Showing posts with label ব্যবসা. Show all posts
Showing posts with label ব্যবসা. Show all posts

Sunday, August 30, 2026

‘ঘেটুপুত্র কমলা’ এখন রড-সিমেন্টের কারবারি by নাজমুল হক

হুমায়ূন আহমেদের ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ দিয়ে পরিচিতি পান অভিনেতা হাসান ফেরদৌস মামুন। ছবিটি তাঁকে এনে দেয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এরপর নাটক-বিজ্ঞাপনে মাঝেমধ্যে দেখা গেলেও ধীরে ধীরে বিনোদন অঙ্গন থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন মামুন। আর সাত বছর ধরে তো অভিনয়েই নেই। রাজধানীর মোহাম্মদপুরে নির্মাণসামগ্রীর ব্যবসায় ব্যস্ত এই অভিনেতা। যেখানে তাঁর ব্যস্ত থাকার কথা লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনে, সেখানে তাঁর সময় কাটে রড-সিমেন্টের হিসাব কষে।

অভিনয়ের হাতেখড়ি টোকাই নাট্যদলে
মামুনের অভিনয়ের হাতেখড়ি চার বছর বয়সে। বড় বোনের হাত ধরে ‘টোকাই’ নাট্যদলে তাঁর আসা–যাওয়া শুরু। শুরুতেই দলটির হয়ে বেশ কিছু প্রযোজনায় সুযোগ পান তিনি। ছোট পর্দায় প্রথম সুযোগ আসে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘হারমোনিয়াম’ নাটক দিয়ে। এরপর বিটিভির আরও কয়েকটি নাটকে অভিনয়ের সুযোগ পান মামুন। নাটকের পাশাপাশি বিজ্ঞাপনেও ডাক পেতে থাকেন এই শিশুশিল্পী।

কি বাবা, বলছিলাম...
মামুনের প্রথম বিজ্ঞাপন, মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংকের ‘দিনবদলের পালা’। যা তাঁকে পরিচিতি এনে দেয়। বিজ্ঞাপনটিতে মামুনের সংলাপ ‘কি বাবা, বলছিলাম না আজকে অনেক মাছ উঠব, আমারে কিন্তু মেলায় নিয়া যাইতে হবে’ এখনো দর্শকদের নস্টালজিক করে।

বিজ্ঞাপনটির জন্য মেরিল প্রথম আলো পুরস্কারে মনোনয়ন পেয়েছিলেন মামুন। এর পরপর আরও কয়েকটি বিজ্ঞাপনে অভিনয় দক্ষতা দেখান এ অভিনেতা। এর মাঝে বেবি জিঙ্ক ও প্রাণ জুসের বিজ্ঞাপন উল্লেখযোগ্য। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় প্রাণ জুসের বিজ্ঞাপন মামুনের ক্যারিয়ারে গতিপথ বদলে দেয়, বিজ্ঞাপনে ‘তাইলে দশ টাকা দেন, ম্যাঙ্গো জুস খামু’ মামুনের জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে তোলে। এরপর ছোট পর্দায় বাড়ে তাঁর ব্যস্ততা, ডাক পেতে থাকেন সিনেমায়।

চলচ্চিত্রে যাত্রা
মামুনের প্রথম চলচ্চিত্র শফিকুল ইসলাম পরিচালিত ‘ওপারে আকাশ’। এরপর মুরাদ পারভেজের ‘চন্দ্রগ্রহণ’ এবং আবু সুফিয়ানের ‘বন্ধু মায়া লাগাইছে’ ও ‘ভাড়াটে প্রেমিক’ সিনেমায় অভিনয় করেন মামুন। তবে তাঁর জীবনে বড় সুযোগটা আসে এরপর। হুমায়ূন আহমেদের ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্র ‘কমলা’র জন্য নির্বাচিত হন তিনি। সে সময়ের স্মৃতি এখনো আবেগে আপ্লুত করে মামুনকে। এখনো যেন বিশ্বাস করতে পারেন না সেই সময়। যেন সব স্বপ্ন মনে হয়। মামুন বলেন, ‘আমার টোকাই নাট্যদলসহ আরও অনেক দলের শিশু অভিনেতারা অডিশন দিতে আসেন। এতজনের মাঝে নির্বাচিত হব, তা চিন্তায় ছিল না। কত কিছু করতে হয়েছে। সবশেষে হুমায়ূন (আহমেদ) স্যার এ চরিত্রের জন্য আমাকে বাছাই করেন।’

ঘেটুপুত্র কমলা
হুমায়ূন আহমেদের অষ্টম ও শেষ চলচ্চিত্র ‘ঘেটুপুত্র কমলা’। হুমায়ূন আহমেদের আর সব ছবির চেয়ে এই ছবির কাহিনি একেবারেই ব্যতিক্রমী। ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ২০১২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর। ওই বছরের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আটটি শাখায় ছবিটি পুরস্কৃত হয়। হুমায়ূন আহমেদ শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার হিসেবে পুরস্কৃত হন। ছবিটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের সম্মানও লাভ করে। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত এ ছবিতে অভিনয় করেন জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, প্রাণ রায়, মুনমুন আহমেদ, কণ্ঠশিল্পী আগুন, আবদুল্লাহ রানা, ফজলুর রহমান বাবু প্রমুখ।

হুমায়ূন আহমেদের স্নেহ
‘ঘেটুপুত্র কমলা’ ছবির শুটিংয়ের স্মৃতি এখনো অমলিন। জানান, হুমায়ূন আহমেদ যত বড় লেখক ও নির্মাতা, উনি তার চেয়েও বড় হৃদয়ের মানুষ ছিলেন। মামুন বলেন, ‘শুটিংয়ে স্যার (হুমায়ূন আহমেদ) সব সময় আমার খবর রাখতেন। আমি ঠিকমতো খেয়েছি কি না থেকে সব। আমি খাওয়ার পর তিনি খেতেন। এত স্নেহ তিনি আমাকে করেছেন, তা কখনো ভোলা যাবে না।’

দর্শকের ভালোবাসার সঙ্গে চরিত্রটির জন্য মামুন শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। তবে দিনটি মামুনের কাছে আনন্দের বদলে বেদনার। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারটি মামুনের কাছে ‘হারিয়ে অর্জিত পুরস্কার’। মামুন বলেন, ‘মেরিল প্রথম আলোতে যেবার বাংলালিংকের বিজ্ঞাপনের জন্য মনোনয়ন পাই, তখন মাকে নিয়ে অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। তবে পুরস্কারের সৌভাগ্য হয়নি। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার যখন পেলাম, তখন মা বেঁচে নেই। হুমায়ূন আহমেদ স্যারেরও এর আগে মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে দিনটি আমার জন্য খুব কষ্টের ছিল। অনেক কান্না করেছি সেদিন। তাই এ পুরস্কারটি আমার কাছে হারিয়ে অর্জিত পুরস্কার।’

