Thursday, April 26, 2018
ইসলামী ব্যাংক ছাড়ছে ইবনে সিনা

ডিএসই জানিয়েছে, ইবনে সিনা ট্রাস্ট ইসলামী ব্যাংকের তিন কোটি ৬০ লাখ ৭৭ হাজার ৩৯১টি শেয়ার বিক্রি করবে। আগামী ৩০ কার্য দিবসের মধ্যে ইবনে সিনা ট্রাস্ট ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিদ্যমান বাজার দরে এসব শেয়ার বিক্রি করবে। যা লেনদেন হবে ব্লক মার্কেটে। ইবনে সিনা ট্রাস্ট ইসলামী ব্যাংকের যে শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে, তা ব্যাংকটির মোট শেয়ারের দুই শতাংশের ওপরে।
এর আগে গত অক্টোবরে কোম্পানির উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান (করপোরেট স্পন্সর) বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার শেয়ার বিক্রি করে দেয়। বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টারের কাছে থাকা ইসলামী ব্যাংকের ৩৭ লাখ শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানাটি একলাখ শেয়ার বিক্রি করে। তারও আগে সেপ্টেম্বর কুয়েত ফাইন্যান্স হাউস ইসলামী ব্যাংকের সব শেয়ার বিক্রি করে। প্রতিষ্ঠানটির কাছে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার ছিল ৮ কোটি ৪৫ লাখ ৬৩ হাজার ৭৮২টি, যা ব্যাংকের মোট শেয়ারের সোয়া ৫ শতাংশ।
শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশে ১৯৮৩ সালে বেসরকারি উদ্যোগে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড প্রতিষ্ঠা হয়। সে সময় ব্যাংকটির মোট শেয়ারের প্রায় ৭০ শতাংশই ছিল বিদেশিদের হাতে। তবে ২০১৪ সাল থেকে বিদেশিরা ব্যাংকটির শেয়ার ছেড়ে দিতে শুরু করে। বর্তমানে বিদেশিদের কাছে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার আছে ২৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
ব্যাংকটির প্রতিষ্ঠাকালীন উদ্যোক্তা বাহরাইন ইসলামিক ব্যাংক ২০১৪ সালে ইসলামী ব্যাংকের সব শেয়ার বিক্রি করে দেয়। ২০১৫ সালে সব শেয়ার বিক্রি করে দেয় দুবাই ইসলামিক ব্যাংক। গত বছরের ৫ জানুয়ারি ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তন আসে। পরিবর্তনের পর গত মে মাসে ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক আইডিবি (ইসলামিক ডেভলপমেন্ট ব্যাংক) ৮ কোটি ৬৯ লাখ শেয়ার বিক্রি করে।
এদিকে, বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় ব্যাংক বলে পরিচিত এই ব্যাংকের পরিস্থিতি ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। নগদ টাকার সংকটে পড়ে ব্যাংকটি গ্রাহকদের ঋণ দেওয়া প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। ব্যাংকটির কর্মকর্তারা বলেছেন, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে যেকোনও শাখাই আগের মতো নিজেদের পছন্দের গ্রাহককে ঋণ (বিনিয়োগ) দিতে পারছে না। শুধু তাই নয়, অর্থ ছাড়ের (ডিসবাসমেন্ট) ক্ষেত্রে শাখার কর্মকর্তাদের অথরাইজ করার ক্ষমতাও বাতিল করা হয়েছে। ফলে দেশের কোনও জায়গা থেকে কোনও ধরনের ঋণ দিতে পারছে না ব্যাংকের শাখাগুলো।
এ প্রসঙ্গে ব্যাংকটির এক কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অর্থ ছাড় করার ক্ষেত্রে আগে শাখার ম্যানেজারে বা তার নিচের কর্মকর্তারা অথরাইজ করতো। এখন আর তারা অথরাইজ করতে পারছেন না। অর্থ ছাড় বা ডিসবাসমেন্টের ক্ষেত্রে ব্যাংকের সার্ভারে থাকা শাখার কর্মকর্তাদের নাম ব্লক করে দেওয়া হয়েছে।প্রধান কার্যালয় থেকে এই সার্ভার এখন নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘সার্ভারে শাখার অথরাইজ কর্মকর্তার ক্ষমতা এখন প্রধান কার্যালয়ের হাতে রেখে দেওয়া হয়েছে।’
জানা গেছে, গত বছর ৫ জানুয়ারি ইসলামী ব্যাংকে যে পরিবর্তন শুরু হয়, তা এখনও অব্যাহত থাকায় ব্যাংকটি নানান সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি চেয়ারম্যান পদে আবারও পরিবর্তনের ফলে আস্থার সংকটে পড়েছে এই ব্যাংক। ইতোমধ্যে ব্যাংকটিতে নগদ টাকার সংকট সৃষ্টি হয়। এমন পরিস্থিতিতে এতদিন শাখাগুলোকে মৌখিকভাবে ঋণ বিতরণ বন্ধ রাখতে নির্দেশনা থাকলেও, সম্প্রতি শাখার কর্মকর্তাদের অথরাইজ করার ক্ষমতাও বাতিল করা হয়েছে।
ব্যাংকটির শাখা পর্যায়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইসলামী ব্যাংক বেশ কিছুদিন ধরে নতুন কোনও প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে না। আর আগের যেসব গ্রাহক ও প্রকল্পের জন্য বিনিয়োগ অনুমোদিত হয়েছিল, সেগুলোতেও অর্থ ছাড় করার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ করতো প্রধান কার্যালয়। রবিবার (২২ এপ্রিল) থেকে শাখার ক্ষমতা একেবারেই তুলে দেওয়া হয়েছে। এমনকি ব্যাংকের নিজস্ব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নির্ধারিত বিনিয়োগও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে মতিঝিল শাখার এক কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত আমানত ও বিনিয়োগ হার (আইডিআর) সমন্বয় করার জন্য বিনিয়োগ প্রায় বন্ধ রাখা হয়েছে।’
এ প্রসঙ্গে ব্যাংকটির রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকে এককোটির বেশি গ্রাহকের আমানত রয়েছে। নির্বাচনের বছরে সেই আমানত যেন কোনোভাবে খেয়ানত না হয়, সেজন্য বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বড় ঋণ ছাড় করা হচ্ছে যাচাই-বাছাই করে। নির্বাচনের বছরে ইসলামী ব্যাংকের কোনও টাকা যাতে জঙ্গি অর্থায়ন বা সন্ত্রাসী কাজে বা সরকারবিরোধী কোনও কাজে ব্যবহৃত হতে না পারে, সেজন্য শাখার কর্মকর্তাদের অথরাইজ করার ক্ষমতাও বাতিল করা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ৫ জানুয়ারি রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় ইসলামী ব্যাংকের তৎকালীন চেয়ারম্যান মুস্তাফা আনোয়ারকে সরিয়ে পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভাতেই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন সরকারের সাবেক সচিব আরাস্তু খান। তৎকালীন ভাইস চেয়ারম্যান আজিজুল হকও সেদিন পদত্যাগ করেছিলেন। এছাড়া, একইদিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ আবদুল মান্নানকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তারা পর্নো তারকা ছিলেন!

