Tuesday, September 11, 2018

‘সৌদি রাজাকে সমালোচনা করার পর দেশে ফেরেন নি ছোট ভাই’

প্রিন্স আহমাদ বিন আবদুল আজিজ
সৌদি রাজা সালমান বিন আবদুল আজিজের ছোট ভাই প্রিন্স আহমাদ বিন আবদুল আজিজ আর কখনো দেশে না ফেরার কথা বিবেচনা করছেন বলে জানা গেছে। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনে তার বাড়ির সামনে জড়ো হওয়া ইয়েমেন ও বাহরাইনের বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতা দেয়ার সময় প্রিন্স আহমাদ বড় ভাই রাজা সালমান ও তার ছেলে যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমানের সমালোচনা করেন।
বিক্ষেভকারীরা সৌদি রাজপরিবারের ধ্বংস কামনা করে নানা স্লোগান দিলে প্রিন্স আহমাদ বলেন, ইয়েমেন ও বাহরাইন পরিস্থিতির জন্য রাজা সালমান ও তার ছেলে মুহাম্মাদ দায়ী; এজন্য পুরো রাজপরিবার দায়ী নয়। এ নিয়ে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে প্রিন্স আহমাদকে দেখা যাচ্ছে যেখানে তিনি বলছেন, “আপনারা কেন আলে সৌদ পরিবার নিয়ে এসব বলছেন? এর সঙ্গে পুরো সৌদি পরিবারের সম্পর্ক কী? এসবের সঙ্গে সুনির্দিষ্ট কয়েকজন জড়িত, আপনারা অন্য কাউকে জড়িত করবেন না।”
যুদ্ধের সঙ্গে কারা জড়িত তা পরিষ্কার করার জন্য চাপ সৃষ্টি করলে তিনি বলেন, “রাজা ও যুবরাজ এবং দেশের অন্য কয়েক ব্যক্তি।” রাজপরিবারের ভাবমর্যাদা রক্ষার জন্য রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি বা এসপিএ প্রিন্স আহমাদের ওই বক্তব্যের ভিন্ন ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করে। পরে এসপিএ’র ব্যাখ্যাকে ভুয়া বলে উল্লেখ করেছে মিডিলইস্ট আই। এছাড়া, প্রিন্স আহমাদ তার বক্তব্যে অটল রয়েছেন বলেও মিডিলইস্ট আই জানিয়েছে।
রাজা সালমান ও তার ছেলে মুহাম্মাদ

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের প্রতি জাতিসংঘের আহ্বান

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে আরো অনেক কিছু করা উচিত বাংলাদেশ সরকারের। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এটা অপরিহার্য। সাম্প্রতিক সময়ে এখানে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মানহানির অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। এসব সহিংসতার জন্য যারা দায়ী তাদেরকে অবশ্যই বিচারের আওতায়  আনতে হবে, যাতে ঘটনার পুনরাবৃত্তি প্রতিরোধ করা যায়।
জাতিসংঘের  মানবাধিকার পরিষদের ৩৯তম অধিবেশনে এভাবেই বাংলাদেশকে তুলে ধরলেন মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান মিশেল ব্যাচেলেট। এছাড়াও তিনি বলেন, বিপুল সংখ্যক শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। দারিদ্র্য নিরসনে সফল হয়েছে এ দেশ। মাদকবিরোধী অভিযানে হত্যা ও গ্রেপ্তারকে তিনি ‘ট্রাবলিং’ বলে আখ্যায়িত করেন। বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানে হত্যা করা হয়েছে ২২০ জনকে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে কয়েক হাজার মানুষকে। অভিযোগ আছে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও বিভিন্ন সুযোগকে ব্যবহার মাদক মোকাবিলার উন্নত পন্থা। এক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড বা ডেথ স্কোয়াডের দিকে দৃষ্টি দেয়া উচিত নয়। অধিক কার্যকর, মানবাধিকারের অভিযোগ সহ কীভাবে মাদকের ইস্যুটি সমাধান করা যায় সে বিষয়ে একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে মানবাধিকার বিষয়ক অফিস।
ওই অধিবেশনে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের বিচারের জন্য আপাতত নতুন একটি বিচারিক ব্যবস্থা (কসি জুডিশিয়াল বডি) গড়ে তোলারও আহ্বান জানান মিশেল ব্যাচেলেট। তিনি বলেছেন, এর লক্ষ্য হবে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে যে হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতন চালানো হয়েছে তার ভবিষ্যৎ বিচারের জন্য তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করা।  জেনেভা থেকে এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
ব্যাচেলেট ১লা সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধানের দায়িত্ব নেন।
তারপর প্রথম মানবাধিকার পরিষদে তিনি বক্তব্য রেখেছেন।  সেখানে তিনি বলেছেন, দৃশ্যত রাখাইন রাজ্যে এখনো হামলা ও নির্যাতন অব্যাহত আছে। তদন্তকারীরা কাচিন ও শান রাজ্যে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হত্যা, নির্যাতন ও যৌন সহিংসতার প্রমাণ পেয়েছেন। জেনেভায় ৪৭ সদস্যের ফোরামে অধিবেশন শুরু হয়েছে তিন সপ্তাহের জন্য। সেখানে ব্যাচেলেট বলেন, এই রকম নিয়ম লঙ্ঘনের ফলে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে যে দায়মুক্তি বিষয়টি জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে।
এ সময় তিনি গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)-এর প্রসিকিউটর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাকে স্বাগত জানিয়েছেন ব্যাচেলেট। আইসিসি বলেছে, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে জোর করে পাঠিয়ে দেয়া একটি মানবতাবিরোধী অপরাধ। এ বিষয়ে আইসিসির বিচার করার অধিকার আছে। ব্যাচেলেট বলেন, অনতিবিলম্বে এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ যে, ওই দায়মুক্তির ইতি ঘটাতে হবে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ভয়াবহ দুর্ভোগের দিকে তাকিয়ে।
উল্লেখ্য, গত মাসে রোহিঙ্গা ইস্যুতে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের নিরপেক্ষ সংস্থা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন। তাতে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর ইচ্ছাকৃত গণহত্যার প্রমাণ মিলেছে। এর মাধ্যমে তারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। দৃশ্যত যুদ্ধাপরাধ করেছে। ওই রিপোর্টে বর্তমান সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং সহ ৬ জন জেনারেলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, এদেরকে বিচারের মুখোমুখি করা উচিত।
এক বছর আগে সেনাবাহিনী রাখাইন রাজ্যে নৃশংস অভিযান শুরু করে। এর ফলে কমপক্ষে ৭ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। তাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর গণহত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন, বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এরই প্রেক্ষিতে মিশেল ব্যাচেলেট মানবাধিকার পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি নিজের সমর্থন জানান। তিনি বলেন, মিয়ানমারের বিষয়ে এই পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রগুলো নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক মেকানিজম, তথ্য সংগ্রহ, সব অভিযোগ জমা করা, সংরক্ষণ করা, আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গুরুতর অভিযোগগুলোর প্রমাণ বিশ্লেষণ করার যে উদ্যোগ নিয়েছে তাকে আমি স্বাগত জানাই। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আদালতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচারের জন্য এসব প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, আমি পরিষদের প্রতি একটি প্রস্তাব পাস করার অনুরোধ জানাই এবং তা যেন জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে পাঠানো হয় অনুমোদনের জন্য, যাতে একটি মেকানিজম প্রতিষ্ঠিত করা যায়।

