Saturday, March 13, 2010
অধ্যাপক রেহমান সোবহান: স্যারের প্রতি by এম এম আকাশ
এতগুলো ‘বিশেষণ’ আরোপের পর থমকে দাঁড়িয়ে ভাবছি, ‘ভুল বললাম কি?’ না। আমার মনে হয়, আমি ঠিকই বলেছি। ১৯৯০-এ সোভিয়েত ব্যবস্থার যখন বিপর্যয় হলো, চীনেও যখন নতুন বাজার সমাজতন্ত্রের জয়-জয়কার, তখন আমরা অনেক দুর্বলচিত্ত মানুষকে দেখেছি—হয় ১৮০ ডিগ্রি বিপরীতে স্বপ্ন বিসর্জন দিয়েছেন অথবা উটপাখির মতো বালিতে মুখ গুঁজে কঠিন সত্যের মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়েছেন। অধ্যাপক রেহমান সোবহান এ সময় এ দুটোর কোনোটাই করেননি। নিজের পুরোনো স্বপ্নটাকে নতুন বাস্তবতায় সৃজনশীলভাবে পুনর্গঠিত করে নিয়েছেন মাত্র। সৃজনশীল গবেষক অধ্যাপক রেহমান সোবহান এই ৭৫ বছর বয়সে ব্যাপৃত হয়েছেন নতুন এক মৌলিক গবেষণায়। তাঁর গবেষণার বিষয় নতুন ধরনের মালিকানাপদ্ধতি নির্মাণ, যা গোটা দক্ষিণ এশিয়ার শোষিত-দরিদ্রদের শোষণ থেকে মুক্ত করে আমলাতন্ত্রের হাতে বন্দী করে ফেলবে না, বরং পরিণত করবে মূলধারার অর্থনীতির একজন শক্তিশালী নায়কে। সূচিত হবে স্যারের ভাষায় ‘অন্তর্ভুক্তির অর্থনীতি’ (Inclusive Economy) এবং ‘অন্তর্ভুক্তির গণতন্ত্র’ (Inclusive Democracy)। স্যারের এই গবেষণায় কিছুটা শরিক থাকার সুবাদে স্যারের এ বাস্তবভিত্তিক স্বপ্নের কথাটা আমার জানা আছে। স্যার এ গবেষণাটি শুরুর সময় আমাকে বলেছিলেন, এটি হবে তাঁর জীবনের অন্যতম কাজ। স্যার নিশ্চয়ই এ কাজ সমাপ্ত করে যাবেন, এ প্রত্যাশাই আমরা করব।
একজন সফল মানুষ সম্পর্কে প্রায়ই বলা হয়, ‘তাঁর কীর্তির চেয়ে সে মহত্’। অধ্যাপক রেহমান সোবহান সম্পর্কে এ কথা নির্দ্বিধায় আমরা স্বীকার করব। মাত্র ২৬ বছর বয়সে তিনি রচনা করেছিলেন বিখ্যাত ‘দুই অর্থনীতি’ শীর্ষক রচনা—যেটি পাঠ করে তত্কালীন স্বৈরশাসক আইয়ুব খান প্রশ্ন রেখেছিলেন, ‘কে এই ছোকরা?’
এরপর তাঁর লেখা ও অবদান আর থেমে থাকেনি। দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত খাত, চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষ, আশির দশকে পরনির্ভরতার অর্থনীতি, বুর্জোয়া রাষ্ট্রব্যবস্থার সংকট, প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে প্রণীত তিন খণ্ডের টাস্কফোর্স রিপোর্ট, খেলাপি ঋণ ও ব্যাংক সংস্কার নিয়ে গবেষণা, ভূমি সংস্কার নিয়ে মৌলিক গ্রন্থ প্রণয়ন ইত্যাদি গবেষণা কাজের পাশাপাশি তিনি গড়ে তুলেছেন নানা প্রতিষ্ঠান। বিআইডিএসের পরিচালক ছিলেন তিনি। তার পর ধীরে ধীরে গড়ে তুলেছেন এ দেশের অন্যতম ‘থিংক ট্যাংক’ সিপিডি। এখনো তিনি সিপিডির চেয়ারম্যানের পদে অধিষ্ঠিত থেকে নিয়মিত গবেষণা-চর্চা অব্যাহত রেখেছেন। ২০০৭ সালের মার্চ মাসে সিপিডি থেকে তিন খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে অধ্যাপক সোবহানের নির্বাচিত রচনাবলির সংকলন। অধ্যাপক সোবহানের ৭৩তম জন্মবার্ষিকীতে প্রকাশিত এ সংকলনের ভূমিকা-লেখক অমর্ত্য সেন ভূমিকায় লিখেছেন, ‘রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ এবং ইতিহাসবিদের জন্য এই রচনাবলি একটি রত্নভান্ডারবিশেষ। পাশাপাশি এ রচনাগুলো হচ্ছে এই কর্মময় বিশ্বের একজন নেতৃস্থানীয় যুক্তিবাদী সাহসী মানুষের জীবনের সাক্ষী, যার ভিত্তিতে আমরা তাঁর জীবনকে উদ্যাপনও করতে পারি। এই মহত্ সৃষ্টির অংশবিশেষ আগেই আমার দেখবার সৌভাগ্য হয়েছিল। তখনই আমি ভেবেছিলাম কী বিপুল মহত্ সৃষ্টি সামনে অপেক্ষা করে আছে। তিন খণ্ডে সমাপ্ত এই রচনাবলি সেই মহত্ কর্মময় জীবনের এক বিস্ময়কর বিবরণ।’
স্যারের কি কোনো সমালোচনা নেই? আছে। স্যার নিজেই সম্ভবত সে বিষয়ে খুবই সচেতন। তাঁর মুখে আত্মপ্রশংসা কখনো শুনেছি বলে মনে হয় না। এক সময় তিনি প্রথম আলোয় একটা কলাম লিখতেন, যার শিরোনাম ছিল—
‘আমার সমালোচক আমার বন্ধু’।
স্যারের সমালোচক বন্ধুরা স্যার সম্পর্কে একটি অভিযোগ করেন। আওয়ামী লীগের প্রতি স্যারের ঐতিহাসিক সহজাত পক্ষপাতিত্ব। আমি বলব, মজার ব্যাপার হচ্ছে, আওয়ামী লীগ স্যারকে কিন্তু ততটা বন্ধু এখন আর মনে করে না।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুলিশের মিছিল -অপরাধ দমন by এ কে এম জাকারিয়া
প্রতিবেদক এর পরের লাইনেই লিখেছেন, ‘তবে এ মিছিল কোনো দাবি আদায়ের জন্য নয়, মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মাদক ব্যবসা বন্ধ ও মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতেই পুলিশের এই বিশেষ উদ্যোগ।’ উদ্যোগ মহত্ এতে কোনো সন্দেহ নেই। জনসচেতনা বৃদ্ধির জন্য এমন কিছু হতেই পারে। পুলিশের এই বিশেষ অভিযান বা ‘মিছিলের’ সময় তারা মাইকে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন করার চেষ্টা করেছেন, একটি সমাবেশও করেছেন। জনগণকে সচেতন করার এই চেষ্টার গুরুত্ব রয়েছে। আখেরে নিশ্চিয় তার ফল পাওয়া যাবে। জনগণকে সচেতন করা বা মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য জনগণকে সাহস জোগানোর জন্য শুধু পুলিশের এই ‘মিছিল’ বা বিশেষ অভিযান হয়ে থাকলে কোনো কথা নেই। কিন্তু পত্রিকার খবরে দেখলাম, মাদক ব্যবসায়ীদের ধরাও নাকি এই ‘মিছিলের’ একটি লক্ষ্য ছিল। ‘মিছিল’ করে কি মাদক ব্যবসায়ীদের ধরা আদৌ সম্ভব?
পুলিশ যে সমাবেশ করেছে, সেখানে পুলিশের উপকমিশনার প্রায় জনা পঞ্চাশেক নারী-পুরুষের নাম উল্লেখ করেছেন। তাঁদের কতজন হেরোইন বিক্রি করেন, কতজন গাঁজা বিক্রি করেন, কারা পাইকারি বিক্রি করেন, কারা খুচরা বিক্রি করেন, ফেনসিডিল বিক্রি করেন কতজন—সব তথ্যই তিনি দিয়েছেন। মানে সবকিছুই পুলিশের জানা। ‘মিছিল’ না করে এই মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে তাহলে বাধা কোথায়? ধরে নিচ্ছি এই মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে পুলিশ জনগণকে সচেতন করতে চেয়েছে। তাহলে খুব দ্রুত এই মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে একটি অভিযান কি আমরা আশা করতে পারি? যে এলাকাবাসীকে পুলিশ সচেতন করতে চেয়েছে, তাঁদের অনেকে প্রথম আলোকে বলেছেন, মাদক ব্যবসায়ীদের ধরিয়ে দিলে তাঁরা আর বাঁচতে পারবেন না। এদের পেছেনে পুলিশ যেমন আছে, তেমনি বড় সন্ত্রাসীরাও আছে। এ অভিযোগের ব্যাপারে পুলিশের বক্তব্য কী, তা প্রতিবেদনে নেই। অভিযোগ সত্য হয়ে থাকলে অভিযানের নামে গত বুধবার একটি অর্থহীন তবে কৌতূহল-জাগানো ‘পুলিশের মিছিল’ অনেকে উপভোগ করেছেন। আর অভিযোগটি অসত্য হয়ে থাকলে এর প্রমাণ পেতে আমাদের নিশ্চয় খুব বেশি অপেক্ষা করতে হবে না। ‘এ বস্তিতে মোমিনের মা বলে একজন মাদক ব্যবসায়ী আছে, যাকে ধরা যায় না। মোমিনের মা হোক আর কাফেরের মা হোক, কারও ক্ষমা নেই, ধরা পড়তেই হবে।’ পুলিশের উপকমিশনারের এই আশ্বাসের ওপর ভরসা রেখে অপেক্ষা করা ছাড়া যে আমাদের সামনে আর কোনো পথ নেই।
কারওয়ান বাজারে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান সামনে কোনো না কোনো সময় নিশ্চয়ই হবে। কৌতূহল হচ্ছে, তা এবারের মতো ঢাকঢোল পিটিয়ে ‘মিছিলের’ আকারে হবে না তো! মাদক ব্যবসায়ীদের তো তাহলে ধরা পড়ার জন্য ‘পুলিশের মিছিলের’ অপেক্ষায় বসে থাকতে হবে। মাইকে ঘোষণা হবে, পুলিশ মিছিল শুরু করবে, আর মাদক ব্যবসায়ীরা যার যার স্পটে বসে থাকবে, একে একে সবাইকে ধরে নিয়ে পুলিশ থানাহাজতে পুরবে!
মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে হলে অভিযান চালাতে হবে গোপনে আর আকস্মিকভাবে। কারওয়ান বাজার এলাকার বস্তিবাসী পুলিশের কারও কারও সঙ্গে মাদক ব্যবসায়ীদের যোগসাজশের যে দাবি করেছেন, তা সত্য হলে অভিযানের খবর গোপন রাখা কঠিন হবে। গোপন অভিযানের পরিকল্পনা নিলেও দেখা যাবে যে তা ফাঁস হয়ে গেছে। সেখানকার মাদক ব্যবসায়ীদের পুলিশ যেভাবে চিহ্নিত করছে, তেমনি মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগসাজশ আছে, এমন পুলিশ সদস্যদেরও শনাক্ত করা জরুরি। অভিযানের খবর তারা যেন জানতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। আর মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার কারণে ওই পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতেও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। আর ‘মিছিল’ করে অভিযানের ফল কী হতে পারে, তা তো আমরা দেখলাম! পত্রিকার তথ্য হচ্ছে, এই বিশেষ অভিযানে একজন মাদক ব্যবসায়ীও ধরা পড়েনি।
বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে কোনো বিশেষ ঘটনা বা উপলক্ষ ছাড়া পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের রাস্তাঘাটে খুব একটা চোখে পড়ে না। কিন্তু কোনো ঘটনা ঘটে গেলে মুহূর্তের মধ্যে তারা কোথা থেকে যেন এসে হাজির হন। কয়েকটি দেশে একই ধরনের অভিজ্ঞতা হয়েছে। তাঁরা আশপাশেই থাকেন কিন্তু নিজেদের খুব দৃশ্যমান করে রাখেন না। আমাদের এখানে ঠিক উল্টো। রাস্তাঘাটে আমরা আমাদের পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখি। তাঁদের তত্পরতা আমাদের বেশ চোখে পড়ে। কিন্তু ছিনতাই বা এ ধরনের কোনো অপরাধ ঘটে গেলে সহজে তাদের দেখা মেলে না। পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা খুব বেশি দৃশ্যমান থাকায় অপরাধীদের পক্ষে কোনো অপরাধ ঘটানোর স্থান নির্বাচন খুব সহজ হয়ে যায়। অপরাধীরা সহজেই টের পেয়ে যান, কোথায় পুলিশ আছে আর কোথায় নেই। রাজধানীতে মলম পার্টির ছিনতাই খুব বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন স্থানে টহল-চৌকি (চেকপোস্ট) বসিয়ে পুলিশ যে বাড়তি উদ্যোগ নিয়েছিল, তার বেশ ফল পাওয়া গেছে। কিন্তু টহল-চৌকিগুলো কিছু নির্ধারিত জায়গায় হওয়ায় দু-এক দিনের মধ্যেই অপরাধীরা টের পেয়ে যায়, কোন কোন রাস্তা তাদের জন্য নিরাপদ নয়। সেই রাস্তাগুলো তারা এড়িয়ে চলে। তারা নতুন রুট কাজে লাগায়। অপরাধীদের চেয়ে পুলিশ যদি আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে না থাকে, তবে তাদের দমন করা কঠিন। এ ধরনের বিষয়গুলো নিশ্চয় পুলিশের বিবেচনায় রয়েছে। টহল-চৌকিগুলো যে পরিবর্তিত হয় না তাও নয়। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকার স্থায়ী টহল-চৌকিগুলো ছাড়া বাকিগুলো প্রায় প্রতিদিন পরিবর্তন করতে পারলে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে।
রাস্তায় অসংখ্য দৃশ্যমান পুলিশ বা পুলিশের ‘মিছিলের’ চেয়ে অপরাধীদের আস্তানায় নিয়মিত গোপন ও আকস্মিক অভিযান এবং কোনো অপরাধ ঘটে গেলে ঘটনাস্থলে দ্রুত উপস্থিত হওয়ার সক্ষমতা অর্জনই অপরাধ দমনে কার্যকর ফল দিতে পারে।
এ কে এম জাকারিয়া: সাংবাদিক।
akmzakaria@gmail.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ইসলাম by মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
বর্তমানে সারা দুনিয়ায় নারী-পুরুষ কোনো না কোনোভাবে নির্যাতিত হচ্ছে। আমাদের দেশেও নারী নির্যাতনের ঘটনা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। নির্যাতনের ফলে অনেকের মৃত্যু হয়, কেউ আত্মহত্যায় বাধ্য হয়। কখনো স্বামী স্ত্রীকে অথবা স্ত্রী স্বামীকে হত্যা করছে। এসবের মূলে রয়েছে মানুষের প্রতি মানুষের মমত্ববোধ, সম্প্রীতি ও ভালোবাসার অভাব এবং নারীর সম্পদের মোহ ও লালসা তাদের অন্তরকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। অথচ এসব লোভনীয় জাগতিক উপকরণ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘নারী, সন্তান, সোনা ও রুপার ভাণ্ডার এবং পছন্দসই ঘোড়া ও চতুষ্পদ জন্তু এবং খেত-খামারের প্রতি আসক্তি মানুষের কাছে মনোরম করা হয়েছে। এসব পার্থিব ভোগ্যবস্তু এবং আল্লাহর কাছে উত্তম আশ্রয়স্থল রয়েছে।’ (সূরা আলে ইমরান, আয়াত-১৪)
সারা বিশ্বে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উভয় প্রকারে অর্থের লোভে বিদেশে নারী পাচার করে, স্বামী-স্ত্রীর বিরোধের জের হিসেবে বা যৌতুকের জন্য মারপিট করে বা শ্বাসরুদ্ধ করে, বিষ প্রয়োগে, ধর্ষণের পর হত্যা করে, গুলি করে এবং এসিড নিক্ষেপ করে নানান উপায়ে নারীর প্রতি সহিংসতা ও নির্যাতন চলছে। ইসলাম পরিপন্থী এসব লোমহর্ষক নির্যাতন বন্ধের উপায় খুঁজে বের করে সমস্যার সমাধানকল্পে ধর্মপ্রাণ জাতিকে ঐক্যবদ্ধভাবে চেষ্টা চালানো খুবই জরুরি। এসিড মেরে নারীর প্রতি প্রতিহিংসা চরিতার্থকরণ, যৌতুকের জন্য নিরীহ বধূর ওপর শ্বশুরালয়ের সবাই মিলে মানসিক নির্যাতন চালানো, কখনো শারীরিক অত্যাচার এমনকি অধিকাংশ সময় হত্যার ঘটনাও ঘটে থাকে। নারী নির্যাতন বন্ধে অভিভাবক মহলের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করা দরকার। সবাইকে উপলব্ধি করতে হবে যে নারী-পুরুষ মিলে যে ঘর-সংসার, বহু ঘর নিয়ে যে মুসলিম সমাজ, সেখানে প্রত্যেকেরই গুরুত্ব, মর্যাদা, অধিকার ও ভূমিকা রয়েছে।
ইসলামের বৈবাহিক রীতি অনুযায়ী দুজন আল্লাহভীরু নারী ও পুরুষ পরস্পরকে পছন্দ করে যে নীড় বাঁধে, সে সুখের ঘরে একে-অপরের প্রতি কোনোক্রমেই শত্রুভাবাপন্ন ও নির্যাতনকারী হতে পারে না। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে পারস্পরিক বিশ্বাস ও ভালোবাসাই ঘরের বন্ধনটি সুদৃঢ় এবং শান্তিময় করে রাখতে পারে। ইসলামে নারীকে অনেক বেশি মর্যাদা ও অধিকার দেওয়া হয়েছে। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ইসলাম ধর্মের জ্ঞানকে কাজে লাগাতে হবে। নারী-পুরুষের সুন্দর শান্তিময় জীবন সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, ‘পুরুষদের যেমন স্ত্রীদের ওপর অধিকার রয়েছে, তেমনিভাবে স্ত্রীদেরও পুরুষদের ওপর নিয়মানুযায়ী (সুন্দর ও মধুময় আচরণ স্ত্রীদেরও প্রাপ্য) অধিকার আছে।’ (সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২২৮)
অথচ শহর-গ্রামে যে কত বিচিত্র পন্থায় অহরহ নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। ঘরে-বাইরে, শিক্ষাঙ্গনে-কর্মস্থলে সর্বত্র মেয়েদের নানা প্রকার মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিস্থিতি মেয়েদের জন্য সহজেই বৈরী হয়ে ওঠে। সুযোগ পেলেই এক শ্রেণীর পুরুষ নারীর প্রতি অশোভন আচরণ করে থাকে। সামাজিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় ও বিজাতীয় অপসংস্কৃতির প্রভাব, সুস্থ বিনোদনের অভাব কিংবা অন্যান্য কারণে সমাজে বখাটে যুবকদের সংখ্যা বাড়ছে, তা সমাজের অভিভাবকদের যেমন খুঁজে বের করতে হবে, তেমনি নারী নির্যাতন প্রতিরোধের আন্দোলনেও শামিল হতে হবে। দেশে নারী নির্যাতনবিরোধী কঠোর আইন আছে, কিন্তু এর যথাযথ প্রয়োগের অভাবে সহিংসতা বন্ধ হচ্ছে না। তাই নারী নির্যাতনের শিকার হওয়ার আগেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে মসজিদের ইমাম, খতিব ও ধর্মীয় নেতাদের সচেতনতা সৃষ্টির গুরুদায়িত্ব পালন করতে হবে।
মানুষের অত্যধিক লোভ-লালসা ও সম্পদের মোহই তাদের সব পাপকাজ ও নারীর প্রতি নির্যাতনের কারণ। তবে ধর্মপ্রাণ মানুষ চেষ্টা করলে সব ধরনের লোভ-লালসা এবং ধন-সম্পদের মোহকে সংযম, ভালোবাসা, আন্তরিক সদিচ্ছা এবং আল্লাহভীতির মাধ্যমে আয়ত্তে আনতে সক্ষম। এ জন্য তাদের সুবিচারক, সুবিবেচক, সচেতন ও বিচক্ষণ হতে হবে। নিজের সন্তানের প্রতি যেমন মায়া-মমতাবোধ রয়েছে, ঠিক তেমনিভাবে অন্যের সন্তানের (জামাতা, পুত্রবধূ ও অন্যান্য আত্মীয়ের) প্রতিও মায়া-মমতাবোধ ও ভালোবাসাকে জাগ্রত করতে হবে, তাহলে পৃথিবীতে সামাজিক ও ধর্মীয়ভাবে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। সমাজে এমন এক সচেতনতার বিকাশ প্রয়োজন, যাতে আইনের ভয়ে নয়, বরং দায়িত্ব ও কর্তব্যের আহ্বানে সমাজে পুরুষ সদস্যরা নারীর প্রতি সুন্দর এবং মর্যাদাবোধসম্পন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করবে। সেই সঙ্গে মা-বোনদেরও নিজ নিজ মানবিক মর্যাদা এবং অধিকার ও কর্তব্যের প্রতি সজাগ থাকা উচিত। পুরুষ নারীর প্রতিপক্ষ নয়, নারী পুরুষের প্রতিপক্ষ নয়; বরং দুয়ে মিলেই সমাজ। এ সচেতন দৃষ্টিভঙ্গির লালন এবং নৈতিকতার বিকাশের মধ্যেই নিহিত রয়েছে নারী নির্যাতন প্রতিরোধের বীজমন্ত্র।
নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে গণসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার। সমাজে নারী ও পুরুষের যে ন্যায্য অধিকার ও গুরুত্ব রয়েছে, উভয়ে মিলে তারা যে অভিন্ন সত্তা, এ মানবিকতাবোধকে পুরুষেরা গভীরভাবে উপলব্ধি না করলে নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটবে না। কারণ, নারী-পুরুষের সম্পর্ক ও দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যেই নির্যাতনের মূলসূত্রটি লুকায়িত আছে। এ মনোভাব পাল্টানোর জন্য উপযুক্ত আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগের পাশাপাশি দেশের আলেম সমাজ ও সচেতন নাগরিকদের প্রধান দায়িত্ব নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ করার লক্ষ্যে সমাজে ধর্মীয় মূল্যবোধ, সুনীতি ও আদর্শ প্রতিষ্ঠার সামাজিক আন্দোলন জোরদার করা। নারীর প্রতি পুরুষের যখন পরিপূর্ণ আস্থা আসবে এবং স্ত্রীকে প্রেম-প্রীতি ও মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ করতে পারবে, তখনই পৃথিবী শান্তির নীড় হবে। ইসলামি জীবন দর্শনে নারীর প্রতি সহিংসতা ও নির্যাতন প্রতিরোধে পবিত্র কোরআনের সূরা আন-নূরে আল্লাহ তাআলা যে সুন্দরতম সামাজিক বিধি-বিধান দিয়েছেন তা অত্যন্ত কার্যকর ও ফলপ্রসূ। ইসলামের বিধান যথাযথ কার্যকর হলে সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারী নির্যাতন চিরতরে বন্ধ হবে এবং মানবজীবনে শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠিত হবে। সুতরাং নারী নির্যাতন প্রতিরোধে কার্যকরী ইসলামের সামাজিক বিধি-বিধানগুলো ব্যাপক প্রচার ও প্রসার করতে সমাজের ধর্মীয় নেতাদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক একাডেমি, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়। পরিচালক, ইনস্টিটিউট অব হজরত মুহাম্মদ (সা.)।
dr.munimkhan@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় গ্রেপ্তার ব্রিটিশ সাংবাদিককে মুক্তি দিয়েছে হামাস
১৪ ফেব্রুয়ারি গাজার একটি আদালত কক্ষে ইসরায়েলকে সহায়তাকারী তাঁর এক বন্ধুর পক্ষে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় মার্টিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মার্টিন পাঁচ বছর ধরে গাজা এলাকায় ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকতা করে আসছেন। হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি আইন ভঙ্গ করায় মার্টিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পশ্চিমবঙ্গ-ঝাড়খন্ড সীমান্তে মাওবাদী দমনে অভিযান
পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তসংলগ্ন ঝাড়খন্ডের পূর্ব ও পশ্চিম সিংভূম এবং পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত জেলা পশ্চিম মেদিনীপুর ও পুরুলিয়ার মাওবাদী-অধ্যুষিত এলাকায় ওই অভিযান চলবে। অভিযানে তিনটি হেলিকপ্টারও অংশ নিচ্ছে। যৌথ বাহিনী বেশ কয়েকটি মাওবাদী ঘাঁটি ইতিমধ্যে ধ্বংস করেছে। অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদও উদ্ধার হয়েছে।