About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি আরব বনাম ইরান: কে বেশি শক্তিশালী?

সামরিক ব্যয়
গত পাঁচ বছরে মধ্যপ্রাচ্যের বেশিরভাগ দেশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সশস্ত্র সংঘাতে জড়িয়েছে। বিশ্বে মোট নথিবদ্ধ অস্ত্র আমদানির ৩২ শতাংশই হয় এই অঞ্চলে। সৌদি আরবের সামরিক ব্যয়ের বাজেট বেশ বড়। ইরানের সামরিক ব্যয়ের পরিমাণ নিরূপণ করা কঠিন। তবে রেডিও ফারদার বলছে, দেশটির বার্ষিক সামরিক ব্যয় ৭০০ কোটি ডলার। বিপরীতে সৌদি আরবের প্রতি বছর সামরিক খাতে ৫৬০০ কোটি ডলার খরচ করে। এই ব্যয়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও স্পেনের সঙ্গে করা সৌদির নতুন চুক্তি অন্তর্ভূক্ত নয়। ওই দুই চুক্তিতে সৌদি আরব ৩০০ কোটি ডলার খরচ করেছে।
এসআইপিআরআই’র ২০১৭ সালের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়া থেকে চারটি প্রতিরক্ষা সিস্টেম আমদানি করেছে ইরান। এই আমদানি দেশটির ওপর আরোপিত অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন ছিল না।
উপসাগরীয় অঞ্চলে সমরাস্ত্রের প্রধান সরবরাহকারী যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া যুক্তরাজ্যের মোট অস্ত্র রপ্তানির প্রায় ৫০ শতাংশই যায় সৌদি আরবে। এসব অস্ত্রের বেশিরভাগ ইয়েমেনে চলমান যুদ্ধে ব্যবহার করছে সৌদি আরব। সৌদি আরবের অস্ত্র আমদানির সিংহভাগই হয়ে থাকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপিয় দেশগুলো থেকে।
অর্থনীতি
ইরান: ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ইরানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল ৭.৪ শতাংশ। পূর্বের বছরের চেয়ে যা বেশি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল প্রাক্বলন করেছে যে, প্রবৃদ্ধি বেড়ে যাওয়ার কারণ হলো দেশটির তেল উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়া। তেহরানের আর্থিক খাতের বিশ্লেষক নাভিদ কোলহার এই প্রাক্বলনের সঙ্গে একমত। তিনি আরও যোগ করেন, হাইড্রোকার্বন বাণিজ্য বৃদ্ধি পাওয়াই হলো অর্থনীতির তেজিভাবের রহস্য। তেলের বাইরে অন্যান্য খাত থেকে মোট প্রবৃদ্ধির ১ শতাংশও এসেছে কিনা সন্দেহ। এই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হলো ইরানের রপ্তানি, বিশেষ করে এশিয়ার বাজারে।
কিন্তু এই প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও অর্থনৈতিক জটিলতা ইরানে বিরাজ রয়েছে। দেশটির অর্থনৈতিক কাঠামোয় দুর্বলতা এখনও আছে। ২০১৬ সালে মূল্যস্ফীতি কমিয়ে ৯.৫ শতাংশে আনা হয়েছিল। তেল সম্পদ নির্ভর অর্থনীতিতে যেমনটা হয়ে থাকে, এই প্রবৃদ্ধি থেকে সাধারণ ইরানি নাগরিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে, তা বলা যাবে না। টানা দুই বছর দেশটির বেকারত্বের হার ১১.৪ শতাংশের ঘরে উঠানামা করছে।
সৌদি আরব: ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত, সৌদি আরবের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল নেতিবাচক। দেশটির কর্তৃপক্ষ অর্থনীতিতে বৈচিত্র্য আনা ও তেল নির্ভরতা কাটিয়ে উঠার উদ্যোগ নিলেও তা এখনোও ফল বয়ে আনেনি। বিশ্বের তেলের মজুদের ২২ শতাংশ রয়েছে সৌদি আরবে। দেশটি তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেকের সদস্য রাষ্ট্রসমূহকে উৎপাদন কমিয়ে দাম বাড়াতে চাপ দিয়েছে। তবে সৌদি আরবের তেলের বাইরের খাতগুলো এখনও হিমশিম খাচ্ছে। ব্লুমবার্গের মতে, এই খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ০.৬ শতাংশ।
রাষ্ট্র পরিচলিত তেল উৎপাদনকারী কোম্পানি আরামকোর ৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির জন্য এখনও চেষ্টা চালাচ্ছে দেশটি। এ থেকে ১০০০০ কোটি ডলার নগদ অর্থ হাতে আসবে দেশটির। দেশের তেল নির্ভরতা কমাতে এক উচ্চাভিলাষী প্রকল্পের অংশ এটি। এই প্রকল্পের অন্তর্ভূক্ত রয়েছে লোহিত সাগরের পাশে ৫০০০০ কোটি ডলার ব্যয়ে একটি শহর নির্মাণ। আশা করা হচ্ছে যে, এই বিক্রি থেকে দীর্ঘমেয়াদে সৌদি আরবের তেল নির্ভরতা কমে আসবে।
তেল উৎপাদন
সৌদি আরব: ওপেকের উপাত্ত অনুযায়ী, তেল সমৃদ্ধ দেশটি বিশ্বের প্রধান খনিজ রপ্তানিকারক দেশ। তেল ও গ্যাস রপ্তানি থেকে দেশের জিডিপির প্রায় অর্ধেক পূরণ হয়। খনিজ ছাড়াও সৌদি আরব প্রাকৃতিক গ্যাস, স্বর্ন ও কপার রপ্তানি করে থাকে। প্রতিদিন দেশটি ১ কোটি ব্যারেল তেল উত্তোলন করে। ঘরোয়াভাবে দেশটি খরচ করে ৩০ লাখ ব্যারেল। বাকি তেল রপ্তানি করা হয়। বিশ্বের সর্ববৃহৎ তেল রপ্তানিকারক দেশ হওয়া সত্ত্বেও, তেলের দাম বাড়াতে সৌদি আরব ও অন্যান্য ওপেক-ভুক্ত দেশ তেলের উৎপাদন কমিয়েছে।
তেলের দাম কমার কারণ হলো মার্কিন তেল উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়া। দেশটি এখন চাহিদার চেয়েও বেশি তেল উত্তোলন করছে। প্রতিদিন যুক্তরাষ্ট্র ৯০ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন করে। এ কারণেই রিয়াদ অর্থনীতির পরিধি বিস্তৃত করা ও বৈচিত্র্যময় করার দিকে উঠেপড়ে লেগেছে।
ইরান: ইরানের তেল রপ্তানির ওপর কয়েক দশক ধরে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ছিল। ফলে দেশটি নানামুখী পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে। এরপরও দেশের মোট রপ্তানির ৮০ ভাগই তেল শিল্পের অবদান। বর্তমানে ইরান প্রতিদিন ৪০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করে। এর মধ্যে ১৮ লাখ ঘরোয়া চাহিদা।
২০১৫ সালে দেশটির ওপর পারমাণবিক চুক্তির আওতায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার পর বিদেশী বিনিয়োগকারীরা ফের ইরানমুখী হয়েছেন। ২০১৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৬ সালের জানুয়ারি নাগাদ, ইরানের তেল রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে দ্বিগুণ। দেশটি প্রতিদিন ২০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করে। এপ্রিল ছাড়া ২০১৭ সালের পুরোটা জুড়ে এই অবস্থা বিরাজ ছিল।
