Wednesday, September 28, 2011
শেয়ারবাজারে আবার বড় দরপতন
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, আজ ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১১২.২২ পয়েন্ট কমে ৫৮৭৯.১৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেনের পাঁচ মিনিটে সূচক ৩৩ পয়েন্ট বাড়ে। ১৫ মিনিটে সূচক কমে যায় ১৯ পয়েন্ট। তবে ২৫ মিনিটে সূচক আবার ৩৭ পয়েন্ট বেড়ে যায়। প্রথম ঘণ্টার পর সূচক আবার দ্রুত কমতে থাকে, যা শেষ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।
আজ ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৬১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪টির, কমেছে ২৩৫টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৫১২ কোটি টাকা।
এ সময়ে লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, বেক্সিমকো, বেক্সিমকো ফার্মা, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, মালেক স্পিনিং, তিতাস গ্যাস, এমআই সিমেন্ট, সামিট পাওয়ার, সিএমসি কামাল ও গ্রামীণফোন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শেয়ারবাজারে কিছুটা গতি ফিরেছে
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে গতকালও দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সবগুলো সূচকই ছিল ঊর্ধ্বগতি। গতকাল সোমবার ডিএসইতে প্রায় ৯৬ শতাংশ এবং সিএসইতে ৯৫ শতাংশ শেয়ারের দাম বেড়েছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার নানামুখী উদ্যোগে বাজার ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে ধীরে ধীরে বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থাও বাড়বে। দুই বাজারে লেনদেন বৃদ্ধি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরার লক্ষণ।
যোগাযোগ করা হলে সিএসইর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আল মারুফ খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘গতকালের বাজার আচরণে ছিল রোববারের ধারাবাহিকতা। সাবধানী গতিতে বাজার এগোচ্ছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাজারে নতুন করে কিছু ছোট-বড় ক্রেতা তৈরি হচ্ছে। এতে লেনদেন বেড়েছে। এ অবস্থায় অতিরিক্ত বিক্রির চাপ যাতে বাজারের ভারসাম্য নষ্ট করতে না পারে, সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের প্রতিশ্রুতি জরুরি।’
আল মারুফ আরও বলেন, এই পর্যায়ে বাজার স্থিতিশীল রূপ নেওয়ার চেষ্টা করছে। এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদেরও কিছুটা কৌশলী হতে হবে। সামনে তালিকাভুক্ত অনেক কোম্পানির ত্রৈমাসিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। এ ছাড়া কিছু কোম্পানি লভ্যাংশ ঘোষণা করবে। তাই বিনিয়োগের আগে এসব মূল্য সংবেদনশীল তথ্যের কথা মাথায় রাখা উচিত।
এদিকে গতকাল লেনদেনের শুরু থেকেই ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ছিল ঊর্ধ্বমুখী। প্রথম ৩০ মিনিটের মধ্যেই সূচক আগের দিনের চেয়ে ১০০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। বেলা দুইটা ৪০ মিনিটে সাধারণ মূল্যসূচক ছয় হাজারের মাইলফলক স্পর্শ করে। যদিও শেষ পর্যন্ত সেটি ছয় হাজারের নিচেই ছিল। দিনশেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ বা ২০৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৯৯১ পয়েন্টে।
ঢাকার বাজারে গতকাল লেনদেনের গতিও ছিল আগের দিনের চেয়ে ভালো। বেলা সোয়া একটার মধ্যেই লেনদেন ছাড়িয়ে যায় ৩০০ কোটি টাকা।
দিনের শুরু থেকেই ডিএসইতে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ শেয়ারেরই দাম বাড়তে থাকে। বেলা একটার দিকে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম কমার তালিকা ছিল শূন্য। এ সময় ২৫২টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়। দাম বাড়ে ২৪৮টির আর অপরিবর্তিত ছিল চারটির। যদিও দিনশেষে দাম কমা কোম্পানির তালিকাটি আর শূন্য ছিল না। দিনশেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৬১টি কোম্পানির মধ্যে ২৫০টিরই দাম বেড়েছে, কমেছে আটটির আর অপরিবর্তিত ছিল তিনটির দাম। সোমবার ঢাকার বাজারে ৫৩৪ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়, যা আগের দিনের চেয়ে ১৭১ কোটি টাকা বেশি। চলতি বছরের ২৫ আগস্টের পর গতকাল ডিএসইতে লেনদেন পাঁচ শ কোটি টাকা ছাড়াল।
সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক গতকাল ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ বা ৬০০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ১৪ পয়েন্টে।
চট্টগ্রামের বাজারে লেনদেন হওয়া ১৯৫টি কোম্পানির মধ্যে ১৮৫টিরই দাম বেড়েছে আর কমেছে ১০টির। দিনশেষে সিএসইতে প্রায় ৭২ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়, যা আগের দিনের চেয়ে ১৯ কোটি টাকা বেশি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বায়ার্ন-সিটিও বড় ম্যাচ
চ্যাম্পিয়নস লিগের আজ রাতের সব আলো থাকার কথা ছিল নয়বারের সেরা রিয়ালের সঙ্গে চারবারের চ্যাম্পিয়ন আয়াক্সের ম্যাচটি ঘিরেই। কিন্তু আলো টেনে নিচ্ছে চারবারের চ্যাম্পিয়ন বায়ার্নের সঙ্গে চ্যাম্পিয়নস লিগে অভিষিক্ত সিটির ম্যাচটিও।
ইউরোপ-শ্রেষ্ঠত্বের প্রতীকী লড়াইয়ের উত্তাপই ছড়াবে বায়ার্ন-সিটি ম্যাচটি। এটা যেন একদিকে বর্তমান পরাশক্তিগুলোর ‘যুদ্ধ’, অন্যদিকে পুরোনো ধনীর সঙ্গে নতুন ধনীর লড়াই।
মিউনিখ আর ম্যানচেস্টার শহরের ফুটবল-বন্ধন অনেক পুরোনো। সেই ১৯৫৮ সাল থেকে, যেবার মিউনিখে বিমান দুর্ঘটনায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ৮ জন খেলোয়াড়সহ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছিল ২৩টি তাজা প্রাণ। বন্ধন গড়ে দিয়েছে শোক, তবে তা ওল্ড ট্রাফোর্ডের ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গেই। ম্যানইউর সঙ্গে বায়ার্ন ৯টি ম্যাচ খেললেও ম্যানচেস্টারের আরেক ক্লাব সিটির মুখোমুখি এই প্রথম। তবে দুই দলের শুরুটা তেমন শান্তিপূর্ণ আবহে হচ্ছে না। গ্রীষ্মের দলবদলে কথার লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয়ে পড়েছিল দুই শিবির। সূত্রপাত জেরম বোয়াটেংয়ের সিটি থেকে বায়ার্নে যাওয়া নিয়ে। কথায় কথায় বায়ার্নের প্রধান নির্বাহী কার্ল-হেইঞ্জ রুমেনিগে সিটিকে খোঁচা দিয়েছেন কিছুদিন আগেও ক্লাবটির ঋণে ডুবে থাকা নিয়ে।
সিটি কোচ রবার্তো মানচিনি উত্তরে বলেছেন, ‘লোকেরা সিটিকে ভুল বোঝে। আমরা এত এত টাকা খরচ করছি, কিন্তু তাতে কী; আমাদের কাছে এটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, গুরুত্বপূর্ণ হলো আমরা ভালো দল হতে চাই। আমার মনে হয়, কিছু মানুষ এটিকে শ্রদ্ধা জানায়।’
