Thursday, November 21, 2019
রুয়ান্ডা গণহত্যা: ১০০ দিনে ৮ লাখ মানুষ হত্যা

দীর্ঘদিন শাসনক্ষমতায় থাকা তুতসিরা হুতুদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষও ছিল। দেশটির মানুষের মধ্যে ৮৫ শতাংশ হুতু।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ১৯৫৯ সালে তুতসি রাজতন্ত্র উচ্ছেদ করে হুতুরা। তখন হাজারো তুতসি প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে পালিয়ে যায়। ২০০৩ সাল পর্যন্ত চলা গণহত্যায় প্রায় ৫০ লাখের বেশি মানুষ মারা গেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রতিষ্ঠা হয়েছে ২০০২ সালে। এর অনেক আগে রুয়ান্ডার গণহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ফলে, এ জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচার করতে পারবেন না এই আদালত। তবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ওই হত্যাযজ্ঞের শীর্ষ ব্যক্তিদের বিচারের জন্য তানজানিয়ার আরশা শহরে একটি আদালত স্থাপন করেছে। এ আদালতের নাম ‘রুয়ান্ডার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত’। দীর্ঘ এবং ব্যয়বহুল বিচারের পর গণহত্যার জন্য এখন পর্যন্ত ৯৩ জনের বিচার হয়েছে। এঁদের অনেকেই হুতু সরকারের আমলের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ছিলেন। সবাই হুতু সম্প্রদায়ের।
সামাজিক আদালত গাসাসা
গণহত্যায় অভিযুক্ত লাখো মানুষের বিচার দ্রুত করার জন্য রুয়ান্ডা সামাজিক আদালত তৈরি করেছে। এর নাম গাসাসা। বিচার শুরু হওয়ার আগেই অন্তত ১০ হাজার অভিযুক্ত ব্যক্তি কারাগারে মারা গেছেন। ২০১২ সাল পর্যন্ত ১২ হাজার গাসাসা আদালত বসেছেন। প্রায় ১২ লাখ মামলার বিচার করার চেষ্টা করছেন গাসাসা। সাধারণত, বাজার বা কোনো গাছের নিচে এসব আদালত বসেন। তাঁদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সত্য বের করা, বিচার এবং পুনর্মিলন ঘটানো। রুয়ান্ডার ভাষায় গাসাসার অর্থ হলো একত্রে বসা এবং আলোচনা করা।
২০১৭ সালে তৃতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন পল কাগামি। ছোট্ট ও বিধ্বস্ত দেশটির পুনর্গঠনে কাজ করে যাচ্ছেন কাগামি। তাঁর নীতির কারণে দেশটির দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটেছে। তিনি রুয়ান্ডাকে একটি প্রযুক্তির কেন্দ্র বানানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তিনি নিজেও টুইটারে সক্রিয়। তাঁর অনুসারীও অনেক। তবে তাঁর সমালোচকেরা বলছেন, তিনি বিরোধিতা সহ্য করতে পারেন না। দেশে–বিদেশে তাঁর বেশ কয়েকজন বিরোধী অপ্রত্যাশিতভাবে মারা গেছেন।
এদিকে রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে গণহত্যার স্মরণে ৮ এপ্রিল একটি সমাবেশ হবে। রুয়ান্ডা একসময় যাদের কলোনি ছিল, সেই বেলজিয়ামের প্রেসিডেন্ট চালর্স মাইকেল, রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট কাগামি, ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ, উগান্ডার প্রেসিডেন্ট উয়োরি মুসেভেনিসহ কয়েকটি আফ্রিকান দেশের সরকারপ্রধানেরা উপস্থিত থাকবেন।
ঘটনার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
গণহত্যা কেন হয়েছিল, এর প্রধান কারণ জানতে হলে ফিরে যেতে হবে পেছনে। ১৯১৬ সালে বেলজিয়াম সেনাবাহিনী দখল করে নেয় পূর্ব আফ্রিকার ছোট সবুজঘেরা দেশটিকে। জাতিগতভাবে রুয়ান্ডাতে সংখ্যাগুরু হুতু এবং সংখ্যালঘু তুতসি দুই সম্প্রদায়ের লোক বাস করত। চালচলন ও আচার-আচরণের দিকে থেকে দুই সম্প্রদায়ের লোকই একই রকম ছিল। তারা একই ভাষায় কথা বলত, একই এলাকায় থাকত, কিন্তু দেখতেই কেবল কিছুটা ভিন্ন ছিল। তুতসিরা ছিল হুতুদের চেয়ে কিছুটা লম্বা এবং চিকন গড়নের। কথিত আছে, তুতসিদের আদি বাসস্থান ইথিওপিয়া। সেখান থেকে আদি পুরুষেরা রুয়ান্ডায় পাড়ি জমান। এই নিয়ে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে অনেক আগে থেকেই দ্বন্দ্ব বিদ্যমান ছিল।
বেলজিয়াম ক্ষমতা দখলের পর রুয়ান্ডার নাগরিকদের সম্প্রদায়ের ওপর ভিত্তি করে দুই রকম পরিচয়পত্র দেওয়ার নিয়ম প্রচলন করে। এতে তুতসি ও হুতুদের মধ্যে ভেদাভেদ তৈরি হয়। যেখানে তাদের একমাত্র পরিচয় হওয়ার কথা ছিল রুয়ান্ডার নাগরিক, সেখানে তারা এখন আনুষ্ঠানিকভাবে হুতু এবং তুতসি দুই গোত্রে বিভক্ত হয়ে গেল। বেলজিয়ানরা তুতসিদের বেশি প্রাধান্য দিত হুতুদের চেয়ে এবং বেশি যোগ্যতাসম্পন্ন মনে করত। বেশি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই তুতসিরাও বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছিল।
বৈষম্যের স্বীকার হুতু সম্প্রদায়ের মধ্যে ধীরে ধীরে ক্ষোভ জমতে থাকে। ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে ১৯৫৯ সালে। সে বছর হুতু ও তুতসিদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় প্রাণ হারায় প্রায় ২০ হাজার তুতসি। অনেকেই পালিয়ে পাশের দেশ বুরুন্ডি, তানজানিয়া ও উগান্ডায় যায়। ১৯৬২ সালে বেলজিয়ান সরকার ক্ষমতাচ্যুত হলে নিজেদের স্বাধীনতা ফিরে পায় রুয়ান্ডা। স্বাধীনতা পাওয়ার পরপরই হুতুরা তাদের হারিয়ে ফেলা ক্ষমতা আবার ফিরে পায়।
১৯৭৩ সালে তৃতীয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে রুয়ান্ডার দায়িত্ব গ্রহণ করেন হুতু নেতা একনায়ক জুভেনাল হাবিয়ারিমানা। তাঁর শাসনামলে রুয়ান্ডার অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই শোচনীয় হয়ে পড়ে। একই সময়ে পল কাগামির (বর্তমান রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট) নেতৃত্বে উগান্ডায় পালিয়ে যাওয়া তুতসিরা রুয়ান্ডান প্যাট্রিয়টিক ফ্রন্ট (আরপিএফ) নামে একটি সশস্ত্র বিদ্রোহী দল গঠন করেন। প্রেসিডেন্ট হাবিয়ারিমানাকে ক্ষমতাচ্যুত করে তুতসিদের নিজে দেশে ফিরিয়ে আনাই এই ফ্রন্টের উদ্দেশ্য ছিল।
নির্বাসিত তুতসির একটি দল বিদ্রোহী বাহিনী গঠন করেন। এই বাহিনীর নাম রুয়ান্ডান প্যাট্রিয়টিক ফ্রন্ট (আরপিএফ)। ওই বাহিনী ১৯৯০ সালে রুয়ান্ডায় অভিযান শুরু করে এবং ১৯৯৩ সালে শান্তিচুক্তি না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলে।
১৯৯৪ সালের ৮ এপ্রিল রাতে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জুভেনাল হাবিয়ারিমানা এবং বুরুন্ডির প্রেসিডেন্ট সাইপ্রিয়েন নটারিয়ামনাকে—যাঁদের দুজনেই হুতু সম্প্রদায়ের—বহনকারী বিমান গুলি করে ভূপাতিত করা হয়। ওই বিমানে থাকা সব যাত্রী নিহত হন।
এই ঘটনার জন্য আরপিএফকে দায়ী করে হুতু চরমপন্থীরা এবং গণহত্যার সুপরিকল্পিত কর্মকাণ্ড শুরু করে। আরপিএফের দাবি, ওই বিমানকে গুলি করেছে হুতুরাই, যাতে তারা গণহত্যার একটি প্লট তৈরি করতে পারে। অতি সতর্কতার সঙ্গে বিরোধী পক্ষের সরকারি কর্মকর্তাদের তালিকা হুতুদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তালিকা ধরে ধরে তাদের পরিবারের সদস্যসহ হত্যা করা হয়। ওই সময় প্রতিবেশীরা প্রতিবেশীদের হত্যা করে। এমনকি অনেক হুতু স্বামী তাদের তুতসি স্ত্রীদের হত্যা করেছে। এর কারণ হিসেবে হুতুরা দাবি করে, এ হত্যা না করলে তাদের (হুতু) হত্যা করা হতো।
সেই সময় প্রত্যেকের পরিচয়পত্রে গোত্রের নাম উল্লেখ থাকত। এ কারণে চরমপন্থীরা রোড ব্লক বসিয়ে পরিচয়পত্র যাচাই করত এবং তুতসিদের হত্যা করত। বেশির ভাগ সময় এসব হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা হয়েছে ধারালো ছুরি। হাজারো তুতসি নারীকে আটক করে যৌনদাসী করা হয়।
