Monday, April 18, 2016

এসি মিলান কি ড্রয়ের জন্য দুঃখ করবে না আনন্দ!

এসি মিলান কি ড্রয়ের জন্য দুঃখ করবে না আনন্দ! নিজেদের মাঠে পয়েন্ট তালিকার আটে থাকা দল উদিনেসের সঙ্গে ড্র করাটা একটু হতাশারই। তবে ম্যাচের ৭৬ মিনিট পর্যন্ত ৩-১ গোলে পিছিয়ে থাকার পর ৪-৪ গোলে ড্র করতে পারা তো অনেক আনন্দেরও!
সিরি ‘আ’তে পরশুর রাতটি মিলানের জন্য এ রকম হতাশা আর স্বস্তির যুগল রাত ছিল। ডি নাতালের ৩৫ মিনিটের গোলে প্রথমে পিছিয়ে পড়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থাকা মিলান। ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার আলেক্সান্দ্রে পাতোর গোলে ১০ মিনিট পর ম্যাচে ফেরে তারা।
এর পরই ছড়ি ঘোরাতে থাকে উদিনেসে। সানচেজের ৫২ এবং ডি নাতালের ৬৫ মিনিটের গোল তাদের এগিয়ে দেয় ৩-১-এ। পরাজয়ের শঙ্কাই উঁকি দিচ্ছিল। কিন্তু পাতোর দ্বিতীয় গোলের সঙ্গে মিলানের আশা হয়ে আসে বেনাতিয়ার ৭৭ মিনিটের আত্মঘাতী গোল। ৮৯ মিনিটে উদিনেসে আবার এগিয়ে যায় ডেনিসের ৮৯ মিনিটের গোলে। ৯০ মিনিটে জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচের শেষ মুহূর্তের গোলে মিলান পায় নাটকীয় ড্র।

