Thursday, March 29, 2018
সময় মাত্র ৩৬৫ দিন by তেরেসা মে

অবশ্যই এমন অনেকে আছেন যারা চাইছেন ভিন্ন কিছু। আমি জানি এখনও এমন অনেকে আছেন, যারা ওই গণভোটের ফল উল্টে গেলে বা তা অবজ্ঞা করা হলে খুশি হন।
কিন্তু আমি সারা দেশ ঘুরেছি। ওয়েস্টমিনস্টার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। তাতে দ্রুততার সঙ্গে একটি বিষয় অত্যন্ত পরিষ্কার হয়ে গেছে। হতে পারে তারা ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ার পক্ষে অথবা বিপক্ষে। বেশির ভাগ মানুষই গণভোটের পর এ নিয়ে বিভক্তিমুলক সেই পুরনো কথা শুনতে শুনতে ক্লান্ত। তাই তারা চাইছেন ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া যাতে সফল হয় সে লক্ষ্যে আমাদেরকে কাজ করতে।
তাদের এমন ভাবনা যথার্থ। কারণ, বৃটেনের মানুষ ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। আর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমার কাজ হলো তার বাস্তবায়ন করা।
এ জন্যই আর্টিকেল ৫০ সক্রিয় করার পর গত ১২ মাসে আমার সরকার বৃটেনের পক্ষে ব্রেক্সিট সম্পাদনে কাজ করে যাচ্ছে। এ নিয়ে বৃটেন ও ব্রাসেলসের মধ্যে অসীম সময় পর্যন্ত সমঝোতা চলছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর দেশ কিভাবে চলবে তা নির্ধারণ করতে বা কর্মপরিকল্পনা করতে হোয়াইটহল জুড়ে হাজার হাজার সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কাজ করছেন।
আমি ইউরোপজুড়ে সফর করেছি। সামনের পথ কি হওয়া উচিত তা নিয়ে আমি জাতীয় পর্যায়ের ও ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। মন্ত্রীপরিষদের সদস্যরা তাদের নিজ নিজ এলাকার দায়িত্ব নিয়েছেন। এই বিপুল কর্মযজ্ঞ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। কিভাবে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে সে বিষয়ে সাম্প্রতিক চুক্তির বিষয়ে দেখুন।
কেউ বলেছেন, এমন সমঝোতা বা ঐকমত্য হবে এক অসম্ভাব্য কাজ। কিন্তু আমরা সেটা করে ফেলেছি। বৃটেনের পক্ষে যায় এমন ব্যবস্থা পাকা করেছি। এটাকে গত সপ্তাহে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের কাউন্সিলের নেতারা উষ্ণ স্বাগত জানিয়েছেন। বাস্তবায়নকালীন সময়ের চুক্তিতে দেখা যায় যে, আমরা যখন একত্রিত একটি জাতি হিসেবে আবির্ভূত হবো এবং আমাদের ভবিষ্যত কি হবে তা অর্জন করা যাবে।
ভবিষ্যতে আমার উচ্চাকাঙ্খী লক্ষ্য আছে। ভবিষ্যতে আমরা বন্ধু ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশীদারদের সঙ্গে অবাধ বাণিজ্য করবো। এর মধ্য দিয়ে আমরা অগ্রগতি করবো, যেটা কয়েক বছর করে আসছি।
অনেকে যেমনটা পূর্বাভাষ করেছিলেন তার চেয়ে শক্তিশালী উপায়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে অর্থনীতি। ঘাটতি কমে গেছে তিন-চতুর্থাংশ। কর্মসংস্থানের রেকর্ড উচ্চ।
শুধু অর্থনৈতিক সফলতাকে নিশ্চিত করারই ব্রেক্সিটের লক্ষ্য নয়। একই সঙ্গে আমাদের দেশকে আরো সমৃদ্ধ ও নিরাপদ করা আমাদের লক্ষ্য। আগামী বছর ২৯ শে মার্চ রাত এগারটায় শুক্রবারে ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাবে বৃটেন। এ জন্য আমি বৃটেনের চারটি দেশেই সফর করেছি। ব্যবসায় ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা এখন ব্রেক্সিট সম্পাদন করতে পারি। আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ যে, আমরা ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন ত্যাগ করবোই। এবং তা হবে আগামী এক বছরের মধ্যে। আর তার মধ্য দিয়ে আমাদের বন্ধন হবে একক। কারণ, বৃটেন হলো বিশ্বের সবচেয়ে সফল একটি ইউনিয়ন। তাই বৃটেনকে বেরিয়ে আসার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য আর সময় আছে মাত্র ৩৬৫ দিন। এর মধ্যেই আমরা আমাদের সন্তান, তাদের সন্তানদের কাছে হস্তান্তর করে যাবো লিগ্যাসি।
আমরা যদি আমাদের মতপার্থক্য ভুলে সবাই এক লক্ষ্যে অগ্রসর হই তাহলে এমন একটি ব্রেক্সিট উপহার দিতে পারবো, যা প্রতিটি মানুষের কল্যাণে আসবে। এটাই দেশবাসীর চাওয়া। আর এটাই আমরা তাদেরকে দিতে চাই।
(অনলাইন ডেইলি মেইলে প্রকাশিত লেখার অনুবাদ)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কিমের চীন সফর: পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে সম্মত উত্তর কোরিয়া

বৈঠকে কিম জং উন বলেন, পিয়ংইয়ংয়ের নেয়া উদ্যোগের প্রতি দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখালে বিষয়টির নিষ্পত্তি হতে পারে। নিজের পিতা ও দাদার ইচ্ছার কথা উল্লেখ করে কিম বলেন, ‘প্রয়াত প্রেসিডেন্ট কিম ইল সাং ও কিম জং ইলের ইচ্ছা অনুযায়ী আমরা এই উপদ্বীপকে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র যদি আমাদের এই প্রচেষ্টার প্রতি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখায়, তাহলে কোরিয়া উপদ্বীপকে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ সম্ভব।’ এ সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন কিম।
এর আগে রোববার কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে সস্ত্রীক চীন সফর করেন কিম জং উন। পারিবারিক ঐতিহ্য ধরে রেখে সবুজ রঙের বিলাসবহুল ট্রেনে চড়ে বেইজিং পৌঁছান তিনি। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক শেষে বুধবার বিকালে বেইজিং ছেড়ে যান তিনি। উত্তর কোরিয়ার নেতার চারদিনের চীন সফরের বিষয়ে কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলেও এই বিষয়ে নীরব থাকে দু’দেশ। কয়েক দিনের লুকোচুরির পর অবশেষে দুই দেশই সফরের বিষয়টি প্রকাশ করে। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেয়ার পর এই প্রথম কোনো বৈদেশিক সফরে গেলেন কিম জং। ধারণা করা হচ্ছে, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তুতি নিতেই অকস্মাৎ চীন সফর করলেন কিম। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে কিমের সফরকে ‘অনির্ধারিত’ উল্লেখ করা হয়েছে। চারদিনের সফরে বেইজিংয়ের গ্রেট হলে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন কিম। কিম ও তার স্ত্রী রি সল জু’কে সেখানে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার মুখপাত্র বাইক তায়ে হিউন বলেন, দুই কোরিয়ার মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলনের বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করেছেন শি জিনপিং ও কিম জং। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, দুই কোরিয়ার সম্মেলন ও ট্রাম্প-কিমের বৈঠককে সামনে রেখে চীন ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়নের বিষয়টি কোরিয়া উপদ্বীপের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সহায়তা করবে।’ তবে উত্তর কোরিয়ার বার্তা সংস্থা কেসিএনএ’র খবরে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের অঙ্গীকারের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে, কিম জংয়ের সফরের বিষয়ে মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রকে অবহিত করেছে চীন। হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র সারাহ স্যান্ডার্স বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে একটি ‘ব্যক্তিগত বার্তা’ পাঠিয়েছেন শি জিনপিং। তবে ওই বার্তার বিষয়বস্তু নিয়ে কিছু বলেননি তিনি।
প্রসঙ্গত, কিম জংয়ের পূর্বসূরি পিতা কিম জং ইল ও দাদা কিম ইল সাং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার অঙ্গীকার করেছিলেন। কিন্তু গোপনে নিজেদের পারমাণবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখে দেশটি। ২০০৬ সালে কিম জং ইলের শাসনামলে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় উত্তর কোরিয়া। প্রতিক্রিয়ায় উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক বন্ধের আহ্বান জানায় দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু বিপরীতে দক্ষিণ কোরিয়ায় মোতায়েনকৃত মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করার আহ্বান জানায় উত্তর কোরিয়া। বিশ্লেষকরা বলছেন, পূর্বপুরুষের হাতে কয়েক দশক ধরে গড়ে ওঠা পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করে দেয়ার বিষয়ে কিমের আগ্রহ অবিশ্বাস্য। তাদের ধারণা, আগ্রহ প্রকাশ করলেও প্রকৃতপক্ষে উত্তর কোরিয়া এখনো নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কী পরিমাণ সম্পদের মালিক বারাক ওবামা?