রুয়ান্ডার তখনকার সরকারি দল এমআরএনডির একটি যুব শাখা ছিল ইন্টেরা হামায়ি। এই যুব শাখার সদস্যরাই পরে চরমপন্থী মিলিশিয়ায় রূপ নেন। তাঁরাই বেশির ভাগ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছেন। স্থানীয় গ্রুপগুলোর হাতে অস্ত্র এবং হিটলিস্ট তুলে দেওয়া হয়, যারা ভালোভাবে জানত যে এসব মানুষকে কোথায় পাওয়া যাবে।
হুতু চরমপন্থীরা একটি বেতার কেন্দ্র স্থাপন করেছিল, যার নাম ছিল আরটিএলএম। ওই বেতার কেন্দ্র এবং পত্রিকার মাধ্যমে বিদ্বেষমূলক প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হতো, লোকজনকে হত্যা করার জন্য বলা হতো। যে নামীদামি ব্যক্তিদের হত্যা করা হতো, তাঁদের নাম ওই রেডিওতে পড়ে শোনানো হতো। এই সময় ১০০ দিনের হত্যাযজ্ঞে আট লাখ তুতসি আর প্রগতিশীল হুতুকে হত্যা করা হয়।
![]() |
| রুয়ান্ডায় ২৫ বছর আগে শুরু গণহত্যার শিকার অধিকাংশ মানুষই ছিলেন সংখ্যালঘু তুতসি সম্প্রদায়ের। ছবি: বিবিসি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লিবিয়ার নতুন ‘গাদ্দাফি’ খলিফা হাফতার

এ সময়ে তার অনেক উত্থান-পতন হয়েছে। তিনি সাহচর্য পেয়েছেন গাদ্দাফির মতো নেতার। আবার খলিফা হাফতারকে কখনো সরে যেতে হয়েছে দূরে। যুদ্ধবন্দি হিসেবে তাকে জেলে কাটাতে হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার আশীর্বাদ ছিল বা আছে তার ওপর। তাই তিনি আবার আলোচনায় ফিরেছেন। তার অধীনে থাকা বাহিনী এখন লিবিয়ার বড় বড় তেল টার্মিনালগুলো দখল করেছে। ফলে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শহর তবরুকের পার্লামেন্টের হাতে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ তেল সম্পদের নিয়ন্ত্রণ। এত আলোচিত ব্যক্তিকে তুলনা করা হয় লিবিয়ার প্রয়াত নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির সঙ্গে। তাকে বলা হচ্ছে লিবিয়ার সবচেয়ে বড় যুদ্ধবাজ নেতা।
লিবিয়ান-আমেরিকান দ্বৈত নাগরিক খলিফা হাফতার। জন্ম ১৯৪৩ সালের ৭ই নভেম্বর। তিনি লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির (এলএনএ) প্রধান। খলিফা হাফতারের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর এই অংশটি নয়টি মিউনিসিপাল কাউন্সিলের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের উৎখাত করেছে। এসব কাউন্সিল তারা নিয়ে এসেছে সামরিক শাসনের অধীনে। ২০১৯ সালের মে মাসে যখন লিবিয়ায় ‘সেকেন্ড লিবিয়ান সিভিল ওয়ার’ হয় তাতে যুক্ত তার বাহিনী। নির্বাচিত আইনি পরিষদ লিবিয়ান হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ-এর প্রতি অনুগত সেনাবাহিনীর কমান্ডার নিয়োগ করা হয় তাকে ২০১৫ সালের মার্চে।
খলিফা হাফতারের জন্ম লিবিয়ার আজদাবিয়া এলাকায়। প্রয়াত নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির অধীনে লিবিয়ার সেনাবাহিনীতে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৬৯ সালে যে সামরিক অভ্যুত্থানে গাদ্দাফি ক্ষমতায় এসেছিলেন, তাতে অংশ নিয়েছিলেন খলিফা হাফতার। ১৯৭৩ সালে ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইয়োম কিপ্পুর যুদ্ধে তিনি লিবিয়ার পক্ষে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। চাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় তিনি ফাঁদে পা দিয়ে ধরা পড়েন এবং যুদ্ধবন্দি হন। এটা তখনকার প্রচণ্ড ক্ষমতাধর গাদ্দাফির কাছে ছিল মারাত্মক এক বিব্রতকর অবস্থা। গাদ্দাফি চাদ নিয়ে যে উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা করেছিলেন এতে তার সেই পরিকল্পনায় বড় আঘাত লাগে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এক চুক্তির মধ্য দিয়ে ১৯৯০ সালে মুক্তি দেয়া হয় খলিফা হাফতারকে। এরপর তিনি প্রায় দু’দশক ভার্জিনিয়ার ল্যাংলিতে কাটান। এ সময়েই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পান। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকালীন তার অনুপস্থিতিতে ১৯৯৩ সালে জামাহিরিয়ায় অপরাধের দায়ে তাকে অভিযুক্ত করে শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়।
২০১১ সালে লিবিয়ার গৃহযুদ্ধে যে সেনাবাহিনী মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত করে তাদের একটি সিনিয়র পদ দখল করেন খলিফা হাফতার। জেনারেল ন্যাশনাল কংগ্রেস মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর ক্ষমতা ত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছিল ২০১৪ সালে। এ সময় তাকে বানানো হয় লিবিয়ান আর্মির কমান্ডার। জেনারেল ন্যাশনাল কংগ্রেস ও এর ইসলামপন্থি কট্টরবাদী মিত্রদের বিরুদ্ধে প্রচারণা শুরু করেন হাফতার। জেনারেল ন্যাশনাল কংগ্রেসকে ক্ষমতা থেকে সরাতে নতুন নির্বাচন অনুমোদন দিলেন তিনি। কিন্তু তারপর তা পরিণত হয় এক গৃহযুদ্ধে। ডারনা পুনর্দখলের সময় হাফতার ও তার অনুগতরা যেসব বন্দিকে হত্যা করেছেন তার জন্য খলিফা হাফতারের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনেন ডারনা সিটি কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট রামজি আল শায়েরি, আইনজীবী রায়ান গুডম্যান এবং অ্যালেক্স হুইটিং। ওদিকে খলিফা হাফতারকে বর্ণনা করা হতে থাকে ‘লিবিয়ার সবচেয়ে বড় যুদ্ধবাজ’ হিসেবে। তিনি লিবিয়া যুদ্ধে উল্লেখযোগ্য প্রায় প্রতিটি অংশের সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন। অদ্বিতীয় সামরিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন বলেও তার সুনাম আছে। তা ছাড়া তিনি লৌহমানবের মতো শাসন করেন বলেও সুখ্যাতি আছে তার।
খলিফা হাফতার আজদাবিয়াতে আল ফারজানি উপজাতি গোত্রে জন্মেছিলেন। ১৯৫৭ সালে তিনি আজদাবিয়াতে আল হুদা স্কুলে পড়াশোনা করেন। এরপর মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা গ্রহণ করতে ছুটে যান ডারনাতে। সেখানে ১৯৬১ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত তিনি পড়াশোনা করেন। এরপরেই ১৯৬৪ সালের ১৬ই সেপ্টেম্বর তিনি বেনগাজি মিলিটারি ইউনিভার্সিটি একাডেমিতে যোগ দেন। সেখান থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেন ১৯৬৬ সালে। ১৯৭০ এর দশকে তিনি সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন তখনকার সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে। পররাষ্ট্র বিষয়ক কর্মকর্তাদের জন্য তিন বছরের একটি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন সোভিয়েত ইউনিয়নের এমভি ফ্রানজি মিলিটারি একাডেমি থেকে। অধিকতর সামরিক প্রশিক্ষণ নেন তিনি মিশর থেকে।
গাদ্দাফি সরকারে হাফতারের দিনগুলো
১৯৬৯ সাল। তখন খলিফা হাফতার একজন তরুণ সেনা কর্মকর্তা। এ সময় লিবিয়ার রাজা ইদ্রিসকে ক্ষমতাচ্যুত করেন মুয়াম্মার গাদ্দাফি। তার এই অভ্যুত্থানে অংশ নেন হাফতার। এর অল্প পরেই হাফতার হয়ে ওঠেন গাদ্দাফির একজন শীর্ষ সামরিক অফিসার। ১৯৭৩ সালে ইসরাইলের সিনাই উপত্যাকা দখল নিয়ে মিশরের সঙ্গে যে যুদ্ধ হয় তাতে মিশরকে সমর্থনকারী লিবিয়ান বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন হাফতার। ফ্রি ইউনিয়নিস্ট অফিসারস-এর অন্য সদস্যদের মতো হাফতারও ছিলেন ধর্মনিরপেক্ষ। অভ্যুত্থানের অব্যবহিত পরেই লিবিয়া শাসন করে রেভ্যুলুশনারি কমান্ড কাউন্সিল। এর সদস্য ছিলেন হাফতার। পরে তাকে বানানো হয় গাদ্দাফির সেনাপ্রধান। ১৯৮০র দশকে চাদ ও লিবিয়ার মধ্যে যুদ্ধ হয়। এই যুদ্ধের লিবিয়ার সেনাদের কমান্ডার ছিলেন খলিফা হাফতার। কিন্তু ওই যুদ্ধে লিবিয়া পরাজিত হয়।