গত ১২ মাসে খেলোয়াড় কিনতে দেদার টাকা ঢালা সিটি আগুয়েরো, নাসরি, বালোতেল্লিদের মতো খেলোয়াড় নিয়ে বায়ার্নের মাঠে যাচ্ছে। সিটির প্রিমিয়ার লিগের পারফরম্যান্সে উন্নতিটা ঠিকই ধরা পড়ছে। আজ কি চ্যাম্পিয়নস লিগেও ধরা পড়বে? সিটি কোচ মানচিনির বিশ্বাস, তাঁর খেলোয়াড়েরা আজ প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী খেলবে।
প্রতিশ্রুতিকে পরিণতি দিতে চাইবে আজ রিয়াল মাদ্রিদও। পুরোনো শত্রু আয়াক্সের সঙ্গে কিছু হিসাবও চুকিয়ে নেওয়ার আছে তাদের। দুটি দল এ পর্যন্ত মুখোমুখি হয়েছে ৮ বার। শিরোপা জয়ের দিক দিয়ে এগিয়ে থাকলেও মুখোমুখি লড়াইয়ে পিছিয়ে রিয়াল। ৮ ম্যাচের একটি হয়েছে ড্র, বাকি ৭টির ৪টিতে জিতেছে আয়াক্স। আজ কি জয়ের সংখ্যায় সমতা আনতে পারবে রিয়াল? ক্রুইফ-নিসকেন্সরা গেছেন, বাস্তেনদের যুগও গেছে। আয়াক্সের সেই সুদিন আর নেই। যদিও তাদের কণ্ঠ এখনো জোরালো। সব মিলিয়ে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে আজ আবার রোমাঞ্চকর একটি ম্যাচ হবে বলে আশা করাই যায়।
আশায় বসতি ইন্টার মিলান কোচ ক্লদিও রানিয়েরিও। ইন্টারের দায়িত্ব নিয়েই সিরি ‘আ’র বাজে শুরুর দুঃস্বপ্ন পেছনে ফেলেছেন নতুন কোচ। শনিবার ইন্টার বোলোনিয়াকে হারিয়েছে পানিৎজি, মিলিতো আর লুসিওর গোলে। আজ চ্যাম্পিয়নস লিগেও পানিৎজি আর মিলিতোকেই বাজির ঘোড়া বলছেন রানিয়েরি। এই দুজনই ইন্টারকে জয় এনে দেবেন বলেই বিশ্বাস তাঁর।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বড় রেকর্ডের দিকে মেসি
গত শনিবার অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে বার্সেলোনার ৫-০ গোলের জয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন। এই হ্যাটট্রিকই বার্সেলোনার সর্বোচ্চ গোল-তালিকায় মেসিকে নিয়ে গেছে কুবালার খুব কাছে। ১৯৫০ থেকে ১৯৬১—দীর্ঘ এই সময়ে বার্সেলোনার জার্সি পরে কুবালা করেছিলেন ১৯৪ গোল। ২০০৪ সালে বার্সেলোনার প্রথম দলে অভিষেকের পর থেকে অ্যাটলেটিকোর বিপক্ষে সাম্প্রতিক হ্যাটট্রিকে ন্যু ক্যাম্পের মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১৯২টি। আর দুটি হলেই ছুঁয়ে ফেলবেন কুবালাকে, ৩টি হলে টপকে যাবেন। তখন তাঁর সামনে থাকবেন শুধুই সিজার রদ্রিগেজ। ১৯৩৯ থেকে ১৯৫৫ পর্যন্ত ১৬ বছরের ক্যারিয়ারে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এই স্প্যানিয়ার্ড বার্সেলোনার হয়ে করেছিলেন সর্বোচ্চ ২৩৫ গোল।
লা লিগার গোল-তালিকাতেও বার্সেলোনার পক্ষে মেসি আছেন রদ্রিগেজ-কুবালার পরই। সর্বোচ্চ ১৯৫ গোল রদ্রিগেজের, কুবালার ১৩১টি, মেসির ১২৭। এই তিনজনের বাইরে বার্সেলোনার হয়ে লা লিগায় শততম গোলের মাইলফলক পেরিয়েছেন আর একজনই, স্যামুয়েল ইতো।
পরিসংখ্যান বলছে, আর ৫ গোল হলে সার্বিক তালিকার মতো লিগ গোলেও কুবালাকে টপকে যাবেন মেসি। দুবারের বিশ্বসেরা ফুটবলারও তাকিয়ে আছেন রেকর্ডের দিকেই। ‘এ নিয়ে আমার কোনো তাড়াহুড়ো নেই। খেলতে খেলতেই এটা আসবে। তবে সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে পারার বিষয়টি নিয়ে আমি অবশ্যই খুব রোমাঞ্চিত’—বার্সেলোনার ওয়েবসাইটে বলেছেন মেসি।
শুধু কুবালার রেকর্ড নয়, ২৪ বছর বয়সী ‘বিস্ময়’ আসলে দেখছেন সিজার রদ্রিগেজকেও টপকে বার্সেলোনার সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার স্বপ্ন, ‘অনেক বছর হয়ে গেছে। কিন্তু কুবালা এখনো নিজের জায়গাতেই আছেন। আশা করছি, আমি তাঁর পরিসংখ্যান পেছনে ফেলব। আমি এখানে রেকর্ড ভেঙে যেতে চাই।’ বার্সেলোনার জার্সিতে মেসির সবচেয়ে প্রিয় প্রতিপক্ষ ওই অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। তিনটি হ্যাটট্রিকসহ মাদ্রিদের ক্লাবটির বিপক্ষে করেছেন ১৪ গোল।
লিগে ৫ ম্যাচেই ২২ গোল করেছে বার্সেলোনা। এর পরও দলের আরও উন্নতির জায়গা আছে বলে মনে করছেন মেসি। বিশেষ করে কোচ পেপ গার্দিওলার নতুন ছক ৩-৪-৩-এর সঙ্গে মানিয়ে নিতে, ‘এটির সঙ্গে আমাদের বেশ স্বচ্ছন্দই মনে হচ্ছে। এখনো কিছু কিছু বিষয় যদিও আমরা ঠিকঠাক করতে পারছি না, যেমনটা হতো আগের ছকে।’ তবে ব্যক্তিগতভাবে নতুন ছকে খুশি মেসি, ‘এতে সময় লাগবে, আরও খেলতে হবে। এখনো আমরা এতে পুরোপুরি অভ্যস্ত হতে পারিনি। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি বেশ খুশি, কারণ মাঝমাঠের খেলোয়াড়দের সঙ্গে এতে সংযোগটা আরও ভালো হবে আমাদের, আরও বেশি পাস পাব।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউরোজোনের সংকট থেকে উত্তরণের উদ্যোগ
বিবিসির ব্যবসা-সংক্রান্ত সম্পাদক বলেছেন, ওই রূপরেখায় গ্রিসের সরকারের ভয়াবহ ঋণ-সংকট মোকাবিলার জন্য ৫০ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হতে পারে। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, রূপরেখা তৈরি মোটেও সহজ কাজ নয়; বরং তা বেশ কঠিন। পুনরুদ্ধার পরিকল্পনার রূপরেখা তৈরিতে ব্যর্থ হলে সংকট তীব্র হবে। অর্থনৈতিক মন্দা আরও প্রকট রূপ নেবে।
ধারণা করা হচ্ছে, অর্থনৈতিক প্রণোদনা তহবিলের পরিমাণ বাড়ানো হবে। এর পরিমাণ হবে অন্তত দুই ট্রিলিয়ন ইউরো।
ইউরোজোনে চলমান ঋণ-সংকট মোকাবিলায় নীতিনির্ধারকদের ভূমিকায় বিনিয়োগকারীরা এখন পর্যন্ত খুব একটা আশাবাদী হয়ে উঠতে পারেননি। বিশ্লেষকেরা বলছেন, টালমাটাল শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণে শুধু কথায় হবে না, কাজ করে দেখাতে হবে। তবেই বিনিয়োগকারীরা উৎসাহী হবেন।
ইউরোপীয় সরকারগুলো আশা করছে, আগামী পাঁচ-ছয় সপ্তাহের মধ্যে পরিকল্পনা তৈরি করা হবে।
এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য সম্প্রতি দৃঢ় ও সমন্বিত আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জি-২০-এর নেতারা। কিন্তু বিশ্লেষকেরা হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলছেন, এ ধরনের প্রতিশ্রুতি বিনিয়োগকারীদের সন্তুষ্ট করবে না।
এদিকে, গতকাল সোমবারও ইউরোপের শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে। দিনের শুরুতে এশিয়ার শেয়ারবাজারেও সূচকের নিম্নগতি দেখা যায়। গত সপ্তাহে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে আইএমএফের বৈঠকের পর ওই পুনরুদ্ধার পরিকল্পনার কথা শোনা গেল।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সারকোজির বাগানপ্রেম মন কেড়েছে কার্লা ব্রুনির
কার্লার মুখেই শোনা যাক তাঁর সেই প্রেমরহস্য: ‘আমি যখনই তাঁর সঙ্গে দেখা করি, এলিসি প্রাসাদের বাগানে হেঁটে বেড়াই, তিনি সব ফুলের নাম আমাকে বলে দিতেন। তিনি সব ফুলের লাতিন নাম জানেন। গোলাপ ও টিউলিপ সম্পর্কে তাঁর বিস্তর জ্ঞান।’ কার্লা বলেন, ‘এরপর আমি নিজেই নিজেকে বলতাম, হা ঈশ্বর, আমি অবশ্যই এই মানুষটিকে বিয়ে করব। তিনি একজন প্রেসিডেন্ট। তিনি ফুল সম্পর্কেও সবকিছু জানেন। এটা অবিশ্বাস্য!’