শুধু বক্তৃতা থেকেই নয়। স্ট্রিমিং সার্ভিস নেটফ্লিক্সে একটি বিশেষ শো আয়োজনের ব্যাপারে কথাবার্তা চলছে ওবামা দম্পতির। এখান থেকেও যে বিপুল অংকের অর্থ ঘরে তুলবেন তারা, তা না বললেও চলে।
বারাক ওবামার জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা এরিক শুলৎস বলেন, সব ঠিকঠাক থাকলে নেটফ্লিক্সে নিজের অনুষ্ঠানে বারাক ওবামা অনুপ্রেরণাদায়ী গল্প বলবেন। এ ক্ষেত্রে নিজের শাসনামলের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে তুলে ধরবেন তিনি। যেমন, জলবায়ু পরিবর্তন, স্বাস্থ্যসেবা ও অভিবাসন। অপরদিকে মিশেল ওবামা আলোচনা করবেন পুষ্টি নিয়ে। ফার্স্টলেডি থাকাকালে এ নিয়ে সরব ছিলেন তিনি। শুধু নেটফ্লিক্স নয়। অ্যাপল ও অ্যামাজনও ওবামা দম্পত্তির সঙ্গে অনুষ্ঠান আয়োজন করতে আগ্রহী।
এর বাইরে তারা দু’ জনই বর্তমানে নিজেদের আত্মজীবনী লেখার কাজে হাত দিয়েছেন। এই বইয়ের জন্য তারা ইতিমধ্যে অগ্রিম হাতে পেয়েছেন ৬ কোটি ডলারেরও বেশি।
তবে সমস্ত ব্যয় ও ঋণ বাদ দিয়ে বারাক ওবামার বর্তমান সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৪ কোটি ডলার। তার সম্পদের বেশিরভাগই এসেছে তার বই ‘অডাসিটি অব হোপ’ ও ‘ড্রিম অব মাই ফাদার’ বিক্রি থেকে। নতুন বই বিক্রি থেকে স্বাভাবিকভাবেই এই সম্পদ আরও বাড়বে।
কীভাবে সম্পদ অর্জন করেছেন বারাক ওবামা?
২০০৪ সালে বারাক ওবামা ইলিনয় রাজ্য সিনেটে থাকাকালে বেতন-ভাতা হিসেবে ৬০ হাজার ডলার পেয়েছিলেন। এছাড়া শিকাগো আইন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়ে পেয়েছিলেন ৩২ হাজার ডলার। এর বাইরে চারটি আর্থিক তহবিলে তার অর্থ গচ্ছিত ছিল। এগুলোর একেকটির মূল্যমান ছিল ৫০ হাজার ডলার থেকে ১ লাখ ডলার।
এক বছর পর তিনি বই লেখার জন্য অগ্রিম ৮ লাখ ৪৭ হাজার ডলার ও রয়্যালটি (বিক্রি বাবদ) হিসেবে ৩ লাখ ৭৮ হাজার ডলার পেয়েছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন তহবিলে রাখা তার অর্থও বেড়ে যায়। ২০০৫ সালে ওবামা দম্পত্তি শিকাগোর কেনউডে ১৬ লাখ ডলার মূল্যের বাড়িতে উঠেন।
২০০৬ সালে তিনি ফের বইয়ের রয়্যালটি পান ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার। সে বছর আরেকটি বইয়ের কাজে হাত দেন তিনি। ওই বই থেকে তিনি অগ্রিম সম্মানি পান ৪ লাখ ২৫ হাজার ডলার। তখন বিভিন্ন খ্যাতনামা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তহবিলে অর্থ জমা রাখতে শুরু করেন তিনি।
পরের বছর তিনি র্যান্ডম হাউজ থেকে আয় করেন ৩৩ লাখ ডলার। ডিস্টেল ও গোডরিচ লিটারেরি ম্যানেজমেন্ট থেকে পান ৮ লাখ ১৬ হাজার ডলার। এছাড়া মার্কিন রাষ্ট্রীয় ট্রেজারি থেকে বন্ড কিনেছিলেন তিনি। ২০০৮ সালে তিনি যখন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নেন, তখন ট্রেজারিতে তার সম্পদ ছিল ১০ লাখ থেকে ৫১ লাখ ডলারের মধ্যে।
২০০৯ সালে এই দম্পত্তির আয়কর রিটার্ন থেকে দেখা যায়, পারিবারিকভাবে তাদের আয় ছিল ৫৫ লাখ ডলার। ২০০৭ সালে যা ছিল ৪২ লাখ ডলার। ২০০৫ এ ছিল ১৬ লাখ ডলার।
২০১০ সালে, নিজের আয়ের ১৪ শতাংশ তিনি অলাভজনক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দান করেন। এর মধ্যে ১ লাখ ৩১ হাজার ডলার গেছে ফিশার হাউজ ফাউন্ডেশনে। এই দাতব্য সংস্থা যুদ্ধাহত প্রবীন যোদ্ধাদের পরিবারকে সহায়তা করে।
প্রেসিডেন্ট থাকাকালে বছরে ৪ লাখ ডলার বেতন পেতেন তিনি। এছাড়া দেড় লাখ ডলারের বিশেষ তহবিল, ১ লাখ ডলারের ভ্রমণ ভাতা ও ২০ হাজার ডলারের বিনোদন ভাতা পেতেন তিনি।
এই মিলিয়ে বারাক ওবামার ঋণ বাদে মোট সম্পদ আনুমানিক ৪ কোটি ডলার। তার স্ত্রী মিশেল ওবামারও মোট সম্পদ একই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রবীণদের মানবাধিকার রক্ষায় জামাকনের কমিটি by মহিউদ্দিন অদুল