এরপর হাফতারের অধীনে থাকা সেনা সদস্যদেরকে লিবিয়া ফিরে যাওয়ার দাবি তুললেন মুয়াম্মার গাদ্দাফি। কিন্তু এর পরিবর্তে তাদেরকে জায়েরে উড়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে হাফতারের অধীনে থাকা সেখানকার সেনাদের অর্ধেক লিবিয়া ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৮৭ সালে হাফতার ও তার অফিসারদের একটি গ্রুপ যুক্ত হন ন্যাশনাল ফ্রন্ট ফর সালভেশন অব লিবিয়ার (এনএফএসএল) সাথে। এটি হলো যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত বিরোধীদের একটি গ্রুপ। ১৯৮৮ সালের ২১ শে জুন তিনি এনএফএসএলের সামরিক শাখার ঘোষণা দিলেন। এর নাম দেয়া হলো লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি। এর নেতৃত্বে রইলেন খলিফা হাফতার। যখন যুক্তরাষ্ট্র থেকে জায়েরে আর অর্থনৈতিক সহায়তা আসার লক্ষণ দেখা গেল না তখন জায়ের থেকে বাকি সদস্যদেরকে কেনিয়া পাঠিয়ে দেয়া হয়। সেখানে তাদেরকে অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়। ১৯৯০ সালের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ সমস্যা সমাধানে মাঠে নামে। তারা মধ্যস্থতা করে। যুক্তরাষ্ট্রের শরণার্থী বিষয়ক কর্মসূচির অধীনে হাফতার ও তার ৩০০ সেনা সদস্যকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পথ করে দেয়া হয়।
এরপর আসে ১৯৯৬ সালের মার্চ। খলিফা হাফতারকে সেনা প্রধান বানিয়েছিলেন যে মুয়াম্মার গাদ্দাফি তার বিরুদ্ধে এক উত্তাল আন্দোলনে অংশ নেন হাফতার। কিন্তু তাতে ব্যর্থ হন তিনি। হাফতার ফিরে যান যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াতে। ২০০৭ সাল পর্যন্ত সেখানকার ফলস চার্চে বসবাস করতে থাকেন। এরপর চলে যান ভার্জিনিয়ার ভিয়েনাতে। সেখানে অবস্থান করে তিনি সিআইএ এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে অব্যাহতভাবে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখতে থাকেন। মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত ও হত্যা করার বেশ কিছু উদ্যোগে ছিল তার অব্যাহত সমর্থন।
২০১১ সালে লিবিয়ায় গাদ্দাফির বিরুদ্ধে গণ অভ্যুত্থান শুরু হয়। খালিফা হাফতার এসময় দেশে ফিরে আসেন। লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহী বাহিনীর অন্যতম অধিনায়ক ছিলেন তিনি। তবে গাদ্দাফির পতনের পর ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হাফতারের কথা আর তেমন শোনা যায়নি। ২০১৪ সালে হঠাৎ আবার খালিফা হাফতারকে দেখা গেল টেলিভিশনে। সেখানে তিনি তার ভাষায়, জাতিকে রক্ষার এক পরিকল্পনা হাজির করলেন এবং নির্বাচিত পার্লামেন্টের বিরুদ্ধে জনগণকে রাস্তায় নামার আহ্বান জানালেন। তখনও পর্যন্ত জেনারেল ন্যাশনাল কংগ্রেস (জিএনসি) নামে পরিচিত লিবিয়ার পার্লামেন্ট আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। খালিফা হাফতার এমন এক সময় এই নাটকীয় ঘোষণা দেন, যখন কিনা লিবিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বেনগাজি এবং পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য শহর কার্যত আল কায়েদার সহযোগী একটি সংগঠন আনসার আল শরিয়া এবং অন্যান্য জঙ্গি ইসলামী সংগঠনের নিয়ন্ত্রণে। তারা লিবিয়ার পূর্বাঞ্চল জুড়ে তখন সামরিক বাহিনী, পুলিশ এবং সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের হত্যা করছে, বোমা হামলা চালাচ্ছে।
খলিফা হাফতার যে পরিকল্পনা নিয়ে আগাচ্ছিলেন, সেটি কাজে পরিণত করার মতো যথেষ্ট সমর্থন তার ছিল না। তিনি আসলে তখন লিবিয়ায় যে ব্যাপক জন-অসন্তোষ সেটিরই প্রতিধ্বনি করার চেষ্টা করছিলেন। বিশেষ করে বেনগাজিতে, যেখানে জেনারেল ন্যাশনাল কাউন্সিলের বিরুদ্ধে অসন্তোষ বাড়ছিল। কারণ তারা জঙ্গি ইসলামী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারছিল না।
খলিফা হাফতার নিজের এলাকায় জনপ্রিয় হলেও, লিবিয়ার অন্য অঞ্চলে তার তেমন সমর্থন ছিল না। বরং গাদ্দাফির সঙ্গে যে তার একসময় ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল এবং তিনি যে আসলে যুক্তরাষ্ট্রের লোক, সেটাই লোকে মনে রেখেছিল।
অন্যদিকে, ইসলামী জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোও খলিফা হাফতারকে পছন্দ করতো না। কারণ তিনি এদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন।
২০১৪ সালের মে মাসে খলিফা হাফতার বেনগাজি এবং লিবিয়ার অন্যান্য অঞ্চলে ইসলামী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেন। তার এই অভিযানের নাম দেয়া হয় অপারেশন ডিগনিটি। ২০১৫ সালের মার্চ মাসে লিবিয়ার নির্বাচিত পার্লামেন্ট হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভ, যা কিনা জেনারেল ন্যাশনাল কাউন্সিলের জায়গা নিয়েছিল, তারা খ০িলফা হাফতারকে লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির অধিনায়ক নিযুক্ত করে। প্রায় এক বছর ধরে লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির সঙ্গে বেনগাজির ইসলামী জঙ্গিদের লড়াই চলে। শুরুতে লড়াইয়ে তারা তেমন সুবিধা করতে পারেনি। তবে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তারা বেনগাজির বেশিরভাগ এলাকা থেকে জঙ্গিদের হটিয়ে দেয়। ২০১৬ সালের মে মাসে তারা আরও সাফল্য পায়। ইসলামী জঙ্গিদের তারা এবার শুধু বেনগাজির উপকন্ঠ নয়, ২৫০ কিলোমিটার পূর্বের ডারনা শহর পর্যন্ত হটিয়ে দেয়।
২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে অপারেশন সুইফট থান্ডার শুরু করে লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি। উদ্দেশ্য ছিল লিবিয়ার গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনাগুলোর দখল নেয়া। তখন পর্যন্ত এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতো 'পেট্রোলিয়াম ফ্যাসিলিটিজ গার্ড' নামের একটি বাহিনী। এই সশস্ত্র বাহিনী ছিল জাতিসংঘের সালিশে গঠিত 'গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল একর্ড' বা জিএনএ'র অনুগত। লিবিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সব তেল টার্মিনাল এদের কাছ থেকে কেড়ে নেয় হাফতারের নেতৃত্বে লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি।
এর স্বীকৃতি হিসেবে খালিফা হাফতারকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল থেকে পদোন্নতি দিয়ে ফিল্ড মার্শাল করা হয়। তবে খালিফা হাফতার নাকি জিএনএ'র কাজ-কর্মে অখুশি ছিলেন। কারণ এই সরকার প্রতিরক্ষার দায়িত্ব দিয়েছিল ইব্রাহিম আল বারগাতি বলে এক অফিসারকে।
মিসরাতা ভিত্তিক যে মিলিশিয়া বাহিনী, তাদের ওপর খুব বেশি নির্ভর করতো জিএনএ। এই মিলিশিয়াদের সঙ্গে নাকি আবার ইসলামী জঙ্গিদের সম্পর্ক ছিল। এনিয়েও অখুশি ছিলেন খালিফা হাফতার।
২০১৫ সালের ডিসেম্বরে লিবিয়ায় একটি জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের জন্য চুক্তি হয়। তাতে বলা হয়েছিল, হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভ বা পার্লামেন্ট নতুন সরকার গঠিত হওয়ার এক মাসের মধ্যে এটিকে অনুমোদন দেবে। কিন্তু কয়েকবার চেষ্টা করেও কোরামের অভাবে এই পার্লামেন্টের কোন অধিবেশন শুরু করা যায়নি।
গণমাধ্যমের খবরে তখন এজন্যে দোষারোপ করা হচ্ছিল খালিফা হাফতারকে। তিনি নাকি তার অনুগত পার্লামেন্ট সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছিলেন পার্লামেন্টে না যেতে, যাতে করে নতুন মন্ত্রিসভা এই পার্লামেন্টের অনুমোদন না পায়।
