Showing posts with label জাহীদ রেজা নূর. Show all posts
Showing posts with label জাহীদ রেজা নূর. Show all posts

Monday, August 17, 2015

রবীন্দ্রনাথের শেষ দিনগুলো by জাহীদ রেজা নূর

মৃত্যুর আগে শেষবারের মতো শান্তিনিকেতন ছাড়ছেন
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জুলাই ১৯৪১ l ছবি: বিনোদ কোঠারি
৭৪ বছর আগে এই দিনটিতেই কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মারা যান। ক্যালেন্ডারের হিসাবে দিনটি ছিল ২২ শ্রাবণ, ৭ আগস্ট, এখন অবশ্য আমাদের দেশে দিনটি পালন করা হয় ৬ আগস্টে।
১৯৪১ সালে জীবনের শেষ দিনগুলোয় অসুখে ভুগছিলেন কবি। সারা জীবন চিকিৎসকের কাঁচি থেকে নিজেকে বাঁচিয়েছেন, এবার বুঝি আর তা সম্ভব নয়। হোমিওপ্যাথি, অ্যালোপ্যাথি চলছেই। কিন্তু কিছুতে কিছু হচ্ছে না। শান্তিনিকেতনে ছিলেন তখন। এরই মধ্যে অবনীন্দ্রনাথ বেশ কিছু গল্প লিখেছেন। সেগুলো পড়ে দারুণ আনন্দ পেলেন কবি। বললেন, আরও লিখতে। অবন ঠাকুর রানী চন্দকে গল্প বলে যান, রানী চন্দ সে গল্প শুনে লিখে ফেলেন। তারই কিছু আবার দেওয়া হলো রবীন্দ্রনাথকে। তিনি পড়লেন, হাসলেন এবং কাঁদলেন। রানী চন্দ এই প্রথম এমন করে রবিঠাকুরের চোখ থেকে জল পড়তে দেখলেন।
রানী চন্দ ছিলেন রবীন্দ্রনাথের প্রিয়ভাজন, শান্তিনিকেতনের শিক্ষার্থী ও চিত্রশিল্পী এবং রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব অনিল চন্দের স্ত্রী।
চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের কথাই বললেন। রবীন্দ্রনাথের তাতে মত নেই। তিনি বললেন, ‘মানুষকে তো মরতেই হবে একদিন। একভাবে না একভাবে এই শরীরের শেষ হতে হবে তো, তা এমনি করেই হোক না শেষ। মিথ্যে এটাকে কাটাকুটি ছেঁড়াছেঁড়ি করার কি প্রয়োজন?’
কিন্তু যে যন্ত্রণায় কষ্ট পাচ্ছেন তিনি, তার উপশমের জন্য দেহে অস্ত্রোপচার করতেই হবে—এই হলো চিকিৎসকদের মত। আর সেটা করতে হলে শান্তিনিকেতনকে বিদায় জানিয়ে চলে আসতে হবে কলকাতায়। তাই শেষবারের মতো শান্তিনিকেতন ছাড়লেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ২৫ জুলাই বেলা তিনটা ১৫ মিনিটে রবীন্দ্রনাথ এলেন জোড়াসাঁকোর বাড়িতে।
খবরটা গোপন রাখায় স্টেশনে কিংবা বাড়িতে ভিড় ছিল না। পুরোনো বাড়ির দোতলায় ‘পাথরের ঘর’-এ তিনি উঠলেন। স্ট্রেচারে করে দোতলায় নিতে হলো তাঁকে। ২৬ জুলাই রবিঠাকুর ছিলেন প্রফুল্ল। ৮০ বছরের খুড়ো রবীন্দ্রনাথ আর ৭০ বছর বয়সী ভাইপো অবনীন্দ্রনাথ অতীত দিনের নানা কথা স্মরণ করলেন। হাসলেন প্রাণখুলে। ২৭ জুলাই সকালে রবীন্দ্রনাথ মুখে মুখে বললেন একটি কবিতা, টুকে নিলেন রানী চন্দ। কবিতাটির প্রথম কয়েকটি পঙ্ক্তি হলো: ‘প্রথম দিনের সূর্য প্রশ্ন করেছিল সত্ত্বার নতুন আবির্ভাবে, কে তুমি, মেলে নি উত্তর।’ ৩০ জুলাই ঠিক হয়েছিল তাঁর দেহে অস্ত্রোপচার হবে। কিন্তু সেটা তাঁকে জানতে দেওয়া হয়নি। তিনি ছেলে রথীন্দ্রনাথকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কবে অপারেশন হবে’। রথীন্দ্রনাথ বললেন, ‘কাল-পরশু’। আবার রানী চন্দকে ডাকলেন কবি, লিখতে বললেন: ‘তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি/ বিচিত্র ছলনাজালে/ হে ছলনাময়ী।’ ডা. ললিত এলেন একটু পরে। বললেন, ‘আজকের দিনটা ভালো আছে। আজই সেরে ফেলি, কী বলেন?’ হকচকিয়ে গেলেন কবি। বললেন, ‘আজই!’ তারপর বললেন, ‘তা ভালো। এ রকম হঠাৎ হয়ে যাওয়াই ভালো।’
বেলা ১১টায় স্ট্রেচারে করে অপারেশন-টেবিলে আনা হলো কবিকে। লোকাল অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে অপারেশন করা হচ্ছে। ১১টা ২০ মিনিটের দিকে শেষ হলো অস্ত্রোপচার। ভারী আবহাওয়া উড়িয়ে দেওয়ার জন্য কবি রসিকতা করলেন, ‘খুব মজা, না?’
শরীরে যথেষ্ট যন্ত্রণা হয়েছিল অপারেশনের সময়। কিন্তু তা বুঝতে দেননি কবি। সেদিন ঘুমালেন। পরদিন ৩১ জুলাই যন্ত্রণা বাড়ল। গায়ের তাপ বাড়ছে। নিঃসাড় হয়ে আছেন। ১ আগস্ট কথা বলছেন না কবি। অল্প অল্প পানি আর ফলের রস খাওয়ানো হচ্ছে তাঁকে। চিকিৎসকেরা শঙ্কিত। ২ আগস্ট কিছু খেতে চাইলেন না, কিন্তু বললেন, ‘আহ! আমাকে জ্বালাসনে তোরা।’ তাতেই সবাই খুশি। ৩ আগস্টও শরীরের কোনো উন্নতি নেই। ৪ আগস্ট সকালে চার আউন্সের মতো কফি খেলেন। জ্বর বাড়ল। ৫ আগস্ট ডা. নীলরতন বিধান রায়কে নিয়ে এলেন। রাতে স্যালাইন দেওয়া হলো কবিকে। অক্সিজেন আনিয়ে রাখা হলো। ৬ আগস্ট বাড়িতে উৎসুক মানুষের ভিড়। হিক্কা উঠছিল কবির। পুত্রবধূ প্রতিমা দেবী ডাকছিলেন, ‘বাবা মশায়!’ একটু সাড়া দিলেন কবি। রাত ১২টার দিকে আরও অবনতি হলো কবির শরীরের। ৭ আগস্ট ছিল ২২ শ্রাবণ। কবিকে সকাল নয়টার দিকে অক্সিজেন দেওয়া হলো। নিশ্বাস ধীরে ধীরে ক্ষীণ হতে থাকল কবির। দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে তা একেবারে থেমে গেল।
জনারণ্যে পরিণত হয়েছে তখন ঠাকুরবাড়ি। কবিকে বেনারসি-জোড় পড়ানো হলো। কোঁচানো ধুতি, গরদের পাঞ্জাবি, চাদর, কপালে চন্দন, গলায় মালা দিয়ে সাজানো হলো। রানী চন্দ কবির বুকের ওপরে রাখা হাতে ধরিয়ে দিলেন পদ্মকোরক। কবি চললেন চিরবিদায়ের পথে।
আমরা বিশ্বকবির প্রয়াণ দিবসে তাঁর শেষদিনগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দিলাম পাঠককে। আমরা সেই কবির কথা বললাম, যিনি প্রকৃতি, প্রেম ও জগৎকে দেখার জন্য আমাদের চোখ খুলে দিয়েছেন। বাংলা ভাষায় রচিত সাহিত্যের প্রতিটি বিভাগেই দেখি তাঁর শক্তিমান উপস্থিতি। প্রয়াণ দিবসে বিশ্বকবি, আপনার জন্য রইল আমাদের শ্রদ্ধা।
(রানী চন্দ রচিত গুরুদেব অবলম্বনে।)

