Showing posts with label ফারুক যোশী. Show all posts
Showing posts with label ফারুক যোশী. Show all posts

Sunday, March 1, 2015

ধর্মীয় ঝড় ও ব্রিটেন-ইউরোপের ভিনদেশি মুসলিম by ফারুক যোশী

শিরশ্ছেদের ভিডিও প্রকাশ করে আইএস
মুসলমান ও মুসলমানিত্বের নাম নিয়ে বিশেষত ইউরোপ আর আমেরিকা যেন নিয়মিত এখন যুদ্ধ যুদ্ধ খেলায় মত্ত। তবে এ খেলা অবশ্য সরকারের সঙ্গে মুসলমানদের নয়। তবে কি উগ্রতার বিপরীতে উগ্রদেরই যুদ্ধ? সেন্টিমেন্টের বিপরীতে অন্য সেন্টিমেন্টের প্রকাশ? ফ্রান্সের রম্য ম্যাগাজিন শার্ল এবদোর কার্যালয়ে সন্ত্রাসী হামলা নিয়ে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের পর মুসলিম বিদ্বেষ বেড়েছে তাৎক্ষণিক। স্বাভাবিকভাবেই সম্মুখে চলে আসছে এই বিদ্বেষ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা। মুসলমানদের নিয়ে কিংবা মুসলমানদের কটাক্ষ করে ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে স্বাভাবিক কারণেই বেড়েছে মুসলিম বিদ্বেষ। ফ্রান্সে অন্তত শতাধিক মুসলিম বিদ্বেষের ঘটনা ঘটেছে। তার মাঝে যেমন মসজিদে ভাংচুর, অগি্নসংযোগ এমনকি গুলি করাসহ কোনো কোনো মানুষের ওপর হয়েছে হামলা। ব্রিটেনের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়ালে কে বা কারা লিখেছে 'ইসলাম মাস্ট ডাই'। যদিও এ দেয়াল লিখন বেশি সময় স্থায়িত্ব পায়নি। স্বীকার করতেই হবে, এগুলো অনাকাঙ্ক্ষিত নয়। ফ্রান্সে জঙ্গি হামলায় অন্তত ১৭ জন মানুষের মৃত্যু মুসলমানদের কোনো না কোনোভাবে আবার প্রশ্নবিদ্ধ করবেই। ইউরোপে তো বটেই, এমনকি সারাবিশ্বে। সে কারণেই গণমাধ্যম নতুন করে প্রতিদিন যেন জন্ম দেয় নতুন ঘটনার। ইসলামের নাম নিয়ে ঘটনাগুলো যে বানোয়াট কিংবা ভিত্তিহীন_ তাও বলা যাবে না। আইএস নামক সংগঠনটির কারণে সারা পৃথিবীর মানুষ আতঙ্কিত। ফ্রান্সের রেশ যেতে না যেতেই জাপানের দু'জন সাংবাদিককে আটকে রেখে ২০০ মিলিয়ন ডলার মুক্তিপণ দাবি করা কিংবা মুক্তিপণ না দিলে এদের শিরশ্ছেদ করার হুমকির বিপরীতে এ বিদ্বেষ নতুন মাত্রা পাবেই।
আইএস বিশ্বব্যাপী যে সন্ত্রাস চালাচ্ছে, তা নিঃসন্দেহে লোমহর্ষক। শ্বেতাঙ্গদের ধরে নিয়ে গিয়ে জবাই করা হয়। তাও ইসলামের নাম নিয়ে। আইএসকে ইসলামের বাইরের কোনো গ্রুপ বলে আমরা কোনোভাবেই দায় এড়াতে পারব না। কেননা, মুসলমানদের একটা গোষ্ঠীর সমর্থন নিয়েই এরা এগোচ্ছে। মুসলমান কিংবা ইসলাম নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা আছে। নীতিগতভাবে কিংবা ধর্মীয়ভাবেও আইএসকে সমর্থন করার কোনো কারণ নেই মুসলমানদের। কিন্তু যখন আমরা দেখি মুসলমান তরুণ-তরুণী এই ব্রিটেন থেকে কিংবা ইউরোপ থেকে সিরিয়ায় গিয়ে যুদ্ধ করে। এই ব্রিটিশ তরুণদের মাঝে আবার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণদের খুঁজে পাওয়া যায়। মুসলমান হয়ে মুসলমানদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে তুলে নেয়, তখন বহির্বিশ্বে নিজেদের দায় থেকে বাঁচানোরও পথ খুঁজে পাওয়া যায় না। কারণ সিরিয়ার বিদ্রোহীরা মূলত একটা সংগঠিত শক্তি। এই শক্তি ক্রমেই দখল করে নিচ্ছে সিরিয়ার জনপদ। সে জন্য আমাদের দায় সারানো বড়ই কঠোর এবং কঠিন।
