Sunday, September 30, 2018
সঙ্গমের সময় প্রাণ হারালেন বিখ্যাত প্লেবয়

সংবাদপত্র 'মেট্রোর' বরাত দিয়ে জানা যায়, জফান্তি মৃত্যুর আগে প্রায় ছয় হাজারেরও বেশি নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন ইতালির এ সফল প্রেমিক। এমনকি তাকে নিয়ে ১৯৮৬ সালে ইতালির 'এল স্প্রেসো' নামের এক সংবাদপত্রে লেখা হয়, 'তিনি ইতালির সবচেয়ে সফল প্রেমিক।'
ইতালির সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং 'রোমিও অব রিমিনি' খ্যাত ৬৩ বছর বয়সী জফান্তি গত বুধবার অজ্ঞাত ২৩ বছরের এক ট্যুরিস্ট তরুণীর সঙ্গে যৌন সঙ্গমের সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
১৯৭০ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে এক নাইটক্লাবে কাজ করতে শুরু করেন ইতালির এই প্লেবয়। তখন তার কাজ ছিল, রাস্তায় চলাচল করা নারীদের পটিয়ে নাইটক্লাবে নিয়ে আসা।
সম্প্রতি ইউরোপের এক তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়লে সঙ্গম করার চরম মুহূর্তে হঠাৎ করে তার হৃদযন্ত্র কাজ করা বন্ধ করে দেয়। সঙ্গিনী ওই তরুণী পারামেডিক্সে ফোন করে। তবে অনেক প্রচেষ্টার পরও বিখ্যাত এই প্লেবয়কে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।


About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রেও ভীতিকর অবস্থায় আছি -বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এসকে সিনহা

অনুষ্ঠানে বিচারপতি সিনহা নিজের লেখা বইয়ের অংশবিশেষ বর্ণনা করে বক্তব্য রাখেন। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
তিনি ৫০ মিনিটের মতো নিজের বইয়ের অংশবিশেষ নিয়ে সূচনা বক্তব্য রাখেন। তারপর ৩৫ মিনিট প্রশ্নোত্তরে অংশ নেন। তার বই লেখায় অনেকের অর্থ দিয়েছেন বলে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের অভিযোগের তার কাছে জানতে চাওয়া হয়। জবাবে বিচারপতি সিনহা এমন অভিযোগ দৃঢ়তার সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করে বলেন, তিনি কোনো আর্থিক সুবিধা নেননি কারো কাছ থেকে। তার কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। রাজনৈতিক দলের কাউকে তার আশপাশে ভিড়তে দেন না। তিনি দাবি করেন, বিচারপতি হিসেবে তার জীবনের শেষ দিনগুলো খুবই কঠিন। বিব্রতকর। ওই দিনগুলো সম্পর্কে তার যে অভিজ্ঞতা তিনি তা বইয়ে তুলে ধরেছেন। তার কাছে তার বর্তমান স্ট্যাটাস বা অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। জবাবে এসকে সিনহা বলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে এখন একজন শরনার্থী। সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন। সেই আবেদন এখনও প্রক্রিয়াধীন আছে। কোনো স্ট্যাটাস না থাকায় তিনি লন্ডনে হাউজ অব কমন্স, জেনেভায় জাতিসংঘের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেও যোগ দিতে পারছেন না। তিনি জানান, তার চেয়ে ভয়ের বিষয় হলো তিনি এখন ভীতিকর অবস্থায় আছেন। বাসাতেই সময় কাটান। কারণ, বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা তার ওপর মনিটরিং করছে। ফলে তিনি তাদের রাডারের মধ্যে রয়েছেন। ওই সংস্থার কর্মকর্তারা তার বাসায় যান। বাসার ছবি তোলেন। বিচারপতি সিনহার কাছে বিরোধী দল বিএনপির প্রধান খালেদা জিয়ার জেলজীবন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি এ বিষয়ে সরাসরি কোন মন্তব্য করেন নি। বলেছেন, মামলাটি আদালতে বিবেচনাধীন আছে। তাই এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেখানো সমীচিন নয়। তবে এসকে সিনহা বলেন, যেদেশে একজন প্রধান বিচারপতি ন্যায়বিচার পান না সেখানে একজন সাধারণ নাগরিক কি করে ন্যায়বিচার পাবেন? কি আচরণ পাবেন?