তেলের বাইরে বিশ্বের সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রের যৌথ মালিকানা রয়েছে ইরান ও কাতারের। এটি অবস্থিত দক্ষিণ পার্স ও নর্থ ডোমে। পারস্য উপসাগরের ৩৭০০ বর্গকিলোমিটার হলো ইরানের। ইরানের ন্যাশনাল ইরানিয়ান ওয়েল কোম্পানির মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস বাজারে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করেছে ফ্রান্সের টোটাল। প্রতিষ্ঠানটি দক্ষিণ পার্স উন্নয়নে সহায়তা করছে। প্রতিদিন ইরান ৮৮ কোটি কিউবিক মিটার গ্যাস উত্তোলন করে। ২০২১ সাল নাগাদ দেশটির গ্যাস উৎপাদন দৈনিক ১২০ কোটি কিউবিক মিটারে দাঁড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে
About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমেরিকার মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: চীন-রাশিয়াকে ইরান
![]() |
| চীনা মন্ত্রী গুয়ো শেংকুনের সঙ্গে আলী শামখানির বৈঠক |
তিনি বলেন, ইরান, চীন ও রাশিয়া যেহেতু আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির তালিকায় রয়েছে সে কারণে এ তিন দেশের উচিত ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে অভিন্ন অবস্থান নেয়া। আলী শামখানি বর্তমানে একটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নেয়ার জন্য রাশিয়ার সোচি শহরে অবস্থান করছেন। দুদিনব্যাপী এ সম্মেলনে বিশ্বের ১১০টি দেশ অংশগ্রহণ করছে।
সন্ত্রাসবাদ ইস্যুর কথা উল্লেখ করে আলী শামখানি বলেন, এই সমস্যা বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। তিনি বলেন, ইরাক ও সিরিয়ায় তাকফিরি সন্ত্রাসবাদ পরাজিত হয়েছে সে কারণে আমেরিকা এবং তার পশ্চিমা মিত্ররা দামেস্ক সরকারের বিরুদ্ধে রাসায়নিক হামলার অজুহাত তুলে সিরিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যাতে দেশটিতে মার্কিন সেনা উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়।
ইরানের এ কর্মকর্তা বলেন, সন্ত্রাসবাদপন্থি দেশগুলো এখন আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবাদ পাচারে ব্যস্ত এবং এই পদক্ষেপ চীন, রাশিয়া ও ইরানের সীমান্তকে মারাত্মকভাবে হুমকির মুখ ফেলেছে। এ পরিস্থিতিতে সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় ইরান, চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা গড়ে তোলা জরুরি।
About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাশিয়ায় জালিয়াতির প্রশিক্ষণ, ঢাকায় কোটিপতি হওয়ার মিশন

সর্বশেষ ছিল চেইন শপ স্বপ্নের বনানী শাখায়। সুপার শপে ক্রেডিট কার্ডে কেনাকাটা করা ক্রেতাদের কার্ডের তথ্য ডিজিটাল হাতঘড়ির মাধ্যমে সংগ্রহ করতো শরিফুল। পরে কার্ড ক্লোন করে ব্যাংকের বুথ থেকে টাকা তুলে নিতো। বিভিন্ন ব্যাংকের অন্তত ১৪০০ ক্রেডিট কার্ড তৈরি করে সে এ জালিয়াতি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। সুপার শপে চাকরি করলেও তার ছিল বিলাসবহুল গাড়ি। জীবনযাপনও ছিল বিলাসী। মঙ্গলবার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের হাতে ধরা পড়ার পর পাওয়া গেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাশিয়া থেকে দেশে ফিরে চট্টগ্রামের একটি সুপার শপে চাকরি নিয়েছিলো শরিফুল। সেখান থেকেই কার্ড জালিয়াতি শুরু। জালিয়াতি করে ধরা পড়ে যায় জেলে। দীর্ঘ ১৮ মাস কারাভোগের পর ঢাকায় এসে শুরু করে আদম ব্যবসা। ব্যবসায় ব্যর্থ হয়ে ফের নামে কার্ড জালিয়াতিতে। কয়েকটি খ্যাতনামা সুপার শপে চাকরি নেয় বিভিন্ন সময়ে। সর্বশেষ স্বপ্নের বনানী আউটলেটে চাকরি করার সময় হাতিয়ে নেয়া গ্রাহকের তথ্য ব্যবহার করে টাকা উত্তোলন করে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে। স্বপ্নের কয়েকজন গ্রাহক তাদের অজান্তে কার্ডের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন হয়েছে বলে অভিযোগ করেন কর্তৃপক্ষের কাছে। ওই শপের কর্মী শরিফুল কার্ডপাঞ্চ করার সময় স্লিপে গ্রাহকের তথ্য লিখে রাখতো বলেও তারা অভিযোগ করেন। এ অভিযোগ পেয়ে শরিফুলের সঙ্গে স্বপ্ন কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করার পর থেকেই লাপাত্তা হয় সে।
গ্রেপ্তারের পর সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এসেছে জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর তথ্য। শরিফুল জানিয়েছে, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাশিয়ান নাগরিক ইভানোভিচের সঙ্গে একই কক্ষে থাকতো। রুমমেট ইভানোভিচের কাছ থেকেই আয়ত্ত করে কার্ড জালিয়াতির কলা-কৌশল। শরিফুল ইসলাম ২০১০ সালে দেশে ফিরে এসে চাকরি নেয় চট্টগ্রামের একটি সুপারশপে। উদ্দেশ্য ছিল কার্ড জালিয়াতি। অনেকটা সফলও হয়েছিলো। সুপারশপে আগত ভিআইপি ক্রেতাদের টার্গেট করে। হাতিয়ে নেয় বেশ কিছু টাকা। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। টের পেয়ে গ্রাহকরা অভিযোগ করেন সুপারশপে ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে। পুলিশের কাছে ধরা পড়ে যান জেল হাজতে। ২০১৩ সালে তার বিরুদ্ধে দুইটি মামলা হয়। এসব মামলায় দীর্ঘ ১৮ মাস জেল খাটে।
এরপর স্টুডেন্টস কনসালটেন্সি ফার্ম খুলে। কিছু দিন ব্যবসা করার পর সুবিধা করতে পারেনি। ফের পরিকল্পনা করে কার্ড জালিয়াতির। সেই লক্ষ্যেই নামকরা সুপারশপে চাকরির তদবির শুরু করেন। একে একে চাকরি করে নামকরা অনেক সুপারশপে। আর সুযোগ বুঝেই সুপারশপে আগত গ্রাহকের কার্ডের যাবতীয় তথ্য ও পিন নম্বর ক্লোন করে হাতিয়ে নেয় টাকা। এভাবেই শরিফুল অল্প দিনেই হয়ে যায় কোটিপতি। চলাফেরা করতো দামি গাড়িতে। থাকতো অভিজাত বাসায়। গতকাল সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম এসব তথ্য তুলে ধরার সময় সুপার শপ স্বপ্ন ও কয়েকটি ব্যাংকের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিল।