রাজ্যসভায় ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মাকেন বলেছেন, দেশের ৩৫টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে ১২টি রাজ্য মাওবাদী-প্রভাবিত। এগুলো হচ্ছে অন্ধ্র প্রদেশ, ছত্তিশগড়, ঝাড়খন্ড, মধ্যপ্রদেশ, উড়িষ্যা, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, কেরালা, কর্ণাটক ও তামিলনাড়ু। মাওবাদী হামলায় ২০০৯ সালে প্রাণ হারিয়েছেন ৯০৮ জন। আর হামলা হয়েছে দুই হাজার ২৫৮ বার।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপে সৌদি সমর্থন চেয়েছেন গেটস
ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে অভিযোগ করে দেশটির ওপর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নতুন করে অবরোধ আরোপের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এ উদ্দেশ্যের প্রতি সমর্থনের ব্যাপারে সৌদি আরব তার আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে পারে সেই সম্ভাবনার কথা গেটস কোনো রাখঢাক না করেই বলছেন।
সৌদি বাদশার সঙ্গে রবার্ট গেটসের বৈঠকের পর পেন্টাগনের প্রেস সেক্রেটারি জিওফ মোরেল বলেন, ‘আমরা খুবই আশাবাদী যে সৌদি আরব তাদের সাধ্য অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য একটা চেষ্টা চালাবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের একজন ঊর্ধ্বতন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেন, ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগে যুক্তরাষ্ট্রের যে মনোভাব, সৌদি কর্মকর্তারা একে সমর্থন করেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতিবন্ধী নারী ও মেয়েশিশুদের নিয়ে কতটা ভাবছি -আন্তর্জাতিক নারী দিবস by শাহরিয়ার হায়দার ও দিবা হোসেন
প্রতিবন্ধী নারী ও মেয়েশিশুদের নিয়ে কতটা ভাবছি -আন্তর্জাতিক নারী দিবস by শাহরিয়ার হায়দার ও দিবা হোসেন
বাংলাদেশে মোটামুটি ৭০ থেকে ৮০ লাখ নারী প্রতিবন্ধী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রায় ৪০ শতাংশ। এরপর বাক ও শ্রবণ, দৃষ্টি এবং বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীদের সংখ্যা পরিলক্ষিত হয় (সিএসআইডি, ২০০২)। এই জনগোষ্ঠীর মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণের ক্ষেত্রে বিরাট অসমতা লক্ষ করা যায়। বেশির ভাগ নারী প্রতিবন্ধী তাঁদের পরিবার ও সমাজ থেকেই প্রারম্ভিক অবহেলার শিকার হন। আমাদের দেশে নারী আন্দোলনের প্রায় তিন দশক হতে চলেছে, কিন্তু এর কোথাও আমরা বৈষম্যের শিকার প্রতিবন্ধী নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেখি না। এর কারণটি এ রকম, প্রথমত পরিবার তাদের প্রতিবন্ধী মেয়েশিশুটিকে লুকিয়ে রাখে, ধীরে ধীরে সমাজও একইভাবে বালিকা থেকে নারী হয়ে ওঠা মানুষটিকে সবকিছু থেকে দুরে সরিয়ে রাখে। অন্য অনেক সংগ্রামে নারীরা শামিল হতে পারলেও নারী প্রতিবন্ধীদের সেই অগ্রযাত্রায় আমরা নিয়ে আসতে পারিনি। বাংলাদেশের মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় শুধু অপ্রতিবন্ধী নারী ও শিশুদের নিয়ে কাজ করছে। প্রতিবন্ধী নারী ও শিশুদের নিয়ে তেমন কোনো কার্যক্রম পরিলক্ষিত নয়। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করলেও সেখানে সুনির্দিষ্ট করে শুধু নারী, মেয়েশিশু প্রতিবন্ধীদের জন্য পরিচালিত কোনো কার্যক্রম সম্পর্কে আমরা অবগত নই। বাংলাদেশে ‘প্রতিবন্ধী কল্যাণ আইন ২০০১’ বিদ্যমান থাকলেও সেখানে নারী প্রতিবন্ধীদের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো ধারা নেই। এই আইনটির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় পর্যায় থেকে জেলা পর্যায় পর্যন্ত যে তিনটি কমিটি গঠনের ব্যবস্থা রয়েছে, সেই কমিটিতে ‘নারী সদস্য’ হিসেবে একটি সদস্যপদ রাখা উচিত ছিল, যিনি নারীদের বিভিন্ন বিষয় উপলব্ধি করতে পারবেন একজন নারী হিসেবে। আমরা মনে করি, নতুন যে আইনটি হচ্ছে, সেখানে এ বিষয়টি ভাবা উচিত।
সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে নারীর কল্যাণে বাংলাদেশে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হলেও প্রতিবন্ধী নারীদের জন্য সে রকম কোনো উদ্যোগে চোখে পড়ার মতো নয়। অথচ নারী প্রতিবন্ধীদের অনেকেরই বিশেষ পারদর্শিতা রয়েছে, যাঁরা উপযুক্ত বিকাশের সুযোগ পেলে তাঁদের প্রতিবন্ধিতার মাত্রা যা-ই হোক না কেন, তাঁরাও তাঁদের যোগ্য অবস্থান ও স্বীকৃতি লাভ করার ক্ষমতা রাখেন।
প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকেও যদি শিক্ষার সুযোগ দেওয়া যায়, তবে তাঁরা তাঁদের সীমাবদ্ধতাকে কাটিয়ে উঠে সমাজে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন। শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধীরা কমবেশি সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন, এর তুলনায় নারী প্রতিবন্ধীদের শিক্ষায় অংশগ্রহণের হার আশঙ্কাজনকভাবে কম। মেয়েশিশু প্রতিবন্ধীদের মধ্যে প্রাথমিক স্তরে ভর্তির হার শতকরা ৩০ দশমিক ৬৭ ভাগ, যেখানে উচ্চ শিক্ষায় মাত্র তিন দশমিক ৭৫ ভাগ নারী প্রতিবন্ধী রয়েছেন। দেখা যাচ্ছে, প্রাথমিক স্তরে যারা ভর্তি হচ্ছে, তারা ক্রমে ঝরে গিয়ে মাত্র এক-দশমাংশ টিকে থাকতে পারছে। এই ঝরে পড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যারা যুক্ত এবং পরিবারের সদস্য—উভয়ের নিরুত্সাহব্যঞ্জক ভূমিকাই গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে। আরও জানা গেছে, অনেক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষই প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে তার প্রতিবন্ধিতার কারণে বিদ্যালয়ে ভর্তি করতে চান না। মেয়ে প্রতিবন্ধী হলে তার সঙ্গে এসে যুক্ত হয় কুসংস্কার, লুকিয়ে রাখার প্রবণতাসহ অন্যান্য বাধা। উপরন্তু শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য উপযুক্ত বিদ্যালয় কাঠামো না থাকায় অনেক শিক্ষার্থীই বিদ্যালয় ছেড়ে দিচ্ছে। এখানে নারী প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর বেলায় সমস্যার খতিয়ান আরও বৃদ্ধি পায়। বিশেষত সেসব নারী শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে সমস্য প্রকট হয় যখন তাঁরা বাড়ি থেকে দূরে হোস্টেলে লেখাপড়া করেন এবং যেখানে মহিলা তত্ত্বাবধায়ক থাকেন না। মূলধারা বা বিশেষ শিক্ষা, যে ব্যবস্থাই হোক না কেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিবেশ প্রতিবন্ধীদের (বিশেষত নারী প্রতিবন্ধী) অনকূলে নয় এবং তাঁদের বিশেষ প্রয়োজনগুলোর অপর্যাপ্ততা রয়েছে।
নারীমুক্তির একটি অন্যতম হাতিয়ার হলো অর্থনৈতিক স্বাবলম্বন—যা প্রতিবন্ধী নারীদের একেবারেই নেই বললে চলে। যেকোনো অর্থনৈতিক কাজে যুক্ত হওয়ার জন্য যে ন্যূনতম প্রশিক্ষণ বা সাহায্য-সহযোগিতা দরকার হয় সেটি তাঁরা পান না। এমনকি নারী প্রতিবন্ধীরাও যে নিজেদের অর্থসংস্থান নিজেরাই করতে পারেন, এ মনোভাবটাও অনুপস্থিত। এ ছাড়া তাঁরা যদি কাজের সুযোগ পানও সেখানে একই প্রকার কাজে প্রতিবন্ধী নারীরা অপ্রতিবন্ধীদের তুলনায় বেতন ও অন্য সুবিধাদি কম পাচ্ছেন। এ সবের জন্য চাকরিদাতাদের নেতিবাচক মনোভাবকেই দায়ী করা যায়। এ অবস্থার উত্তরণে ভূমিকা রাখতে পারে সরকারি নীতি এবং মিডিয়া। সরকারের সব প্রতিষ্ঠানে যোগ্য নারী প্রতিবন্ধীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে ন্যূনতম কোটা যেমন—প্রতি সংস্থার এক শতাংশ যোগ্য নারী প্রতিবন্ধী রাখার নিয়ম করে দেয়, তবে যোগ্যতার কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত হবে। অন্যদিকে প্রচার মাধ্যম নারী প্রতিবন্ধীদের যোগ্যতা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বিভিন্ন অনুষ্ঠান, সচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারে।
এসব কিছুর জন্য প্রয়োজন সেই নারীর সম্ভাবনার বিকাশ একটু বন্ধুত্বপূর্ণ পারিবারিক পরিবেশ ও সামাজিক নিরাপত্তা, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা এবং কর্মস্থলের সহকর্মীদের সহযোগিতা। সবকিছু হয়তো এক দিনেই পরিবর্তিত হবে না, কিন্তু চেষ্টা তো করা যেতে পারে। সমাজের প্রতিটি স্তরের নারী প্রতিবন্ধীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থান যথাযোগ্য করার জন্য জেন্ডার নীতিমালায় নারী প্রতিবন্ধীদের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রদত্ত সুযোগের সুস্পষ্ট উল্লেখ থাকা জরুরি। সমাজের মধ্য থেকেই তাঁদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রচেষ্টা শুরু করতে হবে, যেন সমাজ তাঁদের একজন উত্পাদনশীল ব্যক্তি হিসেবে গ্রহণ করতে প্রস্তুত হয়। এজন্য একেবারে গ্রামীণ স্তর থেকে শহর পর্যন্ত নারী প্রতিবন্ধীদের শিক্ষার সুযোগ এবং প্রয়োজনে বৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা রাখতে হবে। পাশাপাশি নারী প্রতিবন্ধীদের স্বাস্থ্য এবং প্রজনন স্বাস্থ্যের ওপরও গুরুত্ব দিয়ে যথাযোগ্য প্রতিবন্ধী স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা উচিত। শুধু সরকারই নয়, তাঁদের উপযুক্ত পুনর্বাসনে নারীদের উন্নয়ন নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলোকে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংস্থার সঙ্গে মিলে একত্রে কাজ করতে হবে। নারী প্রতিবন্ধীদেরও যে সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে সমান সুযোগ প্রাপ্তির অধিকার রয়েছে, সেটির প্রতি জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য পরিবার থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে নিয়মিত কার্যক্রম গ্রহণ করা উচিত। এ জন্য ‘জাতীয় নারী প্রতিবন্ধী দিবস’ ঘোষণা এবং ওই দিনে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা নারী প্রতিবন্ধীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মাননা জানানো, তাঁদের কর্মসংস্থানে অবদান রাখা ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করাসহ বিভিন্ন উত্সাহমূলক কার্যক্রম নেওয়া যায়। এভাবেই এমন একটি দিনের দেখা আমরা পাওয়ার প্রত্যাশা করি, যেদিন প্রতিবন্ধিতার কারণে কোনো নারী তাঁর যোগ্য সুযোগপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হবেন না।
শাহরিয়ার হায়দার ও দিবা হোসেন: শিক্ষক, বিশেষ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
durbasha@gmail.com, diba_h@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই দিনের সফরে ভারতে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
সফরকালে পুতিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে উভয় দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।
দুই পক্ষের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও বেসামরিক পরমাণু চুল্লি এবং রাশিয়ার বিমান বিক্রিসংক্রান্ত এক হাজার কোটি ডলারের দুটি চুক্তি হওয়ার কথা।
সোভিয়েত আমল থেকেই এ দুটি দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক রয়েছে। রাশিয়ার অস্ত্রের বড় ক্রেতা ভারত। তবে, সামরিক শক্তিতে চীন অনেক বেশি এগিয়ে যাওয়ায় এবং পশ্চিমাদের পক্ষ থেকে প্রতিযোগিতার মুখে পড়ায় এই সম্পর্ক এখন সংকটাপন্ন।
পুতিনের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক সহযোগী ইউরি উসাকভ সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকালে আমরা এক হাজার কোটিরও বেশি ডলারের ১৪-১৫টি চুক্তি সম্পাদনের আশা করছি।’ তিনি বলেন, উভয়পক্ষ বেসামরিক পরমাণু জ্বালানি, অস্ত্র ও টেলিযোগাযোগসামগ্রী উত্পাদনসংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করবেন।
এ ছাড়া তাঁরা রাশিয়ার বিমান বিক্রি, অতিরিক্ত ২৯টি জঙ্গিবিমান এবং যৌথভাবে পরিবহন বিমান তৈরির জন্য চুক্তি সম্পাদন করবেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চিকিৎসায় সংগীত, চিত্রকলা by শাহাদুজ্জামান
রেচেলের কথা শুনতে শুনতে দীর্ঘশ্বাস ফেলি। রোগীর ন্যূনতম ওষুধ জোগাড় করতে যেখানে আমাদের হাসপাতালগুলোর নাভিশ্বাস উঠছে, সেখানে মৃত্যুকে নান্দনিক করার ভাবনা বিলাসিতা বলেই মনে হবে নিঃসন্দেহে। তবে পৃথিবীর উন্নত-অনুন্নত বহু দেশেই এখন চিকিৎসায় সংগীত, চিত্রকলাসহ অন্য শিল্পকলার ব্যবহার হচ্ছে। ব্যাপারটি যে খুব ব্যয়সাপেক্ষ তা নয়, প্রশ্ন চিকিৎসা পরিমণ্ডলে এর গ্রহণযোগ্যতার। ইউরোপ এবং আমেরিকার বেশ কয়েকটি দেশে চিকিৎসাবিজ্ঞানের উপশাখা হিসেবে আর্ট এবং মিউজিক থেরাপিতে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ডিগ্রি দেওয়া হচ্ছে। পাশের দেশ ভারতেও মিউজিক থেরাপির ওপর উচ্চতর শিক্ষার ব্যবস্থা আছে।