তিনি প্রশ্নোত্তরে বর্তমান সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। বলেন, এই সরকার ২০১৪ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় এসেছে ভারতের সমর্থনে। পরে এ সরকারের পক্ষে সমর্থন আদায়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে লবিং করে ভারত। এটা করেছে ভারত তার নিজের লাভের জন্য। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ ভারতবিরোধিতা বন্ধ করেছে দক্ষতার সঙ্গে। এই কৃতজ্ঞতাবোধ থেকেই এসব করেছে ভারত। ভারত তার নিজের স্বার্থে এসব করলেও তাতে ভারতের ক্ষতি হবে বলে মন্তব্য করেন এসকে সিনহা। তিনি বলেন, ভারত আওয়ামী লীগকে অতিমাত্রায় সমর্থন দিলে তাতে ভারতবিরোধিতা আরো বাড়বে। ফলে ভারতের প্রতিপক্ষ যেমন পাকিস্তান, এখানেই তেমন ‘আরেকটি পাকিস্তান’-এর মুখোমুখি হতে হবে তাদের। এসকে সিনহা আরো বলেন, ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু মাত্র চারটি পত্রিকা রেখে বাকি পত্রিকা বন্ধ করে দিয়ে যেভাবে বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শেখ হাসিনার এখনকার শাসনও সেই রকম। তার কাছ থেকে সিনহা সেই একই আচরণের শিকার হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেছেন, ষোড়শ সংশোধনীর রায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাকে বঙ্গভবনে ডেকে নেন। সেখানে তার সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী ও এটর্নি জেনারেল। এসকে সিনহা বলেন, সেখানে যেয়ে দেখি তারা আগে থেকেই বসা। বিচারপতি এসকে সিনহা দাবি করেন, তারা তাকে রায় পাল্টাতে বলেন। কিন্তু তাদের প্রস্তাবে তিনি রাজি হন নি। এরপর তার সঙ্গে কোনো সৌজন্যতা দেখানো হয় নি। সিনহা বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছেন- আমি আপনাকে চিফ জাস্টিস বানিয়েছি। সিনহা এর জবাবে বলেন, আপনি বানান নি। আমাকে এ পদ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। প্রকাশনা অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র আমন্ত্রিত অতিথিরাই অংশ নেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘পরিচালক আমায় পোশাক খুলে নাচতে বলেছিলেন’

না, কোন বক্স অফিস হিট ছবি দিয়ে নয় বরং একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ দিয়ে তার প্রত্যাবর্তন ঘটেছে। দুদিন আগেই নানা পাটেকের বিরুদ্ধে শারীরিক হেনস্থার অভিযোগ এনেছেন এই বলি নায়িকা। আর এ বার মুখ খুললেন পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রীর বিরুদ্ধে।
২০০৫-এ মুক্তি পাওয়া ‘চকোলেট’ মুভির পরিচালক ছিলেন বিবেক। তার বিরুদ্ধে তনুশ্রী অভিযোগ করে বলেন, সেটেই নাকি তার সঙ্গে অসভ্যতা করেছিলেন পরিচালক।
পোশাক খুলে নাকি তনুশ্রীকে নাচের নির্দেশ দেন বিবেক। তবে ঘটনাস্থলে তনুশ্রীর সহ অভিনেতা ইরফান খান এবং সুনীল শেট্টি ওই ঘটনার প্রতিবাদ করায় সে যাত্রায় রক্ষা পেয়েছিলেন নায়িকা।
সম্প্রতি তনুশ্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘চকোলেটের সেটে সে দিন আমার শট না থাকায় অন্য এক অভিনেতা আমার দিকে তাকিয়ে এক্সপ্রেশন দেবেন, সেই কিউ দিচ্ছিলাম। তখন পরিচালক আমাকে পোশাক খুলে নাচতে বলেছিলেন। আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম।’
তবে সেসময় তনুশ্রীর সাহায্যে এগিয়ে গিয়েছিলেন ইরফান খান। তনুশ্রীর ভাষ্যমতে, ‘ইরফান বলেছিল আমার এক্সপ্রেশন দেওয়ার জন্য ওকে পোশাক খুলে নাচতে হবে না।’
তনুশ্রী আরও জানান, সে সময় ঘটনাস্থলে সুনীল শেট্টিও উপস্থিত ছিলেন। সুনীল তখন পরিচালককে প্রতিবাদ করে বলেছিলেন, ‘আমি কিউ দিতে যাব?’
তনুশ্রীর মতে, ‘ইন্ডাস্ট্রির কালো দিকটা যেমন দেখা যায়, তেমন ইন্ডাস্ট্রিতে ইরফান বা সুনীলের মতো ভাল লোকও অবশ্যই রয়েছেন।’
তবে তনুশ্রীর অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোন মন্তব্য করেননি বিবেক।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বি. চৌধুরী প্রসঙ্গে কর্নেল অলি

এ ধরনের আরও অনেকেই বিএনপিতে ছিল। বি. চৌধুরী যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন তখন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ও সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। তাহলে সময়ের প্রেক্ষিতে বক্তব্যের পার্থক্য হচ্ছে কেন? মাংস হালাল আর ঝোল হারাম- এটা কেন? মহাসচিব থাকা অবস্থায় সব রাজাকার ভালো ছিল আর এখন তারাই রাজাকার, দেশদ্রোহী!