খালিফা হাফতার অবশ্য বলছিলেন, তিনি পার্লামেন্টের যে কোন সিদ্ধান্ত মেনে চলবেন। কিন্তু নিজের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্খা নিয়ে খালিফা হাফতার খুব খোলামেলাভাবে কখনো কিছু বলেননি। তবে ধারণা করা হয়, তিনি নতুন জাতীয় ঐক্যের সেনাবাহিনীতে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখতে চান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জনগণ কেন শাস্তি পাবে? by সাজেদুল হক ও মোহাম্মদ ওমর ফারুক

পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের শীর্ষ নেতা। সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে গঠিত কমিটিরও প্রধান করা হয়েছিল তাকে। আরেকজন মশিউর রহমান রাঙ্গা। জাতীয় পার্টির মহাসচিব। বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ। কিন্তু তারও সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনি পরিবহন মালিকদের সংগঠনের শীর্ষ নেতা।
সড়কে মৃত্যুর মিছিল চলছে অনেকদিন হলো। এ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। নেয়া হয়েছে নানা উদ্যেগ। কিন্তু এসব উদ্যোগ কার্যকরে সবসময়ই বাধা এসেছে শ্রমিক-মালিকদের পক্ষ থেকে। আর এক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা রেখেছেন এই সংগঠন দুটির শীর্ষ নেতারা। বিশেষকরে শাজাহান খান ও মশিউর রহমান রাঙ্গা সবসময়ই ছিলেন আলোচনায়। গত বছর দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার প্রতিবাদে আন্দোলনে নামে স্কুল শিক্ষার্থীরা। সেসময় শাজাহান খানের একটি হাসিখুশি ছবি ভাইরাল হয়েছিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। যা শিক্ষার্থীদের আরও বিক্ষুদ্ধ করে তোলে। আন্দোলনের মুখেই সড়ক আইনে সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়। নতুন আইন সবেমাত্র কার্যকর শুরু হয়েছে। এ আইনে শাস্তির মাত্রা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এ নিয়ে সুযোগ রয়েছে আলোচনার। চ্যালেঞ্জ করা যেতে পারে আদালতেও।
সরকার সংশ্লিষ্ট প্রভাবশালী নেতা হিসেবে শাজাহান খান ও মশিউর রহমান রাঙ্গার সুযোগ রয়েছে সরকারের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনার। কিন্তু সে পথে তারা হাটেননি। নেয়া হয়েছে সে পুরনো কৌশলই। অঘোষিত ধর্মঘটে জিম্মি করা হয়েছে জনগণকে। নিজেরা গাড়ি পরিচালনা না করেই শ্রমিকরা ক্ষ্যান্ত হননি। যারা রাস্তায় নেমেছেন তাদের নাজেহাল করা হয়েছে। মারধর আর লাঞ্চনার শিকার হয়েছেন গাড়ি নিয়ে বের হওয়া চালকরা। এতো রীতিমতো নৈরাজ্য। আর এ নৈরাজ্যের পেছনে ইন্দনদাতা হিসেবে দুই শীর্ষ শ্রমিক ও মালিক নেতার দিকেই আঙ্গুল তুলছেন সবাই। শাজাহান খান ও মশিউর রহমান রাঙ্গা স্পষ্টতই ধর্মঘটের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। বিবিসি বাংলাকে তারা জানিয়েছেন, তাদের দুটি সংগঠনের পক্ষ থেকে ধর্মঘট বা কর্মবিরতির কোন কর্মসূচি নেয়া হয়নি। কিন্তু তারা একইসঙ্গে এটাও জানিয়েছেন যে, শ্রমিকদের দাবিকে তারা সমর্থন করেন। সরকারের পক্ষ থেকে শুরুতে কঠোর অবস্থানের কথা বলা হলেও গতকাল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জনগণকে দুর্ভোগে না ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আপনারা জনগণকে শাস্তি দেবেন না। শাস্তির ভয়ে জনগণকে শাস্তি দেবেন না। জনগণকে দুর্ভোগে ফেলবেন না প্লিজ।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এবারই প্রথম নয়, প্রভাবশালী নেতাদের ইন্ধনে বারবার জনগণকে শাস্তি দেয়া হচ্ছে। যারা এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত তারা থেকে যাচ্ছেন আইনের উর্ধ্বে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, জনগণ আর কতবার এ ধরনের শাস্তি পাবেন?
এটাতো ধর্মঘট না: শাজাহান খান
ধর্মঘট তো ডাকে নাই। ধর্মঘট হচ্ছে নোটিশ দিয়ে, টাইম দিয়ে আলোচনার দাবি জানিয়ে যেটা করে সেটাই হচ্ছে ধর্মঘট। আর এটা হচ্ছে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ সমাবেশ, বিক্ষিপ্তভাবে শ্রমিকরা রাস্তায় নেমেছে। প্রচারের অভাব, অপপ্রচার প্রপাগান্ডাসহ এসমস্ত কারণেই এটা হয়েছে। মানবজমিনকে এসব কথা বলেন শাজাহান খান। ধর্মঘটে জনগণের ভোগান্তি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ থেকে আমরা আরো বেশি ভোগান্তির শিকার। শাস্তি দিবে আমাদের লোকজনদের। তবে আমাদের ফেডারেশনের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে সমর্থনও করিনি, বিরোধিতাও করিনি। সমর্থন জানাইনি এই জন্য, ফেডারেশনের মিটিং ছাড়া তো আমি সমর্থন করতে পারি না। আমরা ফেডারেশনের পক্ষ থেকে মিটিং করে তারপর জানাবো। তবে বিরোধিতা না করারও যথেষ্ট কারণ রয়েছে। কিছু ভুল ভ্রান্তি, ভুল ধারণাসহ আইনের কিছু অসঙ্গতি আছে এসব কারণে তাদের আমরা বিরোধিতাও করিনি।
তিনি পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বলেন ,তাদের প্রচারণারওও কিছু ঘাটতি রয়েছে। তাদের লিফলেটগুলোতে দেখা যায়, শ্রমিকদের বিরুদ্ধে যত কঠিন সাজাগুলো আছে সেগুলো তারা উপস্থাপন করেছে। এই আইনে ভালো দিকও তো আছে। সেগুলো কিন্তু কোনো জায়গায় বলা হয়নি। পথচারীদের নিয়ে আইনে যে শাস্তির বিধান রয়েছে সেগুলোও কিন্তু বলা হয়নি। এটা শ্রমিকদের অস্তিত্বের প্রশ্ন, কোন আইনে তাদের যাবজ্জীবন হবে, কোন আইনে তাদের আরও বড় শাস্তি হবে সেটা নিয়ে তো তারা উদ্বিগ্ন হবেই। তাছাড়া এখনো শ্রমিকরা এসব বিষয় নিয়ে পরিষ্কার না। এ জন্যই তারা বিক্ষোভ করেছে। রাস্তায় তো তাদেরও চলতে হবে, এটা তাদের রুটিরুজির ব্যপার। আমাদের দুই দিন মিটিং হবে কাল (আজ) এবং পরশুদিন। মিটিংয়ে বসে তারপর সিদ্ধান্ত হবে এবং আমরা গণমাধ্যমে জানাবো। মিটিং চলাকালীন দুইদিন কি ধর্মঘট থাকবে এমন প্রশ্নের জবাবে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন , বিষয়টি কালকে ( আজ) ঠিক হবে।
মানুষকে জিম্মি করে ধর্মঘট করবে এটা হতে পারে না: নাসিম
ওদিকে ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, দেশের মানুষেকে জিম্মি করে যারা পরিবহন ধর্মঘট করছে তাদের শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে। তিনি বলেন, দেশের জনগণকে যারা জিম্মি করছে, শক্ত হাতে তাদের মোকাবিলা করা হবে। ক্যাসিনোকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের যেমন কোনো ছাড় দেয়া হয়নি, তেমনি এদেরকেও ছাড় দেয়া হবে না। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। পরিবহন শ্রমিক নেতা ও মালিকদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর এ সদস্য বলেন, কোনো ঘাতক চালক নিজের ইচ্ছেমতো কাউকে হত্যা করবে, এটা দেশের জনগণ মেনে নেবে না। তারা এখন সুযোগ বুঝে ধর্মঘট করছে। যারা দেশ ও দেশের মানুষকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলছে, তাদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, সড়ক পরিবহন আইন হওয়ার আগে শ্রমিক ও মালিকের স্বার্থ রক্ষার জন্য অনেক আলোচনা করা হয়েছে। এরপর এক বছর পর্যালোচনায় রেখে এই আইন পাস করা হয়েছে। এখন জনগণকে জিম্মি করে ধর্মঘট করবে,এটা হতে পারে না। সংগঠনের কার্যনির্বাহী সভাপতি ফালগুনী হামিদের সভাপতিত্বে তথ্যপ্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একেই বলে গণতন্ত্র by মোহাম্মদ আবুল হোসেন

ব্যাস, আপনিই দলীয় প্রার্থী। কিসের আবার প্রাইমারি! যুক্তরাষ্ট্রে এমনটা নেই বলেই সম্ভবত তাদেরকে গণতান্ত্রিক বলা হয়। কারণ, গণতান্ত্রিক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে একটি দল থেকে একজন প্রার্থীকে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে তবেই মূল পর্বে আসতে হয়।