বিশেষভাবে সংগীত চিকিৎসার কথা উল্লেখ রয়েছে পৃথিবীর প্রাচীন নানা শাস্ত্রে। আয়ুর্বেদশাস্ত্রে সংগীত চিকিৎসার কথা বলা হয়েছে। হিপোক্রিটাস তার গ্রন্থে একাধিকবার সংগীতের নিরাময় গুণের কথা উল্লেখ করেছেন। দশম শতাব্দীতে সংগীত চিকিৎসা নিয়ে পুরো একটি বই লিখে ফেলেন প্রখ্যাত মুসলিম চিন্তাবিদ আল ফারাবি। সংগীত চিকিৎসার কথা বলেছেন ইবনে সিনাও। সম্প্রতি আমার সিরিয়ার ভ্রমণের সুযোগ হয়েছিল। সেখানকার আলেপ্পো শহরে চতুর্দশ শতকে তৈরি শুধু মানসিক রোগ চিকিৎসার একটি হাসপাতাল দেখতে গিয়েছিলাম। দেখেছি, সে হাসপাতালে পৃথক সংগীতকক্ষ রয়েছে, যেখানে চিকিৎসার অংশ হিসেবে নিয়মিত রোগীদের জন্য সংগীত পরিবেশন করা হতো। জেনেছি, আরব বিশ্বে চিকিৎসায় সংগীতের ব্যবহারের ঐতিহ্য দীর্ঘদিনের। নানা ঢোল-বাদ্যের আবহে চিকিৎসার ব্যাপারটি আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, ভারতের আদিবাসীদের মধ্যে বহুকাল ধরেই প্রচলিত। ইউরোপে মিউজিক থেরাপি নিয়ে মেডিসিনা মিউজিকা নামে প্রথম একটি বই লেখেন রবার্ট ব্রাউন, ১৭২৯ সালে। আধুনিক চিকিৎসায় সংগীতের ব্যবহার শুরু বলা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ট্রমা-আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার মাধ্যমে। যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগেই ১৯৪৪ সালে মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে মিউজিক থেরাপির ওপর ডিগ্রি দিতে শুরু করে।
শরীর এবং মনের ওপর সংগীতের প্রভাব নিয়ে বিস্তর গবেষণা হয়েছে পরবর্তী পর্যায়ে। দেখা গেছে, সংগীত মানুষের হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ, শ্বাসপ্রশ্বাসের গতি, মাংসপেশির স্থিতিস্থাপকতা, হরমোন নিঃসরণ, ইমিউনিটি বা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর প্রভাব বিস্তার করে। পরীক্ষায় দেখা গেছে, গর্ভের শিশু সংগীতে সাড়া দেয়। সারা পৃথিবীর ঘুমপাড়ানি গানের সুরে একটি মিল রয়েছে। এই সুরের সঙ্গে মানুষের হৃদপিণ্ডের গতির একটি সম্পর্ক আছে। এই সুর মায়ের পরিচিত হৃদস্পন্দনের মতো শিশুকে নিরাপত্তা দেয়। ইউরোপের অনেক হাসপাতালের প্রি-অপারেটিভ রুমে, লেবার রুমে সংগীত বাজে রোগীর মানসিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং ব্যথা উপশমের লক্ষ্যে। মনে পড়ে, ব্রিটেনের এক হাসপাতালে ইসিজির টেবিলে যতক্ষণ শুয়ে ছিলাম, পাশে ততক্ষণ বাজছিল বাখের সংগীত। হাসপাতালের পরিবেশে সব সময় যে আশঙ্কা আর অনিশ্চয়তার আবহ থাকে, সংগীত তাকে প্রশমিত করে রেখেছিল। সাম্প্রতিক কালে হূদরোগ, বিশেষ করে স্ট্রোকের রোগীর পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে নানা দেশে ব্যাপকভাবে সংগীতের ব্যবহার হচ্ছে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, স্ট্রোকের কারণে স্নায়ুতন্ত্রের যে ক্ষতি হয়, তাতে রোগীর প্যারালাইসিসসহ অন্যান্য জটিলতা নিরাময়ে বিভিন্ন রিহ্যাবিলিটেটিভ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংগীতকে যুক্ত করলে নিরাময়ের গতি বহুমাত্রায় বেড়ে যায়। আজকাল করপোরেট জগতের স্ট্রেস উপশমের জন্যও ব্যবহার হচ্ছে মিউজিক থেরাপি।
পাশাপাশি মানসিক এবং আবেগজাত স্বাস্থ্য রক্ষায় চিত্রকলার ব্যবহারেরও রেওয়াজ রয়েছে নানা দেশে। শুরুতেই আর্ট থেরাপিস্ট রেচেলের কথা বলছিলাম। মানসিক রোগের ডায়াগনস্টিক এবং থেরাপিউটিক উভয় উদ্দেশ্যেই চিত্রকলার ব্যবহার হচ্ছে দীর্ঘকাল। রোগীকে ছবি দেখিয়ে কিংবা ছবি আঁকতে দিয়ে বিশেষ কিছু মানসিক রোগের মাত্রা নির্ধারণ করা যায়। আবার ছবি আঁকার মধ্য দিয়ে রোগীর চিন্তার ক্ষমতা, বিচারবোধ, আত্মবিশ্বাস বাড়ে; যা তার রোগ নিরাময়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে থাকে। এ ছাড়াও সাধারণভাবে মানসিক চাপ বা আবেগগত বিপর্যয়ে থাকা কোনো মানুষকে রং এবং রেখার জগতে নিয়ে তার সংকট প্রশমিত করা যায়। দেখা গেছে, অনেক অব্যক্ত অনুভূতি, আবেগ, ভাবনা কথায় নয়, বরং রং ও রেখার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হতে দিয়ে মনকে নির্ভার করা যেতে পারে। এমনকি নাটকও এখন ঢুকে পড়েছে চিকিৎসার জগতে। ‘সাইকো ড্রামা’ ধারণায় নাটকের মাধ্যমে মানসিক সমস্যা সমাধানের কথা বলা হয়ে থাকে। অপরাধ শুদ্ধির প্রক্রিয়া হিসেবে আমেরিকার অনেক কারাগারেই নাটকের ব্যবহার হচ্ছে। ব্রিটেনের যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাজ করছি, সেখানকার মেডিকেল ফ্যাকাল্টির শ্রেণীকক্ষে নাটকের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ছাত্রদের ডাক্তারি কেসগুলো পড়াতে দেখেছি।
আমরা এখন এমন এক সময়ে বাস করছি, যখন নানা জ্ঞানকাণ্ড পরস্পরের দেয়াল ভেঙে একে অন্যের সঙ্গে মিশে নিজেদের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে তুলছে। মন্দ কী যদি রক্ত, অ্যান্টিসেপটিক, স্যালাইন টিউবের ভীতিকর আবহে সুরেরও প্রবেশাধিকার থাকে।
শাহাদুজ্জামান: কথাসাহিত্যিক।
zaman567@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জলবায়ুবিষয়ক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করবে আইএসি
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন নিয়ে ২০০৭ সালে প্রকাশিত জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক জাতিসংঘের আন্তসরকার প্যানেলের (আইপিসিসি) একটি প্রতিবেদনে কিছু ভুল ধরা পড়ে। এর পর থেকেই কঠোর সমালোচনার মুখে পড়ে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জাতিসংঘের ওই প্যানেল। প্রতিবেদনটি স্বাধীনভাবে পর্যালোচনা করা হবে বলে গত মাসে ঘোষণা দেয় জাতিসংঘ। গত জানুয়ারিতে আইপিসিসি স্বীকার করে, হিমালয়ের বরফ গলে যাওয়ার বিষয়ে প্রতিবেদনে অতিরঞ্জিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এ ছাড়া নেদারল্যান্ডের কিছু অংশ সাগরে ডুবে যাওয়ার বিষয়টিও বেশি বাড়িয়ে বলা হয়েছে।
বান কি মুন বলেন, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ১৫টি বিজ্ঞান একাডেমি নিয়ে গঠিত আমস্টারডাম-ভিত্তিক সংগঠন আইএসি এই পর্যালোচনা সমন্বয় করবে। তারা ওই প্রতিবেদন প্রণয়নের কার্যপ্রণালী ও প্রক্রিয়াগুলো খতিয়ে দেখবে। এ প্রক্রিয়ায় জনগণ ও গণমাধ্যমের সঙ্গে আইপিসিসি কীভাবে যোগাযোগ করেছে, তাও দেখা হবে। এ সংক্রান্ত জাতিসংঘের পরের প্রতিবেদনগুলো উন্নত করতে সুপারিশও করবে তারা।
তবে আইপিসিসির ওই প্রতিবেদনকে সমর্থন করেন জাতিসংঘের মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘প্রতিবেদনটি আমি পড়ে দেখেছি। সেখানে এমন কিছু লেখা নেই, যা এর উপসংহারকে চ্যালেঞ্জ করতে পরে।’ তবে তিনি স্বীকার করেন, তিন হাজার পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদনে ‘অল্প কিছু ভুল’ রয়েছে। বান কি মুন আরও বলেন, এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে শুদ্ধতা ও বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে হবে। ২০১৩ ও ২০১৪ সালে আবার এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।
আইএসির কর্মকর্তা রবার্ট ডিকগ্রাফ সাংবাদিকদের জানান, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো আগস্টের আগেই পর্যালোচনার কাজ শেষ করা। কারণ, চলতি বছরের শেষ দিকেই জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।’
আইপিসিসির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে ২০৩৫ সালের মধ্যে হিমালয়ের হিমবাহ গলে যাবে। জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিভিন্ন লেখা থেকে এ ধারণা করা হয়েছে। কিন্তু আইপিসিসি এ তথ্যগুলো পর্যালোচনা না করেই এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
৯ এপ্রিল জলবায়ু বিষয়ে আন্তর্জাতিক আলোচকেরা জার্মানির বনে বৈঠক করবেন। ২৯ নভেম্বর মেক্সিকোর কানকুনে জলবায়ু সম্মেলন বিষয়ে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের আগে পর্যন্ত বিভিন্ন কার্যক্রম ঠিক করবেন তাঁরা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অনেক কিছু বলতে মানা by আসিফ নজরুল
সাবধানে থাকার আসল উপায় হচ্ছে, কথা-ই না বলা। মাঝেমধ্যে তা-ই করি। পঞ্চম সংশোধনী মামলার লিভ টু আপিল খারিজ হওয়ার দিন ফোন আসে কিছু চ্যানেল থেকে। এই লিভ খারিজ হওয়ার কোনো কারণ আমি বুঝতে পারি না। হাইকোর্টের বিচারক কেন চতুর্থ সংশোধনীর পক্ষে কিছুটা হলেও সাফাই গাইলেন রায়ে, তাও বুঝতে অক্ষম আমি। আরও নানা অসংগতিপূর্ণ (কিন্তু সামরিক শাসনের বিরোধিতা, অসাম্প্রদায়িকতা ইত্যাদি কিছু ক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রশংসনীয়) এ রায়কে বাইবেলের মর্যাদা দিয়ে লেখালেখি শুরু হয়ে গেছে চারদিকে। অথচ আমার মনে নানা প্রশ্ন। এত প্রশ্ন প্রকাশ্যে করে টিকে থাকা যাবে না দেশে। সব চ্যানেলকে যাব না বলে দিয়ে বসে থাকি বাসায়। দেখি, অন্যরা কী বলেন।
অন্যরা বলেন। কিন্তু আমার মনের প্রশ্ন অনেকাংশে নেই সেখানে। হয়তো সবাই সাবধানী হয়ে গেছেন আজকাল। হয়তো এ দেশে সত্যিই অনেক কিছু বলতে মানা। কিছু বিষয়ে আদালত অবমাননার খড়্গ আছে, কিছু বিষয়ে মানহানি মামলা খাওয়ার ভয় আছে। এগুলো সব দেশে আছে, বাংলাদেশে আছে আরও বেশি। কিছু বিষয়ে টেলিফোনে হুমকি শোনার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। পাকিস্তান, জিম্বাবুয়ে ও কলম্বিয়ার মতো দেশে এমন হুমকি থাকবেই। কিন্তু গণতন্ত্রের দেশ বাংলাদেশেও তা আছে—আছে ভয়ংকরভাবে।
বাংলাদেশে আরও আছে অতি ‘প্রগতিশীল’ বা ‘প্রতিক্রিয়াশীল’ নাগরিক সমাজের আক্রমণ। পশ্চাত্পদ বা সাম্প্রদায়িক শক্তি ভয়ংকর একপেশে ও নির্মম। কখনো কখনো শারীরিকভাবে আক্রমণ বা জীবনের ওপর হামলাকে উত্সাহিত করে বসে এরা। এরা এক আমলে সোচ্চার থাকে, আরেক আমলের অনাচার নীরব থেকে সমর্থন করে।
প্রতিক্রিয়াশীল ও পশ্চাত্পদ গোষ্ঠী অযৌক্তিক বা অসহিষ্ণু হবে, কিংবা অন্যদের প্রতি আক্রমণাত্মক হবে, এটি স্বাভাবিক। কিন্তু বেদনাদায়ক হচ্ছে, অতি প্রগতিশীলদের আচরণ। এরা বাকস্বাধীনতার কথা বলে, মুক্তচিন্তার কথা বলে, অন্য পক্ষদের ঝেড়ে বিষ নামিয়ে ফেলে। কিন্তু এদের কোনো সমালোচনা করলে, এমনকি এদের মতো ভাষায় কথা না বললেই বিপদ। হয় তাদের মতো ভাষায় কথা বলতে হবে, না হয় প্রতিক্রিয়াশীল বা পশ্চাত্পদ হিসেবে চিহ্নিত হতে হবে। মাঝামাঝি কিছু নেই।
এই অতি প্রগতিশীলেরাও বিশেষ সময়ে, বিশেষ কারও পক্ষে সোচ্চার থাকেন, অন্য সময় নিশ্চুপ। পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীকে এরা আদিবাসী নামে অভিহিত করে, তাদের অধিকার রক্ষায় দিনরাত সোচ্চার থাকে। থাকাই উচিত। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, সেখানে বাঙালি কেউ হত্যাকাণ্ডের শিকার হলে, বাঙালির গ্রাম পুড়লে এরা নীরব থাকে। তারা ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার থাকে, কিন্তু ভারত বা ইসরাইলে সংখ্যালঘুরা চরম বর্বরতার শিকার হলে সে প্রসঙ্গে নীরব থাকে। এরা বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে যুদ্ধাপরাধের বিচার আর সুশাসনের আন্দোলনে দেশ গরম করে ফেলে। কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে এদের সুর নরম হয়, সুশাসনের রূপকল্প বাক্সবন্দী হয়ে যায়।
এদের ভাষায় কথা বললে টিক্কা খানের শপথ পরিচালনাকারী বিচারক, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সময় বিভিন্ন বাহিনীর সর্বোচ্চ পদধারী ব্যক্তি কিংবা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী রাজার সাতখুন মাফ হয়ে যায়। অন্য ভাষায় কথা বললে, সেক্টর কমান্ডার বা বীর উত্তম পর্যন্ত হয়ে যান রাজাকার, স্বাধীনতাবিরোধী।
এদের চটালে জীবন শেষ। সুশীল আর কুশীলদের সম্মিলিত আক্রমণে জান শেষ হয়ে যাবে তখন।
২.
