Sunday, December 15, 2013
নাগরিক অভিমত- নির্বাচনের নামে দেশে একটা তামাশা হচ্ছে by রফিক-উল হক

প্রধান বিরোধী দল বিএনপিও এ ব্যাপারে কিছুই বলছে না। বিএনপির নেতারা দেখি এখন সরকারি দলের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাতে কোনো দলই অবস্থান পরিবর্তন করবে—এমন আভাস পাওয়া যায় না। তা হলে এ আলোচনা কী জন্য, বুঝি না। এদিকে নির্বাচন তো যেকোনোভাবে হয়েই যাচ্ছে।
এরশাদ সাহেব কখন কী বলেন, কী করেন, তা বোঝা যায় না। তাঁর স্ত্রী, জাতীয় পার্টির আরেকজন শীর্ষস্থানীয় নেতা বলছেন আরেক কথা। তাঁদের দলের অনেকের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হলো। অনেকের হলো না। কেন হলো, আর কেন হলো না, কেউ বলতে পারে না।
অন্যদিকে হরতাল-অবরোধে সারা দেশে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন সাধারণ মানুষের প্রাণ যাচ্ছে। মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে। মানুষের সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে। লুটপাটও হচ্ছে।
সব মিলিয়ে খুবই একটা খারাপ পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা সবাই এর ভুক্তভোগী হচ্ছি। আরও কত দিন ভুগতে হবে, কেউ জানে না।
নির্বাচন যেভাবে হচ্ছে, তা স্থগিত কিংবা বাতিল করাও এখন কঠিন। কারণ, নির্বাচন কমিশন এখন তেমন পদক্ষেপ নিলে যাঁরা ইতিমধ্যে নির্বাচিত হয়ে গেছেন বা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে যাওয়ার পথে, তাঁরা তা চ্যালেঞ্জ করবেন। তাঁরা আদালতে যাবেন। তা নিয়ে সৃষ্টি হবে আরেক ধরনের জটিলতা।
এই পরিস্থিতির অবসান কীভাবে এবং কত দিনে হবে, সেটা বোঝা যাচ্ছে না। সে কারণে সাধারণ মানুষ আরও বেশি উদ্বিগ্ন। কারণ, তারা এই পরিস্থিতির অবসান চায়। দ্রুত জীবনযাত্রায় স্বাভাবিকতা ফিরে আসুক, সেটা চায়। সরকার সে জন্য কী করছে, তা দৃশ্যমান নয়।
দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে সাধারণ মানুষের শঙ্কা, আতঙ্ক দূর করতে ভূমিকা রাখা সব রাজনৈতিক দলের অবশ্যকর্তব্য। তবে সে ক্ষেত্রে সরকারের দায়িত্ব অনেক বেশি। আমরা সরকারের এবং সব রাজনৈতিক দলের কাছে সেই দায়িত্বশীল আচরণ আশা করছি।
রফিক-উল হক, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সমঝোতার ভিত্তিতে টেন্ডার ভাগাভাগির মতো by হোসেন জিল্লুর রহমান

এ ধরনের নির্বাচন সরকারের বৈধতাকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে। দেশে রাজনৈতিক অঙ্ক আরও ঘনীভূত হবে। বর্তমান সরকার এখনো বৈধতার প্রশ্নে চূড়ান্ত সংকটে পড়েনি। কিন্তু যে ধরনের নির্বাচন হচ্ছে, তাতে এই নির্বাচনের পর সব মহল থেকে সরকারের বৈধতার প্রশ্ন উঠবে।
সেদিক বিবেচনায় আমরা বলতে পারি, বর্তমানে যে সংকট চলছে, তার চেয়ে আরও বড় সংকট ঘনিয়ে আসছে। সেই সংকট কীভাবে নিরসন করা যাবে, সে বিষয়ে বোধ হয় দেশবাসীর প্রস্তুত হওয়া দরকার।
এ ধরনের একটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বর্তমান নির্বাচন কমিশনও প্রশ্নবিদ্ধ হলো। তাদের অধীনে ভবিষ্যতে আর কোনো নির্বাচন দেশবাসী মানবে কি না, সে প্রশ্ন এখন বড় হয়েই দেখ দিয়েছে।
আমাদের দেশে আশির দশকে অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী শাসনামলে দেখা গেছে ভোটারবিহীন নির্বাচন। অর্থাৎ নির্বাচন হবে, কিন্তু তাতে ভোটারদের প্রয়োজন নেই। এখন আবার আশির দশকের সেই বাস্তবতা ফিরে এসেছে। এবার যেটা হচ্ছে, সেখানেও ভোটারদের প্রয়োজন থাকছে না। বরং নির্বাচনের প্রক্রিয়াটি এবার আরও একধাপ অনিয়মের দিকে এগিয়েছে, যেখানে কার্যত প্রার্থী থাকাও দরকার হচ্ছে না।
এবারের নির্বাচনে কে কোথায় প্রার্থী থাকবেন, তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জিতবেন, নাকি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে আসবেন—এসবই নির্ধারণ করে দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচনের নামে এর চেয়ে বড় প্রহসন আর কী হতে পারে!
-সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এমন হাস্যকর নির্বাচন মানুষ চায় না by রাশেদা কে চৌধূরী

ভোটারবিহীন নির্বাচনের মতো প্রার্থীবিহীন এই নির্বাচন রাজনীতিকদের জন্য মোটেই সম্মানজনক হবে না। তেমনি জনগণের জন্যও এই নির্বাচন কোনো কল্যাণ বয়ে আনতে পারবে না। সর্বসাধারণের কাছেও এই নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। তাই এ ধরনের নির্বাচনের ফলাফলকে জনগণের রায় বলা বা মেনে নেওয়া কারও পক্ষেই সম্ভব হবে না।
গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ সারা পৃথিবীতে উন্নয়ন ও অগ্রগতির একটি মডেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এ ধরনের একটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন সেই উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে দেশের সব অর্জনকে ম্লান করে দেবে। এ ধরনের নির্বাচন দেখে নতুন প্রজন্ম রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে।
এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আরও বড় একটি আশঙ্কা জনমনে সৃষ্টি হয়েছে, তা হলো প্রধান বিরোধী দল ছাড়া এ ধরনের একটি নির্বাচন কি দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনতে পারবে? এখন যে অস্থিতিশীল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, নির্বাচনের পর কি তার অবসান হবে? এটা শুধু আশঙ্কা নয়, জনমনের বিরাট বড় এক প্রশ্নও। এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে যে পারস্পরিক দোষারোপ ও কাদা-ছোড়াছুড়ি এই নির্বাচনকে ঘিরে চলছে, তার সুযোগ নিয়ে আরেক অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এই শক্তি সাধারণ মানুষের জন্য এক আতঙ্কের পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। সারা দেশে তারা জনগণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত করে চলেছে। কিন্তু সরকার বা রাষ্ট্রশক্তি তাদের প্রতিরোধ করতে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। প্রধান বিরোধী দলও তাদের ব্যাপারে চুপ। এটা জাতির জন্য মোটেই মর্যাদার বিষয় নয়।
-সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিডিয়া বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবে! by অমিত রহমান
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচনের নামে জনগণের সঙ্গে তামাশা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ন্যায় ও সত্যের জয়ধ্বনি
![]() |
| বধ্যভূমি |
রায় বলছে অনেক কথা, শুনতে কি পাই আমরা?
মফিদুল হক: লেখক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোথায় র্যাব, কোথায় পুলিশ, কোথায় সরকার?
সোহরাব হাসান: কবি, সাংবাদিক।
sohrab03@dhaka.net
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ প্যারাডক্স
১) পরিস্থিতি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত কয়েক মাসের জন্য নির্বাচন স্থগিতকরণ;
২) একটি ‘পুনর্গঠনমূলক বিরতি’, যা একটি সামরিক হস্তক্ষেপ ও টেকনোক্র্যাট সরকারেরই অপর নাম। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংস্কার বাস্তবায়ন করবে এই সরকার। এ রকম ব্যবস্থা আগে সফল হয়নি, তাই এখন সেটা কেন কাজ করবে? সম্ভবত এর উত্তর রয়েছে ‘বাংলাদেশ প্যারাডক্স’ নামের একটি ধাঁধার মধ্যে। এই প্যারাডক্সটি হচ্ছে বাংলাদেশ আধুনিকায়ন তত্ত্বকে উপেক্ষা করে, যা অধিকাংশ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বুদ্ধিবৃত্তিক ভিত্তি। সহজ কথায়, এই তত্ত্ব অনুযায়ী অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির উচ্চ হার বজায় রাখা, দারিদ্র্যের নিম্ন হার, শিক্ষা, সাক্ষরতা, গণস্বাস্থ্য প্রভৃতি সামাজিক সূচকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির সঙ্গে রাজনৈতিক উন্নয়ন যুক্ত রয়েছে। অন্য কথায়, আয় ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান জোয়ার সব ক্ষেত্রেই প্রভাব ফেলেছে এবং মধ্যবিত্ত, গণতান্ত্রিক কাঠামো ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিকাশ ও অগ্রগতির মধ্য দিয়ে সমৃদ্ধি অপরিহার্যভাবে আসবে এবং গণতন্ত্র নিজেও এগিয়ে যাবে। এই উপসংহারের পক্ষে প্রায়োগিক প্রমাণ নেই, বরং বিপক্ষে অনেক প্রমাণ রয়েছে (চীন, মালয়েশিয়া ও অন্যান্য দেশ)। বাংলাদেশ জিডিপিতে প্রায় ২০ বছরে ৫ থেকে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে; দেশটির বিভিন্ন সামাজিক সূচক ভারতের তুলনায় ভালো (এবং পাকিস্তানের চেয়ে সামগ্রিকভাবে ভালো) এবং দক্ষিণ এশিয়ায় একমাত্র শ্রীলঙ্কাই এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। তাই কী কারণে দেশটি কর্তৃত্ববাদী/গণতান্ত্রিক পথ ধরে পেছনের দিকে হেঁটে আরও কর্তৃত্ববাদী একটি রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকে যাচ্ছে? নিশ্চিতভাবে প্রথম কারণটি হচ্ছে আনুষ্ঠানিক গণতন্ত্র,
