Wednesday, October 14, 2009
রাজনীতি -আব্দুল জলিল এবং ব্যক্তির আত্মমর্যাদা by সৈয়দ বদরুল আহ্সান
এখন জলিল সাহেব কেন এ কাজটি করতে গেলেন? নাকি এই কাজটি তাঁকে দিয়ে করানো হয়েছে, সেটা দেখার বিষয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যথার্থই বলেছেন, যদি বিগত নির্বাচন সম্পর্কে জলিল সাহেবের কোনো সন্দেহ থেকে থাকে, তাহলে তিনি জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করে তাঁর মনের কথাগুলো বলতে পারতেন। সেটা অবশ্য তিনি করেননি। এরই মধ্যে তিনি তাঁর বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি তাঁর আনুগত্য ও বিশ্বাস পুনরায় ব্যক্ত করেছেন। এতে খুব একটা কাজ হয়েছে বলে মনে হয় না। ইতিমধ্যেই তিনি জাতীয় সংসদের একটি স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদ হারিয়েছেন। তিনি দেশে ফিরেছেন। দলের ভেতরে এবং দেশের রাজনীতিতে তাঁর ভবিষ্যত্ কী হবে, সে বিষয়ে বোধকরি আমরা কেউই হলফ করে কিছু বলতে পারব না। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত অবশ্য জাতিকে জানিয়েছেন যে তিনি মনে করেন, দলের উচিত হবে জলিলকে ক্ষমা করে দেওয়া। অন্যদিকে ওবায়দুল কাদের বলেছেন এবং যথার্থই বলেছেন যে আব্দুল জলিল ক্ষমা চাইতে পারেন, তবে তাঁর ইদানীংকালের কর্মকাণ্ডের জন্য তাঁকে শাস্তি পেতে হবে।
আব্দুল জলিল যে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে অনেক নির্যাতিত হয়েছেন, সে বিষয়ে কারও কোনো সন্দেহ থাকা উচিত নয়। এই ক্ষেত্রে নাগরিক হিসেবে আমাদের সবার একটা স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। শুধু জলিল সাহেব কেন? যে অসম্মানজনকভাবে দেশের অন্যান্য নেতাকে সেই সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেপ্তার করা হয় এবং কারাগারে পাঠানো হয়, সেই বিষয়ে একটি পুনঃ তদন্ত হওয়া খুবই দরকার এবং এই কারণে যে ভবিষ্যতে যেন দেশের বরেণ্য রাজনীতিবিদদের অপমান করার স্পর্ধা আর কেউ বা কোনো প্রতিষ্ঠান না করে। আমাদের এখনো স্মরণে রয়েছে, কী নাটকীয়ভাবে শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এমনভাবে ভোরবেলায় তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়, যেন সবাইকে বোঝানো হচ্ছে যে এইভাবে কাজটি সম্পন্ন না হলে তিনি পলাতক বা ফেরারি হয়ে যাবেন অথবা যেতেন। এ ধরনের অপমানজনক গ্রেপ্তারের ঘটনা আরও অনেক রয়েছে। মহীউদ্দীন খান আলমগীর তাঁর নিজ অভিজ্ঞতার কথা সদ্য রচিত একটি বইয়ে তুলে ধরেছেন। মওদুদ আহমদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি আমরা, কী অকথ্য ভাষায় তাঁকে গ্রেপ্তারের পর সরকারি নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যরা গালাগাল করেছেন। যেসব ব্যক্তিকে কোনো দিন কোনো মন্দ কথা স্বয়ং তাঁদের পিতা-মাতার মুখ থেকে শুনতে হয়নি, সেই মন্দ কথাগুলো শুনতে হয়েছে ওই সব লোকের মুখ থেকে।
তাঁদের রাতের আঁধারে গ্রেপ্তার করে চোখ বেঁধে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ২০০৭ সালের আগস্ট মাসে গ্রেপ্তার করা হয়, তাঁরাই বলবেন, কী জঘন্যভাবে তাঁদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে। এই অভিজ্ঞতা আব্দুল জলিলের হয়েছে। তাঁর মতো একজন সম্মানিত রাজনীতিক, যাঁর বয়স আবার অন্যদের তুলনায় একটু বেশি, তাঁকেও রিমান্ডে নেওয়া হয়। এবং আমাদের এই দেশে রিমান্ডে নিয়ে ব্যক্তিকে কী কঠিন অবস্থার মধ্যে ফেলা হয়, সে ব্যাপারে আমাদের সবারই মোটামুটি একটা ধারণা রয়েছে। জলিল সাহেবের বিষয় একটু বেশি গুরুত্বপূর্ণ এ জন্য যে, রিমান্ডে থাকা অবস্থায় তাঁকে যে প্রশ্ন করা হয় এবং তিনি যে উত্তরগুলো দেন, সেগুলো টেপ আকারে বাজারে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ এক অদ্ভুত কাণ্ড! সভ্য সমাজে ও দেশে এ ধরনের কার্যকলাপ লক্ষ করা গেছে, সে কথা আমরা বলতে পারি না! আমাদের এই বাংলাদেশেই তো অনেক অন্যায়-অবিচার হয়েছে। অনেকে কারাগারে গেছেন, নির্যাতিত হয়েছেন। কই? তাঁদেরকে কেন্দ্র করে কোনো টেপ তো সারা দেশে ছেড়ে দেওয়া হয়নি। আব্দুল জলিলের ক্ষেত্রে তাহলে এমনটি হলো কেন? এবং এর জন্য কারা দায়ী? জলিল সাহেব অবশ্য এ ব্যাপারে আমাদের কিছুটা বলেছেন। তিনি নাকি মুক্ত হওয়ার পর এবং সম্ভবত নির্বাচনের পর জানতে চেয়েছিলেন, কী করে সেই টেপ অর্থাত্ টেপে ধারণ করা তাঁর কথা বাজারে পৌঁছে? তাঁকে নাকি কে বা কারা বলেছেন যে টেপটি একজন সাংবাদিক চুরি করে বাজারে ছেড়ে দেন। এ ক্ষেত্রে দুটি প্রশ্ন উঠে আসে। প্রথমত, সেই সাংবাদিক সরকারি নিরাপত্তার এই ধরনের কড়া ও কঠিন বেষ্টনীতে কী করে প্রবেশ করলেন এবং শুধু তা-ই নয়, তিনি টেপটি কোথায় আছে, সে বিষয়েও জেনে যান এবং কোনো এক সুযোগে সেটা চুরি করে বাইরে চলে আসেন। দ্বিতীয়ত, যদি সত্যই কোনো সাংবাদিক এ কাজটি করে থাকেন, তাহলে তাঁর পরিচয়টি প্রকাশ করা অত্যন্ত জরুরি। আমাদের জানার কোনো উপায় নেই, আদৌ ওই সাংবাদিক-সংক্রান্ত বিষয়টি সত্য কি না। তবে এই দেশের ইতিহাসে যে কখনো কখনো কোনো কোনো সাংবাদিক দেশের স্বার্থবিরোধী কাজ করেছেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই। ১৯৭৫ সালের নভেম্বরের গোড়ায় এক সাংবাদিক পৃথিবীকে জানিয়ে দিলেন, ভারতীয়দের পক্ষ থেকে বন্দী তাজউদ্দীন আহমদকে উদ্দেশ্য করে লেখা একটি পত্র সরকারের হাতে এসে পড়েছে। এবং সেটা ছিল খন্দকার মোশতাকের বেআইনি প্রশাসন। এই তথাকথিত তথ্য প্রকাশের এক দিনের মাথায় তাজউদ্দীন এবং তাঁর তিন সহযোগীকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করা হয়। তারও বেশ কয়েক বছর পর যখন ওই সাংবাদিককে সেই পত্র সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়, তখন তিনি নাকি বলেছিলেন, পত্র তিনি দেখেননি। পত্রের ব্যাপারে কেবল তিনি শুনেছেন।
সে যা-ই হোক। এখন আমাদের জন্য জরুরি কাজটি হলো, জলিল সাহেবের যে টেপ বাজারে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, সেই টেপের নেপথ্যে যদি কোনো সাংবাদিক থেকে থাকেন, তাঁকে খুঁজে বের করা। আর যদি সাংবাদিকবিষয়ক কোনো ঘটনা ঘটেই না থাকে, সে বিষয়েও অনুসন্ধান চালাতে হবে। এবং এ কাজটি সরকারকেই করতে হবে। পিলখানা হত্যাযজ্ঞের ব্যাপারে অনুসন্ধান হয়েছে। ২১ আগস্ট বিষয়ে নতুন করে তদন্ত চলছে। একইভাবে আমাদের উচিত হবে ওই সব ব্যক্তিকে শনাক্ত করা, যারা ২০০৭ সালে শুধু টেপ-ই নয়, বরং বিভিন্ন ব্যক্তিকে চোখ বেঁধে ধরে নিয়ে গিয়ে তাঁদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে, সেই সব মানুষকে শনাক্ত করা এবং আইনের সামনে উপস্থিত করা। যখনই কোনো ব্যক্তির আত্মমর্যাদার ওপর আক্রমণ করা হয়, তখনই মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়। দুর্নীতির দায়ে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা এক বিষয়, আর তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে অপদস্থ-অপমান করা অন্য বিষয়। নাগরিককে তুলে নিয়ে তথাকথিত ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যা করা কোনো সভ্য সমাজের রীতি হতে পারে না। কোনো ব্যক্তি, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে তাকে অবশ্যই গ্রেপ্তার করা যায়। কিন্তু সে পলাতক হলে তার পরিবারের অন্য সদস্যকে একরকম জিম্মি করে থানায় নিয়ে যেতে হবে, এ কেমন কথা?
