Saturday, January 4, 2014
১১তম সংসদ নির্বাচনে উদ্যোগ গ্রহণ করুন
শুক্রবার এক বিবৃতিতে সাংবাদিকরা বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের ধারায় দেশ এগিয়ে চলেছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং রায় কার্যকর হচ্ছে। জাতি কলঙ্কমুক্ত হচ্ছে। সেই সময় একটি মহল দেশকে গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী চিহ্নিত ধর্ম ব্যবসায়ী শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে এই শক্তি দেশি-বিদেশি দোসরদের সহায়তায় বাংলাদেশকে অন্ধকার এক জগতে নিয়ে যেতে চাইছে। তারা দেশের চালিকাশক্তির আসনে বসাতে চায় অনির্বাচিত শক্তিকে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সংবিধান নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিরোধী দল সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে শুধু বাধাগ্রস্তই
করেনি, গণতন্ত্রকেই ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়ার চক্রান্ত করেছে। রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে সহিংসতা ছড়িয়ে দিয়ে তারা দেশবাসীকে জিম্মি করেছে।
বিবৃতিতে সিনিয়র সাংবাদিকরা নির্ধারিত সময়ে সংসদ নির্বাচন করে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। তারা বলেন, সাংবিধানিক ধারা ক্ষুণ্ন করে অন্য কোনো পন্থায় ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা দেশের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চিত করতে পারে। যা রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানে আলোচনাই একমাত্র পথ।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন গোলাম সারওয়ার, হাবিবুর রহমান মিলন, রাহাত খান, ইকবাল সোবহান চৌধুরী, আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, এম শাহজাহান মিয়া, শফিকুর রহমান, ইমদাদুল হক মিলন, শ্যামল দত্ত, স্বদেশ রায়, নঈম নিজাম, সাইফুল আলম, মনজুরুল আহসান বুলবুল, আবদুল জলিল ভূঁইয়া, আলতাফ মাহমুদ, ওমর ফারুক, শাবান মাহমুদ, মোল্লা জালাল, ফরিদ হোসেন, ড. উৎপল কান্তি সরকার, আবু তাহের মোহাম্মদ, মামুন রেজা, প্রদীপ ভট্টাচার্য শঙ্কর, সাইফুল ইসলাম তালুকদার, আসিফ সিরাজ, ফরাজী আহমদ সাইদ বুলবুল, শাহাদৎ হোসেন শাহ, খায়রুজ্জামান কামাল, কাজী রফিক, মধুসূদন মণ্ডল, রফিকুল ইসলাম সবুজ, আবদুল মান্নান, শহীদ উল আলম, রিয়াজ হায়দার, আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, মাহবুবুর রহমান সোহাগ, আকবারুল হাসান মিল্লাত, মামুনুর রশীদ, এএইচএম আখতারুজ্জামান, আরিফ রেহমান, ওয়াহিদুল আলম, শাহীন হোসেন, সাজ্জাদ গণি খান রিমন, সাকিরুল কবির রিটন, কাজী ইয়াসিন, আতাউল করিম খোকন, নাফিজ আশরাফ, আফজাল হোসেন পন্টি, আবু তাহের চৌধুরী, জাহেদ সারোয়ার সোহেল, মোহাম্মদ ফারুক, দিদারুল আলম, হুমায়ুন কবির, সাহেব আলী, জাহিদুল কবির মিল্টন, গোপীনাথ দাস, সমুদ্র হক, আরিফ রহমান, প্রিয়তোষ পাল পিন্টু, মুজিবুল হক, আমেদাদুল হক, রেজাউল করিম, কাজী গিয়াস, জাভেদ অপু, নিয়ামুল কবির সজল, মীর গোলাম মোস্তফা, আবদুস সালাম, আহসান সাদিক, ফরিদা ইয়াসমিন, মাঈনুল আলম, শামসুদ্দিন আহমদ চারু, সালিম সামাদ প্রমুখ।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খোশমেজাজে এমপি লতিফ, দুশ্চিন্তায় বাবলু-দিদার by সারোয়ার সুমন
মহানগরের অপর আসন বন্দর-পতেঙ্গাতে দেখা যাচ্ছে বিপরীত দৃশ্যপট। এ আসনে মহিউদ্দিন চৌধুরীর নির্বাচন করার গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। তাই এ আসনে খোশমেজাজেই নৌকা চালাচ্ছেন অভিজ্ঞ প্রার্থী এমপি লতিফ।
চট্টগ্রাম মহানগরের একাংশ ও সীতাকুণ্ড নিয়েই চট্টগ্রাম-৪ আসন। সীতাকুণ্ড উপজেলায় ভোটার আছে দুই লাখ ৫৮ হাজার ৫০ জন। আর চট্টগ্রাম মহানগরের ৯ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটার যথাক্রমে ৫৭ হাজার ৬৪৫ ও ৩৪ হাজার ৩৯৪ জন। মোট ভোটারের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মহানগরের। নৌকার প্রার্থী দিদারুল আলমের বাড়িও এখানে। তাই এ আসনে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে এবার ঝুঁকি নিয়েছে আওয়ামী লীগ। সীতাকুণ্ডের প্রবীণ এমপি আবুল কাসেম মাস্টারকে বাদ দিয়ে এবার মনোনয়ন দিয়েছে দিদারুল আলমকে। বর্তমান এমপির সমর্থক ও নিজের ভোট ব্যাংককে এক সূত্রে গাঁথতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাকে। দিদারকে ভয় দেখাতে একাধিকবার হামলা করা হয়েছে তার নির্বাচনী প্রস্তুতি সভায়।
নৌকাকে বিজয়ী করতে একাগ্র দিদারুল আলম বলেন, 'প্রার্থী হিসেবে নবীন হলেও আমার নির্বাচনী গণসংযোগে থাকছেন এমপি আবুল কাসেম মাস্টারসহ আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতারা। আশা করছি, সীতাকুণ্ডে আবারও বিজয়ী হবে নৌকা।' তবে তার এ আশাকে নিরাশায় পরিণত করতে দিনরাত গণসংযোগ করে যাচ্ছেন জেপির অ আ ম হায়দার আলী চৌধুরী, ওয়ার্কার্স পার্টির দিদারুল আলম চৌধুরী ও জাসদের আ ফ ম মফিজুর রহমান।
অভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে মহানগরের কোতোয়ালি-বাকলিয়া আসনে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুরোধে এ আসনে এবার নির্বাচন করছেন না বর্তমান এমপি নুরুল ইসলাম বিএসসি। গ্যালারিতে দর্শক হিসেবে থেকেই তিনি উপভোগ করছেন এ আসনের নতুন প্রার্থী জাতীয় পার্টির জিয়াউদ্দিন বাবলুর খেলা। ভোটের মাঠে খেলছেন অপর তিন প্রার্থী ওয়ার্কার্স পার্টির আবু হানিফ, ন্যাপের আলী আহমদ নজির ও বিএনএফের আরিফ মঈনুদ্দিন।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু বলেন, 'আমার মার্কা লাঙ্গল হলেও মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ সব নেতাকে নিয়েই গণসংযোগ করছি।'
জাসদের জসিম উদ্দিন ও জাতীয় পার্টির কামাল উদ্দিন চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে থাকলেও মহানগরের বন্দর-পতেঙ্গা আসনে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন বর্তমান এমপি এমএ লতিফ। মহিউদ্দিন চৌধুরী ভোটের মাঠে না থাকায় লতিফ নৌকার পাল উড়াচ্ছেন খোশমেজাজে।
এমপি লতিফ বলেন, 'গতবারে নির্বাচন করার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাচ্ছি আমি। আবার গত পাঁচ বছরে এলাকার মানুষের জন্য যা করেছি, সেটিও আছে আশীর্বাদ হিসেবে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কামাল মজুমদারের দুর্গে আঘাত হানতে চান এখলাস মোল্লা by আলতাব হোসেন
মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা বর্তমান এমপি কামাল আহমেদ মজুমদারকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হলেও বিভিন্ন কারণে স্থানীয় পর্যায়ের নেতাদের একাংশ মিরপুরের ঐতিহ্যবাহী মোল্লা পরিবারের এখলাস উদ্দিন মোল্লাকে সমর্থন দিয়েছেন। গত তিন মেয়াদ ধরে এ আসনে (মিরপুর-কাফরুল) নির্বাচিত হয়ে আসছেন কামাল আহমেদ মজুমদার। অসৌজন্যমূলক আচরণ ও ভর্তি বাণিজ্যের কারণে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর সঙ্গে তার দূরত্ব দৃষ্টি হয়। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মোহনার চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ মজুমদার মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা পর্ষদের প্রধান। ভর্তি বাণিজ্য নিয়ে প্রতিবেদন তৈরির জন্য শেওড়াপাড়ায় প্রতিষ্ঠানের তিন নম্বর শাখায় স্বয়ং কামাল মজুমদারের রোষানলের শিকার হন এক নারী সাংবাদিক।
এলাকার প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে দূরত্বের সৃষ্টি হলেও তৃণমূল কর্মীদের কাছে অবশ্য কামাল মজুমদার আওয়ামী লীগের নিবেদিতপ্রাণ নেতা হিসেবেই পরিচিত। দলের যে কোনো কর্মসূচিতে তিনি অংশ নেন। নিজে মিছিলেও থাকেন।
কামাল মজুমদারের বিরুদ্ধে এবার লড়ছেন এখলাস উদ্দিন মোল্লা। তিনি মিরপুরের মোল্লা পরিবারের সন্তান। তার দাদা কুজরতউল্লা মোল্লা টানা ২৭ বছর মিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। সে সময় মিরপুর এলাকা ছিল কেরানীগঞ্জ থানার অধীনে। কুজরতউল্লা মোল্লার মৃত্যুর পর পরিবারের রাজনীতির হাল ধরেন তার ছেলে হারুন অর রশিদ মোল্লা। তিনি মিরপুর পৌরসভার একাধিকবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। হারুন মোল্লা ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতা, পঁচাত্তর-পরবর্তী দুর্দিনে মিরপুরে দলকে সংগঠিত করেন তিনিই। ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে হারুন মোল্লার বদলে ড. কামাল হোসেনকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়ে এমপি নির্বাচিত হন। মরহুম হারুন মোল্লার দুই ছেলে এখলাস উদ্দিন মোল্লা ও ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা রাজনীতিতে সক্রিয়। এখলাস মোল্লার ছোট ভাই ইলিয়াস মোল্লা ঢাকা-১৬ আসনের এমপি।
মিরপুর-১০ নম্বর এলাকার ফল বিক্রেতা আমির হোসেন বলেন, নির্বাচন নিয়ে মানুষের আগ্রহ কম থাকলেও এ আসনে কামাল মজুমদার ও এখলাস মোল্লার মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। শেওড়াপাড়ার মুদি দোকানি শফিকুল ইসলাম বলেন, অন্যবারের মতো এবার কোনো আমেজ নেই। প্রার্থীদের পক্ষে হাত মিলিয়ে যাচ্ছেন নেতারা। এ আসনে কামাল মজুমদার ও এখলাস মোল্লার মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী এখলাস উদ্দিন মোল্লা তার পারিবারিক ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে বলেন, আমাদের পরিবারের ইতিহাস হচ্ছে মানুষের পাশে থেকে সেবা করা। তিনি বলেন, মিরপুরে আমাদের পূর্বপুরুষের বসবাস। মিরপুরে রাজনীতি করে আমরা গুলশান-বনানীতে গিয়ে বাস করি না।
এদিকে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী আওয়ামী লীগের প্রার্থী কামাল আহমেদ মজুমদারও। সমকালকে তিনি বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামসহ যে কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে এলাকার মানুষ দেখতে পায় আমাকে। নির্বাচনী এলাকায় স্কুল-কলেজের উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তারে কী ভূমিকা রেখেছি_ এলাকার মানুষ তা জানে। কবরস্থানসহ এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়নেরও কথা তুলে ধরেন তিনি। কামাল মজুমদার দাবি করেন, প্রতিদ্বন্দ্বীদের জামানতও বাতিল হয়ে যাবে। নির্বাচন জাঁকজমকপূর্ণ হবে বলে দাবি করেন কামাল আহমেদ মজুমদার।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হিলিতে ট্রাকে পেট্রোল বোমা নিহত দুই
ও প্রতিনিধির পাঠানো খবর :
দিনাজপুর/হিলি :হিলিতে পেঁয়াজবোঝাই ট্রাকে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপে আগুনে পুড়ে দু'জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও তিনজন। নিহতরা হলেন_ দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার ফকিরপাড়া গ্রামের ওয়াহেদ মণ্ডলের ছেলে শাহনেওয়াজ (৩২) ও গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুর উপজেলার গয়েশ্বরপুর গ্রামের রজ্জব আলীর ছেলে আদিনুর রহমান। আহতরা হলেন_ ট্রাকচালক ইউসুফ (৪৫), সুমন (৩০) ও শাহজাহান (২২)। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে উপজেলার ইটাইবাওনায় দুষ্কৃতকারীরা পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক হারুন-উর রশীদ হারুন জানান, হিলি স্থলবন্দর থেকে ৩০০ বস্তা পেঁয়াজবোঝাই ট্রাক রাতে গাইবান্ধার উদ্দেশে রওনা হয়। পথে ইটাইবাওনায় পেঁৗছলে দুষ্কৃতকারীরা ট্রাকটি লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা ছুড়ে মারে। এতে ট্রাকে আগুন ধরে গেলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে ট্রাকটি পাশের খাদে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই দু'জন আগুনে পুড়ে মারা যান। হিলি ফায়ার ব্রিগেড স্টেশন কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, ট্রাকটিতে কোনো দাহ্য পদার্থ দিয়ে আগুন ধরানো হয়েছে। হাকিমপুর থানার ওসি এসএম আহসান হাবিব জানান, পুলিশ লাশ দুটি থানায় নিয়ে এসেছে। হারুন-উর রশীদ আরও বলেন, আগে রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যে পুলিশকে জানিয়ে মালপত্র দেশের অভ্যন্তরে পাঠাতাম। এবার আমরা মনে করেছিলাম, রাস্তায় যৌথ বাহিনী আছে; কিন্তু এর মধ্যেই এ ঘটনা ঘটল।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ/শিবগঞ্জ :চাঁপাইনবাবগঞ্জ-সোনামসজিদ মহাসড়কের কানসাটে বৃহস্পতিবার রাতে পণ্যবাহী ট্রাকে আগুন দিয়েছে অবরোধকারীরা। এতে ট্রাকচালক ও হেলপার দগ্ধ হন। তারা হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার উপরাজারামপুর মহল্লার আজিজুল হক (৪৫) ও সদর উপজেলার সরকারের মোড় এলাকার আরিফ আহম্মেদ (২২)। শিবগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে সোনামসজিদ স্থলবন্দর থেকে ফলবাহী একটি ট্রাক ছেড়ে আসে। কানসাট এলাকায় ট্রাকটি পেঁৗছলে অবরোধ সমর্থকরা প্রথমে ভাংচুর করে ও পরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ট্রাকচালক ও হেলপার দগ্ধ হন। তাদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতাল ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ১১টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় ১৮ দলের কর্মীরা।
