Wednesday, June 12, 2019
বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সঙ্কুচিত হয়েছে -ফ্রিডম হাউজের প্রতিবেদন

বাংলাদেশের বিষয়ে এই প্রতিবেদনে বলা হয়, এদেশের গণমাধ্যম খুব বেশি স্বাধীন নয়। এতে চিত্রগ্রাহক শহিদুল আলমকে গ্রেপ্তারের কথা উল্লেখ করা হয়।
বলা হয়, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের খবর প্রচার করায় ও তাদের পক্ষে কথা বলায় শহিদুল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বাংলাদেশে ব্লগার হত্যা ও তাদের লেখালেখির ওপর কড়াকড়ির সমালোচনা করেছে ফ্রিডম হাউজ। সংস্থাটির দাবি, বাংলাদেশের সাংবাদিকরা সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা হারানো, গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের ভয়ে সেলফ-সেন্সরশিপের দিকে ঝুঁকে পড়ছে।
ফ্রিডম হাউজের গবেষণা ও বিশ্লেষণ বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক সারাহ রেপুচ্চি গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে নিম্নমুখী রাস্তার সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি এ গবেষণায় উঠে আসা প্রধান দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন। এতে তিনি লিখেছেন, গত এক দশকে বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা উল্লেখযোগ্য মাত্রায় সংকুচিত হয়েছে। বিশ্বের প্রভাবশালী গণতন্ত্রগুলোতে পপুলিস্ট নেতাদের উত্থান হয়েছে। যারা মুক্ত গণমাধ্যমের গলা চিপে ধরছে।
তবে, বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা শুধু সংকুচিতই হয়নি কিছু দেশে এ অবস্থার উন্নতিও লক্ষ্য করা গেছে বলে জানিয়েছে ফ্রিডম হাউজ। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে- ইথিওপিয়া, মালয়েশিয়া, আর্মেনিয়া, ইকুয়েডর ও গাম্বিয়া। এই ৫টি দেশকে অন্ধকারে আলোর পথযাত্রী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সারাহ রেপুচ্চি। এ ছাড়া, আরব বসন্তের পর মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা পূর্বের তুলনায় বেড়েছে বলে জানিয়েছে ফ্রিডম হাউজ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বে কর্তৃত্ববাদী সরকার ও প্রভাবশালী মহলের চাপেই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা দিনদিন হুমকির মুখে পড়ছে। সাংবাদিকরা নানান ধরনের বাধার মুখোমুখি হচ্ছেন। তাদের ওপর গ্রেপ্তার ও নির্যাতন বাড়ছে বলেও জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। তবে দুর্বল গণতন্ত্র ও নতুন গণতন্ত্রের দেশগুলোতে সবথেকে বেশি চাপের মুখে রয়েছেন তারা। এ ছাড়া চীন ও আফ্রিকার কয়েকটি দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে শোচনীয় বলে উল্লেখ করেছে ফ্রিডম হাউজ। তাদের তালিকায় চীন পেয়েছে শূন্য পয়েন্ট। সংস্থাটির দাবি, চীন ও আফ্রিকার কয়েকটি দেশের সরকার তাদের গণমাধ্যমগুলোকে নিজস্ব মতামত চাপিয়ে দিচ্ছে। চীনে সরকারের মতবাদ প্রকাশে সাংবাদিকদের ওপর চাপ দেয়া হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে এ প্রতিবেদনে। এ ছাড়া চীনের প্রতি সংবাদ সেন্সরের অভিযোগও আনে ফ্রিডম হাউজ।
ইউরেশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোর বিষয়ে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের তুলনায় এ অঞ্চলের দেশগুলোতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ১১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাংবাদিকদের নানা সুবিধা থাকা সত্ত্বেও তারা কিছুটা চাপ অনুভব করেন বলে এই প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়। এ নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা জরুরি -ঢাকা সফর শেষে ইইউ’র বিশেষ দূতের বিবৃতি

বাংলাদেশ এ অঞ্চলে ইইউ’র জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দেশ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষ দূত গিলমোরকে উদ্বৃত করে বলা হয়-তিনি বলেছেন, আমি এখানে এসে কক্সবাজারে থাকা রোহিঙ্গাদের অবস্থা সরজমিনে দেখেছি, তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। একই সঙ্গে তাদের যারা আশ্রয় দিয়েছেন সেই হোস্ট কমিউনিটির (স্থানীয় বাংলাদেশীদের) সঙ্গে কথা বলেছি।
তাদের আশ্রয় এবং ভরনপোষণে বাংলাদেশ যা করছে এ জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এ দেশের প্রতি কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এ সংকট মোকাবিলায় কাজ করছে। ঢাকায় আমি মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যুতে বিস্তৃত পরিসরে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা করেছি, কথা বলেছি, যার অন্যতম হচ্ছে মৌলিক শ্রমমান।
এ ইস্যুতে বাংলাদেশের জরুরি ভিত্তিতে আরও অনেক কিছু করার প্রয়োজন আছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- ইইউ প্রতিনিধি গিলমোর বৈঠক করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, ভারপ্রাপ্ত জাতিসংঘ দূত, আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর, ইউএনএইচসিআর, আইওএম, ইউএনডিপি, ইউনিসেফ, ইউএনএফপিএ, ইউএন উইমেন কান্ট্রি ডিরেক্টরগণ এবং একই সঙ্গে এনজিও এবং ট্রেড ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন এবং তাদের সঙ্গে মতবিনিময় ছাড়াও রিফিউজি রিলিফ এবং প্রত্যাবাসন কমিশনারের সঙ্গে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- প্রতিনিধি দলটি কক্সবাজারে অস্থায়ী আশ্রয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের দেখার পর এবার মিয়ানমার সফরে যাচ্ছেন। সেখানে দেশটির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাদের আলোচনা হবে। ঢাকা সফরের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়-ইইউ প্রতিনিধি এখানে আইনের শাসন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচন, মত প্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সভা-সমাবেশ করার অধিকার, নারী ও শিশুর অধিকার, মানবাধিকার বিষয়ে জাতিসংঘের সহযোগিতা, সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং পার্বত্য শান্তি চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তৃত পরিসরে আলোচনা করেছেন।
বাংলাদেশের শ্রম ও মানবাধিকার পরিস্থিতি ইইউ ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণে রেখেছে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- বাংলাদেশ ও ইইউ’র সম্পর্কে শ্রম এবং মানবাধিকার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। একই সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্কও। রোহিঙ্গা পরিস্থিতিও আলোচনা হয়েছে জানিয়ে ইইউ’র সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে- ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশকে এ সংকট মোকাবিলায় অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। ২০১৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় হতদরিদ্রদের জন্য ১০৪ মিলিয়ন ডলারের বেশি ফান্ড সরবরাহে সহায়তা করেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র না মার্কিন যুদ্ধবিমান, কোনটি নেবে তুরস্ক?
![]() |
| রাশিয়ার তৈরি এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র |
ওই চিঠিতে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন- তুরস্ক একই সাথে দুটি অর্থাৎ আমেরিকার এফ-৩৫ অত্যাধুনিক জেট ফাইটার এবং রাশিয়ার এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেম পেতে পারে না।
উল্লেখ্য, রাশিয়ার এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের মধ্যে কয়েকমাস ধরেই টানাপড়েন চলছে। আমেরিকার যুক্তি হল- রাশিয়ার প্রযুক্তি ন্যাটোর প্রতিরক্ষা পদ্ধতির জন্য হুমকি বরং যুক্তরাষ্ট্র খুশী হবে যদি তাদের প্যাট্রিয়ট এন্টি এয়ারক্রাফট সিস্টেম ক্রয় করে তুরস্ক।
তুরস্ক যদিও ইতোমধ্যেই একশ এফ-৩৫ যুদ্ধ বিমান কিনতে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে এবং এফ-৩৫ কর্মসূচীতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করেছে। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বোমারু বিমানগুলোর যন্ত্রাংশ তৈরি করবে তুর্কি কোম্পানিই।
তুরস্ককে কী পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে?
