Showing posts with label পরামর্শ. Show all posts
Showing posts with label পরামর্শ. Show all posts

Wednesday, March 7, 2018

ফেসবুক হ্যাক হলে ফোনে পাবেন পুলিশের সহায়তা

প্রযুক্তির এই যুগে সবচেয়ে জনপ্রিয় যোগাযোগমাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক। পরিবার, বন্ধুবান্ধবসহ বিভিন্ন জনের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য, বিশেষ করে যারা দেশের বাইরে অবস্থান করেন, তাদের জন্য ফেসবুকে যোগাযোগের বিকল্প নেই। কিন্তু অনেকের কাছে এই ফেসবুক কখনো কখনো হয়ে ওঠে আতঙ্কের নাম। পুরুষদের পাশাপাশি নিয়মিত ফেবসুক ব্যবহার করেন অনেক নারী। পুরুষদের চেয়ে ফেসবুক ব্যবহারের ক্ষেত্রে নারীদের সবচেয়ে বেশি সচেতন হতে হয়। সামান্য অসাবধানতার কারণে যে কোনো মুহূর্তে হ্যাক হতে পারে আপনার ফেসবুক। ঘটে যেতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত অনেক ঘটনা। তাই সাবধান থাকতে হবে আপনাকে। তবে যদি ফেসবুক হ্যাক হয়েই যায় তবে তা উদ্ধার ও নিরাপত্তার জন্য আপনাকে সহায়তা করবে পুলিশ। ফেসবুক হ্যাক বিষয়ে নাগরিকসেবা দিয়ে আসছে বাংলাদেশ পুলিশ। নারী-পুরুষ উভয়ের ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন জটিল সমস্যা, মামলা করা, মামলার তদন্ত, পরামর্শ, হ্যাকার চিহ্নিত করা, গ্রেফতার করা ও হ্যাক হওয়া ফেসবুক উদ্ধারসহ বিভিন্ন সেবা দিয়ে থাকেন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিসিটিসি) ইউনিটের সাইবার ক্রাইম বিভাগ। সাইবার ক্রাইম বিভাগে প্রাথমিক অবস্থায় ফোনে যোগাযোগ করে আপনি সহায়তা পেয়ে থাকেন। এছাড়া সাইবার ক্রাইম বিভাগের রয়েছে ফেসবুক পেইজ ও ই-মেইল। আপনার ফেসবুক হ্যাক হলে আপনি পাবেন সিসিটিসির সহায়তা। সিসিটিসির একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) আলীমুজ্জামন বলেন, একটি বিভাগ হচ্ছে সাইবার ক্রাইম। পুলিশ সদর দফতরে আমাদের অফিস। সম্প্রতি সাইবার অপরাধ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে মেয়েদের ফেসবুকসহ অন্যান্য যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতন হাওয়া জরুরি। প্রতিদিন আমরা ১০টিরও বেশি অভিযোগ পেয়ে থাকি। একটু অসাবধানতার কারণে নষ্ট হয়ে যেতে পারে আপনার সুন্দর ভবিষ্যৎ , সারা জীবন বয়ে বেড়াতে হতে পারে কান্না। ফেসবুকসহ অন্যান্য যোগাযোগমাধ্যমে সমস্যায় যেভাবে সহায়তা দেবে পুলিশ :
হেল্প ডেস্ক
ফেসবুকসহ অন্যান্য যোগাযোগমাধ্যমে যে কোনো সমস্যায় আপনি সিসিটিসির ক্রাইম বিভাগের হেল্প ডেস্কের সহায়তা নিতে পারেন। হেল্প ডেস্কের রয়েছে দুটি মোবাইল নম্বর। পরামর্শ বা সহযোগিতার জন্য আপনি ফোন করতে পারেন-০১৭৬৯৬৯১৫০৯ অথবা ০১৭৬৯৬৯১৫০৯ নম্বরে। সিসিটিসির এই হেল্প ডেস্ক আপনাকে সহায়তা দেবে সপ্তাহে সাত দিন।
পরামর্শ
আপনার অভিযোগটি শোনার পর পুলিশ আপনাকে পরামর্শ দেবে আপনি কী করবেন। যদি মামলা করতে হয়, তবে আপনাকে সহযোগিতা করবে পুলিশ।
ফেসবুক উদ্ধার ও হ্যাকার চিহ্নিত
সিসিটিসির এই বিভাগটি আপনাকে ফেসবুকসহ যেসব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম রয়েছে তা যদি হ্যাক হয়, তবে তা উদ্ধারে সহযোগিতা করবে। এছাড়া হ্যাকার চিহ্নিত করতে সাহায্য করবে।
মামলা ও মামলা তদন্ত
হ্যাকার ধরাই শেষ নয়, আপনাকে আইনি সহায়তা দেবে পুলিশ। যেমন আপনার ফেসবুক উদ্ধারে হ্যাকারের বিরুদ্ধে মামলা ও তদন্ত করবে পুলিশ।
গোপনীয়তা রক্ষা
পুলিশ আপনাকে সহায়তা দেবে এবং মামলা তদন্তের ক্ষেত্রে আপনার সব ধরনের গোপনীয়তা রক্ষা করা হবে।
সশরীরে যোগাযোগ
সমস্যা জটিল হলে আপনি সশরীরে সিসিটিসির সাইবার ক্রাইম বিভাগে সরাসরি যোগাযোগ করবেন। যোগাযোগ করার জন্য প্রথমে ওপরে উল্লিখিত নম্বরে ফোন দেয়ার পর পুলিশ সদর দফতরে সশরীরে যোগাযোগ করতে হবে।
নারী পুলিশের সহায়তা
সিসিটিসির সাইবার ক্রাইম বিভাগে নারীদের পরামর্শ দেয়া, মামলা তদন্ত ও সব প্রকার আইনি সহায়তা দেয়ার জন্য নারী পুলিশ রয়েছেন।
ফোন : ০১৭৬৯৬৯১৫২২
ইমেল : Cyberhelp@dmp.job.bd
ফেসবুক আইডি : Cyber Security & Crime Division, CTTC, DMP