প্রধানমন্ত্রীর সন্তান না হলে কি কেউ বিচার পাবে না? -ইমরান এইচ সরকার

ইমরান এইচ সরকার। ফাইল ছবি
সব রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেই অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার। তিনি বলেছেন, ‘এ বছরের প্রথম তিন মাসেই দেশে প্রায় এক হাজারের কাছাকাছি মানুষ খুন হয়েছে। কেউ কি বলতে পারবেন যে এর একটি ঘটনারও বিচার হয়েছে? কেন, এ দেশে প্রধানমন্ত্রীর সন্তান না হলে কি কেউ বিচার পাবে না? তনুর বাবা চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী বলে কি তাঁর বিচার পাওয়ার অধিকার নেই?’
আজ সোমবার বেলা দুইটার দিকে ইমরান তাঁর ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন। এর আগে গতকাল ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি উপদেষ্টা এবং তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় সাংবাদিক শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তারের ইস্যুতে ইমরান এইচ সরকারকে ‘সুবিধাবাদী ও মিথ্যাবাদী’ বলে মন্তব্য করেন। ইমরানকে সরকারের কাছে ক্ষমা চাইতেও বলেন তিনি। জয়ের ওই স্ট্যাটাসের পরিপ্রেক্ষিতে আজ এই স্ট্যাটাস দেন ইমরান।
ওই স্ট্যাটাসে দেশে চলমান খুন-ধর্ষণের বিচার নিয়েও বলেছিলেন উল্লেখ করে ইমরান এইচ সরকার বলেন, ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা আর ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধার কথা বলতে গিয়ে সম্ভবত আমার নিজের মত প্রকাশের স্বাধীনতাই আজ হুমকির মুখে। কী ভয়াবহ ব্যাপার! আমি আমার স্ট্যাটাসে পরিষ্কার লিখেছি—আমি শফিক রেহমানের রাজনৈতিক আদর্শের সঙ্গে একমত নই। এমনকি আমি স্ট্যাটাসের কোথাও তাঁর মুক্তির কথাও বলিনি। তাতেই যেভাবে আক্রমণ হচ্ছে, খুব সহজেই অনুমান করা যায় ভিন্নমতের প্রতি সমাজে কতটুকু শ্রদ্ধা বিদ্যমান। এ দেশে খুব গৎবাঁধা কিছু কথা বলা হয়। একটা খুনের বিচার চাইতে গেলেই কেউ কেউ বলে “অমুক এটা করত” আপনি খুনের বিচার চেয়ে তার সেই কাজকে সমর্থন করলেন! কারও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বললেও একই প্রশ্ন। কারও সঙ্গে সম্পূর্ণ ভিন্নমত পোষণ করেও যে তার অধিকারের জন্য লড়াই করা যায়, সরল এই বিষয়টি সমাজ থেকে একদম হারিয়ে যাচ্ছে। কোনো খুনের বিরুদ্ধে কিংবা কারও মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়ানো মানে যে তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত হওয়া নয়, এই বোধটুকুও আমরা হারিয়ে ফেলছি।’
ইমরান এইচ সরকার বলেন, ‘আমাদের এ দেশের সাধারণ নাগরিকদের সম্ভবত আরেকটু সজাগ হওয়ার দরকার আছে। আমি দেখতে পাচ্ছি, প্রতিপক্ষের প্রতি যেকোনো অবিচার হলে আমরা প্রত্যেকে হাততালি দিই। আর এটাই কিন্তু আমার, আপনার সবার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে। দেখানো হচ্ছে দেখো, একে গ্রেপ্তার, হত্যা, গুম করলে কিংবা শক্তি প্রয়োগ করে মুখ বন্ধ করিয়ে দিলে কত মানুষ খুশি হয়, তাই আমরা যা করেছি ঠিক করেছি। একবার ভেবে দেখুন, আমার/আপনার হাততালি আমার/আপনার বিরুদ্ধেই ব্যবহার হলো! আমাদের প্রত্যেকের সঙ্গে ঘটা অন্যায়গুলো এভাবেই প্রতিপক্ষের হাততালির আড়ালে স্বীকৃত করে নেওয়া হচ্ছে। ফলস্বরূপ আমরা সকলেই অনিরাপদ হয়ে যাচ্ছি। যখন দেখতে পাচ্ছি, নানাভাবে একের পর এক মানুষের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে এবং সেগুলো বিভিন্ন উপায়ে জাস্টিফাই করা হচ্ছে, তখন জেনে গেছি এই দানব আসলে আমার দিকেই আসছে; আমাদের সবার দিকেই আসছে! তাই আমরা যদি পক্ষ-বিপক্ষ ভুলে এই দানবীয় শক্তির বিরুদ্ধে রুখে না দাঁড়াই, আমাদের বাকরুদ্ধ রেখে রিজার্ভ লুটের মতো সবকিছু লুট হতে থাকবে, আমাদের কিছুই করার থাকবে না।’
ইমরান বলেন, আর আমার ফেসবুক? এটা তো জনতার গণমাধ্যম! আমার ফেসবুক সমাজের নির্যাতিত, বঞ্চিত, অসহায় মানুষের পক্ষে কথা বলে। সকল রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেই অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত থাকবে। ভলতেয়ারের লেখা আমার প্রিয় কয়েকটি লাইন দিয়ে শেষ করছি...‘আপনার সঙ্গে আমি একমত হতে পারব না কিন্তু আমার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করার যে অধিকার আপনার আছে, সে অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য প্রয়োজন হলে আমি জীবন দিতেও প্রস্তুত।’

