Friday, January 26, 2018
রক্তের নির্জীব কোষ সজীব করবে আমির হোসেনের ‘স্লো মোশন মেশিন’ by প্রতীক ওমর

বিষ্ময়কর এ যন্ত্র সূর্য থেকে তাপরশ্মি গ্রহণ করে মানুষের শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গ সচল রাখাতে সাহায্য করবে। বৃদ্ধাবস্থায় কোষ মরে গেলে চিকিৎসা শাস্ত্রে মরা কোষ সজীব করার কোনো ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত তৈরি হয়নি।
মৃত্যুর পূর্বে চিকিৎসকরা শুধু অনুমানের উপর চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। যা তিনি তার মায়ের মৃত্যুর পূর্বে বুঝতে পেরেছিলেন। চিকিৎসকের কথামতো তিনি জানতে পারেন মানবদেহে সব সময় এক ধরনের তাপ শক্তি প্রয়োজন। এই তাপশক্তি যখন নিষ্ক্রিয় হয় তখন কোনো ওষুধ কাজ করে না। সকল প্রকার স্নায়ুর ভেতরে রক্ত চলাচলের সূক্ষ্মতম গতি অচল হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। দেহের প্রতিটি কোষের একটি নির্দিষ্ট আয়ু আছে। এই আয়ু পার হয়ে গেলে কোষ মরে যায় এবং নতুন কোষ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। কোনো প্রাণকে আকষ্মিকভাবে যদি স্বাভাবিক অবস্থা থেকে নিম্ন তাপমাত্রায় পৌঁছে তাহলে ওই প্রাণের যাবতীয় কর্মকাণ্ড মুহূর্তে থেমে যাবে। আক্ষরিক অর্থে সে মৃত। হৃদযন্ত্র ও কোষ বিভাজন বন্ধ হয়ে যাবে। আয়ু থেমে যাবে। এ ধরনের সদ্য তাপ নিষ্ক্রিয় জীবদেহকে তাৎক্ষণিক আমির হোসেনের নতুন উদ্ভাবন ‘স্লো মোষন টাইম মেশিনে’ তাপরশ্মি নিয়ন্ত্রিত চিকিৎসা পদ্ধতি ঢুকিয়ে এবং উপযুক্ত পদ্ধতি আয়ত্ত্বে থাকলে ওই জীবের প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব। প্রাণ চঞ্চলতা, অজ্ঞান অবস্থায় সাময়িক নিষ্ক্রিয় থেকে জাগিয়ে তোলা পদ্ধতি হচ্ছে, আকষ্মিকভাবে তাপমাত্রা বাড়িয়ে তোলা।
আমির হোসেন জানান, সূর্য সোলার উইন্ড থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন ও সূর্যের একেবারে অভ্যন্তর থেকে আসা তাপরশ্মিকে আয়ত্ত্ব করে মানুষ চিকিৎসা শাস্ত্রে ব্যবহার করার প্রযুক্তি হচ্ছে ‘স্লো মোষন টাইম মেশিন’। তার এ গবেষণা আপেক্ষিক তত্ত্ব পদার্থ বিজ্ঞানে এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী সৃষ্টি। এই তাপ শক্তি পদার্থ বিজ্ঞান জগতে এক নতুন যুগের সূচনা করবে। দীর্ঘ ৯ বছর ধরে গবেষণা করার পর তিনি এখন চূড়ান্ত সফলতার দ্বারপ্রান্তে।
বর্তমানে পৃথিবীতে এমন কিছু ব্যাকটরিয়া পাওয়া গেছে যারা ভূ-পৃষ্ঠের অনেক নিচে আলো ও অক্সিজেনবিহীন অঞ্চলে দিব্যি বেঁচে আছে। এরা ভূ-গর্ভের তাপরশ্মিকে কাজে লাগায়। জীব কোষের কোষ শরীরের ভেতরের জটিলতা বাইরের থেকে বেশি। বাইরের তাপামাত্রা যদি খুব কমে যায়, তাহলে জীব কোষ থেকে প্রচুর তাপ বাইরে বেরিয়ে যায়। প্রতিটি জীবের দেহে গড়ে উঠেছে দেহঘড়ি। জীব দেহের বিপাক দৈহিক তাপমাত্রা, হরমোন মাত্রা, ঘুম আচরণ প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ ঘড়ির মাধ্যমে জীব দেহের শরীর বৃত্তীয় কাজ ও আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে। বৃদ্ধাবস্থায় এক ধরনের অসুস্থতা এর চিকিৎসা করে বৃদ্ধাবস্থা এড়ানো সম্ভব। সাধারণত অল্প বয়সে একটি কোষ বুড়িয়ে গেলেও শরীরে স্বাভাবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থায় নতুন কোষ সৃষ্টি হয়। কিন্তু বয়সের একটা পর্যায়ে গিয়ে নতুন কোষ সৃষ্টি বন্ধ হয়ে যায়। তখন দিনে দিনে এক বিশেষ প্রকারের কোষের সংখ্যা বাড়তে থাকে আর এতেই বৃদ্ধ বয়সের ছাপ পড়া শুরু হয় শরীরে। বেশি বয়সী মানুষের শরীরে প্রায় ১০ শতাংশ কোষই হচ্ছে এই বিশেষ কোষ। এই কোষের বৃদ্ধি রোধ করার মাধ্যমে শরীরে বৃদ্ধ অবস্থা এড়ানো সম্ভব।