যাতে ভারসাম্য ও প্রকৃত গণতন্ত্রের ঘাটতি রয়েছে। এই আনুষ্ঠানিক গণতন্ত্র দেশটির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে অন্তঃসারশূন্য করে দিয়েছে এবং সেগুলোকে ক্ষমতাসীন দলের (প্রধান দুটি দলের মধ্যে) কৌশল বাস্তবায়নের যন্ত্রে পরিণত করেছে সম্প্রসারণশীল অর্থনীতি থেকে নিজেদের আর্থিক সুবিধা আদায় করে নেওয়ার জন্য। বর্তমান সংকট নিয়ে বিদেশিদের অধিকাংশেরই প্রতিক্রিয়া এ রকম যে, ঘটনাপ্রবাহ এবারও আগের বছরগুলোর মতোই হবে। বিগত সংকট মুহূর্তগুলোতে সরকারি দলটি সব সময়ই ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয় এবং বিরোধীরা ক্ষমতায় আসে। এর ফলে কার্যকর ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত না হলেও ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে ইতিহাস সব সময় নিজেকে পুনরাবৃত্ত করে না। সরকার যদি সত্যিই তার পরিকল্পিত একদলীয় নির্বাচনের পথে এগিয়ে যায়, এর ফলে সহিংসতার যে সূত্রপাত হবে তা সরকারের পতনঘটাতে পারে অথবা আরেকটি নির্বাচনের প্রয়োজনীয় ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে পারে; যাতে বিরোধীদের বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দুঃখজনকভাবে এটাই হবে সবচেয়ে ভালো পরিণতি। কারণ, বিকল্পটি আরও খারাপ—একটি সরকার—দেশটির প্রতিষ্ঠানগুলোর বিকারগ্রস্ততার কারণে, এমন একটি অবস্থায় রয়েছে, যা বিরোধী দলকে বলপূর্বক দমন করে একটি একদলীয় রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে। এই নির্বাচন, আগে যা কিছু হয়েছে তার বদলে, উপমহাদেশে সম্পূর্ণ নতুন কিছুর ইঙ্গিত নিয়ে আসতে পারে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যুরো থেকে কমিশন : অর্জন নাকি বিসর্জন? by ইকতেদার আহমেদ

কমিশনারদের নিয়োগ বিষয়ে সুপারিশ প্রদানের জন্য আইনে পাঁচ সদস্যের একটি বাছাই কমিটির বিধান রাখা হয়েছে। এ পাঁচ সদস্য হলেন- (ক) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের একজন বিচারক, (খ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক, (গ) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, (ঘ) সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান এবং (ঙ) অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবদের মধ্যে সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব। প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত আপিল বিভাগের বিচারককে কমিটির সভাপতির দায়িত্ব প্রদানপূর্বক বলা হয়েছে, কমিটি সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে প্রতিটি শূন্যপদের বিপরীতে দু’জন ব্যক্তির নামের তালিকা প্রণয়ন করে নিয়োগ প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ করবে।
আইনে কমিশনারদের অপসারণ বিষয়ে বলা হয়েছে, সুপ্রিমকোর্টের একজন বিচারক যেরূপ কারণ ও পদ্ধতিতে অপসারিত হতে পারেন, সেরূপ কারণ ও পদ্ধতি ব্যতীত কোনো কমিশনারকে অপসারণ করা যাবে না।
কমিশনারদের যোগ্যতা বিষয়ে যদিও আইনে বলা হয়েছে- আইনে, শিক্ষায়, প্রশাসনে, বিচারে বা শৃংখলা বাহিনীতে অন্যূন ২০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তি কমিশনার হওয়ার জন্য যোগ্য হবেন, কিন্তু কমিশন প্রতিষ্ঠা অবধি এ যাবৎকাল পর্যন্ত যে চারজন কমিশনের চেয়ারম্যান ও ছয়জন কমিশনার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন তাদের সবার ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, সরকারি চাকরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত হওয়ার পর কমিশনে তাদের নিয়োগ ঘটেছে। চারজন চেয়ারম্যানের মধ্যে প্রথমোক্ত জন ছিলেন সুপ্রিমকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, দ্বিতীয় জন ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদধারী অবসরপ্রাপ্ত সেনাপ্রধান, তৃতীয়জন ছিলেন সরকারের অবসরপ্রাপ্ত সচিব এবং চতুর্থজন যিনি বর্তমানে কর্মরত, তিনি সরকারের একজন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব।