Monday, March 5, 2018

কলার খোসা অনেক কাজের

কলার পুষ্টিগুণের কথা কমবেশি সবার জানা। তবে কলার খোসা সম্পর্কে আমরা কতটুকু জানি। বেশিরভাগ সময় দেখা যায় কলা খাওয়ার পরে খোসাটা ডাস্টবিনে ফেলে দেই। কিন্তু কলার খোসা যে কত কাজের তা কি জানা আছে আমাদের? অযত্নে অবহেলায় ফেলা দেয়া কলার খোসা লাগতে পারে আপনার অনেক কাজে। আসুন জেনে নিই কলার খোসার ব্যাবহার-
ঝকঝকে সাদা দাঁত
আপনি জানেন কি ঝকঝকে সাদা দাঁতের জন্য কলার খোসার বিকল্প নেই। কলার খোসার ভেতরের অংশ দাঁতে ঘষতে থাকুন দুই মিনিট ধরে। পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করে এরপর নিয়মিত টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত মেজে ফেলুন। মাত্র সাত দিনেই পাবেন সাদা দাঁত ।
জুতা চকচকে
জুতার চকচকে করতে বুট পলিশের পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারেন কলার খোসা। জুতায় লেগে থাকা আলগা ময়লা পরিষ্কার করে নিন। এবার পাকা কলার খোসার ভেতরের অংশটা দিয়ে জুতা ওপরে ঘষুন অন্তত পাঁচ মিনিট। দেখবেন চকচকে হয়ে উঠতে শুরু করেছে জুতা।
ব্রণ দূর করতে
বয়স সন্ধিঃকাল থেকেই ব্রণের সমস্যায় ভুগেন অনেক ছেলেমেয়েরা। যাদের ব্রণের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য বলছি ছোট ছোট ব্রণকে দূর করতে সাহায্য করবে কলার খোসা। কলার খোসার ভেতরের অংশটি দিয়ে ব্রণের ওপর ঘষতে থাকুন। কিছুক্ষণ পর দেখবেন ব্রণ কোথায় মিলিয়ে গেছে।
মসৃণ ত্বক
মসৃণ ত্বক পেতে ব্যবহার করতে পারেন কলার খোসা। শুষ্ক আর খসখসে ত্বকে কলার খোসার ভেতরের অংশ লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। তারপর ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন ত্বক মসৃণ লাগছে।

