Saturday, October 18, 2014
কত নিচে নেমেছি আমরা! by ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
ড. পিয়াস করিম ছাত্রাবস্থা থেকেই বাম রাজনীতির সাথে সংযুক্ত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পড়াশোনা শেষে ১৯৮০ সালে তিনি চলে যান যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে ক্যানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে নৃবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর এবং পিএচইডি লাভ করেন। তারপর যুক্তরাষ্ট্রেই বেশ কিছুকাল শিক্ষকতা করেন ড. পিয়াস। ২০০৭ সালে বাংলাদেশে ফিরে এসে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শুরু করেন পিয়াস করিম। মৃদুভাষী, সদালাপী, সদাচারী, বন্ধুবৎসল পিয়াস করিম এরপর টিভির টকশোগুলোতে আসতে শুরু করেন। চৌকস যুক্তি, সাবলীল উপস্থাপনা ভঙ্গিতে অল্প সময়ের মধ্যেই ড. পিয়াস করিম টিভির দর্শক-শ্রোতাদের একজন প্রিয় মুখে পরিণত হন।
এ ক্ষেত্রে কখনোই ছাড় দিয়ে কথা বলেননি পিয়াস করিম। ভর করেননি আপসকামিতায়। খুব স্পষ্ট করে কোদালকে কোদাল বলেছেন। সব সরকারের অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী কার্যকলাপের সমালোচনা করেছেন। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার পক্ষে কথা বলেছেন। ফলে এ দেশের গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষের কাছে পিয়াস করিম হয়ে উঠেছিলেন আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে সারা দেশে যেন শোকের ছায়া নেমে আসে।
রাজনীতিক ও বুদ্ধিজীবী মহল থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, তার মৃত্যুতে দেশের এই দুঃসময়ে এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি হলো। তার টেলিভিশন টকশোগুলো যারা দেখেছেন, তারা জেনেছেন তিনি ছিলেন আপসহীন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে অকুতোভয়-উচ্চকণ্ঠ। নিজের মত প্রকাশে ছিলেন সব সময় অবিচল। ছিলেন নির্ভীক ও আত্মপ্রত্যয়ী। যেখানেই সুযোগ পেয়েছেন সেখানেই সত্য প্রকাশ করতে উপস্থিত থেকেছেন ড. পিয়াস করিম; কিন্তু এখন এই সমাজে সত্য প্রকাশ বড় বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়িয়েছে। উচ্চারিত সত্যকে স্তব্ধ করে দেয়ার জন্য দেশের বর্তমান ফ্যাসিবাদী সরকার যেমন নানাবিধ গণতন্ত্রবিরোধী, মানুষের মৌলিক অধিকারবিরোধী, ব্যক্তিস্বাধীনতাবিরোধী আইনকানুন প্রণয়ন করেছে ও করছে; একইভাবে পেটোয়া বাহিনী দ্বারা হামলা চালিয়ে সত্যকণ্ঠ স্তব্ধ করে দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সরকারের এই পেটোয়া বাহিনী একাধিকবার পিয়াস করিমের কণ্ঠ স্তব্ধ করে দেয়ার জন্য তার বাসভবনে বোমা হামলা চালিয়েছে। নানা ধরনের হুমকি দিয়েছে; কিন্তু পিয়াস করিম সব সময়ই ছিলেন অবিচল-অকুতোভয়।
তার মৃত্যু সংবাদে শোক ও শ্রদ্ধা জানাতে সকাল থেকেই তার বাসভবনে হাজারো মানুষ ভিড় জমিয়েছেন। শুধু চেনা মুখ নয়, গিয়ে হাজির হয়েছিল তার অগণিত ভক্ত-শ্রোতারাও। পিয়াস করিমের পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, ১৫ অক্টোবর বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার লাশ রাখা হবে শহীদ মিনারে। আমাদের হতবাক ও স্তম্ভিত হওয়ার শুরু সেখান থেকেই। আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগ, যারা ইতোমধ্যেই অস্ত্রবাজি, টেন্ডারবাজি, খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই, ডাকাতি করে কুখ্যাতি অর্জন করেছে, তারাসহ কয়েকটি ছাত্রসংগঠন ঘোষণা করে বসল যে, পিয়াস করিমের লাশ কিছুতেই শহীদ মিনারে আনতে দেয়া হবে না। তাদের সাথে যোগ দিলো পচাগলা দু-একটি বাম ছাত্রসংগঠন। তারা শহীদ মিনারের চার পাশে ব্যানার লাগিয়ে দিলো, ‘পিয়াস করিমের ভার, বইবে না শহীদ মিনার’।
সরকারের শীর্ষ মহলের ইঙ্গিত ছাড়া ছাত্রলীগ ও পচাগলা বাম ছাত্রসংগঠন নিজেরাই এমন ঘোষণা করেছে, এটা মনে করার কোনো কারণ নেই। সরকারের মন্ত্রী ও ফটর ফটর নেতারা এ নিয়ে কোনো কথা বলেননি বটে, তবে ‘শহীদ মিনার এলাকার শান্তি রক্ষার স্বার্থে’ সেখানে কয়েক শ’ পুলিশ মোতায়েন করে একেবারে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেয়া হলো। তাতে সরকারের অবস্থান আর অস্পষ্ট থাকেনি। এর মধ্যে আমাদের আরো এক দফা বিস্মিত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করলেন, তাদের অনুমতি ছাড়া পিয়াস করিমের লাশ শহীদ মিনারে আনতে দেয়া হবে না। পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন হলে বিবেচনা করে দেখা হবে।
তখন বুদ্ধিজীবী ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল থেকে প্রতিবাদের ঝড় উঠল। কেননা কোনো বিবেচনায়ই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শহীদ মিনারের ইজারাদার নয়। প্রতিদিন শহীদ মিনারে কোনো না কোনো সংগঠন নানা ধরনের প্রতিবাদ-সমাবেশের আয়োজন করছে। শিক্ষকেরা সেখানে অনশন করেছেন। গার্মেন্টশ্রমিকেরা ব্যানার-ফেস্টুন সাজিয়ে সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন, এখনো অনেকে করছেন। অনুমতির প্রশ্ন আসেনি; কিন্তু দেশের প্রধান বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে এবং সরকারের নির্লজ্জ দালালিতে নিজেদের সমর্পণ করলেন। সেখানকার প্রশাসকেরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজের মুখে যেমন চুনকালি লেপে দিলেন, তেমন চুনকালিই দিলেন গোটা জাতির মুখে। অথচ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে এটা কিছুতেই প্রত্যাশিত ছিল না।
এই বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার কথা গণতান্ত্রিক চেতনা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতিভূ। কিন্তু এখানকার দলান্ধ শাসকেরা সেই মর্যাদার আসন থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান ভূলুণ্ঠিত করলেন। অর্থাৎ অযোগ্য দালাল প্রশাসকদের কারণে একটি ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয় আরেকবার তার মর্যাদা হারিয়ে ফেলল। যে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসকের চরিত্র এমন তা থেকে বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, এখানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের তারা কী শিক্ষা দিচ্ছেন। তারই প্রতিফলন ঘটেছে ছাত্রলীগ নামক সরকার দলীয় সংগঠনটির সদম্ভ ঘোষণার মধ্য দিয়ে।
ছাত্র আমরাও ছিলাম। ’৬০-’৭০-’৮০ দশক জুড়ে সমস্ত ছাত্র আন্দোলনে আমি নিজেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছি। এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েই আমি ২২ বছর ছাত্র ছিলাম। আদু ভাই হিসেবে নয়; অনার্স, মাস্টার্স, এমফিল, পিএইচডি পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজটে আমাকে এই দীর্ঘ সময় ছাত্র থাকতে হয়েছিল। তখনো ছাত্রলীগ দেখেছি। তাদের ব্যালটবাক্স ছিনতাই দেখেছি। খুন-খারাবি, ছাত্রী অপহরণ, মারামারি দেখেছি; কিন্তু তার পাশাপাশি আরো যেসব ছাত্রসংগঠন ছিল তাদের গণতন্ত্রের জন্য, মানবাধিকারের জন্য, যুদ্ধ বন্ধের জন্য, শিক্ষার সুুযোগ সম্প্রসারণের জন্য লড়াই করতে দেখেছি। যথাসম্ভব এসব আন্দোলনে শরিক থেকেছি। মেধা-মনন বিকাশের পথ প্রশস্ত করার জন্য জ্ঞানচর্চামূলক সংগঠন গড়ে তুলেছি। কারো বক্তব্যের প্রতিবাদ করার জন্য সেমিনার-সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করেছি। বলিনি বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে তারা পা রাখতে পারবেন না।
আজকে ড. পিয়াস করিমের লাশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নিতে দেয়া হলো না ছাত্রলীগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের দলান্ধ প্রশাসনের যোগসাজশে। শফিউল আলম প্রধান তো সত্য কথাই বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা শহীদ মিনার কারো বাবার সম্পত্তি নয়। এখানে যাওয়ার অধিকার সবারই আছে। ড. পিয়াস করিম এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু পুরনো ছাত্রই স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন; কিন্তু তাদের সবাইকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বা শহীদ মিনারে আনার কথা কেউ চিন্তাও করেন না; কিন্তু কেউ কেউ সর্বজনশ্রদ্ধেয় হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন। তিনি বলে যান না; কিন্তু তার ঘনিষ্ঠজনেরা সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য লাশ শহীদ মিনারে নিয়ে আসে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তো গর্বিত হওয়া উচিত ছিল যে, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাবেক ছাত্রের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তার লাশ শহীদ মিনারে আনা হচ্ছে; কিন্তু নীচতা ও সঙ্কীর্ণতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও তাদের প্রভু সরকারকে এমন হীন জায়গায় ঠেলে দিলো। ঘটনার এখানেই শেষ নয়, একটি ভুঁইফোড় সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সামনে পুলিশ প্রহরায় শহীদ মিনার এলাকায় একটি ব্যানার টানিয়েছে। সে ব্যানারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. আমেনা মহসিন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী, কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার, সিনিয়র সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ, মানবজমিন সম্পাদক ও জনপ্রিয় টিভি উপস্থাপক মতিউর রহমান চৌধুরী, নিউএজ সম্পাদক ও টকশো আলোচক নূরুল কবির, সাপ্তাহিক-এর সম্পাদক গোলাম মোর্তজা, আইনজীবী ড. তুহিন মালিককে শহীদ মিনার এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে সিপি গ্যাং নামের একটি সংগঠন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কি ‘আঙুল চুষছেন’, নাকি ‘নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছেন’? এদের সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র ও বর্তমান শিক্ষক। তার পরও এ রকম একটি ভুঁইফোড় সংগঠন কী ঔদ্ধত্যে এমন একটি ব্যানার টানানোর সাহস পেল। তবে কি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ রকম একটি ব্যানার টানানোয় মদদ দিলেন? এরাও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক? লজ্জায় মাথা হেঁট হয়ে আসে। মনে হয় ছাত্রলীগকে মদদ দানের জন্য যেন এই প্রশাসনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ হিসেবে বসানো হয়েছে। মুক্তবুদ্ধি, জ্ঞানচর্চা, মানবিকতার বিকাশ, বিবেকের উদ্বোধন বা জাগরণ তাদের লক্ষ্য নয়।
