Saturday, October 5, 2019
কলকাতার যে দুর্গাপূজা আয়োজনের উদ্যোক্তা মুসলমানেরাও by অমিতাভ ভট্টশালী

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অভিশপ্ত মাদক: যে কারণে ইউরোপ ও আমেরিকা ইসলামি ইরানের কাছে ঋণী

ইরানের মাদক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক দফতরের প্রধান ইস্কান্দার মোমেনি বলেছেন, "ইসলামি বিপ্লব বিজয়ের পর ইরান গত ৪০ বছর ধরে মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছে। ইরানের এ পদক্ষেপে অন্য দেশগুলো নিশ্চিন্ত রয়েছে। তিনি আরো বলেছেন, ইরান বিরোধী নিষেধাজ্ঞা এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, ইরানের একার পক্ষে এখন মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। কিন্তু এর অর্থ এটা নয় যে ইরান মাদক পাচারের রুটগুলো খোলা রাখবে। বরং দেশটি মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এ অবস্থায় মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে ইরানের এ কঠোর অবস্থানের গুরুত্ব কতখানি সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
বিশ্বে প্রধান তিনটি মাদক চোরাচালান রুটের অন্যতম হচ্ছে ইরান। আফগানিস্তান ও পাকিস্তান থেকে ভারত পর্যন্ত বিশাল এলাকা মাদক উৎপাদনের কেন্দ্র।
মাদক চোরাচালানের দ্বিতীয় পথ হচ্ছে ল্যাটিন আমেরিকা ও তৃতীয় পথ হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ো অঞ্চল। বিশ্বের এই তিন অঞ্চল মাদক উৎপাদন ও চোরাচালানের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। এই অঞ্চলগুলোতে মাদক উৎপাদনের পরিমাণ বছরে চার হাজার টনের বেশি যার সিংহভাগ ইরান হয়ে ইউরোপ ও আমেরিকায় পাচার হয়। তুরস্কের খ্যাতনামা বিশ্লেষক ও লেখক সুনের পুলাত এক নিবন্ধে লিখেছেন, ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনী আফগানিস্তান দখলের পর ওই দেশটির কৃষিভূমি মাদক উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, "আফগানিস্তানে মাদক চাষের পরিমাণ ৫০ গুণ বেড়েছে।"
আন্তর্জাতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বে উৎপাদিত হেরোইনের ৯৩ শতাংশ আসে আফগানিস্তানের তিন লাখ আট হাজার হেক্টর জমি থেকে।
বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ায় তৎপর উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হচ্ছে মাদক পাচার।
গত কয়েক শতাব্দি ধরে ইরান সরকার মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা নেয়ায় বিশ্বের দেশগুলো বিশেষ করে ইউরোপ ও আমেরিকা ইরানের কাছে ঋণী। কিন্তু তারপরও মাদক চোরাচালান রোধের জন্য ইরানকে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সহযোগিতা দিচ্ছে না উন্নত দেশগুলো। জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ মোকাবেলা বিষয়ক দফতরের প্রতিনিধি অ্যান্থনিও দালাইয়ু মনে করেন, "ইরানের ভৌগোলিক অবস্থান বিশ্বের অত্যন্ত স্পর্শকাতর জায়গায় রয়েছে। মাদক চোরাকারবারিদের জন্য ইরান গুরুত্বপূর্ণ রুট। তাই এ ক্ষেত্রে ইরানের বিরাট দায়িত্ব রয়েছে। তবে মাদকের বিরুদ্ধে ইরানের ভূমিকা ব্যাপক প্রশংসার যোগ্য।"
যাইহোক, যেসব দেশে মাদক উৎপাদন ও পাচার হয়ে থাকে সেসব দেশে সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করা যায়। এসব বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িতদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর প্রায়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ফলে প্রাণহানী ও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয় এসব দেশকে।
মাদক বিরোধী অভিযানে ইরান অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। দীর্ঘ সীমান্ত জুড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর টহল অভিযান, কাঁটা তারের ব্যবস্থা, টানেল তৈরি, অত্যাধুনিক ইলেক্ট্রনিক সরঞ্জাম মোতায়েন প্রভৃতির মাধ্যমে মাদক নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে ইরান। মাদক পাচার রোধ করতে গিয়ে সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ইরানের বহু নিরাপত্তা কর্মীকে প্রাণ দিতে হয়েছে। তারপরও ইরান থেমে নেই। বিশেষ করে ইরানে ইসলামি শরীয়ত বলবত থাকায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়া ইরান সরকারের ধর্মীয় দায়িত্বে পরিণত হয়েছে। ইরানের সঙ্গে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের দীর্ঘ সীমান্ত থাকায় কড়াকড়ি সত্বেও মাদক আসছে। এসব মাদক দায়েশ সন্ত্রাসীদের আয়ের প্রধান উৎস। আর অর্থ লেনদেন হচ্ছে দায়েশ সমর্থক সৌদি আরবসহ আরো কয়েকটি দেশের মাধ্যমে। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে চোরাচালানিদের কাছ থেকে ইরানে সবচেয়ে বেশি মাদক উদ্ধার করা হয়ে থাকে। এ থেকে বোঝা যায় এ দেশটি মাদক বিরোধী অভিযানে অত্যন্ত আন্তরিক ও কঠোর। বিশ্বে বছরে যে পরিমাণে মাদক উদ্ধার করা হয় তার মধ্যে শুধু ইরানেই উদ্ধার করা হয় প্রায়৭৬ শতাংশ আফিম এবং ৬৭ শতাংশ মরফিন।
ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী গোলাম হোসেন দেহকানি বলেছেন, "ভৌগোলিক দিক দিয়ে সুবিধাজনক অবস্থানের কারণে ইরান মাদক পাচারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এ কারণে ইরান সরকারও সতর্ক থাকে এবং মাদক চোরাচালান রোধের জন্য বছরে ১৫ কোটির বেশি ইউরো ব্যয় হয়।" ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘের মাদক বিরোধী দফতরের নির্বাহী প্রধান ইউরি ফেদেতোভের সঙ্গে এক সাক্ষাতে রাজনৈতিক কারণে ইরানের মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে বিশ্বের অর্থ সহায়তাকারী দেশগুলোর অসহযোগিতা এবং মার্কিন চাপ সৃষ্টির নীতির তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, এর ফলে মাদক চোরাচালান রোধে ইরানের আন্তরিক প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
জাতিসংঘের এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বিশ্বে যে পরিমাণে মাদক উদ্ধার করা হয় তার সিংহভাগ ইরান থেকেই উদ্ধার করা হয়েছে। এ সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর বিভিন্ন ধরনের ১২শ' টন মাদক ইরানে উদ্ধার করা হয়েছে।
ইতালির সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন 'স্পারসো'র এক প্রতিবেদনে মাদকবিরোধী অভিযানে ইরান সরকারের তৎপরতার কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, "আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সত্বেও ইরান সরকার অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে মাদক পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।"
রুশ মিডিয়ার ফরাসি ভাষার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান মাদক পাচার ঠেকানোর জন্য পাকিস্তান ও আফগানিস্তান সীমান্তে অত্যাধুনিক গোয়েন্দা সরঞ্জাম মোতায়েনের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে। ইরানের এ কঠোর অবস্থানের ফলে আফগানিস্তান থেকে ইরানে হেরোইন পাচার কমে গেছে।
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাদক বিরোধী সংগ্রামে ইরান প্রথম সারিতে রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ইরান বছরে প্রায় ৮০ কোটি ডলার ব্যয় করে। অথচ জাতিসংঘ মাত্র এক কোটি ৫০ ডলার সাহায্য দেয় ইরানকে। ইরানের মাদক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক দফতরের প্রধান ইস্কান্দার মোমেনি বলেছেন, মাদক পাচার রোধের জন্য ইরানকে দেয়া আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে। ইউরোপীয়রা দাবি করছে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে এ ক্ষেত্রে তারা ইরানকে সহায়তা দিতে পারছেনা। (মিউজিক)
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইউরোপীয়রা হয়তো এটা ভুলে গেছে যে, ওই দেশগুলোতে ছয় হাজার কোটি ডলার অর্থ লেনদেন হয় কেবল মাদক কেনাবেচা বাবদ। বলতে গেলে ইরান একাই মাদক বিরোধী অভিযানে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে এবং এর সুফল ইউরোপীয়রাও পাচ্ছে। কিন্তু তারপরও মাদক ইস্যুতে ইউরোপীয়রা ইরানকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত নয়। অবশ্য ইউরোপের এ আচরণে অবাক হওয়ার কিছু নেই কারণ যারা পরমাণু সমঝোতায় দেয়া প্রতিশ্রুতি পালন করতে পারে না তাদের কাছে এর চেয়ে বেশি কিছু আশা করা যায় না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুসলিম নারীর বাগানে নির্মিত চার্চ ভাঙার নির্দেশ ইউরোপীয় আদালতের

তিনি মনে করেন, তার এই জয় এই বার্তা দেয় যে- নিজের সমপত্তির জন্য সবার লড়াই করা উচিত। উল্লেখ্য, পরিবারটি ২০০০ সাল থেকে আদালতে মামলা লড়ে যাচ্ছিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে ক্ষতিকর প্রকল্প, সুবিধা নেবে ভারত: -সংবাদ সম্মেলনে সুলতানা কামাল

শনিবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটি। সুলতানা কামাল বলেন, রামপালের প্রকল্প নির্মাতা ভারতীয় কোম্পানি এনটিপিসি তাদের নিজ দেশ ভারতে সকল কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থগিত করেছে। তারা তাদের কার্বন তৈরির দায় কমাতে চায়। কিন্তু তার বদলে তারা গুজরাটে বিশ্বের বৃহত্তম সৌর শক্তি পার্ক স্থাপনের জন্য ২৫ হাজার কোপি রুপি বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা কয়েকটি রাজ্যের কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র অর্ধদিবস বন্ধ রাখার কথাও জানিয়েছে। অথচ ওই একই প্রতিষ্ঠান প্রবল গণআপত্তির মুখেও বাংলাদেশে কয়লা বিদ্যুৎ তৈরিতে পিছপা হচ্ছে না।
এটি নিঃসন্দেহে একটি দায়িত্বজ্ঞানহীন ডাবল স্ট্যান্ডার্ড আচরণ। তিনি বলেন, আমি ভারতবিরোধী কোনো কথা বলছি না। স্বাধীনতার যুদ্ধের সময় ভারত যদি আমাদের পাশে না দাঁড়াতো তাহলে আমরা মুক্তিযুদ্ধটা যেভাবে শেষ করতে পেরেছি সেভাবে হয়তো শেষ করতে পারতাম না। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সেটা স্মরণ করি, সেজন্য অবশ্যই ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞও। কিন্তু আজকে বাংলাদেশকে একটা বাজারে কিংবা তাদের শিল্প কারখানার জায়গা বানিয়ে নিজেরা সব সুযোগ সুবিধা নিয়ে নেবে, এ বিষয়ে আমাদের এখন চিন্তাভাবনা করতে হবে। সুলতানা কামাল বলেন, ইউনেস্কোর ৪৩তম সভা আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের দুরাবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এরআগে ৪১তম সভায় (২০১৭) বেশ কিছু নেতিবাচক কিন্তু সঠিক পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছিল ইউনেস্কো। বাংলাদেশের দায়িত্ব ছিল সেসব বিষয়ে করণীয় সকল কাজ সম্পন্ন করে এবারের অর্থাৎ গত জুনের ৪৩তম সভায় প্রতিবেদন জমা দেয়া। কিন্তু বাকুর সভায় বাংলাদেশের কৃত কাজের প্রতিবেদনে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটি সন্তুষ্ট হয়েছে বলে মনে করেনি। কারণ ২০১৭ সালের কাজগুলো সম্পন্ন করার করার জন্য কমিটি আবার জোর তাগাদা দিয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের পর্যবেক্ষণ দল সরেজমিন সুন্দরবন দেখতে আসবে। আর বাংলাদেশকে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে আবার প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। যা ৪৪তম সভায় মূল্যায়িত হবে। কিন্তু সভা বাংলাদেশ সরকারের কাজকর্মে সন্তুষ্ট না হলে ‘সুন্দরবন বিপদাপন্ন ঐহিত্য’ তালিকায় চলে আসতে পারে। যা হবে জনগণের ও দেশের জন্য অযোগ্যতা, ব্যর্থতা, দুঃখজনক, লজ্জাকর ও অপমানজনক। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক ড. মো. আব্দুল মতিন এবং ওয়াটার কিপারস বাংলাদেশের সমন্বয়কারী ও বাপার যুগ্ম সম্পাদক শরীফ জামিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অনলাইন ক্যাসিনো বাণিজ্যেও বিদেশিরা by আল-আমিন

