জোটের প্রধান শরিক দল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক রাহুল গান্ধী গতকাল ভূমিকম্পবিধ্বস্ত অঞ্চল আকাশপথে পরিদর্শন করেন। এই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী পবন কুমার চামলিং। এর আগে রাহুল গান্ধী গ্যাংটকে কয়েকটি হাসপাতালে আহত লোকজনকে দেখতে যান। এদিকে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং সিকিমের মুখ্যমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছেন যে ভূমিকম্পে রাজ্যের যে ক্ষতি হয়েছে, তা পূরণ করতে কেন্দ্রীয় সরকার সব রকম সাহায্য করবে।

চীন আগামী বছর থেকে পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুমোদন দেবে

চীন আগামী বছর থেকে আবারও নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া শুরু করবে। জাপানে গত মার্চে সুনামির কারণে ফুকুশিমা পারমাণবিক কেন্দ্রে বিপর্যয়ের পর চীন নতুন প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া বন্ধ রাখে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে গতকাল বুধবার এ খবর জানানো হয়।
দ্য চায়না সিকিউরিটিজ জার্নাল-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ফুকুশিমায় বিপর্যয়ের পর চীনের সব পারমাণবিক কেন্দ্রের নিরাপত্তা-পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নতুন কেন্দ্রের অনুমোদন দেওয়া বন্ধ রাখা হয়। গত আগস্টে নিরাপত্তা-পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের কাজ শেষ হয়েছে। শিগগির তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চীন ২০১৫ সালের মধ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ৪০ গিগাবাইটে উন্নীত করার পরিকল্পনা করেছে। ২০১০ সালে যা ছিল ১০ দশমিক ৮ গিগাবাইট। বিশ্লেষকদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০২০ সালের মধ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ৮০ গিগাবাইটে উন্নীত করার পরিকল্পনা ছিল চীনের। তবে সরকার এখন ওই পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীন ২০২০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ১৫ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। বর্তমানে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে দেশটি মাত্র এক শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে।

১০ দিনের মধ্যে নতুন সরকারের নাম ঘোষণা হতে পারে

লিবিয়ার অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী মাহমুদ জিবরিল আগামী ১০ দিনের মধ্যে একটি নতুন সরকারের নাম ঘোষণা করতে পারেন। গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে গণতন্ত্রের পথে উত্তরণে আরব দেশগুলোকে সহায়তাবিষয়ক জি-৮ সম্মেলনের পর এ তিনি ব্যাপারে আভাস দেন।
গতকাল বুধবার দেশটির নতুন শাসকেরা ক্ষমতাচ্যুত নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির অনুগত সেনাদের দখলে থাকা দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর সাবহা জয় করার কথা ঘোষণা করেছেন।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে জিবরিল নিউইয়র্ক গেছেন। গাদ্দাফির পতনের পর দেশটির অন্তর্বর্তী শাসকেরা এর মধ্যে ওয়াশিংটন, আফ্রিকান ইউনিয়ন (এইউ) ও দক্ষিণ আফ্রিকার সমর্থন পেয়েছে। এই প্রথম জাতিসংঘে ওড়ানো হয়েছে লিবিয়ার নতুন পতাকা।
জিবরিল বলেন, ‘আশা করছি, পরের সপ্তাহে নতুন সরকারের নাম ঘোষণা করা হবে। এতে বড়জোর ১০ দিন সময় লাগতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘জাতীয় মতৈক্যের কথা বলে আমি এখন আর সময় নষ্ট করতে চাই না।’
এর আগে সব কূল রক্ষা করে লিবিয়ায় একটি অধিক কার্যকর অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের আলোচনা সফল হয়নি। বিদ্রোহীদের প্রতিষ্ঠিত জাতীয় অন্তর্বর্তী পরিষদ (এনটিসি) এখনো পূর্বাঞ্চলীয় নগর বেনগাজিভিত্তিক। দেশের বিভক্ত উপজাতি ও স্থানীয় জনগণকে এককাতারে নিয়ে আসার ব্যাপারে তারা প্রশ্নের সম্মুখীন। গাদ্দাফি-পরবর্তী নতুন যারা ক্ষমতায় এসেছে, অনেক কাজ পড়ে আছে তাদের সামনে। এখনো কয়েকটি শহরে অস্ত্রে সুসজ্জিত গাদ্দাফির অনুগত সেনাদের সঙ্গে লড়তে হচ্ছে তাদের। নতুন সংবিধান লেখার কাজ শুরুই হয়নি। পড়ে আছে নির্বাচনের মতো বিশাল আয়োজন।
জিবরিল বলেন, অন্তর্বর্তী নেতারা এখন যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন, এর মধ্যে নতুন সরকারে মন্ত্রণালয়ের সংখ্যার বিষয়টি রয়েছে। এই সরকার ত্রিপোলিকেন্দ্রিক হবে, নাকি মন্ত্রণালয় দেশের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে ভাগ করে দেওয়া হবে, এ নিয়েও চলছে আলোচনা। তিনি বলেন, তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেকের সদস্য এই দেশের ভাবমূর্তি আরও স্বচ্ছ করে তুলতে কিছু গণতান্ত্রিক উন্নয়ন ঘটানো হবে।
এইউর নেতারা লিবিয়ার অন্তর্বর্তী নতুন শাসকদের স্বীকৃতি দেওয়ায় ক্ষমতাচ্যুত গাদ্দাফির ওপর থেকে আরেকটি বড় ধরনের কূটনৈতিক সমর্থন সরে গেল। গত মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এইউ লিবিয়ার এনটিসিকে সমর্থন দেওয়ার কথা জানায়। বিবৃতিতে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনে সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেওয়া হয়।
লিবিয়ার সবচেয়ে বড় মরু শহর সাবহার এনটিসি প্রতিনিধি আবদেল মাজিদ সাইফ এনাসর বলেন, ‘আমরা সাবহা নগরের পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়েছি।’ এক লাখ মানুষের শহর সাবহা ছিল গাদ্দাফির অনুগত ও স্বজনদের নিয়ন্ত্রণে।

