Thursday, January 24, 2019
‘সুপার ব্ল্যাড উল্ফ মুন’ আসলে কী?

একই রেখায় সূর্য ও চাঁদের ঠিক মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে পৃথিবী যখন অতিক্রম করে তখন এই চন্দ্রগ্রহণ হয়ে থাকে। এই ক্ষেত্রে সূর্যের অবস্থান হয় পৃথিবীর পেছন দিকে। আর চাঁদ পৃথিবীর ছায়ার পুরোপুরি নিচে চলে যায়।
সে কারণে এটির রং গাঢ় লাল হয়ে উঠে। তবে চাঁদ পুরোপুরি অন্ধকার হয়ে উঠে তা নয়। ছায়ায় চলে গেলেও পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সঙ্গে ধাক্কা লেগে সামান্য সূর্যের আলো চাঁদ পর্যন্ত পৌঁছায়। সেই আলোর কারণে এটি লাল দেখা যায়। ভোল্টেজ কমে গেলে পুরনো দিনের লাইট বাল্বের যে রঙ হয় কিছুটা সেরকম। সাধারণ চাঁদের থেকে এটি অনেক বড় ও উজ্জ্বল হয়ে থাকে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন আকারে সাধারণ সময়ের চাঁদের থেকে সাত শতাংশ আর উজ্জ্বলতায় পনেরো শতাংশ বেশি হতে পারে এমন চাঁদ। চন্দ্রগ্রহণের সময় ছিল ঘণ্টাখানেক। ২০২৯ সাল পর্যন্ত এমন ‘সুপার ব্ল্যাড উল্ফ মুন’ আর দেখা যাবে না। এর আগে ‘ব্ল্যাড মুন’ সম্পর্কে হয়তো শুনেছেন। বৈজ্ঞানিক এসব নাম তৈরির পেছনে নানা রকম কারণ রয়েছে। ‘সুপার ব্ল্যাড উল্ফ মুন’, চাঁদের এমন উদ্ভট নাম কীভাবে এলো?
এসময় পৃথিবীর সবচাইতে কাছে চলে আসবে চাঁদ। তাই এটিকে আকারে এত বড় দেখা যাবে। এজন্য ‘সুপার’ শব্দটি ব্যবহার করা হচ্ছে। জানুয়ারি মাসে যে পূর্ণিমার চাঁদ দেখা যায় সেটিকে ‘উল্ফ মুন’ বলা হয়। শীতের দেশে জানুয়ারি মাসে খুব ক্ষুধার্ত থাকে উল্ফ বা নেকড়ে। সে সময় আকাশের দিকে মুখ তুলে তাদের চিৎকার করতে দেখা যায়। সেই থেকে এই সময়কার চাঁদের নাম অনেক ক্ষেত্রে ‘উল্ফ মুন’ বলা হয়। আর চাঁদের রঙ লাল দেখা যাবে বলে যুক্ত হয়েছে ‘রেড’। এইসব কিছু মিলিয়ে বললে দাঁড়ায় ‘সুপার ব্ল্যাড উল্ফ মুন’।
আরেকটি যে প্রশ্ন চন্দ্রগ্রহণ সম্পর্কে নিয়মিত ওঠে সেটি হলো এর দিকে সরাসরি তাকানো নিরাপদ কিনা। খুব উজ্জ্বল আলোর কারণে সূর্যগ্রহণের দিকে সরাসরি তাকানো ক্ষতিকর হতে পারে। তবে চন্দ্রগ্রহণের আলো অনেক মোলায়েম হয়ে থাকে। তাই বাড়তি কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা ছাড়াই এটি দেখা একদম নিরাপদ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পর্যটকদের নজর কাড়ছে জৈন্তাপুরের বড়জুরী ছোটজুরী জলারবন by ওয়েছ খছরু

জৈন্তাপুর উপজেলা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং তৈল গ্যাসের জন্য খ্যাতি সারা দেশে শ্রীপুর, সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্র, লাল শাপলার রাজ্য, হরিপুরের গ্যাসকুপ, সারী নদীর নীল জল, লালাখাল চা-বাগান, নৈসর্গিক সৌন্দর্যে কথা আগে থেকেই জানা পর্যটকদের। সময়-সুযোগ হলেই এসব স্থানে হুমড়ি খেয়ে পড়েন পর্যটকরা।
চলতি বৎসর জুড়ে ভ্রমণপিপাসুরা ভিড় জমাচ্ছেন বড়জুরী ও ছোটজুরী হাওরে। প্রকৃতির এ অসাধারণ বনে চারদিকে কেবলই মনমাতানো সৌন্দর্য। প্রকৃতি তার অকৃপণ হাতে সাজিয়েছে বনটি। বর্ষায় চারদিকে অথৈ পানির মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে হিজল, করচ, বরুণ, শেওড়াসহ দেশি পানিবান্ধব নানা প্রজাতির গাছ গাছালি। সে গাছগুলোর ঝোপজঙ্গলের নিবিড়তা অন্য যেকোনো বনভূমির চেয়ে বেশি। গাছের মধ্যে আবার হিজলের সংখ্যা লক্ষণীয়। মানুষের ছোঁয়া বহির্ভূত সেসব গাছ তার আদি রূপ অনেকটাই ধরে রেখেছে। এসবের মধ্যে ছোট ছোট ভাগে বিভক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ইকড় আর ছনের বন। যেন সাপ, বিচ্চু আর পাখিদের এক নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র। এখানে রয়েছে শতবর্ষী অগণিত হিজল, করই গাছ মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া পুটিজুরী নদী। বর্ষায় কোমর পর্যন্ত পানিতে দাঁড়িয়ে থাকে গাছগুলো। মাথায় পাতার বিশাল ঝাঁপি নিয়ে সাধকের মতো যেন পাহারা দিচ্ছে পুরো জলারবনকে। ঘন ইকড় আর খাগ ও ছন থেকে থেকে ভেসে আসে শেয়ালের ছোটাছুটির শব্দ। শুকনো মৌসুমে দিনের বেলা মৎস্যজীবীদের মাছ ধরা এবং বোরো ধান চাষিদের চাষাবাদের তৎপরতা নেই কোনো কমতি। সন্ধ্যা হতে না হতে শিয়ালসহ বন্য প্রাণীদের বিচরণ যেন মাতিয়ে রেখেছে। শিয়াল, নেউল কিংবা উদ বা বনবিড়ালরা বেরিয়ে পড়ছে রাতে খাবারের খোঁজে। বনের ফাঁকের ছোট ছোট কূপে গজার, বোয়াল আর শোলমাছ শিকারিদের পাতানো ফাঁদ। সন্ধ্যার আগেই এখানে নেমে রাত্রির পুরো আয়োজন। প্রকৃতির এরকম বিচিত্র সব কারবার আর মনমাতানো সৌন্দর্যে দেখা মিলে কারগ্রাম ও চাল্লাইন হাওরের মায়াবি জলারবনটিতে।
এছাড়া বনের মধ্যে নৌকায় করে এবং শুষ্ক মৌসুমে সাইকেলযোগে গেলে মনে হবে- কোন দিক রেখে কোনদিকে তাকাবেন। সামনে তাকালে মনে হয় পেছন দেখা দরকার। পেছনে তাকালে মনে হবে ডানপাশের বন মিস করছি। শুষ্ক মৌসুমে অভিন্ন রূপ ধারণ করে জলার বনটি। মৎস্যজীবীরা মাছ শিকারের পর বিল শুকিয়ে গেলেই তৈরি হয় অনন্য দৃশ্য। যে দিকে তাকাবেন মনে হবে প্রকৃতি নিজ হাতে সাজিয়ে তৈরি করেছে বিশাল খেলার মাঠ। হাওরে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় এলাকাসহ বিভিন্ন স্থান হতে আসা পর্যটকরা ঘোড়া, বাদ্যযন্ত্র নিয়ে মনের অনন্দে বনটির ভেতরে নেচে গেয়ে সময় কাটাচ্ছে কেউবা খেলা করছে। তাদের একজন হোসেন আহমদ বলেন আমাদের বাড়ির পার্শ্বে মায়াবতী দৃশ্য নিয়ে হাওরের বনটি অবস্থিত। যখন সময় পাই তখন কিছু সময় বনটিতে ঘুরতে আসি এখানকার প্রকৃতি অত্যন্ত মনোমুগ্ধ কর। এছাড়া কাজল, সোগাহসহ অনেকেই বলেন, এই হাওরের এমন দৃশ্য রাতারগুলে নেই। শতবর্ষী গাছ এবং পাখির কিচিরমিচির শব্দ খুব ভালো লাগছে। বর্ষা এলে ফের এখানে ঘুরতে আসব। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন- বড়জুরী এবং ছোটজুরী নামক হাওর দুটি সরকারি মালিকানায় রয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে পুটিজুরী নদী তার অনতি দূরে রয়েছে কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ী অন্য পার্শ্বে জৈন্তাপুর উপজেলার করগ্রাম চাল্লাইনসহ কয়েকটি গ্রাম। তবে মূলত করগ্রামের লোকজন এটি ব্যবহার করে সবচেয়ে বেশি।
জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন বলেন, আমাদের উপজেলায় বিভিন্ন প্রান্তে এরকম পর্যটন সম্ভাবনাময় স্থান রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে এই হাওরটি অন্যতম। সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন। তিনি আরো বলেন পরিকল্পনা মাফিক এটি সাজিয়ে তুললে অন্যান্য জলার বনের চেয়ে এটি হয়ে উঠবে আরো আর্কষণীয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোবাইল বৈধ কি না, যাচাইয়ের সুযোগ