আগামী বছর সেখানে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। কিন্তু প্রধান দুই দল রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেট শিবিরে এর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে বিগত নির্বাচনের অব্যবহিত পর থেকেই। বিশেষ করে অনাকাঙ্খিতভাবে ডেমোক্রেট দল থেকে শক্তিধর প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন হেরে যাওয়ার পর পরই আলোচনা চলতে থাকে কে হবেন পরবর্তী ডেমোক্রেট প্রার্থী। সম্ভাব্যরা তাদের টার্গেট ঠিক করে প্রস্তুতি নিতে থাকেন। প্রায় দু’বছর বাকি থাকতেই তারা প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেন। ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থিতার। ফলে এবার ডেমোক্রেট দল থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা অনেক বেশি। এরই মধ্যে তাদের প্রাথমিক পর্যায়ের বিতর্ক হয়ে গেছে অক্টোবরে। আজ বুধবার আবার আটলান্টায় তাদেরকে মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সেখানে মঞ্চে বিতর্ক করবেন তারা। স্থানীয় সময় রাত ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ওই বিতর্ক সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে। এর সহ-আয়োজক এমএনএনবিসি এবং ওয়াশিংটন পোস্ট।
আজকের বিতর্কে অংশ নিচ্ছেন শক্তিধর প্রার্থী সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ম্যাচাচুসেটসের সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন, ভারমন্টের সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স, ইন্ডিয়ানার সাউথ বেন্ড, মেয়র পিটি বুটিগিত ও ক্যালিফোর্নিয়ার সিনেটর কমলা হ্যারিস। তবে অক্টোবরের ডিবেট বা বিতর্কের চেয়ে এবার কিছুটা পরিবর্তন রয়েছে। গত মাসের বিতর্কে ছিলেন ১২ জন প্রার্থী। কিন্তু আজকের বিতর্কে থাকবেন শুধু ১০ জন। কারণ, নির্বাচনী লড়াই থেকে নিজেকে ১লা নভেম্বর প্রত্যাহার করে নিয়েছেন টেক্সাসের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য বেটো ও’রোর্কি। প্রথমবারের মতো নির্বাচনী বিতর্ক মিস করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের গৃহায়ন ও নগর উন্নয়ন বিষয়ক সাবেক মন্ত্রী জুলিয়ান ক্যাস্ত্রো। আবার কিছু নতুন প্রার্থী এই নির্বাচনী দৌড়ের মধ্যে ঢুকে পড়েছেন। তার মধ্যে আছেন ম্যাচাচুসেটসের গভর্নর ডেভাল প্যাট্রিক। তিনি মধ্য নভেম্বরের দিকে নির্বাচনী লড়াইয়ের ঘোষণা দেন। এছাড়া প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন নিউ ইয়র্ক সিটির সাবেক মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গ।
আজ বুধবার (বাংলাদেশের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল) আটলান্টার টেলার পেরি স্টুডিওতে হবে বিতর্ক। এই চলচ্চিত্র প্রযোজনা বিষয়ক স্টুডিওটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাটা টেলার পেরি। সেখান থেকে বিতর্ক সরাসরি সম্প্রচার করবে এমএসএনবিসি। সরাসরি অনলাইনে দেখা যাবে এমএসএনবিসি ডট কম এবং ওয়াশিংটন পোস্ট ডট কম-এ। এ ছাড়া এই বিতর্ক দেখা যাবে এনবিসি নিউজে, ওয়াশিংটন পোস্টের ফোন অ্যাপে।
বিতর্কে অংশ নেয়া প্রার্থীদের সম্পর্কে এখানে সংক্ষেপে তথ্য তুলে ধরা হলো:
জো বাইডেন (৭৬): যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাস সৃষ্টিকারী সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার অধীনে ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন জো বাইডেন। তিনি ১৯৭৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত দেলাওয়ার রাজ্য থেকে নির্বাচিত ডেমোক্রেট দলীয় সিনেটর।
সিনেটর কোরি বুকার (৫০): কোরি বুকার যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি থেকে নির্বাচিত সিনেটর। তিনি ২০০৬ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত নিওয়ার্কের মেয়র ছিলেন। তারপর থেকে তিনি নিউ জার্সি থেকে প্রথম আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মার্কিন সিনেটর।
পিটি বুটিগিগ (৩৭): ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের নেভি রিজার্ভের একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা ছিলেন বুটিগিগ। ২০১২ সাল থেকে তিনি ইন্ডিয়ানার সাউথ বেন্ড থেকে নির্বাচিত মেয়র। তিনি সমকামী। যদি প্রাইমারি নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মনোনয়ন পান তাহলে তিনিই হবেন বড় কোনো রাজনৈতিক দল থেকে প্রকাশ্যে আসা প্রথম সমকামী প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী।
তুলসি গাব্বাড় (৩৮): ২০১৩ সাল থেকে হাওয়াইয়ের সেকেন্ড ডিস্ট্রিক্ট থেকে প্রতিনিধিত্ব করছেন তিনি। তিনি প্রথম আমেরিকান সামোয়া এবং কংগ্রেসে প্রথম হিন্দু সদস্য। ইরাক যুদ্ধের একজন যোদ্ধা তিনি।
কমলা হ্যারিস (৫৫): ক্যালিফোর্নিয়ার রাজনীতির মধ্য দিয়ে উত্থান ঘটে তার। তিনি ২০০৪ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত সান ফ্রান্সিকোতে ডিস্ট্রিক্ট এটর্নি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তিনিই ক্যালিফোর্নিয়াতে প্রথম নারী এটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সাল থেকে তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার সিনেটর।
এমি ক্লুবুচার (৫৯): ২০০৬ সালে মিনেসোটা থেকে প্রথম নারী হিসেবে তিনি সিনেটর নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি মিনেসোটার সবচেয়ে জনবহুল এলাকা হেনেপিন কাউন্টিতে ১৯৯৯ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত কাউন্টি এটর্নি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বার্নি স্যান্ডার্স (৭৮): তিনি স্বঘোষিত ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট। ২০০৭ সাল থেকে তিনি ভারমন্টের সিনেটর। ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত তিনি ভারমন্টের কংগ্রেশনাল প্রতিনিধি ছিলেন। ২০১৬ সালে ডেমোক্রেটিক দল থেকে প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন চান। কিন্তু প্রাইমারিতে তিনি হেরে যান হিলারি ক্লিনটনের কাছে।
টম স্টেয়ার (৬২): তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন নেক্সটজেন আমেরিকা অ্যান্ড নিডস টু ইমপিচ নামের রাজনৈতিক গ্রুপ। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসনের প্রচারণায় ডিজিটাল মাধ্যম ও টেলিভিশনে নিজের লাখ লাখ ডলার খরচ করেছেন।
এলিজাবেথ ওয়ারেন (৭০): ২০১৩ সালে ম্যাচাচুসেটস থেকে প্রথম নারী সিনেটর নির্বাচিত হন তিনি। এর আগে তিনি আইন শাস্ত্র পড়াতেন। এর মধ্যে রয়েছে ঋণখেলাপির বিষয়।
অ্যানড্রু ইয়াং (৪৪): তিনি অটোমেশনের হুমকির বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। প্রতিষ্ঠা করেছেন অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ভেনচার ফর আমেরিকা। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে সৃষ্টি করেছেন বহু কর্মসংস্থান।
আজকের বিতর্কে প্রার্থীরা দাঁড়াবেন বাম থেকে ডান দিকে। এই অর্ডারে সর্ববামে থাকবেন বুকার, গাব্বাড়, ক্লুবুচার, বুটিগিগ, ওয়ারেন, বাইডেন, স্যান্ডারস, হ্যারিস, ইয়াং এবং স্টেয়ার। তবে জরিফে সবচেয়ে বেশি সামনে এগিয়ে থাকা জো বাইডেন এবং এলিজাবেথ ওয়ারেন দাঁড়াবেন মাঝখানে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কিউই ফলের বীজ থেকে চারা পাবেন যেভাবে

বৈশিষ্ট্য: চীন দেশের ফলটি দেখতে অনেকটা লেবুর মতো। সবুজ এ ফল সালাদসহ নানা সবজিতে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া এমনিতেও খাওয়া যায়। নিউজিল্যান্ড, ক্যালিফোর্নিয়া ও গ্রিসে ফলটি বেশ জনপ্রিয়। গাছ লাগানোর পরে ফল হতে সাধারণত ২-৩ বছর সময় লাগে। একবার ফলন শুরু হয়ে গেলে তেমন খরচ নেই।