আমির হোসেন বলেন, সূর্যের মধ্যে আল্লাহ অনেক ধাতু দিয়ে ভরপুর করে দিয়েছেন। কিছু শক্তি লুকায়িত আছে মানুষের প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ উৎপাদনের একমাত্র উৎস হবে সূর্যে। কিন্তু সৌর শক্তি ব্যবহার করে পৃথিবীতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্যতম সমস্যা এই যে, পৃথিবীর সব এলাকায় সূর্যের আলো সব পড়ে না অন্যদিকে মহাকাশে সূর্যের অস্ত যায় না। ফলে মহাকাশে ২৪ ঘণ্টা সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে। মহাকাশে উৎপাদিত বিদ্যুৎ পৃথিবীতে আনতে ব্যবহার করতে হবে সুপার হাইফ্রিকোয়েনসি মাইক্রোওয়েভ ও লেজার অথবা মহাকাশে উৎপাদিত বিদ্যুৎ পৃথিবীতে আনতে মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গে রূপান্তরিত হয়ে। পৃথিবীতে তিন বর্গ ইঞ্চি পরিমাণ জায়গায় যতটা সূর্যের রশ্মি পড়ে, তাকে যদি আমরা বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারতাম তাহলে খুব সহজেই প্রায় ৩০০টি একশো ওয়াট ইলেকট্রিক বাল্ব জ্বালানো যেত। সূর্যের আলোকরশ্মি থেকে নির্গত গামারশ্মি নিক্ষেপ করে বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার টিউমার ধ্বংস করা যাবে। থাইরয়েড গ্রন্থি বা গলগণ্ডজনিত রোগ, কিডনি নষ্ট, ব্রেন টিউমার, অ্যান্টিগ্রোথ হরমোন, ইরি থ্রোপ্রোটিনসহ কঠিন রোগের চিকিৎসা করা যাবে। মহাকাশে দক্ষভাবে চিকিৎসা করা সম্ভব ও ওষুধ তৈরি করা যাবে। সূর্যের আলোক মণ্ডলের উপরিভাগ থেকে যে সব আলোকরশ্মি তাপ চৌম্বক ক্ষেত্র অন্যান্য কণা বেরিয়ে আসে এবং সূর্যের একেবারে অভ্যন্তর ভাগ থেকে কিছু তাপরশ্মি শক্তি কণা খুব দ্রুত পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়ছে। আমার এ যন্ত্রের সাহায্যে রহস্যময় উচ্চক্ষমতা সম্পূর্ণ তাপশক্তি কণা চিকিৎসা শাস্ত্রে ব্যবহার যাবে।
আমির হোসেন বলেন, আমার মহামূল্যবান প্রযুক্তি যন্ত্রের মাধ্যমে মানুষের শরীরে তাপরশ্মি কমে যাওয়ার ফলে কোষগুলো মরে যাওয়ার কারণে বৃদ্ধ হয়ে যাওয়া ও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে বার্ধক্যের দিকে ঢলে পড়েন। এর থেকে সুস্থ হওয়ার জন্য বিশেষ ম্যাকানিজমের মাধ্যমে তাপরশ্মি কণা চিকিৎসা পদ্ধতিতে মানুষের শরীরে পুশ করতে পারলেই মানবজাতি দীর্ঘদিন সুস্থভাবে বাঁচতে পারবে। বিশেষ কোষ বৃদ্ধির কারণে বৃদ্ধ অবস্থার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়বে না।
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাদকাসক্তদের চিকিৎসায় হ-য-ব-র-ল by মহিউদ্দিন অদুল

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জামাল উদ্দীন আহমেদ মানবজমিনকে বলেন, একদিকে মাদকের বিস্তার ভয়াবহ।