জামাকন কর্মকর্তারা বলেন, অন্যদিকে বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ায় দ্রুত জলবায়ুর পরিবর্তন হচ্ছে। বাড়ছে সমুদ্রপৃষ্টের উচ্চতা। ডুবছে দেশের বিস্তীর্ণ উপকূল। বাস্তুভিটা হারাচ্ছে উপকূলীয় মানুষ। স্রোত ও ঢেউয়ে ভাঙছে প্রতিনিয়ত নদ-নদী ও সমুদ্র তীর। বন-জঙ্গল উজাড় হওয়ায় বাড়ছে পাহাড় ধস। ভাঙনে ঘুমের মধ্যে মানুষ খাট-পালং ও ঘরসহ নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে। ঘুমন্ত মানুষ চাপা পড়ছে ধসেপড়া পাহাড়ের মাটির নিচে। তৎক্ষণাৎ দুর্ঘটনায় ঘটছে মর্মান্তিক প্রাণহানি। একই সঙ্গে আহত হচ্ছে অনেকে। বরণ করতে হচ্ছে পঙ্গুত্ব। এভাবে একের পর এক রাতারাতি বাস্তুভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ। একেবারে পথে বসছে। অন্নসংস্থান, মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে নিঃস্ব পরিবারগুলো অমানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে। তাদের অনেকে একাধিকবার বাস্তুভিটা হারিয়ে উদ্বাস্তুতে পরিণত হয়েছে। দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাচ্ছে। অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু বাড়ছে কিন্তু রাষ্ট্রীয় এই মানবাধিকার সংস্থাটি গত বছরের প্রথমার্ধ পর্যন্ত এ বিষয়টির উপর তেমন নজর দেয়নি।
প্রবীণ ও জলবায়ু উদ্বাস্তুদের ক্রমবর্ধমান মানবাধিকার বিপর্যয় বাড়ায় গত বছরের জুলাই থেকে এ বিষয় নিয়ে কাজ শুরু করেছে জামাকন। জুলাইতে এই রাষ্ট্রীয় মানবাধিকার কমিশনে ওই দু’বিষয়ে পৃথক কমিটি গঠিত হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন, প্রকৃতি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কমিটির প্রধান জামাকন চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক এই বিষয়ে বলেন, জলবায়ু বিপর্যয়, নদী ভাঙন ও পাহাড় ধসে মানুষের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু বাড়ছে। সেই সঙ্গে রাতারাতি সব হারিয়ে নিঃস্ব পরিবারগুলো নারী ও শিশু নিয়ে পথে বসছে। তাদের মানবাধিকার চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে দিন দিন উদ্বাস্তুদের সংখ্যা বাড়ছে। এই গত বছর থেকে এই বিষয় নিয়ে কমিটি গঠনের মাধ্যমে কাজ শুরু করেছে মানবাধিকার কমিশন।
মানবাধিকার কমিশন সূত্র জানায়, ২০১০ সালে এই রাষ্ট্রীয় সংবিধিবদ্ধ মানবাধিকার সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে ৯টি বিষয় কমিটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে মানবাধিকার সুরক্ষায় কাজ করে আসছিল। এরই কমিটিগুলোর মধ্যে রয়েছে- ক. অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার বিষয়ক কিমিটি, খ. পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক কমিটি, গ. দলিত, হিজড়া ও অন্যান্য ক্ষুদ্র গোষ্ঠী, ঘ. ব্যবসা ও মানবাধিকার এবং কর্পোরেট স্যোসাল রেসপনসিবিলিটি, ঙ. অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা, চ. প্রতিবন্ধী ও অটিজম, ছ. ধর্মীয় ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এবং অনাগরিকদের অধিকার সুরক্ষা, জ. শিশু অধিকার, শিশুশ্রম ও মানবপাচার বিরোধী এবং অভিবাসী ইত্যাদি বিষয়ক কমিটি। এর সঙ্গে গতবছর প্রবীণ অধিকার বিষয়ক ও জলবায়ু পরিবর্তন, প্রকৃতি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কমিটি।
এ বিষয়ে জামাকনের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফারহানা সাঈদ বলেন, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নতুন ওই দু’ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রবণতা বাড়ায় তা কমিশনের নজরে আসে। এরপর নতুন কমিটি গঠন করে প্রবীণ ও জলবায়ু উদ্বাস্তুদের মানবাধিকার রক্ষায় কাজ শুরু করেছে কমিশন। তবে এ দু’বিষয়ে মানবাধিকার রক্ষার কার্যক্রম প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কিমের কূটনৈতিক মিশন

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানকে সন্ত্রাসের আতুঁড়ঘর বললেন তসলিমা

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যমুনায় মাইলের পর মাইল ধু-ধু বালুচর by সাগর বসাক

জানা গেছে, প্রতি বছর ১লা জানুয়ারি থেকে ৩১শে মে- এই ৫ মাসে (শুষ্ক মৌসুম) পানির অভাবে যমুনা নদী ও এর বেশ ক’টি শাখানদীসহ খাল-বিল প্রতি বছরেই শুকিয়ে যায়। ফলে যমুনা নদী তীরবর্তী অঞ্চলবাসীর শুরু হয় নানা দুঃখ দুর্দশার পালা। প্রকৃতি নির্ভর কৃষিপ্রধান এ অঞ্চলের বিস্তৃর্ণ এলাকা হয়ে যায় মিনি মরুভূমি। দ’ুচোখ যেদিকে যায় সেদিকেই দেখা যায় ধু-ধু বালুচর। প্রতিবেশী দেশ ভারত নদ-নদীগুলোর স্বাভাবিক গতিপথ রুদ্ধ করে দেয়ায় সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে মরু অঞ্চলে পরিণত হতে চলেছে। যমুনা নদী উত্তরাঞ্চলের বিস্তৃত এলাকাজুড়ে অবস্থান করায় এর মরূকরণের কু-প্রভাব এ অঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশকে করছে ভারসাম্যহীন। এসব কারণে যমুনার শাখানদীসহ খাল-বিলের গতি প্রকৃতির পরিবর্তন ঘটছে। আমরা হারাতে বসেছি আমাদের অনেক গ্রামীণ ঐতিহ্য। আবহমানকাল থেকে গ্রামীণ জনপদের মানুষের প্রিয় সুস্বাদু দেশি মাছ এখন সোনার হরিণের মতো। এখন আর দেখা যায় না গ্রামীণ ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ নৌকাবাইচ, খরা জাল, সূতি ফাঁদ, সেচের মাধ্যম দাঁড়। মৎস্যভাণ্ডার সংকুচিত বা শুকানোর ফলে অনেক মৎস্যজীবী বর্তমানে বেকার হয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। আবার অনেকেই পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৪৮ বছরের লিভ টুগেদার অতঃপর বিয়ে

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভিক্ষুকমুক্ত এলাকায় ভিক্ষা by সুদীপ অধিকারী

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের শিডিউল চূড়ান্ত by কাজী সোহাগ

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিচার এখন করছেন না কেন: রিজভী

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ কি স্বৈরতান্ত্রিক দেশে পরিণত হচ্ছে?

