Sunday, September 7, 2025
ইউরোভিশন ২০২৬ : ইভেন্টে ইসরাইল অংশ নিলে প্রতিযোগিতা করবে না স্লোভেনিয়া
স্লোভেনীয় সম্প্রচারক আরটিভিএসএলও এখন বলেছে যে, ইসরাইলকে নিষিদ্ধ করা হলে তবেই তারা আগামী বছর ইউরোভিশনে ফিরে আসবে। ঠিক যেমন ২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকে রাশিয়াকে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। আরটিভিএসএলও-এর যোগাযোগ বিভাগ একটি বিবৃতি জারি করে বলেছে যে, ‘ইউরোভিশনে অংশ গ্রহণের বিষয়টি নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই সময়ের মধ্যে, এটা স্পষ্ট হওয়া উচিত যে ইবিইউ ( European Broadcasting Union) ইসরাইলের অংশগ্রহণের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেবে কিনা এবং ভোটদানের স্বচ্ছতা সম্পর্কে বেশ কয়েকটি ইবিইউ সদস্য রাষ্ট্রের মন্তব্য বিবেচনা করবে কিনা। সেইসাথে এটাও স্পষ্ট হবে যে আমরাও এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবো কিনা।’
জুলাইয়ের শুরুতে লন্ডনে অনুষ্ঠিত ইবিইউ সাধারণ পরিষদে, আরটিভি স্লোভেনিয়া তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছিল -গাজায় গণহত্যার পরও যদি ইসরাইল ইউরোভিশন গানের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে, তাহলে তারা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে না। ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতায় ইসরাইলের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ সম্পর্কে ইবিইউ বর্তমানে তার সদস্যদের সাথে আলোচনা করছে। ইউরোভিশন গানের প্রতিযোগিতার পরিচালক মার্টিন গ্রিন হাফপোস্ট ইউকে -তে বলেছেন, ‘আমরা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের বিষয়ে উদ্বেগ বুঝতে পারছি । গানের প্রতিযোগিতা এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা কীভাবে পরিচালনা করা যায় সে সম্পর্কে মতামত সংগ্রহ করার জন্য আমরা এখনও সমস্ত ইবিইউ সদস্যদের সাথে পরামর্শ করছি। সম্প্রচারকরা ডিসেম্বরের মাঝামাঝি নিশ্চিত করতে পারবেন যে তারা আগামী বছর ভিয়েনায় অনুষ্ঠেয় ইভেন্টে অংশ নিতে চান কিনা। প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে চাওয়া প্রতিটি সদস্যের সিদ্ধান্তকে সম্মান করা হবে।’ অস্ট্রিয়ার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন জেজে এবং গত বছরের বিজয়ী সুইজারল্যান্ডের নেমো হাফপোস্ট ইউকে-এর সাথে সাম্প্রতিক একান্ত সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে তাদের মতামত ভাগ করে নিয়েছিলেন - তারাও ইউরোভিশন থেকে ইসরাইলের বহিষ্কারের আহ্বান জানিয়েছেন।
সূত্র : হাফ পোস্ট
| ইসরায়েলি হামলায় নিহত এক ফিলিস্তিনির মরদেহের পাশে স্বজনদের আহাজারি। ছবি: রয়টার্স প্রথম আলোঃ ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬২ জন নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে ২৩ মাস ধরে চলা হামলায় উপত্যকাটিতে নিহত হয়েছেন ৬৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজারের বেশি। হাসপাতাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ৬২ জনের মধ্যে ৪১ জনই গাজা নগরীর বাসিন্দা। সকাল থেকে ইসরায়েলি সেনাদের অবিরাম হামলায় তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েল যদি গাজা নগরী দখলের অভিযান এগিয়ে নেয়, তাহলে ‘বিপর্যয়কর’ পরিস্থিতি দেখা দেবে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের সতর্কতা উপেক্ষা করেই গাজা নগরী ছেড়ে বাসিন্দাদের চলে যেতে বলেছে ইসরায়েল। তাঁদের উপত্যকার দক্ষিণ দিকে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনার পরপরই হামলা চালিয়ে গাজা নগরীর আরেকটি বহুতল ভবন গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ওই ভবনে বেশ কয়েকটি বেসামরিক ফিলিস্তিনি পরিবার আশ্রয় নিয়েছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। গত শুক্রবার গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনের ৭০০তম দিন পূর্ণ হয়েছে। এদিন গাজার স্বাস্থ্য বিভাগের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর উপত্যকাটিতে ইসরায়েলের নৃশংস হামলা শুরুর পর থেকে অন্তত ১৯ হাজার ৪২৪টি শিশু নিহত হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি ৫২ মিনিটে একটি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। নিহত শিশুদের মধ্যে নবজাতক ও এক বছরের কম বয়সীর সংখ্যা প্রায় ১ হাজার। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিলে আরও সমস্যা হবে, যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা ব্যাহত হবে: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রুবিও বলেন, ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়া মানে যুদ্ধবিরতি অর্জনকে আরও কঠিন করে তোলা। তিনি ইসরাইলের পশ্চিম তীর দখলের বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি, তবে তিনি নিশ্চিত করেন যে এটি চূড়ান্ত নয়। তিনি বলেন, আমি আপনাদের শুধু এটুকুই বলতে পারি যে এটি সম্পূর্ণ অনুমানযোগ্য ছিল।
রুবিও আরও বলেন, আমরা এই দেশগুলোকে আগেই বলেছিলাম যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র এভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে না, কারণ শুধু সংবাদ সম্মেলন করে একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। তিনি এই অভিযোগও পুনরাবৃত্তি করেন যে পশ্চিম তীরে অবস্থিত ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে উন্নত করার প্রচেষ্টা গাজার প্রতিদ্বন্দ্বী হামাসকে আরও উৎসাহিত করেছে।