বাংলাদেশ মোবাইল আমদানিকারক সমিতির (বিএমপিআইএ) সহায়তায় বিটিআরসি এই তথ্যভান্ডার তৈরি করেছে, যা আজ মঙ্গলবার উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। অবশ্য এখনো সব মোবাইল তথ্যভান্ডারের আওতায় আসেনি।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, তথ্যভান্ডার চালু হওয়ার পর গ্রাহকেরা মোবাইলের আইএমইআই নম্বরটি খুদে বার্তার মাধ্যমে একটি নম্বরে পাঠালে ফিরতি খুদে বার্তায় জানিয়ে দেওয়া হবে সেটি বৈধভাবে আমদানি করা বা স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করা কি না। আমদানিকারকেরা আশা করছেন, এর মাধ্যমে অবৈধভাবে আমদানি করা মোবাইলের বিক্রি কমে যাবে। এতে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে।
রাজধানীর রমনায় বিটিআরসির কার্যালয়ে এনওসি অটোমেশন অ্যান্ড আইএমইআই ডেটাবেইস (এনএআইডি) শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিটিআরসির মহাপরিচালক (তরঙ্গ ব্যবস্থাপনা) নাসিম পারভেজ একটি উপস্থাপনা তুলে ধরে জানান, ২০১৮ সালে বিটিআরসি প্রায় ২ কোটি ৭৭ লাখ মোবাইলের অনুমোদন বা নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) দিয়েছে। মোট বাজারের ২৫-৩০ শতাংশ অবৈধভাবে আমদানি করা হয়, যার কারণে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার রাজস্ব হারায় সরকার। তিনি বলেন, ২০১৮ সালে যত মুঠোফোন আমদানি করা হয়েছে, তার ৬০ শতাংশ ইতিমধ্যে তথ্যভান্ডারে এসেছে। বাকিটা শিগগিরই আসবে।
অন্যদিকে বিটিআরসি নিজস্ব উদ্যোগে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) ব্যবস্থা তৈরি করছে, যেখানে নেটওয়ার্কে সচল থাকা মোবাইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়ে যাবে। পাশাপাশি বৈধ মোবাইল নিবন্ধন করা যাবে। অবৈধ মোবাইলগুলো দেশের নেটওয়ার্কে চালানো যাবে না। এতে অবশ্য দেরি আছে।
অনুষ্ঠানে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস, বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক, কমিশনার (তরঙ্গ) আমিনুল হাসান, বিএমপিআইয়ের সভাপতি রুহুল আলম আল মাহবুব বক্তব্য দেন। এতে মোবাইল অপারেটর ও টেলিযোগাযোগ খাত সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মোবাইল যাচাই যেভাবে
বিটিআরসি জানিয়েছে, নতুন মুঠোফোন কেনার আগে সেটির মোড়কের গায়ে লেখা ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বরটি দেখে নিতে হবে। এরপর মুঠোফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে বড় অক্ষরে কেওয়াইডি লিখে স্পেস দিয়ে ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বরটি লিখে ১৬০০২ নম্বরে খুদে বার্তা পাঠাতে হবে। ফিরতি খুদে বার্তায় গ্রাহক বিটিআরসির তথ্যভান্ডারে ওই আইএমইআই নম্বরটি আছে কি না, তা জানতে পারবেন।
সব মোবাইল আছে কি
বিটিআরসি বলছে, ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে বৈধভাবে আমদানি অথবা দেশে উৎপাদিত মোবাইলের বেশির ভাগ আইএমইআই নম্বর তথ্যভান্ডারে রয়েছে। এর বাইরে কোনো মোবাইলের আইএমইআই নম্বর আপাতত পাওয়া যাবে না। তবে এখন থেকে যত মোবাইল বৈধভাবে আমদানি বা স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হবে, তা বিটিআরসির তথ্যভান্ডারে সংরক্ষণ করা হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পেনশনের অপেক্ষায় ১৫০০০ বেসরকারি শিক্ষক by নূর মোহাম্মদ

এখন সে অবস্থার কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। সরকারের বিশেষ বরাদ্দ ও প্রধানমন্ত্রীর এককালীন অনুদানে সেই সংখ্যা এখন ২৭ হাজারে নেমে এসেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ সংখ্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে আরও ২০০০ কোটি টাকা দরকার। এ টাকা হলেই এক মাসের মধ্যে সব শিক্ষকের টাকা পরিশোধ করা সম্ভব।
অবসর ও কল্যাণ বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষকদের এমন কান্নায় সরকারের টনক নড়ে। সরকার শিক্ষকদের জন্য নানা বরাদ্দ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই মোতাবেক সরকার গত বছরের বাজেটে জট দূর করতে অবসর বোর্ডে ১শ’ কোটি ও কল্যাণ ট্রাস্টে ৫০ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ দেয়। এছাড়া অবসর বোর্ডে ৫শ’ কোটি টাকা সিডমানি (যা খরচ করা যাবে না) দিয়েছে। থোক বরাদ্দ, সিডমানির সুদ এবং চাঁদাসহ অন্যান্য অর্থ মিলিয়ে এক বছরে সাড়ে ৮ হাজার আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এবারের বাজেটে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দ থেকে অবসর খাতে ১৫০০ কোটি এবং কল্যাণ খাতে আরও ৫০ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ এসেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এসব বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে ২০১৭ সালে জুন পর্যন্ত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের টাকা পরিশোধ হয়েছে। সর্বশেষ ডিসেম্বর পর্যন্ত ২৭ হাজার শিক্ষকের আবেদন অপেক্ষমাণ রয়েছে। এ আবেদন নিষ্পত্তি করতে ২০০০ কোটি টাকা লাগবে। সরকার আরেকবার এখানে দৃষ্টি দিলে এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে মনে করেন তারা। কর্মকর্তারা জানান, বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে আপৎকালীন সমাধান হয়। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে। তারা বলেন, সম্প্রতি শিক্ষকদের ৫% ইনক্রিমেন্ট দেয়ায় নতুন করে এখানে আর্থিক সংকট আরও বেড়ে গেছে। কারণ দেখিয়ে বলেন, যে শিক্ষক আগে ৫০ হাজার টাকা বেতন পেতেন তিনি ৫% ইনক্রিমেন্টসহ পাবেন ৫২ হাজার টাকা। এতে নতুন আরও প্রতি বছর ২৫০ কোটির নতুন আর্থিক সংকট যোগ হয়েছে।
অবসর বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দ হিসেবে ৫৪২ কোটি এসেছে। এছাড়া আরও ২৫০ কোটি টাকার বিশেষ অনুদান দেয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। এই ৭৯২ কোটি টাকা ছাড়াও গত বছর বাজেট সিডমানি হিসেবে আরও ৫০০ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে। এ টাকা ব্যাংকে ফিক্স ডিপোডিট (এফডিআর) করে রাখা হয়েছে। মোট ১২৯২ কোটি টাকার অনুদানে গত এক বছরের কয়েক হাজার শিক্ষকদের অবসর ভাতা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৭ সালের জুন মাস পর্যন্ত শিক্ষকদের অবসরোত্তর ভাতা পরিশোধ করা হয়েছে। ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত ১৫ হাজার শিক্ষকের আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল। এসব অপেক্ষমাণ আবেদন নিষ্পত্তি করতে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা দরকার। এ টাকা এককালীন অনুদান পেলে আবেদনের সংখ্যা শূন্যের কোটায় নিয়ে আসা সম্ভব। এ ব্যাপারে অবসর বোর্ডের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ শরীফ আহমেদ সাদী মানবজমিনকে বলেন, আমরা চাই একজন শিক্ষক অবসর নেয়ার এক মাসেই মধ্যে তার অবসরের পাওনা টাকা পেয়ে যাক।
কিন্তু অর্থসংকটের কারণে সেটি এত দিন সম্ভব হয়নি। তবে এখন আগের মতো সমস্যা প্রকট নয়। বেসরকারি শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী বিশেষ দৃষ্টি দেয়ায় এ সমস্যা সমাধান সম্ভব হয়েছে। বিশেষ বরাদ্দের কারণে খাদের কিনারে থাকা অবসর বোর্ডকে একটা একটা ভালো পর্যায়ে নিয়ে এসেছি। এখন মাত্র সাত মাসের আবেদন ঝুলে আছে।
একই সুখবর দিয়েছেন বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টে কর্মকর্তারা। তারা জানান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দসহ অন্যান্য বরাদ্দ মিলে ৫০৬ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। এ দিয়ে ২০১৭ সালের জুন মাস পর্যন্ত আবেদনকারী টাকা দেয়া সম্ভব হয়েছে। আরও ১২ হাজার শিক্ষকদের আবেদন নিষ্পত্তি করতে ৫০০ কোটি টাকা লাগবে। এ টাকা পেলেই এক মাসের মধ্যে সব শিক্ষকের আবেদন নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।
এ ব্যাপারে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজু মানবজমিনকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দ দেয়ায় ২০১৭ সালের জুন মাস পর্যন্ত শিক্ষকদের কল্যাণের টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। আরও ১২ হাজার আবেদন নিষ্পত্তি করতে মাত্র ৫০০ কোটি টাকা লাগবে। এ টাকাটা পেলেই এক মাসের মধ্যে সবার টাকা পরিশোধ করা সম্ভব। বিশেষ বরাদ্দের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে এ শিক্ষক নেতা বলেন, সমাজের সম্মানিত শিক্ষকদের এ সমস্যা সমাধানে স্থায়ী সমাধান করার উদ্যোগ নিতে হবে।
অবসর বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, অবসর বোর্ডের সব আবেদন এখন অনলাইনে জমা নেয়া হয়। একজন শিক্ষক অবসরে যাওয়ার পর অবসর বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্ক্যান করেই অনলাইনে আবেদন করতে পারেন। এতে দালাল ধরা, প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে কষ্ট করে ঢাকা আসার কোনো প্রয়োজন নেই। এছাড়া শিক্ষকদের টাকা ব্যাংকের অললাইনের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেয়া হয়। কোনো শিক্ষক আবেদন থেকে শুরু করে টাকা পাওয়া পর্যন্ত ঢাকা না আসলেও চলবে। এ ব্যাপারে বোর্ডের সদস্য সচিব শরীফ আহমেদ সাদী বলেন, অনলাইন করতে গিয়ে নানা ধরনের ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হয়েছে। তার পরও ঝুঁকি নিয়ে করেছি। এতে শিক্ষকদের হয়রানি, দালালদের দৌরাত্ম্য একেবারে কমে গেছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের টাকা তার ব্যাংকে পাঠিয়ে দেয়া হয়। শিক্ষকরা তাদের আবেদন কোন পর্যায়ে আছে, সেটা বাসায় বসে জানতে পারেন সেজন্য কল সেন্টার ও আবেদন ট্যাকিং করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শিগগিরই এ দুটি সেবা চালু করা হবে বলে জানান তিনি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০২ সালে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী অবসর সুবিধা আইনের মাধ্যমে বোর্ড গঠন করা হয়। ২০০৩ থেকে ২০০৪ সালে অর্থ মন্ত্রণালয় ৮৯ কোটি টাকা সিডমানি দেয়। যার লভ্যাংশ এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের থেকে প্রাপ্ত ৬% চাঁদার মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের অবসর সুবিধা দিতে হচ্ছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতি মাসের বেতন থেকে ৪ শতাংশ টাকা কেটে রাখা হয়। ওই টাকা দিয়ে তাদের অবসর সুবিধা দেয়া হয়। ২০০৯ সালের জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী চাঁদা বাবদ প্রতি মাসে ১৮ কোটি টাকা আয় হয়। আর অবসর সুবিধা প্রদানের জন্য দরকার হয় ৩৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ ঘাটতি ১৮ কোটি টাকা। ২০১৫ সালে নতুন বেতন স্কেল ঘোষণার পরে ঘাটতি আরো বেড়ে যায়। শিক্ষকদের কাছ থেকে আদায় হয় ৩৫ কোটি টাকা। খরচ হয় ৭০ কোটি টাকা। ঘাটতি থাকে ৩৫ কোটি টাকা। একই অবস্থা কল্যাণ ট্রাস্টে। প্রতি মাসে যে আবেদন জমা হয় তা নিষ্পত্তি করতে প্রয়োজন ৩০ কোটি টাকা। ২% হারে যে চাঁদা আদায় হয় তাতে আসে ১৭ কোটি টাকা। এখানে প্রতি মাসে ঘাটতি থাকে ১৩ কোটি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইভিএমের কারচুপি জেনে ফেলায় খুন হন বিজেপি নেতা!

হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বদলে দেয়া হয়েছে ভোটের ফলাফল। ক্ষমতায় বসানো হয়েছে বিজেপিকে। তার এই দাবি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে।
নিহত গোপিনাথ মাণ্ডের ভাইপো ধনঞ্জয় মাণ্ডে চাচার মৃত্যুর পুনঃতদন্ত দাবি করেছেন। আর এই তদন্ত ‘র’ বা সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে পরিচালনার দাবি তুলেছেন তিনি। টাইমস নিউজ, নিউজ ১৮সহ ভারতের প্রথম সারির সংবাদ মাধ্যমগুলোর খবরে এসব কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি জেতার কয়েক সপ্তাহ পরেই নয়াদিল্লিতে এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন গোপীনাথ মাণ্ডে। ওই দুর্ঘটনা তদন্ত করে দেখেছে সিবিআই। এটা নিছক দুর্ঘটনাই ছিল বলে তাদের তদন্তে রায় দেয়া হয়েছে। কিন্তু সোমবার সাইবার বিশেষজ্ঞ সৈয়দ সুজা লন্ডনে এক প্রেস কনফারেন্সে গোপীনাথ হত্যাকাণ্ড নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরেন।
আনন্দ বাজারের খবরে বলা হয়েছে, ইউরোপের ইন্ডিয়ান জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে। এতে সিনিয়র কংগ্রেস নেতা কপিল সিবালও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সাইবার বিশেষজ্ঞ সৈয়দ সুজা বলেন, গত লোকসভা নির্বাচনে ব্যবহৃত ইভিএম মেশিন হ্যাক হয়েছিল। বিজেপি নেতা গোপীনাথ মাণ্ডে সে কথা জানতে পেরেছিলেন। এই খবর যেন ফাঁস না হয়ে যায়, সেজন্যই তাকে হত্যা করা হয়। গোপীনাথের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা বুঝতে পেরে তদন্তকারী কর্মকর্তা তানজিল আহমেদ এফআইআর দাখিল করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু পরে তিনি আত্মহত্যা করেন। শুধু গোপীনাথ মাণ্ডেই না, হ্যাকিংয়ের বিষয়টি জানতেন আরেক সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশ। সে কারণে তাকেও খুন হতে হয়। গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেয়া হয় তাকে। শুধু ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনই নয়, ইভিএমে কারচুপি করা হয়েছিল উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাটের বিধানসভার নির্বাচনেও।
সৈয়দ সুজা ইভিএম হ্যাকিংয়ের প্রক্রিয়া বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। বলেন, নিম্ন কম্পাঙ্কের তরঙ্গের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে কারচুপি করতে বিজেপির তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) সেলকে সাহায্য করেছিল রিলায়েন্স কমিউনিকেশন্স। ইভিএমে কারচুপি করা যায় কি-না তা জানতে চেয়ে তখন আম আদমি পার্টি, সমাজবাদী পার্টি এবং বহুজন সমাজ পার্টির তরফে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল বলেও দাবি করেছেন সুজা।
কীভাবে ভারতের নির্বাচন কমিশনের ব্যবহার করা ইভিএমের তথ্য বদলে দেয়া যায়, তা হাতে-কলমে করে দেখিয়েছেন এই তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। তার দাবি, ব্লু টুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে ইভিএমের তথ্য বদলানো সম্ভব নয়। কিন্তু গ্রাফাইট দিয়ে তৈরি ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে ইভিএমের তথ্যভাণ্ডার বা ডেটাবেস-এ ঢুকে পড়া সম্ভব। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই ট্রান্সমিটার ব্যবহার করা হয়েছিল। ভারতের নির্বাচনী কমিশনাররা দাবি করেছেন, কোনো তার (ওয়্যার) ছাড়া ইভিএমের ডেটাবেস-এ পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব নয়। কিন্তু সৈয়দ সুজার দাবি, প্রায় সাত হার্টজের নিম্ন কমপাঙ্কের তরঙ্গ ব্যবহার করে ইভিএম ডেটাবেস-এ ঢুকে পড়া সম্ভব। একমাত্র বিশেষ সামরিক প্রকল্পের ক্ষেত্রেই এই নিম্ন কমপাঙ্কের তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়ে থাকে বলে জানিয়েছেন সৈয়দ সুজা। বিজেপির তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের কাছে এই যন্ত্র ছিল বলে দাবি সুজার। সারা দেশের ৯টি জায়গা থেকে এই নিম্ন কমপাঙ্কের তরঙ্গ পাঠিয়ে বদলে দেয়া হয়েছিল ইভিএমের সমস্ত তথ্য। যারা এই কাজ করেছিলেন, তারা নিজেরাও জানতেন না যে তাদের কাজে বদলে যাচ্ছে সমস্ত নির্বাচনী ডেটাবেস।
তবে তার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে বিজেপি। এই অভিযোগকে কংগ্রেসের ভয়ঙ্কর হ্যাকিং প্রদর্শনী বলে আখ্যা দিয়েছে দলটি। ভারতের নির্বাচন কমিশন বরাবরই দাবি করে এসেছে যে, নির্বাচনে যে ধরনের ইভিএম মেশিন ব্যবহার করা হয়েছে, এগুলো হ্যাক করা সম্ভব না। সৈয়দ সুজার এমন দাবির কারণে তাদের সেই অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। সৈয়দ সুজার বক্তব্যকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আখ্যা দিয়ে নির্বাচন কমিশন এই দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। এক বিবৃতিতে নির্বাচন কমিশন বলেছে, ‘আমরা জানতে পেরেছি, লন্ডনে বলা হয়েছে আমাদের ব্যবহার করা ইভিএমে কারচুপি করা যায়। এই বক্তব্য উস্কানিমূলক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে আমাদের ইভিএম বানায় ভারত ইলেকট্রনিকস লিমিটেড এবং ইলেকট্রনিক করপোরেশন অব ইন্ডিয়া লিমিটেড। এ জন্য ২০১০ সালেই বিশেষজ্ঞ কমিটি তৈরি করেছি আমরা। আমাদের বিরুদ্ধে এই মন্তব্য করার জন্য আইনি ব্যবস্থা নেয়া যায় কি-না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
ইভিএম দুর্নীতি নিয়ে অভিযোগ ওঠার পর টুইট করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে বিরোধী দলগুলোর তরফে নির্বাচন কমিশনের কাছে পুরো বিষয়টি তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৬শে মে মোদি সরকারের পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন গোপীনাথ মুণ্ডে। এক সপ্তাহ পরেই, ৩রা জুন নয়াদিল্লির কাছে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তার। সৈয়দ সুজার দাবি, এটি দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত খুন। ইভিএমে কারচুপির ঘটনা ফাঁস করার কথা ভাবছিলেন গোপীনাথ। সেই কারণেই সরিয়ে দেয়া হয়েছিল তাকে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অবশেষে কংগ্রেসের রাজনীতিতে প্রিয়াঙ্কা

