Sunday, December 10, 2017
সেই আরবও নেই, সেই জেরুজালেমও নেই by মাহমুদ ফেরদৌস

আল কুদস হলো জেরুজালেম শহরের আরবি নাম।
বুধবার জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতিদানের মাধ্যমে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার এই আকাক্সক্ষায় যেন কুঠারাঘাত করেছেন। পবিত্র শহরটির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা নিয়ে ইহুদী ও আরবদের মধ্যে যে দীর্ঘদিনের বিরোধ, তাতে ইসরাইলকে বিরাট এক জয় পাইয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প।
আরব ও মুসলিম নেতারা ট্রাম্পের পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছেন বটে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের অনেকে ভেবে অবাক হয়েছেন, এই কয়েক বছরে কি এমন পাল্টে গেল? এত বড় পদক্ষেপের পরও আরব বিশ্বের প্রতিক্রিয়া এত মৃদু কেন? অনেকটা খেদ নিয়েই যেন লেবাননের ব্লগার মুস্তাফা হামোয়ি টুইটারে লিখলেন, ‘একদিন নিজ দেশে ফিরবে ফিলিস্তিনি শরণার্থীরা’ স্লোগানের মতোই ‘জেরুজালেম ফিলিস্তিনের রাজধানী’- এই বাক্যটিও করুণ ভাগ্য বরণ করলো। এ যেন অনেকটা এমন যে, ‘আশা করি এটি হবে, কিন্তু বাস্তবে কখনই হবে না।’
এখনও ফিলিস্তিনি আন্দোলনের পক্ষে আরব নেতারা কথা বলেন বটে। কিন্তু ফিলিস্তিনিরা তাদের অগ্রাধিকারের তালিকায় নিচে পড়ে গেছেন। আরব বসন্ত, ইরাক-সিরিয়া-ইয়েমেনের যুদ্ধ, ইসলামিক স্টেট জঙ্গিগোষ্ঠীর হুমকি এবং সৌদি আরব ও ইরানের আঞ্চলিক আধিপত্যের লড়াইয়ের তলে চাপা পড়ে গেছেন ফিলিস্তিনিরা। সৌদি আরবের মতো পারস্য উপসাগরীয় অনেক দেশ এখন ইরানের সঙ্গে দ্বন্দ্ব নিয়ে বেশি চিন্তিত। ফলে, ইসরাইল ও এই আরব দেশগুলোর স্বার্থ যেন ক্রমেই অভিন্ন হয়ে উঠছে।
ফিলিস্তিনি আন্দোলনের পক্ষে সমর্থনের তেজস্বী ঘোষণাকে জনসমর্থন বৃদ্ধিতে সবসময়ই ব্যবহার করে এসেছেন আরব নেতারা। ঘরোয়া সমস্যা থেকে মানুষের দৃষ্টি অন্যত্র সরাতেও ফিলিস্তিন নিয়ে বাগাড়ম্বর ছোটাতেন তারা। আরব জনগণের মধ্যে ফিলিস্তিনকে ঘিরে আবেদন সবসময়ই ছিল খাঁটি। কিন্তু তাদের নেতারা প্রায়ই এই দুর্বলতাকে ব্যবহার করেছেন নিজেদের স্বার্থে।
ফিলিস্তিনি নেতারাও বোঝেন যে, তাদের আরব ভ্রাতারা যেই সমর্থনের ঘোষণা দিয়ে থাকেন, সেসব খুব কম সময়ই বাস্তবায়িত হয়েছে। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর পূর্ব জেরুজালেম দখলে নেয় ইসরাইল, যা কখনই বিশ্ব সম্প্রদায় স্বীকৃতি দেয়নি। যুদ্ধের পর থেকে ক্রমেই পূর্ব জেরুজালেমে (যেখানে পবিত্র স্থাপনা অবস্থিত) নিজেদের নিয়ন্ত্রণ সম্প্রসারণ করেছে ইসরাইল। কিন্তু শুধু মৌখিক প্রতিবাদ জানানো ছাড়া তেমন কিছুই করেনি আরব বিশ্ব। কারণ, আরব দুনিয়ার অগ্রাধিকারের তালিকা পাল্টে গেছে।
উদাহরণস্বরূপ, একসময় মিশর ছিল ফিলিস্তিনের নির্ভরযোগ্য সমর্থক। নব্বইয়ের দশক, এমনকি এ শতাব্দীর শুরুর দিকেও ইসরাইলের বিরুদ্ধে নিয়মিতই মিছিল হতো দেশটিতে। কিন্তু কয়েক বছর ধরে প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির নিষ্ঠুর নির্যাতনমূলক শাসনের কারণে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ জানানোর সুযোগ সঙ্কুচিত হয়ে গেছে। আরব বসন্ত পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য অনেক বেশি অস্থিতিশীল হয়েছে। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে সেখানকার মানুষের মধ্যে বিরাজ করছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। এ কারণেও প্রতিবাদে নামতে আগ্রহী নয় বেশিরভাগ জনগণ।