এইচআইভিকে অকার্যকর করার উপায় খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা

এইডস রোগের জন্য দায়ী এইচআইভির হাত থেকে মানবদেহের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধক্ষমতা রক্ষা করার উপায় খুঁজে পেয়েছেন যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানী। তাঁদের ধারণা, এটি মরণব্যাধি এইডস প্রতিরোধে টীকা তৈরির দ্বার খুলে দেবে।
যুক্তরাজ্যের ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন এবং যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা এই সাফল্য পেয়েছেন। তাঁদের গবেষণার ফল গত সোমবার ব্লাড চিকিৎসা সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকেরা বলেছেন, এইচআইভির ঝিল্লি থেকে কোলেস্টেরল অপসারণ করা হলে ভাইরাসটি মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ পদ্ধতিকে ধ্বংস করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এইচআইভির বিস্তার ঠেকাতে একটি কার্যকর টিকা তৈরির জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চললেও নানা কারণে বিশেষ অগ্রগতি হয়নি।
গবেষকদলের প্রধান ইম্পেরিয়াল কলেজের আদ্রিয়ানো বোয়াসো বলেন, ‘এই প্রক্রিয়াটিকে একটি সেনাদলের সঙ্গে তুলনা করা যায়, যারা অস্ত্র হারিয়েছে, কিন্তু হাতে পতাকা রয়েছে। এতে প্রতিপক্ষের সেনারা তাদের শনাক্ত ও আক্রমণ করতে পারে।’
সাধারণত, কেউ এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তার দেহের সহজাত রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা তাৎক্ষণিকভাবেই প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করে। এই সময়ে এইচআইভি দেহের প্রতিরোধব্যবস্থাকে অতিমাত্রায় ব্যস্ত করে তোলে, যার কারণে প্রতিরোধব্যবস্থা পরবর্তী ধাপে দুর্বল হয়ে পড়ে।
গবেষকেরা ভাইরাসের ঝিল্লি অপসারণ করার পর দেখতে পান, এইচআইভি আগে যেভাবে দেহের সহজাত প্রতিরোধব্যবস্থাকে ব্যতিব্যস্ত করে তুলছিল, সেটি আর ঘটছে না। ফলে একটি শক্তিশালী প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে ওঠে।
উল্লেখ্য, এইচআইভির কারণে দেহের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়লে এইডস হয়েছে ধরা হয়। প্রতিবছর বিশ্বে ১৮ লাখ মানুষ এইডসে মারা যায়। বর্তমানে বিশ্বের তিন কোটি ৩৩ লাখ লোক এইডস রোগের জন্য দায়ী এইচআইভি বাহক।

