Thursday, April 17, 2025
ফিলিস্তিনি ও ত্রাণকর্মীদের জন্য গাজা এখন ‘গণকবর’: এমএসএফ
গতকাল বুধবার গাজায় এমএসএফের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়। উপত্যকাটিতে দায়িত্বরত দাতব্য সংস্থাটির জরুরি সমন্বয়ক আমন্ড বাহজেরওল ওই বিবৃতিতে বলেছেন, গাজার ফিলিস্তিনিদের ও তাঁদের সহায়তায় যাঁরা আসছেন, তাঁদের একটি গণকবরে পরিণত হয়েছে।
গত মাসে ইসরায়েলি সেনারা গাজায় একটি অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে ১৫ চিকিৎসা ও উদ্ধারকর্মী নিহত হন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এ ঘটনা তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
বাহজেরওল বলেছেন, ‘আমরা গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ ও সেখানকার সব বাসিন্দাকে জোর করে বাস্তুচ্যুত হতে দেখতে পাচ্ছি।’
ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গাজার চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো পর্যন্ত ইসরায়েলের হামলা এবং জায়গা খালি করে দেওয়ার নির্দেশ থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। এমএসএফ কর্মীদেরও অনেক জায়গা থেকে সরে যেতে হয়েছে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও রোগীদের সঙ্গে এমএফএফ কর্মীরা আটকা পড়ে গেছেন এবং নিরাপদে সরে যেতে পারছেন না।
বাহজেরওল আরও বলেছেন, ফিলিস্তিনি ও তাঁদের যাঁরা সাহায্য করতে এসেছেন, তাঁদের জন্য গাজায় নিরাপদ কোনো জায়গা নেই। চরম অনিরাপত্তার মধ্যে মানবিক সহায়তায় এগিয়ে যেতে দারুণ সংগ্রাম করতে হচ্ছে, জরুরি সরবরাহ প্রায় নেই।
প্রায় দুই মাস যুদ্ধবিরতির পর মার্চ থেকে গাজায় পুনরায় বিমান হামলা এবং স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল।
এর পর থেকে গাজায় কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।
এদিকে গত ২ মার্চ থেকে ইসরায়েল গাজায় মানবিক ত্রাণসহায়তা প্রবেশ করতে দিচ্ছে না।
জাতিসংঘ বলেছে, গাজায় জ্বালানি, পানিসহ অন্যান্য জরুরি পণ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
ত্রাণ সরবরাহ আটকে দেওয়া নিয়ে গতকাল বুধবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কারৎজ বলেছেন, ইসরায়েলের কৌশল একদম পরিষ্কার, গাজায় কোনো মানবিক ত্রাণ প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। হামাসের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে এটা প্রধান অস্ত্রগুলোর একটি।
বর্তমান বাস্তবতায় গাজায় কোনো মানবিক ত্রাণ প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট করে বলেছেন এই মন্ত্রী।
![]() |
| ইসরায়েলের হামলায় গাজা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ফাইল ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলের স্বপ্নভঙ্গ : বাংলাদেশ দিল শেষ সিদ্ধান্ত
তখন বিষয়টিকে অনেকেই একটি সম্ভাব্য নীতিগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখলেও, বাস্তবে বাংলাদেশ কখনোই ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার দিকে এগোয়নি।
বুধবার (১৬ এপ্রিল) ইসরায়েলের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানায়, বাংলাদেশ সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে ইসরায়েলের সেই আশার চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি ঘটেছে।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, অন্তর্বর্তী সরকার আবারও বাংলাদেশের পাসপোর্টে ‘ইসরায়েল বাদে সব দেশে বৈধ’ বাক্যটি ফিরিয়ে এনেছে। এর ফলে স্পষ্ট হলো, বাংলাদেশে ইসরায়েলিদের প্রবেশ এখন আরও কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং বাংলাদেশ সরকার এখনো ইসরায়েল রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোর বিরোধী।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের সিদ্ধান্তের সময় বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছিলেন, কেউ বাংলাদেশ থেকে ইসরায়েলে ভ্রমণ করতে পারবে না। যদি কেউ করে, তাহলে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, পাসপোর্ট হলো শুধুমাত্র একটি পরিচয়পত্র। এটি কোনো দেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রতিফলন নয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি একই আছে, যেমনটা শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে ছিল। আমরা ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেই না।
তা সত্ত্বেও, ইসরায়েল বিষয়টিকে ‘পজিটিভ সিগন্যাল’ হিসেবে দেখেছিল। ওই সময় গিলাড কোহেন, যিনি তখন ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উপ-মহাপরিচালক ছিলেন এবং বর্তমানে জাপানে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়ে টুইট করেছিলেন (বর্তমানে এক্স)। সেখানে তিনি লেখেন: অসাধারণ সংবাদ। বাংলাদেশ ইসরায়েলে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। এটি একটি স্বাগত পদক্ষেপ এবং আমি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি সামনের দিকে এগিয়ে যান এবং ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করুন। যেন আমাদের উভয়ের জনগণ সুবিধা পায় এবং উন্নতি করে।
জেরুজালেম পোস্ট-এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের পাসপোর্টে বিতর্কিত সেই বাক্যটি ফেরত আসায় এখন আর কোনো ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। সংবাদমাধ্যমটি তাদের প্রতিবেদনের শিরোনামে উল্লেখ করেছে : কূটনৈতিক সম্পর্কের আশা—যা এক অর্থে ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার ইতি ঘটার ইঙ্গিতই বহন করে।
এদিকে বাংলাদেশ সরকার এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আবারও স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ইসরায়েল বিষয়ে বাংলাদেশ তার নীতিতে অটল রয়েছে—যেখানে ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য অধিকারকে সমর্থন করা হয় এবং ইসরায়েল রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি না দেওয়ার অবস্থান আজও বহাল আছে।
![]() |
| অন্তর্বর্তী সরকার আবারও বাংলাদেশের পাসপোর্টে ‘ইসরায়েল বাদে সব দেশে বৈধ’ বাক্যটি ফিরিয়ে এনেছে। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলিদের নিয়ে ব্রিটিশ রানির বিস্ফোরক মন্তব্য প্রকাশ্যে
তবে এই দীর্ঘ রাজত্বেও তিনি কখনো পা রাখেননি ইসরায়েলে। শুধু তাই নয়, রানির শাসনকালে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা ব্রিটিশ রাজপ্রাসাদ—বাকিংহাম প্যালেসে প্রবেশের সুযোগও পাননি।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড লেমি লন্ডনে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদন সারের সঙ্গে এক গোপন বৈঠক করেছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠক নিয়ে যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে আলোচনা শুরু হয়েছে। খবর মিডল ইস্ট মনিটর।
ব্রিটিশ রাজনীতিকদের একটি বড় অংশ বৈঠকটি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে এই বিরোধিতার শিকড় কিন্তু অনেক পুরোনো—যার স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা যায় রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সময়েও।
প্রসঙ্গত, ইসরায়েলের সাবেক প্রেসিডেন্ট রিউভেন রিভলিন একবার প্রকাশ্যে স্বীকার করেন, রানি এলিজাবেথ কখনোই ইসরায়েলকে ভালো চোখে দেখতেন না। হাইফা টেকনিয়ন ইনস্টিটিউটের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘রানি মনে করতেন প্রত্যেক ইসরায়েলি হয় একজন সন্ত্রাসী, নয়তো সন্ত্রাসীর সন্তান।’
তিনি আরও বলেন, রানির শাসনামলে আন্তর্জাতিক কোনো রাষ্ট্রীয় আয়োজনে ছাড়া বাকিংহাম প্যালেসে কোনো ইসরায়েলি কর্মকর্তাকে ঢুকতে দেওয়া হতো না।
রানির এমন অবস্থানের পেছনে ঐতিহাসিক ব্যাখ্যাও রয়েছে। ধারণা করা হয়, ১৯৪০-এর দশকে ফিলিস্তিনে ব্রিটিশ ম্যান্ডেটের সময় ইহুদিবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সহিংস বিদ্রোহ এবং ব্রিটিশ সেনাদের ওপর হামলার কারণে ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব গড়ে ওঠে ব্রিটিশ রাজপরিবারে। এই মনোভাবের ধারক ছিলেন রানি এলিজাবেথ নিজেও।
রিভলিন বলেন, রানি এলিজাবেথ ও আমাদের (ইসরায়েল) মধ্যে সম্পর্ক কিছুটা জটিল ছিল। ২০১৪ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করা রিভলিন বলেন, তিনি (রানি) আন্তর্জাতিক কোনো রাষ্ট্রীয় আয়োজন ছাড়া প্যালেসের ভেতরে ইসরায়েলি প্রতিনিধিদের ঢুকতে দিতেন না।