ইউরোপ, আফ্রিকা ও থাইল্যান্ডসহ বিশ্বের একাধিক দেশের নাগরিকরা ওই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত রয়েছে। তারা ভ্রমণ বা বিজনেস ভিসায় বাংলাদেশে এসে অনলাইনের ক্যাসিনোর কার্যক্রম চালাচ্ছে।
যাদের অধিকাংশের মূল অফিস হচ্ছে বনানী ও গুলশান এলাকায়। কেউ কেউ আবার তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবসার আড়ালে অনলাইন ক্যাসিনো বানিজ্য চালাচ্ছেন। র্যাবসহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থা ওই চক্রকে ধরতে মাঠ কাজ করছেন। ইতিমধ্যে এক ও একাধিক ব্যক্তির নাম পেয়েছে র্যাবের গোয়েন্দা সংস্থা। তারা কখন বাংলাদেশে এসেছেন এবং তাদের আসার উদ্দেশ্য কী-ছিল তা ইমিগ্রেশন থেকে র্যাবের গোয়েন্দারা তথ্য সংগ্রহ করছেন। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে।
যোগাযোগ করা হলে র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সরোয়ার গতকাল বিকালে মানবজমিনকে জানান, ক্যাসিনোর সঙ্গে জড়িত বিদেশি নাগরিকদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। কারও বিরুদ্ধে অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনের আওতায় আনা হবে।
র্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, ঢাকাসহ সারা দেশে ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান চলছে। খালেদ, লোকমানসহ একাধিক ক্যাসিনো সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্যরাও নজরদারিতে আছেন। ওইসব ক্যাসিনো সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা পর র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে তারা শিকার করেন যে, অনলাইনে মোটা অংকের ক্যাসিনো বানিজ্য হয়ে থাকে। কারা ওই অনলাইনে ক্যাসিনো বাণিজ্যে জড়িত তাদের ব্যাপারে প্রযুক্তির সাহাজ্যে তথ্য সংগ্রহ শুরু করে র্যাবের সাইবার ক্রাইম শাখা।
সূত্র জানায়, তথ্য সংগ্রহের একপর্যায়ে তারা অনলাইন ক্যাসিনো সম্রাট সেলিম প্রধানের নাম জানতে পারে। তাকে নজরদারি শুরু করে র্যাবের গোয়েন্দারা। তিনি থাই এয়ারওয়েজে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এক পর্যায়ের র্যাবের গোয়েন্দারা তাকে বিমান থেকে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়।
র্যাবের গোয়েন্দা শাখা আরও জানায়, অনলাইন ক্যাসিনোতে কিভাবে সেলিম প্রধান যুক্ত হলেন এ ব্যাপারে তাকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি একপর্যায়ে স্বীকার করেন যে, থাইল্যান্ডে উত্তর কোরিও নাগরিক মিস্টার দো নামক এক ব্যক্তির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ওই ব্যক্তি সেলিম প্রধানকে অনলাইন ক্যাসিনোর ব্যবসার তত্ত্ব প্রদান করেন। পি-২১ ও পি-২৪ নামে তারা একটি সাইট খোলেন। ওই সাইটের মূল ডোমেনের মালিক ছিলেন উত্তর কোরিত্ত নাগরিক মিস্টার দো। তিনি শুধু মাত্র ওই সাইটের মূল ডোমেনের মালিক হওয়ার কারণে পঞ্চাশ শতাংশ টাকা পেতেন।
তিনি স্বীকার করেন যে, ঢাকায় এমন অনেক বিদেশি নাগরিক এমন ব্যবসায় জড়িত। তারা এক একটি গেটওয়ের মাধ্যমে কোটি কোটি টাক বিদেশে নিয়ে যাচ্ছেন। তার এই তথ্য পেয়ে মাঠ পর্যায়ে আরও তথ্য সংগ্রহ শুরু করে র্যাবের গোয়েন্দারা। গুলশান ও বনানী এলাকায় যেসব স্থানে বিদেশিদের করপোরেট অফিস রয়েছে সেগুলোর বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তাদের ব্যাপারে চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। তবে অনলাইন ক্যাসিনো বানিজ্যের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে একাধিক বিদেশি নাগরিককে চিহ্নিত করা হয়েছে। তারা যাতে দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে এজন্য স্থল ও আকাশ পথে ইমিগ্রেশন বিভাগে তাদের নাম দিয়েছেন আইন-শৃংখলা বাহিনী।
সূত্র জানায়, যাদের বিরুদ্ধে ক্যাসিনোর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে তাদের উল্লেখ যোগ্য ইউরোপের মাল্টার নাগরিক। যেদেশ ক্যাসিনোর জন্য বিখ্যাত। কিছু রয়েছে থাইল্যান্ড ও আফ্রিকার নাগরিক। কোন কোন বিদেশি নাগরিক এনজিওর কর্মকর্তার নাম করে বাংলাদেশে এসেছেন। আলিশান অফিস নিয়ে গড়ে তুলেন অনলাইন ক্যাসিনোর বিশাল সাম্রাজ্য। তাদের এজেন্ট হিসাবে বাংলাদেশে কাজ করেন শতাধিক অনলাইন ক্যাসিনো সম্রাট।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাপানে মাফিয়া দলের সদস্য ছিল সেলিম: ছোটবেলা থেকেই বেপরোয়া by রুদ্র মিজান

অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহারের জন্য সেখানে কারভোগও করেছেন মাফিয়া ডন সেলিম প্রধান। এছাড়াও ঢাকাসহ কোরিয়া, থাইল্যান্ডে রয়েছে তার অপরাধ সাম্রাজ্য।
রাত হলেই মদ ও নারীতে মেতে উঠতেন সেলিম প্রধান। প্রায় রাতেই গুলশানের বাসায় আয়োজন করা হতো পার্টির। এসব পার্টিতে অংশ নিতেন প্রভাবশালী বেশ কয়েক রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও কয়েক মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। বিশেষ এই ব্যক্তিদের মনোরঞ্জনের জন্য প্রস্তুত থাকতো থাই ও কোরিয়ান সুন্দরী। তবে প্রভাবশালী এক নেতার অনুরোধে একাধিকবার রাশিয়ান তরুণীদেরও এনেছিলেন গুলশানের পার্টিতে। সেলিমের পার্টিতে শোবিজ জগতের অনেকেই অংশ নিতেন। নাচ ও গানে মাতিয়ে রাখতেন রাতভর। মাসে একাধিকবার পার্টি গার্ল পরিবর্তন করতেন সেলিম। সূত্রমতে, সেলিমের নেশা মূলত তিনটি। টাকা, মদ ও নারী। শৈশব থেকেই এই নেশায় পেয়ে বসে থাকে। দেশে-বিদেশে বিপুল সম্পদের পাশাপাশি জাপানি, আমেরিকান, রাশিয়ান ও বাংলাদেশি মিলে পাঁচটি বিয়ে করেছেন তিনি। স্ত্রী ছাড়াও একাধিক নারী সঙ্গ ছিলো তার প্রতি রাতের রুটিন।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নূরজাহান রোডের টি-৩৪ নম্বর বাসাটি ছিলো সেলিম প্রধানের পিতা হান্নান প্রধানের। ওই বাসার দ্বিতীয় তলায় পরিবারের সঙ্গে শৈশব-কৈশোর কেটেছে সেলিমের। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে মেজো সেলিম। কয়েক বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন নাদিম প্রধান। বর্তমানে তারা দুই ভাই। তারা লেখাপড়া করতেন মোহাম্মদপুর বেঙ্গল মিডিয়াম স্কুলে। সেলিম প্রধানের ঘনিষ্ঠরা জানান, সেলিম ও তার বড় ভাই আলম প্রধান এবং ছোট ভাই নাদিম প্রধান কেউই স্কুলের গন্ডি পেরুতে পারেননি। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন সেলিম প্রধান। ওই সময়ে দুটি বেবিটেক্সি ছিলো তাদের। কিছুদিনের মধ্যে একটি মিনিবাস কিনেন। লেখাপড়া না হলেও ছোটবেলা থেকেই সহপাঠী-বন্ধুদের চেয়ে অনেক বেশি টাকা ব্যয় করতেন সেলিম। কিশোর বয়সেই মাদক ও জুয়ায় অভ্যস্ত হয়ে উঠেন তিনি। বখাটেদের সঙ্গে আড্ডা দিতেন মহল্লার মোড়ে। সময়টা আশির দশকের শেষের দিক। মোহাম্মদপুরের সুন্দরী কিশোরীরা রেহাই পেতো না তার যৌন হয়রানি থেকে। এরকম অভিযোগ ছিলো প্রায় নিত্য দিনের।
৮৯ সালের দিকে সেলিমের বড় ভাই আলম পাড়ি দেন জাপানে। শ্রমিক হিসেবে জাপানে পৌঁছে কিছুদিনের মধ্যেই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন জাপানী তরুণীর সঙ্গে। তাকে বিয়েও করেন আলম। জাপানের ধনাঢ্য মা-বাবার একমাত্র সন্তান ওই তরুণী। শ্বশুর-শ্বাশুড়ির মৃত্যুর পর বিশাল সম্পদ চলে আসে আলম প্রধানের অধীনে। মোহাম্মদপুরের বাড়ি ছেড়ে গুলশানে বসবাস করতে থাকে এই প্রধান পরিবার। ৯০ দশকের শুরুতেই জাপানে পাড়ি দেন সেলিম। জাপানে পা দিয়েই আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেন তিনি। অল্প দিনের মধ্যেই সম্পর্ক গড়েন সন্ত্রাসীদের সঙ্গে।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, জাপানের বিভিন্ন ক্লাবে, বারে ছিলো সেলিমের নিয়মিত আড্ডা। মাফিয়া সন্ত্রাসী সংগঠন ইয়াকুজা’র সদস্য হয়ে বৈধ-অবৈধ নানা ব্যবসায় জড়িত হন সেলিম প্রধান। অস্ত্র, জুয়া ও পতিতা বাণিজ্যে অন্যতম মাফিয়া হয়ে উঠেন। এরইমধ্যে জাপানে বিয়ে করেন তিনি। তবে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবসায় জড়িত থাকার অপরাধে জাপানের গোয়েন্দাদের নজরে পড়েন সেলিম। দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান আমেরিকায়। সেখান থেকে লন্ডনে, থাইল্যান্ডে নিয়মিত যাতায়াত করতেন। মাঝে-মধ্যে পা রাখতেন ঢাকায়। জাপানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে ওয়ান্টেড হওয়ার পর বিপাকে ছিলেন তিনি। জাপানে নিজের বিপুল অর্থ বিনিয়োগ ছিলো। আমেরিকায় বিয়ে করে চেষ্টা করেন জাপানে পাড়ি দিতে। অতঃপর জাপানে গিয়ে আটকে যান গোয়েন্দা জালে। সেখানে দীর্ঘদিন কারাবাসের পর ফিরেন ঢাকায়।
বিএনপি তখন ক্ষমতায়। গিয়াস উদ্দিন আল মামুন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী। তার সঙ্গে সখ্যতা গড়েন সেলিম। ‘উই আর ডিফরেন্ট’ স্লোগান নিয়ে গড়েন ‘প্রধান গ্রুপ’ নামে গ্রুপ অব কোম্পানী। এই গ্রুপের অধীনে বাংলাদেশে প্রথম বেসরকারি খাতে গড়ে তোলেন ‘জাপান বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং অ্যান্ড পেপার্স লিমিটেড’ নামে প্রিন্টিং প্রেস। ওই সময়ে প্রভাব খাটিয়ে সরকারি বিভিন্ন কাজ করতেন সেলিম। এক-এগারোর সময়েও বহাল তবিয়তে ছিলেন অদৃশ্য ছায়ার বদৌলতে। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী কয়েক নেতা, প্রভাবশালী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক গড়েন সেলিম প্রধান। সেলিমের বাসার দেয়ালে প্রভাবশালী অনেকের সঙ্গে তোলা ছবি টানানো থাকতো।
সূত্রমতে, বেপরোয়াভাবে সেলিম প্রধানের উত্থান শুরু হয় ২০১০ সাল থেকে। ওই সময়ে রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক থেকে ৪৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ঋণ নেন তিনি। গত বছরে সেলিমের প্রতিষ্ঠান ‘জাপান বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং অ্যান্ড পেপার্স লিমিটেড’র কাছে রূপালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ১২৪ কোটি টাকা। প্রভাবশালীদের তদবিরের জোরে এক বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা পেয়েছেন সেলিম প্রধান। গত বছরের শেষের দিকে প্রধান গ্রুপের অধীনে পি২৪ গেইমিং নামক অনলাইন ক্যাসিনো স্পা ও বিউটি সেন্টার চালু করেন সেলিম প্রধান। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, অনলাইন ক্যাসিনোর মাধ্যমে উপার্জিত শত শত কোটি টাকা থাইল্যান্ড ও কোরিয়ায় পাচার করেছেন সেলিম প্রধান। তার স্পা সেন্টার ও বাসায় প্রতি রাতে বসানো হতো রিক্রিয়েশন পার্টি। মূলত প্রভাবশালী নেতা, সরকারি কর্মকর্তাদের প্রমোদালয় ছিলো তার বাসা ও স্পা সেন্টার।
গত ১৮ই সেপ্টেম্বর থেকে দেশে ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান শুরু হলে আতঙ্কে ছিলেন সেলিম প্রধান। ক্যাসিনো ব্যবসায়ী লোকমান গ্রেপ্তারের পর আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। ৩০শে সেপ্টেম্বর দুপুরে থাইল্যান্ডে যেতে পা দেন হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে। সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। সেলিম প্রধানের গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের গাউসিয়া এলাকায়।
গুলশান থানার ওসি কামরুজ্জামান জানান, সেলিম প্রধানসহ তার দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত দুটি মামলা তদন্ত করবে ডিবি ও সিআইডি। আদালতের নির্দেশে শুক্রবার রিমান্ডে নিয়ে তাদের এসব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি আরবে অবিবাহিত নারী-পুরুষ থাকতে পারবেন হোটেলের এক রুমে

