Thursday, October 29, 2015
ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না: নজরুল
আজ বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে যুবদলের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটির পক্ষ থেকে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সরকারের উদ্দেশে নজরুল ইসলাম খান বলেন, সাঁড়াশি আক্রমণের শিকার বিএনপি নেতৃবৃন্দ। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে বিএনপির বিজয় ঠেকাতে পারবে নাÑ এমন বাস্তবতা জেনে বিএনপি নেতাদের ওপর তারা চড়াও হয়েছে। প্রথমে ঢাকার সংসদ সদস্য নির্বাচন করা লোকদের ধরে ধরে মামলা দিচ্ছে। ঢাকার সাবেক মেয়র খোকাকে দ- দিয়েছে। হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, আবদুল কাইয়ুমকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর চক্রান্ত চলছে। এখন অনেক লোক সন্দেহ করে, বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে প্রমাণ করা যায়নি বলে এইসব মামলায় জড়িয়ে তাদের সন্ত্রাসী দল হিসেবে প্রমাণ করতে চায় সরকার। বিএনপির সিনিয়র এই নেতা বলেন, আমরা সব হত্যার বিচার চাই। এমনকি বিএনপি নেতাদের হত্যাকারীদেরও বিচার চাই। তবে এই বিচার সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হতে হবে।
‘জাতীয়তাবাদী শক্তির সঙ্গেই থাকবেন সমশের মবিন’
এদিকে বিএনপির ভাইস চেয়াম্যান সমশের মবিন চৌধুরী রাজনীতি থেকে অবসর নিলেও জাতীয়তাবাদী শক্তির সঙ্গেই থাকবেন বলে মন্তব্য করে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, মানুষের যেমন রাজনীতি করার অধিকার আছে, তেমনি না করারও অধিকার আছে। তাই তার পদত্যাগের বিষয়ে আমি ভালও বলবো না, আবার মন্দও বলবো না। তবে প্রত্যাশা করি জাতির ক্রান্তিকালে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে তিনি বিচ্ছিন্ন থাকবেন না। জাতীয়তাবাদী শক্তির সঙ্গেই থাকবেন। গয়েশ্বর রায় বলেন, ক্ষমতাসীনরা গত ৫ই জানুয়ারির চেয়ে আরও জঘন্য নির্বাচন করার পরিকল্পনা করছে। এই পরিকল্পনা সফল করতে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার মতো আরও অনেক নেতাকে দ- দেয়া হতে পারে। তিনি বলেন, সাদেক হোসেন খোকা আদালত থেকে অনুমতি নিয়ে চিকিৎসার জন্য বিদেশ গেছেন। কিন্তু তাকে পলাতক দেখিয়ে রায় দেয়া হলো। তাহলে বিষয়টি কি আদালত অবমাননার শামিল হলো না? সরকারকে মানুষের আস্থা অর্জনের পরামর্শ দিয়ে বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, বিএনপি নির্মূল করার চেষ্টা যত করবেন ততই ধীরে ধীরে ডায়াবেটিস রোগীর মতো আপনার কিডনি অকোজো হয়ে মারা যাবেন। যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুস সালাম আজাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ক ম মোজাম্মেল হকসহ সংগঠনটির নেতারা বক্তব্য রাখেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিদ্যুৎ নিশ্চিত করলে বিনিয়োগ হবে -হোসেন খালেদ
![]() |
| হোসেন খালেদ |
কিন্তু এত সব সহায়ক অবস্থা সত্ত্বেও দেশে বিনিয়োগ হচ্ছে না। এর বড় কারণ হলো বিদ্যুতের সংযোগ না পাওয়া। যেটা বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে যথার্থভাবেই উঠে এসেছে।
সরকারের পক্ষ থেকে যতই বলা হোক না কেন, বিদ্যুতের সংযোগ এখনো সেভাবে দেওয়া হচ্ছে না। এত দিন আমরা ক্যাপটিভ বিদ্যুৎকেন্দ্র দিয়ে চলতাম। এখন তো তাতেও সমস্যা হচ্ছে। আমার নিজের একটি কারখানার জন্য দেড় বছর আগে গ্যাস-বিদ্যুতের সংযোগ চেয়ে আবেদন করেছিলাম। পরে বলা হলো গ্যাস দেওয়া হবে না, বিদ্যুৎ দেওয়া হবে। কিন্তু গ্যাস তো পেলামই না, বিদ্যুৎও পেলাম না। অবশ্য যাদের সরকারের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক আছে তারা বিদ্যুৎ সংযোগ পাচ্ছে। যেমন তৈরি পোশাকশিল্প। কিন্তু পোশাকশিল্পই তো সবকিছু নয়। দেশে আরও অনেক শিল্প খাত আছে।
দেশে অরাজক পরিস্থিতিই থাকুক কিংবা ভালো পরিস্থিতি থাকুক, আমরা ব্যবসায়ীরা সব সময়ই চাই দেশে বিনিয়োগ করতে। ব্যাংকগুলোও টাকা নিয়ে বসে আছে। কিন্তু গ্যাস-বিদ্যুতের জন্য তো আমরা বিনিয়োগ করতে পারছি না।
এ অবস্থায় দেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য যেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সেটা হলো, ব্যবসা করার সঙ্গে সম্পর্কিত সব পদ্ধতি সহজ করা। দ্বিতীয়ত, সরকার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। এতে আমাদের খরচ বেড়ে যাচ্ছে। আমরা ধরেই নিয়েছি ‘নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো’। তাই দাম বেশি হোক, কিন্তু বিদ্যুতের সংযোগটা নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই বিনিয়োগ হবে।
সভাপতি, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে ৯ কারণে মুখের ত্বকে ভাজ পড়ে
প্রশ্ন হচ্ছে: এর জন্য কী করতে হবে। কঠিন কিছু না। ত্বকের যত্নে নিয়মিত আমাদের কিছু কাজ করতে হবে এবং কিছু কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
আমাদের অনেকে কথা কথায় ভুরু কুঁচকাতে পছন্দ করি। কেউ ইচ্ছায় ভুরু কোঁচকাই, কেউবা মনের অজান্তে। উভয়ক্ষেত্রেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় কিন্তু আপনার ত্বক। ভুরু কুঁচকালে, বিশেষ করে কপালের ত্বকে ভাজ সৃষ্টি হয়। এ সাময়িক ভাজ পরবর্তী কালে স্থায়ী ভাজে পরিণত হয়। তা-ই আজ থেকে আর ভুরু কুঁচকানো নয়। আপনার প্রতিক্রিয়া অন্যভাবে প্রকাশ করুন।
বলা হয়ে থাকে, যারা হাসিখুশী থাকেন, তাদের বয়স সবসময় ১০ বছর কম মনে হয়। ভুরু কোঁচকানো হচ্ছে বিরক্তির বহিঃপ্রকাশ। আমরা বিরক্তি প্রকাশ না-করে, নিজের ভেতরে রাখার চেষ্টা করি এবং হাসিখুশী ভাব বজায় রাখি। হুম, বিরক্ত হলেও তার ভুরু কুঁচকে প্রকাশ না-করতেই বলছি আমরা। এটাকে কৃত্রিম মনে হচ্ছে? হোক না! আমাদের ত্বকের সুস্বাস্থ্যের জন্য এটুকু কৃত্রিমতা মেনে নিতে চাই আমরা।
তো, অসময়ে ত্বকে ভাজ পড়ার আরেকটি কারণ হচ্ছে রাত জেগে কম্পিউটারে কাজ করা। রাত জাগা এমনিতেই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এর ওপরে যদি যুক্ত হয় কম্পিউটার থেকে নির্গত ক্ষতিকর রশ্মি, তাহলে তো কথাই নেই! বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাত জেগে কম্পিউটারে যারা কাজ করেন, তাদের মুখের ত্বকে অসময়ে ভাজ পড়তে পারে। তাই, রাতকে ঘুম বা বিশ্রামের জন্য নির্ধারিত রাখুন। দিনের বেলাটা থাকুক কাজের জন্য।
অনেকে শীতকালে সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন না বা করার প্রয়োজন বোধ করেন না। অথচ সারা বছর ধরেই সানস্ক্রিন ব্যবহার করা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সানস্ক্রিন ছাড়া সূর্যের নিচে যাওয়া ত্বকের জন্য সবসময়ই ক্ষতিকর। এতে ত্বকের বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি হতে পারে। এসব ক্ষতির একটি হচ্ছে অসময়ে ত্বকে ভাঁজ পড়ে যাওয়া।
ধূমপায়ী আর মদ্যপায়ীদের মুখে অসময়ে ভাজ পড়ার আশঙ্কা বেশি। তা ছাড়া, ধূমপায়ীদের তুলনায় অধূমপায়ীদের বয়স কম মনে হয়। এটা ধূমপান না-করার সুফল। অতিরিক্ত মদ্যপান মানুষের তারুণ্যকে দ্রুত শেষ করে দেয়। যারা অতিরিক্ত মদ পান করেন, তাদের ত্বকে অসময়ে ভাজ পড়তে পারে। অতএব ধূমপান আর অতিরিক্ত মদ্যপান থেকে দূরে থাকুন, তারুণ্য ধরে রাখুন।
মুখের নানান ভঙ্গির মাধ্যমে আমরা আমাদের মনের ভাব প্রকাশ করে থাকি। যেমন, রেগে গেলে অনেক সময় আমরা চোখ-মুখ খিচিয়ে কথা বলে উঠি। এ ধরনের ভঙ্গি আমাদের ত্বকে ভাঁজ পড়তে সাহায্য করে। অতএব মুখের ভঙ্গির মাধ্যমে ভাব প্রকাশ যত কম করা যায় ততই ভালো। এমনকি অতিরিক্ত অট্টহাসিও ত্বকে ভাঁজ সৃষ্টি করতে পারে। তাই অট্টহাসির পরিবর্তে মৃদু হাসিই কাম্য বেশি।
