Thursday, May 30, 2019
ফুসফুস রক্ষায় তামাক পণ্যের দাম বাড়ানোর দাবি

আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞা জানায়, ফুসফুস ও শ্বাসতন্ত্রসংক্রান্ত অসুস্থতা বিশ্বব্যাপী অকালমৃত্যুর অন্যতম কারণ এবং গোটা বিশ্বে মৃত্যুর ৫টি শীর্ষস্থানীয় কারণের মধ্যে ২টিই ফুসফুস ও শ্বাসতন্ত্রসংক্রান্ত জটিলতা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুসারে তামাক ব্যবহারের ফলে প্রতিবছর বিশ্বে ৮০ লাখেরও বেশি মানুষ মারা যায়। তামাক ব্যবহার এবং পরোক্ষ ধূমপান ফুসফুসের বিভিন্ন রোগের প্রধান কারণ। এসব রোগের মধ্যে রয়েছে ফুসফুসের ক্যানসার, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), যক্ষ্মা ও অ্যাজমা।
আগামীকাল শুক্রবার বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস। ফুসফুস এবং শ্বাসতন্ত্র জটিলতার সঙ্গে তামাক সেবনের সম্পর্ক বিষয়ে জনসাধারণ এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ব্যাপক পরিসরে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এ বছর বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘তামাক ও ফুসফুসের স্বাস্থ্য’।
এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত বাংলাদেশ ক্যানসার সোসাইটির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার মানুষ মারা যায় তামাক ব্যবহারের কারণে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১০ শতাংশ মৃত্যুর জন্য দায়ী দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্রজনিত রোগ, যা একই সঙ্গে তামাক ব্যবহারজনিত মোট মৃত্যুর ২৮ শতাংশের জন্য দায়ী।
বাংলাদেশে শিশু যক্ষ্মা রোগী পাওয়ার হার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে জানিয়ে প্রজ্ঞা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ২০১৮ সালের হেলথ বুলেটিনের তথ্য দিয়ে বলে, ২০১৭ সালে শিশু যক্ষ্মা রোগীর হার বেড়ে ৪ দশমিক ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ২০১৩ সালে ছিল মাত্র ২ দশমিক ৮ শতাংশ।
প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এ বি এম জুবায়ের বলেন, কার্যকর কর ও মূল্য পদক্ষেপের অভাবে বাংলাদেশে তামাক পণ্যের দাম অত্যন্ত কম। ফলে দেশের তরুণ এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠী খুব সহজেই তামাক ব্যবহার শুরু করতে পারে। আসন্ন বাজেটে কার্যকর করারোপের মাধ্যমে তামাকজাত পণ্যের দাম জনগণ, বিশেষ করে তরুণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ক্রয়ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যেতে হবে। তিনি তামাকজাত পণ্যের দাম বাড়ানোর দাবি জানান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফিলিস্তিনিরা এখন পাথর নয়, রকেট ছোঁড়ে: রুহানি
সম্প্রতি, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাবে ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা যে ক্ষেপণাস্ত্র বৃষ্টিবর্ষণ করেছে তারও প্রশংসা করেন প্রেসিডেন্ট রুহানি। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনিদের এই প্রতিরোধের মুখে ইহুদিবাদী সেনারা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। ইসরাইলের কথিত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোম ফিলিস্তিনিদের সে ক্ষেপণাস্ত্র রুখতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আগামী শুক্রবার যখন সারা বিশ্বে পবিত্র কুদস দিবস পালন করা হবে তার আগ মুহূর্তে প্রেসিডেন্ট রুহানি মন্ত্রিসভার অধিবেশনে এ বক্তব্য দিলেন। এ সময় তিনি কুদস দিবসের র্যালিতে ব্যাপকভাবে যোগ দিতে ইরানি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
| গাজা থেকে ইসরাইল অভিমুখে ছোঁড়া রকেট |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মক্কা বৈঠকের প্রস্তুতি নিতে বোল্টনের মধ্যপ্রাচ্য সফর: ইরানই একমাত্র টার্গেট

পারস্য উপসাগর ও পশ্চিম এশিয়ায় সাম্প্রতিক উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন গত মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে গেছেন। আমিরাতে পৌঁছে তিনি বলেছেন, "এ অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার জন্য মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করার জন্যই তিনি এখানে এসেছেন।" গণমাধ্যমগুলো এর আগে জন বোল্টনের আবুধাবি সফরের খবর দিয়েছিল। কিন্তু তিনি আমিরাতের কোন কোন কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করবেন সে বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি। এরপর তিনি সৌদি আরব, বাহরাইন, মিশর সফরে যাবেন বলে ধারনা করা হচ্ছে। আগামী ৩০মে মক্কায় আরব ও অন্যান্য মুসলিম দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের প্রস্তুতি হিসেবে জন বোল্টন মধ্যপ্রাচ্য সফরে বেরিয়েছেন বলে ধারনা করা হচ্ছে।
সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত রবিবার জানিয়েছে, রাজা সালমান ৩০মে অনুষ্ঠেয় বৈঠকে আমিরাতের ফুজাইরা বন্দরে তেলবাহী জাহাজে হামলার বিষয়ে আলোচনার জন্য মক্কায় আরব দেশগুলোর নেতাদের জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। জাতিসংঘে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আল মোয়াল্লেমি দৈনিক আরব ইন্ডিপেন্ডেন্টকে দেয়া সাক্ষাতকারে ইরানের ওপর আমেরিকার চতুমুর্খী চাপ সৃষ্টিতে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, ইরানকে মোকাবেলার জন্যই এ বৈঠক ডাকা হয়েছে।
পশ্চিম এশিয়ায় চলমান উত্তেজনা ও ইরান ইস্যুতে চলতি সপ্তাহে সৌদি আরবে অন্তত তিনটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। আরব লীগ, পারস্য উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ ও ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা বা ওআইসি'র বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
ইরানের কথিত হুমকি মোকাবেলার কথা বলে আমেরিকা এ অঞ্চলে ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি ঘটিয়েছে। এ অবস্থায় মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন আরব দেশগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে ফুজাইরা বন্দরে তেলবাহী জাহাজে হামলায় ইরানকে জড়িত করে ও সৌদি আরবে ইরানি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে তেহরানের বিরুদ্ধে জোট গঠনের চেষ্টা চালাবেন বলে ধারনা করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগনের একজন কর্মকর্তা দাবি করেছেন, ইরাকের কূটনীতিক এলাকায় রকেট হামলা ও ফুজাইরা বন্দরে জাহাজে হামলার সাথে ইরান ও ইরান সমর্থিত মিলিশিয়া বাহিনী জড়িত। কিন্তু তেহরান বারবারই এসব হামলার সঙ্গে তাদের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে আসছে।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, জন বোল্টন সৌদি আরবসহ অন্যান্য মিত্রদের সহযোগিতায় জরুরি বৈঠকের আয়োজন করে এ অঞ্চলে আরো বেশি ইরানভীতি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। অথচ ইরান সবসময়ই উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালিয়ে আসছে এবং এ লক্ষ্যে সম্প্রতি আরব দেশগুলোর সঙ্গে অনাক্রমণ চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাস্তায় মারা যান ৫০ জনের বেশি মা by শিশির মোড়ল

এ বিষয়ে অবসটেট্রিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের (ওজিএসবি) সাবেক সভাপতি অধ্যাপক রওশন আরা বেগম বলেন, গর্ভধারণের পরপরই সঠিক পরিকল্পনা নিলে রাস্তায় মাতৃমৃত্যু রোধ করা সম্ভব। কোন হাসপাতালে সন্তান জন্ম দেওয়া হবে, বাসা থেকে সেখানে যাতায়াতের ব্যবস্থা কী হবে, তা আগেই ঠিক করে রাখতে হবে। একই সঙ্গে সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় চিকিৎসার জন্য অর্থ জোগাড় করে রাখা দরকার। এসব বিষয়ে আগে থেকে প্রস্তুতি থাকলে এ ধরনের ঘটনা ঘটবে না। তিনি বলেন, জরুরি সমস্যা নিয়ে কোনো সন্তানসম্ভবা মা হাসপাতালে গেলে তাঁকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা যাবে না। ওই মায়ের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জাম হাসপাতালে যাতে থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে।
বাংলাদেশ মাতৃস্বাস্থ্য জরিপ ২০১৬–এর তথ্য অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ৩১ শতাংশ মাতৃমৃত্যুর কারণ অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ। দ্বিতীয় কারণটি খিঁচুনি। এ কারণে ২৪ শতাংশ মায়ের মৃত্যু হয়। স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রসব হলে মাতৃমৃত্যু কম হয়। ৪৭ শতাংশ নারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সন্তান জন্ম দেন। সরকারের জনমিতি ও স্বাস্থ্য জরিপ বলছে, গড়ে ধনী পরিবারের তিনজন মা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সন্তান জন্ম দেওয়ার সুযোগ পান। গরিব পরিবারের ক্ষেত্রে এই সুযোগ পান একজন। তবে ওই জরিপ বলছে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রসবের ক্ষেত্রে ধনী ও দরিদ্রের এই পার্থক্য আগের চেয়ে অনেকটাই কমে আসছে। ২০০৭ সালে ধনী ও দরিদ্রের পার্থক্য ছিল আট গুণ। ২০১১ ও ২০১৪ সালে পার্থক্য কমে হয় যথাক্রমে ছয় ও পাঁচ গুণ।
বাংলাদেশ জনমিতি ও স্বাস্থ্য জরিপের (২০১৭-১৮) খসড়া প্রতিবেদন বলছে, সমাজের সবচেয়ে দরিদ্রশ্রেণির মাত্র ২৬ শতাংশ মা প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবের সুযোগ পান। অর্থাৎ তাঁরা হাসপাতাল, ক্লিনিক বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সন্তান প্রসব করেন। ধনীদের ক্ষেত্রে এই হার ৭৮ শতাংশ।
স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে এখনো ৫৩ শতাংশ প্রসব হচ্ছে বাড়িতে। অর্থের অভাব না থাকলেও সচেতনতার অভাবে ধনী পরিবারের সব মা এখনো প্রসবের সময় হাসপাতালে আসেন না। আর দরিদ্র পরিবারের ক্ষেত্রে সমস্যা দুটি। একটি অংশের সচেতনতার অভাব। অন্য অংশের অর্থের অভাব।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালে বাংলাদেশে ৩০ লাখ ৮৮ হাজার জীবিত শিশুর জন্ম হয়েছিল। আর বাংলাদেশ সরকারের ২০১৬ সালের মাতৃস্বাস্থ্য জরিপ বলছে, দেশে এক লাখ শিশুর জন্ম দিতে গিয়ে ১৯৬ জন মায়ের মৃত্যু হয়। সরকার অবশ্য দাবি করছে সংখ্যাটি আরও কম হবে।
মাতৃস্বাস্থ্য নিয়ে গত রোববার রাজধানীতে ওজিএসবি আয়োজিত এক সভায় জানানো হয়, সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে প্রতি দুই ঘণ্টার গড়ে অন্তত একজন মায়ের মৃত্যু হচ্ছে। এসব মৃত্যুর ৫৪ শতাংশ হচ্ছে বাড়িতে। ১৪ শতাংশ মায়ের মৃত্যু হচ্ছে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ১৪ শতাংশের মৃত্যু হচ্ছে প্রাইভেট ক্লিনিক ও হাসপাতালে। ৬ শতাংশ মায়ের মৃত্যু হচ্ছে জেলা সদর হাসপাতালে, ৬ শতাংশ মৃত্যু হচ্ছে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে, কমিউনিটি ক্লিনিক, এনজিও ক্লিনিক ও অন্যান্য স্থানে ৫ শতাংশ মায়ের মৃত্যু হয়। হাসপাতাল, ক্লিনিকসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ঘটনা মাতৃমৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে মনে করেন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক লতিফা শামসুদ্দিন।
আজ মঙ্গলবার দেশে পালিত হচ্ছে ‘নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস’। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে ২৮ মে–কে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস ঘোষণা করেন। দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘মর্যাদা ও অধিকার: স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রসূতিসেবায় অঙ্গীকার’। এ বছর মানসম্মত গর্ভকালীন সেবা, প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব এবং নারীর স্বাস্থ্য অধিকারের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাহুল আজ মোদীর মুখোমুখি

