Saturday, August 17, 2019
কাশ্মীর নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন ইমরান

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি জানিয়েছেন জানায়, কাশ্মীরের স্বায়ত্ত্বশাসন কেড়ে নিতে ভারতের একতরফা সিদ্ধান্তের পর উদ্ভূত পরিস্থিতির বিষয়ে শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দীর্ঘ ফোনালাপ করেছেন।
দীর্ঘসময়ের এ ফোনালাপে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইমরান খান আশ্বস্ত করতে সক্ষম হয়েছেন বলেও দাবি করেন পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সোশ্যাল মিডিয়ায় দেয়া এক ভিডিও বক্তব্যে মাহমুদ কোরেশি বলেন, কাশ্মীর ইস্যুতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ বৈঠকে বসার আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কাশ্মীরের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কথা বলেছেন। ভারতের এমন একতরফা সিদ্ধান্তের ফলে এ অঞ্চলে যেসব অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে, তা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে অবহিত করেছেন তিনি।
কাশ্মীর ইস্যুর পাশাপাশি আফগানিস্তানের শান্তি প্রক্রিয়া নিয়েও ডোনাল্ড ট্রাম্প কথা বলেছেন বলে জানান পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের অনুরোধ ও চীনের সমর্থনে কাশ্মীরের চলমান সংকট নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক ডেকেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি)।
শুক্রবার (১৬ আগস্ট) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় কাশ্মীর সংকট নিয়ে এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। যেখানে কাশ্মীরের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন বিশ্বনেতারা।
গত ৫ আগস্ট নরেন্দ্র মোদির সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা (ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ) বাতিল করে দিয়েছে। একই সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরকে ভেঙে দুটি অঞ্চল কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠন করা হয়েছে।
কাশ্মীরী সংগঠনগুলো বলেছে, জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের অর্থ হলো সেখানকার অধিবাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা। আইনটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপত্যাটিকে কয়েক দিন আগে থেকেই কড়া নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে।
সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের কারণে স্বায়ত্বশাসন হারায় কাশ্মীরিরা। স্থানীয় বাসিন্দা নন এমন নাগরিকদের সম্পত্তি কেনা ও বিয়ে করার সুযোগ করে দিয়েছে ভারত। এর প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে কাশ্মীরি জনগণ। তারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে। অবরোধও চলছে।
এদিকে ওই দিনটি থেকে কাশ্মীরের টেলিফোন লাইন, ইন্টারনেট ও টেলিভিশন নেটওয়ার্ক বন্ধ করে রেখেছে দিল্লি এবং লোকজনের অবাধ চলাচল ও জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করেছে। দুইজন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি ও ওমর আব্দুল্লাহসহ কয়েকশ কাশ্মীরি নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।
এই মুহূর্তে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীর বিশ্বের সবচেয়ে সামরিকীকৃত এলাকায় পরিণত হয়েছে। সেনাবাহিনী, আধা-সামরিক বাহিনী ও পুলিশ সদস্য মিলিয়ে সেখানে ৭ লক্ষাধিক নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
অস্থায়ী কারাগার বানানো হয়েছে হোটেল, গেস্ট হাউস, সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন ভবনকে। কাশ্মীরের পুরো উপত্যকাটি যেন পরিণত হয়েছে একটি কারাগারে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীর নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত এল

চীন ও পাকিস্তানের অনুরোধে শুক্রবার বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় বলে কূটনীতিকদের বরাতে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
বৈঠকে জম্মু-কাশ্মীর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিরা। গত কয়েক দশকের মধ্যে এই প্রথম জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে কাশ্মীর বিষয়ে আলোচনা হলো।
তবে প্রবল ক্ষমতাধর নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য দেশের এ আলোচনায় কাশ্মীর সংকট সমাধানে তেমন কোনো ফল আসেনি বলে জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন। জাতিসংঘের একজন কূটনীতিকের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈঠকের পর নিরপত্তা পরিষদের বিবৃতিতে কাশ্মীর ইস্যুতে কোনো কথা বলা হয়নি। নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের পর গণমাধ্যমে বিবৃতি দেয়াকে পরিষদের ন্যূনতম কাজ হিসেবে দেখা হয়। কাশ্মীর ইস্যুতে এবার ন্যূনতম পদক্ষেপটি নেয়া হয়নি।
জাতিসংঘের ওই কূটনীতিক আরও জানান, নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের পর কোনো বিবৃতি দেয়া হলে তা কাশ্মীরের উত্তেজনাকর পরিস্থিতি আরো বাড়িয়ে তুলবে মনে করে এর বিরোধিতা করে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যদের একাংশ। আবার পরিষদের আরেকটি অংশ এই বৈঠক শেষে কোনো বিবৃতি দেয়া হলে তা হবে পাকিস্তানের পক্ষ নেয়া— এমন ভাবনা থেকে বিবৃতি দেয়ার বিরোধিতা করে।
এছাড়া বৈঠকে ফ্রান্স, জার্মানি ও জাতিসংঘ কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় আলোচনার সুযোগ নষ্ট হওয়াসহ পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে করতে পারে— এমন ভাষা ব্যবহারের বিরুদ্ধে মত দেয়।
জাতিসংঘের আরেকজন কূটনীতিক জানান, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনাকেই কাশ্মীর ইস্যুতে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে।
কাশ্মীর নিয়ে পারমাণবিক শক্তিধর দুই প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। সাধারণত যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে এবং চীন পাকিস্তানকে সমর্থন দিয়ে আসছে। এ কারণে ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদ শুক্রবারের বৈঠকে এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারবে না বলে আগে থেকেই ধারণা করে আসছিলেন পর্যবেক্ষকরা। সেটিই শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো।
এই ফলহীন বৈঠকের পর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি মালিহা লোধি। তিনি বলেন, ‘এ বৈঠক প্রমাণ করেছে, ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের জনগণের চিৎকার-ধ্বনি জাতিসংঘের কানে পৌঁছেছে।’
মালিহা লোধি দাবি করেন, এ বৈঠক প্রমাণ করে কাশ্মীর ইস্যু একটি একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা। কাশ্মীর ইস্যুর একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য পাকিস্তান প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি সৈয়দ আকবরউদ্দিন বলেন, ‘কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আমাদের আন্তর্জাতিক কোনো পক্ষকে প্রয়োজন নেই।’
এদিকে জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ঝাং জুন বলেন, ‘কাশ্মীর নিয়ে ভারত ও পাকিস্তান উভয়েরই একতরফা পদক্ষেপ নেয়া থেকে বিরত থাকা উচিত বলে মনে করে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।’
৫ আগস্ট ভারতের পার্লামেন্টে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করা হয়। এ কারণে স্বায়ত্তশাসন হারান কাশ্মীরিরা। সেখানে কেন্দ্রীয় শাসন জারি করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা নন এমন নাগরিকদের সম্পত্তি কেনা ও বিয়ে করার সুযোগ করে দিয়েছে ভারত। এর প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছেন কাশ্মীরিরা। তারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেন। অবরোধও চলছে। এদিকে ওই দিনটি থেকে কাশ্মীরের টেলিফোন লাইন, ইন্টারনেট ও টেলিভিশন নেটওয়ার্ক বন্ধ করে রেখেছে দিল্লি এবং লোকজনের অবাধ চলাচল ও জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করেছে। দুই সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি ও ওমর আবদুল্লাহসহ কয়েকশ কাশ্মীরি নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।
এর প্রতিক্রিয়ায় মঙ্গলবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ বরাবর একটি চিঠি লেখেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরাইশি। তিনি চিঠিতে ভারতের সিদ্ধান্ত নিয়ে বৈঠকে বসার জন্য নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানান।
চিঠিতে কোরাইশি লিখেছেন, ‘পাকিস্তান কাশ্মীরে যুদ্ধের উসকানি দেবে না। কিন্তু ভারত যেন আমাদের সংযমকে দুর্বলতা না ভাবে। ভারত যদি ফের শক্তি প্রয়োগ করার পথে যায়, আত্মরক্ষার জন্য সর্বশক্তি নিয়ে পাকিস্তান জবাব দিতে বাধ্য হবে।’
এদিকে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপ নেয়া থেকে বিরত থাকতে ভারত ও পাকিস্তানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। কাশ্মীরের ভারতীয় অংশে বিধিনিষেধ আরোপের খবরে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন মহাসচিব।
১৯৪৮ ও ১৯৫০ সালের দশকে কাশ্মীর নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের বিরোধের বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদে বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল। এর মধ্যে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গণভোট নেয়ার কথাও ছিল।
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে অস্ত্রবিরতি পর্যবেক্ষণ করার জন্য ১৯৪৯ সাল থেকে জম্মু-কাশ্মীরে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মোতায়েন আছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যৌন হয়রানি মামলায় ভারতীয় মেজর জেনারেল চাকরিচ্যুত, নিশ্চিত করেছেন সেনাপ্রধান

ভারতীয় সেনাবাহিনীর আসাম রাইফেলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ব্রিগেডের ওই মেজর জেনারেলকে অবসর ভাতা ছাড়াই চাকরিচ্যুত করা হয়। সেনাবাহিনীর এক নারী কর্মকর্তাকে যৌন হয়রানির দায়ে তাকে পদচ্যুত করা হয়।
দেশটির সামরিক আদালতের সুপারিশক্রমে মেজর জেনারেল আর এস জাশোয়ালকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে শুক্রবার নিশ্চিত করেন জেনারেল রাওয়াত। গত মাসে তাকে চাকরিচ্যুত করার আদেশে স্বাক্ষর করেন তিনি।
সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা বলেছেন, ‘সেনাপ্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত ওই সেনা কর্মকর্তাকে এই দণ্ড দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শুক্রবার সেনাপ্রধানের সিদ্ধান্তটি পদচ্যুত ওই মেজর জেনারেলকে জানান কমান্ডার লে. জেনারেল এমজেএস খালোন।’
গত বছরের ডিসেম্বরে ভারতের একটি সামরিক আদালত ওই আর্মি জেনারেলের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির প্রমাণ পাওয়ায় তাকে বরখাস্ত করার সুপারিশ করে। আদালতের সেই সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে সেনাবাহিনী থেকে পদচ্যুত করা হয়।
যৌন হয়রানির ওই ঘটনাটি ঘটে ২০১৬ সালে। তখন অভিযুক্ত ওই মেজর জেনারেল ভারতীয় সেনাবাহিনীর পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ডের অধীনে হরিয়ানার চন্ডিমন্দির সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন। সেখানে ক্যাপ্টেন পদমর্যাদার একজন নারী কর্মকর্তাকে যৌন হেনস্থা করেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অবরুদ্ধ কাশ্মীরে আতঙ্ক আর বিশৃঙ্খলা দেখেছেন এক সাংবাদিক by শেখ সালিক