বাংলাদেশের শাসক দল আওয়ামী লীগ এই গবেষণামূলক সূচককে ভিত্তিহীন হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছে। দেশটির প্রধান বিরোধী দল বিএনপি অবশ্য দাবি করেছে, এই সূচক বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সত্যিকার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা আবদুল মতিন খসরু স্থানীয় গণমাধ্যমকে এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি শতভাগ গণতান্ত্রিক দেশ। এই গণতন্ত্রের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো সুযোগ নেই।’ তিনি বলেন, ‘সম্ভবত, জার্মানি-ভিত্তিক থিঙ্কট্যাঙ্কটি ভুল সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছে যাদের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অথবা বাংলাদেশ বিরোধী ও আওয়ামী লীগ বিরোধী লোকজনের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছে।’
বার্লটসম্যান ফাউন্ডেশনের এই সূচকের প্রকল্প ব্যবস্থাপক রবার্ট সোয়ার্জ বলেছেন, গবেষণার ফলাফলের ব্যাপারে মন্তব্য করার আগে বাংলাদেশের রাজনীতিকদের উচিত হবে প্রতিবেদনটি পড়ে দেখা। তিনি বলেন, ‘রিপোর্টের বাংলাদেশ অংশে এই বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে যে, সরকার ও বিরোধী দল উভয়েই কিছু ক্ষেত্রে এই ক্রমবর্ধমান অবনতিতে ভূমিকা রেখেছে।’
সোয়ার্জ আরো বলেন, প্রতিবেদনে অর্থনৈতিক উৎপাদন, ব্যাষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, বাজারভিত্তিক প্রতিযোগিতা ও ব্যক্তি মালিকানাধীন ব্যবসার মতো অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশের ইতিবাচক অগ্রগতির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, বিচার ব্যবস্থার পৃথক্করণ ও বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতার মতো রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অবনতির বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।
গণতন্ত্র ‘অবনতিশীল’
বাংলাদেশ সম্পর্কে বার্টলসম্যানের গবেষণায় বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অবনতিশীল যেই অবস্থার কথা উঠে এসেছে তার সঙ্গে বিশেষজ্ঞদের অভিমতেরও মিল রয়েছে। এই অবনতিশীল অবস্থাকে ত্বরান্বিত করছে রাজনৈতিক বহুত্বের অভাব এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধী নেত্রী খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত রেষারেষি।
ওয়াশিংটনভিত্তিক উইড্রো উইলসন সেন্টারের দক্ষিণ এশিয়া বিশেষজ্ঞ মাইকেল কুগেলম্যান মনে করেন, বাংলাদেশ খুব দ্রুতগতিতে স্বৈরতান্ত্রিক দেশে পরিণত হওয়ার পথে ধাবিত হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘শাসক দল বিরামহীনভাবে বারবার রাজনৈতিক বিরোধী পক্ষের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়েছে। এই দমন-পীড়ন প্রায়ই বেশ সহিংস ছিল। এই দেশটি একদলীয় রাষ্ট্র হওয়ার বিপজ্জনক পথে দাঁড়িয়ে আছে। দেশটি পথ পরিবর্তন করতে সক্ষম হলে আলাদা কথা।’
প্রধান বিরোধী নেত্রী কারাগারে
বাংলাদেশের বর্তমান বিরোধী নেত্রী খালেদা জিয়াকে ফেব্রুয়ারিতে এক দুর্নীতির মামলায় কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এক দশক আগে সামরিক বাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ওই মামলা দায়ের করা হয়। রাজধানী ঢাকার একটি বিশেষ আদালত তাকে একটি তহবিলের অর্থ তছরুপের অভিযোগে ৫ বছরের সাজা দেয়।
অভিযোগ আছে, ৭২ বছর বয়সী এই রাজনীতিকের কারাদণ্ড রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও তাকে এ বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখার চেষ্টার অংশ। কুগেলম্যান বলেন, ‘খালেদা জিয়া ও আওয়ামী লীগের মধ্যে শত্রুতার ইতিহাস এবং বিরোধী পক্ষকে নাজেহাল রাখতে সরকারের বিরামহীন চেষ্টার কথা বিবেচনায় নিয়ে, আমি নিশ্চিতভাবেই মনে করবো যে, এসব আইনি পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’
সাউথ এশিয়া ডেমোক্রেটিক ফোরামের গবেষণা পরিচালক সিগফ্রিড ও. ওলফ এ ব্যাপারে একমত যে, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটির গণতান্ত্রিক পরিপ্রেক্ষিত বেশ ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে। তবে তিনি মনে করেন না যে, সব দোষ কেবল বর্তমান সরকারের। তিনি বলেন, ‘এটি খুবই সংকীর্ণ হবে যদি কেউ শুধু বর্তমান সরকারকেই দেশটির গণতন্ত্রের বেহাল দশার জন্য দায়ী করেন। এমন যুক্তিতে যে তথ্য অনুপস্থিত তা হলো, বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। অনেক দুর্ভাগ্যজনক গতিপথের সঙ্গে সংশ্লেষ পাওয়া যাবে পূর্বেকার সরকারগুলোর।’
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বাড়ছে
বিরোধী দল বিএনপির বিরুদ্ধে রাজপথে সহিংস বিক্ষোভ সংঘটনের অভিযোগ রয়েছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনের পরের ওই সহিংস প্রতিবাদে শতাধিক মানুষ নিহত হন। বিএনপি নির্বাচন বর্জন করেছিল। দলটির দাবি ছিল, নির্বাচন একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হোক। ১৯৯১ সালের পর থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেই এই নির্বাচন হতো। কিন্তু বিরোধী দল ও সুশীল সমাজের প্রতিবাদ সত্ত্বেও ২০১০ সালে ওই পদ্ধতি বাতিল করা হয়। বিএনপি এরপর থেকে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়েছে। দলটির বেশিরভাগ শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধেই সহিংসতা ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ ঝুলছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, দলটির হাজার হাজার নেতাকর্মী নিহত, অপহৃত অথবা কারান্তরীণ।
সিগফ্রিড ওলফ বলেন, ‘বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী দলের ওপর দমন-পীড়নের প্রসঙ্গ যখন আসবে, তখন এটি বিবেচনা করা উচিত যে, এই দল দু’টি কেবল রাজনৈতিক সহিংসতা, জঙ্গিবাদ ও জিহাদবাদের সঙ্গেই জড়িত নয়, তারা দেশটিকে ইসলামীকরণের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।’ তিনি আরো বলেন, দুই প্রধান দলের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাও দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতে বড় ভূমিকা রাখছে। তিনি বলেন, ‘দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যে গভীরভাবে প্রোথিত দ্বন্দ্ব ও তাদের রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে ব্যক্তিগত ক্রোধও দেশটির বর্তমান রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে।’
অংশগ্রহণ নির্বাচন কি হবে?
খালেদা জিয়া কারান্তরীণ থাকলে বিএনপি আসন্ন সাধারণ নির্বাচন বর্জন করার হুমকি দিয়েছে। শাসক দল আওয়ামী লীগ বিরোধী পক্ষকে নির্বাচনে আনতে কোনো ছাড় দেয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখায় নি। ঢাকার একজন রাজনীতি বিজ্ঞানী শান্তনু মজুমদার মনে করেন, আসছে সাধারণ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে। কারণ হিসেবে তিনি বলছেন, নির্বাচনে অংশ নেয়া বৈ বিএনপির সামনে কোনো পথ খোলা নেই। আবার ২০১৪ সালের মতো একতরফা নির্বাচন করার পর্যায়ে নেই আওয়ামী লীগও।
বিশ্লেষক কুগেলম্যানও প্রায় কাছাকাছি মত দিয়েছেন। তার ভাষ্য, ‘বিএনপি খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা তা নির্ভর করছে দলটি এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার উপযুক্ত বলে বিবেচনা করবে কিনা তার ওপর। এই নির্বাচনে কারচুপি হওয়ার সম্ভাবনা আছে ভালোই। আমার মনে হচ্ছে যে, খালেদা জিয়া শেষ পর্যন্ত মুক্তি পাবেন। মুক্তি দেয়ার আগে তাকে আটকে রেখে কড়া বার্তা দিতে চায় শাসক দল।’
বার্টলসম্যানের সূচকে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে, সরকারের উচিত হবে অংশগ্রহণমূলক জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের স্বার্থে আসছে মাসগুলোতে প্রধান বিরোধী দলের সঙ্গে সংলাপে বসা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সড়কের নাম ভিআইপি by মরিয়ম চম্পা