২০২২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর প্রয়াত হন রানি এলিজাবেথ। তার মৃত্যুর পর কনজারভেটিব ফ্রেন্ডস অব ইসরায়েল গ্রুপের অনারারি প্রেসিডেন্ট স্টুয়ার্ট পলক দাবি করেন, ইসরায়েল সফর করতে রাজপরিবারের সদস্যদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এমনকি ২০১২ সালে ইসরায়েলের প্রভাবশালী দৈনিক হারেৎজ-এর সাবেক প্রধান সম্পাদক ডেভিড লানডাও লিখেছিলেন, যদি রানি ইসরায়েল সফরে যেতে চাইতেন, অথবা রাজপরিবারের কেউ যেতে চাইতেন, তাহলে কেউ তাদের ঠেকাতে পারত না। কিন্তু তারা নিজ থেকেই ইচ্ছা প্রকাশ করেননি।
রানির ইসরায়েলবিরোধী মনোভাবের আরেকটি উদাহরণ ১৯৮৪ সালের জর্ডান সফর। সেখানে অবস্থানকালে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান দখলকৃত পশ্চিম তীরের আকাশসীমায় উড়তে দেখে রানি নাকি বলেছিলেন, তা ছিল এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতা।
এত কিছু সত্ত্বেও রানির জনপরিসরে ইসরায়েল বিষয়ে কোনো সরাসরি মন্তব্য খুব বেশি পাওয়া যায় না। তবে পর্দার আড়ালে তার এই কঠোর অবস্থান আজও আলোচনায় উঠে আসে, বিশেষ করে যখন কোনো ব্রিটিশ রাজনৈতিক ব্যক্তি ইসরায়েলি প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বা কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার পদক্ষেপ নেন।
বাকিংহাম প্যালেস সবসময়ই ব্রিটিশ রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। সেখানে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রানির সময় যে কূটনৈতিক বার্তা দিত, সেটি হয়তো অনেকেই সরাসরি বলতেন না, কিন্তু বাস্তবতা হিসেবে স্বীকার করতেন—যেমনটি স্বীকার করেছেন ইসরায়েলের সাবেক প্রেসিডেন্ট রিভলিন।
![]() |
| রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোদির নতুন চাল by অজয় আশীর্বাদ মহাপ্রশস্ত
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়া মোদির জন্য বড় ধাক্কা। এক দশকের বেশি সময় ধরে যে একচ্ছত্র ক্ষমতা তিনি ভোগ করছিলেন, এই নির্বাচন তাকে হঠাৎ করেই প্রশ্নবিদ্ধ করে দিয়েছে। এমন অবস্থায় মোদির সামনে মূল চ্যালেঞ্জ, কীভাবে এই পরাজয়ের অভিঘাত ধুয়েমুছে আবারও নিজেকে অপ্রতিরোধ্য হিসেবে তুলে ধরা যায়।
এর জবাবে তিনি বেছে নেন পুরোনো পথ—জনগণকে জীবনের মৌলিক সমস্যা থেকে দূরে সরিয়ে রাখার রাজনীতি। মূল্যবৃদ্ধি, কর্মসংস্থানহীনতা, অর্থনীতির অস্থিরতা কিংবা আদমশুমারির মতো মৌলিক কর্তব্য—সবই চাপা পড়ে যায় ‘দেশদ্রোহীদের’ বিরুদ্ধে একাত্মতার ডাক, বা ‘হিন্দু-মুসলিম’ বিভাজনের রণহুংকারে।
২০২৪ সালে আয়োজিত অযোধ্যার রামমন্দিরের উদ্বোধনকেও মোদি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন। কিন্তু তার ফল হয় উল্টো। বিজেপি অযোধ্যার কেন্দ্র ফৈজাবাদে হেরে যায়। উত্তর প্রদেশে সমাজবাদী পার্টি বিজেপিকে ছাপিয়ে যায়। মহারাষ্ট্রেও বিজেপির অবস্থা নাজুক হয়ে পড়ে।
এই পটভূমিতে, মোদি তৎপর হন নিজের ভাবমূর্তি পুনর্গঠনে। শুরু হয় এক বিস্তৃত প্রচারাভিযান। এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল, পরাজয় ও হতাশার স্মৃতি ধুয়ে ফেলা। সংসদে নিজের প্রথম ভাষণেই তিনি বলেন, যাঁরা তাঁর সমালোচনা করছেন, তাঁরা দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এর পর থেকে প্রতিটি বক্তৃতায় তিনি একই বার্তা দেন; মোদি মানেই দেশ, দেশ মানেই মোদি।
এই বার্তা ছড়াতে গিয়ে বিজেপি তিনটি কৌশল নেয়। প্রথমত, তারা নিজেদের ভোটে হারার কারণ হিসেবে ‘অপপ্রচার’ আর ‘ভ্রান্ত তথ্য’কে দোষারোপ করে।
দ্বিতীয়ত, কেন্দ্রীয় সরকারের শক্ত অবস্থানকে নতুন করে জোর দিয়ে তুলে ধরে। মানে, শক্ত হাতে দেশ চালানোই মোদির একমাত্র পথ।
তৃতীয়ত, হেরে যাওয়া রাজ্যগুলোয় বিজেপি জোরালোভাবে ফিরে আসার চেষ্টা চালায়। হরিয়ানায় বিরোধীদের ঘায়েল করে আবার ক্ষমতায় আসে। মহারাষ্ট্রে নজিরবিহীন জয় পায় এবং জম্মু অঞ্চলেও ভালো ফল পায়।
এদিকে উত্তর প্রদেশে লোকসভা নির্বাচনের পরপরই হিন্দু-মুসলিম বিভাজনমূলক বক্তব্য ও ঘটনার পরিমাণ হঠাৎ করে বেড়ে যায়। এমনকি হোলি-দীপাবলির মতো উৎসবগুলোও ব্যবহার করা হয় মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃণার রাজনীতি ছড়াতে। রাজ্য উপনির্বাচনে মুসলিম ভোটারদের বাধা দেওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ আবারও নিজেকে ‘হিন্দুত্বের কঠোর রূপ’ হিসেবে তুলে ধরেন।
এরপর মোদির আরও একটি কৌশল নজরে আসে—আরএসএসের সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃস্থাপন। লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা বলেছিলেন, তাদের আর আরএসএসের ওপর নির্ভর করার প্রয়োজন নেই। এর জবাবে সংঘ পরিবার লোকসভায় সক্রিয় ভূমিকা নেয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। অবশেষে মোদি নিজেই প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নাগপুরে আরএসএস সদর দপ্তরে যান, নিজের আনুগত্য জানান। এটি ছিল এক প্রতীকী পদক্ষেপ। তিনি দেখাতে চাইলেন যে সংঘ পরিবার ও বিজেপি এখন আবার এক সুরে কথা বলছে।
আর ঠিক সেই সময়েই আসে ওয়াক্ফ সংশোধনী বিল। এটি সংসদে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে পাস হয়। মোদি সরকারের ১১ বছরের শাসনে এটা বিরল ব্যপার। এর আগে অনুচ্ছেদ ৩৭০ বাতিল কিংবা তিন তালাক আইন কার্যকর করার সময় এমন আলোচনা হয়নি।
বিলটি মূলত মুসলিম সম্প্রদায়ের স্বার্থের পরিপন্থী হলেও বিজেপি এটিকে ‘মুসলিমদের কল্যাণের আইন’ হিসেবে তুলে ধরে। বিজেপির একমাত্র মুসলিম সাংসদ গুলাম আলি সংসদে বক্তব্য রাখলেও বিলটির পক্ষে নয়, বরং কংগ্রেসের বিরোধিতা করেই সময় কাটান।
মোদির লক্ষ্য ছিল অন্য জায়গায়। তিনি দেখাতে চেয়েছেন যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলেও তিনি এখনো আইন পাস করাতে পারেন। জেডিইউ, টিডিপি, লোক জনশক্তি পার্টির মতো ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ মিত্রদের ভোট তাঁকে সেই সুযোগ দেয়।
এই বিলের মাধ্যমে মোদি বার্তা দেন যে তিনিই এখনো সংসদ ও দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি। তবে তাঁর এই শক্তি প্রদর্শনের কৌশল বাস্তব সমস্যাগুলো ঢেকে রাখার চেষ্টা হিসেবেই দেখতে হবে।
ভারতের অর্থনীতি বর্তমানে অস্থির। মূল্যবৃদ্ধি ও বেকারত্ব বেড়েছে। আদমশুমারি ও নারীদের জন্য সংরক্ষণ বিলের এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। দক্ষিণের দ্রাবিড় দলগুলো বিজেপির হিন্দুত্বের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নিচ্ছে। আদালতগুলোও এখন কিছুটা সক্রিয়ভাবে কেন্দ্রের স্বৈরতান্ত্রিক প্রবণতাকে প্রশ্ন করছেন। যেমন সুপ্রিম কোর্ট সম্প্রতি তামিলনাড়ুর রাজ্যপালের আইন পাস আটকে রাখাকে ‘অবৈধ’ বলেছেন।
তা ছাড়া বিজেপি যেসব রাজ্যে জিতেছে, সেখানেও তাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের হাল ভালো নয়। মহারাষ্ট্রে ‘লাড়কি ব্যাহেন’ প্রকল্প এখনো কাগজেই রয়ে গেছে।
সব মিলিয়ে মোদির এই রাজনৈতিক প্রতিচিত্র নির্মাণের চেষ্টাগুলো যেন পুরোনো কৌশলেরই আধুনিক পুনরাবৃত্তি; হিন্দু-মুসলিম দ্বন্দ্ব, জাতীয়তাবাদের ঢাকঢোল, বিরোধীদের দেশদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত করা এবং নিজেকে অদ্বিতীয় হিসেবে জাহির করা। এই পুরো প্রচেষ্টা যেন সেই পুরোনো বার্তাটিকেই আবার নতুন করে প্রতিষ্ঠা করতে চায়—মোদি ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। যাকে বলে দেয়ার ইজ নো অল্টারনেটিভ (টিআইএনএ)।
কিন্তু এই কৌশল কত দিন চলবে? মোদি কি সত্যিই সব প্রশ্ন এড়িয়ে যেতে পারবেন? বৈশ্বিক পরিস্থিতি, দেশীয় বাস্তবতা আর তাঁর জনপ্রিয়তার ধস কি শেষ পর্যন্ত আটকে রাখা যাবে?
বিরোধী দলগুলোর বিভাজন মোদিকে সহায়তা করছে, এ কথা ঠিক। কিন্তু ভারতের গণতন্ত্রের জন্য তা আশঙ্কাজনক। ২০২৪ সালের নির্বাচনের পর ‘ইন্ডিয়া’ জোট প্রথম যৌথ বৈঠক করে শক্তিশালী বিরোধী জোট গঠনের ইঙ্গিত দেয়। তখন অনেকে আশা করেছিলেন যে এই মোদিবিরোধী শক্তি এবার নতুন বার্তা নিয়ে আসবে। কিন্তু এরপর তারা আর একবারও একসঙ্গে বসেনি। ব্যতিক্রম শুধু ডিএমকে, যারা দ্রাবিড় জাতীয়তাবাদের অবস্থান বজায় রেখেছে। ওয়াক্ফ বিল নিয়ে প্রতিবাদের সময় কিছুটা ঐক্য দেখা গেছে। কিন্তু সেটা ছিল যেন পরিকল্পনাহীন প্রতিক্রিয়া।
এই ভঙ্গুর বিরোধিতার ফাঁকে মোদি তাঁর পুরোনো কৌশলে আবারও সফল। তিনি বিরোধীদের সাংবিধানিক জাতীয়তাবাদের বক্তব্যকে ব্যাহত করে দিয়েছেন। অথচ গণতন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য সেই কথাগুলোরই এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।
তবু বড় প্রশ্ন থেকেই যায়: কত দিন মোদি এই চালগুলো খেলতে পারবেন? কত দিন তিনি দেশের প্রকৃত সমস্যাগুলো থেকে মানুষের চোখ ঘুরিয়ে রাখতে পারবেন?
