Wednesday, March 18, 2026

ঈদের নামাজ কোথায় পড়া উত্তম, জেনে নিন

ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা মুসলমানদের জন্য আনন্দ ও ইবাদতের এক বিশেষ দিন। এদিন সকালে ঈদের নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়েই মূলত উৎসবের সূচনা হয়। তবে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, ঈদের নামাজ কোথায় পড়া উত্তম, মসজিদে নাকি খোলা মাঠে?

এই প্রশ্নের উত্তরে রাজধানীর জামিয়া মাহমুদিয়া যাত্রাবাড়ীর প্রধান মুফতি রেজাউল করীম আবরার কালবেলাকে বলেন, ঈদের নামাজ ঈদগাহে ও খোলা মাঠে পড়া সুন্নত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং খোলাফায়ে রাশেদিন সকলেই ঈদের নামাজ ঈদগাহে পড়তেন।

হজরত আবু সাঈদ খুদরী (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিন (ঈদের নামাজের জন্য) ঈদগাহে যেতেন (বোখারি : ৯৬৫)। হজরত আলী (রা.) বলেন, দুই ঈদে (ঈদের নামাজের জন্য) খোলা মাঠে যাওয়া সুন্নত। (আলমুজামুল আওসাত, তবারানি : ৪০৪০)

মুফতি আবরার বলেন, মাঠে ঈদের নামাজ পড়ার ব্যবস্থা থাকলে বিনা ওজরে মসজিদে ঈদের জামাত করবে না। তবে কোথাও বিনা জরুরতে এমনটি করা হলে ঈদের নামাজ আদায় হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে শহরে ঈদগাহ কম, বিধায় অধিকাংশ মসজিদে ঈদের জামাত হয়। জায়গা সংকুলান না হওয়া বা বৃষ্টি ইত্যাদির কারণে মসজিদে ঈদের নামাজ পড়লে সুন্নতের খেলাফ হবে না। ওজরের সময় মসজিদে পড়া হাদিস দ্বারা প্রমাণিত।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, কোনো এক ঈদের দিন বৃষ্টি তাঁদেরকে পেয়ে বসে। ফলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবিদের নিয়ে মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেন। (আবু দাউদ : ১১৫৩)

উল্লেখ্য, যাদের ওপর জুমার নামাজ ফরজ, তাদের ওপর ঈদের নামাজ ওয়াজিব। অর্থাৎ, প্রাপ্ত বয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন, যেসকল মুসলিম পুরুষ জামাতে উপস্থিত হয়ে ঈদের নামাজ আদায়ের সক্ষমতা রাখে, তাদেরকে ঈদের নামাজ পড়তে হবে। (আলমুহীতুল বুরহানী : ২/৪৭৬, বাদায়েউস সানায়ে : ১/৬১৭, শরহুল মুনইয়া : পৃ. ৫৬৫) 

ঈদুল ফিতর, ঈদের নামাজ, মসজিদ
যাদের ওপর জুমার নামাজ ফরজ, তাদের ওপর ঈদের নামাজ ওয়াজিব। ছবি : সংগৃহীত

সৌদি আরব, কাতার ও আমিরাতের তেল স্থাপনার আশপাশের বাসিন্দাদের সরে যেতে বলল ইরান

সৌদি আরব, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাঁচটি প্রধান তেল স্থাপনার কাছের এলাকায় বসবাসরত সাধারণ মানুষকে অবিলম্বে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ওই সব দেশের সংশ্লিষ্ট বাসিন্দাদের উদ্দেশ্যে বলেছে, ‘অবিলম্বে এই এলাকাগুলো ত্যাগ করুন এবং কোনো বিলম্ব না করে নিরাপদ দূরত্বে সরে যান।’

এদিকে আজ বুধবার ভোরে ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের একটি পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম ও ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংবাদ সংস্থা তাসনিম এ খবর জানিয়েছে।

এদিকে গ্যাসক্ষেত্রটিতে ইসরায়েলের হামলার নিন্দা জানিয়েছে কাতার। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি বলেন, ‘ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত স্থাপনাতে ইসরায়েলের এ হামলা এই অঞ্চলের বর্তমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে একটি বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন পদক্ষেপ।’ গ্যাসক্ষেত্রটি কাতারের নর্থ ফিল্ডের একটি বর্ধিত অংশ বলে জানান তিনি।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সতর্ক করে বলেন, ‘জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা বিশ্ব জ্বালানি নিরাপত্তার পাশাপাশি এই অঞ্চলের জনগণ এবং পরিবেশের জন্যও একটি বড় হুমকি।’