ফিরে যাওয়া যাক আব্দুল জলিলের বিষয়ে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে বক্তব্য তিনি বিদেশে গিয়ে দিয়েছেন, সে ব্যাপারে আমরা তাঁর সঙ্গে একমত নই; যেমন আমরা তাঁর সঙ্গে কয়েক বছর আগে একমত ছিলাম না, যখন তিনি আমাদের দিনের পর দিন বলে যাচ্ছিলেন, কোন এক ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের পতন হবে। সেদিন সরকার পতনের কোনো নৈতিক ও আইনগত কারণ ছিল না। অথচ জলিল নাটকীয়তা করে গেলেন। কিন্তু তাই বলে বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেই বক্তব্য যতই উদ্ভট আর যুক্তিবিবর্জিত হোক না কেন, এর জন্য তাঁর মানসিক ভারসাম্য নিয়ে একজন মন্ত্রী প্রকাশ্যে কথা বলবেন, সেটাই বা কেমন রাজনীতি হলো? অনেকের মতো আব্দুল জলিলও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে অনেক অপমান সয়েছেন। যারা তাঁকে এবং অন্য সবাইকে এত কষ্ট দিয়েছে, এত গভীরভাবে তাদের আত্মসম্মানকে আঘাত করল, ওই সব মানুষকে আইনের মুখোমুখি করা কি খুবই কঠিন কাজ? আমরা কেউ চাইব না একই ধরনের চিত্র ভবিষ্যতে আবার আমাদের সামনে উঠে আসুক। এবং ভবিষ্যতে যাতে নতুন কোনো আঁধার আমাদের জীবনে নেমে না আসে, সেই আশঙ্কা এই বর্তমানেই রোধ করা প্রয়োজন।
সৈয়দ বদরুল আহ্সান: সাংবাদিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওবামার স্বপ্ন-দুঃস্বপ্ন -রবার্ট ফিস্ক
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সবেমাত্র নোবেল পুরস্কার জিতলেন। মাত্র আট মাস দায়িত্ব পালন করেই। খবর শোনার পর তিনি ‘মহিমান্বিত’ বোধ করেছেন। তাঁর আসলে লজ্জাবোধ করা উচিত ছিল। কিন্তু হয়তো দুর্বলতার জয় হয় নোবেল শান্তি পুরস্কারে। সিমন পেরেজও এটি জিতেছিলেন। তিনি ইসরায়েলে কোনো নির্বাচনে জেতেননি। ইয়াসির আরাফাত এ পুরস্কার জিতেছিলেন। দেখুন, তাঁর কী অবস্থা হলো। প্রথমবারের মতো নরওয়ের নোবেল কমিটি ভবিষ্যতে ভালো কিছু করবে, এমন ক্ষীণ আশার বশবর্তী হয়ে এমন একজনকে শান্তি পুরস্কার দিল, যাঁর অর্জন একেবারে শূন্য।
ইসরায়েল কখনো কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের আরব ভূমিতে ইহুদি বসতি স্থাপন বন্ধের আহ্বানের পরোয়া করেনি। বিল ক্লিনটন এ দাবি জানিয়েছিলেন, অসলো চুক্তিতেও এটা লেখা আছে, ইসরায়েল অগ্রাহ্য করেছে। নয় বছর আগে জর্জ ডব্লিউ বুশ জেনিনে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছিলেন। ইসরায়েল তাকেও অগ্রাহ্য করেছে। ওবামা বসতি স্থাপনের পুরোপুরি অবসান চান। কিন্তু এক ইসরায়েলি মন্ত্রী বলেন, ‘তাঁরা বিষয়টা একদম বুঝতে পারেন না।’ বোঝা যায়, এটি আসলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুরই কথা। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিবারম্যানের কথায়, ‘যারা বলে যে আগামী কয়েক বছরে সবার অংশগ্রহণে সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব, তারা বাস্তবতাটাই বুঝতে পারে না।’
আরবের শাসকগোষ্ঠী তাদের সোনার মিনারে বসে ভয়ে কাঁপছে। ২০০৫ সালে নিহত লেবাননের মহান সাংবাদিক সামির কাসির লিখেছিলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের অন্তহীন সমর্থনের নিশ্চয়তা, ইউরোপের থেকে নৈতিক দায়মুক্তির প্রতিশ্রুতি ও পশ্চিমা শক্তিদের সহায়তায় অর্জিত পারমাণবিক অস্ত্রাগার ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কোনো সমালোচনা ছাড়াই এর উত্তরোত্তর বৃদ্ধির ফলে, ইসরায়েল আক্ষরিক অর্থেই যা খুশি তাই করতে পারে।’
গাজায় যুদ্ধাপরাধ বিষয়ে জাতিসংঘের তদন্তের প্রধানকে অমর্যাদা করে অন্য সময়ের মতো পার পেয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। আর মার্কিনপন্থী দুর্বল ফিলিস্তিনি ‘প্রেসিডেন্ট’ মাহমুদ আব্বাসকে আরও অসম্মান করছে। আব্বাস নিজের মানুষের সঙ্গে সম্পর্কের চেয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষাতেই বেশি আগ্রহী। ইসরায়েলের ঔপনিবেশিক বিস্তার বন্ধ না করা পর্যন্ত শান্তি আলোচনায় বসবেন না—এমন বক্তব্য থেকেও তিনি সরে এসেছেন। জর্ডানি ভাষ্যকার রামি খৌরি সম্প্রতি এককথায় আব্বাস সম্পর্কে বলেছেন ‘এক শূন্যগর্ভ মানুষের খোলস, রাজনৈতিকভাবে অক্ষম, কেউ তাঁর সঙ্গে নেই, কেউ তাঁকে শ্রদ্ধা করে না।’
ওবামা বারবার বলছেন, আফগানিস্তান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রকে করতেই হতো। কিন্তু তিনি একবারও বলেন না যে, এ অঞ্চলে বুশের আক্রমণ হঠকারী। পাকিস্তানের যুদ্ধও এখন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বলে ঘোষণা করেছেন তিনি। ওবামার মনোযোগ কি আল-কায়েদার ওপর কেন্দ্রীভূত করা উচিত? কোনোভাবেই তারা সেখানে জিততে পারবেন না। নব্য রক্ষণশীলেরা বলে, ‘সাম্রাজ্যের সমাধিক্ষেত্র’ এক সস্তা বুলি। হ্যাঁ, তাই। কিন্তু এটি বাস্তবও বটে।
সম্প্রতি আবারও ভারতীয় দূতাবাসে বোমা হামলা চালানো হয়েছে। কেন করা হয়েছে, ওবামা কি কিছু ধারণা করতে পারেন? তিনি কি উপলব্ধি করতে পারেন যে কাশ্মীর প্রশ্নে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতকে সমর্থন দান করায় ওয়াশিংটনের ওপর পাকিস্তান ক্ষিপ্ত। ভারতকে সমর্থনের লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে রিচার্ড হলব্রুককে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে দূত নিযুক্ত করার মধ্য দিয়ে। কিন্তু কাশ্মীর প্রশ্নে তাঁকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। ওবামা হয়তো চান, ভারত চীনের সাথে ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি করুক। ওবামাকে কাশ্মীর প্রশ্নে ন্যায়সংগত পদক্ষেপ নিতে সচেষ্ট করতে পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দাদের সামনে তালেবানকে সহায়তা বৃদ্ধির পথ ছাড়া অন্য কোনো পথ খোলা নেই। কাশ্মীর বিষয়ে কোনো সুবিচার না পেলে আফগানিস্তানে মার্কিন সেনারা অথবা ভারতীয় দূতাবাস নিরাপদ থাকবে না।
জেনেভার পারমাণবিক আলোচনায় ইরানকে পর্যুদস্ত করার কিছুদিন পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আবিষ্কার করলেন, ইরান আবার হম্বিতম্বি শুরু করেছে। সর্বোচ্চ নেতা খামেনির উপদেষ্টা রেভল্যুশনারি গার্ড কমান্ডার হুমকি দিয়েছেন, ইসরায়েলের ‘হূিপণ্ড উড়িয়ে দেওয়া’ হবে যদি ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্র ইরান আক্রমণ করে। কোনো বিপর্যয় ঘটলে ইরানিদের ভিন্নপথও খোলা থাকবে। আক্রমণ হলে তারা ইসরায়েলকে ঘাঁটাবে না। ইরাক ও আফগানিস্তানে কেবল মার্কিন সেনা, উপসাগরীয় অঞ্চলে তাদের সামরিক ঘাঁটি এবং হরমুজ জলপ্রবাহে তাদের যুদ্ধজাহাজকে তারা লক্ষ্যবস্তু বানাবে। আমেরিকানরা তখন বুঝবে, ইসরায়েলি প্রভুদের কাছে নতজানু হওয়ার মূল্য কী।
ইরান জানে, মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ করার খায়েশ যুক্তরাষ্ট্রের নেই। ওবামা তাই তাঁর জেনারেলদের ঘন ঘন তেল আবিব পাঠাচ্ছেন ইসরায়েলিদের বলতে, তারা যেন ইরানে আক্রমণ না করে। ওবামা কি ইরানের পাল্টা আক্রমণের ভয়ে ভীত? অথবা এর পারমাণবিক সামর্থ্যের? নাকি ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সম্ভাব্য আগ্রাসনের জন্য শঙ্কিত?