এটা স্পষ্ট, সব কিছু ঠিক নেই কংগ্রেসে। ১২, তুঘলক লেনের বাড়ির সামনে বক্সার বিজেন্দ্র সিংহ থেকে শিখ-বিরোধী দাঙ্গায় অভিযুক্ত জগদীশ টাইটলারও হাজির। সকলের এক রা, রাহুল গাঁধী ইস্তফা তুলে নিন। লড়াই করুন, সঙ্গে আছি। রাজস্থান, তামিলনাড়ু কংগ্রেস নেতৃত্ব প্রস্তাব নিয়েছেন, রাহুলের ইস্তফা দেওয়া উচিত নয়।
দিল্লির জেলা স্তরের এক নেতা অনশনে বসেছেন। কিন্তু বরফ এতে গলবে কি?
রাহুলের বাড়ির সামনে দিল্লির নেতা-কর্মীদের জুটিয়ে শীলা দীক্ষিত ভিতরে গিয়েছিলেন। বেরিয়ে শুধু বললেন, ‘‘বার্তা পৌঁছে দিয়েছি, ইস্তফা দেবেন না। পদে না থাকলে আমাদেরই কষ্ট হবে।’’ অপেক্ষারত দলের কর্মীদের সঙ্গে দেখা না-করেই বেরিয়ে যান শীলা। দলীয় সূত্রের খবর, রাহুল দেখাই করতে চাননি শীলার সঙ্গে। আজ তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চান কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী। তিনিও মনে করেন, রাহুলের ইস্তফা দেওয়া উচিত নয়। অন্য শরিক, এমনকি বাইরের দলের নেতারা এ কথা বলেছেন আগেই।
দলীয় সূত্র বলছে, রাহুল ইস্তফায় অনড়। এমনকি শেষ পর্যন্ত রাহুল যে কাল মোদীর শপথে যাবেনই, এমনটি কেউ বুক ঠুকে বলতে পারছেন না।কংগ্রেসের এক নেতা আজ বলেন, ‘‘তাঁর বিকল্প না-পাওয়া পর্যন্ত পদে থাকতে রাজি হয়েছেন রাহুল। কিন্তু বিকল্প মিলবে কী ভাবে? অন্য কেউ দায়িত্ব নিতে রাজি নন। প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বঢরার কথাও তোলা যাচ্ছে না। রাহুল স্পষ্ট জানিয়েছেন, গাঁধী পরিবারের বাইরের কাউকে খুঁজতে হবে।’’
এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নেতৃত্বের একাংশ কয়েকটি বিকল্প পথ নিয়েও ভাবনাচিন্তা শুরু করেছেন। তার একটি হল, কার্যনির্বাহী সভাপতি নিয়োগ। যিনি রোজকারের কাজের থেকে অব্যাহতি দেবেন সভাপতি রাহুলকে। সভাপতি সংগঠনে নজর দিতে পারবেন। ইন্দিরা গাঁধী এক সময় কমলাপতি ত্রিপাঠীকে কার্যনির্বাহী সভাপতি নিয়োগ করেছিলেন। দক্ষিণে কংগ্রেসের ভরাডুবির পর। রাহুল নিজেও নানা রাজ্যে এই সূত্র প্রয়োগ করেছেন আগে। প্রবীণে-নবীনে মিলিয়ে ‘সভাপতিমণ্ডলী (প্রেসিডিয়াম)’ তৈরি নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। দলের নিত্যদিনের কাজ চালানোর জন্য। সে ক্ষেত্রে সভাপতিকে সকলের ঊর্ধ্বে রাখার জন্য কংগ্রেসে একটি সংশোধন আনতে হবে। কিন্তু দলের এক নেতার কথায়, ‘‘রাহুলের বদলে কোনও এক জনকে বিকল্প সভাপতি পদে না-পাওয়া গেলে, এই বিকল্প ভাবা যেতেই পারে। নেতৃত্ব নিয়ে শরদ পওয়ারেরা প্রশ্ন তোলার পরেও সনিয়া গাঁধী এ ভাবেই পদ ছাড়ার জেদ ধরেছিলেন। সমস্যা হল, রাহুল তো তাঁকে রেখে নতুন কমিটি সাজানোর প্রস্তাবও মানছেন না!’’
৩১ তারিখ বিরোধী দলগুলিকে বৈঠকে ডেকেছে কংগ্রেস। পর দিন কংগ্রেস সংসদীয় দলের বৈঠক। সেখানে রাহুলের নেতৃত্বের প্রসঙ্গ উঠবে। লোকসভায় দলকে নেতৃত্ব দিতে অবশ্য আপত্তি করেননি রাহুল। তিনি শুধু দলের সভাপতির পদ ছাড়তে চান। দাদা বিশেষ কারও সঙ্গে দেখা না করলেও বোন প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বঢরা উত্তরপ্রদেশের নেতাদের নিয়ে বৈঠক শুরু করেছেন। পূর্ব উত্তরপ্রদেশের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লোকসভা ভোটে উত্তরপ্রদেশে দলের বিপর্যয়ের কারণ পর্যালোচনার পাশাপাশি, আগামী বিধানসভা নির্বাচনের জন্য দলের রণকৌশল স্থির করার প্রাথমিক পর্বের কাজটি শুরু করে দিয়েছেন।
সুত্রঃ আনন্দবাজার পত্রিকা
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেঘ-বৃষ্টিতে পাকিস্তানের রাডার কাজ করবে না ভেবে বালাকোটে হামলা -মোদি

ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল নিউজ নেশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেছেন নরেন্দ্র মোদি। গত ১৩ মে শনিবার তাঁর সাক্ষাৎকার নেয় নিউজ নেশন। তাতে মোদি বালাকোটে হামলা নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আবহাওয়া হুট করেই খুব খারাপ হয়ে গিয়েছিল, মেঘ ছিল...ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছিল। এক ধরনের দ্বিধা সৃষ্টি হয়েছিল যে, মেঘের মধ্যে বিমান হামলা চালানো যাবে কিনা—তা নিয়ে। এ নিয়ে (বালাকোট পরিকল্পনা) পর্যালোচনা করার সময় বিশেষজ্ঞদের অভিমত ছিল—নির্ধারিত তারিখ পরিবর্তন করা যায় কি না। আমার মনে দুটি বিষয় ছিল। একটি হলো গোপনীয়তা...দ্বিতীয়ত, আমি বলেছিলাম আমি বিজ্ঞান জানা ব্যক্তি নই। বলেছিলাম, সেখানে অনেক মেঘ ও বৃষ্টি থাকবে। আমার প্রজ্ঞা আছে, মনে হচ্ছিল মেঘ আমাদের সাহায্য করতে পারে। তখন আমরা রাডার এড়াতে পারব। সবাই খুব বিভ্রান্ত ছিল। চূড়ান্তভাবে আমি বলেছিলাম, সেখানে মেঘ আছে...সুতরাং পরিকল্পনামাফিক এগোনো যাক।’
গত ২৬ ফেব্রুয়ারির পাকিস্তানের ভেতরে ঢুকে বালাকোটে হামলা চালায় ভারতীয় যুদ্ধবিমান। পুলওয়ামায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় ভারতের আধাসামরিক বাহিনীর ৪০ জন সদস্য নিহত হওয়ার বদলা হিসেবে ওই বিমান হামলা চালানো হয়।
এদিকে বালাকোটে চালানো হামলা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন শুরু হয়েছে। অনেক টুইটার ব্যবহারকারী এ ঘটনায় মোদির সমালোচনা করছেন। দেশটির বামপন্থী নেতা সীতারাম ইয়েচুরি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা হেলাফেলা করার বিষয় নয়। মোদির এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এ ধরনের কেউ ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে থাকতে পারেন না।’ মোদির এই বক্তব্য নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী বলেও অভিযোগ করেছেন ইয়েচুরি।
ব্যঙ্গাত্মকভাবে মোদিকে ভারতের নতুন ‘নেপোলিয়ন’ আখ্যা দিয়ে দেশটির সাবেক কূটনীতিক কেসি সিং এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, ‘নিশ্চয়ই বিমানবাহিনী প্রধান জানতেন যে, মেঘের কারণে রাডারের কাজে হেরফের হয় না এবং পাকিস্তানের রাডার ভারতীয় বিমানকে চিহ্নিতও করেছিল। ধারণা করা হয়, মেঘ এড়িয়ে কাজ করতে সক্ষম যে গোয়েন্দা স্যাটেলাইট আমাদের আছে, সেটি কার্যকর ছিল না। এত তাড়াহুড়া কীসের? নির্বাচনী দামামা? এটি সামরিক বাহিনীকে রাজনীতিকরণ করা।’
তবে বালাকোটের অভিযানে মেঘ-বৃষ্টির কারণে ভারতও সমস্যায় পড়েছিল। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এ কারণেই ৬টি ক্রিস্টাল মেজ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া সম্ভব হয়নি। এই ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আঘাত হানলে ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব পাওয়া সম্ভব হতো। কিন্তু ভারতীয় বিমানবাহিনী ওই দিন মেঘের কারণে এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে পারেনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাসিনা-আবে বৈঠক: ২৫০ কোটি ডলারের সহায়তা চুক্তি সই

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশের কাতারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি আমরা। এ লক্ষ্য পূরণে জাপান আমাদের পাশে থাকবে ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করে যাবে বলে প্রধানমন্ত্রী আবে আমাকে নিশ্চিত করেছেন। জাপান এককভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগী। ১৯৭২ সাল থেকে দেশটির কাছ থেকে বাংলাদেশ এক হাজার ১৩০ কোটি ডলারের সহায়তা পেয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, এটা নিশ্চিত করে বলতে পারি যে, জাপান সব সময় আমাদের পাশে আছে। শিনজো আবের সঙ্গে বৈঠকের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী ও সম্প্রসারণ করার বিষয়ে বেশ কিছু নতুন ধারণা নিয়ে আলোচনা করেছি। সম্ভাব্য যেসব ক্ষেত্র থেকে দুই দেশই লাভবান হতে পারে। সেগুলো নিয়ে কাজ করার বিষয়ে দুই প্রধানমন্ত্রীই একমত হয়েছেন বলে জানান তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়নেও জাপান সহায়তা দেবে বলে শিনজো আবে নিশ্চয়তা দিয়েছেন। আড়াই বিলিয়ন ডলারের উন্নয়ন সহায়তা চুক্তি করায় শিনজো আবেকে ধন্যবাদ জানান শেখ হাসিনা। বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টিও উঠে আসার কথা জানিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আসা ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাদের মানবিক ও রাজনৈতিক সংকটের বিষয়ে টেকসই ও দ্রুত সমাধানের উপায় খোঁজার বিষয়ে তারা একমত হয়েছেন। শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি জাপান অনুভব করতে পারছে। মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফিরে যাওয়ার মতো সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন বলেও মনে করে তারা। বুধবার বিকাল পৌঁনে ৬টার দিকে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান শিনজো আবে। এ সময় সুসজ্জিত একটি দল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার দেয়। পরে শুরু হয় বৈঠক।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের পক্ষে বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমেদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক প্রমুখ অংশ নেন।
বিনিয়োগে জাপানী ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুদেশের মধ্যকার ব্যবসা বাণিজ্যের পুরো সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে রপ্তানিমুখী খাতগুলোতে বিনিয়োগের জন্য নতুন নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধান করতে জাপানী ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা আমাদের রপ্তানি বাণিজ্যে বৈচিত্র দেখতে চাই। এক্ষেত্রে জাপানী ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে রপ্তানি কেন্দ্রিক খাতগুলোতে বিনিয়োগের জন্য নতুন নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের আহ্বান জানাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল সকালে টোকিওতে জাপান-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে জাপানের প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের এ আহ্বান জানান। তিনি বাংলাদেশ এবং জাপানের মধ্যে ব্যবসা এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগকে আরো উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার আকাঙ্খা ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশকে ব্যয়, মানব সম্পদ, বিশাল অভ্যন্তরীণ বাজার, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ সুবিধা, বাণিজ্য সুবিধা, বিনিয়োগ সুরক্ষা ইত্যাদির বিচারে একটি দ্রুত ঊদীয়মান আকর্ষনীয় বিনিয়োগ স্থল হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আরো বেশি জাপানি বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেন। গেল বছর জাপান টোবাকো’র বাংলাদেশে ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জাপানী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে এ রকম আরও বিনিয়োগ দেখতে চাই। বেসরকারী খাতকে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকা শক্তি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি উদ্যোক্তা তৈরিতে এবং বেসরকারি বিনিয়োগে, এটা দেশি বা বিদেশী হতে পারে।
এশিয়ায় জাপানকে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি গন্তব্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপানের কোম্পানীগুলো এখন বাংলাদেশে ব্যবসার আগ্রহ দেখাচ্ছে। এই কোম্পানীগুলো ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে সম্পৃক্ত রয়েছে। তৈরী পোশাক শিল্প, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং সফটওয়্যার শিল্পের সম্ভাবনা, কৃষিভিত্তিক পণ্য, পাটের তৈরী সামগ্রি, গৃহস্থলী সামগ্রি, হালকা প্রকৌশল, চামড়াজাত পণ্য এবং ওষুধ শিল্পের সম্ভাবনা তুলে ধরে তিনি এসব খাতে জাপানি বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের তৈরী পোশাক শিল্পের সাফল্য সারা বিশ্বে সমাদৃত। বিশ্বে আমরা চীনের পরেই ২য় সর্বোচ্চ পোশাক রপ্তানীকারক দেশ। জাপানে এই কাপড়ই আমাদের শীর্ষস্থানীয় রপ্তানী পণ্য। বাংলাদেশকে বর্তমানে মান সম্পন্ন ওষুধের প্রধান বৈশ্বিক কেন্দ্রস্থল আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অষ্ট্রেলিয়া এবং আফ্রিকাসহ বিশ্বের প্রায় ১শ’ দেশে আমরা ওষুধ রপ্তানী করছি। তিনি বলেন, বিশ্ব সমাদৃত সমুদ্রগামী জাহাজ নির্মাণের মধ্যদিয়ে আমাদের জাহাজ নির্মাণ শিল্প ও বিশ্ববাসীর নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। আমাদের কোম্পানীগুলোর নির্মিত যাত্রীবাহী এবং মালামাল পরিবাহী কার্গো জাহাজ ইউরোপসহ বিশ্বের ১৪টি সরবরাহ করা হয়। সফটওয়্যার শিল্পকে দেশের আরেকটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ৮০০ আইটি কোম্পানির মধ্যে দেড়’শ কোম্পানি বিদেশী গ্রাহকদের বিশেষ আইটি সেবা দিচ্ছে। অর্থমন্ত্রী এএইচএম মুস্তাফা কামাল, এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক এবং সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহম্মদ আজিজ খান আলোচনায় বক্তব্য রাখেন। জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা গোলটেবিল আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গোপন অস্ত্রে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ডোবাতে পারে ইরান
![]() |
| উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ |
ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল মুর্তোজা কোরাবানি বলেছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ‘গোপন অস্ত্রের’ মাধ্যমে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো ডুবিয়ে দিতে পারে ইরান। গত শুক্রবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১ হাজার ৫০০ সেনা মোতায়েনের কথা জানায়। এর পরই ইরানের পক্ষ থেকে এ কথা বলা হলো।
জেনারেল কোরাবানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে দুটি যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে। যদি মার্কিন বাহিনী নির্বোধের মতো সামান্যতম কোনো ঘটনা এ অঞ্চলে ঘটায়, তবে আমরা ক্ষেপণাস্ত্র বা দুটি নতুন ‘গোপন অস্ত্র’ ব্যবহার করে তাদের জাহাজ এবং ক্রুসহ বিমান সমুদ্রের নিচে পাঠিয়ে দেব। তবে ওই ‘গোপন অস্ত্র’ আসলে কী, তা তিনি খোলাসা করে বলেননি।
অপর একজন কমান্ডার জেনারেল হাসান সাইফি বলেন, যাঁরা (মার্কিন) অভিজ্ঞ এবং যুদ্ধ সম্পর্কে জানেন, তাঁরা কখনো আমাদের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াতে চাইবেন না।
ইরান কর্তৃক সম্ভাব্য আক্রমণের হুমকি হিসেবে ট্রাম্প প্রশাসন বিমানবাহী রণতরীর বহরের সঙ্গে বোমারু বিমান এবং অতিরিক্ত প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র মধ্যপ্রাচ্যে পাঠিয়েছে। পশ্চিমা গবেষকেরা বলছেন, ইরান তাদের অস্ত্র ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলছে, তারা তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন, বিশেষ করে তাদের দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।
ইরানের সঙ্গে উত্তেজনাকে সামনে রেখে মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার এ ঘোষণা দিয়ে তিনি জাপানের উদ্দেশে হোয়াইট হাউস ত্যাগ করেন।
সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘নতুন করে সেনা মোতায়েনের উদ্দেশ্য হচ্ছে সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ নিশ্চিত করা। আমরা সেখানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই। তাই অল্প পরিমাণ সেনা পাঠানো হচ্ছে।’ ইরানের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার এখন মনে হয় যে ইরান আর যুদ্ধ করতে চায় না। তারা আসলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধে ইচ্ছুক নয়।’ এর আগে শুক্রবার সেনা পাঠানোর বিষয়টি কংগ্রেসকে জানান ট্রাম্প। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সৈন্যদের মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হবে।
এদিকে ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্তে উদ্বেগের কিছু নেই বলে মনে করে ইরান। শুক্রবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ বলেন, ইরান একদিন ডোনাল্ড ট্রাম্পের পতন দেখবে কিন্তু ট্রাম্প কখনো ইরানের পতন দেখতে পারবেন না। সেখানে জারিফ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেহমুদ কোরেশি ও সেনাপ্রধান কামার জাভেদ বাজওয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন।
তবে পাকিস্তান সরাসরি কোনো পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার ঝুঁকি নেয়নি। দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল বাজওয়া বলেন, যুদ্ধ কারও জন্যই মঙ্গলজনক নয়। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় পক্ষেরই দরকার এ অঞ্চলের যুদ্ধ এড়ানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা।
![]() |
| ইরান বলছে তাদের হাতে ‘গোপন অস্ত্র’ আছে যা দিয়ে তারা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো ডুবিয়ে দিতে পারে। ছবি: সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রঙ লাগিয়ে ঈদে সড়কে নামছে লক্করঝক্কড় বাস by মারুফ কিবরিয়া

