Tuesday, July 2, 2013
সাম্রাজ্যবাদীদের কৌশল পরিবর্তন by নুরুল ইসলাম বিএসসি
অস্ট্রেলিয়ার কেমার্টসহ বড় বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে দেখলাম বাংলাদেশী বস্ত্রে ভর্তি। ক্রেতারাও কিনছেন। হাইকমিশনারের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, অস্ট্রেলিয়ায় গার্মেন্ট পণ্য রফতানির পরিমাণ ১৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। অস্ট্রেলিয়াসহ ইউরোপের মার্কেটগুলোকে ধরে রাখতে হবে। এমনিতে আমাদের উৎপাদনের ছোট একটি অংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি হয়। মার্কিনিরা যেখানে তাদের কথা শোনা হয় না, সেখানেই নানা কৌশলের আশ্রয় নেয়। মিয়ানমারে এরা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। কাজ হয়নি। মিয়ানমার সরকারকে এক ইঞ্চিও নড়াতে পারেনি। বরং ভারত ও চীন মিয়ানমারে তাদের অবস্থান একচেটিয়া করেছে। সম্প্রতি কিছু করতে ব্যর্থ হয়ে স্বয়ং ওবামা সেখানে গিয়ে হাজির হয়েছিলেন।
আমি আবার বলছি, জিএসপি সুবিধা স্থগিত করা নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। মার্কিনিরা তাদের স্বার্থেই এদেশ থেকে গার্মেন্ট পণ্য কিনবে। এত সস্তা শ্রমিক পৃথিবীর কোনো দেশেই নেই। তদুপরি মানের দিক থেকেও আমাদের দেশের গার্মেন্ট যে কোনো উন্নত দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় র্যাংকিংয়ে থাকে। আমাদের গার্মেন্ট কর্মীরা অত্যন্ত দক্ষ। এখান থেকে গার্মেন্ট কর্মী নিতে অনেক দেশের আগ্রহ দেখা গেছে। সুতরাং চিন্তার কোনো কারণ নেই। ক্রেতারা নিশ্চয়ই জিএসপি সুবিধা না পেলেও এদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন না। টাকাই বড়, বাংলাদেশের গার্মেন্ট খাত থেকে বায়াররা কোটি কোটি ডলার আয় করেন। কেউ নিজের স্বার্থ ত্যাগ করেন না।
নুরুল ইসলাম বিএসসি : সংসদ সদস্য ও কলাম লেখক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিকল্প জ্বালানির উৎস সন্ধানে by হাসান কামরুল
জাট্রোফার চারাগুলো প্রতি ২ থেকে ২ দশিক ৫ মিটার দূরত্বে রোপণ করলে প্রতি হেক্টরে ১০ থেকে ১২ টন বীজ পাওয়া যায়। প্রতিটি শুকনা বীজ থেকে ৩০-৪০ শতাংশ বায়োডিজেল পাওয়া যায়। সে হিসাবে প্রতি হেক্টরে প্রায় প্রতিবছর ৩-৪ হাজার লিটার বায়োডিজেল উৎপাদন করা সম্ভব। গাছ লাগানোর পর ৯ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যেই ফলন শুরু হয়। গাছগুলোর আয়ুষ্কাল গড়ে ২৫ থেকে ৩০ বছর। সাধারণত এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাসে জাট্রোফা ফুল ও ফল দেয়। এর ফল হলুদ বর্ণের হয়ে থাকে। তেল নিষ্কাশনের জন্য ফলের বীজ রোদে শুকানো হয়। উৎপাদিত বীজ সাধারণ তেল উৎপাদনের ঘানি দিয়ে বায়োডিজেল উৎপাদন করা সম্ভব। এভাবে উৎপাদিত বায়োডিজেল কৃষি পাম্পসহ বাতি জ্বালানোর ক্ষেত্রে সরাসরি ব্যবহার করা যায়। তবে যানবাহনে ব্যবহারের জন্য ঘানিতে উৎপাদিত বায়োডিজেল পরিশোধনের প্রয়োজন রয়েছে। সেক্ষেত্রে রিফাইনারি প্লান্ট স্থাপন করতে হবে।
বাংলাদেশ বছরে গড়ে প্রায় ৩৭ লাখ টন (পরিশোধিত ও অপরিশোধিত) জ্বালানি তেল আমদানি করে থাকে। এর প্রায় ২৪ লাখ টনই ডিজেল, যার মোট আমদানি মূল্য ১৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি। বিপিসি বেশি দামে ডিজেল কিনে কম মূল্যে জনগণকে সরবরাহ করে। ফলে বিপিসিকে প্রতিবছর হাজার কোটি টাকারও বেশি লোকসান গুনতে হয়। বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমাতে বায়োডিজেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এ ক্ষেত্রে জাট্রোফা থেকে বায়োডিজেল একটি সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে আÍপ্রকাশ করতে পারে। মোট আমদানির ১০ ভাগও যদি জাট্রোফা থেকে উৎপাদন করা যায়, তাহলেও দেশে অন্তত ৩ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে এবং বছরে ৫০০ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশে বনাঞ্চলের পরিমাণ প্রায় ২৫ লাখ হেক্টর। এর ৪৫ ভাগ অর্থাৎ ১১ লাখ হেক্টর নিবিড় বা গহিন বনাঞ্চল। বাকি ৫৫ ভাগ বনভূমিতে জাট্রোফা চাষের উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। দেশে আবাদি জমির পরিমাণ প্রায় ৭০ লাখ হেক্টর, যার অন্তত ৫ ভাগ অর্থাৎ ৩.