এর ফলে কোনো নারী যদি একা একা সৌদি আরব সফর করতে চান তাহলে তার জন্য তা সহজ হবে।
কারণ, তিনি সহজেই হোটেল বুকিং দিয়ে সেখানে অবস্থান করতে পারবেন। এক্ষেত্রে অবিবাহিত বিদেশীরাও একসঙ্গে অবস্থান করতে পারবেন। এখানে উল্লেখ্য, পারস্য উপসাগরীয় দেশ সৌদি আরবে বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্ক নিষিদ্ধ। সেক্ষেত্রে অবিবাহিত বিদেশী নারী-পুরুষ একসঙ্গে এক কক্ষে অবস্থান করা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
আইনের এই সংস্কারের বিষয়টি শুক্রবার প্রকাশ করেছে আরবী ভাষার পত্রিকা ওকাজ। এরপর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সৌদি কমিশন ফর টুরিজম অ্যান্ড ন্যাশনাল হেরিটেজ। তারা বলেছে, সৌদি আরবের সব নাগরিককে হোটেল বুকিং দেয়ার ক্ষেত্রে বা হোটেলে অবস্থানকালীন তাদের পারিবারিক পরিচয়পত্র অথবা সম্পর্কের প্রমাণ চাওয়া হবে। তবে বিদেশী পর্যটকদের জন্য তা বাধ্যতামূলক নয়। আইডি বা পরিচয়পত্র দেখিয়ে হোটেলে একা থাকার জন্য বুকিং দিতে পারবেন সৌদি আরবের যেকোনো নারী।
গত সপ্তাহে ৪৯ টি দেশের পর্যটকদের জন্য নিজের দরজা উন্মুক্ত করে দেয় সৌদি আরব। তারা এখন চেষ্টা করছে শুধু তেল রপ্তানির ওপর নির্ভর না করে পর্যটন খাতে অর্থনীতিকে বিস্তৃত করতে। অর্থাৎ পর্যটন খাত থেকে বড় অংকের অর্থ উপার্জন করতে চায় দেশটি। বিদেশীদের আকৃষ্ট করতে তারা পুরো শরীর ঢাকা বোরকা পরার নীতি শিথিল করেছে। তবে বলা হয়েছে, তাদেরকে শালীন পোশাক পরতে হবে। এ ছাড়া মদ পান নিষিদ্ধই থাকবে। এই দেশটির দরজা বহু দশক ধরে বিদেশীদের জন্য উন্মুক্ত ছিল না। কোনো রকম সম্পর্ক নেই এমন নারী ও পুরুষ, বিদেশীসহ প্রকাশ্যে মেলামেশা করার জন্য কঠোর শাস্তির বিধান ছিল। কিন্তু অর্থনীতির দিকে চোখ পড়ায় সরকার সেই নীতি শিথিল করছে। এতে বিপুল সংখ্যক পর্যটক সৌদি আরবে যেতে পারেন। এতে দেশটির যে রক্ষণশীল মর্যাদা আছে তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
গত বছর সরকার নারীদের গাড়ি চালানোর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে। এ নিয়ে তারা ভীষণ সমালোচনার মুখোমুখি হয়। আগস্টে নারীদের বিদেশ সফরের নতুন করে অধিকার দেয়া হয়। জীবনে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে নারীদের অধিকার দেয়া হয়। এসব বিষয়ের কড়া সমালোচনা করা হলেও এই পরিবর্তনের মূলে রয়েছে শাসক ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের উচ্চাভিলাষী অর্থনীতি ও সামাজিক সংস্কারের এজেন্ডা। তার এসব পরিকল্পনার ভূয়সী প্রশংসা রয়েছে আন্তর্জাতিক দুনিয়ায়। কিন্তু তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি আরবের কনসুলেটের ভিতরে ভিন্ন মতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যা ও ইয়েমেনে বিধ্বংসী যুদ্ধের জন্য তার ভাবমূর্তিতে আঘাত লেগেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাবি’র গণরুম যেন কয়েদখানা by পিয়াস সরকার

সেই ফ্যানের বয়সও কম নয়। ঠিক ফ্যানের নিচে দাঁড়িয়েও বাতাস অনুপস্থিত। এমন একটি রুমে থাকতে হয় ২২ জন শিক্ষার্থীকে। অনেক সময় ঘুমাতে হয় পালা করে। জানালা বিহীন এসব রুমে দম বন্ধ করা পরিবেশ। মেঝেতে শুধুই তোশক বিছানো।
এই দৃশ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের। এখানে আছে ৬টি গণরুম। এসব রুমে থাকতে হয় কোন রকমভাবে। নেই জিনিসপত্র রাখার স্থান। তাই ট্রাঙ্কগুলোর স্থান হয়েছে বারান্দায়। আর দেয়ালে হ্যাংগার জুড়ে ঝুলছে শুধুই কাপড়।
সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের চিত্র আরো ভয়াবহ। প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ঠাঁই হয়েছে বারান্দায়। ঘিঞ্জি এক বারান্দায় লম্বা করে বিছানো চৌকি। এক চৌকিতেই কোন রকম বাস তাদের। মাথার উপরে একটিও ফ্যান নেই। অনেকে ব্যবস্থা করতে পেরেছেন ব্যক্তিগত ফ্যান। আর যারা পারেননি তারা এভাবেই থাকছেন। বারান্দা হওয়ায় উন্মুক্ত স্থান দিয়ে আসে রোদ। বৃষ্টি হলে সব ভিজে যায়। আর প্রায়ই প্লাস্টার খসে পড়ে। সরজমিন দেখা যায়, এসব ক্ষত স্থানে সদ্য লাগানো হয়েছে প্লাস্টার। কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, এভাবেই প্লাস্টার প্রায়শই খসে পড়ে। কয়েকবার অভিযোগ জানানোর পর সারানো হয় এসব ক্ষত।
সাজিদ হাসান। ঢাবির সমাজ বিজ্ঞাণ অনুষদের শিক্ষার্থী। অনেক স্বপ্ন আর পরিশ্রমের ফল স্বরুপ সুযোগ মিলেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার। তার বর্তমান থাকার স্থান মাস্টার দ্য সূর্য সেন হলে। তিনি বলেন, আমরা দাসপ্রথায় বাস করছি। আমার মনে হয়, দাসপ্রথার সময়েও দাসদের এরথেকে ভালো স্থানে রাখা হতো। ভালো ব্যবহার করা হতো। প্রথম যেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতে আসি মনে হচ্ছিল এযেন স্বপ্ন দেখছি। যে রুমে আমি একদিন থাকার কথা চিন্তা করতে পারিনা। সেই রুমে প্রথম দিন থাকতে হলো ১৬ জনকে। সময়টা ছিলো শীতকাল। তারপরেও প্রথমদিনেই গা ঘেমে সর্দি লেগে যায়। পরদিন আরো ৮ জন আসলো থাকার জন্য। তিনি আরো বলেন, এটাকে থাকা বলে না। যখন ঘুমাই তখন একজনের পায়ের সঙ্গে আরেকজনের মাথা লেগে যায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সব হলেই রয়েছে গণরুমের উপস্থিতি। গণরুমে ওঠার পর থেকেই শিক্ষার্থীরা শুরু করেন রোগের সঙ্গে যাত্রা। ডেঙ্গু মহামারি আকার ধারণ করলে প্রায় প্রতিটি রুমের কেউ না কেউ আক্রান্ত হয়েছিলেন। সূর্য সেন হলের দুই রুমে থাকেন প্রায় ৪০ জন। এর মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১৩ জন।
এছাড়া প্রতিটি হলে ছেয়ে গেছে ছারপোকা মারার ওষুধের বিজ্ঞাপণে। প্রতিটি হলের গণরুমের শিক্ষার্থীরা আক্রান্ত ছারপোকার সমস্যায়। ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হলের জোবাইদুল ইসলাম নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, এত মানুষ একসঙ্গে থাকলে তো ছারপোকা আসবেই। জিয়াউর রহমান হলের এক শিক্ষার্থী বলেন, কিছুদিন আগে ছারপোকার স্প্রে করি। ৩ দিন কেউ রুমে ছিলাম না। কিছু দিন ভালো ছিলাম এরপর আবার আগের মতোই। ছারপোকার পাশাপাশি আছে মশা, তেলাপোকার সমস্যা।
প্রথম বর্ষের এসব শিক্ষার্থীদের বাথরুমে যাওয়া নিয়েও আছে বিড়ম্বনা। তারা সাধারণত গোসল সারেন ভোরে কিংবা রাতে। অন্য সময় বড় ভাইয়েরা গোসল করে। নবীনরা থাকলেও যাওয়ার সাহস হয় না তাদের। সাংবাদিকতা বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের জরুরী প্রয়োজনে বাথরুমে গিয়ে বড় ভাই দেখলে তাকে আগে যেতে দিতে হয়। অনেক সময় এটি অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে যায়।
জগন্নাথ হলের শিক্ষার্থী নীলয় দেব নাথ বলেন, দিন রাত সজাগ থাকতে হয়। কখন কোন বড় ভাই ডাকেন। সঙ্গে সঙ্গে যেতে হবে। দেরি হলেই কথা শুনতে হয়। কবি জসিমউদ্দীন হলের এক শিক্ষার্থী বলেন, মিনি গেস্ট রুম না থাকলেও কোন দলীয় অনুষ্ঠানে, মিছিলে যেতে না পারলে ডেকে নেয়া হয়। গুরুতর না হলেও চড় থাপ্পড় দেয় বড় ভাইয়েরা। শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের এক শিক্ষার্থী বলেন, একবার হলের বাথরুম থেকে পানি আনতে গিয়ে এক বড় ভাইয়ের গায়ে পড়েছিলাম। সেই ভাই আমার গায়ে হাত উঠায়। অনিচ্ছাকৃত পড়েছে বলায় ফের আঘাত করে। মুখে মুখে তর্ক করি বলে গেস্ট রুমে চলে প্রায় ৬ ঘণ্টা শাস্তি।
এসব হলের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা দেখাশুনা করার কথা থাকলেও তাদের উপস্থিতি নেই। অধিকাংশই জানেন না কোন শিক্ষক তাদের দায়িত্বে আছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্যার এ এফ রহমান হলের এক শিক্ষার্থী বলেন, দায়িত্বরত শিক্ষকদের দেখা যায় শুধু মাত্র টাকার প্রশ্ন যখন আসে। রমজান মাসে ইফতার করানোর বাজেট আসলে তাদের আনাগোনা বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও পহেলা বৈশাখের খাবারের সময়টাতেও দেখা গিয়েছিলো তাদের। আর বিজয় একাত্তর হলের এক শিক্ষার্থী বলেন, ডেঙ্গুর সময় ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছিলো চারদিকে। এই সময়টাতেও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের পাশে পাইনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় শেখ হাসিনার ৪ প্রস্তাব
নয়াদিল্লির হোটেল তাজ প্যালেসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ভারতীয় অর্থনৈতিক সম্মেলনের সমাপনী আলোচনায় শেখ হাসিনা বলেন, ‘গত কয়েক দশকে আমরা অনেক মহৎ আঞ্চলিক বিভিন্ন ধারণা ও উদ্যোগ দেখেছি। এগুলোর মধ্যে কিছু সফল হলেও অন্যগুলো সফল হয়নি। আগামী কয়েক দশকের দিকে দৃষ্টি রাখলে আমি মনে করি, এক্ষেত্রে আমাদের কিছু নীতিমালা মেনে চলা উচিত হবে। আমি বলতে চাই- একটি সংঘবদ্ধ, বন্ধুত্বপূর্ণ ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ অঞ্চল হওয়ায় দক্ষিণ এশিয়া অন্য অঞ্চলের সঙ্গে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে সবসময় প্রস্তুত রয়েছে।’
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘ভুল ধারণা ও মিথ্যা আশঙ্কা’ কাটিয়ে সব জাতি এবং দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও সম্মান নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘বিগত দশকে আমরা অনেক উন্নত আঞ্চলিক ধারণা এবং উদ্যোগ দেখেছি। কেউ কেউ সফল হয়েছে, অন্যরা হতে পারেনি।’ পরবর্তী দশকে মৈত্রী ও সহযোগিতার মাধ্যমে ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা পরিচালনায় চারটি নীতি অনুসরণ করার পরামর্শ দেন তিনি।
প্রথম নীতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজের প্রতিটি ব্যক্তির জন্য শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সৌহার্দ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমাদের প্রয়াস চালিয়ে যেতে হবে। সংখ্যাগুরু ও সংখ্যালঘুর মানসিকতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। যুগ যুগ ধরে বহুত্ববাদ হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার শক্তি। এর মাধ্যমে আমরা ধর্ম, জাতি ও ভাষাগতভাবে দক্ষিণ এশিয়ার বৈচিত্র্যের উদযাপন করতে পারে। এটি হচ্ছে মৌলিক বিষয়।
দ্বিতীয় প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্রুত প্রবৃদ্ধির সময়ে সমাজে যেন বৈষম্য আরও বেড়ে না যায়, তা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। সম্পদ হতে হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং তা তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছতে হবে। স্বল্পোন্নত সম্প্রদায় বা দেশ পেছনে পড়ে থাকবে না। আমাদের তরুণদের আকাঙ্ক্ষা ও চাহিদা অবশ্যই বিবেচনায় নিতে হবে।
শেখ হাসিনা তার তৃতীয় প্রস্তাবে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’— এই নীতি অনুসরণ করে বাংলাদেশ বিশ্ব পরিমণ্ডলে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় অব্যাহত অবদান রেখে চলছে। এই দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে সহায়তা করছে। ১৯৯৬ সালে আমরা ভারতের সঙ্গে গঙ্গা নদীর পানিবণ্টনের সমাধান করেছি, আমরা সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্র সীমানা নির্ধারণ করেছি। আমাদের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমাজের জন্য এ ধরনের সহযোগিতাপূর্ণ সংস্কৃতি প্রয়োজন।
চতুর্থ প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা অবশ্যই বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার মাধ্যমে আমাদের ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ন্ত্রণ করব। আমাদের জনগণের স্বার্থে ভারসাম্যপূর্ণ আঞ্চলিক বাস্তবতার আমরা প্রশংসা করব। আমরা স্বল্পমেয়াদি লাভের জন্য দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ বন্ধ করে দিতে পারি না।
অনুষ্ঠানে সিঙ্গাপুরের উপ-প্রধানমন্ত্রী হেন্জি সুই কেট, সিকোইয়া ক্যাপিটাল ভারতের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শৈলেন্দ্র সিং, অ্যাপোলো হসপিটাল এন্টারপ্রাইজের এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারপারসন শোবানা করমেনিণী, বুকিং ডটকমের চেয়ারম্যান গিলিয়ান ট্যানস প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
| ভারতীয় অর্থনৈতিক সম্মেলনের সমাপনী আলোচনায় শেখ হাসিনা |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে শিলিগুড়ি যাবে ভারতের ট্রেন by সায়েদুল ইসলাম

