Wednesday, March 5, 2014

ঘুষ দিলে কাজ মেলে যেখানে by সালমান ফরিদ

সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোতে অনিয়মই এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন ‘ইওআই প্রজেক্ট’-এ কোন কাজ বড় অংকের অর্থলেনদেন ছাড়া হয় না। সর্বশেষ পরিচালক নিয়োগে মানা হয়নি সরকারি নিয়ম- এমন অভিযোগ এখন প্রতিষ্ঠানের দিকে।

‘তিস্তা চুক্তি কঠিন’ শেখ হাসিনাকে মনমোহন সিং

তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি কঠিন’ বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তিনি বলেছেন, ইস্যুটি কঠিন হলেও ভারত তা সমাধানের চেষ্টা করছে।

কান্না থামছে না ওদের by মামুনুর রশিদ

কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ওয়াসিম ও সংগ্রামের পরিবারে কান্না থামছে না। তাদের মৃত্যু নিয়েও সৃষ্টি হয়েছে রহস্য। নিহতদের পরিবার ও র‌্যাবের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। র‌্যাবের পক্ষ থেকে যে অপহরণের কথা বলা হয়েছে তা নিয়ে ওই  এলাকায়ই রয়েছে নানা আলোচনা। যে তারকে অপহরণের কথা বলা হয়েছে, ওই আখতার সেতুর টোল আদায় কাজে জড়িত ছিলেন ওয়াসিমের অধীনে।

সাপের পেটে কুমির

সাপের পেটে কুমির
বিশালাকার এক সাপ ও কুমিরের মধ্যে পানিতে দীর্ঘক্ষণ ধরে প্রাণপণ লড়াই হলো। পানিতে হলেও পারল না কুমির। লড়াইয়ের একপর্যায়ে মৃত্যু হলো তার। এরপর পানি থেকে তুলে এনে স্থানীয় মানুষকে অবাক করে দিয়ে পুরো কুমিরটি সাবাড় করে ফেলল সাপটি। গত রোববার অস্ট্রেলিয়ায় ঘটে বিরল এ ঘটনা। কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের খনিশহর মাউন্ট আইসা-সংলগ্ন জলাশয় লেক মুনডারা। প্রত্যক্ষদর্শী ট্র্যাভিস কর্লিস বলেন, প্রায় ১০ ফুট লম্বা সাপটি ছিল সম্ভবত অজগর। এটিকে বেশ শক্তিশালী দেখাচ্ছিল। আর হতভাগ্য কুমিরটি ছিল লম্বায় প্রায় তিন ফুট। পানিতে তাদের মধ্যে তুমুল লড়াই হয়। পরে কুমিরটিকে পেঁচিয়ে গিলে নেয় সাপটি। কর্লিসের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েক ঘণ্টা ধরে লড়াই চলার পর কুমিরটিকে তীরে টেনে নিয়ে ছেড়ে দেয় সাপটি। ততক্ষণে কুমিরটির মৃত্যু হয়। তারপর প্রাণীটিকে পুরোপুরি গিলে খেতে সাপটি ১০ মিনিট সময় নেয়।
কর্লিসের স্ত্রী টিফানি বলেন, সাপ ও কুমিরের লড়াইটি ছিল ‘এককথায় অবিশ্বাস্য’। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, সাপ হয়তো নিজের চেয়ে বড় আকারের কোনো কিছু গিলতে পারে না। কুমিরটিকে গ্রাস করার পর সেটির পা, মাথা ও দাঁড়া থেকে শুরু করে গোটা আকৃতি সাপটির পেটের ত্বক ভেদ করে ফুটে উঠেছিল। কুমিরটি বাঁচার জন্য অনেক চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত হাল ছেড়ে দেয়। কর্লিস বলেন, লেক মুনডারায় সাপ ও কুমির পাশাপাশি বসবাস করলেও তিনি আগে কখনো এ রকম লড়াই দেখেননি। বেশ কিছুদিন ধরে অনাবৃষ্টির কারণে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় হয়তো ঘটনাটি চোখে পড়েছে। এএফপি।