Friday, October 11, 2013

নয়া মস্কো by জাহীদ রেজা নূর

ইমিগ্রেশন পেরিয়েই কে আমাকে নিতে এসেছে, খুঁজতে লাগলাম। বুকে ‘রুদেএন’ লাগানো এক দশাসই প্রবীণকে দেখে রুশে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আমার জন্য এসেছেন?’

Thursday, June 27, 2013

মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০১২ মানুষ মানুষের জন্য by জাহীদ রেজা নূর

২৬ এপ্রিল মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হবে, তা নির্ধারিত ছিল অনেক আগে থেকেই। কিন্তু ২৪ এপ্রিল সাভারে ঘটল মহা দুর্ঘটনা। রানা প্লাজার ধসে তখন হাজার হাজার শ্রমিকের জীবন সংকটাপন্ন।

Wednesday, August 15, 2012

১৫ আগস্ট ও কর্নেল জামিল by জাহীদ রেজা নূর

গণভবনের মধ্যেই একটি বাড়ি। সেই বাড়িতে স্ত্রী-কন্যাদের নিয়ে থাকতেন কর্নেল জামিল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোররাত তিনটা-সাড়ে তিনটার দিকে বেজে উঠল লাল ফোনটা। লাল ফোন মানে সরাসরি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কথা বলা যায় যে ফোনে। ফোন ধরলেন কর্নেল জামিলের স্ত্রী আনজুমান আরা।

Wednesday, July 18, 2012

কেনেডি সেন্টারে শুরুর আগে by জাহীদ রেজা নূর

ইএমকে সেন্টার—নামটা চেনা চেনা লাগছে কি? নিশ্চয় নয়। তবে খুব শিগগির নামটিকে খুব আপন মনে হবে। ওই তিনটি অক্ষরের মধ্যে লুকিয়ে আছে একজন অসাধারণ মানুষের নাম— এডওয়ার্ড এম কেনেডি। নামটি মনে পড়লেই চোখে ভাসে একাত্তর। মনে পড়ে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে এসে দাঁড়ায়নি।

Thursday, June 28, 2012

মহড়াকক্ষ থেকে-টার্গেট প্লাটুন by জাহীদ রেজা নূর

মহড়াকক্ষের বাইরে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকি। একটু ইতস্তত করি। ঠিক জায়গায় এলাম তো! ভেতর থেকে শুধু নানা তাল-লয়ের গানের সুর ভেসে আসে। এখানেই কি আসতে বলেছিলেন মামুনুর রশীদ, আমাদের মামুন ভাই!
না, ভুল করিনি। ঠিক জায়গাতেই এসেছি আমরা।

Wednesday, June 27, 2012

সবুজ সুইডেনে by জাহীদ রেজা নূর

যাত্রার আগে ভেবেছিলাম, ও, সুইডেন, মানে ইউরোপ? তাহলে তো ছয়-সাত ঘণ্টার বিমান-ভ্রমণ। কিন্তু ই-টিকিটের দিকে তাকিয়ে চক্ষু চড়কগাছ! ঢাকা থেকে কাতারের রাজধানী দোহা পাঁচ ঘণ্টা; দুই ঘণ্টা দোহা বিমানবন্দরে ট্রানজিট যাত্রী হিসেবে বসে থাকা, তারপর আবার ছয় ঘণ্টার বিমান-ভ্রমণ আমাকে সুইডেনের আরলান্ডা বিমানবন্দরে পৌঁছে দেবে।

Thursday, June 21, 2012

চারদিক-মন ভালো হয়ে যায় by জাহীদ রেজা নূর

৩ নভেম্বর সকালে হাঁটার জন্য সোজা চন্দ্রিমা উদ্যান। হাতের সঙ্গে পেঁচিয়ে নেওয়া একটা ডিজিটাল ক্যামেরা। চন্দ্রিমায় রাজকীয় চালে হেলেদুলে হাঁটে কয়েকটি রাজহাঁস। ওদের ছবি তুলে বাচ্চাদের দেখাব—এই ছিল উদ্দেশ্য। কিন্তু রাজহাঁসগুলোর দেখা মেলে না। অবশ্য একটি দৃশ্য দেখে মন ভালো হয়ে যায়।