ভিআইপি রোড। এ নামেই খ্যাত সড়কটি। রাষ্ট্রের অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের চলাচলের কারণেই মূলত এ পরিচিতি। প্রেসিডেন্ট-প্রধানমন্ত্রীর মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা চলাচল করেন এ সড়কে। প্রধানমন্ত্রীর চলাচল প্রায় নিয়মিত। মন্ত্রী-এমপিরাও করেন যাতায়াত। বিদেশি কোনো রাষ্ট্রপ্রধান এলেও এ পথে ছুটতে দেখা যায় তাদের। অতিথিদের অভিনন্দন জানিয়ে টাঙানো হয় নানা ব্যানার-ফেস্টুন। বার্তা দেয়া হয় বন্ধুত্বের। কাগজে-কলমে এ সড়কটির নাম নজরুল ইসলাম এভিনিউ। পুরনো এয়ারপোর্ট থেকে ফার্মগেট হয়ে শাহ্বাগে চলে যাওয়া এ সড়কের খুব বেশি আলাদা বৈশিষ্ট্য চোখে পড়ে না। সড়কটি অবশ্য রিকশামুক্ত। যদিও রাতে ভ্যানগাড়ি কিংবা কিছু রিকশা চলাচল করতে দেখা যায়। ফুটপাথে কাটাছেঁড়া চলতে থাকে বছরব্যাপীই। এ কাজের যেন শেষ নেই। যানজট লেগে থাকে সবসময়ই। ব্যক্তিগত গাড়ি আর গণপরিবহনের লম্বা সারি- এ সড়কের স্বাভাবিক দৃশ্য। কাওরানবাজার অংশে গভীর রাতেও দেখা যায় যানবাহনের ভিড়। তবে ভিভিআইপি মুভমেন্টের সময় পরিস্থিতি থাকে একেবারেই আলাদা। মুহূর্তে ফাঁকা হয়ে যায় সবকিছু। এ সড়কের আশপাশেই গত ৭ই মার্চ আওয়ামী লীগের জনসভার দিন লাঞ্ছনার শিকার হয়েছিলেন এক কলেজছাত্রী। এ ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হলেও এখন পর্যন্ত ধরা পড়েনি জড়িতদের কেউ। সড়কটিতে ছিনতাইয়ের ঘটনাও নজিরবিহীন নয়। নগর পরিকল্পনাবিদদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৬ সাল থেকেই সড়কটি ভিআইপি সড়ক নামে পরিচিত। ট্রাফিক পুলিশও এ নামেই ট্রিট করে সড়কটিকে। যদিও সিটি করপোরেশনের খাতায় এ নাম নেই।
বুয়েটের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. সরওয়ার জাহান বলেন, প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট এবং মন্ত্রী-এমপিরা এই রাস্তা ধরে যাতায়াত করেন। ঢাকার একাধিক পাঁচ তারকা হোটেলও এই সড়ক সংলগ্ন। মূলত এইসব কারণেই সড়কটি ভিআইপি রোড হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ১৯৮৬ সালের দিকে এরশাদ সরকার ঢাকা শহরের বিভিন্ন রাস্তা থেকে রিকশা উঠিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তখন রিকশাচালকরা প্রধান সড়ক ধরে রিকশা চলার বিষয়ে দাবি তুললে সরকারের পক্ষ থেকে বলে দেয়া হয় যে, ভিআইপি রোড ধরে কোনো রিকশা চলতে পারবে না। তিনি বলেন, ভিআইপি রোড হিসেবে ফরমালি কোথাও এই সড়কের নাম লেখা নেই। এটা মূলত এরশাদ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল। বর্তমান কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ নামটা সিটি করপোরেশন কর্তৃক দেয়া। আগে ঢাকা ময়মনসিংহ রোড, এয়ারপোর্ট রোড এভাবে বিভিন্ন ধরনের নাম ছিল। ভিআইপি সড়কেও কেন যানজট এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রচলিত ভিআইপি বা প্রধান সড়কে যানজটের অন্যতম কারণ হচ্ছে- প্রাইভেট গাড়ি বেড়ে যাওয়া। রাস্তার ধারণক্ষমতার তুলনায় গাড়ির সংখ্যা অনেক বেশি। ফলে যানজট বেশি হচ্ছে এ সড়কে। তিনি বলেন, রাস্তার বিশৃঙ্খলা কমাতে গেলে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বা ম্যাস ট্রানজিটের ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কন্সট্রাকশন দ্রব্যাদি রাখা ও রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধ না করলে রাস্তার শৃঙ্খল অবস্থা ফিরিয়ে আনা যাবে না। এছাড়া প্রধান সড়কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ও অপ্রীতিকর ঘটনা দূর করতে পুলিশের যেটা করণীয় সেটা ঠিকভাবে হচ্ছে না। এক্ষেত্রে পুলিশের কর্তব্যরতদের নিয়মিত মনিটরিং থাকা দরকার।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ভিআইপি সড়ক নামটা আসলে কোথা থেকে এলো জানি না। এ রাস্তাটির নাম কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ। তবে এ রাস্তায় ভিআইপি মুভমেন্ট হয়। ভিআইপি রোড একটি প্রচারিত এবং প্রচলিত কথা হতে পারে। প্রধান সড়কে যানজট নিরসণের বিষয়ে নগরপরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, যানজট নিরসণে ঢাকা শহরের প্রধান ৫টি সংস্থা আছে যারা সমন্বিতভাবে কাজ করলে এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। এক্ষেত্রে প্রথম বিষয়টি হচ্ছে মাস্টারপ্লান। তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের কাজ হচ্ছে অবকাঠামোগত রক্ষণাবেক্ষণ করা। অর্থাৎ রাস্তা ভেঙে গেলে সেটার মেরামত করা। ফুটপাথে পথচারীরা যেন স্বচ্ছন্দে চলাচল করতে পারে। এবং রাস্তা পারাপারে জেব্রাক্রসিং নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে রাস্তার ভেতর যেন কেউ কোনো অবৈধ স্ট্রাকচার রেখে চলাচলে বিঘ্ন না ঘটায় সেটা নিশ্চিত করা।
নগরবিদ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, ভিআইপি সড়ক কোনো আধুনিক শহরে আছে বলে আমার জানা নেই। এখন বাংলাদেশে যদি কেউ কোনো সড়ককে ভিআইপি সড়ক নাম দেন তাহলে যারা দেন তারাই বলতে পারবেন ভিআইপি সড়কের সংজ্ঞা। আমি পৃথিবীর কোনো শহরে দেখি না যে, ভিআইপি সড়ক বলে কোনো সড়ক আছে। তবে আমাদের দেশে প্রধান সড়ককে যে ভিআইপি সড়ক বলা হয় এটা হয়তো পুলিশের নিজস্ব ধারণা। পুলিশই মূলত বলতে পারবে কাকে ভিআইপি সড়ক বলা হয়। সড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এক কথায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এটা ট্রান্সপোর্ট ট্রাফিকের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য। আমরা যদি বিদেশের উদাহরণ দেই বা শিক্ষা নেই তাহলে দেখা যাবে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, ইংল্যান্ড, আমেরিকা, থাইল্যান্ড, ব্যাংকক, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট পথ চলাচলের সময় পথচারীদের চলার পথ বন্ধ করে দিয়ে বা আটকে রেখে চলাফেরা করেন না। আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর উচিত উন্নত দেশগুলোর নিয়ম-কানুনগুলো অনুসরণ করা।
ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মোসলেহ উদ্দিন বলেন, আমাদের মূলত তিনটি আর্টারি রয়েছে। ভিআইপি সড়ক, মিরপুর ও প্রগতি সরণি। এই তিনটি হচ্ছে- আমাদের ঢাকা শহরের মূল সড়ক। ঢাকা শহরে ঢোকা এবং বের হওয়ার জন্য আমরা সাধারণত এই প্রধান তিনটি সড়কই ব্যবহার করি। এই প্রধান সড়কের মধ্যে ভিআইপি সড়কটি নাম্বার ওয়ান। কারণ এই সড়ক ধরে আমাদের রাষ্ট্রীয় চলাচল বা মুভমেন্টগুলো বেশি হয়। অর্থাৎ জরুরি সার্ভিসের গাড়ি, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের চলাচল ও সাধারণ মানুষের চলাচল সবকিছু বিবেচনা করেই মূলত এটাকে ভিআইপি সড়ক বলা হয়। মোসলেহ উদ্দিন বলেন, প্রথমত হচ্ছে- যেটা দিয়ে আমাদের রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, ভিআইপি, ভিভিআইপিরা চলাচল করেন এবং অনেক বেশি ব্যবহৃত হয় অর্থাৎ যে রাস্তা ধরে সাধারণ জনগণ অনেক বেশি চলাচল করে- এটাই হচ্ছে আমাদের ভিআইপি রাস্তার বৈশিষ্ট্য। ঢাকা শহরে ভিআইপি রোড হচ্ছে একটাই যেটা এয়ারপোর্ট থেকে রূপসী বাংলা হয়ে বঙ্গভবন পর্যন্ত। আর অন্যান্য সড়কগুলোর আলাদা আলাদা নাম রয়েছে। ভিআইপি সড়কে কোনো বিশৃঙ্খলা বা অনিয়ম দেখামাত্রই আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। পুরো ভিআইপি সড়ক জুড়েই আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার আছে। যখনই কেউ ট্রাফিক রুলস মানছে না সঙ্গে সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।
এদিকে, মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার হওয়ার পর থেকে ভিআইপি সড়কে বিশেষ করে বাংলামোটর অংশে গাড়ির চাপ আরো বেড়েছে। বেড়েছে যানজট। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগের উপ-কমিশনার রিফাত রহমান শামীম বলেন, যে গাড়িগুলো রাজারবাগ-মৌচাক হয়ে ৩/৪টি সিগন্যাল পেরিয়ে বাংলামোটর পর্যন্ত আসতো সেগুলো এখন ফ্লাইওভারের উপর দিয়ে সিগন্যাল ছাড়াই অল্প সময়ে বাংলামোটরের দিকে চলে আসছে। যে কারণে বাংলামোটর ভিআইপি সড়কে যানজট তৈরি হচ্ছে।
উড়াল সড়কটির বাস্তবায়ন কর্তৃপক্ষ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও এই প্রকল্পের পরিচালক সুশান্ত কুমার পাল বলেন, ফ্লাইওভারের সবগুলো নামার পথে তেমন একটা যানজট নেই। তবে বাংলামোটর সিগন্যালের আগ পর্যন্ত যানজট কিছুটা সৃষ্টি হচ্ছে, এটা আসলে ফ্লাইওভারের জন্য নয়। বাংলামোটরের এই সিগন্যালটি অনেক আগে থেকেই খুবই ব্যস্ত একটি সিগন্যাল। এখন ফ্লাইওভার দিয়ে যাতায়াতের সুবিধার কারণে আরো বেশি চাপ সৃষ্টি হয়েছে। যে কারণে যানজট দেখা দিচ্ছে। ফ্লাইওভার হলেই যে যানজট কমে যাবে- এটা ঠিক নয়। যানজট কমানোর জন্য অনেকগুলো পদক্ষেপের মধ্যে ফ্লাইওভার একটি পদক্ষেপ।
এ বিষয়ে প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, রাস্তার পরিকল্পনা অবকাঠামো সাধারণত এলজিইডি মন্ত্রণালয় তৈরি করে। এটা যদি আমাদের সিটি করপোরেশন থেকে হতো তাহলে আমরা অবশ্যই পরামর্শ দিতাম যে, বাংলামোটরকে ক্রস করে ওপারে গিয়ে প্রধান সংযোগ নামানো। বাংলামোটরে মুভমেন্ট বেশি হওয়ায় এখানকার সিগন্যালের পয়েন্টটা পার করে যদি ব্রিজটা নামানো হতো তাহলে যানজটের মাত্রা আরো কমে আসতো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মন্ত্রী-সচিবের স্বাক্ষর জাল করে তদবির, তদন্তে সিআইডি by রুদ্র মিজান