Sunday, March 4, 2018

তাড়িয়ে দিন মাথার উকুন

মাথায় উকুনের যন্ত্রণা সহ্য করা বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার বটে।উকুনের যন্ত্রণায় অনেক সময় ঘুম হারাম হয়ে যায়। তাই মাথার উকুন তাড়াতে কত কিছুই না করে থাকেন আপনি। এমনও হয় যে উকুন তাড়াতে ন্যাড়া হন।কিন্তু লাভ নেই, ন্যাড়া হলেই যে আপনার উকুন চলে যাবে এমনটি নয়। আপনি জেনে অবাক হবেন যে, আমাদের খুব পরিচিত একটি ঔষুধি গাছ আপনার মাথার উকুন তাড়াতে পারে। তা হলো নিমগাছ।নিমপাতার অনেক গুণের কথা আমরা জানি। তবে আজ আপনাদের জানাব, নিমপাতা দিয়ে কীভাবে উকুন তাড়াবেন।
নিমপাতার গুণাগুণ
নিমের বৈজ্ঞানিক নাম Azadirachta indica। নিমকে ইন্ডিয়ান লাইলাকও বলা হয়। আমাদের সবার পরিচিত নিম আয়ুর্বেদ, প্রাকৃতিক, ইউনানি এবং হোমিওপ্যাথি ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। নিমে ব্যাকটেরিয়ানাশক, ভাইরাসনাশক, ছত্রাকনাশক, বেদনানাশক, জ্বরনাশক, পচন নিবারক, জীবাণুনাশক, অ্যান্টিডায়াবেটিক, রক্ত পরিষ্কারক এবং স্পারমিসাইডাল উপাদান আছে। নিমের নানাবিধ ঔষধি গুণের জন্য একে ‘ওয়ান ট্রি ফার্মেসি’ও বলা হয়। নিমগাছ পরিবেশের জন্যও অনেক উপকারী। নিমগাছের প্রতিটা অংশ- শিকড়, বাকল, আঠা, পাতা, ফল, ডাল, বীজ এবং বীজের তেল ভেষজ ঔষধি হিসেবে ব্যবহার হয়।
আসুন জেনে নিই নিমপাতা দিয়ে কীভাবে উকুন তাড়াবেন। নিমপাতার পেস্ট
উকুন তাড়াতে নিমপাতার পেস্ট খুব কার্যকর। নিমপাতা বেটে এই পেস্ট তৈরি করা যেতে পারে। নিমের পেস্ট তৈরি করে মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন, ৫ মিনিট রেখে তারপর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন এবং উকুনের চিরুনি দিয়ে মাথা আঁচড়ান। সপ্তাহে ২-৩ বার এটা করুন। ২ মাস এভাবে করুন। উকুন দূর হবে।
নিমের তেল
উকুন তাড়াতে নিমের তেল ব্যবহার করতে পারেন, যা হাতের কাছেই পাওয়া যায়। তেল মাথার তালুতে ঘষে ঘষে লাগান। এক ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
নারকেলের তেলের সঙ্গে নিমের তেল
মাথায় তেল দেয়ার সময় সাধারণ নারকেলের তেলের সঙ্গে নিমের তেল মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে উকুন তো যাবেই আর নতুন করে বংশবিস্তার করতে পারবে না। নিমপাতা মাথায় ব্যবহারের পর জ্বালা করলে সঙ্গে সঙ্গে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। উকুনের অবস্থা বুঝে সাপ্তাহে অথবা ১৫ দিনে একবার ব্যবহার করবেন।