অলি আহমদ বলেন, সেজন্য বলি জনগণের কাছে যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে, দোকানদারের কাছে যারা পরাজিত, তাদেরকে মাহাথির মোহাম্মদ বানান কেন? ৯০ বছরের বুড়োকে ৮০ বছর বানানো যাবে কিন্তু ৫০ বছর বানানো যাবে না। মাহাথির মোহাম্মদ মালয়েশিয়ার জন্মদাতা, আধুনিক মালয়েশিয়ার নির্মাতা। যার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতির অভিযোগ নেই। আর আমরা তো ছেলের কাছে বিক্রি হয়ে যাই। যারা আজকে ঐক্যজোটে আছে তাদের অনেকের ছেলে ভিওআইপি ব্যবসা করে। ভিওআইপি ব্যবসা কার থেকে নিয়েছে। আওয়ামী লীগের থেকে।
একদিকে ভিওআইপি ব্যবসা করছে আবার অন্যদিকে বলছে ঐক্য করছি। রুমের ভেতরে থাকলে একরকম আর বাইরে অন্যরকম। তিনি বলেন, জোটে আমাদের অবস্থান বিএনপি স্পষ্ট করতে পারেনি। এটা স্পষ্ট করা উচিত। ড. কামাল হোসেনের পক্ষ থেকে আমার কাছে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন এসেছিলেন। বলেছেন, আপনি যদি আসেন এ মুভমেন্টের গতির সঞ্চারিত হবে। উত্তরে বলেছি, আমি দুর্নীতিবাজ নই। আমি পরিষ্কার কথা বলি। আমি গেলে গতি সঞ্চারিত হবে তা জানি। তবে আমি ওখানে কাউকে নেতা বানানোর জন্য যাবো না। আমি যাব দেশের গণতন্ত্রকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে। সেটাতে যদি আসেন তাহলে কথা বলেন। অলি আরও বলেন, বিএনপি দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল। তারা যদি এ স্বল্প সময়ের মধ্যে সংস্কার করে পুনর্গঠন করে এখনও তাদের পক্ষে যে কোনো কাজ করা সম্ভব।
নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে এখনও ২০ দলের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সুতরাং নির্বাচন নিয়ে এখন কোনো কথা নেই। এখন কথা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে। তিনি বলেন, সরকার পদক্ষেপ না নিলে রক্তপাত এড়ানো সম্ভব হবে না। কারণ আগামী মাস থেকে বিরোধী দল এবং সরকারের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হবে। এটা যদি এড়াতে হয় তাহলে সরকার এবং বিরোধী দলগুলোকে নমনীয় হতে হবে। আলোচনায় বসতে হবে। নিজ নিজ জায়গায় অহঙ্কার নিয়ে বসে থাকলে দেশ ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের সম্পাদকদের সঙ্গে বসে একটা সম্মানজনক মীমাংসা হবে বলে আশা করি। কারণ আওয়ামী লীগকে ভাবতে হবে ক্ষমতা গেলে এই আইনের মাধ্যমে তাদের অবস্থা কি হতে পারে।
প্রসঙ্গত অনেক পর্যবেক্ষকই স্মরণ করছেন, বি. চৌধুরী যখন বিএনপি করতেন তখন জামায়াত নেতাদের অনেকের সঙ্গেই তার যোগাযোগ ছিল। একসঙ্গে তারা অনেক বৈঠক করেছেন। এইসব ছবি তখনকার পত্রিকায় প্রকাশিতও হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিনহা’র বইয়ের নেপথ্যে কারা খুঁজে বের করুন -নিউ ইয়র্কে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

ওই বইয়ে সাবেক প্রধান বিচারপতি তার পদত্যাগের বিভিন্ন কারণ তুলে ধরেছেন। ‘এ ব্রোকেন ড্রিম: রুল অব ল’, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি’ শীর্ষক এই বইয়ের কপিরাইট হচ্ছে ললিতমোহন- ধনাবাতি মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের নামে। যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে এই বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
শেখ হাসিনা বলেন, এই বইয়ের পাণ্ডুলিপি কতবার বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখান থেকে আনা হয় তা সাংবাদিকদের খুঁজে বের করতে হবে। এই বই প্রকাশনায় কারা অর্থ দিয়েছে এবং আপনাদের মতো কোনো সংবাদপত্রের সাংবাদিক এর সঙ্গে জড়িত কি-না এবং কি পরিমাণ অর্থ দিয়েছে তা অনুগ্রহ করে উন্মোচন করুন। শেখ হাসিনা বলেন, কোনো বড় আইনজীবী এই বইয়ের পাণ্ডুলিপি সংশোধন করে দিয়েছেন কিনা অথবা কোনো সংবাদপত্র অথবা এর মালিক এর পৃষ্ঠপোষক কিনা তা আপনারা খুঁজে বের করুন। যুক্তরাষ্ট্রে সিনহা’র ভাইয়ের নামে একটি বাড়ি ক্রয় সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে বাড়ি কেনা কঠিন কিছু নয়। তিনি বলেন, অনেক দামের কারণে বাংলাদেশে কেনা কঠিন।