সময়ের পালাবদলে সেই উত্তরও ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
* অজয় আশীর্বাদ মহাপ্রশস্ত দা ওয়্যারের রাজনীতিবিষয়ক সম্পাদক
- দা ওয়্যার থেকে নেওয়া ইংরেজির অনুবাদ
![]() |
| নরেন্দ্র মোদি। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলিদের বাকিংহাম প্যালেসে কেন ঢুকতে দিতেন না রানি এলিজাবেথ
ইসরায়েলের সাবেক প্রেসিডেন্ট রিউভেন রিভলিন নিজেই এ কথা স্বীকার করেছেন। বেশ কয়েক মাস আগে লন্ডনে হাইফা টেকনিয়ন ইনস্টিটিউটের একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, প্রয়াত রানি মনে করতেন প্রত্যেক ইসরায়েলি ‘একজন সন্ত্রাসী নয়তো সন্ত্রাসীর সন্তান।’ শুধু তা–ই নয়, তিনি বাকিংহাম প্যালেসে কোনো ইসরায়েলি কর্মকর্তাকে ঢুকতেও দিতেন না।
যুক্তরাজ্যের বাকিংহাম প্যালেসে রাজা বা রানিসহ রাজপরিবারের সদস্যরা থাকেন। বর্তমানে রাজা তৃতীয় চার্লস রাজপরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে এখানেই থাকেন।
ইসরায়েলের সাবেক এই প্রেসিডেন্ট আরও বলেছিলেন, ‘রানি এলিজাবেথ ও আমাদের (ইসরায়েল) মধ্যে সম্পর্ক কিছুটা জটিল ছিল।’
রিভলিন ইসরায়েলের দশম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ২০১৪ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন তিনি। অন্যদিকে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ২০২২ সালে মারা যান।
সাবেক এই ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তিনি (রানি এলিজাবেথ) আন্তর্জাতিক কোনো অনুষ্ঠান ছাড়া প্যালেসের (বাকিংহাম) ভেতরে কোনো ইসরায়েলি কর্মকর্তাকে ঢুকতে দিতেন না।’
মাঝেমধ্যেই মনে করা হতো, রানি এলিজাবেথের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্কের টানাপোড়েন ছিল।
রানি এলিজাবেথ ২০২২ সালের ৮ সেপ্টেম্বরে মারা যান। ৭০ বছর সিংহাসনে থাকাকালে তিনি ১২০টির বেশি দেশ ঘুরেছেন। জীবদ্দশায় লাখ লাখ মাইল ভ্রমণ করলেও কখনো ইসরায়েলে যাননি।
রানির মৃত্যুর পর প্রভাবশালী কনজারভেটিভ ফ্রেন্ডস অব ইসরায়েল গ্রুপের অনারারি প্রেসিডেন্ট স্টুয়ার্ট পলক দাবি করেছিলেন, ‘রাজপরিবারের সদস্যদের ইসরায়েল ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।’
রানি এলিজাবেথের ইসরায়েল সফর না করা নিয়ে ২০১২ সালে লিখেছিলেন দেশটির প্রভাবশালী সংবাদপত্র হারেৎজের সাবেক এডিটর–ইন–চিফ ডেভিড লানদাও। তিনি লিখেছিলেন, ‘যদি তিনি (রানি) ইহুদি রাষ্ট্র সফর করতে চাইতেন অথবা তাঁর পরিবারের ঘনিষ্ঠ কেউ সেখানে যেতে চাইতেন, তাহলে তিনি জোর করে তা করতে পারতেন এবং নিজের ইচ্ছাপূরণ করতে পারতেন।’
কারও কারও ধারণা, ইসরায়েলের স্বাধীনতা ঘোষণার আগে ১৯৪০-এর দশকে ফিলিস্তিনে যুক্তরাজ্যের ম্যান্ডেটের বিরুদ্ধে ইহুদিবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সহিংস বিদ্রোহের কারণে ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব পোষণে করতেন রানি এলিজাবেথ।
১৯৮৪ সালে জর্ডান সফর করেন রানি এলিজাবেথ। এ সময় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান দখলকৃত পশ্চিম তীরের আকাশে উড়ে যেতে দেখে ‘কতটা ভীতিকর’ ছিলেন তা নিয়ে কথা বলেছিলেন তিনি।
![]() |
| রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। ফাইল ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাবর আলী বললেন, এমন কঠিন পরীক্ষা আগে আমাকে দিতে হয়নি
৭ এপ্রিল প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অন্নপূর্ণা-১ (৮০৯১ মিটার) পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন বাবর আলী। তাঁর লক্ষ্য, বিশ্বের ৮ হাজার মিটার কিংবা ততোধিক উচ্চতার ১৪টি পর্বতের সব কটিতেই আরোহণ করা। এই লক্ষ্যেই গত বছর মাউন্ট এভারেস্ট ও লোৎসে জয়ের ধারাবাহিকতায় এবার করলেন অন্নপূর্ণা অভিযান।
সংবাদ সম্মেলনে বাবর বলেন, ‘অন্নপূর্ণা–১ দশম সর্বোচ্চ পর্বত হলেও টেকনিক্যালি দুনিয়ার অন্যতম কঠিন শৃঙ্গ হিসেবে বিবেচিত। এমন একটা পর্বত এত কম সময়ের মধ্যে আরোহণ করতে পারাটা নিঃসন্দেহে আমার আত্মবিশ্বাস বহুগুণে বাড়িয়ে দেবে।’
অভিযান সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বাবর আরও বলেন, ‘সবচেয়ে কঠিন অংশ ছিল নিঃসন্দেহে ক্যাম্প-২ থেকে ক্যাম্প-৩–এর পথ। এই পথের খাড়া ঢাল বেয়ে সব সময় তুষারধস, পাথর খসে পড়া চলতেই থাকে। এসব অতি সাবধানে এড়িয়ে পর্বতারোহীদের আরোহণ করতে হয়। এ ছাড়া সামিট পুশ (সর্বশেষ ক্যাম্প থেকে চূড়ার পানে যাত্রা) আমাদের কঠিন পরীক্ষা নিয়েছে।’
বাবর আরও বলেন, ‘৬ হাজার ৪০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত ৩ নম্বর ক্যাম্প থেকে প্রায় ১ হাজার ৭০০ মিটার একটানা আরোহণ করে চূড়ায় পৌঁছাতে হয়েছে। এতে সময় লেগেছে প্রায় সাড়ে ১৭ ঘণ্টা। আর ফিরতি পথে সময় লেগেছে আরও ৯ ঘণ্টা। সাড়ে ২৬ ঘণ্টার এই সামিট পুশ শরীরের শেষ শক্তিটুকুরও পরীক্ষা নিয়েছে। জীবনে পর্বতারোহণসহ ছোট-বড় নানা অ্যাডভেঞ্চার করেছি। তবে অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের মতো কঠিন পরীক্ষা আগে আমাকে দিতে হয়নি।’
খাড়া ঢাল, অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া ও তুষারধসপ্রবণতার জন্য বিখ্যাত অন্নপূর্ণা পর্বত। বাবর পুরো অভিযানে এসব কীভাবে সামাল দিয়েছেন, তা ব্যাখ্যা করেন ক্লাবের সভাপতি এবং অভিযানের ব্যবস্থাপক ফরহান জামান, ‘বাবর তিনটি আট হাজার মিটার উচ্চতার পর্বত যেভাবে সামলেছে, বিশেষত অন্নপূর্ণা, এতে আমরা আশাবাদী যে পৃষ্ঠপোষকতা পেলে সে শিগগিরই সব কটি আট হাজার মিটার শৃঙ্গেই হাসিমুখে দাঁড়াতে পারবে।’
দেশ থেকে অভিযানে যাওয়ার আগে বাবরের হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়েছিল। সংবাদ সম্মেলনে বাবর আলী তা ক্লাব কর্মকর্তাদের হাতে প্রত্যর্পণ করেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাবরের এই অভিযানের পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ভিজ্যুয়াল নিটওয়্যারস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ নুর ফয়সাল ও চট্টগ্রাম আলিয়ঁস ফ্রঁসেজের পরিচালক ব্রুনো লাক্রামপ।
![]() |
| বাবর আলী। ছবি: সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নারীরা কেন বয়সে ছোট পুরুষের সঙ্গে প্রেমে জড়াচ্ছেন, জানেন? by জাহিদ হোসাইন খান
সম্পর্ক তৈরির বেলায় বয়স বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তবে বর্তমান প্রজন্মের অনেকের কাছে বয়স বিশেষ গুরুত্ব বহন করে না। তাই আজকাল নিজের বয়সের চেয়ে কম বয়সের মানুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়াচ্ছেন তরুণ–তরুণীরা। পুরুষের ক্ষেত্রে এমন সম্পর্ক সমাজে স্বাভাবিক হলেও নারীর ক্ষেত্রে নয়। তবে আজকাল অনেক নারীই সঙ্গী বাছাই করার সময় বয়সের ফারাককে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন না। তাই তাঁরা এখন প্রেমিক বা দাম্পত্যসঙ্গী হিসেবে বেছে নিচ্ছেন কম বয়সীদের। ডেটিং অ্যাপের ট্রেন্ড বলছে, নারীরা পছন্দের ক্ষেত্রে সুন্দর মন, ব্যক্তিগত সুরক্ষা, আত্মবিশ্বাসী সঙ্গীকে খুঁজে নিতে চান। যেকোনো সম্পর্কে ভারসাম্য ও গতিশীলতাকে গুরুত্ব দেন।
ডেটিং ট্রেন্ডে নারীরা
মনোবিদেরা মনে করেন, এখনকার নারীরা নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে বেশ সচেতন। যেকোনো বিষয়কে সহজভাবে নিতে পারার মানসিকতা বেড়েছে, বিশেষত অগ্রসর বিশ্বে তাঁরা কোনো বিষয়ে ভীত নন। সম্পর্কে যুক্ত হওয়ার সময় আত্মবিশ্বাস ও আত্মসচেতনতায় গুরুত্ব দেন তাঁরা। ঐতিহ্যগতভাবে পুরুষকে একচেটিয়াভাবে সফল কিংবা শক্তিশালী হিসেবে মেনে নিতে তাঁরা নারাজ। সঙ্গীর প্রতি আনুগত্যের চেয়ে নারীরা নিজের সুখ ও সামগ্রিক মঙ্গলকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। এসব কারণেই অনেক নারী কম বয়সী পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে ডেটিং করছেন। অর্থাৎ ব্যক্তিগত পছন্দকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন তাঁরা। কম বয়সী পুরুষ সঙ্গীর কাছ থেকে মানসিক, সামাজিক চাহিদাসহ অন্যান্য প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়েই সম্পর্কে জড়াচ্ছেন।
নিজের চেয়ে কম বয়সী পুরুষ সঙ্গীর সান্নিধ্যে আসায় নারীদের মধ্যে নিজেদের আরও তরুণ ভাবার একধরনের প্রবণতা তৈরি হয়েছে। কম বয়সী তরুণেরা নিজেদের সম্পর্কে সচেতন, নিজের স্বাস্থ্য ও রুচির বিষয়েও সজাগ। নতুন নতুন অভিজ্ঞতা কম বয়সীদের পৃথিবীকে নতুন করে জানার সুযোগ দেয়। এসব কারণে সম্পর্কে জড়ানোর সময় নারীরা কম বয়সীদের গুরুত্ব দেন। নারীরা এখন আগের চেয়ে বেশি অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্বাধীনতার জন্য ছুটছেন। পারিবারিক বা সামাজিক নিরাপত্তার জন্য বয়স্ক সঙ্গী খোঁজার প্রথাগত নিয়মে তাঁরা আর বিশ্বাসী নন। ব্যক্তিগত পরিপূর্ণতা, মানসিক সংযোগ ও আকর্ষণকে অগ্রাধিকার দিতেই নিজের পছন্দের সঙ্গীকে বেছে নিচ্ছেন।
বয়স কোনো বিষয় না
বয়সের ব্যবধান সম্পর্কে এখন নারীদের সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি বেশ নমনীয়। তরুণদের তুলনায় নারীরা মধ্যবয়সীদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর আগে অনেক চিন্তা করছেন। মধ্যবয়সী বা সমবয়সীদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক রীতিনীতি বা লোকদেখানোর আচারকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় বলে মনে করেন নারীরা। সম্পর্ক নিয়ে পুরোনো সামাজিক নিয়মগুলোকে চ্যালেঞ্জ করতে চান তাঁরা।