ঈদকে সামনে রেখে লক্কড়ঝক্কড় দূরপাল্লার সড়ক পরিবহনের গাড়িগুলোকে নতুন রঙ দিয়ে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রশাসনের নজর এড়াতে কৌশল হিসেবেই মেরামত ও রঙ তুলির এই আঁচড় দেয়া হচ্ছে বলে জানান ওয়ার্কশপের মিস্ত্রিরা। বিশেষ করে যাত্রাবাড়ী- ডেমরা এলাকা ছাড়াও মাতুয়াইল, কাজলা, জুরাইন, বাবুবাজার, কেরানীগঞ্জ এলাকার ওয়ার্কশপে পুরনো বাস মেরামতের কাজ চলছে। বিশেষ যাত্রাবাড়ীর কাজলা, মাতুয়াইল এলাকার প্রতিটি গ্যারেজে ঈদকে সামনে রেখে শ্রমিকরা বিরামহীন কাজ করছেন। শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পুরনো বাসে নতুন সিট লাগানো, রঙ করা, জানালা মেরামতসহ নানা কাজ করে দিতে হচ্ছে। বাস মালিকরা বলছেন, ঈদ উপলক্ষে রাজধানীর গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি বাস যায়। চাহিদার তুলনায় তা অপ্রতুল।
ঈদের আগের দু-তিন দিন এবং ঈদের দিন এসব লোকাল বাস দূরপাল্লার রুটে নামানো হয়। জানা যায়, ঈদের আগের দিন বেশ কিছু বাস রিজার্ভ বাস হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আসার সময় যাত্রী পাওয়া যায় না বলে যাওয়ার সময় বেশি ভাড়া আদায় করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ঢাকা-আরিচা, ঢাকা-চাঁদপুর, ঢাকা-ময়মনসিংহ, ঢাকা-ফরিদপুর, ঢাকা-মানিকগঞ্জ ও ঢাকা-নরসিংদীর মতো কাছাকাছি রুটে চালানোর জন্য রাজধানীর ভেতর চলাচলকারী ভাঙাচুরা বাসগুলো নামানো হবে। পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব গাড়ি শুধু দুর্ঘটনারই কারণ নয়, ঈদের ব্যস্ত মহাসড়কে বিকল হয়ে দুঃসহ দুর্ভোগের সৃষ্টি করে।
সরজমিনে দেখা যায়, মাতুয়াইলের শিকদার এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ওয়ার্কশপে বেশ কয়েকটি বাস রঙ লাগানোর কাজ চলছে। এখানে হিমাচল পরিবহনের একটি বাসের কাজ চলছিল। ওয়ার্কশপের কর্মচারি মো. সালমানের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, দুদিন আগে বাসটি দিয়ে গেছে। ঈদের পাঁচদিন আগে ডেলিভারি দিতে হবে। ভেতরে ইঞ্জিন ভালো হলেও বাসের বাইরের অবস্থা খুব একটা ভালো না। তাই রঙ লাগনোর কাজ চালানো হচ্ছে। সালমান বলেন,আমাগো মালিকের পাঁচটা ওয়ার্কশপ। একেকটাতে ৪ থেকে ৫টা করে বাস রেখে কাজ করার ব্যবস্থা আছে। এখন হিমাচল বাস ছাড়া এখানে তিশা কোম্পানির একটা বাসের কাজ করছি। আরেকটি ওয়ার্কশপে গিয়ে দেখা যায়, আসছে ঈদে ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ সড়কে যাত্রী বহনের জন্য রাজধানীতে চলাচল করা সুপ্রভাত কোম্পানির একটি বাসে রঙ করা হচ্ছে। শ্রমিক রবিন জানান, আমাদের এখানে তো শুধু কাজ করতে নিয়ে আসা হয়। তবে যতদূর জানি বাসটি ঈদে ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ সড়কে পাঠানো হবে। এজন্যই খুব তাড়াতাড়ি কাজটি করতে হচ্ছে । পাশেই আরেকটি ওয়ার্কশপে চলছে পুরনো একটি বাসের বডি লাগানোর কাজ। এই ওয়ার্কশপের শ্রমিক রায়হান বলেন, ঈদে কুমিল্লার রুটে চলবে। এজন্য নতুন বডি লাগানো হচ্ছে। ২৭ রমজানের মধ্যে যত বাস আছে সব ডেলিভারি দিতে হবে। এম এম ট্রেডার্স নামের একটি ওয়ার্কশপে গিয়ে দেখা যায়, রাজধানীতে চলাচলকারী রাইদা ও দেওয়ান বাসের রংয়ের কাজ চলছে।
বাস দুটি রাজধানীতে চললেও সেখানে ঈদের সময় মহাসড়কে যাত্রী আনা নেয়ার জন্যই প্রস্তুত করা হচ্ছে। এই ওয়ার্কশপের কর্মচারী আব্দুল মালেক বলেন, ঈদের সময় তো সবাই একই কাজ করে। বাসের অবস্থা মোটামুটি ভালো হলেই ঈদে যাত্রীদের নিয়ে চলাচল করে। এই দুইটা বাসের অবস্থা একেবারে খারাপ না। কয়েকটা সিট নষ্ট হয়ে গেছে। আর রঙ লাগানোর কাজ করতে হবে। বাসের ড্রাইভার বলে গেছে ঈদের তিন দিন আগে লাগবে। এদিকে জুরাইনের আরেকটি ওয়ার্কশপে গিয়ে দেখা যায়, ঈদের আগে মহাসড়কে নামানোর জন্য কয়েকটি কোম্পানির বাস একসঙ্গে মেরামতের কাজ চালানো হচ্ছে। ওয়ার্কশপের মালিক ফারুক মিয়া বলেন, সিলেট লাইনের দুইটা বাসের অর্ডার পাইছি। বাসগুলোর কাজ করতে হবে। এছাড়া জোনাকি, মান্নান পরিবহন, তূর্নাসহ আরো একটি বাস আমার এখানে কাজ চলছে। কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আমাদের চুক্তি আছে। প্রতিবারই পুরানা বাসগুলো দিয়ে যায়। ঈদের আগে আগে ঠিক করে দিতে হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজমিস্ত্রি সেজে অপরাধী ধরলেন এসআই

ডিএমপি নিউজের এ খবরের শুরুতে বলা হয়েছে, পরনে লুঙ্গি-গেঞ্জি, পায়ে ছেঁড়া স্যান্ডেল। কাঁধে রাজমিস্ত্রির কাজে ব্যবহৃত বেলচা। দেখে মনে হতে পারে রাজধানীর বিভিন্ন মহল্লায় রাজমিস্ত্রির কাজ খুঁজে বেড়ান ‘তিনি’। কিন্তু না, আসলে তিনি রাজমিস্ত্রি নন। এটি একটি হত্যা মামলার আসামি ধরার জন্যই তিনি এ বেশ নিয়েছেন।
ডিএমপি নিউজে আরও বলা হয়েছে, গত ১৪ মার্চ রাজধানীর কদমতলী থানার দনিয়ায় ভাড়া বাসায় পারিবারিক কলহের জেরে শারমিন আক্তারকে গলা টিপে হত্যা করে পালিয়ে যান স্বামী মাসুদ হাওলাদার। এর পরদিন শারমিন আক্তারের ভাই বাদী হয়ে কদমতলী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয় কদমতলী থানার এসআই মো. লালবুর রহমানের ওপর। দায়িত্ব পাওয়ার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) এসআই লালবুর রহমান মামলাটি তদন্ত শুরু করেন। মামলাটি তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হন তিনি। এরপরই রাজমিস্ত্রির বেশ নিয়ে আসামিকে ধরেন তিনি।
মো. লালবুর রহমান তদন্তকালে জানতে পারেন শারমিনের স্বামী মাসুদ পুরোনো প্যান্ট-শার্টের ব্যবসা করতেন। এ ব্যবসার জন্য তিনি শনির আখড়ায় দোকানের পজিশনও নিয়েছিলেন। ব্যবসা শুরুর আগেই স্ত্রীকে হত্যা করায় পজিশনের টাকা ফেরত নিতে দোকানের মালিকের পক্ষের লোকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। দোকানের অগ্রিম টাকা ফেরত নিতে ডেমরা থানার মিন্টু চত্বর এলাকায় আসেন মাসুদ। এর আগেই এসআই লালবুর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দোকান মালিকপক্ষের লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তাঁদের জানিয়ে পুলিশকে সহায়তা করতে বলেন। যেই কথা সেই কাজ, গত রোববার বেলা দুইটার দিকে মাসুদ হাওলাদার তাঁর দোকানের অগ্রিম দেওয়া টাকা নিতে মিন্টু চত্বরে আসতে চাইলে মালিকপক্ষ এসআই লালবুরকে খবর দেন। সংবাদ পাওয়ামাত্রই মামলার আইও এসআই লালবুর ও এএসআই মো. জসিম ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে যান। এর আগে দোকানের মালিকপক্ষের লোকজন এসআই লালবুরকে জানান মাসুদ অনেক চতুর। সে তাঁর আশপাশে কোনো ভালো পোশাক ও চালচলনের কাউকে দেখলে দ্রুত সটকে পড়েন। কথাটি মাথায় রেখে এসআই লালবুর ছদ্মবেশ ধারণের সিদ্ধান্ত নেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাজমিস্ত্রির পোশাকে মিন্টু চত্বর এলাকায় অবস্থান করেন। দোকান মালিকপক্ষের লোকের ওপর নজর রাখেন এসআই লালবুর ও এএসআই জসিম। একপর্যায়ে এসআই লালবুর দেখেন দূর থেকে একটি লোক মুখে মাস্ক পরা অবস্থায় দোকান মালিকপক্ষের লোককে সালাম দিচ্ছেন। ঘটনাক্রমে অভিযুক্ত মাসুদ হাওলাদার এসআই লালবুর ও এএসআই জসিমের পাশেই অবস্থান করছিলেন। কোনো কালক্ষেপণ না করে মাসুদকে পেছন থেকে ঝাপটে ধরেন এসআই লালবুর। হঠাৎ জনসমক্ষে এমন ঝাপটে ধরার কারণ স্থানীয় লোকজন জানতে চাইলে নিজের পরিচয় দিয়ে এসআই লালবুর বলেন, যাঁকে ধরা হয়েছে তিনি হত্যা মামলার আসামি। তখন পুলিশের এমন কাজের জন্য স্থানীয়দের প্রশংসায় প্রশংসিত হন কদমতলী থানা-পুলিশের এই চৌকস অফিসার।
হত্যার সময়ের চেহারা সঙ্গে গ্রেপ্তার ব্যক্তির চেহারার তারতম্য থাকার কারণ জানতে মাসুদকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, তাঁর চেহারা ছিল অনেক ফরসা এবং দাড়ি-গোফহীন। নিজেকে গোপন রাখতে তিনি তাঁর চেহারায় পরিবর্তন এনেছেন। চেহারা পরিবর্তন করতে তিনি দিনের বেশির ভাগ সময় রোদে থাকতেন যাতে করে ফরসা রং কালোতে পরিণত হয়। সেই সঙ্গে মুখে রেখেছিলেন বড় দাড়ি-গোফ, যাতে করে পুলিশ বা অন্য কেউ তাঁকে চিনতে না পারে।
গ্রেপ্তার মাসুদ হাওলাদার ২০ মে সোমবার আদালতে অপরাধ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
![]() |
| মামলার আসামি ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে রাজমিস্ত্রির সাজ নেন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. লালবুর রহমান। ছবি: ডিএমপি নিউজ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শান্তির জন্য বিদেশি সেনাদের অবশ্যই আফগানিস্তান ছাড়তে হবে: তালেবান
| মস্কো আলোচনায় বক্তব্য রাখছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ |
গত মঙ্গলবার রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় একদল রাজনীতিকের সঙ্গে আলোচনার সময় তালবান একথা বলেছে। গতকালের আলোচনায় তালেবানের প্রধান আলোচক মোল্লা আবদুল গনি বারাদারের নেতৃত্বে একটি দল অংশ নেয়। অন্যদিকে, আফগান রাজনীতিকদের পক্ষে অংশ নেন সাবেক প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইসহ কয়েকজন রাজনীতিবিদ।
মোল্লা বারাদার বলেন, “তালেবান শান্তি চায় কিন্তু সবার আগে শান্তির পথের বাধা দূর করতে হবে। এই বাধাটা হচ্ছে আফগানিস্তানে দখলদারিত্ব এবং অবশ্যই এর অবসান ঘটাতে হবে।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, তালেবান শুধুমাত্র তখনই কোনো শান্তি চুক্তিতে সই করবে যখন বিদেশি সেনারা আফগানিস্তান থেকে চলে যাবে। আফগানিস্তানে বর্তমানে ২৩ হাজার বিদেশি সেনা রয়েছে।
গতকালের আলোচনা ছাড়াও গত কয়েক মাস ধরে তালেবান আমেরিকার সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা করেছে। তবে কোনো আলোচনাতেই তারা আফগান সরকারের প্রতিনিধি যুক্ত করতে দেয় নি। কারণ তারা আফগানিস্তানের সরকারকে বৈধ সরকার হিসেবে স্বীকার করে না।
| মস্কো আলোচনায় অংশ নেন হামিদ কারজাইসহ আফগানিস্তানের কয়েকজন রাজনীতিক |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমানত ফেরত দিতে পারছে না পিপলস লিজিং by দীন ইসলাম ও এম এম মাসুদ