প্রখ্যাত সাংবাদিক হোসাম বাগাত ব্যাখ্যার সুরে বলেন, ‘মানুষ এখনও ফিলিস্তিনি ইস্যুর কথা ভাবে। কিন্তু এক সময়কার প্রবাদতুল্য উত্তাল আরব রাজপথ এখন শান্ত হয়ে গেছে।’ ২০১৩ সালে সিসি ক্ষমতায় আসার পর থেকে সরকারের সমালোচকরা অপহৃত হয়েছেন। সেদিকেই ইঙ্গিত করছিলেন বাগাত। আরব বিশ্বের ক্ষমতার ভারকেন্দ্র ঐতিহ্যগতভাবে ছিল দামেস্ক, কায়রো আর বাগদাদ। কিন্তু তিনটি রাজধানীই এখন দুর্বল। এই সুযোগে নিজেকে জাহির করার উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব।
সৌদি বাদশাহ ও রাজপরিবারের সদস্যরাও একসময় নিয়মিত ফিলিস্তিনের কথা বলতেন। কিন্তু দেশটির বর্তমান অলিখিত শাসক উত্তরাধিকারী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান (৩২) এই ইস্যুতে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন খুব কমই। এ বছর সফররত অনেক বিদেশী নেতা ও কূটনীতিককে সালমান বলেছেন যে, ইরানকে মোকাবিলা ও দেশে সংস্কার বাস্তবায়ন করার তুলনায়, ফিলিস্তিন-ইসরাইল সংঘাতকে তিনি অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করেন না।
আরব বিশ্বে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় দুই অনুরাগী হলেন মিশরের সিসি ও সৌদি বাদশাহ সালমান। মে মাসে রিয়াদে এক সম্মেলনে তারা তিনজন একত্র হন। একটি অক্ষিগোলকের ওপর তাদের হাত রাখার সেই বিখ্যাত ছবিটি ছিল তাদের মধ্যকার মৈত্রীর বহিঃপ্রকাশ, যদিও এ নিয়ে ইন্টারনেটে হাসাহাসি হয়েছিল প্রচুর।
সেপ্টেম্বরে, প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সিসি। তাদের মধ্যকার সম্পর্ক কয়েক বছর ধরেই বিভিন্ন কারণে শক্তিশালী হচ্ছে। ওই সাক্ষাতের পর তা যেন আরও মজবুত হয়। অপরদিকে গোপনে ইসরাইলের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগির পরিমাণ সৌদি আরব আরও বৃদ্ধি করছে বলে ভাবা হচ্ছে।
কিন্তু জেরুজালেম নিয়ে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত তার এই দুই মিত্রকে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে ঠেলে দিয়েছে। তাদেরকে অন্তত মৌখিকভাবে হলেও ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলতে হচ্ছে। বাদশাহ সালমান বলেছেন, আমেরিকার এই পদক্ষেপ খুবই বিপজ্জনক, যেটি বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের আবেগকে নাড়া দিতে পারে। সিসির কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে যে, তিনি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা উভয়েই ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন, কারণ এর মাধ্যমে আরব ও মুসলিমদের মধ্যে জেরুজালেমের বিশেষ স্থান থাকাকে অগ্রাহ্য করা হলো। মিশরের রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত আল আহরাম ওয়েবসাইটের শিরোনাম ছিল: ‘ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও, জেরুজালেমই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী।’