Thursday, March 1, 2018

মশা তাড়ানোর কার্যকরি ১৮ উপায়

মশা। এক যন্ত্রণাদায়ক পতঙ্গের নাম। বিরক্তিকর উপদ্রবের পাশাপাশি তারা রোগজীবাণু সংক্রামণ করে। এই মশা অনেক সময় মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে। মশার মাধ্যমে চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, ফাইলেরিয়া, পীত জ্বর, জিকা ভাইরাস প্রভৃতি মারাত্মক রোগ সংক্রমিত হয়ে থাকে। স্প্রে, কয়েল, অ্যারোসল কোন কিছুতেই মশা তাড়ানো সহজ নয়। আবার এসব দিয়ে মশা তাড়ালেও আমাদের স্বাস্থ্য এতে চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তাই প্রাকৃতিক উপায়ে মশা তাড়ানোর ব্যবস্থা করা জরুরী। আগেকার যুগে মশার কয়েল, স্প্রে তো কিছুই ছিল না। তখনকার মানুষ কিভাবে মশার হাত থেকে রক্ষা পেতেন? একনজরে জেনে নিন মশা তাড়ানোর কার্যকরি ১৮টি উপায়-
১. লেবু ও লবঙ্গের ব্যবহার লেবু খণ্ড করে কেটে ভেতরের অংশে অনেকগুলো লবঙ্গ গেঁথে দিন। লেবুর মধ্যে লবঙ্গের পুরোটা ঢুকাবেন শুধুমাত্র লবঙ্গের মাথার দিকের অংশ বাইরে থাকবে। এরপর লেবুর টুকরাগুলো একটি প্লেটে করে ঘরের কোণায় রেখে দিন। ব্যস, এতে বেশ কয়েকদিন মশার উপদ্রব থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। এই পদ্ধতিতে ঘরের মশা একেবারেই দূর হয়ে যাবে। আপনি চাইলে লেবুতে লবঙ্গ গেঁথে জানালার গ্রিলেও রাখতে পারেন। এতে করে মশা ঘরেই ঢুকবে না।
২. নিমের তেলের ব্যবহার নিমের মশা তাড়ানোর বিশেষ একটি গুণ রয়েছে। নিমের তেল ত্বকের জন্যও বেশ ভালো। তাই একসাথে দুটি উপকার পেতে ব্যবহার করতে পারেন নিমের তেল। সমপরিমাণ নিমের তেল ও নারকেল তেল মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে নিন। দেখবেন মশা আপনার ধারে কাছে ভিড়বে না এবং সেই সাথে ত্বকের অ্যালার্জি, ইনফেকশন জনিত নানা সমস্যাও দূর হবে।
৩. পুদিনার ব্যবহার ছোট গ্লাসে একটু পানি নিয়ে তাতে ৫ থেকে ৬ গাছি পুদিনা রেখে দিন খাবার টেবিলে। ৩ দিন অন্তর পানি বদলে দেবেন। জার্নাল অফ বায়োরিসোর্স টেকনোলোজির গবেষণা মতে তুলসির মতো পুদিনা পাতারও রয়েছে মশা দূরে রাখার ক্ষমতা। শুধু মশাই নয় পুদিনার গন্ধ অনেক ধরণের পোকামাকড়কে ঘর থেকে দূরে রাখে। পুদিনা পাতা ছেঁচে নিয়ে পানিতে ফুটিয়ে নিন। এই পানির ভাপ পুরো ঘরে ছড়িয়ে দিন। দেখবেন ঘরের সব মশা পালিয়েছে। চাইলে পুদিনার তেলও গায়ে মাখতে পারেন।
৪. টবে লেমন গ্রাস লাগান থাই লেমন গ্রাসে আছে ‘সাইট্রোনেলা অয়েল’ যা থেকে বের হয় একধরনের শক্তিশালী সুগন্ধ। এই সুগন্ধ কিন্তু মশাদের যম। মশারা এর কাছেও ঘেঁষে না। ফলে আপনার আশেপাশে লেমন গ্রাসের ঝাঁড় থাকলে মশারা আপনাকে খুঁজে পাবে না। আর লেমন গ্রাস দেখতেও কিন্তু মন্দ নয়। এমনসব স্থানে এসব গাছের টব রাখুন যেখানে সকাল বিকাল কিংবা রাতে পরিবারের অন্যদের নিয়ে কিংবা বন্ধু বান্ধব নিয়ে আড্ডা বা সময় কাটান। এভাবে থাকুন মশা মুক্ত।
৫. ধুনোর সঙ্গে নিশিন্দা ও নিমপাতার গুঁড়ো প্রতিদিন নিশিন্দা ও নিমপাতার গুঁড়ো ধুনোর সঙ্গে ব্যবহার করলে মশার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
৬. হলুদ বৈদ্যুতিক আলো ঘরের মধ্যে মশার উৎপাত কমাতে চাইলে, ঘরের বৈদ্যুতিক আলোটি হলুদ সেলোফেনে জড়িয়ে দিন। ফলে হলুদ আলো হবে। দেখবেন মশা কমে গেছে, কারণ মশা হলুদ আলো থেকে দূরে থাকতে চায়। এছাড়া ঘরে এবং ঘরের বাইরে লাইট বাল্বগুলো পরিবর্তন করুন। মশারা সাধারণত সব লাইটের প্রতি আকৃষ্ট হয় না। এলইডি লাইট, হলুদ ‘বাগ লাইট’, বা সোডিয়াম লাইট এক্ষেত্রে উপকারী। এগুলো জ্বালালে সন্ধ্যাবেলা ঘরে বাইরে মশাদের আক্রমন অনেকটাই কমে যাবে।