কিন্তু কাশ্মীরে জীবন এখন অন্যরকম। ভারত নিয়ন্ত্রিত অংশে সরকার সংবিধানের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর সেখানে যাতে কোন ধরনের বিক্ষোভ দানা বাঁধতে না পারে, সে জন্য সেখানে এখন নজিরবিহীণ ষাঁড়াশি অভিযান চলছে।
শত শত ভারতীয় সেনা অটোমেটিক রাইফেল নিয়ে শ্রীনগর-বারামুল্লা মহাসড়কে টহল দিচ্ছে। ৫৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি এ অঞ্চলের মূল শহরের সাথে উত্তরাঞ্চলীয় শহরগুলোর সংযোগ করেছে। বেসামরিক যান চলছে বিক্ষিপ্তভাবে। দোকানপাট বন্ধ। সড়কগুলোতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ট্রাকগুলো দাবিয়ে বেড়াচ্ছে। রাস্তায় রাস্তায় কাঁটাতারের ব্যারিকেডের কারণে অধিবাসীরা ঘরের ভেতরেই থাকতে বাধ্য হচ্ছে।
ভারত অধিকৃত কাশ্মীর এখন কার্যত অবরুদ্ধ।
গত সপ্তাহে প্রথম রিপোর্টিং করতে কাশ্মীর এসেছিলাম, ভারত সরকার যখন সংবিধান থেকে বিশেষ সুবিধা বাতিল করলো। আমার দ্বিতীয় সফর অনেকটাই ব্যক্তিগত। ফোন ও ইন্টারনেট সুবিধা বাতিলের পর আত্মীয়স্বজনদের সাথে কোন ধরনের যোগাযোগ না হওয়ায় তাদের খোঁজ নিতে গিয়েছিলাম দ্বিতীয়বার।
শ্রীনগর বিমানবন্দর থেকে বারামুল্লা পর্যন্ত যাত্রাটা ছিল আতঙ্কজনক এবং ঘরে ফেরার একটা অদ্ভুত অনুভূতিও হচ্ছিল। মহাসড়কে কোন যানবাহন ছিল না বললেই চলে। প্রতি ১০-১৫ মিনিট পর পর ভারতীয় সেনারা যানবাহন থামিয়ে যাত্রীদের তল্লাশি করছিল।
যে সব রাস্তা দিয়ে গেছি, সেগুলোর অধিকাংশই ছিল আবর্জনায় ঢাকা – যেটা নাগরিকদের ক্ষোভের বহিপ্রকাশ। সড়কগুলো প্রায় বিরান এবং মানুষের মধ্যে একটা গম্ভীর ভাব বিরাজ করছে। সঙ্কট ঘনীভূত হওয়ার সাথে সাথে সাধারণ কাশ্মীরীরা বিপদে পড়ে গেছে এবং তারা অপেক্ষা করছে কি ঘটে দেখার জন্য।
১৯ বছর বয়সী ফিরদৌস আহমেদ নাকাশ বললেন, “ভারতের বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করবো”। সড়ক ধরে উত্তরাঞ্চলীয় শহর সোপোরের দিকে যাচ্ছিল সে, যে অঞ্চলে ভারত-বিরোধী মনোভাব খুবই তীব্র।
তার পাশেই বসেছিল ৫৬ বছর বয়সী মুজাফফর টেলি। সেও ফিরদৌসের কথার পুনরাবৃত্তি করলো।
তিনি বলেন, “ও আর আমি, আমরা ভারতের বিরুদ্ধে লড়াই করবো”।
কাশ্মীরীদের আশঙ্কা তাদের অঞ্চলের উপর ভারতের অত্যধিক কর্তৃত্বের কারণে এ অঞ্চলের জনসংখ্যার বৈশিষ্ট্য এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র নষ্ট হয়ে যাবে। ভারত বলেছে, তাদের সিদ্ধান্ত এই অঞ্চলকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদীদের’ থেকে রক্ষা করবে।
বারমুল্লার কর্তৃপক্ষ প্রচুর গ্রেফতার করেছে। তাদের মধ্যে রাজনৈতিক কর্মী, সাবেক বিক্ষোভাকরী এবং কিছু পাথর নিক্ষেপকারীও রয়েছে। কিন্তু একই সাথে তারা বুদ্ধিজীবী ও আইনজীবীদেরকেও গ্রেফতার করেছে। বেশ কিছু পরিবার এ অভিযোগ করেছে। যোগাযোগ না থাকায় এ ব্যাপারে দিল্লীর মতামত জানতে চেয়েও জানতে পারিনি আমি।
কাশ্মীর থেকে খবর খুব সামান্যই বাইরে যাচ্ছে। শ্রীনগরে সামান্য কিছু সাংবাদিক আছে। অধিকাংশ মিডিয়া সেখানেই অবস্থান করছে। কর্তৃপক্ষ সেলফোন ব্যবহার করে স্থানীয়দের স্বল্প সময়ের জন্য স্বজনদের সাথে যোগাযোগের অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু কাশ্মীরে কি ঘটছে, সে ব্যাপারে একটি কথাও বলা যাবে না।
ষাঁড়াশি অভিযানের কারণে সাংবাদিকদের কাজ হয়ে গেছে সবচেয়ে কঠিন। কারণ যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ এবং চলাফেরাও করা যাচ্ছে না।
১৭ বছর বয়সী আর্জুমান্দ দার ক্ষোভ জানিয়ে বললো, “এ অঞ্চলের মানুষের সাথে কোন আলোচনা না করেই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে”।
বারামুল্লার পুরনো শহরের পাশে ঝিলাম নদীর উপরের ঐতিহাসিক সেতুর উপর বসেছিল এক ব্যক্তি। নয়াদিল্লীর কেন্দ্রীয় সরকার ভুল করবে যদি তারা ভেবে থাকে যে, মানুষ প্রতিবাদ না করে সব মেনে নেবে।
তিনি বললেন, “কাশ্মীরকে ছেড়ে যাওয়া উচিত ভারতের”। প্রতিশোধের আশঙ্কায় নিজের নাম প্রকাশে রাজি হননি তিনি।
যোগাযোগ না থাকায় যে সামান্য তথ্যটুকু বাইরে যাচ্ছে, সেটাও গাল-গপ্পের মধ্য দিয়ে গুজবে পরিণত হচ্ছে।
অনেক মানুষ আমাকে বলেছেন যে, চরমতম খারাপ পরিস্থিতির প্রস্তুত হচ্ছেন তারা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানের মসজিদে বোমা হামলায় তালেবান নেতার ভাই নিহত

তালেবানের একটি উর্ধ্বতন সূত্র জানায়, কোয়েটার বাইরে কুচলাক শহরের খাইরুল মাদারাইস মসজিদের ইমাম ছিলেন হাফিজ আহমাদুল্লাহ। শুক্রবার জুমার নামাজের সময় এই হামলা হয়।
বোমা বিস্ফোরণে অন্তত চারজন নিহত হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
সূত্রটি আল জাজিরাকে জানায়, বিস্ফোরণে আখুনজাদার ভাই হাফিজ আহমাদুল্লাহ নিহত হন।
কোয়েটা শুরা নামে তালেবান নেতাদের একটি অংশ কোয়েটায় শরনার্থী হিসেবে বাস করছেন। ২০০১ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধিন হামলায় কাবুলের ক্ষমতা থেকে উৎখাতের পর তারা পাকিস্তান চলে যান।
আরেকটি তালেবান সূত্র জানায় যে, তালেবান নেতারা ওই মসজিদকে সাক্ষাত ও বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনার জন্য ব্যবহার করতেন।
২০১৬ সালে হায়বাতুল্লাহ তালেবান গ্রুপের নেতা নিযুক্ত হওয়ার পর তিনি মসজিদের ভার আহমাদুল্লার হাতে ছেড়ে দেন।
এখনো কেউ হামলার দায় স্বীকার করেনি।
কাতারের রাজধানী দোহায় তালেবান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অষ্টম দফা আলোচনা শেষ হওয়ার কয়েক দিন পর এই হামলার ঘটনা ঘটে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরাইলের ‘নিপীড়নমূলক শর্ত’ প্রত্যাখ্যান রাশিদা তৈয়বার
![]() |
| রাশিদা তৈয়বা |
এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা।
রাশিদা বলেছেন, ইসরাইলি সরকারের ‘নিপীড়নমূলক শর্তের’ অধীনে তিনি দখলীকৃত পশ্চিততীর সফরে যাবেন না। এখানে উল্লেখ্য, রাশিদা তৈয়ব ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত। তার জন্ম যুক্তরাষ্ট্রে। এখন তার বয়স ৪৩ বছর। তার শিকড় ফিলিস্তিনে ইসলাইল দখলীকৃত পশ্চিমতীরের বেইত উর আল ফাউকা গ্রামে। সেখানে এখনও তার ‘গ্রান্ডমাদার’ ও পরিবারের অন্য সদস্যদের বসবাস।
তিনি তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়ে শুক্রবার জানিয়ে দিয়েছেন টুইটারে। এর একদিন আগে তার ও ইলহান ওমরের বিরুদ্ধে ইসরাইলে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে ইসরাইল সরকার। কারণ, তারা দু’জনেরই একটি বর্জন বিষয়ক আন্দোলনে যোগ দেয়ার কথা ছিল। এর মধ্য দিয়ে ইসরাইলের ওপর চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্য ছিল, যাতে ফিলিস্তিনিদের নির্যাতনের অধিকার হারায় ইসরাইল। তবে বিতর্কিত আইনে ‘বয়কট, ডিভেস্টমেন্ট অ্যান্ড স্যাংশন (বিডিস)’ আন্দোলন ইসরাইলে নিষিদ্ধ করা যেতে পারে।
এ অবস্থায় মার্কিন কংগ্রেসের দুই নারী মুসলিম সদস্যকে নিষিদ্ধ করার পর ইসরাইলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরিয়ে দেরি বলেন, পশ্চিমতীরে নিজের ‘গ্রান্ডমাদার’কে দেখতে মানবিক কারণে সফর করতে অনুমোদন দেয়া হয়েছে রাশিদা তৈয়বকে। এক্ষেত্রে আইন প্রণেতারা তাকে একটি লিখিত চিঠি দিয়েছেন। তাতে তারা বলেছেন, ইসরাইলে অবস্থানকালীন রাশিদাকে আরোপিত শর্তগুলোর প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরাইলে অবস্থানকালে ‘বয়কট’ বিষয়ক কোনো আন্দোলনে জড়িত না হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন রাশিদা।
কিন্তু এর পরই শুক্রবার টুইট করেছেন রাশিদা। এতে তিনি বলেছেন, এমন শর্তের অধীনে তিনি সফরে আসুন এমনটা চান না তার ‘গ্রান্ডমাদার’। রাশিদার নিজের ভাষায়, ‘তিনি চান না আমার কণ্ঠকে স্তব্ধ করে দেয়া হোক এবং আমার সঙ্গে একজন অপরাধীর মতো আচরণ করা হোক। এতে আমার ভিতরের একটি অংশকে হত্যা করা হবে। আমি বিশ্বাস করি বর্ণবাদ, নিষ্পেষণ এবং অবিচারের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে। কিন্তু এসব নিষ্পেষণকারী শর্তের অধীনে আমার ‘গ্রান্ডমাদার’কে দেখতে যাওয়া হবে আমার সেই আদর্শের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া। যখন আমি (নির্বাচনে) বিজয়ী হই, তখন ফিলিস্তিনি মানুষদের মধ্যে একটা আশা জেগেছিল। তাহলো, তারা যে অমানবিক অবস্থায় রয়েছেন সেই সত্যটা শেষ পর্যন্ত বলার কেউ একজন এসেছে। আমাকে অবমাননার মাধ্যমে ইসরাইলকে সেই আশার আলোটি কেড়ে নিতে দেবো না। আমার ‘গ্রান্ডমাদারের’ প্রতি আমার ভালবাসাকে ব্যবহার করে তাদের নিষ্পেষণ ও বর্ণবাদী নীতির কাছে আমার মাথা নত করতে দেবো না।
এর আগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ওই দুই নারী কংগ্রেস সদস্যকে নিয়ে অভিযোগ করেন যে, তারা ইসরাইলকে ঘৃণা করেন। ইহুদি জনগণকে ঘৃণা করেন। এমন কোনো কথা বা এমন কিছু করার নেই, যাতে তাদের মানসিক এই অবস্থার পরিবর্তন করতে পারে। তাদেরকে যদি ইসরাইলে প্রবেশ করতে দেয়া হয় তাহলে তাতে ইসরাইলের বিরাট এক দুর্বলতা প্রকাশ পাবে। ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর তাদেরকে ইসরাইলে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। এতে কড়া নিন্দা ওঠে।
কিন্তু রাশিদা তৈয়ব ও ইলহান ওমর বার বার বলেছেন, নীতিগত পার্থক্যের ভিত্তিতে তারা ইসরাইল সরকারের সমালোচনা করেন। তারা ইহুদি জনগণের বিরুদ্ধে গিয়ে ইসরাইল সরকারের সমালোচনা করেন না। ওদিকে ইসরাইল তাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়ার পর রাশিদা তৈয়ব ওই উদ্যোগকে ইসরাইলের দুর্বলতা বলে আখ্যায়িত করেছেন। আর ইলহান ওমর বলেছেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ক্ষেত্রে এটা হলো অবমাননা। নেতানিয়াহুও ট্রাম্পের মতো ইসলাম ভীতিতে আছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাদ্দামের মেয়েকে ফিরিয়ে দিতে জর্ডানকে ইরাকের চাপ