সাবেক সুপার মডেল ও শিল্পী কার্লা বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা। এ কারণে তিনি এখন বাগানে তেমন একটা যান না। শিগগির দ্বিতীয় সন্তানের মা হবেন কার্লা। সময়টা সংবেদনশীল হওয়ায় তিনি খুব সতর্ক। নিজেই বললেন, ‘আমি কুসংস্কারে বিশ্বাসী। তাই খুব সাবধানে চলাফেরা করছি।’
কার্লা তাঁর অনাগত সন্তান সম্পর্কে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘এটা আমার জন্য দারুণ খবর। তবে একই সঙ্গে এটি আবার কোনো ব্যাপারও নয়।’
দাম্পত্য জীবন সম্পর্কে কার্লার মূল্যায়ন হচ্ছে, ‘আমি নিজেই কিছুটা নিরিবিলি স্বভাবের মানুষ। আমি একান্তে থাকতে পছন্দ করি। আমাদের জীবনটাও অনেকটা সে রকমের। সারকোজিকে দিনে খুব ব্যস্ত থাকতে হয়। তাই রাত কিংবা সন্ধ্যায় আমরা যতটা সম্ভব নিজেদের জন্য কিছুটা সময় বের করি।’
সারকোজি ও কার্লা সব সময়ই পারলে গণমাধ্যমকে এড়িয়ে চলেন। এমনকি আগের চেয়ে নিজের ব্যাপারে অনেক বেশি সতর্কও কার্লা। কিন্তু ফার্স্ট লেডির ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ফ্রান্সের অন্যতম জনপ্রিয় সাংবাদিক ক্রিস্টিন ওকরেন্ট কার্লা ব্রুনির এ সাক্ষাৎকারটি নিতে সক্ষম হন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আগাম নির্বাচনের প্রস্তাব দিয়েছেন আবদুল্লাহ সালেহ
তবে বিরোধীরা সালেহর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে অবিলম্বে তাঁর পদত্যাগ দাবি করেছেন।গতকালসোমবার তাঁর পদত্যাগের দাবিতে রাজধানীসানাসহ সারা দেশেব্যাপক বিক্ষোভহয়েছে। দেশটির দ্বিতীয়বৃহত্তম শহর তায়েজে গতকালহাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করে।
গত জুনে হামলায় আহত হওয়ার পর সালেহ চিকিৎসার জন্যতিন মাস সৌদি আরবে ছিলেন।
ইয়েমেনে উপজাতীয় বিদ্রোহীদের হামলায় প্রেসিডেন্ট আলী আবদুল্লাহ সালেহর সেনাবাহিনীর একজন জেনারেল নিহত হয়েছেন। বিদ্রোহীরা আরও ৩০ জন সেনাকে জিম্মি করেছে।
গত রোববার রাতে রাজধানী সানার ৬০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত একটি সেনাঘাঁটিতে বিদ্রোহীদের হামলার পর এ ঘটনা ঘটে।
ইয়েমেনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত খবরে ওই সেনাঘাঁটিতে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লিবিয়ায় কারাগারে গণকবরের সন্ধান
ধারণা করা হচ্ছে, ত্রিপোলির আবু সালিম কারাগারে ১৯৯৬ সালে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত বন্দীদের ওই স্থানে কবর দেওয়া হয়েছিল। নিহত বন্দীদের পরিবারের পক্ষের একজন আইনজীবীর মুক্তির দাবিতে আন্দোলনের মধ্য দিয়েই শুরু হয়েছিল দেশের শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান।
এনটিসি জানায়, আবু সালিম কারাগারে যে সময় হত্যাকাণ্ড চালানো হয়, সেই সময়কার নিরাপত্তাকর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে গণকবরটির সন্ধ্যান পাওয়া গেছে। কারাগারের মধ্যে একটি খোলা মাঠে হাড়গোড় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে ছিল। নিহত দুই বন্দীর ভাই সামি আসাদি জানান, প্রায় পাঁচ বছর আগে কর্তৃপক্ষ তাঁকে জানিয়েছিল, অসুস্থতার কারণেই তাঁর ভাইদের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা খুশি যে অভ্যুত্থান সফল হয়েছে। কিন্তু এখানে দাঁড়িয়ে দুই ভাইসহ আরও অনেক বন্ধুর কথা মনে পড়ছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাবুলে সিআইএর দপ্তরে গুলিতে মার্কিন নিহত
সান্ডওয়াল বলেন, হামলাকারী নিহত হয়েছেন। ঘটনার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আহত মার্কিন নাগরিককে একটি সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। হামলার কারণ সম্পর্কে এখনো স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতে পৃথ্বী-২-এর সফল উৎক্ষেপণ
ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জের (আইটিআর) পরিচালক এস পি দাশ বলেন, দেশে তৈরি এবং ভূপৃষ্ঠে ব্যবহারের উপযোগী ওই ক্ষেপণাস্ত্র গতকাল সকাল আটটা ৫০ মিনিটে উৎক্ষেপণ করা হয়। এর জন্য একটি ভ্রাম্যমাণ উৎক্ষেপক ব্যবহার করা হয়। পরীক্ষামূলক এই উৎক্ষেপণ ‘সম্পূর্ণ সফল’ হয়েছে।
ভারতের সামরিক সূত্র জানায়, স্বল্প পাল্লার ওই ক্ষেপণাস্ত্র সশস্ত্র বাহিনীকে ব্যবহার করতে দেওয়া হয়েছে।
গতকাল ছিল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ। পৃথ্বী-২ লম্বায় নয় মিটার এবং ব্যাস এক মিটার। এতে দুটি ইঞ্জিন রয়েছে এবং তরল জ্বালানির সাহায্যে এটি কাজ করে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাওবাদীরা আমাকে হত্যা করতে চায়
মমতা দাবি করেন, ‘মাওবাদীরা আমাকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুকুল রায় ও অন্যান্য তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের হত্যা করতে চাইছে।’ তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে কয়েকজন মাওবাদীকে তাঁর কালীঘাটের বাড়ির কাছাকাছি ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। কিছুদিন আগে জঙ্গলমহলে একটি সভায় এক মাওবাদী নেতা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের সব নেতাই লক্ষ্যবস্তু হিসেবে তাঁদের তালিকায় রয়েছেন।
একই সঙ্গে মাওবাদীদের হুঁশিয়ার করে মমতা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের হত্যা করে তাঁকে দমানো যাবে না। বরং যারা মানুষকে ভুল পথে পরিচালিত করছে, তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চলবে। তিনি বলেন, অস্ত্র দিয়ে নয়, রাজনৈতিকভাবে ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মাওবাদীদের মোকাবিলা করা হবে।
কয়েক দিন আগে জঙ্গলমহলে এক তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে মাওবাদীরা হত্যা করে। গত রোববার দুজনকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ মমতা মাওবাদীদের জঙ্গল মাফিয়া অভিহিত করে বলেন, ‘মাওবাদী সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান আমরা চেয়েছিলাম। আলোচনা শুরু করতে মধ্যস্থতাকারীও নিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু মাওবাদীরা যেভাবে হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে, এতে আর আলোচনা সম্ভব নয়।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইহুদি ভোটারদের শান্ত রাখতে উল্টো পথে ওবামা
তবে নির্বাচনী তথ্য ও রাজনৈতিক ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, মার্কিন ইহুদিরা ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ককে একমাত্র নিয়ামক হিসেবে নেয় না। কাজেই ২০১২ সালের নির্বাচনেও তারা ডেমোক্র্যাটদের ছেড়ে যাবে বলে মনে হয় না।