দলের পক্ষ থেকে সংবাদ বিবৃতিতে এ খবর জানানোর সময় প্রিয়াঙ্কা দিল্লিতে ছিলেন না। ছিলেন না তাঁর ভাই কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীও। দুই দিনের প্রচারে রাহুল গেছেন আমেথি। এই অবসরে অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির পক্ষে দলের সাধারণ সম্পাদক ও রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট এক বিবৃতিতে প্রিয়াঙ্কার নিযুক্তির খবর জানান। বিবৃতিতে আরও দুটি ঘোষণা রয়েছে। একটি হলো প্রবীণ নেতা গুলাম নবী আজাদকে হরিয়ানা রাজ্যের দায়িত্বে আনা, অন্যটি অশোক গেহলটের জায়গায় সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব কে সি বেনুগোপালের হাতে তুলে দেওয়া। লোকসভা ভোটের আগে প্রতিটি নিযুক্তিই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিবার ভোটের আগে প্রিয়াঙ্কার সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ নিয়ে জল্পনা চলে। কিন্তু কখনো তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো দলীয় পদ গ্রহণ করেননি। উত্তর প্রদেশের যে দুই লোকসভা কেন্দ্র গান্ধী পরিবারের খাসতালুক বলে পরিচিত, ভোটের সময় রাহুলের আমেথি ও সোনিয়ার রায়বেরিলিতেই প্রিয়াঙ্কা নিজেকে আবদ্ধ রাখতেন। প্রচার চালাতেন ওখানেই। এই প্রথম তাঁর বৃহত্তর দায়িত্ব গ্রহণ।
কংগ্রেসের এ সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। উত্তর প্রদেশের যে অঞ্চলের দায়িত্ব নিলেন প্রিয়াঙ্কা, সেখানকার বারানসী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্বাচন কেন্দ্র। এই পূর্বাঞ্চলে বিজেপি তাদের পায়ের তলার জমি শক্ত করে ফেলেছে। এবারের ভোটে জোট রাজনীতি প্রাধান্য পেলেও উত্তর প্রদেশের দুই প্রধান দল সমাজবাদী পার্টি (এসপি) ও বহুজন সমাজ পার্টি (বিএসপি) রাজ্যে কংগ্রেসকে জোটবদ্ধ করেনি। আমেথি ও রায়বেরিলি ছেড়ে রেখে (এই দুই আসনে এসপি-বিএসপি প্রার্থী দেয় না) তারা বাকি আসনগুলো নিজেদের মধ্যে বাঁটোয়ারা করে নিয়েছে। কংগ্রেস সভাপতি রাজ্যে একার শক্তিতে লড়াইয়ের কথা জানিয়েছেন। বোন প্রিয়াঙ্কাকে দলীয় দায়িত্বে এনে রাহুল রাজ্যের কংগ্রেস কর্মী ও সমর্থকদের উজ্জীবিত করার পাশাপাশি এ কথাও বোঝাতে চাইলেন যে উত্তর প্রদেশে দলকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে তিনি আগ্রহী। আর সে ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নেবেন তাঁর ৪৭ বছর বয়সী ছোট বোন প্রিয়াঙ্কা।
এই ঘোষণা অন্য যে প্রশ্নটি সামনে আনছে, তা সোনিয়াকেন্দ্রিক। শারীরিক কারণে সোনিয়া রায়বেরিলি থেকে এবার ভোটে দাঁড়াবেন না, এমন একটা প্রচার রয়েছে। সেই জায়গায় প্রিয়াঙ্কা প্রার্থী হন কি না, সেই জল্পনা শুরু হলো।
সাধারণ সম্পাদকের পদে নিযুক্তি এবং উত্তর প্রদেশের পূর্বাঞ্চলের দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে এটা স্পষ্ট, আগামী ভোটে প্রিয়াঙ্কা বৃহত্তর ভূমিকা নিতে চলেছেন। রায়বেরিলিতে প্রার্থী হোন বা না হোন, রাজ্যের বহু কেন্দ্রে প্রিয়াঙ্কাই হবেন কংগ্রেসের প্রধান আকর্ষণ। দলের এক সূত্র জানায়, প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে আলোচনার মধ্য দিয়েই তাঁর প্রচার কর্মসূচি তৈরি করা হবে।
প্রিয়াঙ্কার সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশের কথা ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই কংগ্রেসের পক্ষ থেকে টুইট করে বলা হয়, ‘আমরা টগবগ করে ফুটছি। আমরা এগিয়ে যেতে প্রস্তুত।’ খুশি হয়ে টুইট করেছেন প্রিয়াঙ্কার স্বামী রবার্ট ভদ্রও। স্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, ‘তোমার জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে পাশে আছি।’ তবে বিজেপি আক্রমণাত্মক। দলের মুখপাত্র সংবিৎ পাত্র বলেন, ‘বিজেপির কাছে এটা আদৌ কোনো চ্যালেঞ্জ নয়। এমনটা হওয়ারই ছিল। এটাই পরিবারতন্ত্র। ভবিষ্যতে রবার্টও রাজনীতিতে ঢুকবেন।’ বিজেপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘নেতা হিসেবে রাহুল ব্যর্থ। প্রিয়াঙ্কাকে তাই তিনি ক্রাচ হিসেবে ব্যবহার করছেন। পরিবারের বাইরে ওই দলটা কাউকে দেখতে পায় না।’
প্রিয়াঙ্কার রাজনীতিতে আসা নিয়ে যা বললেন রাহুল
অবশেষে কংগ্রেসের সক্রিয় রাজনীতিতে নিয়ে আসা হলো রাজীব গান্ধী-সোনিয়া গান্ধীর মেয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রকে। আজ বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে দলের উত্তর প্রদেশের পূর্বাঞ্চলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। আর পশ্চিমাঞ্চলের দায়িত্বে আনা হয়েছে মধ্যপ্রদেশের তরুণ নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে। অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটি এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। এ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন কংগ্রেসের সভাপতি ও প্রিয়াঙ্কার ভাই রাহুল গান্ধী।
প্রিয়াঙ্কার সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ প্রসঙ্গে আমেথি সফররত রাহুল গান্ধী আজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘প্রিয়াঙ্কা ও জ্যোতিরাদিত্যের মতো শক্তিশালী যুবনেতাদের দিয়ে আমরা উত্তর প্রদেশের রাজনীতি বদলাতে চাই। প্রিয়াঙ্কা ও জ্যোতিরাদিত্যকে আমি দুই মাসের জন্য উত্তর প্রদেশে পাঠাচ্ছি না। ওদের বলেছি, কংগ্রেসের বিচারধারাকে এই রাজ্যে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে, যাতে সমাজ উপকৃত হয়। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, উত্তর প্রদেশের যুব সম্প্রদায়ের যা প্রয়োজন, প্রিয়াঙ্কা-জ্যোতিরাদিত্যরা তা পূর্ণ করবে।’
প্রিয়াঙ্কা ভোটে দাঁড়াবেন কি না? জানতে চাওয়া হলে রাহুল বলেন, ‘সেটা পুরোপুরি প্রিয়াঙ্কার ওপর নির্ভর করছে। তবে আমরা ব্যাকফুটে খেলার জন্য মাঠে নামিনি। গুজরাটেও আমরা ব্যাকফুটে খেলিনি, উত্তর প্রদেশেও খেলব না। রাজনীতি আমরা জনতার জন্য করি। যেখানে সুযোগ পাব, সেখানেই আমরা ফ্রন্টফুটে খেলব। এই সিদ্ধান্ত উত্তর প্রদেশের রাজনীতিতে এক ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।’
উত্তর প্রদেশে জোট না হওয়ার প্রসঙ্গ তোলা হলে রাহুল বলেন, ‘মায়াবতী ও অখিলেশকে আমি শ্রদ্ধা ও সম্মান করি। আমাদের মধ্যে অনেক নীতিগত মিল আছে। আমাদের লক্ষ্যও অভিন্ন, বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করা। বিজেপিকে হারানোর জন্য যেখানে আমাদের সহযোগিতা প্রয়োজন হবে, মায়াবতী-অখিলেশকে তা দিতে আমরা প্রস্তুত। কিন্তু পাশাপাশি কংগ্রেসের বিচারধারার বিস্তার আমরা ঘটাব। কংগ্রেসকে শক্তিশালী করব। প্রিয়াঙ্কার রাজনীতিতে আসার উদ্দেশ্যও তা। ব্যক্তিগতভাবে এই সিদ্ধান্তে আমি খুশি। কারণ, আমার বোন কর্মঠ। এবার তিনি আমার সঙ্গে একজোট হয়ে কাজ করবেন।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওর সামনেই মা–বাবা–বোনকে গুলি করে হত্যা

গত শনিবার পাকিস্তানের লাহোরের দক্ষিণ-পশ্চিমে সাহিওয়াল শহরে ঘটনাটি ঘটে। জঙ্গি দমনে উচ্চ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বাহিনী দাবি করেছিল, নিহত চারজনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট বা আইএসের সম্পৃক্ততা ছিল। অন্য তিন ‘জঙ্গি’ মোটরবাইকে করে পালিয়ে গেছে।
তবে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নয় বছরের উমায়ের খলিল সাংবাদিকদের বলেছে ভিন্ন গল্প। সে জানিয়েছে, এক আত্মীয়ের বিয়েতে যোগ দিতে তার পরিবার একটি গাড়িতে করে লাহোর থেকে যাচ্ছিল। গাড়ি চালাচ্ছিলেন তার বাবার বন্ধু। টোল বুথের সামনে তাদের গাড়িটি পুলিশ থামায়।
ভিডিওতে দেখা যায়, উমায়ের বলছে, ‘আমার বাবা তাদের বলছিলেন, আমাদের অর্থ নিয়ে যাও, কিন্তু গুলি কোরো না। কিন্তু তারা গুলি করা শুরু করে।’
উমায়ের জানায়, তার বাবা-মা একটি মুদির দোকান চালাতেন। ঘটনাস্থলেই তার বাবা-মা, ১২ বছর বয়সী বোন ও বাবার বন্ধু মারা যান। এ ঘটনায় উমায়ের ও তাঁর দুই শিশু বোনকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরে পুলিশ স্টেশনের কাছে পাওয়া যায়।
উমায়ের ঘটনার বর্ণনা দেওয়ার সেই ভিডিওচিত্র পাকিস্তানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে।
পথচারীদের করা ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ গাড়িটিতে গুলি করছে। তিন শিশুকে জীবিত উদ্ধার করছে এবং শিশুদের নিয়ে গাড়িতে তোলার আগে ওই গাড়িতে আরও কয়েকটি গুলি করছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সরে গেলে ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ির ভেতর চারজনের লাশ পড়ে আছে। যিনি গাড়ি চালাচ্ছিলেন, তাঁর হাত তখনো স্টিয়ারিং ধরা অবস্থায় রয়েছে। চালকের পাশের আসনে একজনের মৃতদেহ। আর পেছনে একজন নারী ও কিশোরীর মৃতদেহ।
এসব ভিডিও দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়ে পাকিস্তানের লোকজন।
পুলিশের প্রতি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান টুইটবার্তায় বলেন, বাবা-মাকে চোখের সামনে গুলি করতে দেখা ভীত–হতবিহ্বল শিশুদের দেখে তিনি শোকাহত। এ শিশুদের দেখভালের সম্পূর্ণ দায়িত্ব এখন রাষ্ট্রের।
আরেকটি টুইটবার্তায় ইমরান খান বলেন, সবারই আইনের প্রতি দায়বদ্ধতা আছে। এ ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সব নাগরিকের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের প্রথম কাজ।
এ ঘটনায় শনিবার রাতে কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়।
গতকাল মঙ্গলবার পাঞ্জাব প্রদেশের আইনমন্ত্রী রাজা বাশারাত বলেন, তদন্তের পর জঙ্গিবাদ দমনে কাউন্টার টেররিজম বিভাগের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গুলিবর্ষণের সঙ্গে জড়িত পাঁচজন পুলিশ কর্মকর্তাকে আদালতে হাজির করা হবে।
পাকিস্তানে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের মতো পাকিস্তানের পুলিশেও কয়েক বছর ধরে ভয়াবহ রাজনৈতিকীকরণ হয়েছে। এই বাহিনী এখন শক্তিশালী সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার দাসে পরিণত হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা মনে করেন, দেশের পরিস্থিতি অন্য দিকে ঘুরে গেলে সামরিক বাহিনীর মাধ্যমে তাঁরা সুরক্ষিত থাকবেন।
বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, দক্ষিণ এশিয়ায় এনকাউন্টারের নামে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা এখন সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পাকিস্তানে রাও আনোয়ার নামের করাচির একজন শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনেক বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। গত বছরের শুরুতে ‘জঙ্গি’ উল্লেখ করে নাকিবুল্লাহ মাশুদ নামের একজন উদীয়মান মডেলকে হত্যা করা হয়। নাকিবুল্লাহসহ আরও অনেকের হত্যার জন্য রাও আনোয়ারকে পুলিশের তদন্তে দোষী পাওয়া গেলেও তাঁকে কখনো বিচারের সম্মুখীন করা হয়নি।
অনেক পাকিস্তানি পুলিশের এমন নির্মমতায় বীতশ্রদ্ধ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই যুগে এসব ঘটনা ধামাচাপা দেওয়াও কঠিন। শনিবারের ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার মুখে ইমরান খান সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়।
শুরুতে পুলিশ জানায়, একজন সাবেক এমপির মার্কিন নাগরিক পুত্র অপহরণে সম্পৃক্ততা ছিল উমায়ের বাবা মোহাম্মদ খলিল, মা নাবিলা, বোন আরিবা ও বাবার বন্ধু জিশানের। তাঁরা ‘জঙ্গি’ ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের ভিডিওতে গাড়ির সঙ্গে কোনো মোটরবাইককে দেখা যায়নি। নিহত ব্যক্তিদের কোনো অস্ত্র ছিল বা পুলিশের ওপর তাঁরা হামলা চালিয়েছিল—এমন কোনো প্রমাণও পাওয়া যায়নি।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, গাড়িটিকে পেছন থেকে প্রথমে গুলি করেছিল পুলিশ। এ কারণে গাড়িটি ফুটপাতে ধাক্কা খেয়ে থেমে যায়। এরপর পুলিশ গাড়িতে গুলিবর্ষণের আগে তিন শিশুকে টেনে গাড়ি থেকে নামিয়ে নেয়। এর কিছু পর আরেকটি পুলিশের গাড়ি যায় সেখানে। কয়েকজন পুলিশ সদস্য নেমে গুলি করা গাড়ি থেকে কয়েকটি লাগেজ নামিয়ে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে চলে যায়।
ওই গাড়িতে চারটি মরদেহ পড়ে থাকা নিয়ে পুলিশ সদস্যদের মাথা ঘামাতে দেখা যায়নি। সাধারণত, পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তা নিরাপত্তাবেষ্টনী দিয়ে ঘেরাও দেয়, আহত ব্যক্তিদের জন্য চিকিৎসার ব্যবস্থা করে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফরেনসিক বিভাগে পাঠায়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তেমন কিছুই করা হয়নি।
এ ঘটনায় এমন হইচই সত্ত্বেও পাঞ্জাবের তথ্যমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন, গাড়িচালক জিশান ‘তালিকাভুক্ত জঙ্গি’ ছিলেন।
এমনকি গতকাল জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার সময়ও পাঞ্জাবের আইনমন্ত্রী রাজা বাশারাত পুলিশের অভিযানকে ‘শতভাগ সঠিক’ বলে মন্তব্য করেছেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিকিনিতে বাংলাদেশি উপস্থাপিকা, বিতর্ক