সবার মুখে একই কথা, মূল টাকা ফেরত পাবো তো। প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন শাখাতে গ্রাহকরা ভিড় করছেন। ধরনা দিয়েও টাকা পাচ্ছে না গ্রাহকরা। এমনকি কয়েক মাস ধরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনও ঠিকমতো দিতে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি। গতকাল তাদের কার্যালয়ে গিয়ে দায়িত্বশীল কাউকেই পাওয়া যায়নি। এদিন দুপুর আড়াইটায় মতিঝিলের প্রধান কার্যালায়ে যাত্রাবাড়ি থেকে আসেন হাফিজুর রহামান। তিনি মানবজমিনকে বলেন, এক বছর আগে তিনি পিপলস লিজিংয়ে ১০ লাখ টাকা রাখেন। গতকাল এসেছিলেন তুলতে। কিন্তু অফিসের কেউ তাকে দেখা দেননি।
দিনের পর দিন ঘুরছেন। এর শেষ কোথায় তিনি তা জানেন না। আরেক গ্রাহক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, আমার অফিসের বসের প্রায় এক কোটি টাকা এই প্রতিষ্ঠানে রয়েছে। কিন্তু এখন তুলতে পারছি না। এ টাকা আদায় ছাড়া কোন পথ দেখতে পাচ্ছি না। একই দিনে নিডস এডুকেশন নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত পারভেজ ইসলাম আসেন তার ফিক্স ডিপোজিটের অর্থ তুলে নিতে। তিনি মানবজমিনকে বলেন, আমার বন্ধুর এক কোটির বেশি টাকা এই প্রতিষ্ঠনে রয়েছে। তাকেও টাকা দিতে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি। এদিকে ধানমন্ডির বাসিন্দা মুতাসীর উদ্দীন খান ইয়ামীন বেশি সুদের আশায় ৩০ লাখ টাকার ৬ মাস মেয়াদি আমানত (টিডিআর) রাখেন পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসে।
দশ লাখ টাকা করে তিনটি হিসাবে অর্থ জমা করেন গেল বছরের ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে। বার্ষিক ১২ শতাংশ হারে সুদসহ আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে তার টাকা ফেরত দেয়ার কথা। কিন্তু পিপলস লিজিং তার আমানত ফেরত দিচ্ছে না। তার পাওনা এক লাখ ৬০ হাজার টাকার সুদসহ মোট ৩১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। পিপলস লিজিংয়ের প্রধান কার্যালয়, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন জায়গায় দৌড়ঝাঁপ করে কাজের কাজ না হওয়ায় নিরুপায় হয়ে এখন ধরনা দিয়েছেন পুলিশের কাছে। টাকা আদায় করে দেয়ার ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানিয়ে ঢাকা মহনগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পিপলস লিজিং এ প্রতিদিন ধর্ণা দেয়া এসব গ্রাহকের বাইরে অনেকেই জমানো টাকা তুলতে পারছেন না। এমনকি কয়েক মাস ধরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দিতে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি। এজন্য সিনিয়র ও জুনিয়র মিলিয়ে কয়েক শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারি প্রতিষ্ঠানটি ছেড়ে চলে গেছেন। প্রতিষ্ঠানটির চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার মানিক লাল সমাদ্দারসহ বেশ কয়েক জন সিনিয়র কর্মকর্তা চলে গেছেন। এছাড়া অনেক কর্মকর্তা যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পিপলস লিজিংয়ের প্রধান কার্যালয়সহ গুলশান, মতিঝিল ও চট্টগ্রাম ব্রাঞ্চ অফিসে গ্রাহকদের সঙ্গে বচসার ঘটনা ঘটছে।
পিপলস লিজিং সূত্রে জানা গেছে, মালিক পক্ষ জালিয়াতি করে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের কারণে প্রতিষ্ঠানটি ধুঁকে ধুঁকে চলছে। টাকা রেখে ফেরত না পাওয়ার তালিকায় সাবেক সচিব, পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ সুপরিচিত অনেক ব্যক্তিও রয়েছেন। এদের অনেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না। এরপরও থেমে নেই পিপলস্? লিজিংয়ের আমানত সংগ্রহ। উচ্চসুদে আমানত সংগ্রহে নানা উপায়ে টোপ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে ব্যাংকগুলো যেখানে ৬ থেকে ৭ শতাংশ সুদে মেয়াদি আমানত নিচ্ছে সেখানে পিপলস লিজিং ১২ শতাংশ সুদে আমানতের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তির মোবাইলে এসএমএস দিচ্ছে। এ ছাড়া ৫ বছরে দ্বিগুণসহ আকর্ষণীয় নানা স্কিম নিয়ে হাজির হচ্ছে মানুষের কাছে। বিশেষ করে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী, নারীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষকে উচ্চসুদের প্রলোভন দেখিয়ে আমানত সংগ্রহের চেষ্টা করছে। আমানত সংগ্রহে কারও মোবাইলে এসএমএস দেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানছে না এ প্রতিষ্ঠান। বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানলেও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
পিপলস লিজিংয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন গ্রাহক তাদের আমানত তুলে নিতে অফিসটিতে আসেন। কিন্তু কাউকে টাকা দিতে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি। ব্যক্তি আমানতকারীদের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ব্যাংক তাদের গচ্ছিত অর্থ চেয়েও ফেরত পাচ্ছে না। এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি ব্যাংক এই কোম্পানিতে আমানত না রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে চিঠি দিয়েছে। সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, ব্র্যাক ও রূপালী ব্যাংক এই কোম্পানিতে রাখা তাদের স্থায়ী আমানত তুলে নিতে চিঠি দিয়েছে। কিন্তু ওই চিঠির কোন সদুত্তর পায়নি তারা। এসব বিষয়ে পিপলস লিজিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি হুদার বক্তব্যের জন্য বিভিন্ন উপায়ে চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
অফিসে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। বলা হয়, স্যার অফিসে আসেননি। তার ব্যক্তিগত মোবাইলে ফোন ও এসএমএস করে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এদিন অফিসে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজী আহমেদ জামালকে পাওয়া যায়। তবে তিনি কারও সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক পরিদর্শনে দেখা যায়, পিপলস লিজিং থেকে বিতরণ করা ঋণের বেশিরভাগই জালিয়াতির মাধ্যমে তুলে নিয়েছেন পরিচালকরা। ভুয়া কাগজ তৈরি করে প্রায় হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ২০১৫ সালে ৫ পরিচালককে অপসারণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে শুধু প্রতিষ্ঠানের নামে জমি কেনার কথা বলে নিজ নামে জমি রেজিস্ট্রি করার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন প্রায় সাড়ে ৫০০ কোটি টাকা। জমি রেজিস্ট্রির এ জালিয়াতির মাধ্যমে সাবেক চেয়ারম্যান মতিউর রহমান ১১৬ কোটি টাকা, সাবেক পরিচালক খবির উদ্দিন মিয়া ১০৭ কোটি টাকা, আরেফিন সামসুল আলামিন, নার্গিস আলামিন ও হুমায়রা আলামিনের ২৯৮ কোটি টাকা আত্মসাতের তথ্য ওই সময়ে দুদকে জানানো হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধানের দাম নেই, চালে ছাড় নেই