এ দেশে কী বলা যাবে, কী যাবে না, তা নির্ধারিত হয় অন্যদের সিদ্ধান্তে। রাষ্ট্র নয়, নাগরিকই এখানে প্রতিপক্ষ অন্য নাগরিকের। সাম্প্রতিক একটি উদাহরণ দিই। একজন বড় সম্পাদক ফোন করতেন মাঝেমধ্যে। অন্তত একটি লেখা দিতেই হবে তাঁকে। তিনি বলেন, ‘যা খুশি লিখেন, যা আপনার ইচ্ছা হয়।’
আগের দিন টিভিতে দেখেছি, বিএনপি আমলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাবরের দুর্ভোগ। পুলিশের সাহায্য নিয়ে বিধ্বস্ত শরীরে হাঁফাতে হাঁফাতে চলছেন তিনি আদালতে। আদালত তবুও বারবার রিমান্ডে দিয়ে চলেছেন তাঁকে। বাবরের যা অবস্থা, তাঁর আর টেকার কথা নয় বেশি দিন। আমি সম্পাদককে বলি, বাবরের রিমান্ড নিয়ে লিখব। আঁতকে ওঠেন তিনি— এটা লিখবেন! লোকজন কী ভাববে? বোঝানোর চেষ্টা করি তাঁকে। বাবর অপরাধী হলে তাঁর অবশ্যই সমুচিত শাস্তি হওয়া উচিত। কিন্তু প্রায় মুমূর্ষু একজন মানুষকে এতবার রিমান্ডে নেওয়া সংবিধানের লঙ্ঘন। তা ছাড়া রিমান্ডের বিষয়ে হাইকোর্টের যে নির্দেশনা আছে, সেটা পালন করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখাও আদালতের কর্তব্য। তিনি আমার সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত। কিন্তু অন্যরা কী ভাববে এ নিয়ে বিব্রত তিনি। ‘অন্যদের’ চটানোর সাহস নেই তাঁর। আমাকে আর লিখতে অনুরোধ করাও বন্ধ করে দেন এরপর। সেই পত্রিকায় আমার আর লেখা হয়নি।
অতএব, এ ধরনের পত্রিকায় বাবরের বিষয়ে বলতে মানা। অতি প্রগতিশীলেরা রুষ্ট হন—এ রকম আরও কিছু বিষয়ে লিখতে মানা। বঙ্গবন্ধুর বিষয়ে সত্যিকারের ইতিহাস চর্চা মানা। শেখ হাসিনার মামলা কেন প্রত্যাহার হলো, সজীব ওয়াজেদ জয় কেন ক্ষমতাবান—এসব নিয়ে প্রশ্ন তুলতে মানা। ১৯৭৩ সালের যুদ্ধাপরাধ আইনটির আরও সংস্কার প্রয়োজন—এটি লিখতে মানা। ভারতীয় সীমান্তে বাংলাদেশিদের নির্বিচারে মেরেই চলেছে, তা বলতে মানা।
মানা আছে অন্য পক্ষেও। মনে আছে, টিভিতে একবার বলেছিলাম, ‘তারেক রহমানকে দেখে শহীদ জিয়ার সন্তান মনে হয় না, মনে হয়, মামুনের বন্ধু।’ বিএনপিপন্থী হিসেবে পরিচিত একজন সাংবাদিক ফোন করে জানান, বিএনপির লোকজন দারুণ খেপেছেন এতে। এসব কী বলি আমি! মনে মনে আরেকটা লিস্ট করি। তারেক রহমান বিএনপির এবং দেশের কী কী ক্ষতি করেছেন, তা কোথাও কোথাও বলতে মানা। খালেদা জিয়া কীভাবে জিয়ার রাজনীতি, আদর্শ ও ব্যক্তিত্ব থেকে বিচ্যুত্ হয়েছেন, তা লিখতে মানা। বিএনপির আমলে কেন ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হন, তা নিয়ে অনুসন্ধান করা মানা, জামায়াতের বর্বরতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানা। বিএনপি এখন ক্ষমতায় নেই। এখন হয়তো আপাতত বলা বা লেখা যাবে অ-বিএনপি পত্রিকা বা টিভিতে। কিন্তু ক্ষমতায় এলেই এসব লেখালেখির মাসুল দিতে হবে। জেলখানায় পচতে হবে কিংবা দেশ ছেড়ে পালাতে হবে।
মানা মানে যে সরাসরি মানা, সব সময় তা নয়। তবে এসব নিয়ে লিখলে বা বললে নানা রকম বিপদ হতে পারে। সবচেয়ে বড় ভয়, ভুল বোঝাবুঝির শিকার হওয়ার। আওয়ামী লীগের স্তাবক না হলে বিএনপি কিংবা রাজাকারের লেবেল দিয়ে দেওয়া হবে এক পক্ষ থেকে। বিএনপির স্তাবক না হলে ভারতের দালাল বলে গালি দেবে অন্য পক্ষ।
অতি প্রগতিশীল বা অতি প্রতিক্রিয়াশীলদের থেকে রক্ষা নেই। মাঝামাঝি কিছুতে বিশ্বাস নেই তাদের।
৩.
এই হানাহানিতে নানাভাবে উত্সাহ জোগায় গণমাধ্যমও। একদল পত্রিকা ‘অগ্রসর চিন্তার’। কিন্তু অন্য কিছু যারা বলে, তাদের সম্ভবত পছন্দ করে না এরাও। নিজেদের প্রতিবেদনে আওয়ামী লীগবিরোধী লেখক-শিক্ষাবিদদের তারা উল্লেখ করে ‘বিএনপি-জামায়াতপন্থী’ হিসেবে, বিএনপিবিরোধীদের উল্লেখ করে ‘বিশিষ্ট’ বুদ্ধিজীবী বা লেখক হিসেবে। এই বিশিষ্টরা আওয়ামী লীগের এ আমলেও বিভিন্ন ব্যাংক, করপোরেশন বা সরকারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পেয়ে পুরস্কৃত হয়েছেন। তবু তাঁরা নিরপেক্ষ বা বিশিষ্ট, আর বাকিরা ‘বিএনপিপন্থী’। এদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীল দলের শিক্ষকদের জন্য বরাদ্দ বিশেষণ ‘মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষ শক্তি’, সাদা দলের পরিচয় ‘বিএনপি-জামায়াত ঘরানার শিক্ষক’।
অন্যদিকে বিএনপির সমর্থক কিছু পত্রিকায় ঠিক উল্টো চিত্র। সেখানে বিএনপিবিরোধী কাউকে ঘাদানি, নাস্তিক, মুরতাদ ইত্যাদি নামে অভিহিত করা মামুলি বিষয় মাত্র। তাদের সাংবাদিকতায় ঘাদানি মানে আওয়ামী লীগ, নাস্তিক মানে আওয়ামী লীগ, মুরতাদ মানেও আওয়ামী লীগ। বিএনপির পক্ষে কথা বলা মানে স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্বের পক্ষে কথা বলা, অন্যকিছু বলা মানে ভারতের দালালি করা।
পিছিয়ে নেই আমাদের চ্যানেলগুলোও। যেকোনো সংবাদ প্রচারে নিজেদের দর্শনের বিশেষজ্ঞ খুঁজে পেতে এদের তুলনা নেই। তাদের দুয়ার বন্ধ অন্যদের জন্য—যা তারা বলতে চায় না, তা অন্যদের বলার সুযোগও দিতে চায় না।
৪.
এ দেশে বলতে মানা এমন বহু কিছু। কিন্তু সাধারণ মানুষ শুনতে চায় সব। দ্রব্যমূল্য বা দুর্নীতি আওয়ামী লীগের আমলে বাড়লে এরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় কষ্ট পাওয়া থেকে বিরত থাকে না। বিএনপি আমলে দাম বাড়লে বিসমিল্লাহ বললে এদের কষ্ট দূর হয় না। বঙ্গবন্ধু বা জিয়াউর রহমানের হত্যার বিচার হলে এরা নিজেদের পরিজনদের হত্যার কষ্ট ভুলে যায় না। নদীতে পানি কম থাকলে ভারতের স্বার্থ ভেবে খুশি থাকে না, বিএনপি ক্ষমতায় এলে পাকিস্তানকে ভাই ভাবা শুরু করে না। সবার চলাচল থামিয়ে দিয়ে মন্ত্রীর গাড়ি রাস্তায় চললে, কোন দলের তিনি—এটা ভেবে শাপ-শাপান্ত করা থেকে বিরত থাকে না।
মুশকিল হচ্ছে, ‘বলতে মানা’ কথা বলার সুযোগ নেই তাদের। মিডিয়ায় কথা বলি আমরা শিক্ষিত আর সম্পদশালীরা। জনগণের রায় কী, তাও অবলীলায় সার্টিফাই করি আমরা। জরিপ, গবেষণা আর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে জনগণ কারা কারা, তাও নির্ধারণ করি আমরাই।
ব্যতিক্রম যে নেই, তা নয়। কিন্তু বলতে মানা কথাগুলো সবারই বলা উচিত ছিল। সেটি হয়নি বলেই এত দুর্ভোগ বাংলাদেশের।
আসিফ নজরুল: অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলি বসতি স্থাপন বন্ধের আগে আলোচনা নয়: আব্বাস
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে মধ্যপ্রাচ্য সফররত মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তাঁর সফরের সময় পূর্ব জেরুজালেমে এক হাজার ৬০০ নতুন বসতি স্থাপনের ঘোষণার ঘটনায় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে তিনি ওই দুঃখ প্রকাশ করলেন। তিনি আরও বলেছেন, চলতি সপ্তাহে বসতি স্থাপন-প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। এর আগে ইসরায়েলের বসতি সম্প্রসারণের অনুমোদনকে নিন্দা জানিয়েছিলেন জো বাইডেন।
ফিলিস্তিনের প্রধান আলোচক সায়েব এরেকাত প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের বরাত দিয়ে বলেন, নতুন করে বসতি স্থাপনের প্রক্রিয়া বাতিল করা না হলে আলোচনা শুরু করা হবে না। ফিলিস্তিনের এই অবস্থানের কথা মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও আরব লিগের মহাসচিব আমর মুসাকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্ট আব্বাস বলেন, ‘আমি মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক মার্কিন দূত জর্জ মিশেলের অপেক্ষায় আছি। তিনি আগামী সপ্তাহে বসতি স্থাপন বিষয়ে ইসরায়েলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আমাদের জানিয়ে দেবেন।’
ফিলিস্তিনের এ সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আরব লিগের মহাসচিব আমর মুসা বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত নয়। আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। ইসরায়েল বসতি স্থাপনের প্রক্রিয়া বন্ধ না করলে তাদের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো ধরনের আলোচনাই শুরু করা হবে না।’ আরব লিগের সদর দপ্তর কায়রোতে ১৩ সদস্যের এই সংগঠনের দূতদের নিয়ে জরুরি বৈঠকের পর আমর মুসা সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সহিংসতার আশঙ্কায় ব্যাংককে ৫০ হাজার সেনা মোতায়েন
থাইল্যান্ডের সর্বোচ্চ আদালত দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিনের ১৪০ কোটি ডলারের সম্পদ বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করার দুই সপ্তাহ পর এই বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়। নিরাপত্তা কার্যক্রম তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে নিয়োজিত উপপ্রধানমন্ত্রী সুথেপ থাগসুবান বলেন, শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৩০ হাজার সেনাসদস্য, ১০ হাজার পুলিশ ও ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিক্ষোভকারীরা জোর করে সেনাঘাঁটি বা থানায় প্রবেশ করলে তাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে। এমন ব্যক্তিদের সন্ত্রাসী হিসেবে বিবেচনা করা হবে। উপপ্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বিক্ষোভকারীদের দেহ তল্লাশির জন্য ব্যাংককের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তাচৌকি স্থাপন করা হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কৃচ্ছ্র-পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ধর্মঘটে অচল গ্রিস
২৪ ঘণ্টার এ ধর্মঘটে বিমানবন্দর, স্কুল, হাসপাতাল, একরোপলিসের মতো পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ হয়ে যায়। গ্রিসের মন্দা অর্থনীতি চাঙা করতে প্রধানমন্ত্রী জর্জ পাপান্দ্রেউবের ব্যয় হ্রাস এবং কর বাড়ানোর পরিকল্পনার প্রতিবাদেই এ ধর্মঘট ডাকা হয়।
বাজার এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদ্যসের কাছ থেকে চাপের মুখে গত সপ্তাহে গ্রিক সরকার কৃচ্ছ্র-পরিকল্পনা নিয়েছে। এর ফলে ভ্যাট বেড়ে গেছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কমে গেছে এবং পেনশন বন্ধ হয়ে গেছে।
সরকারের এ পরিকল্পনার বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারী শ্রমিকেরা একযোগে স্লোগান দিচ্ছেন, ‘সংকটের জন্য আমরা মূল্য দেব না।’
দেশের ৫০ লাখ শ্রমিকের অর্ধেকের প্রতিনিধিত্বকারী বেসরকারি শ্রমিক ইউনিয়ন জেএসইই ও এর শাখা সংগঠন এডিইডিই জানিয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন-সমর্থিত গ্রিস সরকারের কৃচ্ছ্র-পরিকল্পনায় দরিদ্ররা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মন্দাপীড়িত অর্থনীতিতে তা আরও সমস্যা সৃষ্টি করবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতিনির্ধারকেরা, রেটিং এজেন্সি ও বাণিজ্যিক বাজারগুলো এই কৃচ্ছ্র-পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিডিআর-বিএসএফ বৈঠক -ভারতের আশ্বাস যেন কথার কথা না হয়
সীমান্তে নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যার ব্যাপারে এর আগেও ভারতের কাছ থেকে এ ধরনের আশ্বাস পাওয়া গিয়েছিল। এমনকি দুই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সচিব পর্যায়ের বৈঠকেও ভারতীয় সীমান্তরক্ষীদের আচরণ সংযত করতে বলা হয়েছে। আগে দিল্লির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হতো, ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা বাংলাদেশে আশ্রয়-প্রশ্রয় পাচ্ছে। উলফা নেতাদের পাকড়াও করার পর ভারতের পক্ষ থেকে এ ধরনের অভিযোগের পুনরাবৃত্তি করার সুযোগ নেই। অন্যদিকে বাংলাদেশি সন্ত্রাসীরাও অবৈধ পথে ভারতে গিয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে বলে পত্রিকায় খবর এসেছে। কীভাবে দুই দেশের সন্ত্রাসীরা সদাসতর্ক ও আগ্নেয়াস্ত্র তাক করে থাকা বিএসএফ সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সীমান্ত পার হয়, সেটাই প্রশ্ন। তাদের ঠেকাতে পারছে না বিএসএফ। যদিও বিএসএফের হাতে কিছুদিন পর পর বাংলাদেশী নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। মানুষ হত্যা করে সীমান্তে চোরাচালান বা কোনো ধরনের বেআইনি কাজ রোধ করা যায় না। চোরাচালান বা অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে প্রয়োজনে দুই দেশের সীমান্তরক্ষীরা যৌথ টহলের উদ্যোগ নিতে পারে।