রুবিও বলেন, যেদিন ফ্রান্স তাদের পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছে, সেদিনই হামাস আলোচনার টেবিল থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোন ২২শে সেপ্টেম্বর একটি জাতিসংঘ শীর্ষ সম্মেলনের আহ্বান করেছেন, যেখানে তিনি ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবেন। তিনি ফিলিস্তিনের ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতি এবং ইসরাইলের অনমনীয় মনোভাবের কারণে এমনটা করছেন।
বুধবার ইসরাইলের অতি-ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ পশ্চিম তীরের কিছু অংশ দখল করার আহ্বান জানান। বেলজিয়াম, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির ফরাসি উদ্যোগে যোগ দেওয়ার পরই তিনি এই মন্তব্য করেন। স্মোট্রিচ বলেন, এই পদক্ষেপ একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ধারণাকে কবর দেবে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত ২০২০ সালে তথাকথিত আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নেয়। দেশটি তাৎক্ষণিকভাবে সতর্ক করে বলেছে যে দখল একটি রেড লাইন এবং এটি চুক্তির মারাত্মক ক্ষতি করবে। এই চুক্তিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু একটি যুগান্তকারী অর্জন হিসেবে বিবেচনা করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় তিনটি ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠন
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে (আইসিসি) সহযোগিতা করার অপরাধে (?) ফিলিস্তিনের তিনটি মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠনকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো আল-হক, প্যালেস্টিনিয়ান সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস (পিসিএইচআর) এবং আল-মিজান সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস। সংগঠনগুলোকে মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের ‘স্পেশালি ডিজাইনড ন্যাশনালস অ্যান্ড ব্লকড পারসনস লিস্ট’-এ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, সংগঠনগুলো ইসরাইলের সম্মতি ছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)-এর তদন্ত, গ্রেপ্তার ও বিচারের প্রচেষ্টায় সরাসরি যুক্ত। এর আগে গাজায় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গালান্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আইসিসি। তার প্রতিক্রিয়ায় আইসিসির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয় ট্রাম্প প্রশাসন।
উল্লেখ্য, আল-হক সংগঠনটি রামাল্লাহভিত্তিক। আন্তর্জাতিক পরিসরে ইসরাইলি অপরাধের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার আইনি লড়াইয়ে সক্রিয় তারা। পিসিএইচআর ও আল-মিজান হলো গাজাভিত্তিক নিরপেক্ষ মানবাধিকার সংগঠন। দীর্ঘদিন ধরে তারা ইসরাইলের যুদ্ধাপরাধ নথিভুক্ত করছে। তিনটি সংগঠন যৌথ বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞাকে ‘অত্যন্ত অমানবিক, বেআইনি ও গণতন্ত্রবিরোধী পদক্ষেপ’ আখ্যা দিয়েছে। তারা বলেছে, যখন আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে গণহত্যা চলছে, তখন এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা কাপুরুষোচিত ও অনৈতিক। কেবল মানবতার প্রতি সম্পূর্ণ অশ্রদ্ধাশীল রাষ্ট্রই মানবাধিকার সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নিতে পারে।
মানবাধিকার বিষয়ক আইনজীবী মোহসেন ফারশনেশানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, এগুলো ফিলিস্তিনের সবচেয়ে প্রভাবশালী তিনটি মানবাধিকার সংগঠন। দুঃখজনক হলেও আশ্চর্যজনক নয়, (ট্রাম্পের) এই প্রশাসন প্রতিবারই ইসরাইলের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়। জুনে যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিনি বন্দিদের অধিকার নিয়ে কাজ করা আদ্দামীর-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। তখন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচ সতর্ক করে বলে, এটি সংগঠনটির দৈনন্দিন কার্যক্রম ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে কঠিন করে তুলবে। জুলাইয়ে ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন-এর ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেয়। একই সময়ে বাইডেন আমলে আরোপিত অবৈধ ইসরাইলি বসতি ও সহিংস সংগঠনগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় ট্রাম্প প্রশাসন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজার বর্বরতা নিয়ে হারেৎজ পত্রিকার মূল্যায়ন
এ ঘটনা বিরল, নজিরবিহিন। নেতানিয়াহু সেদিনের ঘটনায় বলেন, ‘নাসের হাসপাতালে আজ যে দুঃখজনক ভুলটি ঘটেছে, ইসরাইল গভীরভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।’ তবে হিব্রু অ্যাকাউন্টে তিনি এ বার্তা দেননি। অর্থাৎ তার নিজদেশের মানুষের কাছে ভাল থাকতে চেয়েছেন। তাদের সামনে তিনি দেখাতে চেয়েছেন তিনি ক্ষমা চাননি। কিন্তু সত্যের কল যে বাতাসে নড়ে। যারা সচেতন, আন্তর্জাতিক খবরাখবর রাখেন তারা ঠিকই জেনে গেছেন তার হঠকারিতা। হারেৎজ আরও লিখেছে, আগস্টে গাজায় যারা নিহত হয়েছেন তাদের বেশির ভাগই ইসরাইলি বিমান হামলা বা কামান নিক্ষেপে প্রাণ হারিয়েছেন। এগুলো আঘাত হেনেছে বাস্তুচ্যুতদের তাঁবু, ঘরবাড়ি কিংবা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের ওপর। সেদিনই হাসপাতাল থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে বাস্তুচ্যুতদের এক তাঁবুতে মিসাইল আঘাত হানে। নিহত হন পাঁচজন- ওদাহ ও আলিনে কাওয়ারিয়া দম্পতি এবং তাদের তিন শিশু সন্তান ঈসা, আলিয়ান ও হুসাম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে তিন শিশুর দেহ পাশাপাশি পড়ে থাকতে দেখা যায়। ওদাহর ভাই আহমেদ জানান, পরিবারটি ঘুমিয়ে থাকার সময় ড্রোন হামলায় মারা যায়। তিনি আরও বলেন, পরিবারটির কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ছিল না। বাবা ওদাহ আগের এক হামলায় চোখ হারান এবং তিনি আংশিক প্যারালাইসিসে ভুগছিলেন। আহমেদ বলেন, গাজায় কোথাও নিরাপদ জায়গা নেই। তারা শুধু আমাদের একত্রিত করে মেরে ফেলে। একই দিনে নুসোইরাত শরণার্থী শিবিরে আরেকটি তাঁবুতে মিসাইল আঘাত হানে। নিহত হন শেখ ইমরান কুদাইহ, তার সন্তান জাকারিয়া, ঈসা, ইয়াহিয়া এবং ১২ বছরের নাতি আনাস।