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শানাহান ওই চিঠিতে বলেছেন যে, রাশিয়ার এস-৪০০ প্রযুক্তির ওপর প্রশিক্ষণ নিতে তুরস্কের লোকবল রাশিয়ায় যাওয়ার খবরে যুক্তরাষ্ট্র 'অসন্তুষ্ট'।
"এস-৪০০ গ্রহণ করলে তুরস্ক এফ-৩৫ পাবে না। এখনো সময় আছে এস-৪০০ এর বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের।"
এদিকে প্রথম চারটি এফ-৩৫ ইতোমধ্যেই তুরস্ককে হস্তান্তরের কথা থাকলেও সেগুলো এখনো তুরস্কের হাতে দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র।
তবে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান মঙ্গলবার বলেছেন, এস-৪০০ চুক্তি এগিয়ে নিতে তাদের মনোভাব দৃঢ়। তিনি বলেন, "দুঃখজনকভাবে এখনো কোনো ইতিবাচক প্রস্তাব আসেনি যুক্তরাষ্ট্রের নিকট থেকে।"
ন্যাটো জোটে তুরস্ক দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশগ্রহণকারী দেশ।
ওদিকে রাশিয়ার কর্মকর্তারা বলছেন, দুই মাসের মধ্যে এস-৪০০ তুরস্ককে দেয়া শুরু করবে রাশিয়া।
এস-৪০০ মিসাইল প্রযুক্তি কী?
এস-৪০০ প্রযুক্তি 'ট্রিউমফ' হল বর্তমান বিশ্বে ভূমি থেকে আকাশে মিসাইল নিক্ষেপের সবচেয়ে উন্নততর প্রযুক্তি। এটার আওতা হচ্ছে ৪০০ কিলোমিটার এলাকা। একটি এস-৪০০ প্রযুক্তি দিয়ে একনাগাড়ে ৮০টি লক্ষ্যে আঘাত করা যায়।
রাশিয়া জানিয়েছে, স্বল্প উচ্চতার ড্রোন থেকে শুরু করে যেকোন উচ্চতায় বিমান এবং দূরপাল্লার মিসাইলে আঘাত হানতে সক্ষম এই প্রযুক্তি। সূত্র : বিবিসি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গর্ভের সন্তানের পিতৃত্বের দাবিতে দুই স্বামীর লড়াই

গোয়ালদি গ্রামের জনৈক লাল মোল্যার ছেলে হেলাল মোল্যা জানান, গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর তার সাথে একই গ্রামের আলমগীর কাজির মেয়ে নাজমা বেগমের শরিয়ত সম্মতভাবে বিয়ে হয়। বর্তমানে তার স্ত্রী গর্ভবতী। অবশ্য হেলাল অভিযোগ করেন, বিয়ের কিছুদিন পর আমার অনুপস্থিতিতে আমার স্ত্রী তার বাবা ও মাকে সাথে নিয়ে আমার বাড়ী থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান মালামাল নিয়ে চলে যায়।
এদিকে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার জুনাসুর গ্রামের জনৈক বাদশা লস্করের ছেলে সাবু লস্কর দাবি করেন, নাজমার সাথে তার দশ বছর পূর্বেই বিয়ে হয়। তবে মাঝখানে তাদের মাঝে মনোমালিন্য হওয়ায় গত বছরের ৩০ আগষ্ট নাজমা তাকে তালাক দিয়ে হেলালকে বিয়ে করে। এরপর গত ১ মার্চ হেলালকে তালাক দেয়ার পর এখন নাজমা ও সে আবার দাম্পত্য জীবন শুরু করেছে নতুন করে।
এদিকে, বর্তমানে নাজমা বেগম গর্ভবতী। হেলাল মোল্যার দাবি, নাজমা বেগমের গর্ভে ৪ মাসের শিশু সন্তান রয়েছে যার পিতা আইনত সে-ই।
অপরদিকে, সাবু লস্কর জানান, তার স্ত্রীর গর্ভে ৩ মাসের শিশু সন্তান রয়েছে এবং সেই এই সন্তানের পিতা।
পারিবারিক আদালতে মিমাংসাযোগ্য এমন অপরাধ বা অভিযোগকে কেন্দ্রে করে মামলা জট বাড়ছে। সাবেক স্বামী হেলাল মোল্যা মালামাল চুরির অভিযোগে নাজমা বেগম ও তার সাবেক শ্বশুর-শ্বাশুরিকে আসামী করে গত ২১ এপ্রিল ফরিদপুরের সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি একটি মামলা দায়ের করেছেন।
অন্যদিকে, সাবেক স্বামী হেলাল মোল্যার বিরুদ্ধে নাজমা বেগমও নারী নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন সাবু লস্কর। তবে এসব ব্যাপারে নাজমা বেগম সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে চাননি।
এব্যাপারে পুরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সোবহান মিয়া বলেন, উদ্ভুত পরিস্থিতিতে সব মহলই বিব্রত। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আপোস মিমাংসার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই বিষয়টি মিমাংসা করতে পারবো বলে আশাবাদি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হিসাব কঠিন হয়ে গেল বাংলাদেশের by ইশতিয়াক পারভেজ

এখন বাকি পাঁচ ম্যাচ আমি বলতে চাই ওকে ওকে হারাবো এই সব চিন্তা না করে অস্ট্রেলিয়া, ভারত সহ সব দলের বিপক্ষে জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে হবে। কোনো দলকে ছাড় দেয়া চলবে না।
তাহলে যদি সেমিফাইনালে যাওয়া যায়। শ্রীলঙ্কাকে আমরা হারাতেই পারবো এমন কোনো কথা ছিল না। আমরা যেমন ওদের বিপক্ষে জয়ের লক্ষ্য ঠিক করেছিলাম তেমনি সব ম্যাচ সেইভাবেই খেলতে হবে। আর ইংল্যান্ডে বৃষ্টির উপর আসলে কারো হাত নেই। এতে আমাদের যেমন সমস্যা হয়েছে, অন্যদলেরও হবে। তাই নিজেদের মাঠের খেলা নিয়েই ভাবা উচিত।’
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আসলে বাংলাদেশের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের পথ খোঁজা শুরুর কথা ছিল। কিন্তু নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে জয় তুলে নেয় মাশরাফি বিন মুতর্জার দল। কিন্তু পরের দুই ম্যাচেই হেরে পিছনের পথ ধরতে হয়। তাই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে জয় হয়ে ওঠে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ম্যাচটি না হওয়াতে হতাশা এখন ছড়িয়েছে দর্শক থেকে শুরু করে টাইগারদের মধ্যেও। তবে প্রধান কোচ স্টিভ রোডস যা গেছে তা নিয়ে না ভেবে সামনে এগিয়ে যেতেই আগ্রহী। যদিও তিনি বলেন, ‘হ্যা, আমাদের জন্যতো খারাপই হলো। খুবই হাতাশার। আমাদের শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ থেকে ২ পয়েন্ট নেয়ার লক্ষ্য ছিল। কিন্তু তা পূরণ হয়নি। এখন আমাদে কি করার আছে যে পরিস্থিতিতে আমরা এক পয়েন্ট হারিয়েছি। এখন আর কি করা, এই ম্যাচ নিয়ে না ভেবে সামনে যেগুলো আছে তা নিয়ে ভাবতে হবে। বিশেষ করে পরবর্তি খেলায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জিততে হবে।’
গতকাল পর্যন্ত ৬ পয়েন্ট নিয়ে এই বিশ্বকাপে শীর্ষে আছে নিউজিল্যান্ড। আয়োজক ইংল্যান্ড ৪ পয়েন্ট নিয়ে আছে দ্বিতীয় স্থানে। সমান পয়েন্ট নিয়ে ভারত তৃতীয়, অস্ট্রেলিয়া চতুর্থ ও শ্রীলঙ্কা আছে ৫ম স্থানে। লঙ্কানদের ভাগ্য ভালোই বলতে হয়। এক ম্যাচ জিতেছে তারা। সেখানে ছিল ২ পয়েন্ট। তবে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বিপক্ষে তাদের ২ পয়েন্ট এসেছে এই ব্রিস্টলেই বৃষ্টির কল্যানে। বাংলাদেশের পরের ম্যাচ আগামী সোমবার টন্টনে। এতে প্রতিপক্ষ টাইগারদের সমান পয়েন্ট নিয়ে ৮ম স্থানে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাই এগিয়ে যেতে হলে এই ম্যাচে মাশরাফি বিন মুর্তজার দলকে জিততেই হবে। ম্যাচের আগের দিন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেছিলেন, এই ম্যাচ থেকে পুরো পয়েন্ট না পেলে অনেক কঠিন হয়ে যাবে বাংলাদেশের সমীকরণ। সেই চ্যালেঞ্জ নিয়েই এখন সামনে এগোতে হবে দলকে। তাই তিনি প্রার্থনা করেছিলেন যেন মাঠে যেন খেলা গড়ায়। তবে শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। এখন কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। বাশারের কথা মতে কোনো দলকে আর নির্দিষ্ট লক্ষ্য না বানিয়ে সেমিফাইনালের জন্য বাকি পাঁচ ম্যাচই জিততে হবে।