ধান নিয়ে এখন বেশ বিপাকে কৃষক। কৃষকের ঘরে ধান আছে। কিন্তু আনন্দ নেই। কারণ ধানের উৎপাদন পর্যায়ের দাম আর চালের গ্রাহক পর্যায়ের মূল্য ব্যবধান বিশাল। প্রান্তিক কৃষক নিজেদের উৎপাদিত ধানের উপযুক্ত মূল্য না পেলেও বাজারে চালের দাম বেশ চড়া। কৃষকপর্যায়ে বর্তমানে প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা। অথচ এক কেজি চাল কেনার জন্য ভোক্তাকে গুনতে হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা।
বিশ্লেষকদের মতে, সরকার যদি আগেই অনুমান করতে পারতো, তাহলে এখন ধানের দাম নিয়ে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তা এড়ানো যেত। কিন্তু তা হয়নি। ধানের দাম নিয়ে কৃষক পর্যায়ে হতাশা যখন চরমে, তখন সরকার বেশ তড়িঘড়ি করে বিদেশ থেকে চাল কেনা নিরুৎসাহিত করার জন্য আমদানিতে শুল্ক বাড়িয়েছে। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির উন্নত হবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় আছে।
এক হিসাব করে দেখা গেছে, বর্তমানে ৬০০ টাকা মণ হিসাবে এক কেজি ধানের দাম দাঁড়ায় ১৫ টাকা। খুচরা বাজারে ৪০ টাকার নিচে কোনো চাল নেই। এক মণ ধানে চাল হয় ২৫ থেকে ২৮ কেজি। সে হিসেবে কেজিপ্রতি চালের দাম হয় ১৭ থেকে ১৮ টাকা। কৃষক ১৮ থেকে ২০ টাকা পাচ্ছেন। অথচ বাজারে চাল অর্থাৎ গ্রাহকপর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৪ থেকে ৪০ টাকা। তবে এ পার্থক্য গড়ে ২০ থেকে ২২ টাকা। উৎপাদনকারী কৃষক যেখানে চালের দাম পাচ্ছেন ১৮ থেকে ২০ টাকা, সেখানে ভোক্তাকে সর্বনিম্ন কিনতে হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকায়। ক্ষেত্রবিশেষে দামের এ পার্থক্য আরো বেশি। এ ব্যবধানের বেশিরভাগ অর্থ চলে যাচ্ছে ফড়িয়াদের পকেটে। উৎপাদক আর গ্রাহকপর্যায়ে ধান-চালের দামে এমন পার্থক্যকে অস্বাভাবিক বলছেন বিশ্লেষকরা।
অর্থনীতি সমিতির সভাপতি আবুল বারকাত মনে করেন, উৎপাদন খরচের সঙ্গে শ্রমের মূল্য যোগ করে এবার ধানের দাম প্রতিমণ ১২০০ টাকা হওয়া উচিত। এ মুহূর্তে প্রতিমণ বোরো ধান উৎপাদনে ৬০০ টাকার বেশি খরচের যে হিসাবটি দেওয়া হচ্ছে, তা কৃষকের পারিশ্রমিক বাদ দিয়ে করা।
ধানের দাম এতোটাই কমে গেছে যে তীব্র ক্ষোভে ফসলের মাঠে আগুন ধরিয়ে দিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছেন টাঙ্গাইলের এক কৃষক। এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় কৃষক নানা উপায়ে প্রতিবাদ করেছেন।
সাধারণ মানুষের কাছে বিআর ২৮ চালের চাহিদা বেশি। রাজধানীর কয়েকটি চালের বাজার ঘুরে ও সরকারি সংস্থার হিসাবে দেখা যায়, খুচরা বাজারে এ চালের কেজিপ্রতি সর্বনিম্ন দাম ৩৪ থেকে ৩৮ টাকা। পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩২ টাকা। খুচরা বাজারের সঙ্গে পাইকারি বাজারের মূল্যপার্থক্য দাঁড়াচ্ছে ৫ থেকে ৬ টাকা।
সারাদেশের গড় হিসাবে কৃষকপর্যায়ে বর্তমানে প্রতিমণ ধান বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকায়। অথচ এক কেজি ভালো মানের চাল কেনার জন্য ভোক্তাকে গুনতে হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। আর মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৮ থেকে ৪০ টাকায়। অভিযোগ উঠেছে, চালকল মালিকদের শক্তিশালী সিন্ডিকেটের কারণে কৃষক উৎপাদন খরচের অর্ধেক মূল্যে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। চালের দামও নিয়ন্ত্রণ করছেন তারাই। এদিকে উত্তরবঙ্গের অনেক জেলায় প্রতিমণ ধান ৩২০-৩৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আনোয়ার ফারুক জানান, কৃষকের স্বার্থরক্ষায় বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে কঠোর ভূমিকা নিতে হবে।
পর্যালোচনায় দেখা গেছে, প্রতি বিঘায় সেচে ১ হাজার ৫০০, সার ও কীটনাশকে ৩ হাজার, বীজ ৫০০, নিড়ানি ৫০০, কাটায় ৩ হাজার টাকাসহ সব মিলিয়ে ১৩ থেকে ১৪ হাজার টাকা খরচ হয়। বিঘায় ২০ মণ ধান হলে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা লোকসান হবে বলে জানা গেছে।
এদিকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাব অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকার খুচরা বাজারে প্রতিকেজি ভালো মানের চাল বিক্রি হয় ৫২ থেকে ৫৬ টাকায়।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, দেশে প্রতি কেজি মোটা চাল পাইকারিতে ৩১ থেকে ৩৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর এ বছর প্রতি কেজি চালের উৎপাদন খরচই পড়েছে ৩৬ টাকা। এক মাস আগেও চালের দর ছিল ৩৮ থেকে ৪০ টাকা। সবচেয়ে কম দামি মোটা চাল বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়। রাজধানী বাজারে পাইকারি বাজারে বর্তমানে ৫০ কেজির প্রতিবস্তা আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ১,৭০০ টাকা, মিনিকেট নতুন চাল ২,২০০ টাকা এবং পুরনোটা ২,৪০০ টাকায়। স্বর্ণা ৫০ কেজির বস্তা ১,৩৮০ থেকে ১,৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া গুটি চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতিবস্তা ১,৩২০ টাকায়।
এদিকে চালের দাম না কমলেও ধানের দাম কমেই চলেছে। এপ্রিলের শেষ সপ্তাহেও বাজারে নতুন ধান বিক্রি হয়েছে স্থানভেদে ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা মণ। আর এখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন চিকন চালের ধান মাত্র ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা মণ বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও ধানের দাম আরো কম।
টিসিবির হিসাবে, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ৩ টাকা থেকে ৪ টাকা করে কমেছে। সরু চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৪৮ টাকা ৫৬ টাকার মধ্যে যা এক সপ্তাহ আগেও ৫২ টাকা থেকে ৬৪ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। এক বছর আগের তুলনায় সরু চালের দাম কমেছে ১৬ শতাংশ।
দেশের প্রধান ধান উৎপাদনকারী এলাকার মধ্যে রয়েছে রংপুর, দিনাজপুর ও কুষ্টিয়া। এসব এলাকা থেকে প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, গত বছরের তুলনায় প্রতি মণ ধানের দাম ২০০ থেকে ৩৫০ টাকা কম। বর্তমানে মোটা চালের ধান প্রতি মণ ৬৪৫ থেকে ৬৬০ টাকা, মাঝারি ধান ৭০০ থেকে ৭১০ টাকা ও সরু ধান ৯৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রাজধানীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে। কিন্তু এই চালের পাইকারি মূল্য ৪০ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৪২ বা ৪৩ টাকা। অথচ কৃষক প্রতি কেজি ধানের মূল্য পাচ্ছে মাত্র ১৪ থেকে ১৫ টাকা।
খুচরা আর পাইকারি বাজারে চালের মূল্য হিসাব করে দেখা গেছে, পাইকারের চেয়ে খুচরা বাজারে প্রতিকেজি চালে অতিরিক্ত নেয়া হচ্ছে ১৬ থেকে ১৭ টাকা। বাজারে যেহেতু মিনিকেট চাল বেশি চলে তাই এই চালের মূল্য নিয়েই সাধারণত কথা বলেন ব্যবসায়ীরা। তবে মানভেদে মোটা চাল প্রতিকেজি ৪০ টাকার কম বেশি বিক্রি হচ্ছে।
চালের দামের বিষয়ে বাবু বাজার চাল ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাওসার আলম খান বলেন, বর্তমানে নতুন মিনিকেট প্রতি কেজি চাল ৪০ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৪১ বা ৪২ টাকা দরে পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে। আর পুরনো মিনিকেট ৪৩ থেকে ৪৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
কাওরান বাজারে দেখা গেছে, একই বাজারে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে প্রতিকেজি মিনিকেট চালের দামে ১০ থেকে ১২ টাকার ব্যবধান।
এই বাজারের পাইকারি দোকান জনপ্রিয় রাইস এজেন্সির বিক্রয়কর্মী আমির হোসেন বলেন, আমরা বড় ব্যবসায়ী এবং মিল মালিকদের থেকে চাল এনে বিক্রি করি। যে দামে চাল আনা হয় তার চেয়ে কেজিপ্রতি ২ থেকে ৩ টাকা টাকা ব্যবসা করি। কিন্তু খুচরা দোকান আমাদের থেকে নিয়ে একটু বেশি লাভে বিক্রি করে।
চালের দাম এই বাজারেরই খুচরা ব্যবসায়ী মানিক মিয়া ১০ কেজির প্যাকেটজাত এসিআই পিউর চাল বিক্রি করেন ৫৮০ টাকায়। সেই হিসেবে প্রতিকেজি চালর দাম পড়ে ৫৮ টাকা। দাম বেশি রাখার কারণ হিসেবে তিনি জানান, তার কেনা পড়ছে বেশি তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে খোলা মিনিকেট চালের কেজি ৫৪ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি করেন তিনি। এই চালের পাইকারি মূল্য ৪০ থেকে ৪৪ টাকার মধ্যে হলে ৫৪ থেকে ৫৫ টাকা রাখেন।
খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, গত ২৮শে মার্চ খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে চলতি বোরো মৌসুমে ২৫শে এপ্রিল থেকে ৩১শে আগস্ট পর্যন্ত ১২ লাখ ৫০ হাজার টন ধান-চাল সংগ্রহ করার কথা।
এদিকে বাজারে ধানের দাম না পাওয়া নিয়ে কৃষকদের ব্যাপক অভিযোগের মধ্যে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ চালের আমদানি শুল্ক দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। চাল আমদানিতে এখন ৫৫ শতাংশ কর দিতে হবে। ফলে আমদানি করা চালের দাম বাড়বে বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা। কিন্তু বাজারে চালের দাম কেজিতে গড়ে ২ থেকে ৩ টাকা কমেছে। মোটা চালের দাম এখন ৩০ টাকা। যা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
চালের দামের বিষয়ে বাবু বাজার চাল ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাওসার আলম খান বলেন, রমজানে চাল কম চলে। তাই দাম একটু কম। রমজানের পরে বিক্রয় বেশি হবে। বর্তমানে নতুন মিনিকেট প্রতি কেজি চাল ৪০ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৪১ বা ৪২ টাকা দরে পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে। আর পুরনো মিনিকেট ৪৩ থেকে ৪৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
কাওরান বাজারের চালের আড়তের পাইকারী ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন বলেন, এবার উৎপাদন বেশি হওয়ায় বাজারে চালের সরবরাহ বেশি হচ্ছে। মৌসুমে এই সময়ে কম দামে ধান কেনাবেচা হওয়ায় মিলমালিকরা কম দামে চাল সরবরাহ শুরু করেছেন। নতুন চালের দাম কেজিতে প্রায় ৫ টাকা কম দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে এতে ক্রেতারা লাভবান হচ্ছেন। কিন্তু এবার কৃষক ধানের দাম থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
আড়তদার ব্যবসায়ীরা আমদানি শুল্ক বৃদ্ধির বিষয়ে বলেন, চালের আমদানি শুল্ক অনেক দেরিতে বাড়ানো হয়েছে। মৌসুমের ধান ওঠার আগে বাড়ানো হলে কৃষকরা ধানের ভালো দাম পেত।
কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান মনে করেন, চালের শুল্ক বাড়ানো যৌক্তিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে এটি আরো আগে বৃদ্ধি করলে কৃষকরা বেশি লাভবান হতেন। চাল আমদানি কমলে দেশে ধানের ভালো দাম পবে কৃষকরা।
বাবু বাজার সায়েম রাইস এজেন্সির কর্ণধার জাকির হোসাইন রনি বলেন, পাইকারি বাজারে চালের দাম কমেছে। কিন্তু খুচরা বাজারে তেমন কমেনি। কর্তৃপক্ষ বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না বলেই খুচরা বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে না। ৫৫ থেকে ৫৮ টাকা পর্যন্ত দাম নিয়ে ভোক্তাদের ঠকাচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফের ভাইরাল শাহরুখকন্যার ছবি

![]() |
| শাহরুখ খানের মেয়ে সুহানা জন্মসূত্রেই তারকা। তার প্রতি মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। সুহানা ১৯ বছরে পা দিলেন। বলিউডের সিনেমাতেও অভিনয় করেননি। তবে শাহরুখ খানের সঙ্গে মাঝে মাঝে কিছু অনুষ্ঠানে দেখা যায়। একের পর এক আলোচনায় আসতে দেখা গেছে শাহরুখ কন্যাকে। আসলে সুহানাকে নিয়ে বরাবরই ওয়েব দর্শকদের আগ্রহ থাকে। সম্প্রতি আরও একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে সুহানার। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কার স্বার্থে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের দামামা?

গত সোমবার ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য ব্রাসেলসে গিয়েছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। কিন্তু সেখানে তিনি ন্যাটো পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাতের যৌক্তিকতা প্রমাণে সক্ষম হননি। উল্টো ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রধান ফেদেরিকো মঘেরিনি যেকোনো মূল্যে সামরিক সংঘর্ষ এড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন পম্পেওকে।
একাধিক ইউরোপীয় সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, ইরানের কাছ থেকে কোনো বিশেষ হুমকি তৈরি হয়েছে বলে ন্যাটোর সদস্যরা বিশ্বাস করে না।
ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়ারা ইরাকে মার্কিন সেনাদের জন্য বর্ধিত হুমকি হয়ে উঠেছে—যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবি খণ্ডন করে একজন ব্রিটিশ সামরিক কমান্ডার জানিয়েছেন, ইরাকে বা সিরিয়ায় ইরানপন্থী মিলিশিয়াদের অতিরিক্ত কোনো কার্যকলাপের তথ্য তাঁদের কাছে নেই।
এদিকে স্পেন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পারস্য উপসাগরের দিকে অগ্রসরমাণ একটি নৌবহর থেকে নিজেদের ফ্রিগেট সরিয়ে আনার কথা ঘোষণা করেছে। তাদের নৌবাহিনীর সঙ্গে এর আগে যে সমঝোতা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র তা ভঙ্গ করেছে বলে অভিযোগ করেছে স্পেন।
এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও তড়িঘড়ি করে যুদ্ধে যাওয়ার যে কথাবার্তা চলছে, তাতে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন।
জানা গেছে, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন ইরানে সরকার পরিবর্তনের পক্ষে যেসব গরম-গরম কথা বলছেন, তাতে ট্রাম্প অসন্তুষ্ট।
এক টুইটে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান প্রশ্নে তাঁর প্রশাসনের মধ্যে পরস্পরবিরোধী অবস্থান নেই। তবে কী করা হবে, সে প্রশ্নে ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে। এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনিই নেবেন।
মার্কিন রিপাবলিকান নেতারাও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ নিয়ে উসকানিমূলক কথাবার্তায় অসন্তুষ্ট বলে জানা গেছে।
পেন্টাগনের সামরিক নেতৃত্ব ইরানের বিরুদ্ধে ১ লাখ ২০ হাজার সৈন্যের অংশগ্রহণে যুদ্ধপরিকল্পনা করেছে বলে তথ্য প্রকাশ হওয়ার পর রিপাবলিকান নেতারা খোলামেলাভাবেই এই যুদ্ধ মহড়ার কোনো যৌক্তিক ভিত্তি রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
যুদ্ধের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে এই প্রশ্নে কংগ্রেসের সম্মতি নিতে হবে—এমন দাবি রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক উভয় পার্টির নেতারাই তুলেছেন।
ট্রাম্পের অনুগত হিসেবে পরিচিত ইউটাহ থেকে নির্বাচিত সিনেটর মাইক লি বলেছেন, ‘ইরান বা অন্য যেখানেই আমরা যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ি না কেন, এ জন্য অবশ্যই কংগ্রেসের অনুমোদন লাগবে।’
পর্যবেক্ষকেরা অবশ্য বলছেন, যে দ্রুতগতিতে ঘটনা গড়াচ্ছে, তাতে সামান্য কোনো উসকানি থেকে বড় ধরনের যুদ্ধ বেধে যেতে পারে। এই উসকানি শুধু ইরানের কাছ থেকে নয়, এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশ থেকেও আসতে পারে।
ইসরায়েল ছাড়াও সৌদি আরব ও অন্য উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানকে তাদের জন্য একটি বড় ধরনের হুমকি মনে করে।
ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে ইরান রয়েছে বলে অভিযোগ আছে। সৌদি আরবের চোখে বিষয়টি একটি বড় অপরাধ।
বাহরাইন ও আরব আমিরাতও নিজেদের শিয়া সংখ্যালঘুদের ব্যাপারে ইরানের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট। ইরানকে শায়েস্তা করতে তারা বড় রকমের যুদ্ধ বাধাতে আপত্তি করবে না বলে মনে হয়।
সাবেক মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রবার্ট গেইটস সে রকম একটি আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছেন তাঁর সম্প্রতি প্রকাশিত স্মৃতিকথা ‘ডিউটি’-তে। ২০০৭ সালে সৌদি বাদশা আবদুল্লাহর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের কথা স্মরণ করে গেইটস লিখেছেন, আবদুল্লাহ তাঁকে সরাসরি প্রশ্ন করেন, ইরানকে শায়েস্তা করতে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কেন সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। যুক্তরাষ্ট্র না করলে সৌদি আরব একাই তেমন ব্যবস্থা নেবে বলে তাঁকে জানিয়েছিলেন আবদুল্লাহ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাঁচ বছরের গ্যারান্টিতে রাস্তা, নষ্ট হলে ঠিক করে দেবেন ঠিকাদার by সালেহ টিটু
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানের 'হুমকি' ঠেকাতেই সৌদির কাছে অস্ত্র বিক্রি?

কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়েই সৌদি আরবের কাছে আটশো কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রি করা হচ্ছে। এজন্যে তিনি এমন একটি আইনের আশ্রয় নিতে যাচ্ছেন যেটি সচরাচর ব্যবহার করা হয় না।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলছেন, ইরানের সাথে উত্তেজনা এমন এক পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে যে সেটা জাতীয়ভাবে জরুরী বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে।
প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্তে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করছেন সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক বাহিনী এসব অস্ত্র ইয়েমেনের বেসামরিক লোকজনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে পারে।
বিরোধী ডেমোক্র্যাট দলের অনেক নেতা কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে সৌদি আরবের কাছে অস্ত্র বিক্রির উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তারা বলছেন, প্রস্তাবটি ক্যাপিটল হিলে উত্থাপন করা হলে এর বিরোধিতা করা হতো।
খবরে বলা হচ্ছে, সৌদি আরব ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডনের কাছে প্রচুর অস্ত্র বিক্রি করতে যাচ্ছে।
কংগ্রেসের সদস্যরা সৌদি আরবে মানবাধিকার পরিস্থিতির কড়া সমালোচনা করেছেন। বিশেষ করে ইয়েমেন যুদ্ধে দেশটির ভূমিকা এবং গত বছরের অক্টোবর মাসে তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগজিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায়।
এই অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্তের কথা পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও শুক্রবারই কংগ্রেসকে অবহিত করেছেন। এক চিঠিতে তিনি সেটা জানিয়েছেন বলে মার্কিন সংবাদ মাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে তিনি বলেছেন, "ইরানের শত্রুতামূলক তৎপরতার কারণে অনতিবিলম্বে অস্ত্র বিক্রয়ের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"
"ইরানের নানা তৎপরতা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্যে বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। হুমকি হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার ব্যাপারেও। দেশের ভেতরে ও বাইরে," লিখেছেন তিনি।
তিনি বলেছেন, ইরান যাতে উপসাগরীয় অঞ্চলে এবং মধ্যপ্রাচ্যে 'দুঃসাহসিক' কোন তৎপরতা চালাতে না পারে - সেজন্য যতো দ্রুত সম্ভব এসব অস্ত্র বিক্রি করতে হবে।
খবরটি প্রকাশের সাথে সাথেই এর বিরোধিতা করে সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। ডেমোক্র্যাট দলের সিনেটর রবার্ট মেনেন্দেজ বলেছেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প 'কর্তৃত্ববাদী দেশগুলোকে সুবিধা' দিচ্ছেন।
"আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে তিনি আবারও ব্যর্থ হয়েছেন। মানবাধিকার রক্ষায় তিনি ব্যর্থ হচ্ছেন," এক বিবৃতিতে একথা বলেছেন এই ডেমোক্র্যাট সেনেটর।
রিপাবলিকান সিনেটর জিম রিশ বলছেন, এমন একটি খবরের কথা ট্রাম্প প্রশাসন থেকেও তাকে জানানো হয়েছে। তিনি এখন এর আইনগত যৌক্তিকতা যাচাই করে দেখছেন।
ইরানও এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভাদ জারিফ বলেছেন, আন্তর্জাতিক শান্তির জন্যে এটা এক বিপদজনক সিদ্ধান্ত।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক শক্তি বাড়ানোর কথা ঘোষণা করার পরপরই সৌদি আরবের কাছে অস্ত্র বিক্রির এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হলো। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে তারা মধ্যপ্রাচ্যে আরো যুদ্ধবিমান ও ড্রোন মোতায়েন করবে। পাঠাবে আরো দেড় হাজারের মতো মার্কিন সৈন্য। বিবিসি বাংলা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুদামে ধান বিক্রিতেও প্রভাবশালীদের থাবা

সূত্র জানায়, ধানের দরপতন ঠেকাতে ২৬শে এপ্রিল থেকে সরকারিভাবে ধান-চাল কেনা শুরুর কথা ছিল। কিন্তু শুরু হয় গত সপ্তাহে। চলবে ৩১শে আগস্ট পর্যন্ত। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার বোরো মৌসুমে সাড়ে ১২ লাখ টন ধান-চাল সংগ্রহ করা হবে। কিন্তু অভিযানের শুরু থেকেই প্রভাবশালীদের কবজায় চলে যায় ধান সংগ্রহ অভিযান। নেতা ধরেও কৃষক সরকারি গুদামে ধান দিতে পারছেন না। শুধু সরকারদলীয় প্রভাবশালী নেতারাই ধান সরবরাহ করতে পারছেন। ধান বেচার স্লিপও থাকছে তাদের হাতে। ওই সব নেতা রাতারাতি হয়ে উঠেছেন কৃষক। তারা কৃষকের কাছ থেকে কম দামে ধান কিনে সরকারি গুদামে বেশি দামে বিক্রি করছেন। তাই সরকারের ধান কেনায় কৃষক নয়, নেতারাই বেশি লাভবান হচ্ছেন। অনেকেই মনে করেন, ধান-চাল সংগ্রহ নীতিমালা পরিবর্তন না হলে সরকারের এ সহায়তা কৃষকের কাছে পৌঁছাবে না।
জানা গেছে, বাজারে প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়। নেতারাও কৃষকদের কাছ থেকে ওই দামে ধান কিনছেন। সেই ধান সরকারি গুদামে সরবরাহ করে তারা প্রতি মণে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। অনেক জেলা-উপজেলায় স্থানীয় নেতাদের মধ্যে ধান-বাণিজ্য ও ধানের স্লিপ বিক্রির টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে কোন্দল ও দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে। খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের দাবি, ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের চাপে তাদের কাছ থেকে ধান নিতে তারা বাধ্য হন। এদিকে ধান ক্রয়ের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বরদাশত করা হবে না বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেন, প্রশাসনকে কড়াভাবে নির্দেশ দেয়া হয়েছে যাতে প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা যায়। বুধবার নওগাঁ সদর উপজেলা স্থানীয় খাদ্য সরবরাহ গুদামে (এলএসডি) বোরো ধান-চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারিভাবে প্রতি কেজি ধানের মূল্য ২৬ টাকা বেধে দেয়া হয়েছে। কৃষক যাতে ধানের প্রকৃত মূল্য পান সেই জন্য আজ থেকে ২০ দিন আগে জেলায় জেলায় সরকারিভাবে ধান-চাল ক্রয়ের বরাদ্দ ভাগ করে দেয়া হয়েছে। মৌসুমের শুরুতেই ধান ক্রয় কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
এদিকে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘ধানসহ কৃষিপণ্যের মূল্য: চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে বক্তারা বলেন, কৃষকের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আগামী বাজেটে কৃষি খাতে ২৫ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি দেয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকারিভাবে শস্য গুদাম ২১ লাখ টন থেকে ৬০ লাখ টনে বাড়ানোর আহ্বানও জানান তারা।
খাদ্য অধিকার বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ বলেন, কৃষককে রাজনীতিতে এসে তাদের অধিকার আদায় করে নিতে হবে। তিনি বলেন, যারা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় ধান কিনে নেয় তাদের আইন দিয়ে উৎখাত করা যাবে না। আমরা বর্তমানে ভুল অর্থনীতিতে চলছি। বঙ্গবন্ধুর অর্থনীতি অমান্য করে চলছি। প্রধানমন্ত্রীকে এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে হবে।
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক গবেষণা পরিচালক ড. আসাদুজ্জামান বলেন, চাল আমদানিতে শুল্ক বাড়ালে বা কমালেই লাভ হবে না। কারণ আমাদের স্টোরেজ নেই। ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরকার তা গৃহস্থের ঘরেই রাখতে পারে। কৃষকের ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার অনেক ক্ষেত্রেই সদিচ্ছার প্রমাণ দেখাতে পারেনি। এই বোরোর কারণে সামনের বোরোতেও প্রভাব পড়তে পারে। তাই এখন থেকেই সতর্ক থাকতে হবে।
সাবেক কৃষি সচিব আনোয়ার ফারুক বলেন, পশ্চিমবঙ্গে ২৫ শতাংশ ধান সরকার সংগ্রহ করে। অথচ আমাদের দেশে সংগ্রহ করা হয় মাত্র ৫ শতাংশ। এই মুহূর্তে বলা যেতে পারে যেসব মিলার সরকারকে চাল দেবে তাদের ৩০ মে’র মধ্যে কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করতে হবে। তাহলেই বাজারে ধানের দাম বাড়বে।
বিভিন্ন এলাকার কৃষক জানান, তারা ধান নিয়ে খাদ্যগুদামে গেলে ধানে চিটা ও পরিস্কার না, ধানে আর্দ্রতা কমবেশি, গুদাম খালি নেই-এমন অজুহাত দিয়ে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। অথচ প্রকাশ্যে নেতাদের স্লিপে ভেজা ধান নেয়া হচ্ছে। অনেক এলাকায় নেতারা কৃষকের কৃষি কার্ডও রেখে দিচ্ছেন। সেই কার্ড দিয়েই তারা সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করছেন। ওই সব প্রভাবশালী নেতা ভুয়া নামেও সরকারি গুদামে ধান সরবরাহ করছেন। আর চালকল মালিকরা আমদানি করা পুরনো নিম্নমানের চাল সরকারি গুদামে দিচ্ছেন।
টাঙ্গাইলের মধুপুর ও ধনবাড়ী উপজেলায় অনেকটা গোপনে বোরো ধান কেনা হচ্ছে। মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমা আহম্মেদ পলি ট্রেনিং এর জন্য দেশের বাহিরে থাকায় অনেকটা চুপিসারে ধনবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফা সিদ্দিকা গত ২১শে মে মধুপুরে ধান ক্রয়ের উদ্বোধন করেন। খাদ্য অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে মধুপুর উপজেলা থেকে ৩৮৪ টন বোরো ধান ক্রয়ের কথা। গত কয়েকদিনে প্রায় সাড়ে ১৮ টন বোরো ধান ক্রয় করা হয়েছে।
মহিষমারা ইউপি চেয়ারম্যান কাজী আব্দুল মোতালেব জানান, রাজনৈতিক নেতারাও কিন্তু কৃষক। তারাও শতশত মন ধান উৎপাদন করেন। নেতাদের কাছ থেকে ধান কেনা হচ্ছে কথাটা ঢালাওভাবে বলা ঠিক না। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানান, কৃষি বিভাগ থেকে প্রকৃত কৃষকদের তালিকা দিয়েছি। ধান কেনার দায়িত্ব খাদ্য বিভাগের।
মধুপুরের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ধনবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফা সিদ্দিকা মুঠোফোনে জানান, গোপনে নয়, উপজেলা চেয়ারম্যান ও অন্যন্য অফিসারদের সাথে নিয়ে ধান ক্রয়ের উদ্বোধন করা হয়েছে।
নেত্রকোনায় ধান ও চাল ক্রয়ের নামে চরম অনিয়ম ও কৃষক সংগঠনের প্রতিনিধিবিহীন সিন্ডিকেট দিয়ে তা ক্রয় হচ্ছে মর্মে খাদ্য মন্ত্রণালয় বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে অভিযোগ প্রদান করেন জেলা কৃষক লীগের সভাপতি কেশব রঞ্জন সরকার। গত ১৫ই মে তিনি এ অভিযোগটি দেন। অভিযোগে বলা হয়, জেলায় অতীতের ন্যায় খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অসাধু কর্মকতার যোগসাজশে একটি দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট চাল মালিক সমিতির কতিপয় লোক কৃষক সংগঠনের নামে ভুয়া প্রতিনিধি বানিয়ে ক্রয় কমিটিতে সদস্য করেছে। এছাড়া কৃষক সংগঠনের প্রতিনিধিবিহীন ভুয়া চাল মিল তালিকা প্রস্তুত করেছে। বিগত পাঁচ বছর অভিযোগ করা সত্বেও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে কোনো তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।
এ বছর এক বিঘা বোরো জমি চাষ করতে কৃষকের খরচ হয়েছে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার টাকা। ধান উৎপাদন হয়েছে প্রতি বিঘায় ১৫ মণের মতো। হাটে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা ধরে ধান বিক্রি করতে পারছেন কৃষক। প্রতি বিঘায় কৃষকের লোকসান সাড়ে ৬ হাজার টাকা। এ ছাড়া একজন কৃষি শ্রমিকের পারিশ্রমিক হিসেবে প্রতিদিন ৭০০ থেকে এক হাজার টাকা মজুরি দিতে হচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বারেকের প্রতারণার অভিজ্ঞতা ৪৩ বছরের