কিন্তু সেদিনটি ছিল গাজার জন্য তুলনামূলক কম প্রাণঘাতী দিন। আগস্টে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০০ জনকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মৃত্যুর তালিকায় যোগ করতে হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৭০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলায়। আনুমানিক ৩০ ভাগ মানুষ নিহত হয়েছেন খাদ্য বিতরণ কেন্দ্র বা সাহায্য কনভয়ের কাছে গুলিতে। কিন্তু বেশির ভাগই প্রাণ হারিয়েছেন বিমান হামলা ও কামান নিক্ষেপে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিশ্ব গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক আলোচনায় গাজার ব্যাপক ক্ষুধা নিয়ে বেশি মনোযোগ দেয়া হয়েছে। তবে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সবচেয়ে বড় মৃত্যুর কারণ রয়ে গেছে বিমান হামলাই। হারেৎজ সাময়িকী ইসরাইলি সেনাদের কাছে জুলাইয়ের শেষ থেকে আগস্টের শেষ পর্যন্ত ২৯টি নথিভুক্ত হামলার তালিকা পাঠায়। সেখানে ১৮০ জন নিহত হয়েছেন বলে ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। ইসরাইলি সেনারা মাত্র পাঁচটির আংশিক জবাব দিয়েছে। ২৪টির ক্ষেত্রে কেবল সাধারণ বিবৃতি দিয়েছে। ২৮ জুলাই নুফাল পরিবারের ১৫ জন নিহত হন। সেনাদের দাবি ছিল টার্গেট ছিল চারজন যোদ্ধা। ১১ আগস্ট গাজার দক্ষিণাঞ্চলে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের কথা বলে একটি আবাসিক ভবনে মিসাইল হামলা চালানো হয়। নিহত হন নয়জন, এর মধ্যে আরহিম পরিবারের ছয় শিশু রয়েছে। কয়েক দিন পর একটি স্কুলে আশ্রিত বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর ওপর হামলায় সাতজন নিহত হন। ২৫ আগস্ট নাসের হাসপাতালের দিনেই কাওয়ারিয়া পরিবার নিহত হয়। কিন্তু সেনারা এ হামলাকে অস্বীকার করছে।
অন্য হামলাগুলোর বিষয়ে সেনাদের প্রতিক্রিয়া ছিল কেবল সাধারণ বক্তব্য: তারা শুধু “সামরিক টার্গেটে” হামলা চালায় এবং বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতি কমানোর চেষ্টা করে। তবে অভিযোগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা তারা দেয়নি। ৮ আগস্ট আবু হাজরাস পরিবারের মুহাম্মদ, রানা ও তাদের পাঁচ সন্তান নিহত হন। মুহাম্মদ ছিলেন ফাতাহ-ঘনিষ্ঠ পুলিশ কর্নেল এবং যোগাযোগ বিষয়ক প্রকৌশলী। পরিবারটির হামাসের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক ছিল না। ১৩ আগস্ট আবু হানিদেক পরিবারের সাত শিশু নিহত হয়। ৩০ আগস্ট হামাস মুখপাত্র আবু উবেইদা নিহত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে গাজা সিটির আনসার এলাকায় রুটি সংগ্রহে দাঁড়ানো লাইনে মিসাইল আঘাত হানে। নিহত হন ১২ জন। এর মধ্যে পাঁচটি শিশু। ভিডিওতে দেখা যায়, মানুষ রক্তমাখা রুটি কুড়িয়ে নিচ্ছে। দেহগুলো ট্রাকে তোলা হচ্ছে। আর এক মা ভেঙে পড়া ভবনের সামনে সন্তানকে বিদায় জানাচ্ছেন। ইসরাইলি সেনাদের পক্ষ থেকে হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো হয়নি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে পুতিনের অনড় অবস্থানের নেপথ্যে কী
সম্প্রতি ‘রাশিয়ান ফার ইস্ট’ অঞ্চলে এক সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পশ্চিমা বিশ্বের উদ্দেশে একটি হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, ইউক্রেনে যেন কোনো সেনা পাঠানোর কথা ভাবাও না হয়—শান্তিরক্ষী বাহিনী হলেও নয়।
পুতিন বলেন, ‘যদি সেখানে কোনো সেনা মোতায়েন করা হয়, বিশেষ করে লড়াই চলার এ সময়ে, তবে আমরা তাঁদের বৈধ নিশানা হিসেবে ধরব।’
এরপর পুতিনের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া দেখা গেল। রাশিয়ার ভ্লাদিভস্তক শহরে অর্থনৈতিক ফোরামে উপস্থিত থাকা দর্শকেরা পুতিনের কথা শুনে হঠাৎই করতালিতে ফেটে পড়লেন। রুশ কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতারা যেন পশ্চিমা সেনাদের ‘ধ্বংস’ করে দেওয়ার ওই হুমকিকে খোলাখুলিই স্বাগত জানালেন।
কিয়েভের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নিয়ে সহায়তা করতে আগ্রহী মিত্রদেশগুলো (কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং) যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ইউক্রেনের জন্য ‘শান্তিরক্ষী বাহিনী’ গঠনের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার এক দিন পর পুতিন ওই হুঁশিয়ারি দেন।
পুতিন বলেন, তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে দেখা করতে রাজি, কিন্তু সে সাক্ষাৎ শুধু রাশিয়াতেই হতে হবে। তখন দর্শকেরা আবার হাততালি দিলেন।
পুতিন বলেন, ‘এর জন্য সেরা স্থান রাশিয়ার রাজধানী, হিরো সিটি মস্কো।’
রাশিয়ার বাইরে পুতিনের প্রস্তাবকে একেবারেই গুরুত্বহীন ও বাস্তবায়নযোগ্য নয় বলে মনে করা হয়েছে। একে রাজনৈতিক ট্রল হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে অনেক দিক থেকে এটি ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ক্রেমলিনের বর্তমান অবস্থানকে পুরোপুরি প্রকাশ করেছে।
পুতিন বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা শান্তি চাই, কিন্তু শুধু আমাদের শর্ত সাপেক্ষে। আমাদের শর্ত মানবেন না? তাহলে শান্তি নেই।’