প্রশ্ন রেখেছেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতির সঙ্গে কতটুকু সঙ্গতিপূর্ণ এ ধরনের পোশাক? আবার অনেকে বলেছেন, ‘এতটুকু কাপড় রাখার কি মানে? আবার কেউ কেউ প্রশংসাও করেছেন পায়েলের। বিতর্কিত হোক কিংবা প্রশংসামূলক প্রায় সব কমেন্টেরই উত্তর দিয়েছেন পায়েল। এদিকে জানা গেছে পায়েল বিয়ে করতে যাচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ব্যবসায়ী আজান খানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক চলছে তার। গুঞ্জন রয়েছে, ইতিমধ্যে আংটিও বদল করেছেন তারা।
পায়েল বেশ কিছুদিন ধরেই আজান খানের সঙ্গে প্রেম করছিলেন। বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে বেশকিছু ঘনিষ্ঠ ছবিও তোলেন যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। আর এবার প্রেমিককে নিয়ে মার্কিন মুল্লুক ঘুরছেন তিনি। প্রেমের বিষয়টি অবশ্য স্বীকার করেছেন পায়েল। তিনি বলেন, আজান খানের সঙ্গে আমার সম্পর্ক রয়েছে এটা সত্যি। আমরা একজন আরেকজনকে ভালোবাসি। খুব শিগগিরই হয়তো বিয়েও করবো। আমাদের ঘনিষ্ঠ ছবি ঘিরে অনেকেই অনেক কথা বলছেন। তবে আমি এসবে পাত্তা দিতে রাজি নই।
আমার কি করতে হবে সেটা আমি বুঝি। সমালোচনায় পাত্তা দেয়ার পাত্রী আমি নই। মঙ্গলবার ফেসবুক হ্যান্ডেলে পোস্ট করা সাবেক এই মিস হেরিটেজের ছবিতে দেখা যায় আজান খানের সঙ্গে আটলান্টিক মহাসমুদ্রের বাহামা দীপপুঞ্জের প্যারাডাইজ আইল্যান্ডের সৈকতে বিকিনি পরিহিত অবস্থায় সাঁতারে মেতে উঠতে । সঙ্গে প্রকাশ করেন নিজের সিঙ্গেল কিছু বিকিনি পরিহিত ছবি। এর আগের দিনও বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে বিচের একটি ছবি পোস্ট করে পায়েল লিখেছিলেন, ‘সেক্সি অন দ্য বিচ’। উপস্থাপনা ছাড়াও মডেলিংয়ের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন ইশরাত পায়েল। পারিবারিক ভাবে নিজস্ব ব্যবসাও রয়েছে তার। নাচ ও গান শিখতেন একসময়।
তিনি মাধ্যমিক পাস করেছেন টাঙ্গাইলের বিন্দুবাসিনী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। উচ্চমাধ্যমিক পাস করেছেন শাহিন কলেজ টাঙ্গাইল থেকে। পরে হোটেল ম্যানেজমেন্টের ওপর ডিপ্লোমা করেছেন এশিয়া ইনস্টিটিউট অব সিঙ্গাপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ২০১৫ সালে তিনি ‘মিস হেরিটেজ’ নির্বাচিত হন। তার পর থেকে মডেলিং ও উপস্থাপনায়ও কদর বাড়ে তার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘সঠিকভাবে দেশ চালাতে স্বাধীন সাংবাদিকতা প্রয়োজন’

বুধবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় মাহ্ফুজ আনাম এসব কথা বলেন। তিনি বলেন,‘সমাজতন্ত্র শ্রমিকের কথা বলে, খেটে খাওয়া মানুষের কথা বলে, সাধারণ মানুষের কথা বলে। তারপরও সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা সমাজে মুখ থুবড়ে পড়ার কারণ হলো, সেখানে স্বাধীন সাংবাদিকতা ছিল না, ব্যক্তিস্বাধীনতা ছিল না। যার ফলে সমাজের পরিচালক, নীতিনির্ধারকেরা কখনোই অবগত হতে পারেননি, তাঁরা যেভাবে সমাজকে চালাতে চাচ্ছেন, সেভাবে সমাজ চলছে কি না।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাংবাদিকতার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মাহ্ফুজ আনাম বলেন, ‘সভ্যতার বিবর্তনে সবচেয়ে বড় যে সংগ্রাম, সেটা হলো স্বাধীনতার সংগ্রাম। সবার প্রথমে গোষ্ঠী স্বাধীনতা। তারপরে আরও গভীরে ব্যক্তিস্বাধীনতা। সাংবাদিক যদি হতে চাও, তোমাকে সবচেয়ে আগে ভালোবাসতে হবে ব্যক্তিস্বাধীনতা। তুমি যদি প্রশ্ন করতে না জানো, তোমার যদি প্রশ্ন করার স্বাধীনতা না থাকে, তাহলে সাংবাদিকতার কোনো অর্থ নেই। তোমার ভালোবাসা থাকতে হবে স্বাধীনতার সঙ্গে। মেধা দিয়ে প্রশ্ন করে সমাজের মূল্যায়ন করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রের, গণতন্ত্রের, স্বাধীনতার এবং জনগণের প্রয়োজনে তোমার সাংবাদিকতা। এর বাইরে যদি কোনো প্রয়োজন থাকে, তাহলে অচিরেই তুমি এই পেশা থেকে সরে যাও। সমাজসেবার স্পৃহা নিয়ে, মনে স্বাধীন চেতনাবোধ নিয়ে এই পেশায় আসতে হবে।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাবেক তথ্য কমিশনার গোলাম রহমান বলেন, ‘বস্তুনিষ্ঠতাই সাংবাদিকতার মূল বিষয়। এটি ছাড়া সঠিক সাংবাদিকতা সম্ভব নয়। গণমাধ্যমে সত্যের অপলাপ ও ফরমায়েশি সাংবাদিকতা কাম্য নয়। অপসাংবাদিকতা সমাজ, দেশ তথা মানবসভ্যতাকে কলুষিত করে। সত্যের জয় সব সময় নিশ্চিত। তাই সত্য প্রকাশ করা ও সত্য অনুসন্ধান করাই সাংবাদিকতার প্রধান কাজ।’
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় বেলুন উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সাবেক তথ্য কমিশনার অধ্যাপক গোলাম রহমান ও ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশ থেকে বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। এরপর বেলা ১১টায় বিভাগের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সাংবাদিকতার একাডেমিক ও পেশাগত পরিসরে অসামান্য অবদান রাখায় গোলাম রহমান ও মাহ্ফুজ আনামকে ‘আজীবন সম্মাননা-২০১৮’ দেওয়া হয়।
বিভাগের চেয়ারম্যান উজ্জ্বল কুমার মণ্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলা ও মানবিকী অনুষদের ডিন মোজ্জামেল হক এবং সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষকেরা। আলোচনা সভা শেষে বিভাগের নতুন ওয়েবসাইট ‘জেএমএসপেনডটকম’-এর উদ্বোধন করা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক বছরে যৌন নির্যাতনের শিকার ৮১২ শিশু -শিশু অধিকার ফোরামের রিপোর্ট

গতকাল রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘শিশু অধিকার পরিস্থিতি ২০১৮’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরে বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম (বিএসএএফ)।
প্রতিবেদন অনুযায়ী গত বছরে সারা দেশে ৪৫৬৬ জন শিশু বিভিন্ন ধরনের সহিংসতা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে অপমৃত্যুর শিকার হয়েছে ২৩৫৪ জন। অর্থাৎ প্রতিমাসে ৩৮০ জন শিশু বিভিন্ন ধরনের সহিংসতার শিকার হয়েছে। ২০১৬ সালে শিশু হত্যা কমলেও ২০১৭ ও ২০১৮ সালে বেড়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী বিগত বছরের তুলনায় বাল্যবিবাহের পরিমাণ কমেছে। তবে ২০১৭ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে শিশুদের প্রতি সহিংসতার হার বেড়েছে ১৮.৭৫ শতাংশ। প্রতিবেদনে বল হয়, শিশুদের আত্মহত্যার কারণগুলো হলো- পারিবারিক কলহ, অভিমান, পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া, বাল্যবিবাহ, যৌন নির্যাতন-নিপীড়ন ও পর্নোগ্রাফির শিকার হওয়া, প্রেম-ভালোবাসায় ব্যর্থ বা প্রত্যাখ্যাত হওয়া এবং শৌখিন জিনিস কিনে না দেয়া।
শিশু ধর্ষণের পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৮ সালে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৫৭১ শিশু। এর মধ্যে ৯৪ শিশু গণধর্ষণের শিকার হয়েছে, ২৮ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে, ৬০ শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে এবং ধর্ষণের পর অপমান সইতে না পেরে ৬ শিশু আত্মহত্যা করেছে। এ ছাড়া একই বছরে ৪৩ শিশু ইভটিজিং ও ৮৭ শিশু যৌন নিপীড়ন ও হয়রানির শিকার হয়েছে।
বিএসএএফ প্রতিবছর গণমাধ্যমে ছাপা হওয়া খবরের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করে। এবারের প্রতিবেদনটি ১৫টি জাতীয় দৈনিকে ছাপা হওয়া শিশু নির্যাতনের খবরের তথ্য নিয়ে তৈরি করা হয়েছে।
দেশে সামগ্রিকভাবে শিশুহত্যা বেড়েছে উল্লেখ করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৮ সালে হত্যার শিকার হয়েছে ৪১৮ শিশু, যা ২০১৭ সালে ছিল ৩৩৯ জন। অর্থাৎ শিশুহত্যা বেড়েছে ২৩ দশমিক ৩০ শতাংশ। হত্যার শিকার ৪১৮ শিশুর মধ্যে ৮১ জন শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর নিহত অবস্থায় পাওয়া গেছে, ৫৩ জন শিশু বাবা-মায়ের হাতে খুন হয়েছে, ৩১ শিশুকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে ৬২৭ শিশু এবং পানিতে ডুবে মারা গেছে ৬০৬ শিশু।
শিশু হত্যার কারণ হিসেবে প্রতিবেদনে বলা হয়, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তুচ্ছ ঘটনা, পারিবারিক সহিংসতা, দাম্পত্য কলহ, যৌতুক, পরকীয়া এবং শত্রুতা-প্রতিশোধের বলি হয়েছে নিরীহ শিশু। এছাড়া দরিদ্র শ্রমজীবী শিশুদের তুচ্ছ কারণে বা চুরির অপরাধে পিটিয়ে নির্যাতন করে মেরে ফেলা ও শিশুকে বিষ খাইয়ে বা গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করে বাবা/মায়ের আত্মহত্যার বেশ কিছু ঘটনাও রয়েছে।
অনুষ্ঠানে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেন, আমাদের দেশে মানুষের মধ্যে প্রায় ৪৫ ভাগই শিশু। তাদের ওপর অত্যাচার এবং সহিংসতার ঘটনা আসলেই একটা উদ্বেগের ব্যাপার। আমরা যদি এটার প্রতিরোধ করতে না পারি তাহলে শুধু বাংলাদেশ নয় পৃথিবীর সব জায়গায়ও শিশুদের অধিকার লঙ্ঘন হবে। শিশু অধিকার রক্ষায় আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। শিশুর অধিকার রক্ষায় কাজ করতে হবে এবং বলতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন আলাদা একটি শিশু মন্ত্রণালয়। আমরা ইতিমধ্যে এই বিষয়ে লিখিত প্রতিবেদন দিয়েছি প্রধানমন্ত্রীর কাছে।
শিশু পরিস্থিতির এই প্রতিবেদন তুলে ধরেন বিএসএএফ’র পরিচালক আবদুস শহীদ মাহমুদ। তিনি বলেন, শিশুদের প্রতি সহিংসতায় বিচারহীনতা এবং বিচারের দীর্ঘসূত্রতা অব্যাহত আছে। সমাজে শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে আইন করে তা করা সম্ভব নয়। আবার একা সরকারের পক্ষেও তা সম্ভব নয়। সরকারসহ প্রত্যেকের জায়গা থেকেই ভূমিকা রাখা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসএএফ’র চেয়ারপারসন খাজা শামসুল হুদা।
উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সাল থেকে প্রতিবছর এই ফোরাম গণমাধ্যমে প্রকাশিত শিশু অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো পর্যবেক্ষণ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জামিন মিলেছে সেই তারা মিয়ার: হাইকোর্টে জামিনপ্রার্থীদের ভিড়