তার পরও বিশ্লেষকেরা বলছেন, আগামী নির্বাচন হবে খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। কাজেই মৃতপ্রায় শান্তি-প্রক্রিয়ার পেছনে ওবামা তাঁর ক্ষয় হতে থাকা রাজনৈতিক সম্পদ বেশি ব্যয় করুন—এটা চাইবেন না ভোট হারানোর সম্ভাবনায় চিন্তিত ওবামার নির্বাচনী সহযোগীরা।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে হোয়াইট হাউসে ওবামার বৈঠক ব্যর্থ হওয়া ও ফিলিস্তিনে ইহুদি বসতি স্থাপন বন্ধের বিষয়ে চাপ দেওয়ায় মার্কিন ইহুদি ভোটারদের সঙ্গে ওবামার সম্পর্কের বিষয়টি সামনে চলে এসেছে।
ডেমোক্র্যাটদের জন্য ইহুদিদের ভোট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ওবামা ইহুদিদের ৭৮ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন এবং তিনি যখন দায়িত্ব গ্রহণ করেন তখন তাঁর প্রতি ইহুদিদের সমর্থনের হার ছিল ৮৩ শতাংশ। তবে গ্যালপের সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, চলতি সেপ্টেম্বর নাগাদ এই হার নেমে এসেছে মাত্র ৫৪ শতাংশে। ডেমোক্র্যাটদের অন্যতম শক্তিশালী ঘাঁটি নিউইয়র্ক। কিন্তু সেখানে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত স্থানীয় নির্বাচনে জয়ী হয়েছে রিপাবলিকানরা। সমালোচকেরা ভোটের আগে অভিযোগ তোলেন, প্রেসিডেন্ট ওবামা ইসরায়েলকে অবমূল্যায়ন করছেন। এ জন্য রক্ষণশীলরা সেখানে ইহুদিদের ভোট পেয়েছে।
নিউইয়র্কে নির্বাচনের পর রিপাবলিকানদের একটি ইন্টারনেট বিজ্ঞাপনে এক ইহুদি ভোটারকে বলতে দেখা যায়, ‘ইসরায়েলকে বাসের নিচে ফেলে দেওয়ার চিন্তাও করবেন না।’
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর এক নিবন্ধে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড্যান সেনর বলেন, এই প্রজন্মের যেকোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের তুলনায় ওবামার আমলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কিছু একপেশে কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার কারণে ওবামা ইহুদি ভোট হারাচ্ছেন।
অনলাইন সংবাদমাধ্যমের পথিকৃৎ ম্যাট ড্রুজ এটাকে ‘ইহুদিদের প্রতিশোধ’ বলে উল্লেখ করেছেন।
তবে ডেমোক্র্যাটিক নেতারা জোর দিয়ে বলছেন, রক্ষণশীল ইহুদি ভোটারদের বিষয়টি জাতীয় পর্যায়ে কোনো প্রভাব ফেলবে না। কিন্তু আগামী নির্বাচনে রিপাবলিকান দল থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ওবামার বিরুদ্ধে ইহুদি ভোটারদের ক্ষোভ আরও উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তাঁদের একজন টেক্সাসের গভর্নর রিক পেরি বলেছেন, ওবামা ফিলিস্তিনিদের শান্ত রাখার চেষ্টা করছেন।
কাজেই ফিলিস্তিনের দাবিতে ভেটো দেওয়ার হুমকি দিয়ে জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে ওবামা যখন বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধন কখনো ছিন্ন হওয়ার নয়—তখন কিছু বিশ্লেষক তাঁর এই বক্তব্যের মধ্যে অন্য কিছুর আভাস পাচ্ছেন।
২০০৮ সালে ভোটারদের ওপর জরিপ থেকে জানা গেছে, সারা দেশের মোট ভোটারের মাত্র ২ শতাংশ ইহুদি ভোটার। কিন্তু তার পরও ফ্লোরিডা এবং পেনসিলভানিয়ার মতো অঙ্গরাজ্যে এই ভোটাররাই নির্বাচনের ফলাফলে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। এ জন্য ইহুদি ভোটারদের ক্ষোভ ওবামার সহযোগীদের কাছে চিন্তার বিষয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তরুণেরা অনিরাপদ যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছে
বিশ্ব গর্ভনিরোধক দিবস (ডব্লিউসিডি) উপলক্ষে জরিপটি পরিচালনা করা হয়।
জরিপে দেখা গেছে, তরুণসমাজের একটা বড় অংশ নতুন সঙ্গীদের সঙ্গে অনিরাপদ সম্পর্ক গড়ে তুলছে। গত তিন বছরে ফ্রান্সে এই সম্পর্কের হার ১১১ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ৩৯ শতাংশ ও যুক্তরাজ্যে ১৯ শতাংশ বেড়েছে।
ডব্লিউসিডি টাস্কফোর্সের সদস্য ডেনিস কেলার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আপনি বিশ্বের কোথায় আছেন, সেটি কোনো বিষয় নয়। যৌন সম্পর্ক ও গর্ভনিরোধক সম্পর্কে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে তরুণসমাজের বাধাগুলো সবখানেই আছে।’ ডেনিস কেলার বলেন, ‘তরুণ-তরুণীরা গর্ভনিরোধের বিষয়ে তথ্য ও ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে পারলে, তা তাদের পছন্দ অনুযায়ী কাজে লাগাতে পারবে। কাজেই সহজে তাদের সঠিক ও নিরপেক্ষ তথ্য লাভের বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ।’
যৌন বিষয় ও গর্ভনিরোধের ব্যাপারে মনোভাব জানতে চিলি, পোল্যান্ড, চীনসহ ২৬টি দেশের ছয় হাজারের বেশি তরুণকে প্রশ্ন করা হয়। এতে দেখা গেছে, তরুণসমাজের মধ্যে অপরিকল্পিতভাবে সন্তান নেওয়ার প্রবণতা বেশি, যা গোটা বিশ্বের জন্য মাথাব্যথার কারণ।
জরিপের ফলাফলে বলা হয়েছে, অনেক দেশে যৌনশিক্ষার অভাবে তরুণসমাজের অনিরাপদ শারীরিক সম্পর্ক বেড়ে চলেছে। ইউরোপে দেখা গেছে, জরিপে অংশ নেওয়া সেখানকার অর্ধেক তরুণ স্কুলে যৌনশিক্ষা পায়। অথচ যুক্তরাষ্ট্র, লাতিন আমেরিকা, এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে এর হার তিন-চতুর্থাংশ।
জরিপে অংশ নেওয়া অনেকে বলেছে, গর্ভনিরোধ বিষয়ে কোনো চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে তারা বিব্রতবোধ করে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাক্কানি জঙ্গিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নয়: পাকিস্তান সেনাবাহিনী
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আশফাক পারভেজ কায়ানি গত রোববার সেনাবাহিনীর শীর্ষ কমান্ডারদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করেন। দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হয়।
পাকিস্তানের সেনা গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই হাক্কানি নেটওয়ার্ককে সহযোগিতা করছে বলে যুক্তরাষ্ট্র যে অভিযোগ করছে, বৈঠকে তা নাকচ করা হয়। সেনা কর্মকর্তারা অঙ্গীকার করেন, যেকোনো ধরনের আন্তসীমান্ত হামলার সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।
কাবুলে সম্প্রতি মার্কিন দূতাবাসসহ অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুতে হামলার জন্য হাক্কানি জঙ্গিগোষ্ঠীকে দায়ী করছে যুক্তরাষ্ট্র। সংগঠনটি পাকিস্তানের উত্তর ওয়াজিরিস্তানে অবস্থান নিয়ে আফগানিস্তানে কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে বলে মনে করে ওয়াশিংটন। এ জন্য ওয়াজিরিস্তানে সেনা অভিযান চালানোর জন্য ইসলামাবাদকে চাপ দিচ্ছে মার্কিন প্রশাসন।
এক সেনা কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে পাকিস্তানের এক্সপ্রেস ট্রিবিউন পত্রিকা গতকাল জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ ও দাবি প্রতিহত করতে রোববারের বৈঠকে সেনা কর্মকর্তারা একমত হন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা পত্রিকাটিকে বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়ে দিয়েছি, এ বিষয়ে পাকিস্তান ইতিমধ্যে যা করেছে, তার থেকে বেশি কিছু করতে পারবে না।’