নয়াদিল্লির বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আরও দুটি বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে, যার একটি হলো অবৈধ পথে ফেনসিডিলের প্রবেশ, অন্যটি মীমাংসিত ভূমির মালিকানা নিয়ে নতুন করে বিরোধ সৃষ্টি। এ দুটি বিষয়েও নয়াদিল্লি গঠনমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছে। বাংলাদেশ ন্যায়সংগতভাবেই প্রত্যাশা করে, উল্লিখিত প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ভারত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। অতীতের মতো এটি শুধু কথার কথা হবে না। একইভাবে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের অনুপ্রবেশের ঘটনায় ভারত যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, তাও আমলে নেওয়া প্রয়োজন। মনে রাখতে হবে, সন্ত্রাসীরা কোনো নির্দিষ্ট দেশ নয়, সব দেশের জন্যই ক্ষতিকর। কোনো পক্ষের গাফিলতিতে তারা পার পেয়ে যাবে, তা হতে পারে না।
গত জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের ফলে দুই দেশের সম্পর্কে যে সুবাতাস বইতে শুরু করেছে, কারও ‘সামান্য ভুলে’ তা ব্যাহত হোক তাও কাম্য নয়। দুই দেশের জনগণের স্বার্থে সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে দুই পক্ষকেই সচেষ্ট থাকতে হবে। দুই দেশের দুই নতুন সরকারই সম্পর্ক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইতিমধ্যে সীমান্ত-বাজার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, বেড়েছে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের যোগাযোগও। সে ক্ষেত্রে সীমান্তে অঘটন শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার বিকল্প নেই। দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সদিচ্ছা ও অঙ্গীকারও কাজে আসবে না, যদি সীমান্তে শান্তি বজায় না থাকে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নারী সংরক্ষণ বিল এপ্রিলে লোকসভায় পেশ হতে পারে
এই বিল পাস করা নিয়ে রাজ্যসভায় দুদিন ধরে প্রচণ্ড হট্টগোল হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে চেয়ারম্যান হামিদ আনসারী রাজ্যসভার সাত সাংসদকে রাজ্যসভার চলতি অধিবেশন থেকে বহিষ্কারও করেন। এখন সাংবিধানিক রীতি অনুসারে বিলটি ফের পাস করাতে হবে আইনসভার নিম্নকক্ষ লোকসভায়। তারপর বিলটি স্বাক্ষরের জন্য যাবে রাষ্ট্রপতির কাছে। রাষ্ট্রপতি অনুমোদন দিলেই বিলটি আইনে পরিণত হবে।
এ দিকে লোকসভার চলতি অধিবেশন ১৬ মার্চ পর্যন্ত হওয়ার কথা। কথা ছিল, এই সময়ের মধ্যেই বিলটি লোকসভায় পাস করিয়ে নেওয়া হবে। কিন্তু এখন আর কংগ্রেস নেতৃত্ব চাইছে না তাড়াহুড়া করে বিল পাস করাতে। লোকসভার চলতি অধিবেশন শেষ হওয়ার পর ফের অধিবেশন বসবে আগামী ১২ এপ্রিল। ওই সময়ই এই বিলটি লোকসভায় পেশ হতে পারে বলে বুধবার ইঙ্গিত দিয়েছেন সংসদীয় দপ্তরের মন্ত্রী পবনকুমার বনশল।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এসিএস টেক্সটাইল পরিদর্শনে ব্রিটিশ হাইকমিশনার
এ সময় প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ দাউদ আকবানী, পরিচালক ম্যাক্স কোহেন মার্টিন স্লকিসসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার এসিএস টেক্সটাইলের উইভিং, প্রসেসিং ও স্টিচিং ইউনিটের উত্পাদন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন। সম্পূর্ণ ব্রিটিশ অর্থায়নে ২০০৫ সালে ২৮ একর জমির ওপর শতভাগ রপ্তানিমুখী এসিএস টেক্সটাইল গড়ে তোলা হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কিশোরগঞ্জে উত্তরা মোটরসের গাড়ি মেলা শেষ হয়েছে
উত্তরা মোটরস লিমিটেড শহরের একরামপুর বাসস্ট্যান্ডে এ মেলার আয়োজন করে। এতে বিভিন্ন মডেলের কার, পিক-আপ ভ্যান, মিনি ট্রাক, সিএনজি বাস, হিউম্যান হলার, মোটরসাইকেল ইত্যাদি গাড়ি প্রদর্শন করা হয়। এ ছাড়া বাজাজ কোম্পানির মোটরসাইকেলও প্রদর্শন করা হয় এ মেলায়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিয়ানমারের নির্বাচনী আইনের সমালোচনায় বিভিন্ন দেশ
মিয়ানমারের সামরিক জান্তার নতুন নির্বাচনী আইনের সমালোচনা করেছে জাতিসংঘ, ফিলিপাইন ও ব্রিটেন। তবে জান্তা সরকার গতকাল বৃহস্পতিবার সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) শতাধিক কার্যালয় খুলে দিয়েছে। ২০০৩ সালের পর এই প্রথম এসব কার্যালয় খুলে দেওয়া হলো।
দলীয় কার্যালয় খুলে দেওয়া সম্পর্কে এনএলডির মুখপাত্র নিয়ান উইন বলেন, ‘ইয়াঙ্গুনসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১০০টি দলীয় শাখা কার্যালয় খুলে দেওয়া হয়েছে। সম্ভবত তারা কিছুটা উদারতা দেখানোর চেষ্টা করছে। আমার ধারণা, তারা (জান্তা) চায় আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি। তবে আমরা এ ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। সু চিসহ দলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে আমাদের।’
উইনি আরও বলেন, নতুন নির্বাচনী আইন সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এই আইনের মাধ্যমে ২০০৮ সালের সংবিধান সংশোধনীটিও কার্যকর করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এনএলডি এই সংশোধনী প্রত্যাখ্যান করেছে এবং এর বিরুদ্ধে আন্দোলনও করেছে।
এদিকে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জোট আসিয়ানের সদস্যদেশ ফিলিপাইন আরেক সদস্যদেশ মিয়ানমারের নতুন নির্বাচনী আইনের সমালোচনা করেছে। আসিয়ানভুক্ত দেশগুলো সাধারণত পরস্পরের বিরুদ্ধে সমালোচনা করে না। কিন্তু মিয়ানমারের আইন নিয়ে ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলবার্তো রোমুলো বলেন, ‘অং সান সু চিকে মুক্তি না দিলে এবং তাঁকে ও তাঁর দলকে নির্বাচনে অংশ নিতে না দিলে তা একটি হঠকারী ঘটনা হবে এবং এটা জান্তাদের নির্বাচনী রোডম্যাপেরও পরিপন্থী।’ ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত অ্যান্ড্রু হেইন বলেছেন, ‘নির্বাচনী আইনটি ভালোভাবে পর্যালোচনা করে দেখছি আমরা। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা না করে এই আইন করাটা নিন্দনীয় ও দুঃখজনক।’
১৯৯০ সালের নির্বাচনে সু চির নেতৃত্বাধীন এনএলডি জয়লাভ করলেও সামরিক জান্তা ওই নির্বাচনের ফলকে স্বীকৃতি দেয়নি; বরং তারা নোবেলজয়ী নেত্রীকে গৃহবন্দী করে রাখে। ২০০৩ সালে সু চির গাড়িবহরে ভয়াবহ হামলার পর এনএলডির প্রায় ৩০০ কার্যালয় বন্ধ করে দেওয়া হয়।
নির্বাচন কমিশন গঠন: মিয়ানমারের সামরিক জান্তা গতকাল বৃহস্পতিবার একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে। তারিখ ঘোষণা না করা হলেও চলতি বছরের শেষভাগে সেখানে নির্বাচন হওয়ার কথা। গত সোমবার ঘোষিত নতুন নির্বাচনী আইনের আওতায় ১৭ জন সদস্যের এই কমিশনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী জান্তার অধীনে থেকে কাজ করবে কমিশন। কমিশনের প্রথম কাজটি হবে দুই দশকের মধ্যে দেশটির প্রথম নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা। বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন, আগামী অক্টোবর বা নভেম্বরে নির্বাচন হতে পারে। নির্বাচন কমিশন গঠনের ঘোষণা দিয়ে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত টেলিভিশনে বলা হয়, নতুন নির্বাচন কমিশনারের নাম থেইন শোয়ে। তবে তাঁর পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডিএসইর নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী আট
চূড়ান্ত তালিকায় আছেন, দস্তগীর মো. আদিল, গোলাম কাদের, আবদুল হক, শরীফ আতাউর রহমান, খাজা গোলাম রসুল, রকিবুর রহমান, আহমদ রশীদ লালী ও আহমেদ ইকবাল হাসান। এর মধ্যে আহমদ রশীদ লালী ও আহমেদ ইকবাল হাসানকে কোনো ধরনের ব্যাখ্যা ছাড়াই নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করেছিল। পরে তাঁরা হাইকোর্টের আদেশ নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
তবে প্রাথমিক তালিকা থেকে মুজিবুর রহমান ও এম এ মুমিন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
চারটি পরিচালক পদে ডিএসইর নির্বাচন আগামী ২১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২০১১ হবে পর্যটন বছর
গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় আয়োজিত তিন দিনের আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা ‘ঢাকা ট্রাভেল মার্ট-২০১০’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জি এম কাদের এসব কথা বলেন।
রাজধানীর শেরাটন হোটেলে পর্যটনবিষয়ক স্থানীয় পত্রিকা বাংলাদেশ মনিটর এই নিয়ে সপ্তমবারের মতো এই মেলার আয়োজন করেছে। ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড এবং বেসরকারি বিমান সংস্থা জিএমজি এয়ারলাইনস প্রিমিয়াম পার্টনার হিসেবে এ মেলার আয়োজনে পৃষ্ঠাপোষকতা করেছে। অন্যদিকে জাতীয় বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এ মেলার অফিশিয়াল ক্যারিয়ার ও প্রিমিয়াম পার্টনার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্য দেন ঢাকা ট্রাভেল মার্ট -২০১০-এর চেয়ারম্যান ও দি বাংলাদেশ মনিটর-এর সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলম, ইস্টার্ন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুন মাহমুদ শাহ্, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জাকিউল ইসলাম, জিএমজি এয়ারলাইনসের ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদাদ রহমান এবং এমিরেটসের বাংলাদেশের এরিয়া ম্যানেজার হোসেন আল সাফি।
জি এম কাদের আরও বলেন, পর্যটন নীতিমালার খসড়া ইতিমধ্যে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশন আরও ১৫ দিন চললে, এ অধিবেশনেই পাস করানোর জন্য ওঠানো হবে। তিনি বলেন, পর্যটনশিল্পকে উন্নয়ন করতে হলে পরিবেশ পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি পরিবেশ, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
মেলায় স্বাগতিক বাংলাদেশসহ সাতটি দেশের ৪৫টি সংস্থা অংশ নিচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে জাতীয় পর্যটন সংস্থা, বিমান সংস্থা, ট্রাভেল ও ট্যুর অপারেটর, হোটেল ও রিসোর্ট এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলো মেলা চলাকালে দর্শনার্থীদের জন্য হ্রাসকৃত মূল্যে বিমান টিকিট, আকর্ষণীয় ট্যুর প্যাকেজসহ বিভিন্ন সেবা উপস্থাপন করছে।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত এ মেলা চলবে। প্রবেশমূল্য রাখা হয়েছে জনপ্রতি ২০ টাকা। প্রবেশ কুপনের ওপর ভিত্তি করে মেলার শেষ দিন র্যাফল ড্রর ব্যবস্থা রয়েছে। এতে পুরস্কার হিসেবে রয়েছে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গন্তব্যে বিমান টিকিট ও ট্যুর প্যাকেজ, তারকাবিশিষ্ট হোটেলে প্রাতঃরাশসহ রাতযাপন, লাঞ্চ ও ডিনার কুপন ইত্যাদি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হোয়াইট হাউসে আসা অর্ধেক চিঠিতে আমাকে নির্বোধ বলা হয়: ওবামা
তিনি বলেন, তাঁর কর্মীরা চিঠি পাঠানো ব্যক্তিদের ক্ষোভের আঁচড় তাঁর গায়ে পড়তে দেন না। রাতে হোয়াইট হাউসে ফিরলে তাঁকে বাছাই করা ১০টি চিঠি পড়তে দেওয়া হয়।
মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের সেইন্ট লুইস এলাকায় গত বুধবার একটি শোভাযাত্রায় ওবামা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি আপনাদের বলব যে আমার কর্মীরা খুবই শান্তশিষ্ট। কারণ এসব চিঠির প্রায় অর্ধেক চিঠিতে আমাকে নির্বোধ বলে আখ্যায়িত করা হয়। কিন্তু এ জন্য তাঁরা উত্তেজিত হন না।’ প্রেসিডেন্ট ওবামা এরপর বলেন, অনেক প্রবীণ নাগরিক তাঁকে চিঠি লিখে স্বাস্থ্যসেবা সরকারের হাতে রাখা এবং বৃদ্ধদের জন্য স্বাস্থ্য পরিকল্পনা নেওয়ার কথা জানান। ওবামা জানান, তিনি ওই সব লোকের কাছে চিঠির উত্তরে বলেন, স্বাস্থ্যব্যবস্থা বস্তুত কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত একটি কর্মসূচি। ওবামা আবারও হোয়াইট হাউসে প্রতিদিন চিঠির বন্যা আসার কথা উল্লেখ করে বলেন, ওই সব চিঠি পড়ে তিনি দেশের মানুষের মনোভাব বুঝতে পারেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফগানিস্তান কোনো ‘প্রক্সি’ যুদ্ধ চায় না: কারজাই
২০০১ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনী আফগানিস্তানে অভিযান চালানোর পর থেকে সেখানে নিজেদের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালিয়ে আসছে দক্ষিণ এশিয়ার দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। এ ছাড়া আফগানিস্তানে মার্কিন ও পশ্চিমা বাহিনীর বিরুদ্ধে ইরান পরোক্ষ লড়াই চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের।
বৈঠক শেষে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে কারজাই বলেন, ‘আফগানিস্তানে আমরা এ ব্যাপারে পুরোপুরি সচেতন, পাকিস্তানের সহযোগিতা ছাড়া আফগানিস্তান স্থিতিশীল হতে পারবে না। পাশাপাশি আমি এও বিশ্বাস করি, একটি স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ আফগানিস্তান ছাড়া পাকিস্তানে স্থিতিশীলতা বা শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব না।’
কারজাই আরও বলেন, ‘আফগানিস্তান তার ভূমিতে কোনো প্রক্সি যুদ্ধ চায় না। আফগানিস্তানের জনগণ চায় না, পাকিস্তান-ভারত বা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বা অন্য কোনো দেশ তাদের প্রতিপক্ষের সঙ্গে লড়াই করতে আফগানিস্তানের ভূমি ব্যবহার করুক।’
এর আগে বুধবার ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির সঙ্গে কারজাইয়ের বৈঠকে আবার ‘জিরগা’ প্রক্রিয়া চালু করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। জিরগা হচ্ছে আদিবাসী গোত্রপ্রধানদের সম্মেলন। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের আদিবাসী গোত্রগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার জন্য জিরগা অনুষ্ঠিত হয়। দুই দেশে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় একটি সাধারণ কৌশল নির্ধারণ করতে নিয়মিত জিরগা আয়োজন করা হবে।
দ্বিপক্ষীয় ওই বৈঠকে জারদারি কারজাইকে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অঙ্গন দুই দেশকে একই ভাষায় কথা বলতে হবে। কারণ দুই দেশই জঙ্গিবাদ ও চরমপন্থীদের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত।’ আফগান প্রেসিডেন্টের এই পাকিস্তান সফরকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কারণ তাঁকে স্বাগত জানাতে পুরো পাকিস্তান মন্ত্রিসভা বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিল।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মূল্যস্ফীতি সরকারের বড় উদ্বেগ: অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি এখন বড় উদ্বেগের বিষয়। আমাদের মূল্যস্ফীতি নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’
গতকাল বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে ঢাকা চেম্বারের এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাতের পর অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, অর্থবছরের ছয় মাসে বাজেট বাস্তবায়নের চিত্র নিয়ে সরকার সন্তুষ্ট।
মুহিতের মতে, ছয় মাসে বাজেট বাস্তবায়নের চিত্র ‘দেশের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ।’
আগামী ১৬ মার্চ জাতীয় সংসদে অর্থনীতির অর্ধবার্ষিক অগ্রগতি-সংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে বলেও অর্থমন্ত্রী জানান।
মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও বিনিয়োগ নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন মুহিত। তিনি বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ বেড়েছে। রপ্তানির কার্যাদেশের প্রবণতাও ভালো।’
এর ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বেড়ে মূল্যস্ফীতি প্রশমনে সহায়ক হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এবার মোট দেশজ উত্পাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কমে সাড়ে পাঁচ শতাংশে নেমে আসবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। আমরা এর আগেই বলেছি, প্রবৃদ্ধি এবার ছয় শতাংশ হবে। জাতীয় সংসদে বাজেট পর্যালোচনায় আমি এটাই উল্লেখ করব।’
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাড়ছে। আমনের বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষি খাতের অবস্থাও উজ্জ্বল হয়েছে। মানুষজন বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকছে। পেট্রল ও ভোজ্যতেলের দাম বাড়েনি।
অর্থমন্ত্রী অবশ্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি কার্যক্রমের মন্থর অগ্রগতিতে হতাশা ব্যক্ত করেন।
মুহিত আরও বলেন, এবার বাজেটে আর তিনি কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিতে চান না। তবে যাঁরা বিনিয়োগ করতে চান, তাঁদের কথাও ভেবে দেখতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি আবুল কাসেম খান অর্থনৈতিক উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি পরিকল্পনা গ্রহণ ও দ্রুত জাতীয় কয়লা নীতি প্রণয়ন করার আহ্বান জানান।
ঢাকা চেম্বারের সভাপতি ট্যাক্স কার্ড পদ্ধতি প্রণয়নের প্রস্তাব করেন, যার মাধ্যমে দেশের করদাতারা সরাসরি সরকারি সেবা ও সহায়তা গ্রহণ করতে পারবেন।
আবুল কাসেম খান ঢাকা কাস্টম হাউস অটোমেশন প্রজেক্টের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্যে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। ডিসিসিআই সভাপতি পাট ও পাটজাত পণ্যের বহুমুখীকরণে সরকারের সহায়তা কামনা করেন।
এসব বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানান, ঢাকা কাস্টম হাউস অটোমেশন প্রকল্পের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর জন্য অচিরে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, ‘পাট ও পাটজাত পণ্যের বহুমুখীকরণে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে। দেশে বর্তমানে বিনিয়োগ পরিবেশ আশানুরূপ পর্যায়ে রয়েছে।’
বৈঠকে ডিসিসিআইয়ের সহসভাপতি মো. সিরাজউদ্দিন মালিক, পরিচালক রফিকুল ইসলাম খান, মো. ইয়াদ আলী ফকির, ওয়াকার আহমেদ চৌধুরী, নেসার মাকসুদ খান, আসিফ ইব্রাহিম, এম এস সেকিল চৌধুরী, এমএ বাতেন, এম বশির উল্লাহ ভুঁইয়া, মাহবুব আনাম, মো. নাসিরউদ্দিন খান, এম আনওয়ারুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফাইনালে জার্মানি-অস্ট্রেলিয়া
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকার বাইরে
মাগুরা ক্রিকেট লিগ: মাগুরা ক্রিকেট লিগের সেমিফাইনালে মইন উদ্দিন স্মৃতি সংসদকে (১১৯) ৫ উইকেটে হারিয়েছে শহীদ পাইলট মুকুল স্মৃতি সংসদ (১২৪/৫)।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জিম্বাবুয়ের অসহায় আত্মসমর্পণ
এই ব্যর্থতায় ১-১-এ সমতায় থাকা সিরিজে এখন ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
রানের খাতা খোলা না হতেই সিবান্দাকে হারিয়ে ফেলে জিম্বাবুয়ে। শুরুর এই ধাক্কা তারা সামলে ওঠে মাসাকাদজা-টেলরের ৫১ রানের জুটিতে। কিন্তু এই জুটি বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরই বেপথু উতসেয়ার দল। ১ উইকেটে ৫১ থেকে মাত্র ২১ বলের ব্যবধানে জিম্বাবুয়ে পরিণত হয় ৫/৫৮! বাকি ৫ উইকেটে তারা তুলতে পারে আর ৪৬ রান। ৩টি চার ও ১টি ছয়ে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন মাসাকাদজা। জিম্বাবুয়ের ১০৪ রান আর্নস ভেলে ওয়ানডের সর্বনিম্ন স্কোর। ক্যারিয়ার-সেরা বোলিং করে (২৫ রানে ৪ উইকেট) ম্যান অব দ্য ম্যাচ মিডিয়াম পেসার ড্যারেন স্যামি।
একই ভেন্যুতে আজ সিরিজের চতুর্থ ওয়ানডে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিয়ানীবাজারকে বাফুফের ১ লাখ টাকা জরিমানা
পাশাপাশি রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ এবং স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে হাতাহাতি করার কারণে সতর্ক করা হয়েছে মোহামেডান খেলোয়াড়দের। তবে ১-১ গোলে ম্যাচ শেষ হওয়ার পর স্থানীয় দর্শক-সংগঠকদের হামলার শিকার মোহামেডান খেলোয়াড়দের প্রতি সভা থেকে সহমর্মিতাও জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে লিগ কমিটি খেলোয়াড়দের চিকিত্সার ব্যবস্থা করবে। তবে খরচ দেবে না।
এ ছাড়া ওই দিন ডাক্তার-অ্যাম্বুলেন্স নিশ্চিত না করেই ম্যাচ শুরু করার জন্য ম্যাচ কমিশনারকেও সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই দুটি বিষয় নিশ্চিত হয়ে তবেই ম্যাচ শুরু করতে হবে ম্যাচ কমিশনারদের।
লিগ কমিটির সিদ্ধান্ত জানার পর মোহামেডানের কর্মকর্তা লোকমান হোসেন ভুঁইয়া বলেছেন, ‘বাইলজ অনুসরণ করলে মোহামেডানের আপত্তি থাকত না। কিন্তু তা অনুসরণ করা হয়নি। বাইলজে আছে, দর্শক মাঠের ভেতর ঢুকলে আয়োজক দল সাসপেন্ড হয়ে যায়। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’ এখন কী করবে মোহামেডান? এই প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘লিগ কমিটি শতভাগ ব্যর্থ। তাদের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করছি আমরা। সভায় বসে করণীয় ঠিক করা হবে।’ জানা গেছে, কাল রাতেই সভায় বসেছে মোহামেডান ফুটবল কমিটি।
বাইলজের ৪.৫ ধারায় বলা আছে, আয়োজক দল সফরকারী দলকে ঠিকভাবে আতিথ্য না দিলে, প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা না দিলে, নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হলে ওই দলকে লিগ থেকে বহিষ্কার করার ক্ষমতা রাখে বাফুফে। বিয়ানীবাজার এর কিছুই মোহামেডানকে দিতে পারেনি বলে অভিযোগ উঠেছে।
বাংলাদেশ লিগ কমিটির চেয়ারম্যান সালাম মুর্শেদী বলছেন, ‘৪.৫ ধারা অনুযায়ী অব্যবস্থাপনার জন্য কোনো দলকে সাসপেন্ড করতেই হবে এমন কথা বলা নেই। ওটা সর্বোচ্চ শাস্তি। আমরা আবেগের বশে সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। বাইলজ অনুসরণ করেই শাস্তি দেওয়া হয়েছে বিয়ানীবাজারকে।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চ্যাপেল-হ্যাডলি ট্রফি অস্ট্রেলিয়ারই থাকল
টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা নিউজিল্যান্ড ইনিংসের প্রথম ২০ ওভার অবশ্য অন্য ইঙ্গিতই দিচ্ছিল। স্কোরবোর্ডে ১২০ রান, তিন শ পেরোনো একটা স্কোর তো হওয়াই উচিত। সেটি হলো না অস্ট্রেলীয় বোলাররা প্রবল প্রতাপে ফিরে আসায়। ১ উইকেটে ১২০ থেকে দেখতে না-দেখতেই স্কোর হয়ে গেল ৭ উইকেটে ১৭৭। ২০ থেকে ৩৯ ওভারের মধ্যে কোনো বাউন্ডারিই নেই। শেষ পর্যন্ত প্রায় ৬ ওভার বাকি থাকতেই নিউজিল্যান্ড অলআউট। স্কোরটা ২৩৮-ও তো হলো ৯ নম্বরে নামা ড্যারিল টাফির ১৭ বলে ৩৪ রানের ঝোড়ো ইনিংসে।
এই রান টপকাতে অস্ট্রেলিয়ার কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। দুই ইনিংসের বিরতির সময় বৃষ্টি লক্ষ্যটা বদলে ৩৪ ওভারে ২০০ হয়ে যাওয়ার পরও একই কথা। বন্ডের প্রথম ওভারেই হাডিনের ফিরে যাওয়াটাকে কোনো ব্যাপারই হয়ে উঠতে দেয়নি পন্টিং ও হোয়াইটের হাফ সেঞ্চুরি। ৩৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি করার পরের বলেই আউট হয়ে গেছেন পন্টিং। হোয়াইটের অপরাজিত ৫০ এসেছে ৫৭ বলে। তথ্যসূত্র: ওয়েবসাইট।
নিউজিল্যান্ড: ৪৪.১ ওভারে ২৩৮ (ম্যাককালাম ৬১, টাফি ৩৪, গাপটিল ৩০; হরিজ ৩/৪৬, ওয়াটসন ২/৩৪, হোপস ২/৩৮, জনসন ২/৪০)।
অস্ট্রেলিয়া: ৩১.১ ওভারে ২০২/৪ (পন্টিং ৫০, হোয়াইট ৫০*, ভোজেস ৩৪, ওয়াটসন ৩২; ভেট্টোরি ২/২৯)।
ফল: অস্ট্রেলিয়া ৬ উইকেটে জয়ী।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রাদার্স-মুক্তিযোদ্ধার প্রতীক্ষার জয়