ঘটনার সূত্রপাত ২০১৬ সালের শেষ দিকে হলেও সম্প্রতি আড়ালে থাকা হোতাদের সন্ধান পাওয়া গেছে। সূত্রমতে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন সেবা পরিদপ্তরের আওতায় জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর কর্মসূচিভুক্ত নার্সিং এডুকেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস প্রোগ্রামের অপারেশনাল প্লানের সংস্থান অনুযায়ী সরকারি ব্যবস্থাপনায় নার্সিং কর্মকর্তাদের স্পেশালাইজড প্রশিক্ষণের আবেদন যাচাই করতে গিয়ে বিষয়টি ধরা পড়ে। যদিও তার আগেও এরকম সুপারিশ নিয়ে বিব্রত ছিলেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। নার্সিং কর্মকর্তাদের স্পেশালাইজড প্রশিক্ষণের জন্য বিভিন্ন হাসপাতাল-স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান ও নার্সিং প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নার্সিং কর্মকর্তাদের নিকট থেকে দরখাস্ত আহ্বানের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে বিপুল দরখাস্ত আসে। সেইসঙ্গে সুপারিশ। যাচাই করতে গিয়ে টনক নড়ে সংশ্লিষ্টদের। অন্তত ১৭ জনের আবেদনে ভুয়া সুপারিশ পাওয়া গেছে। ২০১৬ সালের ১৭ই আগস্ট স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সেবা পরিদপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) নাছিমা পারভীন বাদী হয়ে এ বিষয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। ওইদিনই বরখাস্ত করা হয় জাল স্বাক্ষর ব্যবহারকারীদের।
থানা পুলিশ, দুর্নীতি দমন কমিশন হয়ে মামলা আসে সিআইডিতে। তদন্তে দীর্ঘদিন তেমন কোনো অগগ্রতি না হলেও সম্প্রতি বেরিয়ে আসছে থলের বিড়াল।
জাল স্বাক্ষরের বিষয়টি ধরা পড়ার বিষয়ে আরো জানা গেছে, সেবা পরিদপ্তরের এক আদেশে ফয়জুন্নেসাকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। দায়িত্ব পেতে ‘সুপারিশ’ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ও ফজলুল করিম সেলিম এমপি। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ সাহা এতে অবাক হন। আদেশটি জনস্বার্থবিরোধী জানিয়ে চিঠি পাঠান সেবা পরিদপ্তরে। ফয়জুন্নেসা সফল হননি। তারপর একই আদেশ আসে, এবার প্রার্থী মনোয়ারা আনসার। তার আগে একই আদেশ আসে শ্রিপা রানীর ক্ষেত্রে। আদেশে নার্সিং ইন্সটিটিউটের ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে প্রেষণাদেশ দেয়া হয়। এবারও বাধ্য হয়ে আদেশ জনস্বার্থবিরোধী জানিয়ে পত্র দেন ডা. শ্যামল কৃষ্ণ সাহা। তারপর থেকেই সুপারিশের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এর আগে আরেক মন্ত্রীর স্বাক্ষর জাল করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নার্স আঞ্জুয়ারা পারভিন মিডওয়াইফ নার্স হিসেবে বদলি হয়েছেন রাজবাড়ীর বালিয়াকন্দিতে। তার আগে সরকারি খরচে এক মাসের প্রশিক্ষণ নেন শ্রীলঙ্কায়। মিডওয়াইফ প্রশিক্ষণ নেন ঢাকায়। সবই জাল সুপারিশে। বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বরখাস্ত করা হয় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জোসনা আরা খাতুন, জেবুন্নেসা খাতুন, মেরি মার্গারেট প্রভাতি সেরাও, ধরিত্রী রানী ঘোষ, রজবুনেসা খাতুন, মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম, সদরুল ইসলাম, এসএম আসাদুল ইসলাম, খাইরুল ইসলাম ও পবা সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তৌহিদুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা নার্সিং ইনস্টিটিউটের শামসুন নাহার, পাবনা নার্সিং ইনস্টিটিউটের শাহেদা পারভিন, চাঁদপুরের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের আবু ইউসুফ, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রুবিয়া আক্তারসহ জড়িতদের।
বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলেও তারা রয়েছেন বহাল তবিয়তে। যদিও অভিযুক্তরা দাবি করেছেন কে বা কারা তাদের পক্ষে জাল সুপারিশ করেছেন তারা তা জানেন না। কিন্তু সিআইডির তদন্তে প্রকাশ পেয়েছে, টাকার বিনিময়ে এই তদবির করিয়েছেন তারা। জাল সুপারিশ করেছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে গড়ে উঠা একটি সিন্ডিকেট।
এ বিষয়ে সিআইডি’র অর্গানাইজড (হোমিসাইডাল স্কোয়াড) এর উপ-পুলিশ পরিদর্শক নিউটন কুমার দত্ত বলেন, সুবিধাভোগীরা মন্ত্রী, এমপি, সচিবদের স্বাক্ষর জাল করে অপরাধ করেছেন। তাদের সঙ্গে একটি চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। চক্রটি মন্ত্রী, এমপিদের নাম ভাঙ্গিয়ে দীর্ঘদিন থেকেই নানা ধরনের অপকর্ম করে যাচ্ছে। আমরা প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়েছি। তথ্যগুলো যাচাই করে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উত্তরায় কিশোর গ্যাং আতঙ্ক by মারুফ কিবরিয়া