এই তারা মিয়াই আক্রমণ করেছেন পুলিশের উপর- এমন অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ। গত ২৮ ডিসেম্বর মল্লিকপুর বাজারে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে এ মামলা হয়। আর এ বাজারেই ভিক্ষা করেন তারা মিয়া। মামলায় আসামী করা হয় তারা মিয়াসহ ৫২ জনকে। ওই মামলায় আগাম জামিন নিতে তারা মিয়া গতকাল এসেছিলেন উচ্চ আদালতে। তিনি ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন পান।
শুধু তারা মিয়া নয় তার মতো হাজারো জামিন প্রার্থীকে দেখা যায় হাইকোর্টে। আদালতের সামনে গেলেই দেখা যায় জামিন প্রার্থীরা লাইন ধরে আদালতে ঢুকছেন জামিন হলে তারা বের হচ্ছেন এজলাস থেকে। শুনানি চলাকালে জামিন প্রার্থীকে হাত উঁচিয়ে দেখাতে হয় তার উপস্থিতি। আদালতের কর্মচারীরা জামিন আবেদনের নম্বর ধরে ধরে তাদের ডাকেন।
বুধবারও নেত্রকোনা, সিলেট, যশোর, ময়মনসিংহ, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, ফরিদপুর, চাঁদপুর ও চট্টগ্রামসহ সারা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগাম জামিন চাইতে এসে সকাল থেকে হাইকোর্টের এনেক্স (বর্ধিত) ভবন চত্বরে অপেক্ষমাণ ছিলেন জামিন প্রার্থীরা। বাড়ি থেকে নিয়ে আসা জামা কাপড়ের পুঁটলি মাথায় দিয়ে অনেককে ক্লান্ত শরীর নিয়ে শুয়ে থাকতে দেখা গেছে। দুপুরে সবাই মিলে খেয়েছেন একসঙ্গে। এলাকার ধনী ব্যক্তি থেকে শুরু করে প্রান্তিক দিনমজুরও একসঙ্গে খাবার খাচ্ছেন।
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা থেকে এসেছেন ২৩ জন। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ক্যাম্প পোড়ানোর অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিন নিতে আসা মালিজিকান্দা গ্রামের ৬০ বছরের সৈয়দুর রহমান বলেন, আমি কৃষি কাজ করি। ভুয়া মামলায় জামিন নিতে এসেছি। তার মামলায় অভিযোগ স্থানীয় আওয়ামী লীগের ক্যাম্পে আগুন দিয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। তিনি এ মামলার আসামি। সৈয়দুর রহমান বলেন, আগুন দেয়ার কোনো ঘটনাই ঘটেনি। স্থানীয় আওয়ামী লীগ দলীয় নেতাকর্মীরা ক্যাম্পের চেয়ার টেবিলে নিজেরাই ভেঙ্গে ঘটনা সাজিয়েছে। মামলার বাদী আবদুল বারিক। মামলার অন্য আসামিরা মুখ খুলতে চাননি। তাদের আশঙ্কা পত্রিকায় লেখালেখি হলে তাদের নামে আরো মামলা হতে পারে।
যশোর-৪ আসনের বিএনপি দলীয় ৯৫ নেতা-কর্মীর ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন হয়েছে হাইকোর্টে। বাঘারপাড়া উপজেলা বিএনপি সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য টিএস আইয়ুবসহ অন্য নেতাকর্মীরা চারটি মামলায় এ জামিন পেয়েছেন। ২২শে ডিসেম্বর থেকে ৬ই জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো করে পুলিশ।
বর্তমানে হাইকোর্টের ৮টি বেঞ্চের আগাম জামিনের এখতিয়ার রয়েছে। এর মধ্যে সবক’টি বেঞ্চ আগাম জামিনের আবেদন শুনছেন না।
গত সোমবার বিচারপতি মুহাম্মদ আবদুল হাফিজ ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে ৯২০টি পৃথক পৃথক আগাম জামিনের আবেদন শুনানির জন্য ছিল। এক একটি আবেদনে ১৫ থেকে ২০ জন আসামি জামিন প্রার্থী। দ্রুততার সঙ্গে শুনানির পরও ৫০ থেকে ৬০টি আবেদন একদিনে নিষ্পত্তি হচ্ছে। বাকিগুলোর শুনানি না হলে পরের সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় আবেদনকারীদের। আগের দিন রোববার ওই বেঞ্চেই জামিন আবেদন ছিল ১০৭২টি। গতকাল বিচারপতি মো. রইস উদ্দিন ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে ৩২৩টি জামিন আবেদন শুনানির অপক্ষোয় ছিল। এর মধ্যে ৭১টি আবেদনের জামিন নিষ্পত্তি হয়েছে।
একটি বেঞ্চে চার সপ্তাহের আগাম জামিন দেয়া হলেও কোনোটি ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত জামিন দিচ্ছেন। সর্বোচ্চ আট সপ্তাহ পর্যন্ত আগাম জামিন দিচ্ছেন হাইকোর্ট। এ সময়ের পরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নিজ জেলার দায়রা আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হয়।
তারা মিয়ার জামিন
বুধবার বিচারপতি মো. রইস উদ্দিন ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ তারা মিয়াকে জামিন দেন। তার সঙ্গে মামলার আরো ১০ আসামি জামিন পেয়েছেন। এর মধ্যে তারা মিয়ার বড় ভাই সামসুমিয়াও রয়েছেন।
বেলা ২টা ২৮ মিনিটে তারা মিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি শুরু হলে আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আবিদুল হক ইংরেজি পত্রিকা ডেইলি স্টার-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন জমা দেন। আদালত পত্রিকাটি হাতে নিয়ে বলেন, এর মাধ্যমে কি বোঝাতে চাইছেন। জবাবে আইনজীবী বলেন, জামিন আবেদনকারীকে নিয়ে পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। আইনজীবী বলেন, শারীরিকভাবে যার একটি হাত সম্পূর্ণ অকেজো তার পক্ষে কি পুলিশের ওপর অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করা সম্ভব? এ ধরনের মামলা যে সাজানো ও ষড়যন্ত্রমূলক তার প্রমাণ এ মামলা। এরপর আদালত ছয় সপ্তাহের আগাম জামিনের আদেশ দেন।
আদালত থেকে বের হয়ে তারা মিয়া মানবজমিনকে বলেন, আমি খুশি। পুলিশের ওপর আক্রমণের অভিযোগের মামলায় জামিন পেয়েছি। আশা করি মামলার অভিযোগপত্র থেকে আমার নাম বাদ দিয়ে আমাকে অব্যাহতি দেয়া হবে। মামলার কারণে বাড়িতে থাকতে পারছিলাম না। এখন স্ত্রী-সন্তানদের কাছে যাব।’
তারা মিয়ার বড় ভাই সামসু মিয়া বলেন, তারা মিয়ার বয়স ৪৫ বছর। তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। জন্মগত ভাবেই তার ভাইয়ের ডান হাত অকেজো। এ হাতটি অস্বাভাবিক চিকন। নাড়াতেই কষ্ট হয়। এমনকি ডান হাতে খেতেও পারেন না। বাম হাত তুলনামূলকভাবে লম্বা এবং বাঁকানো।
গতকাল জামিন শুনানির আগে তারা মিয়া একবার অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থতার কারণে বাড়ি থেকে নিয়ে আসা পুঁটলিতে মাথা রেখে আদালত চত্বরে ঘণ্টাখানেক শুয়ে ছিলেন।
চাপাতি, হকিস্টিক ও লোহার রড় হাতে নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা করার অভিযোগে গত ২৮শে ডিসেম্বর সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ থানায় মামলা করেন পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. তারিকুল ইসলাম। আসামি তারা মিয়াসহ ৫২ জন। অজ্ঞাতনামা রয়েছেন আরো ৭০ থেকে ৮০ জন।
মামলায় বলা হয় গত ২৮শে ডিসেম্বর বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটে জামালগঞ্জের মল্লিকপুর বাজারে আসামিরা অবৈধভাবে জড়ো হয়ে ‘ধানের শীষের’ পক্ষে মিছিল বের করে। তারা রাস্তা আটকায় এবং পুলিশের ওপর আক্রমণ করে। এতে বাদীসহ ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এত বোমার খয়খরচা কই পায় তালেবান? by সাইফুল সামিন