আইএস নামের সংগঠনটি ইসলামিক স্টেটের কথা বলে এবং মানুষ কোরবানি দেয়, তাও পশ্চিমা মানুষ দেখে দেখে কিংবা তাদের বিরুদ্ধে কথা বলা দেশ কিংবা দেশের মানুষকে। শুধু ব্রিটেন কিংবা পশ্চিমা দেশই নয়, জাপানিদেরও এরা ছাড়ছে না। ইসলামিক আইনের কথা বলে তারা আবার মানুষ ধরে নিয়ে মুক্তিপণ নিয়ে তাদের ছেড়েও দেয়। বোকো হারামের নাম নিয়ে শত শত কিশোরী-তরুণীকে নিয়ে এরা হত্যা-ধর্ষণ চালাচ্ছে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে। তাতে তো প্রকারান্তরে ইসলামের বিজয়ডঙ্কা বাজছে না, বরং ওড়াচ্ছে তারা ধর্মের অশান্তি আর সন্ত্রাসের নিশান। কী অদ্ভুতভাবে ইসলামকে এরা ব্যঙ্গ করছে বিশ্বব্যাপী। মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ কিংবা এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এরা চালিয়ে যাচ্ছে তাদের নারকীয় কার্যক্রম। কখনও আল সাবাব, কখনও আল কায়দা, কখনও বোকো হারাম_ এই নামগুলো নিয়ে মূলত চালাচ্ছে তাদের একই কার্যক্রম।
স্বাভাবিকভাবেই সারা পৃথিবীতে আছে এ নিয়ে আলোচনা। সমালোচনার ঝড় বইছে। ফ্রান্সে বিদ্বেষ প্রত্যক্ষ হলেও দেশটির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ কিন্তু তাৎক্ষণিকই বলেছেন, এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে, তবে কোনোভাবেই এ নিয়ে ধর্মীয় বিবাদকে তার দেশ সহ্য করবে না। সত্যি কথা বলতে কি, ব্রিটেনে এ বিদ্বেষ এতটা প্রভাব ফেলতে পারেনি। এমনকি এর আগে একজন সৈন্যকে মুসলমানিত্বের নাম নিয়ে প্রকাশ্যে হত্যা করার পরও সরকার কিংবা বিরোধী দল এ নিয়ে কোনোভাবেই মুসলমানদের অহেতুক বিরোধিতায় নেই। সাধারণ মানুষের মাঝে অস্বস্তি হয়তো আছে, কিন্তু আপামর মুসলমানদের প্রতি অহেতুক ঘৃণা কিংবা ঘৃণাজনিত অপরাধ কোনো বড় ধরনের হুমকি হয়ে দেখা দেয়নি। বরং ইউরোপের ধর্মীয় নেতা পোপ বলতে গেলে মুসলমানের পক্ষেই বলেছেন। তিনি শার্লি এবদো ম্যাগাজিনের নীতি কিংবা সম্পাদনা নীতির বিরুদ্ধেই কথা বলেছেন। তার কথায়_ 'কেউ যদি কারও মাকে অভিশাপ কিংবা গালি দেয়, তাহলে এর বিপরীতে আঘাত তো প্রত্যাশা করতেই পারে।' এবং তার দৃষ্টিতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানোর জন্য শার্লি এবদো কর্তৃপক্ষ কোনো না কোনোভাবে উৎসাহিত করেছে ওই উগ্রবাদীদের। ধর্মীয় নেতা পোপ ফ্রান্সিস যা-ই বলেন না কেন, এ নিয়ে মুসলমানদের খুব একটা গর্ব করার মতো কিছু নেই। কারণ যতটুকু শক্তি নিয়ে মুসলিম উগ্রবাদী জঙ্গিরা তাদের জঙ্গিত্ব চালাচ্ছে, তার চেয়ে অনেক বেশি রাজনৈতিক সদিচ্ছা নিয়ে ইউরোপের দেশগুলো মুসলিম বিদ্বেষকে রোখার চেষ্টা করছে। সরকার কিংবা সাধারণ জনগণ উগ্র মুসলমানদের এই আক্রমণ কিংবা জঙ্গিত্বকে ব্যাপক মুসলমানদের কার্যক্রম হিসেবে বিবেচনা করছে না। তারা বরং সৌহার্দ্য টিকিয়ে রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ম্যানচেস্টারের কোনো এক স্থানীয় কাউন্সিলের কর্মকর্তা ব্রিটিশ ন্যাশনালিস্ট পার্টির 'কিক ইসলাম আউট অব ব্রিটেন- উই নিড আওয়ার কান্ট্রি ব্যাক' এই কমেন্টের পক্ষে শ্লেষাত্মক বাক্য ব্যবহার করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দিলে তাকে কাউন্সিলের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। স্থানীয় এক অধিবাসী কাউন্সিলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এ অভিযোগ দিলে কাউন্সিলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তা বিবেচনা করে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়। এভাবেই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সরকার আরও দৃঢ় করতে এবং ধর্মীয় কোনো প্রকার উস্কানি যেন না ছড়ায় সেদিকে লক্ষ্য রেখেই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
লন্ডন থেকে প্রচারিত বিভিন্ন গণমাধ্যম বিশেষত বাংলা এবং উর্দু গণমাধ্যমগুলো এখানে নিজেদের কৃষ্টি-কালচারের চেয়ে গোঁড়া ধর্মীয় মূল্যবোধকেই গুরুত্ব দিয়ে এগোচ্ছে। বিশেষত টিভি চ্যানেলগুলোর দিকে তাকালে বিস্মিত হতেই হয়। এরা যেন চাষ করে গোঁড়ামির। এক ধরনের গোঁড়া ধর্মীয় শব্দ ব্যবহার করে ধর্মীয় লেবাস পরিয়ে নিজস্ব ধ্যান-ধারণায় গোঁড়া ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বানাতে এরা উঠেপড়ে লেগেছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই তাই এরা মূলধারা থেকে ক্রমেই সরে যাচ্ছে এবং সরে যাওয়াটাও স্বাভাবিক। উন্নত সমাজ ব্যবস্থায় অবস্থান করে আধুনিকতা থেকে সরে গিয়ে ধর্মীয় ধ্যান-ধারণা যদি পশ্চাৎমুখী থাকে, আলখেল্লা দিয়ে নিজের শরীর আবৃত্ত করে যদি কেউ চায় আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করবে, তাহলে বাস্তবতা হলো সম্মুখে কেউ না করুক পরোক্ষভাবেই কেউ না কেউ তাকে পেছনে ফেলে দিতে চেষ্টা করবেই। আর সে জন্যেই শেষ পর্যন্ত চাকরির বাজারে নিজেকে কোনোভাবেই এরা টিকিয়ে রাখতে পারবে না, পারছে না। এরা না পারছে বাঙালি কিংবা পাকিস্তানি হতে, না পারছে আধুনিক মুসলমান হতে। স্বাভাবিকভাবেই তাই তারা এই সমাজ ব্যবস্থার একটা অংশও হয়ে উঠতে পারছে না। সে জন্যই এরা হতাশায় ঘুরপাক খায়। শুধুই গালি দেয়, বর্ণবাদ ডেকে আনে তারা। এবং গোটা মুসলিম তরুণ-তরুণীদের জড়িয়ে নিতে চায় এই কথিত বর্ণবাদী আহ্বানে। দ্বন্দ্ব এখানেই। দ্বন্দ্ব সংস্কৃতির। ধর্মটা মাঝখানে টেনে নিয়ে আসছে একটা গ্রুপ তাদেরই প্রয়োজনে। নিজস্ব সংস্কৃতিকে ভুলিয়ে দিতে এরা ধর্মীয় বাতাবরণ সৃষ্টি করছে এই ব্রিটেন কিংবা ইউরোপে। সে কারণেই বাঙালি-পাকিস্তানি তথা মুসলমানরা এখানেই পিছিয়ে যায়।
ব্রিটেন তথা ইউরোপে ইসলাম কিংবা উগ্রতাকে পুঁজি করে উন্মাদনা যাতে না ছড়ায়, সে চেষ্টা করছে সরকার কিংবা মুক্তমনের অগণিত মানুষ। ঠিক সেভাবেই আজ আমাদেরও প্রয়োজন ধর্মীয় গোঁড়ামির বাতাবরণ থেকে মুক্ত হয়ে মুক্ত সমাজে বেড়ে উঠতে নতুনদের উদ্দীপ্ত করা। প্রয়োজনে বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে একটা সেতুবন্ধ তৈরি করা।
ব্রিটেন প্রবাসী সাংবাদিক
faruk.joshi@gmail.com