৫ লাখ হেক্টর আইল হিসেবে ব্যবহƒত হচ্ছে। এ আইলগুলোকে জাট্রোফা চাষের আওতায় আনা যেতে পারে। দেশের পার্বত্যাঞ্চল, রাস্তা, রেল লাইনের দু’পাশ ও উপকূলীয় বেড়িবাঁধ এলাকায় ব্যাপক হারে জাট্রোফা চাষ করা যেতে পারে। রাজশাহী বরেন্দ্র অঞ্চল ক্ষয়জাত ও পতিত জমি। এসব পতিত জমিতে এমনিতেই চাষাবাদ হয় না। এসব জায়গায় বায়োডিজেল উৎপাদনকারী জাট্রোফা চাষ করা যেতে পারে। দারিদ্র্য বিমোচন ও বিকল্প জ্বালানি হিসেবে জাট্রোফা চাষ করে বিপ্লব আনা সম্ভব। দারিদ্র্য বিমোচন, নারী উন্নয়ন, পরিবেশের ভারসাম্য এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে জাট্রোফা কার্যকর ভূমিকা পালনে সহায়ক হতে পারে। জাট্রোফা গাছের শিকড় ভূমির সমান্তরালে বৃদ্ধি পায় বলে এর শিকড় মাটিকে আটকে রাখে। ফলে ভূমি ক্ষয়রোধে একে দারুণভাবে কাজে লাগানো যায়। লম্বা শিকড় থাকায় এটি নদীভাঙন রোধে এবং সমুদ্র উপকূলের ভূমি উদ্ধার ও রক্ষা করার কাজে ব্যবহার করা যায়। এটি মাটির বাঁধ হিসেবেও কাজ করে। দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ৫ মিটার হওয়ায় সমুদ্র পাড়ে ঝড় রোধে এ গাছ লাগানো যায়।
বিকল্প জ্বালানির উৎসের সন্ধান পাওয়া না গেলে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করা সম্ভব নয়। প্রচলিত জ্বালানি ব্যবস্থার বাইরে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানির উৎপাদন নিয়েই উন্নত বিশ্ব চিন্তিত। কারণ জীবাশ্ম জ্বালানির আধার দিন দিন নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। তাই বাংলাদেশকেও এ বিষয়ে ভাবতে হবে। বাংলাদেশে অতি সহজেই বায়োডিজেল উৎপাদন করা সম্ভব। সরকার এমনিতেই সামাজিক বনায়নের কর্মসূচি পালন করে আসছে, যদি সামাজিক বনায়নেও জাট্রোফা রোপণ ও পরিচর্যার ব্যবস্থা করা যায়, তাহলে বায়োডিজেলের দ্বার উš§ুুক্ত হবে। সরকার গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি প্রণীত সুপারিশমালাকে গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে দেশের যে কোনো অঞ্চলে জাট্রোফার উৎপাদনে পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করা দরকার। পাইলট প্রকল্প সফল হলে পরে তা জনসাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া যেতে পারে।
হাসান কামরুল : জ্বালানি ও পরিবেশবিষয়ক লেখক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অসাংবিধানিক শক্তির ভয় দেখিয়ে লাভ নেই by তারেক শামসুর রেহমান
দেয়ালের লিখন থেকে আমরা কেউ শিখি না। কোন পরিস্থিতিতে সেনানিয়ন্ত্রিত সরকারের আÍপ্রকাশ ঘটেছিল, ইতিহাস তার সাক্ষী। রাজনৈতিক দলগুলো যদি ওই সময়ে ন্যূনতম ইস্যুতে এক হতে পারত, তাহলে সেই পরিস্থিতির উদ্ভব হতো না। এজন্য কি আমাদের রাজনীতিকরা দায়ী নন? আজ রাজনৈতিক দলগুলোকে এ কথাটা উপলব্ধি করতে হবে। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জন্য এই নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের ধারণা ভালো। তাতে করে তারা একটা সুযোগ পাবেন, এটা যে তাদের আমলের অবদান ভবিষ্যতে তা তুলে ধরতে। উপরন্তু আগামী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন যদি নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়, সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ তাদের বক্তব্য নিয়ে জনসাধারণের কাছে যাক। জনগণ যদি তা সমর্থন করে, তাহলে তারা আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবেন। এতে তো ক্ষতির কিছু নেই।
একমাত্র আওয়ামী লীগ বাদে প্রতিটি দলই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে। এমনকি মহাজোটের অংশীদার জাতীয় পার্টি ও ওয়ার্কার্স পার্টিও চায় একটি নিরপেক্ষ সরকার। এক্ষেত্রে সরকার এ দাবি মেনে না নিলে সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থাকবেই। আর প্রধানমন্ত্রী যখন স্পষ্ট করেই বলেন, ‘ওরা ক্ষমতায় এলে আর নির্বাচন দেবে না’, তখন নানা প্রশ্ন এসে ভিড় করে। কেন প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলছেন বারবার? প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। কেননা কোনো অসাংবিধানিক সরকারের পক্ষে এখন আর ক্ষমতা গ্রহণ করা সম্ভব নয়। তারা চাইলেও পারবেন না। কারণ একদিকে রয়েছে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা, অন্যদিকে বিদেশী দাতাগোষ্ঠীর চাপ। মাঝখানে রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। কারও পক্ষেই আর নির্ধারিত সময়ের বাইরে থাকা সম্ভব নয়। ২০০৭ সালের পরিস্থিতির সঙ্গে আজকের পরিস্থিতিকে মেলানো যাবে না। তবে একজন নির্বাচিত ব্যক্তিও এই নির্বাচন পরিচালনা করতে পারেন। রাজনৈতিক দলগুলো চাইলে এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করা সম্ভব। আর সেজন্য সংলাপটা জরুরি।