কুমিল্লা :সদর উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়নের বামইল প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে অগি্নসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় কার্যালয়সহ চারটি দোকান পুড়ে যায়। শুক্রবার ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে। কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) সামসুজ্জামান জানান, কে বা কারা অগি্নসংযোগ করেছে, তা জানা যায়নি।
পাবনা :জেলার সুজানগরে একটি মালবাহী কাভার্ডভ্যানে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ বিএনপির তিন কর্মীকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলো উপজেলার চিনাখড়া এলাকার সুমন, জুলহাস ও সোহেল।
দোহার (ঢাকা) :দোহার উপজেলায় দুর্বৃত্তদের আগুনে পুড়ে গেছে একটি ট্যাক্সিক্যাব। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপজেলা সদরের ইউসুফপুর বাজার এলাকার দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটায়।
ঝিনাইদহ :আওয়ামী লীগ থেকে সদ্য বহিষ্কৃৃত ঝিনাইদহ সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জেএম রশিদুল আলমের বাসা লক্ষ্য করে বৃহস্পতিবার রাতে চারটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তবে এতে কেউ আহত হয়নি। এ সময় পুলিশ একটি ককটেল উদ্ধার করে।
কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) :বৃহস্পতিবার রাতে দুর্বৃত্তদের ছোড়া পেট্রোল বোমায় একটি মাইক্রোবাস ভস্মীভূত হয়েছে। উপজেলার বসুরহাট পৌর এলাকার বসুরহাট-সোনাপুর সড়কের করালিয়ায় দুর্বৃত্তরা গাড়িতে পেট্রোল বোমা ছুড়ে মারে।
রাজশাহী :বিএনপি কার্যালয়ের পাশ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৪টি ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ ককটেলগুলো উদ্ধার করে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।
সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) :উপজেলার ঢাকা বাইপাস সড়কের তালতলা এলাকায় সকাল ৭টার দিকে থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম মান্নানের সমর্থকরা সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে ও রাস্তায় পেট্রোল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে। পরে পুলিশ অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
সেনবাগ (নোয়াখালী) :শুক্রবার সেনবাগের সেবারহাট, ভূঞারদীঘি ও কল্যাণদী বাজারে দুটি পিকআপ ভ্যান, একটি যাত্রীবাহী বাস ও ছয়টি ট্রাক ভাংচুর করে পিকেটাররা।
বড়াইগ্রাম (নাটোর) :শুক্রবার নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় ট্রাক ভাংচুর, বিক্ষোভ-সমাবেশ ও পিকেটিংয়ের মধ্য দিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে ১৮ দলের নেতাকর্মীরা।
জিয়ানগর (পিরোজপুর) :উপজেলার চণ্ডীপুর ও বালিপাড়া এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য ১৮ দলের নেতাকর্মীরা বেশ কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়।
নাটোর :সকালে ১৮ দলের নেতাকর্মীরা শহরের আলাইপুর, হরিশপুর, দত্তপাড়া ও বড়গাছা এলাকায় মিছিল-সমাবেশ ও সড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে।
রাজাপুর (ঝালকাঠি) :রাজাপুরের পিংড়ি বাড়ৈবাড়ী থেকে শুক্রবার দুপুরে রাস্তায় ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে ছয় অবরোধকারীকে আটক করেছে পুলিশ।
বগুড়া :সোনাতলায় শুক্রবার স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে তিনজন আহত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
ঈশ্বরদী :শনিবার থেকে ফের হরতালের ঘোষণার পর পরই ঈশ্বরদীতে অন্তত ৫০টি যানবাহন ভাংচুর করা হয়। বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শহরের স্টেশন রোডে একটি চলন্ত ইজিবাইকে আগুন ধরিয়ে দেয় হরতাল সমর্থকরা। এর কিছুক্ষণ আগে রেললাইন এলাকায় বিকট শব্দে বোমার বিস্ফোরণ হলে শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া, মিরকামারী ও ঈশ্বরদী-কুষ্টিয়া মহাসড়কে গণহারে বিভিন্ন যানবাহনে ভাংচুর চালায় হরতাল সমর্থকরা।
চাঁদপুর : চাঁদপুরে একটি ট্রাকে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। জেলার কচুয়া উপজেলার জগৎপুর এলাকায় শুক্রবার ভোরে আগুন দেওয়া হয়। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। ট্রাকটি চাঁদপুর থেকে কুমিল্লার দিকে যাওয়ার সময় এ দুর্ঘটনার শিকার হয়।
সাতক্ষীরা :সাতক্ষীরার জেলা নির্বাচন অফিসের সামনে একটিসহ জেলা শহরের বিভিন্ন প্রবেশদ্বার মিলবাজার, রামচন্দ্রপুর, বাঁকাল এলাকায় একই সময়ে কমপক্ষে ১০টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জেলা নির্বাচন অফিসের সামনে পেঁৗছে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এদিকে ভোমরা স্থলবন্দরে চালভর্তি ভারতীয় ট্রাকে আগুন দেওয়া হয়েছে।
ময়মনসিংহ : শুক্রবার রাতে ময়মনসিংহ-হালুয়াঘাট সড়কের শম্ভুগঞ্জ বাজার সংলগ্ন রঘুরামপুর সবজিপাড়া এলাকায় মালবাহী ট্রাকে হরতাল সমর্থকরা আগুন ধরিয়ে দেয়। ট্রাকটি হালুয়াঘাট থেকে ময়মনসিংহে আসছিল। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানান, ট্রাকটির বেশিরভাগ পুড়ে গেছে।
মাগুরা : ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মাগুরা সদরে পারনান্দুয়ালীর ব্র্যাক অফিসের সামনে শুক্রবার রাতে দুটি পাটের সুতা বোঝাই ট্রাকে আগুন দিয়েছে পিকেটাররা। এ সময় অগি্নদগ্ধ হয়েছেন ট্রাকচালক মোসলেম ও ফারুক। তাদের মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মাগুরা দমকল বাহিনীর স্টেশন অফিসার মনিরুজ্জামান জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা থেকে যশোরমুখী পাটের সুতাবোঝাই এ ট্রাক দুটিতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। পরে দমকলকর্মীরা ঘটনাস্থলে পেঁৗছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দুটি ট্রাকে মধ্যে একটি সম্পূর্ণ ও অন্যটি আংশিক পুড়ে গেছে। এ সময় অগি্নদগ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন দুই ট্রাকচালক। তাদের মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মাগুরা সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগে কর্মরত ব্রাদার খায়রুল ইসলাম জানান, আহতদের মধ্যে ট্রাকচালক মোসলেমের শরীর ২০ থেকে ২৫ ভাগ ও ফারুক সামান্য পুড়ে গেছে।
চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামে একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তবে এ সময় কোনো যাত্রী না থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। গাড়িটি একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে বরযাত্রী নিয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিল বলে জানান পাঁচলাইশ জোনের সহকারী কমিশনার শাহ মোহাম্মদ আবদুর রউফ। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর নাসিরাবাদ এলাকার দৈনিক পূর্বকোণ অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচন ঠেকাতে শুরু ৪৮ ঘণ্টার হরতাল
অবরোধ কর্মসূচির পাশাপাশি শনিবার ভোর ৬টা থেকে সোমবার ভোর ৬টা পর্যন্ত টানা ৪৮ ঘণ্টার সর্বাত্মক হরতালের কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি। ওসমান ফারুক
বলেন, রোববারের নির্বাচন বাতিল ও গুলশানের বাসভবনে বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়াকে অবরুদ্ধ রাখার প্রতিবাদে হরতালের এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। তিনি বলেন, দেশবাসীকে আহ্বান জানাব, আপনারা ৫ জানুয়ারির নির্বাচনী প্রহসনকে 'না' বলুন এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে 'হ্যাঁ' বলুন। আগামীকালের ভোট বর্জনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, 'জনগণের আন্দোলন কখনও বৃথা যাবে না, বিজয় সুনিশ্চিত।' একই সঙ্গে সরকারের প্রতি আবারও আহ্বান জানিয়ে ওসমান
ফারুক বলেন, এখনও সময় আছে, জনগণের দাবি মেনে নিয়ে প্রহসনের নির্বাচনী খেলা বন্ধ করুন। মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিন। দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনুন।
সংবাদ সম্মেলনে দলের সহ-দফতর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম ও আসাদুল করীম শাহিন উপস্থিত ছিলেন।
একতরফা ভোট ঠেকানোর বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ওসমান ফারুক জানান, ভোটকেন্দ্রে যেতে ভোটারদের নিরুৎসাহিত করতে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও এই 'নিরুৎসাহিতকরণ' কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পালন করবে।
গত ২৫ নভেম্বর তফসিল ঘোষণার পরদিন থেকেই টানা অবরোধ পালন করে আসছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। এ পর্যন্ত ৫ দফায় ৫০১ ঘণ্টা অবরোধে প্রায় ১শ' মানুষ নিহত হয়েছে। এ ছাড়া গত ২৯ ডিসেম্বর ঢাকা অভিমুখী 'গণতন্ত্রের অভিযাত্রা' কর্মসূচির ডাক দেন খালেদা জিয়া। কিন্তু পুলিশি বাধার মুখে এ কর্মসূচি পালন করতে পারেনি ১৮ দল। এরপর জানুয়ারির প্রথম দিন থেকেই অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধের ডাক দেয় ১৮ দলীয় জোট।
৫ জানুয়ারি নির্বাচন স্থগিতের দাবি ও খালেদা জিয়া অবরুদ্ধ হওয়ার প্রতিবাদসহ স্থানীয় ইস্যুতে রাজশাহী, পাবনা, বরিশাল, খুলনা, সিলেট, বগুড়া, রংপুর, কুমিল্লা, ফরিদপুর, দিনাজপুর, নাটোর, মানিকগঞ্জ, মেহেরপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও বাগেরহাটে বিএনপি এবং ১৮ দল স্থানীয় পর্যায়ে পৃথক পৃথকভাবে বিভিন্ন মেয়াদে হরতাল ডাকে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচন বর্জন করুন
আজ থেকে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল কর্মসূচি ঘোষণার পর এ আহ্বান জানালেন বিএনপি প্রধান। তিনি দেশবাসীকে 'গণতান্ত্রিক' আন্দোলন চালিয়ে যেতে 'উদাত্ত' আহ্বান জানান। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে খালেদা জিয়া বলেন. "আমরা বলেছিলাম, বাংলাদেশের গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষ 'একতরফা' নির্বাচন হতে দেবে না। আমাদের কথা সত্য হয়েছে। অর্ধেকের বেশি আসনে নির্বাচনী প্রহসনের ঝুঁকি নিতেও সাহস পায়নি আওয়ামী লীগ। আসনগুলো ভাগ-বাটোয়ারা করে নিয়ে সিলেকশন করতে হয়েছে তাদেরকে। বাকি আসনগুলোতে বন্দুকঘেরা ভোটারবিহীন জাল-জালিয়াতির প্রহসনের আয়োজন চলছে।" নির্বাচন কমিশনকে আবারও আজ্ঞাবহ আখ্যা দিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, এই কমিশনের সহযোগিতায় রাষ্ট্রীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে ভয়ঙ্করভাবে অপব্যবহার করে গণতন্ত্রনাশের 'কদর্য' অধ্যায় রচনা করা হচ্ছে। তাই ৫ জানুয়ারি চিত্রিত হয়ে থাকবে 'জঘন্য কলঙ্কময়' এক 'কালো' তারিখ হিসেবে।