অন্যদিকে মাদকাসক্তদের চিকিৎসার সুযোগও অতি সীমিত। মাদকাসক্তদের প্রায় সবার চিকিৎসার প্রয়োজন থাকলেও সুযোগ পাচ্ছে এক ভাগেরও কম লোক। দেশের ২৭ জেলায় তো সরকারি-বেসরকারি কোনো মাদক নিরাময় কেন্দ্রই নেই। এই নাজুক পরিস্থিতি চলতে থাকলে নেশার প্রবণতা আরো বাড়বে। তবে সরকারি মাদক নিরাময় কেন্দ্রগুলোতে শয্যা বৃদ্ধির পরিকল্পনা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন হচ্ছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, কেউ একবার মাদকের নেশায় ঝুঁকলে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এ অন্ধকার জগৎ থেকে বের হতে প্রয়োজন চিকিৎসা, কাউন্সেলিং বা পুনর্বাসন। কিন্তু এজন্য ৭০ লাখ মাদকাসক্তের বিপরীতে দেশে নিরাময় কেন্দ্র রয়েছে হাতেগোনা। ২৭ জেলায় সরকারি বা বেসরকারি কোনো মাদক নিরাময় কেন্দ্রই নেই। সারা দেশে সরকারি পর্যায়ে রয়েছে মাত্র চারটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র। এগুলোর শয্যা সংখ্যাও অতি অল্প। সব মিলিয়ে মাত্র ১১৫ শয্যা। রাজধানীর তেজগাঁওয়ের কেন্দ্রীয় মাদক নিরাময় কেন্দ্র ৫০ থেকে সম্প্রতি ১০০ শয্যায় উন্নীত হলো।
এ ছাড়া চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে শয্যা সংখ্যা এখনো পাঁচটি। তিন কেন্দ্রে মোট শয্যা ১৫। ফলে বিভাগীয় শহরগুলোতে ব্যাপক চাহিদার বিপরীতে এগুলোতে প্রতি বছর হাতেগোনা মাদকাসক্ত চিকিৎসার সুযোগ পাচ্ছে। অপরদিকে রাজধানীর কেন্দ্রীয় নিরাময় কেন্দ্রে ২০০৮ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত গত এক দশকের দীর্ঘ সময়ে চিকিৎসার সুযোগ পেয়েছে ১৫ হাজার ৭০৪ মাদকাসক্ত। ৩৭ জেলায় অনুমোদিত বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র রয়েছে ১৯৭টি। সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে সব নিরাময় কেন্দ্রে এখন রয়েছে ২ হাজার ৩৮০ শয্যা। এর মধ্যে বেসরকারি ১৯৭ নিরাময় কেন্দ্রে ২০১২ থেকে ২০১৭ সালে ছয় বছরে চিকিৎসার সুযোগ পেয়েছে ৪৩ হাজার ৩৫৩ মাদকাসক্ত। এ নিয়ে গত ১০ বছরে কেন্দ্রীয় মাদক নিরাময় কেন্দ্র ও ছয় বছরে বেসরকারি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসার সুযোগ পেয়েছে ৫৯ হাজার ৫৭ মাদকাসক্ত। বর্তমানে দেশে ৭০ লাখ মাদকাসক্তের হিসাবের বিপরীতে এই দীর্ঘ সময়ে সরকারি-বেসরকারি চিকিৎসা পাওয়ার হার একভাগেরও কম। মাত্র দশমিক ৮৪ ভাগ। এ হিসাবে কয়েক বছরেও এক ভাগ মাদকাসক্ত চিকিৎসার আওতায় আসেনি। ফলে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেক মাদকাসক্ত চিকিৎসার সুযোগের অভাবে নেশার অন্ধকার জগত থেকে ফিরতে পারছে না। এতে মাদকাসক্তের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে দেশের অপরাধ প্রবণতাও। এদিকে দেশের কারাগারগুলোতেও মাদকাসক্তদের চিকিৎসার তেমন সুযোগ নেই। প্রতিবছর হাজার হাজার মাদকাসক্ত গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাচ্ছে। তারা সেখানেও পাচ্ছে না চিকিৎসা। ফলে ছাড়া পেয়ে আবার মাদকে ঝুঁকছে। বের হতে পারছে না অপরাধের চক্র থেকে। ফের জড়িয়ে পড়ছে নানা অপরাধে।
কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের চিফ কনসালটেন্ট ডা. সৈয়দ ইমামুল হোসেন বলেন, বাস্তবে মাদকাসক্তদের চিকিৎসার সুযোগ অতি অল্প। এ চিকিৎসা মূলত সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ। এক-দু’মাস থেকে পাঁচ-ছয় মাসও লেগে যায়। প্রতিবছর যদি ১০ হাজার মাদকাসক্তকে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হয় তাও মোট মাদকাসক্তের বিপরীতে সংখ্যাটি অতি নগণ্য। মাদক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য তিনি মাদকের প্রাপ্যতা হ্রাসের উপর গুরুত্ব দেন।
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৭ জন মিলে ধর্ষণের পর শিশু মীমকে হত্যা