কিন্তু দয়া করে ১০ ডিসেম্বর কোনো আক্রমণ করবেন না। ওবামা তখন অসলো যাবেন তাঁর শান্তি পুরস্কার পকেটস্থ করতে—যে পুরস্কার তিনি পেয়েছেন এমন কর্মের জন্য, যা এখনো তিনি অর্জন করেননি, আর এমন স্বপ্নের জন্য, যা দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে।
ব্রিটেনের দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট থেকে নেওয়া, ইংরেজি থেকে অনূদিত।
রবার্ট ফিস্ক: ব্রিটিশ সাংবাদিক ও মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভেজালের বিষচক্র -শাস্তি ও তদারকি কঠোর করা প্রয়োজন
ভেজালে লাভ আসলের চেয়ে বেশি। যদি ধরা না পড়ে, তাহলে ভেজালকারীর মুনাফা সীমা ছাড়ায়। আর প্রশাসনের সঙ্গে যোগসাজশ থাকলে বিনা বাধায় ভেজালের কারবার চালিয়ে যাওয়াও কঠিন নয়। এই লাভের সুযোগ যতক্ষণ থাকবে, ততক্ষণ ভেজাল কেবল ধরপাকড় করে দূর করা যাবে না। তাই প্রথমেই আসল আর নকলের পার্থক্য, খাঁটি আর ভেজালের ফারাক স্পষ্ট করতে হবে। অন্যদিকে ক্রেতাসাধারণেরও সচেতনতা প্রয়োজন। প্রয়োজন ভেজালের ভুক্তভোগীদের সরাসরি অভিযোগ পাওয়ার ব্যবস্থা করা। প্রয়োজনে দ্বিতীয়বার অপরাধের প্রমাণ মিললে জেলসহ সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের বিধানও রাখা যেতে পারে। অন্যদিকে যারা ভেজালে অতি দক্ষ, তারা যাতে বৈধ পথে নিয়মমাফিক ব্যবসা করার সুযোগ পায়, সেদিকেও নজর রাখা চাই।
এ বছরের জুন মাসে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে প্রতিটি জেলায় আদালত গঠনের নির্দেশ জারি করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ। ভাবা হয়েছিল, এরপর ভেজালের শিকড় উত্পাটিত হবে। কেননা, খাদ্যসহ নানা পণ্যের মান ও গুণ তদারকিতে সরকারি সংস্থার ভূমিকা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গিয়েছিল। মাঝেমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মৌসুমি তোড়জোড় দেখা যায়, কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় অতি সামান্য। এই উদাসীনতার সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও বিক্রেতা ভেজাল পণ্যে বাজার ভরিয়ে ফেলেছে। আবার অভিযান শুরু হলে দেখা গেল, একই অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে আগেরবার সাজাপ্রাপ্ত অপরাধীরা। অভিযান নিয়মিত করা, চিহ্নিত ভেজালবাজদের তালিকা ও ছবি প্রকাশসহ ইত্যাকার পরামর্শ প্রথম আলোর গত শনিবারের এ-সংক্রান্ত সংবাদে প্রকাশিত হয়েছে। তদারকি লাগাতার করার বিকল্প নেই। কিন্তু আরও অবিকল্প হলো শাস্তির কঠোরতা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আবার দুঃসহ যানজট-আশু কিছু পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি
যানজট এখন এমন এক সংকটের রূপ ধারণ করেছে, যার সামনে সরকার, নগর কর্তৃপক্ষ, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা—সবকিছুকেই অসহায় দেখাচ্ছে। নইলে যানজট নিরসনের জন্য স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরও অবস্থার কোনো উন্নতি পরিলক্ষিত হচ্ছে না কেন? আসলে এ বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক কোনো পরিকল্পনা আছে কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন। উড়ালপথ বা পাতালরেল নির্মাণের কথা শোনা গেল। কিন্তু খুব যে চিন্তাভাবনা করে; অর্থনৈতিক, কারিগরি ও অন্যান্য দিক ভালোভাবে বিচার-বিবেচনায় নিয়ে এসব পরিকল্পনা করা হচ্ছে, এমন আভাস পাওয়া যায় না। বরং অ্যাডহক বা অস্থায়ী ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানের প্রবণতাই লক্ষণীয়।
যানজট নিরসনসহ রাজধানী ঢাকার সামগ্রিক জীবনযাত্রা উন্নত করার লক্ষ্যে সুদূরপ্রসারী মহাপরিকল্পনা প্রয়োজন। কিন্তু এ মুহূর্তে যানজট যে সংকটরূপে দেখা দিয়েছে, তা যাতে আরও তীব্র না হয়, বরং একে সহনীয় মাত্রায় কমিয়ে আনার জন্য আশু কিছু পদক্ষেপ নেওয়া একান্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। তাত্ক্ষণিকভাবে কিছুই করার নেই, এমনটি মোটেও নয়। অবস্থার উন্নতির জন্য কিছু পদক্ষেপ অবশ্যই ফলপ্রসূ হতে পারে, যা নেওয়া হচ্ছে না।
যেমন, যে পরিমাণ রাস্তাঘাট রয়েছে তার সর্বোচ্চ ও সুশৃঙ্খল ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হলে যানজটের চাপ অবশ্যই কিছুমাত্রায় কমবে। সে জন্য রাস্তার দুই পাশে যানবাহন পার্ক করে রাখা বন্ধ করা দরকার। অবৈধ পার্কিং প্রতিরোধের জন্য কঠোর অভিযান শুরু করা উচিত। অবৈধ পার্কিংয়ের দায়ে গাড়ি আটক ও উচ্চহারে জরিমানা আদায়ের বিধান করে তা দ্রুত কার্যকর করা হলে এ প্রবণতা অবশ্যই কমে যাবে। দ্বিতীয়ত, পুরোনো, বাতিল, লাইসেন্সবিহীন, ফিটনেস সার্টিফিকেটহীন যানবাহন আটকের লক্ষ্যে অভিযান জোরদার করা হলে রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যা অনেকাংশে কমে যাবে। এতেও যানজটের চাপ কিছুটা লাঘব হবে। তৃতীয়ত, রাস্তার পাশের ফুটপাত দখলমুক্ত করে মানুষের হাঁটাচলার উপযোগী করা হলে অনেক মানুষ স্বল্প দূরত্বে হেঁটেই চলাচল করবে। এতেও যানজটের চাপ কিছুটা কমবে। এ ছাড়া ফুটপাতের ওপর দিয়ে মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল চালানো বন্ধ করতে হবে। হাঁটাচলার উপযোগী ফুটপাত থাকলে মানুষের হাঁটার অভ্যাস বাড়বে। ফলে রিকশার ব্যবহারও কমে যাবে। চতুর্থত, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় লোকবল বাড়িয়ে, উন্নত প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের কর্মদক্ষতা বাড়ানো প্রয়োজন, যাতে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে শৃঙ্খলা ফিরে আসে। স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যালিং ব্যবস্থার প্রযুক্তিগত হালনাগাদকরণও প্রয়োজন হতে পারে। তবে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এ ব্যবস্থার পরিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এসব পদক্ষেপ নিলে অবশ্যই রাজধানীর যানজট পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হবে
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিজয় মালিয়ার মদ নিয়ে বিব্রত ভারতীয় সাংসদেরা
বিজয় মালিয়াকে লেখা চিঠিতে প্রভাত ঝা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দেওয়ালির উপহার হিসেবে মালিয়া যা পাঠিয়েছেন, এর সঙ্গে তাঁর দৈনন্দিন অভ্যাসের কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি মালিয়াকে ভারতীয় সমাজ ও মূল্যবোধ সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘আপনি আমাকে দেওয়ালির উপহার হিসেবে শুভ কামনা থেকে এ বোতলটি পাঠালেও এ শুভেচ্ছা ভারতীয় সমাজ ও এর সংস্কৃতি কখনোই সমর্থন করে না।’
একজন সাবেক সদস্য হিসেবে বিজয় মালিয়ার রাজ্যসভার মর্যাদা সম্পর্কে ধারণার কড়া সমালোচনা করে চিঠিতে প্রভাত ঝা লিখেছেন, ‘রাজ্যসভার একজন সাবেক সদস্য হিসেবে এর সদস্যদের কাছে এ ধরনের উপহার পাঠানোর আগে আপনার সভার মর্যাদা সম্পর্কে সতর্ক হওয়া উচিত ছিল।’ বিজয় মালিয়ার উপহার দেওয়া মদ গ্রহণ ভারতের সংসদীয় রীতিনীতি ও আইন বিরুদ্ধ—এ কথা প্রভাত ঝা চিঠিতে উল্লেখ করে বলেন, ‘আমি সত্যিই অবাক হয়েছি, এ ধরনের উপহার পাঠানোর আগে আপনি এ সম্পর্কে আমাকে অবগত করেননি।’