অন্যদিকে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ আরেকটি রেকর্ড হয়েছে। বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে কোনো বল মাঠে না গড়িয়েই পরিত্যক্ত হয়েছে। আসরে এ নিয়ে দুটি ম্যাচ বৃষ্টির কারণে টসের মুখ দেখার আগেই বাতিল হলো। বিশ্বকাপ ইতিহাসে আর কোনোবারই দুই ম্যাচ কোনো বল হওয়ার আগে বাতিল হয়নি। আর গতাকাল সংবাদ সম্মেলনে উঠে আসে রিজার্ভ ডের বিষয়টি। এ নিয়ে আয়োজকদের নিয়ে চলছে নানা আলোচনা সমালোচনাও।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুর্তজার মৃত্যুদণ্ড ঠেকাতে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সোচ্চার মানবাধিকারকর্মীরা

আরবের দুর্নীতিপ্রবণ ও জনবিরোধী শাসকদের বিরুদ্ধে যখন বসন্তের ঢেউ খেলে গিয়েছিল, সে সময় সৌদি রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিল ১০ বছর বয়সী শিশু মুর্তজা কুরেইরিস। বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে নিরস্ত্র অবস্থায় সাইকেল নিয়ে অহিংস প্রতিবাদে নেমেছিল সে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন সম্প্রতি তাদের এক বিশেষ অনুসন্ধানের মাধ্যমে জানতে সক্ষম হয়, সুদীর্ঘ নিপীড়ন ও নির্যাতনের মধ্য দিয়ে তার মিথ্যা স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছে। সবশেষে শান্তিপূর্ণ সরকারবিরোধিতার শাস্তি হিসেবে ওই শিশুর মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষিত হয়েছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলছে, তাকে ‘বিচারিক হত্যা’র বলি বানানোর অপেক্ষায় রয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। রিপ্রাইভ নামের মানবাধিকার সংগঠনের পরিচালক মায়া ফোয়া বলছেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে শিশুদের ফাঁসিতে ঝোলানোর থেকে বড় অপরাধ তেমন একটা নেই।’ তিনি বলেন, ১৮ বছর বয়সী মুর্তজা কুরেইরিসের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে সারা বিশ্ব থেকে তাদের দায়মুক্তি বিজ্ঞাপিত করছে।
মুর্তজাকে গ্রেফতার দেখানো হয় ২০১৪ সালে, যখন তার বয়স ১৪। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় ২০১১ সালের ঘটনায়, যখন তার বয়স ছিল ১০। সরকারবিরোধী বিক্ষোভে যোগ দেওয়া, আগ্নেয়াস্ত্র রাখা ও সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলা হয় তার বিরুদ্ধে। একটি মানবাধিকার বিষয়ক ইউরোপীয় সৌদি সংগঠন মুর্তজার মামলার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছে। গত সপ্তাহে তারা জানিয়েছে, ২০১৮ সালের আগস্টে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে মুর্তজার ফাঁসির সুপারিশ করেছে প্রসিকিউশন। তারা জানায়, দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগে তাকে নির্জন কক্ষে আটক রাখা হয়। কোনও আইনজীবীর সঙ্গে তাকে দেখাও করতে দেওয়া হয়নি।
নেদারল্যান্ডসভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন ফ্রিডম অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মানবাধিকারের দাবিতে ১০ বছর বয়সে সাইকেল র্যালির মাধ্যমে প্রতিবাদে নেমেছিল মুর্তজা। ৩ বছর পর তাকে আটক করা হয়। সৌদি আরবের প্রতি ওই সংগঠনের আহ্বান: ‘সরকারবিরোধিতার কারণে ১৩ বছর বয়সে আটক হওয়া শিশুকে মৃত্যুদণ্ড দেবেন না’।
সৌদি আরবে মানবাধিকার ও গণতন্ত্র অধিকার আন্দোলনের বৈশ্বিক প্রচারণা প্ল্যাটফর্ম স্টপ আল-সাউদ-এর এক টুইটে বলা হয়েছে, সৌদি আরব এক কিশোরকে মৃত্যুদণ্ড দিতে চায় যাকে ১৩ বছর বয়সে আটক করা হয়েছিলো। এখন ১৮ বছর বয়সী মুর্তজা কুরেইরিসকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর তার মরদেহ জনসম্মুখে ঝুলিয়ে রাখা হবে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া, ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’তে যোগ দেওয়া ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ওপর গুলি চালানো।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, ২০১৮ সালের আগস্টে মুর্তজার ফাঁসির সুপারিশ করা হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড সৌদি আরবের জন্য নতুন কিছু নয়। প্রায়শই তা কার্যকর করা হয় শিরশ্ছেদের মধ্য দিয়ে। সুদীর্ঘ দিন আটক রাখা, নিপীড়নের মধ্য দিয়ে স্বীকারোক্তি আদায় আর প্রহসনের বিচারকার্যের মধ্য দিয়ে দণ্ড কার্যকর করা হয়। তবে শিশু অবস্থায় করা কোনও কথিত অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘটনা সেখানেও বিরল, যা মুর্তজার ক্ষেত্রে ঘটতে যাচ্ছে।
২০১৭ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে সৌদি আরব জানায়, যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে কেবল ভয়াবহ গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রেই মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় এবং দোষীদের আত্মপক্ষ সমর্থনে পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া হয়। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, ছোটখাট অপরাধেই মৃত্যুদণ্ড দেয় সৌদি আরব, এবং দেশের ভিন্ন ধর্মাবলম্বী গোষ্ঠীগুলোকে দমন করতে মৃত্যুদণ্ডকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে সেখানকার রাজতান্ত্রিক শাসকরা।
অ্যামনেস্টির মধ্যপ্রাচ্য গবেষণা বিভাগের পরিচালক লিন মালৌফ বলেন, ‘নাগরিকদের বিক্ষোভকে দমন করার জন্য যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ। এমনকি নিতান্তই শিশুদেরও গ্রেপ্তার করে মৃত্যুদণ্ড দিতে পারে সৌদি প্রশাসন।’
অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে মুর্তজাকে গ্রেপ্তার করে আল-দাম্মামের একটি কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে রাখা হয়। এক মাস তাকে সেখানে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। মুর্তজাকে মিথ্যা প্রলোভন দেখানো হয়, যদি সে নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেয়, তবে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি সৌদি সরকার। মুর্তজার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো হলো ‘রাজ্যবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়া, জঙ্গি সংগঠনে অংশ নেওয়া বড় ভাইয়ের জানাজায় অংশ নেওয়া, পুলিশ স্টেশনে ককটেল বোমা ছুড়ে মারা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর গুলি করা।
শিয়া সংখ্যালঘুদের প্রতি সৌদি সরকারের বৈষম্যের প্রতিবাদে বিভিন্ন সময়ে এসব বিক্ষোভ করা হয়। অ্যামনেস্টি জানায়, যেকোনো ধরনের প্রশাসনবিরোধী কর্মকাণ্ড, বিক্ষোভ কঠোর হাতে দমন করে সৌদি আরব প্রশাসন। মৃত্যুদণ্ড এ ধরনের বিক্ষোভ দমনের অন্যতম হাতিয়ার। অ্যামনেস্টির মালৌফ বলেন, ‘সৌদি আরবের মৃত্যুদণ্ডকে দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার বন্ধ করতে আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর একজোট হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দিনভর নাটকীয়তা রাতে আন্দোলন স্থগিত