তিনি বলেন, "আমরা অনেক কষ্টে যে গণতন্ত্র অর্জন করেছিলাম সেই গণতন্ত্র আজ আওয়ামী লীগের হাতে আবারও 'নিহত' হলো। ১৯৭৫ সালে 'দ্বিতীয় বিপ্লব' নাম দিয়ে একদলীয় বাকশাল পদ্ধতির মাধ্যমে তারা গণতন্ত্র হত্যা করেছিল। আজও তারা গণতন্ত্র হত্যার আয়োজন করে বলছে যে, গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকারের চেয়ে বেশি জরুরি তাদের কর্মসূচির বাস্তবায়ন করা। এই কণ্ঠ ফ্যাসিবাদের। এই স্বৈরাচারকে রুখতে হবে।" 'প্রতিটি' জনপদ, গ্রাম ও মহল্লাকে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের 'দুর্ভেদ্য দুর্গ' হিসেবে গড়ে তুলে আন্দোলন চালিয়ে যেতে তিনি নেতাকর্মী ও জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
'মার্চ ফর ডেমোক্রেসি' কর্মসূচি ঘোষণার পর থেকেই সরকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দাদের দিয়ে তার বাসভবন ঘিরে রেখেছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপি প্রধান। তিনি বলেন, "আমাকে বাইরে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। কোনো ঘোষণা ছাড়াই সরকার কার্যত আমাকে 'গৃহবন্দি' করে রেখেছে।"
বিএনপি চেয়ারপারসনের অফিস ও দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় অবরুদ্ধ রাখা হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
খালেদা জিয়া বলেন, 'এই পরিস্থিতিতে আমি দেশবাসীকে গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।'
তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের মানুষ আমাকে বিপুল সমর্থন দিয়ে সেবা করার সুযোগ বারবার দিয়েছেন। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। ক্ষমতা আমার কাছে বড় নয়। ক্ষমতায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, মানুষের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও মুক্তির জন্য আমি জীবনের এই প্রান্তে এসেও যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত আছি।'
খালেদা জিয়া বলেন, বিএনপি ও ১৮ দলসহ দেশের কোনো গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল এই প্রহসনে শরিক হয়নি। দেশের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিকদের মধ্যে এ নিয়ে সামান্যতম উৎসাহ নেই।
ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ায় মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'এই প্রহসনের আয়োজকদের তারা (জনগণ) ধিক্কার দিচ্ছেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় হতবাক হয়েছে গণতন্ত্র ধ্বংসের এই স্বেচ্ছাচারী তাণ্ডব ও কারসাজিতে।'
সমঝোতার মাধ্যমে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের পন্থা ও সব পক্ষের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার উপায় বের করার জন্য বিএনপি বারবার আহ্বান জানালেও ক্ষমতাসীনদের 'একগুঁয়েমি'র কারণে তা সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ করেন খালেদা জিয়া।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে যে, অল্প কিছু দলীয় লোককে সারাদিন ভোটকেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে জাল ভোট দিয়ে ভোটার উপস্থিতির সংখ্যা বাড়িয়ে দেখানোর জন্য আওয়ামী লীগ নির্দেশ দিয়েছে। সেই নির্দেশের প্রমাণ হিসেবে 'অডিও ক্লিপ'ও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।
গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে বেগবান করতে ঘোষিত রাজধানী অভিমুখে 'মার্চ ফর ডেমোক্রেসি' কর্মসূচি পালনে 'জঘন্য নাৎসি কায়দায়' সরকার বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপি প্রধান। তিনি বলেন, সরকারের লেলিয়ে দেওয়া সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা সুপ্রিম কোর্ট ও প্রেস ক্লাবের মতো প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পিটিয়ে আহত করেছে।
খালেদা জিয়া বলেন, 'ওরা (আওয়ামী লীগ কর্মীরা) সশস্ত্র মিছিল নিয়ে প্রকাশ্যে মহড়া দিয়েছে। সবকিছুই হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ছত্রছায়ায়। অথচ নিরস্ত্র জনগণকে শান্তিপূর্ণ অভিযাত্রা ও সমাবেশে যোগ দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। সারাদেশে সব যানবাহন বন্ধ রেখেছে সরকার। এর মাধ্যমে ক্ষমতাসীনরা পরাজয় মেনে নিয়েছে। তাদের জনভীতি দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে গেছে।'
বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, এমন নিশ্ছিদ্র বাধার মধ্যেও সারাদেশ থেকে সর্বস্তরের লাখ লাখ মানুষ 'মার্চ ফর ডেমোক্রেসি'তে অংশ নিতে অনেক দুর্ভোগ সয়ে ঢাকায় এসেছিলেন। সরকারি সন্ত্রাসকবলিত রাজপথে এই শান্তিপ্রিয় নাগরিকদের নামতে দেওয়া হয়নি। যেতে দেওয়া হয়নি সমাবেশস্থলে। তারা গভীর বেদনা নিয়ে ক্ষমতাসীনদের ধিক্কার জানিয়ে ফিরে গেছেন। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।
'মার্চ ফর ডেমোক্রেসি'কে ঘিরে নানামুখী উস্কানি সত্ত্বেও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতাকর্মী ও জনগণ কোনো সহিংসতায় না জড়িয়ে ধৈর্য ও শান্তি বজায় রেখেছেন বলে উল্লেখ করেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, ১৮ দলের নেতাকর্মীরা প্রমাণ করেছেন যে, আমাদের কর্মসূচি ছিল শান্তিপূর্ণ এবং সরকারি প্রচারণা ছিল সম্পূর্ণ অসত্য।
'গৃহবন্দিত্ব কিংবা জেল-জুলুমকে আমি ভয় করি না' উল্লেখ করে খালেদা জিয়া বলেন, স্বৈরাচারী সরকার দেশের জনগণ ও বিশ্বসমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কেবল সন্ত্রাস ও রাষ্ট্রীয় শক্তির ওপর ভর করে টিকে থাকতে পারবে না।
তিনি অভিযোগ করেন, 'বিরোধী দলকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে ৫ জানুয়ারির পর সমূলে উৎখাতের হুমকি দিচ্ছে আওয়ামী শাসকেরা।' বিএনপি নেত্রী অভিযোগ করে বলেন, তাদের (আওয়ামী লীগের) নেতাকর্মীরা যানবাহনে, বিচারপতির বাড়িতে ও হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের ঘরবাড়িতে বোমা হামলা ও অগি্নসংযোগ করতে গিয়ে ধরা পড়েছে, বিচার হচ্ছে না। তারা নিজেরাই অস্ত্র হাতে রাজপথে মহড়া দিচ্ছে ও হামলা চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, 'আমি বলতে চাই, এক ব্যক্তির ক্ষমতার লালসা ও স্বেচ্ছাচারিতার কাছে জাতির সম্মিলিত ইচ্ছাশক্তি পরাজিত হবে না। যে আন্দোলনে বহু মানুষ রক্ত দিয়েছে সেই আন্দোলন সফল হবেই ইনশাআল্লাহ। ক্ষমতার দম্ভের শোচনীয় পরাজয় অত্যাসন্ন।'
আওয়ামী লীগ হত্যা, নাশকতা, গুম, নির্যাতন, অপপ্রচার ও অপসারণের এক মহা নীলনকশা তৈরি করেছে বলেও অভিযোগ করেন বিরোধীদলীয় নেতা।
তিনি বলেন, শুধু সরকার কিংবা সংসদ নয়, সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন ও সংস্থাকে একদলীয়করণের এ অপপ্রয়াস ব্যর্থ করতে যে যেখানে আছেন, সবাইকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। দেশ ও জনগণকে মুক্ত করতে হবে, বাঁচাতে হবে সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংঘাতের মধ্যেই কাল ভোট by মসিউর রহমান ও খানজয়দেব দাশ
গত ২৫ নভেম্বর দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই বিরোধী জোটের কর্মসূচিকে ঘিরে শতাধিক ব্যক্তির প্রাণহানি ঘটেছে। গতকালও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। রাজধানীর পরীবাগ ও গুলিস্তানে দুটি যাত্রীবাহী বাসে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ ও উত্তরার আবদুল্লাহপুরে দুটি বাসে অগি্নসংযোগ করা হয়েছে। ফেনীতে চারটি ভোটকেন্দ্র পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
একটি কেন্দ্রে বোমা হামলা চালানো হয়। হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে নির্বাচনী মিছিলে হামলা চালিয়েছে ছাত্রদল। গাইবান্ধায় নির্বাচনী কেন্দ্র পরিদর্শনকালে পুলিশের ওপর হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ফলে বাকি আসনগুলোতেও শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ নিয়ে জনমনে সংশয় রয়েছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে কমবেশি আতঙ্ক বিরাজ করছে। খোদ নির্বাচন কমিশনই প্রায় ১৮ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১০ হাজার কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ (গুরুত্বপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত করেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ভোটের পরও অধিক সময় সেনাবাহিনীকে মাঠে রাখার কথাও জানিয়েছেন সিইসি।
নির্বাচন কমিশন সচিব ড. মোহাম্মদ সাদিক গতকাল সমকালকে জানিয়েছেন, ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটদান নিশ্চিত করতে কমিশনের সাধ্যের মধ্যে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের দুর্গম তিন পার্বত্য জেলায় বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারও ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের বড় একটি রাজনৈতিক জোটের নির্বাচন বর্জন ও প্রতিহত করার হুমকির কারণে সঙ্গত কারণেই নিরাপত্তা বৃদ্ধির বিষয়টি কমিশন গুরুত্বসহকারে নিয়েছে।
ভোট ১৪৭ আসনে :নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সূত্র জানায়, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৩ জনের বিজয়ের ফলে এবার পাঁচ জেলায় নির্বাচনই হচ্ছে না। এগুলো হচ্ছে_ জয়পুরহাট, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও চাঁদপুর। এরই মধ্যে ১৯টি জেলার প্রায় সব ক'টি আসনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করছে নির্বাচন কমিশন। বিরোধী জোটের নির্বাচন প্রতিরোধে গঠিত সংগ্রাম কমিটির হামলা, জামায়াত-শিবিরের নাশকতার আশঙ্কা এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের শক্তি প্রদর্শনকে বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা মাঠ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতিবেদন পাঠিয়েছে। সর্বশেষ গত বুধবার একটি গোয়েন্দা সংস্থা সারাদেশে গঠিত নির্বাচনবিরোধী সংগ্রাম কমিটি এবং কমিটির সদস্যদের নামের তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়েছে। বৃহস্পতিবার গোয়েন্দা সংস্থার এ প্রতিবেদন রিটার্নিং কর্মকর্তা (জেলা প্রশাসক) ও জেলা পুলিশ সুপারদের কাছে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ও র্যাব এ তালিকা ধরে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সংগ্রাম কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি অভিযান চালাতে পারে।
কালকের ভোট গ্রহণের জন্য ইসির প্রশিক্ষিত পৌনে তিন লাখ ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রায় সাড়ে চার কোটি ব্যালট মুদ্রণ করে তা কমিশনের আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভোট গ্রহণের দিন সকালে ব্যালট পেপারসহ অন্যান্য সামগ্রী ভোটকেন্দ্রে নেওয়া হবে।
অর্ধেক ভোটার বঞ্চিত :সারাদেশের ৯ কোটি ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ১০৬ ভোটারের মধ্যে এবার ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন মাত্র ৪ কোটি ৩৯ লাখ ৩৮ হাজার ৯৩৮ জন। ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হচ্ছেন ১২টি রাজনৈতিক দলের ৩৯০ প্রার্থী। ভোটকেন্দ্র ১৮ হাজার ২০৮টি; ভোটকক্ষ ৯১ হাজার ২১৩টি। নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন ৫৯ জন, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ২৮৭ জন। প্রিসাইডিং অফিসার ১৮ হাজার ২০৮ জন; সহকারী প্রিসাইডিং ৯১ হাজার ২১৩ ও পোলিং অফিসার ১ লাখ ৮২ হাজার ৪২৬ জন দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া দুই সদস্যের ইলেকট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটি কাজ করবে ১০৩টি, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বে থাকবেন ১৪৭ জন; নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে দায়িত্ব পালন করবেন ২৯৪ জন। এ ছাড়া দুর্গম এলাকা বিবেচনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পার্বত্য তিন জেলার ৩৩টি কেন্দ্রে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে।