সূত্র: ফেমিনা ও গার্ডিয়ান
![]() |
| আজকাল অনেক নারীই সঙ্গী বাছাই করার সময় বয়সের ফারাককে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন না। ছবি: পেক্সেলস |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিবিসি’র রিপোর্ট: গোপন কারাগারের স্মৃতি
গত ৫ই আগস্ট গণবিক্ষোভের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। তারপর থেকে তদন্তকারীরা কাসেমের মতো শত শত ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলেছেন। অন্যদিকে কারাগারে থাকা বন্দিদের মুক্তি দেয়া হয়েছে। আরও অনেককে বিগত শাসকদের সময়ে বেআইনিভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ আছে। তদন্তকারীরা বলছেন, ঢাকা বিমানবন্দর থেকে রাস্তার ঠিক উল্টোপাশে এই কারাগারটির অবস্থান। গোপন এই কারাগারগুলো পরিচালনাকারীদের বেশির ভাগই একটি অভিজাত সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট র্যাব থেকে এসেছিলেন। তারা সরাসরি হাসিনার নির্দেশে কাজ করছিলেন। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বিবিসিকে বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন যে, সমস্ত জোরপূর্বক গুমের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন, অনুমতি বা আদেশে সম্পন্ন হয়েছে।
হাসিনার দল আওয়ামী লীগ বলেছে, কথিত অপরাধগুলো তাদের অজান্তেই করা হয়েছে। তাদের কোনো দায় নেই এবং ওই প্রতিষ্ঠান (র্যাব) একাই পরিচালিত হচ্ছে। সাত মাস পর কাসেম এবং অন্যরা হয়তো মুক্তি পেয়েছেন। কিন্তু তারা অপহরণকারীদের ভয়ে ভীত। কারণ, তারা এখনো নিরাপত্তা রক্ষাকারী সদস্যদের সঙ্গে মিশে আছে এবং তারা এখনো মুক্ত। কাসেম বলেন, তিনি কখনো টুপি এবং মাস্ক না পরে বাড়ি থেকে বের হন না। কোথাও বেড়াতে গেলে সবসময় আমাকে পেছনের দিকে খেয়াল রাখতে হয়।
বিস্তৃত জেল নেটওয়ার্ক: তিনি ধীরে ধীরে কংক্রিটের সিঁড়ি বেয়ে বিবিসিকে দেখান, তাকে কোথায় রাখা হয়েছিল। একটি ভারী ধাতব দরজা ঠেলে তিনি মাথা নিচু করে আরেকটি সরু দরজা দিয়ে ‘তার’ সেই সেলে প্রবেশ করেন। এটা সেই কক্ষ, যেখানে তাকে আট বছর আটকে রাখা হয়েছিল। তিনি বলেন, মনে হচ্ছিল জীবন্ত কবর দেয়া হচ্ছে। বাইরের জগৎ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়। প্রাকৃতিক আলোর জন্য কোনো জানালা বা দরজা ছিল না। সেখানে আটক থাকা অবস্থায় তিনি দিন বা রাতের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারতেন না। চল্লিশের কোঠায় বয়স আইনজীবী কাসেমের। এর আগেও সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তিনি। কিন্তু এই প্রথমবারের মতো তিনি সেই ছোট্ট সেল, যেখানে বন্দি ছিলেন, সেখানকার ভেতরের বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরলেন।
টর্চের আলোয় দেখা গেল এটি এত ছোট যে একজন সাধারণ মানুষের সোজা হয়ে দাঁড়াতে কষ্ট হয়। দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। কিছু দেয়াল ভাঙা এবং ইট ও কংক্রিটের টুকরো মাটিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। অপরাধীরা তাদের অপরাধের প্রমাণ নষ্ট করার শেষ চেষ্টা করেছে বোঝা যায়। জেল পরিদর্শনে বিবিসি’র সঙ্গে থাকা প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, এটি একটি আটক কেন্দ্র। আমরা দেখেছি সারা দেশে ৫০০, ৬০০, ৭০০-এরও বেশি এমন কক্ষ রয়েছে। এটা বুঝিয়ে দেয় এর ব্যাপকতা এবং নিয়মতান্ত্রিকভাবে তা পরিচালনা করা হচ্ছিল।
মীর আহমদ বিন কাসেম তার সেলের হালকা নীল টাইলসের কথাও স্পষ্টভাবে মনে রেখেছেন। সেই সব টাইলস এখন মেঝেতে টুকরো টুকরো হয়ে পড়ে আছে, যা তদন্তকারীদের এই নির্দিষ্ট ঘরে নিয়ে গিয়েছিল। নিচতলার সেলগুলোর তুলনায় এটি অনেক বড়, ১০ ফুট বাই ১৪ ফুট। এর একপাশে একটি টয়লেট আছে।
এই বন্দিশিবিরে কীভাবে দিন কেটেছে সে সম্পর্কে বেদনাদায়ক বর্ণনা দিয়েছেন মীর আহমদ বিন কাসেম। তিনি ঘরটির চারপাশে ঘুরছিলেন। বন্দিদশায় তার সময় কীভাবে কেটেছে তার বর্ণনা দিচ্ছিলেন। গ্রীষ্মকালে সেখানে অসহ্য গরম ছিল। তিনি তখন মেঝেতে উপুড় হয়ে থাকতেন এবং যতটা সম্ভব দরজার গোড়ার কাছে মুখ রাখতেন, যাতে কিছুটা বাতাস পান। তিনি বলেন, সে সময়টাকে মৃত্যুর চেয়েও খারাপ লাগছিল। তিনি বিশ্বাস করেন, কী করা হয়েছিল তার বা তাদের সঙ্গে তা বিশ্ববাসীর দেখা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, উচ্চপদস্থ কিছু কর্মকর্তা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থাকে সহায়তা ও মদত দিয়েছিলেন, সহায়তা করেছিলেন, তাদের অবস্থান এখনো বহাল রয়েছে। কিন্তু এ কাহিনী আমাদের প্রকাশ করা উচিত। যারা ফিরে আসেননি তাদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য এবং যারা বেঁচে আছেন তাদের জীবনে পুনর্বাসনের জন্য সাহায্য করার জন্য আমরা যা করতে পারি তা করা উচিত।
এর আগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, তাকে ঢাকার প্রধান গোয়েন্দা সদর দপ্তরের ভেতরে একটি কুখ্যাত আটক কেন্দ্র আয়নাঘর বা ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত- এর ভেতরে রাখা হয়েছিল। কিন্তু তদন্তকারীরা এখন বিশ্বাস করেন যে, এরকম অনেক গোপন কারাগার ছিল। কাসেম বিবিসিকে বলেন, প্রথম ১৬ দিন বাদে তিনি তার পুরো আটক জীবন র্যাব ঘাঁটিতেই কাটিয়েছেন। তদন্তকারীরা এখন সন্দেহ করছেন যে, প্রথম স্থানটি ঢাকার গোয়েন্দা শাখার একটি শাখা ছিল। তিনি বিশ্বাস করেন, তার পরিবারের রাজনীতির কারণে তাকে গুম করা হয়েছিল। ২০১৬ সালে তিনি তার পিতার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগে আইনি প্রতিনিধিত্ব করছিলেন। তার পিতা ছিলেন দেশের বৃহত্তম ইসলামপন্থি দল জামায়াতে ইসলামীর একজন সিনিয়র সদস্য। যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে তার বিচার করা হয়েছে এবং পরে তাকে ফাঁসি দেয়া হয়।
ভেবেছিলাম আর কখনোই বের হতে পারবো না: বিবিসি’র সঙ্গে কথা বলা আরও পাঁচজন ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন তাদের কাহিনী। তাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল চোখ বেঁধে এবং হাতকড়া পরিয়ে। তারপর অন্ধকার কংক্রিটের কক্ষে রাখা হয়। সেখানে বাইরের জগতের কারও প্রবেশাধিকার ছিল না। অনেক ক্ষেত্রেই তারা বলেন, তাদেরকে মারধর করা হয়েছে। নির্যাতন করা হয়েছে। তবে বিবিসি নিরপেক্ষভাবে তাদের তথ্যগুলো যাচাই করতে পারেনি। প্রায় সকলেই বলেন যে, তারা ভীত। এ জন্য যে একদিন রাস্তায় বা বাসে কোনো অপহরণকারীর সঙ্গে দেখা হয়ে যেতে পারে। ৩৫ বছর বয়সী আতিকুর রহমান রাসেল বলেন, এখন, যখনই আমি গাড়িতে উঠি অথবা বাড়িতে একা থাকি, তখনই আমি কোথায় ছিলাম তা ভেবে ভয় পাই। ভাবছি কীভাবে বেঁচে গেলাম, আমার কি সত্যিই বেঁচে থাকার কথা ছিল। তিনি বলেন, তার নাক ভেঙে গেছে এবং তার হাতে এখনো ব্যথা। তার ভাষায়, তারা আমাকে হাতকড়া পরিয়েছে এবং অনেক মারধর করেছে। রাসেল বলেন, গত জুলাই মাসে যখন সরকারবিরোধী বিক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করে, তখন পুরান ঢাকার একটি মসজিদের বাইরে একদল লোক তার কাছে আসে। তারা বলে, তারা আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য এবং তাকেও তাদের সঙ্গে যেতে হবে। পরের মিনিটেই তাকে হাতকড়া, হুড পরিয়ে, চোখ বেঁধে একটি ধূসর গাড়িতে তোলে। চল্লিশ মিনিট পর তাকে গাড়ি থেকে টেনে বের করে একটি ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। একটি ঘরে রাখা হয়। তিনি বলেন, প্রায় আধ ঘণ্টা পর লোকেরা একে একে আসতে শুরু করে এবং প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে থাকে- তুমি কে? তুমি কী করো? তারপর মারধর শুরু হয়। ওই জায়গার ভেতরে থাকাটা ভয়াবহ ছিল। আমার মনে হচ্ছিল আমি আর কখনোই বের হতে পারবো না।
রাসেল এখন তার বোনের পরিবারের সঙ্গে থাকেন। তিনিও বিশ্বাস করেন, তার আটক রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কারণ তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর একজন ছাত্রনেতা ছিলেন। তার পিতা ছিলেন দলটির একজন সিনিয়র সদস্য। তার ভাই বিদেশে থাকতেন। তিনি প্রায়শই সোশ্যাল মিডিয়ায় হাসিনার সমালোচনা করে পোস্ট লিখতেন। রাসেল বলেন, তাকে কোথায় রাখা হয়েছে তা জানার কোনো উপায় ছিল না। কিন্তু এই বছরের শুরুতে অন্তর্র্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তিনটি আটক কেন্দ্র পরিদর্শন করতে দেখা যায়। এরপর তিনি মনে করেন তাকে ঢাকার আগারগাঁওয়ের কোনো একটি জায়গায় রাখা হয়েছিল।
আমাকে বলা হয়েছিল গুম হয়ে যাবো: রাজনৈতিক ভিন্নমতের প্রতি হাসিনার সহনশীলতা ছিল না। এটা একটা ওপেন সিক্রেট। সাবেক বন্দি, বিরোধী এবং তদন্তকারীরা বলছেন, তার সমালোচনা করলে আপনি কোনো চিহ্ন না রেখেই ‘অদৃশ্য’ হয়ে যেতে পারেন। কিন্তু নিখোঁজদের মোট সংখ্যা হয়তো কখনোই স্পষ্ট হবে না। ২০০৯ সাল থেকে জোরপূর্বক গুমের ঘটনাগুলো ট্র্যাক করে আসা একটি বাংলাদেশি এনজিও কমপক্ষে ৭০৯ জনকে জোরপূর্বক গুমের তথ্য নথিভুক্ত করেছে। তাদের মধ্যে ১৫৫ জন এখনো নিখোঁজ। সেপ্টেম্বরে জোরপূর্বক গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন গঠনের পর থেকে তারা অভিযুক্ত ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে ১,৬৭৬টিরও বেশি অভিযোগ পেয়েছে এবং আরও বেশি লোক এগিয়ে আসছে।