অর্থ জমা করলে যুক্তরাষ্ট্রে যেকোনো ব্যক্তি বাড়ি কিনতে পারেন। শেখ হাসিনা বলেন, কে এবং কীভাবে এই বাড়ি ক্রয় করেছে সে ব্যাপারে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই। আপনারা খুঁজে বের করুন এবং তথ্য দিন। যদি কোনো ব্যক্তি এ ব্যাপারে দোষী সাব্যস্ত হয় তাহলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। নির্বাচনকালীন সরকার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী সাধারণ নির্বাচনের সময় সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি সরকার গঠন করা হতে পারে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, আমি বিরোধীদলীয় নেত্রীর (রওশন এরশাদ) সঙ্গে কথা বলবো। তারা যদি চান আমাদের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সকল রাজনৈতিক দল যদি চায় তাহলে আমরা তাদের প্রতিনিধি নিয়ে সরকার গঠন করতে পারি। তারা ক্ষমতাসীন অথবা বিরোধী দল কি-না সেটা কোনো বিষয় না।
তবে নির্বাচনকালীন সরকার সম্পর্কে এখানে কোনো সংজ্ঞা নেই। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী সাইবার অপরাধ এখন একটি আলোচ্য বিষয়। সকল দেশ এর দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে এই আইন প্রণয়ন করেছি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে নয়। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের পর সাইবার অপরাধ এখন একটি বৈশ্বিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাংবাদিকদের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, আপনারা সবসময় আইনের শুধু একদিক দেখেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদেও সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবাই এ ব্যাপারে শঙ্কিত। কারণ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদী কার্যক্রমকে সাইবারের মাধ্যমে উস্কে দেয়া হয়।
শিশু থেকে তরুণ পর্যন্ত সবাই যখন ভুল পথে চলে যাচ্ছে অথবা মানসিক ভারসাম্যতা হারিয়ে ফেলছে, তখন বিভিন্ন সামাজিক ও ডিজিটাল মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য কি-না প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন করেন। তিনি বলেন, যদি কোনো সাংবাদিক সুষ্ঠু সাংবাদিকতার চর্চা করেন তাহলে তিনি কেন শঙ্কিত হবেন? পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এ সময় মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ-বিন মোমেন সংবাদ সম্মেলনে সূচনা বক্তব্য রাখেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আচরণে বিব্রত ড. মোমেন by ওয়েছ খছরু

আগামীর নেতৃত্বে স্থান পেতে হলে তাকে কঠিন পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতেহবে, এমন আভাস এরই মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে সিলেটে। মর্যাদাপূর্ণ সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগের টিকিট পেতে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন ড. একে আব্দুল মোমেন।
প্রায় তিন বছর ধরে তিনি নানাভাবে জড়িয়ে পড়েছেন সিলেটের রাজনৈতিক, সামাজিক কর্মকাণ্ডে। ইতিমধ্যে পরিচিতিও পেয়েছেন। কিন্তু সিলেট আওয়ামী লীগে এখনো সুসংহত অবস্থান তৈরি করতে পারেননি। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, সিলেট আওয়ামী লীগের এখন একমাত্র অভিভাবক আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বিগত ১০ বছর ধরে সিলেট-১ আসনের এমপি। কিন্তু এককভাবে আওয়ামী লীগের ভেতরের ঐক্য ধরে রাখতে পারেননি অর্থমন্ত্রী। বিগত ১০ বছর ধরেই তার সঙ্গে দলীয়ভাবে অদৃশ্য লড়াই চালিয়েছেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ। তাদের দুইজনের লড়াইয়ে মাঠের কর্মীরা বিভক্ত। অর্থমন্ত্রী বলয়, মিসবাহ সিরাজ বলয় নামে দুটি বলয় প্রকাশ্যে রয়েছে সিলেটে। অর্থমন্ত্রী সিলেটের এমপি হলেও মিসবাহ সিরাজ বিভিন্ন সময় তাকে এড়িয়ে চলেছেন। মিসবাহ সিরাজ সিলেটে দল নিয়ে ব্যস্ত থেকেছেন। আর অর্থমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে প্রশাসন।