বিজয় মালিয়ার কাছ থেকে উপহার হিসেবে মদ পেয়ে আরও বেশি বিব্রত হয়েছেন রাজ্যসভার সদস্যরা। কারণ, ভারতের সরকার প্রকাশ্যে মদ পানের ওপর জরিমানা আরোপের চিন্তাভাবনা করছে, যা রাজ্যসভায় কয়েকবারই আলোচিত হয়েছে। প্রভাত ঝা বিজয় মালিয়ার এ উপহার ফিরিয়ে দেওয়ার কারণ হিসেবে বলেছেন, ‘যেহেতু প্রকাশ্যে মদপানের জন্য জরিমানা আরোপের বিধান নিয়ে রাজ্যসভায় আলোচনা হচ্ছে, তাই আমি এ উপহার দেওয়া মদ গ্রহণ করে নিজের ঘরে প্রশ্নবিদ্ধ হতে চাইনি।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নোবেল পাওয়ার মতো কিছুই করেননি ওবামা: শাভেজ
ওবামা এবার শান্তিতে নোবেল বিজয়ের পর শাভেজ তাঁর প্রতিক্রিয়ায় গত রোববার বলেন, ‘খবরটা শুনে প্রথমে আমার বিশ্বাস হয়নি; মনে হেয়েছে একটা ভুল সংবাদ শুনছি। নোবেল শান্তি জয় করার মতো কী কাজ করেছেন ওবামা?’
শাভেজ বলেন, জুরি বোর্ড ওবামার পরমাণু অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ার আশাবাদের ওপর ভিত্তি করেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ব্যাপারটা এই রকম: একজন বেসবল খেলোয়াড় মাঠে নামার আগেই হুঙ্কার দিলেন, ৫০০ ব্যাটসম্যানকে ধরাশায়ী করে ৫০টা গেম জিতে নেবেন। ওই হুঙ্কারকে ভিত্তি করেই তাঁকে পুরস্কৃত করা হলো। তিনি বলেন, নোবেল কমিটি ভুলে গেছে, ওবামা ইরাক ও আফগানিস্তানে অগণিত সেনা সমাবেশ করছেন। কলাম্বিয়ায় নতুন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের কথাও তারা ভুলে গেছে।
শাভেজ বলেন, ‘এমন একজনকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হলো, যিনি ওই পুরস্কারের যোগ্যতা অর্জনে কিছুই করেননি। শুধু আশাবাদ আর স্বপ্নের জন্য একজনকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হলো; যে স্বপ্নপূরণে এখনো পাড়ি দিতে হবে বহুদূরের পথ।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গৃহায়ণ খাতে ঋণের সুদহার ১৩%
কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তিতে সম্প্রতি গৃহায়ণ খাতে বিতরণ করা ঋণের সুদহার ১৩ শতাংশ হবে বলে স্পষ্ট করে দিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইতিপূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা সুদ নীতিমালায় গৃহায়ণ খাতকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ খাতে অর্থায়নের জন্য সর্বোচ্চ সুদহার ১৩ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফেনীর দাগনভূঞায় মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ৪৩তম শাখা উদ্বোধন
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) এ কে এম শহীদুল হক। অনুষ্ঠানে দাগনভূঞার উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল কবির, রাজনৈতিক নেতা মাস্টার কামাল উদ্দিন, ব্যাংকের ফার্স্ট ভাইস চেয়ারম্যান এম এস আহসান, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান আলহাজ আকরাম হোসেন, পরিচালকদের মধ্যে প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনসুরুজ্জমান, এ এস এম ফিরোজ আলম, এ কে এম শাহিদ রেজা, মোরশেদ আলম, মো. সাহাব উদ্দিন আলম, আলহাজ মোশারফ হোসেন এবং এস এম শফিকুল ইসলাম ও শাখা ব্যবস্থাপক মো. সোহরাব হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এসএমই উন্নয়নে ৫৩২ কোটি টাকা ঋণ পেল সরকার
গতকাল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) ও এডিবির মধ্যে সাত কোটি ৬০ লাখ ডলারের (প্রায় ৫৩২ কোটি টাকা) এ ঋণচুক্তি স্বাক্ষর হয়।
সরকারের পক্ষে ঋণচুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ইআরডির সচিব মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন ভূঁইয়া। এডিবির পক্ষে স্বাক্ষর করেন ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর নুরুল হুদা।
এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর এডিবির বোর্ডে এ ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। এ ঋণ মূলত ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাইরে বিভিন্ন জেলার যেসব ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প আছে, সেগুলোর অর্থায়নে ব্যবহার করা হবে।
সরকারকে এ ঋণ ৩২ বছর মেয়াদে পরিশোধ করতে হবে। আট বছর ঋণের কোনো আসল পরিশোধ করতে হবে না। এ সময়ে সুদ দিতে হবে বছরে এক শতাংশ হারে। পরে দেড় শতাংশ হারে সুদসহ আসল পরিশোধ করতে হবে।
এডিবি মনে করে, এ প্রকল্প দেশের পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে আয়ের বৈষম্য কমাতেও সহায়তা করবে। বাংলাদেশের বেশির ভাগ উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দেশের দুটি প্রধান শহর ঢাকা ও চট্টগ্রামকেন্দ্রিক হওয়ায় অন্যান্য অঞ্চলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড দুর্বল ও দরিদ্র মানুষের সংখ্যাও বেশি।
এডিবি থেকে পাওয়া অর্থের বেশির ভাগই পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে ব্যবহার করা হবে। ওই অর্থের ১৫ ভাগ মহিলা উদ্যোক্তাদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুগন্ধি চাল রপ্তানিতে সরকার আগ্রহী নয়
গতকাল সোমবার সচিবালয়ে বাংলাদেশ চাল রপ্তানিকারক সমিতির চার সদস্যের এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সরকারের এমন মনোভাবের কথা জানিয়ে দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান।
সমিতির সভাপতি শাহ আলম প্রতিনিধিদলটির নেতৃত্ব দেন। তবে বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী ও রপ্তানিকারকদের কেউ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি।
বৈঠক সূত্র জানায়, বাণিজ্যমন্ত্রী রপ্তানিকারকদের জানিয়ে দিয়েছেন, চাল রপ্তানি না করার সিদ্ধান্তেই তিনি অটল। বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ হাজার টন চাল রপ্তানি করতে পারলে হয়তো ১০০ লোকের উপকার হবে। কিন্তু ক্ষতি হবে ১৫ কোটি মানুষের।
সূত্রমতে, বাণিজ্যমন্ত্রী রপ্তানিকারকদের বলেছেন, চালের মূল্য এখন যে বাড়তির দিকে, এর অন্যতম কারণ হচ্ছে ১০ হাজার টন সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমতি দেওয়া। সুতরাং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোনো চালই আর রপ্তানির পক্ষে নয় সরকার।
চাল রপ্তানি বিষয়ে গত ২৫ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-১ অধিশাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে মাত্র চার মাসের জন্য অর্থাত্ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ১০ হাজার টন সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়। এর আগে গত জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে খাদ্যমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সুগন্ধি চাল রপ্তানির।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রজ্ঞাপনের পর চাল রপ্তানির জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন জমা পড়ে ১২০টি। আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চার সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়। কিন্তু চালের দর বাড়তে থাকায় সরকার চাল রপ্তানি না করার পক্ষে অবস্থান নেয়।
এদিকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, দুই মাস ধরে শুধু সুগন্ধি নয়, সব ধরনের চালের দরই কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা বেড়েছে।
যেসব চাল রপ্তানির কথা বলা হয়েছিল, সেগুলো হচ্ছে কালিজিরা, চিনিগুঁড়া, বাদশাভোগ, দুলাভোগ, কাটারীভোগ, রাঁধুনীপাগল, জটাবাসফুল, কুলশীমালা, বিআর-৫, বিআর-৩৪, বিআর-৩৭ ও বিআর-৩৮।
যোগাযোগ করলে চাল রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি শাহ আলম প্রথম আলোকে জানান, অন্য চালের দাম বেড়ে যাওয়ার কথা বলে বাণিজ্যমন্ত্রী সুগন্ধি চাল রপ্তানির ব্যাপারে নেতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন। তবে সীমিত আকারে রপ্তানির কথা বিবেচনারও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
শাহ আলম আরও জানান, ‘দেশে অনেক সুগন্ধি চাল উদ্বৃত্ত রয়েছে। এগুলো রপ্তানি হওয়া দরকার। আশা করছি, সুগন্ধি চাল রপ্তানির সুযোগ দেবে সরকার।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোনো অজুহাতে দারিদ্র্য নিরসন কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত করা যাবে না- সংবাদ সম্মেলনে দারিদ্র্যবিরোধী মঞ্চের দাবি
বরং এই বাস্তবতাগুলো সামনে রেখেই দারিদ্র্য নিরসন কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে হবে। ২০১৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার যে অঙ্গীকার সরকার করেছিল, এ বাস্তবায়ন করতে হবে।
এ জন্য অতি দরিদ্র মানুষের জন্য কেবল সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় খাদ্য সাহায্য না দিয়ে প্রত্যেকটি মানুষ যাতে ন্যূনতম জীবন ধারণের ব্যবস্থা করতে পারে, সে জন্য ন্যায্য মজুরিসহ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।
গতকাল সোমবার সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান (সুুপ্র) ও অন্যান্য নাগরিক সংগঠনের উদ্যোগে গঠিত ‘দারিদ্র্যবিরোধী মঞ্চ’ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। ১৭ অক্টোবর আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য নিরসন দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে সুুপ্রসহ ১৬টি নাগরিক সংগঠন একত্র হয়ে ‘দারিদ্র্যবিরোধী মঞ্চ’ গঠন করেছে। এই মঞ্চ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর সাত দিনব্যাপী প্রচারাভিযান কর্মসূচি ঘোষণা করে।
জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন গভর্নেন্স কোয়ালিশনের সমন্বয়কারী মহসিন আলী। কর্মসূচি ঘোষণা করেন সুপ্র সভাপ্রধান আবদুল আউয়াল। সঞ্চালনায় ছিলেন ইনসিডিন বাংলাদেশের পরিচালক রতন সরকার।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সমপ্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনের আলোকে এমডিজির অগ্রগতি উপস্থাপন করেন ইউএন মিলেনিয়াম ক্যাম্পেইনের মনীষা বিশ্বাস ও পিপলস ফোরাম অন এমডিজির তাসনিম আতহার।
আয়োজকদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের আসগর আলী সাবরী, ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গারের জহিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ উন্নয়ন পরিষদের নিলুফার বানু, অঙ্গীকার বাংলাদেশের মো. হিলাল উদ্দিন, স্টেপস টুয়ার্ডস ডেভেলপমেন্টের রঞ্জন কর্মকার, ওয়াটার এইডের শায়লা শহীদ, সাক্ষরের শামসুন্নাহার আজিজ লীনা ও সুপ্রর পরিচালক উমা চৌধুরী।
সংবাদ সম্মেলনে মনীষা বিশ্বাস বলেন, বাংলাদেশে সরকারের হিসাব অনুসারেই ২০০৯ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে এমডিজি অর্জনের জন্য প্রয়োজন মোট সাত হাজার ১২৫ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন টাকা, যা ২০০৯ সালে মাথাপিছু দাঁড়ায় প্রায় পাঁচ হাজার ১১৫ টাকা। এই টাকা বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশগুলোর সরকারের পক্ষে বরাদ্দ করা সম্ভব নয়। এ জন্য দাতা দেশগুলোর প্রতিশ্রুত তাদের জাতীয় আয়ের দশমিক ৭০ শতাংশ গরিব দেশগুলোকে শর্তহীনভাবে দিতে হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুটি নীতিনির্ধারণী সুদের হার কমিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংক রেপোর নতুন সুদ হার ৪ দশমিক ৫ শতাংশ ও রিভার্স রেপোর সুদের হার ২ দশমিক ৫ শতাংশে পুনর্নির্ধারণ করেছে। এর আগে রেপোতে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ ও রিভার্স রেপোতে সুদের হার ছিল ৬ দশমিক ৫ শতাংশ।
তবে চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে অর্থাত্ সাত মাস ধরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিভার্স রেপোতে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে কোনো অর্থ ধার করত না। আর ব্যাংকগুলোতে বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত নগদ অর্থ থাকায় তারা রেপো নিলামে টাকা ধার করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে যেত না।
ব্যতিক্রম হিসেবে গত ঈদুল ফিতরের আগে কোনো কোনো ব্যাংক যখন নগদ অর্থের টানাপোড়েনের মধ্যে ছিল, তখন তারা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ সুদে রেপো নিলামে অর্থ ধার করে।
যোগাযোগ করা হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, মুদ্রা ব্যবস্থাপনার আওতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা কমে আসবে বলেও মনে করেন তিনি।
বাংলাদেশ ব্যাংক রেপো ও রিভার্স রেপোর সুদের হার কমালেও এখন পর্যন্ত ট্রেজারি বিলের সুদের হার অপরিবর্তিত রয়েছে।
তবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তহবিল ব্যবস্থাপকদের ধারণা, ৯১ দিন মেয়াদের ট্রেজারি বিলের সুদের হার কিছুটা বাড়তে পারে। বাকি বিল ও বন্ডের ক্ষেত্রে উল্টোটা অর্থাত্ কমতেও পারে। বর্তমানে ৯১ দিন মেয়াদের ট্রেজারি বিলের সুদের হার ২ দশমিক ১ শতাংশ, ১৮২ দিনের ৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ, ৩৬৪ দিনে সুদের হার ৪ দশমিক ৬০ শতাংশ রয়েছে। এর বাইরে ৫, ১০, ১৫ ও ২০ বছর মেয়াদি সরকারি বন্ডও রয়েছে। এ ছাড়া বাজারে ৩০ দিন মেয়াদি বাংলাদেশ ব্যাংক বিল রয়েছে, গত সপ্তাহের এর সুদের হার ছিল এক শতাংশ।
প্রসঙ্গত, ট্রেজারি বিল ও বন্ড হলো ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের টাকা ধার করার উপাদান। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই বিল ও বন্ড দিয়ে সরকারের ঋণ করে দেওয়ার পাশাপাশি মুদ্রাবাজারে অর্থ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। আর বাংলাদেশ ব্যাংক বিল শুধু মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যবহূত হয়।
এই ট্রেজারি বিল বা বন্ডের বিপরীতে ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে রেপোতে টাকা ধার করতে ও রিভার্স রেপোতে বাংলাদেশ ব্যাংকে টাকা খাটাতে পারে। একই সঙ্গে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিধিবদ্ধ জমা বা এসএলআর (স্টেটিউটরি লিক্যুডিটি রিকোয়ারমেন্ট) সংরক্ষণের জন্য এই বিলে অর্থ খাটানোর প্রয়োজন পড়ে।
