Saturday, March 3, 2018
কেন আড়ালে থেকে যাচ্ছে বাংলাদেশে ছেলে শিশুদের উপর চালানো যৌন নির্যাতন?

যদিও শিশু অধিকার সংগঠনগুলো মনে করে বাস্তবে এর সংখ্যা আরো অনেক বেশি। কিন্তু ছেলে শিশুদের যৌন নির্যাতনের বিষয়টি বাংলাদেশের সমাজে বা দেশের আইনে একেবারেই গুরুত্ব পাচ্ছে না।
অথচ এমন ঘটনা সমাজে ঘটছে। ঢাকার কেন্দ্রে একটি আবাসিক এলাকায় কথা হচ্ছিলো ত্রিশোর্ধ এক যুবকের সাথে।
তিনি বলছেন একের অধিকবার বার তিনি এমন ঘটনার শিকার। আমার বয়স তখন আট। আমরা যে বাসায় থাকতাম তার দোতলায় একটি ছেলে থাকতো।
সে প্রায়ই আমাকে সিঁড়িতে চেপে ধরত। দুই পায়ের মাঝখানে হাত দিতো। আমার খুবই খারাপ লাগতো"
যে যুবক তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করলেন তার অনুরোধে এখানে পরিচয় গোপন রাখা হচ্ছে। তিনি বলছিলেন ছোটবেলায় একটু দুষ্টুমি করতেন।
তাকে মনোযোগী করতে বাবা-মা তার জন্য একজন গৃহশিক্ষক রেখেছিলেন। তার দ্বারাই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছেন এই ব্যক্তি।
"আমার জীবনের সবচাইতে ভয়াবহ অভিজ্ঞতাটি হয় আমার বয়স যখন ১২ বছর তখন। আমার বাবা মা আমার জন্য একজন গৃহশিক্ষক রেখেছিলেন, কারণ আমি পড়াশুনো করতে চাইতাম না। তাকে খুব মেধাবী বলে মনে করা হতো। সে আমাদের বাসায় থেকেই আমাকে পড়াতো এবং আমার সাথে এক ঘরেই তাকে থাকতে দেয়া হয়েছিলো। একদিন রাতে হঠাৎ টের পেলাম আমার সারা শরীরে কারোর হাত"।
বাকি কথাটুকু বলতে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ চুপ করে ছিলেন তিনি। এর পর তিনি যা বললেন তার মর্ম হল ঐ গৃহ শিক্ষক তার উপর টানা তিনমাস নানা ধরনের যৌন নির্যাতন চালিয়েছে।
ধর্ষণের শিকারও হয়েছেন তিনি। কিন্তু সেটি তিনি বাবা মায়ের কাছে একেবারেই বলতে পারেন নি। 'দুষ্ট' বালক গৃহ শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনছে তাই পাছে যদি তার কথা কেউ বিশ্বাস না করে সেই ভয়ে। বয়স ৩০ হওয়ার পরই শুধুমাত্র তিনি নিজের কষ্টের কথা বন্ধুদের বলতে সক্ষম হয়েছেন।
কিন্তু বাবা-মা বিষয়টি কখনো বুঝতেও পারেন নি যে তাদের ছাদের নিচেই ছেলের উপর কি ভয়াবহ অন্যায় ঘটে গেছে।
অভিভাবকেরা ছেলে সন্তানদের যৌন নির্যাতনের বিষয়টি নিয়ে কতোটা চিন্তা করেন - সেটি বুঝতে আমি কথা বলছিলাম ধানমন্ডিতে এক মায়ের সাথে।
খুব অল্প কদিন বাদেই তার মেয়েটি কিশোরী হয়ে উঠবে। সাড়ে সাত বছর বয়সী একটি ছেলেও রয়েছে তার।
তিনি বলছিলেন, "আমার মেয়েকে নিয়ে আমি ওর খুব কম বয়স থেকেই উদ্বিগ্ন। যখন ও খুব ছোট ছিল তখন কেউ কোলে নিলে তাকিয়ে থাকতাম। আট সাড়ে আট হওয়ার পর থেকেই ওকে শেখাতে শুরু করলাম ক্লাসের বড় কোন ভাইয়া, কোন ছেলে টিচার বা এরমক কেউ যদি তোমাকে কোথাও একা ডাকে, যাবে না। মুখের ওপর বলে দিও যে মা বারণ করেছে। কিন্তু ছেলের বেলায় এমন চিন্তা আমার মাথায় কখনো আসেনি বা এখনো আসে না"
জানতে চেয়েছিলাম ছেলে বাচ্চাকে নিয়ে তিনি কেন চিন্তা বোধ করেন নি?
তিনি বললেন, "এটা হয়ত কোন সামাজিক বিষয়। হয়ত মানসিক বিষয়ও হতে পারে। যেহেতু আমরা শুনি মেয়েরাই এই ঘটনার শিকার হয়। আমার ছেলের ক্ষেত্রে কেউ তুলে নিয়ে যাবে, হয়ত এমন ভেবেছি কিন্তু সেক্সুয়াল কিছু কখনো ভাবি নি"
তার মানে ছেলেরা যে যৌন নির্যাতনের শিকার হয় সেটি নিয়ে কি সেভাবে ভাবছে না বাংলাদেশের সমাজ?
যদিও এ নিয়ে বাংলাদেশে তেমন কোন গবেষণা নেই কিন্তু ঘটনার খবর নানা সময়ে সংবাদমাধ্যমে আসছে।
২০১৭ সালে এমন অন্তত ১৪ টি ঘটনার খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো মনে করে সংখ্যাটি এর চেয়ে আরো অনেক বেশি হবে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের শিশু অধিকার ইউনিটের প্রধান মকসুদ মালেক। তিনি একই সাথে একজন মনোরোগ চিকিৎসকও।
তিনি বলছেন ছেলে শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয় না, সেটি নিয়ে সামাজিক ধারনা আগে ভাঙা দরকার।
তিনি বলছিলেন, "ছেলে হোক, মেয়ে হোক তারা একটা সামাজিক ধারণা নিয়ে বড় হয়। যেমন প্রথমত হল এই ধারণা তার মধ্যে থাকে না যে ছেলে শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হতে পারে। সেই মেসেজটা ছেলে শিশুর কাছে আছে। আর ধরেই নেয়া হয় নির্যাতনের শিকার মেয়েরাই হয়।"
তার মতে এই ধারণা আসলে মিথ।
তিনি বলছেন, "আমাদের সমাজে মায়েরা মেয়েদের শেখায় কোনটা খারাপ স্পর্শ কিন্তু ছেলেটাকে কেউ শেখায় না। এই পুরো বিষয়টা আমাদের ভাঙা দরকার। ছেলে শিশু হোক বা মেয়ে শিশু দুজনেই কিন্তু সমান ভালনারেবল। সবাইকে জানানো উচিত যে আপনার ছেলে শিশুটিও যে কোন সময় ভালনারেবল হতে পারে"।
মকসূদ মালেক বলছেন, ৮৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই কাছের কারো দ্বারাই শিশুরা যৌন নির্যাতনের শিকার যেমন আত্মীয়, শিক্ষক, পারিবারিক বন্ধু, প্রতিবেশী। ছেলেদের ক্ষেত্রেও তার কোন ব্যতিক্রম নেই।
মি: মালেক বলছেন দরিদ্র ছেলে শিশুরা একটু বেশি ঝুঁকিতে থাকে। তিনি পথ শিশুদের নিয়ে তাদের নিয়মিত কাজ করেন। সেখানে ছেলেদের মধ্যে এই ধরনের ঘটনা তারা মাঝে মধ্যেই পান।
তিনি বলছেন তাদের সাথে মেয়ে শিশুদের মানসিক ট্রমার কোন তফাত নেই। বরং ছেলেদের বাড়তি চাপের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়।
মি: মালেক বলছেন, "ট্রমা যখন সংজ্ঞায়িত করা হয় তখন সেটি ছেলে বা মেয়েদের জন্য আলাদা করে বলা হয়না। এর কনসেকোয়েন্স সবার জন্যেই একই রকম। তার ফ্ল্যাসব্যাক হতেই পারে, ডিপ্রেশন, ফোভিয়া, উদ্বেগ হতেই পারে। নির্যাতনের শিকার ছেলে শিশুর মধ্যে এই বিষয়গুলো কিন্তু থাকবেই। মানুষ হিসেবে তার শরীর, মন, আচরণ, বিশ্বাস ও কাজের ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রভাব ফেলবে। ছেলে বলে তাতে কোন ভিন্নতা নেই। সে একই ভাবে সাফার করবে"।
একই সাথে তিনি নিজেই বলছেন মানবাধিকার ও উন্নয়ন সংস্থাগুলো কিশোরী ও মেয়ে শিশুদের নিয়েই কাজ করে। ছেলে শিশুদের যৌন নির্যাতনের বিষয়টি তারাও কখনো বিবেচনায় আনে না।
এই প্রতিবেদনটি তৈরি করতে শিশুদের নিয়ে কাজ করে এরকম দশটি সংস্থার সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে।
কিন্তু তাদের সেনিয়ে কোন ধরনের কাজ পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশে মাত্র একটি গবেষণা পাওয়া গেছে যদিও সেটি হয়েছে খুব স্বল্প পরিসরে এবং একটি শিক্ষার্থীদের তৈরি সংগঠনের দ্বারা।
নিরাপদ শৈশবের উদ্দেশ্যে বা নিশু নামের এই সংগঠনটি ঢাকা ও সাতক্ষীরায় ৯ টি স্কুলে এক জরিপ চালায়।
সেখানে তারা ১২শ শিশুর সাথে কথা বলেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, প্রতি দশজনের একজন ছেলে যৌন নির্যাতন বা অশোভন আচরণের শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে।
কিন্তু কেন বাংলাদেশে সমাজে বিষয়টি নিয়ে খুব একটা কথা হয় না? জিজ্ঞেস করেছিলাম সমাজবিজ্ঞানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাদেকা হালিমের কাছে। তিনি বলছেন, "যুগে যুগে আমরা এটাই দেখে এসেছি নারী পুরুষের মধ্যে যে বৈষম্য রয়েছে সেটি আরো শক্তিশালী করার জন্য যৌন নির্যাতনকে একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ধর্ষণ যৌন নির্যাতনের মধ্যে সর্বোচ্চ একটি ধরন। এর মাধ্যমে নারীকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। আর সেটা করে পুরুষ। কিন্তু আমাদের সমাজে আমরা যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাইনা সেটি হল নারী শিশুকেই শুধু ব্যবহার করা হয়না। পুরুষ শিশুকেও যৌন আকাঙ্ক্ষা হাসিল করার জন্য বা যৌন উত্তেজক ছবির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে"।
ছেলে শিশুদের যৌন নির্যাতন নিয়ে কথা বার্তা বলার ক্ষেত্রে এমন সামাজিক অনীহার কারণে এমন ঘটনা ঘটলেও সেটির বিচার একদমই হচ্ছে না।
কারণ বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে পুরুষের বা ছেলে শিশুর বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন সম্পর্কে কিছুই বলা নেই, বলছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞানের শিক্ষক খন্দকার ফারজানা রহমান।
তিনি বলছেন, "যদি স্পষ্ট করে বলতে চান পুরুষের বিরুদ্ধে সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট হলে তার শাস্তি কি? এইভাবে বাংলাদেশে কোন আইন নেই। পুরুষকে ভিক্টিম করার জন্য কোন শাস্তি বাংলাদেশে এখনো দেয়াও হয়নি"
তার কাছে প্রশ্ন রেখেছিলাম এর মানে কি কোন ছেলেকে যদি কেউ যৌন নির্যাতন করে বা ধর্ষণ করে সেটি কি আদৌ ধর্ষণ হিসেবে বিবেচিত হয়?
তিনি বলছেন, "না......বাংলাদেশে প্রচলিত আইনে রেপ বা যৌন নির্যাতনের যে ক্রাইটেরিয়া সেখানে দেখা যাচ্ছে প্রতিটি যায়গাতেই নারী ও মেয়েদের কথাই বলা আছে"।
বাংলাদেশে শিশুদের প্রতি নির্যাতন প্রতিরোধে যে আইন রয়েছে তার নাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন। সেখানে শিশুর প্রতি যৌন নির্যাতনের শিকার হিসেবে শুধু কন্যা শিশুর কথাই বলা হয়েছে।
তাদের কথা মাথায় রেখেই এমন নির্যাতনকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
এর বিচার ও শাস্তির কথাও বলা হয়েছে শুধু নারী ও কন্যা শিশুদের কথা মাথায় রেখেই।
যদিও পাশের বাড়ির ছেলেটি তার থেকে কম বয়সী কোন বালকের দু পায়ের মাঝখানে চেপে ধরার ঢের নমুনা বাংলাদেশে পাওয়া যাবে। অথবা শিক্ষক বা আত্মীয়র কাছে ধর্ষণের খবর।
কিন্তু ছেলে শিশুদের যৌন নির্যাতনের বিচারের বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশে ব্যাপক ধোঁয়াশা রয়েই গেছে।
বরং ছেলে বা কোন পুরুষ যৌন নির্যাতনের শিকার হলে তা নিয়ে কথা বললে উল্টো তাকে হাসির পাত্র হতে হচ্ছে।
সূত্রঃ বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গণতন্ত্র কি মৃতপ্রায়?