বীজ থেকে চারা: প্রথমে পাকা ফলটি কেটে নিন। ফলের ভেতরে ছোট ছোট অসংখ্য বীজ রয়েছে। সেই বীজগুলো সংগ্রহ করে নিন। আঠালো আঁশের ভেতর থেকে বীজগুলো আলাদা করতে ছোট একটি বাটি নিন। বাটিতে এবার পানি ঢালুন। পানির মধ্যে বীজগুলো রাখুন। আঠালো আঁশ ছাড়িয়ে বীজ আলাদা করুন।
এরপর বাটির পানি ফেলে দিন। বীজ প্রক্রিয়ার জন্য এক টুকরো টিস্যু নিন। টিস্যুটি পানিতে ভিজিয়ে নিন। টিস্যুর ওপর বীজগুলো ঢালুন। ঢেলে বীজগুলো ছড়িয়ে নিন। বীজ ছড়ানোর পর টিস্যুটি মুড়িয়ে নিন। এরপর ছোট একটি পটে রেখে ঢেকে দিন। এভাবে ২-৩ সপ্তাহ রেখে দিন।
২-৩ সপ্তাহ পর পটটি খুললে টিস্যুর ভেতরে অঙ্কুর দেখতে পাবেন। অঙ্কুরগুলো বিভিন্ন টবে লাগিয়ে নেবেন। লাগানোর পর টবে পানি দিয়ে দেবেন। এভাবেই ধীরে ধীরে পেয়ে যাবেন কিউই ফলের চারা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যৌনতা কমছে দেশে দেশে

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুবর্ণবন্দরের খোঁজে by হাবীবুল্লাহ সিরাজী
কথার পিঠে কথা তাই—মানুষের জন্য হৃদয়কে পঞ্চভূতে মিশিয়ে এবং মস্তিষ্ককে সৃষ্টিদর্শনে লগ্ন করে দাঁড়াতে হবে। মেরুদণ্ডী প্রাণীর সব গুণ ধারণপূর্বক জানান দিতে হবে বিশ্বকে—আমরা এসেছি। নিজের ভাষা বাংলাই এই আগমনের একমাত্র প্রতীক! তাই বাংলা নিয়েই আমরা দখল নিতে চাই সারা বিশ্বের। আমাদের কর্মী দল মজবুত, আমাদের মেধাবাহিনী অটুট এবং আমাদের মেধা-সমবায় অভিযানের জন্য প্রস্তুত।
এখন এই অভিযাত্রার স্থানচিত্র এবং বিজয়সীমা নির্ধারণের জন্য পরিকল্পনা প্রস্তুত করা প্রয়োজন। পৃথিবীর মানচিত্রে বিজয়বিন্দু বসিয়ে এগোলে দরজার ওপাশেই তো আপনচিত্র। এরপর পশ্চিমের ডাক। স্থলপথে যেতে সময় লাগবে, জলপথ এখন প্রায় অচল, বাকি রইল উড়ালযাত্রা। নামা যাক ইউরোপে, আশপাশে অনেক ঝাল-ঝোলের গল্প। অনেক ছুরি-কাঁচির সঙ্গে পাঁচ-আঙুল পাল্লা দিচ্ছে দীর্ঘদিন। অতএব, অগ্রবর্তী বাহিনীর সমর্থনে বিজয় সম্ভব হতে দিন-ক্ষণ বেশি ব্যয় হবে না। এবার মহাসাগর পাড়ি দিয়ে আমেরিকায় পতাকা পোঁতার পালা। ঢোল–শোহরত করে শুরুর সময় নির্ধারিত হলে মনে হয় না সমাগম হতে বেশি সময় লাগবে। ওখানে দাঁড়িয়েই স্থানীয় চিত্রটি নজর করার পাশাপাশি এশিয়ার পূর্বাঞ্চলটির কথা ভাবা যাবে।
আসুন লুই পা, আসুন আলাওল, আসুন মাইকেল, আসুন রবীন্দ্রনাথ, আসুন বঙ্গবন্ধু,—আসুন বৈশাখ, আসুন ডাল-ভাত—আসুন একুশে, আসুন মুক্তিযুদ্ধ—পায়ের ধুলো, গায়ের ময়লা ঝেড়ে হৃদয়ে হৃদয় রাখি। বিশ্বময় গড়ে তুলি বাংলা ভাষার অমিয় সংস্কৃতি।
---দুই.---
কখন যে কোন বিষয় মোচড় দেবে বোঝা দায়। ঘর থেকে বেরোনোর মুখেই বিপত্তি মাথা ধরে টান দিল। ঢাকা থেকে দোহা হয়ে লস অ্যাঞ্জেলেস–যাত্রা। আমন্ত্রণটি কবিতা উৎসবের, আর যাত্রাপথের বিমান মাশুলও পরিশোধিত হয়েছে উৎসবকর্তাদের মাধ্যমে। তবে বিপত্তি কোথায়? বিপত্তি, যে মাধ্যমে মাশুল পরিশোধিত হয়েছে তার নিশ্চিতকরণ নিয়ে! বিমানবন্দরে নানা টানাপোড়েন উতরিয়ে বুঝিবা একটা ঝুঁকি ঝুলিয়ে রেখেই শুরু করা গেল যাত্রা।
এপ্রিলের তৃতীয় সপ্তাহের আমেজটুকু রাত তিনটায় চোখমুখে ঝাপ্টা দিয়ে যায়। ছয় ঘণ্টার যাত্রা। দোহা এসে দুই ঘণ্টার বিরতির পর আবার শুরু হলো টানা ষোলো ঘণ্টার যাত্রা—লস অ্যাঞ্জেলেসের জন্য।
একসময় ভারি চকচকে অপরাহ্ণে ঢুকে গেলাম নগরীর অভ্যন্তরে। চারদিকে মাথা তোলা পাহাড়ের পেটের মধ্যে বসতি। ঘন সবুজের অপরূপ সমারোহে চিনিয়ে দিল বৈচিত্র্যের আন্তরিক মাত্রা। তাপমাত্রা সতেরো-আঠারোর বেশি নয়, মৃদু হাওয়ায় বসন্তের পুলক।
এখানে যাঁর প্রথম আহ্বান আমাকে মূকাভিনয় পর্বটি মনে করিয়ে দিল, তিনি তো একদিন বাংলাদেশেই ছিলেন। যশোরের ধুলো-জল ছেঁকে-ছেনে ঢাকা এসে ছড়িয়েছিলেন প্রতিভার দ্যুতি। অভিনয়ে পটু, তাও আবার বাক্বিহীন সবই তো ছিল তাঁর ঝুলিতে। তারপরও অন্য এক আকর্ষণ, ভিন্ন এক প্রণয় তাঁকে দেশ থেকে বৈদেশে নিয়ে এসেছে! তা-ও বুঝি তিন যুগ আগেকার অমোঘ আখ্যান। তিনি—কাজী মশহুরুল হুদা হাতে গহনা বাজিয়ে, আঙুলের অলংকার ঘুরিয়ে—আজ এই বেলা আমাকে ভাত ও সরপুঁটি মাছের ঝোলে নামিয়ে দিলেন। ‘স্বদেশ’-এর ভান্ডারে করলা ভাজি থেকে বেগুন-মানকচু, মুগডাল কিছুই বাদ নেই। লস অ্যাঞ্জেলেসের এই ‘লিটল বাংলাদেশ’ যেন বৈশাখের বৈভব নিয়ে এল, দিল বাংলার পূর্ণতা।
আমার আমিতে খুঁজি সুবর্ণবন্দর!
---তিন.---
‘হলিউড’ শব্দটির সঙ্গে ঝমঝম করে ওঠে পরিপার্শ্ব এবং দৃশ্যপটে আলোর ঝলকানি নেড়ে দেয় লৌকিক ও অলৌকিক চালচিত্র।
বাস্তবের সঙ্গে কল্পনার অংশটুকু মিলিয়ে নেওয়ার অভিপ্রায়ে সকাল-দুপুর কাটল ‘গ্রিফিথ অবজারভেটরি টাওয়ার’ আর ‘বেভারলি হিলস’–এ। উপত্যকার শোভার সঙ্গে দর্শনার্থীর ঢল মিলেমিশে তৈরি করেছে বিচিত্র এক অবকাশ-প্রণালি। ছবি তোলা থেকে স্যুভেনির ক্রয়—এক পর্যায়ে ভেতর মহলে আপন অবস্থানটির জানান দিয়ে যায়।
‘উত্তর আমেরিকা কবিতা সম্মেলন ২০১৯’-এর আয়োজনকে সামনে রেখে নানা কর্মকাণ্ডের ফাঁকে সন্ধ্যায় ভয়েস অব আমেরিকার একটি সাক্ষাৎকার রেকর্ড করার ভেতর দিয়ে ফুরাল দিন। তবে এ কথাও ঠিক, দিনের সঙ্গে কে কবে পাল্লা দিতে পেরেছে? এই যে এখন সূর্যের উল্টো দিকে পৃথিবীর এ অঞ্চল তার হাসি-তামাশায় উনিশে এপ্রিল শেষ করল, তার ভঙ্গি কতটুকু পাবে গোলকের ওপারের মানুষ?
‘লাল একটি পিঁপড়েপৃথিবী
মিথ্যের মধ্যে পড়ে আছে!’
---চার.---
বেশ ঠান্ডা বাতাস, তাপমাত্রা পনেরো ছুঁই-ছুঁই। সকালে বেরোবার মুখে দূরের পামসারি ক্যামেরা টেনে নিল। যেন প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম উপকূলের পাকাপোক্ত একটি ব্যবস্থার মধ্যে একমাথা চুল নিয়ে তারা পাহারা দিচ্ছে জনবসতি। পথে পড়ল ‘ইউনিভার্সাল স্টুডিও’। ভেতরে ঢোকার মুখেই ঝাপটা দেওয়া মিশ্র ঘ্রাণ ঠেলে দিল নানা বর্ণে, ভিন্ন ভিন্ন প্রাঙ্গণে। শিশু-তরুণ-বয়সী মিলে যে সাদা-কালোর তৈলচিত্র, তা যেন কেবল আনন্দের, তা যেন কেবল শনিবারের ছুটি-উপভোগের।
হু-হু করে বেলা নেমে যায়। সন্ধ্যায় কবিতার আয়োজন। প্রবাসে বাংলা কবিতার তল ঠাহর করা বড় কঠিন! অর্থ-বাণিজ্য-সচ্ছলতার এত দেমাগের মধ্যে লাজুক কবিতার ঠাঁই পাওয়া ভার। হ্যাঁ, এসব আয়োজনের শেষ দৃশ্যে সংগীত এবং নৈশভোজের পর্ব বড় মনোহর।
‘একটি দিনের জন্য রাত ফর্সা হলে
একটি রাতের লোভে লুট হয় জীবনের ছুটি’
---পাঁচ.---
ফুরিয়ে আসে সময়। বাঁধাধরা ভ্রমণের শেষ দিন চোখ জুড়িয়ে দেয় সাগরের প্রসন্নতা। বালু ও ফেনার কোলাহলে এক জলরেখা যেন ডাক দিয়ে বলে:
‘তুমি ইংরেজি লেখা নিয়ে
বাংলায় কি আমার সঙ্গে খেলবে’।
![]() |
| উত্তর আমেরিকা কবিতা সম্মেলনে কবিতাপাঠ। মঞ্চে বসে আছেন লেখকসহ অন্য অতিথিরা। ছবি: সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পেটের চর্বি কমানোর ব্যায়াম by উম্মে শায়লা রুমকি

*তারপর ৩০ সেকেন্ড দৌড়ানো।
*তারপর আবার ১ মিনিট জগিং।
*৩০ সেকেন্ড দৌড়ানো।
*এভাবে ৫ মিনিট।
পেটে চর্বি জমা বা ভুঁড়ি বাড়ার সমস্যা নিয়ে বিব্রত অনেকেই। শুধু তা-ই নয়, পেটে চর্বি জমা সরাসরি হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কোলন ক্যানসার ইত্যাদির সঙ্গে জড়িত। শরীরের মধ্যভাগে চর্বি বেশি থাকলে বলা হয় ‘আপেল’ শেপের বডি, যা অতিরিক্ত বিএমআইয়ের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর। পেটের চর্বি মূলত ভিসেরাল ফ্যাট। এ থেকে বিপাকক্রিয়ায় নানা জটিলতা ঘটে, রক্তনালিতে ও যকৃতে চর্বি জমে, ইনসুলিন রেসিসট্যান্স হয়।
কীভাবে বুঝবেন?