শতাধিক নাটক ও বিজ্ঞাপনে অভিনয়
এর মাঝে ১০০টির বেশি টেলিভিশন নাটক, বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেন মামুন। সবশেষ ২০১৮ সালে অভিনয় করেন রুবেল আনুশের ‘প্রেমকাহন’ ছবিতে। এরপর আর অভিনয়ে দেখা যায়নি তাঁকে। জুতসই চরিত্র না পাওয়ায় অভিনয় থেকে অঘোষিত বিরতি নিয়েছেন তিনি। তবে জানিয়েছেন, অভিনয়ের জন্য সব সময় প্রস্তুত তিনি। মামুন বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রিতে আগের অবস্থা নেই। তাই কাজ কমিয়ে দিয়েছি। এ ছোট্ট জীবনে দেশের এমন সব অভিনেতা থেকে নির্মাতার সঙ্গে কাজের সুযোগ পেয়েছি, এখন চাইলেই সব কাজ করতে পারি না। তবে ভালো কাজ থেকে ভালো চরিত্রের অপেক্ষায় সব সময় আছি আমি।’

অভিনয় ছেড়ে ব্যবসায়
মামুনের বয়স পেরিয়েছে ২৮। তিন বছর আগে বিয়ে করেছেন। স্ত্রীও শৈশবে থিয়েটার করতেন এক দলে। সেখান থেকেই পরিচয়, প্রণয় ও বিয়ে। স্ত্রী–পরিবার নিয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে থাকেন মামুন, সেখানেই জন্ম তাঁর।

বছিলায় ভগ্নিপতির সঙ্গে রয়েছে তাঁর নির্মাণসামগ্রীর ব্যবসা। রড, সিমেন্ট থেকে অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী পাওয়া যায় সেখানে। সারা দিন সময় কাটে ব্যবসায়। মাঝেমধ্যে সময় পেলে ইউটিউবে নিজের পুরোনো কাজগুলো দেখেন আর সময়গুলো মিস করেন। মামুন বলেন, ‘এত এত গুণী মানুষের সান্নিধ্য পেয়েছি, তা এখন কল্পনাও করতে পারি না। আলহামদুলিল্লাহ, কোনো আক্ষেপ নেই, নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করি।’

হারিয়ে যাওয়া শিশুশিল্পীদের একজন
বাংলাদেশের নাটক ও সিনেমায় শিশুশিল্পীরা একসময় জনপ্রিয়তা পেলেও অনেকেই সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যান। কেউ পড়াশোনায় মন দেন, কেউ ভিন্ন পেশায় চলে যান। মামুনও তাঁদের একজন। তবে তাঁর গল্প একটু আলাদা। তিনি শিশুশিল্পী হয়েও দেশের সবচেয়ে বড় পুরস্কার অর্জন করেছেন। এরপরও অভিনয় থেকে দূরে সরে যেতে বাধ্য হয়েছেন।সমসাময়িক অনেক শিশুশিল্পী এখন আর আলোচনায় নেই। কারও খোঁজ পাওয়া যায় না, কেউ হয়তো বিদেশে পড়াশোনা করছেন। এ প্রসঙ্গে মামুনের ভাষ্যে, ‘ইন্ডাস্ট্রির ধরন পাল্টে গেছে। আগে আমাদের মতো শিশুদের নাটক-সিনেমায় নিয়মিত রাখা হতো। এখন গল্প ও চরিত্রে সে সুযোগ কম। তাই কাজ না থাকলে সরে আসতে হয়।’ বিনোদন দুনিয়া ছেড়ে আপাতত তিনি ব্যস্ত রড-সিমেন্টের অঙ্ক কষে। আর রাতের নীরব মুহূর্তে স্মৃতিতে ফিরে যান সেই দিনগুলোতে, যখন ক্যামেরা চালু হতো আর পরিচালক বলতেন—অ্যাকশন! 

‘ঘেটুপুত্র কমলা’ ছবিটি  হাসান ফেরদৌস মামুনকে এনে দেয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এনে দেয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
‘ঘেটুপুত্র কমলা’ ছবিটি হাসান ফেরদৌস মামুনকে এনে দেয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এনে দেয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। কোলাজ

Monday, January 15, 2018

৮ ব্যাংকে নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে জরুরি সভা মঙ্গলবার


রাষ্ট্র মালিকানাধীন আট ব্যাংক ও আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জরুরি সভা ডেকেছে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বাংলাদেশ ব্যাংকে এ সভা হবে। এতে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগের দায়িত্বে থাকা ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি এবং ১৪টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করবেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর।

ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির প্রধান মোশাররফ হোসেন খান বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ব্যাপারে আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কাল সভা ডাকা হয়েছে। সভায় এ ব্যাপারে ইতিবাচক কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আশা করি।

রাষ্ট্রমালিকানাধীন আট ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে গতকাল রোববার থেকে প্রার্থীরা বিক্ষোভ করেন। তারা নয় দফা দাবি জানিয়েছেন। এসব দাবি মানা না হলে তারা আদালতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

গত শুক্রবার আট ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে নানা অব্যবস্থাপনার অভিযোগ পাওয়া যায়। প্রশ্নপত্র ও বসার জায়গা না পেয়ে শাহ আলী মহিলা কলেজ কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীরা ভাঙচুর ও সড়ক অবরোধও করেছেন। ওই কেন্দ্রের পরীক্ষা হবে ২০ জানুয়ারি।

Sunday, January 14, 2018

দ্যাটস অল রাবিশ... রাবিশ... রাবিশ


বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বাংলাদেশকে পিছিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

আজ রোববার সচিবালয়ে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এমসিসিআই) এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গতকাল শনিবার বাংলাদেশের উন্নয়নে স্বাধীন পর্যালোচনা শিরোনামে বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০১৮-২০১৯ প্রথম অন্তর্বর্তী পর্যালোচনা বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করে সিপিডি।

ওই সংবাদ সম্মেলনে সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য  বলেন, ২০১৭ সালটা ব্যাংক কেলেঙ্কারির বছর হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। সার্বিকভাবে ২০১৭ সালে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা চাপের মধ্যে ছিল। ব্যাংক অস্থিতিশীলতা নিরসনে কোনো পদক্ষেপ ২০১৮ তে হবে সেটার কোনো লক্ষণ আমরা দেখছি না। আমরা দেখছি অপরিশোধিত ঋণ বেড়ে গেছে। করের টাকা দিয়ে পুনরায় তফসিলি করা হয়েছে।

“বিভিন্ন ব্যক্তি খাতের ব্যাংকে প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে মালিকানা বদল হয়েছে। নতুন যে ব্যক্তি খাতের ব্যাংকগুলো সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বিবেচনায় দেয়া হয়েছে সেগুলো কার্যকর হতে পারেনি। আমরা দেখছি ব্যক্তি খাতের ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাচারের ঘটনাও ঘটছে। ব্যাংকিং খাত দেখলে পরিষ্কার বোঝা যায় সরকার এখন সংস্কারে আগ্রহী নয়।”