শরীরচর্চার সুফলের কথা তো বহুবার আমাদের অনুষ্ঠানেই বলা হয়েছে। তো, যারা তারুণ্য ধরে রাখতে চান সম্ভাব্য দীর্ঘতম সময় পর্যন্ত এবং চান ভাঁজহীন সুন্দর ত্বক, তাদের উচিত নিয়মিত শরীরচর্চা করা। শরীরচর্চায় যে ঘাম সৃষ্টি হয়, তা আমাদের ত্বকের জন্য কল্যাণকর। কারণ, এ ঘাম ত্বকের নিচের ময়লা-আবর্জনা পরিস্কার করে দেয়।
নিজেকে একটি বেশি সুন্দর দেখাতে আমরা অনেকেই মেকআপের আশ্রয় নেই। মেক আপ করায় কোনো সমস্যা নেই। তবে, মনে রাখতে হবে, মেক আপ একটা কৃত্রিম ব্যবস্থা। মেক আপে আমরা বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করে থাকি। তাই সময়মতো ভালো করে মেক আপ তুলে নেয়া এবং মুখ ভালো করে পরিস্কার করা জরুরি। তা নাহলে, আপনার ত্বকে অসময়ে ভাঁজ পড়ে যাবে।
আমাদের প্রতিদিনকার খাদ্যাভ্যাসের সাথেও ত্বকে অসময়ে ভাজ পড়ার সম্পর্ক আছে। যারা মশলাযুক্ত খাবার, বিশেষ করে ঝাল খেতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য খারাপ খবর আছে। আপনাদের ত্বকে অসময়ে ভাঁজ পড়তে পারে। অতএব ঝাল খাওয়া ছেড়ে দিন বা নিদেনপক্ষে কমিয়ে দিন। আর বেশি বেশি শাক-সবজি খান। শাক-সবজি ত্বকের জন্য উপকারী।
যারা বেশি বেশি ফাস্টফুড খান, তাদের ত্বকেও অসময়ে ভাজ পড়তে পারে। অতিরিক্ত ফাস্টফুডের কারণে আজকাল অনেকেই দ্রুত মুটিয়ে যাচ্ছেন, আক্রান্ত হচ্ছেন স্থুলতা রোগে। তাই আমাদের উচিত, ফাস্টফুডের ওপর নির্ভরশীলতা কমানো।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘মুসলিমহীন’ নির্বাচনের পথে মিয়ানমার
সেনাশাসিত মিয়ানমারে ২৫ বছরের মধ্যে প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে যাচ্ছে আগামী মাসে। এতে প্রায় ৩০ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিমকে ভোটার না করার পাশাপাশি বড় দলগুলোতে কোনো মুসলিম প্রার্থী রাখা হচ্ছে না। দেশটির নোবেলজয়ী গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সূচির সূচির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) সূত্রে জানা গেছে, দল থেকে কোনো মুসলিম প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে না। নেত্রীর নির্দেশেই দলের মধ্যে ‘মুসলিমদের কাটছাঁট’।
মূলত দেশটিতে উগ্রপন্থি বৌদ্ধদের মুসলিমবিরোধী মনোভাবের কারণেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে গণতন্ত্রপন্থি দলটি।
স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে এনএলডি’র ১,১৫১ প্রার্থীর মধ্যে একজনও মুসলিম নেই। যদিও দেশটিতে প্রায় ৫০ লাখ মুসলিমের বসবাস। দেশটির মোট জনসংখ্যার তুলনায় তা প্রায় ৪ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে।
অপরদিকে দেশটির সেনা সমর্থিত ক্ষমতাসীন দল ইউনিয়ন সলিডারিটি এ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (ইউএসডিপি) পক্ষ থেকেও কোনো মুসলিমকে প্রার্থী করা হয়নি।
এরই মধ্যে দেশটির নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে অনেক মুসলিম প্রার্থীর আবেদন বাতিল করা হয়েছে। তাদের বাবা-মা মিয়ানমারের নাগরিক নয়— এমন অভিযোগে প্রার্থিতা বাতিল করা হয়।
উগ্রপন্থী বৌদ্ধদের সংগঠন মা বা থা’র কারণেই সূচির দলের এই মুসলিম অপসারণের প্রক্রিয়া চলছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
উগ্রপন্থি বৌদ্ধদের সংগঠন মা বা থা (এ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য প্রটেকশন অব রেস এ্যান্ড রিলিজন) সরাসরি মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিষেদাগার করে থাকে। তারা রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর আক্রমণ ও উত্তেজনা সৃষ্টি করে আসছে।
২০১০ সালের পর মুসলিমবিরোধী বেশ কয়েক উগ্রপন্থি বৌদ্ধকে মিয়ানমারের জেল থেকে ছেড়ে দেওয়ায় বিষয়টি আরো জটিল আকার ধারণ করেছে।
দেশটিতে মুসলিমবিরোধী চেতনা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়াতেই শান্তিতে নোবেলজয়ী ৭০ বছর বয়সী সূচি মুসলিমদের এড়িয়ে চলছেন।
২০১২ সালে রোহিঙ্গা মুসলিমদের গণহত্যা ও এখন পর্যন্ত চলা নিষ্ঠুর নির্যাতনের ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি। এমনকি রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব না দেওয়ার ব্যাপারেও তিনি নিশ্চুপ থাকেন।
জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন রোহিঙ্গা মুসলিমদের নির্যাতনে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও সূচি এ বিষয়ে টু শব্দটি করেননি।
মূলত সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধদের ভোট ছুটে যেতে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই তিনি এ অবস্থান নেন।
মিয়ানমারে প্রায় ১৩৫টি সংখ্যালঘু নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী রয়েছে। এদের মধ্যে রোহিঙ্গাসহ গুটিকয়েক সম্প্রদায়ের সদস্যদের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়নি। তাই তারা নির্বাচনে ভোট দিতে পারবে না।
দেশটির এবারের সাধারণ নির্বাচনে ৯০টি দল অংশ নেবে।
সূত্র: আল-জাজিরা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য তৈরি চীন
কোনো চীনা কূটনীতিক বা বেইজিংয়ে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সদর দফতরের কোনো প্রথম সারির নেতা এ কথা না বললেও, বেইজিংয়ের সরকার পরিচালিত সংবাদপত্র ‘গ্লোবাল টাইমস’-এর সম্পাদকীয়তে আজ এই কথাই লেখা হয়েছে।
যেন যুদ্ধই লেগে গেছে দক্ষিণ চীন সাগরে!
বেইজিংয়ের বানানো কৃত্রিম দ্বীপপুঞ্জে আরও মার্কিন ডেস্ট্রয়ার পাঠানো হচ্ছে বলে কাল জানিয়েছিল পেন্টাগন। বলা হয়েছিল, ওই মার্কিন ডেস্ট্রয়ারগুলিতে রাখা হচ্ছে টহলদারি বিমান। যেগুলি ওই ডেস্ট্রয়ারগুলি থেকে উড়ে গিয়ে দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের বানানো কৃত্রিম দ্বীপপুঞ্জে সুবি ও মিসচিফ রিজের মাঝামাঝি ও লাগোয়া এলাকাগুলির ওপর নজরদারি চালাবে। যেহেতু চীন ওই এলাকায় মার্কিন রণতরী ‘ইউএসএস-ল্যাসেন’ ঢুকে পড়ার পর আরো নৌবহর পাঠানো শুরু করেছে, তাই ওই মার্কিন ডেস্ট্রয়ারে টোমাহক ক্ষেপণাস্ত্রও রাখা হয়েছে বলে কাল জানিয়েছিল পেন্টাগন। এ-ও জানিয়েছিল, শিগগিরই আরো যে কয়েকটি মার্কিন রণতরী পাঠানো হচ্ছে দক্ষিণ চীন সাগরে, তাতে আরো বেশি সংখ্যায় রাখা হবে টোমাহক ক্ষেপণাস্ত্র।
এর পর আজ চীনের প্রতিক্রিয়া ছিল খুব স্বাভাবিক। আন্তর্জাতিক চাপের আশঙ্কায় যে প্রতিক্রিয়াটা এসেছে বেজিংয়ের সরকার পরিচালিত সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়র মাধ্যমে।
যাতে লেখা হয়েছে, ‘‘ওয়াশিংটনের সঙ্গে আমাদের (চীনের) বিষয়টার ফয়সালা করতে হবে খুব বুদ্ধি করে। আবার যুদ্ধের মতো চরম পরিণতির জন্যও আমাদের তৈরি থাকতে হবে। এটা করলেই হোয়াইট হাউসকে বোঝানো সম্ভব হবে, আগ বাড়িয়ে দক্ষিণ চীন সাগরে কোনো যুদ্ধে নামার ইচ্ছা নেই বেইজিংয়ের। তবে আমেরিকার বিরুদ্ধে কোনো সময়েই যুদ্ধে নামতে ভয় পায় না চীন।’’
দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন ডেস্ট্রয়ার পাঠানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওয়াশিংটনের সমালোচনায় সরব হয়েছে চীনা সেনাবাহিনীর দৈনিক ‘পিপলস রিপাবলিকান আর্মি ডেইলি’ও। তাদের প্রথম পাতার সম্পাদকীয়তে রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, ‘‘আমেরিকা এই ভাবেই যেকোনো জায়গায় যুদ্ধ শুরু করে। তবে আমেরিকা যেন দক্ষিণ চীন সাগরকে আরো একটা আফগানিস্তান বা ইরাক বলে মনে না করে!’’
