Sunday, October 25, 2026
শহরের সেরা সুন্দরীর প্রেমে পড়া সেই ১২ বছরের কিশোর কেন সফল হয়নি
![]() |
| ‘ম্যালেনা’ সিনেমা দিয়ে ক্যারিয়ারে পা রাখেন জুসেপ্পে সালফারো। সিনেমাটি দিয়ে নবাগত অভিনেতা হিসেবে ইতালির গোল্ডেন গ্লোবে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পান। ছবি: আইএমডিবি |
Saturday, October 17, 2026
রোহিঙ্গা গ্রাম ধ্বংস করে রাখাইনে সেনাচৌকি!
তারা বলেছে, মিয়ানমার সরকার খুব পরিকল্পিতভাবে রোহিঙ্গাদের জমিজমা, সম্পত্তি নষ্ট করেছে। যদিও মিয়ানমার সেনার তরফে এই রিপোর্ট প্রসঙ্গে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। আইআইএমএম-এর রিপোর্টে আরও বলা হয়, সেনাঘাঁটি এবং সেনাশিবির বানানো হচ্ছে উত্তর রাখাইন প্রদেশে ইন দিনের গ্রামগুলিতে। নতুন করে রাস্তা, সেনার দফতর, হেলিপ্যাডও বানানো হচ্ছে। অনলাইন আনন্দবাজার পত্রিকা বলছে, রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে জাতিসংঘে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক রয়েছে নিউ ইয়র্কে। সেখানে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। তার আগেই এই রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ায় পরিস্থিতি পর্যালোচনার গতিমুখ কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়ে গেছে।
প্রসঙ্গত, মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধের কারণে লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশন (ওএইচসিএইচআর) এবং কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের (আরআরআরসি) দফতর সূত্রে জানা গেছে, উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে বর্তমানে নথিভুক্ত রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা সাড়ে ১২ লাখ।

Friday, October 9, 2026
গাজা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার আগে ও পরের কিছু চিত্র
ইসরাইলের হামলায় তিন বছরের যুদ্ধে গাজার চেনা শহর বদলে গেছে ধ্বংসস্তূপে। একসময় যে সড়কগুলো ছিল মানুষের চলাচল, কেনাকাটা ও আড্ডার জায়গা, সেখানে এখন ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনের সারি। উপকূলের জনপ্রিয় এলাকাগুলোতে গড়ে উঠেছে বাস্তুচ্যুত মানুষের তাঁবুর আশ্রয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মসজিদ, ঐতিহাসিক স্থাপনা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ক্রীড়াঙ্গন।
ফিলিস্তিনের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে উপত্যকাটির ৮০ শতাংশের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। এতে পুরো এলাকার পর এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর বড় অংশও।
প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গাজার সড়ক, বাজার, স্কুল, হাসপাতাল ও জনসমাগমের জায়গাগুলো ছিল মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। সেখানে মানুষ কাজ করতেন, পড়াশোনা করতেন, কেনাকাটা করতেন এবং পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতেন। শহরটির অনেক পরিচিত স্থাপনার সঙ্গে জড়িয়ে ছিল হাজার বছরের ইতিহাসও। বিভিন্ন সভ্যতার মিলনস্থল হিসেবে গড়ে ওঠা গাজার সেই ঐতিহ্য এখন যুদ্ধের আঘাতে বিপর্যস্ত।
জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকো ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজার ১৬৪টি সাংস্কৃতিক স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি যাচাই করেছে। এর মধ্যে ঐতিহাসিক বা শৈল্পিক গুরুত্বসম্পন্ন ১২৮টি ভবন, ১৪টি ধর্মীয় স্থাপনা, ৯টি স্মৃতিস্তম্ভ, ৮টি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, ২টি জাদুঘর এবং চলমান সাংস্কৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের ৩টি ভান্ডার রয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে গাজার সবচেয়ে পুরোনো মসজিদ গ্রেট ওমারি মসজিদ, ত্রয়োদশ শতকের মামলুক আমলের প্রাসাদ কাসর আল-বাশা, প্রাচীন সামারিটান গোসলখানা, আল-কিসারিয়া বাজার এবং সেন্ট পোরফিরিয়াস গির্জা কমপ্লেক্স। এসব স্থাপনার কোনোটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, কোনোটি আবার ব্যাপক ক্ষতি নিয়ে এখনো দাঁড়িয়ে আছে। ধ্বংসযজ্ঞে শুধু ভবন নয়, বদলে গেছে আশপাশের সড়ক ও পুরো মহল্লার চেহারাও।
গাজার এসব স্থাপনা ও জনপরিসরের ক্ষয়ক্ষতি তুলে ধরেছে আল-জাজিরার একটি আলোকচিত্র প্রতিবেদন। এতে পুরোনো ছবির সঙ্গে যুদ্ধের তিন বছর পর তোলা ছবি মিলিয়ে দেখানো হয়েছে, কীভাবে দীর্ঘদিনের বোমাবর্ষণ ও ধ্বংসযজ্ঞ শহরটির পরিচিত সড়ক, বাজার, ঐতিহাসিক স্থাপনা ও জনজীবনের জায়গাগুলোকে বদলে দিয়েছে।