পাঁজরের খাঁচার নিচ থেকে হিপবোন বা কোমরের হাড় পর্যন্ত এলাকার ঠিক মধ্যভাগ একটি ফিতা দিয়ে মাপুন। ফিতাটা সোজা করে ধরে জোরে শ্বাস ছেড়ে দিয়ে মাপবেন। নারীদের ৮০ সেন্টিমিটার ও পুরুষদের ৮০ সেন্টিমিটারের ওপর মাপ হলে বুঝতে হবে আপনার পেটে মেদ আছে।
কী করবেন
পেটের চর্বি বা ভুঁড়ি কমানোর জন্য খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি ব্যায়ামও দরকার। আসুন জেনে নিই কীভাবে এটা কমানো যায়।
মিষ্টি ও মিষ্টিজাতীয় খাবার, উচ্চ শর্করাযুক্ত খাবার বাদ দিন, যেমন কোমল পানীয়, চিনিযুক্ত খাবার, কেক পেস্ট্রি, চকোলেট ইত্যাদি।
আমিষজাতীয় খাবার, আঁশযুক্ত খাবার বেশি করে খান। সবুজ শাকসবজি, তাজা ফলমূল খেতে হবে বেশি করে।
কায়িক পরিশ্রমের পরিমাণ বাড়ান। নিয়মিত হাঁটুন। এ ছাড়া পেটের চর্বি কমানোর জন্য নির্দিষ্ট কিছু ব্যায়াম করতে পারেন।
পেটের ব্যায়াম
ব্রিস্ক ওয়াকিং: প্রথমে ধীরে ধীরে এক মিনিট হাঁটুন, তারপর গতি বাড়িয়ে জোরে ৩০ সেকেন্ড হাঁটুন। আবার ধীরে এক মিনিট হাঁটুন, আবার জোরে ৩০ সেকেন্ড। এভাবে ৫ থেকে ১০ মিনিট।
জগিং: প্রথমে এক মিনিট জগিং, তারপর ৩০ সেকেন্ড দৌড়ানো, তারপর আবার এক মিনিট জগিং ও ৩০ সেকেন্ড দৌড়ানো। এভাবে ৫ মিনিট।
ক্রাঞ্চ: মাদুর বা ম্যাটে চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। এবার হাঁটু ভাঁজ করে বুকের কাছে আনতে চেষ্টা করুন। একই সঙ্গে মাথার পেছনে হাত দিয়ে শরীরটাকে উঠিয়ে হাঁটুর কাছাকাছি নিয়ে যান। হাঁটু মাথা একসঙ্গে আনার সময় শ্বাস নেবেন, আগের অবস্থানে ফিরে যাওয়ার সময় শ্বাস ছেড়ে দেবেন। দিনে দুবেলা ১০ থেকে ২০ বার করুন।
৯০ ডিগ্রি পা: ম্যাটের ওপর চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন, হাতের তালু ম্যাটের ওপর থাকবে। এবার পা দুটো জোড়া করে নব্বই ডিগ্রি ওপরে উঠিয়ে দিন। ১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। পা সোজা রেখে হাঁটু ভাঁজ না করে নামিয়ে আনুন। ১০ থেকে ২০ বার করুন।
ফ্লাটার কিক: ম্যাটে চিত হয়ে শুয়ে হাত দুটো হিপের নিচে রাখুন। এবার মাথা, কাঁধ ও পা ম্যাট থেকে ধীরে ধীরে ওপরের দিকে ওঠান। এই অবস্থায় দ্রুত পা দুটো ওঠানামা করুন। ৫ থেকে ১০ বার।
পেটের স্ট্রেচিং: চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। দুই হাত সোজা করে মাথার পেছনে নিয়ে যান টানটান করে। একই সঙ্গে পায়ের পাতা টানটান করে মেঝে ছুঁতে চেষ্টা করুন। পেটের পেশিতে টান অনুভব করবেন এতে। এভাবে ৫ থেকে ১০ মিনিট থাকবেন। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে।
লেখক: উম্মে শায়লা রুমকি: ফিজিওথেরাপি পরামর্শক, পিটিআরসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিয়ন্ত্রণহীন এবং সর্বগ্রাসী: ডিজিটাল যুগের মোহ কেমন?
![]() |
| আমি জানি যে, কে আপনার নতুন সঙ্গী |
বিপরীতমুখী ঈর্ষা
সাইবার নজরদারি বা সাইবার স্টকিং
সাইবার স্টকিং বেশ সহজ কারণ এতে আপনার সামনে আসার ভয় থাকে না
আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণ তথ্য রয়েছে আমাদের হাতে
"নিজের ক্ষতি করার অত্যন্ত সূক্ষ্ম মাধ্যম"
এ ধরণের সমস্যায় করনীয় কি?
![]() |
| সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কে আপনাকে অনুসরণ করছে তা কি আপনি জানেন? |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পৃথিবী থেকে হারিয়ে গেছে ৬০০ প্রজাতির গাছ
বিজ্ঞানীরা বলছেন, সাধারণ ধারণার চেয়ে ৫০০ গুণ দ্রুতগতিতে গাছ বিলুপ্তির ঘটনা ঘটছে। কিন্তু বিষয়টি সেভাবে মনোযোগ পাচ্ছে না। একটি শতকে বিলুপ্ত হওয়া পশুপাখির সম্পর্কে হয়তো মানুষ মোটাদাগে একটি ধারণা রাখে। কিন্তু গাছের ক্ষেত্রে তেমনটি ঘটে না। অনেকেই বলতে পারবে না, কোন গাছটি এখন আর দেখা যায় না।
জাতিসংঘ গত মাসে এ-সম্পর্কিত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে বলা হয়েছিল, বর্তমানে সব ধরনের প্রাণ মিলিয়ে বিশ্বের প্রায় ১০ লাখ প্রজাতি বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। এ অবস্থায় বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক এ প্রতিবেদন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
গবেষকদের বরাত দিয়ে বিবিসি বলছে, বৃক্ষ প্রজাতির এ বিলুপ্তির তথ্য ভবিষ্যৎ বিলুপ্তি ঠেকাতে বড় ধরনের সহযোগিতা করতে পারে। এ বিষয়ে স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এলিস হামফ্রিস বলেন, ‘কোন কোন উদ্ভিদ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়েছে, তার সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরির লক্ষ্যে এটিই প্রথম পরিচালিত কোনো গবেষণা। শুধু তা-ই নয়, এ গবেষণায় প্রজাতিগুলোকে নির্দিষ্ট করার পাশাপাশি বিলুপ্তির স্থান ও কতটা দ্রুত তারা বিলুপ্ত হয়েছে, তারও সুনির্দিষ্ট তথ্য উঠে এসেছে।’
গবেষণার তথ্যমতে, এই বিলুপ্তির অধিকাংশই ঘটেছে দ্বীপাঞ্চল ও গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে। এ দুটি অঞ্চলই বড় বড় গাছের আবাস। বিশেষত কাঠ হয়, এমন গাছের সংখ্যা এসব অঞ্চলেই বেশি। আবার বৈচিত্র্যের দিক থেকেও এ দুই অঞ্চলই এগিয়ে রয়েছে।
যুক্তরাজ্যের রয়্যাল বোটানিক গার্ডেনস, কিউ ও স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা মিলে এ গবেষণা করেন। তাঁরা দেখেন, গত আড়াই শ বছরে পৃথিবী থেকে ৫৭১ প্রজাতির উদ্ভিদ হারিয়ে গেছে। একই সময়ে পশু, পাখি ও সরীসৃপ মিলে বিলুপ্ত প্রজাতির সংখ্যা ২১৭। এ-সম্পর্কিত গবেষণা নিবন্ধটি ‘নেচার ইকোলজি অ্যান্ড ইভোলিউশন’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষকেরা বলছেন, এই বিলুপ্তির পেছনে মানুষ অনেকাংশে দায়ী। প্রাকৃতিকভাবে প্রজাতি বিলুপ্তির গতি শুধু মানুষের উপস্থিতির কারণেই বেড়ে গেছে ৫০০ গুণ। উদাহরণ হিসেবে বলছেন, দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলি থেকে চন্দনগাছ হারিয়ে গেছে শুধু প্রসাধনকাজে অতিমাত্রায় ব্যবহারের কারণে। তাঁদের মতে, এমনকি বিলুপ্ত উদ্ভিদের যে সংখ্যা উঠে এসেছে, তাও বর্তমান বিলুপ্তির গতি বোঝার জন্য যথেষ্ট নয়। কারণ, বর্তমানে মানুষের প্রকৃতি-ধ্বংসী কাজ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেড়ে গেছে। তবে আশার কথাও আছে। এমন অনেক প্রজাতিরই সন্ধান পাওয়া গেছে, যা বিলুপ্ত বলে ধরে নেওয়া হয়েছিল।