উইন্ডিজ সিরিজের টিকিটের মূল্য

বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের টিকিটের দাম নির্ধারণ করেছে বিসিবি। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে একমাত্র টি-টোয়েন্টি ও দুটি ওয়ানডের জন্য গ্র্যান্ডস্ট্যান্ড হসপিটালিটি বক্সের দাম ৫০০০ টাকা, বিসিবি হসপিটালিটি বক্স ৩০০০, ভিআইপি গ্র্যান্ডস্ট্যান্ড ১০০০, আন্তর্জাতিক গ্যালারি ৩০০, শহীদ মুশতাক ও শহীদ জুয়েল স্ট্যান্ড ২০০, উত্তর ও দক্ষিণ গ্যালারি ১০০ এবং পূর্ব গ্যালারি ৫০ টাকা। মিরপুরে দ্বিতীয় টেস্টের টিকিটের দাম গ্র্যান্ডস্ট্যান্ড হসপিটালিটি বক্স ৩০০০ টাকা, বিসিবি হসপিটালিটি বক্স ২০০০, ভিআইপি গ্র্যান্ডস্ট্যান্ড ৫০০, আন্তর্জাতিক গ্যালারি ৭৫, শহীদ মুশতাক ও শহীদ জুয়েল স্ট্যান্ড ৫০, উত্তর ও দক্ষিণ গ্যালারি ৩০ এবং পূর্ব গ্যালারি ২০ টাকা। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ওয়ানডের টিকিটের দাম হসপিটালিটি বক্স ৫০০০, গ্র্যান্ডস্ট্যান্ড ১০০০, আন্তর্জাতিক গ্যালারি ৩০০, ক্লাব হাউস ২০০, উত্তর ও দক্ষিণ গ্যালারি ৫০ টাকা। আর চট্টগ্রামে টেস্টের জন্য হসপিটালিটি বক্স ৩০০০, গ্র্যান্ডস্ট্যান্ড ৫০০, আন্তর্জাতিক গ্যালারি ৭৫, ক্লাব হাউস ৫০, উত্তর ও দক্ষিণ গ্যালারি ২০ টাকা।

সাকিবদের লক্ষ্য ১৬৭ রান

প্রথম ম্যাচে বোলিং পেয়েছিলেন ৬ নম্বরে। সাকিব আল হাসানকে কাল আনা হলো পাওয়ার প্লের ভেতরেই। ওই ওভারে দিয়েছেন ৫ রান। তবে প্রথম ম্যাচের মতো কালও তাঁকে পুরো ওভার বোলিং করানো হয়নি। ৩ ওভারে ২০ রান পাননি কোনো উইকেট। মূলপর্বে খেলতে হলে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে করতে হবে ১৬৭ রান।
পিটার ট্রেগোর ৭০ ও রোয়েলফ ফন ডার মার উইয়ের ৪০ রান সমারসেটকে এনে দিয়েছে ১৬৬। এই ম্যাচের জয়ী দল উঠে যাবে মূল পর্বে। হেরে যাওয়া দল আর রুহুনা রাইনোজের মাঝে যে দলের রানরেট ভালো হবে, তারাও উঠবে মূল পর্বে। কাল প্রথম ম্যাচে লিস্টারশায়ারকে ৪ রানে হারিয়েছে রুহুনা।

প্রিমিয়ার কাবাডি

প্রিমিয়ার কাবাডি লিগ থেকে প্রথম বিভাগে নেমে গেল যাত্রাবাড়ী ফারুক স্মৃতি সংসদ। কাল রানার কাবাডি লিগে মোজাফফর স্মৃতি সংসদের কাছে ৩৬-৪১ পয়েন্টে হেরে গেছে তারা। জুরাইন জনতা ৫৫-৪৪ পয়েন্টে মোজাফফর স্মৃতি সংসদকে, দিলকুশা স্পোর্টিং ৫৬-১৭ পয়েন্টে যাত্রাবাড়ী ফারুক স্মৃতি সংসদকে হারায়।