রিপোর্ট আর সন্দেহভাজন হিসেবে আটক মনিরুল ইসলামের দেয়া তথ্যের সূত্র ধরে পুলিশ ৫ ধর্ষককে আটক করেছে।
চট্টগ্রাম মহানগর আকবর শাহ্ থানার পুলিশ বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন জায়গা ও কুমিল্লায় অভিযান চালিয়ে ৫ ধর্ষককে আটক করে।
এ নিয়ে মোট ৬ জনকে আটক করার কথা জানান আকবর শাহ্ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলমগীর মাহমুদ। তিনি জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে ঘটনার দিন মমতাজ মহল ভবনের কেয়ারটেকার মনিরুল ইসলামকে (৪১) আটক করা হয়।
মনিরুল ইসলামের স্বীকারোক্তিতে ৫ খুনিকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ৯ বছরের শিশু মীমকে সাতজনে ধর্ষণের পর গলা টিপে হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে জানান ওসি আলমগীর মাহমুদ।
তবে মামলা তদন্তের স্বার্থে তিনি আটক ৫ ধর্ষকের নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেননি। বাকি এক ধর্ষককেও আটকে পুলিশের অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।
ওসি আলমগীর মাহমুদ জানান, গত ২১শে জানুয়ারি রাত সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম মহানগরীর আকবর শাহ্ থানা সংলগ্ন বিশ্বকলোনি এলাকায় মমতাজ মহল নামক পাঁচতলা একটি ভবনের দ্বিতীয় তলার বারান্দা থেকে ফাতেমা আক্তার মিম নামে ৯ বছরের শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ সময় মিমের গালে ও গলায় জখমের চিহ্ন দেখা যায়। এতে ধারণা করা হয় ধর্ষণের পর শিশু মীমকে খুন করা হয়। পরে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। সেখান থেকে মীমকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার কথা জানানো হয়।
পর দিন ২২শে জানুয়ারি মীমের মা রাবেয়া আক্তার বাদী হয়ে নগরীর আকবর শাহ্ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে সুনির্দিষ্টভাবে কাউকে আসামি করা হয়নি। তবে অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়।
এ ঘটনায় মীমের লাশ উদ্ধারের সময় মমতাজ মহল ভবনের কেয়ারটেকার মনিরুল ইসলামকে আটক করার পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও সে এ ব্যাপারে কিছুই জানে না বলে জানান। এমনকি ভবনে মিমের লাশ কিভাবে এলো সে ব্যাপারেও জানে না বলে দাবি করেন।
কিন্তু ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে, মীমের লাশ ভবনের উপর থেকে কোলে করে দ্বিতীয় তলার বারান্দায় এনে রাখা হয়েছে। সোহান নামে ওই ভবনের এক বাসিন্দা কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে রাতে প্রথম মীমের লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেন।
পরে আশপাশের দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলার পর নিশ্চিত হওয়া গেছে মীমকে হত্যার পর এ ভবনে আনা হয়নি। বরং মীমকে এ ভবনে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ বিষয়ে তথ্য উপস্থাপন করার পর ভবনের কেয়ারটেকার মনিরুল ইসলাম ধর্ষণের পর মীমকে গলাটিপে হত্যার কথা স্বীকার করে।
তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার রাতে অভিযান শুরু করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন স্থান ও কুমিল্লায় অভিযান চালিয়ে ধর্ষক গ্রুপের ৫ জনকে আটক করা হয়। বাকি একজনকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