ভারত থেকে বাংলাদেশে ঢুকে আবার ভারতে
বাংলাদেশের কী লাভ?
পণ্যবাহী নাকি যাত্রীবাহী?
বন্ধ রেলপথ পুনরায় চালু
রেল পথ নির্মাণের খরচ
![]() |
| চিলাহাটি থেকে সীমান্ত পর্যন্ত রেলপথ তৈরি করা হলে ভারত ও বাংলাদেশের মূল রেলপথের সঙ্গে সংযোগ তৈরি হবে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এবার কে২-১৮বি গ্রহে পানির উপস্থিতি নিশ্চিত করলো বিজ্ঞানীরা

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পারস্পরিক স্বার্থে কাজ করতে বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যবসায়ীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

আমাদের সহযোগিতা নিরাপত্তা, জ্বালানি, যোগাযোগ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, সংস্কৃতি এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক ও যোগাযোগসহ সকল ক্ষেত্রে সমপ্রসারিত হয়েছে।
এদিনও প্রধানমন্ত্রী ভারতের ব্যবসায়ীদের বংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং হাইটেক পার্কগুলোতে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বেশ কয়েকটি হাইটেক পার্ক প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। মংলা, ভেড়ামারা ও মীরেরসরাইয়ে ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য তিনটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রস্তুত করেছে বাংলাদেশ। শেখ হাসিনা মনে করেন, বাংলাদেশের এই তিনটি ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলে ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের পর্যাপ্ত বিনিয়োগ আমাদের রপ্তানিযোগ্য খাতকে আরো প্রশস্ত করতে সহায়তা করবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান দেশটিকে এই অঞ্চলের অর্থনীতির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে ব্যাপক সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছে। পশ্চিমে ভারত, উত্তর দিকে চীন এবং পূর্বদিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, বাংলাদেশ ৪ বিলিয়ন মানুষের বাজারের মাঝামাঝি রয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) প্রবৃদ্ধির উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ২০০৯ সালে আমাদের সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতি ক্রমবর্ধমান আস্থারই প্রতিফলন। প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে ভারতীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে বাংলাদেশে সবচেয়ে উদার বিনিয়োগ নীতি বলবত থাকার বিষয়টি পুনরায় স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে উদার বিনিয়োগের পরিবেশ বিরাজ করছে। যার মধ্যে রয়েছে, বৈদেশিক বিনিয়োগের আইনি সুরক্ষা, উদার রাজস্ব ব্যবস্থা, মেশিনপত্র আমদানির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড়, আনরেসট্রিকটেড এক্সিট পলিসি, সম্পূর্ণ বিনিয়োগ ও পুঁজি নিয়ে চলে যাবার সুবিধাসহ নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা। তিনি বলেছেন, আমরা একসঙ্গে আরো বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ দেখতে চাই- যেখানে ভারতীয় বড় বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে শিল্প স্থাপন করতে এবং আমাদের মধ্যে বিদ্যমান উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে উত্তর ভারতের রাজ্যগুলো এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোতে পণ্য রপ্তানি করতে পারে।
দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিগত বছরগুলোতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। বাণিজ্যের ভারসাম্য যদিও এখন পর্যন্ত ভারতের পক্ষে রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার। ২০১৮ সালে, বাংলাদেশে ৮ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে ভারত। ভারতে আমাদের রপ্তানিও গত বছর প্রথমবারের মতো ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। সুতরাং, অগ্রগতি দৃশ্যমান, তবে, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের সম্পর্ক আরো গভীর করার অনেক সুযোগ রয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন- ভারতের শিল্প ও রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়াল, বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-র সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, ভারতের কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই)-র সভাপতি বিক্রম শ্রীকান্ত কিরলোস্কার, ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান চেম্বার্স অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই)-র সভাপতি সন্দীপ সোমানি, অ্যাসোসিয়েটেড চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অব ইন্ডিয়া (এএসএসওসিএইচএএম)-এর সভাপতি বালকৃষ্ণ গোয়েঙ্কা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুবাই থেকেও ঢাকার আন্ডার ওয়ার্ল্ডের ডন ছিল জিসান by শুভ্র দেব