তিনি বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি উল্টো একই পরিবারের দুই জনের পরিবর্তে চারজনকে ব্যাংকের পরিচালক নিয়োগের সুযোগ দিয়েছে সরকার। এতে ব্যাংক হয়ে উঠছে পরিবারকেন্দ্রিক।

ওই পর্যালোচনায় কোন বিষয়টি আপত্তিকর সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দ্যাটস অল রাবিশ.. রাবিশ... রাবিশ’।

Saturday, January 13, 2018

২০১৭ সাল ব্যাংক কেলেঙ্কারির বছর

বিদায়ী ২০১৭ সাল ব্যাংক কেলেঙ্কারির বছর হিসেবে চিহ্নিত থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

তিনি বলেন, ব্যাংকে যে অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে, ২০১৮ সালে তা নিরসন হবে এমন কোনো লক্ষণ আমরা দেখতে পাচ্ছি না।

শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশের উন্নয়নে স্বাধীন পর্যালোচনা শিরোনামে বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০১৮-২০১৯ প্রথম অন্তর্বর্তী পর্যালোচনা বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য  বলেন, ২০১৭ সালটা ব্যাংক কেলেঙ্কারির বছর হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। সার্বিকভাবে ২০১৭ সালে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা চাপের মধ্যে ছিল। ব্যাংক অস্থিতিশীলতা নিরসনে কোনো পদক্ষেপ ২০১৮ তে হবে সেটার কোনো লক্ষণ আমরা দেখছি না। আমরা দেখছি অপরিশোধিত ঋণ বেড়ে গেছে। করের টাকা দিয়ে পুনরায় তফসিলি করা হয়েছে।

“বিভিন্ন ব্যক্তি খাতের ব্যাংকে প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে মালিকানা বদল হয়েছে। নতুন যে ব্যক্তি খাতের ব্যাংকগুলো সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বিবেচনায় দেওয়া হয়েছে সেগুলো কার্যকর হতে পারেনি। আমরা দেখছি ব্যক্তি খাতের ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাচারের ঘটনাও ঘটছে। ব্যাংকিং খাত দেখলে পরিষ্কার বোঝা যায় সরকার এখন সংস্কারে আগ্রহী নয়।”

তিনি বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি উল্টো একই পরিবারের দুই জনের পরিবর্তে চারজনকে ব্যাংকের পরিচালক নিয়োগের সুযোগ দিয়েছে সরকার। এতে ব্যাংক হয়ে উঠছে পরিবারকেন্দ্রিক। 

সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান।

মূল প্রবন্ধে বলা হয়, আমদানি ব্যয় অনেক বেড়েছে, রপ্তানি আয় সেই হারে বাড়েনি। ফলে ব্যালান্স অব পেমেন্টে ঘাটতি হচ্ছে। টাকার মান কমেছে। সার্বিকভাবে সুদ হার কমলেও দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এই সুবিধা পাননি। ঋণের  টাকা খেলাপি হয়ে গেছে। সরকার প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ অর্থ জনগণের করের টাকা থেকে মূলধন যোগান দিচ্ছে। এখন বেসরকারি ব্যাংক থেকে বিদেশে অর্থ পাচার হচ্ছে।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান, গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম হোসেন প্রমুখ।

Tuesday, January 9, 2018

সোনার ভরি ৫০ হাজার টাকা ছাড়াল


সোনার দর আরেক দফা বেড়ে প্রতি ভরি ৫০ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে। বুধবার থেকে প্রতি ভরি সবচেয়ে ভালো মানের সোনা ৫০ হাজার ৭৩৮ টাকায় বিক্রি হবে। 

মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে এই সোনার দাম বেড়েছে ভরিতে এক হাজার ৪০০ টাকা বেড়েছে। অন্যান্য মানের দাম বেড়েছে ভরিতে এক হাজার ৩০০ টাকার মতো।

বুধবার থেকে নতুন দর কার্যকর হবে বলে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে।

বিয়ের মওসুমে স্থানীয় বাজারে সরবরাহের তুলনায় চাহিদা বেশি থাকায় সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে বলে সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা জানিয়েছেন।

তিনি  বলেন, “বিয়ের মৌসুম, বড় দিন এবং নতুন বছরকে সামনে রেখে স্থানীয় বাজারে সোনার চাহিদা বেশ বেড়েছে। কিন্তু সে তুলনায় সরবরাহ কম। সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এবার আমরা সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

বাংলাদেশে শীতকালে সাধারণত বিয়ে বেশি হয়ে থাকে। এবারও শীতের শুরুতে গত ২৬ নভেম্বর সোনার দাম বাড়িয়েছিলেন ব্যবসায়ীরা।

টানা দুই বছর লোকসানে ইউনাইটেড এয়ার

লোকসান থেকে কাটিয়ে উঠতে পারেনি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেসামরিক বিমান চলাচল কোম্পানি ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ। এ কারণে শেষ হিসাব বছরেও কোম্পানিটি তার শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে পারছে না।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, ৩০ জুন, ২০১৭ শেষ হওয়া হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশের সুপারিশ করেনি।

কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সবশেষ হিসাব বছরে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের শেয়ার প্রতি লোকসান ১ টাকা ৬৮ পয়সা। এ সময়ে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ১৪ পয়সায়।

এর আগের বছরও কোম্পানিটি লোকসানে ছিল। ২০১৬ সালে কোম্পানির লোকসান ছিল শেয়ার প্রতি ১ টাকা ৬৬ পয়সা। যেখানে আগের বছর অর্থাৎ ২০১৫ সালে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩১ পয়সা।

সে হিসেবে টানা দুই বছর লোকসানে বিমান খাতের এ কোম্পানিটি।

সবশেষ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য অ্যাজেন্ডা অনুমোদনের জন্য বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজন করবে কোম্পানিটি। এজিএমের তারিখ, সময় ও স্থান পরে জানিয়ে দেয়া হবে। রেকর্ড ডেটও পরে জানিয়ে দেয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি শুরু থেকে টানা লভ্যাংশ দিয়ে আসছে।

এর মধ্যে কোম্পানিটি ২০১৫ সালে ১০ শতাংশ, ২০১৪ সালে ১০ শতাংশ, ২০১৩ সালে ১২ শতাংশ, ২০১২ সালে ১৫ শতাংশ, ২০১১ সালে ১০ শতাংশ এবং ২০১০ সালে ৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে।


Sunday, December 31, 2017

ভুগিয়েছে চাল-পেঁয়াজ, অসন্তোষ বিদ্যুতে


২০১৭ এর বিদায় ঘণ্টা বাজতে আর মাত্র কয়েকঘণ্টা। এরপরই ইংরেজি ক্যালেন্ডারে শুরু হবে নতুন একটি বছর। পেছনে ফিরে তাকালে দেখা যায় ২০১৭ সালটি সাধারণ মানুষের জন্য মোটেও সুখকর ছিল না। কারণ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সারাটি বছর নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম ছিল অস্বাভাবিক রকমের চড়া।

সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে অতি প্রয়োজনীয় চাল ও পেঁয়াজ। এছাড়া শাক-সবজি ও কাঁচা মরিচের দাম কখনো কখনো রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত বিদ্যুতও অসন্তোষ ছড়িয়েছে।