গত ২৫ মে শনিবার রাতে রাজধানীর দারুসসালাম এলাকা থেকে বারেকসহ প্রতারক চক্রের আরো চারজনকে গ্রেফতার করেন র্যাব-৪ এর কমান্ডার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির।
গত ২৬ মে রোববার দুপুরে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাব-৪ এর পরিচালক ।
র্যাব জানায়, ২ মার্চ র্যাবের অভিযানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতারকচক্রের ২২ জনকে গ্রেফতার করে র্যাব। ওই সময় গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, বারেক সরকার ওরফে বারেক হাজী তাদের গুরু এবং মূল হোতা। তারা দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অফিস ভাড়া করে প্রতারণার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। প্রাপ্ত এসব তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব বারেক হাজীকে গ্রেফতার করতে মাঠে নামে।
গত ২৫ মে শনিবার রাতে র্যাব-৪ এর আভিযানিক দল রাজধানীর দারুসসালাম থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে প্রতারকচক্রের মূল হোতা বারেক সরকার ওরফে বারেক হাজীকে তার চার সহযোগীসহ গ্রেফতার করে। একই সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, একটি ম্যাগজিন ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। অস্ত্রের কোনো বৈধ কাজগজপত্রও দেখাতে পারেননি বারেক।
গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় এক বা একাধিক প্রতারণার মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- (১) মো: বারেক সরকার ওরফে বারেক হাজী (৬৩), জেলা- কুমিল্লা । (২) মো: হাবিবুর রহমান (২৪), জেলা- যশোর, (৩) মো: জাকির হোসেন (৫৮), জেলা- কুমিল্লা, (৪) মো: আক্তারুজ্জামান (২৮), জেলা- ভোলা ও (৫) মো: শাহরিয়ার তাসিম (১৯), জেলা- বরিশাল। তাদের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
তাদের জিজ্ঞাসাবাদে সংগঠন ও প্রতারণার কৌশল সম্পর্কে প্রতারকরা জানায়, তারা ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন গ্রুপ তৈরী করে অফিস ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন কৌশলে মানুষের কাছ থেকে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিল।
গত ২ মার্চ প্রতারকচক্রের সদস্যদের গ্রেফতারের পর বারেক হাজী তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন নম্বর বন্ধ করে গ্রেফতার এড়ানোর লক্ষ্যে আত্মগোপনে চলে যায়। দীর্ঘ ৪৩ বছর প্রতারণা জীবনে তিনি প্রতারণা করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তার নিজের দুই সন্তান মেহেদী হাসান হাবিব এবং আল-আমিন সরকার রাজসহ তার ভাগিনা শাহাদাৎ হোসেন তার প্রতারণাচক্রের অন্যতম সদস্য। তারাও গত ২ মার্চ গ্রেফতার হয়। প্রতারণার মাধ্যম তিনি কোটি কোটি টাকা অবৈধ ভাবে উপার্জন করে ঢাকা শহরে নিজের নামে ফ্ল্যাট, গাড়ি, গ্রামের বাড়ি কুমিল্লাতে জমি-জমাসহ অঢেল সম্পত্তি মালিক হন।
জানা যায়, ১৮ বছর বয়সে বারেককে সৌদি আরব পাঠিয়ে দেয় তার বাবা। কিন্তু সেখানে গিয়ে তিনি তার জীবন প্রতিষ্ঠা লাভ করতে না পারায় প্রতারণার নতুন নতুন কৌশল আয়ত্ত করে মাত্র দুই বছর প্রবাস জীবন শেষ করে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো পেশায় আত্মনিয়োগ না করে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের বিভিন্ন কলাকৌশল শুরু করে। প্রতারণার কাজে তার তীক্ষ্ণ দক্ষতা, সুচিন্তিত কর্মকৌশল ও কর্ম পরিকল্পনা অল্প দিনের মধ্যে তাকে বিরাট সাফল্য এনে দেয়। দিনে দিনে তিনি তার প্রতারণার সাম্রাজ্যের পরিধি ও প্রতারণার কৌশল বাড়াতে থাকেন। এক পর্যায়ে প্রতারণার একটি সংগঠন তৈরী করেন। যার মূল উদ্দেশ্য ছিল, সাধারণ মানুষকে ঠকিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করা। তার গ্রুপের প্রতিটি সদস্য অত্যন্ত সু-কৌশলে মানুষের সাথে প্রতারণার কাজটি ভালোভাবে করতে পারতো।
ঢাকায় প্রতারক চক্রের সদস্যরা তার প্রতারণার সফল কর্মকৌশল ও মানুষকে প্রতারণা করার নিত্যনতুন অভিনব কৌশল সৃষ্টি করার কারণে তাকে গুরু বা সম্রাট বলে মান্য করে। তারা নিজেদেরকে বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত করে এবং এক একটি গ্রুপে সাধারণ পাঁচটি স্তরে সদস্য থাকে। স্তরগুলো হচ্ছে- সাব-ব্রোকার, ব্রোকার, ম্যানেজার, চেয়ারম্যান (অফিস প্রধান) ও বস।
প্রতারণার কৌশল হিসেবে তিনি এবং তার সংগঠনটি বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। বারেক এবং তার সংগঠনের সদস্যরা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি, বেসরকারি কর্মকর্তাদের অবসরের আগে থেকেই টার্গেট করে। প্রতারক চক্র তাদের কোম্পানিতে টার্গেটকৃতদের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের অফিসে নিয়ে আসে এবং প্রতিষ্ঠানের শেয়ারহোল্ডার হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করে। অফিস কর্মকর্তাদের চালচলন, ব্যবহার ইত্যাদিতে অভিভূত হয়ে ওই কর্মকর্তারা তাদের অবসরকালীন প্রাপ্ত সমুদয় টাকা সরল বিশ্বাসে বিনিয়োগ করেন এবং বিনিয়োগের কয়েক দিনের মধ্যেই প্রতারকদের অফিস এবং অফিস কর্মকর্তারা উধাও হয়ে যায়।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকার তাঁত ব্যবসার সাথে জড়িত ব্যবসায়ীদেরকে কয়েক কোটি টাকার অর্ডারের ফাঁদে ফেলে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৪০-৫০ হাজার টাকার স্যাম্পল নেয় এবং কয়েক কোটি টাকার মালামাল তৈরীতে যে পরিমাণ কাঁচামাল প্রয়োজন (সুতা, রং ইত্যাদি) তা সরবরাহের কথা বলে অগ্রিম হিসেবে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।
আবার দেশের বিভিন্ন এলাকায় আর্থিকভাবে সচ্ছল ব্যক্তিদের জমি বা নির্মাণাধীন ভবনের উপর ইন্টারনেট টাওয়ার স্থাপনের প্রলোভন দিয়ে ওই ভবন মালিকের নিকট থেকে সুকৌশলে বিভিন্ন অজুহাতে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎ করে তারা।
একইভাবে ঢাকার বাইরে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় আর্থিকভাবে সচ্ছল ব্যক্তিদের বাসায় এবং তার এলাকার মাদরাসা, মসজিদে এনজিওর পক্ষ থেকে বিনা খরচে সৌর প্যানেল বসানোর কথা বলে বারেক হাজী এবং তার সংগঠনটি সুকৌশলে বিভিন্ন অজুহাতে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎ করে।
ইট, পাথর, রড, সিমেন্ট, গার্মেন্টস, চাল, থাই, অ্যালুমিনিয়াম, সোলার প্যানেল অর্ডারের ফাঁদে ফেলে এবং অর্ডারের চুক্তিপত্র করে অগ্রিম বাবদ লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিত তারা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংবাদ প্রকাশের কারণেই কি খুন হলেন ফাগুন?

মঙ্গলবার রাতে ইহসান ইবনে রেজা ফাগুন নামের তরুণ সাংবাদিকের লাশ উদ্ধার করে রেলওয়ে থানা পুলিশ। ফাগুন অনলাইন নিউজপোর্টাল প্রিয় ডটকমে কাজ করতেন। রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্র ছিলেন তিনি। তার বাবা কাকন রেজা এনটিভির শেরপুর জেলা প্রতিনিধি।
ফাগুনের মাথায় আঘাতের চিহ্ন এবং গলা ফোলা ছিল। তা থেকে পুলিশের ধারণা, তাকে হয়ত গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে।
পুলিশ বলছে, ২১ মে মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে রেললাইনের পাশে ফাঁকা জায়গায় একটি ছেলেকে পড়ে থাকতে দেখে এগিয়ে আসেন গ্রামবাসী। তখনও দেহে প্রাণ ছিল। গ্রামবাসী তাকে উদ্ধার করে মাথায় পানিও দিয়েছে। কিন্তু বেশিক্ষণ বাঁচিয়ে রাখা যায়নি। মৃত্যুর আগে কিছু বলেও যেতে পারেনি ফাগুন। মাথায় আঘাতের কারণে তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। তবে মৃত্যু সেই রক্তক্ষরণের কারণেই হয়েছে, নাকি গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে, সেটি পোস্টমর্টেম রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না।
প্রিয় ডটকম ছেড়ে ঈদের পরই জাগো নিউজে যোগদানের কথা ছিল ফাগুনের। মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় এসে জাগো নিউজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দেখা করে চাকরি চূড়ান্ত করেছেন তিনি। ওই দিনই ট্রেনে করে গ্রামের বাড়ি শেরপুরে যাচ্ছিলেন। পথের মধ্যে মিলল তার লাশ। শুক্রবার এই ঘটনায় জামালপুর থানায় একটি হত্যা-মামলা হয়েছে। কাকন রেজার দুই ছেলের মধ্যে ফাগুন ছিল বড়। নিজের বড় ছেলে মেধাবী ও বিনয়ী ছিল বলে জানান কাকন রেজা।
মৃত্যুর নেপথ্যে কি সেই সংবাদ?
ফাগুনের বাবা কাকন রেজা বলেন, ‘‘প্রিয় ডটকমের ইংরেজি বিভাগে কাজ করত ফাগুন। মাঝে মধ্যে বাংলায়ও রিপোর্ট লিখত, যদিও তার পদবী ছিল সহ-সম্পাদক। কিছুদিন আগে একটি ডেভেলপার কোম্পানির বিরুদ্ধে সংবাদ লিখেছিল ফাগুন। ওই সংবাদের পর ডেভেলপার কোম্পানি তাকে হুমকি দিয়েছিল। এমনকি আপোষের প্রস্তাবও দিয়েছিল। ফাগুনকে নেপাল ভ্রমণের খরচ ও একটি আইফোন টেন কিনে দিতে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু ফাগুন সেই প্রস্তাবে রাজি হননি। পরে প্রিয় ডটকম কর্তৃপক্ষের মধ্যস্থতায় সমঝোতা হয়। সেখানে ডেভেলপার কোম্পানির এমডি এসে ক্ষমাও চেয়েছিলেন। এমনিতে ফাগুনের কোনো শত্রু ছিল না। তবে আমার নিজের সাংবাদিকতার কারণে কেউ আমার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ছেলেকে হত্যা করে থাকতে পারে। কারণ, পারিবারিক কোনো শত্রুতাও ছিল না আমার পরিবারে।’’
কী ছিল সেই রিপোর্টে? ঘটনাটিই বা কী ছিল? জানতে চাইলে প্রিয় ডটকমের সম্পাদক জাকারিয়া স্বপন বলেন, ‘‘ওই ঘটনা তো ৮ থেকে ১০ মাস আগের। ডেভেলপার কোম্পানির মালিক নিজে এসে ক্ষমা চেয়ে গেছেন। পরে আমরা রিপোর্টটি প্রত্যাহার করে নেই। বাংলাদেশে সবকিছুই হতে পারে। তবে ওই নিউজের কারণে এতদিন পর এসে হত্যাকাণ্ড, সেটা ঠিক আমার কেমন যেন লাগছে।
কারণ, ওই রিপোর্টের কারণে ডেভেলপার কোম্পানির কোনো জমি বাতিল হয়নি, তাদের তেমন কোনো ক্ষতিও হয়নি, তাহলে কেন তারা এমন করবে? তারপরও আমি বিষয়টি আরো ভালোভাবে খতিয়ে দেখবো?'' কোম্পানিটির নাম জানতে চাইলে স্বপন বলেন, ‘‘যেহেতু ওই কোম্পানির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি, তাই এই মুহূর্তে আমি তাদের নাম বলতে পারি না। যদি কখনো তাদের সংশ্লিষ্টতা আসে, তাহলে নাম বলবো।’’
কীভাবে ফাগুনের মৃত্যু?
জাগো নিউজে সাক্ষাৎকার দিয়ে মঙ্গলবারই শেরপুরে ফিরছিলেন ফাগুন। বেলা ৪টার দিকে শেরপুরগামী একটি ট্রেনে ওঠেন তিনি। তখনও বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। রাত ৮টায় সর্বশেষ কথা হয়েছে।
তখন তিনি বাবাকে জানান, ময়মনসিংহের কাছাকাছি আছেন। এরপরই ফাগুনের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কোনোভাবেই ছেলের সন্ধান পাচ্ছিলেন না কাকন রেজা। বুধবার সকালে তিনি ময়মনসিংহের কোতোয়ালি থানায় একটি জিডি করেন। পুলিশ ফাগুনের মোবাইল ফোনের অবস্থান শনাক্ত করে দেখে সর্বশেষ তার অবস্থান ছিল ময়মনসিংহের একটি গ্রামে। কিন্তু ওই জায়গায় ফাগুনের যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। পরে বুধবার সন্ধায় জামালপুরে অজ্ঞাত পরিচয় লাশের সন্ধান পাওয়ার কথা জেনে কাকন রেজা গিয়ে দেখেন সেটি তার ছেলের লাশ।
জামালপুর রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাপস চন্দ্র পণ্ডিত বলেন, ‘‘গ্রামবাসী আমাদের খবর দেয়, জামালপুরের নুরুন্দি এলাকায় রেললাইনের পাশে এক তরুণকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। এর কিছুক্ষণের মধ্যে তার মৃত্যু হয়।’’
মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তাপস চন্দ্র পণ্ডিত বলেন, ‘‘লাশ দেখে মনে হচ্ছে, কয়েকভাবে তার মৃত্যু হতে পারে। প্রথমত ট্রেন থেকে কেউ তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে পারে। অন্য জায়গায় হত্যার পর লাশ নুরুন্দি এলাকায় রেখে যেতে পারে। কারণ ওই এলাকাটি অনেকটাই ফাঁকা। মানুষের চলাচল অনেক কম। আর রাতের বেলায় তো কেউ ওখানে যায়ই না।’’
রেলওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ
ফাগুনের বাবা কাকন রেজা অভিযোগ করেছেন, ‘‘মঙ্গলবার রাত ১২টায় লাশ উদ্ধারের পর বুধবার দুপুরের পর থেকেই লাশটি অজ্ঞাত পরিচয় হিসেবে দাফনের চেষ্টা শুরু করে রেলওয়ে থানা পুলিশ। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেসটিগেশন (পিবিআই)-র বিরোধিকার কারণে তারা তা করতে পারেনি। তাদের এই তড়িঘড়ি দেখে আমার সন্দেহ হয় এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রেলওয়ে পুলিশের কোনো-না-কোনো যোগসূত্র থাকতে পারে।’’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামালপুর রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি তাপস চন্দ্র পণ্ডিত বলেন, ‘‘বুধবার সকালে জামালপুর সদর হাসপাতালে লাশের ময়নাতদন্ত হয়েছে। আমি নিজে পিবিআইকে ডেকে এনেছি ছেলেটির ফিঙ্গার প্রিন্ট নেওয়ার জন্য। কারণ, আমরা যেসব লাশ উদ্ধার করি, তার সবগুলোর ফিঙ্গার প্রিন্ট রেখে দেই, যাতে এনআইডি সার্ভারের সঙ্গে মিলিয়ে পরে দরকার হলে পরিচয় জানা যায়। সব কার্যক্রম শেষে আমরা লাশটি আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের কাছে দেওয়ার উদ্যোগ নিই। কারণ, জামালপুর সদর হাসপাতালে লাশ সংরক্ষণের জন্য রেফ্রিজারেটরের কোনো ব্যবস্থা নেই। ২৪ ঘণ্টা গেলে লাশ ফুলে ওঠে, গন্ধ ছড়াতে থাকে। ফলে এভাবেই আমরা কাজটি করি। তারপরও বুধবার সন্ধ্যায় পিবিআই-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কাছে আমি জানতে পারি, শেরপুরের একজন সাংবাদিকের ছেলে মিসিং আছে। তখন তার কাছ থেকে কাকন রেজার নম্বর নিয়ে আমি নিজেই তাকে ফোন করি।
তিনি ভাইবারে আমাকে ছবি পাঠাতে বলেন, আমি সেটাও পাঠিয়েছি। এরপর তিনি নিশ্চিত করেন যে লাশটি তার ছেলে। তিনি এসে লাশ শনাক্ত করেন। তার ছেলের লাশ অজ্ঞাত হিসেবে দাফন করে আমাদের লাভ কী? বরং আমি নিজে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে ছেলের লাশের সন্ধান দিয়েছি।’’
সাংবাদিক হত্যার বিচারে গড়িমসি
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনিসহ এ পর্যন্ত কোনো সাংবাদিক হত্যারই বিচার হয়নি। এই বিচারের ক্ষেত্রে গড়িমসির অভিযোগ অনেক দিনের। একইভাবে তরুণ সাংবাদিক ফাগুনের বিচারও কি পাবে তার পরিবার?
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)-র সাধারণ সম্পাদক সাবান মাহমুদ বলেন, ‘‘যুগ যুগ ধরে সাংবাদিকরা সংবাদ প্রকাশের কারণে কখনো সরকারের, কখনো প্রভাবশালীদের রক্তচক্ষুর শিকার হয়েছেন। অনেককে জীবন দিতে হয়েছে। সব ক্ষেত্রেই আমরা সরকারের গাফিলতি দেখেছি। আবার সাংবাদিকদের নেতা হিসেবে আমি বলতে পারি, আমাদের দায়ও কম নয়। আমরা হয়ত সেই ধরনের আন্দোলন গড়ে তুলতে পারিনি বা সরকারকে বাধ্য করতে পারিনি। তবে যেখানে সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না, সেখানে সরকার দুর্বল হয়ে পড়ে। গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্থ হয়।’’ ডয়েচে ভেলে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২২ গজে বিশ্বযুদ্ধ by ইশতিয়াক পারভেজ