৭. চা-পাতা পোড়ান ব্যবহৃত চা-পাতা ফেলে না দিয়ে ভাল করে রোদে শুকিয়ে নিন। এইভাবে ওই চা পাতা ধুনোর বদলে ব্যবহার করুন। শুকনো চা পাতা পোড়ানো ধোঁয়ায় ঘরের সমস্ত মশা, মাছি পালিয়ে যাবে।
৮. নিমপাতা পোড়ান কয়লা বা কাঠ-কয়লার আগুনে নিমপাতা পোড়ালে যে ধোঁয়া হবে তা মশা তাড়ানোর জন্য খুবই কার্যকর।
৯. ক্যাটনিপ অয়েল ক্যাটনিপ অয়েলের nepetalactone নামক পদার্থ মশা তাড়াতে DEET (Diethyle-Meta-toluamide) থেকে প্রায় ১০ গুন বেশি শক্তিশালী। ক্যাটনিপ অয়েল মাখালে মশারা ধারে কাছেও ঘেঁষবে না।
১০. বারান্দায় চামচিকার বাক্স রাখুন ভয় পাওয়ার কিছু নেই। চামচিকারারা এক ঘন্টায় কয়েকশত পোকা-মাকড় খায়। তাই মশা তাড়াতে ব্যাট হাউস বানাতে পারেন। বারান্দায় কিংবা ভেন্টিলেটরের কাছে রাখুন আর চামচিকাদের কাজ করতে দিন।
১১. ফ্যান চালু রাখুন মশারা খুবই হালকা। অন্যদিকে একটি ফ্যানের স্পীড ঘন্টায় প্রায় দুই মাইল। মশাদের উড়বার গতিবেগের চাইতে ফ্যানের ঘুরবার গতি অনেক বেশি হওয়াতে সহজেই মশাদের ব্লেডের কাছে টেনে নেয়। আপনার বসার স্থান কিংবা ডেক বা যেসব স্থান থেকে মশারা খুব সহজে আপনার গৃহে প্রবেশ করতে পারে, এমনসব স্থানে মশাদের আগমন সময়ে আপনার টেবিল ফ্যান বা পেডাল ফ্যানটি চালু রাখুন। মশাদের হাত থেকেও যেমন নিস্কৃতি পাবেন তেমনি গরমেও পাবেন আরাম।
১২. কালো, নীল ও লাল কাপড় এড়িয়ে চলুন মশাদের পছন্দের রঙের পোষাক এড়িয়ে চলুন। কি অবাক হচ্ছেন! হ্যাঁ কিছু কিছু প্রজাতির মশারা কয়েকটি গাঢ় রঙের প্রতি আকৃষ্ট হয় যেমন কালো, নীল আর লাল। আর তারা গরমের প্রতিও সংবেদনশীল। তাই ঠান্ডা রাখুন ঘর আর পোষাক পড়ুন হালকা রঙের।
১৩. কর্পূরের ব্যবহার মশা কর্পূরের গন্ধ একেবারেই সহ্য করতে পারে না। আপনি যে কোন ফার্মেসিতে গিয়ে কর্পূরের ট্যাবলেট কিনে নিতে পারেন। একটি ৫০ গ্রামের কর্পূরের ট্যাবলেট একটি ছোট বাটিতে রেখে বাটিটি পানি দিয়ে পূর্ণ করুন। এরপর এটি ঘরের কোণে রেখে দিন। তাৎক্ষণিকভাবেই মশা গায়েব হয়ে যাবে। দুই দিন পর পানি পরিবর্তন করে নিন। আগের পানিটুকু ফেলে দিবেন না। এই পানি ঘর মোছার কাজে ব্যবহার করলে ঘরে পিঁপড়ের যন্ত্রণা থেকেও মুক্তি পাবেন।
১৪. সুগন্ধি ব্যবহার করুন মশারা সুগন্ধি থেকে দূরে থাকে। সুতরাং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে শরীরে আতর, সুগন্ধি, কিংবা লোসন মেখে শুতে পারেন। নিশ্চিত করে বলা যায় এতে মশা সাধারণ থেকে অনেক কম দেখা যাবে।
১৫. রসুনের স্প্রে করুন রসুনের স্প্রে মশা তাড়াতে খুবই কার্যকারী প্রাকৃতিক উপায়। ৫ ভাগ পানিতে ১ ভাগ রসুনের রস মেশান। মিশ্রণটি একটি বোতলে ভরে শরীরের যেসব স্থানে মশারা কামড়াতে পারে সেসব স্থানে স্প্রে করুন। এতে করে যে কোন ধরণের রক্ত চোষারা আপনার ধারে কাছেও আসবে না।
১৬. জমানো জল থেকে দূরে থাকুন খেয়াল রাখুন যেন কোথাও জল জমে না থাকে। ঘরের আনাচে-কানাচে কিংবা উঠোনে জল জমে থাকলে সেখানে মশারা বংশবিস্তার করতে পারে। তাই যেখানেই জল জমুক না কেন, তা সরিয়ে ফেলুন। মশার বংশবিস্তার রোধ করুন।
১৭. নারিকেলের আঁশ পোড়ান নারিকেলের গায়ে থাকা আঁশের সাহায্য দূর করতে পারেন মশা। নারিকেলের আঁশ শুকিয়ে টুকরা করুন। একটি কাঠের পাত্রে রেখে জ্বলন্ত ম্যাচের কাঠি ধরুন। ৫-৬ মিনিটের মধ্যেই মশা দূর হবে।
১৮. কেরোসিন তেল স্প্রে কেরোসিন তেল স্প্রে বোতলে নিন। কয়েক টুকরা কর্পূর মেশান। ভালো করে ঝাঁকিয়ে স্প্রে করুন রুমে। মশা থাকবে না।