দক্ষিণ চীন সাগরে ‘সাগর-যুদ্ধে’র জন্য বেইজিং কতটা তৈরি, চীনা সেনাবাহিনীর দৈনিকের সম্পাদকীয়তে তার স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের এক-চতুর্থাংশ পুরুষই যৌন হয়রানিতে জড়িত
ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর রিসার্চ অন উইমেন এবং অন্য আরো দুটি প্রতিষ্ঠান এ জরিপ চালায়। জরিপে দেখা গেছে, ভারতের ২৪ দশমিক ৫ শতাংশ পুরুষই নারীদের যৌন হয়রানি করে থাকেন। তরুণদের মধ্যে এ হার সবচেয়ে বেশি।
নারীদের ধর্ষণের ক্ষেত্রে আগ্রাসী মানসিকতা ও এ্যালকোহল (মদ) পান সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে বলেও জরিপে উঠে এসেছে।
শিশুকালে যৌন হয়রানির শিকার হওয়াদের ক্ষেত্রেও ভারতীয় নারী-পুরুষদের অবস্থা নাজুক। দেশটিতে মেয়েশিশুদের পাশাপাশি ছেলেশিশুরাও ব্যাপক হারে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকে।
জরিপে দেখো গেছে, ৩৪ শতাংশ পুরুষই শিশুকালে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। এ ছাড়া শিশুকালে অবহেলার শিকার হয়েছেন ৩৬ দশমিক ৮ শতাংশ পুরুষ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধে চীন ভীত নয়
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানই জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে : মোশাররফ
‘তালেবানের ওপর পাকিস্তানের প্রভাব আছে নিয়ন্ত্রণ নেই’
তালেবানের ওপর পাকিস্তানের ‘কিছু প্রভাব’ থাকলেও এ জঙ্গি সংগঠনটির ওপর ইসলামাবাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। বুধবার পাকিস্তানের জনপ্রিয় দৈনিক ডন নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেন দেশটির পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা সারতাজ আজিজ। ‘পাকিস্তান জঙ্গিদের সমর্থন ও প্রশিক্ষণ দেয়’- পারভেজ মোশাররফের এমন সাক্ষাৎকারের পরপরই তালেবান দৌরাত্ম্যে পাক সরকারের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করে নিলেন আজিজ। তিনি আরও বলেন, আফগান সরকার তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বসবে কিনা, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে কাবুলের ওপর। পাকিস্তান শুধু এ ধরনের আলোচনার আয়োজন করে দিতে পারে। কিন্তু এখন পর্যন্ত আফগান সরকার এ ব্যাপারে ইসলামাবাদকে কোনো অনুরোধ জানায়নি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নুড়ি ধুলে সোনা মেলে!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সন্ত্রাসী মোনালিসা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যাংকের উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দিলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বন্দরের গাড়ি পুলিশকে দেয়ার বিপক্ষে বারভিডা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উন্নয়নে দাতাদের প্রতিশ্রুতি কমেছে ৮৮ শতাংশ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শারাপোভার জয়
এদিকে ‘হোয়াইট গ্রুপ’-এ খলায় জয় তুলে নিয়েছেন চেক প্রজাতন্ত্রের তারকা পেত্রা কেভিতোভা। স্বদেশী তারকা ও ফেড কাপের সতীর্থ লুসি সাফারোভার বিপক্ষে জয় পেয়েছেন তিনি। কেভিতোভা ও সাফারোভা দু’জনই গ্রুপপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হেরেছিলেন। ঘুরে দাঁড়ানোর মিশনে একে অন্যের মুখোমুখি হয়েছিলেন তারা। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে ৭-৫, ৭-৫ সেটে জয় পেয়েছেন কেভিতোভা। বিশ্বের সেরা আট প্রমীলা টেনিস তারকাকে (র্যাংকিংয়ের মানদণ্ডে) নিয়ে বছরের শেষদিকে বসে ডব্লুটিএ ফাইনালসের আসর। শুরুতে দুটি গ্র“পে বিভিক্ত হয়ে খেলতে হয় তারকাদের। এরপর সেরা চার খেলোয়াড়কে (গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ) নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় সেমিফাইনাল পর্ব।
সেখানে বিজয়ী দু’জন অংশ নেন ফাইনালে। ওয়েবসাইট।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বপ্নকন্যার গল্প শুনি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন: প্রধান বিচারপতি
প্রধান বিচারপতির সম্মানে ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (বিবিসিসিআই) এ ভোজসভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন জনের বক্তব্যে বাংলাদেশে বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা ও ন্যায় বিচার না পাওয়ার আশঙ্কা বিনিয়োগের জন্য একটি বড় বাধা—এমন বিষয়টি উঠে আসে। তাঁরা প্রবাসীদের সম্পত্তি দখল ও হয়রানিমূলক মামলার কথা উল্লেখ করে বিচার ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রধান বিচারপতির উদ্যোগ কামনা করেন।
জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, বাংলাদেশে বিচার বিভাগ স্বাধীন। এ ক্ষেত্রে লোকবল ও অবকাঠামোর সমস্যা রয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে নিজে সাক্ষাৎ করেছেন জানিয়ে এস কে সিনহা বলেন, দ্রুত এসব সমস্যা সমাধান করবেন বলে প্রধানমন্ত্রী তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন।
বিচার প্রক্রিয়ার উন্নয়নে নানা উদ্যোগ ও পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে এস কে সিনহা বলেন, সাধারণ মানুষের অভিযোগ গ্রহণে ইতিমধ্যে একটি ‘অভিযোগ বক্স’ খোলা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার বরাবর আইনি যেকোনো বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করলে তিনি সাত দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নেবেন।
প্রধান বিচারপতি জানান, ১ নভেম্বর থেকে উচ্চ আদালতের সব কার্যক্রমের তথ্য অনলাইনে পাওয়া যাবে। এতে মামলার শুনানির তারিখ ও এর ফলাফল নিয়ে অতীতের মতো আইনজীবীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবে না। পর্যায়ক্রমে পুরো বিচারিক কার্যক্রমকে ডিজিটাল করে তুলতে চান জানিয়ে এস কে সিনহা বলেন, তখন বিশ্বের যেকোনো স্থানে বসে মামলা করা, মামলার তথ্য জানা বা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাক্ষ্য প্রদান ও প্রমাণ হাজির করা যাবে।
দুই বছরের মধ্যে সব মামলার জট সুরাহার উদ্যোগ নিয়েছেন জানিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চলা মামলাগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সমঝোতার মাধ্যমে সুরাহা করতে চান তিনি। বলেন, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এতে রাজি না হলে বিচারে হেরে যাওয়া পক্ষকে মামলার সমুদয় খরচ বহন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরে বক্তব্য দেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম এ হান্নান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিবিসিসিআইয়ের ডাইরেক্টর জেনারেল মুহিব চৌধুরী।
![]() |
| বিবিসিসিআই-এর আয়োজিত ভোজসভায় বক্তব্য দেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। ছবি: প্রথম আলো |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জল নিয়ে জলঘোলা আর নয় by মহিউদ্দিন আহমদ
চীনের ভূখণ্ড পেরিয়ে সাংপো ঢুকল ভারতের উত্তর-পূর্ব দিক দিয়ে, এখন যে এলাকার নাম অরুণাচল। এখানে তৈরি হলো আরেক পুরাণ। ঋষি শান্তনুর স্ত্রী অমোঘা পৃথিবীর স্রষ্টা ব্রহ্মের দ্বারা সন্তানবতী হলেন। ছেলেসন্তান জন্ম নিল জলের আকারে। শান্তনু সন্তানকে কৈলাস, গন্ধমাদন, জারুধি এবং সম্বর্তক—এই চারটি পর্বতের মাঝে শুইয়ে দিলেন। ফলে তৈরি হলো বড় একটা হ্রদ, নাম ব্রহ্মকুণ্ড। পিতার আদেশে পরশুরাম কুঠার দিয়ে খুন করলেন নিজের মাকে। পাপমোচনের জন্য তাকে বলা হলো একটা পবিত্র স্থানে যেতে। পরশুরাম ব্রহ্মকুণ্ডের একটা ধার কেটে দিলেন। ফলে বের হলো জলধারা—ব্রহ্মপুত্র। কুঠারে লেগে থাকা রক্ত ব্রহ্মপুত্রের জলে ধুয়ে সাফ হলো, জল হলো লালচে। আসামের মানুষ ব্রহ্মপুত্রকে বলে লুইত (লোহিত), সংস্কৃত ভাষায় যা হলো রক্ত। কুপিয়ে জমি নরম করতে করতে (আবাদ করে) পরশুরামের ‘লাঙল’ সোনারগাঁ এসে ‘বন্ধ’ হলো (থামল)। ওই জায়গার নাম হলো লাঙ্গলবন্দ। এখন এটা পবিত্র তীর্থ। এই হলো ব্রহ্মপুত্র নদের জন্মকথা।
ব্রহ্মপুত্র নদ বাংলাদেশে ঢুকেছে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে। বাহাদুরাবাদের কাছে এটা ময়মনসিংহ জেলার বুক চিরে বয়ে গেছে ভৈরব অবধি, মিশেছে মেঘনার জলে। অপেক্ষাকৃত নতুন একটা জলধারা সোজা নেমে গেছে দক্ষিণে। এটাই এখন ব্রহ্মপুত্রের মূলধারা, নাম যমুনা। আদি ব্রহ্মপুত্র এখন ক্ষীণকায়। ১২ অক্টোবর দৈনিক প্রথম আলো একটা ছবি ও সংবাদ ছেপেছে। শিরোনাম—বর্জ্য ফেলে নদের সর্বনাশ। পবিত্র ব্রহ্মপুত্র এখন জামালপুর পৌরসভার ভাগাড়।
ব্রহ্মপুত্র মাঝেমধ্যে সংবাদ শিরোনাম হয়। ১৪ অক্টোবর ঢাকার কয়েকটি দৈনিক ভারতের একটি পত্রিকায় ছাপা সংবাদের উদ্ধৃতি দিয়ে লিখেছে, ব্রহ্মপুত্রে চীনারা জলবিদ্যুৎ তৈরির প্রকল্প বাস্তবায়ন করেই ফেলেছে। বিদ্যুৎ শিগগিরই চীনের জাতীয় গ্রিডে যাবে। এ রকম প্রকল্প আরও হবে। কেউ কেউ আশঙ্কা জানিয়েছেন, এর ফলে ভাটির দেশে সমস্যা হবে, সমস্যায় পড়বে ভারত ও বাংলাদেশ।
ব্রহ্মপুত্র পৃথিবীর বড় নদীগুলোর একটি। এর দৈর্ঘ্য এবং আওতাধীন এলাকার পরিমাণ নিয়ে নানা রকমের হিসাব আছে। যে হিসাবটা মোটামুটি প্রতিষ্ঠিত, তাতে দেখা যায়, এই নদের দৈর্ঘ্য ২ হাজার ৯০০ কিলোমিটার। বাংলাদেশের যৌথ নদী কমিশনের তথ্য অনুযায়ী এর অববাহিকা ৫ লাখ ৫২ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। এই বিশাল এলাকার অর্ধেক (৫০ দশমিক ৫ শতাংশ) পড়েছে চীনে, ৩৩ দশমিক ৬ শতাংশ ভারতে, ৮ দশমিক ১ শতাংশ বাংলাদেশে এবং ৭ দশমিক ৮ শতাংশ ভুটানে। ভারতে এই নদের অববাহিকায় আছে ছয়টি রাজ্য—অরুণাচল, আসাম, নাগাল্যান্ড, মেঘালয়, পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিম। বাংলাদেশের ৩৯ হাজার ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার মধ্যে। অর্থাৎ আমাদের দেশের চার ভাগের এক ভাগেরও বেশি এলাকার মানুষ এই নদের ওপর নির্ভরশীল। সুতরাং বলা চলে, ব্রহ্মপুত্র নারাজ হলে এবং এর ওপর কোনো আঘাত এলে বাংলাদেশের একটা বড় জনগোষ্ঠী বিপদে পড়বে, বিপর্যস্ত হবে।
ব্রহ্মপুত্র-বাহিত এলাকায় ৬২ কোটি মানুষের বাস। এত দিন এই নদের ৯৪ শতাংশ জল বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে বয়ে গেছে—নির্দ্বিধায়, নীরবে। আমরা এই বিপুল জলরাশি, এই বিশাল সম্পদের দিকে চোখ তুলে তাকাইনি। এখন আমরা একটু নড়েচড়ে বসতে শুরু করেছি। এই অঞ্চলের দুই বড় প্রতিবেশী—চীন ও ভারত এই নদের দিকে নজর দিয়েছে। চীন অনেক বছর ধরেই ব্রহ্মপুত্রের জল আটকে জলবিদ্যুৎ তৈরির আয়োজন করে আসছে। ভারত তার শুকনো এলাকাগুলো সবুজে ভরিয়ে দিতে ব্রহ্মপুত্রের জল নিয়ে আসার চিন্তা করছে। তৈরি হয়েছে আন্তনদী সংযোগ প্রকল্প। আমরা ব্রহ্মপুত্র নিয়ে চীন-ভারতের রশি টানাটানি দেখছি, অনেকটা তৃতীয় ছাগশিশুর মতো। শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্য যে আমরা এযাবৎ দুবার স্বাধীন হয়েছি, তবু গত সাত দশকে ব্রহ্মপুত্রের এক ফোঁটা জলও জনস্বার্থে ব্যবহার করার জন্য কোনো পরিকল্পনা হাতে নিইনি। এখন এই জলে ভাগীদারের থাবা পড়েছে। হয়তো আমরা খুব শিগগির হইচই শুরু করব, ব্রহ্মপুত্রের জলের ‘ন্যায্য হিস্যা চাই’।
ব্রহ্মপুত্র নদের জল থেকে জলবিদ্যুৎ তৈরির সম্ভাবনা ৬৬ হাজার থেকে ২ লাখ মেগাওয়াট। ভারতে ২০১৪ সালের জুলাই পর্যন্ত ২ হাজার ১২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র হয়েছে। নির্মাণাধীন আছে আরও ৫ হাজার ৫৯২ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র। চীনের পরিকল্পনায় আছে ৪০ হাজার মেগাওয়াট। এ ছাড়া চীন ব্রহ্মপুত্রের পানি উত্তরাঞ্চলে সরিয়ে নেওয়ার কথাও ভাবছে সেচ ও গৃহস্থালির প্রয়োজনে। ভারত তো আন্তনদী সংযোগ প্রকল্প ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েই রেখেছে। দুই আঞ্চলিক পরাশক্তির থাবার নিচে বাংলাদেশ তার প্রয়োজনের পানিটুকু কীভাবে পাবে? অথচ পানির ওপর নির্ভর করছে প্রাণ—আবেহায়াত।
চীন এখন পর্যন্ত বলে আসছে যে পানি প্রত্যাহার করবে না। কিন্তু চীনের সঙ্গে পানিসম্পদ ভাগাভাগির কোনো চুক্তি কিংবা সমঝোতা এই অববাহিকার অন্য কোনো দেশের নেই। যদি চীন ব্রহ্মপুত্রের পানি সেচের জন্য ব্যবহার করে, তাহলে ভাটি এলাকায় পানির প্রবাহ কমে যাবে, যেমনটি হয়েছে পদ্মায়, তিস্তায় এবং এ রকম আরও অনেক নদীতে। যদি এমন অবস্থা সত্যি সত্যিই তৈরি হয়, তা মোকাবিলা করার জন্য আমাদের কোনো আয়োজন চোখে পড়ে না।
ব্রহ্মপুত্রের পানিতে যদি চীন থাবা বসায়, তাহলে ভারত, বাংলাদেশ ও ভুটান—এই তিনটি দেশই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ জন্য ব্রহ্মপুত্র নিয়ে এর অববাহিকার সবগুলো দেশের একসঙ্গে বসা দরকার, দরকার কথা বলা, একটা সমঝোতায় আসা। ভারত আর চীন দ্বিপক্ষীয়ভাবে বিষয়টার একটা ফয়সালা তাদের নিজ নিজ স্বার্থে করে ফেললে বাংলাদেশকে পরে পস্তাতে হবে। প্রতিটি দেশ তাদের জাতীয় স্বার্থেই প্রকল্প নেয়, অন্য দেশের সঙ্গে চুক্তি করে। বাংলাদেশকেও তাই জাতীয় স্বার্থেই নদী নিয়ে বহুপক্ষীয় আলোচনায় বসার তাগিদ দিতে হবে।
চীন ও ভারতের মধ্যে নানা বিষয়ে বিবাদ আছে। বাংলাদেশের এই বিবাদে জড়ানো মোটেও উচিত হবে না। এখানে চীন বড় বন্ধু না ভারত, তার চেয়ে বড় কথা হলো, আমাদের স্বার্থের দিকে কার নজর কতটুকু। বাংলাদেশ নিয়ে নানা ক্ষেত্রে চীন-ভারতের দ্বৈরথ আছে। আমাদের উচিত হবে আমাদের স্বার্থে চীন ও ভারত উভয়ের সঙ্গেই যত দূর সম্ভব দর-কষাকষি করা। একটা বহুপক্ষীয় ব্যবস্থায় এটা হলে ভালো হয়। আমরা গঙ্গা নিয়ে এটা চেষ্টা করেছিলাম, হয়নি। হিমালয়ের জলসম্পদ নিয়ে বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার কথা আমরা অনেক বছর ধরে বলে আসছি। তাতে কাজের কাজ হয়নি।