সিআইডি জানিয়েছে, ২৮শে ফেব্রুয়ারি সুপারশপ স্বপ্নে চাকরি নিয়েছিলেন শরিফুল ইসলাম। অভিজাত এলাকা বনানীর একটি শাখায় কাজ করতো। ১০ই মার্চ গ্রাহকের কার্ড ক্লোন করে বিভিন্ন ব্যাংকের বুথ থেকে শরিফুল প্রায় ২০ লাখ টাকা তুলে নেয়। এর আগে ৯ই মার্চ থেকে স্বপ্নের অফিসে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। কারণ এর আগেই তার গতিবিধি ধরা পড়ে যায় স্বপ্নের অন্য কর্মচারীদের কাছে। এক গ্রাহকের এটিএম কার্ডের পিন নম্বর হাতে লেখার সময় তার গতিবিধি ধরা পড়ে। তখন স্বপ্ন কর্তৃপক্ষের কাছে ওই গ্রাহক অভিযোগ করেছিলেন। অভিযোগ পেয়ে শরিফুলকে আর খুঁজে পায়নি স্বপ্ন কর্তৃপক্ষ। তখন থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে বিষয়টি সিআইডিকে জানালে, দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর তাকে মঙ্গলবার আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে একটি এলিয়ন গাড়ি, ১টি ল্যাপটপ, ক্লোন করা ১ হাজার ৪০০ কার্ড, একটি ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ কার্ড রিডার ও রাইটার, তিনটি পজ মেশিন, গ্রাহকের তথ্য চুরিতে সচল ডিজিটাল হাতঘড়ি, দুটি মিনি কার্ড রিডার ডিভাইস, ১৪টি পাসপোর্ট, ৮টি মোবাইল ফোন সেট, ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের কার্ড ও তিনটি জাতীয় পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়।
সিআইডি আরো জানায়, মূলত সে একটি বিশেষ ডিজিটাল হাতঘড়ি দিয়ে গ্রাহকের এটিএম কার্ডের তথ্য সংগ্রহ করতো। পরে এ তথ্য দিয়ে কার্ড ক্লোন করতো। কার্ড তার হাতে আসার পর সেই কার্ডটি তার হাতে থাকা বিশেষ ঘড়িতে তিন বার স্ক্যান করাতো। আর স্ক্যানের কাজটি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে সম্পন্ন করতো। এটিএম কার্ড স্ক্যানের সঙ্গে সঙ্গে ওই কার্ডের যাবতীয় তথ্য শরিফুলের আয়ত্তে চলে যেত। এমনকি গ্রাহক যখন তার এটিএম কার্ডের পিন নম্বর দেয়ার জন্য পজ মেশিনের বাটন চাপতেন তখন সেই পিন নম্বরও কৌশলে সে নিয়ে নিতো। পরে গ্রাহককে দেয়া মানি রিসিট রি-প্রিন্ট দিয়ে সেই পিন নম্বর লিখে রাখতো আবার কখনো হাতের মধ্যে সেই পিন লিখে রাখতো। পরে চায়না মার্কেট থেকে আলীবাবার মাধ্যমে আনা ক্লোন মেশিন দিয়ে এটিএম কার্ড ক্লোন করে এবং ভার্জিন কার্ডে তা স্থাপন করে নিতো। সিআইডি বলছে, শরিফুল এখন পর্যন্ত ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইবিএল, ইউসিবিএল ও ব্যাংক এশিয়ার গ্রাহকদের কার্ড জালিয়াতি করেছে। তার ব্যাংক হিসাবে বিভিন্ন সময় লেনদের হওয়া তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে এখন পর্যন্ত কয়েক কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। তার একটি ব্যাংক হিসাবে ১৫ লাখ টাকা পাওয়া গেছে। বাকি টাকা কোথায় রয়েছে এখনো তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। শরিফুলের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় একটি প্রতারণা মামলা করা হয়েছে। আর যেহেতু টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে সেজন্য মানি লন্ডারিং ও ডিভাইস দিয়ে জালিয়াতি করার জন্য আইসিটি আইনে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। রিমান্ডে তার কাছ থেকে আরো তথ্য সংগ্রহের কথা জানিয়েছে সিআইডি।
মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে শরিফুলকে পেতে আমাদের অনেক বেগ পেতে হয়। কারণ সে খুব ধুরন্ধর প্রকৃতির। সে যখন কার্ড দিয়ে বুথে টাকা তুলতে যেত তখন নানা কৌশল অবলম্বন করতো। তার চেহারা যাতে না চেনা যায় সেজন্য সে পরচুলা ও কালো সানগ্লাস ব্যবহার করতো। আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত শতাধিক ভুক্তভোগীর অভিযোগ জমা হয়েছে। মোল্যা নজরুল বলেন, প্রতারকের হাত থেকে বাঁচার জন্য গ্রাহকদের একটু সচেতন হতে হবে। এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন বা সুপারশপে কেনাকাটা করার সময় কার্ডের পিন নম্বর দেয়ার সময় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
গতকালের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অব কমিউনিকেশন জাবা জাবিন মাহবুব। তিনি জানান, বুথ থেকে টাকা উত্তোলনের সময় গ্রাহকের মোবাইলে এসএমএস চলে যায়। গ্রাহকের একের পর এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি ব্যাংক কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। পরে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের সমস্ত টাকা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দিয়ে দেয়। আর এখন থেকে আর যেন কোনো গ্রাহক প্রতারণার শিকার না হোন সেজন্য প্রতিটি কার্ডে ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি সিস্টেম করা হচ্ছে।
About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ধর্মগুরু আশারামের

About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মালয়েশিয়ার রাজনীতিতে তুরুপের তাস মাহাথির

মুসলিম মালয় সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর অগ্রদূত ও আধুনিক মালয়েশিয়ার জনক হিসেবে অনেকে তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার তখনকার দরিদ্র্য দেশকে তুলনামূলক সম্পদশালী দেশে পরিণত করার নেপথ্যে তাকে প্রায়ই কৃতিত্ব দেয়া হয়। তবে তিনি অনেকের কাছে একনায়ক হিসেবে পরিচিত, যিনি কি না মানবাধিকারের তোয়াক্কা না করে বিচার বিভাগকে অবজ্ঞা করেছেন, বিরোধী রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে জেলে পুরেছেন। পাশাপাশি, বহু সম্প্রদায়ের দেশটিতে তার বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে জাতিগত বিভেদও বেড়েছিল।