ইরাকের সরকারি সূত্র ওই পত্রিকাকে জানিয়েছে, পার্লামেন্টে রাজনৈতিক ব্লক হিসেবে সংকটে পড়েছেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আদেল আব্দুল মাহদি। জর্ডানে অবস্থানরত সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের মেয়ে রাঘাদসহ বিরোধী দলীয় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রীকে চাপ দিচ্ছেন তারা। জর্ডানে বসবাসরত সাদ্দামের পঞ্চম মেয়ে ও অন্য ইরাকিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন করার অভিযোগ করছে ইরাক সরকার।
ওকাজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জর্ডান এটাকে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে। বাগদাদের চাওয়া ব্যক্তিদের আত্মসমর্পন করানোর জন্য সরকারি প্রচেষ্টাকে ‘ব্ল্যাকমেইল’ বা হুমকি হিসেবে নিয়েছে তারা। এরই মধ্যে ‘রাজনৈতিক সার্বভৌমত্বকে লক্ষ্যবস্তু করে এমন রাজনৈতিক ব্ল্যাকমেইল প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান’ করেছে জর্ডান।
জর্ডানের সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে ওই পত্রিকা বলছে, ‘জর্ডানে প্রায় পাঁচ লাখ ইরাকি থাকার পরও মাথা নত করবে না আম্মান।’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকের পার্লামেন্টের ওই রাজনৈতিক পক্ষ চাপ দিয়ে জর্ডানে বসবাসরত ইরাকিদের ইস্যুটিকে দু'দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করছে। তবে এই সংযোগ ইরাক ও তার প্রতিবেশীদের মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট করবে বলে সংযোগ স্থাপনে অস্বীকৃতি জানিয়েছে সরকার।
উল্লেখ্য, ব্যাপক মানববিধ্বংসী অস্ত্র থাকার অভিযোগ তুলে ২০০৩ সালে ইরাকে হামলা চালায় মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট। হামলায় ক্ষমতাচ্যুত হন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন। পরে মার্কিন বাহিনীর হাতে ধরা পড়ার পর ইরাকের আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন তিনি। নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় সাদ্দামের রাজনৈতিক দল বাথ পার্টিকে। ইরাকে মার্কিন হামলার মধ্যে প্রতিরোধ যুদ্ধে নিহত হন সাদ্দামের দুই ছেলে। যুদ্ধের একপর্যায়ে ইরাক ছেড়ে পালিয়ে যান মেয়ে রাঘাদ হোসেনসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা। বাথ পার্টিকে সহায়তার অভিযোগে ২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল রাঘাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একসঙ্গে ৫৮ জনের জানাজা! by মুফতি এনায়েতুল্লাহ
![]() |
| জানাজার নামাজের জন্য মরদেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে |
মসজিদে হারামে প্রতি ওয়াক্ত ফরজ নামাজ শেষে ‘আস সালাতু আলাল আমওয়াতি ইয়ারহামু কুমুল্লাহ', অথবা 'আস সালাতু আলাল আমওয়াতি ওয়াল আতফালি ইয়ারহামু কুমুল্লাহ' বলে জানাজার নামাজের ঘোষণা দেওয়া হয়।
চলতি হজ মৌসুমে ফরজ নামাজের পর একবার জানাজা শেষে দ্বিতীয়বার ঘোষণা দিয়ে আবার জানাজার নামাজ পড়া হচ্ছে। এটা নিয়ে এক ধরণের কৌতূহল কাজ করছে। এ বিষয়ে খোজ নিয়ে জানা গেছে, জানাজার জন্য আসা লাশের সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে দুইবার জানাজা পড়তে হচ্ছে। শুক্রবার ফজরের নামাজের পরও দু'বার ঘোষণা দিয়ে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
হজযাত্রী এবং মক্কার আশপাশের এলাকার স্থানীয় সৌদি নাগরিক কিংবা কোনা প্রবাসী মারা গেলে তাদের জানাজা মসজিদে হারামে অনুষ্ঠিত হয়। হজযাত্রীরা ফরজ নামাজের পর সঙ্গে সঙ্গে সুন্নত নামাজ শুরু না করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেন জানাজার জন্য, এটাই রীতি।
হজপালন করতে এসে কোনো হজযাত্রী হোটেল, বাড়ি কিংবা রাস্তায় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে অথবা হাসপাতালে মারা গেলে তার মরদেহ দেশে পাঠানো হয় না। তবে লাশ দেশে না পাঠালেও মৃত্যুবরণকারী হাজির মৃত্যুর সনদ যথাসময়ে তাদের পরিবার বা তাদের প্রতিনিধি কিংবা এজেন্সির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মরদেহের গোসল করানো, কাফন পরানো, জানাজা পড়ানো ও দাফন করাসহ যাবতীয় কাজ নির্দিষ্ট বিভাগ করে থাকে। মক্কার রুশাইফায় রয়েছে লাশের গোসল ও কাফন পরানোর ব্যবস্থা। হজপালনকারীদের লাশ বহন করার জন্য সরকারি গাড়ির ব্যবস্থা রয়েছে। মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশের এখানে কোনো কিছু করতে হয় না।
মসজিদে হারামে জানাজার জন্য লাশ গাড়িতে করে কাবা শরিফের দক্ষিণে নবী করিম (সা.)-এর জন্মস্থানের পাশে বাবে ইসমাইলের কাছে রাখা হয়। ফরজ নামাজের পর ইমাম সাহেব লাশ রাখার স্থানে এসে জানাজার নামাজ পড়ান।
আরবদের মাঝে লাশ বহরকারী খাটিয়া কাঁধে নেওয়ার আগ্রহ অনেক। এটা তাদের একটি বিশেষ গুণ। এটাকে তারা সৌভাগ্য মনে করে। এজন্য লাশ পরিচিত হওয়া জরুরি নয়।
পবিত্র হাদিসের ভাষ্যমতে, জানাজার নামাজ আদায় করলে উহুদ পর্বত সমান সওয়াব ব্যক্তির আমলনামায় যোগ হয়। জানাজার নামাজ আদায় করা- ‘ফরজে কেফায়া।’ অর্থাৎ সমাজের কিছু মানুষ তা আদায় করলে সবাই দায়িত্ব থেকে মুক্তি লাভ করেন। আর কেউ যদি এই কাজ না করেন, তাহলে সবাই পাপের ভাগীদার।
ভারতীয় উপমহাদেশের সাধারণ মানুষের কাছে ‘জানাজার নামাজ’ বলে যে ইবাদতটি পরিচিত, আরব দেশের জনগণ সেটিকে ‘সালাত আলাল মাইয়্যেত’ বা মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া বলে থাকেন। জানাজার নামাজ মূলতঃ মৃত ব্যক্তির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা।
এক হাদিসের মর্মার্থ হলো- জানাজা মুসলমানের অন্যতম হক। এতে অংশ নিলে পরকালের কল্যাণ লাভের সঙ্গে সঙ্গে মুসলমানের অধিকার সংরক্ষণের মতো মহৎ একটি কর্ম সম্পাদিত হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কলকাতায় গাড়িচাপায় দুই বাংলাদেশি নিহত

শুক্রবার মধ্যরাতে কলকাতার শেক্সপিয়র সরণি এবং লাউডন স্ট্রিটের সংযোগস্থলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- কাজি মহম্মদ মইনুল আলম (৩৬) এবং তার স্ত্রী ফারহানা ইসলাম তানিয়া (৩০)। মইনুলের বাড়ি ঝিনাইদহে। তানিয়ার বাড়ি ঢাকার মোহাম্মদপুরে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রবল বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে কলকাতা পুলিশের আউটপোস্টে আশ্রয় নিয়েছিলেন ওই দুইজন। রাত ২টার দিকে বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের দিক থেকে আসা একটি গাড়ির সঙ্গে উল্টো দিক থেকে আসা আরেকটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় দুটি গাড়িই ছিটকে সড়কের পাশে পুলিশ আউটপোস্টে গিয়ে পড়ে। এতে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা দুই বাংলাদেশি চাপা পড়েন। উদ্ধার করে কলকাতার এসএসকেম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটির একটি জাগুয়ার ও অন্যটি মার্সিডিজ কোম্পানির। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন মার্সিডিজ গাড়ির চালক ও তার আরোহী। ঘটনার পরই গাড়ি ফেলে পালিয়েছেন অপর গাড়ির চালক।
নিহত দুই বাংলাদেশি চিকিৎসার জন্য ১৫ দিন আগে কলকাতায় পৌঁছেন বলে জানা গেছে। ময়নাতদন্তের পর বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে তাদের মরদেহ দেশে পাঠানোর কথা জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।
দুর্ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হচ্ছে বলেও পুলিশ জানিয়েছে।
বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ বসিরউদ্দিন বলেন, নিহত দু'জন ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়েছিলেন অথবা ফুটপাত ধরে যাচ্ছিলেন। এমন সময় তাদের পাশেই দুটি গাড়ির সংঘর্ষ হয় এবং গাড়ি দুটি তাদের চাপা দেয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীরে কারাগারে জায়গা নেই: হোটেল-গেস্ট হাউস ডিটেনশন কেন্দ্রে পরিণত

ভারতের কেন্দ্রীয় নরেন্দ্র মোদি সরকার জমু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল করার পরে সেরাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি, ওমর আবদুল্লাহর মতো সাবেক মুখ্যমন্ত্রীদের পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রধান ডা. ফারুক আব্দুল্লাহসহ অনেক রাজনৈতিক নেতাকে গৃহবন্দি অথবা আটক করা হয়েছে। অতীতে যারা পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় জড়িত ছিল তাদেরকেও পুলিশ গ্রেফতার করেছে। উপত্যকার পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায় সে জন্য ওই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। কিন্তু ঠিক কত লোককে আটক রাখা হয়েছে তা প্রশাসন ও পুলিশ তা প্রকাশ্যে আনছে না। যদিও এই সংখ্যা খুব বেশি হওয়ার কারণে বেসরকারি স্থানকে ডিটেনশন সেন্টার হিসেবে ভাড়া নিতে হচ্ছে। এর মধ্যে গেস্ট হাউস, ছোট হোটেল ও আবাসিক সম্পত্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এরআগে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ বন্দিকে বিজেপিশাসিত উত্তর প্রদেশের আগ্রা ও বেরেলি কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে। এদের মধ্যে ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা ও সাবেক মন্ত্রী আলী মুহাম্মাদ সাগর, কাশ্মির হাইকোর্ট বার এসোসিয়েশনের সভাপতি মিয়াঁ কাইয়ুম ও কাশ্মির চেম্বার অব কমার্সের কর্মকর্তা মুবীন শাহও রয়েছেন। বিক্ষোভের আশঙ্কায় ব্যাপক ধরপাকড়ের ফলে সেখানকার কারাগারগুলোতে জায়গা না থাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিকল্প উপায়ের কথা ভাবা হয়েছে।
সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজিপি) মুনির খান বলেন, জননিরাপত্তা আইন (পিএসএ) এর আওতায় কিছু লোককে আটক করা হয়েছে, যার মাধ্যমে উপত্যকার সন্দেহভাজনদের কয়েক বছর কারাগারে রাখা যায়। পেলেটগানের আঘাতে কিছু লোক আহত হয়েছে এবং কিছু এলাকায় পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে বলেও তিনি স্বীকার করেন। এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘পিএসএ’র আওতায় কয়েকটি মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। কারও প্রাণহানি হোক আমরা তা চাই না বলেও পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজিপি) মুনির খান মন্তব্য করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মির ইস্যুতে ভারতকে ‘স্তম্ভিত’ করলো রাশিয়া