এটি স্বীকার করতে দ্বিধা নেই যে, বর্তমানে আমাদের দেশের প্রতিটি শ্রেণী-পেশার মানুষ আওয়ামী ও বিএনপি এ দুটি ধারায় বিভক্ত। এ বিভক্তি থেকে প্রশাসন, পুলিশ, বিচার বিভাগ, প্রতিরক্ষা বাহিনী কোনোটিই মুক্ত নয়। তাই দুদক প্রতিষ্ঠার পর দেখা গেছে, যখন যে দল ক্ষমতায় ছিল সে দলের মতাদর্শের প্রতি অনুগত ব্যক্তিদের কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বাছাই কমিটির ক্ষেত্রে দেখা গেছে, দলীয় সরকারের আকাক্সক্ষার বাইরের কোনো ব্যক্তি কমিটির সুপারিশে স্থান লাভ করতে পারেন না। আর তর্কের খাতিরে যদি ধরে নেয়া হয় সুপারিশকৃত দু’জনের একজন কমিটির আকাক্সক্ষায় স্থান লাভ করেছেন, সেক্ষেত্রেও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শানুযায়ী নিয়োগ কার্যটি সমাধা হওয়ায় দলীয় সরকারের অধীনে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর আকাক্সক্ষার বাইরে যাওয়ার সুযোগ সম্পূর্ণরূপে অনুপস্থিত।
কমিশনারদের অপসারণ পদ্ধতি উচ্চ আদালতের বিচারকদের অনুরূপ হওয়ায় তারা দলীয় সরকারের সময় দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ লাভ করলেও তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া কিছু চাঞ্চল্যকর বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম যথা- শেয়ার কেলেংকারি, হলমার্ক কেলেংকারি, পদ্মা সেতু কেলেংকারি ও রেলের কালোবিড়াল কেলেংকারি অবলোকনে দেখা যায়, কমিশন যে কোনো কারণেই হোক সরকারের ভাবমূর্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিকে অপরাধী সাব্যস্তে তদন্ত প্রতিবেদনে সুপারিশ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে কমিশনকে অপরাধের অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনা বিষয়ে যে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে তাতে আগের দুর্নীতি দমন আইন ১৯৫৭-এর অতিরিক্ত এ আইনের অধীনে অপরাধ হিসেবে বর্ণিত সহায় সম্পত্তির ঘোষণায় অসঙ্গতি ও জ্ঞাত আয়ের উৎসবহির্ভূত সম্পত্তির দখলসহ দণ্ডবিধির ১০৯, ১২০বি ও ৫১১-এর অপরাধসমূহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উল্লেখ্য, আগের দুর্নীতি দমন আইনের মতো বর্তমান দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে দণ্ডবিধির ১৬১-১৬৯, ২১৭, ২১৮, ৪০৮, ৪০৯ ও ৪৭৭ক-এর অপরাধসমূহ শাস্তিযোগ্য। সে নিরিখে বলা যায়, বর্তমান দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭সহ দণ্ডবিধির যেসব ধারার অপরাধ শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে তাতে দেখা যায় এ আইনটি সরকারি কর্মকর্তাসহ সরকারের মন্ত্রী, এমপি এবং সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও কমিশনার, মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনার এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের দুর্নীতি প্রতিরোধে একটি কার্যকর ও সময়োপযোগী আইন। দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যক্রমকে স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রেও আইনটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, সরকারি কর্মচারী ও জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল পরবর্তী মামলা বিচারার্থে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সরকারের পূর্বানুমোদন গ্রহণের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৭ ধারায় উল্লিখিত বিধানের অবলুপ্তি। এ অবলুপ্তিতে যে শুধু কমিশনের অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্য পরিচালনা স্বাধীনভাবে সম্পন্ন করার জন্য সহায়ক হয়েছে তাই নয়, বরং মামলা বিচারার্থে গ্রহণের জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা প্রয়োগে ১৯৭ ধারার বাধা অপসারিত হওয়ায় স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ উন্মোচিত হয়েছে। কমিশন প্রতিষ্ঠার পর মামলা বিচারার্থে গ্রহণের ক্ষেত্রে সরকারের পূর্বানুমোদন গ্রহণের বিধানের অবসান কমিশনের কার্যক্রম স্বাধীনভাবে পরিচালনাসহ কমিশন কর্তৃক দায়েরকৃত মামলাসমূহের বিচারকার্য স্বাধীনভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি বড় ধরনের অর্জন। এ অর্জনটিকে কমিশন যখন সার্বিক ও সফলভাবে কাজ করার জন্য