চেনা স্থানের বদলে ধ্বংসস্তূপ






![]() |
| গাজার ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এর ফলে শহরের দৃশ্যপট বদলে গেছে এবং মুছে গেছে প্রজন্মের পর প্রজন্মের স্মৃতি। ছবি: আল-জাজিরা |
Friday, July 31, 2026
হামলায় গাজায় নিহতদের অর্ধেকই ‘নিরাপদ’ এলাকার (ছবি)
![]() |
| ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ঃ নিরাপদ বা বাফার জোন ঘোষণা দেয়া স্থানগুলোতেই নৃশংস হামলা চালাচ্ছে ইসরাইল। শনিবার গাজা উপত্যকাজুড়ে তাদের অব্যাহত হামলায় কমপক্ষে ৯২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে কেবল গাজা সিটিতেই কমপক্ষে ৪৫ জন মারা যান। সামরিক বাহিনী যখন বহুল সমালোচিত স্থল অভিযান তীব্রতর করছে, তখন এই হতাহতের ঘটনা ঘটল। এ খবর দিয়ে অনলাইন আল জাজিরা বলছে, গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস ইসরাইলকে অভিযুক্ত করেছে ফিলিস্তিনি জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য। ইসরাইল গাজা সিটি থেকে মধ্য ও দক্ষিণ অঞ্চলে সরিয়ে নেয়ার হুমকি দিয়ে এসব জায়গাকে ‘নিরাপদ মানবিক অঞ্চল’ হিসেবে প্রচার করলেও বাস্তবে সেই এলাকাগুলোকেই তারা হামলার লক্ষ্যবস্তু করছে। শনিবার এক বিবৃতিতে জানানো হয়, গাজা সিটি থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির সূচনার পর ১১ আগস্ট থেকে মধ্য ও দক্ষিণ গাজায় মোট ১৩৩টি হামলায় ১৯০৩ জন নিহত হয়েছেন। যা ওই সময়ের মোট মৃত্যুর প্রায় ৪৬ শতাংশ। অফিসটি জানায়, এ তথ্য প্রমাণ করে সাধারণ নাগরিকদেরই সরাসরি টার্গেট করা হচ্ছে। যদিও তাদের বলা হয়েছিল দক্ষিণে চলে যেতে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে তারা সতর্ক করেছে, নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তা মানে ইসরাইলকে আরও হত্যাযজ্ঞ চালানোর জন্য সবুজ সংকেত দেয়া। কেন্দ্রীয় গাজা থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ বলেন, শনিবার ভোর থেকে গাজা সিটিতে হামলা বেড়েছে এবং ক্রমাগত আহতদের আল-শিফা হাসপাতালে নেয়া হচ্ছিল। তিনি বলেন, কয়েক মিনিট আগেই নিশ্চিত করা হয়েছে একটি পরিবার গাড়িতে করে সরে যাওয়ার পথে ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। চারজন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। তিনি আরও জানান, শত শত মানুষ স্থানান্তরের চেষ্টা করছে। আর ড্রোন ও যুদ্ধবিমান এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় তাদের পিছু ধাওয়া করছে। গাজা সিটির কয়েকটি হাসপাতাল ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে ইসরাইলি হামলা তীব্র হওয়ার কারণে। প্রতিদিনই শহর দখল ও আরও বেশি মানুষকে উচ্ছেদের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। শনিবার সকালে ভারী বোমাবর্ষণের পর শহরের অন্যতম প্রধান হাসপাতাল জর্ডান ফিল্ড হাসপাতাল থেকে ১০৭ জন রোগী ও সব কর্মীকে সরিয়ে নিতে বাধ্য করা হয়। গাজার হাসপাতালগুলো দীর্ঘদিন ধরেই অব্যাহত হামলার কারণে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। অধিকাংশই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে চলছে- অ্যানেস্থেসিয়া, অ্যান্টিবায়োটিকের মতো প্রাথমিক ওষুধ পর্যন্ত নেই। ক্ষুধার্ত অবস্থায় ডাক্তাররা রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। মধ্য গাজার কিছু আংশিক কার্যকর হাসপাতাল এখন আহত ও অসুস্থ মানুষের ঢলে ভেঙে পড়েছে। অনেকেই উত্তর থেকে পালিয়ে এসে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছেন, কিন্তু যথাযথ চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। একজন বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি আল জাজিরাকে বলেন, উচ্ছেদের কারণে দক্ষিণের হাসপাতালগুলোতে পরিস্থিতি আরও খারাপ। এখন এক বিছানায় একজনের বদলে দুইজন রোগীকে রাখার চেষ্টা করছে চিকিৎসকরা। আল-আকসা হাসপাতালের ডাক্তার খালিল দিগরান বলেন, ইসরাইলি বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে আল-রানতিসি শিশু হাসপাতালকে টার্গেট করেছে- যা গাজার একমাত্র শিশু বিশেষায়িত হাসপাতাল। তিনি বলেন, গাজা সিটি ও উত্তরাঞ্চলে এখন কার্যত দুটি হাসপাতাল চলছে- আল-শিফা ও আল-আহলি। বাকি যে হাসপাতালগুলো মধ্য ও দক্ষিণ গাজায় আছে, সেগুলোতেও চাপ বাড়ছে এবং এগুলো পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে। |
Wednesday, March 18, 2026
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতি
![]() |
| ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে একটি স্থাপনায় আগুন ধরে যায়। ইসরায়েল, ১৩মার্চ। ছবি: রয়টার্স |