এমআইটি’র অর্থনীতির অধ্যাপক ও ‘হোয়াই ন্যাশন ফেইল’ নামে বিশ্বজুড়ে আলোচিত বইটির সহ-লেখক ড্যারন এইসমোগলু তার বক্তব্য শুরুই করেন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে।
তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র কি এখন মুমূর্ষ দশা পার করছে? আসলে, আমি এই প্রশ্নের উত্তর জানি না। তবে এ কথা নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, গণতন্ত্র এখন এক কঠিন সময় পার করছে।’
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক তত্ত্বের প্রভাষক ও ‘দ্য পিপল ভার্সাস ডেমোক্রেসি: হোয়াই আওয়ার ফ্রিডম ইজ ইন ডেঞ্জার অ্যান্ড হাউ টু সেইভ ইট’ বইয়ের লেখক ইয়াচা মৌঙ্ক বলেন, ‘উদারপন্থী গণতন্ত্রকে স্থিতিশীল রাখতে হলে যেসব নিয়মনীতি প্রয়োজন হয়, ঠিক তার ওপরেই আক্রমণ করা হচ্ছে।’
প্যানেল আলোচকরা এ বিষয়টি উল্লেখ করেছেন যে, গণতন্ত্রের এখন যে ক্ষয়িষ্ণু অবস্থা, তা শুধু যুক্তরাষ্ট্রে নয়, বরং বিশ্বব্যাপী প্রতিভাত হচ্ছে। হাঙ্গেরি, কেনিয়া, পোল্যান্ড, রাশিয়া, তুরস্ক ও ভেনেজুয়েলা সহ বিভিন্ন দেশে গণতান্ত্রিক নিয়মনীতি ও অধিকার এখন মারাত্মকভাবে বিপন্ন। এছাড়া খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই সরকারী নিয়মনীতি ও ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে তিক্ত বিতর্ক চলছে।
ইউনিভিশন টিভি চ্যানেলে কর্মরত সাংবাদিক মারিয়া রামিরেজের কাজের ক্ষেত্র হলো মার্কিন রাজনীতি। তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে অকার্যকর প্রমাণ করতে রাশিয়া যেসব তৎপরতা চালিয়েছে, সেই ব্যাপারে অনেক বিস্তারিত তথ্য এখন সহজেই পাওয়া যায়। এই বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি সমাজের যেসব দুর্বলতাকে বহিঃশক্তি পুঁজি করতে চায়, তা মানুষকে বুঝতে হবে।
অধ্যাপক এইসমোগলু জোর দিয়ে বলেন, অব্যাহত নাগরিক সংহতি ব্যতিত কোনো কিছু দিয়েই গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব নয়। তিনি যুক্তি দিয়ে বলেন, মার্কিন সংবিধানে রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষমতা বলয়ের মধ্যে যেসব ভারসাম্যের (চেকস অ্যান্ড ব্যালেন্স) ব্যবস্থা সংযোজিত রয়েছে, সেসবও বাস্তবে অতটা শক্তিশালী নয়। তিনি বলেন, ‘ওই ব্যবস্থা অত শক্তিশালী নয়। গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখা ওই ব্যবস্থাসমূহ সংযোজনের উদ্দেশ্যও ছিল না। গণতন্ত্রকে একমাত্র সমাজই রক্ষা করতে পারে।’
কারণ: বৈষম্য ও আরও অনেক কিছু
স্টার ফোরাম শীর্ষক এই আলোচনা অনুষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে আয়োজন করে আসছে এমআইটি। এই অনুষ্ঠান পৃষ্ঠপোষকতা করে বিশ্ববিদ্যালয়টির আন্তর্জাতিক অধ্যয়ন কেন্দ্র। আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইস্যুতে এমন বহু আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজন করে এই কেন্দ্র।
এমআইটির মানবিক, শিল্প ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও রাজনীতি বিজ্ঞানের অধ্যাপক মেলিসা নোবলস এই অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য রাখেন। এ সময় তিনি বলেন, গণতন্ত্রের অবস্থা এখন কী, এই প্রশ্ন এখন যুক্তরাষ্ট্র তো বটেই, বিশ্বব্যাপী অনেককেই ভাবাচ্ছে।
অধ্যাপক এইসমগলু বলেন, গণতন্ত্রের বেহাল দশার নেপথ্যে রয়েছে একাধিক ফ্যাক্টর। এর মধ্যে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদী আয়-বৈষম্য, বিশ্বব্যাপী কর্তৃত্বপরায়ণ নেতাদের হাতে সংবাদমাধ্যমের অপব্যবহার এবং উৎপাদনমুখী খাত ও শ্রমিক ইউনিয়নের পড়তি। শ্রমিক ইউনিয়নের আদর্শগত অবস্থান এখানে বড় প্রভাব ফেলেনি। কিন্তু এসব ইউনিয়ন একসময় নাগরিকদেরকে সম্পৃক্ত করতে পেরেছিল। কিন্তু এখন নাগরিক সম্পৃক্ততা কমছে।
অর্থনৈতিক বৈষম্য ও এর ফলে বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার ওপর মানুষের যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়, তা এখানে বড় ফ্যাক্টর। তবে এইসমগলুর ভাষায়, গণতন্ত্রের এই পড়তি দশার জন্য শুধু অর্থনৈতিক দুর্দশাকে দায়ী করলে ভুল হবে। রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সম্পর্ক নিয়ে অনেক লেখালেখি করা এই অধ্যাপক আরও বলেন, এই মুহূর্তে খারাপ সময় পার করলেও, গণতন্ত্রের পতন ঘটানো অত সহজ নয়। কারণ, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজের অধিকার ও স্বাধীনতা নিয়ে মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন।
প্রভাষক মৌঙ্ক বলেন, গণতন্ত্রের ক্ষয়িষ্ণুতার সঙ্গে সঙ্গে, গোটা একটি প্রজন্মের মধ্যে কর্তৃত্বপরায়ণ ও সামরিক শাসন সহ্য করার প্রবণতা দেখা গেছে। যেমন, বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে যে, ত্রিশ ও চল্লিশের দশকের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষই মনে করতেন, গণতন্ত্র অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আশির দশক ও তার পরে জন্ম নেওয়া মানুষের মধ্যে মাত্র এক-তৃতীয়াংশ এই ধারণা পোষণ করেন। তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিককালেও রাজনীতি বিজ্ঞানীরা হাঙ্গেরি ও পোল্যান্ডকে গণতান্ত্রিক সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করতেন। এসব দেশের নাগরিকদের আয় বেড়েছে। একাধিকবার শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার হস্তান্তর ঘটেছে। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা ভেবেছিলেন, এসব দেশ স্থিতিশীলতার একটি মাত্রায় পৌঁছেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেখা যাচ্ছে, এসব দেশে জনগণের গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে।
মৌঙ্ক আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার রেকর্ড আশ্চর্য্যজনক। কিন্তু অঙ্গরাজ্য পর্যায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। এক্ষেত্রে তিনি রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত নর্থ ক্যারোলাইনা আইনসভার নেওয়া পদক্ষেপের কথা উদাহরণ হিসেবে টেনে আনেন। ২০১৬ সালে ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী রয় কুপার রাজ্যের গভর্নর নির্বাচিত হলেও, রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত আইনসভা তার কিছু ক্ষমতা রদ করে দেয়।
তিনি বলেন, গণতন্ত্রের ইতিহাস বেশ পোক্ত। কিন্তু আমরা এখনও জানি না, বহুজাতিক দেশে দীর্ঘমেয়াদে গণতন্ত্র কিভাবে পরিচালিত হবে এবং সেখানে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার কী প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে। কারণ, এ ধরণের গণতন্ত্র তুলনামূলকভাবে কম সময় ধরে স্থায়ী হয়েছিল।
গণতান্ত্রিক মানদ- বজায় রাখা
দর্শকদের প্রশ্নের জবাবে আলোচকরা বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রকে পুনরায় সুদৃঢ় করতে কিছু সুপারিশ রাখেন। সাংবাদিক রেমিরেজ যেমন বলছিলেন, আমার বার্তা হলো, সাংবাদিকদের সমর্থন দিন। তার মতে, ভালো সাংবাদিকতা একটি জনসেবা, যা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন বেশি জরুরী।
আরেক প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক এইসমগলু বলেন, আমেরিকায় নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণে কারচুপি কমানো, মার্কিন রাজনীতিতে অর্থের প্রভাব কমানো ও মার্কিন সরকারী চাকুরিতে রাজনৈতিক প্রভাব হ্রাস করা গেলে গণতন্ত্রের জন্যই মঙ্গলজনক হবে। তবে তিনি তারপরও মনে করেন, সামাজিক সংহতিই হলো গণতন্ত্রের আসল সুরক্ষাকবচ।
(এমআইটি নিউজ থেকে অনূদিত।)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তখনই লিঙ্গ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন অত্রি