বিভিন্ন স্থানে আটক থাকা সত্ত্বেও ভুক্তভোগীদের বর্ণনা অদ্ভুতভাবে একই রকম। হাসিনার আওয়ামী লীগ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ আলী আরাফাত এসবে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, যদি মানুষকে জোরপূর্বক গুম করা হয়, তাহলে তা হাসিনার নির্দেশে করা হয়নি অথবা তার মন্ত্রিসভার কারও নির্দেশে করা হয়নি। তিনি বলেন, যদি এমন কোনো আটকের ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে তা জটিল অভ্যন্তরীণ সামরিক গতিশীলতার ফসল হতো। এই লোকদের গোপন আটকে রাখার মাধ্যমে আমি আওয়ামী লীগ বা সরকারের কোনো রাজনৈতিক লাভ দেখতে পাচ্ছি না।
সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেছেন- ‘কী বোঝানো হচ্ছে সে সম্পর্কে তাদের কিছু জানা নেই’। সেনাবাহিনী স্পষ্টভাবে এই ধরনের কোনো আটক কেন্দ্র পরিচালনার কথা অস্বীকার করে।
তাজুল ইসলাম বিশ্বাস করেন, এখানে আটক থাকা সকল ব্যক্তি ভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ের ছিলেন এবং তারা কেবল পূর্ববর্তী শাসনব্যবস্থা, সেই সময়ের সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছেন। সে কারণেই তাদের এখানে আনা হয়েছিল।
এখন পর্যন্ত তারা ১২২টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। কিন্তু এখনো কাউকে বিচারের আওতায় আনা হয়নি। এ কারণেই ৭১ বছর বয়সী ইকবাল চৌধুরীর মতো ভুক্তভোগীরা বিশ্বাস করেন, তাদের জীবন এখনো ঝুঁকির মধ্যে। তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে যেতে চান। ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়ার পর বছরের পর বছর ধরে তিনি বাড়ি থেকে বের হননি। এমনকি বাজারেও যাননি। ইকবাল চৌধুরীকে তার বন্দিদের মাধ্যমে সতর্ক করা হয়েছে যে, তিনি যেন তার আটকের কথা কখনো না বলেন। তাকে বলা হয়েছিল, যদি তুমি কখনো প্রকাশ করো তুমি কোথায় ছিলে বা কী ঘটেছিল, আর যদি তোমাকে আবার ধরে নিয়ে যায়, তাহলে কেউ তোমাকে আর খুঁজে পাবে না বা দেখতে পাবে না। তুমি এই পৃথিবী থেকে উধাও হয়ে যাবে। ভারত এবং আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করার অভিযোগে অভিযুক্ত ইকবাল চৌধুরী বলেন- এ কারণেই তাকে নির্যাতন করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমাকে মারধরের পাশাপাশি বৈদ্যুতিক শক দিয়ে শারীরিকভাবে আক্রমণ করা হয়েছে। বৈদ্যুতিক শকে আমার একটি আঙ্গুল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পায়ের শক্তি হারিয়ে ফেলেছি। শারীরিক শক্তি হারিয়ে ফেলেছি। তিনি অন্যদের শারীরিক নির্যাতনের শব্দ, প্রাপ্তবয়স্কদের যন্ত্রণায় চিৎকার এবং কান্নার শব্দ মনে রেখেছেন।
মৃত্যু পর্যন্ত ভয় থাকবে: ২৩ বছর বয়সী রহমতুল্লাহও আতঙ্কিত। তিনি বলেন, ওরা আমার জীবনের দেড়টি বছর কেড়ে নিয়েছে। সেই সময়গুলো আর কখনো ফিরে আসবে না। ওরা আমাকে এমন জায়গায় ঘুম পাড়িয়েছে যেখানে একজন মানুষের থাকাও উচিত নয়। ২০২৩ সালের ২৯শে আগস্ট মধ্যরাতে তাকে তার বাসা থেকে র্যাব অফিসাররা ধরে নিয়ে যায়। তাদের মধ্যে কয়েকজন পোশাক পরা এবং অন্যরা সাধারণ পোশাকে ছিলেন। তিনি ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে প্রশিক্ষণ নেয়ার সময় রাঁধুনি হিসেবে কাজ করছিলেন। বারবার জিজ্ঞাসাবাদের পর রহমতুল্লাহর কাছে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, তাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারত ও ইসলামবিরোধী পোস্টের জন্য জোরপূর্বক আটক করা হচ্ছে। একটি কলম এবং কাগজ ব্যবহার করে, তিনি তার সেলের নকশা আঁকেন। ওই সেলের মধ্যেই তিনি মলত্যাগের জন্য খোলা ড্রেন ব্যবহার করতেন। বলেন, ঢাকার ওই জায়গার কথা ভাবলেও আমার খুব খারাপ লাগে। ঠিকমতো শোয়ার জায়গা ছিল না। তাই আমাকে কুঁজো হয়ে শুয়ে ঘুমাতে হতো। শুয়ে পা ছাড়াতে পারতাম না।
গোপন কারাগার সম্পর্কে আরও কিছু জানতে এবং ভেতরে তাদের সঙ্গে কী ঘটেছিল তা নিশ্চিত হতে বিবিসি আরও দুই সাবেক বন্দি- মাইকেল চাকমা এবং মাসরুর আনোয়ারের সাক্ষাৎকার নিয়েছে। কিছু ভুক্তভোগী তাদের আটকের শারীরিক ক্ষত নিয়ে বেঁচে আছেন। বছরের পর বছর ধরে স্বৈরাচারী শাসনের পর পুনর্গঠনের চেষ্টার সময় বাংলাদেশ তার ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে রয়েছে। গণতন্ত্রের দিকে দেশটির অগ্রগতির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হবে এই অপরাধের অপরাধীদের ন্যায্য বিচারের ব্যবস্থা করার ক্ষমতা। নিজের কংক্রিটের সেলের অবশিষ্টাংশে দাঁড়িয়ে কাসেম বলেন, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এ ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি বন্ধ করতে হবে। আমাদের ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ন্যায়বিচার করতে হবে। তারা অনেক কষ্ট পেয়েছেন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একটি বিচার হওয়া উচিত। যাতে দেশ এই অধ্যায়টি বন্ধ করতে পারে।
তবে রহমতুল্লাহর জন্য ব্যাপারটা এত সহজ নয়। তিনি বলেন, ভয় এখনো চলে যায়নি। আমার মৃত্যু পর্যন্ত ভয় থাকবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অমিত শাহকে নিয়ন্ত্রণ করুন, মোদীকে অনুরোধ মমতার! টানলেন বাংলাদেশের প্রসঙ্গ, সঙ্গে ‘ইন্ডিয়া’ ঐক্যেরও ডাক -আনন্দবাজারের রিপোর্ট
ওয়াকফ ঘিরে অশান্তি এবং মুর্শিদাবাদ পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দিকে আঙুল তুলে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ইমাম-মোয়াজ্জিমদের সম্মেলনের বক্তৃতার অনেকটা অংশ জুড়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানায় ছিলেন অমিত শাহ। শুধু শাহকে নিশানা করাই নয়, তাঁকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ‘অনুরোধ’ পর্যন্ত করলেন মমতা।
সংশোধিত ওয়াকফ আইন নিয়ে বাংলার বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির ঘটনাতেই শাহকে আক্রমণ করেন মমতা। প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে ভুয়ো খবর ছড়ানো এবং বিএসএফের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী। এবং শাহকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে চাইলেন। পশ্চিমবঙ্গে অশান্তির ঘটনাকে পরিকল্পিত বলেও মনে করছেন মমতা।
মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণ থেকে বাদ পড়লেন না উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। কেন্দ্রে বিজেপির দুই শরিক অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু এবং বিহারের মুখ্যমন্ত্রী বিহারের নীতীশ কুমারের ভূমিকারও সমালোচনা ছিল মমতার বক্তৃতায়। পাশাপাশি, সংশোধিত ওয়াকফ আইন নিয়ে সর্বভারতীয় স্তরে বিজেপি-বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়াকে’ও আরও ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের ডাক দিলেন তিনি।
কিসের এত তাড়া?
বাংলাদেশের অশান্তির আবহে এত তাড়াহুড়ো করে কেন ওয়াকফ সংশোধনী বিল আইনে পরিণত করা হল, সেই প্রশ্ন তুললেন মমতা। বুধবার তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশে বলেন, ‘‘বাংলাদেশের পরিস্থিতি জানেন না? এত তাড়াহুড়োর কী ছিল? পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশের সীমান্ত লাগোয়া রাজ্য। আপনি ইউনূসের (বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূস) সঙ্গে গোপনে মিটিং করছেন, চুক্তি করছেন। করেছেন করুন। তাতে দেশের ভাল হলে আমার কিছু বলার নেই।’’ বাংলাদেশের পরিস্থিতি যে এপার বাংলাতেও প্রভাব ফেলছে তা মানেন শাসকদলের প্রথম সারির নেতারাও। আরজি কর আন্দোলনে যে বাংলাদেশের নাগরিক আন্দোলনের প্রভাব ছিল, তা-ও মনে করেন তাঁরা। সংশোধিত ওয়াকফ আইন নিয়ে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, সেখানেও বাংলাদেশের পরিস্থিতির কথা টানলেন মমতা।
অনুরোধ-আক্রমণ
ওয়াকফ আইন নিয়ে যে ঘটনা ঘটেছে, তাতে ভুয়ো খবরের ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করেন মমতা। এর আগে রাজ্য পুলিশের তরফেও বার বার এই অভিযোগ তোলা হয়েছে। মমতার কথায়, ‘‘আমি নাম বলি না। কিন্তু আজকে বলছি। এখানে অমিত শাহের কোম্পানি বেশি আছে।’’ এর পরেই শাহের উদ্দেশে মমতা বলেন, ‘‘আপনি কোনও দিন প্রধানমন্ত্রী হবেন না। মোদীজির প্রধানমন্ত্রিত্ব গেলে আপনার কী হবে? আপনাকে তো হামাগুড়ি দিতে হবে।’’ সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মমতা বলেন, ‘‘আমি মোদীজিকে অনুরোধ করছি, ওই লোকটাকে নিয়ন্ত্রণ করুন। একটা লোকের হাতে সব এজেন্সি। যেমন পারছে ব্যবহার করছে।’’
সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে মমতার অনুরোধ, ‘‘এক বছর ধৈর্য ধরুন। দিল্লিতে অনেক পরিবর্তন হবে। নতুন সরকার হলে আশা করি হামাগুড়িবাবু ঢুকবেন না।’’ প্রধানমন্ত্রীর সম্পর্কেও সুর চড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপির বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুদের প্রতি বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মমতা বলেছেন, ‘‘এখানে এক আর বাইরে এক? দুবাইয়ে গেলে কাদের আতিথেয়তা গ্রহণ করেন? সৌদি আরবে গেলে কার সঙ্গে গলা মেলান?’’