আবার পাকিস্তানের গ্রুপে বাংলাদেশ

গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো ২০১২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানকে পেল বাংলাদেশ। ‘ডি’ গ্রুপে এই দুই দলের সঙ্গী নিউজিল্যান্ড। আগামী বছর ১৮ সেপ্টেম্বর হাম্বানটোটায় টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ২১ সেপ্টেম্বর পাল্লেকেলেতে, ২৫ সেপ্টেম্বর একই ভেন্যুতে দ্বিতীয় ম্যাচ পাকিস্তানের বিপক্ষে। ২০০৭ সালে জোহানেসবার্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অভিষেক হয়েছিল বাংলাদেশের, কিন্তু পরে ৮টি ম্যাচ খেলে জয় নেই একটিও।
প্রাথমিক পর্বে চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে ১২টি দল। প্রতি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল উঠবে সুপার এইটে। সেখানে দুই গ্রুপে খেলবে চারটি করে দল। প্রতি গ্রুপের সেরা দুই দল উঠবে সেমিফাইনালে। ৭ অক্টোবর ফাইনাল কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে। ১০টি টেস্ট দলের সঙ্গে টুর্নামেন্টে খেলবে বাছাইপর্বের শীর্ষ দুই দল। ১৬ দেশকে নিয়ে বাছাইপর্ব হবে আগামী বছরের শুরুতে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে।
মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও চলবে একই সঙ্গে। মেয়েদের টুর্নামেন্ট শুরু ২৬ সেপ্টেম্বর, প্রাথমিক পর্বের সবগুলো ম্যাচই হবে গলে। ছেলেদের সেমিফাইনাল ও ফাইনালের সঙ্গে একই দিনে ও একই ভেন্যুতে হবে মেয়েদের সেমিফাইনাল ও ফাইনাল। মেয়েদের বিশ্বকাপে খেলবে ৮ দল। গ্রুপ ‘এ’তে অস্ট্রেলিয়া, ভারত, ইংল্যান্ড ও বাছাইপর্ব পেরোনো একটি দল। গ্রুপ ‘বি’তে বাছাইপর্ব উতরানো আরেক দলের সঙ্গে আছে নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কা।

ওয়েনের জোড়া গোল, অবিচলিত ওয়েঙ্গার

পাঁচ ম্যাচের তিনটিতেই হার। এর মধ্যে আছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কাছে ৮-২ গোলের লজ্জা। আছে ব্ল্যাকবার্ন রোভার্সের মতো নিচু সারির দলের কাছে পরাজয়ের কলঙ্ক। আর্সেনাল পরশু লিগ কাপের (কার্লিং কাপ) তৃতীয় রাউন্ডের ম্যাচেও গোল খেয়ে বসে প্রথমেই। মনে হচ্ছিল আর্সেন ওয়েঙ্গারের চাকরিটা বুঝি গেল! না, শেষ পর্যন্ত ওয়েঙ্গারের চাকরিটা সংশয়ের মুখে পড়েনি। প্রথমে পিছিয়ে পড়েও আর্সেনাল শেষ পর্যন্ত মাঠ ছেড়েছে স্রুসবুরির বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয় নিয়ে।
লিগের শতভাগ জয়ের ধারা বজায় রেখে পরশু কাপেও জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। মাইকেল ওয়েনের জোড়া গোলে ফার্গুসনের দল পুরোনো প্রতিপক্ষ লিডসকে হারিয়েছে ৩-০ গোলে। তৃতীয় রাউন্ড পেরিয়ে চতুর্থ রাউন্ডে যাওয়ার পথে পরশু জয় পেয়েছে ব্ল্যাকবার্ন, বোল্টন, বার্নলি, নিউক্যাসল, স্টোক সিটিও।
লিগে পাঁচ ম্যাচে মাত্র ৪ পয়েন্ট—বিগত ৫৮ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বাজে শুরু করায় আর্সেনাল কোচ রয়েছেন সমর্থক-সমালোচকদের তোপের মুখে। এই ফরাসিকে বরখাস্ত করার ডাক পর্যন্ত দিয়েছেন কেউ কেউ। অনেকে মনে করেছিলেন, আর্সেনাল কর্তৃপক্ষের আস্থা হারাচ্ছেন ওয়েঙ্গার। কিন্তু ক্লাবটির প্রধান নির্বাহী ইভান গাজিডিস ওয়েঙ্গারেই তাঁর আস্থা ব্যক্ত করেছেন।
আর ওয়েঙ্গার বলছেন, ভবিষ্যত্ নিয়ে মানুষের কথায় তিনি কখনোই কান দেন না! কান যে দেন না, সেটা স্পষ্ট তাঁর পরের কথাতেই, ‘আমি এখানে ১৪ বছর ধরে আছি এবং এই ১৪ বছরই দলকে চ্যাম্পিয়নস লিগে নিয়ে গেছি। আশা করি, আরও ১৪ বছর থাকব।’
তাঁর লক্ষ্য বরং একটাই, সমস্যা-আক্রান্ত দলটির পুনর্গঠন। আর এ পথে তারুণ্যেই তাঁর আস্থা। পরশু নিজেদের মাঠে স্রুসবুরির বিপক্ষে লিগ কাপের ম্যাচেও তিনি নামিয়ে দিয়েছিলেন তরুণদেরই। তারাই তাঁর মুখরক্ষা করেছে।
ম্যাচের ১৬ মিনিটেই স্রুসবুরিকে এগিয়ে দেন জেমস কলিন্স। ৩৩ মিনিটে আর্সেনালকে সমতায় ফেরান ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-২১ দলের ডিফেন্ডার কাইরান গিবস। ৫৮ মিনিটে ২৫ গজ দূর থেকে দারুণ এক গোল করে এগিয়ে দেন তরুণ উইঙ্গার অ্যালেক্স অক্সলাডে-চেম্বারলেইন। ৭৮ মিনিটে জয় নিশ্চিত করেছেন চেলসি থেকে ধারে আসা ইসরায়েলি স্ট্রাইকার ইয়োসি বেনায়ুন।
ম্যানইউর ৩ গোলের দুটিই করেছেন ওয়েন। অন্যটি রায়ান গিগস। দীর্ঘদিন পর ম্যানইউর শুরুর একাদশে নেমেই জোড়া গোল, ৩১ বছর বয়সী ওয়েনের কণ্ঠে ঝরছে উচ্ছ্বাস, ‘আমি সব সময়ই খেলতে চাই।