বিশ্লেষকেরা বলছেন, হাক্কানির বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গেলে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হতে পারে। কেননা, ওই অঞ্চলের অন্যান্য জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জোরালো সম্পর্ক গড়ে তুলেছে হাক্কানি গ্রুপ। এ ছাড়া প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলে তাদের অবস্থান বেশ শক্তিশালী।
দুই সপ্তাহ আগে কাবুলে মার্কিন দূতাবাস ও ন্যাটো সদর দপ্তরে হামলা চালায় জঙ্গিরা। এ জন্য হাক্কানিকে দায়ী করেন মার্কিন কর্মকর্তারা। তাঁরা বলছেন, গোয়েন্দা তথ্য ও ফোনালাপের সূত্র ধরে তাঁরা জানতে পেরেছেন, আইএসআইয়ের সঙ্গে জড়িতে লোকজনের সঙ্গে হামলাকারীদের যোগাযোগ ছিল।
এদিকে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেহমান মালিক বলেন, হাক্কানি নেটওয়ার্ক নিয়ে যেসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তার দায়ভার যুক্তরাষ্ট্রকেও নিতে হবে। কেননা, আফগানিস্তানে সোভিয়েত দখলদারিত্বের সময় সিআইএ এই নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করেছে। তারাই এদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ অধীনতামূলক মিত্রতা চুক্তি
সে আরেক বীরত্ব ও দেশপ্রেমের মহান অথচ ট্র্যাজিক কাহিনী। বিশ্ব ইতিহাসে বীরত্বের অধিকাংশ কাহিনীই বোধহয় ট্র্যাজেডিতে শেষ হয়েছে। মহীশুরের ক্ষেত্রেও ইংরেজরা শঠতা ও বিশ্বাসঘাতকতার আশ্রয় নিয়েছিল। টিপু সুলতান যখন সাম্রাজ্যবাদীদের বিরুদ্ধে একাকী লড়ছেন, সেই মুহূর্তে নিজাম, পেশোয়া এবং মারাঠারা ইংরেজদের তল্পিবাহক হয়ে উচ্ছিষ্ট ঘরে তুলতে ব্যস্ত থেকেছে।
যাক সেসব কথা। ভারত উপমহাদেশে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের সম্প্রসারণকালে ব্যবহৃত ‘Protectorate’ শব্দটি বর্তমানের শেখ হাসিনার বাংলাদেশে প্রাসঙ্গিক বলেই এত পুরনো কথার অবতারণা করলাম। আন্তর্জাতিক আইনে এই ইংরেজি ঢ়ত্ড়ঃবপঃড়ত্ধঃব শব্দটির আধুনিক যুগের সংজ্ঞা পাঠকের জ্ঞাতার্থে উদ্ধৃত করছি,
"It is an autonomous territory that is protected diplomatically or militarily against third parties by a stronger state. In exchange for this, the protectorate usually accepts specific obligations. However, it retains some measure of sovereignty."
(এটি এমন একটি ভূখণ্ড যা অপর একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র কর্তৃক কূটনৈতিক ও সামরিক নিরাপত্তা প্রদত্ত। এই নিরাপত্তা প্রদানের বিনিময়ে আশ্রিত রাষ্ট্রের কিছু দায়বদ্ধতা থাকে। যাই হোক, এই প্রকার ভূখণ্ডের খানিকটা সার্বভৌমত্ব রয়েছে) ঔপনিবেশিক আমলের ‘Colonial Protectorate’-এর ক্ষেত্রে অবশ্য আশ্রিত রাষ্ট্রের কোনোরকম সার্বভৌমত্বের বালাই ছিল না। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি Protectorate-এর দুই সংজ্ঞার মধ্যে বর্তমানে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে, সেই বিষয় নিয়ে বিতর্ক উসকে দেয়ার উদ্দেশ্যেই আমার আজকের এই লেখা।
বাংলাদেশের চিন্তাশীল ও প্রকৃত স্বাধীনতাকামী নাগরিকদের কাছে ক্রমেই প্রতীয়মান হচ্ছে যে, লাখ লাখ শহীদের প্রাণের বিনিময়ে প্রাপ্ত স্বাধীন ভূখণ্ডটিকে ভারতের protectorate-এ পরিণত করার আকাঙ্ক্ষাতেই ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সে দেশের শাসকশ্রেণী সহায়তা প্রদান করেছিল। ইন্দিরা গান্ধীর মহত্ত্ব প্রদর্শন কিংবা বাংলাদেশের অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো ছিল সম্পূর্ণ গৌণ বিষয়। ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে লেখা গত দুই কিস্তির মন্তব্য প্রতিবেদনে বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ উদ্ধৃত করে ভারতের গুপ্ত বাসনার কথা যথাসাধ্য প্রকাশ করার চেষ্টা করেছি। আজকের শেষ কিস্তিতে গত চল্লিশ বছরে দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত রাজনৈতিক চুক্তিগুলো নিয়ে খানিক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের চেষ্টা করব।
১৯৭২ সালের মার্চে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তি এবং প্রথম নৌ-ট্রানজিট চুক্তি, ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি এবং ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রতারণা করে ফারাক্কা বাঁধ চালুর সব প্রাসঙ্গিক দলিল গত দুই বুধবারে উপস্থাপন করেছি। আজ ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরকালীন প্রণীত Framework Agreement নিয়েই মূলত আলোচনার ইচ্ছে থাকলেও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ধারাবাহিকতার বিষয়টি তুলে ধরার জন্য আবারও ১৯৭২ সালে ফিরে যেতে হচ্ছে। সে বছর ঢাকায় ইন্দিরা গান্ধীর সফরকালে ১৯ মার্চ Treaty of friendship, Cooperation and peace between the Republic of India and the People's Republic of Bangladesh নামক বিতর্কিত পঁচিশ বছর মেয়াদি চুক্তি সম্পাদিত হয়। এই চুক্তিতেই ভারতীয় সংবিধানের আদলে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ঝবপঁষধত্রংস আমদানি করা হয়, যদিও এ দেশের ভারতপন্থী বুদ্ধিজীবীকুল ও সুশীল (?) সমাজ দীর্ঘদিন ধরে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এ দেশে Secularism প্রতিষ্ঠা ও বিসমিল্লাহর বিরুদ্ধে করা হয়েছিল বলে সর্বৈব মিথ্যা ও ইসলাম ধর্মবিরোধী প্রচারণা চালাচ্ছেন। বারোটি অনুচ্ছেদবিশিষ্ট পঁচিশ বছর মেয়াদি চুক্তিটি বাংলাদেশকে প্রকারান্তরে ভারতের আশ্রিত রাজ্যে পরিণত করার অসত্ উদ্দেশ্যে যে সম্পাদিত হয়েছিল, সেটি নিচে উদ্ধৃত অনুচ্ছেদ ৪, ৯ এবং ১০ থেকেই প্রমাণিত :
Article 4 : "The High Contracting Parties shall maintain regular contacts with each other on major international problems affecting the interests of both States, through meetings and exchange of views at all levels."
(চুক্তিবদ্ধ পক্ষদ্বয় তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সমস্যা প্রসঙ্গে সকল পর্যায়ে সভা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করবে।)
Article 9 : "Each of the High Contracting Parties shall refrain from giving any assistance to any third party taking part in and armed conflict against the other party. In case either party is attacked or threatened with attack, the High Contracting Parties shall immediately enter into mutual consultations in order to take appropriate effective measures to eliminate the threat and thus ensure the peace and security of their countries."