যোগী হলেন ‘ভোগী’
বাংলার হিংসা নিয়ে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ গত দু’তিন ধরে ধারাবাহিক মন্তব্য করেছেন। মঙ্গলবার তাঁর বক্তব্য ছিল, বাংলায় ডান্ডা মেরে ঠান্ডা করতে হবে। সেই প্রসঙ্গ টেনে মমতা বলেন, ‘‘যোগী অনেক বড় বড় কথা বলছেন। উনি সবচেয়ে বড় ভোগী। উত্তরপ্রদেশে ৬৯ হাজার শিক্ষকের চাকরি গিয়েছে, কুম্ভে কত মানুষের মৃত্যু হয়েছে তার ইয়ত্তা নেই, কথায় কথায় এনকাউন্টার করে দিচ্ছেন, কেউ প্রতিবাদ করতে পারে না। আর বাংলা নিয়ে বড় বড় কথা বলছেন।’’
বিঁধলেন বিএসএফ-কে
সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের একটি খবরের প্রসঙ্গ অবতারণা করেন মমতা। তিনি বলেন, ‘‘এএনআইয়ের একটা পোস্ট দেখলাম। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সূত্রকে উদ্ধৃত করে বলেছে, বাংলার অশান্তির নেপথ্যে বাংলাদেশের লোক আছে। সীমান্ত পাহারা দেয় বিএসএফ, তারা কী করছে?’’ মমতার অভিযোগ, তাঁর কাছে তথ্য রয়েছে, সীমান্ত এলাকায় বাচ্চা ছেলেদের পাঁচ হাজার-ছ’হাজার টাকা দিয়ে বিএসএফ হাতে ইট ধরিয়ে দিচ্ছে। বিএসএফের ভূমিকারও তদন্ত হওয়া উচিত।’’
কংগ্রেসের জায়গায় গন্ডগোল
মুর্শিদাবাদের যে অংশে গোলমাল হয়েছে, সেটি দক্ষিণ মালদহ লোকসভার অন্তর্গত। গত ভোটে যেখানে জিতেছেন কংগ্রেসের ঈশা খান চৌধুরী। বুধবার মমতা বলেন, ‘‘ওটা কংগ্রেসের আসন। জেতার সময়ে জিতবে, আর অশান্তি হলে রাস্তায় বেরোবে না, তা হয় না। তৃণমূলের তিন জন বিধায়কের বাড়ি আক্রান্ত হয়েছে। পার্টি অফিসে হামলা হয়েছে। তৃণমূল এ সবে থাকলে এগুলো হত না। আমরা শান্তি চাই। উস্কানি চাই না।’’
ঐক্যবদ্ধ হোক ‘ইন্ডিয়া’
লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি-বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ তৈরি হয়েছিল। ওয়াকফ নিয়ে ‘ইন্ডিয়া’র সব দলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াইয়ের ডাক দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘‘এখন ওয়াকফ করছে, এর পর ইউনিয়ন সিভিল কোড (অভিন্ন দেওয়ানিবিধি) চালু করতে চাইবে। আমি বলব, ‘ইন্ডিয়া’র সব দল এ সবের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াইয়ে নামুক।’’
মোদি-ইউনূস বৈঠক নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য মমতার
মুর্শিদাবাদে পাঁচ দিন ধরে চলা দাঙ্গার দায় কেন্দ্রীয় সরকার ও সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টেনে এনেছেন মোদি-ইউনূসের বৈঠকের প্রসঙ্গ।
বুধবার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে ইমাম–মোয়াজ্জিনদের সঙ্গে বৈঠকে মমতা নিজের সরকারের ওপর থেকে এই হিংসার দায় ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করেছেন। মমতার মতে, ‘এটা প্রি প্ল্যান্ড কমিউনাল রায়ট। বিজেপি বাইরের গুন্ডা নিয়ে এসে গোলমাল করেছে। রামনবমীতে করার পরিকল্পনা ছিল। সেটা করতে পারেনি। তাই এভাবে করেছে। আমি খুঁজে বের করব বিএসএফ কাদের হাত করে এই কাজ করেছে’।
মমতা এদিন বলেন, ‘বাংলাদেশের ইউনূসের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী গোপন বৈঠক করতেই পারেন। দেশের ভালো হলে ভালো। কিন্তু আপনাদের উদ্দেশ্যটা কী? অন্যদেশ থেকে লোক নিয়ে এসে দাঙ্গা করা? আপনি বাংলাদেশের পরিস্থিতি জানেন না?’
মুর্শিদাবাদের হিংসার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিএসএফকে দায়ী করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমি এএনআই-এর একটি টুইট দেখেছি যেখানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দেয়া হয়েছে যে, বাংলাদেশের অনেকে এর সাথে জড়িত। যদি এটি সত্যি হয়, তাহলে এর জন্য কেন্দ্রীয় সরকার দায়ী। সীমান্তের দেখাশোনা করে বিএসএফ, রাজ্য সরকার নয়। কেন বিজেপির লোকদের বাইরে থেকে এনে গোলমাল করতে এবং পালিয়ে যেতে দেয়া হল?’
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, প্ররোচনা দেয়া হয়েছে।
ওয়াকফ সংশোধনী আইন নিয়ে অশান্তির আবহে ইমাম-মোয়াজ্জিনদের বৈঠক থেকে রাজ্যের সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে শান্ত থাকার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভয় দিয়ে তিনি বলেন, এখানে আমি আছি।
যেহেতু ওয়াকফ সংশোধনী আইন করেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার, তাই আন্দোলন বাংলা থেকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন মমতা। তার কথায়, আপনারা শান্ত থাকুন। বি কুল অ্যান্ড পিসফুল।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নব্য আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি, নেতৃত্বে থাকবেন না শেখ হাসিনা? -আনন্দবাজারের রিপোর্ট
জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্রদের সদ্যগঠিত রাজনৈতিক দল এনসিপি (জাতীয় নাগরিক দল)-র নেতা হাসনাত আবদুল্লার একটি ফেসবুক পোস্ট নিয়ে কয়েক সপ্তাহ আগে হইচই হয়েছিল বাংলাদেশে। সেই পোস্টে হাসনাত অভিযোগ করেছিলেন, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ় জ়ামান একান্ত বৈঠকে তাঁদের বলেছিলেন— প্রাক্তন স্পিকার শিরিন শরমিন চৌধুরী, ঢাকার প্রাক্তন মেয়র শেখ ফজলে নুর তাপস, প্রাক্তন সাংসদ সাবের হোসেন চৌধুরীর মতো ‘পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির’ নেতাদের নেতৃত্বে ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ নির্বাচনে অংশ নিলে তাঁদের মেনে নিতে হবে। হাসনাত লেখেন, ‘আমাদের বলা হয়— রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ যাঁদের দিয়ে করা হবে, তাঁরা এপ্রিল-মে থেকে শেখ পরিবারের অপরাধ স্বীকার করবেন, হাসিনাকে অস্বীকার করবেন এবং তাঁরা বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ করবেন এমন প্রতিশ্রুতি নিয়ে জনগণের সামনে হাজির হবেন।’
আওয়ামী লীগের এক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলছেন, “হাসনাতের পোস্টের আগেই আমরা এই চক্রান্তের বিষয়টি জানতে পারি। নামগুলিও নতুন নয়। এই ভাবে তারা দেখাতে চায়, নির্বাচনে আওয়ামী লীগকেও অংশ নিতে দেওয়া হয়েছে। তবে সেটা হবে প্রতারণা। মানুষকে এ ভাবে ভুল বোঝানো যায় না।” এই নেতা বলেন, “২০০৬-এও সেনা অভ্যুত্থানে ক্ষমতা দখলের পরে শেখ হাসিনাকে বাদ দিয়ে অন্য কিছু নেতাকে নিয়ে একটা আওয়ামী লীগ গঠনের চেষ্টা করেছিল পশ্চিমি শক্তি। তা ব্যর্থ হয়। এ বারেও তাই হবে।” ওই নেতার মতে, ভারতের কংগ্রেসের যেমন গান্ধী পরিবার, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকের কাছেও শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের উপরে অগাধ আস্থা ও ভরসা। রাজনীতিতে দুই পরিবারের ত্যাগ ও সাফল্য কম নয়। রাহুল গান্ধী যেমন ঠাকুমা ও বাবাকে হারিয়েছেন, শেখ হাসিনার বাবা-মা, ভাই-সহ গোটা পরিবার খুন হয়েছে। ওই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, “চক্রান্তকারীরাও জানে, হাসিনাহীন আওয়ামী লীগ টিকবে না।আদতে আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করাই তাদের লক্ষ্য।”
কলকাতায় আত্মগোপনে থাকা এক আওয়ামী লীগ নেতা জানাচ্ছেন, আপাতত এই ‘রিফাইন্ড’ চক্রান্তই তাঁদের সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন এলাকার আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে, হাসিনার বিরুদ্ধে তোপ দাগলে তাঁদের নিরাপত্তার গ্যারান্টি দেওয়া হবে। এলাকায় ফিরে নির্বাচনে অংশ নিতেও দেওয়া হবে। অন্যথায় তাঁদের ভবিষ্যৎ হবে অন্ধকার। কয়েক জন বিএনপি নেতা এবং সেনাদের বশংবদ ব্যবসায়ী ফোন করে এই প্রস্তাব দিচ্ছেন বলে তিনি জানান। হাসিনা-ঘনিষ্ঠ এই নেতা জানাচ্ছেন, কলকাতায় আশ্রয় নেওয়া কিছু নেতাও এই দিকে ঝুঁকছেন বলে তাঁরা খবর পেয়েছেন। এঁরা অন্যদেরও টানতে চেষ্টা করছেন। ওই নেতা বলেন, “যাঁদের ‘ক্লিন’ বলা হচ্ছে, তাঁদের কেউই পরিচ্ছন্ন নন। এঁদের অনেকে চিন বা পাকিস্তানের সঙ্গে ব্যবসা করেন। সে সব বাঁচাতেই দলের বিরুদ্ধে চক্রান্তে রাজি হয়েছেন।”
কী ভাবে এই চক্রান্তের মোকাবিলা করছে আওয়ামী লীগ? দলের ওই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জানাচ্ছেন, জেলায় জেলায় ভার্চুয়াল মিটিং করছেন নেতৃত্ব। সেই মিটিংয়ে শেখ হাসিনা নিজে যুক্ত হচ্ছেন। ঘণ্টা কয়েক ধরে তিনি কর্মীদের কথা শুনছেন। তাঁদের বলছেন, “এদের দিন ফুরিয়ে আসছে। আমি যখন বেঁচে রয়েছি, শীঘ্রই ফিরব। কর্মীদের উপরে হওয়া প্রতিটি নির্যাতনের বিচার করব।” ৬৪টি জেলার মধ্যে ২৩টি জেলার কর্মীদের সঙ্গে এই বৈঠক শেষ হয়েছে। হাসিনা বলছেন, “আমি দেশ ছাড়তে চাইনি। ইস্তফাও দিইনি। আমাকে জোর করে বিমানে তুলে দেশছাড়া করা হয়েছে। চক্রান্ত করে আমার সরকার ফেলা হয়েছে। এর শেষ দেখে ছাড়ব।”

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়’ মন্তব্য করে ফের আলোচনায় সাকিব
সাকিব আল হাসানের দাবি ১৮ বছর তিনি বাংলাদেশের হয়ে খেলেছেন। সেটিই বিবেচনায় নেয়া উচিত ছিল জনগণের। কারণ তিনি সংসদ সদস্য ছিলেন ৬ মাস মাত্র। সাকিব বলেন, ‘আমি মনে করি, বাংলাদেশের হয়ে খেলার সুযোগটা আমার প্রাপ্য এবং বেশির ভাগ মানুষই চায় আমি দেশের হয়ে খেলে অবসর নিই এবং আরও কিছুদিন খেলা চালিয়ে যাই। আমার বিশ্বাস, আরও এক-দুই বছর খেলতে পারব। হ্যাঁ, আমি সংসদ সদস্য ছিলাম, কিন্তু এখন তো আর নেই এবং কোনও দলের কোনও রাজনৈতিক পদেও নেই। আমি এখনও বাংলাদেশের হয়ে খেলে ভালো ভাবে ক্যারিয়ার শেষ করতে চাই। যদি সুযোগ থাকে আমি এক সিরিজ, দুই সিরিজ নাকি আরও এক বছর খেলব, সেই পরিকল্পনা করতে চাই।’
রাজনীতিতে এসে ভুল করেছেন এমনটাও মানতে নারাজ সাকিব। শুধু তাই নয় এখনো নির্বাচন করলে নিজ আসনে জিতবেন বলেও বিশ্বাস তার। সাকিব বলেছেন, ‘রাজনীতিতে আসা ভুল কিনা, এটা নিয়ে যারা সমালোচনা করছেন, তারা বেশিরভাগই মাগুরার ভোটার নন। মাগুরার মানুষের ভাবনা আলাদা। তারা বিশ্বাস করে আমি কিছু করতে পারব। সুতরাং, কে কী বলল তাতে কিছু যায় আসে না।’ সাকিব জানিয়েছেন, শুধুমাত্র জনপ্রিয়তার জন্য নয়, মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছাই তাকে টেনে এনেছিল রাজনীতির মঞ্চে। কিন্তু সময়, পরিস্থিতি এবং সুযোগের অভাবে সেটা আর সম্ভব হয়নি। তবে সাকিবের ভাষ্য অনুযায়ী, মাগুরার মানুষ তাকে এখনও বিশ্বাস করে, আর সেই বিশ্বাসই তার সবচেয়ে বড় শক্তি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের চোখে ইরানের চোখ