আদালতে আত্মঘাতী বোমা গুলি, বিচারকসহ নিহত ১১

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে গতকাল সোমবার আদালতে আত্মঘাতী বোমা হামলা ও গুলিতে একজন বিচারকসহ অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। এই হামলার দায়দায়িত্ব কেউ স্বীকার করেনি। তেহরিক ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্তার কথা অস্বীকার করেছে। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, কোনো জঙ্গিগোষ্ঠী এই সন্ত্রাসী হামলা চালাতে পারে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজন আইনজীবী আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশ সকালে একজন আসামিকে ইসলামাবাদের এফ-৮ এলাকার আদালত প্রাঙ্গণে নিয়ে আসে। তাঁকে বিচারকের কক্ষের দিকে নেওয়ার সময় সহযোগীরা পুলিশের হাত থেকে তাঁকে মুক্ত করার চেষ্টা করেন। ঠিক তখনই পর পর দুটি ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে।
এর মধ্যে বিচারকের কক্ষের খুবই কাছে একটি বিস্ফোরণ ঘটে। ওই সময় কয়েকজন ব্যক্তি বিচারক রাফাকাত আওয়ানের কক্ষে ঢুকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। এতে বিচারক ঘটনাস্থলেই নিহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণ ও গুলির সময় আতঙ্কে বিচারক, আইনজীবী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিচারপ্রার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা দিগিবদিক ছোটাছুটি করতে থাকেন। কিছুক্ষণের মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ ও বিশেষ বাহিনী আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। পরে হতাহতদের উদ্ধার করে আশপাশের হাসপাতালে নেওয়া হয়। আদালত প্রাঙ্গণ থেকে আত্মঘাতী হামলাকারীর মাথা ও পা উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তের জন্য সেগুলো সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, কিছু ভবনের দেয়াল ভেঙে গেছে, জানালা উড়ে গেছে। রক্তাক্ত অবস্থায় আহত ব্যক্তিরা চিৎকার করছেন। ভয়াবহ এই হামলার পর ইসলামাবাদের সব হাসপাতালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। রাজধানীজুড়ে লাল সতর্কতা জারি করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। ওই এলাকার বেশ কয়েকটি বিদ্যালয় তাৎক্ষণিক ছুটি ঘোষণা করা হয়। ইসলামাবাদের পুলিশপ্রধান সিকান্দার হায়াত বলেন, আদালত প্রাঙ্গণে দুটি আত্মঘাতী হামলা ও গুলির ঘটনায় ১১ জন নিহত হয়েছেন। ডন, বিবিসি ও এএফপি।