Wednesday, February 28, 2018

যেভাবে চিনবেন নষ্ট ডিম

গরমের সময়ে বাজারের নষ্ট ডিমের প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। অনেক বাজার থেকে ডিম কিনে বাসায় যাওয়ার পর বিপাকে পড়ে যান। অনেক সময় দেখা যায় ডিম নষ্ট বের হয়। কারণ খোসার ভেতরে ডিমের কুসুম এ সাদা অংশ খালি চোখে দেখা যায় না। তাই ডিম নষ্ট বাছাই করা খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। ডিম দিয়ে আমরা বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করে থাকি। ডিম ভাজি, পুডিং, কেকসহ বিভিন্ন খাবার। তাই ডিম যদি নষ্ট হয় তবে আপনার পুরো আয়োজনটাই যাবে মাটি হয়ে। ডিম নষ্ট কি না তা বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই। তবে কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন ডিমটি নষ্ট না ভালো। আসুন জেনে নেই কিভাবে বুঝবেন নষ্ট ডিম।
পানি দিয়ে পরীক্ষা
ডিম কিনে আনার পর কিছুক্ষণ পানির মধ্যে ডুবিয়ে রাখুন। ভালো ডিমগুলো কিছুক্ষণের মধ্যেই পানিতে ডুবে যাবে। আর নষ্ট ডিম ভেসে থাকবে।
ডিম সেদ্ধ
ডিম সেদ্ধ হওয়ার পর ডিমের সাদা অংশ যদি ঘোলাটে এবং দুর্গন্ধযুক্ত হয়, তবে অনায়াসেই বলে দেওয়া যায় ডিমটি নষ্ট।
আলো
নষ্ট ডিম পরীক্ষা করার জন্য আলো ডিমের ওপরে ধরুন। ডিমের ভিতর রিং-এর মতো আকার দেখতে পান। তবে বুঝতে হবে ডিমটিতে পচন শুরু হয়েছে।
ডিমের কুসুমটি ছড়িয়ে গেলে
ডিমটিকে একটি সমান প্লেটের ওপর ফাটান। যদি দেখেন কুসুমটি একই জায়গায় রয়েছে। তবে বুঝবেন ডিমটি ভালো রয়েছে। আর ডিমের কুসুমটি ছড়িয়ে গেলে বুঝতে হবে ডিমটি নষ্ট।

Monday, February 26, 2018

আমলকি কেন খাবেন?