এমনিতে ৫৭১টি উদ্ভিদের বিলুপ্তি হওয়াটাকে একটি সংখ্যা মনে হতে পারে। কিন্তু আদতে এর সঙ্গে পুরো পৃথিবীর অন্য প্রাণগুলোও জড়িয়ে আছে বাস্তুসংস্থানের কারণেই। কারণ এখনো এই গাছই অক্সিজেন ও খাদ্যের জোগানদাতা। ফলে উদ্ভিদের বিলুপ্তি অন্য প্রাণীর বিলুপ্তি ত্বরান্বিত হওয়ার কারণ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
গবেষণাটির সহগবেষক রয়্যাল বোটানিক গার্ডেনস, কিউ-এর ড. ইমিয়ার নিক লুগাধা বিবিসিকে বলেন, ‘উদ্ভিদের বিলুপ্তি সব প্রজাতির জন্য একটি বড় দুঃসংবাদ। কোটি কোটি প্রজাতি এই উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল। এর মধ্যে মানুষও রয়েছে। তাই কোন অঞ্চল থেকে কোন প্রজাতি আমরা হারাচ্ছি, তা জানা থাকাটা জরুরি। বিশেষত বিপন্ন ও মহাবিপন্ন প্রজাতিগুলো রক্ষায় তাহলে আমরা কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারব। এটি একই সঙ্গে এদের ওপর নির্ভরশীল অন্য প্রজাতিগুলোকেও বাঁচিয়ে দেবে।’
উদ্ভিদ প্রজাতির বিলুপ্তি ঠেকাতে বেশ কিছু প্রস্তাব রেখেছেন গবেষকেরা। এর মধ্যে রয়েছে, পৃথিবীর সব উদ্ভিদ প্রজাতির নিবন্ধন, উদ্ভিদের নমুনা সংরক্ষণের ব্যবস্থা জোরদার, উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের সার্বিক সহযোগিতা এবং অবশ্যই স্থানীয় উদ্ভিদের সঙ্গে শিশুদের পরিচয় ঘটানোর কাজটি করা।
![]() |
| গত আড়াই শ বছরে পৃথিবী থেকে হারিয়ে গেছে ৫৭১টি প্রজাতি। প্রতীকী ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দক্ষিণ এশিয়ার ঐতিহ্যবাহী ঘাসের মাদুর by ড. রেঅপামুদ্রা মৈত্র বাজপাই

বাংলার হস্তশিল্পের গুরুত্ব সম্পর্কে তিনি লিখেছেন যে এই অঞ্চলের লোকজ শিল্প সাধারণ কৃষকদের আনাড়ি হাতের শিল্প নয়, বরং তা প্রতিটি ব্যক্তির সামাজিক মাত্রার মধ্যে তার শিক্ষা ও অবস্থানের মাত্রার বহিঃপ্রকাশ। আর কারিগর ও তাদের পৃষ্ঠপোষকেরা ভিন্ন কেউ নন, বরং একই সাংস্কৃতিক ধারার অংশবিশেষ।
হস্তশিল্পের সাথে জড়িতরা কোনো ভৌগোলিক আয়তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তাদের উপস্থিতি অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত। আর এই শিল্প বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগসূত্র সৃষ্টি করে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মও শিল্পীদের মধ্যে সংযোগ সাধনের কাজ করে। এ ধরনের একটি প্লাটফর্ম হলো ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ প্লাটফর্ম।

গত ৬ ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার জেজু আইল্যান্ডে এর দ্বাদশ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইন্টারগভার্নমেন্টাল কমিটি অব ইউনেস্কো বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী শীতল পাটিকে ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ (আইসিএইচ) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে। শিল্পপ্রেমীদের কাছে এটি একটি বিরাট মুহূর্ত।
শীতল পার্টির অন্তর্ভূক্তির ফলে তালিকায় বাংলাদেশের পণ্যসংখ্যা দাঁড়াল চারে। অন্যগুলো হলো পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬), জামদানি শাড়িতে ঐতিহ্যবাহী নক্সা (২০১৩) ও বাউল সঙ্গীত (২০০৮)।
শীতল পাটি বোনা হয় বেত-জাতীয় গাছের আঁশ থেকে। এই গাছটি মোস্তাক, পাটিপাতা, পাটিবেত ও পৈতারা। এই গাছটি সিলেট, সুনামগঞ্জ, বরিশাল, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনি, চট্টগ্রামে জন্মায়।
শীতল পাটি সত্যিকার অর্থেই একটি বিরাট শিল্পকর্ম। এই কাজে নারীরা বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এই শিল্পের সাথে জড়িতরা তাদের অঞ্চলের নক্সা ও মটিফকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।

আফগানিস্তান পরিচিত তার চমৎকার ছোট গালিচা ও কার্পেটের জন্য। বিশেষ করে দক্ষিণ আফগানিস্তানে উষ্ণ জলবায়ু এই শিল্পের জন্য বিশেষ ভূমিকা পালন করছে।
পার্বত্যপূর্ণ ভুটানে বাঁশ হস্তশিল্পের জন্য প্রধান কাঁচামাল। মধ্য ও পশ্চিম ভুটানে জন্ম নেয়া ছোট বাঁশ ব্যবহৃত হয় ম্যাট, বেড়া বা ছাদ দেয়ার কাছে।
ভারতে শুকনা ঘাস, বেত ও বাঁশের মাদুর-বোনা বেশ জনপ্রিয়। মেঘালয়ে বাঁশের স্লিপিং ম্যাটের বেশ কদর রয়েছে। ত্রিপুরার চাটাই পর্যটকদের মধ্যেও চাহিদা রয়েছে।
শীতল পাটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরাতেও পৌঁছে গেছে। কড়া/কড়াই নদীর তীরে জন্মানো ঘাস দিয়েও একই ধরনের পাটি বোনা হয় অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু ও কর্নাটকে। কেরালায় পাট দিয়ে বানানো কার্পেট বেশ জনপ্রিয়।
মালদ্বীপে একসময় থুনদুকুনা ম্যাট রাজকীয় উপহার হিসেবে পরিচিত ছিল। মালদ্বীপের সুলতানেরা ডাচ ও ব্রিটিশ গভর্নরদের এ ধরনের মূল্যবান উপহার দিতেন। নারীরাই এই ম্যাট তৈরির সাথে জড়িত ছিল। বর্তমানে দাধধু দ্বীপেই মূলত এসব ম্যাট তৈরি হয়। তবে যে নলখাগড়া দিয়ে এসব ম্যাট তৈরি হয় সেগুলো পাওয়া যায় ফিয়োরি দ্বীপে।

নেপালে খড় থেকে ম্যাট বানানো হয়। স্থানীয়রা একে বলে গুনদ্রি। একসময় নারীরাই জড়িত ছিল এই শিল্পে। এখন পুরুষেরাও হাত লাগিয়েছে। নভেম্বর-ডিসেম্বরে ধান কাটা হয় সেখানে। তারপর খড় সংগ্রহ করে মাঘ ও ফাগুন মাসে বোনা হয় এসব ম্যাট। তাদের কাজ দেখে মনে হয় খুব সহজ। কিন্তু করতে গেলে টের পাওয়া যায়, কত দক্ষতার প্রয়োজন এতে।
পাকিস্তানের নদীগুলোর ধারে এক ধরনের নরম ঘাস জন্মায়। এগুলো জায়নামাজ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। নারী-পুরুষ সবাই ঘাসের জায়নামাজ তৈরির সাথে জড়িত।
শ্রীলঙ্কায় নলখাগড়া থেকে তৈরি করা হয় জটিল ম্যাট। এসব ম্যাট মেঝ ঢাকতে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। নানা ফুল-পাখির নক্সা আঁকা থাকে এসব ম্যাটে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1353)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
November
(177)
-
▼
Nov 21
(11)
- রুয়ান্ডা গণহত্যা: ১০০ দিনে ৮ লাখ মানুষ হত্যা
- লিবিয়ার নতুন ‘গাদ্দাফি’ খলিফা হাফতার
- জনগণ কেন শাস্তি পাবে? by সাজেদুল হক ও মোহাম্মদ ওমর...
- একেই বলে গণতন্ত্র by মোহাম্মদ আবুল হোসেন
- কিউই ফলের বীজ থেকে চারা পাবেন যেভাবে
- যৌনতা কমছে দেশে দেশে
- সুবর্ণবন্দরের খোঁজে by হাবীবুল্লাহ সিরাজী
- পেটের চর্বি কমানোর ব্যায়াম by উম্মে শায়লা রুমকি
- নিয়ন্ত্রণহীন এবং সর্বগ্রাসী: ডিজিটাল যুগের মোহ কেমন?
- পৃথিবী থেকে হারিয়ে গেছে ৬০০ প্রজাতির গাছ
- দক্ষিণ এশিয়ার ঐতিহ্যবাহী ঘাসের মাদুর by ড. রেঅপামু...
-
▼
Nov 21
(11)
-
▼
November
(177)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...