গত সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পর কামরানও অর্থমন্ত্রী বিরোধী হয়েছেন। কামরান অনুসারীরা মনে করেন, সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী কামরানের পরাজয়ের অন্তরালে অর্থমন্ত্রীর ইঙ্গিত ছিল। এ কারণে সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নৌকার পরাজয় ত্বরান্বিত হয়েছে। অর্থমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দলীয় ফোরামে প্রকাশ্যে নালিশ করেছেন সিলেটের নেতারা। ফলে এখন সিলেটে আওয়ামী লীগের বিবদমান এই তিনটি গ্রুপই মুখোমুখি রয়েছে। ড. একে আব্দুল মোমেন হচ্ছেন জাতিসংঘ ফেরত বরেণ্য কূটনীতিবিদ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষ প্রয়োজনে ড. মোমেনকে দেশে নিয়ে এসেছিলেন। ড. মোমেন দেশে ফিরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককে চারলেনে রূপান্তর করার কাজ অনেকটা এগিয়েও নিয়েছিলেন। রহস্যময় কারণে পরবর্তীতে ওই প্রকল্প আলোর মুখ দেখেনি। ফলে রাজনীতিতে অভিষিক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সিলেটেও নানা কথায় আলোচিত হন তিনি। এরপরও বড় ভাই অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে আগামীর সিলেটের উন্নয়নে নানা পরিকল্পনার ছক আঁকছেন তিনি।
বিগত সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও নৌকার প্রার্থীর পক্ষে মাঠে সক্রিয় ছিলেন ড. একে আব্দুল মোমেন। তিনি নিজেও সিলেটে প্রচারণায় অংশ নেন। প্রচারণায় অংশ নিলেও সিলেটে নৌকার বিজয়ে ভূমিকা রাখতে পারেননি। বরং নির্বাচনের দিন অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে ক্ষেপেছেন সিলেট আওয়ামী লীগের নেতারা। অর্থমন্ত্রী বয়োজ্যেষ্ঠ নেতা ও সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী। তার প্রতি অনেকেই প্রকাশ্যে ক্ষোভ দেখাতে পারছেন না। এই ক্ষোভের কারণে সিলেটে নানাভাবে আক্রান্ত হচ্ছেন ড. মোমেন। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা সফর শেষে গত মঙ্গলবার সিলেটে ফিরেন ড. একে আব্দুল মোমেন। তাকে বরণ করতে বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী বলয়ের নেতারা। এরপর বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন অর্থমন্ত্রী। এমনকি, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তিনি কয়েকটি ঘরোয়া বৈঠকেও অংশ নেন। এরমধ্যে খাদিমপাড়া ইউনিয়নে একটি ঘরোয়া বৈঠক নিয়ে তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ। এক বিএনপি নেতার বাসায় ঘরোয়া বৈঠক করায় আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতারা এতে অংশ নেননি।
বৃহস্পতিবার সিলেট আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে ঘটেছে আরেক ঘটনা। দলীয় কার্যালয় উদ্বোধন ও প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছিল আওয়ামী লীগ। খবর পেয়ে সেখানে যান ড. একে আব্দুল মোমেন। তিনি অবশ্য মঞ্চে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজের পাশেই বসা ছিলেন। তিনি বসা থাকলেও সিলেটের সিনিয়র নেতারা বক্তব্য দিতে গিয়ে তাকে সম্বোধন পর্যন্ত করেননি। ওই অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, কেন্দ্রীয় সদস্য ও মহানগর সভাপতি বদরউদ্দিন আহমদ কামরান, জেলার সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী ও মহানগর সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ বক্তব্য দেন। কিন্তু সময়ের অজুহাত দেখিয়ে আর কোনো নেতাকে বক্তব্য দিতে দেয়া হয়নি। এ সময় অনেক নেতার কাছে সে বিষয়টি দৃষ্টিকটু লাগে। এ কারণে শেষ পর্যায়ে ড. মোমেনকে বক্তব্য দিতে আওয়ামী লীগ নেতা ও সিটি কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ ও মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক আলম খান মুক্তি অনুরোধও করেন। কিন্তু সময়ের স্বল্পতা দেখিয়ে তাকে বক্তব্য রাখতে দেয়া হয়নি।