ওয়েলসের রাজধানী কার্ডিফের টাফ নদীর পশ্চিম তীরে ও কার্ডিফ আর্মস পার্কের উত্তরে অবস্থিত সোফিয়া গার্ডেন স্টেডিয়াম। লেডি সোফিয়া রডন-হ্যাস্টিংসের নামানুসারে এই স্টেডিয়ামের নামকরণ করা হয়েছিল। টাইগারদের বিশ্বকাপ যাত্রার প্রস্তুতি শুরু হয় দুই প্রতিবেশীর বিপক্ষে লড়াই দিয়ে। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ অবশ্য ভেসে গিয়েছিল বৃষ্টিতে। তবে ২৮শে মে ভারতের বিপক্ষে হার দিয়েই শুরু হয়েছে টাইগারদের মাঠের লড়াই। তবে এই হার যেন মঙ্গল যাত্রার ইঙ্গিত। ২০১৫ অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপে ৪টি প্রস্তুতি ম্যাচেই হার দেখেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেখানে মূল পর্বে একের পর এক জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে মাশরাফি বাহিনী। যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে টাইগারদের সেরা সাফল্য। এবার অবশ্য একেবারেই ভিন্ন ফরমেটে খেলা। ১০ দলের বিশ্বকাপের রাউন্ড রবিন লীগে টাইগারদের প্রতিপক্ষ ৯ দল। আগামী ২রা জুন লন্ডনের দ্য ওভাল ভেন্যুতে বাংলাদেশ দলের প্রথম ম্যাচ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। যারা বিশ্বের অন্যতম ক্রিকেট শক্তি হলেও এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ ট্রফির মুখ দেখেনি। এরপর একই স্টেডিয়ামে ৫ই জুন বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচে প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। এখন পর্যন্ত ট্রফি না জেতা এই দলটির বিপক্ষেও দুর্দান্ত বাংলাদেশ।
সেখান থেকে ফের ওয়েলসের কার্ডিফে। যেখানে ২০০৫ থেকে এখন পর্যন্ত দুটি আন্তর্জাতিক ম্যাচেই জিতেছে বাংলাদেশ। যদিও এবার ভারতের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে এখানে মিলেছে হার।
এই ভেন্যুতে টাইগারদের প্রতিপক্ষ বিশ্বকাপের আয়োজক ইংল্যান্ড। ৮ই জুন নিজেদের মাঠে তারা বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নামবে দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে। গত দুই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে হারের স্মৃতি ইংলিশদের। ২০১১’র বিশ্বকাপে চট্টগ্রামে বাংলাদেশের কাছে হার দেখে ইংল্যান্ড। আর অস্ট্রেলিয়ায় ২০১৫ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কাছে হার নিয়ে আসরের প্রথম পর্ব থেকেই ছিটকে পড়ে ইংল্যান্ড। তবে এবার নিজেদের মাটিতে সেই ইতিহাস পরিবর্তনে মরিয়া তারা। শুধু তাই নয় ইংলিশদের ক্রিকেটের জনক বলা হলেও এখন পর্যন্ত তাদের ভাগ্যে জোটেনি বিশ্বকাপের মুকুট। তাই বলার অপেক্ষা রাখে না ইংলিশরা নিজেদের মাটিতে এবার সেই সোনার হরিণ ধরে রাখতে কতটা মরিয়া থাকবে।
তাই প্রথম তিন ম্যাচেই মাশরাফির দলের সামনে অপেক্ষা করছে কঠিন চ্যালেঞ্জ।
এরপর একে একে বাংলাদেশ দলের প্রতিপক্ষ ১১ই জুন ব্রিস্টলে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন প্রতিবেশী দল শ্রীলঙ্কা। তবে এবার লঙ্কানদের চেয়ে বাংলাদেশ অনেকটাই এগিয়ে। এই ম্যাচ জিতে নেয়ার দারুণ সুযোগ টাইগারদের সামনে। ১৭ই জুন টন্টনে টাইগারদের প্রতিপক্ষ ১৯৭৫ ও ১৯৭৯ তে টানা দুইবারের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবীয়দের সেই ক্রিকেট জৌলুস আর নেই। কিন্তু তাদের দানবীয় ব্যাটিং যে কোনো দলকে চুরমার করে দিতে পারে। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচেই নিউজিল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে দিয়ে ৫০ ওভারে তাদের সংগ্রহ পৌঁছে ৪২১ রানে। তবে বিশ্বকাপের আগমুহূর্তে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের বিপক্ষে ক্যারিবীয়রা হার দেখেছে ফাইনাল পর্যন্ত টানা ৩ ম্যাচে। যদিও তাদের বিশ্বকাপ দলে অনেক পরিবর্তন। দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন ক্রিস গেইল, আন্দ্রে রাসেল, এভিন লুইসের মতো তারকারা। তাই ইংল্যান্ডের মাটিতে সহজ হবে না ক্যারিবীয়রা।
এরপরই আবারো কঠিন চ্যালেঞ্জে পড়বে টাইগাররা। কারণ ২০শে জুন নটিংহ্যাম এ প্রতিপক্ষ ১৯৯৭, ১৯৯৯, ও ২০০৭ ও ২০১৫ পর্যন্ত ৪ বার বিশ্বকাপ ট্রফি জিতে নেয়া শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া। ঠিক তার এক দিন পর ২২শে জুন বাংলাদেশ দলের প্রতিপক্ষ ভারত। উপমহাদেশের অন্যতম ক্রিকেট শক্তি ভারত প্রথম বিশ্বকাপ জিতে নিয়েছে ১৯৮৩ তে। কিন্তু এরপর তাদের বিশ্বের শ্রেষ্ঠত্ব ফিরে পেতে অপেক্ষা করতে হয় ২০১১ পর্যন্ত। সেবার নিজেদের ঘরের মাঠে তারা ফের বিশ্বকাপ জয়ের মুকুট পরে। এরপর ২৪শে জুন বাংলাদেশ দলের আরেক জয়ের লক্ষ্য আফগানিস্তান। আর লর্ডসে শেষ ম্যাচে প্রতিপক্ষ ১৯৯২’র বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তান। তবে তার আগেই যদি নিজেদের জয়ের লক্ষ্য অর্জন হয় তাহলে পাবে সেমিফাইনালের রাস্তা। সেই পথ ধরেই স্বপ্ন সত্যি হতে পারে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলা। তাতেই বৃটিশ সাম্রাজ্যে হতে পারে বাংলার মহোৎসব।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
May
(416)
-
▼
May 30
(28)
- ফুসফুস রক্ষায় তামাক পণ্যের দাম বাড়ানোর দাবি
- ফিলিস্তিনিরা এখন পাথর নয়, রকেট ছোঁড়ে: রুহানি
- মক্কা বৈঠকের প্রস্তুতি নিতে বোল্টনের মধ্যপ্রাচ্য স...
- রাস্তায় মারা যান ৫০ জনের বেশি মা by শিশির মোড়ল
- রাহুল আজ মোদীর মুখোমুখি
- মেঘ-বৃষ্টিতে পাকিস্তানের রাডার কাজ করবে না ভেবে বা...
- হাসিনা-আবে বৈঠক: ২৫০ কোটি ডলারের সহায়তা চুক্তি সই
- গোপন অস্ত্রে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ডোবাতে পারে ইরান
- রঙ লাগিয়ে ঈদে সড়কে নামছে লক্করঝক্কড় বাস by মারুফ ক...
- রাজমিস্ত্রি সেজে অপরাধী ধরলেন এসআই
- শান্তির জন্য বিদেশি সেনাদের অবশ্যই আফগানিস্তান ছাড়...
- আমানত ফেরত দিতে পারছে না পিপলস লিজিং by দীন ইসলাম ...
- ধানের দাম নেই, চালে ছাড় নেই
- ফের ভাইরাল শাহরুখকন্যার ছবি
- কার স্বার্থে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের দামামা?
- পাঁচ বছরের গ্যারান্টিতে রাস্তা, নষ্ট হলে ঠিক করে দ...
- ইরানের 'হুমকি' ঠেকাতেই সৌদির কাছে অস্ত্র বিক্রি?
- গুদামে ধান বিক্রিতেও প্রভাবশালীদের থাবা
- বারেকের প্রতারণার অভিজ্ঞতা ৪৩ বছরের
- সংবাদ প্রকাশের কারণেই কি খুন হলেন ফাগুন?
- ২২ গজে বিশ্বযুদ্ধ by ইশতিয়াক পারভেজ
- ইফতার নিয়ে খালেদা জিয়া অসন্তুষ্ট হলে ব্যবস্থা নেব:...
- বছরে খরচ বাড়ছে ১ টাকা, দাম কমছে ৬ টাকা by ইফতেখার ...
- রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে বাংলাদেশকে জাপানের পূ...
- রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান নিয়ে হাসিনা-আবের আলোচনা
- ঈদের আগে নিখোঁজ স্বজনদের ফেরত চান তারা
- এভারেস্টে লাশ ও ৫ টন আবর্জনা
- ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি না দেয়ায় মুসলিম যুবকের ওপর হামল...
-
▼
May 30
(28)
-
▼
May
(416)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