(চুক্তিবদ্ধ পক্ষদ্বয় কোনো তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে সশস্ত্র সংঘাতে লিপ্ত হলে কোনো পক্ষই সেই তৃতীয় পক্ষকে কোনোরূপ সহায়তা প্রদান করবে না। যে কোনো পক্ষ আক্রান্ত হলে অথবা হুমকির সম্মুখীন হলে সেই আক্রমণ অথবা হুমকি মোকাবেলা করে শান্তি স্থাপন ও নিরাপত্তা বিধানে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে চুক্তিবদ্ধ পক্ষদ্বয় জরুরি আলোচনায় মিলিত হবে।)
Article 10 : "Each of the High Contracting Parties solemnly declares that it shall not undertake any commitments, Secret or open, toward one or more States which may be incompatible with the present Treaty."
(চুক্তিবদ্ধ পক্ষদ্বয় এই মর্মে ঘোষণা দিচ্ছে যে, তারা অন্য কোনো এক বা একাধিক রাষ্ট্রের সঙ্গে গোপন অথবা প্রকাশ্য এমন কোনো প্রতিশ্রুতিতে আবদ্ধ হবে না যা এই চুক্তির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে।)
উপরিউক্ত চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমান ভারতের আধিপত্যের কাছে পুরোপুরি আত্মসমর্পণ করেন এবং বিশেষত অনুচ্ছেদ ১০-এ সম্মত হয়ে তিনি তৃতীয় দেশের সঙ্গে মৈত্রী স্থাপনের সুযোগও রহিত করেন। ভারতের সঙ্গে ২৫ বছর মেয়াদি এই চুক্তির কারণেই চীন ও সৌদিআরবসহ বহু রাষ্ট্র বাংলাদেশকে সেই সময় স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করে। একাধিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক অবশ্য দাবি করে থাকেন যে, প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারকে ভারতেই ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে ভারত-পাকিস্তান চূড়ান্ত যুদ্ধ শুরুর আগেই অধীনতামূলক মিত্রতা চুক্তি স্বাক্ষরে বাধ্য করা হয়। মুক্তিযুদ্ধ শেষে শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের পর ঢাকায় ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে ১৯ মার্চ যে চুক্তি স্বাক্ষর করেন, সেটি আগেকার বশ্যতা স্বীকারের এক প্রকার আনুষ্ঠানিকতা ছিল মাত্র। বাংলাদেশের জন্য অসম্মানজনক চুক্তি চাপিয়ে দেয়া হলেও দিল্লি কিন্তু তার সুবিধামত চুক্তির শর্ত ভাঙতে কোনো দিনই দ্বিধা করেনি।
চুক্তির ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিবাদে কোনো বিদ্রোহী পক্ষকে সহায়তা না করার সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি থাকা সত্ত্বেও ভারত অবলীলায় চুক্তি ভঙ্গ করে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী এবং তথাকথিত শান্তি বাহিনীকে অস্ত্র, প্রশিক্ষণ, অর্থ এবং অন্যান্য সহায়তা দিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহ পরিচালনায় সরাসরি অংশগ্রহণ করছে। ভারত সরকার সে দেশের ভূখণ্ডকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধে ব্যবহৃত হতে দিয়ে চুক্তির ৮ অনুচ্ছেদের নিম্নোক্ত অংশ বছরের পর বছর ধরে পরিষ্কারভাবে লঙ্ঘন করেছে,
"Each of the High Contracting parties shall refrain from any aggression against the other party and shall not allow the use of its territory of committing any act that may cause military damage to or constitute a threat to the security of the other High Contracting Party."
(চুক্তিবদ্ধ পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে সর্বপ্রকার আগ্রাসী তত্পরতা থেকে বিরত থাকবে এবং নিজের ভূখণ্ড অন্য পক্ষের সামরিক ক্ষয়ক্ষতি কিংবা তার নিরাপত্তার বিরুদ্ধে হুমকি সৃষ্টিকারী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হতে দেবে না।)
বাংলাদেশে ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কাদের সিদ্দিকী ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করেন এবং ভারত সরকারের সহায়তাক্রমে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষিপ্ত যুদ্ধে লিপ্ত হন। ইন্দিরা গান্ধী পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হলে মোরারজী দেশাই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন এবং তিনি বাংলাদেশ বিরোধী এই অপতত্পরতায় শেষ অবধি ইতি টানেন। অপরদিকে প্রায় দুই যুগ ধরে সন্তু লারমার নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী বিশেষত চাকমারা ভারতে ক্যাম্প স্থাপন করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াই অব্যাহত রাখে। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার প্রথম দফা ক্ষমতা গ্রহণের প্রেক্ষাপটে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে দীর্ঘ দুই যুগব্যাপী সেই বিদ্রোহের অবসান ঘটে। আজকের বাংলাদেশে চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর দশ ট্রাক অস্ত্র মামলাকে কেন্দ্র করে জাতীয় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার দু’জন সাবেক মহাপরিচালককে কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে। অভিযোগ করা হচ্ছে, তারা নাকি চীন থেকে পাঠানো এই অস্ত্রের চালান বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী উলফাকে (ULFA) হস্তান্তরের কাজে সহায়তা করেছিলেন। অভিযোগ যদি সত্য হয়ে থাকে এবং সেই কারণে বর্তমান সরকার যদি দুই সাবেক জেনারেলকে অপরাধী বিবেচনা করেন, তাহলে নৈতিকতার মানদণ্ডেই কাদের সিদ্দিকী এবং সন্তু লারমাকে অস্ত্র সরবরাহকারী ও প্রশিক্ষণদানকারী ভারতীয় জেনারেলদের বিচারও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ভারতের কাছে দাবি করা উচিত। ভারতীয় জেনারেলদের বিচারের বিষয়টি প্রসঙ্গক্রমে এসেছে এবং এটি আজকের মন্তব্য প্রতিবেদনের মূল বিষয় নয় বিধায় এই লেখায় সে সম্পর্কে বিশদ আলোচনায় আর যাচ্ছি না। এ বিষয়ে ভবিষ্যতে লেখার ইচ্ছা রইল।
মুজিব-ইন্দিরা স্বাক্ষরিত ২৫ বছর মেয়াদি তথাকথিত Treaty of Friendship চুক্তির আলোকে এবার সেপ্টেম্বরের ৬ তারিখে মুজিব তনয়ার সই করা Framework Agreement নিয়ে আলোচনা করা যাক। কাকতালীয়ভাবে এবারের চুক্তিটিও পূর্ববত্ বারোটি ধারাসংবলিত এবং চুক্তি স্বাক্ষরের স্থানও সেই ঢাকাতেই। চুক্তির প্রথম ধারাতেই বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে আধিপত্যবাদী ভারতের জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে করিডোর নেয়ার আয়োজন পাকাপোক্ত করা হয়েছে,
"........... facilitate trade, by road, rail, inland waterways, air and shipping. Both parties will encourage the development of appropriate infrastructure, use of sea ports, multi-modal transportation and standardization of means of transport for bilateral as well as sub-regional use."