টক-মিষ্টির ফল হচ্ছে আমলকি।ত্বকের ডিটক্স ও রক্ত পরিশোদ্ধ করতে আমলকির জুড়ি নেই। নিয়মিত আমলকির রস খেলে কোলস্টেরল নিয়ন্ত্রণ ও আমলকিতে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা হৃৎপিণ্ডের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।এছাড়া ডায়াবিটিস হাঁপানি কমাতে বেশ উপকারি টক-মিষ্টি আমলকি। অনেক আমলকি খেতে পছন্দ করেন আবার অনেকে কৈতে চান না। আমলকি খেতে আপনি বাধ্য না। তবে আসুন জেনে নিই কেন আপনি আমলকির নানা উপকারিতা-
সর্দি-কাশির ও হজম
সর্দি-কাশির সারাতে ও হজম ক্ষমতা বাড়ায় আমলকি বেশ উপকারি।প্রতিদিন এক চামচ আমলকির রস মধু দিয়ে খেলে সর্দি-কাশির প্রকোপ থেকে রেহাই মিলবে।
হজম ক্ষমতা বাড়ায়
আমলকীর রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে লিভারও ভালো রাখে।
চুল পড়া রোধ
চুল পড়া ঠেকাতে কত কিছুই ব্যবহার করেন আপনি।তবে জানেন কি আমলকির রসে রয়েছে অ্যামিনো অ্যাসিড এবং প্রোটিন যা চুলের পুষ্টি যোগায়। চুল পড়া রোধ করে।
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ
ভিটামিন সি ছাড়াও আমলকির রসে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস। চিকিৎসকরা জানান, এটি পরিপূর্ণ পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ পানীয়।

সাবান ছাড়াই ত্বক পরিষ্কারের করার ৫ উপায়

সাধারণত ত্বক পরিষ্কার করতে আমরা সাবান, ফেসওয়াশ ব্যবহার করি। কিন্তু আপনি জানেন কি সাবান ও ফেসওয়াশ ছাড়াও ত্বক পরিষ্কার করা যায়। অনেকের আবার সাবানের ক্ষারে ত্বকে অ্যালার্জি দেখা দেয়। এসব সমস্যার সমাধানে প্রাকৃতিক উপাদানের সাহায্যেই পরিষ্কার করতে পারেন ত্বক। আসুন জেনে নিই কিভাবে পরিষ্কার করবেন আপনার ত্বক-
মধু
ত্বকে সরাসরি মধু লাগিয়ে ম্যাসাজ করুন। কিছুক্ষণ পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক পরিস্কার হওয়ার পাশাপাশি নরম ও কোমল হবে ত্বক।
দুধ
ত্বকের মরা চামড়া দূর করে দুধ। কাঁচা দুধ ব্যবহার করুন ক্লিনজার হিসেবে। এটি ত্বক পরিস্কার করার পাশাপাশি ত্বকে নিয়ে আসবে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা।
চিনিচিনির সঙ্গে অ্যালোভেরার জেল মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ত্বক পরিষ্কার হবে।
পেঁপে
পাকা পেঁপে চটকে মধু মেশান। ফেসপ্যাকটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। দূর হবে ত্বকের ময়লা।
নারিকেল তেল
ত্বকে নারিকেল তেল ম্যাসাজ করুন। এটি ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করবে।