রুশ প্রেসিডেন্টের এ অনড় অবস্থানের পেছনে কয়েকটি কারণ আছে।
প্রথমত, ক্রেমলিন মনে করে, ইউক্রেনে রুশ সেনারা যুদ্ধে সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন।
দ্বিতীয়ত, কূটনৈতিক সাফল্য। সম্প্রতি চীন সফরে পুতিন অনেক বিশ্বনেতার সঙ্গে হাত মেলান এবং হাসিমুখে দেখা করেন। এর মাধ্যমে দেখানো হয় যে চীন, ভারত ও উত্তর কোরিয়ার মতো শক্তিশালী বন্ধু রাশিয়ার আছে।
এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের প্রসঙ্গও আসে। গত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পুতিনকে আলাস্কায় শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকের জন্য আমন্ত্রণ জানান। যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরার পর রুশপন্থী বিশ্লেষকেরা বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পশ্চিমারা রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করতে যে ব্যর্থ হয়েছে—এ বৈঠক তার প্রমাণ।
ক্রেমলিনকে যুদ্ধ শেষ করতে রাজি করানোর জন্য ট্রাম্প আগে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন ও চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দেন। রাশিয়া যদি শান্তি প্রতিষ্ঠা না করে তবে আরও নিষেধাজ্ঞা চাপানোর হুমকি দিয়েছিলেন তিনি।
তবে ট্রাম্প সেসব হুমকি কার্যকর করেননি। আর এটা রাশিয়ার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাওয়ার পেছনে আরেকটি বড় কারণ।
পুতিন প্রকাশ্যে ট্রাম্পের শান্তি প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন। এরপরও তিনি ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন ও ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে কোনো ছাড় দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেননি।
তাহলে শান্তির সম্ভাবনা কতটুকু
পুতিন সম্প্রতি বলেছেন, তিনি আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন।
রুশ প্রেসিডেন্ট এ–ও বলেন, ‘আমার মনে হয়, এখন রাশিয়া একদিকে এবং ইউক্রেন ও ইউরোপ (কিছুটা যুক্তরাষ্ট্রও) অন্যদিকে; একেবারেই ভিন্ন পথে, ভিন্ন দিকে ও ভিন্ন গন্তব্যে।’
যুদ্ধ শেষ করা, কিয়েভের জন্য নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পাওয়া এবং যুদ্ধের পর ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী যেন আরেকটি আগ্রাসন রোধ করার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী থাকে, তা নিশ্চিত করার মতো বিষয়গুলোর ওপর এখন জোর দিচ্ছে ইউক্রেন ও ইউরোপ।
পুতিন যখন আশার আলো দেখতে পাওয়ার কথা বলেন, তখন মনে হয়, তিনি এমন কিছু ভাবছেন, যার মধ্য দিয়ে ইউক্রেনে রাশিয়ার জয় হবে এবং রাশিয়ার পক্ষে আরও বেশি করে একটি নতুন বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলা যাবে।
শান্তি প্রতিষ্ঠা প্রশ্নে বলতে হয়, এ দুই ভিন্ন পথ কখন বা কোথায় মিলবে, তা বোঝা কঠিন। অর্থাৎ দুই পক্ষের লক্ষ্য এক নয়—ইউক্রেনে ইউরোপ শান্তি চায়, আর পুতিন চান নিজের শর্তে বিজয়। তাই শান্তির সম্ভাবনা খুব কম।
![]() |
| রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ফাইল ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউক্রেন ইস্যুতে পশ্চিমাদের নিরাপত্তা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, কঠোর হুঁশিয়ারি পুতিনের
এতে বলা হয়, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন বলেছেন, ইউক্রেনের ২৬টি মিত্র দেশ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থল, সমুদ্র বা আকাশপথে সেনা মোতায়েন করার আনুষ্ঠানিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে তিনি কোন কোন দেশ এই উদ্যেগে মত দিয়েছে তা স্পষ্ট করেননি। পশ্চিমাদের এই উদ্যোগ বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুতিন। পশ্চিমারা সেনা মোতায়েন করলে তারা বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। আপাতত কোনো সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা না থাকলেও, তিনি সতর্ক করে বলেছেন যে যদি এখন কোনো সৈন্য আসে তাদেরও লক্ষ্য বানাবে মস্কো।
গত মাসে আলাস্কায় পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে পুতিনের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও, আপাতত সে আশা অস্তমিত। শুক্রবার পুতিন বলেন, তিনি ইউক্রেনীয় নেতার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য প্রস্তুত, তবে এর কোনো অর্থ আছে বলে মনে করেন না তিনি। তার মতে ইউক্রেনের সঙ্গে মূল বিষয়ে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব।
আলাস্কার বৈঠকের পর থেকে বৃটেন ও ফ্রান্সের নেতৃত্বে গঠিত কোয়ালিশন অফ দ্য উইলিং নিবিড়ভাবে কিয়েভকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দেওয়ার বিষয়ে কাজ করছে। এর মধ্যে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীকে শক্তিশালী করা এবং যেকোনো চুক্তির তত্ত্বাবধানের জন্য একটি বাহিনী পুনর্গঠন করা অন্তর্ভুক্ত। ইউক্রেনে নতুন করে কোনো হামলা প্রতিরোধে এ বাহিনী মোতয়েন করা হবে বলে জোর দেন ম্যাক্রন। যারা ফ্রন্টলাইনে থাকবে না। ফরাসি প্রেসিডেন্ট জানান, তাদের বাহিনী রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত হবে না। প্যারিসের ওই বৈঠককে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ হিসাবে বর্ণনা করেছেন জেলেনস্কি।