প্রতিপক্ষদের ব্যাপারে খুবই ধারালো বক্তব্য ব্যবহার করেন তিনি। কথিত পশ্চিমা নও-উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে তিনি কড়া ভাষায় কথা বলতেন। একবার তিনি ইউরোপিয়ানদেরকে বলেছিলেন, লোভী, যুদ্ধপ্রিয় যৌনবিপথগামী হিসেবে। নেতা হিসেবে মাহাথিরের কিছু দুর্বলতা থাকলেও ‘আশার জোট’ বলে পরিচিত বিরোধী শিবির মনে করে, প্রত্যন্ত মালয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে এখনও তার সংযোগ রয়েছে। এ কারণে নির্বাচনে তিনিই হবেন তুরুপের তাস। শুক্রবার সংসদ ভেঙে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নাজিব। আগামী নির্বাচন সপ্তাহ কয়েকের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে। বিরোধী দলগুলোর প্রত্যাশা, মাহাথিরের কারণে শাসক জোট বারিসান নাশনালের কিছু মালয় ভোট তারা পাবে। এই ভোট বিরোধী জোটের সমর্থক, যেমন, শহুরে ভোটার ও সংখ্যালঘু (বিশেষ করে জাতিগত চীনা) ভোটের সঙ্গে যোগ হলে ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে। বেসরকারি নির্বাচনী প্রতিষ্ঠান মার্দেকা সেন্টারের প্রধান ইব্রাহিম সুফিয়ান বলেন, ‘মাহাথিরকে জোটে নিয়ে বিরোধী দল কিছু মালয় সমর্থন ঘরে তুলবে। প্রশ্নটা হলো, কতটা? তবে আমি মনে করি, তারা অত সাফল্য পাবে না।’
ক্ষমতার ওপর সরকারি দল বিএন’র নিয়ন্ত্রণকে সংহত বলা চলে। এছাড়া সমালোচকরা মনে করেন, নির্বাচনী সীমানা পুনঃনির্ধারণের এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ক্ষমতার ভারকেন্দ্র ক্ষমতাসীন দলের পক্ষে ঠেলে দেবে। ফলে পরিস্থিতি আরও প্রতিকূল হবে বিরোধী শিবিরের জন্য। মাহাথিরের রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো তারই সাবেক রাজনৈতিক চিরশত্রু আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে তার সবকিছু মিটমাট হয়ে যাওয়াটা। ১৯৯৮ সালে রাজনৈতিক মতপার্থক্যের জেরে আনোয়ারকে দল থেকে বহিষ্কার করেন মাহাথির। বহিষ্কারের আগ পর্যন্ত তিনিই ছিলেন মাহাথিরের রাজনৈতিক উত্তরসূরি। বহিষ্কারের পর তাকে সমকামিতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে কারান্তরীণ করা হয়। ৬ বছর জেল খেটে আনোয়ার যখন মুক্তি পান, তখন তার নেতৃত্বে ২০১৩ সালের নির্বাচনে বিরোধী জোট তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো ফল করে। তবে ২০১৫ সালে ফের নাজিব রাজাকের সরকার তাকে জেলে ঢুকায়। মাহাথির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তিনি ক্ষমতায় গেলে আনোয়ার মুক্তি পাওয়ার পর তার হাতেই ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন।
মূলত, প্রধানমন্ত্রী রাজাকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ তহবিল ১এমডিবি থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠলে অবসর ভেঙে সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরার ঘোষণা দেন মাহাথির। রাজাকই ওই তহবিল গঠন করেছিলেন। তার দাবি, তিনি কোনো অন্যায় করেননি। রাজনীতিতে প্রবেশের আগে মাহাথির ছিলেন পেশায় একজন ডাক্তার। তাকে এখনও ডাক্তার এম বলে ডাকা হয়। ১৯৬৪ সালে মালয় ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের সংসদ সদস্য হয়ে তার রাজনীতিতে প্রবেশ। ১৯৮১ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রী হন।
About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জিজ্ঞাসাবাদের পর মুক্ত বিডিজবস’র প্রধান নির্বাহী

আটকের পর সাইবার ক্রাইম ইউনিটের এডিসি নাজমুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী ও সরকারকে বিদ্রূপ করায় তাকে আটক করা হয়। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে উস্কানিমূলকভাবে মিথ্যা ও অপমানমূলক স্ট্যাটাস ও তথ্য আপলোড করে অপপ্রচারের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ দেশের অরাজক পরিস্থিতি ও অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি করার অপরাধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় ফাহিম মাসরুরের বিরুদ্ধে এই মামলা গ্রহণ করা হয়েছে।
জানা যায়, গত ২২শে এপ্রিল রাজধানীর কাফরুল থানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মো. আল সাদিক মামলাটি করেন। এতে ফাহিম মাসরুরের বিরুদ্ধে ফেসবুক আইডি থেকে প্রধানমন্ত্রীর ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন আপলোড ও শেয়ার করার অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগের সঙ্গে বাদী ওই ধরনের ৮টি স্ক্রিনশট যুক্ত করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফাহিম মাসরুর দেড় যুগ আগে প্রতিষ্ঠা করা বিডিজবস এখন দেশের সবচেয়ে বড় চাকরির অনলাইন বাজার। এছাড়া বাংলা সোশ্যাল মিডিয়া ‘বেশতো’ এবং ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘আজকের ডিল’-এরও প্রধান নির্বাহী। তিনি দেশের সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা খাতের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ও সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) নির্বাহী কমিটির পরিচালক। এর আগে সংগঠনটির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি।
About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রাথমিকের বিনামূল্যের বই: সাড়ে তিনশ’ কোটি টাকার টেন্ডার নিয়ে জটিলতা