নির্বাচনে ১২ দল :ইসির নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৪৩টি। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ১২টি দল। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থীসংখ্যা ১২০ জন, জাতীয় পার্টির (জাপা) ৬৫, জাতীয় পার্টির (জেপি) ২৭, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) ২১, ওয়ার্কার্স পার্টির ১৬ ও বিএনএফের ২২ জন। এ ছাড়া নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অন্য দলের মধ্যে গণতন্ত্রী পার্টি একটি, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ছয়টি, বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশন তিনটি, গণফ্রন্ট একটি, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট একটি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে।
কেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা :নির্বাচন কমিশন গত বুধবার ভোটকেন্দ্র ও নির্বাচনী মালপত্রের সুরক্ষায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কেউ যাতে আক্রমণ করে নির্বাচনী মালপত্র নষ্ট করতে না পারে, সে জন্য ভোটকেন্দ্রের চারপাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করতে হবে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রসংলগ্ন রাস্তায় সব ধরনের যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচল সীমিত করতে হবে। একই সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভ্রাম্যমাণ দল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের টহল জোরদার করতে হবে।
হেলিকপ্টার ব্যবহার করবে র্যাব :আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে র্যাব হেলিকপ্টার ব্যবহার করবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ইসি সচিবালয় ও বাহিনীগুলোর অনুরোধে বিমানবাহিনী প্রয়োজনীয়সংখ্যক হেলিকপ্টার পরিবহনে সহায়তা দেবে। প্রয়োজনীয়সংখ্যক হেলিকপ্টার সুবিধাজনক স্থানে মোতায়েন রাখবে বিমানবাহিনী। সেনা সদরের বিবেচনায় প্রতিটি স্তরে প্রয়োজনীয়সংখ্যক সেনাসদস্য রিজার্ভ হিসেবে মোতায়েন থাকবে। তা ছাড়া দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে নির্বাচন কর্মকর্তা, নির্বাচনী মালপত্র পাঠাতেও হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে।
নতুন সাজে নির্বাচন কমিশন :প্রধান বিরোধী দল নির্বাচনে অংশ না নিলেও নির্বাচন কমিশন দেখে তা বোঝার উপায় নেই। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাজ সাজ রব বিরাজ করছে কমিশনে। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি গুছিয়ে নিতে চারদিকে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
শুক্রবার থেকেই কমিশন প্রাঙ্গণে টানানো হয়েছে বিশেষ ধরনের শামিয়ানা। রাতের জন্য করা হয়েছে আলোকসজ্জাও। নির্বাচনের পরদিনও কমিশনের এ সাজসজ্জা থাকবে। নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক এসএম আসাদুজ্জামান বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ ও গণমাধ্যমের কর্মীরা কমিশনে ভিড় করেন। এ জন্যই প্রতিবারের মতো এবারও কমিশন প্রাঙ্গণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
প্রচার ও যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা :প্রচার ও যানবাহন চলাচল সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনের পরিপত্রে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৭৮ বিধি অনুসারে ভোট গ্রহণ শুরুর পূর্ববর্তী ৪৮ ঘণ্টা হতে ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে ৭ জানুয়ারি বিকেল ৪টা) পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণা ও সমাবেশ করা যাবে না। এ সময়ে কোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকা , ভোটার ও ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের কোনো ধরনের ভয়-ভীতি বা অস্ত্র প্রদর্শন করা যাবে না। এ ধরনের অপরাধের জন্য দুই থেকে সাত বছর সশ্রম কারাদ ের বিধান আছে।
পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, ৪ জানুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ৫ জানুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় ট্যাক্সিক্যাব, বেবিট্যাক্সি বা অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, টেম্পো, লঞ্চ, ইজিবাইক, ইঞ্জিনবোট ও স্পিডবোটের চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। মহানগর এলাকায় ট্যাক্সিক্যাব, মাইক্রোবাস, পিকআপ ও জিপ চলাচলের ওপর উক্ত নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এ ছাড়া আজ রাত ১২টা থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। তবে জাতীয় হাইওয়ের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। গত ১৯ নভেম্বর বর্তমান কমিশন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ২৫ নভেম্বর দশম সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে।
ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র স্থাপন :রিটার্নিং অফিসারদের থেকে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ভোট গ্রহণ চলাকালে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও ভোট গ্রহণ শেষে প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল সংগ্রহ ও প্রকাশ করতে ইসি সচিবালয়ে একটি 'ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র' স্থাপন করা হয়েছে। আগামীকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে সর্বশেষ বেসরকারি ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত এ কেন্দ্রের কর্মীরা কাজ করবেন।
এ ছাড়া রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আরএমএস) পদ্ধতিতে ইন্টারনেটের মাধ্যমেও সারাদেশের ফলাফল সংগ্রহ করবে কমিশন। ইতিমধ্যে সারাদেশে রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে এ জন্য সফটওয়্যার বিতরণ করা হয়েছে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংবিধানের আলোকেই নির্বাচন পিছানো যেতে পারে- ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক by উৎপল রায়

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘সবাই কেবলামুখী তাই আমিও হয়েছি’- কাজী ফিরোজ রশীদ by নিয়াজ মাহমুদ

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘সবাই কেবলামুখী তাই আমিও হয়েছি’- কাজী ফিরোজ রশীদ by নিয়াজ মাহমুদ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছবির গল্প
সেদিন ছিল মঙ্গলবার। দুপুরের দিকে ফটোগ্রাফার চার্লস আরসিএ ভবনের বিভিন্ন অংশের ছবি তুলতে তুলতে ৬৯ তলায় এসে উপস্থিত হন। সেখানে আসার পর এক আশ্চর্য দৃশ্য তার চোখে পড়ে। তিনি দেখেন, ১১ জন নির্মাণ শ্রমিক একটি লোহার গার্ডারের ওপর পা দুলিয়ে বসে দুপুরের খাবার খাচ্ছেন। শ্রমিকরা এমন জায়গায় বসে ছিলেন, যেখান থেকে পিছলে গেলে সোজা ২৫৬ মিটার নিচে নিউইয়র্কের পিচঢালা রাস্তায় গিয়ে পড়তে হবে। আর তেমনটা হলে বাঁচার কোনো আশা করাও হবে বোকামি। এমন ঝুঁকির মধ্যেই কর্মীরা কোনো রকম নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই গার্ডারে বসে খাচ্ছিলেন, গল্প-গুজব করছিলেন।
ফটোগ্রাফার চার্লস এই কর্মীদের চোখে এক আশ্চর্য হতাশা দেখেন। তিনি মনে মনে ধরে নেন, সারাদিন গাধার মতো খাটা এ শ্রমিকরা সম্ভবত জীবনের প্রতি ত্যক্ত-বিরক্ত। জীবনের প্রতি কোনো মমতা বোধ নেই তাদের। সে কারণেই হয়তো এমন ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসে আছেন তারা। ফটোগ্রাফার চার্লস এমন একটি দৃশ্য মিস করতে চাইলেন না। সবচেয়ে ভালো অ্যাঙ্গেলে দাঁড়িয়ে শ্রমিকদের ছবি তুলে ফেললেন তিনি।
কিছুদিন পর ২ অক্টোবর নিউইয়র্ক হেরাল্ড ট্রিবিউন পত্রিকায় ছবিটি ছাপা হয় এবং পাঠকদের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা কুড়াতে থাকে ছবিটি। তবে সমালোচকরা অভিযোগ করে বলছেন, 'ছবিটি হঠাৎ করে তোলা হয়নি। এটা আসলে সাজানো ছবি। আরসিএ ভবনের প্রচারের জন্য ফটোগ্রাফার চার্লস শ্রমিকদের নিজের মতো করে সাজিয়ে ছবিটি তুলেছেন। শ্রমিকরা মোটেই নিরাপত্তাহীন ছিলেন না। তাদের সূক্ষ্মভাবে গার্ডারের সঙ্গে আটকে রাখা হয়েছিল।' সমালোচকদের এ দাবির যৌক্তিকতা আরও বাড়িয়ে দেয়, যখন ফটোগ্রাফার চার্লস অনেকটা একই ধরনের ছবি 'মেন অ্যাস্লিপ অন এ গার্ডার' (গবহ অংষববঢ় ড়হ ধ এরৎফবৎ) প্রকাশ করেন। সেখানে চারজন নির্মাণ শ্রমিককে একই গার্ডারের ওপর শুয়ে থাকতে দেখা যায়।
তবে ঘটনা যাই হোক, ছবিটিকে গত শতাব্দীর অন্যতম সেরা ছবি হিসেবে মেনে নিতে বেশিরভাগ ফটোগ্রাফার কুণ্ঠাবোধ করেন না।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাঠের বাইরে অন্য মেসি
টাকা তো আর কেউ কম আয় করেন না, কিন্তু ক'জনই বা পারেন সেই টাকা দান করার মানসিকতা রাখতে। মেসি একজন দানশীলও বটে। একবার এল ক্ল্যাসিকোতে রিয়াল মাদ্রিদকে ৬-২ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল মেসির দল। তার মধ্যে দুটো গোল ছিল মেসির। দুটো গোলের পরই জার্সির নিচের টি-শার্টটি উঁচিয়ে ধরে উদযাপন করেছিলেন মেসি। যেখানে লেখা ছিল, 'ফ্র্যাজাইল এক্স সিনড্রোম'। অটিজমের জন্য দায়ী এই অসুখের বিরুদ্ধে লড়াই করে অনেক প্রতিষ্ঠান। মেসি আর্থিক সাহায্য দিয়ে থাকেন এসব প্রতিষ্ঠানকে। এ ছাড়া সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য তিনি গঠন করেছেন লিও মেসি ফাউন্ডেশন। নিজের পুরো আয়ের একটা বড় অংশ মেসি দান করেন এসব দাতব্য কাজে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন, কেবল ফুটবলে লাথি দেওয়ার মতো পা-ই নয়_ মানুষকে ভালোবাসার মতো একটি বড় হৃদয়ও আছে লিওনেল মেসির।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভয়ঙ্কর ৭ নারী
এলিজাবেথ বাখোরি
১৫৬০ সালে জন্মগ্রহণ করে এই নারী। বিশ্বজুড়ে কুখ্যাত সিরিয়াল কিলারদের অন্যতম এলিজাবেথ বাখোরি। বিয়ের কিছুদিন পর তার স্বামী ফেরেন্স নাডাসডি হাঙ্গেরির সেনাপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়ে যুদ্ধে চলে যান। স্বামী চলে যাওয়ার পর পরিবার এবং ব্যবসার সবকিছুই দেখাশোনা করত এই নারী। এলিজাবেথ চড়া বেতনে কিশোরী মেয়েদের বাড়ির চাকরানী হিসেবে রাখত। কিন্তু ভয়ঙ্কর ব্যাপার হলো, সেই বাড়ির ভেতরে যে একবার যেত সে আর ফিরে আসত না। বিষয়টি রহস্যজনক মনে হলে তদন্তে প্রমাণিত হয় যে, এলিজাবেথ নিজের ত্বক ভালো রাখার জন্য কুমারী মেয়েদের রক্ত দিয়ে স্নান করত। স্নানের আগে মেয়েদের শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কেটে ফেলত। মেয়েদের আর্তচিৎকার সে উপভোগ করত। দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে চলে এভাবে মানুষ হত্যা। পরে ব্যাপারটা রাজা মাথিয়াস জানতে পারেন এবং মৃত, অর্ধমৃত অনেক মেয়েকে তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করেন। জীবিতদের কাছ থেকে ঘটনার সত্যতাও পাওয়া যায়। এভাবে এলিজাবেথ প্রায় ৬৪০ জন কুমারী মেয়ের রক্ত দিয়ে নিজের ত্বক ভালো রাখতে স্নান করে। চার বছর জেলে থাকার পর মৃত্যুবরণ করে এলিজাবেথ বাখোরি।
ক্যাথরিন নাইট
১৯৫৬ সালে অস্ট্রেলিয়ায় জন্মগ্রহণ করে ক্যাথরিন নাইট। সে প্রথম অস্ট্রেলিয়ান নারী, যাকে প্যারোল ছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সেখানে তখনকার দিনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান ছিল না। দাম্পত্য কলহের জের ধরে ক্যাথরিন তার স্বামীর সব দাঁত উপড়ে ফেলে। এরপর সে অন্য এক পুরুষের সঙ্গে গোপন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। একদিন ঝগড়া হলে ওই ব্যক্তিকে ৩৭ বার ছুরিকাঘাতের মাধ্যমে হত্যা করে ক্যাথরিন। শুধু তাই নয়, এরপর সে ওই মৃত ব্যক্তির চামড়া ছাড়িয়ে তা নিজের বেডরুমের দরজার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে। এরপর মৃতদেহ থেকে মাথা কেটে নিয়ে স্যুপ রান্না করে নিজের সন্তানদের জন্য রেখে বাইরে চলে যায়। পরে পুলিশ এসে ওই ছিন্ন-ভিন্ন মৃতদেহটি উদ্ধার করে।
ইরমা গ্গ্নেস
এই নারীর জন্ম ১৯২৩ সালে। হিটলারের রাভেন্স ব্রুক ক্যাম্পের সুপারভাইজার ছিল ইরমা। এরপর বদলি হয়ে আউসুটয় ক্যাম্পে আসে। সেখানে সে ৩০ হাজার ইহুদি নারী বন্দির দায়িত্ব পায়। ইরমার কাজ ছিল তার পোষা কুকুর দিয়ে নারী হত্যা, বিকৃত যৌনাচার, নারীদের লাইন দিয়ে দাঁড় করিয়ে গুলি করার প্র্যাকটিস, কথা না শুনলে গ্যাস চেম্বারে প্রেরণ। তার এ রকম হত্যাযজ্ঞের কারণে 'বিচ অব বেলসেন' নামে পরিচিতি পায় ইরমা গ্গ্নেস। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