‘দোস্ত দুশমন’ শেষ ‘নয়-ছয়’ শুরু

আজ শেষ হয়ে যাচ্ছে ‘দোস্ত দুশমন’
মাছরাঙা টেলিভিশনে নিয়মিত প্রচারিত হয়ে আসছিল ধারাবাহিক নাটক ‘দোস্ত দুশমন’। আজ সোমবার রাত ৯টা ২০ মিনিটে প্রচারিত হবে এই ধারাবাহিকের শেষ পর্ব। নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের এই ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন অ্যালেন শুভ্র, কাজী আসিফ, শবনম ফারিয়া, তৌসিফ মাহবুব, সোনিয়া হোসেন, তাসনুভা তিশার মতো নতুন প্রজন্মের প্রতিশ্রুতিশীল অভিনয়শিল্পীদের পাশাপাশি জেনি, জয়শ্রী কর জয়া, ফারুক আহমেদ, ডা. এজাজুল ইসলাম, বন্যা মির্জা, সাজু খাদেম, শামীমা নাজনীনদের মতো তারকারা। মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ বলেন, ‘এই নাটক শেষ হয়ে গেলেও হতাশ হওয়ার কিছু নেই। একই সময়ে আমার নতুন আরেকটি ধারাবাহিক শুরু হবে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে।
নতুন ধারাবাহিক ‘নয় ছয়’-এ অভিনয়
করেছেন সাজু খাদেম ও তানজিকা
নতুন এ ধারাবাহিকটির নাম ‘‘নয়-ছয়’’।’ রাজ জানান, এটি তাঁর পরিচালনায় ১০ নম্বর ধারাবাহিক। এই ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন আমিরুল হক চৌধুরী, সাজু খাদেম, ইরফান সাজ্জাদ, আফরান আহমেদ, অ্যালেন শুভ্র, ফারহান আহমেদ জোভান, শাওন, ঈশিকা খান, তানজিকা, নাদিয়া নদী, নাবিলা ইসলাম প্রমুখ। ‘নয়-ছয়’ ধারাবাহিকের কাহিনি প্রসঙ্গে পরিচালক বলেন, মূলত একটি পরিবারের গল্প নিয়েই ‘নয় ছয়’। তাদের হাসি আনন্দ, সুখ-দুঃখসহ জীবনের নানান চিত্র নিয়েই এর কাহিনি এগিয়েছে। ‘নয়-ছয়’ ধারাবাহিকটির প্রথম পর্বটি প্রচারিত হবে মাছরাঙা টিভিতে, আগামীকাল ১৯ এপ্রিল রাত ৯টা ২০ মিনিটে।

বিরতির পর মাইলি–লিয়াম!

লিয়াম হেমসওর্থ ও মাইলি সাইরাস
মার্কিন গায়িকা মাইলি সাইরাস ও হলিউড অভিনেতা লিয়াম হেমসওর্থ কয়েক বছর প্রেম করার পর ২০১২ সালে বাগদান করেছিলেন। সেই বাগদান টিকেছিল মাত্র এক বছর। তবে বাগদান ভাঙলেও দুই তারকার সম্পর্ক কিন্তু আজও অটুট। বাগদান ভাঙার পরের দিনগুলোতে ‘শুধু বন্ধু’ হয়েই ছিলেন তাঁরা। কিন্তু ইদানীং মাইলির অনামিকায় শোভা পাচ্ছে লিয়ামের দেওয়া সেই ২০১২ সালের বাগদানের আংটি। আজকাল তাঁদের ঘনিষ্ঠতাও নাকি বেড়েছে। আবারও এক ছাদের নিচে থাকার পরিকল্পনা করছেন তাঁরা—এমন খবরও রটেছে কয়েকটি গণমাধ্যমে। তাহলে কি এই জুটির ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক জোড়া লেগে গেছে? এই প্রশ্নই কয়েক দিন ধরে ঘুরছিল ভক্তদের মনে। মাইলির সাবেক প্রেমিকের কাছে পাওয়া গেল সেই প্রশ্নের উত্তর। অস্ট্রেলিয়ার একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লিয়াম বলেছেন, বর্তমানে কারও সঙ্গে তাঁর প্রেম নেই। কিন্তু এরপরও যে তাঁদের সম্পর্কের বিষয়টা স্পষ্ট হচ্ছে না! কারণ এই প্রসঙ্গে মাইলির একটি ঘনিষ্ঠ সূত্রের ভাষ্য, মাইলি কখনোই লিয়ামের কাছ থেকে আলাদা হতে চাননি।তবে, তাঁদের দিনগুলো তখন খুব একটা ভালো যাচ্ছিল না, তাই একটি বিরতির দরকার ছিল। এখন তাঁরা আবার মিলিত হয়েছে আর খুব সুখেই আছে।’ ইয়াহু।