উইটকফ মঙ্গলবার অফিসিয়াল এক্সে বলেন, যে যেকোনো পারমাণবিক চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানকে অবশ্যই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ‘বন্ধ এবং নির্মূল’ করতে হবে। ইরানের সাথে একটি চুক্তি কেবল তখনই সম্পন্ন হবে যদি এটি ট্রাম্পের চুক্তি হয়। তিনি আরও বলেন, যেকোনো চূড়ান্ত ব্যবস্থা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধির জন্য একটি কাঠামো তৈরি করতে হবে। এর অর্থ ইরানকে তার পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ এবং অস্ত্রায়ন কর্মসূচি বন্ধ এবং নির্মূল করতে হবে। সোমবার ফক্স নিউজের সাথে কথা বলার সময় উইটকফ বলেন, ইরানের শতকরা ৩.৬৭ ভাগের বেশি (ইউরেনিয়াম) সমৃদ্ধ করার দরকার নেই। কিছু পরিস্থিতিতে তা শতকরা ৬০ ভাগ, আবার কিছু পরিস্থিতিতে শতকরা ২০- তা হতে পারে না। আপনার এমন একটি বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি চালানোর দরকার নেই। যেখানে আপনি শতকরা ৩.৬৭ ভাগের বেশি (ইউরেনিয়াম) সমৃদ্ধ করছেন। মঙ্গলবার তার বিবৃতিতে যেকোনো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ওদিকে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ট্রাম্প পারমাণবিক বিষয়ে আলোচনার জন্য হোয়াইট হাউসে শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তাদের ডেকেছিলেন মঙ্গলবার। কিন্তু পরবর্তী দফার আলোচনার আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেরিয়ে আসা ‘পরস্পরবিরোধী এবং বিরোধপূর্ণ অবস্থান’-এর নিন্দা করেছেন আরাঘচি। তিনি বলেন, আলোচনার সময় আমরা আমেরিকানদের প্রকৃত মতামত খুঁজে বের করব। ইরানের শীর্ষ এ কূটনীতিক বলেছেন, তিনি একটি সম্ভাব্য চুক্তির কাঠামো নিয়ে আলোচনা শুরুর আশা করছেন। তবে জোর দিয়ে বলেছেন- এর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গঠনমূলক অবস্থান প্রয়োজন। তিনি বলেন, যদি আমরা পরস্পরবিরোধী অবস্থানে থাকি, তাহলে আমাদের সমস্যা হবে। মঙ্গলবার খামেনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে- প্রাথমিক পর্যায়ে আলোচনা ভালোভাবে এগিয়ে গেলেও, তা এখনও নিষ্ফল প্রমাণিত হতে পারে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রাম্পের সমালোচনা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আলোচনায় বাইডেন
এতে বলা হয়, মঙ্গলবার শিকাগোতে প্রতিবন্ধীদের নিয়ে এক সম্মেলনে ভাষণ দিয়েছেন বাইডেন। এ সময় ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সোশ্যাল সিকিউরিটি এডমিনিট্রেশেন (এসএসএ)-কে কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছেন ট্রাম্প। তিনি আরও বলেছেন, ১০০ দিনের কম সময়ের মধ্যে নতুন প্রশাসন এত ক্ষতি ও ধ্বংস সাধন করেছে যা শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। বাইডেন বলেন, সোশ্যাল সিকিউরিটি এডমিনিট্রেশেন প্রশাসনের সঙ্গে কৌশল অবলম্বন করছে। তারা প্রায় ৭ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। এদের মধ্যে অনেক অভিজ্ঞ কর্মীও রয়েছে। এখন তারা আরও কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সোশ্যাল সিকিউরিটিকে কেন ট্রাম্প প্রশাসন কৌশল হিসেবে নিয়েছে তা জানতে চেয়ে বাইডেন বলেন, তারা প্রযুক্তিগত স্টার্টআপগুলোর পুরো লাইন অনুসরণ করছে। তাদের নীতি দ্রুত এগিয়ে যাও, ভেঙে ফেলো। তারা অবশ্যই সব ভেঙে ফেলছে। বাইডেন বলেন, তারা প্রথমে গুলি করছে পরে লক্ষ্য নির্ধারণ করছে। তিনি এসএসএ-এর সাবেক কমিশনার মার্টিন ও’ম্যালির কড়া সমালোচনা করেন। তাকে উদ্ধৃত করে বাইডেন বলেন, তারা বিনাশ করতে চায়- সুতরাং তারা এটিই করছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লম্পট পিতার ফাঁসি
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৬ই ফেব্রুয়ারি পার্শ্ববর্তী গাংনী ইউনিয়নে ওই কিশোরীকে বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের কয়েকদিন পর স্বামীর বাড়িতে অবস্থানকালে পেটে ব্যথা ও বমি বমি ভাব হলে প্রেগন্যান্সি পরীক্ষার মাধ্যমে ২-৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি জানাজানি হয়। ভুক্তভোগী জানায় যে, ২০২৩ সালের ৫ই ডিসেম্বর তার মা-বোনের বাড়িতে গেলে রাতে বাবা বসতঘরে একা পেয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে ২-৩ মাসে ৭-৮ বার ধর্ষণ করে। তদন্ত শেষে আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বাবর আলী গত ২০২৪ সালের ১১ই ডিসেম্বর অভিযুক্ত বাবার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত।
চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (স্পেশাল পিপি) এম এম শাহজাহান মুকুল বলেন, কিশোরী ধর্ষণ মামলায় পিতা আলতাপ হোসেনকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ হয়েছে। জরিমানার আদেশ তার জীবদ্দশায় অথবা মৃত্যুর পরবর্তী পর্যায়ে প্রথম দায়দেনা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। আদালত এটা রায়ে উল্লেখ করেছেন। সর্বোপরি সাক্ষী শুরু থেকে মাত্র ৪৫ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি বিধান করতে সক্ষম হয়েছে। সমাজে এ ধরনের ঘৃণিত অপরাধ আর যেন সংঘটিত না হয় সেজন্য এ রায় যুগান্তকারী হয়ে থাকবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৯ মাস সংসার করার পর তরুণী জানতে পারেন বিয়ে হয়নি by ওমর ফারুক সুমন
এ ঘটনার বিষয়ে প্রতারণার স্বীকার আকলিমা খাতুন বলেন, দীর্ঘ ৯ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর জানতে পারেন, স্বামী ছিল না সেই যুবক। মূলত নকল কাজীর মাধ্যমে নকল কাবিননামা তৈরি করে গড়ে তুলেছিলেন এমন অনৈতিক সম্পর্ক। তরুণীর অভিযোগ, অর্থ হাতিয়ে নিতে আর অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতেই গেল বছরের ১২ই ফেব্রুয়ারি তারিখে ফুলপুর উপজেলা সদরে কাজী অফিসে নিয়ে বিয়ের নাটক সাজান। আকলিমা বলেন, স্বামী সেজে আয়নাল হক ইতিমধ্যে হাতিয়ে নেন দুই লক্ষাধিক টাকা। নতুন করে আরও ১০ লাখ টাকার দাবি করলে আয়নালের ওপর সন্দেহ সৃষ্টি হয় তরুণীর। একপর্যায়ে কাজী অফিসে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন বিয়েই হয়নি তার। নকল কাজী সাজিয়ে বিয়ের নামে নাটক তৈরি করেন আয়নাল। অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্যেই এমন পন্থা বেছে নেন প্রতারক আয়নাল। আয়নালের বাড়িতে খোঁজ নিলে আয়নালের দাদা আব্দুস সামাদ বলেন, তার পূর্বের আরেকটি স্ত্রী সন্তান রয়েছে। নতুন করে কাউকে বিয়ে করেননি জানান পরিবারের লোকজন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আয়নাল মুঠোফোনে জানতে পেরে কাজীর মাধ্যমে বিয়ে করার কথা অস্বীকার করেন। তবে হুজুরের মাধ্যমে বিয়ে করা হয় বলে জানান অভিযুক্ত আয়নাল।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব কেন নাকচ করল হামাস
যুদ্ধবিরতির আলোচনায় সম্পৃক্ত একজন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে হামাসের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের কথা জানান। তিনি বলেন, হামাসের মূল চাওয়া হলো চূড়ান্তভাবে যুদ্ধ বন্ধ করা এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা। কিন্তু ওই প্রস্তাবে এ বিষয়ে কোনো প্রতিশ্রুতি ছিল না। বরং হামাসের হাতে থাকা জীবিত জিম্মিদের অর্ধেককেই মুক্তি দেওয়ার শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে।
গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা অব্যাহত থাকার মধ্যেই সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে এমন কথা জানা গেল।
খান ইউনিসের একটি ফিল্ড হাসপাতালে বিমান হামলা চালিয়ে একজন নিরাপত্তারক্ষী এবং আরও ৯ জনকে হত্যা করা হয়েছে বলে ওই হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। যদিও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, হামাসের একটি সেলে হামলা চালানো হয়েছে।
গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার ও নৃশংস হামলার ১৮ মাস চলছে। জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, এই ১৮ মাসের মধ্যে এখন গাজার মানবিক পরিস্থিতি সবচেয়ে বাজে অবস্থায় রয়েছে।
ছয় সপ্তাহ ধরে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে কোনো মানবিক সহায়তা সামগ্রী ঢুকতে দিচ্ছে না ইসরায়েল। এটা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে সবচেয়ে দীর্ঘ অবরোধ আরোপের ঘটনা।
ইসরায়েলের দাবি, দীর্ঘসময় চলার মতো খাবার গাজায় মজুত আছে। যদিও জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো এমন দাবি জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা বলেছে, গাজায় সহায়তা প্রবেশে অবরোধ আরোপের ঘটনা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন।
এ অবরোধ আরোপের মূল উদ্দেশ্য ছিল, অবশিষ্ট জিম্মিদের মুক্তি দিতে এবং ১ মার্চ শেষ হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে হামাসকে চাপ দেওয়া। এমনটাই বলেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
একইভাবে জাতিসংঘের মানবিক-বিষয়ক দপ্তর জানিয়েছে, স্থলভাগে থাকা অংশীদারেরা জানিয়েছেন, হামলায় ব্যাপক বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। মানুষকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে।
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে সফরে গিয়ে ওয়াশিংটনে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করেন। এর কয়েক দিন পরই গত সপ্তাহের শেষের দিকে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের কাছে একটি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
এরপর বিষয়টি নিয়ে প্রধান আলোচক খলিল আল-হায়ার নেতৃত্বে হামাসের একটি প্রতিনিধিদল মিসরের রাজধানী কায়রোয় দেশটির গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
ফিলিস্তিনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেন, মিসরের মাধ্যমে দেওয়া প্রস্তাবে স্পষ্টত হামাসকে নিরস্ত্র করার আহ্বান জানানো হয়েছে। কিন্তু এতে ইসরায়েলের পক্ষে যুদ্ধ বন্ধ করা এবং গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রতিশ্রুতি নেই। তাই হামাস এ প্রস্তাব পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
যুদ্ধবিরতি নিয়ে কোনো আলোচনায় এবারই প্রথম ইসরায়েলের পক্ষ থেকে হামাসকে নিরস্ত্র করার শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এটাকে ফিলিস্তিনি সংগঠনটির জন্য চূড়ান্ত সীমারেখা (রেডলাইন) হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের অভিযোগ, ইসরায়েল সময়ক্ষেপণ করছে। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করছে। হামাসের হাতে থাকা অবশিষ্ট জিম্মিদের উদ্ধার করার চেষ্টায় এমনটা করা হচ্ছে।
ধারণা করা হয়, গাজায় হামাসের হাতে আরও ৫৯ জন জিম্মি আছেন। তাঁদের মধ্যে বেঁচে আছেন ২৪ জন।
হামাসের সামরিক শাখার এক মুখপাত্র গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে জানান, ইসরায়েলি-আমেরিকান জিম্মি অ্যাডেন আলেকজান্ডারের সঙ্গে হামাস যোদ্ধাদের একটি দলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তিনি এটাকে ‘তাদের অবস্থানের ওপর সরাসরি হামলা’ হিসেবে চিহ্নিত করেন।