ইস কচ
ইস কচের জন্ম ১৯০৬ সালে। বুচেনওয়ার্ল্ড কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের সুপারভাইজার ছিল সে। সেখানে বন্দিদের মধ্যে যার শরীরে ট্যাটু আঁকা থাকত তাদের এবং যাদের শরীরের চামড়া সুন্দর তাদের আলাদা করে রাখা হতো। যেসব বন্দির শরীরে ট্যাটু ছিল তাদের খুন করে ট্যাটুটি চামড়াসহ সংরক্ষণ করে রাখা হতো। একই সঙ্গে শরীরের অন্যান্য অঙ্গও আলাদা করে সংরক্ষণ করা হতো। ইস কচের সবচেয়ে প্রিয় শখ ছিল সুন্দর চামড়াওয়ালাদের খুন করে তাদের চামড়া দিয়ে কুশন কভার, সাইড ল্যাম্প এসব শৌখিন জিনিস তৈরি করে সাজিয়ে রাখা। ১৯৪৭ সালের ৩০ জুন তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। জেলে থাকা অবস্থায় ১৯৬৭ সালে সে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে।
মেরি এন কটন
১৮৩২ সালে জন্মগ্রহণ করে এই নারী। সে তার দুই স্বামী, বয়ফ্রেন্ড, ১২টি সন্তানসহ প্রায় ২১ জনকে আর্সেনিক বিষ খাইয়ে হত্যা করে। আর এ কাজের জন্য ইতিহাসের অন্যতম ভয়ঙ্কর নারী হিসেবে কুখ্যাতি লাভ করে মেরি এন কটন। তার এমন জঘন্য কর্মের জন্য ১৮৭৩ সালে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। মেরি এন কটন ইংল্যান্ডের ডারহামের বাসিন্দা ছিল।
বেলে গুনেস
১৮৫৯ সালে আমেরিকার ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যে জন্ম হয় বেলে গুনেসের। তার উচ্চতা ছিল ৬ ফুট এবং ওজন ছিল ৯৫ কেজি। মেরি এন কটনের মতো বেলে গুনেসও তার একাধিক স্বামী, বয়ফ্রেন্ড, সন্তান এবং আরও অনেক ব্যক্তিকে খুন করে। কারও কারও মতে, সে শতাধিক ব্যক্তিকে খুন করে। লোকমুখে প্রচলিত ছিল, তার ইন্স্যুরেন্স ব্যবসা ছিল এবং যেসব ব্যক্তিকে খুন করা হতো সে তাদের টাকা ও সম্পদ লুফে নেওয়ার জন্যই তাদের খুন করত। তার মৃত্যু সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।
বিভারলি এলিট
১৯৬৮ সালে এই নারীর জন্ম। ব্রিটেনের সবচেয়ে পরিচিত কিলারদের মধ্যে বিভারলি এলিট অন্যতম। পেশায় সে একজন নার্স। বিভারলি চারটি শিশুকে হত্যা করে, পাঁচটি শিশুকে ভয়াবহভাবে আহত করে এবং ১৩টি শিশুকে ৫৮ দিন ধরে আটকে রেখে নির্যাতন করে। নার্স হওয়ার সুবিধায় সে খুব সহজেই এসব শিশুকে হত্যা করত। তবে ঠিক কী কারণে বিভারলি শিশুদের হত্যা করত তার কারণ কখনও জানা যায়নি।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আলোর মিছিল by নাজমুল হক ইমন
রাত জেগে পাহারা দেন মূল্যবান সব বইপত্র। সকালে পাঠাগার খুলে কিছুক্ষণ ঝাড়া-মোছার কাজ করেন। তারপর কাউকে দেখভালের দায়িত্ব দিয়ে বেরিয়ে পড়েন মোশাররফ হোসেন চৌধুরী। মাইলের পর মাইল, গ্রামের পর গ্রাম, দিনমান হাঁটেন তিনি_ একটি মাত্র বইয়ের জন্য। কাজটি তিনি করে চলেছেন ৭০ বছর ধরে।
১৯৫০ সালের কথা। ম্যাট্রিক পাসের পর তরুণ মোশাররফ ভর্তি হন ঢাকার জগন্নাথ কলেজে। পড়াশোনা করতেন চাচাতো ভাই কবি ও সাহিত্যিক তালিম হোসেনের বাসায় থেকে। তালিম হোসেনের ছিল বিশাল পারিবারিক পাঠাগার। প্রতি মাসে অন্তত একবার সেখানে সাহিত্য সভা হতো। সাহিত্য সভার আমন্ত্রণপত্র বিলির দায়িত্ব পড়ত মোশাররফের ওপর। কবি শামসুর রাহমান, রাবেয়া খাতুনসহ নামীদামি অনেক কবি-সাহিত্যিক আসতেন সে পাঠাগারে। এ ছাড়া মোশাররফকে সঙ্গে নিয়ে তালিম হোসেন যেতেন কবি-সাহিত্যিকদের বাসায়। সেখানে তিনি দেখতেন বড় বড় পাঠাগার। গ্রামে রেখে আসা পাঠাগারটির কথা তখন মনে পড়ত মোশাররফের।
১৯৫২ সাল। মাতৃভাষার জন্য বাঙালি যখন রাজপথে তখন সে দলেও নাম লেখান মোশাররফ। 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত ঢাকার অলিগলি। কিন্তু হঠাৎ খবর আসে মায়ের মৃত্যুর। আন্দোলনের মাঝপথে বাড়ি ফেরেন তিনি। সময় বয়ে চলে, মোশাররফ হোসেন চৌধুরীও ছুটতে থাকেন বইয়ের খোঁজে।
এক সময় স্থানীয় সোনাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন মোশাররফ। বই সংগ্রহের এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় কমিটির সঙ্গে দেখা দেয় বিরোধ। রাগ করে চাকরি ছেড়ে শুরু করেন কাপড়ের ব্যবসা। বই সংগ্রহের নেশায় ব্যবসাও লাটে ওঠে। এসব নিয়ে স্ত্রী রিজিয়া খাতুনের সঙ্গে প্রায়ই মনোমালিন্য হতো। বই জোগাড় করতে গিয়ে বিরাগভাজন হয়েছেন প্রিয়জনদের। আবার কারও কারও পরম বন্ধুও হয়েছেন।
মাত্র পাঁচটি বই নিয়ে ১৯৪৬ সালে যাত্রা শুরু করে মোশাররফ হোসেন চৌধুরীর পাঠাগার। নাম দেন 'ভাতসাইল প্রগতি সংঘ পাঠাগার'। প্রথমে মাটির দেয়াল ও টিনের ছাউনির ছোট্ট ঘরে পাঠাগারের কার্যক্রম চলত। ধীরে ধীরে ভিড় বাড়তে থাকে মানুষের। একসময় আরও জায়গার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। সে সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন চাচাতো ভাই আবদুল মতিন চৌধুরী। পাঠাগারের জন্য তিনি ১৭ শতাংশ জমি দেন এবং তৎকালীন সাব-ডিভিশন অফিসার এমএ বাসিত পাঠাগারের জন্য ফাউন্ডেশন করে দেন। শুরুর দিকের আলীবাবা, গোপাল ভাঁড়, শিয়াল পণ্ডিতের পাঠশালা, আনোয়ারা ও মুসলিম পঞ্চসতি বইগুলো এখনও রেখেছেন সযত্নে।
সত্তর বছরেরও বেশি সময় ধরে মোশাররফ হোসেন চৌধুরী ছুটছেন বইয়ের পিছু। বইপাগল মানুষটি নতুন কোনো বইয়ের কথা শুনলেই রওনা হন সঙ্গে সঙ্গে। এ পর্যন্ত নিজ উদ্যোগে তিনি বই সংগ্রহ করেছেন লক্ষাধিক। চারটি কক্ষে, ৫২টি স্টিল ও কাঠের আলমারিতে বাংলা, ইংরেজি, উর্দুসহ নানান ভাষার বই সাজিয়ে রেখেছেন স্তরে স্তরে। নিজের টাকা, জেলা পরিষদ ও এলাকার মানুষের সহায়তায় এসব বই কিনেছেন মোশাররফ।
পাঠাগারেই রাত কাটান তিনি। তাই সবার জন্য এর দরজা ২৪ ঘণ্টাই খোলা। পাঠাগারে আছে বেশ কিছু দুর্লভ বই। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রায় দুইশ' বছরের পুরনো হাতে লেখা কোরআন শরীফ, আড়াইশ' বছরের পুরনো তালপাতার বই, আলিফ লায়লা, ফেরদৌসীর লেখা শাহনামা ও হাতে লেখা ইমাম হানিফার জীবনী। এ ছাড়া দুর্লভ কিছু পাণ্ডুলিপি, কবিতা, উপন্যাস আর গল্পের মূল্যবান প্রায় ১৩০টি বই যত্ন করে রাখা আছে পাঠাগারে। তার পাঠাগার থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও গবেষণার কাজে বই নেন প্রায়ই।
নিজের জীবনের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর নীরবতা ভাঙেন তিনি। দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলেন, 'বই সংগ্রহ করতে গিয়ে নিজের জমিজমা বিক্রি করে দিই। শ্বশুরবাড়িতে স্ত্রীর ছিল প্রচুর জমি। বইকেনার নেশায় একপর্যায়ে স্ত্রীর জমিও বিক্রি করে ফেলি।'
নিজ হাতে গড়া পাঠাগারটির ভবিষ্যৎ নিয়ে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে মোশাররফ হোসেন এখন চিন্তিত। তিনি যখন থাকবেন না, পাঠাগারে সারি সারি বইয়ের যত্নআত্তি করবে কে? মোশাররফ বলেন, 'আমার বই সংগ্রহ করতে কোনো কষ্ট হয় না। কিন্তু এ কথা ভাবতে কষ্ট হয়_ আমার বই পাঠাগারে কার হেফাজতে থাকবে? বইগুলো থাকবে তো পাঠকদের জন্য? কে নেবে এ দায়িত্ব?'
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রাচীন কঙ্কাল বদলে দেবে ইতিহাস
বালকটির দেহাবশেষ উদ্ধারের পর প্রায় ৫০ বছর ধরে সেটি রাখা ছিল সেন্ট পিটার্সবার্গের জাদুঘরে। কিছুদিন আগে এই দেহাবশেষের কিছু অংশ নিয়ে পরীক্ষা করার আগ্রহ দেখান ডেনমার্কের কোপেনহেগেন ইউনিভার্সিটির প্রাচীন ডিএনএ বিষয়ক গবেষণা বিশেষজ্ঞ এসকে ভিলারস্লেভ। মাইটোকন্ড্রিয়াল ডিএনএ বিশ্লেষণে জানা গেল, ওই বালকের ডিএনএ 'ইউ' গোত্রের অন্তর্গত। ৪৪ হাজার বছর আগে আধুনিক মানুষের যে গোষ্ঠী ইউরোপে প্রবেশ করেছিল, তাদের দেহে এই গোত্রের মাইটোকন্ড্রিয়াল ডিএনএ-ই পাওয়া যায়। কিন্তু অন্য পদ্ধতিতে গবেষণা চালাতেই নতুন করে দেখা গেল এক চমক। তা-ও একবার নয়, পর পর দু'বার। প্রথমত, ২৪ হাজার বছর আগে মারা যাওয়া ওই বালকের ডিএনএর নকশা হুবহু মিলে যায় পশ্চিম ইউরোপীয়দের সঙ্গে। দেহাবশেষের মধ্যে চামড়া বা লোমের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞানীদের দাবি, জীবিত অবস্থায় ওই বালকের গায়ের রঙ ছিল ফরসা এবং লোম ছিল ইউরোপীয়দের মতো সোনালি বা পিঙ্গল।
প্রচলিত বিশ্বাস, এশিয়া থেকে আসা মানুষের দল সাইবেরিয়ার এ অঞ্চলে বসতি জমিয়েছিল। তারাই প্রথম বেরিং প্রণালি পার হয়ে আলাস্কা ও কানাডা হয়ে বর্তমান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বত্র ছেয়ে গিয়েছিল। এখন পর্যন্ত এই তত্ত্বই মেনে নেওয়া হয়। এবার কি তাহলে সেই ধারণা বদলের সময় এসেছে? আনুমানিক ১৮ হাজার বছর আগে চতুর্থ তুষার যুগের শেষ অবস্থায় যারা সাইবেরিয়া থেকে উত্তর আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছিল, তারা কি আসলে পশ্চিম ইউরোপের বাসিন্দা? তবে নৃতাত্তি্বকরা এত তাড়াতাড়ি ধৈর্য হারাতে নিষেধ করছেন। তাদের আস্তিনে রয়েছে আরও এক চমক। বৈকাল হ্রদের পাড় থেকে খুঁজে পাওয়া বালকের দেহ থেকে মিলেছে আরও এক সংকেত। প্রাচীন ডিএনএ জানান দিচ্ছে, উত্তর আমেরিকায় বসবাসকারী রেড ইন্ডিয়ানদের ডিএনএ নকশার ২৫ শতাংশই মিলে যায় প্রাগৈতিহাসিক ওই বালকের দেহ থেকে পাওয়া ডিএনএ নকশার সঙ্গে।
নৃতাত্তি্বকদের জন্য এটা সত্যিই একটা বিরাট চমক। এই সন্ধান যেন আগের খোঁজকে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করে। উত্তর আমেরিকার আদি বাসিন্দাদের ডিএনএর সঙ্গে যদি পশ্চিম ইউরোপীয়দের পূর্বপুরুষদের ডিএনএর এমন মিল থাকে, তা হলে এতদিনের জানা ইতিহাস সত্যি সত্যিই বদলে যাবে। মানতে হবে_ এশীয়রা নয়, পশ্চিম ইউরোপীয়রাই প্রথম আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছিল। নৃতাত্তি্বকরা এখন এই তত্ত্বের সবদিক খতিয়ে বিচার করতেই ব্যস্ত। এক দল বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, সাইবেরিয়া আর আলাস্কার মাঝে থাকা সরু বেরিনজিয়ান প্রণালি পার করেই আদি মানবরা আমেরিকায় গিয়েছিল। অন্য দলের ধারণা, হেঁটে নয়, পশুচর্মের তৈরি ছোট নৌকায় চেপে দুই মহাদেশের মাঝের কয়েক কিলোমিটার পথ পার হয়েছিল তারা। ১৮ হাজার বছর আগের মহাদেশ পাড়ি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কিন্তু যে আবিষ্কারে আমেরিকার আদি বাসিন্দাদের ঠিকুজি বা সংক্ষিপ্ত কুষ্ঠি বদলে যেতে চলেছে, তাকে কেমন চোখে দেখছেন বিজ্ঞানীরা? এ ব্যাপারে আমেরিকার উটাহ ইউনিভার্সিটির গবেষক ডেনিস ও'রুরক বলেছেন, 'নৃতত্ত্বের অন্যতম সেরা আবিষ্কার হতে চলেছে এই আবিষ্কার। আর আমরা এই আবিষ্কারে সত্যিই অভিভূত।'
সূত্র :সায়েন্স ডেইলি
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজপুত্রের জন্মদিনে...
ঘাসফড়িং : তোমার ছোটবেলা তো গ্রামে কেটেছে। গ্রামের সেই দিনগুলো কীভাবে কাটিয়েছিলে?
সুকুমার বড়ূয়া : আমি কিন্তু তোমাদের মতো অত বুদ্ধিমান ছিলাম না। বোকা-সোকা টাইপের ছিলাম। সাধাসিধে বলে একটা কথা আছে না; এই সাধাসিধেই আর কি! আবার হাবাগোবাও ছিলাম। সবাই শুধু কাজের ফুট-ফরমায়েশে আমায় খাটাতে চাইতো। ইশকুলে সহপাঠীরা মারলেও কিছু বলার সাহস পেতাম না।
ঘাসফড়িং : কেন, তোমার বাবা ছিলেন না?
সুকুমার বড়ূয়া : না, একদিন বাবা আমাকে বললেন, 'তোকে তো স্কুলে ভর্তি করতে হবে।' তো এই বলে আমায় স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিলেন। এর কিছুদিন পর তিনি কোথায় যেন নিরুদ্দেশ হয়ে যান। আর ফিরে আসেননি।
ঘাসফড়িং : তারপর?
সুকুমার বড়ূয়া : বাবা হারিয়ে যাওয়ার পর বাড়ি ছেড়ে আমি মামার বাড়ি চলে যাই। নতুন স্কুলে ভর্তি হই। মামি আমার নাম দিলেন 'সুকুমোল।' মামির দেওয়া সেই নামকে আমি পরে করেছি সুকুমার। তা ছাড়া সুনীল, অনীল, নোয়ামিয়া এবং বিলাতিসহ অনেক নাম ছিলো। গ্রামের মানুষরা এখনও বিলাতি বলে আমায়।
ঘাসফড়িং : তোমার স্কুলের কথা বলো তো?
সুকুমার বড়ূয়া : আমি তিনটা স্কুলে পড়েছি। তাও আড়াই ক্লাস। মামার বাড়ি ও দিদির বাড়ির স্কুলে পড়ে সবশেষে ভর্তি হয়েছি পশ্চিম বিনাজুড়ির সোনাইমুখ উচ্চ বিদ্যালয়ে। জানো, স্কুলে আমার অনেক বন্ধু ছিলো। তাদের ডাকতাম আঞ্চলিক ভাষায়। এই ধরো, সাহজানকে সাইজ্যা, খলিলকে খইল্যা_ এমন আর কী! তবে তোমরা আবার কাউকে এমন নামে ডেকো না। তখন না বুঝলেও এখন বুঝি; এমন নামে কাউকে ডাকা ঠিক নয়।
ঘাসফড়িং : তোমার প্রথম লেখা ছাপার কথা মনে পড়ে?