২০০১ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর একজন জিসান । তাকে ধরিয়ে দেবার জন্য পুরুষ্কারও ঘোষণা করা হয়েছিলো। ইন্টারপোল রেড এলার্টেও নোটিশ জারি করা হয়। সেখানে হত্যা ও বিস্ফোরক বহনের অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে। কিন্তু সবসময়ই জিসান ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকত। তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। ২০০৩ সালে তাকে গ্রেপ্তার করার জন্য ডিবির দুই কর্মকর্তা মালিবাগের সানরাইজ হোটেলে অভিযান চালান। জিসান উল্টো তাদের গুলি করে হত্যা করে। ওই ঘটনা দেশজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিলো। এরপর থেকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে গ্রেপ্তারের জন্য তৎপরতা শুরু করেন। তাকে ধরিয়ে দেবার জন্য সরকার পুরুষ্কারও ঘোষণা করেছিলো। কিন্তু জিসান গাঁঢাকা দিয়ে ভারতে চলে যান।
ভারতে বসে ঢাকার অপরাধ জগত নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। পরে কৌশলে ভারতীয় পাসপোর্ট ব্যবহার করে চলে যায় দুবাইয়ে। সেখান থেকেই ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নেয় জিসান। সম্প্রতি ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানে যুবলীগ দক্ষিণের বহিস্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও টেন্ডারমোঘল জি কে শামীম র্যাবের কাছে গ্রেপ্তারের আলোচনায় আসে এই শীর্ষ সন্ত্রাসী। গত কয়েকদিন আগে ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো অব দুবাই (এনসিবি) তাকে সেখানকার নিজ ফ্ল্যাট থেকে গ্রেপ্তার করেছে। এটি এনসিবি বাংলাদেশকে গত বুধবার নিশ্চিত করেছে দুবাই এনসিবি।
গোয়েন্দাসূত্র বলছে, ডিবির দুই কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যার পরে জিসানের আধিপত্য বিস্তার কিছুটা কমে যায়। ওই সময় গ্রেপ্তার আতঙ্কে সময় কাটত তার। পুলিশ ও ডিবির একাধিক টিম তাকে গ্রেপ্তারের জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাতো। তাই ২০০৫ সালে কৌশলে সীমান্ত পর হয়ে জিসান ভারতে চলে যায়। পরে ভারতে বসেই সে ফের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালায়। কারণ সে ভারতের কলকাতায় চলে গেলেও দেশে তার বিশাল অস্ত্রধারী ক্যাডার বাহিনী ছিল। যাদের মাধ্যমে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি নিয়ন্ত্রণে হস্তক্ষেপ করে। এক সময় সে পুরো নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যায়। কলকাতায় বসে নানা অপরাধে জড়িয়ে গেলে সেখানকার পুলিশ থাকে গ্রেপ্তার করে। পরে জিসান ভারতীয় পাসপোর্ট তৈরি করে চলে যায় দুবাইতে। সেখানে বসে ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডের পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যায়। গণপূর্ত, শিক্ষাভবনসহ আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের টেন্ডারবাজিতে একক নিয়ন্ত্রণ ছিল তার। পরে যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্্রাট, খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াদের সকল অপরাধ নিয়ন্ত্রণে শেল্টার দিত জিসান। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ক্লাব ভিত্তিক ক্যাসিনো চালানোর নেপথ্য ছিল তার নাম। বিনিময়ে তার কাছে পৌঁছে যেত নির্দিষ্ট পরিমান টাকার ভাগ। যুবলীগের ওই নেতারাই হুন্ডি করে তার কাছে টাকা পাঠাতেন। র্যাব ও ডিবির কাছে রিমান্ডে খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও টেন্ডারমোঘল জি কে শামীম জিসানের সঙ্গে তার সখ্যতার কথা বলেছেন। তারা জিসানের কাছে টাকা পাঠানোর কথা অকপটে স্বীকার করেছেন।
সূত্র জানিয়েছে, গণপূর্ত অধিদপ্তরের টেন্ডারবাজি নিয়ন্ত্রণে খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও জি কে শামীমকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করত জিসান। যখন টেন্ডার হত তখন জিসান তার ক্যাডার বাহিনী দিয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের চারপাশ নিয়ন্ত্রণে নিত। একসময় টেন্ডারবাজির ভাগবাটোয়ারা নিয়ে খালেদ মাহমুদ ভূঁ্ইয়ার সঙ্গে জিসানের দ্বন্দ্বও তৈরি হয়েছিলো। ওই সময় জিসান খালেদ মাহমুদ ভূইয়াকে হত্যার জন্য পরিকল্পনা তৈরি করেছিলো। অনুসন্ধানে জানা গেছে, খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া এক সময় শীর্ষ সন্ত্রাসী জাফর আহমেদ মানিকের নির্দেশেই কাজ করতেন। খালেদ চাঁদার টাকা তুলে ভারতে পলাতক মানিকের কাছে পাঠাতেন। কিন্তু একসময় জাফর আহমেদ খোকনের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন খালেদ। পরে তিনি শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেন।
জিসানের সহযোগিতা নিয়ে তিনি চাঁদাবাজির পাশাপাশি টেন্ডারবাজিতে নাম লেখান। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) থেকে শুরু করে রেলভবন, গণপূর্ত, ক্রীড়া পরিষদ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, যুব ভবন, কৃষি ভবন, ওয়াসার বিভিন্ন জোনের টেন্ডারের নিয়ন্ত্রণ নেয় তারা। সেখানকার টাকার ভাগ চলে যেত জিসানের কাছে। কিছুদিন পর জিসানের সঙ্গে টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয় খালেদের। তারপর জিসানের কাছ থেকেও সরে আসেন খালেদ। জিসানের ক্যাডার বাহিনীকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ধরিয়ে দেন। এককভাবে সব কিছুর নিয়ন্ত্রণ নেন খালেদ। এরপর থেকে জিসান-খালেদ দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারন করে। খালেদের ওপর ক্ষোভ বাড়তে থাকে জিসানের। খালেদ তখন থেকে বিশাল ক্যাডার বাহিনীর প্রটোকল নিয়ে চলাফেরা করেন। তার সঙ্গে অস্ত্রধারী কিছু ক্যাডার থাকেন। গোয়েন্দাসূত্রগুলো বলছে, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নিতে বিদেশে বসে জিসান খালেদকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। গত জুলাই মাসে গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম ঢাকার খিলগাঁর সিপাহীবাগ এলাকা থেকে ফয়সাল নামের এক সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে সঙ্গে নিয়ে ওই এলাকার ফাইভ স্টার নিবাসের আট তলায় অভিযান চালিয়ে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তাদের কাছ থেকে একটি একে-২২ রাইফেল, চারটি বিদেশি অস্ত্র ও ১টি রিভলবার উদ্ধার করে। গোয়েন্দা পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে তারা সবাই শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের ক্যাডার বাহিনী। যুবলীগের এক শীর্ষ নেতাকে হত্যার উদ্দেশ্য জিসানই এই অস্ত্রগুলো তাদের সরবরাহ করেছে।
সূত্র জানিয়েছে, জিসান ২০০৫ সালে ভারতে প্রবেশের পর নিজের নাম পরিচয় পরিবর্তন করে পাসপোর্ট তৈরি করে। সেই পাসপোর্টে নিজের নাম দেন আলী আকবর চৌধুরী। ঠিকানা দেখায় সারদা পল্লী ঘানাইলা মালুগ্রাম শিলচর। বাবা হাবিবুর রহমান চৌধুরী ও মায়ের নাম শাফিতুন্নেছা চৌধুরী এবং স্ত্রী রিনাজ বেগম চৌধুরী। তার কাছে থাকা পাসপোর্টটির মেয়াদ ছিল ২০১৯ সালের জুন মাস পর্যন্ত। মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে ফের ১০ বছরের জন্য পাসপোর্ট নবায়ন করে জিসান। মূলত এই পাসপোর্ট ব্যবহার করে সে বিভিন্ন দেশে যাতায়াত শুরু করে। দুবাই, জার্মানি থেকে শুরু করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তার যাতায়াত ছিল। এসব দেশ থেকেই ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রণ করত। শীর্ষ পলাতক আরও কয়েকজন সন্ত্রাসীর সঙ্গেও তার সখ্যতা ছিল। সেই সন্ত্রাসীরা অন্য দেশে থাকলেও জিসানের হয়েই কাজ করত তারা। দুবাই এনসিবির কাছে জিসান গ্রেপ্তার হওয়ার খবর পেয়ে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী টিএনটি নাদিম তাকে ছাড়ানোর জন্য তৎপরতা শুরু করেছে। ইতিমধ্যে সে ওই দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ বিভিন্ন আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলছে। সে যেকোনো উপায়ে জিসানকে মুক্ত করতে চায়। নাদিম ছাড়াও ওয়ারী এলাকার রাজিব হত্যা মামলার আসামি শাকিল ও জিসানের ছোটভাই শামীম মালয়েশিয়া থেকে দুবাই অবস্থান করছে। টিএনটি নাদিম, শাকিল ও শামীম তিনজনই একসঙ্গে অবস্থান করছে। জিসানকে মুক্ত করার পরিকল্পনা করতে তারা বেশ কয়েকটি বৈঠকও করেছে।
সূত্র বলছে, ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রণ করে জিসান বিপুল টাকার মালিক হয়েছে। এসব টাকা দিয়ে সে দুবাইতে গাড়ির শো-রুম, দুটি হোটেল, স্বর্নের দোকান, বাড়ি, ফ্ল্যাট কিনেছে। এছাড়া সে নাইট ক্লাবও পরিচালনা করে। এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তার নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী পরিচালনা করে। আর জিসান ভারতীয় পাসপোর্ট ও দুবাইয়ের ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে ঘুরে বেড়ায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ। দুবাই ছাড়াও মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে। দেশের অনেক প্রভাশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসীরাও জিসানের মাধ্যমে ব্যবসায় বিনোয়োগ করেন। শত শত কোটি টাকা জিসানের মাধ্যমে বিনিয়োগ করছে। ব্যবসা ছাড়া জিসান ঢাকার সন্ত্রাসীদের কাছে অবৈধ অস্ত্রের সরবরাহকারী ছিল। দেশের অনেক বড় বড় সন্ত্রাসীর চাহিদা মত অস্ত্র সে দিত। এছাড়া তার নিজস্ব সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনী ছিল।
অনুসন্ধান ও গোয়েন্দাসূত্র বলছে, ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও ডিএসসিসি কাউন্সিলর একে এম মোমিনুল হক সাইদ, টেন্ডারমোঘল জি কে শামীম প্রায়ই জিসানের সঙ্গে মিলিত হতেন সিঙ্গাপুরের হোটেলে। ক্যাসিনো ব্যবসা, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, আধিপত্য বিস্তার, দখলবাজির নানা পরিকল্পনা ও ভাগবাটোয়ারা নিয়ে আলোচনা করতেন। মূলত জিসানের সন্ত্রাসীমূলক কর্মকান্ডের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ফায়দা হাসিল করতেন ঢাকায় থাকা ওই নেতারা। টেন্ডার বা চাঁদা নিতে জিসানের ভয়ভীতি দেখানো হত। প্রয়োজনে জিসান নিজেই ফোন করে হুমকি- দিত।
এদিকে একটি সূত্র জানিয়েছে, জিসানের সর্বশেষ অবস্থান ছিল জার্মানিতে। ভারতীয় পাসপোর্টের বদৌলতে সে জার্মানিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পেয়েছিলো। দুবাইয়ে তার ব্যবসার হিসাব নিকাষ ও একটি গোপণ বৈঠকের জন্যই দুবাইয়ে এসেছিলো। দুবাইয়ে আসার পর বিমান বন্দর থেকে তাকে রিসিভ করে তার গাড়ির শো-রুমের ব্যবস্থাপক শাকিল। বিমানবন্দর থেকে জিসান চলে যায় তার শো-রুমে। সেখানে টিএনটি নাদিম ও জিসান মিলে বৈঠক করে। পরে গভীর রাতে জিসান তার দুবাইয়ের ডেরার ফ্ল্যাটে যায়। সেই ফ্ল্যাট থেকেই তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি ন্যাশনাল কাউন্সিল অব ব্যুরো বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
পুলিশ সদরদপ্তরের এনসিবির এআইজি মহিউল ইসলাম মানবজমিনকে বলেন, শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের অবস্থান দুবাই জানতে পেরে আমরা এনসিবি দুবাইর সঙ্গে অনেকদিন আগে থেকে যোগাযোগ শুরু করি। তারা বিষয়টিকে সাড়া দিলে আমরা জিসানের পাসপোর্ট ও ছবি পাঠিয়েছিলাম। দুবাই থেকে আমাদের জানানো হয় জিসানকে শনাক্ত করা গেছে তবে সে ভারতীয় পাসপোর্ট ব্যবহার করছে। তার নামও পরিবর্তন করেছে। আমরা সেটি ভেরিফাই করছিলাম ঠিক তখন জানতে পারি পাসপোর্ট পরিবর্তন করেছে ডমিনিক্যাল রিপাবলিক। পরে ডমিনিক্যাল রিপাবলিকে খোঁজ নিয়ে ওই নামে কাউকে পাওয়া যায়নি। সেখানে কোনো রেকর্ড নেই।
তার নাম, তাদের ভেরিফিকেশনগুলো আবার ভেরিফাইড করে তাদেরকে জানাই। তখন তারা আমাদেরকে জানায় তাকে নজরদারিতে রেখেছে। তাদের পরামর্শেই আমরা রেড নোটিশটা আপডেট করে আরও কিছু মামলা ঢুকিয়ে দেই। ঢাকার ডিবির সঙ্গে এনসিবি বৈঠকে বসে তার কিছু আপডেট তথ্য নিয়ে দুবাইকে জানাই। সে দুবাইতে বসে নানা অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে। তার দুই সহযোগী ঢাকায় গ্রেপ্তার হয়েছে। এরপরই জিসানকে তারা গ্রেপ্তার করে। গত বুধবার তারা আমাদেরকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানায়। তিনি বলেন, এখন জিসান জুডিসিয়াল কাস্টরিতে আছে। দুবাই এনসিবি আমাদের কাছে কিছু কাগজপত্র চেয়েছে। কিছু কাগজপত্র আমরা ইতিমধ্যে পাঠিয়েছি। আরও কিছু মামলা ওয়ারেন্ট সংক্রান্ত কাগজপত্র ডিবির সহযোগীতায় রেডি করছি। সেগুলো পেলে আমার পাঠিয়ে দিব। তাহলে খুব তাড়াতাড়ি আমরা তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পারবো। জিসান ভারতীয় পাসপোর্ট ব্যবহার করছে তাই দুবাই তাকে ভারতে পাঠাবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমাদের অনুরোধে জিসানকে তারা গ্রেপ্তার করছে। তাই আমরাই তাকে দেশে নিয়ে আসব। আর সে শুধু ভারতীয় পাসপোর্ট নয় ভিন্ন দেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করতো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গত ১০ বছর তো বিএনপি ক্ষমতায় ছিল না: -ড. কামাল

ড. কামাল বলেন, গত ১০ বছরে যেসব অসম্ভব কাজ আওয়ামী লীগ করেছে, দশবছরে দেশে যেসব ঘটনা ঘটেছে, তার ক্রেডিট তারা দিতে চায় বিএনপিকে। বিএনপি অতীতে অনেক কিছু করতে পারে। কিন্তু গত দশ বছর ক্ষমতায় না থেকে সব কিছু তারা করেছে, এটা বলা কী ঠিক।
সুতরাং আমাদের বুঝতে হবে এ অভিযোগটার গ্রহণযোগ্যতা নাই।
সরকারের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, দেশের অবস্থা নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন। আমি তো মনে করি উদ্বিগ্ন না হওয়ার কথা না। এমনকি সরকারি দল যারা করেন, তাদের মধ্যে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
ড. কামাল হোসেন বলেন, নেতিবাচক কথা বলে আমরা এখান থেকে চলে যাব, এতে কোনো অগ্রগতি আনবে না। এই সরকারকে প্রত্যাখ্যান করেছি। প্রত্যাখ্যান করতে বাধ্য হয়েছি তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য। কিন্তু এটা করে তো কোনো লাভ হবে না। যেটা প্রয়োজন সেটা হলো- জনগণের ঐক্য, সর্বদলীয় ঐক্য। এই ঐক্য’র শিক্ষা আমরা বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকে পেয়েছিলাম। তিনি আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার শিক্ষা দিয়েছিলেন, ঐক্যের ব্যাপারে আমাদের জাগিয়ে তুলেছিলেন।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, আমি আমার দলের প্রতিনিধি হিসেবে এখানে এসেছি। আসার আগে দলের সঙ্গে কথা বলেছি। দল আমাকে এখানে আসার অনুমতি দিয়েছে। আপনারা যাই করেন না কেন, জাতীয় সরকার গঠন করতে, সব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিটা যোগ করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে আ স ম আবদুর রব বলেন, এখন ক্যাসিনো নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে, হৈ চৈ হচ্ছে। কিন্তু সব চেয়ে বড় ক্যাসিনো হয়ে গেছে ২৯শে ডিসেম্বর রাতে। সেই রাতের ক্যাসিনোতে গোটা জাতিকে হারিয়ে দিয়েছে এই সরকার।
আলোচনায় অংশ নেন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) সভাপতি মোস্তফা জামাল হায়দার, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহীম, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বাম নেতা সাইফুল হক, জেএসডি’র সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতনসহ অন্যরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইলিশের বাড়ি আসলে কোথায়: চাঁদপুর না বরগুনায়? by সানজানা চৌধুরী