রূপান্তরকামী হিসেবে গত বছর মামলা করে ডব্লিউবিসিএস পরীক্ষায় বসতে পেরেছিলেন। কিন্তু আইএএস (ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস) পরীক্ষায় বসতে পারেনননি। হতাশও হননি।
এ বার ওই পরীক্ষায় বসতে চেয়ে সেন্ট্রাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছিলেন। দিনকয়েক আগে পেলেন ওই পরীক্ষায় বসার ছাড়পত্র। কারণ, ওই পরীক্ষায় তাঁর সরাসরি বসার অধিকার ছিল না। ফর্মে যে শুধু ‘মেল’ আর ‘ফিমেল’-এর উল্লেখ!
তিনি—হুগলির ত্রিবেণীর ক্যাম্পগেট এলাকার বাসিন্দা, রূপান্তরকামী অত্রি কর। যাঁর কথায়, ‘‘জীবনে কম লড়াই করতে হচ্ছে না! আমি চাই, সমাজ যাবতীয় অবজ্ঞা ঝেড়ে ফেলে আমার সম্মানটা অন্তত দিক। ট্রাইব্যুনাল রায় দিয়েছে, ‘আদার সেক্স’ (অন্য লিঙ্গ) হিসেবে ফর্ম ফিল-আপ করতে পারব। সংশ্লিষ্ট দফতরে রায়ের প্রতিলিপি পাঠিয়ে দিয়েছি।’’
বাবা পরিমল কর গৃহশিক্ষকতা করেন। অত্রি তাঁর ছোট সন্তান। স্কুলে অত্রি ‘ফার্স্ট’ হলেই পরিমলবাবু ছেলেকে ব্যাট-বল বা ক্যারম কিনে দিতে চাইতেন। অত্রির হাত যেত পুতুলে। তাঁর শরীর পুরুষের। কিন্তু মন যে নারীর! ছোট থেকেই ‘মেয়েলিপনা’র জন্য প্রিয়জন, বন্ধুদের কাছে কথা শুনতে হয়েছে তাঁকে। এমনকী, বাড়িতেও। ‘‘বউদির বাপের বাড়ির লোক এলে আমাকে ঘর থেকে বেরোতে দেওয়া হতো না’’— এখনও স্পষ্ট মনে আছে অত্রির।ধীরে ধীরে পাল্টেছে বাড়ির পরিবেশ। বড় হয়েছেন অত্রি। রিষড়ার বিধানচন্দ্র কলেজ থেকে ইংরেজিতে স্নাতক। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএ-তে ভর্তি হয়েছিলেন। পার্ট-১ পরীক্ষা দিয়ে ছেড়ে দেন। চাকরির পরীক্ষা দিতে শুরু করেন। গুপ্তিপাড়ার একটি প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকতার চাকরি পান ২০১৪ সালে। তখনই লিঙ্গ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন। সেই প্রক্রিয়া এখন শেষ পথে। বাড়ির লোকজন, পাড়া-পড়শিরাও মেনে নিতে শুরু করেন ‘মেয়ে অত্রি’কে।
এখন বৌদি চুল বেঁধে দেন। মা শাড়ি পড়তে সাহায্য করেন। বাবা পরিমলবাবু বলেন, ‘‘ওর জন্য একসময় নানা প্রশ্নের মুখে পড়েছি। কিন্তু ভেবে দেখেছি, প্রাপ্তবয়স্ক সন্তান নিজে যা ভাল মনে করবে, সেটাই করুক। তাই আপত্তি করি না।’’
কিন্তু আটপৌরে সংসারে বড় হওয়া অত্রির আইএএস হওয়ার স্বপ্ন কেন? ‘‘প্রতিশোধ স্পৃহা বলতে পারেন। সব হেনস্থার যোগ্য জবাব দিতে চাই। ’’— আচমকা কঠিন হয়ে ওঠে অত্রির চোয়াল।
সূত্রঃ আনন্দবাজার পত্রিকা
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপ্রতিরোধ্য পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে আসছেন পুতিন