আর লক্ষ্য নয় বলেই সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মদদে এমন নির্লজ্জ গণতন্ত্রবিরোধী স্বৈরাচারমুখী কর্মকাণ্ড ছাত্রলীগ ও দু-একটি ভুঁইফোড় সংগঠন করতে পারল। ধিক এই সরকার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে। এরা মন ও মনন বিকাশের শত্রু। ইতিহাসে এরা ঘৃণার পাত্র হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে থাকবেন।
ড. পিয়াস করিমকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্যই তার লাশ শহীদ মিনারে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল; কিন্তু শ্রদ্ধা জানানো আর যুদ্ধ-সঙ্ঘাত এক জিনিস নয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তার আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা লাশ নিয়ে হানাহানির প্রচেষ্টা সৃষ্টি করতে চাননি; কিন্তু শুক্রবার সকালে যখন হিমঘর থেকে লাশ তার নিজ বাসায় নিয়ে আসা হলো, তখন তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হাজার হাজার মানুষ সেখানে হাজির হয়েছিলেন। দোয়া করেছেন। ফুল দিয়েছেন। শোকে কাতর, পাথর হয়েছেন। এরপর যখন বায়তুল মোকাররমে বাদ জুমা তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হলো, তখনো হাজার হাজার মানুষ সেখানে তার রুহুর মাগফিরাতের জন্য সমবেত হয়েছিলেন। মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া করেছেন, তার ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দিয়ে আল্লাহ যেন এই সত্যসন্ধিৎসু শিক্ষাবিদকে বেহেশত নসিব করেন।
সেখানেও সরকার চতুর্দিকে শত শত পুলিশ মোতায়েন করে এমন এক যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল যে, মনে হচ্ছিল ভেতরে বিরাট কী জানি হচ্ছে; কিন্তু কিছুই নয়। নামাজে জানাজা, দোয়া আর শ্রদ্ধা নিবেদন। আমিও মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে আরজ করি, তিনি যেন ড. পিয়াস করিমকে বেহেশত নসিব করেন। আল্লাহ সর্বশক্তিমান এবং ক্ষমাশীল।
পিয়াস করিম চলে গেছেন। তিনি আর কখনো সত্য উচ্চারণ নিয়ে টিভিপর্দায় হাজির হবেন না। আর কোনো দিন তার কণ্ঠ থেকে ফ্যাসিবাদ, স্বৈরতন্ত্র ও নিবর্তকের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ধ্বনি উচ্চারিত হবে না। তিনি বহুকাল এ দেশের মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় সত্য প্রকাশের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবেন; কিন্তু যারা শহীদ মিনারে তার লাশ শ্রদ্ধা জানানোর পথে বাধা সৃষ্টি করলেন, তারা ঘৃণিত হিসেবেই সমাজে বিবেচিত হতে থাকবেন। তবে এই নষ্ট পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য মুক্তবুদ্ধিসম্পন্ন আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। সেই লড়াইয়ে ইনশাআল্লাহ আমরা জয়ী হবো।
লেখক : সাংবাদিক ও সাহিত্যিক
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বর্ধমানে বোমা বিস্ফোরণ ও বাংলাদেশের জামায়াত by এবনে গোলাম সামাদ
আমাদের দেশে পত্রপত্রিকায় ও টেলিভিশনে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীকে জড়ানো হচ্ছে বর্ধমানে বোমা বিস্ফোরণের সাথে। কিন্তু বর্ধমান শহরে জামায়াত কর্মীরা কেন বোমা বানাতে যাবেন, সেটা আমার কাছে মোটেও বোধগম্য নয়। জামায়াত কর্মীরা যদি বোমা বানাতে চায়, তবে সেটা তার নিজ দেশে বসেই করতে পারে। পশ্চিমবঙ্গে বোমা বানিয়ে তা বাংলাদেশে নিয়ে আসা সহজসাধ্য নয়। এই বোকামি তারা কখনো করতে যেতে পারে না। বলা হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার তৃণমূল কংগ্রেস দল গড়ার জন্য প্রচুর অর্থ পেয়েছিলেন বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীর কাছ থেকে। জামায়াতের সাথে তার রয়েছে একটা বিশেষ সম্পর্ক। আর তাই তিনি বাংলাদেশ থেকে যাওয়া বোমা বানানো লোকদের নিজ দেশে দিচ্ছেন প্রশ্রয়। কিন্তু যেখানে সামান্য একজন গরু বিক্রেতা পশ্চিম বাংলা থেকে বাংলাদেশে আসতে বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারাচ্ছেন, সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গে জামায়াতে ইসলামীদের যাওয়া-আসার অবাধ সুযোগ করে দিতে পারেন, সেটা নিয়ে সহজেই প্রশ্ন উঠানো যেতে পারে। তাই মনে হচ্ছে, পত্রপত্রিকায় প্রচারিত খবর হলো খুবই দুরভিসন্ধিমূলক। বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামী দল একটা গোড়া ধর্মান্ধ মৌলবাদী ইসলামপন্থী দল নয়। এ দলের প্রতিষ্ঠাতা গোলাম আযমকে মনোবিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে একজন কঠোর মনোভাবাপন্ন বা টাফ মাইন্ডেড ব্যক্তি বলা চলে না। বরং বলতে হয়, একজন নমনীয় মনোভাবের বা টেন্ডার মাইন্ডেড ব্যক্তি। তিনি কোনো দিনই চাননি জোর করে মতা দখল করতে। অগ্রসর হতে চেয়েছেন নিয়মতান্ত্রিক পথে। এখনো জামায়াত চাচ্ছে ভোটের মাধ্যমে মতায় যেতে। বোমাবাজি করে মতায় যাওয়া যাবে অথবা উচিত হবে সে কথা ভাবছে না এই দলটি। গোলাম আযমের রাজনৈতিক জীবন আরম্ভ হয় রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে। গোলাম আযম ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদের নির্বাচিত জিএস (জেনারেল সেক্রেটারি)। তিনি জিএস থাকার সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানকে দিয়েছিলেন উর্দুর সাথে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি সংবলিত স্মারকলিপি। ১৯৪৮ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান পূর্ব পাকিস্তান সফরে আসেন। সফরে এসে ২৭ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিমন্যাসিয়াম মাঠে এক বিরাট ছাত্রসমাবেশে ভাষণ দেন। সেই ঐতিহাসিক ছাত্রসভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজের প থেকে ঢাকসুর জিএস গোলাম আযম ছাত্রজনতার করতালির মধ্যে উর্দুর সাথে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার দাবি সংবলিত মেমোরেন্ডাম পাঠ করেন এবং তা দেন লিয়াকত আলী খানকে। তার সম্বন্ধে বিখ্যাত কমিউনিস্ট নেতা মোহাম্মদ তোয়াহা এক সাাৎকারে বলেছেন : ‘গোলাম আযম সাহেব তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের জিএস (জেনারেল সেক্রেটারি) ছিলেন। ছাত্র হিসেবে তিনি ছিলেন মেধাবী। স্বভাবগতভাবেই তিনি ছিলেন অমায়িক এবং ভদ্র। ভালো সার্কেলের ছাত্ররা যেমন পরস্পরের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে থাকে, তেমনি আমরা সহজাতভাবে একত্রিত হয়ে ভাষা আন্দোলনে কাজ করেছি। আমাদের এ সার্কেলে আরো অনেক সহযোগী ছিলেন। এর পেছনে আর অন্য কোনো কারণ ছিল না।’..... (দ্রষ্টব্য : মহান একুশে সুবর্ণজয়ন্তী গ্রন্থ, পৃষ্ঠা-১৪৩৯। অ্যাডর্ন পাবলিকেশন, ঢাকা। ২০০৮।)
গোলাম আযম ১৯৭১ সালে বলেছিলেন, শেখ মুজিবের হাতে মতা হস্তান্তর করা হোক। যদিও পরে তিনি করেছিলেন পাকবাহিনীর সাথে সহযোগিতা। কারণ তিনি চাননি, ভারতীয় বাহিনী এসে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান দখল করুক। তিনি ছিলেন ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধী। কিন্তু তিনি কখনোই চাননি পাকবাহিনী নিরস্ত্র জনগণকে হত্যা করুক। তিনি পাক সামরিক জান্তার বাড়াবাড়ির করেছেন সমালোচনা। এখন আমরা জানতে পারছি যে, শেখ মুজিবও চাননি যে সাবেক পাকিস্তান ভেঙে যাক। তিনি চেয়েছিলেন সাবেক পাকিস্তানের রাষ্ট্রিক কাঠামোর মধ্যেই পূর্ব পাকিস্তানের জন্য অধিক স্বায়ত্তশাসন। তিনি আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের মতো ভারতে যেতে চাননি। বন্দী হয়ে চলে গিয়েছিলেন তদানীন্তন পাকিস্তানের পশ্চিমাংশে। অর্থাৎ ১৯৭১ সালে শেখ মুজিবের সাথে গোলাম আযমের ঘোরতর মতভেদ ঘটেছিল, এ রকম সিদ্ধান্ত করা যায় না। গোলাম আযমের নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দেয়া হয় উচ্চ আদালতের রায় অনুসারে। উচ্চ আদালতের বিচারকেরা বলেন যে, ১৯৭১-এ গোলাম আযম যা করেছেন, তার জন্য তার নাগরিকত্ব বাতিল করা যেতে পারে না। গোলাম আযম উচ্চ আদালতের রায় বলে হতে পারেন বাংলাদেশের নাগরিক। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত তাকে দেশদ্রোহী ঘোষণা করেননি। জামায়াতে ইসলামী দল একটি চরমপন্থী দল নয়। মুসলিম মূল্যবোধে বিশ্বাসী একটি মধ্যপন্থী দল। এখনো জামায়াত বাংলাদেশে একটি নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে ঘোষিত হয়নি। কিন্তু তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলেছে। আর এই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ফলাও করে ছাপা হচ্ছে জামায়াতে ইসলামের সদস্যরা পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে বোমা বানাচ্ছিল বলে। সম্প্রতি ইউরোপ ও আমেরিকার অনেক নেতা বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীকে একটি মধ্যপন্থী ইসলামি দল হিসেবে বিবেচনা করছেন। বাংলাদেশের জামায়াত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিকদের কাছে পেতে শুরু করেছে বিশেষ বিবেচনা। তারা ভাবছেন, জামায়াত একটি মধ্যপন্থী ইসলামি দল। বাংলাদেশ হলো একটি মুসলিম অধ্যুষিত দেশ এবং ওআইসির সদস্য। বাংলাদেশে মধ্যপন্থী একটি ইসলামি দলের প্রভাব বেড়ে যাওয়া, ইউরোপ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হতে পারবে শুভ। কেননা, এর ফলে খ্রিষ্টান বিশ্বের প্রতি মুসলিম বিশ্বের বৈরী মনোভাব যাবে কমে। বাড়বে ইতিবাচক সহযোগিতার মনোভাব।
বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ এখন প্রমাণ করতে চাচ্ছে, জামায়াতে ইসলামী হলো একটি গোঁড়া ধর্মান্ধ ইসলামপন্থী দল। তাই আওয়ামী লীগ মতায় না থাকলে জামায়াত মতায় আসবে। আর এর ফলে তিগ্রস্ত হবে ইউরো-মার্কিন জোট। কিন্তু ইউরো-মার্কিন জোটের অনেক নেতাই হতে পারছেন না আওয়ামী লীগের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে একমত। বিশেষ করে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জামায়াত সম্পর্কে এখন অনেক ভিন্নভাবেই ভাবছে বলেই মনে হয়।
একটি বিষয় বিশেষভাবে লণীয়, তা হলো সাবেক পাকিস্তান আমলে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে দল হিসেবে জামায়াত মোটেও শক্তিশালী ছিল না। সে শক্তি সঞ্চয় করতে পেরেছে ১৯৭১ সালের পরে। তার ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী মনোভাবের কারণে। পশ্চিমবঙ্গের অনেক পত্রপত্রিকায় লেখা হচ্ছে, বাংলাদেশে জামায়াত সাহায্য ও সহযোগিতা পাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন না, তখনই জামায়াত হয়ে ওঠে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গ্রহণযোগ্য শক্তি। বিএনপির সাথে জোট গঠন করে জামায়াত থেকে দু’জন হতে পারেন মন্ত্রী। এই দু’জন মন্ত্রী চেষ্টা করেননি বাংলাদেশে জঙ্গি ইসলামতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার। উদার গণতন্ত্র মেনেই পরিচালনা করতে চেয়েছেন দেশকে। বর্তমানে এই ইতিহাসটুকুকে টপকে যেতে চাচ্ছেন যেন এ দেশের অনেক সাংবাদিক। কেন তারা এটা করছেন, সেটা আমাদের বোধগম্য নয়। অনেক ভারতীয় পত্রপত্রিকার সাথে মিলছে তাদের সাংবাদিকতার ধারা।
সম্প্রতি পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ তুলেছেন, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাজে হস্তপে করছে। যাতে ফুটে উঠছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাব। কিন্তু ভারতের সংবিধান এমন যে, এ রকম হস্তপে কেন্দ্রীয় সরকার করতেই পারে। কেননা, ভারতের সংবিধানে যদিও ভারতকে বলা হয়েছে একটি ইউনিয়ন। কিন্তু ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি ইউনিয়ন নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকার তার কোনো অঙ্গরাজ্যের ঘরোয়া রাজনীতিতে হস্তপে করতে পারে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যেকটি অঙ্গরাজ্য নির্বাচিত করে তাদের নিজস্ব গভর্নর। কিন্তু ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের গভর্নর বা রাজ্যপাল নিযুক্তি পান কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে। রাজ্যপাল কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে যেকোনো সময় প্রাদেশিক সরকারকে ভেঙে দিতে পারেন। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় সরকার যেকোনো প্রদেশের সীমানার ঘটাতে পারে রদবদল। যেটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকার পারে না তার অঙ্গরাজ্যের েেত্র। ভারতকে যদি একটা প্রকৃত ফেডারেশন হতে হয়, তবে তার প্রত্যেকটি প্রদেশকে এক হয়ে করতে হবে আন্দোলন। একা পশ্চিমবঙ্গের পে ভারতকে একটা প্রকৃত ফেডারেশনে পরিণত করা কখনোই সম্ভবপর হতে পারে না। বাংলাদেশ এমন একটি রাষ্ট্র নয়, যে নাকি পারে পশ্চিমবঙ্গকে এ কাজে সহায়তা করতে। বিরাট রাষ্ট্র ভারত। সাবেক পাকিস্তানকে ভেঙে দেয়ার জন্য পূর্ব পাকিস্তানে পাঠিয়েছিল তার সৈন্য। কিন্তু অনুরূপ কিছু করতে পারে না বাংলাদেশ পশ্চিমবঙ্গের জন্য। যদিও পশ্চিমবঙ্গের বাংলা ভাষাভাষী মানুষের জন্য বাংলাদেশের মানুষ অনুভব করে সমমর্মিতা। কিন্তু তবুও ভারতের অনেক পত্রপত্রিকায় এমনভাবে খবর ছাপা হচ্ছে, যা পড়ে মনে হতে পারে বাংলাদেশ চাচ্ছে ভারত থেকে পশ্চিমবঙ্গের বিযুক্তি। জানি না, এ ধরনের প্রচারণার শেষ ফল কী দাঁড়াবে। ভারতের হিন্দুত্ববাদী সরকার পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের সাথে যুক্ত রাখার অজুহাত তুলে বাংলাদেশের সাথে একটা সঙ্ঘাত বাধাবে কি না, সেটাও বলা যাচ্ছে না। আমরা গণতন্ত্রে আস্থাশীল। আস্থাশীল সংবাদপত্রের স্বাধীনতায়। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমরা ল করছি যে, আমাদের দেশের অনেক পত্রপত্রিকায় সংবাদ সরবরাহ করা হচ্ছে ভারতের হিন্দুত্ববাদী সরকারেরই অনুকূলে। এ ধরনের সাংবাদিকতা জাতীয় স্বার্থেই বর্জনীয়।
লেখক : প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এরাই সময়ের সাহসী সন্তান by মাসুদ মজুমদার
কাল থেকে ভাবছি, একটি সরকার কতটা নির্লজ্জ হলে শহীদ মিনার নিয়েও কদর্য রাজনৈতিক খেলা খেলতে পারে। দলীয় রাজনীতি বিষাক্ত ছোবল এবং মতান্ধ রাজনীতি ঘৃণার লালা কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে তার প্রমাণ দিলো এ সময়ের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও। বিশেষত প্রক্টর যখন বিষাক্ত রাজনীতি ও দূষিত চিন্তাকে আশকারা দিতে কার্পণ্য করেন না, তখন ভাবতে কষ্ট লাগে আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই ছাত্র ছিলাম। এটাই আমাদের স্বকীয় জাতিসত্তার সৌধ নির্মাণের প্রেরণা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দু’টি নামসর্বস্ব সংগঠনের অনুমতি নেয়ার কথা জানালেও শহীদ মিনারে দেখা গেল অন্তত ২০টি সংগঠনের ব্যানার। ব্যানারসর্বস্ব একটি সংগঠনের সমাবেশ থেকে দেশের বিশিষ্ট নয়জন নাগরিককে শহীদ মিনারে ‘অবাঞ্ছিত‘ ঘোষণা দেয়া হলো। তাদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে ব্যানার টানিয়ে প্রতিহতেরও ডাক দেয়া হলো। বাস্তবে শহীদ মিনার চত্বর ছিল সরকারি দলের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের দৃষ্টিগ্রাহ্য উপস্থিতি। অন্যরা পোঁ ধরেছেন, আশ্রয় প্রশ্রয় উপভোগ করে নিজেদের দেউলে অবস্থানের জানান দিয়েছেন মাত্র। নাই রাজনীতির শরীরে কলঙ্ক লেপন করেছেন।
শহীদ মিনার কেলেঙ্কারির এই নাটক শহীদ মিনারে মঞ্চস্থ হলেও গ্রিনরুম ছিল অন্যত্র। প্রযোজনা ও পরিচালনায় ছিল সরকার এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকেরা। গণজাগরণ মঞ্চের সরকারপ বলে পরিচিত অংশ ছাড়াও সাথে ছিল মঞ্চের সাথে জড়িত পাঁচটি বাম ছাত্রসংগঠন। এ ছাড়া ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ নামেও কাউকে কাউকে দেখা গেছে। এর মধ্যে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের সাথে সংশ্লিষ্ট সাতটি সংগঠনও রয়েছে বলে দাবি করা হয়। এই সব ক’টি সংগঠন মহাজোটভুক্ত দলগুলোর শরিক দলের অঙ্গ ও ছাত্রসংগঠন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য সঠিক হলে এদের মধ্যে একটি ব্যানারধারীরা কর্তৃপ থেকে অনুমতি নেয় কর্মসূচি পালনের জন্য। ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর বলছেন, একটি সংগঠনকে কর্মসূচি পালনে অনুমতি দেয়া হয়েছে। বাকিদের অনুমতি দেয়া হয়নি।
অধ্যাপক পিয়াস করিমের লাশ শহীদ মিনারে গেল কি গেল নাÑ এ নিয়ে আমাদের উৎসাহ কম; কিন্তু সংগঠনগুলোর নেতারা দেশের প্রথিতযশা ব্যক্তিত্বদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে যে বক্তব্য রাখেন, সেটা কোনোভাবেই উপেক্ষণীয় নয়। টেলিভিশন টকশোর জনপ্রিয় আলোচকদের প্রতিহতের ডাক দিয়ে শহীদ মিনারে ব্যানার প্রদর্শন করে অখ্যাত একটি সংগঠন। সবাই জানেন এদের শক্তির উৎস কী। দেশবরেণ্য ওইসব বিশিষ্ট নাগরিকদের সম্পর্কে ব্যানারে লেখা ছিলÑ মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সুশীল নামধারী বুদ্ধিবেশ্যাদের প্রতিহত করুন। তাদের ভাষায় অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, অধ্যাপক আমেনা মহসিন, সিনিয়র সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ, কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার, জনপ্রিয় টকশো উপস্থাপক মতিউর রহমান চৌধুরী, সম্পাদক ও টকশো আলোচক নূরুল কবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, সিনিয়র সাংবাদিক ও টকশো আলোচক গোলাম মোর্তজা ও আইনজীবী ড. তুহিন মালিক গং বুদ্ধির সতীত্ব হারিয়েছেন!