ম্যারাডোনার কথা শোনেনি রিয়াল

নেইমারের পিছে মরীচিকার মতো ঘুরে লাভ নেই। তার চেয়ে রিয়াল মাদ্রিদ সার্জিও আগুয়েরোকে সই করিয়ে ফেলুক। এই পরামর্শ দিয়েছিলেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা। তাঁর জামাই দীর্ঘদিন রিয়ালেরই প্রতিবেশী অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদে খেলে এই মৌসুমে পাড়ি জমিয়েছেন ইংল্যান্ডে। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে লিগে ৫ ম্যাচেই করেছেন ৮ গোল। কিন্তু ম্যারাডোনার সুপরামর্শ কানে তোলেনি রিয়াল।
ম্যারাডোনার পরামর্শেই আগুয়েরো সিটিতে নাম লিখিয়েছেন, এই তথ্য আগেই জানা। ম্যারাডোনা এখন বলছেন, সিটির আগে জামাইয়ের নতুন গন্তব্য হিসেবে তাঁর পছন্দ ছিল রিয়ালই, ‘আমি আসলে রিয়াল মাদ্রিদকে পরামর্শ দিয়েছিলাম আগুয়েরোকে সই করাতে। আমার মনে হয়েছিল, ওদের দলে বেশ ভালোভাবে মানিয়ে নেবে আগুয়েরো, রিয়ালও আরও শক্তিশালী দল হয়ে উঠবে। এতে তাদের মানও হবে বার্সেলোনার পর্যায়ের। কিন্তু তারা সেটা করেনি।’
তাঁর কথা না শোনায় রিয়ালের ক্ষতিই হয়েছে বলে মনে করেন ম্যারাডোনা, ‘আমি মনে করি, এতে রিয়ালেরই ক্ষতি হয়েছে। এখন তো আমরা দেখতেই পাচ্ছি ওর স্কিল কতটা দুর্দান্ত। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে মাঠে নামলেই গোল করছে। আমি নিশ্চিত, ওর মতো খেলোয়াড় পেয়ে ম্যানচেস্টার সিটি দারুণ খুশি। আর ওর মতো জামাই পেয়ে আমিও খুশি।’
এদিকে মুখে নেইমার যতই বলুন রিয়ালে যাওয়ার জন্য তাঁর তাড়া নেই, ভেতরে ভেতরে কিন্তু অন্য রকম খবরই আসছে। কদিন আগে যেমন শোনা গিয়েছিল, ব্রাজিলেই নেইমার রিয়ালের জন্য স্বাস্থ্যপরীক্ষা দিয়েছিলেন। পরে নেইমার ওই গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, রিয়ালের জন্য নয়, তিনি গিয়েছিলেন নিজের ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে। কিন্তু ওই স্বাস্থ্যপরীক্ষায় উপস্থিত করিন্থিয়ানসের চিকিত্সক জোয়াকিম গ্রাভা আবার নতুন তথ্য দিলেন। জানালেন, স্বাস্থ্যপরীক্ষায় রিয়ালের চিকিত্সকেরাও ছিল। তবে রিয়াল নয়, এই স্বাস্থ্যপরীক্ষার আয়োজন করেছিল একটি বিমা কোম্পানি।