কিয়েভ বিশ্বাস করে একটি বৃহত্তর শান্তি চুক্তি সুরক্ষিত করার আগে ইউক্রেনে একটি যুদ্ধবিরতি হওয়া উচিত, যদিও রাশিয়া এতে একমত নয়। পশ্চিমা বাহিনী মোতায়েনের বিরোধীতা করে পুতিন বলেন, যদি এমন সিদ্ধান্ত হয় যা দীর্ঘমেয়াদী শান্তির দিকে পরিচালিত করবে, তাহলে আমি বিদেশি সেনাদের উপস্থিতির কোনো অর্থই দেখি না। তিনি আরও বলেন, রাশিয়া দীর্ঘমেয়াদী শান্তির দিকে পরিচালিত যেকোনো সিদ্ধান্ত পুরোপুরি মেনে চলবে। যদিও ইউক্রেন এবং তার পশ্চিমা মিত্ররা তার কথায় বিশ্বাস করবে এমন সম্ভাবনা কম।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাজ্যে ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’ গ্রুপের বিক্ষোভ থেকে ৪ শতাধিক গ্রেপ্তার: গাজায় ৬২ ফিলিস্তিনি নিহত
যুক্তরাজ্যে ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’ গ্রুপের বিক্ষোভ থেকে ৪ শতাধিক গ্রেপ্তার: গাজায় ৬২ ফিলিস্তিনি নিহত
স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার এ বিক্ষোভের আয়োজন করে ডিফেন্ড আওয়ার জুরিস নামের একটি ক্যাম্পেইন গ্রুপ। তারা জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট স্কয়ারে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে প্রায় দেড় হাজার মানুষ অংশ নেন।
ডিফেন্ড আওয়ার জুরিস এক্সে (সাবেক টুইটার) ঘটনার একটি ভিডিও পোস্ট করেছে। তাতে লেখা হয়েছে, ‘পুলিশ নৃশংসভাবে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। এ ছাড়া ‘‘আমি গণহত্যার প্রতিবাদ জানাই। আমি প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের পক্ষে’’ লেখা প্ল্যাকার্ড ধরায় অন্যদের গণহারে গ্রেপ্তার করা হয়।’
যুক্তরাজ্যের সংবাদ সংস্থা প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘর্ষের সময় পুলিশ লাঠিপেটা করে। একজন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর মুখ বেয়ে রক্ত ঝরতে দেখা যায়।
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের তীব্র বাগ্বিতণ্ডা হয় এবং তাঁদের দিকে পানি ও প্লাস্টিকের বোতল ছোড়া হয়। একপর্যায়ে ভিড়ের চাপে কয়েকজন বিক্ষোভকারী মাটিতে পড়ে যান।
লন্ডন মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, ৪২৫ জনেরও বেশি মানুষকে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশের ওপর হামলা ও নিষিদ্ধ একটি সংগঠনের প্রতি সমর্থনে অভিযোগ রয়েছে।
লন্ডন মহানগর পুলিশ এক্সে জানিয়েছে, ‘পার্লামেন্ট স্কয়ারে অনুষ্ঠিত ডিফেন্ড আওয়ার জুরিসের বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের সময় আমাদের কর্মকর্তারা অস্বাভাবিক মাত্রার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এ সময় ঘুষি, লাথি, থুতু নিক্ষেপ ও ইটপাটকেল ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি তাঁদের গালিগালাজও করা হয়েছে।’
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৬২ ফিলিস্তিনি নিহত
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬২ জন নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে ২৩ মাস ধরে চলা হামলায় উপত্যকাটিতে নিহত হয়েছেন ৬৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজারের বেশি। হাসপাতাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
৬২ জনের মধ্যে ৪১ জনই গাজা নগরীর বাসিন্দা। সকাল থেকে ইসরায়েলি সেনাদের অবিরাম হামলায় তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েল যদি গাজা নগরী দখলের অভিযান এগিয়ে নেয়, তাহলে ‘বিপর্যয়কর’ পরিস্থিতি দেখা দেবে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘের সতর্কতা উপেক্ষা করেই গাজা নগরী ছেড়ে বাসিন্দাদের চলে যেতে বলেছে ইসরায়েল। তাঁদের উপত্যকার দক্ষিণ দিকে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনার পরপরই হামলা চালিয়ে গাজা নগরীর আরেকটি বহুতল ভবন গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ওই ভবনে বেশ কয়েকটি বেসামরিক ফিলিস্তিনি পরিবার আশ্রয় নিয়েছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।
গত শুক্রবার গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনের ৭০০তম দিন পূর্ণ হয়েছে। এদিন গাজার স্বাস্থ্য বিভাগের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর উপত্যকাটিতে ইসরায়েলের নৃশংস হামলা শুরুর পর থেকে অন্তত ১৯ হাজার ৪২৪টি শিশু নিহত হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি ৫২ মিনিটে একটি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। নিহত শিশুদের মধ্যে নবজাতক ও এক বছরের কম বয়সীর সংখ্যা প্রায় ১ হাজার।
![]() |
| প্যালেস্টাইন অ্যাকশন গ্রুপের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভকারীদের কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউক্রেনে পশ্চিমা সেনারা হামলার ‘বৈধ নিশানা’ হবে: পুতিন
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ জানান, ২৬টি দেশ ইউক্রেনকে যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে নিরাপত্তা নিশ্চয়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর মধ্যে স্থল, সমুদ্র ও আকাশসীমায় আন্তর্জাতিক বাহিনীর তদারকের বিষয়টি থাকবে। মাখোঁর এই বক্তব্যের পরদিনই পুতিন এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলেন।
রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, ইউক্রেনে তাদের যুদ্ধ শুরু করার অন্যতম কারণ পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো যাতে ইউক্রেনকে জোটভুক্ত করতে না পারে এবং ইউক্রেনে তাদের বাহিনী মোতায়েন করতে না পারে।
আজ ভ্লাদিভস্তকে একটি অর্থনৈতিক ফোরামে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তাই বিশেষ করে এখন সামরিক অভিযানের সময় যদি সেখানে (ইউক্রেনে) কিছু সেনা এসে হাজির হন, সেই বাস্তবতায় আমরা ধরেই নিই যে বিনাশ করার জন্য তাঁরা বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।’