![]() |
| ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে একটি স্থাপনায় আগুন ধরে যায়। ইসরায়েল, ১৩মার্চ। ছবি: রয়টার্স |
![]() |
| ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে একটি স্থাপনায় ওপরে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। ইসরায়েল, ১৩মার্চ। ছবি: রয়টার্স |
![]() |
| ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে একটি স্থাপনায় ওপরে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। ইসরায়েল, ১৩মার্চ ছবি: রয়টার্স |
Sunday, March 8, 2026
ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৯৪
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানিয়েছে, গত সোমবার থেকে হামলায় ২৯৪ জন নিহত ও ১ হাজার ২৩ জন আহত হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
![]() |
| লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় শহর টায়ারে হামলার পরের দৃশ্য। লেবানন, ৭ মার্চ। ছবি: এএফপি |
Monday, March 2, 2026
সৌদি আরবের তেল শোধনাগারে ইরানের হামলার পরবর্তী পরিস্থিতি
![]() |
| সৌদি আরবের রাস তানুরা তেল শোধনাগারে ইরানের হামলার পর কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও থেকে নেওয়া। ছবি রয়টার্স |
![]() |
| সৌদি আরবের রাস তানুরা তেল শোধনাগারে ইরানের হামলার পর লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও থেকে নেওয়া। ছবি রয়টার্স |
![]() |
| সৌদি আরবের রাস তানুরা তেল শোধনাগারে ইরানের হামলা পর কালো ধোঁয়া। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও থেকে নেওয়া। ছবি রয়টার্স |
সৌদি আরবের রাস তানুরা তেল শোধনাগারে ইরানের হামলার পর ওই শোধনাগার বন্ধ করে দেয় রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকো।
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আল আরাবিয়া টিভিকে বলেছিলেন, রাস তানুরা শোধনাগার লক্ষ্য করে দুটি ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টার সময় প্রতিহত করা হয়। ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ থেকে এ সময় আগুন লেগে যায়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কেউ হতাহত হয়নি।
সূত্র: রয়টার্স
Sunday, March 1, 2026
হামলার মধ্যেই তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভ
এ সময় বিক্ষোভকারীদের হাতে ইরানের জাতীয় পতাকা দেখা যায়। কেউ কেউ দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছবি নিয়ে যোগ দেন বিক্ষোভে। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে নারী–শিশু উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়।



ইরানের রেডক্রিসেন্ট জানিয়েছে, দেশটির ৩২ প্রদেশের মধ্যে অন্তত ২০টিতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর মধ্যে শুধু দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ হরমোজগানে দুটি হামলায় ৭০ জন নিহত হয়েছে।
![]() |
| তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেয় ইরানিরা। ইরান, ২৮ ফেব্রুয়ারি। ছবি: রয়টার্স |
Monday, February 2, 2026
১০টি ছবিতে অজানা গ্রিনল্যান্ডকে চিনে নিন

মৌলিক তথ্য দিয়ে শুরু করা যাক। গ্রিনল্যান্ড পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপ। আয়তন প্রায় ২১ লাখ ৬০ হাজার বর্গকিলোমিটার। এর প্রায় ৮০ শতাংশই বরফে ঢাকা। তবে যে অংশে বরফ নেই, সেটার আয়তনও কম নয়, সুইডেনের কাছাকাছি। ২০১৭ সালের হিসাব অনুযায়ী, জনসংখ্যা মাত্র ৫৬ হাজারের মতো। তাই এটি বিশ্বের সবচেয়ে কম জনঘনত্বের জায়গাগুলোর একটি।

আজকের গ্রিনল্যান্ড বরফে মোড়া। তাহলে নামের মধ্যে ‘গ্রিন’ বা সবুজ এল কোথা থেকে? নামকরণের কৃতিত্ব ভাইকিং নেতা এরিক দ্য রেডের। আইসল্যান্ড থেকে নির্বাসিত হয়ে এসে তিনি জায়গাটির নাম দেন ‘গ্রিনল্যান্ড’; নতুন বসতি গড়তে মানুষকে আকৃষ্ট করার জন্যই মূলত নামটি দিয়েছিলেন। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রায় ২৫ লাখ বছর আগে গ্রিনল্যান্ড সত্যিই সবুজ ছিল। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, বরফের নিচে চাপা পড়ে আছে লাখ লাখ বছরের প্রাচীন মাটি।

গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্ক রাজ্যের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত দেশ। ভৌগোলিকভাবে এটি উত্তর আমেরিকার অংশ হলেও রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে ইউরোপের সঙ্গে যুক্ত প্রায় এক হাজার বছর ধরে। ১৭২১ সাল থেকে ডেনমার্ক এখানে উপনিবেশ স্থাপন করে। ১৯৫৩ সালে গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অংশ হয়। পরে ১৯৭৯ সালে পায় ‘হোম রুল’ এবং ২০০৯ সালে আরও বিস্তৃত ‘সেলফ রুল’। ধীরে ধীরে আরও বেশি দায়িত্ব নিজেদের হাতে নিচ্ছে গ্রিনল্যান্ড সরকার।