গ্যালারি কায়ায় ‘ওয়াটার রাইমস-৩’

গ্যালারি কায়ায় আয়োজিত ‘ওয়াটার
রাইমস–৩’ প্রদর্শনীর একটি জলরং
‘ওয়াটার রাইমস-৩’ শিরোনামে একটি চিত্র প্রদর্শনী শুরু হলো রাজধানীর গ্যালারি কায়ায়। নানা বয়সের ১০ জন শিল্পীর জলরঙে আঁকা ৪৪টি ছবি নিয়ে এ প্রদর্শনীটির উদ্বোধন হয়েছে গত শুক্রবার বিকেলে। স্বনামধন্য ভাস্কর, শিল্পী হামিদুজ্জামান খান প্রদর্শনীটির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থনীতিবিদ প্রতিমা পাল মজুমদার। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন গ্যালারি কায়ার কর্ণধার গৌতম চক্রবর্তী। গ্যালারি কায়াতেই ২০১২ সালে ‘ওয়াটার রাইমস-১’ এবং ২০১৪ সালে ‘ওয়াটার রাইমস-২’ নামে দুটি প্রদর্শনী হয়েছিল। এটির মতো নানা বয়সী শিল্পীদের জলরং নিয়েই ছিল সে আয়োজনটি। প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে শিল্পী কারু তিতাস, আনিসুজ্জামান, সোহাগ পারভেজ, গোপাল চন্দ্র সাহা, মো. কামরুজ্জোহা, শাহানুর মামুন, দিদারুল হোসেন লিমন, সৈকত হোসেন, আরাফাত করিম ও ফাইজুর রহমানের চিত্রকর্ম। ‘ওয়াটার রাইমস-৩’ প্রদর্শনীটি চলবে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত তা দেখা যাবে গ্যালারি কায়ায় গেলে।

একই ফ্রেমে আর নয়!

শহীদ কাপুর ও কারিনা কাপুর খান
বলিউডের তারকা শহীদ কাপুর আর কারিনা কাপুর খানকে একসঙ্গে প্রথম দেখা গিয়েছিল ‘ফিদা’ ছবিতে। সেও ২০০৪ সালের কথা। এরপর তাঁরা চুটিয়ে প্রেম করেছেন অনেক দিন। তারপর ইমতিয়াজ আলীর ‘জব উই মেট’ ছবির শুটিং চলাকালীন তাঁদের প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যায়। ২০০৭ সালে ‘জব উই মেট’ ছবির পর এই জুটিকে আর একসঙ্গে দেখা যায়নি। দীর্ঘদিন পর ‘উড়তা পাঞ্জাব’ ছবির মাধ্যমে এই দুই তারকা একই ছবিতে কাজ করছেন। কিন্তু মজার বিষয় হলো, একই ছবিতে কাজ করলেও এখানে একসঙ্গে কোনো দৃশ্য নেই তাঁদের। ‘উড়তা পাঞ্জাব’ ছবির ট্রেলার উদ্বোধনীর দিন শহীদের উদ্দেশ্যে এক সাংবাদিক প্রশ্ন ছুড়ে দেন, ‘আপনার আর কারিনা কাপুর খানের একসঙ্গে কোনো দৃশ্য নেই বলে আপনার মন খারাপ হয়নি? শহীদও কম যান না। সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আপনি যদি জানতে চান আমি ও কারিনা এই নিয়ে খুশি কি না; তাহলে বলতে হবে, তা আগেই হয়ে গিয়েছে।’  শহীদের কথা শেষ না হতেই তাঁর মুখের কথা কেড়ে নিয়ে কারিনা বলেন, ‘জব উই মেট’ ছবির ডিভিডি তো বাজারে সব সময় পাওয়া যাচ্ছে।’ শহীদ ও কারিনাকে একসঙ্গে দেখতে চাইলে এখন সম্ভবত ডিভিডিই একমাত্র ভরসা! যা হোক, দুজনের বিচ্ছেদের পর নিজেদের মধ্যকার বরফ কিছুটা গললেও একসঙ্গে কি আর কাজ করবেন না তাঁরা? এমন প্রশ্ন অবশ্য তাঁরা দুজনই কৌশলে এড়িয়ে গেছেন। টাইমস অব ইন্ডিয়া।