জাতির বৃহত্তম স্বার্থেই সরকারপ্রধান একটি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তিনি ইতিহাসে তার নাম রেখে যেতে পারবেন, যদি তিনি নির্দলীয় সরকারের ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্ত দেন। এই নির্দলীয় সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না। এর কাঠামোও হবে ভিন্ন। শুধু প্রয়োজন আন্তরিকতার। না হলে দেশ এক চরম সংকটের মুখে পড়বে। এজন্য একটা সমঝোতা প্রয়োজন। বিএনপি নেত্রী স্পষ্ট করেই বলেছেন, দলীয় সরকারের অধীনে তারা কোনো নির্বাচনে অংশ নেবেন না। জাতীয় পার্টিও অংশ নেবে না বলে মনে হচ্ছে। এর ফলে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার দোহাই দিয়ে চলতি বছরের শেষের দিকে সরকার যদি নির্বাচনের আয়োজন করে, তার পরিণতি তৃতীয় (১৯৮৬), চতুর্থ (১৯৮৮) কিংবা ষষ্ঠ (১৯৯৬) জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো হবে। এর কোনো গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না। আমাদের মতো একটি গরিব দেশে নির্বাচনের নামে শত শত কোটি টাকা খরচ করা একটি বিলাসিতা মাত্র। তাই আওয়ামী নেতাদের রাজনৈতিক দূরদর্শিতার পরিচয় দিতে হবে। একটি ভুল সিদ্ধান্ত দলকে অনেক পেছনে ফেলে দিতে পারে। নানা ধরনের ফাঁদ তৈরি হয়েছে। দেশী ও বিদেশী শক্তি দশম সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নানা ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। প্রতিটি নাগরিককে আজ এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।
নির্বাচন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে জনসাধারণ নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করে। আজ সাধারণ মানুষকে সেই সুযোগটি দেয়া উচিত। প্রধানমন্ত্রী যদি সংসদ ভেঙে দেয়ার পরও থেকে যান, তাহলে সরকারের সাজানো মাঠ পর্যায়ের প্রশাসন দিয়ে নির্বাচন আয়োজন করলে তাতে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তাই নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রী যে আশংকা প্রকাশ করেছেন, তার কোনো ভিত্তি নেই। অসাংবিধানিক শক্তির পক্ষে আর বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় অংশীদার হওয়া সম্ভব নয়। সেনা নেতৃত্ব বারবার বলছেন, তারা সংবিধানের কাছে দায়বদ্ধ। আমাদের এক শ্রেণীর বুদ্ধিজীবী সেনাবাহিনীকে যথেষ্ট বিতর্কিত করেছেন। সুতরাং তারা আর কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেবে, এটা আমার মনে হয় না। তাই উদ্যোগটি নিতে হবে সরকারপ্রধানকেই। তিনিই পারেন একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে।
স্পষ্টতই বাংলাদেশ এক গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। চারটি সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীদের বিজয় বিএনপি কর্মীদের চাঙ্গা করলেও বিএনপির ভেতরে দুটি মতই আছে। নির্বাচনে অংশ নেয়ার পক্ষে জনমত যেমন রয়েছে, ঠিক তেমনি রয়েছে নির্বাচনে অংশ না নেয়ার পক্ষের মতও। যদিও বর্তমানের সাংবিধানিক কাঠামোয় দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেয়ার পাল্লাটাই ভারি। কাজেই প্রধানমন্ত্রী যে কথাই বলুন না কেন, বিএনপি নেতাদের মন তাতে গলবে বলে মনে হয় না। দিন যতই যাবে, ততই সংকটের মাত্রা বাড়বে। সেটা দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না। একটি বহুপাক্ষিক প্রতিযোগিতার জন্য আওয়ামী লীগকে তৈরি থাকতে হবে। জনগণের মুখোমুখি তাদের দাঁড়াতে হবে, যেমনটি তারা দাঁড়িয়েছিলেন ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে নবম পার্লামেন্ট নির্বাচনে। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা যতই সরকারের সাফল্যের কথা বলুন না কেন, সাধারণ মানুষের কাছে তাদের গ্রহণযোগ্যতা অনেক হ্রাস পেয়েছে। পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির ষড়যন্ত্র, ডেসটিনি-হলমার্ক কেলেংকারিতে দলীয় লোকদের সংশ্লিষ্টতা, ছাত্রলীগের দৌরাÍ্য, সুশাসনের অভাব মহাজোট সরকারের জনপ্রিয়তাকে উচ্চতায় নিয়ে যায়নি। সাধারণ মানুষের যে আস্থা ছিল, সেই আস্থার প্রতি সম্মান দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে মহাজোট সরকার। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে যেভাবে আওয়ামী লীগ তাদের পরিকল্পনা নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে গিয়েছিল, ২০১৩ সালে এসে তাদের কাছেই যেতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তো বলে দিয়েছেনই, ‘জনগণ ভোট না দিলে নাই’। তার এই বক্তব্যের যথার্থতা প্রমাণের জন্যই চাই নিরপেক্ষ একটি সরকার।
যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলের পরাজয়ের পর মন্তব্য করেছিলেন, ‘ওয়েক আপ ফল ফর দি রুলিং পার্টি।’ তিনি এও বলেছিলেন, ‘এ থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে।’ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতও বলেছিলেন, ওই ফলাফল ‘একটি অশনি সংকেত।’ প্রশ্ন হচ্ছে, এ ধরনের মন্তব্য কি প্রধানমন্ত্রী আদৌ বিবেচনায় নিয়েছেন? ওবায়দুল কাদের বারবারই স্পষ্ট কথা বলেন। একজন ছাত্রনেতা ও পরবর্তীকালে রাজনীতিক হিসেবে তিনি জানেন, তাকে আবার জনতার কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। তাই তিনি বিবেকের কাছে স্পষ্ট থাকতে চান। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই ‘ওয়েক আপ’ কলের কোনো প্রতিফলন ঘটেনি। বিরোধী দলের ওপর দোষারোপ করে তিনি তার বক্তব্য এখনও দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বাহ্যত নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছেন। প্রায় প্রতি সপ্তাহেই জেলা পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। কারা প্রার্থী হবেন, তার একটি তালিকাও বোধকরি তিনি ইতিমধ্যে তৈরি করে ফেলেছেন। সংবাদপত্রে বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগ ১৫০টি আসনে নতুন প্রার্থী দিচ্ছে। আওয়ামী লীগের আরেক নীতিনির্ধারকের মুখ থেকেও এ ধরনের কথাবার্তা বলা হচ্ছে। তাই স্পষ্ট করেই বলা যায়, আওয়ামী লীগ নির্বাচনের ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দল নির্বাচনে অংশ না নিলেও। তাই প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য দলীয় কর্মীদের উৎসাহিত করলেও সাধারণ মানুষের মঝে এ ধরনের বক্তব্য আদৌ কোনো আবেদন সৃষ্টি করতে পারেনি। আসলে সমস্যাটা অসাংবিধানিক শক্তির নয়। সমস্যাটা রাজনৈতিক দলগুলোর, বিশেষ করে সরকারি দলের।
ড. তারেক শামসুর রেহমান : অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাবি ভিসির পদত্যাগই সমাধান by ড. শমছুল আলম
উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেনের দায়িত্বহীন আচরণ এবং গোঁয়ার প্রকৃতির স্বভাবের জন্য ক্যাম্পাসে এখন অশান্তি ও অস্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো অনাকাক্সিক্ষত ঘটনার তিনি বিচার করেননি। ২০১২ সালের ১ ও ২ আগস্ট তার ভুল এবং ২০১৩ সালের ১২ ফেব্র“য়ারি একজন ছাত্রের মৃত্যুকে কেন্দ করে সংগঠিত নজিরবিহীন ভাংচুর, শিক্ষকদের গালাগাল দেয়া এবং আবাসিক এলাকায় ত্রাস সৃষ্টির ঘটনার তিনি কোনো বিচার করেননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক, সামাজিক, একাডেমিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তিনি ভেঙে ফেলেছেন। একজন উপাচার্যের কাজ কী? একজন উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণাকে এগিয়ে নেয়ার নিরন্তর প্রচেষ্টা গ্রহণ করবেন। তিনি নিয়মিত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষীয় সভা যেমন সিন্ডিকেট, একাডেমিক কাউন্সিল এবং অন্যান্য শিক্ষা-গবেষণা সংশ্লিষ্ট পর্ষদের সভা করবেন। অনুষদ ও বিভাগগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে প্রতিনিয়ত খোঁজখবর রাখবেন। কিন্তু আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেনের এসব দিকে কোনো খেয়াল নেই।