Saturday, June 9, 2012

জন্মদিন-কীর্তিময়ী এক নারীর কথা by জাহীদ রেজা নূর

বাড়ির বসার ঘরেই তিনি ছিলেন। মিষ্টি হাসি উপহার পেলাম। শিক্ষা সম্প্রসারণের জন্য কত কাজই না তিনি করেছেন! এখন, এই বয়সে এসেও শিক্ষাই তাঁর ধ্যানজ্ঞান। পাঠক, আজ ড. সুলতানা সারওয়াত আরা জামানের ৮০ বছর পূর্ণ হলো। সুলতানা জামান নামে তিনি পরিচিত। তাঁকে আমাদের শ্রদ্ধা।

Sunday, May 27, 2012

মহড়াকক্ষ থেকে: মহাজনের নাও-একটি গীতল নাটক by জাহীদ রেজা নূর

চাইলেই নাটকে পশ্চিমা রীতি উপেক্ষা করা যায় না। কিংবা উপেক্ষা করতেই হবে, এ রকম আইনও কেউ করে দেয়নি। পশ্চিমা আর প্রাচ্য রীতির মিলনেও তো গড়ে উঠতে পারে অসাধারণ শিল্প, সে কথাই বা ভুলি কী করে। সুবচন নাট্য সংসদ যখন লোকশিল্পী শাহ আবদুল করিমকে নিয়ে মঞ্চে নাটক আনতে চাইল, তখন এ প্রশ্নটিও তাদের মনে এসেছিল নিশ্চয়।

Wednesday, May 23, 2012

প্রতিটি দিনই নজরুলের জন্মদিন by জাহীদ রেজা নূর

তুমি বলবে, নজরুল তো বিদ্রোহের কবি, আমি বলব প্রেমের। তুমি আবৃত্তি করবে ‘সাম্যবাদী’, আমি গাইব ‘এত জল ও কাজল চোখে’। তুমি আমার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেবে ‘রাজবন্দির জবানবন্দী’। আমি তোমাকে শোনাব ‘সখি পাতিসনে শিলাতলে পদ্মপাতা’।

Wednesday, May 16, 2012

চারদিক-কেউ কি শুনতে পাচ্ছে তাঁদের কান্না? by জাহীদ রেজা নূর

পরিবেশটাই ছিল শোকের। অসহায়ত্বের। কিন্তু এই শোক, এই অসহায়ত্ব থেকে বেরিয়ে আসার প্রতিশ্রুতিও ছিল তাতে।
সেদিন সব কথা হলো শেখরকে নিয়ে। রকীব নেওয়াজ শেখর—ফ্যাশন হাউস চিলেকোঠার অন্যতম কর্ণধার। দেশি কাপড় নিয়ে রকমারি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছিল ছেলেটি।

Sunday, May 13, 2012

এইদিনে-শেষের শুরু যেখানে by জাহীদ রেজা নূর

ছাব্বিশে মার্চ ছিল শেষের শুরু। ২৫ মার্চ যখন অস্ত্রের ঝনঝনানিতে ঢাকা শহর প্রকম্পিত, যখন দাউ দাউ আগুনে জ্বলে যাচ্ছে পত্রিকা অফিস, পিলখানা, রাজারবাগ; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন ছাত্র-শিক্ষক হত্যা চলছে, সারা দেশেই যখন বাঙালিদের হত্যা করার জন্যনেমে গেছে পাকিস্তানি বাহিনী, তখনো ইয়াহিয়া বুঝতে পারেনি, এটা ছিল শেষের শুরু। এটা ছিল একটি দেশের পতন। একটি অহমিকার পতন। একটি নতুন দেশের জন্ম।