পুতিন বলেন, ‘আর যদি এমন কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় যা শান্তির দিকে নিয়ে যাবে, দীর্ঘমেয়াদি শান্তির দিকে, তাহলে আমি ইউক্রেনের ভূখণ্ডে তাদের (পশ্চিমা সেনাদের) উপস্থিতির কোনো অর্থ দেখি না; এ বিষয়ে এটিই আমার শেষ কথা।’
ভবিষ্যতে যেকোনো চুক্তির অধীনে ইউক্রেনের নিরাপত্তার জন্য কী ধরনের নিশ্চয়তা থাকবে, সে বিষয়ে মস্কো এবং কিয়েভ ও তার পশ্চিমা মিত্রদের অবস্থানের মধ্যে যে বিস্তর ফারাক, তা পুতিনের এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়েছে।
ভবিষ্যতে যেকোনো আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে ইউক্রেন পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে জোরালো সমর্থন চাইছে। ইউক্রেনকে সহায়তায় একটি ‘ইচ্ছুক জোট’ সমন্বয়ের ভূমিকায় রয়েছে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য। দেশ দুটি ইঙ্গিত দিয়েছে, যুদ্ধ শেষ হলে তারা ইউক্রেনে সেনা মোতায়েন করতে প্রস্তুত।
অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ওয়াশিংটন ইউক্রেনে সেনা মোতায়েন করবে না। তবে আকাশপথের সুরক্ষায় সহায়তাসহ অন্যান্য সহযোগিতা দিতে পারে তারা।
পুতিন বলেছেন, অবশ্যই রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয়ের জন্যই নিরাপত্তা নিশ্চয়তা থাকতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমি আবারও বলছি, অবশ্যই রাশিয়া এই সমঝোতাগুলো বাস্তবায়ন করবে। তবে যা-ই হোক না কেন, এখনো কেউ আমাদের সঙ্গে এ বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করেনি।’
দ্রুত এই যুদ্ধ শেষ করার অঙ্গীকার নিয়ে জানুয়ারিতে ক্ষমতা গ্রহণ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত মাসে আলাস্কায় পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। তবে সেই বৈঠকে যুদ্ধবিরতির বিষয়ে সরাসরি কোনো সাফল্য আসেনি।
৮০ বছরের মধ্যে ইউরোপে সবচেয়ে প্রাণঘাতী এই যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করে আসছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তবে পুতিন আজ বলেছেন, এ ধরনের বৈঠকের খুব বেশি অর্থ দেখেন না। কারণ, ইউক্রেনীয় পক্ষের সঙ্গে মূল বিষয়গুলো নিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো বাস্তবে অসম্ভব হবে।
অবশ্য এরপরও মস্কোয় জেলেনস্কিকে আতিথেয়তা দেওয়ার যে প্রস্তাব চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে দিয়েছেন, সেটি আজও পুনর্ব্যক্ত করেছেন পুতিন। তিনি বলেন, ‘আমি বলেছিলাম, আমি প্রস্তুত। অনুগ্রহ করে আসুন, আমরা অবশ্যই আলোচনার পরিবেশ এবং নিরাপত্তার শতভাগ নিশ্চয়তা দেব।’
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘কিন্তু যদি তারা আমাদের বলে, “আমরা আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাই, কিন্তু এই বৈঠকের জন্য আপনাকে অন্য কোথাও যেতে হবে”, তাহলে আমার মনে হয়, এটা আমাদের কাছে কেবলই বাড়তি আবদার।’
মস্কোয় বৈঠকের সম্ভাবনার বিষয়টি সরাসরি উল্লেখ না করে জেলেনস্কি আজ শুক্রবার বলেছেন, ‘আমরা যেকোনো ধরনের বৈঠকের জন্য প্রস্তুত। কিন্তু আমরা মনে করি না যে পুতিন এই যুদ্ধ শেষ করতে প্রস্তুত। তিনি কথা বলতে পারেন, কিন্তু সেগুলো শুধুই কথার কথা এবং কেউই তাঁর কথা বিশ্বাস করে না।’
![]() |
| রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ফাইল ছবি : রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলের হামলায় গুঁড়িয়ে গেল গাজা নগরীর বহুতল ভবন
গাজা উপত্যকার সবচেয়ে বড় শহর এলাকা এই গাজা নগরী। এই এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে গত মাস থেকে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। আকাশপথে হামলার পরিমাণ বাড়িয়েছে তারা। নগরীর উপকণ্ঠে চালানো হচ্ছে স্থল অভিযান। এতে সেখানে আগে থেকে সংকটে থাকা ফিলিস্তিনিদের অবস্থা আরও শোচনীয় হয়েছে। কত দিন এ অভিযান চলবে, তা–ও জানায়নি ইসরায়েল।
গাজা নগরীর বহুতল আবাসিক ভবনটিতে ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালায় আজ শনিবার। তাদের দাবি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের জন্য ওই ভবনে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি স্থাপন করেছিল হামাস। এ ছাড়া সেখান থেকে ইসরায়েলি সেনাদের ওপর পর্যবেক্ষণ করা হতো। তাই ভবনটি ধ্বংস করেছে তারা। তবে এ ক্ষেত্রে ‘বেসামরিক মানুষের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে’ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
১৫ তলা ওই ভবনের নাম সুসি রেসিডেনশিয়াল টাওয়ার বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। তাঁদের চোখের সামনেই ভবনটি ধ্বংস হয়েছে। এ ছাড়া ভবন ধ্বংসের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। আগের দিনও গাজা নগরীর একটি বহুতল ভবনে ইসরায়েলের হামলার ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন তিনি।
ভিডিও প্রকাশ করে কাৎজ বলেছেন, এমন হামলা চলতে থাকবে। একই হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। হামাসের ব্যবহৃত বিভিন্ন স্থাপনা—বিশেষ করে বহুতল ভবনগুলো লক্ষ্য করে আগামী দিনগুলোতে হামলা চালানো হবে বলে জানিয়েছে তারা। গতকালই তারা আরেকটি বহুতল ভবন থেকে বাসিন্দাদের সরে যেতে বলেছে। একই সঙ্গে গাজা নগরীর বাসিন্দাদের সরে যেতে বলা হয়েছে।