আওয়ামী লীগের একটি রাজনৈতিক এজেন্ডা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রতি একাÍতা প্রকাশ করতে তিনি লাখ টাকারও বেশি ব্যয় করে বিজয় র্যালি নামে একটি শোভাযাত্রা নিয়ে স্মৃতিসৌধে গিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবি করেছেন। ডিসেম্বরে তিন লাখ টাকার অধিক ব্যয়ে বিজয় কনসার্ট করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজকর্ম ফেলে রেখে তিনি দিনের পর দিন অনুষ্ঠানের নামে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ান। বিশ্ববিদ্যালয়ে বাজেট ঘাটতির বিপরীতে তিনি একের পর এক অনুষ্ঠানের নামে টাকা অপচয় করে চলেছেন। টাকার অপ্রতুলতার জন্য শিক্ষা ও গবেষণায় বরাদ্দ মোট বাজেটের এক শতাংশেরও কম। তিনি এখন পর্যন্ত সরকারের কাছ থেকে নতুন কোনো থোক বরাদ্দ আনতে পারেননি। মাসিক ছাত্রবৃত্তি মাত্র ১২৫ টাকা। এ অবস্থার মধ্যেও তিনি অনুষ্ঠানের মতো অবস্তুগত খাতে ব্যয় করে চলছেন। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিতি বৃদ্ধি পায় শিক্ষা ও গবেষণামূলক কর্মকাণ্ড দিয়ে। বিভাগগুলোর শিক্ষা কার্যক্রমের অগ্রগতি ও তদারক কাজ এখন স্থবির হয়ে পড়েছে। নিয়মিত একাডেমিক কাউন্সিল সভা এখন আর অনুষ্ঠিত হয় না। উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি শিক্ষকদের আন্দোলন দমাতে আদালত এবং জলকামানের আয়োজন করেন। দায়িত্ব গ্রহণের এক বছরের মধ্যেই তিনি শিক্ষা সংকুচিত করেছেন। সাবেক উপাচার্য হলগুলোর আবাসিক সিটের বাইরেও অল্প পরিমাণ হলেও ছাত্রছাত্রী ভর্তি করিয়েছেন। সেখানে বর্তমান উপাচার্য মানসম্পন্ন শিক্ষার কথা বলে চারশর অধিক সিট কমিয়েছেন। এ কথা অনেকেই জানেন, বর্তমানে দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একমাত্র তিনিই নির্বাচিত উপাচার্য। কিন্তু অনেকেরই জানা নেই যে, তিনি মেয়াদ উত্তীর্ণ সিনেট সদস্য কর্তৃক নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ৩৩ ভোটের মধ্যে ১৩টি ছিল সিঙ্গেল ভোট। উপাচার্য প্যানলের জন্য একটি করে তিনজনকে পর্যন্ত ভোট দেয়া যায়Ñ এমন বিধান থাকলেও ধারণা করা হয় যে, সরকার মনোনীত সিনেট সদস্যরা শুধু অধ্যাপক আনোয়ার হোসেনকে সিঙ্গেল ভোট দিয়েছেন। অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র বা শিক্ষক ছিলেন না, এটা তার সমস্যা বা অপরাধ নয়। সমস্যা হলো তার আচরণ, মানসিকতা এবং বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে উদাসীনতা। আচরণের মাধ্যমে তিনি বুঝিয়েছেন, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তার কোনো দায়বদ্ধতা নেই। দীর্ঘ সময় ধরে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরস্পরের সামাজিক সম্পর্ক, ভ্রাতৃত্ববোধ, পারস্পরিক সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ তিনি হƒদয়ঙ্গম করতে ব্যর্থ হয়েছেন। নির্ধারিত বার্ষিক সিনেট সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়টিকে তিনি জরুরি বলেছেন। এই জরুরি সম্পর্কে আমাদের কারও দ্বিমত নেই। কিন্তু বেশি জরুরি এ বিশ্ববিদ্যালয়কে বাঁচানো। আমাদের সবার সম্মানকে সমুন্নত রাখা আরও জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থেই অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেনের উপাচার্যের পদ ত্যাগ করা উচিত।
ড. শামছুল আলম : অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভেজাল ও ক্ষতিকর ওষুধ ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী by মুনীর উদ্দিন আহমদ
সম্প্রতি ল্যানসেট প্রকাশিত এক গবেষণা প্রবন্ধের মাধ্যমে জানা যায়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এক-তৃতীয়াংশ ম্যালেরিয়ার ওষুধ নকল। গবেষকরা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাতটি দেশে পাঁচ ধরনের ১৪৩৭টি ম্যালেরিয়া ওষুধের নমুনা পরীক্ষা করে দেখতে পান, এসব ওষুধের ৩৬ শতাংশ নকল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ২০১০ সালে সারা বিশ্বে ম্যালেরিয়ায় ৬ লাখ ৫৫ হাজার মানুষ মারা যায়। নকল, ভেজাল ও নিুমানের ওষুধ এসব মৃত্যুর জন্য অধিকাংশ ক্ষেত্রে দায়ী বলে মনে করা হয়। পরীক্ষায় দেখা গেছে, এসব নকল, ভেজাল ও নিুমানের ওষুধের মধ্যে অধিকাংশ হল অ্যার্টেমিসিনিন ও আর্টেমিসিনিন থেকে রাসায়নিকভাবে উদ্ভাবিত অন্যান্য ওষুধ। আর্টেমিসিনিন ও এই গ্র“পের ওষুধগুলো এখন পর্যন্ত ম্যালেরিয়া চিকিৎসায় অত্যন্ত কার্যকর ও অগ্রগামী ওষুধ বলে বিবেচিত হয়। কারণ ম্যালেরিয়ার অন্যান্য ওষুধের বিরুদ্ধে ম্যালেরিয়া প্যারাসাইট ইতিমধ্যে রেজিস্টেন্ট হয়ে গেছে। আচিকিৎসার মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগের প্রতিকারে ওষুধের নির্বিচার অপব্যবহার, ম্যালেরিয়ার ওষুধের যথাযথ গুণগত মান নিশ্চিতকরণে ব্যর্থতা এবং অসাধু নকলবাজ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিদানে অনীহা ও ব্যর্থতা উল্লিখিত সমস্যার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গত দশকে ম্যালেরিয়া নির্মূলে যে অভাবনীয় বিনিয়োগ ও অগ্রগতি সাধিত হয়েছিল নকল, ভেজাল ও নিুমানের ম্যালেরিয়ার ওষুধের কারণে তা ভেস্তে যেতে বসেছে।
হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপকে ‘সাইলেন্ট কিলার’ বা নীরব ঘাতক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর লাখ লাখ লোক উচ্চ রক্তচাপে মৃত্যুবরণ করে। উচ্চরক্ত চাপের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত দুটো মরণঘাতী রোগ হল হৎদরোগ ও স্ট্রোক। হৎদরোগ ও স্ট্রোকে আক্রান্ত মানুষ অকর্মণ্য হয়ে যায় বা মৃত্যুবরণ করে। প্রাকৃতিক উপায়ে অথবা লাইফস্টাইল পরিবর্তনের মাধ্যমে উচ্চরক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব না হলে রোগীকে ওষুধ গ্রহণ করতে হয়। ওষুধ যদি আসল ও গুণগত মানসম্পন্ন হয় তবে রোগী ওষুধ সেবন করে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করবে। আর ওষুধ যদি নকল, ভেজাল ও নিুমানের হয় তবে রোগীর কী অবস্থা হবে একবার ভেবে দেখুন। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি, সারা বিশ্বে বিশেষ করে অনুন্নত দেশগুলোতে অসংখ্য রক্তচাপের ওষুধ নকল হচ্ছে এবং ওষুধ সেবন করে অগণিত মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ছাড়াও জীবন দিচ্ছে। ক্যান্সার মরণঘাতী রোগ। এ রোগ প্রতিকারে এখনও খুব বেশি কার্যকর ওষুধ আবিষ্কৃত হয়নি। আর যেসব ওষুধ বাজারে প্রচলিত আছে সেগুলোর দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। অ্যাভাস্টিন একটি বহুল প্রচলিত ক্যান্সারের ওষুধ। অ্যাভাস্টিনের একটিমাত্র ভায়ালের দাম আড়াই হাজার ডলার (২ লাখ ৫ হাজার টাকা)। গত বছর এ ওষুধের মোট বিক্রির পরিমাণ ছিল ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার। ওষুধ নকলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের শাস্তি হল জেল। নকল ওষুধ প্রস্তুতকারকরা খুব অল্প সময়ে কয়েক মিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করে ফেলতে পারে এবং তারা ধরা পড়লে খুব বেশি হলে ৬ মাসের মতো জেলে থাকতে হয়। নকল ওষুধের জন্য ব্যবসায়ীদের যন্ত্রপাতিসহ অন্যান্য জিনিসের জন্য মাত্র ৫০ হাজার টাকার মতো খরচ করতে হয়। অল্প খরচে এটা তো অনেক লাভজনক ব্যবসা। এই বছরের ফেব্র“য়ারিতে প্রকাশিত এক সংবাদে জানা যায়, অসাধু নকলবাজ ব্যবসায়ীরা অ্যাভেস্টিনের নকল ভার্সন উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের মাধ্যমে মাল্টিমিলিয়ন ডলারের লাভজনক ব্যবসা হাতিয়ে নিয়েছে। নকল অ্যাভেস্টিন এখন যুক্তরাষ্টের বাজারে ছড়িয়ে পড়েছে যার কারণে ক্যান্সারের রোগীরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীরা সেসব ওষুধ বেশি নকল করে যেগুলো বিক্রির দিক থেকে শীর্ষস্থানীয়। ফাইজারের কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ লিপিটর (জেনেরিক : অ্যাটরভ্যাস্টেটিন) বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্লকব্লাস্টার ওষুধ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এমনকি যুক্তরাষ্ট্রেও লিপিটরের নকল পাওয়া যায়। ২০০৭-২০০৮ সালে নকল হেপারিনের (যে ওষুধ রক্তজমাট প্রতিহত করে) ব্যবহারের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ১৪৯ জন লোক মৃত্যুবরণ করে। এই নকল হেপারিন চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিল।
পরিসংখ্যান মোতাবেক বিশ্বের ১৫ শতাংশ ওষুধ নকল। এশিয়া ও আফ্রিকার কোন কোন দেশে নকল ওষুধের পরিমাণ ৫০ শতাংশ। অ্যাঙ্গোলায় নকল ওষুধের পরিমাণ মোট ওষুধের ৭০ শতাংশ। ২০০৫ সালে ওইসিডির (অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) হিসাব মতে, সারা বিশ্বে নকল ওষুধ বিক্রির পরিমাণ প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলার। নকল ওষুধ উৎপাদনে শীর্ষস্থানীয় দেশগুলো হলÑ পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ, লাতিন আমেরিকা, পূর্ব মধ্য ইউরোপের অনেকগুলো দেশ, আফ্রিকা এবং ভূতপূর্ব সোভিয়েত ইউনিয়ন। ওসব দেশেই বেশি নকল, ভেজাল ও নিুমানের ওষুধ উৎপাদিত হয়, যেসব দেশে ওষুধশিল্পে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত শিথিল এবং আইনগত বাধ্যবাধকতার অভাব রয়েছে। অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর সরকার ও নীতিনির্ধারকদের দুর্নীতির কারণে নকল, ভেজাল ও নিুমানের ওষুধ ও