আলোচিত বিশিষ্ট নাগরিকদের অনেকেরই ক্যারিয়ার গড়ে উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে। এদের কেউ কেউ ছিলেন স্বনামধন্য ছাত্রনেতা। ক’জন আছেন ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলনের অগ্রসেনানি। কেউ কেউ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনেও নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশের বুদ্ধিবৃত্তির জগতে এরা নন্দিতই শুধু নন, জাতিকে স্বপ্ন দেখানোর পথের প্রগতিশীল ও অগ্রসর মানুষ। এদের অপরাধ একটাই, সরকার অনুগত কিংবা গৃহপালিত বুদ্ধিজীবী এরা কেউ নন। তারা নিজেদের বুদ্ধি, চিন্তা-চেতনা ও দেশভাবনায় এতটা সমুজ্জ্বল যে, এদের কোনো পন্থী হতে হয় না, দলের ব্যানারে মাথা ঢুকাতে হয় না। এরা বিচারবহির্ভূত হত্যার বিরোধী। গণতন্ত্র তাদের চাওয়া। মানবাধিকার রক্ষা তাদের আরাধনা ও শপথ। আইনের শাসন তাদের কামনা। ভোটের অধিকার, সুশাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রশ্নে তারা আপসহীন। অনাচার-দুরাচার-অপশাসন ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে এরা সোচ্চার। এদের ঋজু ভাষার মন্তব্য, যাদের সহ্য হয় না তারাই তাদের প্রতিপক্ষ ভাবেন। বর্তমান সরকার এ কারণেই ভিন্নমতের এসব সাহসী মানুষের কণ্ঠরোধের উদ্যোগ নিয়েছে। শহীদ মিনার নাটক তার অংশ। পিয়াস করিম বাহানা মাত্র। সরকার যতই বাহানা সৃষ্টি করুক, দেশ জাতি এদেরই সময়ের সাহসী সন্তান মনে করে। সরকার দৃষ্টি ফেরাতে গিয়ে আবার অস্তিত্বের সঙ্কট বাড়াল। জাতি দেখল তাদের নন্দিত সন্তানেরা আইয়ুব, ইয়াহিয়ার মতো স্বৈরতান্ত্রিক সরকারের কোপানলে পড়েছে। এই সরকারও ইয়াহিয়ার মতো বুদ্ধিজীবীভীতি লালন করতে শুরু করেছে। এটা ধ্বংস কিংবা পতনের আলামত।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সব সুখ সুখ নয় by ড. আব্দুস সাত্তার
মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রফেসর ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর। সেই সুবাদে তার সাথে ছিল ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা বিষয়ে তার সাথে কাজ করেছি। ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে আমি এবং ইয়াজউদ্দিন স্যার নির্বাচন পর্যবেক্ষণ বিষয়ে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সভায় বক্তৃতা করেছি। কখনো তিনি আমার আগে সভায় উপস্থিত হলে অস্বস্তিবোধ করতেন। আমি সভায় উপস্থিত হলে তিনি যেন প্রাণ ফিরে পেতেন। আমাকে দেখেই স্বভাবসুলভভাবে সরলতার হাসি দিয়ে বলে উঠতেনÑ ‘সাত্তার আসছ? আসো, বসো।’ তার পাশে বসলেই স্বস্তি পেতেন। সেই সরলপ্রাণ প্রফেসর ইয়াজউদ্দিন বিএনপি জোট সরকারের আমলে মহামান্য রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পেলে আমরা খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করার পর আমার মতো অনেকেই তার সান্নিধ্যলাভে বঞ্চিত হয়েছিলেন। তবে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের একপর্যায়ে অর্থাৎ বঙ্গভবনের শতবর্ষ উপলক্ষে গ্রন্থ রচনার সময় আমিসহ কয়েকজন তার সান্নিধ্যলাভের সুযোগ পেয়েছিলাম। সে কথা আগেই উল্লেখ করেছি। গ্রন্থবিষয়ক আলাপ-আলোচনার মধ্যে অন্যদের থেকে একটু আলাদা হলেই তিনি আমার সাথে কথা বলতেন। একবার আওয়ামী লীগপন্থীদের কোনো সমাবেশে আমার মতো গোঁফ ও ঝাঁকড়া চুলওয়ালা কাউকে দেখে তিনি ভেবেছিলেন ওই লোকটি আমি। তিনি বললেন, ওই রকম একজনকে দেখে ভাবলাম, ‘তুমি সেখানে ক্যামনে গেলা। পরে ভালো করে দেখলাম তুমি না।’
আমরা যারা গ্রন্থ রচনার কাজে যুক্ত ছিলাম তারা সবাই মিলে এক দিন বঙ্গভবনের দরবার হলসংলগ্ন বিশাল করিডোরে হাঁটছিলাম। আমি ও মহামান্য রাষ্ট্রপতি পাশাপাশি হাঁটছি। হঠাৎ তিনি একজনের নাম উচ্চারণ করে বললেন তিনি কি তোমার চেয়ে সিনিয়র? বললাম, হ্যাঁ, তিনি বললেন তোমাদের উপাচার্য অমুকের সুপারিশে তাকে জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক করতে সাহায্য করেছি। আমি শুধু তার কথাগুলো শুনলাম। এ বিষয়ে কোনো কথা বলিনি। তবে এর পর থেকে দীর্ঘ দিন ভেবেছি, এখনো মাঝে মাঝে ভাবিÑ রাষ্ট্রপতি কেন আমার কাছে জানতে চাইলেন যাকে মহাপরিচালক বানানো হয়েছে, তিনি আমার চেয়ে সিনিয়র কি না। পরে অন্যদের কাছ থেকে জেনেছি, যে উপাচার্য সুপারিশ করেছিলেন তিনি নাকি রাষ্ট্রপতিকে বলেছেন, ‘যার জন্য সুপারিশ করা হচ্ছে, তিনি বিএনপির একনিষ্ঠ সেবক। তিনি জাদুঘরের মাহপরিচালকের জন্য অত্যন্ত যোগ্য প্রার্থী। তখন নাকি রাষ্ট্রপতি আমার নামটি উচ্চারণ করেছিলেন। ফলে ওই উপাচার্য রাষ্ট্রপতিকে বুঝিয়েছিলেন, যার জন্য সুপারিশ করছেন, তিনি আমার চেয়ে সিনিয়র।
মহা বিস্ময়ের বিষয় হচ্ছে ওই উপাচার্য মহোদয় সুপারিশ করে যাকে জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক করেছিলেন তিনি কট্টর বিএনপিবিদ্বেষী! তিনি ২০০১ সালে জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে বিএনপি জোট ক্ষমতায় এলে দেশের অবস্থা কতটা সঙ্কটাপন্ন হবে সে বিষয়ে জাতিকে জানান দিতে নোংরা কার্টুন প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিলেন। তিনি যে বিএনপিবিদ্বেষী, তার আরো প্রমাণ রয়েছে। তিনি জাদুঘরের মহাপরিচালক হওয়ার পর জাদুঘর প্রযতœ বোর্ডের সব বিএনপিপন্থী সদস্যকে বাদ দিয়ে বিএনপিবিদ্বেষী ও কট্টর আওয়ামীপন্থীদের সদস্য করেছিলেন। উল্লেখ্য, যে উপাচার্য তাকে মহাপরিচালক করার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করেছিলেন, সেই উপাচার্য তখন জাদুঘর প্রযতœ বোর্ডের চেয়ারম্যান। সুতরাং এটা স্পষ্ট যে, উভয়েই যোগসাজশে বিএনপিবিরোধীদের জাদুঘরের সদস্য করেছিলেন! সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এই বিএনপিবিরোধীদের সমন্বয়ে গঠিত প্রযতœ বোর্ডের কমিটিকে সাদরে গ্রহণ করেছিলেন। জাদুঘরের সেই মহাপরিচালক পত্রপত্রিকায় বিবৃতি দিয়ে বিএনপির বিরোধিতা করেছেন। ১৯৯৬ সালের ১৬ এপ্রিল কাগজ পত্রিকায় তার দীর্ঘ বিবৃতির এক স্থানে বলেছেনÑ ‘সর্বস্তরে দলীয়করণের যে মহোৎসবে বিএনপি অবতীর্ণ হয়েছিল, এই ধারায় কামাল লোহানীর মতো বিদগ্ধ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বকে অপসারণ করে মোবারককে মহাপরিচালকের পদে আসীন করা হয়।... জাতীয়তাবাদী সরকারের এই দোসরকে আজই সরিয়ে যথার্থ লোককে এই প্রতিষ্ঠানে (শিল্পকলা একাডেমি) বসানো হোক’। এখানেই শেষ নয়, আওয়ামী লীগের শোক দিবসের অনুষ্ঠানে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর সাথে মঞ্চে বসে তিনি যে আওয়ামী লীগের পক্ষের লোক, সেটি প্রমাণ করেছেন। এত সব স্পষ্ট তথ্য ও প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও সরলপ্রাণ মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে বিভ্রান্ত করে বিএনপিবিদ্বেষীকে জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক করা হয়েছিল।
প্রফেসর ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ মহামান্য রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পেয়ে খুশি হয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু তিনি যে কঠোর নিয়মের মধ্য থেকে হাঁপিয়ে উঠেছিলেন, সে বিষয়টি তার নানা কথায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল।
এক দিন তিনি বললেন, নিয়মের বেড়াজালে আবদ্ধ থাকার কারণে নিজেকে বড্ড পরাধীন মনে হয়। মনে হয়, আমি সোনার খাঁচায় বন্দী। কয়েক দিন ধরে ইচ্ছে হচ্ছে, নিউমার্কেটের কাঁচাবাজারে গিয়ে কচুর লতি কিনে আনি। কিন্তু যেতে পারি না। নিজে বাজার করার অভ্যাস। অথচ এখন এটা সম্ভব হচ্ছে না। এত দিন তোমাদের সঙ্গ পেতাম। এখন পাই না। এসব কারণে নিজেকে বন্দী মনে হয়। মনে হয়, আমি বঙ্গভবনের চার দেয়ালের মধ্যে কয়েদি। কত সরল হলে দেশের রাষ্ট্রপতি হওয়া সত্ত্বেও খোলা মনে এমন কথা বলতে পারেন প্রিয় পাঠক নিশ্চয়ই সে বিষয়ে অনুমান করতে পারছেন। অথচ তার সীমাহীন সরলতার সুযোগ নিয়ে অনেকেই বিভ্রান্ত করে শেষ জীবনে তাকে মহা সঙ্কটে ফেলে দিয়েছিলেন। ফলে তাকে ব্যাপক সমালোচনার মধ্যে হাবুডুবু খেতে হয়েছে। প্রকৃত অর্থে, তিনি তার সরলতার খেসারত দিয়েছেন।
অতি সম্প্রতি আওয়ামী জোট সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ বলেছেন, ‘বঙ্গভবনের খাঁচায় আমি বন্দী। তিনি মহামান্য রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের মতোই আক্ষেপ করে বলেছেনÑ ‘ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আমার পক্ষে এখন আর আগের মতো মানুষের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ ও কথা বলা সম্ভব হয় না।... বঙ্গভবনে ভালোভাবেই থাকা-খাওয়া করছি। কিন্তু আমাকে বন্দী করে রাখা হয়েছে। বঙ্গভবনের খাঁচায় আমি বন্দী, এটাই হলো বড় দুঃখ (নয়া দিগন্ত, ১৮-৯-১৪)।
মানুষ সুখের জন্য কত কিছুই না করে। সুখ পায়ও। কিন্তু সবার সব সুখ সয় না। সুখ অসুখে কিংবা দুঃখে পরিণত হয়। যেমনটি দুই মহামান্য রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রে হয়েছে বলে জানা গেল। আর এটা জানার পর মনে হলোÑ সব সুখ সুখ নয়। অথচ ফুটপাথে খোলা আকাশের নিচে নিঃস্ব মানুষেরা কত সুখেই না ঘুমায়। কত স্বাধীন তারা। কোথাও যেতে, কারো সাথে কথা বলতে কোনো বাধা নেই তাদের।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্মরণ- কবি ফররুখ আহমদ by মো: আবদুল জলিল