দিয়াবাড়িতে রেহানা নামের এক চায়ের দোকানি বলেন, এই ছেলেগুলো প্রতিদিন গ্রুপে গ্রুপে আসে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দোকানে বসে থাকে। ছোট্ট বাচ্চা। বয়স মনে হয় ১৫-১৬ বছর হবে। আর এরাই একটার পর একটা সিগারেট টানে। কোনো মুরব্বিও মানে না। যতক্ষণ থাকে তাদের দখলে চলে যায় দোকানটা। তিন-চারজন হলে একটা কথা। একসঙ্গে আট-দশজন আসে। রেহানার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কিশোরদের এই গ্রুপগুলো দিয়াবাড়ির বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেয়। একেক জায়গায় একেক গ্রুপ বসে থাকে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে একটি মোটরসাইকেলে তিনজন করে আসে। চায়ের দোকানে ভিড় করে হইহুল্লোড় করেই ক্ষান্ত হয় না কিশোর গ্যাংয়ের ওই দলগুলো। দিয়াবাড়িতে বেড়াতে আসা সাধারণ মানুষদেরও উত্ত্যক্ত করে তারা। বিশেষ করে কোনো প্রেমিক যুগলকে একসঙ্গে বসে গল্প করতে দেখলে নানাভাবে বিরক্ত করে। এতে কেউ ক্ষিপ্ত হলে তার ওপর চড়াও হয়।
সরজমিন গতকাল দুপুরে গিয়ে দেখা যায়, একদল কিশোর যাদের বয়স ১৬-১৭ বছর। কারো পরনে কলেজের ইউনিফর্ম। আবার কেউ সাধারণ পোশাকে। দিয়াবাড়ির বটতলা থেকে একটু এগিয়ে দেখা মেলে তাদের। ৪টি মোটরসাইকেলে করে আটজন এসেছে। স্কুল-কলেজের পোশাক পরিহিত হলেও তাদের কারো কাঁধে ব্যাগ ছিল না। এদের মধ্যে একজন অনিক নাম ধরে আরেকজনকে ডাক দিতে শোনা যায়। একে অপরকে বলছিল ‘নেক্সট মিশন’ কি হবে। কিন্তু কি মিশন নিয়ে কথা বলছিল সেটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল না। পার্শ্ববর্তী এক চটপটি ব্যবসায়ীর কাছে গিয়ে জানা গেল এদের সবার ফেসবুকে একটা গ্রুপ আছে। কেউ নাইনএমএম বয়েজ উত্তরা আর কেউ ডিস্কো বয়েজ নামে পরিচিত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই চটপটি ব্যবসায়ী জানান, প্রায়ই তার দোকানে এসে অড্ডা দেয় কয়েকটি গ্রুপ। তবে একাধিক গ্রুপ একসঙ্গে আসে না। তাদের মধ্যে পারস্পরিক দ্বন্দ্বের কারণে কেউ কারো সামনে আসে না। তিনি বলেন, এদের মধ্যে মারামারির ঘটনা হয়। মাঝে মাঝে এই রাস্তার উপরই মারামারি শুরু করে। মারামারির কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে ওই চটপটি ব্যবসায়ী বলেন, কি নিয়ে মারামারি হয় সেটা তাদের আগে থেকেই ঠিক করা থাকে। তবে একই এলাকায় ‘সিনিয়র-জুনিয়র’ হওয়া নিয়ে মারামারি বাঁধে। কয়েকবারই দোকানের সামনে এসে মারামারি করেছে। মাঝে মাঝে তাদের এসব কাণ্ড দেখে ভয়ে অনেকে এখানে বসতে চান না। এদিকে কিশোর গ্যাংগুলোর আতঙ্কে উত্তরার স্থানীয়রাও। ১২নং সেক্টরের (সোনারগাঁও জনপথ) পরের রাস্তাটি অনেকটাই ফাঁকা থাকে প্রায় সময়। এই জায়গাগুলোতে সন্ধ্যার পর আড্ডা জমায় ১০-১২ জনের মতো কিশোর। মাঝে মাঝে তারা এলাকার মধ্যে হট্টগোল বাধিয়ে দেয়। আশপাশের চলাচলকারী অনেকেই তাদের ঝামেলার কারণে পথ চলতে অসুবিধায় পড়েন। বেশির ভাগ সময় এদের একগ্রুপ আরেক গ্রুপের মধ্যে মারামারি করে। একপর্যায়ে কেউ কেউ মারাত্মকভাবে জখম হতেও দেখা যায়। আর এ সময় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকাবাসী। অত্র এলাকায় বসবাসকারী সাইদুল হক নামের এক ব্যক্তি জানান, এই ছোট ছোট ছেলেগুলো সন্ধ্যার পর আড্ডা জমায়। পড়ালেখার কোনো খবর নেই। দিনের বেলায় স্কুল-কলেজগামী মেয়েদের উত্ত্যক্ত করা আর রাতে আড্ডা দেয়া তাদের কাজ। মাঝে মাঝে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। তখনই ভয় হয়। শুনেছি এরা এখন আরো আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছে।
গত ২০শে মার্চ ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে নাবিল নামের এক স্কুলছাত্রকে ছুরিকাঘাত করে জীবন ঢালী নামের আরেক কিশোর। জানা যায়, জীবন ঢালী কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। এ বিষয়ে উত্তরার পশ্চিম থানায় মামলা হওয়ার পর জীবনের পরিবার তাকে থানায় নিয়ে পুলিশের হেফাজতে দেয়। তবে গতকাল সে কিশোর আদালত থেকে জামিন পায় বলে জানান উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী হোসেন। তিনি মানবজমিনকে বলেন, জীবনকে তার পরিবার থানায় নিয়ে এসেছিল। তারপর আমরা আইনি ব্যবস্থা নিয়ে আদালতে পাঠালে আদালত তাকে জামিন দেন। আসলে ছেলেটি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল। যে কারণে নাবিলের ওপর ওভাবে ছুরিকাঘাত করে।
উত্তরা এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের এই উৎপাত প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আলী হোসেন আরো জানান, এই বয়সটাতে ছেলেরা এসবই করে বেড়ায়। এটা যুগ যুগ ধরে দেখে আসছি। তবে এখানে অভিভাবকরা যদি তাদের সন্তানদের সঠিকভাবে যত্ন না করেন তাহলে আরো আক্রমাণত্মক হয়ে উঠবে ওরা। সন্তানদের প্রচুর ভালোবাসতে হবে। তাদের খোঁজ খবর নিতে হবে। আমিও একজন বাবা। আমার দুটি ছেলে রয়েছে। তাদের প্রতিদিন বাসায় গিয়ে চুমু খাই। তারা অপেক্ষা করে বাবা কখন আসবে আর কখন চুমু খাবে। এই বন্ধনটা প্রত্যেক বাবা-মায়ের সন্তানের সঙ্গে গড়ে তুলতে হবে। আসলে এটাই বড় অভাব। যে কারণে এ ঘটনাগুলো ঘটছে। তবে আমরা যারা আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে রয়েছি সবাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। প্রতিটি স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাস ও শপিং মলগুলোর সামনে পুলিশের টহল থাকছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় ১১ ইউলুপ নির্মাণ অনিশ্চিত by সুদীপ অধিকারী

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জনগণের মালিকানা দখল করেছে ক্ষমতাশালীরা

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কুয়েটের ৩ শিক্ষার্থীর অবস্থা সংকটাপন্ন

এদিকে একাডেমিক শিক্ষা সম্পন্ন করে কর্মজীবনে প্রবেশের দ্বারপ্রান্তে এসে বড় দুর্ঘটনায় পড়লেন কুয়েট টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শেষ বর্ষের মেধাবী চার শিক্ষার্থী। কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই ভয়াবহ এক দুর্ঘটনায় তাদের মধ্যে একজন ইতিমধ্যে নিহত হয়েছেন। হতাহত হয়েছেন কুয়েটের এ চার ছাত্র। একাডেমিক শিক্ষা শেষে বাধ্যতামূলক অ্যাটাচমেন্ট (ইন্টার্নশিপ) করতে ময়মনসিংহের ভালুকায় গিয়েছিলেন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রোববার থেকে কুয়েটের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. আবদুল জলিলসহ কয়েকজন শিক্ষক ঢামেকে অবস্থান করছেন। ওই ঘটনায় নিহত মো. তৌহিদুল ইসলাম অপুর গ্রামের বাড়ি বগুড়া জেলার শাহজাহানপুর উপজেলার মাঝিরা গ্রামে। এ ছাড়া আহত দীপ্ত সরকারের বাড়ি মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার দিঘল গ্রামে। তার বাবা নেই। মো. শাহীন মিয়ার বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার খাস সাতবাড়িয়া গ্রামে। তারও বাবা বেঁচে নেই। মো. হাফিজুর রহমান নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার বান্দিপুর গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে। তাদের সকলের বয়স ২৩ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে। তারা প্রায় সকলেই নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান বলে সহপাঠীরা জানিয়েছেন। আহতদের বন্ধুরা জানান, তারা ২০১৩ সালে কুয়েটে ভর্তি হন। পরের বছর ২০১৪ সালে তাদের ক্লাস শুরু হয়। বর্তমানে তারা ছিলেন চতুর্ষ (শেষ) বর্ষের ছাত্র। ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের সব পরীক্ষা শেষ হয়েছে। বাকি ছিল শুধু বাধ্যতামূলক অ্যাটাচমেন্ট (ইন্টার্নশিপ) পরীক্ষা। অন্যান্য বিষয়ের পরীক্ষা শেষে হাতে কলমে শিক্ষা গ্রহণের জন্য গত ১০ই মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে চার সপ্তাহের ইন্টার্নশিপ করতে ময়মনসিংহের ভালুকার একটি প্রতিষ্ঠিত শিল্প প্রতিষ্ঠানে তাদের পাঠানো হয়। ওই শিল্প প্রতিষ্ঠানের পার্শ্ববর্তী ছয়তলা ভবনের চারতলায় ভাড়া নিয়ে তারা থাকতেন। শনিবার রাত ১টার দিকে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই তৌহিদুল ইসলাম অপু নিহত হন। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ নাঈম হাসান মানবজমিনকে বলেন, আহতদের মধ্যে শাহীনের ৮৩ শতাংশ, হাফিজের ৫৮ শতাংশ ও দীপ্তর শরীরের ৫৪ শতাংশ ঝলসে গেছে বলে চিকিৎসকরা তাদেরকে জানিয়েছেন। অনেক কষ্ট করে আহতের চিকিৎসা খরচ চালাচ্ছে পরিবার। একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল জলিল এই প্রতিবেদককে জানান, হতাহত চারজনই টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে নিহত অপু ক্লাসে ছিলেন সেকেন্ড। তারা ইন্টার্ন করার পরই গ্র্যাজুয়েশনের সার্টিফিকেট পেতেন। এরপরই তারা কর্মজীবনে প্রবেশ করতেন। কিন্তু তার আগেই তাদের দুর্ঘটনার শিকার হতে হলো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিমানবালাকে যৌন হয়রানি অতঃপর...