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ডেকান হেরাল্ড জানিয়েছে, শুক্রবার কাশ্মির ইস্যুতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে রাশিয়া জানিয়েছে, তারা আশা করে কাশ্মির নিয়ে বিরোধ সমাধানে ভারত ও পাকিস্তান জাতিসংঘের চার্টার, সংশ্লিষ্ট রেজুলেশন এবং দ্বিপক্ষীয় চুক্তি মেনে চলবে।
রাশিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে অংশ নেওয়া রুশ কূটনীতিক দিমিত্রি পলিয়ানস্কি টুইটারে লিখেছেন, রাশিয়া সব সময়েই ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের পক্ষে জোর দিয়ে আসছে।
রুশ কূটনীতিক আরও লিখেছেন, আমরা আশা করি কাশ্মির বিরোধ রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উপায়ে দ্বিপক্ষীয়ভাবে সমাধান হবে। যার ভিত্তি হবে ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তি ও ১৯৯৯ সালের লাহোর ঘোষণা এবং জাতিসংঘের চার্টার, জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট রেজুলেশন এবং ভারত ও পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় চুক্তি।
ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরের স্বায়ত্তশাসন ও বিশেষ অধিকার বাতিলের পর শুক্রবার চীনের আহ্বানে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এক অনানুষ্ঠানিক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসে। ১৯৭১ সালের পর কাশ্মির ইস্যুতে এই প্রথমবারের মতো বৈঠক করলো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকটি আনুষ্ঠানিক না হওয়ায় এর ফলাফলের কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হবে না। বৈঠকে হাজির হয়নি ভারত ও পাকিস্তান। এই বৈঠকে যোগ দিতে পারে শুধু পাঁচ স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ী সদস্য। ৯০ মিনিটের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে চীন কাশ্মির পরিস্থিতি উদ্বেগজনক বললেও নিরাপত্তা পরিষদের পক্ষ থেকে কোনও বিবৃতি দিতে সম্মত হয়নি সদস্য রাষ্ট্রগুলো।
ভারতের বিস্মিত হওয়ার কারণ হলো কাশ্মির সংকট সমাধানে জাতিসংঘের চার্টার ও সংশ্লিষ্ট রেজুলেশনের ওপর রাশিয়ার গুরুত্বারোপ করা এবং বিষয়টি নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের সমঝোতা। দীর্ঘদিন ধরেই ভারত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ বা নিরাপত্তা পরিষদে কাশ্মির বিরোধ উত্থাপনের ক্ষেত্রে সিমলা চুক্তি ও লাহোর ঘোষণাকে হাতিয়ার করে পাকিস্তানকে ঠেকিয়ে আসছে। ভারত সব সময় দাবি করে আসছে, কাশ্মির ইস্যু তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এছাড়া নয়া দিল্লি সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কাশ্মির ইস্যুতে মধ্যস্থতা করতে মোদির অনুরোধের বিষয় অস্বীকার করেছে। কাশ্মির নিয়ে ভারতের এই অবস্থান তাদের ‘পুরনো বন্ধু’ রাশিয়ার জানা। কিন্তু এরপরও শুক্রবার জাতিসংঘে নিযুক্ত রুশ দূত আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ চার্টার ও রেজুলেশন অনুসারে দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার ভিত্তিতে সমাধানের জন্য।
নিরাপত্তা পরিষদের রুদ্ধদ্বার বৈঠকের সিদ্ধান্ত হওয়ার পর তা শুরুর আগে ২৪ ঘণ্টায় ভারত জাতিসংঘের পাঁচ স্থায়ী সদস্য- যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের কাছে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে। নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী দশ সদস্য রাষ্ট্রের কাছেও যায় নয়া দিল্লি। যাতে করে নিরাপত্তা পরিষদ বিষয়টি আনুষ্ঠানিক আলোচনায় না আনে। কিন্তু পাঁচ স্থায়ী সদস্যের মধ্যে রাশিয়াকে নিয়েই ভারতের কোনও সংশয় ছিল না। ভারতের ধারণা ছিল, তাদের অবস্থানের পক্ষে দৃঢ় সমর্থন জানাবে রাশিয়া। পাকিস্তান যাতে কাশ্মির ইস্যুকে আন্তর্জাতিকীকরণ করতে না পারে সেজন্য ভারতের পক্ষে থাকবে রাশিয়া।
এর আগে রাশিয়া কাশ্মির ইস্যুতে মোদি সরকারের সিদ্ধান্তকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে স্বীকৃতিও দিয়েছে। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে কাশ্মির ইস্যু নিয়ে পাকিস্তানের তোলা প্রস্তাবে বেশ কয়েকবার ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে। ফলে এই ইস্যুতে কোনও রেজুলেশন পাস হয়নি।
সম্প্রতি পাকিস্তানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশির সঙ্গে আলোচনায় রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেছিলেন, ভারত-পাকিস্তানের বিরোধ সমাধানে দ্বিপক্ষীয় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উপায়ের চেয়ে কোনও বিকল্প নেই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিয়ানমারে আর্মি একাডেমিতে হামলায় ১৪ নিহত
![]() |
| সেনাবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ হামলা হয় |
এ অঞ্চলে গোট টুইন ব্রিজের কাছে হামলার শিকার নিহতদের মধ্যে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও সাধারণ জনগণ রয়েছেন। বিদ্রোহী গোষ্ঠী নর্দার্ন অ্যালিলেন্সের আক্রমণে বেসামরিক ও সামরিক ১৪ জন মানুষ নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পাইয়ন ওও লুইন অঞ্চলের নির্বাচনী এলাকা-১ এর আঞ্চলিক সংসদ সদস্য ইউ অং মিন জানান, গত বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) স্থানীয় সময় ভোর সাড়ে ৫টার দিকে একটি মাদকবিরোধী পুলিশ ক্যাম্প ও একাডেমিতে ভারী অস্ত্র নিয়ে হামলা করে বিদ্রোহীরা। এতে একজন নিহত ও একজন আহত হন।
তিনি বলেন, ‘একাডেমি একটি সামরিক এলাকা হওয়ায় আমরা সেখানে প্রবেশ করতে পারিনি। তবে শুনেছি একটি আর্টিলারি শেল সুপারিন্টেন্ডেন্টের বাড়িতে আঘাত করেছে। সেখানে আহত হন এক সৈনিক। আর একটি শেল প্যারেড গ্রাউন্ডে আঘাত করে।
এতে একজন বেসামরিক লোক মারা যায়। বিদ্রোহীরা রকেটগুলো একাডেমির পূর্ব দিকের পাহাড়ি এলাকা থেকে নিক্ষেপ করে। এখন এলাকাটি সেনাবাহিনী কড়া পাহাড়ায় রেখেছে।’
উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া চেরি হার্ট ব্লাড ডোনেশন গ্রুপের প্রধান ইউ থান জাও বলেন, ‘নওঙ্গোচোর গোট টুইন ব্রিজে হামলার ফলে হতাহতের ঘটনা ঘটে। প্রায় ১৫ মিটার দীর্ঘ এই সেতুটি যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ ও সামরিককর্মীসহ প্রায় ১৪ জন মারা গিয়েছে বলে জেনেছি।’ তিনি জানান, নিহতরা সকলেই পুরুষ।
এদের মধ্যে গাড়ির চালক, সাধারণ মানুষ, পুলিশ ও সেনা সদস্য রয়েছে। ব্রিজটি বন্ধ রয়েছে। ব্রিজের নিচের অংশটি ভেঙে ঝুলছে। একাডেমি ভবন ও গাড়িও ধ্বংস হয়ে গেছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্লাটিলেটের মাত্রা বৃদ্ধিতে কিউই ফল
![]() |
| কিউই ফল |
ডেঙ্গু জ্বরের তেমন কোনো ওষুধ নেই বাজারে। তাই পেঁপে পাতার রসের ওপর ভরসা করছি আমরা। তবে পেঁপে পাতার রস অনেকেই খেতে চায় না, টেস্ট না থাকার জন্য। বিশেষ করে ছোট বাচ্চারা।
জানেন কি? পেঁপে পাতার রসের মতোই প্লাটিলেটের মাত্রা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে কিউই ফল। চিকিৎসার পাশাপাশি দিনে অন্তত দু’টি কিউই খেতে পারেন। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই ফলে কার্বোহাইড্রেট, খাদ্যআঁশ, ফোলেটসহ আরও অনেক উপাদান রয়েছে যা মানবদেহের পুষ্টি জোগায় ও রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
যারা অ্যানেমিয়া(রক্তসল্পতা) বা ভিটামিন বি এর ঘাটতি অথবা অন্য ভাইরাস ইনফেকশনে ভুগছেন তাদের জন্যও কিউই ফল উপকারী।
এছাড়াও
•কিউই ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে
•কিউই রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে
•কিউইতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে
•কিউইতে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়ামও হার্ট সুস্থ রাখে।
অন্য ফলের সঙ্গে তালিকায় এটিও যোগ করুন, নিয়মিত কিউই ফল খান। বড় বড় কাঁচাবাজার এবং সুপার শপগুলোতে খুঁজলেই অনায়াসে পাওয়া যায় চমত্কার টক-মিষ্টি স্বাদের এই ফলটি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধ্বংসস্তূপে সব হারানো মানুষের আর্তনাদ
![]() |
| আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে সব |
তবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাধ্যের মধ্যে সাজানো-গোছানো আশ্রয়স্থল হারিয়ে যেন বাকরুদ্ধ তারা। সামনের দিনগুলোতে কীভাবে কি করবেন এমন দুশ্চিন্তা ভর করেছে তাদের মনে।
শুক্রবার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ২২ মিনিটের দিকে মিরপুরের চলন্তিকা মোড় সংলগ্ন ঝিলপাড় বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘ তিন ঘণ্টা ধরে ২৪টি ইউনিটের প্রচেষ্টায় রাত সাড়ে ১০টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস। তবে রাত দেড়টার দিকে আগুন পুরোপুরি নির্বাপন করা সম্ভব হয়।
আগুনের ভয়াবহ তীব্রতায় ঝিলপাড় বস্তি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। পুড়ে ছাই হয়ে গেছে কাঁচা টিনের ঘরগুলো এবং ঘরের সব সরঞ্জাম। আর এই ধ্বংসস্তূপে সব হারানো মানুষগুলো খুঁজে ফিরছেন অবশিষ্ট সম্বল। পোড়া ছাইয়ের নিচ থেকে নেড়ে-চেড়ে লোহার আসবাবের ফ্রেমগুলো বের করছিলেন তারা।
পেশায় সুইপার আলমগীর নিজের পুড়ে যাওয়া ঘর থেকে অবশিষ্ট আসবাব টেনে তুলছিলেন আর কিছুক্ষণ পরপর চোখ মুছছিলেন। কারো সঙ্গে কথা বলতে গেলেই চিৎকার করে উঠছেন স্বপ্ন পুড়ে যাওয়া মানুষটি।
তিনি জানান, তার ১৩টা ঘর ছিলো বস্তিতে। সেখানে স্ত্রী-পুত্র, ছেলের স্ত্রী, নাতিদের নিয়ে বসবাস করছিলেন। ১৩ সদস্যের পরিবার নিয়ে বসবাস করা আলমগীরের এই বস্তিতে অস্থায়ী ঠিকানা প্রায় ৩০ বছরের। গ্রামের বাড়ি বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে।
তিনি বলেন, আমরা সবাই বাঁইচা আছি বাবা, তয় না বাঁচার মতো। আগুন লাগার পর সবাই সুস্থভাবে কোনমতে জানডা নিয়া বাইর হইয়া আইছি। লগে কিছু আনতে পারি নাই। আমার সবকিছু শেষ হইয়া গেলো, দেহেন বাবা সব ছাই হইয়া গেছে।
দীর্ঘদিনের আবাস এই বস্তির সংসারে তিলে তিলে খাট, টিভি-ফ্রিজ, আলমারিসহ বিভিন্ন আসবাব জুড়িয়েছিলেন তিনি। যার সবকিছুই প্রায় ছাই হয়ে গেছে।
গত রাত থেকে না খেয়ে থাকা আলমগীর বলেন, আইজও দুপুর হইতে লাগলো এহনো কিছু খাইতে পারি নাই। কিছু কিন্না খাওনের মতো কাছে একটা টাকাও নাই। এহন আমরা কই যামু, কই থাকমু, কেমনে খামু? এসব বলতেই আবার কেঁদে ওঠেন তিনি।
অটোরিকশাচালক তৈয়ব বলেন, উত্তর দিকে যখন আগুন লাগে মানুষ সব দৌড়াদৌড়ি কইরা বাইর হইছে। এর মইধ্যে কোনমতে এক কাপড়ে বউ-ছেলে নিয়া বাইর হইছি। কিছু লগে নিতে পারি নাই।
আকলিমা নামের গার্মেন্টকর্মী ধ্বংসস্তূপ থেকে পুড়ে যাওয়া অবশিষ্ট আসবাব ভ্যানে করে বের করছিলেন। তিনি জানান, ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি ভোলা ছিলেন তিনি। বস্তিতে আগুন লাগার খবর পেয়ে রাতেই রওনা দিয়ে আসেন। এসে তার ঘরের আর কিছুই অবশিষ্ট পাননি।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগুনে প্রায় ৫০০-৬০০ ঘর পুড়ে গেছে, আর এতে প্রায় তিন হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুনের উৎস নিশ্চিত করতে এরইমধ্যে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীর সঙ্কট গুরুতর উদ্বেগজনক, রাষ্ট্রদূতদের বাকযুদ্ধ: নিরাপত্তা পরিষদে রুদ্ধদ্বার বৈঠক