গাজা নগরীর বাসিন্দাদের উদ্দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর মুখপাত্র অ্যাভিচে আদ্রাই তাঁদের ‘নিরাপদ’ আল–মাওয়াসি এলাকায় সরে যেতে বলেন। এই এলাকার অবস্থান উপত্যকার দক্ষিণে খান ইউনিসে। সেখানে গেলে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে ফিলিস্তিনিদের খাবার, তাঁবু, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করা হবে বলে জানান তিনি।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় নৃশংস হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। হামলার শুরুর দিকেই আল–মাওয়াসিকে ‘নিরাপদ’ এলাকা বলে ঘোষণা দিয়েছিল তারা। এরপরও সেখানে বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের মধ্যে হামাস যোদ্ধারা লুকিয়ে আছেন—এমন অভিযোগ তুলে বারবার হামলা চালানো হয়েছে। তাই সেখানে নিয়ে আদৌ নিরাপত্তা মিলবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে ফিলিস্তিনিদের।
এমনই একজন আবদেল নাসের মুসতাহা। ৪৮ বছর বয়সী এই ফিলিস্তিনি গাজা নগরীর জেইতুন এলাকার বাসিন্দা। এখন নগরীর রিমাল এলাকায় আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘কেউ বলছেন পালিয়ে যাওয়া উচিত। কেউ বলছেন, না। কারণ, গাজার সব জায়গায় বোমাবর্ষণ হচ্ছে। দেড় বছর ধরে কথিত আল–মাওয়াসি মানবিক এলাকায় বোমাবর্ষণ করে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছে।’
যেমন আজই গাজায় ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে ২৩ মাস ধরে চলা হামলায় উপত্যকাটিতে নিহত হয়েছেন ৬৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজারের বেশি। বেশির ভাগই নারী ও শিশু। এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েল যদি গাজা নগরী দখলের অভিযান এগিয়ে নেয়, তাহলে ‘বিপর্যয়কর’ পরিস্থিতি দেখা দেবে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।
গত মাসে গাজা নগরীতে দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করেছিল জাতিসংঘ–সমর্থিত প্রতিষ্ঠান আইপিসি। জাতিসংঘের হিসাবে, বর্তমানে এই এলাকা এবং আশপাশে প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনি রয়েছেন। তাঁদের বেশির ভাগই হামলার মুখে প্রাণ বাঁচাতে একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। নগরীর বাসিন্দা নাসের মুসতাহার ২০ বছর বয়সী মেয়ে সামিয়া মুসতাহা বলেন, ‘আমরা কোথায় যাব? বোমা অথবা অনাহার—মৃত্যু তো আমাদের তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে।’
![]() |
| বহুতল ভবন সুসি টাওয়ারের ধ্বংসস্তূপের পাশে বসে আছেন অসহায় এক ফিলিস্তিনি। আজ গাজা নগরীতে। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোদি কোন বিশ্বাসে চীনের দিকে ঝুঁকলেন by সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
ভারত ও চীন প্রতিবেশী হলেও একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী। সম্পর্কও আমে-দুধে নয়; ১৯৬২ সালে দেশ দুটি যুদ্ধ করেছিল। সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তবিরোধ আজও অমীমাংসিত। সেই বিরোধেরই পরিণতি ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষ। অরুণাচল প্রদেশকে চীন এখনো তাদের অংশ মনে করে। ৬৬ বছর কেটে গেলেও দালাই লামার আচরণ নিয়ে এখনো আপত্তি জানায়।
দুই প্রতিবেশীর সহযোগিতা যত, রেষারেষিও ততটাই। কেউই প্রকৃত অর্থে পরস্পরের বন্ধু নয়। বরং ভারতের যে চিরকালীন শত্রু, দেশভাগের পর যার সঙ্গে চারবার যুদ্ধে জড়িয়েছে, সাড়ে তিন দশক ধরে জম্মু-কাশ্মীরে যাদের রপ্তানি করা সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলা করতে হচ্ছে, সেই পাকিস্তানের সর্বঋতুর অকৃত্রিম বন্ধু চীন।
বন্ধু বলেই অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানকে তারা ‘স্যাটেলাইট ইন্টেলিজেন্স ইনপুট’ বিরামহীন সরবরাহ করেছে, যা তাদের দেওয়া জে-৩৫ ফাইটার বিমান ও পিএল ১৫ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা কার্যকর করতে উপযোগী। কাজেই চীনকে ভারত কখনোই বিশ্বস্ত মনে করে না; কিন্তু তা সত্ত্বেও চীনকে উপেক্ষা করার ধৃষ্টতা ভারতের নেই তার সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তির কারণে। নেই বলেই এত কিছুর পরও চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক ভারত অটুট রেখেছে। পাকিস্তানের জন্য সব দরজা বন্ধ করলেও চীনের জন্য সব বাতায়ন খোলা।
এই সম্পর্ককে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে তিয়ানজিনে সির সঙ্গে হাত মেলালেন মোদি। দুজনের দোসর হিসেবে হাজির ছিলেন ভারতের চিরকালের বন্ধু রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
এই নতুন অক্ষ তৈরির অনুঘটক অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইদানীং যিনি আধুনিক যুগের ‘মোহাম্মদ বিন তুঘলক’। তাঁর অভিনব শুল্কযুদ্ধের সম্ভাব্য পরিণতি এখনো অজানা। কিন্তু মোদি, সি ও পুতিনকে তিনিই কাছাকাছি এনেছেন। এতে আখেরে লাভ চীনের এবং চীনের লাভ মানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি—এই উপলব্ধি তাঁকে সতর্ক করলে ও দ্রুত বোধোদয় ঘটালে আগামী দিনে শুল্ক রেষারেষির ক্যানভাস বদলে যেতে পারে। ট্রাম্পের মনে রাখা উচিত যুক্তরাষ্ট্রের বিপদ ভারত নয়, শত্রু তো নয়ই। এমন কিছু করা তাই ঠিক নয়, যা ভারতকে কোণঠাসা ও চীনকে উৎফুল্ল করে তোলে।
অর্থনৈতিক প্রশ্নে ভারত এখনই কোণঠাসা। অর্থনীতির অতিরিক্ত চীননির্ভরতা সেই অবস্থার কারণ। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে চীন যদি গালিভার হয়, ভারত তা হলে লিলিপুট। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ ১২৭ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার। এই বাণিজ্য প্রায় পুরোটাই একপক্ষীয়। কেননা, চীনে ভারতের রপ্তানি মাত্র ১৪ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার, আমদানি যেখানে ১১৩ দশমিক ৫০ বিলিয়ন। বাণিজ্যঘাটতির পরিমাণ প্রায় ১০০ বিলিয়ন! ট্রাম্পের খামখেয়ালিপনা থেকে মোদিকে বাঁচাতে সি চিন পিংয়ের হাত বাড়ানোর অর্থ ভারতকে আরও বেশি চীননির্ভর করে তোলা। চীনও তা–ই চায়। সেটিই প্রধান লক্ষ্য।
গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ (জিটিআরআই) ভারতের অতিনির্ভরতার নমুনাগুলো তুলে ধরেছে। যাবতীয় ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেশিনারি, ইলেকট্রনিক, ফার্মাসিউটিক্যালস, কেমিক্যালস, সিলিকন ওয়েফার্স, অ্যান্টিবায়োটিক, ল্যাপটপ, মুঠোফোন, সেমিকন্ডাক্টর, টেলিকম, সোলার প্যানেলের মতো নবায়নযোগ্য শক্তি, লিথিয়াম ব্যাটারি সেল ও বিরল খনিজ পদার্থের জন্য চীনের দিকে হাপিত্যেশ চেয়ে থাকা ছাড়া ভারতের উপায় নেই।
গত ১১ বছরে আরও বেশি করে চীন হয়ে উঠেছে সেই মাচা, যেখানে লতিয়ে বেড়ে চলেছে ভারতের অর্থনীতি। এই পরমুখাপেক্ষী থেকে আত্মনির্ভর হওয়ার জন্য যে নীতি গ্রহণ আবশ্যক ছিল, দুঃখের বিষয় সেদিকে নজর দেওয়া হয়নি।
একসময় যেসব পণ্য ভারতে তৈরি হতো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের যে রমরমা অবস্থা ছিল, আজ তা অন্তর্হিত। ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক পণ্যের বাজারের ৯৭ ভাগ আজ চীনের দখলে। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কিংবা ‘ভোকাল ফর লোকাল’ নিতান্তই স্লোগান হয়ে থেকেছে।
মোদির কণ্ঠে এখন স্বদেশিয়ানার যে মন্ত্র উচ্চারিত, বাস্তব অর্থে সেটিও ছেলেভোলানো গীত। চীনা অক্টোপাসের বন্ধনে জড়িয়ে পড়েছে ভারত। ট্রাম্পের শুল্কযুদ্ধ ও মোদির তিয়ানজিন সফর তাই একজনেরই হাসি আকর্ণ বিস্তৃত করেছে। সি চিন পিং।
এটা ঠিক, গত অর্থবছরেও যুক্তরাষ্ট্র ছিল ভারতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যসঙ্গী। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ১৩১ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ভারতের রপ্তানি প্রায় ৮৭ বিলিয়ন, আমদানি ৪৫ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার। ভারতের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত প্রায় ৪২ বিলিয়ন ডলার।
শুল্কযুদ্ধের দরুন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি অর্ধেক কমে গেলে আন্তর্জাতিক রেটিং সংস্থা মুডিসের মতে ভারতের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশের নিচে চলে যাবে; কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা, কর্মহীন হবে অন্তত ৫০ লাখ মানুষ। সেই সুযোগে চীনের থাবা আরও গেড়ে বসবে। মার্কিন মুলুকেই বলাবলি শুরু হয়েছে, ভারতের দুর্বল হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ক্ষতিকর। কারণ, তাতে চীনের ক্ষমতা, প্রতিপত্তি ও শক্তি আরও বাড়বে।
ট্রাম্প এই সহজ সত্যটুকু কেন বুঝছেন না, সেই প্রশ্ন তাঁর দেশেই উঠছে। যা নিয়ে তাঁর জেদ, বাণিজ্যচুক্তি আলোচনা প্রধানত যে কারণে থমকে গেছে, সেই কৃষি ও ডেইরি ক্ষেত্র উন্মুক্ত করা নরেন্দ্র মোদি কেন; ভারতের কোনো নেতার পক্ষেই সম্ভবপর নয়। ভারতের জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান প্রায় ২০ শতাংশ, ডেইরি খাতের ৫ শতাংশ। সরকারি হিসাবে ২০২৩-২৪ সালে কৃষিতে নিযুক্ত মানুষের সংখ্যা ছিল ৫২ শতাংশ। ডেইরি খাতে সরাসরি নিযুক্ত আট কোটি। ক্ষেত্র দুটি উন্মুক্ত হলে ৭০ কোটি গ্রামীণ মানুষের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার রিপোর্ট, ডেইরি খাত উন্মুক্ত হলে ২৫ মিলিয়ন টন দুধ আমদানি হবে। ভারতীয় দুধের দাম কমে যাবে ১৫ শতাংশ।
অনুগত গণমাধ্যম মোদির দূরদর্শিতা ও বিচক্ষণতায় গদগদ। তারা উৎফুল্ল, ট্রাম্পের পাগলপনা ও চাপের কাছে মাথা না নুইয়ে চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে হাত মিলিয়ে মোদি পাল্টা চাপ সৃষ্টি করতে পেরেছেন বলে। বিরোধীরা মুখর মোদির ১৮০ ডিগ্রি ভোল বদলে।
গালওয়ানের দখল চীনা ফৌজ এখনো ছাড়েনি, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় স্থিতাবস্থা ফেরেনি, ‘বাফার জোন’ এখনো মেষপালকদের কাছে ‘নো এন্ট্রি’, অপারেশন সিঁদুরের সময় চীন-পাকিস্তান যুগলবন্দীর রেশও টাটকা। সব বেমালুম ভুলে সি চিন পিং বরণে আখেরে ভারতের লাভ না লোকসান, বিরোধীদের প্রশ্ন সেটিই।
‘হিন্দি চীনি ভাই ভাই’ স্লোগানের পরিণতি কী হয়েছিল, ১৯৬২ সালে জওহরলাল নেহরু তা বুঝেছিলেন। বাজপেয়ী মন্ত্রিসভার প্রতিরক্ষামন্ত্রী জর্জ ফার্নান্দেজ ১৯৯৮ সালে বলেছিলেন, ভারতের ১ নম্বর শত্রু চীন। ‘এনিমি নাম্বার ওয়ান’কে বিশ্বাসের মাশুল নরেন্দ্র মোদি দিয়েছেন। গালওয়ানে। বিশ্বাস-অবিশ্বাসের সূক্ষ্ম বিচার মোদির মতো ট্রাম্পেরও করা উচিত।
* সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রথম আলোর নয়াদিল্লি প্রতিনিধি
- মতামত লেখকের নিজস্ব
![]() |
| সি চিনপিং, নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1449)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
September
(221)
-
▼
Sep 07
(9)
- ইউরোভিশন ২০২৬ : ইভেন্টে ইসরাইল অংশ নিলে প্রতিযোগিত...
- ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিলে আরও সমস্যা হবে...
- গাজার বর্বরতা নিয়ে হারেৎজ পত্রিকার মূল্যায়ন
- ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে পুতিনের অনড় অবস্থানের নেপথ্যে কী
- ইউক্রেন ইস্যুতে পশ্চিমাদের নিরাপত্তা প্রস্তাব প্রত...
- যুক্তরাজ্যে ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’ গ্রুপের বিক্ষোভ...
- ইউক্রেনে পশ্চিমা সেনারা হামলার ‘বৈধ নিশানা’ হবে: প...
- ইসরায়েলের হামলায় গুঁড়িয়ে গেল গাজা নগরীর বহুতল ভবন
- মোদি কোন বিশ্বাসে চীনের দিকে ঝুঁকলেন by সৌম্য বন্দ...
-
▼
Sep 07
(9)
-
▼
September
(221)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...