সততাই বড় শক্তি মুশফিকের

খুব ভালো একটা ছেলে—মুশফিকুর রহিমকে যারা চেনে, তার সম্পর্কে বলতে গেলে সবার আগে বলবে এ কথাটিই। এ রকম ছেলে কমই আছে। তবে অধিনায়ক হিসেবে মুশফিক কেমন হবে, এখনই বলতে পারব না। ও অনূর্ধ্ব-১৭ দলের, অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়কত্ব করেছে। জাতীয় দলের সহ-অধিনায়ক ছিল। অভিজ্ঞতা যেহেতু আছে, মুশফিকের জন্য কাজটা অনেক সহজ হবে। অধিনায়ক হওয়ার দৌড়ে এ দিক দিয়েই এগিয়ে ছিল ও।
আপাতত দুটি সিরিজের জন্য অধিনায়কত্ব পেয়েছে মুশফিক এবং দুটি সিরিজই মোটামুটি বড় দলের বিপক্ষে। জিম্বাবুয়ে সিরিজে হারলেও আমাদের কিছু খেলোয়াড় ভালো করেছে। সামনের দুই সিরিজে আরও ভালো ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স থাকতে হবে। আমার বিশ্বাস, অলক কাপালি দলে থাকবে। এ রকম আরও কয়েকজন খেলোয়াড় দলে পেলে মুশফিকের জন্য ভালো হবে। শুধু অধিনায়কের নেতৃত্বগুণ দিয়েই তো আর সাফল্য আসবে না, সবাইকেই ভালো পারফর্ম করতে হবে।
টিমম্যান হিসেবে মুশফিক দারুণ। সবার সঙ্গে মিলেমিশে থাকে। মুশফিক জাতীয় দলে এসেছে অনেক কম বয়সে। দেখতে ছোটখাটো। ওকে নিয়ে তাই দলের মধ্যে অনেক দুষ্টুমি হয়। আমি নিজেও অনেক দুষ্টুমি করি। ভালো টিমম্যান বলেই মুশফিকও সব সময় এগুলো দুষ্টুমি হিসেবেই নিয়েছে। তবে ও এখন অধিনায়ক। আমার বিশ্বাস, দলের সবাই তাকে তার প্রাপ্য সম্মানটুকু দেবে।
আমি খুব অল্প সময়ের জন্য জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব করেছি। আমার দলে সিনিয়র খেলোয়াড়দের মধ্যে আশরাফুল ছিল, এর পরই ছিল সাকিব-তামিম-মুশফিক। দলের অনেক বিষয়েই তাদের সঙ্গে আলাপ করতাম। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্ব দিতাম মুশফিকের কথাকে। ও দলের উইকেটকিপার। কোন বোলার ভালো বল করছে, কোন বোলার খারাপ করছে—এসব বোঝা অনেক সহজ কিপারদের জন্য। প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদেরও সে অনেক কাছ থেকে দেখে। একেক ব্যাটসম্যান একেক রকম ফুটওয়ার্ক নিয়ে খেলে। কোন ব্যাটসম্যানের সময় কোন বোলার আনতে হবে, সেটাও ভালো বুঝতে পারে। মুশফিক অধিনায়ক হওয়ায় বোধ হয় এদিক দিয়েই বেশি ভালো হলো দলের।
দলে এখন যারা আছে, তাদের মধ্যে অধিনায়ক হিসেবে মুশফিকই সেরা পছন্দ ছিল। ভালো ছেলে। নিজের খেলা, নিজের কাজ ও পরিশ্রমের প্রতি সত্। সততাই সবচেয়ে বড় শক্তি ওর। আর ব্যক্তিগত জীবনটাও যথেষ্ট সুশৃঙ্খল। এদিক দিয়েও মুশফিককে অধিনায়ক করা ভালো সিদ্ধান্ত। এখন ও ভালো করবে কি না, সেটা সময়ই বলবে।
তবে মুশফিকের ভালো অধিনায়ক হওয়াটা শুধু তার ওপরই নির্ভর করছে না, দলের সবাই তাকে কীভাবে সমর্থন করবে, সেটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। আগেই বলেছি, খেলোয়াড় মুশফিকের সঙ্গে দলের সবার সম্পর্কই অন্য রকম। কিন্তু অধিনায়ক মুশফিককে শ্রদ্ধাও করতে হবে আমাদের। দলের আরও যে ১৪-১৫ জন খেলোয়াড় থাকবে, তাদের দায়িত্ব হচ্ছে মুশফিককে অধিনায়কের মর্যাদা দেওয়া। সে যে নির্দেশ দেবে, সেটা পালন করা। আর মুশফিককেও যেভাবেই হোক, দলের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ওর উচিত হবে কে কী বলল, ভাবল—সেসব না ভেবে নিজের কাজটা চালিয়ে যাওয়া। তার যেটা ভালো মনে হবে, সেটাই করা উচিত। কেউ কথা না শুনলে সে-ই পস্তাবে, মুশফিকের কিছু হবে না।
মুশফিককে আমি অধিনায়ক হিসেবে দেখিনি, তবে ওর নেতৃত্বগুণের প্রমাণ অনেকবারই পেয়েছি। দুই-আড়াই বছর ধরে মুশফিক দলে অন্য খেলোয়াড়দের সঙ্গে অনেক কথা বলেছে। অধিনায়ক থাকার সময় আমি অনেক কিছুই ওর ওপর ছেড়ে দিয়েছিলাম। ও নিজেও অনেক কিছু বলত। আর মাঠে তো অসাধারণ! সবাইকে চাঙা রাখে। মাঠের বাইরের জীবনের কারণে মুশফিক অনেকের রোল মডেলও হতে পারে। বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে অনুশীলনে সম্ভবত মুশফিকই সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম করে।
মুশফিক ডেপুটি হিসেবে পেয়েছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে। রিয়াদ নেতৃত্বে একেবারেই নতুন। তবে আমার মনে হয়, এই মুহূর্তে রিয়াদ ছাড়া আর কেউ ছিলই না। জিম্বাবুয়ে সিরিজে পারফর্ম করতে না পারলেও রিয়াদ ভালো ক্রিকেটার। নতুন দায়িত্বে সে খারাপ করবে না। আমরা জানি, মুশফিক-রিয়াদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক খুবই ভালো। মাঠের বাইরেও তারা ভালো বন্ধু। দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে অধিনায়ক আর সহ-অধিনায়কের এই বোঝাপড়া ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে আশা করি।