চালে  ‘কাবু’ সাধারণ মানুষ

চালের বাজারে প্রথম অস্থিরতা শুরু হয় ফেব্রুয়ারিতে। এ সময় মাঝারি মানের চাল ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০ টাকার কাছাকাছি চলে যায়। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার ভারত, মিয়ানমারসহ প্রভৃতি দেশ থেকে বিপুল পরিমাণে চাল আমদানি ও খোলা বাজারে চাল বিক্রি শুরু করে। তবে সরকারের নিজস্ব ভাণ্ডারে যথেষ্ট পরিমাণে চাল মজুদ না থাকায় এর সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পারেনি। ফলে চালের বাজারের নিয়ন্ত্রণ নেয়া সরকারের পক্ষে আর সম্ভব হয়নি।

বছর শেষের এই সময়ে এসেও চালের ঊর্ধ্বমুখী দর বহাল রয়েছে। ২০১৭ সালের শেষ সপ্তাহে খুচরা বাজারে মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৮-৫০ টাকা, মাঝারি চাল ৪৮-৬২ টাকা এবং চিকন চাল ৭০-৮৬ টাকায়।

চালের যে দর বেড়েছে তা সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কথায়ও স্পষ্ট। তিনি বলেন, চালের দাম যে পরিমাণ বেড়েছে, তা অসহনীয়। সম্প্রতি বেড়ে যাওয়ার পরিমাণটা অস্বাভাবিক। মোটা চালের কেজি ৫০ টাকার ওপরে উঠে যাওয়ায় কিছু লোকের খুব অসুবিধা হয়েছে। দামটা আসলে অনেক বেড়েছে।

এখনো কাঁদাচ্ছে পেঁয়াজ

দাম-দরের উঠানামায় বছরের আরেকটি আলোচিত পণ্যের নাম হল পেঁয়াজ। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত কেজিপ্রতি পেঁয়াজের দাম ছিল ২২ থেকে ৩০ টাকার মধ্যেই। কিন্তু মার্চের শুরুতে পেঁয়াজের দাম হঠাৎ বাড়া শুরু করে। এর কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দামকেই দায়ী করেন। ২২-৩০ টাকা দামের পেঁয়াজ তখন ৪০ এর ঘরে পৌঁছে যায়।

এপ্রিল-মে মাসে পেঁয়াজের দর আবার কিছুটা কমে আসলেও এর পরের মাস থেকে তা আবার বাড়তে শুরু করে। পরে দাম ৫০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। এই দর বাড়তে বাড়তে অক্টোবর-নভেম্বরে এসে ১০০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। চলতি মাসের শুরুর দিকে বাজারে পেঁয়াজের দর ওঠে ১৩০ টাকা পর্যন্ত।

শাক-সবজিতেও সেঞ্চুরি

পুরোটা বছর সাধারণ মানুষের অন্যতম ভোগান্তির নাম শাক-সবজি। প্রতিকেজি ঢেঁড়শ, বেগুন, বরবটি, কাকরোল, শিম কিংবা পটলের দামও তিন অঙ্কের ঘর ছাড়িয়েছিল।

চোখ রাঙালো গ্যাসের দাম

বিশ্ব বাজারে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমার পর দেশে মূল্য সমন্বয়ের দাবি পূরণ হয়নি। উল্টো বছরের শুরুতেই গ্যাসের দাম সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণায় ভোক্তা মহলে তৈরি হয় উদ্বেগ।

বাড়তি টাকায় বিদ্যুত

২০১০ সালের ১ মার্চ থেকে ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬ বছরে খুচরা গ্রাহক পর্যায়ে ৭ বার বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুতের দাম। প্রায় দুই বছর পর গত নভেম্বরের শেষদিকে আবারো দাম বাড়ায় সরকার। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের নয় বছরে এ নিয়ে আটবার বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুতের দাম। গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুত পেতে এখন ইউনিট প্রতি ৩৫ পয়সা বেশি গুণতে হচ্ছে।

Tuesday, December 26, 2017

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে এখন লেনদেন ৮৯১ কোটি টাকা


মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন ক্রমেই বাড়ছে। এক মাসের ব্যবধানে এই লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে ২৪ শতাংশেরও বেশি। একই সঙ্গে বেড়েছে এজেন্ট সংখ্যাও।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্টোবর মাসে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দৈনিক গড়ে লেনদেন হয়েছে ৮৯১ কোটি টাকা। যা সেপ্টেম্বরের তুলনায় ২৪ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। পুরো অক্টোবরে মোট লেনদেন হয়েছে ২৭ হাজার ৬৩৪ কোটি টাকা।

লেনদেনের পাশাপাশি বেড়েছে এজেন্ট সংখ্যাও। সেপ্টেম্বরে এজেন্ট সংখ্যা ছিল ৭ লাখ ৭৩ হাজার ২৮৩ জন। অক্টোবরে ১ হাজার ৬০৯ জন বেড়ে তা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৭৪ হাজার ৮৯২ জনে।

অক্টোবর পর্যন্ত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের নিবন্ধিত গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ৭৮ লাখ। এর মধ্যে চালু রয়েছে ২ কোটি ৮০ লাখ হিসাব। এসব হিসাব থেকে অক্টোবরে মোট লেনদেন হয়েছে ২৭ হাজার ৬৩৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৬ কোটি ২৬ লাখ টাকা রেমিটেন্স বিতরণ হয়েছে।

এছাড়া ক্যাশ ইন হয়েছে ১১ হাজার ৭২২ কোটি টাকা। আর ক্যাশ আউট ১০ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা। ব্যক্তি পর্যায়ে পরিশোধ হয়েছে ৪ হাজার ৪৩ কোটি টাকা।

বাকি অর্থ আদান-প্রদান হয়েছে ইউটিলিটি বিল, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতা, সরকারি বিল পরিশোধসহ অন্যান্য খাতে।

Monday, December 25, 2017

স্বর্ণের দর ভরিতে বাড়লো ১৪০০ টাকা

দেশের বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দর। প্রতি ভরি স্বর্ণে সর্বোচ্চ ১৪০০ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

আজ রোববার বাজুস এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। নুতন দর আগামীকাল সোমবার থেকে কার্যকর করা হবে।
এর আগে ১১ ডিসেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দর ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ২৮৩ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়।
সেই দর অনুযায়ী, আজ রোববার দেশের বাজারে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ ৪৭ হাজার ৯৩৯ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৫ হাজার ৭২৩ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ৪০ হাজার ৪৭৪ টাকায়।

নতুন দর অনুযায়ী, আগামীকাল সোমবার থেকে দেশের বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ৪৯ হাজার ৩২১ টাকা। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হবে ৪৭ হাজার ১০৬ টাকা। আর ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হবে ভরিপ্রতি ৪১ হাজার ৮৫৯ টাকা।

এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ধরা হয়েছে ২৫ হাজার ৬৫২ টাকা।