Saturday, May 12, 2012

জন্মদিন-মানুষকে ভালোবাসতেন যিনি by জাহীদ রেজা নূর

বলা হয়, মানুষ একবারই জন্ম নেয়, মরে বারবার। আপসে আপসে নিজেকে বদলে নেয় যখন-তখন। নিজের ভুলগুলো অক্লেশে অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে শরীরে মেখে নিতে চায় শুভ্রতার রং। কিন্তু যে মানুষটিকে নিয়ে কথা, তিনি যেন একবারই মরবেন বলে করেছিলেন ধনুর্ভঙ্গপণ।

শ্রদ্ধাঞ্জলি-চলে গেলেন কে জি মুস্তাফা by জাহীদ রেজা নূর

সকালে এবিসি রেডিওর খবরে প্রথম শুনলাম, কে জি মুস্তাফা আর নেই। সঙ্গে সঙ্গে একটা অপরাধবোধ চেপে ধরল আমাকে। যুগান্তরের সহকারী সম্পাদক হাসান মামুন আর আমি কত দিন ভেবেছি, তাঁকে একনজর দেখে আসব, কিন্তু হয়ে উঠল কই? মুক্তকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদকীয় বিভাগে কাজ করার সময় তিনি ছিলেন আমাদের সম্পাদক।

Friday, May 11, 2012

এইদিনে-একটি ভাষণ হয়ে উঠল কবিতা by জাহীদ রেজা নূর

কথাগুলো বারবার বলা দরকার। ৭ মার্চ, ১৯৭১-এর কথা। এমন দিন খুব কম এসেছে আমাদের জীবনে, এই ভূখণ্ডে।
তত দিনে পশ্চিম পাকিস্তান ও পূর্ব পাকিস্তানের মধ্যে বৈষম্যের খবর পৌঁছে গেছে প্রতিটি বাঙালির শিরায় শিরায়।
সত্তরের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু তুলে ধরেছিলেন এই বৈষম্যের কথা।

Wednesday, May 9, 2012

এইদিনে-এ দিন গর্বের, অহংকারের by জাহীদ রেজা নূর

একুশে ফেব্রুয়ারি কি বাঙালি ফিরে এল স্বদেশে? প্রচণ্ড এক ধাক্কা এসে কি তাকে দাঁড় করাল আত্মপরিচয়ের প্রশ্নের কাছে? এতদিন ধরে ভাষা নিয়ে যে আলোচনা. বিতর্ক, আন্দোলন চলে আসছিল, তারই চূড়ান্ত রূপ হয়ে কি সামনে এল বায়ান্নর একুশ?

Monday, May 7, 2012

সমাপনী-প্রগাঢ় হলো রবীন্দ্রবন্ধন by জাহীদ রেজা নূর

ছিমছাম টানটান এক অনুষ্ঠান। রবীন্দ্রনাথের সার্ধশততম জন্মবার্ষিকীর সমাপনী অনুষ্ঠান ছিল এটা। আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ ও ভারত যৌথভাবে। গত বছরের ৬ মে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানমালার সমাপ্তির ঘোষণা এল মঞ্চ থেকে। সেই সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের ১৫১তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপনও হয়ে গেল।

Sunday, May 6, 2012

নাটক-দ্য টেম্পেস্টের মহড়াকক্ষে by জাহীদ রেজা নূর

সেদিন কালবৈশাখীর সঙ্গে একপশলা বৃষ্টি হয়েছিল। এরপর যখন মৃদু শীতল রাজপথ দিয়ে আমরা শিল্পকলা একাডেমীতে পৌঁছালাম, তখন মহড়াকক্ষে ঝড়! এ ঝড়েই ডুবে যাবে রাজা অ্যালোনজোর জাহাজ। প্রসপেরোর জাদুমায়া শুরু হয়ে যাবে। সেদিন ২ মে।

Thursday, April 26, 2012

দুঃখ করো না, বাঁচো by জাহীদ রেজা নূর

একটি এফএম রেডিওতে বাজছিল গান। ‘হারিয়ে যাওয়া দিন হাত বাড়িয়ে ছুঁই...’। ভয়ের সংসারে স্বপ্ন বুনে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ গড়ার শপথ যেন শুনতে পাই তাতে। চমকে উঠতে হয়। প্রচলিত বিভিন্ন ধারার গানের মধ্যে ব্যতিক্রমী গানটি।