এ ঘটনায় ওই অনুষ্ঠানে কিছুটা হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। তবে, সিলেটের সাবেক মেয়র বদরউদ্দিন কামরান পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। তিনি এ সময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘মোমেন সাহেব আমাদের বড় ভাই, তিনি সবার প্রিয়। কিন্তু আজকের সভায় তিনি বক্তব্য রাখছেন না। সিলেট-১ আসনে অর্থমন্ত্রী নির্বাচন না করার ঘোষণা দেয়ায় তিনিসহ অনেকেই দলের মনোনয়ন চাইবেন। দল যাকে মনোনয়ন দেবে আমরা তার পক্ষেই কাজ করব।’ সিটি নির্বাচনের ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না হয় সেদিকে সতর্ক থাকার কথাও বলেন তিনি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ড. মোমেন কোনো কথা বলেননি। তিনি বিব্রত বোধ করেন। এদিকে, এই অনুষ্ঠানের পর সন্ধ্যায় নিজ বাসা হাফিজ কমপ্লেক্সে ওয়ার্ড যুবলীগের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ড. মোমেন। তিনি এ সময় অনেকটা ক্ষোভের সুরেই বলেন, ‘আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন। এই দিনে কাউকে যেন উদ্দেশ্যমূলকভাবে ঘায়েল করা না হয়। কিংবা প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে আমরা যেন কারো কোনো ক্ষতি না করি। মনে যেন কষ্ট না দেই।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ডিজিটাল আইনের পর বাকস্বাধীনতা থাকে না’

আমাদের আরও কয়শ’ বছর লাগবে সেটা আমি চিন্তা করছি। কারণ ১৭৯১ সালে আমেরিকার সংবিধানে বলা হলো- বাকস্বাধীনতা খর্ব হতে পারে এমন কোনো আইন কংগ্রেস করতে পারবে না।
হ্যাকিংয়ের বিষয়ে একটা আইন করার দরকার ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, কম্পিউটার হ্যাকিং-সংক্রান্ত একটা আইনের দরকার ছিল এবং এ আইনে ওই সংক্রান্ত কিছু ধারা আছে, যেটার প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করা যায় না। কিন্তু এর সঙ্গে সব ধরনের কথা বলাটা কেমন করে চলে আসল? কম্পিউটারের বিষয়ে শাস্তির পাশাপাশি আমার মনে হয় এর পেছনে বড় উদ্দেশ্য ছিল কথা বলা বন্ধ করা। ড. শাহদীন মালিক বলেন, অনেক কিছু আইনে হয়ে যায়, আমরা খেয়াল করি না। বিশাল ভূমিকম্প হয়ে যায়। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনেও কিন্তু ভূমিকম্প হয়ে গেছে। আমরা যে কম্পিউটার ব্যবহার করি তার অধিকাংশ পাইরেটেড কপি। আপনি যাই লিখেন, চাইলে পাইরেটেড সফটওয়্যার দিয়ে আপনি লিখেছেন বলে এই আইনে একটি অপরাধ করে দিতে পারে। সুতরাং এটা সাংঘাতিক ভয়াবহ অবস্থা হয়ে গেছে।
অধ্যাপক সি আর আবরারের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ও সাঈদ আহমেদ। জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, আমরা যখনই আইন নিয়ে আলোচনা করি, তখন আইনটা হচ্ছে রাষ্ট্র যে আকারে যে আঙ্গিকে আমাদের আলোচনায় আনতে চায় সেটা হচ্ছে শুধু মাত্র বিরোধ নিষ্পত্তির আইন। রাষ্ট্রের সঙ্গে কিংবা ব্যক্তির সঙ্গে কারো কোন সংঘর্ষ হলো, বিরোধ হলো সে বিরোধটা নিষ্পত্তি করার জন্য আইন।
আলোকচিত্রী শহিদুল আলম গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জ্যোর্তিময় বড়ুয়া বলেন, একজন ভিডিও লাইভে কী বললো সে কারণে ৬০ দিন ধরে জেলে আটকে থাকবে। তাহলে তো যারা কোটি কোটি টাকা লোপাট করে নিচ্ছে, পাচার করে দিচ্ছে তাদের চৌদ্দগোষ্ঠীকে পুরোটা সময় জেলে কাটানো উচিত। শাস্তি আসলে নির্ধারণ করছে কে? এই আইনজীবী বলেন, আমরা বারবার যে বিষয়টি গুলিয়ে ফেলছি বা সরকার আমাদের গুলিয়ে ফেলার জন্য বিভিন্ন রকমের ডোজ দিয়ে এই পরিবেশ তৈরি করছে, সেটা হলো- রাষ্ট্র ধারণাটা সরকার-রাষ্ট্রের মধ্যে একাকার করে দেয়া এবং এর মধ্যে নাগরিকদের উপেক্ষা করা। আমি জানি না নাগরিকদের উপেক্ষা করে রাষ্ট্র কী করে? যে আইন করা হচ্ছে তার চরিত্র রাষ্ট্রের থেকে বড় এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, গণতন্ত্রের বিষয়টি এখনো পর্যন্ত যতটুকু আছে আমাদের মুখের মধ্যে। গণতন্ত্রের ছিটেফোঁটাও এ দেশে আর নেই। কিন্তু যে কাঠামোটা বলবৎ করতে চাই, যেটাকে আমরা মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বলি সেই জিনিসগুলো এই আইনি কাঠামোর কারণে আর কোনোভাবেই থাকছে না। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিভিন্ন নেতিবাচক দিক তুলে ধরে অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলন, বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত ও পাকিস্তানের আইন পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে বাংলাদেশে সাইবার ক্রাইম সব থেকে বেশি। সেইসঙ্গে বাংলাদেশে শাস্তি অন্যদের তুলনায় ভয়াবহ। যেখানে ভারত বা পাকিস্তানে শাস্তি দুই বছর, একই অপরাধে বাংলাদেশের আইনে শাস্তি যাবজ্জীবন।