এর মধ্যে রয়েছে সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। তার দেশের ফেডারেল কর্মকর্তাদের সামনে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে পুতিন বলেন, এসব ক্ষেপণাস্ত্র একাধারে নতুন। অন্যদিকে তা শুধু রাশিয়ায়ই পাওয়া যাবে। এরই মধ্যে নতুন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যাপক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম), যার কোড নাম হলো স¤্রাট, তার পরীক্ষা চালানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি। এর ওজন ২০০ টনেরও বেশি। এর আগে যেসব ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা হয়েছিল তার চেয়ে এর পাল্লা অনেক বেশি। যতটা সম্ভব কম উচ্চতা দিয়ে তা উড়ে যেতে সক্ষম। পুতিন বলেছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্রকে সনাক্ত করা কোনো এন্টি মিসাইল সিস্টেম দিয়ে করা সম্ভব নয়। এমন কি ভবিষ্যতেও তাকে সনাক্ত করা যাবে না। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পও তার পারমাণবিক অস্ত্রের পরিধি এবং তার সক্ষমতার বিষয়ে কথা বলেছেন। তার চেয়ে পুতিনের এমন বক্তব্যকে কেউ খাটো করে দেখছে না। ট্রাম্প প্রশাসন যখন সম্প্রতি নতুন প্রযুক্তিতে তৈরি পারমাণবিক অস্ত্রের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন, তখন পুতিনের এমন ঘোষণাকে ওয়াশিংটনের জন্য একটি বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এতে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যে সম্পাদিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির ভবিষ্যত নিয়ে। এ বিষয়ে পেন্টাগনের মুখপাত্র ডানা হোয়াইট বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা দেখে আসছি রাশিয়াকে। তাদের এমন ঘোষণায় আমরা বিস্মিত নই। অন্যদিকে পুতিনের এমন মন্তব্যকে উড়িয়ে দিয়েছে হোয়াইট হাউজ। হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি সারাহ হাকাবি স্যান্ডার্স বলেছেন, সম্পদিত চুক্তিতে যে বাধ্যবাধকতা আছে তা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে লঙ্ঘন করে আসছে রাশিয়া। তাদের উদ্দেশ্য অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে এমন অস্ত্র ব্যবস্থার উন্নয়ন। কিন্তু রাশিয়া এমন কথা অস্বীকার করে। তবে যুক্তরাষ্ট্র সরকার যা জানে, সে বিষয়টিই নিশ্চিত করলেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। পুতিন বলেছেন, পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম পানির নিচে চলতে পারে এমন নতুন একটি ড্রোন উদ্ভাবন করেছে রাশিয়া। এর নাম দেয়া হয়েছে স্ট্যাটাস-৬। এই ড্রোনটি গভীর পানির নিচ দিয়ে চলাচল করতে পারে। বলা হয়েছে, বর্তমানে যেসব সাবমেরিন আছে, অধ্যাধুনিক যেসব টর্পেডো আছে, এমনকি পানির উপরিতলে চলাচল করে যেসব সর্বোচ্চ গতির বোট তা চেয়ে বহুগুন বেশি গতি এই ড্রোনের। একটি এনিমেশনে দেখানো হয়েছে, ন্যাটোর একটি বিমানবাহী বাহিনীতে ও সমুদ্রপাড়ের একটি শহরে হামলা চালিয়ে ধ্বংস করে দিচ্ছে নতুন একটি সাবমেরিন। এ অবস্থায় সারাহ স্যান্ডার্সের মতো একই রকম মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হিদার নুয়ার্ট। তিনি বলেছেন, এর মধ্য দিয়ে রাশিয়া দেখিয়ে দিচ্ছে তারা ইন্টারমিডিয়েট-রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্সেস চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। পুতিনের বক্তব্যের সময়ে দেখানো এনিমেশন করা একটি ভিডিওরও সমালোচনা করেছেন হিদার নুয়ার্ট। তিনি বলেছেন, এর মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে হামলা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ওই ভিডিওতে এনিমেশনের মাধ্যমে যেন দেখানো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে পারমাণবিক হামলা করা হয়েছে। এটা নিঃসন্দেহে দুর্ভাগ্যজনক। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দায়িত্বশীল একজন নেতার কাছ থেকে আমরা এমন আচরণ প্রত্যাশা করি না। লন্ডন ভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিষয়ক থিংকট্যাংক
রয়েল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইন্সটিটিউটের সামরিক বিশেষজ্ঞ ইগোর সুতাগিন। তিনি পুতিনের মন্তব্যকে ‘হরর’ কাহিনীর চেয়ে কিছুটা বেশি বলে মনে করেন। তিনি মনে করেন, উৎপাদন রেখা, আর্থিক ও বিজ্ঞান এসবই প্রযুক্তিগত অনেক দাবিকেই সংশয়ে ফেলে। কারণ, বেশির ভাগ প্রযুক্তিই নতুন নয়। এটা হলো সস্তা মার্কেটিং। পুরনো পণ্য, নতুন প্যাকেজ আকারে বাজারে ছাড়া। আর গায়ে লাগিয়ে দেয়া হয় নতুন দামের লেবেল। ইগোর সুতাগিন বলেন, পুতিন অনুচ্চ উচ্চতা বলতে কি বোঝাতে চেয়েছেন সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই। তবে আন্তঃমহাদেশীয় বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র সেই ১৯৮০র দশক থেকে কম উচ্চতায়ই উড়ে থাকে। অন্যদিকে স্ট্যাটাস-৬ ড্রোনটি রাশিয়ার সামরিক পরিকল্পনার দর্শনের বিরুদ্ধে যায়। এ ক্ষেত্রে রাশিয়া যা বলেছে, তাতে এ অস্ত্রের ওপর মোটামুটি এক সপ্তাহের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলবে রাশিয়া।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেমন করে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে পর্নোগ্রাফি

আছে জঙ্গিবাদ ছড়িয়ে দেয়ার উপাদান। আছে রগরগে যৌন জীবন সম্পর্কিত বিষয়াবলি। এক্ষেত্রে সন্তানদের নিয়ে সবচেয়ে দুশ্চিন্তায় পিতামাতারা। তাদের সেই টেনশন আরো একধাপ বাড়িয়ে দিয়েছে একটি পর্নো কোম্পানি। তারা পর্নো তারকাদের হুবহু নকল করে তৈরি করছে ভার্চুয়াল ছবি। খ্যাতনামা পর্নো তারকাদের অবিকল আকৃতি দেয়া হচ্ছে কম্পিউটারে। আর এর মাধ্যমে তৈরি করা হচ্ছে ভার্চুয়াল অ্যাপ। একজন পর্নো তারকার শরীর যেমন অবিকল তেমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে তাদেরকে এ অ্যাপের ভিত্তিতে। তাতে কোথাও কোন খুঁত ধরার মতো ত্রুটি নেই। এ অ্যাপ ব্যবহারকারীর সঙ্গে সামনে থাকা একজন পর্নো তারকার মতো কথা বলবে ওই এনিমেটেড পর্নো তারকা। পর্নো বিষয়ক এ বছরের এক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এই অ্যাপটি প্রকাশ করা হয়েছে। এটি করতে ওই কোম্পানি একটি বিশাল ক্যামেরা ব্যবহার করেছে একজন পর্নো তারকার শারীরিক গঠনের থ্রি ডি মডেল তৈরি করার জন্য। থ্রি ডি স্ক্যান করা এসব ছবি ব্যবহার করে তাদেরকে গেমে রূপান্তর করা হয়েছে। সেখানে অনেক ক্ষেত্রেই একজন পর্নো তারকার মতো সম্ভাব্য আচরণ করে ওই গেমের মডেল। এসব সামাজিক অবক্ষয়মুলক গেম বা অ্যাপ ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে ইন্টারনেটে। তা থেকে আপনার সন্তানকে রক্ষা করার দায়িত্ব আপনার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা বেশি বঞ্চিত, বেশি গরিব: অমর্ত্য সেন