কবি ফররুখ আহমদের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে : সাত সাগরের মাঝি, সিরাজাম মুনিরা, নৌফেল ও হাতেম, মুহূর্তের কবিতা, হাতেম তায়ী, তাজী, পাখীর বাসা, হরফের ছড়া, নতুন লেখা, ছড়ার আসর, ফররুখ আহমদের শ্রেষ্ঠ কবিতা, হে বন্য সুন্দরেরা, নয়া জামাত, ইকবালের নির্বাচিত কবিতা, চিড়িয়াখানা, কাফেলা, হাবেদা মরুর কাহিনী, সিন্দবাদ, দিলরুবা, ফুলের জলসা, সাজ সকালের কিস্সা, কিস্সা কাহিনী, ছড়ার আসর, আলোক লতা, খুশীর ছড়া, ছড়া ছবির দেশে, মজার ছড়া, পাখীর ছড়া, রং মহল, অনুস্সর বিসর্গ, ঐতিহাসিক অনৈতিহাসিক, হালকা লেখা, তাসবির নামা, মাছরাঙ্গা, রাজরাজড়া, কাব্যগীতি, রক্ত গোলাব, মাহফিল, কোরআন মঞ্জুষা প্রভৃতি। সাহিত্য েেত্র অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কবি ফররুখ আহমদ বাংলা একাডেমি পদক (১৯৬০), প্রাইড অব পারফরমেন্স প্রেসিডেন্ট পদক (১৯৬১), আদমজী পুরস্কার (১৯৬৬), ইউনেসকো পুরস্কার (১৯৬৬), একুশে পদক (মরণোত্তর, ১৯৭৭), স্বাধীনতা পুরস্কার (মরণোত্তর, ১৯৮০), ইসলামিক ফাউন্ডেশন পদকে (মরণোত্তর, ১৯৮৪) ভূষিত হয়েছেন। ফররুখ আহমদ ১৯৪৩ সালের মহাদুর্ভিরে ওপর রচিত ‘লাশ’ কবিতার জন্য বিশেষ খ্যাতি লাভ করেছিলেন।
মো: আবদুল জলিল
লেখক : শিক্ষক, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্মরণ- আলহাজ জহুরুল ইসলাম by মো: আখতারুজ্জামান
ন্যায় ও সততায়, শ্রম ও নিষ্ঠায়, দক্ষতা ও মেধায়, বুদ্ধিমত্তায় ও দূরদর্শিতায়, মানবতাবোধ ও দায়িত্বশীলতায় তার জীবন উন্নীত হয়েছে মহৎ মানুষের স্তরে। মানবিক গুণাবলি ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে গেছেন ধাপের পর ধাপ। হয়েছেন শিল্পসাম্রাজ্যের অধিপতি, ভক্তহৃদয়ের শ্রদ্ধাভাজন, গরিব অসহায়ের বন্ধু, এবং জ্ঞানী-গুণীজন, আত্মীয়স্বজন ও নিজ প্রতিষ্ঠানের সব কর্মচারীর সুহৃদ। ১৯৫১ সালে ঠিকাদারি ব্যবসায়ের মধ্য দিয়ে শুরু হয় তার কর্মজীবন এবং দুই বছরের মধ্যেই তিনি প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদারে পরিণত হন।
দেশব্যাপী ভূমি ও গৃহায়ন ব্যবসায় যে ‘বিপ্লব’ ঘটেছে, তার পথিকৃৎ হিসেবে জহুরুল ইসলামের অবদান অনস্বীকার্য। ষাটের দশকে তার প্রতিষ্ঠিত ‘ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড’ ভূমি ও গৃহায়নের ক্ষেত্রে সুনাম ও দক্ষতার সাথে ব্যবসায় করে যাচ্ছে। শুষ্ক মওসুমে কিভাবে গভীর নলকূপের মাধ্যমে বেশি ফসল ফলানো সম্ভব, এর পথপ্রদর্শকও তিনি। সাধারণ মানুষের কাছে আধুনিক ও উন্নত চিকিৎসা কম খরচে সহজলভ্য করা এবং দক্ষ চিকিৎসক ও নার্স বাড়ানোর লক্ষ্যে সে গ্রামে মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল’ এবং আধুনিক ‘নার্সিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট’। মানসম্পন্ন ওষুধ তৈরির লক্ষ্যে ‘নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস’ স্থাপন করে গেছেন। অনেক স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং বহু প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়েছেন। বেসরকারি খাতে ব্যাংক প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও তিনি অবদান রেখে গেছেন। আন্তর্জাতিক বাজারে এ দেশের জনশক্তি রফতানির অগ্রদূত তিনি। সত্তর দশকের শেষের দিকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঁচ হাজার বাড়ি ও সড়ক নির্মাণকাজে বাংলাদেশী শ্রমিকদের কাজে লাগিয়েছেন। তারপরই শুরু হয় মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশী শ্রমিক নিয়োগ।
ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে জহুরুল ইসলামের অবদান অনন্য। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় জেলে আটক নেতাকর্মীদের মামলা, আহতদের চিকিৎসা ও পারিবারিক খরচ নিভৃতে বহন করেছিলেন। ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার খরচও তিনি ব্যক্তিগতভাবে বহন করেন। তিনি ১৯৭১ সালের ৩ এপ্রিল পাকবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন। মুক্তি পাওয়ার পর ১০ জুন লন্ডনে চলে যান এবং ‘সুবেদ আলী’ ছদ্ম নাম ধারণ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে কার্যক্রম পরিচালনার বিপুল অর্থই তিনি দিয়েছিলেন। তিনি রাজনৈতিক অভিলাষ ও ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও স্বাধীনতা যুদ্ধে নিঃস্বার্থ দেশপ্রেমিকের ভূমিকা পালন করেন। শৈশব থেকেই ছিলেন ধর্মপরায়ণ। জানা যায়, কোনো দিন নামাজ কাজা করেননি। নিয়মিত জাকাত আদায় করেছেন, একাধিকবার হজ করেছেন এবং অনেকবার ওমরাহ করেছেন। তার মাতৃভক্তি এবং বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি শ্রদ্ধা ছিল অত্যন্ত প্রবল। নিজ কর্মচারীদের প্রতি ছিলেন যতœবান। নিজ এলাকায় বহু রাস্তাঘাট, সেতু, বাসস্ট্যান্ড, এমনকি রেলস্টেশন নির্মাণ করেছেন। ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষে তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিজ অর্থে দুই শতাধিক লঙ্গরখানা খুলে পাঁচ মাস যাবৎ খাদ্য বিতরণ করেছেন। সংস্কৃতির বিকাশ ও সৃজনশীল কাজেও সহযোগিতা করেছেন উদারভাবে। তার দেশপ্রেম ও মানবপ্রেম বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের জন্য পাথেয় হয়ে থাকবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমলাদের শুভেচ্ছাবিলাস by সাদ সাকলান
এবার ঈদের শুভেচ্ছাবিলাসে শিরোনাম হয়েছেন এক আমলা। খবরে প্রকাশ ঈদুল আজহায় চট্টগ্রামে হাজারটা বিলবোর্ড দিয়ে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সিএমপি পুলিশ কমিশনার। ভেতরের খবরে জানা যায়Ñ তিনি ঈদুল ফিতরের পর বর্তমান পদে বসেছেন, নয়তো চট্টগ্রামবাসী ঈদুল ফিতরেও হাজারটা বিলবোর্ডের মাধ্যমে ঈদের শুভেচ্ছা পেতে পারতেন; অবশ্য সমস্যা নেইÑ সেই তিনি বহাল থাকলে আগামীতে এমন বিলবোর্ডীয় শুভেচ্ছা চট্টলাবাসীর বরাতে জুটতেই থাকবে। এতে অন্যান্য মেট্রোপলিটানবাসীর আক্ষেপ হতেই পারে। হাজারটা বিলবোর্ড বানাতে-লাগাতে-খুলতে কত খরচ হতে পারে সে ধারণা এ অধমের নেই। একজন বললেন, কম করে হলেও পঞ্চাশ লাখ টাকা। অবশ্য পুলিশ কমিশনার নাকি বলেছেন, এসব চাঁদার টাকায় নয়। নিজস্ব তহবিল থেকে। বিলবোর্ড টানিয়ে ঈদের শুভেচ্ছার জন্য পঞ্চাশ লাখ কিংবা তারও বেশি অর্থ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একজন পুলিশ কমিশনারকে দিয়েছেন, এমন তথ্যের সমর্থন মেলে না। এমনটি হলে অন্যান্য পুলিশ কমিশনার টাকাটা অন্যত্র লাগিয়েছেন প্রশ্নটি ওঠাই যৌক্তিক। এরপর বাকি থাকে সিএমপির নিজস্ব তহবিল। প্রশ্ন আসবেইÑ এমন তহবিলের অস্তিত্ব কবে থেকে এবং এর উৎসইবা কী! এরপর যে প্রশ্নের উদ্ভব ঘটবে তার নাম চাঁদাবাজি। মাঝে মাঝে পোশাকধারীদের চাঁদা আদায়ের খবর ছাপা হয়, চট্টগ্রামে তার সমর্থন মিলছে কি?
ব্রিটিশ আমল থেকেই এসডিও, ডিএমরা স্থানীয় ধনাঢ্যদের থেকে তহবিল সংগ্রহ করে এলাকায় মসজিদ-মন্দির ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করেছেন। দুর্যোগ মোকাবেলায়ও অর্থ তুলতেন। সাহায্য করতেন দুস্থদের। এখনো সেটি হচ্ছে, যার নাম এলআর ফান্ড; কিন্তু এই অর্থ আগের মতো জনকল্যাণে ততটা ব্যবহার হচ্ছে বলে প্রতীয়মান হয় না। সে সময় পুলিশ সুপার, এসডিএমরা এ কাজে সহায়ক ভূমিকা পাল করতেন। এমনকি পুলিশ লাইন মসজিদ স্কুলের জন্যও অর্থ নিতেন ডিসির বেসরকারি তহবিল থেকে; কিন্তু দিনে দিনে সহায়তার চেয়ে নিজেরাই তহবিল গঠন করছেন জেলার পুলিশ প্রধান। এখন পুলিশ সুপারেরাই মসজিদ-মন্দির-পার্ক-শপিং প্লাজা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গঠনে উদ্যোগী হয়েছেন। ফলে সব এসপি অফিসেই এখন ডিসির এলআর ফান্ডের সমান্তরাল ফান্ড সৃষ্টি হয়েছেÑ তারাও এখন সাহায্য বিতরণ করছেন। সাংবাদিক বন্ধুরা কিংবা স্থানীয় গণ্যমান্যরা এখন পুলিশি আপ্যায়নে ধন্য হচ্ছেন; কিন্তু আমরা না বুঝলেও সাদা মানুষেরা দুই শতাধিক বছর আগে সঠিক অনুধাবন করেছিলÑ যার হাতে লাঠি আছে তাকে আর যাই-ই হোক চাঁদা তোলার দায়িত্ব দেয়া চলে না। আমরা এসব ফিলোসফি ভুলে গেছি। বন্দুক যার হাতে তাকে গুলির ক্ষমতা দেয়া হয় নাÑ সেটিও আমরা ভুলতে বসেছি। ব্রিটিশরা বুঝেছিল, গ্রেফতার করার ক্ষমতা আর শাস্তি দেয়ার এখতিয়ার এক-হাতে রাখা চলে না। সে কারণেই গ্রেফতার-জামিন-বিচার ত্রিহস্তে ছিল আমাদের সিআরপিসিতে।
চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনারের অন্যায় দেখি না। তিনিও এসপি ছিলেন। ডিসির পাশাপাশি (পিছিয়ে থাকবেনইবা কেন) তিনিও নিশ্চয়ই ঈদ কার্ড বিতরণ করেছেন। এখন তিনি বিভাগীয় শহরে পুলিশের হর্তাকর্তাÑ তাকে কিছু বলবে এমন কে আছে? না কোনো জনপ্রতিনিধিদের কর্তৃত্ব, না তার ওপরে অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ। অতএব তাকে (কিংবা তাদের) আজ ‘মানায় কে, থামায় কে?’ সর্বত্রই এখন প্রতিযোগিতা। তাই পুলিশও শপিংমল, কনভেনশন সেন্টার, হাউজিং, দোকান, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি ব্যবসাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে মনোযোগী হয়েছে। এ যেন তিন বাহিনীর সাথে পাল্লায় নেমে পড়া। তবে হোটেল বানানোটা বাকি আছে এখনো। এ প্রতিযোগিতা সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে শুরু হলে আমআদমি বর্তে যেত। এতদিন রাজনীতিকেরা সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতেন, এখন আমলারাও করবেনÑ দোষ দিই কিভাবে! অর্থ? হাতে বন্দুক আর হয়রানির ক্ষমতা থাকতে সেটি বড় বেশি ভাবনার ব্যাপার নয় এই দেশে। এসবের জন্য সিটি করপোরেশন বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতিরও আবশ্যক হয় নাÑ যদি কাজটি পুলিশ করে থাকে।
প্রথম আলো সম্পাদকীয়তে বলেছেÑ পুলিশ কমিশনারের বড় শুভেচ্ছাই হচ্ছে ঈদের মধ্যে শহরটির আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখা। সেটি নাকি ভালো ছিল না। আরো খারাপ হলেও কোথাও জবাবদিহি করতে হবে না সেটা মালুম করা কঠিন নয়। প্রথম আলো হয়তো কেতাবি কথাই বলেছে, কিন্তু এসব যে দিনে দিনে প্রায় উঠেই যাচ্ছে, তা প্রথম আলোর না জানার কথা নয়। তারপরও প্রথম আলো এসব ক্ষেত্রে তদন্ত চাইছেÑ এটিও কম আশার কথা নয়। তবে সঠিক দায়িত্ব পালনই সেবাদানের একমাত্র পন্থা। নিজের কাজটি সঠিকভাবে করার মধ্য দিয়েই শুভেচ্ছা জানানো সম্ভবÑ বিলবোর্ড কিংবা কার্ড বিতরণ কিংবা অকৃপণ মেহমানদারির মধ্যে নয়। আমাদের আমলাকুল এ দীক্ষা নিলে জাতির অনেক উপকার হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকার ওপর চাপ কমাতে গ্রামের উন্নতি করতে হবে : এপিজে আবদুল কালাম