মোজাম্মেলের স্ত্রীর কান্না

সংবাদ সম্মেলনে শিশু সন্তানকে কোলে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন মোজাম্মেল হক চৌধুরীর স্ত্রী বিজু আক্তার। আয়োজকদের পক্ষ থেকে তাকে কথা বলার অনুরোধ করা হলে তিনি কথা বলতে পারছিলেন না। কান্নায় জড়িয়ে আসছিল তার কণ্ঠ। শুধু বললেন, কথা বলার মতো মানসিক  অবস্থা আমার নেই, আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার স্বামীর নিঃশর্ত মুক্তি চাই।
কথিত চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার মোজাম্মেল হক কারাগারে রয়েছেন। তিনি যাত্রীকল্যাণ সমিতির মহাসচিব। তার মুক্তি দাবিতে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে সংস্থাটি। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে যাত্রীবন্ধু উল্লেখ করে বলেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। সড়কের নৈরাজ্যের তথ্য তুলে ধরায় তাকে সরকার সহ্য করতে পারছে না।
জাতীয়  প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল বলেন, নিরীহ একটি সংগঠনের  নেতাকে যদি রিমান্ডে নেয়ার মতো ঘটনা ঘটে, তবে হতবাক হতে হয়। তিনি বলেন, সমস্ত   ক্ষেত্রে শোনানো হচ্ছে, সরকার গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখছে, তাদের উন্নয়নের কোনো তুলনা  নেই।
এমন উন্নয়ন হচ্ছে যে, রাস্তায় প্রতিদিন ১০ জনের বেশি মানুষ মারা যাচ্ছে। যাত্রীকল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সামসুদ্দীন চৌধুরী দাবি করেন, দেশের ১৬ কোটি মানুষকে যে গুটিকতক অপশক্তি জিম্মি করে, তারা নিজেদের অপকর্ম ঢাকার জন্য মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছিল।
কিন্তু তাকে যাত্রী অধিকার আন্দোলন থেকে বিরত রাখতে না পেরে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দেয়া হয়। সেটাও প্রমাণ করতে না পেরে গতকাল সোমবার ফেব্রুয়ারি মাসের এক বিস্ফোরক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক  জোনায়েদ সাকি বলেন, মোজাম্মেল হক  চৌধুরী যেসব তথ্য উপস্থাপন করতেন, তাতে সড়কের নৈরাজ্য উন্মোচিত হতো। এই বিষয়টি সরকার সহ্য করতে পারছে না।
আরেক মামলায় গ্রেপ্তারের আবেদন: কথিত চাঁদাবাজির মামলায় কারাগারে থাকা যাত্রীকল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে আরেকটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে কাফরুল থানার একটি বিস্ফোরক মামলায় (নং ১৩) গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয় বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী জায়েদুর রহমান।
তিনি জানান, কথিত চাঁদাবাজির মামলার পর মোজাম্মেলকে কাফরুল থানার বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। পুলিশ মোজাম্মেলকে আজ (গতকাল) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজিরও করে। আদালত ১৩ই সেপ্টেম্বর এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
সেদিন মোজাম্মেলকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের ওপর শুনানির জন্য দিন ঠিক করেছেন আদালত। জায়েদুর রহমান আরো জানান, গ্রেপ্তার দেখানোর ব্যাপারে মোজাম্মেল হক চৌধুরী আদালতে বলেছেন, তিনি যাত্রীকল্যাণ সমিতির মহাসচিব। যাত্রীদের অধিকার আদায়ের ব্যাপারে কাজ করে আসছেন। তিনি যাতে সংগঠনের হয়ে কাজ না করতে পারেন, সে জন্য আগে মিরপুর থানার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
এর আগে শনিবার একদিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আরো ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। অন্যদিকে মোজাম্মেলের আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত বুধবার মিরপুর থানায় করা একটি চাঁদাবাজির মামলায় নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে। বৃহস্পতিবার তার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। যে মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয় ওই মামলার বাদী দাবি করেছেন তিনি মোজাম্মেল হক খানকে চিনেনই না। উল্লেখ্য, সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করে থাকে যাত্রীকল্যাণ সমিতি। সর্বশেষ ঈদুল আজহার আগে-পরে ব্যাপক প্রাণহানির তথ্য দিয়ে সড়ক পরিস্থিতির প্রতিবেদন উপস্থাপন করেছিলেন মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