এ পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে টানা ৯০ মিনিটের রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছে শুক্রবার। পরিস্থিতি নিয়ে সেখানে শান্তি প্রতিষ্ঠা বিষয়ক জাতিসংঘের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অস্কার ফার্ন্দান্দেজ-তারাঙ্কো এবং শান্তিরক্ষা অপারেশনে সামরিক উপদেষ্টা কার্লোস হামবার্তো লোইটে’র বিবৃতি শুনলেন ১৫ সদস্যের পরিষদ। সেখানে কাশ্মীর সঙ্কটকে গুরুতর উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন পরিষদের সদস্যরা। এরই মধ্যে উত্তেজনায় ভরা ও অত্যন্ত বিপদজনক পরিস্থিতিতে উস্কানি বা প্ররোচণা না দিতে ভারত ও পাকিস্তান উভয়ের কারো উচিত হবে না বলে মন্তব্য করা হয়েছে। সঙ্কট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাশিয়াও। ওদিকে নিরাপত্তা পরিষদের বাইরে বাকযুদ্ধ হয়েছে জাতিসংঘে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত মালিহা লোদি ও ভারতের রাষ্ট্রদূত সৈয়দ আকবর উদ্দিনের মধ্যে।
এ খবর দিয়ে অনলাইন আল জাজিরা বলছে, কাশ্মীর নিয়ে বিরল রুদ্ধদ্বার বৈঠক করলো নিরাপত্তা পরিষদ। এ বৈঠকের পর দুই দেশের রাষ্ট্রদূতরা একে অন্যকে ঘায়েল করে বক্তব্য রেখেছেন পরিষদের বাইরে। কাশ্মীরকে যখন টানা ১২তম দিনের মতো ভারত অবরুদ্ধ করে রাখে শুক্রবার, তখন নিরাপত্তা পরিষদে ওই বৈঠক হয়। হিমালয়ের পাদদেশে কাশ্মীরে উত্তেজনা যখন তুঙ্গে তখন পরিষদ দেড় ঘন্টার ওই বেঠক করে। এই কাশ্মীর হলো ভারত ও পাকিস্তানের দ্বন্দ্বের মূল। দুই দেশই এই অঞ্চলের পুরোটাই নিজেদের বলে দাবি করে। কিন্তু তারা এর অংশবিশেষ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এরই মধ্যে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে তিনটি যুদ্ধ হয়েছে। এ ছাড়া জম্মু ও কাশ্মীরে তিন দশক ধরে বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াই করছে ভারত। এতে হাজার হাজার মানুষের প্রাণ গেছে।
গত ১৩ই আগস্ট পাকিস্তান জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক আহ্বান করে চিঠি লেখে। এরপরই পরিষদের স্থায়ী সদস্য চীনও একই আহ্বান জানায়। রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে মালিয়া লোদি বলেন, ৫০ বছরেরও বেশি সময় পরে কাশ্মীর ইস্যুতে প্রথম বৈঠক করল পরিষদ। এটা কেবল প্রথম পদক্ষেপ। এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরের জনগণকে সমর্থন দিয়ে যাবে ইসলামাবাদ। তিনি বলেন, ভারত দাবি করেছে কাশ্মীর বিষয়টি তাদের আভ্যন্তরীণ বিষয়। কিন্তু নিরাপত্তা পরিষদের এই বৈঠক তাদের সেই দাবিকে প্রত্যাখ্যান করে। এখন সারা বিশ্ব দখলীকৃত রাজ্য ও তাদের অবস্থা নিয়ে আলোচনা করছে। তিনি আরো বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষদের হয়তো অবরুদ্ধ করে রাখা যাবে। তাদের কথা শোনা হবে না নিজের দেশে এবং নিজেদের ভূমিতে। কিন্তু তাদের কণ্ঠ পৌঁছে গেছে জাতিসংঘে। তাদের কথা সবসময়ই শোনা হবে। কারণ, সব সময়ই তাদের পাশে থাকবে পাকিস্তান।
এর কয়েক মিনিট পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ভারতের রাষ্ট্রদূত সৈয়দ আকবরউদ্দিন। তিনি বলেন, ভারতের জন্য কাশ্মীর হলো একটি আভ্যন্তরীণ বিষয়। সেখান থেকে সব বিধিনিষেধ আস্তে আস্তে তুলে নেয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হচ্ছে। উদ্বেগের বিষয় হলো একটি দেশ ও এর নেতারা জিহাদিদের উস্কে দিচ্ছে এবং ভারতে সহিংসতা অনুমোদন দিচ্ছে। তবে কোনো দেশ এমনটা করছে সুনির্দিষ্ট করে তিনি তা উল্লেখ করেননি।
ওদিকে জাতিসংঘে চীনের রাষ্ট্রদূত ঝাং জুন সাংবাদিকদের বলেছেন, কাশ্মীর সঙ্কটে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ভয়াবহ পরিস্থিতিতে ভারত বা পাকিস্তান কারো প্ররোচণা দেয়া উচিত হবে না। তাদেরকে বিরত থাকতে হবে। জাতিসংঘে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত দমিত্রি পোলিয়ানস্কি বলেছেন, সঙ্কটের বিষয়ে মস্কো উদ্বিগ্ন। তবে এটি একটি দ্বিপক্ষীয় ইস্যু। ইসলামাবাদ ও নয়া দিল্লিই সরাসরি উত্তমভাবে এর মোকাবিলা করতে পারে।
নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে তা তাদের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের দিকে তাকালে কিছুটা অনুমান করা যেতে পারে। যথারীতি ভারতকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র। আর পাকিস্তানকে সমর্থন করে চীন। বাকি সদস্যদের সবারই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশের সঙ্গে।
ওদিকে কাশ্মীরের জনগণের মানবাধিকারের জন্য ‘সেফগার্ড’ প্রয়োজন নিরাপত্তা পরিষদের- এমন মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সেক্রেটারি জেনারেল কুমি নাইদু। শুক্রবার তিনি বলেছেন, কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের জীবনকে টালমাটাল করে দিয়েছে ভারত সরকার। তাদেরকে বিনা কারণে পীড়া ও হতাশায় ভুগতে হচ্ছে। রাজনৈতিক সঙ্কটে জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষকে দাবার ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। তাদের মানবাধিকারের প্রতি যাতে সম্মান দেখানো হয় এ জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়কে একত্রিত হতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছাইয়ের স্তূপও তন্য তন্য করে খুঁজছেন তারা by মনি আচার্য্য

কেউ ধ্বংসস্তূপ থেকে খুঁজে বের করছেন পুড়ে যাওয়া হাড়ি-পাতিল, আবার কেউ নিয়ে যাচ্ছেন পুড়ে যাওয়া স্টিলের খাট, আলমারিসহ নানান আসবাব।
শনিবার (১৭ আগস্ট) মিরপুরের-৭ নম্বর সেকশনের ঝিলপাড় বস্তিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বস্তিবাসীরা নিজেদের ঘরের কিছু মালামাল ব্যবহারযোগ্য আছ কিনা তা খুঁজে দেখছেন। কাপড়চোপড়, চাল-ডাল থেকে শুরু করে ঘরে থাকা সবই ছাই হয়ে গেছে। এর মধ্যে থেকেও কিছু কিছু আসবাব খুঁজে বের করছেন বস্তিবাসীরা।
![]() |
| বস্তিবাসীরা ছাইয়ের স্তূপ থেকে খুঁজে খুঁজে বের করছেন ব্যবহার্য জিনিসপত্র | ছবি: শাহরিয়ার তামিম |

আমিনুল ইসলাম নামে এক বস্তিবাসী বলেন, ‘আমার ঘরে টিভি-ফ্রিজ সবই ছিল। সব পুইড়া ছাই হয়া গ্যাছে! কিছু হাড়িপাতিল অল্প পুড়ছে, সেইগুলা নিয়া যাইতাছি। নতুন কইরা সংসার শুরু করলে একলগে তো সব কিনতে পারুম না।’
সাবিনা খাতুন নামে এক গার্মেন্টসে কর্মী নিজের ঘর থেকে পুড়ে যাওয়া আসবাবপত্র নিচ্ছেন আর বিলাপ করেছেন। ‘পুইড়া গেলেও সব জিনিসই আমার নিতে হইব। এত টাহা নাই যে, নতুন কইরা সব কিনমু। আমাদের কেডা টাহা দিব নতুন জিনিস কেনার?’

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রশান্তির ছোঁয়া পেতে ঘুরে আসুন রাঙামাটি by মঈন উদ্দীন বাপ্পী
![]() |
| রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু। ছবি: বাংলানিউজ |
যেভাবে আসবেন: ট্রেনে আসতে চাইলে ঢাকার কমলাপুর, গাবতলী, শ্যামলী, কল্যাণপুর, মহাখালী, ফকিরাপুল, কমলাপুর, সায়দাবাদ থেকে বাসে উঠতে হবে। বাসে সরাসরি পৌঁছে যাবেন রাঙামাটি। ট্রেনে বা বিমানে আসলে চট্টগ্রাম নেমেই টেক্সিক্যাব বা অটোরিকশায় চলে আসুন স্টেশন রোড বিআরটিসি কাউন্টার কিংবা অক্সিজেন রাঙামাটি বাস কাউন্টারে।
পাহাড়িকা বিরতিহীন পরিবহনে আড়াই ঘণ্টায় পৌঁছে যাবেন রাঙামাটিতে। চট্টগ্রাম থেকে রেন্ট-এ কার নিয়েও চলে আসতে পারেন।
কোথায় ঘুরবেন: ঘণ্টা দুয়েক রেস্ট নিয়ে টুরিস্ট বোট রিজার্ভ করে চলে যান সুভলং ঝরনায়। পথে পাহাড়ের বুকে রেস্টুরেন্টের ঐতিহ্যমণ্ডিত খাবার, সবমিলিয়ে একটা দিন কেটে যাবে আপনার। দেখা হয়ে যাবে পেদাতিংতিং, জুমঘর, টুকটুক ইকো ভিলেজ, স্বর্গছেঁড়া, চাংপাং পর্যটন স্পট আর চাইলে সুভলং বাজারও। ফেরার পথে দেখে নেবেন রাঙামাটি পর্যটন মোটেল সংলগ্ন সেই বিখ্যাত ঝুলন্ত সেতুটি।
সন্ধ্যায় চলে যান স্থানীয় আদিবাসী পোশাক মার্কেটে। কিনতে পারেন প্রিয়জনের জন্য স্থানীয় পোশাক। দামাদামি খুব একটা যুতসই হবে না। পরদিন সকালে রিজার্ভ অটোরিকশা কিংবা মাইক্রো নিয়ে আসামবস্তি সড়ক ধরে চলে যান কাপ্তাই।
এশিয়ার বৃহত্তম কাগজ কল, দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র, নেভিক্যাম্প, কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানসহ অসংখ্য দর্শনীয় স্থানে। তবে সবচেয়ে ভালো লাগবে যাওয়া আসার ১৯ কিলোমিটার চড়াই উৎড়াই আঁকাবাঁকা পথটিই। একপাশে হ্রদ আর অন্যপাশে গভীর বনঘেরা সবুজ পাহাড় আপনার ভালোলাগা জুড়ে স্থায়ী আসন নেবে। এ পথেই দেখে নিতে পারেন বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু বনভান্তের জন্মস্থান মোরঘোনা এবং পাহাড়িয়া রিসোর্ট রাইন্যা টুগুন। কাপ্তাইয়ে জুম রেস্তোরাঁ বা অন্য কোথাও দুপুরের খাবার সেরে নিতে পারেন। সন্ধ্যা নামার আগেই ফিরে আসুন রাঙামাটি।
পরদিন সকালে রাঙামাটি রাজবন বিহারে চলে যান। দেখুন বৌদ্ধ ভিক্ষুরা কীভাবে আত্মমগ্ন হয়ে নির্জনে ধর্মচারে ব্রত। বিহারের পাশেই চাকমা রাজা দেবাশীষ রায়ের রাজবাড়ি। এখান থেকে বেরিয়ে চলে যান সুখীনীলগঞ্জ। রাঙামাটির সাবেক পুলিশ সুপারের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত নতুন পুলিশ লাইন। এখানে আছে বিচিত্র ধরনের বৃক্ষের সমাহার। পাশেই রাঙামাটি জেলা পরিষদের বোটানিক্যাল গার্ডেন। এরপরই বেরিয়ে চলে আসুন রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জাদুঘরে। যেখানে চোখ বুলিয়ে নিন হাজার বছরের ঐতিহ্যে।
এখান থেকে চলে যান ডিসি বাংলো। অনুমতি সাপেক্ষে ঘুরে দেখুন জেলার সবচেয়ে প্রাচীন বাড়িটি এবং সংলগ্ন জাদুঘর। বাংলোর পেছনে ছোট্ট একটি ব্রিজ পাড়ি দিয়ে বিচ্ছিন্ন দ্বীপটিতে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে ভালোই লাগবে আপনার। দেখতে পারেন ডিসি বাংলো পার্ক ও পুলিশের পলওয়েল পার্কও।
ভিন্ন স্বাদের ভুঁড়িভোজ যেখানে করবেন: রাঙামাটি বেড়াতে আসবেন আর স্থানীয়দের ঐতিহ্যবাহী রীতিতে রান্না করা কোনো খাবার খাবেন না তা কী হয়? বৈচিত্রময় খাবার খেতে চলে যান সাবারাং, রঙরাঙ, কেবাং কিংবা মেজাং রেস্টুরেন্টে। আপনার এতদিনের চেনা মুরগি কিংবা গরুর মাংস বা ডিম রান্নার স্থানীয় প্রক্রিয়ার ভিন্নতর স্বাদ আর সুগন্ধ আপনার রসনা বিলাসকে সমৃদ্ধ করবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তান-ভারত সংলাপে মোদিই সবচেয়ে বড় বাধা: কুরেশি