মতলুব আলী শুধুই শিল্পী

শিল্পী মতলুব আলীর ৭০তম জন্মবা​র্ষিকী উদ্‌যাপন
অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করছেন ড. আনিসুজ্জামান
হাজার তিনেক ছবি এঁকেও মতলুব আলী থামেননি। নাটক, উপন্যাস, গান লিখেছেন। সুরও দিয়েছেন অনেকগুলো গানে। তাঁর সুর, বাবা মো. খেরাজ আলীর কথা ও মেয়ে পুষ্পিতার কণ্ঠে একটি গানের সঙ্গে নাচ দিয়ে শুরু হয় মতলুবের একাত্তর উদ্যাপন। গতকাল রোববার ৭০ বছর শেষ করে ৭১-এ পা দিলেন শিল্পী মতলুব আলী। সন্ধ্যায় ছায়ানটের রমেশচন্দ্র দত্ত স্মৃতি মিলনকেন্দ্রে আয়োজন করা হয়েছিল তাঁর জন্মদিনের। এসেছিলেন ছাত্র, সহকর্মী, বন্ধু ও শুভার্থীরা। তাঁর লেখা গান শুনিয়েছেন দীনা, মুনমুন, অনন্যা, শতাব্দী, হৃত্বিকসহ আরও কজন। জন্মদিনের এই আয়োজনে সহকর্মী ও বন্ধু অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, ‘একসময় ভাবতাম ৭০ অনেক বয়স। যখন নিজে আশি ছুঁই ছুঁই, তখন বুঝতে পারি ৭০ তেমন বয়স না। তিনি দীর্ঘজীবী হোন।’ এই আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন শিল্পী আবদুস শাকুর শাহ, রেজাউল করিম, আবদুল মান্নান। স্বামী ও বন্ধুকে বিশেষভাবে শুভেচ্ছা জানান গিটারশিল্পী রেহানা সুলতানা। শিল্পী বলেন, ‘কোনো নির্দিষ্ট শিল্পে স্থির না হয়ে নিজেকে ছড়িয়ে দিয়েছি। গীতিকার হওয়ার জন্য আমি গান লিখি না। এগুলোকে পেশা হিসেবে নিইনি বলেই এত কিছু করতে পেরেছি। তবু বন্ধুরা বলে, আমি নাকি খুব বেশি আঁকিনি!’ শিল্পাচার্যের মৃত্যুর পর থেকে তাঁকে নিয়ে গবেষণা করছেন মতলুব আলী। বেরিয়েছে শিল্পাচার্যকে নিয়ে লেখা বেশ কয়েকটি বই। মতলুবের জন্মদিনের এই আয়োজনটি করেছে মানব শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি গোষ্ঠী ও ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী।