সুকুমার বড়ূয়া : হু পড়ে। আমার প্রথম লেখা ছাপা হওয়ার পর তো অনেকে বিশ্বাসই করলো না। সত্যিকথা বলতে কী, বাবাকে হারানোর কিছুদিন পর তো আমি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাই। বাসা-বাড়িতে কাজ নিই। তারপর খুবই কষ্টে চলতে থাকে আমার জীবন। তখন আমি মসলা বাটতে বাটতে ছড়া নিয়ে চিন্তা করতাম। দুই লাইন মাথায় এলে হাত ধুয়ে তা লিখে আবার মসলা-মরিচ এসব বাটতাম। এমন ঘটনা আমার জীবনে অনেক হয়েছে। যা কখনও লেখা হয়নি। তো প্রথম লেখা ছাপা হওয়ার পর আমার মুনিব বাহ বাহ দিলেন। তিনিও খুব খুশি হন। আর আমার অনুভূতি তো প্রকাশ করার মতো না!
ঘাসফড়িং : তোমার প্রথম ছড়ার বইয়ের নাম তো 'পাগলা ঘোড়া'। এরপর থেকে তো অনেক বই বেরিয়েছে। কোন বইটা তোমার সবচেয়ে প্রিয়?
সুকুমার বড়ূয়া : চন্দনা রঞ্জনার ছড়া বইটি। আর আমার পড়া প্রিয় বইয়ের মধ্যে আছে_ পথের পাঁচালি, চাঁদের পাহাড়, ভোম্বল সরদার ইত্যাদি।
ঘাসফড়িং : হাসপাতাল ছেড়ে কোথাও যেতে মন চায়?
সুকুমার বড়ূয়া : হু, চায় তো। ইচ্ছে করে গ্রামের বাড়ি গিয়ে থাকি। সিলেটে বেড়াতেও ভালো লাগে। জানো, হাসপাতালে এক পিচ্চির সঙ্গে আমার ভাব হয়েছে। নাম-ঝুমুর। যা বুদ্ধি ওর! ডাকবো ওকে?
ঘাসফড়িং : ডাকো (তারপর ডাকা হয় ঝুমুর নামের পিচ্চিকে। বাপরে, যা গল্পবাজ পিচ্চিটা। আমাদের তো তার এক জীবনের সব গল্প শুনিয়ে দেয় মাত্র ৩০ মিনিটে। ফেরার সময় বলি,) ফড়িং বন্ধুদের জন্য কিছু বলবে?
সুকুমার বড়ূয়া : ওরা তো অনেক বুদ্ধিমান। ওদের কী আর বলবো। তবু বলি, তোমাদের চিন্তা করতে হবে বেশি। শুধু টিভি, ভিডিও গেমস, কম্পিউটারে পড়ে থাকলে চলবে না। বাস্তবতা নিয়ে, দেশ নিয়েও ছোট ছোট করে চিন্তা করা শিখতে হবে। শুধু চিন্তাই নয়, এর পাশাপাশি ভালো কাজের উদ্যোগও নিতে হবে।
ঘাসফড়িং : ঠিক আছে। আমরা ভালো কাজের উদ্যোগ নেবো। তুমি দোয়া করো। কেমন? এখন তোমার ওষুধ খাওয়ার সময় হয়েছে, তুমি ওষুধ খেয়ে নাও। যাওয়ার আগে তোমাকে জানিয়ে যাচ্ছি জন্মদিনের আগাম এত্তোগুলো শুভেচ্ছা। ভালো থেকো...।
সুকুমার বড়ূয়া : ধন্যবাদ। তোমাদেরও এত্তোএত্তো শুভেচ্ছা। অনেক অনেক ভালো থেকো সবাই।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাঁধভাঙা হাসিতে সাফল্যের ছবি
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টুকরো খবর by তালুকদারের
যে কোনো এক প্রার্থীর পক্ষ থেকে ভোট কারচুপির সম্ভাবনা রয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি উষাতন তালুকদার (হাতি)। বৃহস্পতিবার রাঙামাটি শহরের বিজন সরণির নির্বাচনী প্রচার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বতন্ত্র প্রার্থী উষাতন তালুকদার এ আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেন। সংবাদ সম্মেলনে এ সময় তার নির্বাচনী প্রচারণার প্রধান এজেন্ট উদয়ন ত্রিপুরা উপস্থিত ছিলেন। উষাতন তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর লোকজন জেলার বিভিন্ন স্থানে তার (হাতি) সমর্থকদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা ও পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছে। এমনকি নিরাপত্তাহীনতার কারণে নানিয়ারচর ও কাউখালী উপজেলার কয়েকটি স্থানে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারেননি।
নির্বাচনে ভোটাররা যাতে নিরাপদে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে জন্য রাঙামাটি আসনের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে যথাযথ নিরাপত্তার ব্যবস্থা এবং শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তিনি দাবি জানান।
মৌলভীবাজার-২ :৭২
ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ
কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া-কমলগঞ্জ আংশিক) আসনে ১২২টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৭২টিই ঝুঁকিপূর্ণ। কুলাউড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম জানান, মৌলভীবাজার-২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৮১ হাজার। ১২২টি ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। কুলাউড়া উপজেলায় ৯৩টি ও কমলগঞ্জ উপজেলায় ২৯টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে ৭২টি ঝুঁকিপূর্ণ।
এর মধ্যে ২২টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ও ৫০টি ঝুঁকিপূর্ণ। আরও জানা যায়, জাপা থেকে নির্বাচিত সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট নওয়াব আলী আব্বাছ খান, বিএনপির সাবেক এমপি এমএম শাহীন ও আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদের গ্রামের বাড়ি কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা, কাদিপুর ও ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নে নির্বাচনে ভোট গ্রহণ কঠিন হতে পারে। কেননা, এরা সবাই নির্বাচনের বিপক্ষে অবস্থান করছেন।
সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে আ'লীগ
শিবিরে নেই উচ্ছ্বাস
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনে প্রার্থীরা হচ্ছেন_ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শিল্পপতি আবদুল মজিদ মণ্ডল (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী শিল্পপতি আতাউর রহমান রতন (দোয়াত-কলম), জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কৃত ডা. আবু বক্কার সিদ্দিক (লাঙ্গল) ও জাতীয় পার্টি জেপি (মঞ্জু) প্রার্থী আবুল হাসনাত গোফরান (বাইসাইকেল)। সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আবদুল লতিফ বিশ্বাসকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন না দিয়ে নেতাকর্মী থেকে বিচ্ছিন্ন জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক আবদুল মজিদ মণ্ডলকে মনোনয়ন দেওয়ায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের বেশিরভাগই দ্বিধাবিভক্ত। মজিদ মণ্ডলের পক্ষে জোরালোভাবে নেতাকর্মীরা এখনও মাঠে না নামায় এলাকায় নেই সরগরম। নেই আওয়ামী লীগ শিবিরে উচ্ছ্বাস।
রাজশাহীর দুই আসনে
১৫৩ কেন্দ্র ঝুঁকিতে
রাজশাহী ব্যুরো
রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে এবার ভোট গ্রহণ করা হবে দুটি আসনে। অন্য চারটি আসনে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী থাকায় সেখানে ভোট হচ্ছে না। তবে দুই সংসদীয় আসনের ২১৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৫৩টিকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। আর ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে ঘিরে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, কমিশনের তালিকায় থাকা অধিক গুরুত্বপূর্ণ ১৫৩টি কেন্দ্রের জন্য থাকছে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
রাজশাহীর যে দুটি আসনে কাল ভোট গ্রহণ করা হবে, সেগুলো হলো রাজশাহী-৩ ও রাজশাহী-৬। রাজশাহী-৩ (মোহনপুর-পবা) আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১১৮টি। এর মধ্যে মোহনপুর উপজেলার ৩৮টি ও পবা উপজেলার ৩৫টি কেন্দ্রকে অধিক গুরুত্বপূর্ণের তালিকায় রেখেছে নির্বাচন কমিশন।
রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ৯৯টি। এর মধ্যে চারঘাট উপজেলায় ৫০টি ও বাঘা উপজেলায় ৪৯টি। এর মধ্যে চারঘাটের ৩৭টি ও বাঘার ৪২টি কেন্দ্রকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন।
দুই নতুন মুখের
লড়াই
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা সাখাওয়াত হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় লড়াই হবে একেবারেই নতুন দুই নারী-পুরুষের মধ্যে।
যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী প্রয়াত এএসএইচকে সাদেকের সহধর্মিণী ইসমত আরা সাদেক জীবনে প্রথম কোনো নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।
তার সঙ্গে টেলিভিশন প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন আরেক নতুন প্রার্থী বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) মনোনীত ঠিকাদারি ব্যবসায়ী প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস।
নৌকা প্রতীকের পৌর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মিলন মিত্র বলেন, তাদের দলীয় প্রার্থী ইসমত আরা সাদেক ইতিমধ্যে পৌরসভাসহ উপজেলার ৯ ইউনিয়নের সব এলাকা গণসংযোগ শেষ করেছেন। উপজেলা বিএনএফের আহ্বায়ক আয়ুব হোসেন বলেন, শান্তিপূর্ণ ভোট হলে টেলিভিশন প্রতীকের প্রার্থী বিজয়ী হবে বলে তারা আশাবাদী।
স্বতন্ত্র প্রার্থী পাল্টে দিয়েছেন ভোটের হিসাব
সাদুল্যাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্যাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে ভোটের হিসাব পাল্টে দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি। এই আসনের অপর দুই প্রার্থী হলেন ১৪ দল ও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ডা. ইউনুস আলী সরকার এবং জেপির ফজলে করিম আহম্মেদ পল্লব। দলীয় দুই প্রার্থীর তুলনায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর অবিরাম প্রচারণায় এখন মুখর এ আসনের শহর বন্দর গ্রাম।
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ডা. ইউনুস আলী সরকার নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে দল থেকে বহিষ্কৃত হন। তাকেই আবার দলে ফিরিয়ে মনোনয়ন দেওয়ায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ৗ ১৪ দলের শরিকদের মধ্যে বিভক্তি শুরু হয়েছে। তাই জনসংযোগে সবাইকে পাচ্ছে না নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ডা. ইউনুস আলী সরকার। এই অন্তর্দ্বন্দ্বের ফলে স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি জয়-পরাজয়ে বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করছেন।
শেষ মুহূর্তে বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের ধারণা, জনসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণায় এগিয়ে থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদিই এ আসনের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী। অন্য কারও বিজয়ী হতে হলে তাকেই পরাজিত করতে হবে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিরুত্তাপ নির্বাচনের মাঠ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলা ও বিজয়নগর উপজেলা নিয়ে গঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসন। এ আসনের ভোটার সংখ্যা চার লাখ ৪৫ হাজার ৯৯। জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে এ আসনের ভোটার সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী (নৌকা), জাতীয় পার্টির (জেপি) ডা. ফরিদ আহমেদ (বাইসাইকেল), বিএনএফের জহিরুল হক ভূঁইয়া (টেলিভিশন) ও ইসলামিক ফ্রন্টের প্রার্থী সৈয়দ নাঈমুদ্দিন (মোমবাতি)। তবে নির্বাচনী মাঠে আওয়ামী লীগ ও জেপি প্রার্থী ছাড়া অন্যরা নেই।
প্রধান বিরোধী দল বিএনপি নির্বাচন বর্জন করায় তেমন উত্তাপ না থাকলেও এলাকায় নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। প্রার্থীরা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসার জন্য প্রচার চালাচ্ছেন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রার্থীরা গণসংযোগ, নির্বাচনী সভা ও মতবিনিময় করেছেন।
আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী প্রতীক বরাদ্দ হওয়ার পর থেকে নির্বাচনী এলাকায় কর্মিসভা, গণসংযোগ, নির্বাচনী সভা ও মতবিনিময় অব্যাহত রেখেছেন। বর্তমানে প্রতিদিনই নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন স্থানে নৌকা মার্কার সমর্থনে মিছিল-সমাবেশ হচ্ছে। এ ছাড়া প্রার্থীর পক্ষে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রতিদিনই নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন স্থানে কর্মিসভা করছেন।
এ আসনে প্রচার ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন জেপি প্রার্থী ও জাতীয় বীর প্রয়াত আবদুল কুদ্দুস মাখনের অনুজ ডা. ফরিদ আহমেদ। নির্বাচনী এলাকায় নৌকা মার্কার পোস্টারের পাশাপাশি বাইসাইকেল মার্কার পোস্টারও শোভা পাচ্ছে। শহরে বিলি করা হচ্ছে সাইকেল মার্কার লিফলেট।
গণসংযোগ ও নির্বাচনী সভায় মোকতাদির চৌধুরী গত তিন বছরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফিরিস্তি তুলে ধরে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন।
জেপি প্রার্থী ডা. ফরিদ আহমেদ প্রচার-প্রচারণায় নিজেকে মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ডাকসুর সাবেক জিএস ও সাবেক এমপি, জাতীয় বীর প্রয়াত আবদুল কুদ্দুস মাখনের ছোট ভাই পরিচয় দিয়ে তিনি বিজয়ী হলে আবদুল কুদ্দুস মাখনের মতো এলাকাবাসীর সেবা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাইসাইকেল মার্কায় ভোট চাইছেন।