অধ্যাপক সেন আরও বলেন, ‘জীবনযাত্রার অবস্থার (লিভিং কন্ডিশন) দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানরা আনুপাতিক হারে বেশি বঞ্চিত ও দরিদ্র্য।
এই তথ্য এখন গবেষণামূলক স্বীকৃতি পেয়েছে। এ কারণেই এই প্রতিবেদন নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি ভিত্তিতে চিন্তা করার বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে।’
প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে একাধিক অধ্যায় রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ৩৪১টি ব্লকের মধ্যে ৬৫টিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেন মুসলমানরা। পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমদের ওপর এখন পর্যন্ত করা সবচেয়ে বড় জরিপের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। মোট ৩২৫টি গ্রাম ও ৭৫টি ওয়ার্ডে জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে। অধ্যাপক সেনের ট্রাস্ট প্রতিচি ইন্ডিয়ার সহযোগিতায় ৩৬৮টি পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে অ্যাসোসিয়েশন স্ন্যাপ ও গাইডেন্স গিল্ড নামে কলকাতা ভিত্তিক দুইটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) দাবি করেছে, তাদের সরকার ২০১১ সালের পর পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমদের আর্থসামাজিক উন্নতিতে বড় ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু এই প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, স্বাক্ষরতা, স্বাস্থ্য ও কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণের দিক থেকে মুসলমানদের অগ্রগতি হয়েছে সামান্যই। যেমন, পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমদের স্বাক্ষরতার হার রাজ্যের গড় স্বাক্ষরতার হারের চেয়ে এখনও সাত শতাংশ কম।
প্রতিবেদনের সারাংশতে বলা হয়, ‘যেসব মুসলিম পড়ালেখা বন্ধ করেছেন তাদের ৫ শতাংশ বলেছেন আগ্রহের অভাবই স্কুল থেকে তাদের ঝরে পড়ার মূল কারণ। পড়ালেখা করে ভবিষ্যতে কোনো লাভ হবে বলে তাদের মনে হয়নি।’ এসব বলা হলেও, কোনো নির্দিষ্ট দল বা সরকারি সংগঠনকে মুসলিমদের অনগ্রসরতার জন্য প্রতিবেদনে দায়ী করা হয়নি।
স্বাস্থ্যের দিক থেকেও মুসলিমদের অবস্থা ভালো নয়। এক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের উপাত্ত ও মাঠপর্যায়ের জরিপ ব্যবহার করে বলা হয়েছে, যেসব ব্লকে মুসলিম জনসংখ্যা বেড়েছে, সেখানে হাসপাতাল সুবিধা কমেছে। এতে বলা হয়, ৫০ শতাংশ বা তারও বেশি মুসলিম যেসব ব্লকে বসবাস করেন, সেখানে যত শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল আছে, তার চেয়ে দ্বিগুণ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল রয়েছে সেসব ব্লকে, যেখানে মুসলিমদের জনসংখ্যার হার ১৫ শতাংশের কম। এই ধরণের বৈষম্য এই বিশাল প্রতিবেদনের প্রায় প্রতিটি পৃষ্ঠাতেই তুলে ধরা হয়েছে।
দ্য হিন্দুর খবরে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় সংখ্যালঘু গোষ্ঠী মুসলিমদের বিরুদ্ধে এই বৈষম্যের জন্য কাউকে দায়ী করা না হলেও, বিধানসভা নির্বাচনের আগে আগে এ নিয়ে রাজনীতির জল ঘোলা হতে পারে। তবে এই প্রতিবেদন নিয়ে দ্বিমত পোষণ করেছে কিছু স্থানীয় মুসলিম রাজনৈতিক সংগঠন। রাজ্যের অন্যতম শক্তিশালী মুসলিম সংগঠন জামাতে ইসলামি-হিন্দ (জেআইএইচ) বলেছে, তৃণমূলের শাসনামলে পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানরা ‘মোটামুটি লাভবান হয়েছে’। উল্লেখ্য, এই সংগঠনটি নির্বাচনে অংশ নেয় না বা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। জেআইএইচ-এর গণমাধ্যম ও জনসংযোগ প্রধান মশিউর রহমান তৃণমূলের শাসনামলে কীভাবে সংখ্যালঘুরা মোটামুটি উপকৃত হয়েছে, তা তুলে ধরেন। সরাসরি ওই প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ না করে তিনি বলেন, ‘প্রথমত, আগের বছরগুলোর তুলনায় এখন পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিসে মুসলিম শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি। এ বছর ২৪ জন। দ্বিতীয়ত, বাম শাসনামলে শুরু হওয়া আলিয়াহ বিশ্ববিদ্যালয়কে এই সরকার ৩০০ কোটি রুপি দিয়েছে। মুসলিম মেয়েদের জন্য জেলায় জেলায় বহু হোস্টেল তৈরি করা হয়েছে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে নতুন পন্থা অবলম্বন করছে আইএস -ব্রেইটবার্থের রিপোর্ট

কিন্তু আমাদের এই সফলতায় তারা ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করছে। এখনও তাদের বিরুদ্ধে লড়াই শেষ হয়ে যায় নি। এই লড়াই এখন নতুন একটি মাত্রা ফেয়েছে। তা হলো সামরিক সমাধান থেকে মোড় নিয়েছে আইন প্রয়োগের মতো ব্যবস্থায়। তিনি আরো বলেন, আইসিসের মূল কাঠামো সিরিয়া ও ইরাকে মারাত্মকভাবে ভেঙে গেছে। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে আইসিসের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন আনুষ্ঠানিকভাবে বেশ কিছু আইসিস সমর্থিত গ্রুপ ও তাদের নেতাদের নাম উল্লেখ করেছেন। এসব গ্রুপের নাম দেয়া হয়েছে আইসিস বাংলাদেশ, আইসিস পশ্চিম আফ্রিকা, আইসিস সোমালিয়া, আইসিস ফিলিপাইন, দ্য মাউত গ্রুপ ইন দ্য ফিলিপাইন, জান্দ আল খিলাফাহ তিউনিশিয়া। এ ছাড়া যেসব আইসিস নেতার নাম উল্লেখ করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে মাহাদ মোয়ালিম। তিনি সেমালিয়ায় আইসিস মদতপুষ্ট গ্রুপের নেতা। পশ্চিম আফ্রিকায় শীর্ষ জিহাদী নেতা আবু মুসাব আল বারনাবী। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এমন ঘোষণার পর ওই সতর্কতা উচ্চারণ করলেন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিক নাথান সেলস। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে ওয়ার্ল্ডওয়াইড থ্রেট এসেসমেন্টে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তারাও সতর্কতা উচ্চারণ করেন। তারা বলেন, সন্ত্রাসী গ্রুপটি বিশ্বজুড়ে তাদের উপস্থিতি বৃদ্ধি করছে। তাদের প্রচারণা চালাচ্ছে। তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে হামলার পরিকল্পনা করছে। সদস্যদের এবং সমমনাদেরকে নিজের দেশেই হামলা চালাতে উৎসাহিত করছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চাঁদেও থাকবে মোবাইলের ৪জি নেটওয়ার্ক!

সেই ১৯৬৯ সালের ২০ শে জুলাই নিল আর্মস্ট্রং প্রথম চাঁদের গায়ে পা রেখেছিলেন। তারপর কেটে গেছে ৫০ বছরেরও বেশি সময়। এরপরই সেখানে নতুন করে একটি মিশন পরিচালনা করা হচ্ছে বেসরকারি উদ্যোগে। তাতে যুক্ত রয়েছে ভোডাফোন জার্মানি, মোবাইল নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান নকিয়া ও গাড়ি প্রস্তুতকারক কোম্পানি অডি। সেই মিশনের একটি অংশ হিসেবে এই নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হচ্ছে। ভোডাফোন বলেছে, তারা মহাশূন্যভিত্তিক একটি মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠার জন্য প্রযুক্তি বিষয়ক অংশীদার করেছে নকিয়াকে। বলা হয়েছে, ওই নেটওয়ার্কে যে হার্ডওয়্যার ব্যবহার করা হবে তা এক ব্যাগ চিনির চেয়েও ছোট হবে দেখতে। এসব কোম্পানি এ উদ্যোগ নিয়ে কাজ শুরু করেছে বার্লিনভিত্তিক কোম্পানি পিটিসায়েন্টিস্টস-এর সঙ্গে। ভোডাফোন বলেছেন, এমন পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে তারা। তাদের সামনে শিডিউল সময় ২০১৯ সাল। এ সময়ের মধ্যেই স্পেস এক্স ফলকন ৯ রকেট ছুটে যাবে যুক্তরাষ্ট্রের কেপ ক্যানাভেরাল থেকে। এ বিষয়ে ভোডাফোন জার্মানির একজন নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, এখনও পরবর্তী প্রজন্মের নেটওয়ার্ক রয়েছে পরীক্ষাধীন এবং ট্রায়াল পর্যায়ে। সেই নেটওয়ার্কের নাম দেয়া হচ্ছে ৫জি নেটওয়ার্ক। তা চাঁদের গায়ে কাজ করবে কিনা তা নিশ্চিত নয়। এ জন্যই তারা বেছে নিয়েছেন ৪জি নেটওয়ার্ক।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারী তুষারপাতে বিপর্যস্ত ইউরোপ

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খোঁজ মিলল 'সবচেয়ে পুরনো' উল্কির

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'প্রিয়, ফুল খেলবার দিন নয় অদ্য' by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিক্ষাক্ষেত্রে অশুভ ছায়া by মুস্তাফা নূরউল ইসলাম

শিক্ষাবিদ
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৪০ উপায় by সালেহা চৌধুরী