চীন ও ভারত আগামী ৫০ কিংবা ১০০ বছর হিসাবে রেখে পরিকল্পনা সাজাচ্ছে। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি হলো ‘অ্যাডহক’। আজ যদি ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে আমাদের একটা বড় প্রকল্প থাকত, আমরা চীনকে বলতে পারতাম, আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। এত দিন ব্রহ্মপুত্রের পানি গোয়ালন্দ-চাঁদপুর হয়ে বঙ্গোপসাগরে চলে গেছে। আমরা তা ব্যবহার করিনি। কিন্তু চিরদিন এমন থাকবে না। ব্রহ্মপুত্র দিয়েই আমরা বুঝতে পারব, চীন আমাদের কত কাছের বন্ধু। জল নিয়ে ভারতের সঙ্গে জল অনেক ঘোলা হয়েছে। এটা আর বাড়তে দেওয়া উচিত হবে না। ব্রহ্মপুত্র নিয়ে এখনই আমাদের চিন্তাভাবনাগুলো গুছিয়ে চীনের সঙ্গে দরবার করা দরকার। ভারত সমমর্যাদার ভিত্তিতে সঙ্গে থাকলে ভালো হয়। পৃথিবীর অনেক দেশই এ ধরনের সমস্যা আলোচনার মাধ্যমেই মিটমাট করেছে। আমরাও পারব। পারতেই হবে। তবে দেরি হয়ে যাচ্ছে।
মহিউদ্দিন আহমদ: লেখক ও গবেষক।
mohi2005@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নেপালের বিরুদ্ধে অঘোষিত অবরোধ by আলী রীয়াজ
নেপাল এ বছরের এপ্রিল মাসে যে ভয়াবহ ভূমিকম্পের শিকার হয়েছিল, তাতে কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষ মারা গেছে, আহত ব্যক্তির সংখ্যা ২৩ হাজারের বেশি। সেই সময় থেকেই এই সেবা সংস্থাগুলো সেখানে কাজ করেছে। ভূমিকম্পের সময় বাংলাদেশের গণমাধ্যমে নেপালের খবর এবং সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া দেখে এমন মনে হওয়াই স্বাভাবিক ছিল যে নেপালের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষ একধরনের আত্মীয়তার বন্ধন অনুভব করে। সেটাকে সাময়িক মানবিকতা বলে ধরলেও এ কথা অস্বীকারের উপায় কী যে বাংলাদেশের প্রকৃতি নেপালের ওপর নির্ভরশীল?
এসব বিষয় না হয় আপাতত তোলা থাক। এটাও না হয় বাদ দিই যে আঞ্চলিক সহযোগিতা, প্রতিবেশীদের মধ্যে আদান-প্রদান বিষয়ে কথাবার্তা বলা একটা অভ্যাসের বিষয়ে পরিণত হয়েছে। কিন্তু এ কথা বিস্মৃত হই কী করে যে আট বছর ধরে রাজনীতিবিদদের মধ্যে অব্যাহত টানাপোড়েন এবং কয়েক দফা ব্যর্থতার পর নেপাল ২০ সেপ্টেম্বর যখন নতুন সংবিধান কার্যকর করে, তখন অনেকেই সোৎসাহে সমর্থন দিয়েছিলেন, কিন্তু এখন সেই সংবিধানের বাংলাদেশের সমর্থকেরা পর্যন্ত খুব বেশি কিছু বলেছেন, এমন চোখে পড়েনি। ব্যক্তিগত প্রতিক্রিয়াগুলো ধর্তব্যে না নিলেও গণমাধ্যমের একধরনের নীরবতা নিঃসন্দেহে চোখে পড়ে। প্রতিবেশী একটি দেশের এই মানবিক বিপর্যয়ের কথা কেন বাংলাদেশের পাঠক-শ্রোতা-দর্শকদের আরও ঘনিষ্ঠভাবে জানার সুযোগ তৈরি হয় না? কেন এই মানবিক বিপর্যয়ের পেছনে যে রাজনীতি কাজ করে, তা বিশ্লেষিত হয় না?
এ কথা অবশ্যই বলা দরকার যে নেপালের সংকট খুব সহজ নয়, কিন্তু এ ক্ষেত্রে ভারতের ভূমিকা যে মুখ্য, সেটাও সহজেই দৃষ্টিগ্রাহ্য। নেপালে সংবিধান প্রণয়নের এই চূড়ান্ত পর্যায়ের সময়ই প্রতিবেশী ভারত জানিয়ে দিয়েছিল যে তারা অত্যন্ত গভীরভাবে অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে। নেপালের ইতিহাস বলে, বৃহৎ প্রতিবেশী ভারতকে সমঝে না চলে ক্ষুদ্র নেপালের উপায় নেই। ১৯৮৯ সালে নেপালের বিরুদ্ধে ভারতের অবরোধ চলেছিল ১৩ মাস। ট্রানজিট চুক্তি বিষয়ে মতভিন্নতা উপলক্ষ ছিল মাত্র, আসল কারণ ভারতীয় প্রভাববলয়ের বাইরে গিয়ে চীনের কাছ থেকে অস্ত্র আমদানির চেষ্টা। ভারত শেষ পর্যন্ত সেই চেষ্টায় বিজয়ী হয়েছিল। নেপালের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ১৯৮৮ সালে ৯ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে ১৯৮৯ সালে নেমে এসেছিল ১ দশমিক ৫ শতাংশে (তথ্যসূত্র: ইকোনমিক স্টেটক্রাফট অ্যান্ড ফরেন পলিসি)। এই চাপ নেওয়ার শক্তি যে নেপালের সাধারণ মানুষের ছিল না, সেটা বাস্তববাদী মানুষমাত্রই বুঝতে পারেন। তদুপরি তৎকালীন শাসনব্যবস্থা, অর্থাৎ রাজতন্ত্র ও রাজা বীরেন্দ্র—কেউই জনগণের সমর্থনপুষ্ট ছিলেন না। এই চাপের মুখে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও পরিবর্তন ঘটেছিল, জন-আন্দোলনের জোয়ারের মুখে রাজাকে সংসদীয় ব্যবস্থা চালু করতে হয়। ১৯৯০ সালে প্রণীত নতুন সংবিধানের আওতায় ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিজয়ী নেপালি কংগ্রেসের নেতা গিরিজা প্রসাদ কৈরালা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দিল্লি সফর করে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করার পর অবরোধের অবসান ঘটে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ‘স্বাভাবিক’ রূপ নেয়।
এবার ভারতের পক্ষ থেকে সংবিধান নিয়ে যে আপত্তি তোলা হয়েছে কেবল পরোক্ষভাবে তা নয়, সংবিধান পার্লামেন্টে পাস হওয়ার পর এবং তা কার্যকর হওয়ার আগে ভারত সরকার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে পররাষ্ট্রসচিব জয়শংকরকে কাঠমান্ডু পাঠান ১৮ সেপ্টেম্বর। সেখানে তিনি সুস্পষ্টভাবেই জানিয়ে এসেছিলেন যে ভারত সংবিধান নিয়ে অখুশি, ভারত সাতটি ধারার সংশোধন চায়। এমনকি সংবিধান কার্যকর করার দিনও ভারতের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালার সঙ্গে দেখা করে ভারতের আপত্তি জানান। সংবিধান পাস করার পর ভারতের পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতি ছিল কঠোর। ভারতের যুক্তি এই যে এই সংবিধানের আওতায় মধেশি ও থারু জনগোষ্ঠী বঞ্চিত হবে। মধেশিরাও সংবিধান নিয়ে বিক্ষোভ করছিল কয়েক সপ্তাহ ধরে, তাদের বিক্ষোভের সময় সহিংসতায় কমপক্ষে ৪০ জন মারা গেছে। নেপালের মধেশি ও থারু জনগোষ্ঠী দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ, কিন্তু তড়াই অঞ্চলের জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ, অন্যদিকে পাহাড়ি এলাকার উচ্চবর্ণের হিন্দু যারা সংখ্যায় ১৫ শতাংশ, তারাই সুবিধাভোগী বলে বলা হয়ে থাকে। নতুন সংবিধান দেশকে সাতটি প্রদেশে বিভক্ত করে ফেডারেল–ব্যবস্থা চালু করেছে। মধেশিদের অভিযোগ, দেশের তড়াই এলাকার আটটি জেলা নিয়ে মাত্র একটি প্রদেশ তৈরি করা হয়েছে, বাকি ১৪টি জেলাকে অন্য পাহাড়ি জেলার সঙ্গে যুক্ত করে ভিন্ন প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে মধেশিরা সর্বত্রই সংখ্যালঘু হিসেবে থাকবে। মধেশিদের আরেকটি বড় অভিযোগ হচ্ছে, ওখানে যেভাবে সংসদের আসন বণ্টন করা হয়েছে এবং যেভাবে নির্বাচনী এলাকা তৈরি করা হয়েছে, তাতে ১৬৫ আসনের ১০০টি থাকবে পাহাড়ি এলাকায়, অন্যদিকে মাত্র ৬৫টি আসন দেওয়া হয়েছে তড়াই মাদেশি এলাকায়।
মধেশিদের নিয়ে ভারতের উদ্বেগের কারণ এই জনগোষ্ঠীর সঙ্গে ভারতের জাতিগত যোগাযোগ। মধেশিরা বিভিন্ন ভাষায় কথা বললেও তাদের এক বড় অংশ কথা বলে মৈথিলি ভাষায়, ভারতের বিহার ও উত্তর প্রদেশে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত ভাষা মৈথিলি। মধেশি জনগোষ্ঠীর একাংশ ভারত থেকে অভিবাসী হিসেবে নেপালে গেছে। ২০০৬ সালে নেপালি নাগরিকত্ব আইন জারি না হওয়া পর্যন্ত তাদের অনেকে নেপালের নাগরিকত্ব লাভ করতে পারেনি। নতুন সংবিধানে যে ব্যবস্থা করা হয়েছে, তাতে নেপালের প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, পার্লামেন্টের স্পিকারসহ বেশ কিছু উচ্চপদে আসীন হতে পারবেন তাঁরাই, যাঁরা জন্মসূত্রে নেপালি। সংবিধানের ২৮৩ ধারা, যেখানে এ ব্যবস্থা করা হয়েছে, ভারত তা বাতিল বা সংশোধন করতে বলেছে। ভারতের জন্য এসব উদ্বেগ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এখন ভারত যে অবরোধ চাপিয়ে দিয়েছে, তার পেছনে একটি কারণ হচ্ছে বিহারের নির্বাচন। বিহারে নির্বাচন হচ্ছে পাঁচ পর্বে, ১২ অক্টোবর থেকে ৫ নভেম্বর। বিহারের ২৪৩ আসনের এই নির্বাচন ক্ষমতাসীন দল বিজেপি ও নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তার পরীক্ষা। মধেশিদের বিক্ষোভের কারণে তারা সীমান্ত অতিক্রম করে বিহারে প্রবেশ করে কি না, তা ভারতের নিরাপত্তার প্রশ্ন হয়ে ওঠে কি না, সেটি মোদি সরকার অগ্রগণ্য বলে বিবেচনা করেছে।