একটি বেসরকারি নিউজ চ্যানেলে আলাপকালে শাহ মাহমুদ কুরেশি বরেন, ক্ষমতায় আসার জন্য মোদি কাশ্মীর নিয়ে জুয়া খেলছেন। গত ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে জয়ের জন্য তিনি সেখানে উত্তেজনা বাড়াতে উৎসাহিত করেছেন।
কাশ্মীর বিরোধ নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক আহবান করার ব্যাপারে মন্তব্য করতে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কুরেশি বরেন, ৫০ বছর পর কাশ্মীর ইস্যুটির সমাধান করতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অর্জন। ভারত এই সিদ্ধান্তে খুবই উদ্বেগে পড়েছে। তারা কাশ্মীর বিরোধ নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক আহ্বানের তীব্র বিরোধিতা করছে।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থন
শাহ মাহমুদ কুরেশি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে কাশ্মীর প্রশ্নে পাকিস্তান তার অবস্থান তুলে ধরেছে। তিনি উল্লেখ করেন, পাকিস্তানের অবস্থানের প্রশংসা করেছেন রুশ নেতৃত্ব।
তিনি বলেন, রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই ল্যাভরভ আমার সাথে টেলিফোন আলাপে বলেছেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাকিস্তানের অবস্থান সমর্থন করবে রাশিয়া।
তিনি ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা ওআইসির নেতৃত্ব ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ওআইসির ভূমিকা কোটি কোটি লোক পর্যবেক্ষণ করছে।
কাশ্মীরী মুসলিমদের ওপর জাতিগত শুদ্ধি অভিযান
কুরেশি বলেন, কাশ্মীরী মুসলিমদের ওপর গণহত্যা চালানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে মোদি প্রশাসন। আর তা তারা করতে যাচ্ছে কাশ্মীরী জনসংখ্যার জনম্যাতিক অবস্থান পরিবর্তনের জন্য।
তিনি বলেন, পাকিস্তান কখনো যুদ্ধকে উৎসাহিত করে না। তবে কেউ আমাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দিলে আমরা নিজেদের রক্ষার জন্য আমাদের অধিকার প্রয়োগ করব।
নয়া দিল্লির জন্য বৈশ্বিক প্রত্যাঘাত?
উইলসন সেন্টারের দক্ষিণ এশিয়ার সিনিয়র এসোসিয়েট ও এশিয়া প্রগ্রামের উপপরিচালক মাইকেল কুগেলম্যান মনে করেন, কাশ্মীরীদের স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থন যোগার করার পাকিস্তানের কার্যক্রম এখন দানা বাঁধছে, তবে তাতে সফল হওয়া কঠিন।
তিনি বলেন, তবে কাশ্মীরে চলমান ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ কভারেজ স্থগিত করে রাখার ফলে দিল্লি বৈশ্বিক প্রত্যাঘাতের মুখে পড়তে পারে। আর এটিই পাকিস্তানের প্রয়াসকে বেগমান করতে পারে।
প্রখ্যাত রাজনৈতিক বিশ্লেষক জান আচাকজাই বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাকিস্তানের সফলভাবে লবি করার ফলে ভারতের বিরুদ্ধে তারা অনেক কূটনৈতিক সাফল্য পেয়েছে। এখন ভারতের ওপর নানামুখী চাপ সৃষ্টি হবে। পর্দার আড়াল থেকে চীপের পর রাশিয়াও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছে। যুক্তরাষ্ট্রও পরিস্থিতি শান্ত করতে চায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচন ও যুক্তরাষ্ট্র-তালেবান শান্তি আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তায়, দ্বিধায় আফগানিস্তান by পামেলা কনস্টেবল
আফগানিস্তানে ঈদ উৎসব শেষ করে এখন তাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে। শান্তি আলোচনা নিয়ে নতুন করে সংশয় সৃষ্টি হওয়ায় এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে ২৮ সেপ্টেম্বরের নির্বাচন হওয়া নিয়ে বিতর্ক চলতে থাকায় দেশটিতে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে।
তবে প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি নির্বাচন করতে বদ্ধপরিকর। তিনি রোববার ঈদের বক্তৃতায় ঘোষণা করেছেন, জাতির জন্য এই নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ্য, তার সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী গত সপ্তাহে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ফলে তার জয়ের সম্ভাবনা আরো বেড়ে গেছে।
কিন্তু সোমবার প্রধান মার্কিন আলোচক জালমি খালিলজাদ কাতারে তালেবানের সাথে তার সর্বশেষ দফার আলোচনা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তিনি পরামর্শ করার জন্য ওয়াশিংটনে ফিরে যাবেন। অথচ তিনি আগে এবার বেশ কিছু সাফল্য লাভের আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন। এখন তিনি অবস্থা সম্পূর্ণ ভিন্ন। তবে এক তালেবান মুখপাত্র বলেছেন, আলোচনা ছিল ‘দীর্ঘ ও কার্যকর।’
অনেক আফগান মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র-তালেবান চুক্তি হলে বিদ্রোহীদেরই লাভ হবে। উল্লেখ্য, তালেবানের প্রধান দাবি হলো আফগানিস্তান থেকে বিদেশী সৈন্য প্রত্যাহার এবং ট্রাম্প প্রশাসনও এতে রাজি হয়েছে।
তবে চুক্তির পর কী ঘটবে তা নিয়েই অনেক আফগান বেশি মাথা ঘামাচ্ছে। বিশেষ করে ভবিষ্যত ক্ষমতা ভাগাভাগি ব্যবস্থা, নারীদের অধিকার ইত্যাদি বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে।
সরকারে প্রধান নির্বাহী আবদুল্লাহ আবদুল্লাহর ভাইস প্রেসিডেন্ট রানিং মেট আনোয়ারুল হক আহাদি বলেন, আমার কাছে নির্বাচনের চেয়ে শান্তি শত গুণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সেপ্টেম্বরের আগে যদি শান্তিচুক্তি না হয়, তবে আরো অন্তত কয়েক মাসের জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচন স্থগিত করা উচিত।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ১৬ প্রার্থীর অন্যতম সাবেক জাতীয় গোয়েন্দা প্রধান রহমতুল্লাহ নাবিল বলেন, নির্বাচনের সময়কার দলগত ও গোত্রগত সঙ্ঘাত আন্তঃআফগান শান্তি আলোচনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এতে করে ইসলামি মিলিশিয়ারা আরো ঐক্যবদ্ধ হবে।
নাবিল বলেন, তালেবানের মোকাবিলার জন্য আমাদের ভবিষ্যত প্রশ্নে জাতীয় সমঝোতার প্রয়োজন। নির্বাচন হলে তা আমাদের আরো বিভক্ত করবে। তিনি নির্বাচনের সময় বিদ্রোহীদের সহিংসতা ও জালিয়াতির অভিযোগ আনেন।
তিনি বলেন, একটি খারাপ চুক্তির পর একটি খারাপ নির্বাচন হলে তালেবানের দ্বিগুণ জয় হবে।
অনেক ভোটারের মধ্যেই এমন নিরুৎসাহভাব ও বিভ্রান্তি রয়েছে। কাবুলের অনেক অধিবাসীই বলেছেন, তারা নির্বাচনের ব্যাপারে তেমন আগ্রহী নন। তবে তারা শান্তি কামনা করছেন। তাদের অনেকে গত বছরের স্বল্পস্থায়ী যুদ্ধবিরতির কথা স্মরণ করেন। ওই সময়ে দীর্ঘ দিন পর তারা কিছুটা স্বস্তি ফিরে পেয়েছিলেন।
লোকজন ব্যাপকভাবে মনে করে, ঘানি আবার নির্বাচিত হবেন। বিশেষ করে তার সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হানিফ আতমার প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ফলে ঘানির সম্ভাবনা বেড়ে গেছে। অবশ্য অনেকেই ঘানির নেতৃত্ব নিয়ে সংশয় পোষণ করেন। তাদের আশঙ্কা মার্কিন সৈন্য প্রত্যহার করা মাত্র তালেবান কর্তৃপক্ষ আমেরিকানদের কাছে দেয়া তাদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা খর্ব করবে, ধর্মীয় নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়ে দেবে।
ট্যাক্সিচালক আবদুল হামিদ ফৈজি, ৩২, বলেন, সব আফগান শান্তি চায়। শান্তি এলেই আমরা নিরাপত্তা আর চাকরি পাবো। কিন্তু তালেবানের শান্তিতে বিশ্বাস করা কঠিন। যুক্তরাষ্ট্র-তালেবান শান্তিচুক্তি যুদ্ধ বন্ধ করবে না। আর বিদেশী সৈন্য প্রত্যাহারের ব্যাপারে আফগানরা আগ্রহী নয়।
গাড়ির খুচরা যন্ত্রাংশ বিক্রিকারী হামিদ বখশি, ২৩, বলেন, ঘানি সরকার অযোগ্য। তারা দেশকে নিরাপদ রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি মনে করেন, আমেরিকান সৈন্য চলে যাওয়ার সাথে সাথেই আফগানিস্তানে আবার ১৯৯০-এর দশকের মতো গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে।
আফগান ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের পরিচালক দাভুদ মোরাদিয়ান বলেন, একটি সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন দেশের জন্য ভালো হবে। তবে নির্বাচন যদি না হতে পারে বা তা যদি গত দুইবারের মতো বিরোধপূর্ণ হয়, তবে তালেবানকে নিয়ে একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