পাওয়ার-অব-এটর্নি কি?

পাওয়ার–অব–এটর্ণি বলতে এমন এক দলিল কে বোঝায় যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তি তার পক্ষে উক্ত দলিলে বর্নিত কার্য–সম্পাদনের জন্য আইনানুগভাবে অন্য কোন ব্যক্তির নিকট power প্রদান করেন। সুতরাং,পাওয়ার–অব–এটর্নি‘র অধীনে power প্রাপ্ত ব্যক্তি মূল মালিকের ন্যায় প্রায় এক–ই power enjoy করে থাকে।
পাওয়ার–অব–এটর্নি প্রধাণত দুই প্রকা্রঃ
১। প্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার–অব–এটর্নি; এবং
২। অ–প্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার–অব–এটর্ণি
অ–প্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার–অব–এটর্ণিঃ
স্থাবর সম্পতি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে, বিক্রয় চুক্তি সম্পাদনের বা loan নেওয়ার বিপরীতে স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক প্রদানের জন্য প্রদত্ত পাওয়ার–অব–এটর্ণিকে উদ্দেশ্যে অ–প্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার–অব–এটর্ণি বলে। এরুপ পাওয়ার আব এটর্ণি–তে পাওয়ার গ্রহীতার মূল মালিকের ন্যায় প্রায় এক ই ক্ষমতা থাকে। অ–প্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার–অব–এটর্ণি‘র ক্ষেত্রে পাওয়ার গ্রহীতার মৃত্যু হলে বা আইনগতভাবে দলিল সম্পাদনে অক্ষম হলে উক্ত মৃত বা অক্ষম পাওয়ার গ্রহীতার বৈধ ওয়ারিশ বা স্থলবর্তীর উপর দলিল থেকে সৃস্ট দায় বা অধিকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে অর্পিত হবে।
উল্লেখ্য, অ–প্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার আব এটর্ণি‘র ক্ষেত্রে উক্ত দলিল অবশ্য–ই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে এবং এ ব্যাপারে রেজিস্ট্রেশন আইনের ৫২ ক ধারার বিধাণাবলী প্রযোজ্য হবে।
পাওয়ার অব এটর্ণির অবসানঃ
কিছু কিছু পরিস্থিতিতে সম্পাদিত পাওয়ার অব এটর্ণির অবসান ঘটতে পারে–
১। যদি কোন বিশেষ purpose-এ পাওয়ার অব এটর্ণি সম্পাদন করা হয়, তা–হলে সে উদ্দেশ্য হাসিল বা অর্জিত হলে;
২। যদি কোন নিদৃষ্ট মেয়াদের জন্য পাওয়ার অব এটর্ণি সম্পাদন করা হয়, তা–হলে উক্ত মেয়াদ অবসানে;
৩। যদি কোন বিশেষ বিষয়বস্তুর উপর পাওয়ার অব এটর্ণি সৃষ্টি ক্রা হয় তা হলে উক্ত বিষয়বস্তুর ধ্বংস বা বিনাশের মাধ্যমে;
৪। অ–প্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব এটর্ণি ব্যাতীত অন্যান্যপাওয়ার অব এটর্ণি‘র ক্ষেত্রে পাওয়ার দাতা দেওলিয়া বা অপ্রকৃতিস্থ হলে বা মৃত্যুবরণ করলে বা পাওয়ার দাতার legal entity হারালে পাওয়ার অব এটর্ণির অবসান ঘটবে।