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ জানায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। এ পর্যন্ত হতাহতের বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

সূত্র: আল–জাজিরা

ইসরায়েলের হামলায় জ্বলছে ইরানে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম বড় গ্যাসক্ষেত্র ‘সাউথ পার্স’। ১৪ জুন, বুশেহর প্রদেশ
ইসরায়েলের হামলায় জ্বলছে ইরানে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম বড় গ্যাসক্ষেত্র ‘সাউথ পার্স’। ১৪ জুন, বুশেহর প্রদেশ। ছবি: রয়টার্স

‘এটি আমাদের যুদ্ধ নয়’: ট্রাম্পের দাবির মুখে ইউরোপীয় নেতারা

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধের তৃতীয় সপ্তাহ চলছে। এই যুদ্ধের কারণে ইউরোপীয় নেতারা এক কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন। একদিকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল পূর্ণমাত্রায় চালু করার জন্য তাঁদের কাছে সাহায্য চাইছেন ট্রাম্প। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পছন্দের কোনো যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার প্রতি চরম অনীহাও রয়েছে ইউরোপের নেতাদের মধ্যে।

সোমবার ইউরোপের বেশ কয়েকজন নেতা ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক বক্তব্যে উদ্বেগ ও আশঙ্কা প্রকাশ করেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নেতৃত্বাধীন এই যুদ্ধ বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দিলেও ইউরোপীয় অনেক নেতা তাঁদের দেশের নৌবাহিনীকে বিপদের মুখে হরমুজ প্রণালিতে পাঠাতে স্পষ্টভাবে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

গত রোববার এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছিলেন, তেল, গ্যাস ও সারবাহী ট্যাংকারগুলোর জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ খুলে দেওয়ার প্রচেষ্টায় ইউরোপীয় দেশগুলো যোগ না দিলে তা ন্যাটোর ভবিষ্যতের জন্য খুব খারাপ হবে। এর আগে শনিবার তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছিলেন, হরমুজ বন্ধ করার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো দ্রুতই সেখানে যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে।

ইউরোপীয় কর্মকর্তারা বলছেন ঠিক উল্টো কথা। জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস সোমবার বলেন, ‘এটি আমাদের যুদ্ধ নয়। আমরা এটি শুরু করিনি।’ তিনি বলেন, জার্মানি কূটনৈতিক সমাধান চায়। আর ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের নৌবাহিনী পূর্ব ভূমধ্যসাগরে অবস্থান করছে। তবে তাদের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। তারা রক্ষণাত্মক অবস্থায় থাকবে।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তাঁর দেশ ইরানের সঙ্গে ‘বিস্তৃত এই যুদ্ধে জড়াবে না।’ ট্রাম্পের মন্তব্য সরাসরি উল্লেখ না করে স্টারমার বলেন, ‘আমার নেতৃত্বের লক্ষ্য হলো ব্রিটিশ স্বার্থে অটল থাকা, যত চাপই আসুক না কেন।’ তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দিতে সম্মিলিতভাবে কী করা যায়, সে বিষয়ে যুক্তরাজ্যের কর্মকর্তারা ইউরোপীয় অংশীদারসহ সব মিত্রদের সঙ্গে কাজ করছেন।

ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের ওপর অর্থনৈতিক চাপ এখন বাস্তব। জ্বালানির দাম ইতিমধ্যেই আকাশচুম্বী, যা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করছে। পাশাপাশি ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের স্মৃতিও কাজ করছে। বিশ্বনেতারা মনে রেখেছেন, কীভাবে সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের জেদ এবং ভুল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইরাকে হামলা চালানো হয়েছিল। এটি ছিল একটি ব্যয়বহুল ভুল।

ইউরোপীয় নেতারা এখন উভয়সংকটে রয়েছেন। যদি তাঁরা কিছু না করে চুপচাপ বসে থাকেন, তবে জিনিসপত্রের দাম বাড়তে থাকবে। এর ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বাধা আসবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেবে। আবার যদি তাঁরা যুদ্ধে যোগ দেন, তবে সামরিক ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি রয়েছে। এটি ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত বাড়িয়ে দিতে পারে।

ইউরোপীয় নেতাদের আবার ট্রাম্পের এক পুরোনো অভিযোগও সামলাতে হচ্ছে। অভিযোগটি হলো পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর দেশগুলো নিজেদের প্রতিরক্ষার জন্য যথেষ্ট খরচ করে না। রোববার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘কোনো দেশ আমাদের এই ছোট প্রচেষ্টায় সাহায্য করবে না, সেটা দেখাটা বেশ মজার হবে।’

যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রতিরক্ষাপ্রধান নিক কার্টার বিবিসি রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ন্যাটোর যোগ দেওয়া অনুচিত হবে। ন্যাটো একটি ‘রক্ষণাত্মক জোট’ হিসেবে তৈরি হয়েছিল। এর প্রতিটি ধারা আত্মরক্ষার জন্যই। এটি এমন কোনো জোট নয় যে একটি দেশ নিজের ইচ্ছায় যুদ্ধে যাবে, আর বাকিদের তা অনুসরণ করতে বাধ্য করবে।

ইরানের বিরুদ্ধে প্রাথমিক আক্রমণে অংশ না নেওয়ায় কিয়ার স্টারমারকে বারবার ট্রাম্পের আক্রমণের শিকার হতে হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে আবারও পুরোনো সেই বিষয়টি তুলে ধরে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই, এটি ন্যাটোর কোনো অভিযান নয়। আর কখনো সেভাবে ভাবাও হয়নি।’

ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানিও তাঁর দেশের নৌবাহিনীকে হরমুজ প্রণালিতে পাঠানোর সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। বর্তমানে ইতালির একটি যুদ্ধজাহাজ ফ্রান্সের একটি বিমানবাহী রণতরির সঙ্গে মাঠে থাকলেও সেগুলোর কার্যক্রম কেবল পূর্ব ভূমধ্যসাগরেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

রোববার ইতালির একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে আন্তোনিও তাজানি বলেন, ‘আমরা হরমুজ প্রণালিতে সামরিক অভিযানে যুক্ত নই।’ তিনি আরও বলেন যে ইতালি, ফ্রান্স বা অন্য কোনো ইউরোপীয় দেশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জোর করে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর প্রস্তাব দেয়নি।

সেদিনই কুয়েতের আলী আল সালেম ঘাঁটিতে একটি ড্রোন হামলায় ইতালির একটি উড়োজাহাজ ধ্বংস হয়েছে। ওই ঘাঁটিতে মার্কিন সেনারাও থাকেন। তবে ইতালির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের কোনো সদস্য আহত হয়নি।

পরদিন সোমবার পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাডোস্লাভ সিকোরস্কি বলেছেন যে তাঁর দেশের নেতারা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বাহিনী পাঠানোর বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন। হরমুজ প্রণালি নিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারের ভেতরে এ বিষয়ে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ন্যাটোকে “আমাদের” না বলে “তারা” বা “ইউরোপ” বলে সম্বোধন করছেন। এটি কিছুটা উদ্বেগের।’
তেহরানে মার্কিন–ইসরায়েলি হামলায় গুড়িয়ে যাওয়া স্থাপনায় উদ্ধার অভিযান চালান জরুরি বিভাগের কর্মীরা। ইরান, ১৬ মার্চ ২০২৬
তেহরানে মার্কিন–ইসরায়েলি হামলায় গুড়িয়ে যাওয়া স্থাপনায় উদ্ধার অভিযান চালান জরুরি বিভাগের কর্মীরা। ইরান, ১৬ মার্চ ২০২৬ ছবি: রয়টার্স

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতি

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলের অন্তত তিনটি স্থানে আগুন ধরে যায় বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২। বার্তা সংস্থা রয়টার্স কিছুক্ষণ আগে ছবিগুলো প্রকাশ করেছে।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে একটি স্থাপনায় আগুন ধরে যায়। ইসরায়েল, ১৩মার্চ
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে একটি স্থাপনায় আগুন ধরে যায়। ইসরায়েল, ১৩মার্চ। ছবি: রয়টার্স
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে একটি স্থাপনায় আগুন ধরে যায়। ইসরায়েল, ১৩মার্চ
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে একটি স্থাপনায় আগুন ধরে যায়। ইসরায়েল, ১৩মার্চ। ছবি: রয়টার্স
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে একটি স্থাপনায় ওপরে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। ইসরায়েল, ১৩মার্চ
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে একটি স্থাপনায় ওপরে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। ইসরায়েল, ১৩মার্চ। ছবি: রয়টার্স
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে একটি স্থাপনায় ওপরে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। ইসরায়েল, ১৩মার্চ
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে একটি স্থাপনায় ওপরে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। ইসরায়েল, ১৩মার্চ ছবি: রয়টার্স