Monday, December 24, 2012

আন্তর্জাতিক-মধ্যপ্রাচ্যের ধাক্কা, ব্রিটেনও উত্তাল by ফারুক যোশী

মিলিয়ন মিলিয়ন পাউন্ডের ক্ষেপণাস্ত্রে লিবিয়ার জনজীবন যেমন বিপর্যস্ত হচ্ছে একদিকে, ঠিক তেমনি অন্যদিকে এ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর জোগান দিতে হচ্ছে উন্নত দেশগুলোর মানুষকে। ব্রিটেনের জনজীবনে পড়েছে এর ব্যাপক প্রভাব।

Sunday, November 25, 2012

লন্ডনের চিঠি-বাঁচাতে হবে বাংলা টাউন by ফারুক যোশী

কিছু কিছু ঘটনা নানা কারণেই ইতিহাসের একটা অংশ হয়ে যায়। ইতিহাসের এই অংশটি জানান দেয় অতীতের কথা। এটা হতে পারে কোনো মানুষ, কোনো জাতি, কোনো গোষ্ঠী কিংবা কোনো সম্প্রদায়ের ইতিহাস। ব্রিটেনের ব্রিকলেন ইতিহাসেরই এরকম একটা অংশ। বিশেষত ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের জন্য।

Saturday, September 1, 2012

পদ্মাসেতুঃ মালয়েশিয়ার প্রস্তাব, বিশ্বব্যাংকের প্রস্থান এবং প্রবাসী ভাবনা by ফারুক যোশী

অবশেষে পদ্মাসেতু নির্মাণ নিয়ে একটি প্রস্তাব এসেছে মালয়েশিয়া থেকে। বিশ্বব্যাংক যখন বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে বাংলাদেশের ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, সে সময়ে মালয়েশিয়ার এ প্রস্তাব কিছুটা হলেও বিশ্বব্যাংককে একটি ধাক্কা দেবে হয়তো। কিন্তু কথা থেকে গেছে। বিশ্বব্যাংকের মুখ ফিরিয়ে নেওয়াকে যে মালয়েশিয়া একটা মওকা হিসেবে নিয়েছে, তা বোঝাই গেছে তাদের প্রস্তাবে।