Thursday, December 21, 2017

শিগগিরই কমবে পেঁয়াজের দাম

পেঁয়াজ ও চালের দাম সাময়িক সময়ের জন্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ব্যাপারে আমরা যত্নবান ও সচেতন। শীতকাল পেঁয়াজের মৌসুম। শিগগিরই পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক হবে। বলেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

জাপানের নতুন রাষ্ট্রদূত হিরোআসু ইজুমির সঙ্গে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী এসময় আরো বলেন, বাংলাদেশের পাশাপাশি পাশের দেশ ভারতেও এবার পেঁয়াজের আগাম ফলন ভালো হয়নি। ভারতের পেঁয়াজের থেকে আমাদের দেশের পেঁয়াজের দাম বেশি। আমার মনে হয় এখন সিজন আসছে, দাম স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

চালের দাম বেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে তোফায়েল বলেন, ‘সবচেয়ে বেশি ধান যেখানে উৎপাদন হয় সেই উত্তরবঙ্গে বন্যা হয়েছে। হাওর অঞ্চল একেবারে ধ্বংসস্তূপে রূপান্তরিত হয়েছে। সেজন্য খাদ্যের একটু অভাব হয়েছিল। সেই সুযোগে কিছু কিছু ব্যবসায়ী… মিথ্যা কিছু খবরও প্রচার হয়েছিল, পরে চালের দাম বেড়ে যায়।’

বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়লেও মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। চেইনশপে এক দামেই সবাই জিনিস কিনছে। জিনিসের কিন্তু কোনো অভাব দেখি না, টাকা দিলেই পাওয়া যায়।’

টিসিবির মাধ্যমে বিভিন্ন নিত্যপণ্য আমদানি করলে সরকারকে লোকসান গুণতে হয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘টিসিবির মাধ্যমে যখনই আমরা ইমপোর্ট করি তখনই আমরা প্রচুর লস দেই। ১৬ কোটি লোকের দেশে টিসিবির মাধ্যমে চাল, ডাল, পেঁয়াজ, রসুন সাপ্লাই দেওয়া সম্ভব না। আপদকালীন সময়ের জন্য টিসিবি দিয়ে পণ্য আমদানি করি।’


এবি ব্যাংকের শীর্ষপদে পরিবর্তন


বেসরকারি এবি ব্যাংকের শীর্ষ পদে বড় পরিবর্তন হয়েছে। ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক ও ভাইস চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদ ও পরিচালক ফাহিমুল হক।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে ব্যাংকটির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) তাদের পদত্যাগপত্র অনুমোদিত হয়।

পরিচালনা পর্ষদে নতুন করে যুক্ত হয়েছেন তিন পরিচালক। তারা হলেন মোশতাক আহমেদ চৌধুরী, নাজির আহমেদ ও শেখ শিরীন। 

এম ওয়াহিদুল হক, সেলিম আহমেদ ও ফাহিমুল হকের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তাঁরা পদত্যাগ করেন।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সাল থেকে এবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে ওয়াহিদুল হক আর ভাইস চেয়ারম্যান পদে ছিলেন সেলিম আহমেদ।

দুর্দশাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোকে এক করে দেওয়ার পরামর্শ



অনিয়ম ও খেলাপি ঋণে দুর্দশাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোকে একীভূতের পরামর্শ দিয়েছেন সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন।

তিনি বলছেন, “যে সব ব্যাংকের অবস্থা খারাপ সেগুলোর তিন-চারটি একীভূত করে একটি ব্যাংক করতে হবে। বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ব্যাংক একীভূত করার সময় এসেছে। আর এখনই এটা করতে হবে।”

১৭ বছর আগে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতেই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর থাকাকালে রিকুইজিশন অ্যান্ড মার্জার আইন করার প্রস্তাব করেছিলেন ফরাসউদ্দিন।

ব্যাংক খাতে অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে  এখন দ্রুত এই আইন করে একীভূতের কাজ শুরু করার কথা বলছেন তিনি।

বাংলাদেশের ব্যাংক খাত নিয়ে বুধবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ পরামর্শ দেন ফরাসউদ্দিন, যিনি ১৯৯৮ সালের ২৪ নভেম্বর থেকে ২০০১ সালের ২২ নভেম্বর পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের দায়িত্ব পালন করেন।

ব্যাংক খাতের বিশৃঙ্খল অবস্থা সরকারের অনেক অর্জনকে ম্লান করে দিচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “বেশ কয়েকটি ব্যাংকের অবস্থা খুবই খারাপ। এগুলোকে আর এভাবে চলতে দেওয়া ঠিক না। এখন ব্যাংক একীভূত (মার্জার) করার সময় এসেছে। সারা পৃথিবীতেই এটা হয়। আমাদেরও করতে হবে।”


তার মতে, যে সব ব্যাংকের অবস্থা খারাপ তার একটা তালিকা করতে হবে। তার মধ্য থেকে তিন-চারটি একীভূত করে একটি ব্যাংক করতে হবে।

একীভূতকরণের জন্য প্রাথমিকভাবে চারটি সরকারি ব্যাংকের একটি তালিকাও করেছে সরকারের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। এগুলো হলো- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।

এই ব্যাংকগুলোর আর্থিক অবস্থা মোটেও ভালো নয়। পৃথকভাবে পরিচালিত হওয়ার কারণে ব্যাংকগুলোর লোকসানের পরিমাণ ক্রমেই বেড়েই চলেছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সঙ্গে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সঙ্গে বেসিক ব্যাংককে একীভূত করার সুপারিশ করার কথা ভাবছে সরকার।

দেশে সরকারি-বেসরকারি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ৫৭টি ব্যাংকের মধ্যে আর্থিক অবস্থার অবনতির তালিকায় রয়েছে ১৩ ব্যাংক।

বেসরকারি ফারমার্স ব্যাংক ও এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক ধুকছে; বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংকও খারাপের দিকে।

সম্প্রতি ফারমার্স ও এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ঢেলে সাজানো হয়েছে। সরানো হয়েছে দুই ব্যাংকের এমডিকেই।

খেলাপি ঋণ বাড়ছেই

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা যায়, নিয়মনীতি না মেনে ঋণ দেওয়ায় খেলাপি ঋণ বাড়ছে, যার প্রভাব পড়ছে আর্থিক খাতে।

আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার সময় দেশে খেলাপি ঋণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা, এখন তা বেড়ে হয়েছে ৮০ হাজার ৩০৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ  আওয়ামী লীগ সরকারের এই নয় বছরে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়ে সাড়ে তিন গুণ হয়েছে।

এর বাইরে আরও ৪৫ হাজার কোটি টাকার খারাপ ঋণ অবলোপন (রাইট অফ) করা হয়েছে। লুকিয়ে রাখা এই বিশাল অঙ্ক খেলাপি ঋণের হিসাবের বাইরে রয়েছে। সব মিলিয়ে খেলাপি ঋণ এখন ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।