ইতিহাসবিদদের মতে, গ্রিনল্যান্ডে মানুষের বসতি শুরু হয় খ্রিষ্টপূর্ব ২৫০০ সালের দিকে। সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন জনগোষ্ঠী এখানে এসেছে, আবার হারিয়েও গেছে। দশম শতকে আইসল্যান্ড থেকে আসা নর্সরা দক্ষিণ গ্রিনল্যান্ডে বসতি গড়লেও ১৫ শতকের শেষ দিকে তারা বিলুপ্ত হয়। ১৩ শতকে এশিয়া থেকে আসা ইনুইটরা এখানে স্থায়ীভাবে বসতি গড়ে তোলে। আজকের গ্রিনল্যান্ডের ইনুইটরা তাঁদেরই সরাসরি বংশধর। অর্থাৎ গ্রিনল্যান্ডে মানুষের বসবাস সাড়ে চার হাজার বছরের বেশি সময় ধরে।

আজ গ্রিনল্যান্ডের প্রায় ৮৮ শতাংশ মানুষ ইনুইট, অধিকাংশই কালাল্লিত বা ডেনিশ-ইনুইট মিশ্র বংশোদ্ভূত। বাকি ১২ শতাংশ মূলত ইউরোপীয়, বেশির ভাগই ডেনিশ। একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, গ্রিনল্যান্ডবাসীরা ‘এস্কিমো’ শব্দটি পছন্দ করেন না। সঠিক নাম ইনুইট বা কালাল্লিত। ‘কালাল্লিত’ শব্দের অর্থই হলো গ্রিনল্যান্ডের মানুষ।

গ্রিনল্যান্ডে মানুষ সাধারণত গ্রিনল্যান্ডিক (কালাল্লিসুত) ও ডেনিশ—দুই ভাষাতেই কথা বলেন। ১৯৭৯ সালে স্বায়ত্তশাসন চালুর পর থেকেই এই দুটি ভাষা সরকারি কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন প্রজন্ম স্কুলে ইংরেজিও শেখে। মজার তথ্য হলো, ‘কায়াক’ আর ‘ইগলু’ শব্দ দুটি গ্রিনল্যান্ডিক ভাষা থেকেই বিশ্বের অন্য ভাষায় ছড়িয়ে গেছে।

এত বড় ভূখণ্ড, কিন্তু এক শহর থেকে আরেক শহরে যাওয়ার কোনো সড়ক বা রেললাইন নেই। শহরের ভেতরে কিছু রাস্তা থাকলেও সেসব শহরের সীমানা পেরোয় না। শহর থেকে শহরে যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করা হয় প্লেন, নৌকা, হেলিকপ্টার, স্নোমোবাইল বা কুকুরের টানা স্লেজ। গ্রীষ্মে নৌকাই সবচেয়ে জনপ্রিয় বাহন।

গ্রিনল্যান্ডের প্রধান আয়ের উৎস মৎস্যশিল্প। মাছ, সামুদ্রিক খাবার আর স্থানীয়ভাবে শিকার করা প্রাণী (যেমন তিমি ও সিল) ছাড়া প্রায় সবকিছুই আমদানি করতে হয়। অতিরিক্ত শিকার ঠেকাতে প্রতিটি অঞ্চলের জন্য নির্দিষ্ট কোটা আছে। নীল তিমির মতো কিছু প্রজাতি পুরোপুরি সুরক্ষিত। তিমি ও সিলের মাংস রপ্তানি করা যায় না, শুধু স্থানীয়ভাবেই খাওয়া হয়।

গ্রিনল্যান্ডের মোট জনসংখ্যার প্রায় চার ভাগের এক ভাগ বাস করে রাজধানী নুকে। আকারে ছোট হলেও শহরটি বেশ প্রাণবন্ত। এখানে আছে জাদুঘর, আধুনিক ক্যাফে, ফ্যাশন বুটিক। গ্রিনল্যান্ডকে বুঝতে চাইলে ঘুরে দেখা যায় ন্যাশনাল মিউজিয়াম, কাটুয়াক কালচারাল হাউস আর নুক আর্ট মিউজিয়াম। পাহাড় আর হিমবাহ দ্বারা গঠিত সমুদ্র খাঁড়ি বা বিশাল ফিয়র্ডে ঘেরা শহরটি প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্যও দারুণ।

গ্রিনল্যান্ডে প্রতিবছর ২৫ মে থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত সূর্য অস্ত যায় না। দিন-রাত মিলিয়ে সূর্য আকাশেই থাকে, এটাই ‘মিডনাইট সান’। বছরের সবচেয়ে বড় দিন ২১ জুন এখানে জাতীয় ছুটি। এ সময় মানুষজন রোদ পোহায়, প্রকৃতির মাঝে বারবিকিউ করে, সূর্য যেন তখন আর তাড়াহুড়া করে বিদায় নেয় না।
সূত্র: ভিজিট গ্রিনল্যান্ড
Monday, January 5, 2026
বান্দরবানে চিত্র প্রদর্শনী: পাল্লায় উঠেছে প্রাণ-প্রকৃতি, শিল্পীর তুলিতে বিপন্ন পাহাড় by বুদ্ধজ্যোতি চাকমা
বান্দরবান জেলা শহরের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটে (কেএসআই) খিং সাই মং মারমার একক চিত্র প্রদর্শনীর শেষ দিন ছিল গতকাল সোমবার। চার দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী শুরু হয় ১৯ ডিসেম্বর। ‘রোয়া-দ্ব’ নামের এই প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে শিল্পীর জলরং ও তেলরঙে আঁকা ২৭টি ছবি।
শিল্পী খিং সাই মং মারমা প্রতিটি ছবিতে বান্দরবানের প্রাকৃতিক ও জাতিতাত্ত্বিক বৈচিত্র্যের ছোঁয়া যেমন রয়েছে, তেমনি উঠে এসেছে হারানো সময়ের চালচিত্র। আদিবাসী ঐতিহ্যের শিকড়সন্ধানী শিল্পীর মনোভাবে পরিচয় মেলে প্রদর্শনীর নামকরণেও। ‘রোয়া-দ্ব’ নামে আয়োজিত এই প্রদর্শনী বান্দরবানের অতীতের কথা মনে পড়িয়ে দেয়। মারমা ভাষায় ‘রোয়া-দ্ব’ বলতে বান্দরবানকে বোঝায়। আরও পরিষ্কার করে বললে, ‘রোয়া-দ্ব’ হলো বোমাং সার্কেলের কেন্দ্রীয় গ্রাম বা রাজধানী।
শিল্পীর বেশ কয়েকটি ছবির শিরোনাম ‘অস্তিত্ব’। এই সিরিজের একটি ছবিতে দেখা যায়, কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল, কুকুরের পাশ ঘেঁষে বসে থাকা কয়েকটি পাহাড়ি শিশু শূন্যদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে উড়ন্ত পালকের দিকে। ছবিটি দর্শককে আচ্ছন্ন করে। আক্রান্ত করে। পাহাড়ের বাস্তবতা ও তার অনিশ্চয়তার দিকে টেনে নিয়ে যায়।