মধেশিদের এই বিক্ষোভের পেছনে ‘ভারতের হাত আছে’ বলে যে নেপালিরা মনে করে, তাদের মধ্যে এমন লোকও আছে, যারা মধেশিদের ন্যায়সংগত দাবিদাওয়াকে অবহেলা করতে চায়। কিন্তু সেটা রাজনৈতিকভাবে তাদের জন্য এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে নেপালের জন্য ক্ষতিকর। ইতিমধ্যে নেপালের প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন, যেন সরকার মধেশিদের সঙ্গে আলোচনা করে। নেপালের সরকার ও রাজনৈতিক নেতারা অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতি নিশ্চয় মোকাবিলা করবেন। কিন্তু ইতিমধ্যে ভারতের চাপিয়ে দেওয়া এই অবরোধ নেপালে ও গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের বিরুদ্ধে নীরবে হলেও জনমত তৈরি করা ছাড়া আর কিছু করবে বলে মনে হয় না। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, তাঁর নীতি হবে ‘প্রতিবেশী প্রথম’, কিন্তু নেপালের ঘটনা প্রমাণ করছে যে ভারত তার প্রতিবেশীদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপে আগের নীতিতেই অনড় রয়েছে। ২০১৪ সালে বাংলাদেশের নির্বাচনের সময় ভারতের ভূমিকা বিষয়ে বিস্তারিত বলা বাহুল্য। শ্রীলঙ্কায় ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে ভারত সরকার ও তাদের গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকার বিষয়টি বহুল আলোচিত। ২০১৩ সালের জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত ভুটানের পার্লামেন্ট নির্বাচনের আগে ভুটানের পেট্রোলিয়াম ও কেরোসিনের ওপর ভারতের দেওয়া ভর্তুকি প্রত্যাহারের ঘটনা নির্বাচনের ফলাফলের ওপর প্রভাব ফেলেছে এমন মনে করাই সঠিক। তার পরিণতি হয়েছে ক্ষমতাসীনদের পরাজয়।
নেপালের ওপর চাপিয়ে দেওয়া এই দ্বিতীয় অবরোধ ভারতের নীতিনির্ধারকদের বিবেচনায় আশু লাভজনক মনে হলেও দীর্ঘ মেয়াদে তার ফল ভালো হবে না। বিশ্বশক্তি হিসেবে নিজেকে উপস্থিত করতে চাইলে ভারতের বিবেচনা করা দরকার যে প্রতিবেশী দেশের নাগরিকদের চোখে সে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে।
আলী রীয়াজ: যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা’ ও ভাত খাওয়ার গল্প by মশিউল আলম
এখানে সকালের নাশতার সময় মানুষ ভাত খায়? এই প্রশ্ন করেছিলাম হোটেলটির এক কর্মীকে। তিনি আমাকে বলেছিলেন, ১০ জন যদি খেতে আসে, তাদের মধ্যে পাঁচ বা ছয়জনই খায় ভাত। অন্যরা রুটি-পরোটা।
যাঁরা ভাত খাচ্ছিলেন, তাঁদের দেখে বোঝা যাচ্ছিল এবং তাঁদের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জেনেছিলাম, তাঁরা শ্রমজীবী মানুষ: রিকশা বা ভ্যানগাড়ির চালক, দিনমজুর, খেতমজুর, রাজমিস্ত্রির জোগালি ইত্যাদি। এক রিকশাচালকের কাছে জেনেছিলাম, তিনি ভোর ছয়টায় খালি পেটে রিকশা নিয়ে বেরিয়েছেন, সাড়ে আটটা পর্যন্ত রিকশা চালানোর পর হাতে কিছু টাকা পেলে হোটেলে এসেছেন খাওয়ার জন্য। তাঁর খাওয়া মানে ভাত খাওয়া, গলা দিয়ে ভাত পেটে চালান করার জন্য সামান্য সবজি বা ডাল তাঁর খাদ্য গ্রহণের বিলাসী অংশ। রুটি খান না, কারণ তিন-চারটা ‘রুটি’তে তাঁর পেটের এক কোনাও ভরবে না, ১০ থেকে ১৫ এমনকি ২০টাও লাগতে পারে। তাঁর এত টাকা কোথায়? তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কবে শেষবারের মতো মাংস খেয়েছেন। তিনি বলেছিলেন, এক বছর আগে কোরবানির ঈদের সময়। কদিন পরেই আবার কোরবানির ঈদ—এই কথা বলে তিনি হেসে বলেছিলেন, মাংসের স্বাদ আবার পেতে যাচ্ছেন।
পঞ্চগড়ের সেই ‘ভাতজীবী’ মেহনতি মানুষদের ভাত খাওয়ার গল্প আজ মনে পড়ল প্রথম আলোর প্রথম পাতায় একটা প্রতিবেদন পড়তে পড়তে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক সংস্থার ‘দ্য স্টেট অব ফুড সিকিউরিটি ইন দ্য ওয়ার্ল্ড ২০১৫’ শীর্ষক বার্ষিক প্রতিবেদনের বক্তব্য হলো, জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি) পূরণের ক্ষেত্রে কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তা অর্জনে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে সফল দেশ। এটা সম্ভব হয়েছে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের ফলে। আমাদের দেশটি আয়তনে ছোট, কিন্তু লোকসংখ্যা অত্যন্ত বেশি। তা ছাড়া, বন্যা-খরাসহ নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ লেগেই থাকে। এমন পরিস্থিতিতে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি এবং খাদ্য উৎপাদনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে চলেছি—এটাকে বিরাট অর্জন ও গৌরব বলে মনে করা হয়।
কিন্তু খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার মানে কী? যে পঞ্চগড়ের মানুষের কথা বললাম, সেই জেলার কৃষক ও খেতমজুরেরা বছরে প্রায় তিন লাখ মেট্রিক টন উদ্বৃত্ত খাদ্য উৎপাদন করেন—এই তথ্যের মানে কী? মানে হলো ভাত। শুধুই ভাত। বাংলাদেশের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা আসলে চাল (আর খুব সামান্য পরিমাণে গম ও ভুট্টা) উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা। এটা একটা বড় সাফল্য, এতে কোনো সন্দেহ নেই। কারণ, আগে এই দেশে বিপুলসংখ্যক মানুষের শুধু ভাতটুকুই জুটত না। আশ্বিন-কার্তিক মাসের মঙ্গায় অনেক মানুষ অনাহারে মারাও যেত। সেই অবস্থা থেকে আমরা অনেক দূর এগিয়ে এসেছি, এটা নিশ্চয়ই স্বস্তির বিষয়। কিন্তু এ নিয়ে আত্মতৃপ্তি বোধ করা ও গৌরব করার কিছু নেই।
কারণ, খাদ্যের এই স্বয়ংসম্পূর্ণতার বিপরীতে এখনো অনেক করুণ চিত্র আছে। পঞ্চগড়ের ওই রিকশাচালকের কাছে শুনেছি, তাঁর ঘরে তিনটি শিশু আছে। আমি তাদের দেখিনি। জানি না তারা দেখতে কেমন। বিভিন্ন পরিসংখ্যান বলছে, বাংলাদেশের প্রায় ২৭ শতাংশ শিশু এখনো প্রকট পুষ্টিহীনতার শিকার। পৃথিবীর যেসব দেশের পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা বয়সের তুলনায় খাটো, ওজনে কম, শুকনো ও অপুষ্ট; তাদের মধ্যে বাংলাদেশের স্থান ২০ নম্বরে। এ রকম দেশের তালিকায় আছে আফ্রিকার হতদরিদ্র দেশগুলো। দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ের সরকারি হাসপাতালে দেখেছি প্রচুর শিশু ও নারী রোগী। অপুষ্টির কারণে শিশু ও নারী, বিশেষ করে প্রসূতি মায়েরা নানা রকম অসুখে ভোগেন। চিকিৎসা পেলেও অপুষ্টির কারণে তাঁদের অসুখ সহজে সারে না। সারলেও তাঁরা অসুখে পড়েন বেশ ঘন ঘন। শীতকালে হাসপাতালগুলোতে শিশু রোগীর ভিড় অনেক বেড়ে যায়, অপুষ্টির কারণে তাদের হিমোগ্লোবিনের অভাব। সহজেই ঠান্ডা লেগে যায়, অনেক শিশু নিউমোনিয়াতে ভোগে। সার্বিক পুষ্টি–পরিস্থিতি ভালো হলে ওই শিশু ও নারীদের হয়তো অনেক অসুখই হতো না।
ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (ইফপ্রি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মানুষের খাদ্যশক্তির প্রায় ৮০ শতাংশের জোগান আসে ভাত ও আলুজাতীয় খাবার থেকে। এটা দরিদ্র মানুষের খাদ্য; পুষ্টির অভাবে ভোগে প্রধানত তারাই। তাহলে ধরে নিতে হয়, ‘খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা’ আমাদের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অপুষ্টি দূর করতে কাজে আসছে না। অপুষ্টি দূর করতে হলে তাদের খাদ্যতালিকায় মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ইত্যাদি পুষ্টিকর খাবার যোগ করা প্রয়োজন। কিন্তু সেটা কে করবে? ইফপ্রির ওই প্রতিবেদন আরও বলেছে, বাংলাদেশ গত এক দশকে সবজি, মাছ, ডিম ও মাংস উৎপাদনে সাফল্য দেখিয়েছে। কিন্তু তাতে কী হয়েছে? দরিদ্র মানুষের পাতে কি এসব দামি খাবার জোটে? জাতীয় অর্থনীতির বিপুল প্রবৃদ্ধি কি দরিদ্র শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীর অপুষ্টি দূর করতে পেরেছে? দুই বা তিন বেলা শুধু ভাতে কি অপুষ্টি দূর হয়?
এক পরিসংখ্যানে দেখি, এই দেশের মানুষের আমিষের চাহিদার ৪৯ শতাংশ পূরণ হয় ভাত থেকে। আমি জানতাম, ভাত শর্করা, তাতে আমিষ থাকে না। কিন্তু এক পুষ্টিবিজ্ঞানীর সঙ্গে কথা বলে জানতে পারলাম, চালে আমিষও থাকে, তবে খুবই সামান্য পরিমাণে।
এও রক্ষে! নইলে দরিদ্র শ্রমজীবী মানুষেরা কীভাবে প্রাণ ধারণ করত আর কীভাবেই-বা উদয়াস্ত হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে এই দেশের ‘খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা’র ধারাবাহিকতা রক্ষা করত? কী করে নিশ্চিত হতো তাদের ‘খাদ্যনিরাপত্তা’?
ঢাকা, ১৬ অক্টোবর ২০১৫
মশিউল আলম: সাংবাদিক।
mashiul.alam@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজবর্মের আড়ালে সৌদি যুবরাজদের মাদক ব্যবসা
সোমবার লেবাননের রাজধানী বৈরুতে দুই টন মাদকসহ এক সৌদি যুবরাজের আটক হওয়ার ঘটনায় সামনে এসেছে যুবরাজদের মাদক ব্যবসা। সৌদি যুবরাজ আবদেল মোহসেন বিল ওয়ালিদ বিন আবদুল আজিজ বৈরুত বিমানবন্দর দিয়ে দুই টন ‘ক্যাপটাগন’ বড়ি ও কিছু কোকেন পাচারের সময় এদিন চার সঙ্গীসহ আটক হন।
লেবাননের জাতীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত বিমানে ৪০টি স্যুটকেসে করে ক্যাপটাগন বড়ি বৈরুত থেকে রিয়াদে নেয়ার প্রক্রিয়া চলছিল। দেশটিতে সবচেয়ে বড় মাদক চোরাচালানের নজির এটি, যা বৈরুত বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নস্যাৎ করে দেয়। ক্যাপটাগন হল অ্যাম্ফিটামাইন ফেনেথিলাইনের বাজারি নাম। ক্যাপটাগন শরীরে কৃত্রিম উত্তেজনা সৃষ্টি করে, যে কারণে তা যৌন উত্তেজক বড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশ্বজুড়ে ক্যাপটাগন নিষিদ্ধ। তবে মধ্যপ্রাচ্যের লোকরা যৌন উত্তেজক বড়ি হিসেবে নিষিদ্ধ এই ক্যাপটাগনকেই বেশি পছন্দ করে। বলা হচ্ছে, সিরিয়ার যোদ্ধারা বর্তমানে এর বড় ভোক্তা। সৌদি যুবরাজ চোরাচালানের এই অন্ধকার রাজত্ব পরিচালনা করেন। এর আগে ১৯৯৯ সালে সৌদি প্রিন্স নায়েফ বিন সুলতান বিন ফায়েজ আল সালান ভেনিজুয়েলা থেকে ফ্রান্সে কোকেন চোরাচালানিতে অভিযুক্ত হন। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের বেভারলি হিলস ম্যানশনে এক সৌদি যুবরাজ জোর করে এক নারীর সঙ্গে যৌনাচার করতে গিয়ে গ্রেফতার হন। বৃহস্পতিবার ৩ লাখ ডলার জরিমানা দিয়ে মুক্তি পান সাবেক সৌদি বাদশাহ আবদুল্লাহর ছেলে মাজেদ আবদুল আজিজ আল সউদ।
২০১৩ সালে আরেক যুবরাজ মিশাইল আলাইবান ক্যালিফোর্নিয়ায় এক কেনীয় নারীকে জোর করে দাসী বানিয়ে রাখার অপরাধে অভিযুক্ত হন। কিন্তু তার বিরুদ্ধেও শেষ পর্যন্ত কোনো বিচারিক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ২০১০ সালে প্রিন্স সউদ বিন আবদুল আজিজ বিন নাসির আল সউদ হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত হয়ে লন্ডনে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। বিচারক তার রায়ে বলেন, রাজপরিবারের সদস্য হওয়ার কারণে আপনাকে সাজা বাড়িয়ে দেয়া বা কমিয়ে দিলে তার ভুল বিচার হবে। ২০১০ সালের উইকিলিকস ফাঁস করা এক তারবার্তায় বলা হয়, সৌদি প্রিন্স ১৫০ নারী-পুরুষ নিয়ে উচ্চমাত্রার অ্যালকোহল সেবন করে হ্যালুয়িন পার্টির আয়োজন করেছিলেন।
উইকিলিকসের ওই বার্তায় আরও বলা হয়েছে, ইসলামবহির্ভূত অবৈধ প্রক্রিয়ায় সৌদি আরবের শাসন ক্ষমতা আঁকড়ে রয়েছে এই সউদ পরিবার। থাকা রাজপরিবারের সদস্যরা এমন হাজারও অপকর্ম করলেও তার রাজতান্ত্রিক বিধানে তাদের কোনো বিচার নেই।
অথচ দেশটিতে একেবারে লঘু অপরাধে গুরুদণ্ড দেয়া হয়। দেশটির মাদক আইনে গত জুন ও আগস্টে দুই পাকিস্তানিসহ অনেককেই শিরশ্ছেদ করা হয়েছে। আর ভোগবাদী সউদ রাজপরিবারের ১৫ হাজার রাজকুমার-রাজকুমারীরা সব আইনের ঊর্ধ্বে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আকাশে উড়লেন সেনাবাহিনীর দুই নারী পাইলট
![]() |
| এ্যারোপেক প্রশিক্ষণ বিমানে নাজিয়া নুসরাত হোসেন ও শাহরিনা বিনতে আনোয়ার। ছবি: আইএসপিআর। |
শাহরিনা বিনতে আনোয়ারও ২০০৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর ৬১ তম বিএমএ দীর্ঘ মেয়াদি কোর্সে সেনাবাহিনীর অর্ডন্যান্স কোরে কমিশন লাভ করেন। অর্ডন্যান্স কোরের আবশ্যক সব কোর্স শেষ করে গত বছরের ১৬ নভেম্বর শাহরিনা আর্মি অ্যাভিয়েশন বেসিক কোর্স-৯-এ যোগ দেন। এ বছরের ৩০ জুন তিনি প্রথম একক উড্ডয়ন সম্পন্ন করেন।
![]() |
| প্রশিক্ষণ বিমানে একক উড্ডয়ন করেছেন নাজিয়া নুসরাত হোসেন। ছবি: আইএসপিআর। |
![]() |
| প্রশিক্ষণ বিমানে একক উড্ডয়ন করেছেন শাহরিনা বিনতে আনোয়ার। ছবি: আইএসপিআর। |
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শক্তিশালী যত ভূমিকম্প
![]() |
| গত ২৫ এপ্রিল নেপালে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কমপক্ষে ৮ হাজার ৯০০ মানুষ নিহত হয়। ছবি: এএফপি |
বার্তা সংস্থা এএফপি গত ৩০ বছরের শক্তিশালী কয়েকটি ভূমিকম্পের কথা তুলে ধরেছে, যেসব ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
-২০১৫ সালের ২৫ এপ্রিল নেপালে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কমপক্ষে ৮ হাজার ৯০০ মানুষ নিহত হয়। পাঁচ লাখ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একই বছরের মে মাসে সেখানে ৭ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পেও কয়েকজন মানুষ মারা যায়।
-২০১১ সালের ১১ মার্চ জাপানে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প ও সে কারণে সৃষ্ট সুনামিতে প্রায় ১৯ হাজার মানুষ মারা যায়।
-২০১১ সালের ২৩ অক্টোবর তুরস্কের পূর্বাঞ্চলে ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পে ছয় শতাধিক মানুষ নিহত হয়। আহত হয় ৪ হাজার ১৫০ জন।
-২০১০ সালের ১২ জানুয়ারি হাইতিতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে আড়াই থেকে তিন লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