নিশোর মডেল মেহ্জাবীন

জান্নাত নাটকে অভিনয় করেছেন মেহ্‌জাবীন ও আফরান নিশো
সায়েম প্রথম যেদিন জারাকে দেখে, সেদিনই তার মধ্যে কিছু একটা ঘটে যায়। এমন রূপবতী মেয়ে সে আগে কখনোই দেখেনি। চেষ্টা এখন একটাই, কীভাবে পছন্দের মেয়েটিকে কাছে পাওয়া যাবে। একটা উপায়ও জুটিয়ে ফেলে সায়েম। ফটোগ্রাফার সেজে জারার ছবি তুলতে থাকে সে। এ রকমই কাহিনি নিয়ে তৈরি নাটকটির নাম জান্নাত। নাটকটিতে সায়েম চরিত্রে দেখা যাবে আফরান নিশোকে। জারার চরিত্রে অভিনয় করছেন মেহ্জাবীন চৌধুরী। নাটকটি পরিচালনা করেছেন সজল আহমেদ। নিশো বলেন, ‘আগামী ঈদের জন্য তৈরি হয়েছে নাটকটি। নাটকটির গল্প একটু ভিন্ন রকমের প্রেম নিয়ে। গল্পের পরিণতিটাও ভিন্ন রকমের হবে।’

যা আগে কেউ করেনি, তেমন কাজ করতে ভালোবাসি

শারমিন
এবিসি রেডিও ৮৯.২ এফএমে প্রতি সোমবার রাত ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত প্রচারিত হয় ‘কুয়াশা’। তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আজ এই অনুষ্ঠানটির বিশেষ পর্ব প্রচারিত হবে। অনুষ্ঠানটির প্রযোজক ও উপস্থাপক কথাবন্ধু শারমিন। মূল পরিকল্পনাও তাঁর। অনুষ্ঠানটি নিয়ে কথা হলো তাঁর সঙ্গে। রেডিওতে এমন একটি অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনা কীভাবে মাথায় এল?
ছোটবেলা থেকেই ভৌতিক ও রোমাঞ্চধর্মী গল্প আমার খুব ভালো লাগত। শৈশবে গোয়েন্দা হওয়ার স্বপ্ন দেখতাম। শার্লক হোমস, ব্যোমকেশ বক্সী আমার প্রিয় কয়েকটি চরিত্র। সেভাবেই আসলে ‘কুয়াশা’র মতো একটি রেডিও অনুষ্ঠান করার ভাবনা মাথায় আসে। তা ছাড়া আমি বরাবরই নতুন কিছু করার চেষ্টা করি। যা আগে কেউ করেনি, যা অন্যদের নতুন করে ভাবায়, তেমন কাজ করতে ভালোবাসি।
এই অনুষ্ঠান নিয়ে সামনের পরিকল্পনা কী?
প্রথম দিকে সত্যি ঘটনা ও বিখ্যাত লেখকদের গল্প নিয়ে অনুষ্ঠানটা সাজিয়েছিলাম। এরপর এখানে মৌলিক গল্প যুক্ত করি। আমাদের অনুষ্ঠানে চিত্রনাট্যকারের একটি দল আছে। আবার শ্রোতারাও গল্প লিখে পাঠান। গত বছর শ্রোতাদের লেখা গল্প নিয়ে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম আমরা। অনেক বিখ্যাত রোমাঞ্চধর্মী গল্প নিয়েও রেডিও নাটক তৈরি করেছি। এভাবেই অনুষ্ঠানটিতে নিত্যনতুন বিষয় যুক্ত করছি এবং করব। ‘কুয়াশা’ নামে তো আপনার সম্পাদিত দুটি বইও বের হয়েছে। হ্যাঁ, ‘কুয়াশা’তে প্রচারিত গল্প নিয়েই এই দুটি সংকলন। প্রথম বইটি বের হয় গত বছর অমর একুশে বইমেলায়। কুয়াশা-২ বাজারে আসে এ বছরের বইমেলায়। একদিন না একদিন তো ‘কুয়াশা’ অনুষ্ঠানটা শেষ হবেই, কিন্তু এই বইগুলো পাঠকদের সংগ্রহে থেকে যাবে সব সময়।
এই অনুষ্ঠানটি করতে গিয়ে মজার কোনো অভিজ্ঞতার কথা মনে পড়ে?
অনুষ্ঠানে যখন ভৌতিক গল্পগুলো বর্ণনা করা হয়, তখন রহস্যজনক পরিবেশ সৃষ্টির জন্য নেপথ্যে সে রকম সুর বাজানো হয়। একবার অনুষ্ঠান চলাকালীন কী যেন একটা পড়ে ‘টুং’ করে শব্দ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি ভয় পেয়ে স্টুডিও থেকে ছুটে বের হয়ে গিয়েছিলাম!
সাক্ষাৎকার: নাদিয়া মাহমুদ