গত সোমবার রাজধানী কাবুলের কাছে ওয়ারদাক প্রদেশে সামরিক বাহিনীর সুরক্ষিত প্রশিক্ষণকেন্দ্রে গাড়িবোমা হামলার পর এলোপাতাড়ি গুলি চালায় তালেবান। এমন সুরক্ষিত স্থানে ভয়াবহ হামলার ব্যাপকতায় চুপসে গেছে দেশটির সরকার। কীভাবে কী হলো, তা নিয়ে সরকার চিন্তিত।
সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর বহু সদস্যের প্রাণ নিয়ে তালেবান যে সক্ষমতা দেখিয়েছে, তা মোটেই বিস্ময়কর নয়।
২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের হামলার মুখে তালেবানের পতন হলেও তারা নিশ্চিহ্ন হয়নি। বরং সাম্প্রতিক বছরগুলোয় আফগানিস্তানে তালেবানের পুনরুত্থান ঘটেছে।
আফগানিস্তানে এখন তালেবানের সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার। দেশটির একটা বড় অংশে তাদের সক্রিয় উপস্থিতি আছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় তারা হুটহাট হামলা চালাচ্ছে। হামলার পরিমাণ দিনকে দিন বাড়ছে। এসব হামলায় শক্তিশালী বিস্ফোরক, অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ও সরঞ্জাম ব্যবহার করছে জঙ্গিগোষ্ঠীটি। হামলাসহ সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করতে প্রচুর অর্থ খরচ করছে তালেবান।
এত খয়খরচার অর্থ কোথায় পায় তালেবান?
দেশের ভেতর-বাহির উভয় উৎস থেকেই তালেবানের অর্থের জোগান আসে।
গত বছরের ডিসেম্বরে বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানায়, জঙ্গিবাদের খরচ মেটাতে তালেবান একটি অত্যাধুনিক আর্থিক নেটওয়ার্ক ও কর–ব্যবস্থা চালিয়ে আসছে।
তালেবানের আয় সম্পর্কে যে তথ্য পাওয়া যায়, তাতে চোখ কপালে ওঠার দশা। এখন আট বছর আগে তাদের বার্ষিক আয় ছিল প্রায় ৪০ কোটি ডলার। গত কয়েক বছরে তালেবানের প্রতিপত্তি যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে তাদের আয়। তালেবানের বর্তমান বার্ষিক আয় দেড় শ কোটি ডলার হতে পারে।
তালেবান স্বীকার না করলেও দেশের ভেতরে তাদের আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস মাদক। আফিমের উর্বর ভূমি আফগানিস্তান। সেই সুবাদে বিশ্বে আফিমের সবচেয়ে বড় উৎপাদনকারী দেশ তারা। এই সুযোগকেই লুফে নিয়েছে তালেবান। আফগানিস্তানে এখন তালেবান–নিয়ন্ত্রিত এলাকাতেই অধিকাংশ আফিম চাষ হয়। তারা আফিমচাষি, আফিম থেকে হেরোইন উৎপাদনকারী ও কারবারিদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করে। আফিম অর্থনীতির জোরে তালেবানের অর্থভান্ডারও বাড়বাড়ন্ত।
অবৈধ মাদকের খাত থেকে তালেবানের বার্ষিক আয় ১০ থেকে ৪০ কোটি ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকতে পারে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভাষ্য, তালেবানের আয়ের ৬০ ভাগই মাদক খাত থেকে আসে।
আফগানিস্তানের প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকায় তালেবানের সরব উপস্থিতি রয়েছে। নিজেদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় তারা একটি কর–ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে কর আদায়ের মাধ্যমে তালেবানের বিপুল আয় হয়।
তালেবান চাঁদাবাজিও করে। জঙ্গিগোষ্ঠীটি বড় বড় ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জোর করে বড় অঙ্কের চাঁদা আদায় করে।
পরিষেবা থেকে আয় হয় তালেবানের। এই যেমন তারা বিদ্যুৎ বিল বাবদ গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ আদায় করে। আফগানিস্তানের ইলেকট্রিসিটি কোম্পানির প্রধানের ভাষ্য, বিদ্যুৎ বিল থেকে তালেবানের বার্ষিক আয় ২০ লাখ ডলারের বেশি।
আফগানিস্তানে প্রচুর খনিজ সম্পদ রয়েছে। তালেবান বিভিন্ন খনি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে অর্থ কামাচ্ছে। বৈধ বা অবৈধ পন্থায় যারা খনিজসম্পদ আহরণ করছে, তাদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করে তালেবান। এক হিসাব অনুযায়ী, খনি থেকে তালেবানের বার্ষিক আসে ৫ কোটি ডলারের বেশি।
হামলা-দখলও তালেবানের আয়ের একটি মাধ্যম। কোথাও হামলা চালালে কোষাগারসহ অন্যান্য জিনিসপত্র তারা লুটে নেয়।
এ তো গেল দেশের কথা, বিদেশি উৎস থেকে প্রচুর অর্থ আসে তালেবানের হাতে। পাকিস্তান, ইরান ও রুশ সরকার তালেবানকে অর্থ দিয়ে সহায়তা করে আসছে বলে অভিযোগ আছে।
তা ছাড়া পাকিস্তান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতারসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ব্যক্তিপর্যায়ে অর্থসহায়তা পায় তালেবান।
তালেবানকে দমানোর অন্যতম কৌশল তাদের আর্থিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া। সেই লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও আফগান সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু এ কাজে তারা যে খুব একটা সুবিধা করতে পারছে না, তালেবানের অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতিই তা বলে দেয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্ব চিন্তাবিদদের তালিকায় শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী ওই তালিকায় ‘প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা’ বিভাগে নবম অবস্থানে আছেন। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাময়িকী ফোর্বসের করা বিশ্বের ক্ষমতাধর ১০০ নারীর তালিকায় ছিলেন শেখ হাসিনা। ২০১৭ সালে নভেম্বরে করা ওই তালিকায় ৩০তম অবস্থানে ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনাকে ‘লেডি অব ঢাকা’ আখ্যায়িত করে ফোর্বস-এ বলা হয়েছিল, শেখ হাসিনা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সহায়তার অঙ্গীকার করেছেন এবং তাদের জন্য ২০০০ একর জমি বরাদ্দ দিয়েছেন, যা মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সুচির অবস্থানের পরিষ্কার বিপরীত।
এই সাময়িকীর ২০১৬ সালের তালিকায় তিনি ছিলেন ৩৬তম অবস্থানে। ২০১৪ সালে এশিয়ার প্রভাবশালী শীর্ষ ১০০ জনের তালিকায় ছিলেন বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। তালিকায় প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান ছিল ২২তম। গত ৩০শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয়ী হয়ে টানা তৃতীয় মেয়াদে তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চিরনিদ্রায় শায়িত আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল

বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও মুক্তিযোদ্ধারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বুলবুলের মরদেহে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের ছেলে আসিফ ইমতিয়াজ মুন এবং দুই মেয়ে রোকসানা তানজিম মুকুল ও রোয়েনা হাসান মিতুল। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, গীতিকবি ও চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব গাজী মাজহারুল আনোয়ার, কন্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীন, এন্ড্রু কিশোর, কুমার বিশ্বজিত, সামিনা চৌধুরী, কনকচাঁপা, মনির খানসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা। এরপর বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সাংস্কৃতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। সেখান থেকে তার মরদেহ নেয়া হয় বিএফডিসিতে। সেখানে জানাজায় অংশ নেন চলচ্চিত্রাঙ্গনের মানুষেরা। দ্বিতীয় এ জানাজায় উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা আলমগীর, রিয়াজ, জায়েদ খান, সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরী, পরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজার, বদিউল আলম খোকন প্রমুখ। এরপরই সেখান থেকে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় শহীদ বুদ্ধীজীবী কবরস্থানে। সেখানে চিরনিদ্রায় শায়িত হন বরেণ্য এই সংগীতজ্ঞ। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে রাজধানীর আফতাবনগরে নিজ বাসায় হার্ট অ্যাটাক করেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। এরপর তাকে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (আয়েশা মেমোরিয়াল) নেয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন। গত বছরের মাঝামাঝি তার হার্টে আটটি ব্লক ধরা পড়ে। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার চিকিৎসার দায়িত্ব নেন। তখন তার হার্টে দুটি রিং পরানো হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আবার কি মেতে উঠবে মুম্বইয়ের ড্যান্স বার? দেহ ব্যবসা!