মাহমুদের সহ-অধিনায়কত্ব উদযাপন

আলোর আকর্ষণ এ দেশে অদ্ভুত। ফ্লাডলাইটের আকর্ষণ তো আরও বেশি। খেলা যা-ই হোক, সেটা ফ্লাডলাইটের আলোয় হলে গ্যালারিতে দর্শক থাকবেই। কালও যেমন ক্রিকেট আর আলোর টানে আসা হাজার দশেক দর্শক মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য বিসিবি কাপের ফাইনালে আলো-টালো ছাপিয়ে ক্রিকেটটাই বড় হয়ে উঠল। দর্শকেরা বাড়ি ফিরে গেলে ক্রিকেটীয় বিনোদনের স্বাদ নিয়েই।
বাংলাদেশ দল আক্ষরিক অর্থেই জাতীয় দল। আর বাংলাদেশ ‘এ’ দল জাতীয় দলের দুই-তিনজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে দ্বিতীয় সারির খেলোয়াড়েরা। বাংলাদেশ দল ১৮৫ রানে অলআউট হয়ে যাওয়ার পর ম্যাড়ম্যাড়ে আর একপেশে একটা ফাইনালের সম্ভাবনা জেগেছিল। তখন কে জানত, এমন নাটক নিয়ে অপেক্ষা করছে এই ম্যাচ! একদিন আগে জাতীয় দলের সহ-অধিনায়কত্ব পাওয়া মাহমদুউল্লাহর কাছেই হেরে গেল জাতীয় দলের নতুন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের বাংলাদেশ। ‘এ’ দলকে ৪ উইকেটে জিতিয়ে শুধু মুশফিককেই অবশ্য নয়, মাহমুদউল্লাহ এ ম্যাচে হারিয়ে দিয়েছেন অলক কাপালিকেও।
৭৪ রানে ৫ উইকেট হারানোর পরও বাংলাদেশ দল যে লড়াই করার মোটামুটি একটা পুঁজি (১৮৫) দাঁড় করাতে পেরেছিল, সেটা অলকের ৭৭ বলে ৬৮ রানের ইনিংসের সৌজন্যেই। ইনিংসে ১০টি বাউন্ডারি, বেশির ভাগই মিড উইকেট আর লং অন দিয়ে। ফরহাদের বলে পরপর দুটি বাউন্ডারি মেরে করেছেন ফিফটি। ১০৯ রানে ৬ উইকেট পড়ার পর সপ্তম উইকেটে সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে অলকের ৭৫ রানের জুটিটিই ম্যাচটাকে একপেশে হওয়ার হাত থেকে বাঁচাল। অন্যথায় ফরহাদের বলে লং অনে শাহাদাতের হাতে ক্যাচ দিয়ে তামিমের আউট দিয়ে যে বিপর্যয়ের শুরু, সেটা বড় লজ্জায় ডোবার ইঙ্গিত দিচ্ছিল বাংলাদেশ দলকে। ৩৯ রানে প্রথম উইকেট, রাসেল ও ফরহাদকে মিড উইকেট ও লং অন দিয়ে দুই ছক্কা মারা আরেক ওপেনার ইমরুল কায়েসও উইকেটে সেট হয়ে ইলিয়াস সানির বলে স্টাম্পড। ৭১ থেকে ৭৪—মাত্র ৩ রানের ব্যবধানে আশরাফুল, শুভাগত ও মুশফিক আউট হয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশকে ম্যাচে রেখেছে অলকের ওই ইনিংসই।