সিনেমায় ফিরছেন পূর্ণিমা

পূর্ণিমা
দীর্ঘ বিরতির পর আবারও চলচ্চিত্রে অভিনয় করবেন অভিনেত্রী পূর্ণিমা। অটিস্টিক শিশুদের নিয়ে এই ছবির নাম বন্ধ দরজা। ছবিটিতে অভিনয়ের ব্যাপারটি গতকাল নিশ্চিত করেছেন তিনি। বন্ধ দরজা ছবিটি পরিচালনা করবেন শাহরিয়ার নাজিম জয়। ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ব্যানারে শিগগিরই এই ছবির শুটিং শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পরিচালক জয়। প্রার্থনার পর এটি তঁার দ্বিতীয় ছবি। রোববার দুপুরে মুঠোফোনে পূর্ণিমা বলেন, ‘কিছুদিন আগে জয় ভাইয়ের সঙ্গে সিলেটে একটি নাটকের শুটিং করেছি। সেখানেই এই ছবি নিয়ে আলাপ হয়। ছবির গল্পটা ভালো লেগেছে।’ ছবি করার জন্য চার বছরের বিরতি প্রসঙ্গে পূর্ণিমা বলেন, ‘আমার পরিবারকে সময় দিতে হয়। মেয়েটা বড় হচ্ছে, তাকে সময় দেওয়ার জন্যই এই বিরতি। সে একটু বড় হয়েছে। এখন আবারও কাজ শুরু করব।’ ছবি শুরুর পর নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করতে সমস্যা হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সমস্যা হবে না। শুটিংয়ের জন্য টানা শিডিউল দিতে হয়। সেটা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। জয় ভাইকে সেটা জানিয়েছি। তিনি সেভাবেই শুটিংয়ের শিডিউল করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।’ চার বছর আগে পূর্ণিমা অভিনয় করেছিলেন ছায়াছবি নামের একটি সিনেমায়। মুহাম্মাদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত ওই ছবিটি এখনো মুক্তি পায়নি। তাঁর মুক্তিপ্রাপ্ত সাম্প্রতিকতম ছবির নাম লোভে পাপ পাপে মৃত্যু।