বরগুনা কেন হতে চায় ইলিশের জেলা
চাঁদপুর কেন ইলিশের বাড়ি

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমরা একনায়কতন্ত্রের দিকে এগিয়ে চলেছি, এটা খুব স্পষ্ট: রাহুল গান্ধী
![]() |
| রাহুল গান্ধী |
দেশে গণপিটুনির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খোলা চিঠি লেখায় রামচন্দ্র গুহ, মণিরত্নম, অপর্ণা সেনসহ প্রায় ৫০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার এফআইআর দায়ের হওয়ায় সেই প্রসঙ্গে রাহুল গান্ধী ওই মন্তব্য করেছেন।
বিশিষ্টজনদের খোলা চিঠিতে বলা হয়, বিরুদ্ধ মতপ্রকাশের অধিকার ছাড়া কোনও গণতন্ত্র বাঁচতে পারে না। মুসলিম, দলিত ও অন্য সংখ্যালঘুদের গণপিটুনি দিয়ে হত্যা অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত। ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দিয়ে প্ররোচনামূলক, উগ্রহুঙ্কার দেয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয় চিঠিতে।
এসম্পর্কে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কিছু বললে, সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলে, তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হচ্ছে এবং তাকে আক্রমণ করা হয়। গণমাধ্যমকে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। কী চলছে তা সবাই জানে। এই জিনিস কারও কাছে গোপন নেই।’
রাহুল বলেন, দেশে দুটি মতাদর্শ আছে। একদিকে এমন ধারণা রয়েছে যে এক ব্যক্তি, এক মতাদর্শের ভিত্তিতে দেশের শাসন পরিচালনা করা উচিত এবং অন্য সবাইকে মুখ বন্ধ রাখা উচিত। অন্যদিকে, কংগ্রেস দল ও বিরোধীরা আছেন যারা এটি মানতে অস্বীকার করছে। তারা বলছে যে এদেশে বিভিন্ন মতাদর্শ, বিভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতি ও বিভিন্ন প্রকার ধারণা রয়েছে। তাদের কণ্ঠরোধ করা উচিত নয়। দেশে এটা নিয়েই মূল সংঘর্ষ হচ্ছে।’
অর্থনীতির ইস্যুতেও কেন্দ্রীয় নরেন্দ্র মোদী সরকারের সমালোচনা করে রাহুল বলেন, ওঁরা কেন অর্থনীতি ধ্বংস করেছেন সেজন্য প্রধানমন্ত্রীকে উত্তর দেয়া উচিত। ভারতের বৃহত্তম শক্তি ছিল এর অর্থনীতি কিন্তু আজ তাকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। এজন্য দেশে বেকারত্ব বেড়েছে বলেও রাহুল গান্ধী মন্তব্য করেন।
এ প্রসঙ্গে শুক্রবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মন্ত্রী ও কোলকাতার নব বালিগঞ্জ মহাবিদ্যালয়ের সিনিয়র অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তার রেডিও তেহরানকে বলেন, ‘রাহুল গান্ধী যখন পরাজয়ের নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে পদত্যাগ করেছিলেন, তাঁর দীর্ঘ চিঠিতে প্রসঙ্গগুলো উত্থাপিত হয়েছে। প্রসঙ্গগুলো ছিল, যে কেন এদেশটা স্বৈরতন্ত্রের দিকে এগোচ্ছে, এর সমস্ত লক্ষণ, সমস্ত বিষয়গুলো ওই চিঠির মধ্যে উল্লেখ করা আছে। কারণ মাঝে মাঝে মনে করিয়ে দিতে হচ্ছে যে একটা দেশ গণতন্ত্রের পথে পরিচালিত তখনই হয়, যখন তার সমস্ত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিকভাবে পরিচালিত হয়। কিন্তু আজকে আমরা লক্ষ্য করছি, দেখছি যে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো একের পর এক ভয়ঙ্করভাবে আক্রান্ত হচ্ছে! সকলেই জানেন, নির্বাচন কমিশন, জুডিশিয়ারিতে ভয়ঙ্করভাবে হস্তক্ষেপ হয়েছে যা ভাবাও যায় না। একজন মানুষ মুসলিম হওয়ার অপরাধে তাঁকে ত্রিপুরার হাইকোর্টে তাঁকে চিফ জাস্টিস হতে হবে, বড় হাইকোর্ট তিনি পাবেন না। কেন্দ্রীয় সরকার তার বিরোধিতা করছে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুপুরের আগেই টিসিবি’র পিয়াজ শেষ

সরজমিন দেখা গেছে, রাজধানীর ৩৫টি স্থানে টিসিবির মাধ্যমে পিয়াজ বিক্রি হলেও লাইনে দাঁড়িয়েও পিয়াজ পাননি না বলে অভিযোগ করেছেন ভোক্তারা। এছাড়া সরবরাহ কম থাকা, সঠিক সময়ে পিয়াজের ট্রাক না আসাসহ বেশকিছু অভিযোগ করেন ক্রেতারা।
গতকাল রাজধানীর সচিবালয় গেটে গিয়ে দেখা যায়, বেলা না গড়াতেই ফুরিয়ে গেছে পিয়াজ।
অন্যান্য পণ্য থাকলেও পিয়াজ শেষ। এদিকে, দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পিয়াজ না পেয়ে ফেরত যেতে হয়েছে অনেককেই।
এক ক্রেতা বলেন, সকাল ১০টার দিকে এসে দেখি টিসিবির গাড়ি এখনও আসেনি। তাই নিজের কাজ শেষ করে এসে দেখছি পিয়াজ শেষ। তারেক নামে এক ক্রেতা পিয়াজ কেনার পর পলিথিন খুলে দেখান তার মধ্যে বেশ কিছু পচা পিয়াজ। আর রয়েছে অতিরিক্ত আবর্জনা। আর পিয়াজের সাইজও তুলনামূলক অনেক ছোট। তিনি বলেন, দাম কম বলেই এই পিয়াজ কিনছি, তা না হলে কিনতাম না।
টিসিবি’র এক পিয়াজ বিক্রেতা বলেন, প্রতিদিন ৪০০ কেজি করে পিয়াজ পাই। আজ (গতকাল) পিয়াজের ক্রেতা একটু বেশি, তাই দ্রুত শেষ হয়ে গেছে। টিসিবির প্রতিটি গাড়িতে ১ হাজার কেজি পিয়াজ দেয়ার কথা থাকলেও তারা ৪০০ কেজি করে প্রতি গাড়িতে পিয়াজ দিচ্ছে।
এ বিষয়ে টিসিবির মুখপাত্র মো. হুমাউন কবির বলেন, এতদিন প্রতি ট্রাকে ৪০০ কেজি পিয়াজ দেয়া হয়েছে। শনিবার থেকে ১ হাজার কেজি করে পিয়াজ দেয়া হবে। তখন পিয়াজ না পাওয়ার ভোগান্তি থাকবে না। তিনি বলেন, পিয়াজ নিয়ে আতঙ্কিত হবার কিছু নেই। প্রতিদিনই মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পিয়াজ আসছে। ফলে ২/১ দিনের মধ্যে পিয়াজের দাম কমে যাবে বলে আশা করছি। বর্তমানে রাজধানীর ৩৫টি স্থানে পিয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে। প্রয়োজনে তা আরো বাড়ানো হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
জানা গেছে, কোরবানি ঈদের পর থেকেই পিয়াজের দাম বাড়তে শুরু করে। এরপর হঠাৎ করেই ভারত পিয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ায় এক লাফে দাম বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ১৩০ টাকায়। তবে অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়া পিয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। পুরান ঢাকার শ্যামবাজারের আড়তে গত দুই দিনে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটির দাম কেজিপ্রতি ২৫-৩০ টাকা কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। অবশ্য খুচরা বাজারে ততটা প্রভাব পড়েনি। শ্যামবাজারে প্রতি কেজি দেশি পিয়াজ ৭০ থেকে ৭৫ টাকা, ভারতীয় পিয়াজ ৬৫ থেকে ৭০ টাকা এবং মিয়ানমারের পিয়াজ ৫৮ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হয় বলে জানান ব্যবসায়ীরা। ঢাকার কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি পিয়াজ কেজিপ্রতি ১০০ টাকা এবং ভারতীয় পিয়াজ ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে, আগের চেয়ে দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকার মতো কমেছে। অবশ্য কোথাও কোথাও সেরা মানের দেশি পিয়াজের দাম কেজিপ্রতি ১২০ টাকায় উঠেছিল, যা এখন ১১০ টাকায় নেমেছে।
ভারত রপ্তানি বন্ধের আগে শ্যামবাজারে প্রতি কেজি ভারতীয় পিয়াজ ৫৫-৫৬ এবং দেশি পিয়াজ ৬০-৬৫ টাকায় বিক্রি হতো। খুচরা বাজারে বাছাই করা দেশি পিয়াজ ৭৫-৮০ টাকা, সাধারণ দেশি পিয়াজ ৭০ টাকা এবং ভারতীয় পিয়াজ ৬০-৬৫ টাকা কেজিতে বিক্রি করতেন বিক্রেতারা। ফলে দেখা যাচ্ছে, পাইকারিতে দাম আগের দরের কাছাকাছি চলে এসেছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বুধবারের কেনা দেশি পিয়াজ ১১০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। তবে বৃহস্পতিবার কেনা প্রতি কেজি পিয়াজ ১০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। তারা বলছেন, দু’একদিনের মধ্যে দাম আরো কমবে। শান্তিনগরের পিয়াজ ব্যবসায়ী বলেন, ভারত পিয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ার ফলে হঠাৎ করে দাম বেড়েছে। তবে মিয়ানমারসহ অন্যান্য দেশ থেকে সরকার জরুরি ভিত্তিতে পিয়াজ আমদানি করায়, বিদ্যমান সংকট কমে আসছে। এ কারণে পিয়াজের দাম কমছে।
বুধবার বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে পিয়াজের দাম ৮০ টাকায় নামবে। এরই মধ্যে মিয়ানমার থেকে ৪৮৩ টন পিয়াজ আনা হয়েছে। আরো ৫০০ টন পিয়াজ দেশে পৌঁছানোর অপেক্ষায়। মন্ত্রী বলেন, প্রতিদিনই পিয়াজ কম বেশি আমদানি করা হচ্ছে। কেজি প্রতি পিয়াজের আমদানি মূল্য ৪৫ টাকা। পাইকারি মূল্য, যাতায়াত মূল্য, সব মিলিয়ে ৫০ কিংবা ৬০ টাকা কেজি হওয়া উচিৎ। পিয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণ খুঁজতে ১০টি মনিটরিং টিম কাজ করছে। বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং গুদামকে জরিমানা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে প্রতিবছর দেশে পিয়াজের চাহিদা প্রায় ২৪ লাখ টন। এর মধ্যে গত ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে দেশে উৎপাদন হয়েছে ২৩.৭৬ লাখ টন। এছাড়া এই সময়ে আমদানি ১০ থেকে ১১ লাখ টন পিয়াজ আমদানি হয়েছে। ফলে, দেশে পর্যাপ্ত পিয়াজ মজুত থাকার পরেও দাম বেড়েই চলেছে।
যে ৩৫টি স্থানে পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে: সচিবালয়ের গেট, জাতীয় প্রেস ক্লাব, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল, বাংলাদেশ ব্যাংক চত্বর, দৈনিক বাংলা মোড়, শাহজাহানপুর বাজার, ফকিরাপুল বাজার ও আইডিয়াল জোন, মতিঝিল বক চত্বর, ভিক্টোরিয়া পার্ক, কাপ্তান বাজার, শান্তিনগর বাজার, মালিবাগ বাজার, বাসাবো বাজার, রামপুরা বনশ্রী, খিলগাঁও তালতলা বাজার, রামপুরা বাজার। এছাড়া সায়েন্সল্যাব মোড়, নিউ মার্কেট/নীলক্ষেত মোড়, ঝিগাতলা মোড়, পলাশী মোড়, শ্যামলী/কল্যাণপুর, খামারবাড়ি ফার্মগেট, রজনীগন্ধা সুপার মার্কেট, কলমীলতা মোড়, কচুক্ষেত, আগারগাঁও তালতলা ও নির্বাচন কমিশন অফিস। অন্যদিকে, উত্তরার রাজলক্ষ্মী কমপ্লেক্স, আশকোনা হাজি ক্যাম্প, মহাখালী কাঁচাবাজার, মিরপুর-১ নম্বর মাজার রোড, মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বর, শেওড়াপাড়া বাজার, মোহাম্মদপুর টাউনহল কাঁচাবাজার, দিলকুশা, মাদারটেক নন্দীপাড়া কৃষি ব্যাংকের সামনে টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে।
এদিকে, পিয়াজ রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। এর জেরে গোটা দক্ষিণ এশিয়ার পিয়াজের বাজারে আগুন লেগেছে। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ও নেপালের। এই তিন দেশে কোথাও দ্বিগুণ, কোথাও বা তিনগুণ বেড়ে গেছে পিয়াজের দাম। কলম্বোতে এখন পিয়াজের দাম শ্রীলঙ্কার মুদ্রায় ২৮০ থেকে ৩০০ (ভারতীয় মুদ্রায় ১২০ থেকে ১৩০ টাকা)। শ্রীলঙ্কা ইতিমধ্যেই চীন এবং মিশর থেকে আমদানির অর্ডার দিয়েছে। নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর এক সবজির বাজারে গৃহিণী সীমা পোখারেল রয়টার্সকে বলেন, পিয়াজের এবারের মূল্যবৃদ্ধি রীতিমতো ভয়ংকর। গত মাসের তুলনায় এবার দামটা দ্বিগুণ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বার অ্যাট ল’ পড়ে এসে ক্যাসিনো কারবারে আক্তারুজ্জামান

থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও কোরিয়াতেই বেশি যাওয়া আসা করতেন তিনি। এছাড়া ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ছিলো বেশি যাতায়াত। আশপাশের সবাই ভালো-ভদ্র ছেলে হিসেবেই জানে তাকে। কিন্তু হঠাৎ করেই থাই ডন সেলিম প্রধানের সহযোগী হিসেবে আলোচনায় আসেন সুগার। সেলিম ও তার সকল অপকর্মের সঙ্গী সুগার সম্পর্কে এখন ব্যাপক কৌতূহল সাধারণ মানুষের।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশে-বিদেশে সেলিমের নানা বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ছিলেন আক্তারুজ্জামান সুগার। অনলাইন ক্যাসিনো থেকে উপার্জিত অর্থ নামে-বেনামে অন্তত তিনটি একাউন্টে রাখতেন সুগার। পরবর্তীতে টাকা পাঠানো হতো থাইল্যান্ড ও কোরিয়ায়। সেলিম প্রধানের ব্যবসায়ীক অংশীদার উত্তর কোরিয়ার বাসিন্দা মি. দোর সঙ্গে একাধিকবার সাক্ষাত হয়েছে সুগারের। দেশে থাকাবস্থায় বাসা ও অফিসের বাইরে তেমন যেতেন না সেলিম। আর্থিক লেনদেন হতো এমন অনেকের সঙ্গে সেলিম প্রধানের হয়ে যোগাযোগ করতেন সুগার। এক্ষেত্রে ঢাকা ও চট্টগ্রামের কয়েক জনের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। সেলিম ও সুগারের তথ্য যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
জয়পুরহাটের সন্তান আক্তারুজ্জামান সুগার ২০০০ সালে বগুড়ার আজিজুল হক কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। তারপর ঢাকার ভূঁইয়া একাডেমী থেকে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে বার এট ’ল করার জন্য ২০০৭ সালে পাড়ি দেন যুক্তরাজ্যে। সূত্রমতে, সেখানেই পরিচয় হয় সেলিম প্রধানের সঙ্গে। লন্ডনে গেলেই সুগারকে ডাকতেন সেলিম। বারে, হোটেলে আড্ডায় সুগার ছিলেন তার বিশ্বস্ত সঙ্গী। পূর্ব লন্ডনে সাক্ষাতকালে মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত সুগারকে তার সঙ্গে কাজ করার প্রস্তাব দেন সেলিম।
যুক্তরাজ্যে যাওয়ার আগেই লায়লা আর্জুমান্দ আঁখি নামে এক এমবিবিএস ডাক্তারকে বিয়ে করেন। সম্পর্কে মামাতো বোন। মূলত কৃষক পরিবারের সন্তান সুগার আত্মীয়দের সহযোগিতায় বার এট ল’ করতে যান। দেশে ফিরে ২০১৬ সালে সেলিম প্রধানের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে কাজ শুরু করেন। জয়পুরহাটে সুগারের পরিচিতজনরা জানতেন, তিনি ঢাকায় একটি ল’ ফার্মে চাকরি করেন। তার স্ত্রী লায়লা আর্জুমান্দ আঁখি তখন জয়পুরহাটে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ডাক্তার হিসেবে কর্মরত। সুগার দেশে ফেরার পর তিনি এই চাকরি ছেড়ে দেন। সূত্রমতে, সুগারের উপার্জন বিপুল। যে কারণে স্ত্রীকে কোথাও চাকরি করতে দেননি। স্ত্রীকে নিয়ে রাজধানীর বাড্ডায় একটি বাসায় থাকতেন তিনি।
জয়পুরহাটের বাড়িতে থাকেন মা, বাবা ও তার দুই ভাই। বাড়িতে প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের টাকা পাঠাতেন সুগার।
গুলশানে সেলিম প্রধানের অফিসে নিয়মিত বসতেন তিনি। গুলশানের স্পা সেন্টারটাও দেখাশোনা করতেন। সেলিমের ব্যবসা ও টাকার হিসাব মূলত সুগারই দেখতেন। থাইল্যান্ড ও উত্তর কোরিয়ায় সেলিমের হয়ে কাজ করতেন তিনি। অনলাইন ক্যাসিনোর কোটি কোটি টাকা তার হাত দিয়েই বিদেশে পাঠাতেন সেলিম। তবে সেলিমের পরামর্শ ছিলো, দেশে তেমন কোনো সম্পত্তি করা যাবে না। তবুও সুগার বগুড়ায় বিলাস বহুল ফ্ল্যাট কিনেছেন। জমি কিনেছেন বিভিন্নস্থানে।
সুগারের ঘনিষ্ঠরা জানান, ছাত্রজীবন থেকেই সুগার মেধাবী। ১৯৯৮ সালে জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের গোপীনাথপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে স্টারমার্ক নিয়ে এসএসসি পাশ করেন তিনি। ছিলেন বিশ্বাসীও। দেশে-বিদেশে নিশ্চিন্তে তাকে ব্যবহার করতেন সেলিম।
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালের ফোঁপরা সুজাপুরের কৃষক আবু বক্করের সন্তান আক্তারুজ্জামান সুগার। ৩০শে সেপ্টেম্বর হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয় সেলিম প্রধানকে। তিনি ব্যাংককগামী একটি এয়ারলাইন্সের যাত্রী ছিলেন। পরদিন সেলিমের অফিস ও বাসায় অভিযান চালায় র্যাব। এসময় আটক করা হয় সেলিমের সহযোগী আক্তারুজ্জামান ও রোকনকে। অভিযানে ২৯ লাখ ৫ হাজার ৫০০ টাকা, ৭৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকার সমপরিমাণ ২৩টি দেশের মুদ্রা, ১২টি পাসপোর্ট, ১৩টি ব্যাংকের ৩২টি চেক, ৪৮ বোতল বিদেশি মদ, একটি বড় সার্ভার, চারটি ল্যাপটপ ও দুটি হরিণের চামড়া উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা হয়। বৃহস্পতিবার অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসার হোতা সেলিম প্রধান, আক্তারুজ্জামান ও রোকনের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। ঢাকা মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মইনুল ইসলাম শুনানি শেষে তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান জানান, সেলিম, আক্তারুজ্জামান ও রোকনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে। এসব বিষয়ে আসামিদের জিজ্ঞাসা করা হবে বলে জানান তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আদালতের অচলাবস্থায় কাশ্মিরি বন্দিদের দুর্ভোগ চরমে

গত ৫ আগস্ট কাশ্মিরের স্বায়ত্তশাসন কেড়ে নেওয়ার ঘোষণাকে ঘিরে ৪ আগস্ট থেকেই অচল হয়ে আছে কাশ্মিরের মানুষের জীবন। ইন্টারনেট ও মোবাইল সংযোগ বন্ধ রয়েছে। শুন্য হয়ে রয়েছে রাস্তাঘাট। মোতায়েন করা হয়েছে হাজার হাজার অতিরিক্ত সেনা সদস্য। কর্তৃপক্ষ স্কুল-আদালত স্বাভাবিকভাবে চালানোর ঘোষণা দিলেও তা হচ্ছে না। সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বন্ধ রাখা হয়েছে বেশিরভাগ ব্যবসা-বাণিজ্য। তবে ভারত শাসনের বিরোধিতাকারীদের হামলার আশঙ্কার কথাও বলছেন অনেক ব্যবসায়ী। রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী ও অ্যাকটিভিস্টসহ হাজার হাজার মানুষকে আটক রাখা হয়েছে। অনেককেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে রাজ্যের বাইরের কারাগারে।
কাশ্মিরের প্রধান শহর শ্রীনগরের উচ্চ আদালতের বড় একটি হল ঘরের সোফায় বসে থাকা আলতাফ হোসেন লোন বেশ উদ্বিগ্ন। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ৫০ কিলোমিটার দূরের বারামুল্লাহ শহরের নিজ বাড়ি থেকে শ্রীনগর এসেছেন তিনি। তার উদ্দেশ্য ভাই সাব্বিরের জন্য এক আইনজীবীর খোঁজে। গ্রামের নেতা সাব্বিরকে গ্রেফতার করা হয়েছে চরম বিতর্কিত জননিরাপত্তা আইনে। এই আইনের অধীনে গ্রেফতারকৃতদের অভিযোগ গঠন ছাড়াই দুই বছর পর্যন্ত আটক রাখা যায়।
সাব্বিরের জন্য কোনও আইনজীবী খুঁজে পাননি তার ভাই আলতাফ। কারণ জম্মু-কাশ্মির বার অ্যাসোসিয়েশন তাদের সাবেক সভাপতি মিয়া আবদুল কাইয়ুম ও নাজির আহমেদ রোঙ্গাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে ৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে আদালত বর্জন করে চলেছে। তাদের দুজনকেই জননিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার করে উত্তর প্রদেশের আলাদা দুটি কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বার অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে প্রায় দুই হাজার দুইশো আইনজীবীর আদালত বর্জনে ভোগান্তিতে পড়েছে আটককৃতদের পরিবারের সদস্যরা।
আইনজীবী ছাড়া কিভাবে ভাইকে মুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করবেন তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন আলতাফ। ইতিমধ্যেই তিনি সাব্বিরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ খারিজ করতে ‘হেবিয়াস কর্পাস’ আবেদন করেছেন তিনি। সাধারণত কোনও আটককৃত ব্যক্তিকে আদালতের সামনে হাজির করে তার আটকের বৈধতা পরীক্ষার আবেদন জানাতে ‘হেবিয়াস কর্পাস’ আবেদন করা হয়।
গত ৫ আগস্ট থেকে এধরণের প্রায় আড়াইশোটি আবেদন জমা পড়েছে। তবে এর বেশিরভাগই শুনানি হয়নি। এসব আবেদনের শুনানির জন্য মাত্র দুজন বিচারক নিয়োগ দিয়েছে আদালত। আইনজীবী সংকটের পাশাপাশি আদালতের বিচারক সংখ্যাও ১৭ থেকে কমিয়ে নয় জন করা হয়েছে। হতাশ আলতাফ হোসেন বলেন, আমি জানি না কী করতে হবে। তিনি জানান এখন সাব্বিরের স্ত্রী, দুই সন্তান আর তাদের ৮০ বছর বয়সী মাকে দেখভাল করতে হচ্ছে তাকে।
আইনজীবীরা বলছেন, সহকর্মীদের মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের আদালত বর্জনের কর্মসূচি চলবে। তবে কোনও কোনও আইনজীবী পরিবারের সদস্যদের পক্ষে ‘হেবিয়াস কর্পাস’ আবেদন করতে সাহায্য করছেন। আদালতে পরবর্তী শুনানির সময়ে আবেদনকারী বা তাদের আত্মীয়রা বিচারকের সামনে হাজির হতে পারে।
শ্রীনগর আদালতে তারিক নামে আরেক ব্যক্তি জানান গত ৭ আগস্ট গ্রেফতার হওয়া শ্বশুরের জন্য আইনজীবী খুঁজছেন তিনি। তিনি বলেন, ৬৩ বছর বয়সী মানুষটিকে মধ্যরাতে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তুলে নিয়ে গিয়ে কয়েক দিন স্থানীয় থানায় আটকে রাখে। পরে তাকে শ্রীনগর কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। তারিক বলেন, তিনি জামাত-ই-ইসলামির (কাশ্মিরে দিল্লির শাসনের বিরোধিতা করে দলটি) মতাদর্শ অনুসরণ করেন কিন্তু পাঁচ বছর ওই দল ছেড়ে দেন তিনি। তারিক বলেন, আমরা একমাস ধরে দৌড়ে বেড়াচ্ছি। তার দুটো অপারেশন হয়েছে।
শ্রীনগর উচ্চ আদালতের এই অচলাবস্থা সুপ্রিম কোর্টে তোলা হয়েছে। এমনকি প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ ঘোষণা করেছেন, সংবাদমাধ্যমে যেরকম বাজে পরিস্থিতির খবর প্রকাশিত হচ্ছে তা সত্যি কিনা তা প্রত্যক্ষ করতে শ্রীনগর সফর করতে পারেন তিনি। তবে এখনও সফরের দিন ঠিক করেননি তিনি।
তবে আদালতের অচলাবস্থায় ভারতের বিভিন্ন কারাগারে আটক থাকতে বাধ্য হচ্ছে হাজার হাজার কাশ্মিরি। কাশ্মির বার অ্যাসোসিয়েশনের আইনজীবী মুদাচ্ছির বলেন, সাধারণত একটি হেবিয়াস কর্পাস আবেদন উপস্থাপনের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আদালত নোটিশ জারি করে আর চতুর্থ কর্মদিবসের আগেই রাজ্য সরকারকে তার জবাব দিতে হয়। তার ১৫ দিনের মধ্যেই মামলার সিদ্ধান্ত হয়ে যায়। এখন এই প্রক্রিয়া সপ্তাহ, মাস এমনকি বছরও লেগে যেতে পারে।
নিজেদের কাজ চালিয়ে যেতেও সমস্যাও পড়ছেন আইনজীবীরা। সিনিয়র আইনজীবী রফিক বাজাজ বলেন, ‘আমরা ক্লায়েন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না। শুরুর দিকে স্ট্যাম্প ও কাগজের ঘাটতি ছিলো। আমরা সাধারণ সাদা কাগজে জামিন আবেদন লিখেছি। মানুষ বহু দূর থেকে পায়ে হেটে থানায় আসে তথ্যের জন্য। আবেদন লিখতে স্টেনোগ্রাফারেরও সংকট আছে। ইন্টারনেট না থাকায় আমরা আটকের কারণও জানতে পারছি না’। পরিণতি যাই হোক না কেন আদালত বর্জন অব্যাহত থাকবে বলে জানান এই সিনিয়র আইনজীবী। তিনি বলেন, এটা অধিকার ও পরিচয়ের প্রশ্ন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মানুষকে খাঁচায় বন্দি করে রাখা হয়েছে, শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করারও অধিকার নেই: -ইলতিজা মুফতি