ফাতেমা আক্তার মীম চট্টগ্রাম মহানগরীর ফয়’স লেক সি ওয়ার্ল্ড এলাকায় মা-বাবার সঙ্গে থাকতো। তার বাবা জামাল উদ্দিন নগরীতে কাপড় ধোয়ার কাজ করেন। মা রাবেয়া গৃহিণী ও বাইরের অন্য পরিবারে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করেন।
তাদের বাড়ি ভোলা জেলায়। ২ বছর আগে স্বামী-স্ত্রী কাজের সন্ধানে চট্টগ্রামে এলেও গত বছরের শেষের দিকে মীমকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসেন। মীমকে তারা স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় আরবি শিক্ষার জন্য ভর্তি করিয়ে দেন। ঘটনার দিন বিকালে মীম পাশের ঘরের দুই শিশুর সঙ্গে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়।
একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে খবর পেয়ে নগরীর আকবর শাহ্ থানায় ছুটে যান মা রাবেয়া খাতুন ও বাবা জামাল উদ্দিন। তারা সেখানে গিয়ে মীমের লাশ শনাক্ত করে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
এ সময় বাবা জামাল উদ্দিন পুলিশের পায়ে ধরে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত নরপশুদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেন। বাবার আকুতি ও মায়ের আহাজারিতে তখন এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয় বলে জানান আকবর শাহ্ থানার এসআই সফিউল আলম মুন্সী। তিনি এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ময়নাতদন্তে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর মীম হত্যায় থানায় মামলা দায়ের করেন তার মা রাবেয়া খাতুন। কিন্তু গত তিনদিনেও মীম হত্যার কোনো ক্লু না পাওয়ায় তার ডিএনএও সংগ্রহ করা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আটক মনিরুলের স্বীকারোক্তিতে ধরা পড়ল মীমের ধর্ষক ও খুনিরা।
তিনি বলেন, মীম ধর্ষণে ধর্ষক গ্রুপের সাতজনের মধ্যে আরও একজন আটকের বাইরে রয়ে গেছে। তাকে আটকে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানান তিনি।
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২৮ বছরেও মেলেনি ঘর by প্রতীক ওমর

সেই বাঁধটি এখন সহড়াবাড়ী নামে পরিচিত। এই বাঁধেই তখন থেকে আশ্রয় নিয়ে এখন অবধি তারা কাটিয়ে দিচ্ছে বছরের পর বছর। বাঁধে আশ্রয় নেয়া এই মানুষগুলোর এক সময় অনেক জমি ছিল। যে জমিতে ফসল ফলিয়ে তারা ঘরে তুলতো অথচ এখন তাদের বাড়ি বলতে বাঁধের উপর টিনের চালা দিয়ে কোনোরকমে মাথা গোঁজা। খাদ্য জোগানের জন্য তাদের অনেকেই মানুষের বাড়ি কাজ করছে। কৃষিজমিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। নদী ভাঙা এই মানুষগুলোর জীবনে গ্রীষ্ম আসে, বর্ষা আসে। আসে হেমন্ত ও শীত কিন্তু বসন্ত আসে না কখনোই। তবু তারা প্রত্যাশা করে তাদের পুনর্বাসনের। একটি গুচ্ছগ্রামেই বদলে যেতে পারে এই মানুষগুলোর জীবনধারণ। কিন্তু বছরের পর বছর বাঁধে দুর্দশা ও অবহেলায় তারা জীবন কাটালেও এখন অবধি তাদের পুনর্বাসনের কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। সহড়াবাড়ী বাঁধের ওপর বসে থাকা শরিফুন্নেছা জানালেন তার কষ্টের কথা। বললেন, যমুনা কিভাবে রাক্ষুসী রূপ ধারণ করে গিলে ফেলেছে তার সংসারের সবকিছু। নদীগর্ভে সব হারিয়ে নিঃস্ব ৬৮ বছরের শরিফুন্নেছা যমুনার পানির দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে বললেন, ওখানে তার বাড়ি ছিল। তার ৩টা গরু ছিল। জমি ছিল ১৪ বিঘা। একবার বানের পানিতে তার সব তলিয়ে গেছে। ২২ বছর ধরে তিনি এই বাঁধে আশ্রয় নিয়েছেন। বাঁধে আশ্রয় নেয়া সোফা বেগমও জানালেন একই কথা। বেঁচে থাকার তাগিদে তিনি অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করেন। শরিফুন্নেছা ও সোফা বেগমের মতো যারা সব হারিয়ে বাঁধে আশ্রয় নিয়েছেন তাদের প্রত্যেকের জীবন একই সুঁতোই গাঁথা। বেঁচে থাকার জন্য অন্যের ধান রোদে শুকানোর পর কুলায় ধানের চিটা উড়িয়ে বস্তায় ভরেন। আবার কেউবা গোবর শুকানোর পর বিক্রি করেন দু’বেলা দু’মুঠো খাবার জোগানের জন্য। বাঁধে আশ্রয় নেয়া তোজাম আলী জানালেন, প্রায় ২২ বছর আগে তাদের সহড়াবাড়ী গ্রাম যমুনায় তলিয়ে যায়। গ্রামটিতে প্রায় শতাধিক ঘরবাড়ী ছিল। এরপর তারা এই বাঁধে আশ্রয় নিয়েছেন। তার মতো আরো অনেকেই কখনও মাঠে কাজ করে আবার কখনও রিকশা ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছে। ধুনটের ৫নং ওয়ার্ড ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের মেম্বার আনোয়ার হোসেন জানালেন, বাঁধের ওপর আশ্রয় নিয়ে আছে ৫ থেকে প্রায় ৬ হাজারের বেশি মানুষ। যাদের পুনর্বাসনের জন্য গুচ্ছগ্রাম অত্যন্ত জরুরী। ইতিপূর্বে বেশ ক’বার গুচ্ছগ্রামের জন্য বাঁধের পাশে জায়গার মাপযোগ করা হয়েছে কিন্তু এখন পর্যন্ত গুচ্ছগ্রামের কোন আশা বা আকাঙ্ক্ষা নেই। শেরপুর-ধুনট আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান জানালেন, গুচ্ছগ্রামের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা হয়েছে। চলতি বছরেই সহড়াবাড়ী বাঁধের পাশে গুচ্ছগ্রাম তৈরির আশ্বাস দিলেন তিনি।
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিয়ানমারে জাতি নিধন চলছেই! -ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের সম্পাদকীয়

ওই চুক্তির একটি বড় ত্রুটি হচ্ছে, এতে মিয়ানমার সরকার বলেছে, প্রত্যাবাসিত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে। এটা কার্যত অসম্ভব। আশির দশকে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেয় মিয়ানমার। বন্ধ করে দেয় মুসলিম সংখ্যালঘু সমপ্রদায়টিকে সরকারি কাগজপত্র দেয়া। আর সামপ্রতিক সহিংসতায় রোহিঙ্গারা যখন মিয়ানমার ছেড়ে পালালো, তখন তাদের অনেকের সম্বল ছিল শুধু গায়ে জড়ানো কাপড়টুকু। সেনারা তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেবার ফলে সঙ্গে নেবার মতো কোনো কিছু ছিল না অনেকেরই। এখন খুব কমসংখ্যক রোহিঙ্গাই মিয়ানমারে ফেরত যেতে ইচ্ছুক। কারণ, এখনো সেনাবাহিনী সেখানে জ্বালাও-পোড়াও অব্যাহত রেখেছে। এখনো রোহিঙ্গারা পালিয়ে বাংলাদেশে আসছে প্রতিদিন। পালিয়ে বেড়াচ্ছেন মিয়ানমারে অবস্থানরত রোহিঙ্গারা ।
মিয়ানমার সরকার অঙ্গীকার করেছে যে, প্রত্যাবাসিত রোহিঙ্গাদের প্রথমে অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হলেও, পরবর্তীতে তারা নিজেদের বসতভিটায় ফিরে যেতে পারবেন। তবে সরকারি এ আশ্বাসে যুক্তিযুক্তভাবেই রোহিঙ্গারা আশাবাদী হতে পারছেন না। কারণ, ২০১২ সালেও একবার মিয়ানমার উত্তর রাখাইনে সংঘটিত সামপ্রদায়িক সহিংসতার জেরে পালানো এক লাখ বিশ হাজার রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসিত করে রাখাইনের রাজধানী সিত্তির অস্থায়ী ক্যামেপ রাখে। তখনও বলা হয়েছিলো যে, অস্থায়ী ক্যামপ থেকে রোহিঙ্গারা পরবর্তীতে নিজেদের আদি বসতভিটায় ফিরে যেতে পারবে। তবে বাস্তবে তা হয়নি। সেসব প্রত্যাবাসিত রোহিঙ্গারা এখনো ওই অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে মানবেতর পরিস্থিতিতে বসবাস করছেন। অপুষ্টিতে ভুগছে সেখানকার শিশুরা।