‘পাথর’ শিরোনামে একটি ছবিতে দেখা যায়, ঝিরি-ঝরনার পাথর দাঁড়িপাল্লায় তোলা হয়েছে, তার নিচে একটি কাঁকড়া। কোটি বছর ধরে বালুকণা জমে সৃষ্ট পাথর বিক্রি হচ্ছে, অপর দিকে এই পাথর যার আবাস, সেই কাঁকড়ার অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে উঠছে।
শিল্পী খিং সাই মং মারমার ছবিতে হাইপাররিয়েলিজম অর্থাৎ অতিবাস্তবতা আর পরাবাস্তবতার মেলবন্ধন ঘটেছে। ফটোগ্রাফির নিখুঁত ডিটেইল পাওয়া যায় তাঁর ছবিতে। একই সঙ্গে পরিপার্শ্বকে বদলে দেওয়া নতুন বাস্তবতাও আবিষ্কার করে দর্শক।
প্রকৃতিঘনিষ্ঠ ১১টি ক্ষুদ্র জাতিসত্তার জীবনের প্রতিচ্ছবি উঠে এসেছে খিং সাইয়ের ছবিতে। শিল্পী খিং সাই মং বলেন, তাঁর শৈল্পিক পথচলায় পাহাড়ের ভূমি, ভূমিপুত্র ও তাদের জীবনযাত্রা ভীষণভাবে প্রভাব ফেলেছে। ছবিগুলো সেই গভীর অনুভূতির প্রতিফলন। খিং সাইয়ের এটি প্রথম একক চিত্র প্রদর্শনী। ঢাকা চারুকলা ইনস্টিটিউটের সাবেক এই ছাত্র এর আগে দলগতভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে ১৫টি প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেছেন।
চিত্র প্রদর্শনীতে সহযোগিতা করেছেন সেনাবাহিনীর বান্দরবান ৬৯ পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম রাকিব ইবনে রেজওয়ান। সমাপনী অনুষ্ঠানে এস এম রাকিব ইবনে রেজওয়ান বলেন, শিল্পী খিং সাই মং মারমার এই প্রদর্শনী দেখে আরও অনেকে অনুপ্রাণিত হবেন। তাঁর ছবি ভবিষ্যতে পাহাড়কে আলোকিত করবে।
![]() |
| শিল্পী খিং সাই মং মারমার একক চিত্র প্রদর্শনীতে ছবি দেখছেন এক দর্শক। গত শুক্রবার বান্দরবানের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউটে। ছবি- মং হাই সিং মারমা |
Tuesday, December 30, 2025
শেখ হাসিনার আক্রোশে খালেদা জিয়া: বাড়ি থেকে উচ্ছেদ, বালুর ট্রাকের বেষ্টনী, কারাবন্দী
![]() |
| ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর গুলশানে নিজের বাসা ফিরোজায় অবরুদ্ধ করা হয়েছিল খালেদা জিয়াকে। ফাইল ছবি: প্রথম আলো |
Thursday, October 16, 2025
গাজা যুদ্ধ শেষঃ খান ইউনিসে পুনরায় চালু হয়েছে বাজার, তাজা খাবার কিনছেন গাজাবাসি
![]() |
| গাজাবাসীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে বেঁচে ফিরেছে, মাথা নত করেনি, আশা হারায়নি। ছবি: এএফপি |
ত্রাণ সরবরাহ বিলম্বের কথা ইসরাইল জানিয়েছে কিনা এ বিষয়ে জাতিসংঘের এক মুখপাত্র কে জিজ্ঞাসা করা হয়। ইসরাইল জাতিসংঘকে জানিয়েছে, তারা বুধবার থেকে ৩০০ ট্রাক ত্রাণ প্রবেশে অনুমতি দেবে। প্রথমে ওই সংখ্যা ছিলো ৬০০। আরও বলা হয়েছে, উপত্যকাটিতে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনো প্রকার গ্যাস বা জ্বালানি সরবরাহ করা হবে না। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হামাস ও ইসরাইলের মধ্যকার চুক্তি অনুযায়ী, হামাসকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জীবিত ও মৃত বাকি জিম্মিদের মুক্তি দেয়ার কথা ছিলো। গতকাল ২০ জন জীবিত জিম্মিকে মুক্তি দেয়া হলেও বাকি ২৮ জন মৃত জিম্মির মধ্যে মাত্র চারজনকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।
![]() |
| গাজার খান ইউনিস থেকে ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহারের পর ফিলিস্তিনিরা তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছে। দোকানগুলো পুনরায় চালু হয়েছে। |
![]() |
| সেখান থেকে তারা তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনছেন। ভাঙ্গাচোরা ভবনগুলোর মাঝেই সবজি, ফল ইত্যাদির দোকান বসানো হয়েছে। |
![]() |
| এতদিন গাজায় খাদ্য সরবরাহে বাধা দিয়ে এসেছে দখলদাররা। হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির ফলে ওই অবরোধ তুলে নেয়া হয়েছে। যার কারণে সাধারণ জনগণ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ক্রয় করতে পারছেন। |
![]() |
| যেন ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে মানুষ উঠে আসছে। যেন মৃতদেহ হঠাৎ পুনর্জীবন পেয়েছে। ছবি: এএফপি |
![]() |
| মানবতার এমন পুনর্জন্ম পৃথিবী কমই দেখেছে। মনে হলো, গাজা যেন কবর থেকে উঠে ঘোষণা দিচ্ছে—‘আমি বেঁচে উঠেছি আবারও!’ ছবি: এএফপি |
![]() |