তারা ছাত্রনেতাদের বুঝানোর চেষ্টা করেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পারেননি। বরং কয়েকজন ছাত্রনেতা শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানীকে ধাক্কা দেন। ছাত্রদলের একজন মাঝারি সারির নেতাকে পিটিয়ে আহত করেন। বিকালে অসুস্থ রুহুল কবির রিজভীকে দেখতে নয়াপল্টনে যান বিএনপি স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তারা ভেতরে ঢুকে রিজভীর শারীরিক পরিস্থিতির খোঁজ-খবর নিয়ে বেরিয়ে যাবার পর ছাত্রনেতারা আবারও কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে দেন। এ ঘটনায় ছাত্রদলের কমিটি গঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত তিন কমিটির নেতারা দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে। সন্ধ্যায় এক বৈঠকে ছাত্রদলের বিক্ষুব্ধ বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতাকে ডেকে নেয়া হয় গুলশানে। এ বৈঠক শেষে অনির্দিষ্টকালের জন্য আন্দোলন স্থগিত করেন ছাত্রদলের বিক্ষুব্ধ নেতারা। ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মফিজুর রহমান আশিক বলেন, নেতারা ছাত্রদলের সার্বিক বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। আলোচনা অব্যাহত থাকবে। নেতাদের কথায় আশ্বস্ত হয়ে আমরা আন্দোলন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছি। আশাকরি, পরিস্থিতি বিবেচনা করে শীর্ষ নেতৃত্ব বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেবেন।
বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের তালা লাগানোর নেপথ্য কারণ আসলে কি? ছাত্রনেতাদের প্রতিবাদের ধরণ ও নানামুখী প্রচার-প্রচারণার কারণে এমন প্রশ্ন এখন সর্বত্র। বিএনপির সহযোগী সংগঠন ছাত্রদলকে ঢেলে সাজাতে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বাতিল করা হয় গত ৩রা জুন। সেই সঙ্গে আগামী ৪৫দিনের মধ্যে কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের ঘোষণা দেয়া হয়। নতুন কমিটিতে নেতৃত্ব নির্বাচনে শর্ত হিসেবে প্রার্থীদের একাডেমিক ইয়ার নির্ধারণ করে দেয়া হয়। আর এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে ছাত্রদলের বিলুপ্ত কমিটির সিনিয়র নেতারা। বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক নেতা জানান, বিরোধী দলের রাজনীতিতে প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে যথাসময়ে কোন সংগঠনেরই কমিটি পুনর্গঠনের সুযোগ পাওয়া যায়নি। প্রকাশ্য রাজনীতিতে প্রশাসনের প্রতিবন্ধকতা ও নেতাকর্মীদের মামলা হামলাজনিত কারণে বারবার চেষ্টা করেও কমিটিগুলো আপডেট রাখা যায়নি। ফলে ছাত্রদল নেতাদের ছাত্রত্ব শেষ হওয়ার পাশাপাশি ও তারা বয়সী হয়ে পড়েছেন।
এতে একদিকে নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের জট লেগেছে, অন্যদিকে নিয়মিত ছাত্রদের সঙ্গে ছাত্রনেতারা সম্পর্কহীন হয়ে পড়েছেন। এ নিয়ে নানামুখী সমালোচনার শিকার হয়েছে বিএনপি। মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠনের দাবি ছিল ছাত্রদলের পদপ্রত্যাশী সিনিয়র ও মাঝারি সারির নেতাদের। এমনকি ছাত্রদলের তুলনামুলক জুনিয়র নেতৃত্ব ও ছাত্রদল সমর্থক শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদের হাতে ছাত্রদলের নেতৃত্ব ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানিয়ে আসছিল। এমন পরিস্থিতিতে ছাত্রদের হাতে ছাত্রদলের নেতৃত্ব ফিরিয়ে দিতে ছাত্রদলকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেয় বিএনপি। রাজনীতির বৃহত্তর স্বার্থে সংগঠনের সিনিয়র নেতাদের স্যাক্রিফাইসের একটি ইঙ্গিতও দেয়া হয়। এ নিয়ে সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে সার্বিক বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পরে তিনি স্কাইপে ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময় করেন। কিন্তু মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠনের শর্তযুক্ত করার ঘটনা পুরো পরিস্থিতি পাল্টে দেয়। পরে কাউন্সিল করতে তিনটি কমিটি গঠন করে দায়িত্ব ভাগ করে দেয়ার বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিগুলো হলো- নির্বাচন পরিচালনা কমিটি, বাছাই কমিটি ও আপিল কমিটি। প্রতিটি কমিটি গঠন করা হয়েছে ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সমন্বয়ে।
ছাত্রদলের সিনিয়র ও মাঝারি সারির নেতারা মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বাতিলকে স্বাগত জানালেও নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে একাডেমিক ইয়ার যুক্ত করাকে হটকারি সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করছেন। তারা বলছেন, ছাত্রদলের নেতৃত্ব অবশ্যই ছাত্রদের হাতে যাওয়াই কাঙ্ক্ষিত বিষয়। কিন্তু বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের এটাও বিবেচনা করতে হবে যে, প্রতিকূল পরিবেশের কারণে যথাসময়ে ছাত্রদলের কমিটি পুনর্গঠন হয়নি। ফলে নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের জট তৈরি হয়েছে। ছাত্রনেতারা বলছেন, ছাত্রদলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা কয়েকবছর ধরেই মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছিল। এক দুই বছর আগে সে কমিটি বাতিল করা হলেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হতো না। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের ছাত্রদলকে যদি ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা থাকে তাহলে তারা একদিন সে উদ্যোগ নিতে পারতেন। নেতৃত্ব জটের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সম্প্রতি সিনিয়র নেতারা সবাই একমত হয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে একটি সুনির্দিষ্ট লিখিত দাবিনামা দেয়া হয়। তার সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময়েও ছাত্রনেতারা একাট্টা হয়ে একই দাবি করেছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, প্রথমে ৬ মাসের জন্য একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন ও পরে এক বছরের জন্য একটি স্বল্পমেয়াদী কমিটি করে ছাত্রদলের সিনিয়র ও মাঝারি সারির নেতাদের সম্মানজনকভাবে বিদায় দেয়া যায়। পাশাপাশি তাতে আগামীদিনের নেতৃত্বের বয়সও কমে আসবে।
কিন্তু মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বাতিল ও নতুন কমিটির শর্তে ছাত্রনেতাদের সমস্ত দাবিতে অগ্রাহ্য করা হয়। বিক্ষুব্ধ ছাত্রনেতারা বলছেন, এর মধ্যে দিয়ে অন্তত দেড় শতাধিক সিনিয়র ও মাঝারি সারির নেতার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। যাদের মধ্যে রাজনীতি করতে গিয়ে গুমের শিকার, বারবার কারাভোগকারী, অর্ধশতাধিক মামলার আসামী ও ক্ষমতাসীনদের হাতে হামলার শিকার অনেকেই রয়েছেন। নতুন সিদ্ধান্তের কারণে দেখা যাচ্ছে কেবল সিনিয়র নেতারাই নয়, মাঝারির সারির অনেক নেতার রাজনীতি শেষ হয়ে যাবে। অথচ এ শর্তের মাধ্যমে বিশেষ কিছু অর্জন হবে না। কারণ ২০০০ সালে এসএসসি বা সমমানের যে শর্ত যুক্ত করা হয়েছে তাতে তাদেরও বয়স হয়ে গেছে ইতিমধ্যে ৩৪-৩৫ বছর। তাদের নেতৃত্ব যে কমিটি হবে তারাও সে অর্থে তরুণতর হবে না। শত শত ছাত্রনেতার রাজনৈতিক জীবন অনিশ্চিত করে তোলা নতুন এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কয়েকটি সিন্ডিকেটকে দায়ী করছেন ছাত্রনেতারা। তারা বলছেন, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কয়েকটি গ্রুপ নিজেদের