বিএনএফ প্রার্থী জহিরুল হক ভূঁইয়া (টেলিভিশন) ও ইসলামিক ফ্রন্টের প্রার্থী সৈয়দ নাঈমুদ্দিন (মোমবাতি) কোনো প্রচারে অংশ নিচ্ছেন না।
এমনকি নির্বাচনী এলাকায় তাদের দু'জনের কোনো পোস্টারও নেই। তাদের নিয়ে ভোটারদের রয়েছে ব্যাপক কৌতূহল। প্রার্থীদের ভোটাররা চেনেন না বলেও জানা গেছে।
নির্বাচনী মাঠ ঘুরে ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোকতাদির চৌধুরী এমপির সঙ্গে লড়াই হবে জেপি প্রার্থী ডা. ফরিদ আহমেদের। তবে এটি হবে অসম লড়াই। এ আসনে মোকতাদির চৌধুরীর জয় সুনিশ্চিত।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আওয়ামী লীগ প্রার্থীর চ্যালেঞ্জ 'ঘরের লোক'
বাগেরহাট :বাগেরহাটের ৪টি আসনের মধ্যে একটি আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জেলার মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলা নিয়ে গঠিত বাগেরহাট-৪ আসন। এ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমান এমপি ডা. মোজাম্মেল হোসেন ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি ড. আবদুর রহিম খান এবং মোরেলগঞ্জ পৌরসভা মেয়র মনিরুল হক তালুকদার একই দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
তবে বিরোধীদলীয় জোটের কোনো প্রার্থী অংশ না নেওয়ায় ভোটারদের উপস্থিতি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
নওগাঁ :নওগাঁর ছয়টি আসনের মধ্যে তিনটিতে একক প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়ী হলেও অন্য তিন আসনে অনুষ্ঠিত হবে ভোট। ওই সব আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীদের সঙ্গে ভোটযুদ্ধে লড়ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছি) আসনে প্রার্থী হয়েছেন দু'জন। তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগ থেকে বর্তমান সংসদ সদস্য ড. আকরাম হোসেন চৌধুরী (নৌকা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন একই দলের বিদ্রোহী প্রার্থী সেলিম উদ্দীন তরফদার (কলস)।
নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনে প্রার্থী হয়েছেন চারজন। তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগ থেকে বর্তমান সংসদ সদস্য ইমাজ উদ্দীন প্রামাণিক (নৌকা), জাতীয় পার্টি (এরশাদ) মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এনামুল হক (লাঙ্গল), আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর (জেপি) মনোনীত প্রার্থী সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা সাইদুর রহমান বকুল (সাইকেল) ও স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন অবসরপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার আফজাল হোসেন (উড়োজাহাজ)। ওই এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, নৌকা ও সাইকেলের ব্যানার-পোস্টারে ছেয়ে গেছে। তবে লাঙ্গল ও উড়োজাহাজের পোস্টার চোখে পড়েনি।
নওগাঁ-৫ (সদর) আসনে ভোট করতে মাঠে নেমেছেন বর্তমান সংসদ সদস্য আবদুল মালেক (নৌকা) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন যুবলীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ রফিকুল ইসলাম (কলস)।
জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে লড়ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে যারা, তারাও আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ফলে এখানেও রয়েছে দলে বিভক্তি।
নড়াইল :নড়াইল-২ আসনে ১৪ দলের প্রার্থী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শেখ হাফিজুর রহমানের নৌকা প্রতীকের সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও নড়াইল পৌরসভার সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেনের কলস মার্কার লড়াই জমে উঠেছে। তাছাড়া এখানে জামায়াত-বিএনপির তেমন সাংগঠনিক অবস্থা ও সহিংসতা না থাকায় দুই প্রার্থী বেশ মাঠ গরম করে রেখেছেন।
এ আসনটি নড়াইল পৌরসভাসহ সদর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও লোহাগড়া পৌরসভাসহ ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এ আসনে প্রথমে জেলা আওয়ামী লীগ মনোনীত আসিফুর রহমান বাপ্পীকে মনোনয়ন দেওয়া হলেও শেষ মুহূর্তে ওয়ার্কার্স পার্টিকে ছাড় দিতে হয়।
আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী চার বার নড়াইল পৌরসভার নির্বাচিত মেয়র সোহরাব হোসেনের সঙ্গে দলের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের একটি অংশ প্রত্যক্ষভাবে কাজ করায় এখানে নৌকা ও কলস প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হবে বলে সবাই মনে করছেন। সোহরাব হোসেনের সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আজহারুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর সিকদার, মাহবুবুর রহমান বাচ্চু, অ্যাডভোকেট উত্তম ঘোষ, রেজাউল বিশ্বাসসহ সহযোগী সংগঠনের একটি অংশ এবং সাবেক ও বর্তমান কয়েক ইউপি চেয়ারম্যান রয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ :নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে মাত্র একটি আসনে ভোট গ্রহণ হবে। কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় এরই মধ্যে চারটি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের দু'জন ও জাতীয় পার্টির দু'জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে গেছেন। নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগেরসহ তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে আছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান সাংসদ গাজী গোলাম দস্তগীর, জাতীয় পার্টির জয়নাল আবেদীন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ডা. শওকত আলী।
রূপগঞ্জে নির্বাচনটি মূলত হবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী গাজীর সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা ডা. শওকতের লড়াই হবে। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. শওকতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের একটি বিশাল অংশ থাকায় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর জয় অতটা সহজ হবে না বলে মনে করেছেন স্থানীয় ভোটাররা।
তবে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সিনিয়র নেতাকর্মীরা মনে করেন, মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গাজীর সঙ্গে ডা. শওকতের হলেও নির্বাচনে গাজীই জয়লাভ করতে পারেন।
গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) :গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান এমপি আলহাজ প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন চৌধুরী। অন্যদিকে মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী হিসেবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ। ফলে এখানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে নীরবে চলছে গৃহদাহ। কারণ আওয়ামী লীগের একটি অংশ কাজ করছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে।
বাঘা (রাজশাহী) :রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বর্তমান ও সাবেক দুই সংসদ সদস্য। দুই প্রার্থীর একজন আওয়ামী লীগ দলীয় বর্তমান সাংসদ শাহরিয়ার আলম (নৌকা), অন্যজন একই দলের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সাংসদ আলহাজ রায়হানুল হক রায়হান (প্রজাপতি)। দলের দুই প্রার্থী নিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন নেতাকর্মীরা। বাঘা পৌর মেয়র আক্কাছ আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ঠিকাদার আজিজুল আলম, লে. কর্নেল (অব.) রমজান আলী, চর এলাকার নেতা আজিজুল আযম, যুবলীগ নেতা বাবুল ইসলামসহ দলের বড় একটি অংশ প্রচারণায় কাজ করছেন দলীয় প্রার্থী শাহরিয়ার আলমের পক্ষে। নির্বাচনী প্রচারে মাঠে নেমেছেন জাসদ (রব) নেতা মুক্তিযোদ্ধা শফিউর রহমান শফি, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আমানুল হাসান দুদু, আবদুল কুদ্দুস সরকার, কামাল হোসেনসহ কিছু নেতাকর্মী।
ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) : ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে এবার ১৪ দলীয় মহাজোটের প্রার্থীর বিপক্ষে লড়ছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী এক প্রার্থী। এ আসনে দুই প্রার্থীই নির্বাচনে জয়ী হতে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছেন। শেষ সময়ে প্রচার-প্রচারণার হিসাব-নিকাশ চলছে। এ আসনে মহাজোটের শরিক দল জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এমএ হান্নান এবং আওয়ামী লীগের সাবেক সাংসদ হাফেজ রুহুল আমিন মাদানী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় পার্টির সমঝোতা হওয়ার পর এ আসনে প্রার্থী হন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এমএ হান্নান। তিনি জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রিয়ভাজন হওয়ায় এ আসনে মহাজোটের আসন ভাগাভাগিতে মনোনয়ন পান। তিনি লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্দেশে ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে আওয়ামী লীগ সাংসদ রেজা আলী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এতে এমএ হান্নানের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ ছিল। তবে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য হাফেজ রুহুল আমিন মাদানী বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেন। পরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্দেশে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার না করে আনারস প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদা জিয়ার বক্তব্যের প্রভাব পড়েছে নির্বাচনে
গোপালগঞ্জ-৩ আসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, গোপালগঞ্জ-২ আসনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম ও গোপালগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক লে. কর্নেল (অব.) মুহা. ফারুক খান নির্বাচন করছেন। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জাতীয় পার্টির নতুন মুখ এজেড অপু শেখ নির্বাচন করছেন। শেখ সেলিমের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন জাতীয় পার্টির নতুন প্রার্থী কাজী শাহীন। মুহা. ফারুক খানের বিরুদ্ধে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন জাতীয় পার্টির দীপা মজুমদার। ৩ আসনেই জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা জনসংযোগ ও প্রচার চালাচ্ছেন। চাইছেন ভোট। কিন্তু ভোটারদের কাছে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের নিয়ে তেমন কোনো আগ্রহ নেই। সবদিক দিয়েই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান গোপালগঞ্জ গুরুত্বপূর্ণ। এ জেলা থেকে ৫ বার নির্বাচিত হয়েই আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দু'বার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনবার বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগ দু'বার ক্ষমতায় এসে গোপালগঞ্জের ব্যাপক উন্নয়ন করেছে। এ কারণে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের প্রতি গোপালগঞ্জের মানুষের আস্থা অবিচল। এখানে আওয়ামী লীগের ভিত্তি আরও মজবুত হয়েছে।
গোপালগঞ্জ-২ আসন (গোপালগঞ্জ-কাশিয়ানীর একাংশ) থেকে শেখ ফজলুল করিম সেলিম ৬ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি নির্বাচনী এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন। বিগত ৩০ বছর ধরে গোপালগঞ্জের উন্নয়নে তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা রেখে আসছেন। তিনিই আধুনিক গোপালগঞ্জের রূপকার। এ কারণে তিনি গোপালগঞ্জের মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়, আপনজন ও পরিচিত নেতা হিসেবে সমাদৃত। গোপালগঞ্জ-১ আসন (মুকসুদপুর-কাশিয়ানীর একাংশ) থেকে লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনিও এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকা কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়ায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর জন্য ভোট চাইছেন। গোপালগঞ্জ-২ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শেখ ফজলুল করিম সেলিম ও গোপালগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী লে. কর্নেল (অব.) মুহা. ফারুক খান নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করে নির্বাচনী জনসভা, জনসংযোগ ও প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। এসব প্রচারের পাশাপাশি খালেদা জিয়া গোপালগঞ্জের নাম মুছে দেওয়ার হুমকি ভোটারদের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক সাড়া পড়েছে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোশাররফের স্মৃতিবিজড়িত শার্ট by মনজুর আলম