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকার ওপর চাপ কমাতে গ্রামের উন্নতি করতে হবে : এপিজে আবদুল কালাম
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আঞ্চলিক সমন্বয় দরকার : স্পিকার

স্পিকার বলেন, ভারত সরকার ও দেশটির জনগণ ’৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে যে সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়েছিল, সেটা বাংলাদেশ চিরকাল মনে রাখবে। তিনি বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। ব্যবসা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা দু’দেশের বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করে পারস্পরিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে নিশ্চিত করেছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা, জনগণের মধ্যে আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে এ অঞ্চলের প্রতিটি দেশকে আন্তরিকভাবে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ দমনে অঙ্গীকারবদ্ধ। দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনয়ন, সব ধরনের সন্ত্রাস রোধের মাধ্যমে এ অঞ্চলের সব দেশকে একযোগে কাজ করে টেকসই উন্নয়নকে নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে সব দেশকে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে হবে। তিনি বলেন, আঞ্চলিক সমন্বয় নিশ্চিত করতে সার্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আফ্রিকা, ইউরোপ, আমেরিকা, দক্ষিণ-পূর্ব-এশিয়া তাদের উন্নয়নকে নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগকে কাজে লাগিয়েছে। আগামীতে সার্ক আঞ্চলিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আঞ্চলিক সমন্বয় দরকার : স্পিকার

স্পিকার বলেন, ভারত সরকার ও দেশটির জনগণ ’৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে যে সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়েছিল, সেটা বাংলাদেশ চিরকাল মনে রাখবে। তিনি বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। ব্যবসা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা দু’দেশের বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করে পারস্পরিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে নিশ্চিত করেছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা, জনগণের মধ্যে আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে এ অঞ্চলের প্রতিটি দেশকে আন্তরিকভাবে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ দমনে অঙ্গীকারবদ্ধ। দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনয়ন, সব ধরনের সন্ত্রাস রোধের মাধ্যমে এ অঞ্চলের সব দেশকে একযোগে কাজ করে টেকসই উন্নয়নকে নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে সব দেশকে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে হবে। তিনি বলেন, আঞ্চলিক সমন্বয় নিশ্চিত করতে সার্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আফ্রিকা, ইউরোপ, আমেরিকা, দক্ষিণ-পূর্ব-এশিয়া তাদের উন্নয়নকে নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগকে কাজে লাগিয়েছে। আগামীতে সার্ক আঞ্চলিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাডার এড়াতে সক্ষম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ভারতের

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাডার এড়াতে সক্ষম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ভারতের

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাজাখ তেলক্ষেত্রে হাজারো কোটি ডলার জলে

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘সরকারের সব কাজকেই মানুষ দুরভিসন্ধিমূলক মনে করছে’ -আসম আবদুর রব by কাজী সুমন
বিচারপতিদের অভিশংসন ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কে আসম রব বলেন, সরকারের যে কোন কাজ এখন জনগণের কাছে দুরভিসন্ধিমূলক প্রতীয়মান হচ্ছে। কারণ সরকার জনগণের আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। এ সরকার দিন দিন স্বৈরাচারীই হতে পারবে, গণতান্ত্রিক হতে পারবে না। রাজাকারদের যেমন রাজাকারি করা ছাড়া বিকল্প নেই তেমনি আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারী হওয়া ছাড়া বিকল্প নেই। গণতান্ত্রিক রাস্তায় তারা প্রাচীর দিয়ে দিয়েছে। সুতরাং আওয়ামী লীগ আর গণতান্ত্রিক রাস্তায় চলতে পারবে না আপাতত। স্বৈরাচারী হওয়া-গণবিচ্ছিন্ন হওয়া আওয়ামী লীগের জন্য সুনির্দিষ্ট নিয়তি। মধ্যবর্তী নির্বাচনের কোন সম্ভাবনা আছে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ৫ই জানুয়ারি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। চুরি-হাইজ্যাক ও প্রতারণার মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেছে। সুতরাং জনগণের রায় নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করার জন্য নতুন নির্বাচন জরুরি।
ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে নতুন ফ্রন্ট গঠন সম্পর্কে আ স ম রব বলেন, ফ্রন্ট গঠনের উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রচলিত ও ধ্বংসগ্রস্ত শাসন ব্যবস্থার বিপরীতে বিকল্প শক্তি গড়ে তোলা। আওয়ামী লীগ বিদ্যমান রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে দলীয় ও ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করে রাষ্ট্রকে চরম প্রতিক্রিয়াশীল প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। রাষ্ট্র এখন জনগণের ওপর নিপীড়ন এবং নির্যাতনের হাতিয়ার। রাষ্ট্রকে ‘জনগণের রাষ্ট্রে’ রূপান্তর করার জন্যই মহান মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল অথচ আজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিসর্জন দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালিত হচ্ছে। আমরা রাষ্ট্রকে জনগণের মালিকানায় ফেরত দিতে চাই। রাজনীতিতে একটি গুণগত পরিবর্তন এনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে চাই। এ লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নতুন ফ্রন্টে বিকল্পধারা ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের না থাকার বিষয়ে আসম রব বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটাই- অপরাজনীতির বিরুদ্ধে বিকল্প শক্তি গড়ে তুলে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণ করা। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি জোটের বাইরের সকল গণতান্ত্রিক-প্রগতিশীল শক্তিকে নিয়েই বিকল্প রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ঘটবে। আমরা কাউকে বাদ দেবো না। বর্তমান সরকার পতনের দাবিতে নতুন ফ্রন্ট রাজপথে কর্মসূচি দেবে জানিয়ে তিনি বলেন, যারা বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি-জনগণের সপক্ষের শক্তি তারা নিশ্চয়ই স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে নামবে। যে দেশের মানুষ আইয়ুব-ইয়াহিয়াকে বুকের রক্ত দিয়ে বিতাড়িত করেছে সে দেশে জনগণকে প্রতারিত করে যারা রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে আছে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আন্দোলন করবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাজাখ তেলক্ষেত্রে হাজারো কোটি ডলার জলে

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাম তার যুবরাজ, দাম সাত কোটি রুপি!

আজ শনিবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে জানানো হয়, গতকাল শুক্রবার ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের মিরাট শহরে গবাদিপশু প্রদর্শনী (অল ইন্ডিয়া ক্যাটেল শো) অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের ১০ বিচারকের রায়ে যুবরাজ প্রদর্শনীর অন্য সব গবাদিপশুকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত হয়েছে।
যুবরাজকে নিজের ছেলের মতোই লালন-পালন করেন এর মালিক করমভীর সিং। তিনি বলেন, ‘প্রতিবছর যুবরাজের মাধ্যমে প্রায় ৫০ লাখ রুপি আয় হয়। জীবনে সবকিছু টাকার উদ্দেশ্যে নয়।’
করমভীর জানান, দৈনিক ২০ লিটার দুধ পান করে যুবরাজ। পাশাপাশি পাঁচ কেজি আপেল ও উন্নতমানের পশুখাদ্য খায়। দিনে চার কিলোমিটার পথ হাঁটে সে। যুবরাজের পেছনে তাঁর মাসে ২৫ হাজার রুপির মতো ব্যয় হয়। তিনি বলেন, ‘চন্ডিগড়ের এক কৃষক যুবরাজকে কিনতে সাত কোটি রুপি দাম হেঁকেছিল। কিন্তু আমি যুবরাজকে এখন বিক্রি করতে প্রস্তুত নই।’
ভারতের সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেল বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী রবিন্দর সাংভান জানান, মুর্রাহ প্রজাতির এই মহিষটি উচ্চ উৎপাদনের জন্য বিশ্বখ্যাত। এর উৎস মূলত হরিয়ানা রাজ্যের রোহটাক ও জিন্দ জেলায়। তবে উত্তর প্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলেও এ জাতের মহিষের দেখা মেলে। তিনি বলেন, যুবরাজের শরীর থেকে প্রতিদিন ৩.৫ থেকে ৫ মিলিলিটার পর্যন্ত শুক্রবীজ সংগ্রহ করা হয়। পানি মিশিয়ে এই পরিমাণকে ৩৫ মিলিলিটার পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
একটি মাদি মহিষের কৃত্রিম প্রজননের জন্য মাত্র ০.২৫ মিলিলিটার শুক্রবীজের দরকার হয়। যুবরাজের শুক্রাণু দিয়ে একটি মহিষের কৃত্রিম প্রজননের জন্য নেওয়া হয় দেড় হাজার রুপি। সে হিসাবে যুবরাজের মালিক সহজেই মাসে ২ লাখ ১০ হাজার রুপি আয় করতে পারেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাম তার যুবরাজ, দাম সাত কোটি রুপি!