পছন্দের ও অনুগতদের হাতে ছাত্রদলের নেতৃত্ব তুলে দিতে চান। এইজন্য তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ভুলবার্তা দিয়ে ও প্রভাবান্বিত করে এমন সিদ্ধান্ত নিতে প্ররোচিত করেছেন। এক্ষেত্রে ছাত্রনেতাদের ক্ষোভের লক্ষ্যবিন্দু হয়ে পড়েছেন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অবস্থানকারী সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বিএনপি ও ছাত্রদল দুইপক্ষ নানা যুক্তি তুলে ধরলেও কার্যালয়ে তালা দেয়ার পেছনে অন্যকিছু ইঙ্গিত পাচ্ছেন রাজনৈতিক মহল। বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক নেতা বলেন, দলে নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের প্রতিযোগীতা থাকে, কোন সিদ্ধান্ত প্রতিকূলে গেলে প্রতিবাদও হয়। কিন্তু কার্যালয়ের মূল ফটকে তালা দেয়ার বিষয়টি স্বাভাবিক নয়। তারা বলছেন, এখানে রিজভীকে টার্গেট করা হচ্ছে। নানা সমালোচনা থাকলেও দলের দুর্দিনে নিজের পরিবার ছেড়ে টানা একবছরের বেশি সময় কার্যালয়ে অবস্থান করে প্রতিদিন দলের পক্ষে নানা ইস্যুতে কথা বলছেন তিনি। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সায় না থাকলে সেটা তার পক্ষে সম্ভব হতো না। কিন্তু সরকারের এবং বিএনপিরই একাংশের কাছে তার কার্যালয়ে থাকার বিষয়টি পছন্দের নয়। ফলে তারা বিক্ষুব্ধ ছাত্রনেতাদের প্রতিবাদকে উপলক্ষ করে রিজভীকে কার্যালয় থেকে বের করতে চায়। এ জন্য তারা কৌশলে বিক্ষুব্দ ছাত্রনেতাদের উস্কানি দেয়ার পাশাপাশি সামাজিক ও মূলধারার গণমাধ্যমে কৌশলী প্রচারণা চালাচ্ছেন। বিএনপির দায়িত্বশীল কয়েকজন নেতা বলেন, সরকার ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাইছে। তারা কৌশলে আমাদের ছাত্রনেতাদের ব্যবহার করে দলের একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি করতেই নেপথ্যে সুতো টানছেন। দাবার গুটি হিসেবে ব্যবহার করছেন ছাত্রদল নেতাদের। এদিকে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে গতকাল সকালে ছাত্রনেতারা বিক্ষোভ শুরুর পরপরই সেখানে ছুটে যান ছাত্রদলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। কিন্তু সেখানে তারা পরিস্থিতি শান্ত করতে ব্যর্থ হওয়ার পর গুলশান কার্যালয়ে বৈঠকে বসেন।
কার্যালয়ে তালা, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন: এদিকে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ছাত্রদলের বিক্ষুব্ধ নেতারা প্রতিবাদ শুরু করেন। সোয়া ১১টায় তারা নয়াপল্টনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এ সময় সেখানে যান বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন। তারা কার্যালয়ে প্রবেশ করতে চাইলে তাদের বাধা দেন সাবেক ছাত্রনেতারা। এ নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। বিএনপির চার নেতাকে ছাত্রনেতারা বলেন, বয়সসীমা না করে ছাত্রদলের ধারাবাহিক কমিটি দিতে হবে। আর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী একাই দুটি পদ নিয়ে অফিসকেই বাড়ি-ঘর বানিয়েছেন।
রিজভীকে এখান থেকে বের করে নিয়ে যান। পরে বরকত উল্লাহ বুলু কার্যালয়ের সামনে থেকে চলে যান। অন্য তিন নেতা কার্যালয়ে পাশে বইয়ের দোকানে বসতে চাইলে দোকানের সাটার নামিয়ে দেন। এসময় শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী কার্যালয়ে ভিতরে গিয়ে কথা বলতে চাইলে তাকে বাধা দেন এবং এক পর্যায়ে তাকে ধাক্কা দেন। ছাত্রনেতাদের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক শেষে ফজলুল হক মিলন সাংবাদিকদের বলেন, কমিটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দল থেকে দেয়া হয়েছে। আর আমরা সবাই বসে এটা কার্যক্রম করবো। তবে দুঃখ ও অভিমান থাকতেই পারে। এটা অস্বাভাবিক কোন ঘটনা নয়। আর তাদের দুঃখ ও বেদনা আমরা শুনবো। এর কিছুক্ষণ পর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে হাজির হন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান। এসময় বিক্ষুদ্ধ ছাত্রদল নেতারা দুদুকে ঘিরে ধরে তাদের দাবির কথা তুলে ধরেন। তবে তাদের কার্যালয়ে ঢুকতে দেয়নি। কিছুক্ষণ পর রিজভী আহমেদকে কার্যালয় থেকে বের করে দেয়ার জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স ডেকে আনে ছাত্রদল। পরে অ্যাম্বুলেন্সটি ফিরিয়ে দেয়া হয়। দুপুরে তারা কার্যালয়ের বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এদিকে বিকাল সোয়া ৪টার দিকে বিক্ষুব্ধরা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢুকে সেখানে আগে থেকেই অবস্থানরত ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়নকে পিটিয়ে বের করে দেন।
এটা মান-অভিমান, সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে: আব্বাস-গয়েশ্বর
এদিকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অসুস্থ রুহুল কবির রিজভীকে দেখতে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। বিকাল ৫টায় প্রথমে মির্জা আব্বাস ও কিছুক্ষণ পর গয়েশ্বর রায় নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যান। তাদের সাথে বিএনপি নেতা আবদুস সালাম আজাদ, মীর সরফত আলী সপু ও রফিকুল ইসলাম মজনুও কার্যালয়ে যান। বিক্ষুব্ধরা তালা খুলে তাদের কার্যালয়ে ঢুকতে দেন। তারা সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থান করে রিজভীর শারীরিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।
পরে কার্যালয় থেকে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তারা দুইজন। মির্জা আব্বাস বলেন, ‘এটা (বিক্ষুব্ধ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের কর্মসূচি) কিছু না। ওরা মান-অভিমান করেছে, এটা ঠিক হয়ে যাবে। বিষয়টা সাংবাদিকরা যেভাবে সিরিয়াসলি নিয়েছে বা উপস্থাপন করেছে আসলে সে রকম সিরিয়াস নয়। এটা পোলাপানের কাজ-কর্ম, মান-অভিমানের কাজ। তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে ঈদ গেছে। মান-অভিমান হয়েছে। এটা ঠিক হয়ে যাবে। কারো কিছু করতে হবে না। কোনো সালিশ, আলোচনা কিছুই করতে হবে না। ওরা রাগ করেছে, সব ঠিক হয়ে যাবে।’ গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটা কোনো পরিস্থিতি না যদি আপনারা ফলাও করে প্রচার না করেন। কেউ ব্যথা পেলে চিৎকার দেয়-এটাই স্বাভাবিক। আমাদের দীর্ঘদিন দলের কতগুলো পদ্ধতিগত কারণে বা নিয়মিত কাউন্সিল না হওয়ার কারণে যোগ্য ছেলেরা তাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। সেই বিষয়টা আমাদের বিবেচনা করতে হবে। এরা দলের জন্য পরিশ্রম করে, এরা বাইরের নয়, এরা দলের মঙ্গল চায়।’ গয়েশ্বর রায় বলেন, ‘দলের মঙ্গল এবং ওদেরও যতটুকু প্রাপ্যটা আছে তা সমাধান করার পথ আমাদের খুঁঁজতে হবে। এটা অনেক বড় দল, অনেক কর্মী, অনেক নেতা। আমরা বিরোধী দলে আছি, আমাদের সীমাবদ্ধতাও আছে।