ইলতিজা বলেন, ‘আমার ধারণা এখানে এখন নেতা ছাড়াই আন্দোলন হবে। জনগণ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তাদের অধিকার ফিরে পেতে চায় এবং এজন্য তারা শান্তিপূর্ণভাবে লড়াই করবে। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হ'ল এই সরকার, মানুষকে খাঁচায় বন্দি করে রেখেছে। এমনকি তদেরকে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার জন্য অধিকারও দিচ্ছে না।’
কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দশ্যে তিনি বলেন, ‘আসলে তারা কাশ্মীরকে শক্তিহীন করতে চায়। জম্মু-কাশ্মীরকে যদি সন্ত্রাসের দুর্গ বলে অভিহিত করা হয়, তাহলে দেশের বাকি অংশ গণপিটুনিস্তানে পরিণত হয়েছে। আসলে, ওরা চায় না যে কাশ্মীর থেকে একটিও আওয়াজ উঠুক। এখানে যখন ইন্টারনেট ফিরে আসবে, লোকেরা তখন বলতে পারবে কীভাবে তাদের দু’মাস ধরে বন্দি করে রাখা হয়েছিল।’
ইলতিজা বলেন, ‘কত ছোট ছোটো বাচ্চাকে আটক করে নির্যাতন করা হয়েছে। ওরা চায় না যে এই সমস্ত বিষয় প্রকাশ্যে আসুক। এখন তো এখানে সম্পূর্ণ অন্ধকার দেখাচ্ছে। দেখা যাক এরপরে কী ঘটে। কিন্তু আমি মনে করি না যে কাশ্মীরিরা এখন সেই পর্যায়ে আছেন যেখানে তাদের মেহবুবা মুফতি বা ওমর আবদুল্লাহর নেতৃত্বের প্রয়োজন রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমি এই প্রথমবারের মতো নার্ভাস হয়েছি যে আমি একজন মুসলিম! আমি এত বছরে এধরণের ভয় অনুভব করিনি। এই সরকারের যে সিদ্ধান্তই হোক না কেন, এনআরসি, ৩৭০ ধারা নিষ্ক্রিয় করা বা নাগরিকত্ব বিল যা-ই হোক না কেন, এরফলে মনে হচ্ছে এদেশের আত্মাকে প্রতিদিনই আঘাত করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, কাশ্মীর সম্পর্কে যে ছবির কথা বলা হয় যে কাশ্মীরের মানুষ পাথর নিক্ষেপ করতে চায়, তাঁরা শান্তি চায় না। এটি একেবারেই ভুল।
কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা অপসারণ প্রসঙ্গে ইলতিজা বলেন, ‘আপনি যখন কাশ্মীর সম্পর্কে এরকম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছিলেন, এখানকার লোকদের কী অধিকার নেই যে তাদের মতামত নিয়ে তারপরে ওই সিদ্ধান্ত নেয়ার। এখানকার লোকদের নিজের বক্তব্য জানাবার অধিকার রয়েছে। কাশ্মীরে পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে, কারণ কেন্দ্রীয় সরকার এত বড় একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।’ তাঁর প্রশ্ন- যদি তারা জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন ও ভালো চায় তবে তারা একে বিভক্ত করেছে কেন?
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অনেক চক্রান্ত চলছে: -ওমর সানী

আজকে তারা কেউ নেই। কোনো এক অদৃশ্য ভয়ের কারণে, আমি নাম বলতে চাই না। সেই শক্তি চায় সভাপতি, সেক্রেটারী এবং অনান্য ক্যাটাগরিতে কেউ যেন না দাঁড়ায় নির্বাচনে। আমি বলেছি যে, তোমাকে দাঁড়াতে হবে নির্বাচনে। আপনারা যে বলছেন বা গুজব ছড়াচ্ছেন যে, মৌসুমী দাঁড়াবে না। মৌসুমী আসলেই দাঁড়াতো না। সেই সুযোগ তো মৌসুমীকে আপনারা দিলেন না। সেই সুযোগটা কি জানেন? মৌসুমী চেয়েছিলো-মাহমুদ কলি, পারভেজ (সোহেল রানা), আলমগীর, ওয়াসিম, উজ্জল, ফারুক, ইলিয়াস কাঞ্চন ভাই আসুক আমি ছেড়ে দিব। যদিও উনারা আজীবন সদস্য এই সমিতির। এমনকি ডিপজল কিংবা রুবেল ভাই নির্বাচন করুক আমি ছেড়ে দিব। কিন্তু সেই সুযোগ তো আপনারা দিলেন না মৌসুমীকে। আপনারা কি দিয়েছেন? আমার দৃঢ় বিশ্বাস ডিপজল সাহেব সভাপতি পদে নির্বাচন করলে মৌসুমী এই পদে নির্বাচন করত না। রুবেল ভাই সভাপতি পদে দাঁড়ালে মৌসুমী বসে যেতো। তারা তো সিনিয়র এবং আজীবন সদস্য। এই সুযোগটা কি দিয়েছেন আপনারা? মিশার সাথে বসতে হবে কেনো? মানুষের হারজিৎ আছেই। হয়তবা মৌসুমী পরাজিত হবে, মিশা জয়ী হবে। অথবা মিশা পরাজিত হবে, মৌসুমী জয়ী হবে। এটা এমন কিছু ব্যাপার না। কিন্তু এটাকে এতভাবে নিচ্ছেন কেনো আপনারা? এত ভয় কিসের? সেক্রেটারী করতে পারবে না, প্রেসিডেন্ট করতে পারবে না-এটাতে এমন কি মধু আছে? এখানে তো আরো নিজের টাকা খরচ হবার কথা। কার স্বার্থ কাজ করছে এখানে? এখানে থাকলে টাকা ইনকাম করা যাবে। এটা তো সেই জায়গা না। এই ফিল তো মান্না সাহেব, রুবেল ভাই, ডিপজল সাহেব, আলমগীর, ফারুক কিংবা কাঞ্চন সাহেব করেননি। কে করছে কোন জায়গার থেকে করছে? এটা বুঝতে হবে। সময় এসেছে। মৌসুমী অটল। নির্বাচন করবে। আমার দৃঢ বিশ্বাস মৌসুমীর কলিগরা, সিনিয়রা, জুনিয়রা কিংবা আমরা কেউই পিছপা হব না। একলা চলার মধ্যেও আমাদের জনাব ডি এ তায়েব সাহেব আছেন। মৌসুমী এবং ডিএ তায়েব আছে ও থাকবে। ইনশাআল্লাহ। আমরা আশা করবো, আপনারা ভোট দিবেন এবং প্যানেল কোনো ফ্যাক্ট না। আমার মনে হয় ব্যক্তি হচ্ছে ফ্যাক্টর। প্যানেল বলতে কোনো শব্দ নেই, আমি দেখাতে পারি। আশা করবো, ২৫ তারিখের নির্বাচনে যারা স্বতন্ত্র আছে তারা সকলে জয়লাভ করবেন। এবং জায়েদ-মিশা গ্রুপ থেকে যারা ভালো, পাস করবেন- তাদের সকলকে স্বাগতম। অনেক ভালো প্রার্থী আছে ওখানে, আমার অনেক বন্ধু, বান্ধবী আছে এবং আমার ছোট ভাইয়েরাও আছে। এটা শত্রুতার খেলা না, বন্ধুত্বের খেলা। তবে এটা শত্রুতা হিসেবে নিয়ে ফেলেছে অনেকেই। এই যে আমি করিনি তো কি হয়েছে। সমস্যাটা কি? আবারো বলছি, মৌসুমীকে বসার জন্য অনেক চেষ্টা হয়েছে। মৌসুমীতো বসতো সেই সুযোগটাই দিলেন না। মৃতপ্রায় চলচ্চিত্রকে আমরা চেষ্টা করিনা বাঁচানোর জন্য। যারা স্বার্থ নিয়ে চলচ্চিত্রকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে, পকেট ভারীর ধান্দা করছে- তাদেরকে আমরা বিতাড়িত করবো ইনশাল্লাহ। আজ অথবা কাল। ভয় পাব না আমরা। ভয়কে আমরা জয় করবো ইনশাল্লাহ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
October
(602)
-
▼
Oct 05
(32)
- কলকাতার যে দুর্গাপূজা আয়োজনের উদ্যোক্তা মুসলমানের...
- অভিশপ্ত মাদক: যে কারণে ইউরোপ ও আমেরিকা ইসলামি ইরান...
- মুসলিম নারীর বাগানে নির্মিত চার্চ ভাঙার নির্দেশ ইউ...
- বাংলাদেশে ক্ষতিকর প্রকল্প, সুবিধা নেবে ভারত: -সংবা...
- অনলাইন ক্যাসিনো বাণিজ্যেও বিদেশিরা by আল-আমিন
- জাপানে মাফিয়া দলের সদস্য ছিল সেলিম: ছোটবেলা থেকেই ...
- সৌদি আরবে অবিবাহিত নারী-পুরুষ থাকতে পারবেন হোটেলের...
- ঢাবি’র গণরুম যেন কয়েদখানা by পিয়াস সরকার
- দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় শেখ ...
- বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে শিলিগুড়ি যাবে ভারতের ট্রেন ...
- এবার কে২-১৮বি গ্রহে পানির উপস্থিতি নিশ্চিত করলো বি...
- পারস্পরিক স্বার্থে কাজ করতে বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যব...
- দুবাই থেকেও ঢাকার আন্ডার ওয়ার্ল্ডের ডন ছিল জিসান b...
- গত ১০ বছর তো বিএনপি ক্ষমতায় ছিল না: -ড. কামাল
- ইলিশের বাড়ি আসলে কোথায়: চাঁদপুর না বরগুনায়? by ...
- আমরা একনায়কতন্ত্রের দিকে এগিয়ে চলেছি, এটা খুব স্...
- দুপুরের আগেই টিসিবি’র পিয়াজ শেষ
- বার অ্যাট ল’ পড়ে এসে ক্যাসিনো কারবারে আক্তারুজ্জামান
- আদালতের অচলাবস্থায় কাশ্মিরি বন্দিদের দুর্ভোগ চরমে
- মানুষকে খাঁচায় বন্দি করে রাখা হয়েছে, শান্তিপূর্ণভ...
- চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অনেক চক্রান্ত চল...
- ইরাকে বিক্ষোভে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৯, আলোচনার প্রস্...
- সৌদিতে আরও ভয়াবহ হামলার হুমকি দিল হাজার হাজার ইয়েমেনি
- নগরে টোকেনে চলে ৯২ ভাগ রিকশা
- ভারতের কাছ থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্তি কী? by আবুল কা...
- এক ভুবনের দুই বাসিন্দা: যেখানে কেবলই চমক আর বিস্ময়...
- উগ্র সহিংসতার প্রতি নিরব সমর্থন দিয়ে অপরাধবোধ ঘুচা...
- পাকিস্তান-যুক্তরাষ্ট্র: সন্তোষজনক সম্পর্ক by ড. জা...
- শিশুদের সরাসরি ‘না’ নয়
- পাকিস্তানি হামলা মোকাবিলায় ইসরাইলী ‘ট্যাংক কিলার’ ...
- ভারত-পাকিস্তান পারমাণবিক যুদ্ধ হলে তাৎক্ষণিকভাবে ম...
- স্বাস্থ্যের তুঘলকি প্রস্তাবে তোলপাড়: বালিশ ২৭০০০, ...
-
▼
Oct 05
(32)
-
▼
October
(602)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