আজ শনিবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে জানানো হয়, গতকাল শুক্রবার ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের মিরাট শহরে গবাদিপশু প্রদর্শনী (অল ইন্ডিয়া ক্যাটেল শো) অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের ১০ বিচারকের রায়ে যুবরাজ প্রদর্শনীর অন্য সব গবাদিপশুকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত হয়েছে।
যুবরাজকে নিজের ছেলের মতোই লালন-পালন করেন এর মালিক করমভীর সিং। তিনি বলেন, ‘প্রতিবছর যুবরাজের মাধ্যমে প্রায় ৫০ লাখ রুপি আয় হয়। জীবনে সবকিছু টাকার উদ্দেশ্যে নয়।’
করমভীর জানান, দৈনিক ২০ লিটার দুধ পান করে যুবরাজ। পাশাপাশি পাঁচ কেজি আপেল ও উন্নতমানের পশুখাদ্য খায়। দিনে চার কিলোমিটার পথ হাঁটে সে। যুবরাজের পেছনে তাঁর মাসে ২৫ হাজার রুপির মতো ব্যয় হয়। তিনি বলেন, ‘চন্ডিগড়ের এক কৃষক যুবরাজকে কিনতে সাত কোটি রুপি দাম হেঁকেছিল। কিন্তু আমি যুবরাজকে এখন বিক্রি করতে প্রস্তুত নই।’
ভারতের সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেল বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী রবিন্দর সাংভান জানান, মুর্রাহ প্রজাতির এই মহিষটি উচ্চ উৎপাদনের জন্য বিশ্বখ্যাত। এর উৎস মূলত হরিয়ানা রাজ্যের রোহটাক ও জিন্দ জেলায়। তবে উত্তর প্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলেও এ জাতের মহিষের দেখা মেলে। তিনি বলেন, যুবরাজের শরীর থেকে প্রতিদিন ৩.৫ থেকে ৫ মিলিলিটার পর্যন্ত শুক্রবীজ সংগ্রহ করা হয়। পানি মিশিয়ে এই পরিমাণকে ৩৫ মিলিলিটার পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
একটি মাদি মহিষের কৃত্রিম প্রজননের জন্য মাত্র ০.২৫ মিলিলিটার শুক্রবীজের দরকার হয়। যুবরাজের শুক্রাণু দিয়ে একটি মহিষের কৃত্রিম প্রজননের জন্য নেওয়া হয় দেড় হাজার রুপি। সে হিসাবে যুবরাজের মালিক সহজেই মাসে ২ লাখ ১০ হাজার রুপি আয় করতে পারেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘এইসব দিনরাত্রি’র টুনির লাশ উদ্ধার, স্বামী গ্রেপ্তার

আজ সন্ধ্যায় নায়ারের মা রাজিয়া সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগ করতে তাঁর মোবাইলে ফোন করা হলে অপর প্রান্তে থাকা এক নারী নিজেকে অতিথি বলে পরিচয় দেন। তিনি বলেন, সবাই খুব মুষড়ে পড়ায় কেউ কথা বলতে পারবেন না। তিনি নায়ারের স্বামীর পরিবারের কারও ফোন নম্বর দিতেও অস্বীকৃতি জানান। মামলার এজাহারে রাজিয়া সুলতানা উল্লেখ করেন, ২০০০ সালের ৩ অক্টোবর নায়ারের সঙ্গে আলী আমিনের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে নয় ও ছয় বছরের দুই সন্তান আছে। এজাহারে রাজিয়া আরও উল্লেখ করেন, আলী আমিন একজন মাদকাসক্ত। তিনি প্রতিদিন মাদকাসক্ত হয়ে বাসায় ফিরে নায়ার সুলতানাকে মারধর করতেন। কিন্তু দুই সন্তানের কথা চিন্তা করে নায়ার সব অত্যাচারই সহ্য করতেন। এসব অত্যাচারে আলী আমিনের বাবা-মাও প্রশ্রয় দিতেন। এরই ধারাবাহিকতায় বেলা আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে আলী আমিন নায়ার সুলতানাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যান। আলী আমিন তাঁর বাবা মায়ের প্ররোচনায় নায়ার সুলতানাকে হত্যা করেছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন করেন গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান। সুরতহালে উল্লেখ করা হয়, নিহত নায়ারের গলায় অর্ধ চন্দ্রাকৃতির দাগ ও বাম হাতের গিরায় আঘাতের কালো চিহ্ন আছে। জানতে চাইলে এসআই আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আলী আমিন দাবি করেছেন, পারিবারিক মনোমালিন্যের জেরে নায়ার সুলতানা আত্মহত্যা করেছেন। তবে তাঁকে বাসার বাইরে থেকে আটক করা হয়েছে।
বাসার বাইরে যাওয়ার ব্যাপারে আলী আমিন পুলিশকে জানিয়েছেন, তাঁর বড় সন্তানকে গতকাল দুপুরে স্কুল থেকে বাসায় নিয়ে আসার পর তিনি একটু ঘুরতে বের হয়েছিলেন। এরই মধ্যে ঘটনার খবর সংবাদ পেয়ে বাসার দিকে রওনা দেন তিনি। পরে বাসার সামনে থেকে পুলিশ তাঁকে আটক করে। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত ঘটনার ব্যাপারে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে যেহেতু হত্যা মামলা হয়েছে তাই আমরা ঘটনার ব্যাপারে গ্রেপ্তার আলী আমিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তথ্য নেওয়ার চেষ্টা করব।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘এইসব দিনরাত্রি’র টুনির লাশ উদ্ধার, স্বামী গ্রেপ্তার

আজ সন্ধ্যায় নায়ারের মা রাজিয়া সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগ করতে তাঁর মোবাইলে ফোন করা হলে অপর প্রান্তে থাকা এক নারী নিজেকে অতিথি বলে পরিচয় দেন। তিনি বলেন, সবাই খুব মুষড়ে পড়ায় কেউ কথা বলতে পারবেন না। তিনি নায়ারের স্বামীর পরিবারের কারও ফোন নম্বর দিতেও অস্বীকৃতি জানান। মামলার এজাহারে রাজিয়া সুলতানা উল্লেখ করেন, ২০০০ সালের ৩ অক্টোবর নায়ারের সঙ্গে আলী আমিনের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে নয় ও ছয় বছরের দুই সন্তান আছে। এজাহারে রাজিয়া আরও উল্লেখ করেন, আলী আমিন একজন মাদকাসক্ত। তিনি প্রতিদিন মাদকাসক্ত হয়ে বাসায় ফিরে নায়ার সুলতানাকে মারধর করতেন। কিন্তু দুই সন্তানের কথা চিন্তা করে নায়ার সব অত্যাচারই সহ্য করতেন। এসব অত্যাচারে আলী আমিনের বাবা-মাও প্রশ্রয় দিতেন। এরই ধারাবাহিকতায় বেলা আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে আলী আমিন নায়ার সুলতানাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যান। আলী আমিন তাঁর বাবা মায়ের প্ররোচনায় নায়ার সুলতানাকে হত্যা করেছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন করেন গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান। সুরতহালে উল্লেখ করা হয়, নিহত নায়ারের গলায় অর্ধ চন্দ্রাকৃতির দাগ ও বাম হাতের গিরায় আঘাতের কালো চিহ্ন আছে। জানতে চাইলে এসআই আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আলী আমিন দাবি করেছেন, পারিবারিক মনোমালিন্যের জেরে নায়ার সুলতানা আত্মহত্যা করেছেন। তবে তাঁকে বাসার বাইরে থেকে আটক করা হয়েছে।
বাসার বাইরে যাওয়ার ব্যাপারে আলী আমিন পুলিশকে জানিয়েছেন, তাঁর বড় সন্তানকে গতকাল দুপুরে স্কুল থেকে বাসায় নিয়ে আসার পর তিনি একটু ঘুরতে বের হয়েছিলেন। এরই মধ্যে ঘটনার খবর সংবাদ পেয়ে বাসার দিকে রওনা দেন তিনি। পরে বাসার সামনে থেকে পুলিশ তাঁকে আটক করে। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত ঘটনার ব্যাপারে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে যেহেতু হত্যা মামলা হয়েছে তাই আমরা ঘটনার ব্যাপারে গ্রেপ্তার আলী আমিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তথ্য নেওয়ার চেষ্টা করব।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নেশার খরচ বছরে ২৫,৫০০ কোটি টাকা by আলী ইদরিস
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভিঞ্চির ‘দ্য লাস্ট সাপার’ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

দর্শনার্থীদের জন্য চার্চের ডাইনিং হলের দেয়ালে ভিঞ্চির অন্যতম এই কীর্তিটি শোভা পাচ্ছে। ভিঞ্চি ১৪৯১-৯৮ সালের মধ্যে বিখ্যাত এই চিত্রকর্মটি এঁকেছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাদুঘরের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। জাদুঘরের সহকারী এর ঐতিহ্য, ইতিহাস ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা, শিল্পী সাহাবুদ্দিন ও শেখ রেহানার মেয়ে আজমিনা সিদ্দিকী ওরফে অবন্তী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এ চিত্রকর্মটি মিলানের বিশ্বমানের সম্পদ হিসেবে বিবেচিত এবং সান্তা মারিয়া ডেলে গ্রাজিয়ের চার্চ রেনেসাঁ যুগের ভবন হিসেবে পরিচিত। বাসস।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভিঞ্চির ‘দ্য লাস্ট সাপার’ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

দর্শনার্থীদের জন্য চার্চের ডাইনিং হলের দেয়ালে ভিঞ্চির অন্যতম এই কীর্তিটি শোভা পাচ্ছে। ভিঞ্চি ১৪৯১-৯৮ সালের মধ্যে বিখ্যাত এই চিত্রকর্মটি এঁকেছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাদুঘরের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। জাদুঘরের সহকারী এর ঐতিহ্য, ইতিহাস ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা, শিল্পী সাহাবুদ্দিন ও শেখ রেহানার মেয়ে আজমিনা সিদ্দিকী ওরফে অবন্তী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এ চিত্রকর্মটি মিলানের বিশ্বমানের সম্পদ হিসেবে বিবেচিত এবং সান্তা মারিয়া ডেলে গ্রাজিয়ের চার্চ রেনেসাঁ যুগের ভবন হিসেবে পরিচিত। বাসস।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পিয়াস করিমের শেষ বক্তৃতা
স্থানীয় পুঁজি এবং আন্তর্জাতিক পুঁজির মধ্যে ভারসাম্য রাখতে হবে। আপনি কিভাবে আন্তর্জাতিক পুঁজির সঙ্গে নেগোসিয়েট করবেন, আপনি কি ধরনের শর্তসাপেক্ষে আন্তর্জাতিক পুঁজিকে আমন্ত্রণ জানাবেন, সেটা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ, আপনাকে শ্রম ও পুুঁজির মধ্যে এক ধরনের ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। কারণ শ্রম উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ কৌশল। আর শ্রম এমন একটি বিষয়, বাংলাদেশে যা আমরা প্রায় প্রাত্যহিক ভিত্তিতে মুখোমুখি হচ্ছি। বিশেষ করে গার্মেন্ট কারখানার ক্ষেত্রে, যা এ মুহূর্তে বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।
একটি অসন্তুষ্ট শ্রমশক্তি কখনওই খুব উৎপাদনশীল শক্তি হতে পারে না। আমরা একটি শিক্ষিত শ্রমশক্তি গড়তে চাই, যা হবে প্রতিযোগিতাপূর্ণ এবং একই সঙ্গে তাদের অবশ্যই পুরস্কৃত করতে হবে। আপনি কিভাবে শ্রমিকদের পুরস্কৃত করছেন সেটা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। আমি মনে করি শ্রম ও মজুরির মধ্যে এক ধরনের ভারসাম্য লাগবে। বিভিন্নভাবে পূর্ব এশীয় দেশগুলো এটা অর্জন করেছে। যদিও তা পর্যাপ্ত বা সম্পূর্ণভাবে তারা করতে পারেনি। তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া, কিছুটা মালয়েশিয়া করেছে। চীনও কিছুটা তার নিজের উপায়ে পথ হাঁটছে। যদিও তা পর্যাপ্ত বা সম্পূর্ণ নয়। কিন্তু সে তার নিজের মতো করে পুঁজির বাজার মোকাবিলার চেষ্টা করছে।
বাংলাদেশের জন্য এটাই মুখ্য সামাজিক-অর্থনৈতিক বিষয়, যার দিকে আমাদের সর্বাগ্রে মনোযোগ দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, আমরা যখন অর্থনীতি নিয়ে কথা বলবো, তখন কেবল প্রবৃদ্ধি নিয়ে কথা বলতে পারি না। আমরা যখন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে কথা বলবো, তখন ব্যাপক ভিত্তিক একটি ফ্রেমওয়ার্ক নিয়ে কথা বলবো। যেটা অমর্ত্য সেন বলেছেন। তার মতে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হতে পারে না। যদিও ১৯৯৬ সাল থেকে প্রশংসনীয়ভাবে আমাদের প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু আমাদের যে কোন ধরনের একটা ‘রি-ডিস্ট্রিবিউটিং মেজার’ দরকার। আমাদের দরকার এক ধরনের ক্ষমতায়নের অনুভূতি। ভোক্তা ও শ্রমিকদের মধ্যে দরকার নিরাপত্তাবোধ, যেটা দৈহিক, আর্থিক ও অন্যান্য অনুভূতির দিক থেকেও। নারী-পুরষের সম্পর্কও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। নারীকে উন্নয়নের প্রক্রিয়ায় এনে তাকে একটি গুরুত্বসম্পন্ন অর্থপূর্ণ অংশীদারে পরিণত করতে হবে। উন্নয়নের জন্য এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ মাত্রা।