১. ড. রাচেল ভিকার্স বলেছেন, আমাদের প্রচুর মাছ খেতে হবে। মাছের দেশের লোকের জন্য এ সংবাদ অবশ্যই সুখবর। তৈলাক্ত ছোট মাছ মস্তিস্কের জন্য সবচেয়ে উপকারী। এখানে আছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা তিন ফ্যাটি এসিড আছে, যা আমাদের মস্তিস্ককে তাজা ও সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। তাতে আমাদের মনোসংযোগ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এখানে ছোট শিশুদের ওপর ওমেগা তিনের পরীক্ষা করা হয়েছে। ছয় সপ্তাহ তাদের ওমেগা তিন দেওয়ার পর দেখা গেছে, তাদের মনে রাখার ক্ষমতা বেড়ে গেছে।
২. সবচেয়ে দরকারি খাবার হলো সকালের খাবার; যা আমাদের মস্তিস্কের জন্য অত্যন্ত ভালো। দশ-বারো ঘণ্টা না খেয়ে থাকার পর মস্তিস্ক ও শরীরে জ্বালানির দরকার হয়। সকালের খাবার না খাওয়া কেবল আমাদের মেটাবলিজমের জন্যই খারাপ নয়, তা আমাদের মস্তিস্ককে একেবারে ভোঁতা বানিয়ে দিতে পারে। যে শিশু সকালে নাশতা খেয়ে স্কুলে যায়, সে খুব ভালো মনোসংযোগ করতে পারে।
৩. সবকিছু একরকম নয়, অন্যরকম করে করতে হবে। একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বাঁ হাত দিয়ে দাঁত মাজার চেষ্টা করা উচিত। কম্পিউটার মাউস বাঁ হাত দিয়ে ধরা। টেবিলের খাবারগুলো একটু অন্যরকম করে সাজানো। বাড়ি ফিরতে গিয়ে অন্য রাস্তা দিয়ে বাড়িতে আসা। হাঁটতে গিয়ে পথ হারিয়ে ফেলা। তাতে আমাদের ব্রেনের সেলগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
৪. তরকারিতে যে হলুদ আছে তা আমাদের আলঝেইমার থেকে বাঁচায়। কাজেই দেখা গেছে, পশ্চিমের লোকেরা আলঝেইমারে ভোগে বেশি। পশ্চিমে 'কারি' এবং হলুদের ট্যাবলেট এখন অত্যন্ত জনপ্রিয়। শিশুরা ছোট থেকে হলুদ দেওয়া তরকারি খাবে, ভালো কথা।
৫. আমাদের নতুন কিছু শেখা প্রয়োজন। শেখার কোনো বয়স থাকে না। নতুন ভাষা, নতুন মিউজিক, বাদ্যযন্ত্র, নাটক বা যে কোনো বিষয়ে শেখা আমাদের ব্রেন সেলগুলোকে সক্রিয় রাখে। কাজেই গান শেখা বা শোনা, ভাষা শেখা, অরিগামি, ইকিবানার সঙ্গে আমাদের হাঁটাচলার গতিও বাড়িয়ে দিতে হবে। শিশুরা অনায়াসে দুই-তিনটি ভাষা শিখতে পারে।
৬. লাল মদ নাকি আমাদের ব্রেনের জন্য ভালো। এটা হারাম। তাই পাকা টমেটোর রস একই ফল দেবে।
৭. বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন, গান করার ক্ষমতা আমাদের ব্রেনের শক্তি বাড়িয়ে দেয়। গান আমাদের ব্রেনে অনেক বেশি অক্সিজেন বহন করে নিয়ে যায়। আর যখন গান বা কবিতার চরণ আমরা মুখস্থ করি, তা মস্তিস্কের একটি ভালো ব্যায়ামের কাজ করে।
৮. প্রোটিন ব্রেনের জন্য ভালো। এসব ভালো প্রোটিনের ভেতর বরবটি, ডিম, চর্বিবিহীন মাংস, বাদাম, ডাল এবং মাছ প্রধান। অনেক প্রোটিনে আছে আমিনো এসিড এবং টিপটোফ্যান, যা আমাদের 'নিউরোট্রানফিটার' বাড়াতে সাহায্য করে। এই নিউরোট্রানফিটার আমাদের মুড ভালো করে দেয়।
৯. অল্পবিস্তর ক্যাফিন আমাদের ব্রেনের জন্য ভালো। দিনে তিন কাপ চা বা কফি আমাদের ব্রেনকে জাগিয়ে রাখতে পারে। এর মধ্যে যে নিউরোট্রানফিটার বিরাজ করে, তা ডোপামাইন নামে পরিচিত। এ জিনিস আমাদের জাগায়।
১০. সঙ্গীত বিশেষত ধ্রুপদী সঙ্গীত আমাদের মস্তিস্কের কাজ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। বিদেশে এর অনেক পরীক্ষা হয়েছে। অল্প বয়স থেকে যে শিশু গান শোনে, তার মনোসংযোগ ক্ষমতা বেড়ে যায় ও সে ধীরস্থির হয়।
১১. একটা হবি থাকা ভালো। দেখা গেছে, যেসব বয়স্ক মানুষ মধ্য বয়সেও একটি হবি নিয়ে ভাবছে, তাদের আলঝেইমারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে গেছে। টিকিট জমানো, সেলাই, জিগস, ক্রশওয়ার্ড পাজল, বাগান করা এসব থাকতে পারে।
১২. যে কোনো হার্বস বা গাছগাছড়া মানুষের জন্য অত্যন্ত উপকারী। যুগ যুগ ধরে স্মরণশক্তি বাড়ানোর জন্য এসব গাছগাছড়া ব্যবহার করা হয়। ধনে পাতা, পুদিনা পাতা, লেটুস পাতা, নিমপাতা, সেজ, মিন্ট এবং আরও যাবতীয় গাছগাছড়া আমাদের খাদ্য তালিকায় সংযুক্ত করা প্রয়োজন।
১৩. বারবার বলা হয়েছে টেলিভিশন কম দেখতে। যখন টেলিভিশন দেখা হয়, ব্রেনের তেমন কিছু করার থাকে না। তখন ব্রেন চলে যায় নিউট্রাল অবস্থায়। ক্লিভল্যান্ডের ওয়েস্টার্ন রিজার্ভ ইউনিভার্সিটির স্কুল অব মেডিসিন পরীক্ষা করে দেখেছে, ব্রেন হেলথের জন্য টেলিভিশনের চেয়ে বাজে জিনিস আর কিছু নেই।
১৪. বাড়ির পুরনো অ্যালবাম দেখা এই কারণে ভালো, যা আমাদের দীর্ঘদিনের নানা স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়; যা ব্রেনের জন্য উপকারী। এর ফলে ব্রেনের মধ্যে অনেক বেশি উপকারী 'সেরোটিন' উৎপাদিত হতে পারে।
১৫. হাঁটা ও দৌড়ানো ব্রেনের জন্য অত্যন্ত ভালো। কারণ হাঁটা ব্রেনের গ্লুকোস এবং অক্সিজেন বাড়িয়ে দেয়। বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা ঘরে বসে থাকেন আর টেলিভিশন দেখেন। দেখা যায়, বুড়ো বয়সের সমস্ত রোগ এতে বেড়ে গেছে। হাঁটার বিকল্প নেই। কেবল একটু আলস্য ত্যাগ। তাতে যা লাভ হয় তা হাজার হাজার টাকার ওষুধেও হয় না।
১৬. ঘুম আমাদের সেই জিনিস, যা আমাদের শরীরের ব্যাটারিগুলোকে চার্জ করে তাকে সক্রিয় করে তোলে। এক রাত ভালো ঘুমের বিকল্প নেই। এতে আমাদের মনোসংযোগ ও শেখার ক্ষমতা বেড়ে যায়। যে ছাত্র পরীক্ষার আগের রাতে ভালো করে ঘুমোয়, তার পরীক্ষা ভালো হতে বাধ্য। কারণ, সে তখন অনেক বেশি মনোসংযোগ করতে পারছে।
১৭. প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি ও ফল আমাদের ব্রেনের জন্য ভালো। কেবল ব্রেনের জন্যই ভালো নয়, শরীরের জন্যও ভালো। এ হলো 'আন্টিওক্সাইডান্ট' নামের প্রয়োজনীয় জিনিসের সরবরাহকারী। এ শরীরের টক্সিন বা বিষ বের করে দিতে সাহায্য করে। যেসব বিষ বা টক্সিন আমাদের ব্রেনকে ড্যামেজ করে দেয়।
১৮. নানা জায়গায় ঘোরা এবং এক্সপ্লোর করা আমাদের ব্রেনের জন্য ভালো। নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষ সবকিছুই ব্রেনের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। পশ্চিমে হলিডের যে নিয়ম আছে তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদের মাঝে মাঝে 'স্টাডিটুরে' যাওয়া জরুরি।
১৯. ক্রশওয়ার্ড পাজল আমাদের ব্রেনের একটি উপকারী ব্যায়াম। এ ব্রেনের ক্ষমতা বাড়ায় ও আমাদের ভাষার শব্দভাণ্ডারকেও সমৃদ্ধ করে।
২০. সুডোকো নামের যে খেলা এখন বাজারে, বিশেষজ্ঞের অভিমত- এ আমাদের ব্রেনের জন্য উপকারী। এ হলো সমস্যা সমাধানের গেম বা কঠিন ভাবনার গেম।
২১. বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে মেলামেশা ও কথা বলা আমাদের ব্রেনের ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। যে লোক সমাজের নানা লোকজনের সঙ্গে মেলামেশা করে, দেখা যায় তাদের স্মরণশক্তি অনেকখানি বেড়ে গেছে। যে শিশু বাড়িতে একা বড় হয়, তার সঙ্গে যারা স্কুলে যায় তার পার্থক্য থাকে।
২২. কোনো একটি নতুন ইলেকট্রিক গ্যাজেট সম্বন্ধে জানা ভালো। ইন্টারনেট জানা ও বোঝা ভালো। কম্পিউটার, সার্ফিং সব ভালো। যারা মনে করে, এই বয়সে এসব শিখে আর কী হবে, তারাই নিজের ক্ষতি করে বেশি।
২৩. নাচ একটি ভালো জিনিস। ঘরের দরজা বন্ধ করে গান ছেড়ে দিয়ে নাচতে থাকুন। যদি মনে করেন, নাচটাচ আমাকে দিয়ে হবে না, হাঁটুন।
২৪. প্রচুর পানি পান করতে হবে। যখন শরীর শুকিয়ে যায় পানির অভাবে, তা গিয়ে মাথায় আঘাত করে। আমাদের ব্রেন তৈরি হয়েছে আশিভাগ পানি দিয়ে। কাজেই খুব কম করে হলেও আমাদের প্রতিদিন দুই লিটার পানি পান করতে হবে।
২৫. গিংকোবিলোবা নামের যে জিনিসটি ওষুধের দোকানে পাওয়া যায়, তা আমাদের সারা শরীরের রক্ত চলাচল ভালো রাখে। ভালো রক্ত চলাচল ক্ষমতা আমাদের ব্রেনের জন্য অত্যন্ত দরকারি।
২৬. সঠিক ওষুধ খেতে হবে। ডাক্তারদের অভিমত, ডোনেপেজিল নামের যে ওষুধটি আলঝেইমার সারাতে ব্যবহার করা হয়, তা একটি ভালো ওষুধ। এ হলো স্মৃতিশক্তি, শেখার ক্ষমতা, মনোসংযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। আমপাকিনসও আর একটি ভালো ওষুধ। একটি নতুন ঘুমের ওষুধ বের হয়েছে, যার নাম ওরেকসিন আর-এ-ওয়ান, যা আমাদের ঘুমের ভেতর নানা স্বপ্ন এনে আমাদের স্মৃতিশক্তিকে প্রখর করে। (চেষ্টা করিনি) এসব শিশুদের জন্য নয়।
২৭. ধূমপান একেবারে বর্জন করতে হবে। ভালোবেসে কেউ কাউকে সিগারেট উপহার দেবেন না। বিদেশে এখন লুকিয়ে এ কাজ করে, যে করতে চায়।
২৮. ব্লাডপ্রেসারের সমস্যা না থাকলে লেবু চিপে শরবত, মিছরির শরবত, আখের গুড়ের শরবত আমাদের জন্য অত্যন্ত ভালো। কারণ আমাদের ব্রেনের মাঝে মাঝে মিষ্টির দরকার হয়।
২৯. স্যাচুরেটেড ফ্যাট কম খাওয়া ভালো। স্যাচুরেটেড ফ্যাট আমাদের কলেস্টেরোল লেভেল বাড়িয়ে দেয়। বেশি কলেস্টেরোল হার্টের সমস্যা।
৩০. মদ ভালো নয়। আমাদের ধর্মে নেই। ওকে ফিরিয়ে আনার দরকার নেই।
৩১. লবণ বেশি খাবেন না। বিশেষ করে যারা পাতে লবণ খান, তা বাদ দিতে হবে। লবণে 'ভাসকুলার ডিমেনশিয়া' বাড়ে। মানে হাত জানে না বা ভুলে গেছে, তাকে কী করতে হবে আর পা জানে না, তাকে কী করতে হবে।
৩২. বিয়ে করুন। শোনা গেছে, যারা বিবাহিত ও সুখী, তাদের ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিশক্তি লোপ কম হয়।
৩৩. ব্লাডপ্রেসার এবং আমাদের শরীরের গ্লুকোস কেমন আছে, তার পরীক্ষা করা প্রয়োজন। অনেকে বুঝতেও পারে না তার রক্তে ব্লাড সুগার লেভেল বেড়ে গেছে। আমি ব্রিটেনে প্রচুর 'চাইল্ড ডায়াবেটিক' দেখেছি।
৩৪. প্রচুর হাসুন। প্রাণ খুলে হাহা করে। শরীর ও মনের জন্য ভালো।
৩৫. মাথায় যেন কোনো আঘাত না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। মাথায় হঠাৎ করে আঘাত লাগলে তা ভালো করে পরীক্ষা করাতে হবে। আজ যা কিছু না, পরে তা ব্রেনের কঠিন সমস্যা।
৩৬. স্ট্রেস বা চাপ থাকা ভালো। মানে স্বাস্থ্যকর চাপ। তবে খুব বেশি চাপ ক্ষতিকর।
৩৭. হরমোন খাবার আগে সাবধান। ওসট্রেজন বা টেসটসটেরোন আলঝেইমার থেকে রক্ষা করে, এমন কথা অনেকে বলে থাকেন। কিন্তু ভালো ফল পেতে হলে একজনের জন্য সঠিক ডোজ খেতে হবে।
৩৮. ভালোমতো ধর্মচর্চা আমাদের আত্মশক্তি বাড়িয়ে দেয়। তবে অন্ধত্ব আমাদের জন্য ভয়াবহ ফল আনতে পারে। হরমোনের মতো ধর্মের সঠিক ডোজ কতটুকু হবে, জানা দরকার।
৩৯. কিছু জটিল গেম চর্চা ভালো। কনট্রাক্ট ব্রিজ, দাবা, ব্যাকগেমন এমন কোনো খেলা আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতাকে বাড়ায়। ফলে নতুন ব্রেন সেল জেগে ওঠে।
৪০. একটু সৃষ্টিশীল হোন। কল্পনাশক্তি বাড়ূক। তাতে আপনার ব্রেনের জন্য ভালো। মায়েরা খেয়াল রাখবেন, সকালে বাচ্চারা যেন নাশতা খেয়ে স্কুলে যায়। আর যেসব কথা লেখা হয়েছে মন দিয়ে পড়া এবং শিশুদের বড় করে তোলা।
ব্রিটেন প্রবাসী কথাসাহিত্যিক
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যাংক ডুবিয়ে জাহাজ ভাসালেন তিনি