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভোট নেই, গণতন্ত্র আছে
২. যুক্তরাজ্য থেকে নিকট আত্মীয় ছুটিতে বেড়াতে ঢাকায় এসেছে। এখন ওরা যুক্তরাজ্যের নাগরিক, যদিও বহু বছর আগে জন্ম বাংলাদেশে। তাদের মতো বাংলাদেশে জন্ম কিন্তু এখন যুক্তরাজ্যের নাগরিক অর্থাৎ ‘ব্রিটিশ পাসপোর্ট’, এমন লোকের সংখ্যা লক্ষাধিক। বেড়াতে আসা এমন এক আত্মীয়কেই জিজ্ঞাসা করেছিলাম—আপনাদের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন যদি আপনাকে কটাক্ষ করে বলতেন—আপনাদের জন্ম তো বাংলাদেশে। এত ‘ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড’ করেন কেন, তাহলে কেমন লাগত? প্রশ্ন শুনে ভদ্রলোক তাজ্জব। ভাবখানা, জন্ম যেখানেই হোক না কেন, আমি তো এখন ব্রিটিশ, আমার জন্মস্থানের কথা তুলে আমাকে যদি কোনো প্রকারে ছোট বা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা হয়, তাহলে সেটা তো হবে বৈষম্যমূলক আচরণ। ধর্ম, বর্ণ, জন্মস্থান ইত্যাদির দোহাই দিয়ে ভিন্ন আচরণ করা তো সংবিধান বা সাংবিধানিক আইনে নিষিদ্ধ করা আছে। তোমাদের সংবিধান কি বৈষম্যমূলক আচরণ অনুমোদন করে? পাল্টা প্রশ্ন ভদ্রলোকের। বেশ কয়েক মাস ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে হিন্দুদের বাড়িঘর, ব্যবসা-দোকানপাট জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগের তর্জনী জামায়াত-শিবিরের দিকে। কেন জ্বালাচ্ছে? কারণটা নিঃসন্দেহে বৈষম্যমূলক চিন্তা-চেতনা থেকেই উদ্ভূত। অর্থাৎ হিন্দু, অতএব এই ভিন্নধর্ম সহ্য করা হবে না বা যাবে না। এবং যেহেতু তারা হিন্দু, অতএব তাদের দেশপ্রেম নিশ্চয় কম, তারা নিশ্চয় হিন্দু-ভারতের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে। ধর্ম, বর্ণ, জন্মস্থানের কারণে যে কারও প্রতি ভিন্ন আচরণ করা সাংবিধানিকভাবে নিষিদ্ধ, সেটা জামায়াত-শিবিররা সম্ভবত এখনো জানে না। তাই তারা সংখ্যালঘুদের ঘৃণা করে। তাই বলে খোদ প্রধানমন্ত্রীও কি একই দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করবেন? ‘তার জন্ম ভারতে আর অন্তরে পাকিস্তান’—বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর উক্তি (প্রথম আলো, ২ জানুয়ারি)। প্রেসিডেন্ট ওবামা সম্পর্কে আমেরিকার কোনো রাজনীতিবিদ যদি ঘুণাক্ষরেও ইঙ্গিত করতেন—ওবামার বাবা তো কেনিয়ার, তাই ওবামার আফ্রিকাপ্রীতি আমেরিকাপ্রীতি থেকে বেশি, তাহলে এত জঘন্য বৈষম্যমূলক আচরণ বা কথনের জন্য সে রাজনীতিবিদ হয়ে যেতেন সারা জীবনের জন্য ত্যাজ্য—জনগণের দ্বারা। বলা বাহুল্য, খালেদা জিয়াও মোটামুটি একই দোষে দোষী ‘গোপালি’ উক্তির কারণে। তবে রাগের মাথায় ক্ষোভের মাথায় দুটো কড়া শব্দ বেরিয়ে গেছে—এটা স্বীকার করে নিলেই ল্যাঠা চুকে যায়। তবে শঙ্কা, আমাদের রাজনীতিতে যে যত বেশি অগণতান্ত্রিক-অসহিষ্ণু-অযৌক্তিক হতে পারেন, সে তত বড় নেতা। এটাই আমাদের কালো-নীতি।
৩. আমাদের ইদানীংকার গণতন্ত্র আমেরিকান সিনেটর জোসেফ ম্যাককার্থির কথা মনে করিয়ে দেয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সিনেটর নির্বাচিত হওয়ার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীতে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে যুদ্ধসংক্রান্ত ব্যবসায় প্রচুর লাভবান হওয়ার এবং নিজেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বীর যোদ্ধা হিসেবে (মিথ্যা) প্রচার করে নির্বাচনে জিতেছিলেন। পরে ১৯৫০-এর দশকে, সিনেটর থাকা অবস্থায় যে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী বা প্রতিযোগী বা বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা/সদস্যকে অপছন্দ বা ঘায়েল করতে চাইতেন, তাঁকেই তিনি কমিউনিস্ট হিসেবে আখ্যায়িত করতেন। গত শতাব্দীর মধ্যভাগে সোভিয়েত আর যুক্তরাষ্ট্রের ‘ঠান্ডা যুদ্ধের’ সময় সিনেটর জোসেফ ম্যাককার্থির কমিউনিস্টবিরোধী তৎপরতা ম্যাককার্থিজম হিসেবে পরিচিতি লাভ। হলিউডের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের থেকে শুরু করে কবি, সাহিত্যিক, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, আইনজীবী এবং সরকারি চাকুরে—কেউ রেহাই পাননি। ম্যাককার্থি আর তাঁর দলবলের তথাকথিত অনুসন্ধানে কেউ ‘কমিউনিস্ট’ ‘প্রমাণিত’ হলেই তাঁর পেশা-জীবিকা সব শেষ। আশঙ্কা হয়, আমাদের রাজনীতিতে ম্যাককার্থিজমের কু-প্রভাব পড়ছে। যাকে-তাকে সত্য-মিথ্যার বাছবিচার না করে অথবা তুচ্ছাতিতুচ্ছ কারণে বলা হচ্ছে—ওই ব্যাটা যুদ্ধাপরাধী বা যুদ্ধাপরাধীর দোসর। অমুকের বাবা ১৯৭১ সালে চাকরি করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন বা ছাত্র ছিলেন—অতএব তারা যুদ্ধাপরাধীর দোসর। দেশ স্বাধীন করেছে কেবল এবং শুধু আওয়ামী লীগ। অতএব যারা আওয়ামী লীগ পছন্দ করে না বা আওয়ামী রাজনীতির বিরোধিতা করে, তারা নিঃসন্দেহে রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী। কি সাহসে তারা বাংলাদেশের পতাকা ধরে! স্পষ্টতই অধম আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ত্যক্তবিরক্ত। তাই ইতিমধ্যে রাজাকার হয়ে না গেলেও অচিরেই হয়ে যাব। ম্যাককার্থির আমেরিকায় যেমন নিঃসন্দেহে হয়ে যেতাম কমিউনিস্ট। আর বিএনপির সময় ভারতের দালাল। সেদিন বিরোধী দলের নেত্রীর কথায় ভীষণ ঝাঁজ ছিল র্যাবের বিরুদ্ধে। প্রথম ক্রসফায়ারের পর ২০০৪-এ লিখেছিলাম, ২০০৫-এ লিখেছিলাম, ২০০৬-এও লিখেছিলাম র্যাব ফ্রাঙ্কেনস্টাইন হবে। এ সরকারের আমলে লিখেছি, এখন গুম হচ্ছে বিরোধীরা; যখন আপনারা বিরোধী হবেন, তখনো গুম হবে বিরোধীরা।
৪. আমরা যাঁরা ভোট দিতে পারছি না, তাঁরা কি যাঁরা আমাদের ‘প্রতিনিধি’ হয়ে সংসদে বসবেন, তাঁদের কি আমরা মানতে বাধ্য? নৈতিকভাবে বা নৈতিকতার বিচারে তাঁদের যে জনপ্রতিনিধি মানতে বাধ্য না, সেটা নিশ্চয় কেউ অস্বীকার করবেন না। বলতে পারেন, আইনগতভাবে মানতে বাধ্য। কারণ, তাঁরা আইনানুযায়ী নির্বাচিত। হতে পারেন, না-ও হতে পারেন, সে বিতর্কে যাচ্ছি না। দেশ-জাতির বড় বড় ইস্যুতে যেখানে আইন ও নৈতিকতা পরস্পরবিরোধী অবস্থানে, তখন অনৈতিক আইনের বিধান অমান্য করাই সর্বোচ্চ নৈতিক দায়িত্ব। শতবর্ষ আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় ট্রেনের গার্ড যখন মহাত্মা গান্ধীকে ফার্স্ট ক্লাসের টিকিট থাকা সত্ত্বেও ট্রেন থেকে নামিয়ে দিয়েছিল এই বলে যে অশেতাঙ্গের অর্থাৎ কালো-আদমির ফার্স্ট ক্লাসে চড়া নিষেধ, কারণ এটাই আইন। তখন ট্রেন থেকে বহিষ্কৃত হয়ে ট্রেনের প্ল্যাটফর্মে বসে ছিলেন প্রতিবাদ করে এ কারণেই যে অনৈতিক আইন অমান্য করাই সর্বোত্তম নৈতিকতা। ১৯৬৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আইন যখন বিধান করে রেখেছিল সাদা-কালো তফাত-ফারাক-ভিন্ন থাকবে, তখন মার্টিন লুথার কিংয়ের সেই বিখ্যাত বক্তৃতা—আমি স্বপ্ন দেখি যে একদিন আমেরিকায় সব মানুষ সমান হবে (সাদা-কালোয় ফারাক থাকবে না)। কমবেশি আমরা পাঁচ কোটি ভোটার এ নির্বাচনে ভোট দিতে পারছি না। আমাদের বলা হচ্ছে আমাদের প্রতিনিধি নাকি ‘নির্বাচিত’ হয়ে আছেন। আমরা ফাউ, কিন্তু আমাদের সংবিধান তো বলে আমরা নাগরিকেরা প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক। এখন দেখছি কিছু লোক জোগসাজশে তথাকথিত নির্বাচনের নামে আমাদের মালিকানা থেকে আমাদের বঞ্চিত করেছেন। আর কমবেশি যে চার কোটি বা তার কিছু বেশি ভোটারের নামকাওয়াস্তে ভোট প্রয়োগের আইনানুগ সুযোগ আছে, তাঁরা কি মনে করবেন যে নৈতিকভাবেও এটা সিদ্ধ নির্বাচন। তর্কের খাতিরে আপাতত মেনে নিচ্ছি যে শত দোষ-ত্রুটি সত্ত্বেও এটা আইনানুগ নির্বাচন। কিন্তু এই নির্বাচনে ভোট দিয়ে নিজের বিবেককে, নৈতিকতাকে উৎফুল্ল করতে পারবেন? আর আমাদের ভোট হারানোর বেদনায় একটুও সমবেদনা কি আশা করতে পারি না। আশা কি করতে পারি যে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটারদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে আর নৈতিকতার প্রশ্নে ভোটদানে বিরত থাকবেন!
ড. শাহদীন মালিক: অ্যাডভোকেট, সুপ্রিম কোর্ট; অধ্যাপক, স্কুল অব ল, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিয়ে করলেন জন আব্রাহাম
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সবাইকে আপন করে নেন যিনি
![]() |
| ফারুক চৌধুরী |
ফারুক চৌধুরী পরামর্শ দিলেন, একটি ফাঁকা খাম রাজাকে দেওয়া হোক, আর রাজা অন্তত ওই দিন যেন তা খুলে না দেখেন, সে রকম ব্যবস্থা করা হোক। এ রকম প্রস্তাবে চিফ অব প্রটোকল অ্যাম্বাসেডর রবার্ট সিক্স এমন হতভম্ব হয়ে পড়েন, যা বলার নয়। এটা যে শুধু অসম্ভব তা-ই নয়, এ রকম একটা প্রস্তাব আসতে পারে, সেটা তাঁর কল্পনায়ও ছিল না। তিনি প্রায় অসম্ভব বলে প্রস্তাবটা উড়িয়ে দিয়েও রাজদরবারে তা পেশ করতে রাজি হন। শেষ পর্যন্ত একটা ডামি খামই রাজা বদোয়াঁ গ্রহণ করেন এবং যেন ভুলে সেটা না খুলেই টেবিলে রেখে কথা বলা শুরু করেন। পরিচয়পত্র খুলে পড়ার প্রচলিত ‘ভদ্রতা’ রক্ষা করা থেকে তিনি সেদিন যেন ভুলবশত বিরত থাকেন। ঘটনাটা রবার্ট সিক্সের কাছে ছিল যথার্থই একটা ‘কূটনৈতিক ইতিহাস’! ফারুক চৌধুরী তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের অনেক যুগান্তকারী ঘটনার জন্ম দিয়েছেন, সন্দেহ নেই। তার মধ্যে ব্রাসেলসের ঘটনাটা আমি বেছে নিলাম। কারণ, সেটা ছিল যেকোনো অভাবনীয় সমস্যার মুখে বুদ্ধিদীপ্ত সমাধান বের করার অসাধারণ নৈপুণ্যের একটি উদাহরণ। ফারুক চৌধুরীর সেই গুণটি সবাইকে আকর্ষণ করে। তিনি তখন অপেক্ষাকৃত তরুণ। তরুণেরাই সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী ক্ষমতা রাখেন। মজার বিষয় হলো, তিনি সেদিন যেমন তরুণ ছিলেন, আজও তেমনই আছেন। তারুণ্যের সীমা এখনো তিনি অতিক্রম করে যাননি। কোনো কোনো মানুষ আছেন, যাঁদের সঙ্গে কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলতে গেল বোঝা যায় আমরা কত কিছু জানতাম না। ফারুক চৌধুরী সে রকমই একজন অসাধারণ মানুষ। সাহিত্য থেকে ইতিহাস, রাজনীতি থেকে অর্থনীতি, কূটনীতি তো তাঁর নিজেরই বিষয়। কিন্তু যখন তিনি আমাকে ফোন করে বলেন, ‘ছুটির দিনে’ ম্যাগাজিনে আজ ‘কিলায়ে কাঁঠাল পাকানোর’ সম্ভাব্যতা নিয়ে তোমার কার্যকারণ লেখাটা বেশ হয়েছে, তখন বুঝতে অসুবিধা হয় না যে বিজ্ঞানের টুকিটাকিতেও তাঁর আগ্রহ কম নয়। আমি যখন লিখতে বসি, ফারুক ভাইয়ের সঙ্গে আলোচনা না করলে আমার লেখার বক্তব্য যুক্তিপূর্ণ হলো কি না, তা নিয়ে মনে সন্দেহ থেকে যায়। তাই আমি প্রায়ই তাঁকে ফোন করে জিজ্ঞেস করি, ‘আচ্ছা ফারুক ভাই, আমার সাপ্তাহিক কলাম “হালচালে” আমি এ রকম একটা কথা লিখলে কি সেটা যুক্তিসম্মত হবে?’
আব্দুল কাইয়ুম: সাংবাদিক।
quayum@gmail.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
January
(1176)
-
▼
Jan 04
(42)
- ১১তম সংসদ নির্বাচনে উদ্যোগ গ্রহণ করুন
- খোশমেজাজে এমপি লতিফ, দুশ্চিন্তায় বাবলু-দিদার by সা...
- কামাল মজুমদারের দুর্গে আঘাত হানতে চান এখলাস মোল্লা...
- হিলিতে ট্রাকে পেট্রোল বোমা নিহত দুই
- নির্বাচন ঠেকাতে শুরু ৪৮ ঘণ্টার হরতাল
- নির্বাচন বর্জন করুন
- সংঘাতের মধ্যেই কাল ভোট by মসিউর রহমান ও খানজয়দেব দাশ
- সংবিধানের আলোকেই নির্বাচন পিছানো যেতে পারে- ব্যারি...
- ‘সবাই কেবলামুখী তাই আমিও হয়েছি’- কাজী ফিরোজ রশীদ b...
- ‘সবাই কেবলামুখী তাই আমিও হয়েছি’- কাজী ফিরোজ রশীদ b...
- ছবির গল্প
- মাঠের বাইরে অন্য মেসি
- ভয়ঙ্কর ৭ নারী
- আলোর মিছিল by নাজমুল হক ইমন
- প্রাচীন কঙ্কাল বদলে দেবে ইতিহাস
- রাজপুত্রের জন্মদিনে...
- বাঁধভাঙা হাসিতে সাফল্যের ছবি
- টুকরো খবর by তালুকদারের
- নিরুত্তাপ নির্বাচনের মাঠ
- আওয়ামী লীগ প্রার্থীর চ্যালেঞ্জ 'ঘরের লোক'
- খালেদা জিয়ার বক্তব্যের প্রভাব পড়েছে নির্বাচনে
- মোশাররফের স্মৃতিবিজড়িত শার্ট by মনজুর আলম
- ভোট নেই, গণতন্ত্র আছে
- বিয়ে করলেন জন আব্রাহাম
- সবাইকে আপন করে নেন যিনি
- কোন ক্ষমতার উৎস আপনি?
- নির্বাচন ও হরতাল
- দক্ষিণ সুদানে যুদ্ধবিরতি আলোচনা শুরু
- 'ব্যাংকক দখল করো'
- বিপদে 'মোরা' না যেন করি ভয় by অধ্যাপক মো. আনোয়ার হ...
- সৌদিতে বৈধ হওয়ার সুযোগ বাড়ল ২ মাস
- সংবিধান সংশোধনে সমর্থন
- জয়নুল-জসীম-আলমুতী জন্মোৎসব কলকাকলিমুখর
- শুনানিতে নেওয়ার পথে এবার অসুস্থ মোশাররফ
- দুর্নীতি কতটা কমে সেটাই দেখার
- ছাত্রলীগের ৬৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
- বিটুমিন সরবরাহ ও দাম নির্ধারণ নিয়ে অভিযোগ by সোহেল...
- ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী by জয়দেব দাশ
- সব পক্ষেরই চাই আত্মবিশ্লেষণ by হাসান মামুন
- নির্বাচন বন্ধ করার জন্য একদিন আগেও দুই ফ্রন্টের যু...
- মত-দ্বিমত- প্লিজ, এ নির্বাচন করবেন না by মাহ্ফুজ আনাম
- যেন ভুলে না যাই by সাযযাদ কাদির
-
▼
Jan 04
(42)
-
▼
January
(1176)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...