ক্রিমিয়া ছাড়তে রাশিয়ার চরমপত্র

ইউক্রেনের ক্রিমিয়া উপদ্বীপে অবস্থানরত দেশটির সেনাদের আত্মসমর্পণ করতে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে রাশিয়া। এ চরমপত্র অনুযায়ী গ্রিনিচ মান সময় গতকাল সোমবার দিবাগত রাত তিনটার (বাংলাদেশ সময় আজ মঙ্গলবার সকাল নয়টা) মধ্যে এ বাহিনীকে আত্মসমর্পণ করতে হবে, না হলে হামলার মুখোমুখি হতে হবে বলে হুঁশিয়ার করে দেওয়া হয়েছে। এদিকে এই আলটিমেটামের আগে পাশ্চাত্যের কড়া হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও উপদ্বীপটিতে সামরিক নিয়ন্ত্রণ আরও সংহত করেছে রাশিয়া। হাজার হাজার রুশ সেনাসদস্য ক্রিমিয়ার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেওয়ার পর ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা সূত্রগুলো গতকাল জানায়, রাশিয়ার ব্লাক সি ফ্লিট বাহিনীর প্রধান আলেকজান্ডার ভিটকো সময়সীমা বেঁধে দিয়ে ‘ক্রিমিয়া অঞ্চলজুড়ে’ আক্রমণের ওই হুমকি দেন। এর আগে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেছিলেন, রাশিয়া ‘অতি-জাতীয়তাবাদী হুমকির’ জবাব দিয়ে চলেছে। এমন টান টান উত্তেজনার মধ্যে ইউক্রেন তার সামরিক বাহিনীকে আগ্রাসন মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি অধিকতর আন্তর্জাতিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছে দেশটি। মস্কো ‘ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন’ করায় বিশ্বের শিল্পোন্নত সাতটি দেশ নিন্দা জানিয়েছে।
তবে সের্গেই লাভরভ বলেছেন, তাঁরা ইউক্রেনে রুশ নাগরিক ও মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করছেন। সেখানকার ‘রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত’ রুশ সেনাদের অবস্থান জরুরি। ক্রিমিয়া এলাকায় রুশ তৎপরতা: ক্রিমিয়ায় অবস্থানরত সাংবাদিকেরা জানান, অঞ্চলটি এখন কার্যত রুশ বাহিনীর দখলে। তবে এ জন্য তাদের একটি গুলিও খরচ করতে হয়নি। ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের দুটি বড় সামরিক ঘাঁটি ঘিরে রেখেছে রুশ বাহিনী। বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ সব স্থাপনা তাদের নিয়ন্ত্রণে। রুশ সেনারা ক্রিমিয়ার সঙ্গে অন্যান্য এলাকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। নতুন করে রুশ অভিজাত বাহিনীর হাজার হাজার সদস্য ক্রিমিয়ায় পৌঁছার পর এখন তাঁদের সংখ্যা ইউক্রেনের সেনাদের চেয়ে বেশি।ইউক্রেনের সীমান্তরক্ষী বাহিনী খবর দিয়েছে, রাশিয়া ও ক্রিমিয়াকে বিভক্তকারী একটি চ্যানেলের রুশ অংশে সামরিক যানের একটি বহর প্রস্তুত হচ্ছে। রুশপন্থী সেনারা ক্রিমিয়ার পূর্ব এলাকায় একটি ফেরি টার্মিনালের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স-ইউক্রেন বলেছে, রুশপন্থী কিছু কর্মকর্তা ইতিমধ্যে ক্রিমিয়ার রাজধানী সিমফারপুলে ইউক্রেনের নৌ-সদর দপ্তরে ঢুকে নৌবাহিনীকে তাঁদের আনুগত্য স্বীকারের চেষ্টা করেছেন। তবে নৌ কমান্ডাররা গতকাল ইউক্রেনের প্রতি তাঁদের আনুগত্যের কথা নিশ্চিত করেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের তৎপরতা: ইউক্রেনের অন্তর্বর্তী সরকার রুশ সেনাদের ফিরে যেতে বাধ্য করতে অধিকতর আন্তর্জাতিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছে। সরকারের তরফে বলা হয়েছে, চলমান সংকট সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের আশা করলেও কিয়েভ এখন সামরিক বাহিনী সুসংহত করার দিকে জোর দিচ্ছে। ইউক্রেনজুড়ে পুরুষ নাগরিকদের কাছে সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ-সংক্রান্ত কাগজপত্র পাঠানো হচ্ছে, যাতে সোমবার থেকে ১০ দিনের প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। কূটনৈতিক তোড়জোড়: সংকট সমাধানের উপায় খুঁজে বের করতে জোরদার হয়েছে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও। এ ক্ষেত্রে কিছুটা আশার বাণী শুনিয়েছে জার্মানি। দেশটি জানায়, জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কথা হয়েছে। এ সময় পুতিন ইউক্রেন নিয়ে আলোচনার জন্য একটি প্রতিনিধিদল গঠনে রাজি হয়েছেন। পশ্চিমা দেশগুলোর জোট ন্যাটো জানায়, তারা ইউক্রেনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক পাঠাতে এবং মস্কোর সঙ্গে সরাসরি সংলাপে বসতে চায়। জাতিসংঘ গত রোববার জানায়, ‘বাস্তব অবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ’ করতে সংস্থার ডেপুটি মহাসচিব জান ইলিয়াসন ইউক্রেনে যাচ্ছেন। মহাসচিব বান কি মুন গতকাল রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগ বর্তমানে কিয়েভে আছেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরিও আজ মঙ্গলবার কিয়েভে যাচ্ছেন। এএফপি, রয়টার্স ও বিবিসি।

‘ছোট্ট রাজা’র সফর

‘ছোট্ট রাজা’ প্রিন্স জর্জ
ব্রিটিশ রাজসিংহাসনের তৃতীয় উত্তরাধিকারী ‘ছোট্ট রাজা’ প্রিন্স জর্জ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফরে যাচ্ছে। ব্রিটিশ রাজপ্রাসাদ সূত্র গত রোববার জানায়, ডিউক অব কেমব্রিজ প্রিন্স উইলিয়াম ও ডাচেস অব কেমব্রিজ কেট মিডলটন আগামী মাসে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফরে যাচ্ছেন। বাবা-মায়ের সঙ্গে ওই সফরে যাচ্ছেন প্রায় সাড়ে সাত মাস বয়সী প্রিন্স জর্জ। তাঁরা ৭-১৫ এপ্রিল নিউজিল্যান্ডে এবং ১৬-২৫ এপ্রিল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় থাকবেন। এএফপি।