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মন্টি-দয়াসোনা অপহরণকারীদের গ্রেফতার ও তাদের সুস্থ অবস্থায় উদ্ধারের দাবি
![]() |
| পার্বত্য চট্টগ্রামে নিপীড়ন বিরোধী নারী-যুব-ছাত্র সংগঠনসমূহ |
গত ১৮ মার্চ হিল উইমেন ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক মন্টি চাকমা এবং রাঙ্গামাটি জেলা সাধারন সম্পাদক দয়াসোনাকে “রাষ্ট্রীয় মদদ পুষ্ট সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা” অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় বলে আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছেন নেত্রীবৃন্দ।
এ ঘটনায় সেদিন সকাল ৯টায় রাঙ্গামাটিতে কুতুবছড়ি আবাসিক এলাকায় ছাত্রদের একটি মেসে সন্ত্রাসীরা প্রথমে গুলি চালায় এবং অন্ততঃ দুজনকে আহত করে। তারা ছাত্রদের মেসে আগুন লাগিয়ে দেয় এবং মন্টি চাকমা এবং দয়াসোনা চাকমাকে আস্ত্রের মুখে মারতে মারতে হাটভর্তি লোকদের সামনে থেকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যায়।
স্থানীয় লোকজন ঘটনার কয়েক মিনিট আগে ঘটনাস্থলের পাশে খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে দুটি জীপ নিয়ে সেনা সদস্যদের টহল দিতে দেখেছে। এ অবস্থায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা কিভাবে এ ঘটনা ঘটিয়ে নিরাপদে পালিয়ে যেতে পারল তা নিয়ে সকলের মনে সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, কুতুবছড়ি সেনা ক্যাম্প ঘটনাস্থল থেকে এক কিলোমিটার-এর মধ্যে অবস্থিত হলেও সেখানে পুলিশ ও সেনা সদস্যদের পৌঁছাতে সময় নিয়েছে তিন ঘন্টার বেশী। এর ফলে জনমনে সন্দেহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর প্রতি।
নেতৃবৃন্দ আরো অভিযোগ করেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে “অঘোষিত সেনা শাসন” চলছে। সেখানে সাধারন মানুষের উপর দমন-নীপিড়ন জারি রয়েছে। জনগন যাতে এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে না পারে সে জন্য ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত চলছে। সেখানে প্রতিরোধ আন্দোলন দমন করতেই রাজনৈতিক হত্যা, গুম, অপহরণ, ধর্ষন সহ নানা ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে।
অপহরকৃত দুই নারী নেত্রীকে উদ্ধার, অপহরণকারীদের গ্রেপ্তার, অপরাধ সমুহের বিচার এবং গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা সহ পার্বত্য আঞ্চল থেক “অঘোষিত সেনা শাসন” প্রত্যাহারের দাবী জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামে নিপীড়ন বিরোধী নারী-যুব-ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
তাদের দাবীর সমর্থনে ২ এপ্রিল ঢাকায় মশাল মিছিল এবং ৬ এপ্রিল ঢাকায় নাগরিক প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হিল উইমেন ফেডারেশনের সভাপতি নিরুপা চাকমা, নারী মুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্ত, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের সভাপতি রওশন আরা রুশো, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মোর্তাজা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি ইমরান হাবিব রুমন প্রমুখ।
![]() |
| সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন নাঈমা খালেদ মনিকা, সভাপতি সমাজতান্ত্রিক ফ্রন্ট (মার্কসবাদী) |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিএনপিকে নিয়ে আমরা কী করি

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের কারাগারে মোবাইল সেবা কতটা পরিবর্তন আনবে?

কিন্তু এর ফলে বন্দীদের জন্য কী পরিবর্তন আসবে?
কারা অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন বিবিসিকে বলছেন, ''এর ফলে বন্দীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকার কারণে অনেকে হয়তো কারাগারে আসতে পারে না, নিয়মিত দেখা সাক্ষাৎ করতে পারে না। কিন্তু টেলিফোনে যদি পরিবার সম্পর্কে খোঁজখবর পায়, তার মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত হবে। সেই সঙ্গে পরিবারের আর্থিক চাপও কমে যাবে।''
তিনি জানান, এজন্য প্রতি মিনিটে এক টাকা হারে বন্দীদের চার্জ দিতে হবে। একেকজন বন্দী প্রতি ১৫ দিনে একবার ১০ মিনিট করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন।
এক্ষেত্রে আগেই পরিবারের ঘনিষ্ঠ দুইজন সদস্যের মোবাইল নম্বর কারা কর্তৃপক্ষের কাছে তালিকাভুক্ত করে রাখতে হবে। সেই দুইটি নির্দিষ্ট নম্বরেই তারা কথা বলতে পারবেন।দুই বছর আগে এই উদ্যোগটি নেয়া হলেও নিরাপত্তার নানা সম্পন্ন করে অবশেষে এই সুবিধাটি চালু হচ্ছে।
সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন বলছেন, একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে এসব কথোপকথন হবে, যাতে সবকিছু নজরদারির মধ্যে থাকে। একজন জেল সুপার মনে করলে তিনি সরাসরি কথা শুনতে পারবেন। এসব কথাবার্তাও হবে একজন কারা সদস্যের উপস্থিতিতে।
সাধারণ সদস্যরা কথা বলার সুযোগ পেলেও শীর্ষ সন্ত্রাসী বা জঙ্গিরা এসব সুবিধা পাবে না।
কিন্তু কারাগারে এখনো যে অবৈধ মোবাইল ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে, সেটি কতটা ঠেকাতে পারছে কারা কর্তৃপক্ষ?
কারা মহাপরিদর্শক সৈয়দ ইফতেখারউদ্দিন বলছেন, সেটা বন্ধ করার জন্য আমরা অনেকদূর সফল হয়েছি। কারাগারে নিয়মিত সার্চ হচ্ছে, লাগেজ স্ক্যানার বসানো হয়েছে। ফলে অবৈধ জিনিসপত্রের প্রবেশ রোধ করতে পেরেছি। তবে তারা যে কারাগারের অভ্যন্তরের ভেতরে বসেই হুমকিধামকি বা কথা বলছে, হয়তো তা নয়। হয়তো তারা আদালতে যাবার পথে বা সেখানকার হাজতে বসেও কথা বলতে পারে।
তিনি বলেন, তবে আমাদের নজরদারি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা আশা করছি, সাধারণ বন্দীদের জন্য এই সুবিধা চালু করার পর অবৈধ মোবাইল প্রবেশটাও বন্ধ হয়ে যাবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1400)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
March
(1701)
-
▼
Mar 29
(22)
- সময় মাত্র ৩৬৫ দিন by তেরেসা মে
- কিমের চীন সফর: পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে সম্মত উত্তর...
- কী পরিমাণ সম্পদের মালিক বারাক ওবামা?
- প্রবীণদের মানবাধিকার রক্ষায় জামাকনের কমিটি by মহিউ...
- কিমের কূটনৈতিক মিশন
- পাকিস্তানকে সন্ত্রাসের আতুঁড়ঘর বললেন তসলিমা
- যমুনায় মাইলের পর মাইল ধু-ধু বালুচর by সাগর বসাক
- ৪৮ বছরের লিভ টুগেদার অতঃপর বিয়ে
- ভিক্ষুকমুক্ত এলাকায় ভিক্ষা by সুদীপ অধিকারী
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের শিডিউল চূড়ান্ত by ...
- বিচার এখন করছেন না কেন: রিজভী
- বাংলাদেশ কি স্বৈরতান্ত্রিক দেশে পরিণত হচ্ছে?
- সড়কের নাম ভিআইপি by মরিয়ম চম্পা
- মন্ত্রী-সচিবের স্বাক্ষর জাল করে তদবির, তদন্তে সিআই...
- উত্তরায় কিশোর গ্যাং আতঙ্ক by মারুফ কিবরিয়া
- জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় ১১ ইউলুপ নির্মাণ অনিশ্চিত by ...
- জনগণের মালিকানা দখল করেছে ক্ষমতাশালীরা
- কুয়েটের ৩ শিক্ষার্থীর অবস্থা সংকটাপন্ন
- বিমানবালাকে যৌন হয়রানি অতঃপর...
- মন্টি-দয়াসোনা অপহরণকারীদের গ্রেফতার ও তাদের সুস্থ ...
- বিএনপিকে নিয়ে আমরা কী করি
- বাংলাদেশের কারাগারে মোবাইল সেবা কতটা পরিবর্তন আনবে?
-
▼
Mar 29
(22)
-
▼
March
(1701)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