| গাজার বিধ্বস্ত শহরগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করছে হামাস। গতকাল মঙ্গলবার সশস্ত্র গোষ্ঠীটি গাজায় অভিযানে নেমেছে। বিরোধীদের সহযোগিতা করেছে, এমন অভিযোগে কয়েকজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে তারা। এদিকে হামাস তাদের আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, চোখ বাঁধা ও মাটিতে হাঁটু গেড়ে থাকা আটজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে রাস্তায় গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে। হামাস ওই ব্যক্তিদের ‘বিরোধীদের সহযোগী ও অপরাধী’ বলে আখ্যা দিয়েছে। ভিডিও ফুটেজটি খুব সম্ভবত সোমবার সন্ধ্যার। এই ভিডিও থেকে বোঝা যাচ্ছে, যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর গাজার বিভিন্ন এলাকায় হামাসের বিভিন্ন নিরাপত্তা ইউনিট এবং অন্যান্য সশস্ত্র ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। গাজা নগরী থেকে ইসরায়েলি সেনাদের প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর গাজার উত্তরাঞ্চলে হামাস সরকারের কালো মুখোশধারী সশস্ত্র পুলিশ আবার রাস্তায় পাহারা দিতে শুরু করেছে। সোমবার যখন ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্ত হওয়া ফিলিস্তিনি বন্দীদের বাসে করে গাজায় আনা হয়, তখন হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জেদিন আল-কাসাম ব্রিগেডের যোদ্ধারা জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ করেছিল। এ ছাড়া হামাসের একটি নিরাপত্তা ইউনিট গাজায় অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠী ও অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে। হামাসের অভিযোগ, এসব সশস্ত্র গোষ্ঠীর কেউ কেউ ইসরায়েলের সমর্থন পেয়েছে। মোহাম্মদও নিজের পুরো নাম প্রকাশ করতে চাননি। তিনি বলেন, ‘আমরা তীব্র গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছি এবং নিরাপত্তা বাহিনী তাদের কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে। আমরা এটি সমর্থন করি।’ গাজার একটি নিরাপত্তা সূত্র এএফপিকে বলেছে, হামাসের একটি নিরাপত্তা ইউনিট গাজায় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে অভিযান পরিচালনা করছে। সম্প্রতি গঠিত এই ইউনিটের নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রতিরোধ বাহিনী’। ওই ব্যক্তি আরও বলেন, ‘আমাদের বার্তা একেবারে পরিষ্কার। যারা অপরাধী অথবা নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা হুমকি তৈরি করবে, গাজার মাটিতে তাদের কোনো স্থান নেই।’ |
Wednesday, September 17, 2025
গাজায় এবার স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল, নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চলছে
![]() |
| গাজা নগরী দখলের লক্ষ্যে স্থল আক্রমণের আগে ইসরায়েলি সেনারা কয়েক লাখ ফিলিস্তিনিকে শহর খালি করার নির্দেশ দেয়। ছবি: রয়টার্স। গাজায় ইসরায়েল জাতিগত নিধন চালাচ্ছে বলে জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার পর গাজা নগরীতে স্থল অভিযান শুরু করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ভোরে ইসরায়েলি দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জাতিসংঘ এই প্রথম বলেছে, গাজার ফিলিস্তিনিদের ওপর জাতিগত নিধন চালাচ্ছে ইসরায়েল। আজ মঙ্গলবার জাতিসংঘের একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন ৭২ পাতার একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গাজা নগরী দখল ও এর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার বিষয়ে একটি পরিকল্পনা গত মাসে ইসরায়েলের মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। দেশটির যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মন্ত্রিসভায় ওই পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন। গাজা নগরীকে হামাসের সর্বশেষ ঘাঁটি বলে বিবেচনা করে ইসরায়েল। হামাসকে পরাজিত করে গাজা নগরীর সম্পূর্ণ দখল নিতে এবার শহরের উপকণ্ঠে স্থল অভিযান শুরু হয়েছে ইসরায়েল, গত সপ্তাহ থেকে ইসরায়েলি বাহিনী সেখানে নির্বিচারে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়ে চালাচ্ছিল। তাদের হামলার প্রধান নিশানা গাজা নগরীর সুউচ্চ ভবনগুলো। ইহুদি রাষ্ট্রটির এক কর্মকর্তা বলেন, শুরুতে ধাপে ধাপে এবং পর্যায়ক্রমে স্থল অভিযান চলবে। |
![]() |