Saturday, July 14, 2012

প্রবাসে বাংলা ভাষার বিকাশ ও প্রতিবন্ধকতা by ফারুক যোশী

একুশের চেতনা ছড়িয়ে গেছে দেশ থেকে দেশান্তরে। এই চেতনা ছায়া ফেলে। একুশে মানেই বাংলা ভাষা। একটি জাতিসত্তার আত্মপরিচয়ের সন্ধানে প্রথম বিস্ফোরণ। এই বিস্ফোরণে একটি জাতি অঙ্কুরিত হয়। এ অঙ্কুর থেকেই জাতি ক্রমে বিস্তৃত হতে থাকে। একটি বৃক্ষ পত্র-পল্লবে পুষ্পিত হতে থাকে। আর যা চূড়ান্ত গতি পায় একাত্তরে।

Saturday, June 16, 2012

ব্রিটেনে কয়েক তরুণের কর্মকাণ্ডে শঙ্কায় নতুন প্রজন্ম by ফারুক যোশী

গত বছরের একেবারে শেষ দিকে ব্রিটেনসহ সারা বিশ্বে ব্রিটেনের বাঙালিরা প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছিল কয়েক তরুণকে নিয়ে। ব্রিটেনের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর বোমা হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত ৯ জনের মধ্যে সাতজনই ছিল বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত।

Tuesday, May 29, 2012

শিক্ষা-কবির ক্ষোভ এবং লন্ডনের প্রাথমিক শিক্ষা by ফারুক যোশী

এলোমেলো অক্ষরগুলো যারা দেখে তাদের জীবনের শুরুতে, সেই শিশুগুলোকেই নিয়ে আসতে হবে স্বচ্ছ সূর্যালোকে। আর এভাবে সবার মিলিত প্রয়াসেই পাল্টে যেতে পারে একটি প্রজন্ম, একটি সমাজ; সর্বোপরি ব্রিটেনের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা এ মাসের প্রথম দিনে একটা রিপোর্ট বেরিয়েছে লন্ডনের প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে।

Saturday, May 26, 2012

ব্রিটেনে বিদেশি ছাত্র : অনিশ্চিত যাত্রার শেষ কোথায় by ফারুক যোশী

গত বছরের প্রথম দিকে স্রোতের মতো ছাত্রছাত্রীরা এসেছে ব্রিটেনে। বিশেষত বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল প্রভৃতি দেশ থেকে। ব্রিটেনের ইমিগ্রেশন নীতির সমালোচনা করে এ দেশের ইমিগ্রেশন ইনটেলিজেন্স ইউনিট তখন দাবি করেছিল অভিবাসন নীতির 'খোলা জানালা'র কারণেই ছাত্রদের এ স্রোত ছিল।

Friday, May 18, 2012

সোহেল তাজের ফিরে আসা এবং প্রবাসী নেতাদের নিয়ে দুটি কথা by ফারুক যোশী

সোহেল তাজ একটি খোলা চিঠি দিয়েছেন তাঁর এলাকা কাপাসিয়ার জনগণকে। তিনি বলেছেন, এক বুক আশা নিয়ে তিনি দেশের সেবা করতে তাঁর এলাকায় এসেছিলেন। তাঁর বাবার রক্তধারা আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শ (আদর্শটা শুধুই বঙ্গবন্ধুর, কাউকে যোগ না করলে এখানে কি টিকে থাকা যায়?) বুকে ধারণ করেই তিনি দেশ সেবার জন্য রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছিলেন।

Tuesday, May 8, 2012

ব্রিটেনে নির্বাচন-লেবারের উত্থান, বাঙালির সাফল্য by ফারুক যোশী

লন্ডনে এর আগে বাঙালি নারী কাউন্সিলর থাকলেও নর্থ-ওয়েস্ট ইংল্যান্ডে পুরুষ কাউন্সিলরদের সংখ্যা ছিল হাতেগোনা_ তিন-চারজন। এবারে দু'জন নারীসহ কাউন্সিলরদের সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে ১২ জনে। তাদের সবাই লেবার পার্টি থেকে গত ৩ মের স্থানীয় নির্বাচন যেন ব্রিটেনের মানুষ জানিয়ে দিয়েছে এক নতুন বার্তা।