সহায়ক বিবেচনায় এর কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও বেগবান করার লক্ষ্যে কমিশন আইনে কতিপয় সংশোধনী আনার জন্য দীর্ঘ তিন বছরের অধিককাল চেষ্টা চালিয়ে আসছিল, তখন আকস্মিকভাবে আদালত কর্তৃক মামলা বিচারার্থে গ্রহণের ক্ষেত্রে সরকারের পূর্বানুমোদন গ্রহণের বিধানের পুনঃপ্রবর্তনকে কমিশনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ আইনাঙ্গন ও দুর্নীতি নির্মূলের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাই দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত অর্জনকে বিসর্জন হিসেবে দেখছেন। সংশোধিত আইনে মিথ্যা মামলা বিষয়ে যে বিধান করা হয়েছে তাতে উল্লেখ রয়েছে, মিথ্যা মামলার ক্ষেত্রে দুদকের কর্মকর্তাদের অপরাধের তদন্ত পুলিশ পরিচালনা করবে।
দুদকের মামলাকে মিথ্যা গণ্যে পুলিশ কর্তৃক তদন্তের যে বিধান করা হয়েছে তাতে নিঃসন্দেহে বলা যায়, আমাদের দেশের প্রভাবশালীরা যেভাবে ক্ষমতাসীন দলের আনুকূল্যে বস্তুনিষ্ঠ মামলা থেকে অব্যাহতি লাভ করেন সে দৃষ্টিকোণ থেকে দুদকের একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রভাবশালীদের মামলার ক্ষেত্রে সব সময় স্বাধীনভাবে তদন্তকার্য পরিচালনায় শংকিত থাকবেন। বস্তুত এ বিধানের অন্তর্ভুক্তি দুদকের সৎ ও ন্যায়নিষ্ঠ কর্মকর্তাদের সুষ্ঠুভাবে তদন্ত পরিচালনার ক্ষেত্রে অন্তরায় হিসেবে দেখা দেবে।
এ বিষয়ে কোনো বিতর্ক নেই যে, সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতার যে বিধান রয়েছে তার সঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বিচারার্থে গ্রহণের ক্ষেত্রে সরকারের পূর্বানুমোদন গ্রহণের আবশ্যকতা সাংঘর্ষিক এবং কমিশন আইনে সংবিধানের সঙ্গে এ ধরনের কোনো সাংঘর্ষিক বিধানের অন্তর্ভুক্তি কোনোভাবেই যুক্তিসঙ্গত ও যথার্থ বলে বিবেচিত হতে পারে না। তাছাড়া সংবিধানে উচ্চ আদালত ও নিু আদালত উভয় আদালতের বিচারকদের বিচারকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বাধীন মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে। স্বভাবতই প্রশ্ন দেখা দিতে পারে, সংবিধান অনুযায়ী বিচারকরা বিচারকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বাধীন হয়ে থাকলে মামলা বিচারার্থে গ্রহণের ক্ষেত্রে সরকারের পূর্বানুমোদন সে স্বাধীনতার অন্তরায় নয় কি?
আইনের দৃষ্টিতে সমতা শুধু আমাদের সংবিধানে নয়, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের দিক থেকেও সুদীর্ঘকাল ধরে বিভিন্ন দেশ ও সমাজে অনুসৃত হয়ে আসছে। তাই একটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীন ও কার্যকর করার জন্য মামলা বিচারার্থে গ্রহণের ক্ষেত্রে সরকারের পূর্বানুমোদন গ্রহণের যে বৈষম্যমূলক বিধানের অবসান ঘটিয়ে কমিশন প্রতিষ্ঠাকালে তাকে অর্জন হিসেবে দেখা হয়েছিল, কমিশনের দীর্ঘ ৯ বছরের অধিক পথ পরিক্রমার পর সংসদীয় স্থায়ী কমিটিসহ সার্বিকভাবে দেশের জনমানুষের আকাক্সক্ষার বিপরীতে ওই বিধানের অন্তর্ভুক্তি বিসর্জন বৈ অন্য কিছু কি হতে পারে!
ইকতেদার আহমেদ : সাবেক জজ, সংবিধান, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বাধীনতা অর্জনের মাস, বাঙালির চেতনারও বিজয়ের মাস by মাহমুদুল বাসার

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ছিল আমাদের স্বাধীনতার ইশতেহার। বহুমুখী তাৎপর্যপূর্ণ। হটকারিতাকে পরিহার করার জন্য জিন্নাহর মতো ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে’ ঘোষণা না করে তিনি কৌশলে শব্দচয়ন করে জনগণকে গেরিলা যুদ্ধের রূপরেখা দিয়েছিলেন। বলেছিলেন স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যেতে। চূড়ান্ত ইঙ্গিত দিয়ে বলেছিলেন, ‘ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো। যার যা আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাক।’
একজন সিভিল সমাজের নেতা, একজন অসামরিক, অকম্যুনিস্ট জাতীয়তাবাদী, নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির প্রবক্তা এর বাইরে কোনো কথা বলতে পারেন না।
জনাব জিয়াউর রহমানসহ আমাদের সেনা অফিসাররাও বলেছিলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ছিল আমাদের কাছে সবুজ সংকেত’।
আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ধাপগুলো ছিল গণতান্ত্রিক। বাঙালি জাতির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন নেতা, যেমন- শেরেবাংলা, সোহরাওয়ার্দী, ভাসানী, আবুল হাশিম- এরা প্রত্যেকে ছিলেন গণতান্ত্রিক, নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিভূ। এরা আন্ডারগ্রাউন্ডের নেতা ছিলেন না, এরা কখনও গলা কাটা রাজনীতি কিংবা শ্রেণী-শত্র“ খতমের রাজনীতি করেননি। বঙ্গবন্ধু তার মুরুব্বিদের রাজনৈতিক ভূমিকা অনুকরণ করে নিজস্ব বৈশিষ্ট্যে আত্মপ্রত্যয়ের সঙ্গে অগ্রসর হয়ে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে একক অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে আত্মপ্রতিষ্ঠা করেন। এ জন্য মওলানা ভাসানী অসহযোগ আন্দোলনের সময় বঙ্গবন্ধুকে নিজের ছেলে বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। এরও গুরুত্ব আছে।
স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমিকে ইচ্ছে করলে সপ্তম শতাব্দীর শশাঙ্কের আমলেও নিয়ে যাওয়া যায়। কিন্তু ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ভেতর দিয়ে বাংলাদেশের বিজয়ের ইতিহাসকে স্বচ্ছভাবে বোঝার জন্য ভাষা আন্দোলনকে ভিত্তি করাই ভালো। বঙ্গবন্ধুও বলেছেন, তিনি ভাষাভিত্তিক আন্দোলনকে একটু একটু করে দেশভিত্তিক আন্দোলনে রূপ দিয়েছেন।
ভাষা আন্দোলন ছিল সর্বাংশে ধর্মনিরপেক্ষ- অসাম্প্রদায়িক আন্দোলন। বাংলাভাষা হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সব বাঙালির ভাষা। বিদ্যাসাগর বলেছেন, আমরা বাংলাদেশে বসবাস করি, তাই আমরা বাঙালি। রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, আমরা বাংলাভাষা বলি বলেই আমাদের বাঙালি বলা হয়। বাংলা ভাষা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার নিজস্ব সংস্কৃতির অংশ বলেই ভাষার ওপর আঘাতটি বাঙালি জাতীয়তাবাদী এবং ধর্মনিরপেক্ষতারও জন্ম দিয়েছিল। তাত্ত্বিক বদরুদ্দীন উমর বলেছেন, ভাষা আন্দোলনের পর বাঙালি মুসলমানেরা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেছিল। কবি অন্নদা শঙ্কর রায় বলেছেন, উনিশ শতকের বাঙালি সমাজে যে রেনেসাঁর উদ্ভব ঘটেছিল, সেখানে মুসলমান ছিল না, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্র“য়ারির পর যে রেনেসাঁর উদ্ভব ঘটেছিল সেখানে বাঙালি মুসলমানের প্রাধান্য ছিল। এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল ১৯২৬ সালে ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-এর বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের ভেতর দিয়ে। তাই অনেকে মনে করেন, ১৯৭১-এর মুক্তি আন্দোলন বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন থেকে বিচ্ছিন্ন নয়।
১৯৫২ সালের পর থেকে বাংলাদেশের রাজনীতির মঞ্চে রবীন্দ্রনাথের ‘সোনার বাংলা’ এবং ডি-এল-রায়ের ‘ধনধান্য পুষ্পে ভরা’ গানটি গাওয়া হতে থাকে। ১৯৫৩ সাল থেকে ১৯৭১ সালের বিজয় অর্জন পর্যন্ত আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্র“য়ারি’ গানটিও আমাদের প্রেরণা জুগিয়েছে।
১৯৫২ সাল থেকে ক্রমান্বয়ে বাঙালি সংস্কৃতি, বাঙালির লোকায়ত অসাম্প্রদায়িক চেতনা অপ্রতিরোধ্য গতিতে শক্তিশালী হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বাঙালিদের শিরায় শিরায় টগবগ করছিল অখণ্ড বাঙালিয়ানা। বাঙালি বীরেরা শ্রদ্ধাবান হয়ে উঠেছিলেন। হাজী শরিয়তুল্লাহ, দুদু মিঞা, তিতুমীর, সূর্যসেন, ক্ষুদিরাম, বাঘা যতীন, প্রীতিলতা আমাদের কাছে অতি আপনজন হয়ে উঠেছিলেন। ১৯৬৮ সালে চলচ্চিত্রকার খান আতাউর রহমান নির্মাণ করেন তার কালজয়ী চলচ্চিত্র ‘সিরাজউদ্দৌলা’। সাংঘাতিক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল ছবিটি। খান আতাকে বঙ্গবন্ধু জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘তুই নাকি নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছবি বানাইতেছস, আমার মতো কথা কওয়াইতেছস নবাবের মুখ দিয়া?’
(মাহবুব আজাদ- খান আতউর রহমান বাংলা একাডেমি পৃঃ ১৯৮)।
অসামান্য প্রেরণাদায়ক ব্যাপার। ১৯৭০ সালে নির্মাণ করেন ‘জীবন থেকে নেয়া’- অমর চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান। সে ছবিতে রবীন্দ্রনাথের ‘আমার সোনার বাংলা’, বিদ্রোহী কবির ‘কারার ঐ লৌহ কপাট’ এবং আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্র“য়ারি’ গান ব্যবহার করা হয়েছিল। বাঙালির রক্তে আগুন ধরে গিয়েছিল। এ ছবিতেও দেখলাম বঙ্গবন্ধুর মতো আনোয়ার হোসেনও কারাগার থেকে বের হয়ে বাংলার জমিন থেকে একমুঠো মাটি নিয়ে কপালে ছুঁইয়ে শপথ নিলেন।