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডিমের সুসময়

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আত্মপীড়ন, তামাশা নাকি অন্য কিছু by কামাল আহমেদ

কামাল আহমেদ: সাংবাদিক
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভালো থেকো মারমা মেয়ে by সঞ্জীব দ্রং

দুই. আমি একবার বিলাইছড়ি গিয়েছিলাম। সম্ভবত ১২ বা ১৩ বছর আগে। তখন এই মারমা বোন দুটির বয়স হয়তো তিন বা পাঁচ বছর। আমার সঙ্গে আমেরিকান এক বন্ধু ছিলেন। বিলাইছড়ির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে, পাহাড়ি মানুষের সঙ্গে কথা বলে তিনি মুগ্ধ হয়েছিলেন। তখন অবশ্য আশা ছিল পাহাড়দেশে পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়িত হবে, পাহাড়ি মানুষের জীবনে সুখ, শান্তি আর আনন্দ ফিরে আসবে। সাধারণ বাঙালিদের জীবনেও সমৃদ্ধি আসবে। চুক্তির ২০ বছর পরও পাহাড়ে হাহাকার থামেনি। আমার সেই বন্ধুকে এখন আমি কী করে এই বীভত্স গল্প বলি, যেখানে পাহাড়ি দুই বোনকে লাঞ্ছিত হওয়ার পরও বিচারের কোনো আশা দেখি না! ঘটনাটি আমরা এখন সবাই জানি, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে। আমরা গভীর দুঃখ ও উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি, মূলধারার গণমাধ্যম, প্রিন্ট ও টেলিভিশন এই মারমা মেয়েদের নির্যাতনের ঘটনা গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমই মূল ভরসা। সাঁওতালদের ওপর যখন বর্বরোচিত হামলা হয় এবং পুলিশ নিজেই আগুন ধরিয়ে দেয় সাঁওতালদের বাড়িঘরে, সেই ভিডিও বিদেশি চ্যানেল প্রচার করার পর আমাদের টিভি চ্যানেলগুলো প্রচার করে। এই-ই হলো মিডিয়ার অবস্থা এখন। আমরা এক কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। আর দেখছি, দেশে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু জনগণের ওপর নিপীড়ন, নির্যাতন ও অত্যাচার বাড়ছে, কিন্তু বিচারের আশা দুরাশা। আমরা ৩০ টির বেশি মানবাধিকার সংগঠন মারমা দুই বোনের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদ জানিয়ে সমাবেশ করেছিলাম। সমাবেশ চলাকালীন আরও ১০ টির বেশি সংগঠন সংহতি জানিয়েছিল। আমরা তখন বলেছিলাম, আমাদের বিভিন্ন বাহিনীর নানা কাজের সুনাম রয়েছে দেশে ও বিদেশে। শান্তি প্রতিষ্ঠা ও মানবতার কাজে এসব বাহিনীর সদস্যরা প্রশংসনীয় অবদান রাখছেন। কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের দায় প্রতিষ্ঠান নিতে পারে না। আমরা চাই ঘটনার যথাযথ তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের মুখোমুখি করা হোক।
তিন. মারমা মেয়ে দুটির ভবিষ্যৎ জীবন যেন কোনোভাবেই ছারখার না হয়। তাদের মনোবল জাগিয়ে তুলতে হবে। তাদের পাশে পার্বত্য নারীসমাজসহ সবাইকে দাঁড়াতে হবে। সরকারকে এই পরিবারের নিরাপত্তাসহ সব প্রয়োজনে এগিয়ে আসতে হবে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন তদন্ত করবে বলে জেনেছি। তদন্ত রিপোর্ট অনেক সময় জানা যায় না। এই ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করতে হবে এবং এর সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নে তদারক করতে হবে। এই মারমা পরিবার কি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে? জুমচাষ করে স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করতে পারবে? মেয়ে দুটির পড়াশোনা বা পুনর্বাসনের কী হবে? চাকমা রানির সঙ্গে যে অশোভন ও নিষ্ঠুর আচরণ করা হয়েছে, তার বিচারের জন্য সরকার নিজে কি এগিয়ে আসবে? সত্যি বলতে কি, আমি বিদ্যমান বাস্তবতায় কোনো আশা দেখি না। প্রেরণার কথা হলো রানি নিজে শক্ত আছেন এবং বলেছেন তিনি হাল ছাড়বেন না। মনে রাখা দরকার, যারা তাঁকে অপমান করেছে, পরাজিত হয়েছে তারাই। মানুষের ধিক্কার ও ঘৃণা বেড়েছে তাদের প্রতি। আর রানির প্রতি বেড়েছে মানুষের ভালোবাসা। বিরসা মুন্ডাকে নিয়ে আজও মানুষ গান গায়, কবিতা লেখে। নিপীড়ক শাসককে নিয়ে কোনো দিন কোনো গান ও কবিতা রচিত হবে না। তাই এই ক্রান্তিকালেও মানুষের শক্তির কাছে আস্থা রাখি। অশুভ শক্তি চায় আমরা যেন হাল ছেড়ে দিই। কিন্তু ওরা জানে না, পাহাড়ে বারবার বসন্ত আসে, বনে ফুল ফোটে, পাখি গান গায়, ছমছম রাতের আঁধার চিরে দিনের আলো দেখা যায়। আপনি নদীতে ঢেউ দেখতে চান, নদীর ঢেউ হয়তো মিলিয়ে যায়। কিন্তু একসময় নদীতে আবার জোরে বাতাস বইবে, ঢেউয়ে ঢেউয়ে ভরে উঠবে নদী। রাষ্ট্র যদি মানুষের পাশে না দাঁড়ায়, মানুষ দাঁড়াবে মানুষের পাশে। এই আশায় প্রিয় মারমা দুই বোন আমার, পাহাড়দেশে ভালো থেকো, নিরাপদে থেকো। মনে রেখো, কিছু মানুষ নির্দয় হলেও সবাই নয়। এই পাহাড়, এই জন্মভূমিতে তোমাদের আছে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার পূর্ণ অধিকার।
সঞ্জীব দ্রং: সংস্কৃতিকর্মী ও কলাম লেখক
sanjeebdrong@gmail.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু জ্বর