Wednesday, May 2, 2012

ব্রিটেনে অল্টারনেটিভ ভোট : হ্যাঁ, না এবং অভিবাসী ভাবনা by ফারুক যোশী

অল্টারনেটিভ ভোট' (এভি) শব্দ দুটি ব্রিটেনে অপরিচিত না হলেও জনপ্রিয় নয়। একে জনপ্রিয় করে তুলতে এবং ব্রিটেনের ভোটিং পদ্ধতির আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে অল্টারনেটিভ ভোট প্রয়োজন_এই লক্ষ্য নিয়ে মূলত ব্রিটেনের বর্তমান কোয়ালিশন সরকারের শরিক দল লিবারেল ডেমোক্রেটিকরা এ পদ্ধতিটি প্রবর্তন করতে চাইছেন ব্রিটেনে।

Wednesday, April 25, 2012

লন্ডনে টুকরো টুকরো বাংলাদেশ by ফারুক যোশী

এক যুগের বেশি সময় ধরে প্রতি গ্রীষ্মেই ব্রিকলেনকে কেন্দ্র করে এক দিনের জন্য হলেও একটি মেলা জমে ওঠে। হাজারো মানুষের প্রাণের উচ্ছ্বাসে ব্রিকলেন হয়ে যায় বাঙালিদের মিলনমেলা। প্রাণের উচ্ছ্বাস আর মিলনমেলাকে সে জন্যই আমরা ইউরোপের সর্ববৃহৎ নটিংহিল কার্নিভালের ছায়া হিসেবে আখ্যায়িত করতে পেরেছি।

Monday, April 16, 2012

বেথনাল গ্রিন থেকে ব্রাডফোর্ড- ব্রিটেনের রাজনীতিতে বাসন্তী হাওয়া by ফারুক যোশী

নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর স্কাই নিউজের পক্ষ থেকে যখন তাঁকে ব্রিটেনের অতি আলোচিত-সমালোচিত নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিভিন্নভাবে তির্যক মন্তব্য করে দর্শকদের হাসানোর কিংবা তাঁকে হেয় করার প্রক্রিয়া চালানো হয়, তখন গ্যালওয়ে অত্যন্ত সাবলীলভাবে বলতে পেরেছিলেন, 'সহজ কথায় আমি জয়ী। এটাই সত্যি আমি জয়ী।

Tuesday, April 3, 2012

খালেদা জিয়ার ব্রিটেন সফর : দেশের প্রাপ্তি এবং অনুজ্জ্বল অভিবাস by ফারুক যোশী

খালেদা জিয়া লন্ডনে এসেছিলেন। বাংলাদেশের প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা তিনি। এ ছাড়া তিন তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। ব্যক্তি হিসেবে এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে একজন খালেদা জিয়া বিদেশের বিভিন্ন দেশে সম্মানিত মানুষ হিসেবেই আসীন থাকার কথা।

Wednesday, March 7, 2012

ব্রিটেনে বাঙালিদের বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন পরাভূত ফ্যাসিস্ট ইডিএল by ফারুক যোশী

লন্ডনের পর সম্ভবত এই প্রথম বাঙালিরা এককভাবে বর্ণবাদী কোনো আক্রমণ রুখল সুশৃঙ্খলভাবে এবং তা-ও নর্থ-ওয়েস্টের একটি ছোট্ট শহর হাউডে। একটা টান টান উত্তেজনা ছিল সারা শহরে। দেখেছি অন্তত ১৫-২০ দিন থেকে বাঙালি কমিউনিটিতে তরুণদের ফুঁসে ওঠা।