এই সীমাবদ্ধতার মূল কারণটা হলো আমাদের নিয়মিত কাউন্সিল হয়নি। মামলা-হামলা-নির্যাতনের কারনে নিয়মিত এই সাংগঠনিক কাজগুলো হয়নি। এই নিয়মিত সাংগঠনিক কাজগুলো হলে ওরাও ছাত্রদল করার জন্য এতো আগ্রহী হতো না। ওরাও বুঝে এটা।’ সমাধান কী দেখছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- ‘সমস্যা যেমন আছে, সমাধানও আছে। আলোচনার মাধ্যমে এটার সমাধান হবে।’ রিজভী কেমন আছেন এবং তাকে হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে না কেন জানতে চাইলে গয়েশ্বর রায় বলেন- ‘তিনি অসুস্থ। তাকে স্যালাইন দিয়ে রাখা হয়েছে। তাকে হাসপাতালে নেয়া হবে কিনা সেটা সেখানে চিকিৎসকরা ঠিক করবেন। কিন্তু বাইরের এই ঘটনার জন্য তাকে হাসপাতালে যেতে হবে- এটা যুক্তিসঙ্গত প্রশ্ন না।’ উল্লেখ্য, রোববার রাতে হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পড়েন রিজভী আহমেদ। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কার্যালয়ে অবস্থান করে দলের সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব পালন করায় অসুস্থতার খবর পেয়ে দলীয় চিকিৎসকরা সেখানে ছুটে যান। তারপর থেকে চিকিৎসকদের অধীনে কার্যালয়েই চিকিৎসাধীন আছেন তিনি।
দফায় দফায় মিটিং গুলশানে: এদিকে ছাত্রদলের সংকট নিরসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে দফায় দফায় বৈঠক করেন ছাত্রদলের কমিটি গঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। এ বৈঠকে স্কাইপে যুক্ত হন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তারই অংশ হিসেবে সন্ধ্যায় বিক্ষুব্ধ ছাত্রনেতাদের বেশ কয়েকজনকে সে বৈঠকে ডেকে নেয়া হয়। বৈঠকে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি শফিউল বারি বাবু, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুইয়া জুয়েল, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাজীব আহসান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবীবুর রশীদ হাবিব ও আকরামুল হাসান অংশ নেন। অন্যদিকে বিক্ষুব্ধ ছাত্রনেতাদের মধ্যে সাবেক সহ সভাপতি এজমল হোসেন পাইলট, ইখতিয়ার কবির, জয়দেব জয়, যুগ্ম সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, মফিজুর রহমান আশিক, বায়োজিদ আরেফিন, ফয়েজ উল্লাহ, মিয়া রাসেল, ঢাবি সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার, মহানগর উত্তরের সভাপতি মিজানুর রহমান রাজ, জবি সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান বিপ্লব, মহানগর পূর্বের সভাপতি খন্দকার এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন মানিক, দক্ষিণের সভাপতি জহিরউদ্দিন তুহিন, পশ্চিমের সভাপতি আবদুল গাফফার, সাধারণ সম্পাদক সাফায়েত আরাফাত রাব্বি ও বাংলা কলেজ সভাপতি আইয়ুব আলী বৈঠকে অংশ নেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সে বৈঠক চলছিল। তবে সন্ধ্যার পর নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষুব্দ ছাত্রনেতারা সরে যায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশের অর্থনীতি যে কোনো সময়ের চেয়ে চ্যালেঞ্জে আছে -সিপিডি’র পর্যালোচনা

গতকাল রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সিপিডি আয়োজিত ‘জাতীয় অর্থনীতির পর্যালোচনা ও আসন্ন বাজেট প্রসঙ্গ’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন সংস্থাটির বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির সিনিয়র গবেষক তৌফিকুল ইসলাম খান। উপস্থিত ছিলেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন, ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক ড. খোন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।
সামষ্টিক অর্থনীতি চাপের মুখে উল্লেখ করে দেবপ্রিয় বলেন, দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে একটা শক্তি ছিল। সেই শক্তিতে চিড় ধরেছে। এর অনুসঙ্গগুলো হলো- কর আহরণে অপারগতা। বাংলাদেশের উন্নয়নে একটা অমোচনীয় প্রতিবন্ধকতায় পরিণত হয়েছে। এটাকে যদি অতিক্রম করা না যায় তাহলে বাংলাদেশের উন্নয়নের যে অভিলাষ তার জন্য বিনিয়োগের সুযোগ কমে যাবে। এছাড়া অন্য উৎস থেকে যদি বিনিয়োগের চেষ্টা করা হয় তাহলে সামষ্টিক অর্থনীতির পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে। তিনি বলেন, কর আহরণ করতে না পারার কারণে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হবে। রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় ভালো হলেও উচ্চ আমদানির কারণে লেনদেনের ঘাটতি বাড়ছে। এতে দেশের বৈদেশিক মজুত দ্রুত নেমে আসছে। এটা কিছুদিন আগে ৮ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সক্ষমতায় থাকলেও এখন ৫ মাসে নেমে এসেছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশের টাকার মান অবনমন করার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের টাকার ৩ শতাংশ অবনমন করা উচিত। কারণ বর্তমানে মূলস্ফীতির হার ৫ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। এই অবস্থায় টাকার অবনমন করা হলে মানুষের পক্ষ সহ্য করা সহজ হবে।
ব্যাংকিং খাতের বিষয়ে বলে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, এ বিষয়ে যত কম বলা যায় ততই ভালো। তিন-চার বছর ধরে এ বিষয়ে বলতে বলতে এমন একটা অবস্থায় এসেছি অবশেষে ব্যাংক খাতের সংকট সবাই উপলব্ধি করছে। কিন্তু প্রতিক্রিয়ার দিক থেকে আমরা তার প্রতিফলন দেখি না। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ব্যাংকিং খাত নিয়ে যে কয়টা পদক্ষেপ নিয়েছে তার সবগুলোই আরো বেশি ক্ষতিকর হয়েছে।
তিনি বলেন, গত জানুয়ারি মাসে অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন খেলাপি ঋণ এক টাকাও বাড়বে না। অথচ তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৭ হাজার কোটি টাকা। তিনি বলেন, ব্যাংকের সুদের হার নিয়ে নাড়াচাড়া করে ব্যাংকিং খাতের সমস্যার সমাধান হবে না। এটা কাঠামোগতভাবে সুশাসন যদি আনা না যায় এবং যারা ব্যাংকের টাকা তসরুপ করেছে তাদের বিচারের আওতায় আনা না গেলে ব্যাংকিং খাতের মানুষের প্রতি আস্থার সংকট সৃষ্টি হবে। এটা কোনো দেশ ও জাতির জন্য ভালো হবে না।
উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, সুদের হারকে নাড়াচাড়া করে যে কিছু করা যাবে না তার প্রমাণ হলো সুদের হার কমে গেলেও ব্যক্তি খাতের ঋণ প্রবাহ বাড়ছে না। ফলে ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট সৃষ্টি হয়েছে। ব্যাংকে কেউ টাকা রাখছে না, যারা ব্যাংক থেকে ঋণ নিচ্ছে তারাও টাকা দিচ্ছে না। এই তারল্য সংকটের সমাধান সুদের হার নিয়ন্ত্রণ করে হুকুমের অর্থনীতির মধ্যে ফেলে দিলে কোনোভাবেই সুখকর হবে না।
তিনি বলেন, সামপ্রতিককালে কৃষকের প্রতি যে অন্যায় আচরণ করেছে ইতিপূর্বে এই রকম আচরণ করা হয়নি। গ্রামীণ অর্থনীতি ভিত্তি এখন শহরে চলে আসছে। আর সেটা শহর থেকে বিদেশে চলে গেছে। এটা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের কৃষকের পক্ষে আগামী দিনে টিকে থাকা সম্ভব হবে না। সরকার সময়মত ধান, চাল সংগ্রহ করেনি। আমদানি শুল্ক অনেক দেরি করে আরোপ করেছে। ফলে অর্থনীতির এই ধরনের অব্যবস্থাপনার চিত্র অন্য কোনো খাতে করা হয়নি।
সিপিডির এই ফেলো বলেন, আগামী বাজেটে ১ কোটি ৮০ লাখ কার্ডধারী প্রত্যেক কৃষককে ৫ হাজার টাকা করে ভর্তুকি দেয়া হোক। এটা করা হলে ৯ হাজার ১০০ কোটি লাগবে। অথচ রপ্তানিখাতে ঢালাওভাবে ৫ শতাংশ প্রণোদনা দাবি করা হচ্ছে এতে লাগবে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। ফলে কৃষকের সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি বেশি না।