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আলু ও টমেটোর দাম

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে সড়ক সংস্কার

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নোবেল বিজয়ী তিন নারীর সফর

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দলীয় প্রধানও ঠিক করে দেবেন আদালত? by মাহফুজার রহমান

মাহফুজার রহমান: সাংবাদিক
manik.mahfuz@gmail.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
March
(1701)
-
▼
Mar 03
(76)
- কেন আড়ালে থেকে যাচ্ছে বাংলাদেশে ছেলে শিশুদের উপর ...
- গণতন্ত্র কি মৃতপ্রায়?
- তখনই লিঙ্গ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন অত্রি
- অপ্রতিরোধ্য পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে আসছেন পুতিন
- যেমন করে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে পর্নোগ্রাফি
- পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা বেশি বঞ্চিত, বেশি গরিব: অমর্...
- বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে নতুন পন্থা অবলম্বন করছে আই...
- চাঁদেও থাকবে মোবাইলের ৪জি নেটওয়ার্ক!
- ভারী তুষারপাতে বিপর্যস্ত ইউরোপ
- খোঁজ মিলল 'সবচেয়ে পুরনো' উল্কির
- 'প্রিয়, ফুল খেলবার দিন নয় অদ্য' by আবদুল গাফ্ফার ...
- শিক্ষাক্ষেত্রে অশুভ ছায়া by মুস্তাফা নূরউল ইসলাম
- মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৪০ উপায় by সালেহা চৌধুরী
- ব্যাংক ডুবিয়ে জাহাজ ভাসালেন তিনি
- ডিমের সুসময়
- আত্মপীড়ন, তামাশা নাকি অন্য কিছু by কামাল আহমেদ
- ভালো থেকো মারমা মেয়ে by সঞ্জীব দ্রং
- চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু জ্বর
- আলু ও টমেটোর দাম
- স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে সড়ক সংস্কার
- নোবেল বিজয়ী তিন নারীর সফর
- দলীয় প্রধানও ঠিক করে দেবেন আদালত? by মাহফুজার রহমান
- সি চিন পিং ‘চেয়ারম্যান ফর এভরিথিং’? by মার্ক লিওনার্ড
- প্রাণের মেলার মধুর সমাপন by আনিসুল হক
- ফ্রিল্যান্সিংয়ের দৌড় কত দূর? by মো. মিন্টু হোসেন
- ‘পদ্মাবত’ সিনেমায় ইতিহাস কেন আসামি? by ফারুক ওয়াসিফ
- কেনিয়ায় ভুল রোগীর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার, চিকিৎসক ব...
- আফরিনে তুর্কি অভিযানের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু
- বসনিয়া জনগণ ও সরকারের পাশে থাকবে ইরান
- তুরস্ক-ইরান-সিরিয়ায় পরমাণু হামলা হলে রাশিয়া বসে থা...
- পূর্ব ঘৌটা ছেড়ে পালাচ্ছেন বাসিন্দারা
- কাঠের বাক্সে ৪ বছর ধরে তিন শিশুর বসবাস, দম্পতি গ্র...
- রাঘববোয়ালরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে
- রোহিঙ্গা শিশুদের জীবন ব্যর্থ করে দিতে পারি না আমরা...
- কোন প্রভাবে তালিকার বাইরে থাকলেন তারা? by ড. আর এম...
- একটি ছবি, অনেক প্রশ্ন by তারেক শামসুর রেহমান
- অগণিত নথি পরিবেশের ক্ষতি by মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী
- সংকটটা খুব গভীর by মো. মইনুল ইসলাম
- মুখরোচক চিকেন মাঞ্চুরিয়ান
- যেভাবে তৈরি করবেন জালি কাবাব
- শীত বিদায়ের চাপ সবজির বাজারে
- শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার আগেই তা ধ্বংস করে দিবে ‘ব...
- কোনো দল নয়, দেশের মালিক জনগণ
- মুসলিম অভিবাসীর চাঞ্চল্যকর বই : ট্রাম্পকেও শেখাতে ...
- জাস্টিস ডেলেইড ইজ জাস্টিস ডিনাইড by ড. আবদুল লতিফ ...
- আসাম এখন কোন পথে? by এবনে গোলাম সামাদ
- ইমরান খানের তৃতীয় বিয়ে ও পাকিস্তানের নির্বাচন by ম...
- মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বাংলাদেশ সরকার by তৈমূর আলম ...
- মদমত্ত ক্ষমতার রাজনীতির একাল সেকাল! by গোলাম মাওলা...
- বন্ধ হয়ে যাচ্ছে খামার
- হারিয়ে যাচ্ছে চিঠি by মারুফ কিবরিয়া
- নাহিদ, মাহফুজ, এ কে খন্দকার : অতঃপর by এহসানুল কবির
- ক্যাশ ওয়াকফ ও এর অবদান by ইকবাল কবীর মোহন
- বিজেপির জেনারেল by আসিফ হাসান
- তুমব্রু সীমান্তে উত্তেজনা : আতঙ্কে রোহিঙ্গা ও বাংল...
- ‘আরবাব’ যেখানে সোনার হরিণ by কামরুজ্জামান মিলু
- সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তোলা সেই খুদে বোলারের আবদার
- মুসলিমদের অপমানের মধ্যে জীবনযাপনের জন্য দায়ী জাতির...
- মাটির নিচে বিদ্রোহী, উপরে সেনা, মাঝে জনগণ
- ‘মুসলিম বিদ্বেষী’ ২০১টি বিল উত্থাপন যুক্তরাষ্ট্রে
- বাবাকে কখনো জনগণের হৃদয় থেকে মুছে ফেলতে পারবেন না ...
- জাতিসঙ্ঘের প্রতিবেদন ভারসাম্যহীন ও ত্রুটিপূর্ণ: ইরান
- ধর্মীয় বিশ্বাস আমাদের সমৃদ্ধ ও বিকশিত করে : বাদশাহ...
- চীন প্রয়োজনে যুদ্ধে যাবে : বেইজিং
- পরমাণু হামলার প্রতিশোধের হুমকি পুতিনের
- তাহাজ্জুদ সালাতের ফজিলত by সাইয়্যেদা সুরাইয়া
- মেলাশেষের গল্প by ড. ফজলুল হক সৈকত
- রক্তে স্নাত সিরিয়া by হামিদ সরকার
- নথির অপেক্ষায় খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা
- অপ্রতিরোধ্য পারমাণবিক অস্ত্র আছে রাশিয়ার: পুতিন
- কিডনি প্রতিস্থাপনে বছরে বিদেশে চলে যায় ৫০০ কোটি টা...
- ৯৯ বছর বয়সে সাঁতারে বিশ্বরেকর্ড!
- দেশে কেউ একনায়কতন্ত্র বা রাজতন্ত্র চায় না : ড. কাম...
- এবার হবে আমের বাম্পার ফলন
- পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে ত্রিদেশীয় চুক্তি ভারতের...
- অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় জাতিসংঘ
-
▼
Mar 03
(76)
-
▼
March
(1701)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...