| ইসরায়েল ১৪ সেপ্টেম্বর বিমান হামলা চালিয়ে গাজা নগরীর একটি বহুতল ভবন গুঁড়িয়ে দেয়। গৃহহীন ফিলিস্তিনিরা ওই ভবনে আশ্রয় নিয়েছিল ছবি: রয়টার্স ইসরায়েলি মন্ত্রীর দম্ভোক্তি: গাজা জ্বলছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ মঙ্গলবার দম্ভোক্তি করে বলেন, ‘গাজা জ্বলছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) সন্ত্রাসী অবকাঠামোতে হামলা চালাচ্ছে এবং জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত ও হামাসকে পরাজিত করতে কাজ করছে।’ শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলো খালি করে ফেলার পর গাজা নগরীতে ইসরায়েলি বাহিনীর স্থল অভিযান শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত শহরের খুব কম এলাকা খালি করা সম্ভব হয়েছে। গত মাসে জাতিসংঘ সতর্ক করে দিয়ে বলেছিল, গাজা নগরীতে স্থল অভিযানের যে পরিকল্পনা ইসরায়েল করছে, তাতে সেখানে বসবাস করা ১০ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। গতকাল সোমবার একজন ইসরায়েলি সেনা কর্মকর্তা দাবি করেছিলেন, এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ২০ হাজার ফিলিস্তিনি গাজা নগরী থেকে পালিয়ে গেছেন। |
Thursday, September 4, 2025
গাজা পরিস্থিতি: অপুষ্টিতে ১ মাসে মৃত্যু ১৮৫
গতকাল গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, জাতিসংঘের বৈশ্বিক ক্ষুধা পর্যবেক্ষণ সংস্থা দ্য ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্ল্যাসিফিকেশন (আইপিসি) গত মাসের শেষ সপ্তাহে গাজার কিছু অংশে পূর্ণমাত্রার দুর্ভিক্ষ চলছে বলে ঘোষণা দেয়। এর পর থেকে এখন পর্যন্ত সেখানে ৮৩ জনেরও বেশি মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি শিশু।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, উপত্যকার পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় ৪৩ হাজার শিশু অপুষ্টিতে ভুগছে। ৫৫ হাজারেরও বেশি গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীও একই সমস্যায় আক্রান্ত। দুই-তৃতীয়াংশ গর্ভবতী নারী রক্তশূন্যতায় ভুগছেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েল সেখানে নৃশংস হামলা চালাচ্ছে। অবরুদ্ধ উপত্যকায় অপুষ্টিতে ৩৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১৩০টি শিশু। এই যুদ্ধে ইসরায়েল অন্তত ৬৩ হাজার ৬৩৩ জনকে হত্যা করেছে।
| অপুষ্টিতে ভোগা এক ফিলিস্তিনি শিশুর চিকিৎসা চলছে। গতকাল খান ইউনুসের নাসের হাসপাতালে। ছবি: রয়টার্স |
Wednesday, August 6, 2025
রেডক্রসের হুঁশিয়ারি: গাজায় জীবন রক্ষার সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে
![]() |
| গাজায় জীবন রক্ষার সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। এ সতর্কতা দিয়েছে রেড ক্রস কমিটি। তারা এক বিবৃতিতে ইসরাইল ও হামাসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেন তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছায়। এর ফলে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং গাজায় আটক বন্দিদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ করে দেবে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা। রেড ক্রসের বিবৃতিতে বলা হয়, তারা ওষুধ, খাদ্য এবং পরিবারগুলোর খবর বন্দিদের কাছে পৌঁছে দিতে প্রস্তুত। তবে এ কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পূর্বসম্মতি আবশ্যক। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শুধু একটি স্থায়ী চুক্তিই গাজায় আটক বন্দি ও তাদের পরিবারের দুঃখ-কষ্ট এবং গাজায় বেঁচে থাকার সংগ্রামে লিপ্ত লাখ লাখ মানুষের দুর্ভোগের অবসান ঘটাতে পারে। খাদ্য সংকট প্রতিদিন আরও তীব্র হচ্ছে। গাজায় বেসামরিক মানুষের অবিলম্বে ও ধারাবাহিকভাবে খাদ্য, নিরাপদ পানি, ওষুধ, স্বাস্থ্যবিধি ও মানবিক প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। রেড ক্রস আরও সতর্ক করে বলেছে, গাজায় জীবন বাঁচানোর জানালা দ্রুত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এখনই পদক্ষেপ নেয়ার সময়। |
Monday, July 14, 2025
জুলাইয়ের ভাইরাল এই ছবির পেছনের গল্প
দিনটা ১৯ জুলাই
সেদিন আমার সাপ্তাহিক ছুটি। কিন্তু সারা দেশ তখন উত্তাল। সকাল থেকেই খবর পাচ্ছিলাম, ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলনকারীরা জড়ো হতে শুরু করেছেন। একজন ফটোসাংবাদিক হয়ে এ সময় বাসায় বসে ছুটি কাটানোর কথা ভাবতেই পারি না। পরিবারের সদস্যরা অবশ্য মানতে পারছিলেন না। ছুটির দিনে বাসা থেকে বেরোতে হবে কেন? অনেক কষ্টে তাঁদের বুঝিয়ে-শুনিয়ে রাস্তায় নামি।
উত্তরার বিএনএস টাওয়ার পর্যন্ত পৌঁছাতে তিন জায়গায় পুলিশের চেকপোস্ট পেরোতে হলো। তবে যাওয়ার পুরো পথটাই ছিল ফাঁকা। নির্ধারিত জায়গায় পৌঁছে দেখলাম, আন্দোলনকারীরা তখনো সংখ্যায় কম। স্কয়ার টাওয়ারের সামনে দেখলাম, বিআরটিসির একটি বাসে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। ঝটপট কয়েকটা ক্লিক করলাম। চোখে পড়ল, পাশের বড় ভবনগুলোর সামনের কাচগুলো ভাঙা।
![]() |