পণ্যের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয় না। অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জাপান, নিউজিল্যান্ড, পশ্চিম ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলোতে নকল, ভেজাল ও নিুমানের ওষুধের পরিমাণ ১ শতাংশেরও কম। কারণ ওসব দেশে ওষুধ ও ওষুধ শিল্পের ওপর সরকারের কঠোর আইন ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত আছে। চীনে ওষুধ ও খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল ও নকলের অপরাধে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করার বিধান আছে। ওষুধের অনলাইন বেচাকেনা বিশ্বজুড়ে নকল ওষুধের ব্যবসাকে সম্প্রসারিত করেছে। ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব বোর্ড অব ফার্মেসির মতে, ৯ হাজার ৬শ’ অনলাইন ফার্মেসির মধ্যে মাত্র ৩ শতাংশ কোম্পানি গুণগত মানের শর্ত পূরণ করে। এসব ফার্মেসির অনেকগুলোই বিদেশী বলে এদের ওষুধ যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি করা অবৈধ। অনেক ওষুধের জন্য আবার প্রেসক্রিপশন লাগে না। এ সুযোগে অসংখ্য নকল ও ভেজাল ওষুধ যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকে যায়। নকল, ভেজাল ও ক্ষতিকর ওষুধ প্রতিরোধে স্বার্থসংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলো হল। ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি, পেশেন্ট অ্যাডভোকেসি গ্র“প, ওষুধ প্রশাসন ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, গবেষক, প্রস্তুতকারক, সিকিউরিটি কোম্পানি, লাইসেন্সপ্রাপ্ত অনলাইন ফার্মেসি এবং ইন্টারনেট টেকনোলজি কোম্পানি। ২০১০ সালের নভেম্বর মাসে ইউরোপীয় ট্রেড কমিশন অ্যান্টি-কাউন্টারফিটিং ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (নকলবিরোধী বাণিজ্য চুক্তি) সম্পাদনের কাজ সম্পন্ন করেছে। চুক্তিতে পেটেন্ট রুল সংরক্ষণ, নকল ওষুধ বিক্রয় নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এ সমস্যা সমাধানে বৃহত্তর সহযোগিতার দ্বার উšে§াচন করার বিধান রাখা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া, জাপান, কোরিয়া, মেক্সিকো, মরক্কো, নিউজিল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তি সম্পাদনে অংশগ্রহণ করে। এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নকল ওষুধের দৌরাÍ্য বহুলাংশে কমে যাবে।
তবে নকল, ভেজাল ও ক্ষতিকর ওষুধ প্রতিরোধ এত সহজ হবে না, বিশেষ করে অনুন্নত ও দরিদ্র দেশগুলোতে। কারণ এসব দেশে মাথাপিছু আয় নগণ্য হওয়ার কারণে দামি ওষুধ কেনার সামর্থ্য না থাকায় মানুষ সস্তায় ওষুধ পেতে চাইবে। ওষুধের দাম বেশি হলে অসাধু ব্যবসায়ীরা নকল ওষুধ উৎপাদনে ও বিক্রয়ে বেশি উৎসাহী হয়। এ ফর্মুলা ওষুধ কোম্পানিগুলোর ক্ষতির পরিমাণ বাড়ায়। বাংলাদেশে সম্প্রতি অসংখ্য ওষুধের দাম দুই থেকে তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সুযোগটা দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীরা গ্রহণ করবে। এতে কোনো সন্দেহ নেই। ৩১ মে দৈনিক যুগান্তরের মনিরুজ্জামান উজ্জ্বলের ‘মিটফোর্ডের অবৈধ মার্কেটে কাঁচামালের জোগান দিচ্ছে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন পড়লাম। প্রতিবেদনে বলা হয়, ওষুধ উৎপাদনের নাম করে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি কাঁচামাল কিনে নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা নকল, ভেজাল ও নিুমানের ওষুধ উৎপাদন করে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করছে। ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের নাকের ডগায় বছরের পর বছর ধরে খোলাবাজারে কাঁচামাল বিক্রি হয়ে এলেও রহস্যজনক কারণে তারা এই অবৈধ বেচাকেনা বন্ধ করে না।
জ্ঞান-বিজ্ঞান ও কারিগরি উন্নয়নের ফলে আজকাল আসল আর নকল ওষুধের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করা মুশকিল হয়ে পড়েছে। রাসায়নিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে শুধু জানা যায়, কোনটা আসল আর কোনটা নকল ওষুধ। তারপরও কিছু চিহ্ন আর বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে নকল ওষুধ চেনা যায়। নকল ওষুধের অদ্ভুত ধরনের গন্ধ, স্বাদ ও রঙ থাকে। নকল ওষুধ অতিসহজে ভেঙে গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে যায় বা টুকরো টুকরো হয়ে যায়। ওষুধের প্যাকেটের গুণগত মান তেমন ভালো হয় না। লেবেলে নির্দেশনায় ভুল বানানের শব্দ থাকে এবং নির্দেশনায়ও ভুল থাকতে পারে। নকল ওষুধের দাম অত্যন্ত কম হয়। আসল ওষুধের দামের সঙ্গে তুলনা করলে একই নকল ওষুধের দামের তারতম্য ওষুধের গুণগত মান সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে। নকল, ভেজাল ও ক্ষতিকর ওষুধ থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার কিছু উপায় আছে। উপায়গুলো অবলম্বন করলে নকল ও ভেজাল ওষুধের দৌরাÍ্য থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা পাওয়া যাবে।