সাঈদ আহমেদ বলেন, এই আইনটি বিএনপি’র আমলের। তখন আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে ছিল। তারা বিরোধিতা করে বলেছিল, এই আইনটা বিরোধী দলকে নিপীড়ন করার জন্য। কিন্তু তারা ক্ষমতায় এসে কেন সেই আইনটা বলবৎ রাখলেন? আর কেন সেই আইনের ধারাগুলোকে তারা নতুন আইনে হুবহু নিয়ে নিলেন? আমরা সবাই বলি, এটা বঙ্গবন্ধুর দেশ। কিন্তু এই আইন বঙ্গবন্ধুর নীতি-বিরোধী, স্বাধীনতার বিরোধী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেন এই পরাজয়? by পিন্টু আনোয়ার

বাতিল করা হয়েছে বাজে আউট দেয়া আম্পায়ার রড টাকারের ফেসবুক আইডি। ডিটি টাইগার্স সোশ্যাল মিডিয়া সিকিউরিটি টিম-এর ফেসবুক পেজে জানানো হয় এ তথ্য।
গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বিতর্কিত সিদ্ধান্তে আমরা ক্রিকেটে হেরে গেলাম। আর ফাইনাল শেষে লিটনের আউট প্রসঙ্গে মাশরাফি বলেন, এটা তো আসলে বলা কঠিন। আমাদের কাছে একসময় মনে হচ্ছিল আউট না। কিন্তু থার্ড আম্পায়ারই ভালো বলতে পারবেন, কারণ সিদ্ধান্তটা তো উনারই ছিল। এটা নিয়ে হয়তো পরে আলোচনা হবে। ফাইনালে বাংলাদেশের বড় পুঁজি সংগ্রহের সম্ভাবনাটা ছিল স্পষ্ট। ফাইনালে ৮৮ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ওপেনার লিটন দাস। আর ব্যক্তিগত ১২১ রানে ভারতীয় স্পিনার কুলদীপ যাদবের দেয়া গুগলি সামনে এগিয়ে এসে মারতে চাইলেও বলে ব্যাট লাগাতে পারেননি। বল গ্লাভসে ভরে যখন ভারতীয় উইকেটরক্ষক মহেন্দ্র সিং ধোনি স্টাম্প ভাঙলেন, ওই মুহূর্তে লিটনের পেছনের পা পড়লো পপিং ক্রিজে। সিদ্ধান্ত ছেড়ে দেয়া হয় টিভি আম্পায়ার রড টাকারের হাতে। টিভিতে বিভিন্ন পাশ থেকে লিটনের পা দেখা গেছে লাইনে।
এসব ক্ষেত্রে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত সাধারণত ব্যাটসম্যানের পক্ষে যায়। কিন্তু এবার গেল ফিল্ডিং দলের পক্ষে। এনিয়ে আইসিসিকে একহাত নিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তরাও। তানিব ইমতিয়াজ নামের এক সমর্থক টুইটারে লিটনের স্টাম্পিং হওয়ার মুহূর্তের ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আমরা এই পাশ থেকে পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি সেঞ্চুরি করা লিটন দাসের পা লাইনের পেছনে আছে। কিন্তু আম্পায়ার তাকে আউট দিলেন। কারণ তিনি জানেন যদি এই ম্যাচে তাকে আউট না দেয়া হয় তাহলে এটাই তার আম্পায়ারিংয়ে শেষ ম্যাচ।’ আরেক ক্রিকেট সমর্থক রক্তিম পাটোয়ারী লিখেছেন, ‘আইসিসি= ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল? নাকি আইসিসি= ইন্ডিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল?’ আবেদীন তমাল লিখেছেন, ‘আইসিসির নতুন নিয়ম, যে কোনো সংশয়ের সুবিধা পাবে ভারত।’ সুমন চন্দ্র দেবনাথের টুইট, ‘আজকের ম্যাচে ইনি থার্ড আম্পায়ার। তার সিদ্ধান্ত বাজে ছিল। ভারতের হয়ে কাজ করেছেন তিনি। বাংলাদেশ খেলোয়াড় লিটন দাসের আউট সঠিক ছিল না। আইসিসি ও থার্ড আম্পায়ারকে ধিক্কার।’
বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে সাধারণত প্রশংসা শোনা যায় না বীরেন্দর সেওয়াগ, রমিজ রাজাদের কণ্ঠে। তবে ফাইনাল শেষে বাংলাদেশের প্রতি টুপি খোলা (হ্যাটস অফ) সম্মান জানান তারাই। ২০১০ সালে বাংলাদেশ সফরে আসার পর থেকেই এ দেশে অজনপ্রিয় এক ব্যক্তি বীরেন্দর সেওয়াগ। তখন তিনি বলেছিলেন, বাংলাদেশ সাধারণ মানের দল। সুযোগ পেলে এখনো বাংলাদেশের কড়া সমালোচনা করতে ছাড়েন না ভারতীয় এই সাবেক ওপেনার। কিন্তু এশিয়া কাপের ফাইনালের পর সেওয়াগ টুইট করেছেন ‘বাংলাদেশ, এত কাছে তবু কত দূরে। এশিয়া কাপ জেতার জন্য ভারতকে অভিনন্দন। গুরুত্বপূর্ণ কিছু খেলোয়াড় ছাড়াও এমন উজ্জীবিত লড়াই উপহার দেয়ায় বাংলাদেশের প্রতি টুপি খোলা সম্মান জানাচ্ছি। আর পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার রমিজ রাজার চোখে মাশরাফি বিন মুর্তজা এশিয়া কাপের সেরা অধিনায়ক।