সাত মাস আগে বাংলাদেশ ব্যাংক যখন রিভার্স রেপোতে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে টাকা ধার করা বন্ধ করে দেয় তখন উদ্দেশ্য ছিল বাজারে মুদ্রা সরবরাহ বাড়িয়ে সুদের হার কমিয়ে আনা। আর এখন সেই অর্থ তুলে নেওয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দৃষ্টিভঙ্গি হলো অতিরিক্ত তারল্য বাজার থাকায় মূল্যস্ফীতির চাপকে প্রশমিত করা যাবে।
বাজারে বেশি অর্থ থাকায় স্বভাবতই ব্যাংকগুলো নানা ধরনের ভোক্তা ঋণসহ বিভিন্ন ধরনের ঋণ দিতে চাইবে। ফলে মূল্যস্ফীতিতে চাপ আসতে পারে।
কিন্তু বাজার থেকে অর্থ তুলে নিলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপ বর্তমান মুদ্রানীতির আদলেই থাকছে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী বলেন, ‘মূল্য পরিস্থিতির ওপর কোনো চাপ দেখা দিলে প্রয়োজন হলে আবারও এই হারে পরিবর্তন আনা হবে। আর সুদের হারে এর কোনো প্রভাব পড়বে না।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঘাটতি মোকাবিলায় এডিবি থেকে চড়া সুদে পাঁচ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার- আজ অনুমোদন হতে পারে বাংলাদেশের প্রস্তাব
জানা গেছে, এডিবির বোর্ডে বাংলাদেশের জন্য প্রায় ৭৫ কোটি ডলার বা পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণের প্রস্তাবটি অনুমোদন পাবে। ইতিমধ্যেই সরকার ও এডিবির মধ্যে অনানুষ্ঠানিক সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে।
জানা গেছে, বাজেটের সহায়তা হিসেবে ২৪ কোটি ৪৮ লাখ ডলারের ঋণ নেওয়া হবে। এর মধ্যে ১০ কোটি ডলার পাওয়া যাবে সহজ শর্তে। আর বাকি ১৪ কোটি ডলার নিতে হবে কঠিন শর্তে। এর বাইরে বাড়তি আরও ৫০ কোটি ডলারের ঋণ নেওয়া হবে মন্দা মোকাবিলার জন্য এডিবির বিশেষ তহবিল থেকে। সব মিলিয়ে ৭৪ কোটি ৪৮ লাখ ডলার বা স্থানীয় মুদ্রায় পাঁচ হাজার ১৪০ কোটি টাকার ঋণ নিতে যাচ্ছে সরকার।
এ ঋণ নিলে বাংলাদেশ সরকারকে লন্ডনের আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারের কলমানির (একটি ব্যাংককে সীমিত সময়ের জন্য যে হারে অর্থ ধার দেওয়া হয়) হারে সুদ দিতে হবে। এর সঙ্গে যুক্ত হবে এডিবির দুই শতাংশ তহবিল খরচ ও শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ ‘কমিটমেন্ট চার্জ’। এতে মোট সুদের হার পাঁচ থেকে সাত শতাংশ পর্যন্ত পড়বে।
আবার এ ঋণ পরিশোধের সময়কালও হবে মাত্র পাঁচ বছর এবং আসলের সুদ কিস্তি পরিশোধের ক্ষেত্রে ছাড়ও পাওয়া যাবে মাত্র তিন বছর।
জানা যায়, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাব মোকাবিলার জন্য এডিবি উন্নয়নশীল সদস্য দেশগুলোকে সহায়তা দিতে ৩০০ কোটি ডলারের একটি তহবিল গঠন করে। এ তহবিল থেকে ঋণ-সহায়তা নিতে আগ্রহী সদস্য দেশগুলোকে গত ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে অনুরোধ পাঠাতে বলে এডিবি। সে অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে এরই মধ্যে এ তহবিল থেকে ৫০ কোটি ডলারের ঋণসুবিধা পাওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এ ঋণ নেওয়ার ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে যে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, এডিবির অর্ডিনারি ক্যাপিটাল রিসোর্সেস বা সংক্ষেপে ওসিআর (এ ঋণও অনেকটা বাণিজ্যিক ঋণের মতো) ঋণের তুলনায় এটি অনমনীয় হলেও চলতি অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি মোকাবিলায় অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজনীয়তা থাকায় সুযোগ গ্রহণ করে সংস্থাটির কাছে সর্বোচ্চ ৫০ কোটি ডলারের ঋণসুবিধা নেওয়ার প্রস্তাব পাঠানো যেতে পারে।
এদিকে অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বেঁধে দেওয়া সীমা অনুসারে বাংলাদেশ বছরে ২৫ কোটি ডলারের বেশি কঠিন শর্তের ঋণ (হার্ড টার্ম লোন) নিতে পারবে না। যেসব ঋণের জন্য বছরে পাঁচ শতাংশের বেশি হারে সুদ দিতে হয়, সেগুলোকে কঠিন শর্তের ঋণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে এডিবির বোর্ড সভায় এ ঋণের অনুমোদন পেলে তাকে কঠিন শর্তের ঋণের আওতা থেকে অব্যাহতিও দেওয়া হতে পারে।
২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত এডিবি বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পে যেসব ঋণ দিয়েছে, এর অর্ধেকই এসেছে চড়া সুদের তহবিল থেকে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জয় দিয়ে সফর শেষ ‘এ’ দলের
জয় দিয়ে শেষ হলো বাংলাদেশ ‘এ’ দলের মহারাষ্ট্র সফর। কাল পুনে ক্লাব মাঠে শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে স্বাগতিক মহারাষ্ট্র দলকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে হান্নান সরকারের দল।
প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৩৬ রান করেছিল মহারাষ্ট্র। বাংলাদেশ ‘এ’ দলের শাহাদাত হোসেন, ডলার মাহমুদ ও ফয়সাল হোসেন ২টি করে উইকেট পেয়েছেন। জবাবে ‘এ’ দল ৫ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছেছে ৪ বল বাকি থাকতে। অধিনায়ক হান্নান ৩৯ বলে অপরাজিত ৫৩ রান করেছেন। সোহরাওয়ার্দী অপরাজিত ২০ ও শামসুর রহমান ১৭ রান করেছেন। আজ বিকেলে ‘এ’ দলের ঢাকায় ফেরার কথা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সর্বকালের সেরা নিউজিল্যান্ড টেস্ট দলে বন্ড-ভেট্টোরি
সর্বকালের সেরা নিউজিল্যান্ড একাদশ: গ্লেন টার্নার, স্টিউয়ি ডেম্পস্টার, বার্ট সাটক্লিফ, মার্টিন ক্রো, মার্টিন ডোনেলি, জন রিড, রিচার্ড হ্যাডলি, ড্যানিয়েল ভেট্টোরি, ইয়ান স্মিথ, শেন বন্ড, জ্যাক কাউয়ি। দ্বাদশ ব্যক্তি—ক্রিস কেয়ার্নস।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোনালদোকে ‘জোর করে’ খেলানোয় ক্ষুব্ধ রিয়াল
এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ রিয়াল মাদ্রিদ। স্পেনের শীর্ষ ক্রীড়া দৈনিক মার্কা লিখেছে, ‘মাদ্রিদ হতাশ। তারা মনে করে, পর্তুগালের উচিত হয়নি রোনালদোকে জোর করে মাঠে নামানো।’ রিয়ালের একটি সূত্র পত্রিকাটিকে বলেছে, তাঁকে খেলানোটা ছিল অপরিণামদর্শী। হয়তো পর্তুগালের কোনো উপায় ছিল না, কিন্তু তার পরও এটা অপরিণামদর্শী একটা কাজ হয়েছে। রিয়ালের ক্ষুব্ধ হওয়াটাই স্বাভাবিক। আগামী ২১ অক্টোবর ও ৩ নভেম্বর চ্যাম্পিয়নস লিগে এসি মিলানের সঙ্গে কঠিন দুটি ম্যাচে রোনালদোকে পাচ্ছে না তারা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হকির দলবদলের সময় আরও বাড়ল
কালকের সভায় ক্লাব কাপের তারিখও চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী ২০ নভেম্বর শুরু হবে ক্লাব কাপ হকি। ক্লাব কাপ শেষ হওয়ার পাঁচ দিন পরই শুরু হতে পারে এবারের লিগ।
ক্লাবগুলোর প্রতিনিধি হিসেবে সভায় উপস্থিত থাকা আবাহনীর হকি কর্মকর্তা শহীদুল্লাহ জানিয়েছেন, ‘এত দিন চলতে থাকা জটিলতার দায় লিগ কমিটি স্বীকার করে নিয়েছে। ভবিষ্যতে এ রকম ভুল আর হবে না বলে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে তারা।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাল শুরু ‘রঙিন’ প্রিমিয়ার টি-টোয়েন্টি