এছাড়াও, রোহিঙ্গাদের ওপর সংঘটিত সহিংসতার পর্যাপ্ত প্রমাণাদি থাকা সত্ত্বেও সুচি’র সরকার সেনাবাহিনীর অপরাধ আড়াল করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। বহিরাগত বা বিদেশি তদন্তকারীদের সেখানে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। এ তালিকায় রয়েছেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত ইয়াংহি লি-ও। তাকে মিয়ানমারে প্রবেশের ভিসা দেয়া হয়নি! বিদেশি সাংবাদিকদের রোহিঙ্গাদের আবাসস্থলে প্রবেশে দিয়ে রাখা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।
গতমাসে মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দুই স্থানীয় সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করে। তারা রাখাইনে রোহিঙ্গা সংকটের তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। পুলিশ প্রথমে তাদের বৈঠকে আমন্ত্রণ জানায়। কথিত আছে, এরপর তাদের কাছে কিছু গোপন নথিপত্র দেয়। তারপর সরকারি গোপনীয়তা আইনের ধারায় তাদের গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তারা বিচারাধীন রয়েছেন। তাদের ১৪ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে।
যদিও প্রত্যাবাসন চুক্তি সমপাদিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সু চির ওপরে চাপ কিছুটা কমে গেছে। তিনি খানিকটা স্বস্তির নিশ্বাস নিতে পারছেন। কিন্তু তার সামনে সুযোগ ছিল চুক্তিটি কাজে লাগিয়ে সেনাবাহিনীর সহিংসতা বন্ধ রাখতে চাপ দেয়ার। তিনি তেমনটি করেননি। নোবেলজয়ী এই ব্যক্তিত্ব উল্টো সেনাবাহিনীর চালানো নৃশংসতার মাত্রা ও ভয়াবহতা ঢাকার চেষ্টা করছেন।
সার্বিক এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা দেশগুলোকে একটি কঠিন অবস্থার মুখে দাঁড় করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের নির্যাতন এবং হত্যাযজ্ঞকে ‘জাতি নিধন’ বলে উল্লেখ করলেও, কোনো ধরনের অবরোধ আরোপ করা হলে তা মিয়ানমারের গণতন্ত্রায়ন ব্যাহত করবে- এই অজুহাতে মিয়ানমারের ওপর কোনো অবরোধ আরোপ করেননি। দেশটির রাজস্ব বিভাগ অবশ্য মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এক জেনারেলকে ‘ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের’ দায়ে আর্থিক কালো তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের ওপরও শাস্তিমূলক পদক্ষেপের কথা ভাবা হচ্ছে।
তবে এ ধরনের পরিমিত পদক্ষেপ মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সহিংসতা থামানো এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফেরানোর ক্ষেত্রে অপর্যাপ্ত। মিয়ানমারে অবস্থানরত লাখ লাখ রোহিঙ্গার জীবন এখনো নিরাপদ নয়। তাই প্রত্যাবাসনের মিথ্যে আশা বাদ দিয়ে জাতিসংঘ ও সাহায্যকারী সংস্থাগুলোর আগে রাখাইনে যেতে হবে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দেখতে হবে। শক্ত পদক্ষেপ নেয়া ছাড়া রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান হবে না।
(ওয়ালস্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত সম্পাদকীয় এর অনুবাদ করেছেন নাজমুস সাদাত পারভেজ)
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ▼ 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...