তিনি বলেন, প্রতিবছরই রাজস্ব ঘাটতি বাড়ছে। চলতি অর্থবছরে প্রথম ৯ মাসে রাজস্ব ঘাটতি ৫০ হাজার কোটি টাকা বলা হলেও বছর শেষে এই ঘাটতির পরিমাণ ৮৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
এ সময় ‘কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া উচিত হবে না’- এমন অভিমত তুলে ধরে তিনি বলেন, কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া হলে তা আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের ব্যত্যয় ঘটবে। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে বলা হয়েছে- ঘুষ, অনুপার্জিত আয়, কালো টাকা, পেশি শক্তি মাধ্যমে উপার্জন করা, সেগুলোকে সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মাথাপিছু আয়ের সূচকে বাংলাদেশ ভালো অবস্থানে থাকলেও বেসরকারি বিনিয়োগ ও শিল্পায়নের দিক থেকে ততোটা ভালো অবস্থানে নেই। তাই এ বিষয়ে সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে। দেবপ্রিয় বলেন, বাংলাদেশের ব্যক্তি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে, শিল্পায়নের ক্ষেত্রে ও সামাজিক ক্ষেত্রে আশানুরূপ উন্নতি দেখতে পাচ্ছি না। প্রবৃদ্ধির ধারার সঙ্গে অন্যান্য উন্নয়নের সূচকগুলোর একটি বৈসাদৃশ্য আছে।
এ সময় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন চিত্রের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এ বছর অর্ধেক এডিপি বাস্তবায়ন হচ্ছে মাত্র ৩ মাসে। এটা যে কী এডিপি হবে সেটা আর ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন পড়ে না।
বহুল আলোচিত ভ্যাট আইনের বিষয়ে তিনি বলেন, তারা একক ও কম হারের পক্ষপাতি।
অর্থনৈতিক নীতিমালা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অর্থ মন্ত্রণালয়ের যে নেতৃত্বমূলক ভূমিকা ছিল, তা সামপ্রতিককালে ‘দুর্বল’ হয়ে গেছে বলেও মনে করে সিপিডি।
ব্যাংকিং খাত ও শেয়ারবাজারে সুশাসন নিশ্চিতের তাগিদ দিয়ে সিপিডি বলছে, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে এসব খাতে প্রয়োজনীয় সংস্কারে সুবিধাভোগীদের প্রভাব কমানো জরুরি।
অনুষ্ঠান শেষে সিপিডির পক্ষ থেকে ১০টি সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে হলো- রাজস্ব আহরণের সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা। সরকারি ব্যয় সুশৃঙ্খলভাবে করা, যাতে অপচয় না হয়। কর ছাড়ের হিসাব সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। সঞ্চয়পত্রের সুদের হার সমন্বয় করা এবং সঞ্চয়পত্র বিক্রির পরিমাণ কমিয়ে আনতে হবে। প্রত্যেক কৃষককে ৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দিতে হবে। ব্যাংক কমিশন গঠন ও সুদের হার বাজার ব্যবস্থাপনার ওপর ছেড়ে দিতে হবে। পুঁজিবাজারের সংস্কারের ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিতে হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠান অডিট করে সংস্কারের উদ্যোগ নিতে হবে। সামাজিক খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে এবং টাকার অবমূল্যায়ন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ তুলে ধরেন সিপিডির সিনিয়র রিসার্স ফেলো তৌফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, ব্যাংক খাতে পুঁজির সংকট বাড়ছে, তারল্য সংকট আগামীতে আরো বাড়বে। ঋণ খেলাপি কমাতে সরকারের নেয়া উদ্যোগগুলো কোনও কাজে আসছে না বলেও মন্তব্য করেন তৌফিকুল ইসলাম। তিনি উল্লেখ করেন, ব্যাংক খাতের সংস্কারের জন্য আশু পদক্ষেপ নতুন বাজেটে রাখতে হবে। এ জন্য ব্যাংকিং কমিশন গঠন করারও পরামর্শ দেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংসদে হঠাৎ উত্তাপ

মাগরিবের নামাজের বিরতির পর স্পিকারের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হলে পয়েন্ট অব অর্ডারে সংসদে উত্তাপ ছড়ায়।
চাঁদ দেখা নিয়ে বিভ্রাটসহ বিভিন্ন বিষয়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য রাখেন সরকারি দলের সদস্য নুরুল ইসলাম সুজন, বিরোধী দল জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ, ফখরুল ইমাম, ডা. রুস্তম আলী ফরাজী, পীর ফজলুর রহমান, বিএনপির হারুনুর রশীদ, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ও সরকারি দলের পংকজ দেব নাথ। রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, বিএনপির একজন সংসদ সদস্য নিজে শপথ নিয়ে বর্তমান সংসদ যে বৈধ, তার প্রমাণ দিয়েছেন। আবার অধিবেশনে সংসদকে অবৈধ বলে দেশের ১৬ কোটি মানুষকে অপমাণিত করেছেন, ভোটারদের অবমাননা করেছেন। তিনি বিএনপির সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বক্তব্য এক্সপাঞ্জের দাবি জানান।
এ সময় স্পিকার কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী সংসদকে অবৈধ বলা অংশটুকু এক্সপাঞ্জ করে দেন। বিএনপির হারুন অর রশিদ ঈদের চাঁদ দেখা নিয়ে বিভ্রাটের সমালোচনা করে বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম হচ্ছে ইসলাম। ঈদের চাঁদ দেখা কমিটি রয়েছে। চাঁদ দেখা যায় সন্ধ্যার সময়। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী প্রথমে রাত ৯টায় ঘোষণা দিলেন, কোথাও চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ হবে না। আবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ করেই আবার বলা হলো, চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ। এ নিয়ে জনমনে মারাত্মক ভোগান্তির সৃষ্টি করেছে। আর ধর্ম যার যার, উৎসব সবার- এ কথা যারা বলেন তাদের জ্ঞানের অভাব রয়েছে। তিনি বলেন, এ কথাটি যদি মানতে হয় তাহলে রাষ্ট্রধর্ম বাতিল করা উচিত। চাঁদ দেখা নিয়ে বিভ্রাটের জন্য ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করলে সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান। ফ্লোর নিয়ে বর্তমান সংসদকে অবৈধ বলায় সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়েন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। ফ্লোর নিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সংসদ জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। টিআইবিসহ সবাই বলেছে এ সংসদ জনগণের ভোটে হয়নি। তাই খুশি হব এই সংসদের মেয়াদ যেন একদিনও না বাড়ে। তিনি বলেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছে। তাকে রাজনৈতিক কারণে জামিন দেয়া হচ্ছে না।