লিগ হবে দুই গ্রুপে। ‘এ’ গ্রুপের ছয় দল গতবারের টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান, বিমান, নবাগত খেলাঘর, পারটেক্স, বিকেএসপি ও ভিক্টোরিয়া। ‘বি’ গ্রুপে আছে গতবারের রানার্সআপ গাজী ট্যাংক, ওল্ড ডিওএইচএস, কলাবাগান, আবাহনী, সূর্যতরুণ ও সিসিএস। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম, ধানমন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও ফতুল্লা স্টেডিয়াম—তিন ভেন্যুতে প্রতিদিন খেলা হবে মোট ছয়টি করে। ২০ অক্টোবর মিরপুর স্টেডিয়ামেই দুটি সেমিফাইনাল, পরদিন ২১ অক্টোবর একই মাঠে হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ও ফাইনাল। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল দেশ টিভি টি-টোয়েন্টি লিগের দুটি সেমিফাইনাল ও ফাইনালসহ মোট ৮টি ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করবে। রেডিও ফুর্তি আয়োজন করবে কুইজ প্রতিযোগিতার। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে গ্যালারি উন্মুক্ত থাকলেও দুটি সেমিফাইনাল ও ফাইনালে টিকিট কেটে ঢুকতে হবে মাঠে। এই তিন ম্যাচে দর্শকদের জন্য থাকবে র্যাফল ড্রর মাধ্যমে আকর্ষণীয় পুরস্কার।
২০ লাখ টাকায় লিগের স্পনসর হয়েছে পারটেক্স বেভারেজের এনার্জি ড্রিংক বিগ বস। তবে লিগের মোট বাজেট প্রায় ২৯ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সিসিডিএম। এর মধ্যে ১৩ লাখ টাকার মতো খরচ হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, আতশবাজির উত্সবসহ অন্যান্য পার্শ্ব আয়োজনে। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে লিগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ১২টি দল ক্লাবের পতাকা নিয়ে মাঠ প্রদক্ষিণ করবে। প্রতিটি ম্যাচের বিরতিতে সংগীত পরিবেশন করবেন শিল্পীরা, থাকবে ডিস্ক জকি। ফাইনালের দিন হবে কনসার্ট।
যে রকম জাঁকালো আয়োজন, তাতে এবারের টি-টোয়েন্টি লিগে হয়তো অনেক কিছুই চোখে পড়বে। কিন্তু লিগ শুরুর আগেই যে চোখ আটকে যাচ্ছে প্রাইজমানির বিবিধ অসামঞ্জস্যে! লিগের দলীয় প্রাইজমানিগুলো এ রকম—চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২ লাখ টাকা, রানার্সআপ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, তৃতীয় স্থানে থাকা দল ১ লাখ টাকা ও চতুর্থ স্থানের দল ৭৫ হাজার টাকা। দেশের শীর্ষ টি-টোয়েন্টি লিগের চ্যাম্পিয়ন-রানার্সআপদের পুরস্কার মূল্য এত কম কেন সেটা যেমন প্রশ্ন, তেমনি বিস্ময়কর ব্যক্তিগত প্রাইজমানিগুলোর ব্যবধানও। ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট যিনি হবেন, তিনি পাবেন তৃতীয় স্থান পাওয়া দলের সমান ১ লাখ টাকা! আবার গ্রুপ পর্বের প্রতি ম্যাচের ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার ৫ হাজার টাকা করে হলেও সেমিফাইনালে সেটা ২৫ হাজার করে এবং ফাইনালে বেশি দশ গুণ—মানে ৫০ হাজার টাকা! এ ছাড়া স্পনসরদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ছক্কা মারা ব্যাটসম্যান, সেরা ব্যাটসম্যান, দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরিয়ান, সেরা বোলারকেও দেওয়া হবে ১ লাখ টাকা করে। আর লিগে অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে বিসিবি এবার অংশগ্রহণ সম্মানী দিচ্ছে ৫০ হাজার টাকা করে।
গ্রুপ পর্বে যে পাঁচটি দিবারাত্রির ম্যাচ তার দুটিই আবাহনীর। গতবারের চ্যাম্পিয়ন মোহামেডানের দিবারাত্রির ম্যাচ মাত্র একটি কেন, সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন উঠেছিল এটা নিয়ে। জবাবে সিসিডিএম চেয়ারম্যান ও আবাহনী কর্মকর্তা জি এস হাসান তামিম বলেছেন, ব্যাপারটা উদ্দেশ্যমূলক নয়। ফরম্যাট মেনেই করা হয়েছে ফিকশ্চার। আর ফরম্যাট করা হয়েছে সব দলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে। প্রশ্ন উঠেছে ফ্লাডলাইটের আলোয় খেলা আয়োজন নিয়েও। বিদ্যুত্সংকটের মৌসুমে এই আয়োজন বিলাসিতা নয় তো? সিসিডিএম চেয়ারম্যানের বক্তব্য, ‘ক্রিকেটের স্বার্থে এর জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্যই এই উদ্যোগ।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চীনে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস পরীক্ষা করার বিধানটি থাকছে না- চাকরিপ্রত্যাশী ও শিক্ষার্থী
সিনহুয়া বলেছে, চীনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাধারণ কার্যালয়ের উপপরিচালক ডেং হাইহুনা বলেছেন, সরকার শিগগিরই বাধ্যতামূলকভাবে হেপাটাইটিস-বি পরীক্ষার আইন বন্ধের নির্দেশ দেবে। তাঁকে উদ্ধৃত করে সিনহুয়া বলেছে, ‘হেপাটাইটিস-বি আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি অন্যের জন্য হুমকি নয়। বাধ্যতামূলক পরীক্ষার নির্দেশ উঠিয়ে নিলেও এই রোগের প্রাদুর্ভাব হবে না।’
এই রায়ের ফলে চীনে ২০০৮ সালে প্রণীত নতুন চাকরি আইনের বাস্তবায়ন ঘটল। ওই আইনে কোনো সংক্রমণজাতীয় রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে বৈষম্য না করার বিধান রয়েছে।
হংকংভিত্তিক চীনের শ্রম বুলেটিনের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, গত মে মাসে একটি ডিজাইন কোম্পানি একজনকে চাকরি দিয়েও পরে তা প্রত্যাহার করে নেয়। কারণ ওই চাকরিপ্রার্থী হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন। পরে ওই কোম্পানিকে এই চাকরিপ্রার্থীকে ২০ হাজার উয়ান (প্রায় তিন হাজার মার্কিন ডলার) জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের গ্রেপ্তার দাবি করেছেন মমতা
গতকাল রোববার বিকেলে মমতা কলকাতার কালিঘাটের তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন।
মমতা বলেন, হুগলির আরামবাগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। সেখানে সিপিএমের অস্ত্রধারী বাহিনী তৃণমূলের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। আরামবাগের পরিস্থিতি নন্দীগ্রাম ও সিঙ্গুরের চেয়েও ভয়াবহ।
তাই মমতা মুখ্যমন্ত্রীকে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিতে কাল সোমবার ও পরশু মঙ্গলবার রাজ্যব্যাপী তৃণমূলের ডাকে সভা-সমাবেশ এবং বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। মমতা বলেন, তিনি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কথা জানিয়ে বার্তা পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিবের কাছে। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই অবনতির জন্য দায়ী স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে অবিলম্বে এই রাজ্য থেকে বিদায় করে দেওয়ার জন্য তিনি আন্দোলনে নামছেন।
মমতা দাবি করেন, বুদ্ধদেব গ্রেপ্তার হলেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে। সন্ত্রাস থাকবে না। মাওবাদী আন্দোলন বন্ধ হয়ে যাবে।
মমতা কটাক্ষ করে বলেন, রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব আজ যেন হয়ে উঠেছেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক। মুখ্য সচিব হয়ে উঠেছেন সিপিএমের মুখ্য উপদেষ্টা। তাই এই সরকারের অবিলম্বে বিদায় হওয়া দরকার।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নকশালবাদ ভারতের সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ হুমকি: মনমোহন সিং