ভারতের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে বাংলাদেশ
লিটন দাসের বিতর্কিত আউট নিয়ে কোনো আলোচনা নেই ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে। তবে ফাইনাল শেষে বাংলাদেশের নৈপুণ্যের প্রশংসা করতে বাধ্য তারা। গতকাল ভারতীয় বাংলা সংবাদমাধ্যম এবেলা’র প্রতিবেদনের শুরুটা ছিল এমন- ‘স্বল্প রানের পুঁজি নিয়েও লড়াই করা যায়। লড়াই করা যায় যদি প্রধান অস্ত্র হয় মনোবল। সেই অস্ত্রেই শুক্রবার ভারতকে ধাক্কা দিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে শেষরক্ষা হলো না। রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে শেষ বলে জয় ছিনিয়ে নিলো ভারত। তিন উইকেটে জিতে ফের এশিয়া সেরা ভারত। তবে বাংলাদেশের লড়াইয়ের প্রশংসা প্রাপ্য।’ আর অপর বাংলা দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনের শুরুটা হলো- ‘এক সময় ১২০-০। সেখান থেকে ২২২ রানে অল আউট! এ যেমন বাংলাদেশের একটা দিক, তেমনই ২২২ রান তুলেও ভারতের সাত উইকেট ফেলে দিয়ে শেষ বল পর্যন্ত জেতার লড়াইয়ে থাকা। এটা বাংলাদেশের আর এক দিক।
শুক্রবার দুবাইয়ে এশিয়া কাপে যে বাংলাদেশকে দেখলো ক্রিকেটবিশ্ব, তা এক নতুন বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানের মতো বিশ্বকাপজয়ী দল যখন ক্রমশ ব্যর্থতার অন্ধকারে ঢেকে গিয়েছে, তখন বাংলাদেশের এই উত্থান এশিয়ার ক্রিকেটের পক্ষে অবশ্যই ভালো খবর। আনন্দবাজার পত্রিকার ক্রীড়া সাংবাদিক সম্বরণ বন্দোপাধ্যায় তার প্রতিবেদনে আরো লিখেছেন- শুক্রবারের এই এশিয়া কাপ ফাইনাল নিশ্চয়ই ক্রিকেট দুনিয়ার কাছে এই বার্তা দিলো যে, ভারত কোনো পরিস্থিতিতেই হার না মানা দল। সঙ্গে ভারতীয় ক্রিকেটাররা এটাও বুঝলেন যে, কোনো প্রতিপক্ষকেই কম গুরুত্ব দেয়ার প্রশ্নই ওঠে না। কয়েক মাস আগে শ্রীলঙ্কায় নিদাহাস ট্রফির ফাইনালেও এই বাংলাদেশের বিরুদ্ধেই শেষ ওভারে ভারতকে যেভাবে শেষ বলে উদ্ধার করেছিলেন দীনেশ কার্তিক, শুক্রবার সেভাবেই শেষ বলে ভারতকে জেতালেন কেদার যাদব। এই দুই ঘটনায় এটাই বোঝা যায়, সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বাংলাদেশ কিন্তু ক্রমশ ভারতের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করে দিয়েছে।
সমানে সমানে টক্কর দেয়াটা এখন তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়ে গিয়েছে। শুধু অভিজ্ঞতার অভাবে এই চাপ কাটিয়ে জিততে পারছে না তারা, এই যা। অভিজ্ঞতার অভাবেই হয়তো সেটা হচ্ছে। এই সমস্যাটা কাটিয়ে উঠতে তাদের খুব বেশি সময় লাগবে না বোধহয়। যেভাবে ভারতকে এ দিন শুরু থেকেই চাপে ফেলে দেন মাশরাফি বিন মুর্তজারা, তারপরে এ কথা স্বীকার করতেই হচ্ছে। ১৭ ওভারের মধ্যেই শিখর ধাওয়ন, আম্বাতি রায়ডু ও রোহিত শর্মাকে ফিরিয়ে মুর্তজারা যে চাপটা তৈরি করেছিলেন, ৩০ ওভারের পরে দীনেশ কার্তিক ও মহেন্দ্র সিংহ ধোনিকে ফিরিয়ে তা আরো বাড়িয়ে তোলেন। যা শেষ বল পর্যন্ত রেখেছিলেন তারা। ওপেনাররা ছাড়া বাংলাদেশের অন্য ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ হলেও ওদের বোলারদের নিখুঁত স্টাম্প টু স্টাম্প বোলিং আর অনবদ্য ফিল্ডিংই ওদের জয়ের দোরগোড়ায় নিয়ে চলে এসেছিল। কিন্তু অভিজ্ঞতার অভাবই ওদের শেষ বলে জয় পেতে দেয়নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1353)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
September
(317)
-
▼
Sep 30
(8)
- সঙ্গমের সময় প্রাণ হারালেন বিখ্যাত প্লেবয়
- যুক্তরাষ্ট্রেও ভীতিকর অবস্থায় আছি -বইয়ের প্রকাশনা ...
- ‘পরিচালক আমায় পোশাক খুলে নাচতে বলেছিলেন’
- বি. চৌধুরী প্রসঙ্গে কর্নেল অলি
- সিনহা’র বইয়ের নেপথ্যে কারা খুঁজে বের করুন -নিউ ইয়র...
- আচরণে বিব্রত ড. মোমেন by ওয়েছ খছরু
- ‘ডিজিটাল আইনের পর বাকস্বাধীনতা থাকে না’
- কেন এই পরাজয়? by পিন্টু আনোয়ার
-
▼
Sep 30
(8)
-
▼
September
(317)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...