দুটো ছবিই বাঙালি জাতীয়তাবাদকে শাণিত করেছিল।
একদা জ্ঞানতাপস ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বলেছিলেন, ‘আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।’ ১৯৭১ সালে জ্ঞানতাপস, বাঙালি মনীষীর ঘোষণা জয়যুক্ত হয়েছিল। একদা বিদ্রোহী কবি নজরুল বলেছিলেন, ‘বাঙালি যেদিন ঐক্যবদ্ধ হয়ে বলতে পারবে- বাঙালির বাঙলা- সেদিন তারা অসাধ্য সাধন করবে।’ একদা মনীষী এস ওয়াজেদ আলী বলেছিলেন, ‘সমগ্র ভারতে কেবল বাঙালিরাই পারে একটি রাষ্ট্র গঠন করতে; সেটা হবে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র।’ একদা রবীন্দ্রনাথ ভবিষ্যদ্বাণী করে বলেছিলেন, ‘আশা করব মহাপ্রলয়ের পরে বৈরাগ্যের মেঘমুক্ত আকাশে ইতিহাসের একটি নির্মল আত্মপ্রকাশ হয়তো আরম্ভ হবে এই পূর্বাচলের সূর্যোদয়ের দিগন্ত থেকে। আর এক দিন অপরাজিত মানুষ নিজের জয়যাত্রার অভিযানে সব বাধা অতিক্রম করে অগ্রসর হবে তার মহৎ মর্যাদা ফিরে পাওয়ার পথে।’ (সভ্যতার সংকট)।
১৯৭১ সালের বিজয়ের মাসে বাঙালি মনীষীদের চেতনারই বিজয় হয়েছিল।
মাহমুদুল বাসার : প্রাবন্ধিক, কলাম লেখক, গবেষক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংবিধান, সংসদীয় রাজনীতি, নির্বাচন- সব কিছুই ভুয়া ব্যাপারে পরিণত হয়েছে by বদরুদ্দীন উমর

লক্ষ্য করার বিষয়, এভাবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীদের নির্বাচিত করার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা একেবারে সরাসরি। তার নির্দেশে বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগের প্রার্থীও নিজেদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে জাতীয় পার্টির প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতিয়ে দিয়েছেন! চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ প্রার্থী নূরুল ইসলাম বিএসসি নির্বাচন কমিশনের কাছে দেয়া তার প্রত্যাহারপত্রে লিখেছেন, তিনি তাদের দলীয় নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করছেন! (উধরষু ঝঃধৎ, ১৪.১২.১৩)
এভাবে যে নির্বাচন ৫ জানুয়ারি হতে যাচ্ছে, সেটা কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাতেই নির্বাচন হিসেবে গণ্য হওয়ার যোগ্য নয়। এই একইভাবে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্র“য়ারি বিএনপি নির্বাচন করেছিল। তার পরিণতি সবারই জানা। কিন্তু বর্তমান নির্বাচনের অবস্থা আরও খারাপ। একতরফা এই নির্বাচনে যেভাবে এত বিশালসংখ্যক আসনে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন তাতে একে প্রহসন ছাড়া আর কিছু বলা যায় না। এই প্রহসন সম্ভব করতে গিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা শেখ হাসিনা সংবিধান এবং সংসদীয় রাজনীতিকেও প্রহসনে পরিণত করেছেন। সংবিধানের পবিত্রতা এবং তা রক্ষা করা নিয়ে অনেক গালভরা কথা তার দ্বারা অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলছেন। কিন্তু তাদের বক্তব্য অনুযায়ী সংবিধানের পবিত্রতার যে কথা তারা বলছেন সেটা নষ্ট ও কলুষিত করার ব্যাপারে তার ভূমিকাই প্রধান। আসলে তার পিতা শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে যেভাবে সংবিধানের অন্যতম প্রধান খুঁটি গণতন্ত্র ধ্বংস করেছিলেন, তার ধারাবাহিকতা রক্ষা করেই শেখ হাসিনা সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস করে নিজেদের সংবিধানকে একটা ভুয়া দলিলে পরিণত করেছেন। ১৯৭৩ সালের মূল সংবিধানে ধোঁকা দেয়ার উদ্দেশ্যে হলেও যেসব গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলা হয়েছিল, তার প্রত্যেকটিই এখন ভূলুণ্ঠিত। বাহ্যত, সেই সংবিধানের যে গণতান্ত্রিক চরিত্র ছিল, শেখ মুজিব নিজে এবং তারপর জিয়াউর রহমান, এরশাদ, খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা তার লেশমাত্র আর অবশিষ্ট রাখেননি।