আমেরিকার আরেক মিত্র জর্দানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহ বলেছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার ওপর বিপজ্জনক পরিণতি নেমে আসবে। আরব বিশ্বের বাইরে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগান বলেছেন, জেরুজালেম ‘মুসলিমদের জন্য রেড লাইন।’ তিনি ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদের হুমকি দিয়েছেন। ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেছেন, ‘এই অঞ্চলে বৈশ্বিক দম্ভের নতুন দুঃসাহস দেখা গেলো এই সিদ্ধান্তে।’
এটি এখনও সম্ভব যে, ট্রাম্পের ওই ঘোষণার ফলে ফিলিস্তিনি ইস্যু ফের নাড়া দেবে আরব বিশ্বকে। কিন্তু বুধবার নাগাদ যেসব প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, তার মধ্যে ক্ষোভ ও হুমকি যতটা ছিল, তততাই ছিল হতাশা। ব্যপক সহিংসতা ঘটার সম্ভাবনা এখনও আছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত শুধু দীর্ঘশ্বাস আর হাহাকারই দেখা গেছে বেশি।
হ্যাঁ, ট্রাম্পের ওই পদক্ষেপ অনেকটাই প্রতীকী। ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ যে কতটা দূরবর্তী, সেটিই যেন দেখিয়ে দেওয়া হলো। অবশ্য মধ্যপ্রাচ্যের জনগণ বহুদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরাইলের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট ভেবে আসছে। তারা জানেন যে, টেকসই ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের আশা ক্রমেই মিইয়ে যাচ্ছে।
কিন্তু জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী স্বীকৃতি দেওয়ায় ফিলিস্তিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যাশাটি বাস্তবায়ন হবে কিনা, তা নিয়েই সন্দেহ তৈরি হয়েছে। এই প্রত্যাশাটি পূরণ হবে, এমন সম্ভাবনাও ছিল। সেটি হলো পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী হিসেবে পাওয়া। কিন্তু জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ট্রাম্প যেন ওই আশাকেও স্তব্ধ করে দিলেন। এ যেন জেরুজালেমের ওপর আরব ও মুসলিম অধিকারকে অস্বীকার করার শামিল।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা বার্নেট আর. রুবিন বলেন, ‘ফিলিস্তিনি, আরব ও মুসলিমদের কাছে ঠিক তেমনই লাগছে, যেমনটা জেরুজালেমের ওপর ইহুদীদের দাবি অস্বীকার করলে ইহুদীদের লেগে থাকে।’ তিনি আরও বলেন, এই পদক্ষেপের ফলে অনেকের কাছেই মনে হবে, সত্যি সত্যিই যুক্তরাষ্ট্র ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত। মুসলিম ও আরব দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি দেশটির কোনো সম্মানবোধ নেই। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
মিশরের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাবিল ফাহমি বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার ভাবমূর্তি ও স্বার্থ দারুণ ক্ষতিগ্রস্থ হলো।’ ট্রাম্প সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘তিনি যেন চরমপন্থীদের হিসাব অনুযায়ীই খেলছেন। চরমপন্থী সন্ত্রাসীদের হাতে তিনি গোলা তুলে দিচ্ছেন।’
ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের ফলে লাভবান হতে পারে ইরান। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে আসাদ সরকারের পক্ষালম্বন করে প্রতিরোধের যোদ্ধা হিসেবে নিজেদের আবেদন হারায় দেশটি। কিন্তু সেই আবেদন ফের ফিরে পেতে পারে ইরান। দেশটির বিপ্লবী রক্ষী বাহিনীর সবচেয়ে অভিজাত বাহিনীর নেতৃত্বে আছেন বিখ্যাত (কিংবা কুখ্যাত) ইরানি জেনারেল কাশিম সোলেমানি। এই বাহিনীর নাম কুদস ফোর্স। জেরুজালেম তথা আল কুদস থেকে এই নামকরণ করা হয়।