তবে সবার উপরে যে সত্য মনে রাখতে হবে তাহল কোন দেশের একটি অসুখী নাগরিককুল উন্নয়নের সারথি হতে পারে না। আর তাই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বশর্ত। তবে এর আগের অধিবেশনে শাফকাত মুনির (বিআইপিএসএস) যেমনটা বলছিলেন যে বাংলাদেশে ‘ডেমোক্রেসি ডেফিসিট’ বা ‘গণতন্ত্রের ঘাটতি’ চলছে। এটা একটা খুবই চমৎকার মন্তব্য। আসলে এটাই এখন বাংলাদেশের প্রধান সঙ্কট।
বর্তমানে বাংলাদেশে যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারা চলমান রয়েছে, তাকে আসলে এক ধরনের গণতান্ত্রিক বাতাবরণ দেয়া ছাড়া টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না। বহুবিধ কারণে পূর্ব এশিয়ার স্বৈরতান্ত্রিক মডেল বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়। উদাহরণ হিসেবে বলছি, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া বা সিঙ্গাপুরে যেসব ঐতিহাসিক কারণে রাষ্ট্র তার ইচ্ছাকে সমাজের অবশিষ্টাংশের ওপর চাপিয়ে দিতে পেরেছে, সে সব কারণ বাংলাদেশের সমাজে অনুপস্থিত।
আমি কিন্তু একেবারেই নৈরাশ্যবাদী নই। আমি অবশ্যই আশাবাদী। তবে আমাকে অবশ্যই বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে। আমাকে অবশ্যই আশাবাদী হতে হবে। কারণ বাংলাদেশ আমার নিবাসভূমি। বাংলাদেশের যে সাফল্য তাতে সরকারের ধন্যবাদ প্রাপ্য। তবে সেজন্য একই সঙ্গে অনেকগুলো বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে। কারণ সাফল্য মূল্যায়ন করতে গেলে এটা মনে রাখতে হবে যে গৃহীত নীতিমালা যে সব কারণে কোথাও সুফল এসেছে সে সব নীতি এককভাবে কোন একটি সরকার গ্রহণ করেনি। এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার ফসল।
বাংলাদেশে বসবাস করেন এমন অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করেন যে, দেশে এই মুহূর্তে যদি কোন সরকার না থাকে তাহলেও ৪-৫ ভাগ প্রবৃদ্ধি হবে। কিন্তু তা নিশ্চয় অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে না। গ্রামীণ ব্যাংকের মতো এনজিওসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অসামান্য ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু এটাই সত্য, গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্ভব সকল উপায়ে হেনস্থা করেছে। আমি মনে করি তাঁর নোবেল পুরস্কার লাভ হয়তো এর অন্যতম কারণ হতে পারে। (সকলের হাসি)।
তবে তা সত্ত্বেও আমি ইতিবাচকভাবে সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করতে পারি, আমরা যদি উন্নয়নের ধারণাকে সংকীর্ণভাবে দেখি। তবে আমি মনে করি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখা দরকার।
সব হিসাব-নিকাশের পরে এটাই বলতে হয় যে একটি দেশের অর্থনীতি হলো সেটাই যা আসলে তার রাজনৈতিক অর্থনীতি। আমার মনে হয় সকল বিদেশী বিনিয়োগকারীর কাছে এটাই প্রত্যাশিত যে তাদের অব্যাহতভাবে শ্রমিক অসন্তোষের কবলে পড়তে হবে না। কিংবা প্রত্যেক সকালে তাদেরকে দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের মুখ দর্শন করতে হবে না। ঘুষ দিতে হবে না। তাদেরকে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির কবলে পড়তে হবে না।
বাংলাদেশে উন্মুক্ত বন্দরের বিরাট অর্থনৈতিক সম্ভাবনা রয়েছে। গ্যাস ও কয়লার ব্যাপারে যদিও অনেক বেশি রাজনৈতিক চাপ রয়েছে। এখানে খনিজ সম্পদের ব্যবহারের বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের মনোভাবকে ধারণ করার একটি বিষয় রয়েছে। দক্ষতার সঙ্গে আমরা আমাদের খনিজ সম্পদ আহরণ ও তার ব্যবহার করতে পারি। সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বাংলাদেশের এক্ষেত্রে একটি বিরাট সম্ভবনা রয়েছে। যদি তারা এ বিষয়ে সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠতে পারে। আমি এমন অনেককে ব্যক্তিগতভাবে জানি, যারা কয়লা ও গ্যাসের ব্যবহার নিয়ে নানাবিধ প্রশ্ন তুলেছেন। আর সে সব প্রশ্নের খুবই সঙ্গত গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। আর সেখানেই আমি মনে করি যে ‘প্র্যাগমেটিজম ডেফিসিট’ চলছে। তবে এখানে কথা হলো আমরা এখানে কিভাবে বাস্তববাদী নীতি অনুসরণ করতে পারি। যদি আমরা সেটা করতে সক্ষম হই, তাহলে বাংলাদেশের অমিত সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে একটি সাফল্যজনক বাণিজ্য পরিবেশ সৃষ্টির বিষয়টি বাংলাদেশে ঘটতে যাচ্ছে না। বিনিয়োগকারীরা নিশ্চয়ই তর্ক করতে যাবেন না যে, গণতন্ত্রই হলো তাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য একটি আদর্শিক ব্যবস্থা। কিন্তু তারা অবশ্যই বাস্তবসম্মত কারণে বিনিয়োগের আগে একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশের দিকে নজর দেবেন। এবং আমার যুক্তি হলো গণতন্ত্রই হলো একমাত্র ব্যবস্থা, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনতে পারে। গণতন্ত্র অবশ্যই একটি বিমূর্ত তত্ত্বগত বিষয় নয়। গণতন্ত্র একটি সুনির্দিষ্ট বাস্তবসম্মত প্রয়োজনীয়তা। বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল, যদিও আমার আদর্শের রাজনীতিবিদ নন কিন্তু আমি তার একটি উদ্ধৃতি দিতে পারি। তিনি বলেছিলেন, গণতন্ত্র একটি নিকৃষ্ট ব্যবস্থা তবে এর অনুশীলন ছাড়া আমাদের সামনে অন্য কোন উত্তম বিকল্প নেই। আর সেটাই আসলে গণতন্ত্রের গুরুত্ব নির্দেশ করে। অন্তত একটি গণতান্ত্রিক সাফল্য ছাড়া বাংলাদেশে বাণিজ্যবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি হতে যাচ্ছে না। এটা অবশ্য সাধারণভাবে দক্ষিণ এশিয়ার জন্যও প্রযোজ্য।
# পিয়াস করিম গত ৬ই অক্টোবর ওয়াশিংটনে আমেরিকান সিকিউরিটি প্রজেক্ট আয়োজিত ‘বাংলাদেশ: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক একটি সংলাপে অংশ নেন। সেখানে তাঁর আলোচনার অনূদিত অংশ ছাপা হলো। কোন আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে এটাই তাঁর শেষ বক্তব্য।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘স্বপ্ন হতে হবে বিশাল, ছোট লক্ষ্য থাকা অপরাধ’ -এপিজে আবদুল কালাম
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘এইসব দিনরাত্রি’র টুনিও একই পথ বেছে নিলেন

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
থাইল্যান্ডের জঙ্গলে বাংলাদেশী ‘ক্রীতদাস’-উদ্ধার ১৩০


থাইল্যান্ডে প্রায় ‘দাসশ্রমিক’ হিসেবে বিভিন্ন খামারে ও মাছধরা ব্যবসায় নিয়োজিত ১৩০ বাংলাদেশীকে উদ্ধার করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। দক্ষিণ থাইল্যান্ডের একটি চক্র তাদেরকে দীর্ঘ দিন ধরে এই কাজে নিয়োজিত রেখেছিল বলে বিবিসি জানিয়েছে। বিবিসির দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সংবাদদাতা জোনাথন হেড থাইল্যান্ডে এমন একটি জায়গা ঘুরে দেখেছেন, যেখানে অন্তত ১৩০ জন বাংলাদেশী পুরুষকে উন্নত চাকরির লোভ দেখিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। এরা সবাই মানব পাচারের শিকার। বাংলাদেশ ছাড়ার পর তাদেরকে ওষুধ খাইয়ে, হাত-পা বেঁধে নৌকায় করে থাইল্যোন্ড নিয়ে যাওয়া হয়। ওই নৌকায় প্রায় ৩০০ বন্দী ছিল। এর পর তাদেরকে থাইল্যান্ডের উপকুলে জঙ্গলের মধ্যে লুকানো কিছু ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়, এবং দাস-শ্রমিক হিসেবে বিক্রি করে দেয়া হয়। উদ্ধার পাবার পর আবদুর রহিম নামের একজন বাংলাদেশী বলছিলেন, তাদের জঙ্গলে নিয়ে রাখা হয়েছিল, কোনো খাবার দেয়া হয়নি। ১০ দিন তারা শুধু পাতা খেয়ে বেঁচে ছিলেন। তিনি বলেন, থাই দালালরা তাকে এমন মারধর করেছে যে এখনো তিনি খুঁড়িয়ে হাঁটেন। সম্ভবত এদের ক্ষেত-খামারে বা মাছধরার নৌকায় কাজ দাসশ্রমিক হিসেবে করানো হয়। তিন সপ্তাহ বন্দী থাকার পর একজন স্থানীয় জেলা প্রশাসন কর্মকর্তা - যিনি মানবপাচার রোধের জন্য কাজ করছেন - তাদের উদ্ধার করেন। তবে অন্য আরো ৬০ জন এখন নিখোঁজ রয়েছেন এবং তাদের বিক্রি করে দেয়া হয়েছে বলে করা হচ্ছে। থাইল্যান্ডে দীর্ঘদিন ধরেই মানবপাচার একটি বড় সমস্যা। >>নয়া দিগন্ত
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1388)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
October
(1240)
-
▼
Oct 18
(37)
- কত নিচে নেমেছি আমরা! by ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
- বর্ধমানে বোমা বিস্ফোরণ ও বাংলাদেশের জামায়াত by এবন...
- এরাই সময়ের সাহসী সন্তান by মাসুদ মজুমদার
- সব সুখ সুখ নয় by ড. আব্দুস সাত্তার
- স্মরণ- কবি ফররুখ আহমদ by মো: আবদুল জলিল
- স্মরণ- আলহাজ জহুরুল ইসলাম by মো: আখতারুজ্জামান
- আমলাদের শুভেচ্ছাবিলাস by সাদ সাকলান
- ঢাকার ওপর চাপ কমাতে গ্রামের উন্নতি করতে হবে : এপিজ...
- ঢাকার ওপর চাপ কমাতে গ্রামের উন্নতি করতে হবে : এপিজ...
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আঞ্চলিক সমন্বয় দরকার : স্পিকার
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আঞ্চলিক সমন্বয় দরকার : স্পিকার
- রাডার এড়াতে সক্ষম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ভারতের
- রাডার এড়াতে সক্ষম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ভারতের
- কাজাখ তেলক্ষেত্রে হাজারো কোটি ডলার জলে
- ‘সরকারের সব কাজকেই মানুষ দুরভিসন্ধিমূলক মনে করছে’ ...
- কাজাখ তেলক্ষেত্রে হাজারো কোটি ডলার জলে
- নাম তার যুবরাজ, দাম সাত কোটি রুপি!
- নাম তার যুবরাজ, দাম সাত কোটি রুপি!
- ‘এইসব দিনরাত্রি’র টুনির লাশ উদ্ধার, স্বামী গ্রেপ্তার
- ‘এইসব দিনরাত্রি’র টুনির লাশ উদ্ধার, স্বামী গ্রেপ্তার
- নেশার খরচ বছরে ২৫,৫০০ কোটি টাকা by আলী ইদরিস
- ভিঞ্চির ‘দ্য লাস্ট সাপার’ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী
- ভিঞ্চির ‘দ্য লাস্ট সাপার’ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী
- পিয়াস করিমের শেষ বক্তৃতা
- ‘স্বপ্ন হতে হবে বিশাল, ছোট লক্ষ্য থাকা অপরাধ’ -এপি...
- ‘এইসব দিনরাত্রি’র টুনিও একই পথ বেছে নিলেন
- থাইল্যান্ডের জঙ্গলে বাংলাদেশী ‘ক্রীতদাস’-উদ্ধার ১৩০
- জার্মান প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ড. ইউনূসের সাক্ষাৎ
- ১৭৮ কেজি ওজনের মিষ্টি কুমড়া
- মার্চের মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি- বিএনপির দুর্বল...
- ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড়
- রাডার এড়াতে সক্ষম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ভারতের
- ১০০ কোটি ডলার চায় জাতিসংঘ
- এশিয়া–ইউরোপের মধ্যে শান্তি নিশ্চিতের আহ্বান
- মিশেল ওবামার ওলকপি নাচ
- ধরপাকড় দেশে দেশে টার্গেটে বাংলাদেশী by মনির হোসেন
- সহিংসতার ঝুঁকি- বাংলাদেশে মিডিয়ার স্বাধীনতা নিয়ে য...
-
▼
Oct 18
(37)
-
▼
October
(1240)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...