সংবিধান এমন কোনো পবিত্র জিনিস নয় যা চিরকালীন ও অপরিবর্তনীয়। সংবিধান পরিবর্তনের ব্যবস্থা সংবিধানেই থাকে। তার কারণেই সংবিধান সংশোধন করা হয়। সংবিধান আকাশ থেকে পড়ে না, শাসক শ্রেণীর চরিত্রের দ্বারাই সংবিধানের চরিত্র নির্ধারিত হয়। বাংলাদেশও এদিক দিয়ে ব্যতিক্রম নয়। ১৯৭৩ সালে জনগণকে প্রতারণার উদ্দেশ্যে সংবিধানে অনেক ভালো ভালো কথা বলা হয়েছিল। অনেক ধারা রাখা হয়েছিল। কিন্তু সেসবকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে শেখ মুজিবই মূল সংবিধানের সংশোধনী এনে তার শাসনের মেয়াদকালেই বাংলাদেশে বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একদলীয় শাসনের প্রবর্তন করেছিলেন। সেই ফ্যাসিস্ট শাসনের নানা রদবদল সত্ত্বেও পরবর্তীকালে ধারাবাহিকভাবে যেসব সংশোধনী পাস করা হয়েছে, তাতে মূল সংবিধানের খুঁটিগুলোর কোনটিরই আর অস্তিত্ব নেই। এই সংশোধনীগুলোর সর্বশেষ হল শেখ হাসিনার দ্বারা কৃত পঞ্চদশ সংশোধনী। এর মাধ্যমে তিনি তার কমে যাওয়া জনপ্রিয়তার মুখে ক্ষমতাসীন থাকার উদ্দেশ্যে ব্যবস্থা করেছেন নিজে প্রধানমন্ত্রী থেকে ও সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন করার। যেভাবে তিনি অনড়ভাবে তার এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রাণপাত করছেন, তাতে বাংলাদেশে শুধু আওয়ামী লীগেরই নয়, সমগ্র শাসকশ্রেণীর চরিত্রই উন্মোচিত হয়েছে। এক্ষেত্রে বিরোধী দলগুলোও যা করছে, সেটা আওয়ামী লীগের সংসদীয় নির্বাচনের ফ্যাসিস্ট চরিত্রের অন্য একদিক। গণতান্ত্রিক নির্বাচনের নামে হরতালের পর হরতাল, অবরোধের পর অবরোধ দিয়ে দেশের জনগণের জীবন তারা বিপর্যস্ত করছে। আওয়ামী লীগকে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে যেভাবে বোমাবাজির মাধ্যমে হত্যাকাণ্ড, অগ্নিকাণ্ড ইত্যাদি তারা চালিয়ে যাচ্ছে, তার সঙ্গেও কোনো বুর্জোয়া সংসদীয় ব্যবস্থার বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নেই। এই শাসকশ্রেণী এতই অধম যে, এদের প্রকৃত বুর্জোয়া বলাও সম্ভব নয়। এরা হল লুটপাট, চুরি, দুর্নীতি, প্রতারণা ইত্যাদির মাধ্যমে গঠিত এমন এক শাসকশ্রেণী, যাদের পক্ষে প্রকৃতপক্ষে বুর্জোয়া হয়ে ওঠাও সম্ভব হয়নি। কাজেই লুম্পেন বুর্জোয়াদের এই শাসনে জনগণের কোনো অধিকার যে কোনো ক্ষেত্রেই নেই, এতে বিস্মিত হওয়ার কী আছে?
এরশাদ নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নেয়া সত্ত্বেও তার দলের মধ্যে ভাঙনের চেষ্টা করে তার নিজের এবং দলের অন্যদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে হুকুম দিয়ে এবং চিকিৎসার নামে এরশাদকে হাসপাতালে আটকে রেখে যে খেলা শেখ হাসিনা দেখাচ্ছেন, এটা কোনো বুর্জোয়ার কাজ নয়। বুর্জোয়া নামেরও অযোগ্য লুম্পেন বুর্জোয়াদের প্রতিনিধি হিসেবেই শেখ হাসিনা এ কাজ করেছেন। এ ধরনের কাজ করার জন্যই যে তিনি সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী গায়ের জোরে জাতীয় সংসদে পাস করেছেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই। এর মাধ্যমে তিনি এ বিষয়টি প্রমাণসিদ্ধ করেছেন যে, বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধান, সংসদীয় রাজনীতি এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচন এক ভুয়া ব্যাপার ছাড়া আর কিছুই নয়।
তবে এটা মনে করার কিছুই নেই যে, এসব কাজ করে শেখ হাসিনা নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হবেন। অতি চালাকের যে অবস্থা হয়, শেখ হাসিনার অবস্থা তা-ই হবে। তবে এর দ্বারা শুধু তারই ভরাডুবি হবে না, তাদের নৌকার তলা তিনি যেভাবে ফুটো করেছেন, তাতে তার দল আওয়ামী লীগকে সঙ্গে নিয়েই তিনি তলিয়ে যাবেন।
বদরুদ্দীন উমর : সভাপতি, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্ষমতাধর ফুপাকে ফাঁসিতে ঝুলালো কিম জং উন
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্রেফতার করলে ইতালিতে বিপ্লব ঘটবে : বার্লুসকোনি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
December
(526)
-
▼
Dec 15
(13)
- নাগরিক অভিমত- নির্বাচনের নামে দেশে একটা তামাশা হচ্...
- সমঝোতার ভিত্তিতে টেন্ডার ভাগাভাগির মতো by হোসেন জি...
- এমন হাস্যকর নির্বাচন মানুষ চায় না by রাশেদা কে চৌধূরী
- মিডিয়া বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবে! by অমিত রহমান
- নির্বাচনের নামে জনগণের সঙ্গে তামাশা
- ন্যায় ও সত্যের জয়ধ্বনি
- কোথায় র্যাব, কোথায় পুলিশ, কোথায় সরকার?
- বাংলাদেশ প্যারাডক্স
- ব্যুরো থেকে কমিশন : অর্জন নাকি বিসর্জন? by ইকতেদার...
- স্বাধীনতা অর্জনের মাস, বাঙালির চেতনারও বিজয়ের মাস ...
- সংবিধান, সংসদীয় রাজনীতি, নির্বাচন- সব কিছুই ভুয়া ব...
- ক্ষমতাধর ফুপাকে ফাঁসিতে ঝুলালো কিম জং উন
- গ্রেফতার করলে ইতালিতে বিপ্লব ঘটবে : বার্লুসকোনি
-
▼
Dec 15
(13)
-
▼
December
(526)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