(...রাস্তা, রেল, অভ্যন্তরীণ নদীপথ, আকাশপথ এবং জাহাজযোগে বাণিজ্যে সহায়তা প্রদান। যথাযথ অবকাঠামো নির্মাণ, সমুদ্র বন্দর ব্যবহার, বিভিন্ন প্রকার পরিবহন ব্যবস্থা ও যানবাহনের মধ্যে এক প্রকার সমমানদণ্ড বিধানের জন্য উভয়পক্ষ উত্সাহিত করবে যাতে সেগুলোর দ্বিপাক্ষিক এবং উপ-আঞ্চলিক ব্যবহার সম্ভব হয়।)
পাঠক, একটু মনোযোগ দিয়ে পড়লেই বুঝতে সক্ষম হবেন যে ধারাটি কেবল ভারতের স্বার্থ পূরণে প্রণীত হয়েছে। এই একতরফা ধারা বাংলাদেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করে জায়েজ করার অপকৌশল হিসেবেই অনর্থক উপ-অঞ্চলকে কোনোরূপ সংজ্ঞায়িত না করেই টেনে আনা হয়েছে। এখানে দক্ষিণ এশিয়া, সার্ক কিংবা এই অঞ্চলের অন্য রাষ্ট্রগুলোর নাম নির্দিষ্ট না করে কেবল উপ-অঞ্চল বলার অর্থই হচ্ছে পরবর্তীকালে বড়জোর নেপাল ও ভুটানকে চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক অথবা সামরিক, কোনো বিবেচনাতেই কেবল নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে আমাদের এই প্রকার সংযোগ স্থাপনের তেমন কোনো মূল্য নেই। অর্থাত্ চুক্তিতে ব্যবহৃত ভাষাগত দুর্বোধ্যতা (Jargon) ও অস্বচ্ছতার মাধ্যমে ভারতের করিডোর পাওয়াটাই মূল উদ্দেশ্য। চুক্তির সাত নম্বর অনুচ্ছেদে 'physical connectivity' অর্থাত্ প্রাকৃতিক সংযোগের বিষয় উল্লেখ করে আবার প্রচ্ছন্নভাবে সেই ভারতীয় করিডোরকেই সামনে নিয়ে আসা হয়েছে।
মুজিব-ইন্দিরার অতীব বিতর্কিত পঁচিশ বছর মেয়াদি চুক্তির চেয়েও অধিকতর নগ্নভাবে যে এইবার বাংলাদেশকে দিল্লির অধীনস্থ করে ফেলা হয়েছে সেটি চুক্তির ৮, ৯, ১০ এবং ১১ নম্বর ধারাতেই প্রমাণিত। পাঠকের বোঝার সুবিধার্থে চারটি ধারাই আমি এখানে উদ্ধৃত করছি,
Article 8 : "To cooperate closely on issues relating to their national interests, Both parties shall work together to create a peaceful environment conducive for inclusive economic growth and development."
(উভয় রাষ্ট্র পরিবেষ্টক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ প্রতিষ্ঠায় জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতা করবে।)
Article 9 : "To cooperate on security issues of concern to each other while fully respecting each other's sovereignty. Neither party shall allow the use of its territory for activities harmful to the other."
(পরস্পরের সার্বভৌমত্বের প্রতি পরিপূর্ণভাবে শ্রদ্ধাশীল থেকে নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট উদ্বেগের বিষয়ে সহযোগিতা করবে। কোনো দেশই তার ভূখণ্ডকে অন্য দেশের জন্য ক্ষতিকারক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হতে দেবে না।)
Article 10 : "To establish a joint Consultative Commission for effective and smooth implementation of this Agreement that shall meet once a year."
(চুক্তির কার্যকর ও স্বচ্ছন্দ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গঠিত যৌথ পরামর্শক কমিটি বছরে অন্তত একবার সভা অনুষ্ঠান করবে।)
Article 11 : "The Agreement may be amended by mutual consent in order to enhance, deepen and widen the scope of cooperation, including regional/sub-regional expansion."
(সহযোগিতার পরিধিকে বিস্তৃত এবং গভীরতর করার লক্ষ্যে এই চুক্তি পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে এমনভাবে সংশোধন করা যাবে যাতে করে চুক্তির আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক সম্প্রসারণ সম্ভব হয়।)
বর্তমান ভারতবান্ধব সরকারের আমলে বাংলাদেশকে দিল্লির নিয়ন্ত্রণাধীন করার পর ভবিষ্যতের কোনো দেশপ্রেমিক সরকার যাতে আমাদের মাতৃভূমিকে শৃঙ্খলমুক্ত না করতে পারে, সেই উদ্দেশ্য সাধনে অত্যন্ত আপত্তিকর ১২ নং ধারা প্রণীত হয়েছে। শাসক গোষ্ঠীর মধ্যে দেশপ্রেমের লেশমাত্র থাকলে তারা এই ধারাটি অন্তত মানতে পারতেন না। ধারাটিতে বলা হয়েছে,
"This Agreement shall come into force on the date of its signing by the two parties and shall remain in force until terminated by mutual consent in accordance with Para 2 of this Article.
Either Party may seek termination of this Agreement by giving a written notice to the other Party providing the reasons for seeking such termination. Before this Agreement is terminated, the Parties shall consider the relevant circumstances and hold consultations to address the reasons cited by the Party seeking termination in the Joint Consultative Commission."
(উভয়পক্ষ কর্তৃক চুক্তি স্বাক্ষরের দিন থেকে চুক্তি কার্যকর হবে এবং এই অনুচ্ছেদের ২য় অংশে বর্ণিত পন্থা অনুযায়ী পারস্পরিক সম্মতিতে অবসান করার পূর্ব পর্যন্ত চুক্তি বলবত্ থাকবে।
যে কোনো পক্ষ সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখপূর্বক চুক্তি বাতিলের জন্য লিখিত নোটিশ দিতে পারবে। চুক্তি বাতিলের আগে পক্ষদ্বয় প্রাসঙ্গিক পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা করবে এবং যৌথ পরামর্শক কমিটি চুক্তি বাতিলের কারণ পর্যালোচনাপূর্বক তার সমাধানের প্রচেষ্টায় আলোচনা করবে।)
এখানেই শেষ নয়। শেখ হাসিনা জাতীয় স্বার্থবিরোধী যে ভয়ঙ্কর চুক্তি ষোল কোটি জনগণের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছেন সেই চুক্তির অধীনে একবার কোনো ব্যবস্থা অথবা কার্যক্রম গৃহীত হলে সেটি চুক্তি বাতিল হলেও রহিত করা যাবে না। চুক্তির শেষাংশটি নিম্নরূপ—
"Actions taken or agreements reached pursuant to this Agreement shall not be affected by its expiry or termination."
(অত্র চুক্তির অধীন কোনো কার্যক্রম গৃহীত হলে অথবা কোনো চুক্তিতে উপনীত হলে সেটি বর্তমান চুক্তির মেয়াদ অতিক্রম অথবা চুক্তি অবসান হওয়া দ্বারা প্রভাবিত হবে না।)
আশা করি, নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা চুক্তির উপরিউক্ত অংশটি নিয়ে তাদের লেখালেখি এবং বক্তব্য-বিবৃতিতে বিশদভাবে আলোচনা করবেন। তবে, আমি এখানে চিরস্থায়ী পরাধীনতারই সুস্পষ্ট ইঙ্গিত পাচ্ছি। ধরা যাক, নিরাপত্তার অজুহাতে ভারত চুক্তি বলবত্কালীন বাংলাদেশে একটি সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করল। তারপর ভবিষ্যতে দেশে স্বাধীনতার প্রকৃত চেতনায় বিশ্বাসী কোনো সরকার ক্ষমতাসীন হয়ে Framework Agreement বাতিল করল। তখন আমরা কি সেই সামরিক ঘাঁটি সরাতে বৃহত্ প্রতিবেশীকে বাধ্য করতে পারব? নাকি ভারত চুক্তির শেষাংশের অজুহাতে আমাদের দাবি মানতে অস্বীকার করবে? সে রকম পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের নাগরিকদের ১৯৭১ সালের মতো আবারও কি সশস্ত্র সংগ্রামের পথ বেছে নিতে হবে?