এ জটিলতার মধ্যে গত সোমবার মূল্যায়ন কমিটির বৈঠক কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে। বৈঠকে ৫ জনের মধ্যে ২জন রি-টেন্ডারের বিপক্ষে মত দিলেও বাকিরা নীরব ছিল। এ অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য ফের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এ জটিলতা দূর করতে এবার শিক্ষামন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছে এনসিটিবি। সংস্থাটির চেয়ারম্যানসহ একটি গ্রুপ দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে হটিয়ে ভারতের প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিতে তৎপরতা শুরু করেছেন বলে জোর অভিযোগ উঠেছে। এজন্য এ গ্রুপটি রি-টেন্ডারের পক্ষ মত না দিলেও নীরব থেকেছেন। মুদ্রণ ব্যবসায়ীরা চেয়ারম্যানের এ অপতৎপরতা বন্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন। তারা শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পুরো জটিলতার বিষয়টি অবহিত করবেন বলে জানিয়েছেন।
দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (উন্নয়ন-১) নেছার আহমদ বলেন, পিপিআরের (সরকারি ক্রয়নীতি) বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না। সরকারের টাকা সাশ্রয় এবং নির্ধারিত সময়ে বই পৌঁছানো দুটিকে একসঙ্গে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সব মিলিয়ে সঠিক সমাধানের পথ বের করতে আমরা কাজ করছি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত দুই বছর ধরে প্রাক্কলিত দরের চেয়ে কম দামে বইয়ের কাজ করলেও এবার বেশি দামে অংশ নেয়ার কারণ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের দাম বৃদ্ধি, বইয়ের মূল কাঁচামাল কাগজ, আর্ট পেপার ও কালির দাম বেড়ে যাওয়াকে দায়ী করছেন। এ ছাড়াও নির্বাচনী বছর হওয়ায় পোস্টার, লিফলেট ছাপানোর চাপ থাকবে। এতে কাগজের দাম গত বছরের চেয়ে এবার টন প্রতি বেড়েছে প্রায় ৪০ হাজার টাকা। এটি দিন দিন আরো বাড়বে। গত ডিসেম্বরে প্রক্কালিত দরের সঙ্গে বর্তমান বাজার কোনোভাবে মিলবে না। কারণ, চার মাসে ডলারের দাম বেড়েছে ৬ থেকে ৮ টাকা। আর সিরিয়ায় আমেরিকা, বৃটেন ও ফ্রান্সের হামলার পর আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের প্রচুর কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়। এ সুযোগে পেপার মিলগুলো কাগজের দাম কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এ দাম চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
চেয়ারম্যান ভারতীয় প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেয়ার তৎপরতা চালালেও ভারতে কাগজের প্রচণ্ড সংকট চলছে বলে জানা গেছে। দেশের একটি বড় কোম্পানি ভারতে কাগজ রপ্তানি করছে। এছাড়া ভারত ২০১৬ সালে বই দিতে দিতে মার্চ পর্যন্ত গড়িয়েছিল। এ অবস্থায় ভারতকে বই না দেয়ার পক্ষে মূল্যায়ন কমিটি।
সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রাথমিকের বই ৮০ গ্রাম জিএসএম কাগজে ছাপানো হয়। আর এ বইয়ের কাগজের ব্রাইটনেস (উজ্জ্বলতা) ৮৫ গ্রাম। প্রাথমিকের বইয়ে রি-সাইক্লিং পেপারে ছাপানো যায় না। আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের দাম বাড়ায় বেড়েছে কাগজের দাম ও আর্ট পেপারের দামও। গত বছর এনসিটিবি ৬০ গ্রাম জিএসএমের এক টন কাগজ কিনেছিল ৬১ থেকে ৬৩ হাজার টাকায়। বর্তমানে এই কাগজের বাজার মূল্য সাড়ে ৯৫ হাজার টাকা। আর ৮০ জিএসএম কাগজের দাম এক লাখের বেশি। আগামী শিক্ষাবর্ষের বই ছাপার প্রাক্কলিত বাজার দর গত ডিসেম্বরে নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু ডলারের দাম বাড়ার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে কাগজ ও আর্ট পেপারের দাম অস্বাভাবিক ভাবে বেড়েছে। যে কারণে ঠিকাদাররা প্রাক্কলিত দরের চেয়ে দ্বিগুণ বেশি দরে বই ছাপার টেন্ডার জমা দিয়েছেন। আর মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলো প্রাক্কলিত দরের বিষয়টি নিয়ম অনুযায়ী জানায়নি।
এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, গত বছর প্রতি ফর্মা এক টাকা ৯৫ পয়সায় ছাপিয়েছে ঠিকাদাররা। এবার প্রাক্কলিত বাজার দর নির্ধারণ করা হয়েছে দুই টাকা ২৫ পয়সা। আর ঠিকাদাররা দর দিয়েছে দুই টাকা ৬৩ পয়সা থেকে দুই টাকা ৯৩ পয়সা। গত ১২ই এপ্রিল দরপত্র খোলা হয়েছে। পরবর্তী ২৮ দিনের মধ্যে বই ছাপার জন্য ঠিকাদারদের সঙ্গে এনসিটিবিকে চুক্তি করতে হবে। কিন্তু প্রাক্কলিত দরের চেয়ে বেশি দর দেয়ায় বই ছাপা নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে। সংকট কাটিয়ে উঠতে হলে এনসিটিবির কাছে তিনটি পথ আছে। এক. পিপিপি’র ৯৮ ধারার ২৫ এ বলা আছে প্রাক্কলিত বাজার দরের চেয়ে বর্তমান বাজার দরে বেশি সেক্ষেত্রে দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি দর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। দুই. রি-টেন্ডার আহ্বান করা। তিন. নতুন করে টেন্ডার আহ্বান করা। এনসিটিবির কর্মকর্তারা প্রথমটির পক্ষে। নতুন করে বা রি-টেন্ডার করলে আরো ঝামেলা বাড়ছে। বিশেষ করে নতুন করে টেন্ডার দিতে হলে দরপত্রে অংশ নেয়া ঠিকাদারদের অন্তত ৪২ দিন সময় দিতে হবে। এরপর আরো ২৮ দিনের প্রক্রিয়া। নির্বাচনী বছর হওয়ায় সরকারের অক্টোবরের মধ্যে শতভাগ বই উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছানো নিয়ে চরম শঙ্কা দেখা যাবে। সরকারের পক্ষ থেকে এ সফল প্রজেক্ট নিয়ে কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে চাই না বলে পরিষ্কার বলে দেয়া হয়েছে। তাই যে কোনো মূল্যে সরকারের শেষ বছর বইয়ের কাজ যথাসময়ে আদায় করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে এনসিটিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র সাহা মানবজমিনকে বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়ার জন্য একটি মূল্যায়ন কমিটি আছে। তারাই বিষয়টি দেখছে। এ ব্যাপারে আমি কোনো ধরনের মধ্যস্থতা করতে চাই না। কমিটি যেভাবে সুপারিশ করবে সেভাবেই হবে।