তিনি বলেন, তালেবান মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার ও আফগান সরকারকে অবৈধ হিসেবে অভিহিত করতে সফল হয়েছে। তবে তারা ক্ষমতা ভাগাভাগি করতে রাজি হচ্ছে না। তারা বুঝতে পারছে না যে আফগানিস্তান কতটা বদলে গেছে। বর্তমান ব্যবস্থাটি ঝামেলাপূর্ণ, তবে তাতে কাজ হচ্ছে। তালেবান শাসন কেউ গ্রহণ করবে না। এ কারণেই আমাদের প্রয়োজন একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন। এটিই আফগান প্রজাতন্ত্রকে শান্তিকে রক্ষা করবে।
![]() |
| ১১ আগস্ট ঈদুল আযহার জামাতে শরিক হয়েছেন আফগানরা |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিদ্রোহীদের একযোগে হামলায় ১৫ মিয়ানমার সেনা, পুলিশ ও বেসামরিক ব্যক্তি নিহত
স্বেচ্ছাসেবী কর্মীরা জানায়, নাউ চাও টাইনশিপে গোকি তাওইন ব্রিজ ও একটি পুলিশ নিরাপত্তা চৌকিতে হামলায় অন্তত সাতজন সেনা ও তিনজন পুলিশ নিহত হয়েছে।
আহতের হাসপাতলে নিয়ে যাওয়ার কাজে নিয়োজিত এক স্বোচ্ছাসেবক উ থান জাও বলেন, আমরা সাত সেনা ও তিন পুলিশের লাশ দেখেছি। আরো তিনজন ছিলো গুরুতর আহত। সেনারা ওই এলাকা নিরাপদ করার কাজ শুরু করেছে এবং সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
স্বেচ্ছাসেবকরা জানান যে নিহতদের লাশ নিজেদের জিম্মায় নিয়েছে সেনাবাহিনী। পরে পুলিশ সদস্যদের লাশগুলো কিয়াউকমিতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই পুলিশ অফিসাররা থাকতো।
জাও বলেন, আরেক পুলিশ অফিসার ও এক ট্রাক ড্রাইভারকে কিয়াউকমি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে চিকিৎসার জন্য। পরিস্থিতি এখন শান্ত। তবে গোকি তাওইন ব্রিজ ধ্বংস হয়ে গেছে এবং সেখান দিয়ে আমরা এখনো যেতে পারছি না।
সেনা মুখপাত্র জাও মিন টুন হামলার বিস্তারিত স্বীকার করলেও হতাহত সেনা সংখ্যা জানাতে অস্বীকার করেন।
তিনি বলেন, হামলা শুরু হলে আমাদের সেনারা সেখানে ব্যাক-আপ হিসেবে যায়। ততক্ষণে পুলিশ চলে গিয়েছে। আমাদের সেনারা সেখানে মারা যায়। পুলিশের নিরাপত্তা চৌকি ও সেতু ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে এখন এলাকাটি আমাদের নিয়ন্ত্রণে।
শান রাজ্যে সক্রিয় জাতিগত পালাউংদের সশস্ত্র গ্রুপ তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) নিহত সেনা সংখ্যা আট বলে উল্লেখ করে।
সিপাও ও নাউ চাও শহর সংযোগকারী গোক তাওইন ব্রিজ মাইন বসিয়ে উড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ফলে ওই পথে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। সেতুটি মেরামতে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে।
মুসের উদ্দেশ্যে যাত্রাপথে নাউ চাও-এ আটকা পড়া এক ট্রাক ড্রাইভার উ খিন মং ইন বলেন, আমরা এখনো সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় আছি। আমরা যেতে পারবো কিনা জানি না।
টিএনএলএ এবং তার মিত্র বিদ্রোহী গ্রুপগুলো বৃহস্পতিবার সকালে পাঁচটি আলাদা অবস্থানে একযোগে হামলা চালায়। এগুলোর মধ্যে পাইয়িন ও লুইনে ডিএসটিএ, একই শহরের একটি টোল ফটক, নাউ চাও টাউনশিপের একটি টোল ফটক, গোকে তাওইন ব্রিজ ও গোকে তাওইন পুলিশ নিরাপত্তা চৌকি রয়েছে।
ব্রিগেডিয়ার তুন বলেন, প্রশিক্ষণ একাডেমিতে কর্মরত একজন বেসামরিক শ্রমিকও নিহত হয়। সেখানে একজন সেনা আহত ও বেশ কয়েকটি গাড়ি ধ্বংস হয়। দুটি আলাদা টোল ফটকে হামলায় দুই সেনা ও এক বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়।
ডিএসটিএ হামলার ব্যাপারে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, হামলার পর পাইন ও লুইন পাহাড়ে অন্তত ছয় ধরনের ৬৩টি ১০৭-মিলিমিটার আর্টিলারি শেল পাওয়া গেছে।
টিএনএলএ সব গ্রুপের পক্ষ থেকে হামলা দায় স্বীকার করেছে। দলটির মুখপাত্র মং আইকে কিয়াও বলেন, এসব অঞ্চলে সেনাবাহিনীর চাপ কমানোর জন্য আমরা নতুন করে প্রয়োজনীয় পাল্টা হামলার ক্ষেত্র তৈরি করছি।
![]() |
| কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা লাশ দেখছেন এক মিয়ানমার সেনা, ছবি: ইরাবতী |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডেঙ্গু নিয়ে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি ৫০,০০০ by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ১২৬ মাঠকর্মী এখন ঢাকায় বিরামহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে তাদের ঢাকায় আনা হয়েছে।
এদিকে রাজধানীসহ সারাদেশে বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে এক হাজার ৭১৯ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। আগের দিন এই সংখ্যা ছিল এক হাজার ৯২৯ জন। মোট ভর্তি রোগীর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় ৭৫৯ জন এবং ঢাকার বাইরে ৯৬০ জন ভর্তি হন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকার বাইরেই বেশিসংখ্যক ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। চলতি আগস্ট মাসের ১৬ দিনে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩১ হাজার ৫৩৮ জন। এই সংখ্যা জুলাই মাসে ছিল ১৬ হাজার ২৫৩ জন। জুনে ছিল এক হাজার ৮৮৪ জন, মে মাসে ১৯৩ জন, এপ্রিলে ৫৮ জন, মার্চে ১৭ জন, ফেব্রুয়ারিতে ১৮ জন এবং জানুয়ারিতে ৩৮ জন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সারাদেশের হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগী ৭ হাজার ৭১৬ জন, যার মধ্যে ঢাকায় ৪ হাজার ১৫ এবং ঢাকার বাইরে ৩ হাজার ৭০১ জন। গত জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত হাসপাতালগুলো থেকে ৪২ হাজার ২৪৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন মোট ৪৯ হাজার ৯৯৯ জন। সরকারি হিসেবে মৃতের পরিসংখ্যানে দেখা যায, আগস্টে ১০ জন, জুলাইতে ২৪ জন, জুনে ৪ জন, এপ্রিলে ২ জন।
অন্যদিকে প্রতিদিনই আক্রান্তের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মারা যাচ্ছে ডেঙ্গু রোগী। গতকালও ঢাকার বাইরে চৌদ্দগ্রামে একজন মারা যাওয়ার খবর পাওযা গেছে। গত এক সপ্তাহে দেশের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগে ভর্তিকৃত রোগীর সংখ্যা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, দেশের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির সংখ্যা ধীরে ধীরে কমছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত সাতদিনে ভর্তিকৃত ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে ৯ই আগস্ট ২ হাজার ২, ১০ই আগস্ট ২ হাজার ১৭৬, ১১ই আগস্ট ২ হাজার ৩৩৪, ১২ই আগস্ট ২ হাজার ৯৩, ১৩ই আগস্ট এক হাজার ২০০ জন, ১৪ই আগস্ট এক হাজার ৮৮০ জন, ১৫ই আগস্ট এক হাজার ৯২৯ জন এবং গতকাল এক হাজার ৭১৯ জন।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ১২৬ কর্মী এখন ঢাকায়: ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার পর থেকেই স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা বিরামহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে ১২৬ জন কর্মীকে ঢাকায় আনা হয়েছে। এসব জনবল রাজধানীর দুই সিটি কপোরেশনে ভাগ হয়ে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন, সিটি কপোরেশন যতক্ষণ পর্যন্ত মনে করবেন তাদের থাকার দরকার ততক্ষণ পর্যন্ত তারা থাকবেন। এসব কর্মী এডিস মশা নিয়ন্তণে যে কমিটি হয়েছে তাতে সহযোগিতা করছেন। এদিকে রোগীর সেবায় বিরামহীনভাবে কাজ করছেন চিকিৎসক,নার্স,কর্মকর্তা-কর্মচারিরা। বিরামহীন চিকিৎসা দিতে গিয়ে ক্লান্ত পরিশ্রান্ত চিকিৎসক-নার্সরা। সরকারি হাসপাতালগুলোতে স্থান না পেয়ে অনেকে বেসরকারি হাসপাতালে ভিড় করছেন। বেশি রোগীর চাপে হিমশিম খাচ্ছেন সেখানকার চিকিৎসক ও নার্সরা। তারপরেও হাসিমুখে রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তারা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘দিনরাত যারা বাড়িতে ঘোরাঘুরি করতেন, তারাই খুনি’ -প্রধানমন্ত্রী