ড. মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরের ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় আমি মন্তব্য করেছিলাম যে, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে Framework Agreement স্বাক্ষরিত হলে বাংলাদেশ তার ‘প্রকৃত স্বাধীনতা’ হারাবে। আমার সেই মন্তব্যে ভারতপন্থী বুদ্ধিজীবী ও সাংবাদিকগোষ্ঠী অতিশয় ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। আওয়ামী ঘরানার এক ব্যাংকার বুদ্ধিজীবী ও বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান আমার সেই মন্তব্যে কুপিত হয়ে ‘কালের কণ্ঠ’ পত্রিকায় তার কলামে আমার নাম উল্লেখ না করে কঠোর সমালোচনা করেছেন। পাঠকদের স্মরণে থাকার কথা যে, এই ব্যক্তিটি বর্তমান সরকার কর্তৃক শেয়ারবাজার কারসাজির উপর গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান রূপে নিযুক্তি লাভ করে যে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছিলেন, সেটিকে দেশের অধিকাংশ অর্থনীতিবিষয়ক বোদ্ধামহল জঞ্জাল রূপেই বিবেচনা করেছিলেন। সেই ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’ মার্কা রিপোর্ট দ্বারা না কোনো অপরাধী শনাক্ত করা গেছে, না ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা লাভবান হয়েছেন। ভারতের প্রতি নতমস্তক এই প্রকৃতির দলবাজ ব্যক্তি আমার প্রতি বিরূপ মন্তব্য করায় আমি বরঞ্চ সন্তোষই বোধ করেছি।
বাংলাদেশের এই গোষ্ঠীভুক্তরা দেশ বিক্রি কিংবা স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করলে সর্বদাই ঠাট্টা-তামাশা করেছেন, বিদ্রূপ করে ভারতীয় জুজুর ভয় দেখানোর কথা বলেছেন। আজ প্রকৃত স্বাধীনতা হরণ হয়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে দেশপ্রেমিক জনগণ অবশ্যই জানার অধিকার রাখেন যে, এসব বুদ্ধিজীবী কী জেনেশুনে, বিশেষ উদ্দেশ্যে ওইসব মন্তব্য করতেন, নাকি ভারতীয় সম্প্রসারণবাদী নীতি সম্পর্কে তারা প্রকৃতই অজ্ঞ ছিলেন? যদি জেনেশুনে তারা জনগণকে বিভ্রান্ত করে থাকেন, তবে অবশ্যই দেশদ্রোহিতার অভিযোগে তাদের বিচারের দাবি ওঠা উচিত। আর অজ্ঞতার কারণে এই ভুল করে থাকলে জাতির কাছে করজোড়ে ক্ষমা ভিক্ষা করা আবশ্যক।
ভারতপন্থী আওয়ামী বুদ্ধিজীবীরা সত্যকে স্বীকার না করলেও আমি নিশ্চিত মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনায় বিশ্বাসী এ দেশের প্রতিজন স্বাধীনতাকামী নাগরিক ধর্ম, বর্ণ, দল ও মতকে অতিক্রম করে সেপ্টেম্বরের ৬ তারিখে ঢাকায় স্বাক্ষরিত হাসিনা-মনমোহন চুক্তিকে নির্দ্বিধায় প্রত্যাখ্যান করবেন। ড. মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষ তিস্তার পানি না পেলেও অথবা ভারত ও বাংলাদেশের ছিটমহলবাসীদের দীর্ঘ ৬৪ বছরের বঞ্চনার অবসান না হলেও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী কিন্তু ঠিকই আমাদের রাষ্ট্রটিকে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শক্তির মতো করেই অধীনতামূলক মিত্রতা চুক্তিতে আবদ্ধ করে গেছেন। আমাদের মাতৃভূমিকে আশ্রিত রাষ্ট্রে পরিণত করার অপকর্মের জন্য বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির আত্মা বর্তমান শাসকগোষ্ঠীকে কোনোদিন ক্ষমা করতে পারে না। আসুন, আমরা মহাবীর টিপু সুলতানের বীরত্ব ও স্বাধীনতার চেতনা হৃদয়ে ধারণ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে প্রয়োজনে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে প্রস্তুত হই।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সোনাবরুর ছবি বাঁধাই করে রাখবে বন্ধুরা by সোহেল হাফিজ
বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, 'এ স্কুলের অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর পরিবারের আর্থিক অবস্থা সোনাবরুদের মতোই। তাই জরুরি সভার মাধ্যমে সোনাবরুর জন্য দু-এক দিনের মধ্যেই একটি দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। ওই অনুষ্ঠানে সব অভিভাবকের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করা হবে, যাতে তাঁরা তাঁদের শিশুদের খাদ্যসহ অন্যান্য মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে আরো বেশি সচেতন হন।' জাকিরতবক গ্রামের সোনাবরু (১০) দারিদ্র্য মানতে না পেরে গত বুধবার আত্মহত্যা করে। চতুর্থ শ্রেণীর এ ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যুর পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও গতকাল বিকেল পর্যন্ত জাকিরতবকে পা দেননি বরগুনার কোনো রাজনৈতিক নেতা। সোনাবরুদের দরিদ্র পরিবারকে সামান্য সমবেদনা জানাতে আসেনি বরগুনার কোনো বেসরকারি সংস্থা (এনজিও), সংগঠক বা বিশিষ্টজন।
সোনাবরুর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রবিবার বিকেলে বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোস্তাফিজুর রহমান তাদের বাড়ি গিয়েছিলেন। এ সময় তিনি ব্যক্তিগতভাবে সোনাবরুর মা আকলিমা বেগমকে ৫০০ টাকা সহায়তা দেন। তিনি বলেন, 'তাদের দারিদ্র্য ছিল, তবে অভাবের কারণে ক্ষুধার জ্বালায় যে সে আত্মহত্যা করেছে, তা ঠিক নয়। তার মা বাড়িতে ছিলেন না। স্কুল থেকে বাড়িতে ফিরে সে তার মাকে না পেয়ে আত্মহত্যা করেছে।' সোনাবরু একটু জেদি স্বভাবের ছিল বলে জানতে পেরেছেন উল্লেখ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরো বলেন, 'তার মা এর আগেও ভাতের অভাব হলে আশপাশের বাড়ি থেকে তা সংগ্রহ করে ছেলেমেয়েদের খাওয়াতেন। ওই দিনও যদি মা আকলিমা বেগম আশপাশের বাড়ি থেকে সোনাবরুর জন্য খাবার সংগ্রহ করে রেখে যেতেন, তাহলে হয়তো এমনটি ঘটত না।'
সোনাবরুর পরিবারের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তাঁরা। তাঁদের সবার সমবেদনার প্রতি সম্মান জানিয়ে সোনাবরুর মায়ের একটি ব্যাংক হিসাব নম্বর, সোনাবরুর বিদ্যালয় জাকিরতবক রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির মোবাইল ফোন নম্বর দেওয়া হলো, যাতে আগ্রহীরা তাঁদের সহযোগিতা পাঠাতে পারেন এবং জেনে নিতে পারেন তাঁদের সর্বশেষ পরিস্থিতি। মোসা. আকলিমা বেগম, সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর ২৭৯৪, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, আয়লা বাজার শাখা, বরগুনা। প্রধান শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর আলম ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. আবদুল্লাহ আল মামুনের মোবাইল ফোন নম্বর যথাক্রমে_০১৭২১৬৮৬৪৮০ ও ০১৭১২৭৭৯৮৫১।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
September
(685)
-
▼
Sep 28
(16)
- শেয়ারবাজারে আবার বড় দরপতন
- শেয়ারবাজারে কিছুটা গতি ফিরেছে
- বায়ার্ন-সিটিও বড় ম্যাচ
- বড় রেকর্ডের দিকে মেসি
- ইউরোজোনের সংকট থেকে উত্তরণের উদ্যোগ
- সারকোজির বাগানপ্রেম মন কেড়েছে কার্লা ব্রুনির
- আগাম নির্বাচনের প্রস্তাব দিয়েছেন আবদুল্লাহ সালেহ
- লিবিয়ায় কারাগারে গণকবরের সন্ধান
- কাবুলে সিআইএর দপ্তরে গুলিতে মার্কিন নিহত
- ভারতে পৃথ্বী-২-এর সফল উৎক্ষেপণ
- মাওবাদীরা আমাকে হত্যা করতে চায়
- ইহুদি ভোটারদের শান্ত রাখতে উল্টো পথে ওবামা
- তরুণেরা অনিরাপদ যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছে
- হাক্কানি জঙ্গিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নয়: প...
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ অধীনতামূলক মিত...
- সোনাবরুর ছবি বাঁধাই করে রাখবে বন্ধুরা by সোহেল হাফিজ
-
▼
Sep 28
(16)
-
▼
September
(685)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...