ব্যাংক খাত ঠিক রাখতে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। যেমন ব্যবসার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে দেওয়া, পর্যবেক্ষক বসানো, পর্ষদ সভার যাবতীয় নথি বিশ্লেষণ, বড় ঋণ অনুমোদন, একক গ্রাহকের ঋণসীমা নির্ধারণ ও ঋণ পুনর্গঠন ব্যবস্থা চালু।

এরপরও এই খাতকে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে যুক্ত হয়েছে ‘পরিবর্তন আতঙ্ক’। চট্টগ্রামভিত্তিক একটি ব্যবসায়ী গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে কয়েকটি ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত সেপ্টেম্বরের শেষে ব্যাংক খাতে ঋণের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৭ লাখ ৫২ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ ৮০ হাজার ৩০৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ ১০ দশমিক ৬৭ শতাংশ ঋণই এখন খেলাপি।

সরকারি ও বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ বেড়েছে পাল্লা দিয়ে। জুলাই-সেপ্টেম্বর-এ তিন মাসেই সরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ ৩৪ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৮ হাজার ৫১৭ কোটি টাকা।

বেসরকারি খাতের দেশীয় ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৩৩ হাজার ৯৭৩ কোটি টাকা, যা গত জুনে ছিল ৩১ হাজার ৭২৮ কোটি টাকা। এ সময়ে ন্যাশনাল, ফারমার্সসহ বেশ কয়েকটি ব্যাংকেরই খেলাপি ঋণ বেড়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালকরা নিজেদের মধ্যে ঋণ আদান-প্রদান করছেন। যে উদ্দেশ্যে এসব ঋণ নেওয়া হচ্ছে, তার যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে না। ঋণের অর্থ পাচারও হচ্ছে। এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন ব্যাংকের কিছু ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও। ফলে খেলাপি ঋণের ভয়াবহতা প্রকাশ পাচ্ছে।

সার্বিকভাবে ব্যাংক খাতের উপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি ব্যবস্থা আগের চেয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে সংসদীয় কমিটিরও পর্যবেক্ষণ এসেছে।

বেসরকারি খাতের একাধিক ব্যাংকের মালিকানা বদল নিয়ে নজিরবিহীন ঘটনা ঘটলেও এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপই নেয়নি বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে ব্যাংক খাতের আমানতকারীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে।

দুই বছর ধরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৩ ব্যাংকে পর্যবেক্ষক বসিয়েও পরিস্থিতির উন্নতি করতে পারেনি। সার্বিকভাবে এর প্রভাব পড়ছে বিনিয়োগের উপর। ব্যাংক ঋণ দিচ্ছে ঠিকই, কিন্তু তা বিনিয়োগ হচ্ছে না।

Tuesday, December 19, 2017

টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃত্বে আমিন ও আহমদ হোসাইন

চট্টগ্রামের অন্যতম পাইকারী কাপড়ের বাজার টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি হয়েছেন আলহাজ্ব আমিনুল হক আমিন ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আহমদ হোসাইন।

২০১৮-২০১৯ দ্বি-বার্ষিক সোমবার সকাল ১০ টা থেকে ভোটগ্রহন শুরু হয়। চলে  বিকেল ৪টা পর্যন্ত। গণনার পর মঙ্গলবার নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

২ হাজার ৩৫৯ ভোটের মধ্যে ৯৩৭ ভোট পেয়ে চেয়ার প্রতীক নিয়ে সভাপতি নির্বাচিত হলেন আলহাজ্ব আমিনুল হক আমিন । তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া মাদার্শা ইউনিয়ন এলাকায় । তার প্রতিদন্দ্বী ছিলেন আলহাজ্ব ওসমান গণি চৌধুরী ছাতা প্রতীক। তিনি পেয়েছেন ৭৭৬ ভোট।  

সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আলহাজ্ব দিদারুল আলম। সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আলহাজআব মুহাম্মদ মুছা, আলহাজ্ব ফরিদুল ইসলাম ও মো. আমিনুল ইসলাম।

সাধারণ সম্পাদক পদে আহমদ হোসাইন গোলাপ ফুল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮৮৮ ভোট । তার গ্রামের বাড়ি  চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেউচিয়া ইউনিয়ন এলাকায়। তার প্রতিদন্দ্বী  আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান পেয়েছেন ৭৭০ ভোট। 

এছাড়া যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন আলহাজ্ব মু. গোলাম নবী। সহ-সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মদ আলমগীর ও আলহাজ্ব ফজল আহম্মদ। সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হলেন আবদুল করিম। বিনাপ্রতিদন্দ্বীতায় অর্থ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন আলহাজ্ব আবুল মনছুর। আইন বিষয়ক সম্পাদক মনছুর আলম ইমন।  সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব আবুল কালাম কালু্।প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মুহাম্মদ ইব্রাহিম পারভেজ। অডিটর সম্পাদক আলহাজ্ব আবু তাহের । সাহিত্য ও ধর্মীয় সম্পাদক মাওলানা মু. এমরানুল হক সাইয়েদ। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতি সম্পাদক মুহাম্মদ ইসতিয়াক উদ্দিন এবং কার্য নির্বাহী সদস্য হলেন, মনজুর এলাহী, মো.সেলিম ও সিরাজুল ইসলাম।


এবার ৮ম দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে ২১টি পদে নির্বাচন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে অর্থ সম্পাদকের পদটি বিনা প্রতিদন্ধিতায় নির্বাচিত হয়। ফলে ২০টি পদে ভোটাররা ভোট প্রয়োগ করেন।   উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পর্যাপ্ত পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে নির্বাচন সম্পন্ন হয়।

Monday, December 18, 2017

টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতি’র ভোটগ্রহন সম্পন্ন , চলছে গণনা


চট্টগ্রামের অন্যতম পাইকারী কাপড়ের বাজার টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে ভোটগ্রহন সম্পন্ন হয়েছে। এখন চলছে গণনা প্রক্রিয়া।

সোমবার সকাল ১০ টা থেকে ভোটগ্রহন শুরু হয়। চলে  বিকেল ৪টা পর্যন্ত। গণনার পর নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।



এবার ৮ম দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে ২১টি পদে নির্বাচন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে অর্থ সম্পাদকের পদটি বিনা প্রতিদন্ধিতায় নির্বাচিত হয়। ফলে ২০টি পদে ভোটগ্রহন চলছে।  মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৩৫৯।  উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিত ছিল সেখানে।

Sunday, December 17, 2017

ব্যাংকিং খাতে দায়ীদের শাস্তি না হওয়ায় বাড়ছে দুর্নীতি


ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে লাগামহীন জালিয়াতি, দুর্নীতি ও ঋণ খেলাপির দৌরাত্ম্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সংস্থাটি মনে করছে, অনিয়মের অন্তর্নিহিত সুনির্দিষ্ট কারণ উদঘাটন করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হওয়ায় অনিয়ম-দুর্নীতি বেড়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে আমানতকারীসহ দেশবাসীর মধ্যে দুশ্চিন্তা ও আস্থার সংকট।