এ ব্যাপারে মুদ্রণ শিল্প সমিতির সভাপতি তোফায়েল খান মানবজমিনকে বলেন, এনসিটিবির গত বছরের চেয়ে ৬০ শতাংশ বেশি দামে কাগজ কিনেছে। আর টেন্ডার গড়ে ৩৬ শতাংশ দাম বেড়েছে। এটি খুবই যুক্তি সঙ্গত। তারপরও সরকার যদি রি-টেন্ডার করে এটাকে সাধুবাদ জানাবো। তবে এখানে ৪৫ দিন এবং আরো ২৮ দিনের সময়ের ব্যাপার আছে। এতে যদি কোনো ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয় এর দায়-দায়িত্ব এনসিটিবিকে নিতে হবে। তিনি বলেন, যেদিন টেন্ডার ওপেন হয়, সেদিন ডলারের দাম ছিল ৮৩ টাকা ৫০ পয়সা। আজ সেই ডলারের দাম ৮৬ টাকার বেশি। এ ডলারের দাম বাড়া মানে বাংলাদেশি টাকায় ১ টাকা ৬১ পয়সার হেরফের হওয়া। এ বিষয়গুলো এনসিটিবিকে বুঝতে হবে।
About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন কোনো পারমাণবিক চুক্তি মেনে নেবে না ইরান

খবরে বলা হয়, মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন সফররত ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোন। পরে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ইরানের সঙ্গে নতুন চুক্তির সম্ভাবনার কথা জানান এই দুই নেতা। তারা আরো ইরানের ওপর কঠোর বিধি নিষেধ সম্বলিত নতুন চুক্তির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। ট্রাম্প বর্তমান চুক্তিকে ‘বিকৃত’ ও ‘হাস্যকর’ আখ্যা দেন। এর প্রেক্ষিতে বুধবার ভাষণ দেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। তিনি বলেন, জেসিপিওএ’র বাইরে তারা বিশ্ব শক্তিদের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে যাবেন না। ট্রাম্পের উদ্দেশ্যে রুহানি বলেন, রাজনীতি, আইন বা আন্তর্জাতিক চুক্তির বিষয়ে আপনার কোনো জ্ঞান নেই। আপনি একজন বণিক, ব্যবসায়ী। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো কিভাবে মূল্যায়ন করবেন! ইরানের তাবরিজ শহরে একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দেয়ার সময় এসব কথা বলেন রুহানি।
যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী বাকি পাঁচ দেশই ইরানের সঙ্গে চুক্তি অব্যাহত রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তারা বলেছে, ইরান চুক্তির শর্ত মেনে চলছে। কিন্তু ট্রাম্প বরাবরই এই বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছেন। তার মতে, চুক্তি অনুযায়ী ইরানের ওপর যে বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে তা যথেষ্ট নয়। তিনি আরো কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পক্ষপাতী। চুক্তি অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানিয়েছে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক জোট ও সংস্থা। বুধবার ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রধান ফেডেরিকা মোঘেরিনি চুক্তি অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে কি ঘটবে তা পরে দেখা যাবে। আমাদের ইতিমধ্যেই একটি চুক্তি কার্যকর রয়েছে। এটা কাজেও দিচ্ছে। আমাদের উচিত এটি অব্যাহত রাখা।’ বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে এক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। রাশিয়াও চুক্তির প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেস্কভ বলেন, আমরা মনে করি, ইরানের সঙ্গে চুক্তি অব্যাহত রাখার কোনো বিকল্প নেই। এ ছাড়া শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেল। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পকে ওই চুক্তি থেকে না বেরুনোর আহ্বান জানাতে পারেন। ওদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ বলেছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাহার করে নেয় তাহলে তেহরান ওই চুক্তির বেশির ভাগই উপেক্ষা করবে।
সোমবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোন রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাষ্ট্রে যান। তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন চুক্তির সম্ভাবনার কথা জানান। তিনি বলেন, নতুন চুক্তিতে অবশ্যই ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিষয়টি থাকতে হবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে তাদের ভূমিকা কি হবে তাও থাকতে হবে। কিন্তু ইরানি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানী এই নতুন চুক্তির বৈধতার দিকে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, একটি সাত-পক্ষীয় চুক্তির মধ্যস্থতা করার কোনো অধিকার তাদের নেই। এমনকি তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রামপকে বৈশ্বিক কোনো চুক্তি নিয়ে মন্তব্য করার উপযুক্তও মনে করেন না বলে জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্রসহ ছয়টি দেশ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ইস্যুতে একটি চুক্তি করেন ইরানি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে। ২০১৫ সালে সম্পাদিত ওই চুক্তির অধীনে ইরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক অবরোধ শিথিল করা হয়।
About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশ ১৪৬তম