-২০১০ সালের ১৪ এপ্রিল চীনের কুইনঘাই প্রদেশে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে তিন হাজার মানুষ নিহত ও নিখোঁজ হয়।
-২০০৮ সালের ১২ মে চীনের সিচুয়ান প্রদেশে ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে ৮৭ হাজারের বেশি মানুষ নিহত বা নিখোঁজ হয়।
-২০০৬ সালের ২৭ মে ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী এক ভূমিকম্পে ছয় হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
-২০০৫ সালের ৮ অক্টোবর পাকিস্তান-শাসিত আজাদ কাশ্মীরে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে ৭৫ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়।
-২০০৫ সালের ২৮ মার্চ ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৯০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
-২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর এক শক্তিশালী ভূমিকম্প ও তার কারণে সৃষ্ট সুনামিতে ইন্দোনেশিয়াসহ ভারত মহাসাগরের কাছাকাছি অঞ্চলে ২ লাখ ২০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
-২০০৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর ৬ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ইরানের বাম শহরে কমপক্ষে ৩১ হাজার ৮৮৪ মানুষ প্রাণ হারায়।
-২০০১ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতের গুজরাটে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ২৫ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়।
-১৯৯৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৬ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পে ভারতের মহারাষ্ট্রে ৭ হাজার ৬০১ জন মানুষ প্রাণ হারায়।
-১৯৯১ সালের ২০ অক্টোবর ভারতের উত্তর প্রদেশে ৬ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে ৭৬৮ জন মারা যায়।
-১৯৮৮ সালের ২০ আগস্ট নেপালে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে ৭২১ জনের প্রাণহানি ঘটে।
![]() |
| ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর এক শক্তিশালী ভূমিকম্প ও তার কারণে সৃষ্ট সুনামিতে ইন্দোনেশিয়াসহ ভারত মহাসাগরের কাছাকাছি অঞ্চলে ২ লাখ ২০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ছবি: এএফপি |
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ব্যক্তিগতভাবে কেউ হত্যা করলে বিএনপি দায় নেবে না’
![]() |
| নজরুল ইসলাম খান |
আজ বুধবার আসরের নামাজের পর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক দোয়া মাহফিলে নজরুল ইসলাম এসব কথা বলেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় কৃষক দল ওই দোয়ার আয়োজন করে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন,‘বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক জাতীয়তাবাদী দল, ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসী দল। এ দল হত্যার রাজনীতি করে না। আমরা যাঁরা ৩৭ বছর আগে এ দলে শহীদ জিয়ার নেতৃত্বে সমবেত হয়েছি, তাঁরা কেউ হত্যার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। কাজেই কেউ হত্যা করলে, ব্যক্তিগত দায়িত্বে কেউ করলে, সে দায়িত্ব তাঁকে নিতে হবে। বিএনপি কোনো হত্যার দায়িত্ব নেবে না। কিন্তু অন্যায়ভাবে বিএনপির কোনো নেতা-কর্মীকে জড়িয়ে বিএনপিকে হেয় করার চেষ্টা করা হলে নিশ্চয় বিএনপি তার প্রতিবাদ জানাবে।’
প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে এই বক্তব্য প্রকাশিত হওয়ার পর নজরুল ইসলাম খান প্রথম আলোকে তাঁর ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, তিনি তাঁর বক্তব্যে বুঝাতে চেয়েছেন, বিদেশি নাগরিক হত্যার পর সরকার প্রধান বিদেশে বসে বলেছিলেন, বিএনপি এই ঘটনায় জড়িত। এখন প্রধানমন্ত্রীর সেই কথা প্রমাণ করতে বিএনপিকে হত্যাকাণ্ডে জড়ানো হচ্ছে। ‘নিরপেক্ষ তদন্তে’ বিএনপির কোন নেতা-কর্মী এ ঘটনায় জড়িত তা প্রমাণিত হলে বিএনপির তার দায়িত্ব নেবে না।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য আরও বলেন, বিদেশি নাগরিক হত্যার পর সরকার প্রধান বিদেশে বসে বলেছিলেন, বিএনপি এই ঘটনায় জড়িত। এখন প্রধানমন্ত্রীর সেই কথা প্রমাণ করতে বিএনপিকে হত্যাকাণ্ডে জড়ানো হচ্ছে।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকাকে সাজা দেওয়ার সমালোচনা করে নজরুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, সরকার বিএনপির জনপ্রিয় নেতাদের নির্বাচনের বাইরে রাখার ষড়যন্ত্র করছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুর পাল্টালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কাইয়ুম সন্দেহের তালিকায়
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1400)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
October
(966)
-
▼
Oct 29
(32)
- ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না: নজরুল
- বিদ্যুৎ নিশ্চিত করলে বিনিয়োগ হবে -হোসেন খালেদ
- যে ৯ কারণে মুখের ত্বকে ভাজ পড়ে
- ‘মুসলিমহীন’ নির্বাচনের পথে মিয়ানমার
- যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য তৈরি চীন
- ভারতের এক-চতুর্থাংশ পুরুষই যৌন হয়রানিতে জড়িত
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধে চীন ভীত নয়
- পাকিস্তানই জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে : মোশাররফ
- নুড়ি ধুলে সোনা মেলে!
- সন্ত্রাসী মোনালিসা
- ব্যাংকের উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দিলেন সাবেক প্রধান বি...
- বন্দরের গাড়ি পুলিশকে দেয়ার বিপক্ষে বারভিডা
- উন্নয়নে দাতাদের প্রতিশ্রুতি কমেছে ৮৮ শতাংশ
- শারাপোভার জয়
- স্বপ্নকন্যার গল্প শুনি
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন: প্রধান বি...
- জল নিয়ে জলঘোলা আর নয় by মহিউদ্দিন আহমদ
- নেপালের বিরুদ্ধে অঘোষিত অবরোধ by আলী রীয়াজ
- ‘খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা’ ও ভাত খাওয়ার গল্প by মশিউ...
- রাজবর্মের আড়ালে সৌদি যুবরাজদের মাদক ব্যবসা
- আকাশে উড়লেন সেনাবাহিনীর দুই নারী পাইলট
- শক্তিশালী যত ভূমিকম্প
- ‘ব্যক্তিগতভাবে কেউ হত্যা করলে বিএনপি দায় নেবে না’
- সুর পাল্টালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কাইয়ুম সন্দেহের ত...
- দুদককে ধরবে কে -সংসদীয় কমিটির প্রশ্ন
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় হবে ...
- স্থানীয় নয়, জাতীয় নির্বাচন চায় জনগণ: মাহবুব
- গামছার জোয়ার ঠেকাতে গিয়ে নৌকা আটকা পড়েছে: কাদের
- বিদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই: আমু
- মাধ্যমিকের ৭০ শতাংশ বই উপজেলায় গেছে -বছরের শুরুতে...
- সরকারকে ‘সত্যের মুখোমুখি’ হওয়ার পরামর্শ ‘সাইটের’
- ফিলিস্তিন সহিংসতার জন্য ইসরাইল দায়ী : আব্বাস
-
▼
Oct 29
(32)
-
▼
October
(966)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
