শুক্রবার ( ১৬ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাটি আয়োজন করে।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান মেজর ছিলেন। তাকে প্রমোশন দিয়ে দিয়ে মেজর জেনারেল করা হয়েছিল। বোধহয় মাসে একবার করে হলেও তিনি আমাদের বাড়িতে আসতেন। কখনো একা, কখনো খালেদা জিয়াকে সাথে নিয়ে। কারণ খালেদা জিয়াকে সাথে নিয়ে আসলে মার সাথে দেখা করার উছিলায় উপরে যেতে পারতেন। আর আমাদের ওই লবিতে দুটো মোড়া পেতে বসতেন। ঘনঘন তার যাতায়াত ছিল।
ডালিম, ডালিমের শ্বাশুড়ি, ডালিমের বউ দিনরাত আমাদের বাসায় ঘোরাঘুরি করতেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ওসমানীকে যখন সশস্ত্র বাহিনীর অধিনায়ক করা হল তখন তার এডিসি হিসেবে কামালকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিলো। তার সাথে মেজর নূর একই রুমে থেকেছে, একই সাথে তারা এডিসি ছিলো। আর এরাই এ হত্যাকাণ্ডটা চালাল। মোশতাক তো ছিলেন মন্ত্রী।
শেখ হাসিনা আরো বলেন, পরবর্তীতে অনেক চেহারা আপনারা দেখছেন যারা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন, অনেক বড় বড় কথা, নীতির কথা এখন বক্তৃতায় শোনায়। তারা কি করেছিলেন? তারা কি এ সমস্ত ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত ছিলেন না? এবং তারা ভেবেছিল এভাবেই বোধহয় ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবেন, কিন্তু সে ক্ষমতা টিকেনি।
![]() |
| জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা | ছবি: বাসস |
'এরা করা ছিল? এরা কি স্বাধীনতা চেয়েছিলেন, এরা কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করতেন? এরা কি যে নীতিমালা নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করা হয়েছিল তাতে বিশ্বাস করতেন? তারা তা করতেন না'- বলে যোগ করেন শেখ হাসিনা।
আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম, আব্দুল মতিন খসরু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাসিম, সদস্য অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খানসহ আরো অনেকে।
যৌথভাবে সভা সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডেঙ্গু ও বৈরী আবহাওয়ার প্রভাব পড়েছে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে by আদিত্য রিমন
![]() |
| দর্শনার্থীশূন্য ওন্ডারল্যান্ড |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের নতুন সাবমেরিন ঘাঁটি ভারতের উত্তেজনা ফিরিয়ে আনতে পারে by আরশাদ মাহমুদ
প্রস্তাবিত ঘাঁটিটি নির্মিত হবে কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপকূলের কাছে পেকুয়াতে। সাবমেরিন কেনার প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিলেন নৌবাহিনীর এমন একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, “দুটো সাবমেরিন রাখা এবং সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাদের স্থায়ী একটা ব্যবস্থা দরকার”। এগুলোকে এখন চট্টগ্রামের উপকূলের কাছে অস্থায়ীভাবে রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “এটা করাটা ছিল যৌক্তিক, কারণ চীন সাবমেরিনগুলো সরবরাহ করেছে এবং তারা প্রযুক্তিগত বিষয়ে অবগত ও ঘাঁটি তৈরির অভিজ্ঞতা তাদের রয়েছে”। পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, “এটা একটা স্পর্শকাতর বিষয়”। এমনিতেও চুক্তিটা করার ব্যাপারে এতটা গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়েছে যে, কিছু অভিজ্ঞ প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ পর্যন্ত অবাক হয়ে গেছেন।
![]() |
| চীন থেকে কেনা সাবমেরিন বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে সংযুক্ত করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা |
ভারতের উদ্বেগ
বাংলাদেশের সাবমেরিন কেনার সংবাদ প্রকাশিত হওয়া এবং ২০১৬ সালের ৩০ অক্টোবর প্রথম সাবমেরিন হস্তান্তরের মাত্র দুই সপ্তাহ পরেই তৎকালীন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকার ঢাকায় ছুটে আসেন। এর কয়েকদিন পরেই আসেন ভারতের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত।
ঢাকায় ভারতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ছুটে আসা ছাড়াও ভারতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশের সাবমেরিন কেনার পদক্ষেপের সমালোচনা করে বলেছিলেন যে, ভারতের বন্ধুপ্রতীম প্রতিবেশী দেশে নিজেদের অবস্থান পোক্ত করতেই চীন এই সাবমেরিন বিক্রি করছে এবং তাদের উদ্দেশ্য হলো ভারতকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলা। ভারতের এই প্রতিক্রিয়ায় তাদের বন্ধু হিসেবে পরিচিত শেখ হাসিনার সরকার উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে।
হাসিনা প্রশাসন ভারতের উদ্বেগ নিরসনের চেষ্টা করে। তারা জোর দিয়ে জানায় যে, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারতের ভূমিকার জন্য বাংলাদেশ তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ এবং তারা এমন কিছুই করবে না, যেটা ভারতের কৌশলগত স্বার্থের ক্ষতি করতে পারে।
পুরনো মডেল ঢেলে সাজানো
নৌবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা এশিয়া টাইমসকে বলেন, সাবমেরিন নিয়ে ভারত যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল, “সেটা ছিল অতিরঞ্জিত এবং সেগুলোর কোন ভিত্তি ছিল না”।
তিনি আরও জানান, “এগুলো পুরনো মডেল ঘষে মেজে ঠিক করা হয়েছে, এবং এগুলো কেনার প্রধান লক্ষ্য হলো প্রশিক্ষণ এবং এটা নৌবাহিনী মানসিক শক্তি বাড়িয়ে দেয়”। তাছাড়া, যে ৪০টি দেশের সাবমেরিন রয়েছে, তাদের একটি হতে পারাটাও একটা গর্বের বিষয়। গ্লোবালফায়ারপাওয়ারের মতে, বর্তমানে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ ৮৬টি এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে কম – দুইটি সাবমেরিন রয়েছে।
সাবেক নৌবাহিনী কর্মকর্তা তার মন্তব্যে বলেন, বিশ্বের সব জায়গাতেই বড় ধরনের সামরিক ক্রয়ের ক্ষেত্রে কিছু স্বার্থবাদী গ্রুপের দুর্নীতি দেখা যায়, যাদের সাথে মূলত ক্ষমতাসীন দলের যোগসাজশ থাকে, এবং সেখানে আসলে কোন কৌশলগত স্বার্থ থাকে না।
ভারত তাদের বিশাখাপত্তম সাবমেরিন একাডেমিতে বাংলাদেশের নৌবাহিনীর জওয়ানদের প্রশিক্ষণ দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে মর্মে যে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে, সেটিকেও অবাস্তব হিসেবে বাতিল করে দেন তিনি।
“বাংলাদেশ যেখানে চীনা সাবমেরিন ব্যবহার করছে, সেখানে প্রশিক্ষণের জন্য বাংলাদেশের জওয়ানদের ভারত যাওয়ার কোন অর্থ হয় না”।
চীনা উপস্থিতি বৃদ্ধি
কিন্তু কিছু বিশ্লেষক এখনও স্থায়ী সাবমেরিন ঘাঁটি নির্মাণের যৌক্তিকতা খুঁজে পাচ্ছেন না। নিরাপত্তা বিশ্লেষক এয়ার কমোডর চৌধুরি বলেছেন, “আমি মনে করি না, দুটো মাত্র সাবমেরিনের জন্য একটা সাবমেরিন ঘাঁটি তৈরি করাটা সরঞ্জামের দিক থেকে গ্রহণযোগ্য, যদি না কারো পুরো একটি বহর গড়ে তোলার পরিকল্পনা থাকে”।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের এ রকম দু-একটা সাবমেরিনের কারণে ভারত উদ্বিগ্ন হচ্ছে না, “বরং এ অঞ্চলে চীনের সামরিক পদচ্ছাপ বেড়ে যাচ্ছে বলে উদ্বিগ্ন হচ্ছে”।
তিনি বলেন, যেমন ধরুন বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে চীনের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে, যেটাকে ভারত সবসময় নিজেদের অঞ্চল ভেবে এসেছে। মিয়ানমারের সিত্তুইয়ে চীন রয়েছে, শ্রীলংকার হামবানতোতায় তারা রয়েছে, পাকিস্তানের গোয়াদরে তারা রয়েছে, তানজানিয়ার মোম্বাসাতে তারা রয়েছে, জিবুতি ও মরিশাসেও চীনের উপস্থিতি রয়েছে।
ভারতের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা এটাকেই বলছে ‘মুক্তার মালা’। যেগুলোর মাধ্যমে ভারতকে ঘিরে ফেলে তাদের সাগর সীমায় অবাধ চলাচলকে চীন ব্যাহত করতে চায়।
‘উসকানিমূলক আচরণ’
এটা কিছু ভারতীয় সামরিক বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকদের উদ্বিগ্ন করেছে, যারা তিন বছর আগে সাবমেরিন কেনার খবর প্রকাশের পর গভীর উদ্বেগ জানিয়েছিল। স্থায়ী ঘাঁটি নির্মাণের চুক্তি আবার তাদের উদ্বেগ উসকে দিতে পারে।
২০১৬ সালে বাংলাদেশের সাবমেরিক কেনার খবর প্রকাশের পর ভারতীয় নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত অ্যাডমিরাল ও সাবেক বাহিনী প্রধান অরুণ প্রকাশ ডিফেন্সনিউজকে বলেছিলেন যে, “বাংলাদেশের যে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং তারা যেহেতু তিনদিকে ভারত দ্বারা বেষ্টিত, সে ক্ষেত্রে সাবমেরিন কেনাটা তাদের জন্য শুধু অযৌক্তিকই নয়, বরং ভারতের প্রতি একটা উসকানিও বটে”।
প্রকাশ আরও বলেন, “সাবমেরিন আগ্রাসী অস্ত্র এবং তাদের একমাত্র কাজ হলো সাগরে প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করা এবং এগুলো ভারতের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে তাদের নৌ নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে জটিল করে তুলবে। এটা নিশ্চিত যে, ভারতকে তাদের গ্রাহক রাষ্ট্রগুলো দিয়ে ঘিরে ফেলার জন্য চীনা কৌশলের অংশ এটা”।
অতিরঞ্জিত ভয়
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি বিশ্লেষকদের কয়েকজন ভারতের ভয়কে অতিরঞ্জিত মনে করেন, যেগুলোর কোন বাস্তব ভিত্তি নেই।
সিনিয়র পররাষ্ট্র নীতি বিশ্লেষক ও সাবেক কূটনীতিক মহিউদ্দিন আহমেদ এশিয়া টাইমসকে বলেন, “ভারতের নিরাপত্তা স্বার্থের ক্ষতি করবে, এ রকম কোন কিছু করাটা হাসিনা সরকারের জন্য অবিশ্বাস্য”।
তিনি আরও বলেন, “ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও ভারতের রাজনৈতিক মহলের মধ্যে যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে, সেটা ছাড়াও ভারতের প্রতি শেখ হাসিনার গভীর ব্যক্তিগত ঋণ রয়েছে, কারণ তার সবচেয়ে দুঃসময়ে ভারত তার সাহায্যে এগিয়ে এসেছিল”।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হাসিনার পিতা তৎকালিন প্রেসিডেন্ট শেখ মুজিবুর রহমান সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নিহত হন। মুজিবের সাথে সাথে তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যও নিহত হয়।
হাসিনা, তার সন্তানেরা এবং তার আরেক বোন শেষ রেহানা সে সময় পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করার কারণে হত্যাকান্ড থেকে বেঁচে যান।
সে সময় ভারতই একমাত্র তাদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছিল। হাসিনা আর তার পরিবারকে আশ্রয় দিয়েছিল নয়াদিল্লী এবং সেখানে ছয় বছর থাকার পর ১৯৮১ সালে নির্বাসন থেকে দেশে ফিরে আসেন হাসিনা।
‘সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী ভারত’
সে সময়টাতে শুধু ভারতের প্রভাবই উল্লেখযোগ্য মাত্রায় হ্রাস পায়নি, বরং আরও উদ্বেগজনক হলো ভারতের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকেও ভারত-বিরোধী সরকারগুলো খোলামেলা স্বাগত জানিয়েছিল।
১৯৯৬ সালে, হাসিনা যখন ক্ষমতায় আসেন, তখন ভারতের জন্য পরিস্থিতি বদলে যেতে শুরু করে।
এর কিছুকাল পরেই, বড় ধরনের কৌশলগত পদক্ষেপ নিয়ে হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার সবগুলো জঙ্গি ক্যাম্প ধ্বংসের নির্দেশ দেন, যেখান থেকে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা মাঝে মাঝেই ভারতের অস্থির উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে হামলা চালাতো।
এটা প্রায় সবাই জানতো যে, পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) ভারতীয় বিদ্রোহীদের প্রশিক্ষণ ও তহবিল দিতো।
সাবেক পররাষ্ট্র সচিব আহমেদ বলেন, “ভারত হাসিনার জন্য যা করেছিল, তার জন্য কৃতজ্ঞতাস্বরূপ হাসিনা এটা করেছিল যাতে বাংলাদেশের সদিচ্ছার ব্যাপারে ভারতের আত্মবিশ্বাস অর্জন করা যায়”।
“ভারতের জন্য এটা একটা দুঃস্বপ্নের মতো হতো যদি তারা পূর্ব পাকিস্তানের আরেকটি উত্থান দেখতো, যেমনটা বাংলাদেশে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ঘটেছিল”।
![]() |
| ২০১৭ সালের ৮ এপ্রিল নয়াদিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1390)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
August
(1053)
-
▼
Aug 17
(30)
- কাশ্মীর নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন ইমরান
- কাশ্মীর নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত এল
- যৌন হয়রানি মামলায় ভারতীয় মেজর জেনারেল চাকরিচ্যুত, ...
- অবরুদ্ধ কাশ্মীরে আতঙ্ক আর বিশৃঙ্খলা দেখেছেন এক সাং...
- পাকিস্তানের মসজিদে বোমা হামলায় তালেবান নেতার ভাই নিহত
- ইসরাইলের ‘নিপীড়নমূলক শর্ত’ প্রত্যাখ্যান রাশিদা তৈয়বার
- সাদ্দামের মেয়েকে ফিরিয়ে দিতে জর্ডানকে ইরাকের চাপ
- একসঙ্গে ৫৮ জনের জানাজা! by মুফতি এনায়েতুল্লাহ
- কলকাতায় গাড়িচাপায় দুই বাংলাদেশি নিহত
- কাশ্মীরে কারাগারে জায়গা নেই: হোটেল-গেস্ট হাউস ডিটে...
- কাশ্মির ইস্যুতে ভারতকে ‘স্তম্ভিত’ করলো রাশিয়া
- মিয়ানমারে আর্মি একাডেমিতে হামলায় ১৪ নিহত
- ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্লাটিলেটের মাত্রা বৃদ্ধিতে কিউই ফল
- ধ্বংসস্তূপে সব হারানো মানুষের আর্তনাদ
- কাশ্মীর সঙ্কট গুরুতর উদ্বেগজনক, রাষ্ট্রদূতদের বাকয...
- ছাইয়ের স্তূপও তন্য তন্য করে খুঁজছেন তারা by মনি আচ...
- প্রশান্তির ছোঁয়া পেতে ঘুরে আসুন রাঙামাটি by মঈন উ...
- পাকিস্তান-ভারত সংলাপে মোদিই সবচেয়ে বড় বাধা: কুরেশি
- নির্বাচন ও যুক্তরাষ্ট্র-তালেবান শান্তি আলোচনা নিয়ে...
- বিদ্রোহীদের একযোগে হামলায় ১৫ মিয়ানমার সেনা, পুলিশ ...
- ডেঙ্গু নিয়ে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি ৫০,০০০ by ফর...
- ‘দিনরাত যারা বাড়িতে ঘোরাঘুরি করতেন, তারাই খুনি’ -প...
- ডেঙ্গু ও বৈরী আবহাওয়ার প্রভাব পড়েছে বিনোদন কেন্দ্র...
- বাংলাদেশের নতুন সাবমেরিন ঘাঁটি ভারতের উত্তেজনা ফির...
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে বৃষ্টিতেও দর্শনা...
- ঘর থেকেই কার্যকর পররাষ্ট্রনীতির সূচনা করতে হবে নেপ...
- চামড়ায় ক্ষতি হাজার কোটি টাকা
- শুল্ক গোয়েন্দার তদন্ত:রপ্তানি না করেই তাঁর রপ্তানি...
- ঢাকা ও মুগদা মেডিকেলে খুব বেশি পরিমাণে এডিস মশার ল...
- জম্মু ও কাশ্মীরের সাংবিধানিক মর্যাদা বাতিল ‘অবৈধ ও...
-
▼
Aug 17
(30)
-
▼
August
(1053)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...