টাইগার শ্রফের আদর্শ হৃতিক

হৃতিক রোশন ও টাইগার শ্রফ
বলিউডের ‘হিরো’ তারকা জ্যাকি শ্রফের পুত্র টাইগার শ্রফ নাচেন অসাধারণ। তাঁর নাচ দেখে অনেকেরই বলিউডের আরেক জনপ্রিয় অভিনেতা হৃতিকের নাচের কথা মনে পড়ে। টাইগারের শারীরিক গঠনের সঙ্গেও মিল আছে তারকা অভিনেতা হৃতিকের সঙ্গে। মজার বিষয় হচ্ছে, খোদ টাইগার শ্রফই জানিয়েছেন, হৃতিকের সঙ্গে নিজের চিন্তা-চেতনারও নাকি মিল পান তিনি! হৃতিক রোশনকে আদর্শই মানেন বলিউডের তরুণ অভিনেতা টাইগার শ্রফ। ‘চলচ্চিত্রশিল্পে আমি হৃতিক রোশনকে আমার “আদর্শ” মানি। আমি আমার পেশাজীবন ঠিক সেভাবেই সাজাতে চাই, যেভাবে তিনি তাঁর ক্যারিয়ার সাজিয়েছেন’—বলেছেন এই ‘বাগি’ অভিনেতা। টাইগার শ্রফ আরও বলেছেন, ‘যখনই তাঁর (হৃতিকের) সঙ্গে আমার দেখা হয়, তখনই আমি টের পাই যে আমরা দুজন একই রকম চিন্তা করি। যেমন তিনিও তাঁর কাজের ক্ষেত্রে প্রতিটি খুঁটিনাটি বিষয়ের ওপর জোর দেন। তাঁর কাছ থেকে আমার অনেক কিছু শেখার আছে।’ হৃতিকের মারপিট, চরিত্র বোঝার ক্ষমতা ও শারীরিক ভাষা টাইগারকে মুগ্ধ করে। বলিউডের দুনিয়ায় হৃতিক যে পথে চলেছেন, ঠিক সে পথেই চলতে চান এই নতুন নায়ক। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

আলোচনায় পরীমনির ‘ফিল্ম’ পোশাক

‘অন্তর জ্বালা’ ছবির গানের দৃশ্যে
সেলুলয়েড পোশাকে পরীমনি
বহুদিন পর সিনেমা পরিচালনায় এসেছেন মালেক আফসারি। পরীমনিকে নিয়ে তিনি তৈরি করছেন নতুন ছবি ‘অন্তর জ্বালা’। আর এই ছবিতে পরীমনির পরনের একটি পোশাক নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। মালেক আফসারি সম্প্রতি সেলুলয়েড ফিল্ম দিয়ে নির্মিত পোশাক পরা পরীমনির একটি ফটোগ্রাফ তাঁর ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন। আর এরপর থেকেই চলছে এই আলোচনা। তাঁর অভিনয়জীবনের শুরু থেকেই নানা কারণে আলোচনায় এসেছেন পরীমনি। আর এবার আলোচনায় এলেন সদ্য শুটিং শেষ হওয়া ‘অন্তর জ্বালা’ ছবিতে তাঁর একটি পোশাকের কারণে। এ ধরনের পোশাকের ব্যাপারটি তাঁর জন্য একেবারেই একটি নতুন অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে পরীমনি বলেছেন, ‘ছবির গল্পের চাহিদার কারণেই এই ধরনের পোশাক পরেছি। এই দৃশ্যটা দিয়ে অনেক কিছুই বোঝানো হবে। আপাতত এর বেশি আর কোনো কিছু প্রকাশ করতে চাইছি না।’ পরীমনি জানান, কিছুদিন আগে পিরোজপুরের একটি বাড়িতে এই দৃশ্যের শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন তিনি। এদিকে পরীমনির এই বিশেষ পোশাক প্রসঙ্গে পরিচালক মালেক আফসারি বলেছেন, ‘বাংলা ছবির এখন ডিজিটাল যুগ চলছে। আমার এই ছবিটার গল্পই অন্য রকম। এই ধরনের পোশাক দিয়ে ৩৫ মিলিমিটার থেকে ডিজিটাল যুগের শুরুর বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করেছি আমরা। বাকিটা দেখার জন্য দর্শককে হলে যেতে হবে।’ পরিচালক মালেক আফসারি এও জানান, পরীমনিকে এমন পোশাকে দেখা যাবে ‘অন্তর জ্বালা’ ছবির টাইটেল গানে। আলী আকরাম শুভর সংগীত পরিচালনায় গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন এসআই টুটুল ও ন্যান্‌সি। পরীমনি ছাড়াও ‘অন্তর জ্বালা’ ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন জায়েদ খান, জয় চৌধুরী, মৌমিতা প্রমুখ।