আজ রোববার এক বিবৃতিতে সংস্থাটি এ তথ্য জানায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে একদিকে ক্ষমতার অপব্যবহার, রাজনৈতিক প্রভাব ও যোগসাজশের মাধ্যমে লাগামহীন জালিয়াতি, দুর্নীতি ও ঋণখেলাপির দৌরাত্ম্য বিরাজ করছে। অন্যদিক নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের একাংশের অ্যাডহকভিত্তিক অকার্যকর পদক্ষেপ ও দৃশ্যমান অসহায়ত্বের ফলে তৈরি হয়েছে অরাজকতা ও ঝুঁকি।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ব্যাংকিংখাতে চলমান সংকট নিরসন, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ এবং স্বাধীন, নিরপেক্ষ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করতে হবে। ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি নিরসন পরিকল্পনাসহ একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন ছাড়া সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন খাতের পাশাপাশি বহুল-বিতর্কিত ফারমার্স ও এনআরবিসির মতো ব্যক্তি মালিকানাধীন ব্যাংকে সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে অনিয়মের অন্তর্নিহিত সুনির্দিষ্ট কারণ উদঘাটন করতে হবে। অবৈধ উপায়ে অর্জিত মুনাফা ও সম্পদলোভী স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও চক্রকে চিহ্নিত করে আইনি প্রক্রিয়ায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করতে পারলে এ খাতে আইন অমান্যের চলমান বেপরোয়া ধারা রোধ করা যাবে না। খবর আরটিভি অনলাইন

Wednesday, December 13, 2017

বাংলাদেশে শিগগির রাশিয়ান ব্যাংক স্থাপন

ব্যাংকিং চ্যানেল চালুর লক্ষ্যে বাংলাদেশে শিগগির রাশিয়ান ব্যাংক স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন রাশিয়ান ফেডারেশনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার আই ইগ্নাটভ।

বুধবার  দুপুরে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে চট্টগ্রাম চেম্বার নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় একথা জানান ইগ্নাটভ। 

রাশিয়া বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করতে আগ্রহী উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুই সরকার একযোগে কাজ করছে। প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলার রাশিয়ান বিনিয়োগে পরমানু বিদ্যুৎকেন্দ্র তারই উদাহরণ। তবে সম্ভাবনার সদ্ব্যবহার করতে হলে দু’দেশের প্রাইভেট সেক্টরকেও এক সাথে কাজ করতে হবে।

বাণিজ্য সম্প্রসারণে কার্গোসহ এয়ার কানেক্টিভিটি ও সরাসরি সমুদ্র পথে যোগাযোগ স্থাপনের উপর গুরুত্বারোপ করেন রাশিয়ান ফেডারেশনের রাষ্ট্রদূত।

সভায় চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অন্যতম সহযোগী দেশ। বর্তমানে উভয় দেশের মধ্যে প্রায় ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য সংগঠিত হয়েছে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে অপার বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে কিন্তু দ্বিপাক্ষিকভাবে সরাসরি কোন ব্যাংকিং চ্যানেল নেই। ফলে তৃতীয় দেশের মাধ্যমে বাণিজ্য পরিচালনা করতে হয়। এক্ষেত্রে মাহবুবুল আলম রুশ রাষ্ট্রদূতকে পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানান।



সভায় অন্যান্যের মধ্যে চেম্বারের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমদ, চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিন্দ ব্যানার্জী, জাপানের অনারারী কনসাল জেনারেল মো. নুরুল ইসলাম, ফিলিপাইনের অনারারী কনসাল এম এ আউয়াল, দৈনিক পূর্বকোণ’র পরিচালনা সম্পাদক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, কাস্টম কমিশনার ড. এ কে এম নুরুজ্জামান, চেম্বার পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ, সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, বিএসআরএম’র এমডি আমীর আলী হুসেইন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

Sunday, December 10, 2017

সাতকানিয়া বাড়ছে বিলুপ্ত প্রায় কালোজিরা ধানের চাষ

দেশজুড়ে কালোজিরা ধান বিলুপ্তির পথে থাকলেও চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় ধানটির চাষ বাড়ছে। গত বছরের চেয়ে চলতি বছর ধানের ফলন হয়েছে অনেক বেশি। অন্যান্য উচ্চফলনশীল ধানের সাথে বেড়েছে অনেকটা বিলুপ্ত প্রজাতির কালোজিরা ধানের চাষ। অন্যান্য ধান সোনালি বর্ণের হলেও এ ধানের রং হল কালো এবং ছোট মশলা জিরা আকৃতির। সে কারণে এ প্রজাতির ধানের নামকরণ করা হয়েছে কালোজিরা।

এক সময় কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় ছিল কালো জিরা ধান। সর্বত্র চাষ হতো কালো জিরা ধান। গ্রামীণ জীবনে এই ধানটি ছিল অপরিহার্য। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে এই ধানের জায়গা দখল করে নিয়েছে উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান। এক সময় গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে সংরক্ষণ করা হতো কালো জিরা ধান। সুগন্ধি এ চালের নাম শুনলে জিভে জল আসে।

এই সুগন্ধি চিকন চাল দিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠানে তৈরি হয় পিঠাপুলি, পোলাও, বিরিয়ানি, খিচুড়ি, ক্ষির, পায়েস, ফিরনি ও জর্দাসহ আরো সুস্বাদু মুখরোচক নানা ধরনের খাবার। বিভিন্ন পূজাপার্বণের ভোগ, মিষ্টান্ন রান্নার কাজে কালো জিরা চাল ব্যবহার করে।
.

এ ধানের অত্যন্ত মিষ্টি সুগন্ধের জন্য প্রসিদ্ধ। ক্ষেতে কালোজিরা পাকলে এর মিষ্টি গন্ধে পুরো এলাকার বাতাস মৌ মৌ করে। ধানের রং কালো হলেও এর স্বাদ ভিন্ন। যার কারণে এ ধানের বাজার মূল্য অন্য ধানের চেয়ে তিন গুণ বেশি। ৮০ দশকে সাতকানিয়াসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামে কালোজিরা ধানের ব্যাপক চাষ হলেও বেশ কয়েক যুগ ধরে প্রজাতিটি অনেকটা বিলুপ্ত প্রায়।

বর্তমান বাজারে কালোজিরা প্রজাতির ধানের দাম অন্য ধানের তুলনায় বেশি থাকায় এবং আবহাওয়াবান্ধব হওয়ায় কৃষকরা পুনরায় কালোজিরা চাষের দিকে ঝুঁকছে। সাতকানিয়া কৃষি অফিসসূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নে কালোজিরা ধান উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে ২০ হেক্টর।

সরেজমিনে ঘুরে ও কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ বছর জমিতে তারা পাইজাম, বিনা-৭, হাইব্রীড, ব্রি-৭২, ব্রি-৪১, ব্রি-৪৯, ব্রি-৫২, বিআর-১১, বিআর-১০, বিআর-২২, বিআর-২৩, পাইজাম, বিনি জাতের ধানের সাথে কালোজিরা ধানের চাষ করেছেন।