বাংলাদেশ, মুশফিক, অলক—মাহমুদউল্লাহ হারিয়ে দিলেন সবাইকেই। শাহাদাতের বলে মুশফিকের তুলে দেওয়া ক্যাচটা মিড অন থেকে দৌড়ে যেভাবে ওয়াইডিশ মিড উইকেটে গিয়ে ধরলেন মাহমুদউল্লাহ, এ রকম ক্যাচ খুব কমই দেখেছে শেরেবাংলা স্টেডিয়াম। তবে মাহমুদউল্লাহ আসল কাজটা করেছেন ব্যাট হাতে। সগীর, শামসুর, জুনায়েদ—মাত্র ৬ রানে ওপরের তিন ব্যাটসম্যানই ফিরে যাওয়ার পর রকিবুল আর নাদিফের সঙ্গে দুটি জুটিতেই ম্যাচ বের করে আনেন অধিনায়ক। চতুর্থ উইকেটে রকিবুলের সঙ্গে ৬৩ ও পঞ্চম উইকেটে নাদিফের সঙ্গে ৭১। তবে এক ওভার বাকি থাকতে ফিনিশিংটা দিয়েছেন ফরহাদকে নিয়ে। ফরহাদের কৃতিত্বও কম নয় তাতে। শেষ আট বলে যখন ৯ রান দরকার, রুবেলের পরপর দুই বলে বাউন্ডারি ও ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করে দিয়েছেন তিনিই। তবে অপরাজিত ৭৮ রানের সঙ্গে ১টি উইকেট ও দুর্দান্ত ওই ক্যাচ—ম্যাচটা আসলে মাহমুদউল্লাহরই।
সহ-অধিনায়কত্বটা এর চেয়ে ভালোভাবে আর উদ্যাপন করতে পারতেন না তিনি!
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ: ৪৬ ওভারে ১৮৫ (তামিম ১৯, ইমরুল ২৬, আশরাফুল ১২, মুশফিক ৫, শুভাগত ০, অলক ৬৮, নাসির ১২, সোহরাওয়ার্দী ২৬, রাজ্জাক ২, নাজমুল ১*, রুবেল ০; রাসেল ১০-১-৪৩-০, ফরহাদ ৯-০-৫৪-৩, ইলিয়াস ৮-০-১৩-২, শাহাদাত ৮-০-৪৬-২, সাকলাইন ৬-১-১৭-২, মাহমুদউল্লাহ ৫-০-১১-১)।
বাংলাদেশ ‘এ’: ৪৯ ওভারে ১৮৭/৬ (জুনায়েদ ৪, সগীর ০, শামসুর ১, রকিবুল ৩২, মাহমুদউল্লাহ ৭৮*, নাদিফ ২৬, ইলিয়াস ৩, ফরহাদ ২৭*; রুবেল ১০-২-৩৬-২, রাজ্জাক ১০-১-৩৬-১, সোহরাওয়ার্দী ১০-০-৩৪-০, নাজমুল ৯-১-৩৮-০, নাসির ৪-০-১৯-০, অলক ৬-০-২২-২)।
ফল: বাংলাদেশ ‘এ’ ৪ উইকেটে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: মাহমুদউল্লাহ।