প্রথম ম্যাচে মুক্তিযোদ্ধা এবং পঞ্চম ম্যাচে ফরাশগঞ্জকে হারানোর (দুটিই ১-০) পাঁচ ম্যাচ পর তৃতীয় জয় দেখল ব্রাদার্স। গত পাঁচ ম্যাচ থেকে মাত্র দুই পয়েন্ট পাওয়া ব্রাদার্সকে এদিন ৫০ মিনিটে জয়সূচক গোলটি এনে দিয়েছেন দিদার। আর এতে ১১ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে আবার চার নম্বরে উঠে এল দলটি। অন্যদিকে ১০ ম্যাচে শুকতারার পয়েন্ট ৭।
মুক্তিযোদ্ধার পয়েন্টও ১০ ম্যাচে ৭। ষষ্ঠ ম্যাচে শুকতারার সঙ্গে ড্র আর পরের ম্যাচে আরামবাগকে ৩-২ গোলে হারিয়ে ৪ পয়েন্ট পেয়েছিল তারা। কাল পিছিয়ে পড়েও মুক্তিযোদ্ধা ঘরে তুলল দ্বিতীয় জয়, অবনমন বাঁচানোর লড়াইয়ে যা হতে পারে মহার্ঘ।
২৫ মিনিটে চট্টগ্রাম মোহামেডানের লিংকনের করা গোলটি ৩ মিনিট পরেই ফুয়াদ আলী শোধ করার পর ৫৪ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেছেন রনি ইসলাম।
আগের ম্যাচে রহমতগঞ্জের কাছে পাঁচ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর প্রধান কোচ গোলাম সারোয়ার টিপুকে অব্যাহতি দেওয়ার খবর জানানো হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা ক্লাব থেকে। গোলাম সারোয়ার অবশ্য বেশ কয়েক দিন ধরে ব্যক্তিগত সমস্যায় দলকে সময় দিতে পারছিলেন না। কোচের দায়িত্ব পালন করছিলেন তাঁর সহকারী আতিকুর রহমান। তাঁকেই দেওয়া হয়েছে প্রধান কোচের দায়িত্ব।
তবে মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে সম্পৃক্ত এক সংগঠক বলেছেন, কোচ নয়, দুর্বল সাংগঠনিক কাঠামোর এ দলটির ব্যবস্থাপনাতেই রয়েছে আসল গলদ। ব্যবস্থাপনা ঠিক না হলে বিশ্বখ্যাত কোনো কোচও এই দলকে অবনমনের হাত থেকে বাঁচাতে পারেন কি না, তা নিয়েই তাঁর সংশয়।
বাংলাদেশ লিগে আজ খেলা নেই। আগামীকালের খেলা: আরামবাগ-রহমতঞ্জ (বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম, ৫টা)। চট্টগ্রাম আবাহনী-বিয়ানীবাজার (চট্টগ্রাম এমএ আজিজ স্টেডিয়াম, ৩.৩০ মিনিট)।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফতাব-নাঈম দুজনই আছেন একাদশে
তবে দুই পেসারের কাজটা স্রেফ বলকে একটু পুরোনো করে দেওয়া ছাড়া খুব বেশি থাকবে বলে মনে হয় না, বাংলাদেশের সেরা একাদশে যে চারজন স্পিনার! দুই বাঁহাতি সাকিব-রাজ্জাকের সঙ্গে আছেন মাহমুদউল্লাহ-নাঈম। রকিবুল হাসান হঠাত্ অবসরে গিয়ে আর যা-ই হোক, চট্টগ্রাম টেস্টের সেরা একাদশ বাছাইয়ের কাজটা অনেক সহজ করে দিয়েছেন। নাঈম ও আফতাব আহমেদের একজনকে বেছে নিতে হয়নি, খেলছেন দুজনই। রকিবুলের যেখানে খেলার কথা ছিল, সেই চার নম্বরে ব্যাট করবেন আফতাব। দুই বছর পর টেস্ট ক্রিকেটে ফিরে নিউজিল্যান্ডে দুই ইনিংসে ৩৩ ও ৮ রান করা আফতাব আরেকটি সুযোগ পাচ্ছেন ঘরের মাঠে। আর আট নম্বরে নেমে গত তিন টেস্টে এক সেঞ্চুরি ও দুই ফিফটি করা মাহমুদউল্লাহ পাচ্ছেন পারফরম্যান্সের পুরস্কার, উঠে আসছেন পাঁচে।
ছয় ব্যাটসম্যান-চার বোলার, নাকি পাঁচ-পাঁচ, দুই স্পিনার নাকি তিন পেসার—প্রথম একাদশটা কীভাবে সাজাবেন এখনো মনস্থির করতে পারছেন না অ্যালিস্টার কুক-অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার। সবচেয়ে বড় সমস্যা অবশ্য ইনজুরি, মূল দুই পেসারই ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি প্রস্তুতি ম্যাচে। গ্রাহাম অনিয়নস তো ফিরে যাচ্ছেন দেশেই। স্টুয়ার্ট ব্রডকে অবশ্য আজ পাওয়ার আশা করছেন কুক। কাল নেটে দুদফায় ১০-১২ ওভার বোলিং করেছেন ব্রড, আজ সকালে দেখেই নেওয়া হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। একটা সুখবর অবশ্য ইংল্যান্ডের জন্য আছে, বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণের বিপক্ষে দলের অন্যতম ভরসা ভাবা হচ্ছে যাকে, সেই পল কলিংউড খেলছেন। তিন
দিনের প্রস্তুতি ম্যাচটি দলের সহ-অধিনায়ক খেলতে পারেননি ইনজুরির জন্য।
ইংল্যান্ড সবচেয়ে দ্বিধায় আছে অবশ্য দুই স্পিনার খেলানো নিয়ে। গত দেড় বছরে গ্রায়েম সোয়ানের যা পারফরম্যান্স, তাতে দলে তাঁর জায়গা পাকা। কিন্তু প্রস্তুতি ম্যাচে ৮ উইকেট নেওয়া জেমস ট্রেডওয়েলকেও আবার উপেক্ষা করা যাচ্ছে না।
ওয়ানডে সিরিজের পর তিন দিনের ম্যাচেও যে ধরনের উইকেটের সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়েছে, তাতে দুজন স্পিনার খেলানোকে বেশি যৌক্তিকও মনে হচ্ছে ইংলিশদের কাছে। কিন্তু দুজন পেসার খেলালে কেউ একজন ইনজুরিতে পড়লে কী হবে, এ নিয়ে একটা ভয়ও কাজ করছে তাদের। সে ক্ষেত্রে তিন পেসার, দুই স্পিনার নিয়ে নামবে তারা, ওপেন করবেন জোনাথন ট্রট। আর শেষ পর্যন্ত যদি দুই স্পিনার-দুই পেসার নিয়েই নামে ইংল্যান্ড, তাহলে ট্রেডওয়েলের সঙ্গে অভিষেক হয়ে যাবে মাইকেল কারবেরির।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংখ্যা দিয়ে মেলান
১— একটি মাত্র সেঞ্চুরি জুটি বাংলাদেশের (হান্নান সরকার ও হাবিবুল বাশার)।
৩— সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি মার্কাস ট্রেসকোথিকের। তিনবার শূন্য রানে আউট হয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।
৪— দুই দলের খেলা টেস্ট। সবচেয়ে বেশি ম্যাচে নেতৃত্ব দেওয়া অধিনায়ক মাইকেল ভন।
৪/৬০—বাংলাদেশের পক্ষে সেরা বোলিং, মাশরাফি বিন মুর্তজার।
৫— সেঞ্চুরি দেখেছে দুই দেশের টেস্ট সিরিজ।
৫/৩৫—ইনিংসে সেরা বোলিং, স্টিভ হার্মিসনের।
৮— সবচেয়ে বেশি ক্যাচ মার্কাস ট্রেসকোথিকের, ছক্কাও।
১২— বাংলাদেশের পক্ষে সবচেয়ে বেশি উইকেট, মাশরাফির।
১৩—সবচেয়ে বেশি ডিসমিসাল জেরাইন্ট জোন্সের।
১৪—এক সিরিজে সর্বোচ্চ উইকেট ম্যাথু হগার্ডের (২০০৫ সালে)।
২৩—সবচেয়ে বেশি উইকেট ম্যাথু হগার্ডের।
৩৮—এক ইনিংসে অতিরিক্ত খাতে সবচেয়ে বেশি রান, দিয়েছে বাংলাদেশ।
৮২*—বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস, আফতাব আহমেদের।
১০৪—বাংলাদেশের সর্বনিম্ন স্কোর।
১৫০—এক ইনিংসে সবচেয়ে খরুচে বোলারের রান। ২০০৫ সালে লর্ডস টেস্টে দিয়েছিলেন মোহাম্মদ রফিক।
১৯৪—সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর, মার্কাস ট্রেসকোথিকের।
২০৫—বাংলাদেশের পক্ষে সবচেয়ে বেশি রান, জাভেদ ওমরের।
৫২৮—সর্বোচ্চ স্কোর, ইংল্যান্ডের।
৫৫১—সবচেয়ে বেশি রান, মার্কাস ট্রেসকোথিকের।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিস্মিত বোর্ড চায় রকিবুল ফিরুক
গত পরশু অনুশীলন শেষে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ছাড়ার সময় টিম বাসে হঠাত্ সামনে দাঁড়িয়ে পড়েন রকিবুল। ‘আমার কিছু বলার আছে’ বলে জানিয়ে দেন, এই টেস্ট সিরিজে তো নয়ই, কোনো ধরনের ক্রিকেটই আর খেলবেন না। ঘোষণাটা এমনই অবিশ্বাস্য যে, দলের কেউ কেউ এটিকে এমনকি রসিকতাও মনে করেছিলেন।
রকিবুল সিরিয়াস বোঝার পর শুরু হয় তাঁকে বোঝানোর পালা। কিন্তু সতীর্থ, কোচ, ম্যানেজার, কোচিং স্টাফের অন্য সদস্য, প্রধান নির্বাচক এমনকি বিসিবি কর্মকর্তাদের অনুরোধকেও উড়িয়ে দিয়ে রকিবুল বোর্ডকে লিখিতভাবে অবসরের সিদ্ধান্ত জানিয়ে সেদিন রাতেই উড়ে আসেন ঢাকায়। কারণ যা বলেছেন, তা হলো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ৩০ জনের দলে জায়গা না পাওয়া।
রকিবুলের অবসরের ব্যাপারে প্রধান নির্বাচক রফিকুল আলমের প্রতিক্রিয়াটা তাই জরুরি হয়ে যায়। কিন্তু দল নির্বাচনে মূল কর্তৃত্বের মতো কথা বলার অধিকারও যেন হারিয়ে ফেলেছেন তিনি! প্রধান নির্বাচকের উত্তর, ‘নো কমেন্টস। সিরাজ ভাইকে (ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির প্রধান এনায়েত হোসেন সিরাজ) জিজ্ঞেস করুন।’ দল নির্বাচন-সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে মতামত দেওয়াটা প্রধান নির্বাচকের এখতিয়ার। সেখানে রকিবুলের ব্যাপারটা ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির প্রধান কেন বলবেন? নাকি প্রচ্ছন্নে রফিকুলও জানিয়ে দিতে চাইলেন নিজের অভিমানটা! ইংল্যান্ড সিরিজের জন্য নির্বাচকদের ওয়ানডে দলে তো রকিবুল ছিলেনই। তাঁকে তো বাদ দিয়েছে বোর্ড!
এ ব্যাপারে ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির প্রধান এনায়েত হোসেনের বক্তব্য, ‘দলে কারও জায়গাই পাকা নয়। কেউ বাদ পড়বে, কেউ দলে ফিরবে এটাই নিয়ম। অবসর নিয়ে ফেলা কোনো সমাধান নয়। তার পরও দল নির্বাচনের ব্যাপারে কারও কোনো অসন্তোষ থাকলে সে বিষয়টা নিয়ে আমাদের সঙ্গে কথা বলতে পারে। প্রধান নির্বাচককেও তার কথা জানাতে পারে।’ এনায়েত হোসেনের আশা, রকিবুল তাঁর অবস্থান থেকে ফিরে আবার ক্রিকেট খেলবে। ব্যাপারটা নিয়ে প্রয়োজনে তিনি রকিবুলের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানিয়েছেন। এনায়েত হোসেনের কথার প্রতিধ্বনি বিসিবির বিবৃতিতেও। সেখানে বলা হয়েছে, টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টির দল নির্বাচন সম্পূর্ণভাবেই পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভরশীল। এখানে আবেগের কোনো স্থান নেই।
ওদিকে রকিবুলকে ক্রিকেটে ফেরানোর একটা উদ্যোগ এর মধ্যেই নিয়েছেন বিসিবি পরিচালক ও রকিবুলের জেলা জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদোয়ান। রকিবুলের বাবা-মা, জামালপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকদের নিয়ে আজকালের মধ্যেই তিনি রকিবুলের সঙ্গে দেখা করে তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন। কাল টেলিফোনে রেদোয়ান এই প্রতিবেদককে বলেছেন, ‘কী কারণে রকিবুলের এই অভিমান, কেন সে এত তাড়াতাড়ি ক্রিকেট ছেড়ে দিতে চায় সেটা তার কাছ থেকেই শুনে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করব। রকিবুল আমাদের সামনে ছোটবেলা থেকে এত বড় হয়েছে। আশা করি, আমাদের কথা সে ফেলতে পারবে না।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
March
(743)
-
▼
Mar 13
(33)
- অধ্যাপক রেহমান সোবহান: স্যারের প্রতি by এম এম আকাশ
- পুলিশের মিছিল -অপরাধ দমন by এ কে এম জাকারিয়া
- নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ইসলাম by মুহাম্মদ আবদুল মু...
- গাজায় গ্রেপ্তার ব্রিটিশ সাংবাদিককে মুক্তি দিয়েছে হ...
- পশ্চিমবঙ্গ-ঝাড়খন্ড সীমান্তে মাওবাদী দমনে অভিযান
- ইরানের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপে সৌদি সমর্থন চেয়েছেন গেটস
- প্রতিবন্ধী নারী ও মেয়েশিশুদের নিয়ে কতটা ভাবছি -আন্...
- দুই দিনের সফরে ভারতে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
- চিকিৎসায় সংগীত, চিত্রকলা by শাহাদুজ্জামান
- জলবায়ুবিষয়ক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করবে আইএসি
- অনেক কিছু বলতে মানা by আসিফ নজরুল
- ইসরায়েলি বসতি স্থাপন বন্ধের আগে আলোচনা নয়: আব্বাস
- সহিংসতার আশঙ্কায় ব্যাংককে ৫০ হাজার সেনা মোতায়েন
- কৃচ্ছ্র-পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ধর্মঘটে অচল গ্রিস
- বিডিআর-বিএসএফ বৈঠক -ভারতের আশ্বাস যেন কথার কথা না হয়
- নারী সংরক্ষণ বিল এপ্রিলে লোকসভায় পেশ হতে পারে
- এসিএস টেক্সটাইল পরিদর্শনে ব্রিটিশ হাইকমিশনার
- কিশোরগঞ্জে উত্তরা মোটরসের গাড়ি মেলা শেষ হয়েছে
- মিয়ানমারের নির্বাচনী আইনের সমালোচনায় বিভিন্ন দেশ
- ডিএসইর নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী আট
- ২০১১ হবে পর্যটন বছর
- হোয়াইট হাউসে আসা অর্ধেক চিঠিতে আমাকে নির্বোধ বলা হ...
- আফগানিস্তান কোনো ‘প্রক্সি’ যুদ্ধ চায় না: কারজাই
- মূল্যস্ফীতি সরকারের বড় উদ্বেগ: অর্থমন্ত্রী
- ফাইনালে জার্মানি-অস্ট্রেলিয়া
- ঢাকার বাইরে
- জিম্বাবুয়ের অসহায় আত্মসমর্পণ
- বিয়ানীবাজারকে বাফুফের ১ লাখ টাকা জরিমানা
- চ্যাপেল-হ্যাডলি ট্রফি অস্ট্রেলিয়ারই থাকল
- ব্রাদার্স-মুক্তিযোদ্ধার প্রতীক্ষার জয়
- আফতাব-নাঈম দুজনই আছেন একাদশে
- সংখ্যা দিয়ে মেলান
- বিস্মিত বোর্ড চায় রকিবুল ফিরুক
-
▼
Mar 13
(33)
-
▼
March
(743)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...