উপজেলার সোনাকানিয়া গারাংগিয়া গ্রামের কৃষকরা জানায়, তাদের ক্ষেতের কালোজিরা ধান পেকে গেছে, রোগ বালাই কম এবং ফলনও হয়েছে বেশি।তারা আরো বলেন, বিভিন্ন প্রজাতির ধানের চাষের মধ্যে কালোজিরা ধানের ফলন সবার নজর কাড়ছে। এ ধানের বাজার মূল্য একটু বেশি চাহিদাও রয়েছে প্রচুর।

সাতকানিয়া উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এসএম জহির জানান, আমন ধান রোপনের সময় কালোজিরা ধান রোপন করা হয়। কালোজিরা ধানের এ বছরের ফলন যথেষ্ট হয়েছে। বাজার মূল্য বেশি হওয়ার কথা স্বীকার করে তিনি জানান, আগের চেয়ে বর্তমানে এ ধানের বাজার দর অনেক বেশি। কৃষকরা যদি অন্যান্য ধানের মত কালোজিরা ধানের ব্যাপক চাষ শুরু করেন তাহলে অনেক বেশি লাভবান হবে।

Saturday, December 9, 2017

২০১৮ সালে ২৪ দিন ব্যাংক বন্ধ

২০১৮ সালে ২২দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সাধারণ ছুটি থাকবে ২৪ দিন। মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
 
সরকার ঘোষিত ২২দিন সাধারণ ছুটির সঙ্গে ১ জুলাই ও ৩১ ডিসেম্বর ‘ব্যাংক হলিডে’ ছুটি যুক্ত হবে।
     
অন্য সাধারণ ছুটির মধ্যে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস, ১৭ মার্চ জাতির পিতার জন্মদিন, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ২৯ এপ্রিল বৌদ্ধ পূর্ণিমা, মে দিবস ১ মে, ১৫ জুন পবিত্র জুমাতুল বিদা, ১৬ জুন ঈদ-উল ফিতর, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, ২২ আগস্ট ঈদ-উল আযহা, ২ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী, ১৯ অক্টোবর দুর্গাপূজা, ২১ নভেম্বর ঈদ-ই মিলাদুন্নবী, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস এবং ২৫ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন।
    
   
এছাড়া ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ, ২ মে শব-ই-বরাত, ১২ জুন শব-ই-কদর, ১৫ ও ১৭ জুন ঈদ-উল ফিতরের আগে ও পরের দিন, ২১ ও ২৩ আগস্ট ঈদ-উল আযহার আগে ও পরের দিন এবং আশুরায় ২১ সেপ্টেম্বর নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে।

Thursday, November 23, 2017

চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক নিরাপত্তায় সন্তুষ্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: নৌ-মন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে সন্তুষ্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বন্দরের নিরাপত্তা বাড়ানোর ব্যাপারে বেশ কিছু প্রস্তাব পেশ করেছে দেশটি, যা সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ পর্যায়ক্রমে নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কাজগুলো সম্পন্ন করবে। বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এসব তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্সিয়া বার্নিকাট নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের সঙ্গে তার দফতরে গিয়ে দেখা করেন। রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনার পর মন্ত্রী এসব কথা বলেছেন।

শাজাহান খান আগামী ১ ডিসেম্বর লন্ডনে অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক নৌ-সংস্থা আইএমও’র ‘বি’ ক্যাটাগরির কাউন্সিল সদস্য নির্বাচনে বাংলাদেশকে সমর্থন দিতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা কামনা করেন। রোহিঙ্গাদের প্রতি সহিংসতার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের প্রশংসা করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

এর আগে চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য নেওয়া পদক্ষেপগুলো পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করা হয় বলেও জানানো হয়েছে।

এ সময় মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. আবদুস সামাদ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম খালেদ ইকবাল ও বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর এম মোজাম্মেল হক উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মার্কিন কোস্টগার্ড পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বন্দরের নিরাপত্তার বিষয়ে কাজ করে। তারা আন্তর্জাতিক নৌ-সংস্থা (আইএমও)-এর তত্ত্বাবধানে কাজ করে আসছে। ২০১৫ সালে এবং এ বছরের সেপ্টেম্বরে মার্কিন কোস্টগার্ডের একটি দল চট্টগ্রাম বন্দর সফর করে নিরাপত্তার উন্নতির বিষয়ে বেশ কিছু প্রস্তাব দেয়। সে অনুযায়ী চট্টগ্রাম বন্দর কাজ করে যাচ্ছে।

Wednesday, November 22, 2017

উৎপাদনমূখী শিল্প খাতে প্রয়োজন পরিচ্ছন্ন-গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি

দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র যৌথ আয়োজেন “রিসোর্সেস এফিসিয়েন্ট ক্লিনার প্রোডাকশন এন্ড ইটস বেনিফিটস ফর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ ইন বাংলাদেশ” শীর্ষক কর্মশালা ২১ নভেম্বর সকালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়।

চিটাগাং চেম্বার প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় চিটাগাং চেম্বার সহ-সভাপতি সৈয়দ জামাল আহমেদ, পরিচালকবৃন্দ এ. কে. এম. আক্তার হোসেন, কামাল মোস্তফা চৌধুরী, মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), সরওয়ার হাসান জামিল, অঞ্জন শেখর দাশ ও মোঃ আবদুল মান্নান সোহেল, ঢাকা চেম্বারের পরিচালক রিয়াদ হোসেন, মেটাবিল্ড’র প্রজেক্ট ম্যানেজার এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী, সিনিয়র টেকনিক্যাল এক্সপার্ট রজত বাত্রা, প্রজেক্ট ম্যানেজার স্টিফান লেনিটজমি, বিভিন্ন মেটাল ইন্ডাষ্ট্রিজ’র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

চিটাগাং চেম্বার প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম সূচনা বক্তব্যে বলেন-বাংলাদেশে চলমান বৃহৎ অবকাঠামো নির্মাণ কাজ বিশেষ করে দীর্ঘ বহুমূখী সেতু, সড়ক, ফ্লাইওভারসহ অন্যান্য প্রজেক্টের কারণে শুধুমাত্র গত বছরেই ইস্পাত শিল্পের প্রসার ঘটেছে ১৫%। বর্তমানে বিশ্বে উৎপাদনমূখী শিল্প খাতে সকলেই পরিচ্ছন্ন ও গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে সচেতন। মেটাবিল্ড তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে শিল্পে জ্বালানী সাশ্রয়ের পাশাপাশি আরো পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ অবদান রাখবে বলে তিনি মনে করেন।

 কর্মশালায় মেটাবিল্ড’র প্রজেক্ট ম্যানেজার এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী, সিনিয়র টেকনিক্যাল এক্সপার্ট রজত বাত্রা এবং প্রজেক্ট ম্যানেজার স্টিফান লেনিটজমি আলাদা তথ্যচিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে শিল্প খাতে জ্বালানী সাশ্রয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি ও প্রযুক্তি সম্পর্কে উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদেরকে সম্যক ধারণা প্রদান করেন।