সরকারের মিথ্যা মামলার কারণে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমান দেশে ফিরতে পারছেন না। তার এমন বক্তব্যের বিরুদ্ধে সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা দাঁড়িয়ে ব্যারিস্টার ফারহানার বক্তব্য প্রত্যাহার ও এক্সপাঞ্জের দাবি জানান। পরে স্পিকার আর কাউকে ফ্লোর না দিয়ে দিনের পরবর্তী কার্যসূচিতে প্রবেশ করলে উত্তেজনার অবসান হয়। জাতীয় পার্টির ডা. রুস্তম আলী ফরাজী ফ্লোর নিয়ে বলেন, ৯০ ভাগেরও বেশি ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ, তবুও বিক্রি হচ্ছে। আর চাঁদ দেখা নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্তদের তড়িঘড়ি করা উচিত হয়নি। জাতীয় পার্টির পীর ফজলুর রহমান বলেন, ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে দেশে মদ-জুয়ার লাইসেন্স দিয়েছিল। জঙ্গীবাদ, বাংলা ভাই-শায়খ আবদুর রহমানদের তৎপরতা বিএনপি আমলে দেশবাসী দেখেছে। কিন্তু এখন ঈদে চাঁদ দেখানো নিয়ে জনগণকে ভোগান্তি দেয়া হয়েছে। আর রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্রে বালিশের দাম নিয়ে সারাদেশে তোলপাড় চলছে। সরকারি দলের পংকজ দেবনাথ বলেন, জনমতের চাপে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার এদিন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিল। সম্পূর্ণ বিনা অপরাধে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
বিএনপি-জামায়াত জোটের দুঃশাসন-লুটপাটের কারণেই এই ওয়ান ইলেভেনের সৃষ্টি হয়েছিল। এর আগে ফ্লোর নিয়ে জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, টাকার অভাবে অনেক হাসপাতালে মানুষকে সুচিকিৎসা দিতে পারি না। অথচ পত্রিকায় দেখলাম, যেখানে হাসপাতাল নেই অথচ যন্ত্রপাতি কিনতে জার্মান যাচ্ছে একটি প্রতিনিধি দল। আবার অনেক যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে কিন্তু সেগুলো ব্যবহার করার সুযোগ না থাকায় পড়ে আছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে অনুরোধ যেসব যন্ত্রপাতি পড়ে আছে দয়া করে আমাদের দিয়ে দেন। জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম বলেন, দেশে আসলে হচ্ছেটা কি? নির্বাচনের আগে এই সরকারের একটি প্রতিশ্রুতি ছিলো দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র। এখন দেখতে পাচ্ছি কিছুই হচ্ছে না। ব্যাংক থেকে অনেক টাকা গায়েব হয়ে গেছে। এত টাকা গেল কোথায়? বলা হচ্ছে প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশ ছড়িয়েছে তাহলে ব্যাংকের টাকা গেল কোথায়। ঋণের টাকা ফেরত আসছে না। আসলে টাকা যাচ্ছে কোথায় সরকারের সেটা খতিয়ে দেখা উচিত।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৪টি সিংহ ঘুরছে লোকালয়ে, সতর্কতা জারি

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, জাতীয় উদ্যানের কাছে ফসকর ফসফেট খনি এলাকায় সিংহগুলোকে ঘুরতে দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো না কোনোভাবে সিংহগুলো উদ্যান থেকে পালিয়ে গেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার উত্তরাঞ্চলের লিমপোপো প্রদেশ এলাকার সরকারি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, খনি অঞ্চল ও এর আশপাশের বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন ক্রুগার ন্যাশনাল পার্কের কর্মকর্তারা। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, সিংহগুলোকে ধরে আবার উদ্যানে ফিরিয়ে আনা হবে। ক্রুগার ন্যাশনাল পার্ক কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে দিয়ে বলছে, সিংহগুলো সাধারণ বাসিন্দাদের বিপদের কারণ হতে পারে। তাই সবাইকে সাবধানে থাকার অনুরোধ করা হয়েছে।
চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে একই জাতীয় উদ্যানে চিতাবাঘের আক্রমণে প্রাণ হারায় দুই বছর বয়সী এক শিশু। পরে দুটি চিতাবাঘকে চিহ্নিত করে হত্যা করে পার্ক কর্তৃপক্ষ। মূলত ওই ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতেই চিতাবাঘ দুটিকে হত্যা করা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্কিন বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আলোচনায় বসতে পারেন মোদি-জিনপিং

খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক বিরোধ ছাড়া অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও দ্বিপক্ষীয় ইস্যু নিয়েও আলোচনা করতে পারেন মোদি ও জিনপিং। বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দুই দেশের এই দুই নেতার মধ্যকার প্রত্যাশিত বৈঠকটি বেশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন বিশ্লেষকরা। ভারতের সামপ্রতিক লোকসভা নির্বাচনে মোদির নিরঙ্কুশ জয়ের পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভারতের বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা কেড়ে নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রামপ। এ ছাড়া পূর্বে রাশিয়া ও ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য অব্যাহত রাখায় মার্কিন শুল্কারোপের শিকারও হয়েছে ভারত।
অন্যদিকে, চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সমপর্ক চরম খারাপ আকার ধারণ করেছে। উভয় দেশ অপর দেশের পণ্যের ওপর শুল্কারোপ করেছে। এ ছাড়া, চীনা প্রযুক্তি জায়ান্ট হুয়াওয়ের ওপর ট্রামেপর নিষেধাজ্ঞা সে সমপর্কের আরো অবনতি ঘটিয়েছে। সব মিলিয়ে বিশ্বের শীর্ষ অর্থনৈতিক শক্তির সঙ্গে বিশ্বের দ্বিতীয় (চীন) ও পঞ্চম (ভারত) অর্থনৈতিক শক্তির বাণিজ্যিক সমপর্ক এখন প্রকট আকারে সাংঘর্ষিক। সোমবার মোদির নির্বাচনী জয়ের দিকে ইঙ্গিত করে চীনের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা আবারো মোদিকে অভিনন্দন জানাই। তারা ভালো বন্ধু। গত বছর উহানে তাদের মধ্যে একটা সফল অনানুষ্ঠানিক বৈঠক হয়েছিল। ওই বৈঠকে চীন-ভারত সমপর্ক উন্নয়নের কৌশলগত নির্দেশনা পাওয়া গিয়েছিল। প্রসঙ্গত, উহানে দুই নেতার মধ্যে বৈঠকের পরপরই বন্ধ হয়েছিল দোকলাম নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সৃষ্ট ৭৩ দিনব্যাপী সামরিক অবরোধ। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে হানহুই বলেন, এসসিও বৈঠকটিতে কী কী ইস্যুতে আলোচনা হতে পারে তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীন ও ভারতের বাণিজ্যিক স্ব-স্ব বিরোধ নিয়ে আলোচনা হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। তিনি আরো বলেন, বর্তমান বিশ্বে বাণিজ্য রক্ষণশীলতা বেড়ে চলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের হয়রানিমূলক বাণিজ্য চর্চার জবাব কীভাবে দেয়া হবে, তাদের বাণিজ্য রক্ষণশীলতা কীভাবে মোকাবিলা করা হবে সেসব বিষয় কেবল চীনের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, পুরো বিশ্ব অর্থনীতির জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
June
(697)
-
▼
Jun 12
(11)
- বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সঙ্কু...
- গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা জরুরি -ঢাকা সফর শে...
- রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র না মার্কিন যুদ্ধবিমান, কোনটি ...
- গর্ভের সন্তানের পিতৃত্বের দাবিতে দুই স্বামীর লড়াই
- হিসাব কঠিন হয়ে গেল বাংলাদেশের by ইশতিয়াক পারভেজ
- মুর্তজার মৃত্যুদণ্ড ঠেকাতে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সোচ...
- দিনভর নাটকীয়তা রাতে আন্দোলন স্থগিত
- দেশের অর্থনীতি যে কোনো সময়ের চেয়ে চ্যালেঞ্জে আছে -...
- সংসদে হঠাৎ উত্তাপ
- ১৪টি সিংহ ঘুরছে লোকালয়ে, সতর্কতা জারি
- মার্কিন বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আলোচনায় বসতে পারেন...
-
▼
Jun 12
(11)
-
▼
June
(697)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