সূচক অনুসারে, বাংলাদেশের সার্বিক অবস্থানে পরিবর্তন না এলেও নির্যাতন বিষয়ক (এবিউজ) স্কোরে পরিবর্তন এসেছে। গত বছর বাংলাদেশের এবিউজ স্কোর ছিল ১০০ থেকে ৪৮.৩৬। এই বছরের সূচকে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪.৩০-এ। এর অর্থ হচ্ছে, সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ নিয়ে আরএসএফ এর ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সংবিধান বা ইসলামের সমালোচনা করা একটি খারাপ আইডিয়া। যদিও দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে ধর্ম নিরপেক্ষ। এই বিষয়গুলোর সমালোচনা করা সাংবাদিক বা ব্লগাররা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে থাকেন। এদেশের গণমাধ্যম বহুমুখী হলেও সাংবাদিক ও মিডিয়া আউটলেটের বিরুদ্ধে সহিংসতা এবং এসব সহিংসতার জন্য দায়ীদের দায়মুক্তির কারণে গণমাধ্যমগুলোর মধ্যে ‘সেলফ-সেন্সরশিপের’ পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১৭ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের আওতায় কমপক্ষে ২৫ জন সাংবাদিক এবং কয়েক শ’ ব্লগার ও ফেসবুক ব্যবহারকারীকে নির্যাতন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই আইন অনুসারে, অনলাইনে ধর্মের সমালোচনা বা মানহানিকর কোনো কিছু অনলাইনে পোস্ট করা নিষিদ্ধ। এই আইন সংশোধনের বদলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ২০১৮ সালের শুরুর দিকে নতুন একটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রস্তাব রাখে। প্রস্তাবিত এই আইন অনুসারে, কর্তৃপক্ষ তাদের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণকারীদের ওপর আরো সহজে নির্যাতন চালাতে পারবে।
প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্স ২০১৮’র শীর্ষ পাঁচ দেশ হচ্ছে যথাক্রমে- নরওয়ে, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড। সূচকের একেবারে নিচে অবস্থানকারী পাঁচ দেশ হচ্ছে যথাক্রমে- চীন, সিরিয়া, তুর্কিমিনিস্তান, ইরিত্রিয়া ও উত্তর কোরিয়া। এ ছাড়া, গত বছরের মতো এবারও যুক্তরাজ্যের অবস্থান ৪০তম। অন্যদিকে, গত বছরের তুলনায় দুই ধাপ নিচে নেমে এসে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ৪৫তম। এদিকে, ভারতের অবস্থান ১৩৮তম, পাকিস্তানের অবস্থান ১৩৯তম, মিয়ানমারের অবস্থান ১৩৭তম, শ্রীলঙ্কার অবস্থান ১৩১তম, আফগানিস্তানের অবস্থান ১১৮তম, রাশিয়ার অবস্থান ১৪৮তম, সৌদি আরবের অবস্থান ১৬৯তম ও ইসরাইলের অবস্থান ৮৭তম।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিষয়কে সূচকের বিশ্লেষণে আরএসএফ বলেছে, এইবারের সূচক এটার প্রতিফলন ঘটায় যে, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজনৈতিক নেতারা গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে হিংস্রতাকে উৎসাহ দিচ্ছেন। পাশাপাশি স্বৈরতান্ত্রিক সরকারগুলো এমন ধারণা প্রচারের চেষ্টা করছে যে, সাংবাদিকতা গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ। গণমাধ্যমের প্রতি হিংস্রতা কেবল তুরস্ক (১৫৭) ও মিশরের (১৬১) মতন গুটিকয়েক স্বৈরতান্ত্রিক দেশগুলোতেই আবদ্ধ নেই। এই হিংস্রতা ছড়িয়ে পড়ছে গণতান্ত্রিক দেশগুলোতেও। নতুন নির্বাচিত নেতারা গণমাধ্যমকে গণতন্ত্রের জন্য প্রয়োজনীয় মনে করেন না। যুক্তরাষ্ট্রের মতন দেশে, যেখানে সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে, সেদেশও ডনাল্ড ট্রামপ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তা সূচকে দুই ধাপ নিচে নেমে এসেছে। ট্রামপ সাংবাদিকদের ‘জনগণের শত্রু’ বলে চিহ্নিত করেছেন। এ ছাড়া ফিলিপাইনে (১৩৩) সাংবাদিকদের প্রতিনিয়ত অপমান করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তে। ভারতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্যে ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে।
About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খুব শিগগিরই সিরিয়াকে নয়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেয়া হবে: রাশিয়া

তিনি আজ (বুধবার) বলেন, রুশ বিশেষজ্ঞরা সিরিয়ার সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়া অব্যাহত রাখবে। খুব শিগগিরই সিরিয়াকে যে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেয়া হবে, তা ব্যবহারের প্রশিক্ষণ বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে সিরিয়াকে কোন মডেলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেওয়া হবে তা স্পষ্ট করেন নি জেনারেল রুদস্কয়।
সিরিয়ায় ট্রাম্পের নির্দেশে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর থেকেই দেশটিকে এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে রাশিয়া।
গত ১৪ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিরিয়ার ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নির্দেশ দেন। এরপরই সিরিয়ার স্থানীয় সময় ভোর ৪টার দিকে আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্সের সামরিক বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
হামলার পর রাশিয়া ঘোষণা করে, তারা সিরিয়াকে এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেয়ার কথা বিবেচনা করতে পারে যাতে এ ধরনের আগ্রাসনের মুখে সিরিয়া নিজেকে রক্ষা করতে পারে।
About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
April
(710)
-
▼
Apr 26
(12)
- ইসলামী ব্যাংক ছাড়ছে ইবনে সিনা
- তারা পর্নো তারকা ছিলেন!
- সৌদি আরব বনাম ইরান: কে বেশি শক্তিশালী?
- আমেরিকার মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: চীন-রাশিয়াকে ...
- রাশিয়ায় জালিয়াতির প্রশিক্ষণ, ঢাকায় কোটিপতি হওয়ার মিশন
- ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ধর্মগুরু আশারামের
- মালয়েশিয়ার রাজনীতিতে তুরুপের তাস মাহাথির
- জিজ্ঞাসাবাদের পর মুক্ত বিডিজবস’র প্রধান নির্বাহী
- প্রাথমিকের বিনামূল্যের বই: সাড়ে তিনশ’ কোটি টাকার ট...
- নতুন কোনো পারমাণবিক চুক্তি মেনে নেবে না ইরান
- গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশ ১৪৬তম
- খুব শিগগিরই সিরিয়াকে নয়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব...
-
▼
Apr 26
(12)
-
▼
April
(710)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