সকালে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করুন

সকালে ঘুম থেকে ওঠা সত্যিই বেশ কষ্টের।তবে যারা সকালে উঠতে চান তাদের অবশ্যই রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাওয়া উচিত। দেরিতে ঘুমালে সকালে ওঠা খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার।তবে সকালে ঘুম থেকে ওঠা স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। তবে রাত জেগে যারা পড়াশোনা করে অথবা অন্য কাজে নিজেদের ব্যস্ত রাখে ছাত্রজীবনে অনেকেই এটা করে, তবে ধীরে ধীরে এই অভ্যাসের পরিবর্তন করা উচিত। সেটা শরীরের জন্যও ভালো আবার ভবিষ্যতে কর্মক্ষেত্রের জন্যও অনেক কাজে লাগবে। সকালে ঘুম থেকে ওঠেন তবে সারা দিন আপনার অনেক ভাল কাটবে। পুরোটা দিন কাজে লাগাতে এবং সুস্থ থাকতে সকালে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করা উচিত এবং এর জন্য বিভিন্ন নিয়ম অবলম্বন করা উচিত। আসুন জেনে নেই সকালে ঘুম থেকে কীভাবে উঠবেন।
সকাল ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করুন
তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করানো উচিত। সকাল ঘুম থেকে উঠলে আপনি সারাদিন কাজের জন্য অনেক সময় পাবেন। তাই প্রতিদিন রাত ১২টায় ঘুমানোর পরিবর্তে ঘুরে জন্য রাত ১০ থেকে ১১টার সময় বেছে নিন।
ঘুমের জন্য ৮ ঘন্টা
ঘুমের জন্য ৮ ঘন্টা সময় নেয়া উচিত।তাই কেউ যদি ছয়টায় ঘুম থেকে উঠতে চায়, তাকে অবশ্যই ১০টার ভেতর ঘুমিয়ে পড়া উচিত।
বই পড়া
রাতে বই পড়ার অভ্যাস খারাপ না।রাতে বই পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে যেতে পারেন।বই আপনার জ্ঞানকে বিকাশিত করবে।
টেলিভিশন
ঘুমানোর আগে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত টেলিভিশন ও ল্যাপটপ ব্যবহার করবেন। ঘুমানোর আগে টেলিভিশন ও ল্যাপটপ গুছিয়ে ফেলুন।
ব্যায়াম
ঘুমাতে যাওয়ার আগে কিছু সময় হাঁটাহাঁটি ও ব্যায়াম করতে পারেন।ব্যায়াম করলে রাতে ভাল ঘুম হবে আপনার।
পরবর্তী দিনের রুটিন
ঘুমানোর আগে প্রথম যে কাজটি আপনাকে করতে হবে সেটি হল পরের দিনের রুটিন করুন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজের রুটিন ঠিক করে ডায়েরিতে লিখে রাখতে পারেন।
চা-কফি
অনেকের ঘন ঘন চা-কফি পানের অভ্যাস আছে। তবে বিশেষ করে সন্ধ্যার পরে চা-কফি পান করা উচিত নয়। এটি রাতের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।
রাতের খাবার
সকালে যারা ঘুম থেকে উঠতে চান তারা রাতের খাবার রাত ৯টার মধ্যে খেয়ে নিন।

গরমে ঘামাচি তাড়াতে ঘরোয়া টিপস

গরম এলেই দুশ্চিন্তা বাড়ে অনেকের।কারণ গরম এলেই বাড়ে ঘামাচির অত্যাচার। অনেকে বিভিন্ন ধরণের পাউডার ব্যবহার করেও মেলে না প্রতিকার।ঘামাচির কারণে বিব্রত হন অনেকে।কারণ ঘামাচি চুলকানি যেন অসহ্যকর তেমনি আপনার স্বাভাবিক চলাফেরা ব্যহত হয়। আর দৈহিক সৌন্দর্য নষ্ট করে। গরমে ঘাড়, পিঠ, গলা, হাত, মুখ সহ শরীরের নানা স্থানে লাল ছোট ছোট ঘামাচি দেখা দেয়। ঘামাচির কারণে অসহ্য রকম চুলকানিও হয়। আসুন জেনে নেই ঘামাচি তাড়ানোর ঘরোয়া উপায়-
বরফের সেঁক
ঘামাচি প্রতিরোধে বরফ ভালো কাজ করে। বরফ একটি কাপড়ে পেঁচিয়ে ঘামাচির স্থানে ৫ থেকে ১০ মিনিট সেঁক দিন। এটি ঘামাচি মেরে ফেলে লাল হওয়া কমিয়ে দিয়ে থাকে।
বেসন
বেসন এবং পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি ঘামাচির স্থানে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি চুলকানি দূর করে ঘামাচি দূর করে দেবে।
মুলতানি মাটি
পাঁচ টেবিল চামচ মুলতানি মাটির সঙ্গে দুই অথবা তিন টেবিল চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি ঘামাচির স্থানে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
নিম
এক মুঠো নিমপাতা গুঁড়ো করে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি ঘামাচির স্থানে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন। এছাড়া এক মুঠো নিমের পাতা দুই কাপ পানিতে ২০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হলে এই পানিতে সুতির কাপড় ভিজিয়ে এটি ঘামাচির স্থানে লাগিয়ে রাখুন। এটি দিনে চার থেকে পাঁচবার করুন।