সেখানে আর যাতায়াত নেই নর্তকী বা তাদের খদ্দেরদের। ড্যান্সবারকে কেন্দ্র করে যেসব দোকান গড়ে উঠেছিল আশপাশে তাও বন্ধ হয়ে গেছে। তবে সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের দেয়া এক রায়ে নতুন জীবন পেতে পারে মুম্বইয়ের ড্যান্স বার। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, ড্যান্সবার চলতে এবং সেখানে পানীয় চলতে পারে। এখন কি তবে জমে উঠবে আবার সেই ড্যান্সবার। এ নিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া একটি বিশাল প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
২০০৫ সাল। তারই এক রাতে মুম্বইয়ের ভিলে পারলেতে অবস্থিত দীপা বার-এ অভিযান চালায় পুলিশ। ওই বারটির সঙ্গে বলিউড-ক্রিকেটার-জুয়াড়ি, আন্ডারওয়ার্ল্ডের কানেকশন থাকার কথা বেরিয়ে আসে পুলিশের তদন্তে। আটক করা হয় কয়েকজন নামিদামি তারকাকে। তদন্তে দেখা যায়, ওই বারটির একজন নর্তকী তারান্নুম জুয়াড়ি ও ক্রিকেটারদের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনের মাধ্যম হয়ে উঠেছেন।
এক সময় মুম্বইয়ের দাদার এলাকায় বিখ্যাত ছিল কারিশমা নামের ড্যান্স বার। তা এখন একটি পারিবারিক রেস্তোরাঁয় রূপ নিয়েছে। তবে গ্রান্ট রোডে অবস্থিত টোপাজ এখন একটি ‘অর্কেস্ট্রা বার’। ওয়ারলির কার্নিভাল ও দাদার এলাকার বেওয়াচ নামের বারগুলো এখন সব ‘অর্কেস্ট্রা বার’। তারা প্রতিবছর প্রায় ৪ কোটি রুপির বড় ব্যবসা করছে। এর প্রতিটিতে কর্মরত ১৩০ জন মানুষ। তাদের আগে যে ব্যবসা ও কর্মী ছিল তা এখন অর্ধেক হয়ে গেছে। রাতারাতি চাকরি হারিয়েছেন ৬৫ হাজার নারী ও ৪৫ হাজার পুরুষ। তাদের অনেকেই শহর ছেড়ে গেছেন।
‘অর্কেস্ট্রা বার’গুলোতে লাইভ বিনোদনের ব্যবস্থা থাকে। সেটা হয় আইনগতভাবে অথবা চতুরতার সঙ্গে। এসব বার-এ গায়ক বা গায়িকা নয় এমন ব্যক্তিরা লাইভ ব্যান্ডের সঙ্গে অঙ্গ নাচান। গোঁ গোঁ শব্দ করেন। মঞ্চের পাশে নাচতে থাকেন উত্তেজিত ব্যক্তিরা। চলে অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা অথবা কোনো গোপন চুক্তি করার চেষ্টা।
সাম্প্রতিক সময়ে মুম্বইয়ের এই বর্ণিল ড্যান্সবারগুলোর শাটার যখন বন্ধ হয়ে যায় তার আগে এটা ছিল মুম্বইয়ের বিনোদন শিল্পের এক অখণ্ড অংশ। যাদের বয়স ৭০ এর কোঠায় তারা শহরে ড্যান্স বারের আবির্ভাব দেখেছেন। আর নব্বইয়ের কোটায় যারা তারা শহরটি উদারীকরণ হতে দেখেছেন। ১৯৭২ সালে প্রথম ড্যান্স বার সোনিয়া মহল তার দরজা উন্মুক্ত করে। এটি নরিমন পয়েন্টে একটি অফিসের টাওয়ারে ছিল। এর মালিক ছিলেন একজন জগতিয়ান- তিনি হার্টের সমস্যাওয়ালা একজন বয়সী ভদ্রলোক। তিনি মাঝে-মধ্যেই মজা করতেন এ নিয়ে যে, ড্যান্সাররা হলেন তার পেসমেকার। শহরের একেবারে শুরুর ড্যান্স বারটি ডিজাইন করা হয়েছিল গ্লাস ব্যবহার করে। কিন্তু নর্তকীরা উপযুক্ত পরিবেশের অভাব বোধ করতেন। ফলে তাদেরকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হতো। ড্যান্স বারের ছায়াঘেরা কোণার মধ্যে চুক্তি হতো অথবা চুক্তি ভঙ্গ হতো। ‘ভাই’দের জন্য অপেক্ষায় থাকতেন ‘যুবতীরা’। এসব স্থানে যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের কুখ্যাতরা যেতেন না তেমন না। এখানে উল্লেখ্য, দাউদ ইব্রাহিমের ভাই সাবির ও পাঠান গ্যাংদের মধ্যে প্রথম যে সংঘাত শুরু হয়েছিল তা ওই সোনিয়া মহলেই।
জগতিয়ান যে প্রবণতা শুরু করেছিলেন তা সহজেই লুফে নেয় উচ্চাভিলাষী শেঠিরা। তারা প্রচুর অর্থের মালিক ছিলেন। ঘাটকোপারের সুরেশ শেঠি আরো একধাপ এগিয়ে গেলেন। তিনি খুলে দিলেন একটি ক্লাব। নাম দিলেন মেঘরাজ। সেখানে বনি এমের জন্য নাচ করতেন বিকিনি পরা নর্তকীরা। অন্যদিকে মুম্বইয়ের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে বিলাসবহুল সমুদ্র ড্যান্স বার শুরু করেন শেখর শেঠি। এই ড্যান্স বার এতটাই জনপ্রিয়তা পেয়ে যায় যে, এর বাইরে একজন পানওয়ালাও এক রাতে ৩০০ পান বিক্রি করতেন। প্রভাদেবীতে সঙ্গম নামে ড্যান্স বারে প্রথম চালু হয় ব্যাটারিচালিত মিনি ফ্যান, যাতে এগুলো দিয়ে ড্যান্সারদের কাছে অর্থ উড়িয়ে আনা যায়। পুলিশও এই বারটিকে খুব পছন্দ করতো।
এই ব্যবসায় কিছুটা ছন্দপতন ঘটায় টোপাজ বার অ্যান্ড রেস্তোরাঁ। এটি গ্রান্ট রোডে নোভেলটি সিনেমা হলের কাছে। এই বারটি মারবেল পাথর, গ্লাস ও মিরর ব্যবহার করে সমৃদ্ধশালী হিসেবে গড়ে তোলা হয়। এখানে ছিল তিনটি ভিআইপি হল। এর একটি ব্যবহার করতে পারতেন সাধারণ মানুষ। যা থেকে প্রতি রাতে গড়ে আয় হতো ৫ লাখ রুপি। এক সময়ে এই বারটি জনপ্রিয় ছিল ডায়মন্ড ব্যবসায়ী, বিদেশি পর্যটক, সফরকারী ক্রিকেটারদের কাছে। সেই বারটি এখন তারপুলিনের শিট ও দোকানপাটে ঢাকা পড়েছে। এখানকার কর্মী সংখ্যা ৭০ থেকে কমে ৩২-এ এসে দাঁড়িয়েছে।
১৭ই জানুয়ারি সেখানকার একজন কর্মী বলেন, ড্যান্স বার বন্ধ করার রায়ের ফলে আমাদের ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। টোপাজ কখন আবার তার জীবন ফিরে পাবে তা অনিশ্চিত। আমরা এখন এটা খুলি স্থানীয় সময় বিকাল ৩টায়। আমাদের আছে ১৫ জন সংগীতশিল্পী। তারা রাত সাড়ে ৯টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত গান করেন।
ড্যান্স বারস এসোসিয়েশনের ভারত ঠাকুর বলেন, ভিলে পারলের দীপার মতো অনেক বড় বড় বার বন্ধ হয়ে গেছে। আমার জানামতে, ওই স্থানগুলো ভাড়া দেয়া হয়েছে যোগব্যায়ামের কেন্দ্র হিসেবে। আর মালিকরা চলে ব্যবসা গুটিয়ে নিয়ে চলে গেছেন রিয়েল এস্টেটের ব্যবসায়।
ওদিকে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ১৭ই জানুয়ারি যে রায় দিয়েছেন তাতে নতুন করে আশা জেগে উঠেছে। তবে বার মালিকরা বলেছেন, রাত সাড়ে এগারোটার মধ্যে বার বন্ধ করতে বলা হয়েছে। কোনো আপত্তিকর নাচ করা যাবে না বলে বলা হয়েছে। এসবই অনুৎসাহিত করার মতো বিষয়। ড্যান্স বার কারিশমার মালিক মানজিৎ সিং শেঠি বলেছেন, আমরা দাদার-এ ভালো ব্যবসা করছিলাম। এখন আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান একটি রেস্তোরাঁয় রূপ নিয়েছে। তা দিয়ে কোনোমতে বেঁচে আছি।
ভারত ঠাকুর বলেছেন, যেসব ড্যান্স বারে নর্তকীরা আপত্তিকর নাচ করবেন সেইসব বারের মালিকদের তিন বছরের জেল অনুমোদন করেছেন সুপ্রিম কোর্ট। তার প্রশ্ন, কোন নাচটা আপত্তিকর তা নির্ধারণ করতে পারে কে? এ নিয়ে কাজ করা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই জেলে গিয়ে জীবন কাটানোর চেয়ে আমাদের এ ব্যবসা বন্ধ রাখাই ভালো।
২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি। এদিন নতুন সবেমাত্র নিজেদের দরজা খুলেছে তিনটি ড্যান্স বার। তবে এক বছরের মাথায় ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওই তিনটি বারই বন্ধ করে দেয় পুলিশ। অনিয়মের অভিযোগে পুলিশ তাদের লাইসেন্স বাতিল করে। পুলিশের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা ১৭ই জানুয়ারি বলেছেন, ওই তিনটি বার-এর কোনোটিকেই এখন পর্যন্ত অনুমোদন দেয়া হয়নি। তাদেরকে নতুন নিয়মের অধীনে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। ওই বারগুলো চাহিদা পূরণ করতে পারেনি। তাই তাদেরকে লাইসেন্স দেয়া হয়নি- বলেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জামিন পেলেন প্রতিবন্ধী তারা মিয়া

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ভীমখালি ইউনিয়নের ভান্ডা গ্রামের বাসিন্দা তারা মিয়া। আগাম জামিন নিতে গেল সপ্তাহে ঢাকায় আসেন তিনি। বুধবার হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন পেয়েছেন তিনি। বিচারপতি মো. রইস উদ্দিন ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁকে জামিন দেন। ছয় সপ্তাহের মধ্যে সুনামগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে তাঁকে আত্মসমর্পণ করতে হবে। তাঁর ভাই সামছু মিয়াসহ আরও ৪৯ জন এই মামলায় জামিন পেয়েছেন।
স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে নিয়ে তারা মিয়ার সংসার। জন্ম থেকেই তাঁর ডান হাতটি চিকন। এই হাত দিয়ে তিনি কোনো কাজ করতে পারেন না। ভিক্ষা করে ও মানুষের সাহায্যে চলে সংসার।
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ওই মামলায় বলা হয়, গত ২৮ ডিসেম্বর পুলিশ খবর পায় উপজেলার ভীমখালি ইউনিয়নের মল্লিকপুর বাজারের মধ্যবাজার গলিতে কিছু লোক জড়ো হয়ে পঞ্চগ্রাম মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে নাশকতার পরিকল্পনা করছেন। পুলিশ গিয়ে দেখতে পায়, আসামিরা রামদা, হকিস্টিক, লোহার রড, লাঠি ও ইটপাটকেল নিয়ে ধানের শীষ প্রতীকের নামে মিছিল করে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। পরে আসামিরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। পরদিন পুলিশ তাঁদের বিরুদ্ধে মামলাটি করে।
বুধবার বেলা আড়াইটায় তারা মিয়াসহ অন্যদের জামিন আবেদন শুনানির জন্য ডাকা হয়। তাঁদের আইনজীবী মোহাম্মদ আবিদুল হক ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। পত্রিকাটি হাতে নিয়ে আদালত বলেন, এর মাধ্যমে কী বোঝাতে চাইছেন? তখন আবিদুল হক বলেন, জামিন আবেদনকারীকে (তারা মিয়া) নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর এক হাত সম্পূর্ণ অকেজো, তাঁর পক্ষে কি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা করা সম্ভব? এই অভিযোগ যে সাজানো ও ষড়যন্ত্রমূলক, তার প্রমাণ এই মামলা। পরে আদালত আদেশ দেন।
জামিন পাওয়ার পর তারা মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘চলতে-ফিরতেই আমার সমস্যা অয়, এক হাত অবশ, আরেক হাত দিয়া তেমন কোনো কাম করতাম পারি না। আমি পুলিশরে কি-লা রামদা দিয়া মারমু। ইতা সব মিছা।’
তবে জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হাসেম প্রথম আলোকে বলেন, ‘তারা মিয়া ওই মামলার এজাহার নামীয় আসামি। তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন। আমরা জেনে-বুঝেই তাঁকে আসামি করেছি। তাঁর এক হাতে সমস্যা থাকলেও অন্য হাত দিয়ে সব কাজ করতে পারেন।’
আইনজীবী মোহাম্মদ আবিদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশে সারা দেশে গায়েবি মামলা হচ্ছে, নিরীহ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে। প্রতিবন্ধী তারা মিয়াও তার শিকার হলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1373)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
January
(487)
-
▼
Jan 24
(16)
- ‘সুপার ব্ল্যাড উল্ফ মুন’ আসলে কী?
- পর্যটকদের নজর কাড়ছে জৈন্তাপুরের বড়জুরী ছোটজুরী জলা...
- মোবাইল বৈধ কি না, যাচাইয়ের সুযোগ
- পেনশনের অপেক্ষায় ১৫০০০ বেসরকারি শিক্ষক by নূর মোহা...
- ইভিএমের কারচুপি জেনে ফেলায় খুন হন বিজেপি নেতা!
- অবশেষে কংগ্রেসের রাজনীতিতে প্রিয়াঙ্কা
- ওর সামনেই মা–বাবা–বোনকে গুলি করে হত্যা
- বিকিনিতে বাংলাদেশি উপস্থাপিকা, বিতর্ক
- ‘সঠিকভাবে দেশ চালাতে স্বাধীন সাংবাদিকতা প্রয়োজন’
- এক বছরে যৌন নির্যাতনের শিকার ৮১২ শিশু -শিশু অধিকার...
- জামিন মিলেছে সেই তারা মিয়ার: হাইকোর্টে জামিনপ্রার্...
- এত বোমার খয়খরচা কই পায় তালেবান? by সাইফুল সামিন
- বিশ্ব চিন্তাবিদদের তালিকায় শেখ হাসিনা
- চিরনিদ্রায় শায়িত আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
- আবার কি মেতে উঠবে মুম্বইয়ের ড্যান্স বার? দেহ ব্যবসা!
- জামিন পেলেন প্রতিবন্ধী তারা মিয়া
-
▼
Jan 24
(16)
-
▼
January
(487)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...