| সড়ক বিভাজকের আড়ালে আশ্রয় নিয়েছেন দুজন। ছবি: খালেদ সরকার |
যেভাবে গুলি লাগল
একটু এগিয়ে আজমপুর। উল্টো দিকেই উত্তরা পূর্ব থানা। চারদিক থেকে থানার সামনে এসে জড়ো হয়েছেন আন্দোলনকারীরা। একপর্যায়ে তাঁরা থানা ঘেরাও করার প্রস্তুতি নিতে থাকেন। আমি তখন আজমপুর পদচারী-সেতুর ওপর থেকে ছবি তুলছি। এক সময় মনে হলো, এখান থেকে ভালো ছবি হবে না, নিচে নামতে হবে।
থানার উল্টো পাশে একটা মার্কেটের সিঁড়িতে অবস্থান নিলাম। হঠাৎই গুলি ছুড়তে শুরু করে পুলিশ। আমার তখন হিতাহিত ভাবার মতো অবস্থা নেই। একের পর ক্লিক করে যাচ্ছি। ছাত্র-জনতা যে যেদিকে পারছেন ছুটছেন। খেয়াল করলাম, সবাই সরে পড়লেও দুজন আটকা পড়েছেন (পরে জেনেছিলাম, তাঁদের একজনের নাম রায়হান মোল্লা)। আহত হয়ে সড়ক বিভাজকের আড়ালে কোনো রকম আশ্রয় নিয়েছিলেন তাঁরা। ওপাশে কী চলছে, দেখার উপায় তাঁদের ছিল না। পুলিশ গুলি ছুড়ছিল মূলত আমার চারপাশে থাকা আন্দোলনকারীদের দিকে। আটকে পড়া দুজনকে বাঁচাতে যে কেউ এগিয়ে যাবেন, সেই উপায়ও ছিল না।
![]() |
| চলছিল থানা ঘেরাও করার প্রস্তুতি। ছবি: খালেদ সরকার |
ক্যামেরায় একের পর এক আহত দুজনের ছবি তুলতে থাকি। হঠাৎই আমার হাতে এসে লাগে চারটি ছররা গুলি। রক্ত পড়তে শুরু করে। দুই হাতে ক্যামেরা ধরে রাখতে পারছিলাম না। এক হাতে ধরেই কয়েকটা ক্লিক করলাম।
হাতে রক্ত দেখে আর্জেন্টিনার জার্সি পরা এক শিক্ষার্থী দৌড়ে এলেন। দ্বিতীয়বার না ভেবেই জামা খুলে বেঁধে দিলেন আমার হাত। বললাম, ‘আপনার গায়ে তো কিছু থাকছে না।’ ‘কোনো সমস্যা নেই। ব্যবস্থা করে নেব,’ বললেন তিনি। ‘কাছেই আমার বাসা। আপনি আগে নিজের হাত সামলান।’
হুড়োহুড়ির মধ্যে সেই তরুণের নামটাও জানা হয়নি। তাঁর জার্সি এখনো আমার কাছেই রয়ে গেছে।
আরও একটি ছবির গল্প
সেদিনই তোলা আরও একটা ছবি পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোড়ন ফেলেছে। সেটার গল্পও বলি।
সকাল গড়িয়ে তখন দুপুর। জুমার নামাজের সময় সড়ক ছেড়ে দিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। এর মধ্যে আমিও একটু প্রাথমিক চিকিৎসা নিলাম। নামাজের পর আবার সবাই জড়ো হতে শুরু করেন। মুখোমুখি পুলিশ। বিকেলজুড়ে চলে কাঁদানে গ্যাসের শেল, সাউন্ড গ্রেনেড, রাবার বুলেট আর ছররা গুলির বৃষ্টি।
পুলিশের এত প্রতিরোধ সত্ত্বেও ছাত্র-জনতা সেদিন পিছপা হননি। বিকেলে একসময় চোখে পড়ল, লাল টি–শার্ট পরা আন্দোলনকারীদের একজন পুলিশের সঙ্গে কথা বলার জন্য হাত উঁচু করে এগিয়ে আসছেন। উল্টো দিক থেকে এগিয়ে আসেন পুলিশের দুই সদস্য। কাছাকাছি এসে কথা বলতে বলতেই আচমকা গুলি করে বসেন পুলিশের এক সদস্য।
![]() |
| পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে এসেছিলেন রাতুল। ছবি: খালেদ সরকার |
পরে জেনেছি, লাল টি–শার্ট পরা তরুণের নাম রাতুল। সেদিন গুরুতর আহত হয়েছিলেন তিনি।
সরকার–সমর্থকেরা সেদিন লাঠিসোঁটা, দেশি অস্ত্র, এমনকি প্রাণঘাতী অস্ত্র নিয়েও আন্দোলনকারীদের ওপর আক্রমণ করেন। তখনো হাতে জার্সি বাঁধা অবস্থায় ছবি তুলে যাচ্ছি। একজন আমাকে দেখে ফেলে আমার ওপর চড়াও হন। হাঁটুতে বেশ ব্যথা পাই। হাঁটতে পারছিলাম না। তখন ইন্টারনেট বন্ধ। বাসায় গিয়ে যে ছবি পাঠাব, সে উপায় নেই। একজন ফটোসাংবাদিকের সহায়তায় অফিসে এসে ছবি দিয়ে তারপর বাসায় ফিরি।
Saturday, June 21, 2025
ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ, ছবি
![]() |
| যুদ্ধের ভয়ে তেহরান ছেড়ে সীমান্ত পেরিয়ে তুরস্কে পৌঁছেছেন ৫৮ বছর বয়সী মোহরান আতেই ও তাঁর ২৭ বছর বয়সী কন্যা লিডা পোরমোমেন। ১৯ জুন। ছবি: এএফপি |
![]() |
| উত্তর-পূর্ব তুরস্কের রাজি-কাপিকোয় সীমান্ত পেরিয়ে অসংখ্য ইরানি তুরস্কে পৌঁছেছেন। ১৯ জুন। ছবি: এএফপি |
![]() |
| ইরানের রাজধানী তেহরানে ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিংয়ের (আইআরআইবি) ভবনে হামলা চালায় ইসরায়েল। ১৯ জুন। ছবি: এএফপি |
![]() |
| তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারে প্রায় সব দোকান বন্ধ হয়ে গেছে। ১৬ জুন। ছবি: এএফপি |
![]() |
| উত্তর-পূর্ব তুরস্কের রাজি-কাপিকোয় সীমান্ত পেরিয়ে তুরস্কে ঢোকার অপেক্ষায় ইরানি নাগরিকদের নিয়ে বাসের সারি। ১৯ জুন। ছবি: এএফপি |
![]() |
| সংঘাতের আতঙ্কে তেহরানের গ্র্যান্ড বাজার বন্ধ হয়ে গেছে। ১৬ জুন। ছবি: এএফপি |
![]() |
| ইরানের রাজধানী তেহরান ছাড়ছেন অনেক মানুষ। এ কারণে তেহরানের রাস্তায় তীব্র যানজট দেখা যাচ্ছে। ১৫ জুন। ছবি: এএফপি |
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
- ▼ 2026 (2388)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

