নকশাল সমস্যার অন্যতম কারণ হিসেবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধীরগতির কথা উল্লেখ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ সমস্যার কারণ খুঁজে বের করতে হবে। বিশেষ করে আদিবাসীরা কেন মূল জনগোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে, তা জানার চেষ্টা করতে হবে।
কোনো গোষ্ঠী এককভাবে আইন হাতে তুলে নিতে পারে না জানিয়ে মনমোহন বলেন, মাওবাদীদের বিরুদ্ধে সরকার সশস্ত্র বাহিনী ব্যবহার করতে চায় না। তিনি আরও বলেন, মাওবাদীদের সঙ্গে অন্য কোনো সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর সম্পর্ক থাকার বিষয়ে কোনো বিশ্বাসযোগ্য তথ্য এ মুহূর্তে তাঁর সরকারের কাছে নেই। নকশালবাদীদের সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করার কোনো প্রস্তাবও করা হয়নি। তিনি জানান, বেআইনি কর্মকাণ্ড (প্রতিরোধ) আইনের অধীনে মাওবাদীদের নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মনমোহন সিং জানান, তাঁর সরকার মাওবাদী এবং জম্মু ও কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে আলোচনা করতে প্রস্তুত। তিনি আরও ঘোষণা করেন, ভারতীয় সরকার মাওবাদী গেরিলাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তবে বিদেশি শক্তির হুমকি সম্পর্কে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাতাসে সব সময়ই এ ধরনের গুজব শোনা যায়। কিন্তু এ মুহূর্তে এ ব্যাপারে কোনো নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্য আমাদের হাতে নেই।’
গত বছর মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসী হামলা সম্পর্কে মনমোহন বলেন, ‘পাকিস্তান স্বীকার করেছে, সে দেশের নাগরিকেরা ভারতে সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে জড়িত। এটা একটি বড় অগ্রগতি বলে আমি মনে করি।’ মুম্বাই হামলায় জড়িত সন্ত্রাসী এবং মূল পরিকল্পনাকারী পাকিস্তানি নাগরিকদের বিচার ও সাজা দেওয়ার জন্য পাকিস্তান সরকারের প্রতি দাবি জানান তিনি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শান্তির নোবেল নিয়ে যত বিতর্ক
ওবামাকে ওই পুরস্কার দেওয়া ঠিক হয়েছে কি হয়নি, তা সময়ই প্রমাণ করবে। তবে নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে এবারই যে প্রথম বিতর্ক উঠল তা নয়, এর আগেও বেশ কয়েকবার নোবেলজয়ীদের নিয়ে এমন বিতর্ক উঠেছিল। উল্লেখযোগ্য সে ঘটনার কয়েকটি এখানে তুলে ধরা হলো:
থিওডর রুজভেল্ট (১৯০৫): রাশিয়া-জাপান যুদ্ধের সময় শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখায় প্রথম রাজনীতিক হিসেবে রুজভেল্ট ওই পুরস্কার পান। অথচ সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট যুদ্ধবাজ নেতা হিসেবেই বেশি পরিচিত ছিলেন। ১৮৯৮ সালে স্পেন-আমেরিকার যুদ্ধের সময় রুজভেল্ট কিউবায় একটি রেজিমেন্টের নেতৃত্ব দেন। এরপর ক্যারিবীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায়ও তিনি সচেষ্ট হয়েছিলেন।
উড্রো উইলসন (১৯১৯): লিগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার জন্য নোবেল পান এই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট। অথচ লিগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ভার্সাই চুক্তির একটি অংশ হিসেবে। এই ভার্সাই চুক্তিই পরে নািসবাদের বীজ বপন করেছিল।
কর্ডেল হাল (১৯৪৫): সাবেক এই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পশ্চিম গোলার্ধে শান্তি প্রতিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে নোবেল পান। অথচ তিনি এসএস সেন্ট লুইস নামের একটি জাহাজ জার্মানিতে ফেরত পাঠিয়েছিলেন। ওই জাহাজে ছিলেন এক হাজার ইহুদি নাগরিক, যাঁদের সবাই নািস শিবিরে নির্যাতনে নিহত হন।
হেনরি কিসিঞ্জার (১৯৭৩): সাবেক মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিসিঞ্জার ১৯৭৩ সালের ভিয়েতনাম শান্তিচুক্তিতে মধ্যস্থতা করায় নর্থ ভিয়েতনামের নেতা লি ডাক থোর সঙ্গে নোবেল পান। বিতর্ক ওঠার পর ওই নোবেল কমিটির দুই সদস্যই পদত্যাগ করেন। থো নোবেল নিতে অস্বীকৃতি জানান। কিসিঞ্জারও আর নোবেল নিতে অসলোতে যাননি।
মেনাচেম বেগিন (১৯৭৮): সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন বিতর্কিত ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য মিসরের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আনোয়ার আল-সাদাতের সঙ্গে নোবেল পান। বেগিন এর আগে ইহুদি জঙ্গি সংগঠন ইরগানের প্রধান ছিলেন। ওই জঙ্গিগোষ্ঠী ১৯৪৬ সালে জেরুজালেমে ব্রিটিশ সেনা সদর দপ্তরে বোমা হামলার জন্য দায়ী। ওই হামলায় ৯১ জন নিহত হয়েছিল।
ইয়াসির আরাফাত, আইজ্যাক রবিন ও শিমন পেরেজ (১৯৯৪): অসলো চুক্তির পর ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের এই তিন ব্যক্তিত্ব মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে নোবেল পান। কিন্তু এই তিনজনের অতীতই বিতর্কিত। ওই সময় বিতর্ক উঠলে নোবেল কমিটির সদস্যরা পদত্যাগ করেছিলেন। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি এখনো সুদূরপরাহত।
আল গোর (২০০৭): বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখায় সাবেক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোরকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। সমালোচকেরা বলেছেন, তাঁর ওই কাজ পুরোপুরি পরিবেশ রক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কি না, এ নিয়েই সংশয় রয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
October
(746)
-
▼
Oct 14
(22)
- রাজনীতি -আব্দুল জলিল এবং ব্যক্তির আত্মমর্যাদা by স...
- ওবামার স্বপ্ন-দুঃস্বপ্ন -রবার্ট ফিস্ক
- ভেজালের বিষচক্র -শাস্তি ও তদারকি কঠোর করা প্রয়োজন
- আবার দুঃসহ যানজট-আশু কিছু পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি
- বিজয় মালিয়ার মদ নিয়ে বিব্রত ভারতীয় সাংসদেরা
- নোবেল পাওয়ার মতো কিছুই করেননি ওবামা: শাভেজ
- গৃহায়ণ খাতে ঋণের সুদহার ১৩%
- ফেনীর দাগনভূঞায় মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ৪৩তম শাখা উদ...
- এসএমই উন্নয়নে ৫৩২ কোটি টাকা ঋণ পেল সরকার
- সুগন্ধি চাল রপ্তানিতে সরকার আগ্রহী নয়
- কোনো অজুহাতে দারিদ্র্য নিরসন কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত ক...
- দুটি নীতিনির্ধারণী সুদের হার কমিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
- ঘাটতি মোকাবিলায় এডিবি থেকে চড়া সুদে পাঁচ হাজার কো...
- জয় দিয়ে সফর শেষ ‘এ’ দলের
- সর্বকালের সেরা নিউজিল্যান্ড টেস্ট দলে বন্ড-ভেট্টোরি
- রোনালদোকে ‘জোর করে’ খেলানোয় ক্ষুব্ধ রিয়াল
- হকির দলবদলের সময় আরও বাড়ল
- কাল শুরু ‘রঙিন’ প্রিমিয়ার টি-টোয়েন্টি
- চীনে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস পরীক্ষা করার বিধানটি থাক...
- বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের গ্রেপ্তার দাবি করেছেন মমতা
- নকশালবাদ ভারতের সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ হুমকি: মনমোহন...
- শান্তির নোবেল নিয়ে যত বিতর্ক
-
▼
Oct 14
(22)
-
▼
October
(746)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...