এক. আপনার পরিচিত দোকান থেকে ওষুধ কিনুন, যে দোকান বৈধ লাইসেন্সপ্রাপ্ত।
দুই. অনলাইনে ওষুধ কেনা থেকে সাবধান হোন। অনলাইনে ওষুধ কিনতে চাইলে ভেরিফাইড ইন্টারনেট ফার্মেসি প্র্যাকটিস সাইট (ঠওচচঝ) সিলযুক্ত ওয়েবসাইট দেখে কিনুন। অনলাইন ফার্মেসিগুলো বৈধ লাইসেন্সপ্রাপ্ত না হলে ওগুলো থেকে ওষুধ কিনবেন না। অন্তত ১৫টি ফার্মেসির ঠওচচঝ রয়েছে।
তিন. ওষুধ কেনার পর ওষুধের প্যাকেট ভালো করে পরীক্ষা করুন। নকল ওষুধ হলে প্যাকেটে কোনো না কোনো ভুল বা ত্র“টি ধরা পড়বে। প্যাকেটের ভেতর যে লিফলেট রয়েছে তাও ভালো করে পড়ে দেখুন। সেখানেও অসংখ্য ভুল থাকতে পারে। ওষুধটি ভালো করে পরীক্ষা করুন। আসল ও নকল ওষুধের মধ্যে অনেক পার্থক্য থাকে। সন্দেহ হলে ওই দোকান থেকে ওষুধ কিনবেন না।
চার. বিদেশ ভ্রমণকালে আপনার সব ওষুধ সঙ্গে নিন। পথে-ঘাটে ওষুধ কিনবেন না। অচেনা-অজানা জায়গায় ও দোকানে ওষুধ কিনলে তা নকল হতে পারে।
মুনীরউদ্দিন আহমদ : অধ্যাপক, ফার্মেসি অনুষদ, ঢাবি
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাশিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চান স্নোডেন
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইইউর সদস্যপদ পেয়ে উল্লসিত ক্রোয়েশিয়া
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রে দাবানল নেভাতে গিয়ে ১৯ কর্মীর মৃত্যু
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইতালি, গ্রিস ও ফ্রান্সকেও লক্ষ্যবস্তু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইতালি, গ্রিস ও ফ্রান্সকেও লক্ষ্যবস্তু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিজস্ব নেভিগেশন নেটওয়ার্ক তৈরি করবে ভারত
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ম্যান্ডেলার অবস্থা আগের মতোই ‘সংকটাপন্ন’
![]() |
| নেলসন ম্যান্ডেলা |
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বে ক্ষুধা অর্ধেক হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা হাতের নাগালে
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেনা হস্তক্ষেপ চাইছে গণমাধ্যম!
![]() |
| প্রেসিডেন্ট মুরসি |
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুরসিকে এক দিন সময় দিল বিরোধীরা
![]() |
| প্রেসিডেন্ট মুরসির কাটা চিহ্ন ছবিসংবলিত প্রচারপত্র তুলে ধরেছেন বিক্ষোভে অংশ নেওয়া পুলিশের এক সদস্য ছবি: এএফপি |
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আসক্তি থেকেই ইয়াবা বিক্রিতে নারী! by আদনান রহমান
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
July
(1526)
-
▼
Jul 02
(16)
- সাম্রাজ্যবাদীদের কৌশল পরিবর্তন by নুরুল ইসলাম বিএসসি
- বিকল্প জ্বালানির উৎস সন্ধানে by হাসান কামরুল
- অসাংবিধানিক শক্তির ভয় দেখিয়ে লাভ নেই by তারেক শামস...
- জাবি ভিসির পদত্যাগই সমাধান by ড. শমছুল আলম
- ভেজাল ও ক্ষতিকর ওষুধ ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী by মুন...
- রাশিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চান স্নোডেন
- ইইউর সদস্যপদ পেয়ে উল্লসিত ক্রোয়েশিয়া
- যুক্তরাষ্ট্রে দাবানল নেভাতে গিয়ে ১৯ কর্মীর মৃত্যু
- ইতালি, গ্রিস ও ফ্রান্সকেও লক্ষ্যবস্তু করেছিল যুক্ত...
- ইতালি, গ্রিস ও ফ্রান্সকেও লক্ষ্যবস্তু করেছিল যুক্ত...
- নিজস্ব নেভিগেশন নেটওয়ার্ক তৈরি করবে ভারত
- ম্যান্ডেলার অবস্থা আগের মতোই ‘সংকটাপন্ন’
- বিশ্বে ক্ষুধা অর্ধেক হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা হাতের না...
- সেনা হস্তক্ষেপ চাইছে গণমাধ্যম!
- মুরসিকে এক দিন সময় দিল বিরোধীরা
- আসক্তি থেকেই ইয়াবা বিক্রিতে নারী! by আদনান রহমান
-
▼
Jul 02
(16)
-
▼
July
(1526)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...