Friday, February 24, 2012

একটি ভয়াবহ বর্ণবাদী দাঙ্গা : এক দশক পর বাঙালির অবস্থান by ফারুক যোশী

এক দশক আগে একটা ভয়াবহ সময় অতিক্রম করেছিল সারা ওল্ডহ্যাম শহর। সে এক ছোট্ট ঘটনা, দুটি বালকের মধ্যে তর্কাতর্কি। এর পরের ইতিহাস জন্ম দিয়েছিল দীর্ঘ ট্র্যাজেডির। পৃথিবীর লাখ লাখ মানুষ জেনেছিল এক বর্ণবাদী দাঙ্গার আগুন জ্বলছে ওল্ডহ্যামে। এশিয়ান পরিবারের দরজা ভেঙেছে সাদা যুবকরা। এশিয়ান পরিবার হয় আগুনবোমার শিকার।

Tuesday, February 21, 2012

ইউরোপ-দায়হীন উক্তির পরিণতি by ফারুক যোশী

ক্রান্তিকালে জনগণের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত না হয়ে একধরনের দায়হীন উক্তিই করছেন প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারের দায়িত্বশীল ঊর্ধ্বতন কর্তাব্যক্তিরা। এতে করে জাতীয় ঐক্য শিথিল হচ্ছে পৃথিবীর শক্তিশালী দেশগুলো মূলত ব্রিটেন এবং আমেরিকা যেন নুইয়ে পড়ছে ঋণের বোঝায়। ইউরোপের অন্য দেশগুলোও সেই একই পথে।

Monday, February 20, 2012

স্বদেশ ভাবনা-শেয়ার-সীমান্ত-যোগাযোগ এবং আমাদের দায়ভার by ফারুক যোশী

গত বছরের জানুয়ারিতে বিএসএফের গুলিতে ফেলানীর নির্মম লাশ হওয়া এবং পরে ঝুলন্ত চিত্র প্রতিটি মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। ফেলানীকে নিয়ে রাজনীতি হয়েছে। দু'দেশের কথা বিনিময়ও হয়েছে। কিন্তু মাত্র একটি বছর যেতে না যেতেই আরেক বাংলাদেশি হাবিবুরের ওপর নির্যাতনে আবারও মানবিক বিবেক স্তম্ভিত হয়ে গেল।

Sunday, February 12, 2012

লন্ডনের চ্যারিটিওয়ালারা by ফারুক যোশী

বাংলাদেশে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থান নিয়ে আলোচনা আছে। এ আলোচনা চলবে। এখানেও হয়তো রাজনীতি আসবে। হয়তো এখানেও পাওয়া যাবে রাজনীতির নোংরা খেলা। বাংলাদেশে কিংবা পাকিস্তানে সামরিক অভ্যুত্থান কোনো নতুন ঘটনা নয়। সময়ে সময়ে এ রকম ক্যু হয়েছে। বাংলাদেশের আজকের বড় দুটো দল বিএনপি আর জাতীয় পার্টি তো ওই সামরিক ছাউনির হত্যার রাজনীতির মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আসা ক্যু-রাজনীতির ফসল।

Friday, February 3, 2012

অহংবোধে ধাক্কা এবং ব্রিটিশ সমাজে গর্বিত অভিবাসীরা by ফারুক যোশী

বলতে গেলে ব্রিটিশ সমাজে একটা চিড় ধরেছে। তাদের সভ্যতায়, তাদের অহংবোধে ধাক্কা লেগেছে। ৬, ৭, ৮ ও ৯ আগস্টের দাঙ্গা এবং লুটপাটে তাদের মূল্যবোধে ঘা লেগেছে। ব্রিটিশ সমাজব্যবস্থার একটা অহংকার ছিল। সভ্যতার ধ্বজা উড়িয়ে বিশ্বময় তারা নিজেদের মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছে যুগ যুগ ধরে। কিন্তু রাজনৈতিক নীতিহীনতায় তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে খবরদারি করতে গিয়ে মিলিয়ন-ট্রিলিয়ন পাউন্ডের ব্যয়ভার যেন সহ্য করতে পারছে না ব্রিটেন।