হামাস জানিয়েছে, তাদের হাতে থাকা জিম্মিদের মুক্তি দিতে তারা প্রস্তুত। তবে এর বিনিময়ে তারা যুদ্ধের সমাপ্তি এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনাদের পুরোপুরি প্রত্যাহার চান।
এর মধ্যে বিবিসি জানতে পেরেছে, মিসরের মাধ্যমে একটি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব সামনে আনা হয়েছে। সেটা বিবেচনা করছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। যদিও ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে কোনো অগ্রগতির সম্ভাবনার বিষয়ে কিছুই জানাতে পারেনি।
গাজায় গত ১৮ মার্চ থেকে নতুন করে হামলা জোরদার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এরপর সেখানে অন্তত ১ হাজার ৬৩০ জন নিহত হয়েছেন। ১৮ মাস ধরে চলা যুদ্ধে গাজা উপত্যকায় নিহতের সংখ্যা ৫১ হাজার ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
এর আগে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হামাস হামলা চালায়। এরপরই ওই দিন থেকে গাজায় নির্বিচার হামলা শুরু করে ইসরায়েল। হামাসের হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত হয়েছেন বলে খবর দেয় ইসরায়েল সরকার। বন্দী করে গাজায় নিয়ে যাওয়ায় হয় ২৫১ জনকে।
![]() |
| টানা ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা। ফাইল ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রশাসন বিএনপির পক্ষে, এদের অধীন নির্বাচন করা সম্ভব নয়: নাহিদ
আজ বুধবার বিকেলে ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিকোল চুলিকের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম।
গুলশানে মার্কিন দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশনের বাসায় এ বৈঠক হয়। বৈঠকে নাহিদ ইসলামের সঙ্গে দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন ও সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা অংশ নেন।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপির নেতারা। মার্কিন কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে নাহিদ বলেন, ‘সংস্কার বিষয়ে আমরা যেই প্রস্তাবনাগুলো সংস্কার কমিশনে দিয়েছি, সেগুলোর কথা বলেছি। আমরা বলেছি আমাদের তিনটি দাবির কথা—সংস্কার, বিচার ও গণপরিষদ নির্বাচন।’
কোনো ধরনের ন্যূনতম সংস্কার নয়, বরং মৌলিক সংস্কার নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কাজ করছে জানিয়ে নাহিদ বলেন, ‘আমরা এখানে রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার, গুণগত পরিবর্তনের জন্য আমরা কাজ করছি। কোনো ধরনের মৌলিক পরিবর্তন ছাড়া নির্বাচনের দিকে গেলে সে নির্বাচনটি গ্রহণযোগ্য হবে না এবং সে নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি অংশগ্রহণ করবে কি না, সেটাও বিবেচনাধীন থাকবে।’
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বর্তমান সময়ে যে মাঠ প্রশাসন রয়েছে, সেই মাঠ প্রশাসন আমাদের কাছে মনে হয়েছে নিরপেক্ষ আচরণ করছে না। বিভিন্ন জায়গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চলছে, সেই জায়গায় প্রশাসনকে নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করতে দেখছি, সেই জায়গাগুলো আমরা বলেছি।’
প্রশাসন নিরপেক্ষ না হয়ে কার পক্ষ নিচ্ছে—এমন প্রশ্নের জবাবে নাহিদ বলেন, ‘আমরা লক্ষ করছি প্রশাসন আমাদের প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির পক্ষ অবলম্বন করছে। অনেক জায়গায় এবং মাঠপর্যায়ে যে ধরনের চাঁদাবাজি চলছে, সেই জায়গায়ও মাঠ প্রশাসন আসলে নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করছে। আমরা বলেছি, যদি এ ধরনের একটা প্রশাসন থাকে, তাহলে নির্বাচন করা সম্ভব নয়। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের জন্য একটি নিরপেক্ষ প্রশাসন, আমলাতন্ত্র এবং পুলিশ আমাদের ঠিক করতে হবে।’
বৈঠকে আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে নাহিদ ইসলাম বলেন, মূলত বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংস্কার কার্যক্রম নির্বাচন বিষয়ে মার্কিন প্রতিনিধিদলের আগ্রহ ছিল। এ ছাড়া সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তাসহ বাংলাদেশের সামনের রাজনীতি কোন দিকে যাবে এবং এনসিপির গঠনপ্রক্রিয়া, সাংগঠনিক কার্যক্রম ও আদর্শ ইত্যাদি বিষয়ে তাদের আগ্রহ ছিল।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘আমরা আমাদের জায়গা থেকে ব্যাখ্যা করেছি, আমাদের রাজনৈতিক দল কেন, কোন পরিপ্রেক্ষিতে এগিয়ে যাচ্ছে। সংস্কার বিষয়ে সংস্কার কমিশনে আমরা যে প্রস্তাবগুলো দিয়েছি, সেটি আমরা বলেছি। আমাদের যে তিনটি দাবি—বিচার, সংস্কার ও গণপরিষদ নির্বাচন; সেটা আমরা সুস্পষ্টভাবে বলেছি।’
বৈঠকে নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, নির্বাচনের সময়ের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের জুন বলেছেন; প্রাথমিকভাবে আমরা তা সমর্থন করছি। কিন্তু নির্বাচনের আগে যেসব কাজ করে নির্বাচনে যেতে হবে; বিচার, বিচারের রোডম্যাপ দেওয়া, সংস্কার অর্থাৎ জুলাই সনদ কার্যকর করা ছাড়া নির্বাচনের সময় নিয়ে কথা বলে আসলে লাভ নেই।’
আওয়ামী লীগের বিচার এবং নির্বাচনে আসার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘না, এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো আলোচনা হয়নি। আমাদের যে দলীয় অবস্থান, আমরা বলেছি যে বিচারের আগে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক, রাজনৈতিক কার্যক্রম এবং নির্বাচনে আসার কোনো সুযোগ নেই।’
এ ছাড়া বৈঠকে ব্যবসার পরিবেশ, অর্থনৈতিক অবস্থা এবং ক্ষমতায় গেলে এনসিপি কী করবে, এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনও চেয়েছেন বলে জানান নাহিদ ইসলাম।
![]() |
| ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিকোল চুলিকের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম। আজ বুধবার বিকেলে গুলশানে। ছবি: প্রথম আলো |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্ন, হিন্দু ধর্মীয় ট্রাস্টে কি কোনও মুসলিমকে সদস্য হতে দেবে সরকার?
এক মামলাকারীর হয়ে সওয়াল করে আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, এই আইন সংবিধানের ২৬ নম্বর ধারা লঙ্ঘন করছে। সংবিধানের এই ধারা স্বাধীন ভাবে মানুষকে ধর্মাচরণের অধিকার দিয়েছে। তাঁর সওয়াল, জেলাশাসক সরকারের অঙ্গ। তিনি ওয়াকফ সম্পত্তি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিলে তা অসাংবিধানিক। ‘ওয়াকফ বাই ইউজার’ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সিব্বল। এই ধারায় দীর্ঘ দিন ধরে কোনও সম্পত্তি ধর্মীয় বা সেবার স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তা ওয়াকফ বলে ধরে নেওয়া হয়, তার নথিভুক্তকরণ না হলেও চলে। সিব্বল জানান, এই ধারা ইসলাম ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাকে আদালত প্রশ্ন করে, বেশির ভাগ মসজিদ চতুর্দশ, পঞ্চদশ শতকে তৈরি। তাদের নথি দাখিল কী করে সম্ভব?
ওয়াকফ আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এআইএমআইএম নেতা আসাদুদ্দিন ওয়াইসি, অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড (এআইএমপিএলবি), জমিয়ত উলামা-ই-হিন্দ, দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাজগম (ডিএমকে), কংগ্রেস সাংসদ ইমরান প্রতাপগড়ি এবং মোহাম্মদ জাভেদ, বিহারের আরজেডি সাংসদ মনোজ ঝা, বাংলার তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র, সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি, ভরতপুরের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক হুমায়ুন কবীর প্রমুখের ৭২টি আবেদন সুপ্রিম কোরটে দাখিল করা হয়েছে।
বুধবার সব মামলাকে একসঙ্গে জুড়ে শুনানি শুরু হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চে এই মামলা চলছে। বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথন। বুধবার এই সংক্রান্ত শুনানির পর সংশোধিত ওয়াকফ আইন নিয়ে অন্তর্বর্তী কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি শীর্ষ আদালত। বৃহষ্পতিবার ফের শুনানির দিন ধার্য করেছে।
ভোটাভুটির মাধ্যমে সম্প্রতি ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাশ হয় লোকসভা এবং রাজ্যসভায়। রাষ্ট্রপতির সম্মতিক্রমে তা আইনে পরিণত হয়েছে। তার পর থেকেই এই সংশোধনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন অংশে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিনের শুনানির একেবারে শেষ পর্যায়ে প্রধান বিচারপতি বার্তা দেন, সংশোধিত ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদে বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলন হচ্ছে। কিন্তু, তার ফলে হিংসাও ছড়াচ্ছে। এটা কাম্য নয়। বিশেষ করে এই আইন নিয়ে যখন আদালতে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন রয়েছে, সেখানে কখনই এই ধরনের হিংসা বা অশান্তির ঘটনা বাঞ্ছনীয় নয়। এমন ঘটনা উদ্বেগজনক।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1447)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
April
(427)
-
▼
Apr 17
(18)
- ফিলিস্তিনি ও ত্রাণকর্মীদের জন্য গাজা এখন ‘গণকবর’: ...
- ইসরায়েলের স্বপ্নভঙ্গ : বাংলাদেশ দিল শেষ সিদ্ধান্ত
- ইসরায়েলিদের নিয়ে ব্রিটিশ রানির বিস্ফোরক মন্তব্য প্...
- মোদির নতুন চাল by অজয় আশীর্বাদ মহাপ্রশস্ত
- ইসরায়েলিদের বাকিংহাম প্যালেসে কেন ঢুকতে দিতেন না র...
- বাবর আলী বললেন, এমন কঠিন পরীক্ষা আগে আমাকে দিতে হয়নি
- নারীরা কেন বয়সে ছোট পুরুষের সঙ্গে প্রেমে জড়াচ্ছেন,...
- বিবিসি’র রিপোর্ট: গোপন কারাগারের স্মৃতি
- অমিত শাহকে নিয়ন্ত্রণ করুন, মোদীকে অনুরোধ মমতার! টা...
- নব্য আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি, নেতৃত্বে থাকবেন না শে...
- ‘ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়’ মন্তব্য করে ফের আলোচনায় সাকিব
- যুক্তরাষ্ট্রের চোখে ইরানের চোখ
- ট্রাম্পের সমালোচনা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আলোচন...
- লম্পট পিতার ফাঁসি
- ৯ মাস সংসার করার পর তরুণী জানতে পারেন বিয়ে হয়নি by...
- ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব কেন নাকচ করল হামাস
- প্রশাসন বিএনপির পক্ষে, এদের অধীন নির্বাচন করা সম্ভ...
- ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্ন, হিন্দু ধর্মীয় ট্রাস...
-
▼
Apr 17
(18)
-
▼
April
(427)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...