বার্নেট আর রুবিন বলেন, ‘আমরা যেন ইরানিদের হাতে ফিলিস্তিনি আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার পদ তুলে দিলাম।’ জেরুজালেম নিয়ে এখন যে আলোচনা, তার ফলে নতুন করে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠবে চরমপন্থী জঙ্গিরা। মিশরে ইসলামিক স্টেটের শক্তিশালী শাখা গোষ্ঠী আনসার বেইত আল-মাকদিসের নাম অনুবাদ করলে দাঁড়ায় ‘জেরুজালেমের সমর্থকদল।’
কিন্তু আরব বিশ্বের অনেকেই মনে করেন, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের ফলে তেমন কিছুই হবে না। তাদের কণ্ঠে হেরে যাওয়ার সুর। লিবিয়ার মিসরাতার বাসিন্দা নাদিয়া মোহাম্মেদ টুইটারে লিখেছেন, ‘আমরা কিছু লোক দেখানো প্রতিবাদ দেখবো। কিছু দেশ সমালোচনা করবে। গণমাধ্যমও কয়েকদিন চেঁচামেচি করবে। কিন্তু এরপর সব আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’
(নিউ ইয়র্ক টাইমস অবলম্বনে)
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রেক্সিট: যেসব ইস্যুতে সমঝোতা হলো

এ খবর দিয়েছে অনলাইন স্কাই নিউজ ও দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট। এতে বলা হয়, ব্রেক্সিট আলোচনায় আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের মধ্যে ‘হার্ড বর্ডার’ বা সীমান্ত কড়াকড়ি অবস্থা থেকে সরে এসেছে বৃটেন। তবে সার্বিক বাণিজ্য চুক্তির অনুপস্থিতিতে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের একক বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকবে বৃটেন। এর সঙ্গে আয়ারল্যান্ডের অর্থনীতি যুক্ক। বলা হয়েছে, উত্তর আয়ারল্যান্ড ও বৃটেনের বাকি অংশের মধ্যে কোনো নতুন নিয়মকানুনের বাধা থাকবে না। ফলে উত্তর আয়ারল্যান্ড বিনা বাধায় বৃটেনের আভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের সঙ্গে অব্যাহত ব্যবসা করতে পারবে। তবে এসব কাজ কিভাবে হবে সীমান্ত উন্মুক্ত রেখে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায় নি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, যে ডকুমেন্ট পাওয়া গেছে তাতে বৃটেনের বিচ্ছেদ বিষয়ক বিলের অঙ্ক কত তা পরিষ্কার নয়। তবে এর আগে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে বলেছেন, এই বিল বৃটিশ করদাতাদের জন্য সুস্ঠু হবে এমন আর্থিক বোঝাপড়া চালানো হবে। ফলে এমন বিলের অঙ্ক দাঁড়াতে পারে ৩৫০০ কোটি থেকে ৩৯০০ কোটি পাউন্ড। সমঝোতা অনুযায়ী, ২০১৯ সালে ও ২০২০ সালে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের বাজেটে বৃটেন অর্থ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অবশ্য যদি তখন পর্যন্ত তারা ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের সঙ্গে থাকে। এই অর্থ পরিশোধ করা হবে ইউরোতে। পরবর্তী ধাপে এ বিষয়ে আরো সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেয়া হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বৃটেন বেরিয়ে গেলে বৃটেনে অবস্থানরত ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের প্রায় ৩০ লাখ নাগরিকের অধিকার কি হবে তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সেখানে এসব নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলেছেন তেরেসা মে। বলা হয়েছে, আগের মতোই তারা সেখানে অবস্থান করতে পারবেন। এক্ষেত্রে বৃটেন বেরিয়ে যাওয়ার আট বছর পরে পর্যন্ত বৃটেনে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের নাগরিকদের অধিকার তদারক করতে পারবে ইউরোপীয়ান কোর্ট অব জাস্টিস। ওদিকে দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টের পক্ষে জরিপ পরিচালনা করেছে বিএমজি রিসার্চ। এতে দেখা গেছে, শতকরা ৬০ ভাগ বৃটিশ মনে করেন, ব্রেক্সিট নিয়ে অতিমাত্রায় মনোযোগী হওয়ার কারণে অন্যান্য প্রয়োজনীয় ইস্যুতে মনোযোগ দিতে ব্যর্থ হচ্ছে সরকার। স্বাস্থ্য এবং গৃহায়ন খাতের অস্থিরতা দূর করতে বেশ কিছু জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। ব্রেক্সিটের পরবর্তী সময়ে বিপুল সংখ্যক জনবল দরকার হবে। এজন্যে বেশ বড়সড় নিয়োগ প্রক্রিয়া হাতে নেয়া হয়েছে। তবে গত সপ্তাহে সরকারের পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয়েছে যে, ব্রেক্সিট পরবর্তী সময়ের প্রভাব প্রকৃতপক্ষে কেমন হতে পারে এ স¤পর্কে কোন পূর্ণ মূল্যায়ন এখনো করা হয় নি। গত সপ্তাহে ব্রেক্সিট আলোচনায় জেরবার অবস্থার মধ্যে পরিচালিত ওই জরীপে দেখা গেছে কনজারভেটিভ দলের চেয়ে জনপ্রিয়তায় ৩ শতাংশ এগিয়ে আছে লেবার পার্টি। বিরোধীদলের নেতা জেরেমি করবিনের চেয়ে জনপ্রিয়তায় পিছিয়ে পড়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে। গত সপ্তাহ জুড়ে বৃটেনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলো ব্রেক্সিট আলোচনা। এতে প্রচ- চাপে ছিলেন মে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জেরুজালেম: সাবেক প্রায় সব মার্কিন রাষ্ট্রদূতের দ্বিমত

নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এসব বলা হয়েছে।
১৯৫৯ থেকে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত ইসরাইলে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ছিলেন ওগডেন আর. রেইড। তিনিই ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বার্থ্যহীনভাবে একমত পোষণকারী দু’জনের একজন। আইসেনহাওয়ার প্রশাসন নিজেদের বিদায়বেলায় এই সাবেক কংগ্রেসম্যানকে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ দিয়েছিল। তার মতে, ‘আমি মনে করি, এটি সঠিক সিদ্ধান্ত। এর চেয়ে বেশি কিছু আমার বলার নেই।’ আরেকজন ব্যতিক্রম ছিলেন এডওয়ার্ড এস. ওয়াকার জুনিয়র। তিনি ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রদূত ছিলেন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের আমলে। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি এটি আসলে সময়ের খেলা। বাস্তবতাকে আমরা এতদিন স্বীকৃতি দিতে পারি নি। আমরা সবাই জানি যে, ইসরাইলের একটি রাজধানী আছে, যার নাম জেরুজালেম। মধ্যপ্রাচ্যে আমার ৩৫ বছরের চাকরি জীবনে, কেউই এ নিয়ে কখনও প্রশ্ন তোলে নি।’
কিন্তু, এটিও তো সত্য যে, ১৯৪৮ সাল থেকে অনুসৃত মার্কিন নীতি হলো, জেরুজালেম বিষয়ে চূড়ান্ত ফয়সালা নির্ধারিত হবে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে আলোচনার ভিত্তিতে। এই নীতি তো পাল্টালেন ট্রাম্প। এছাড়া আন্তর্জাতিক নিন্দাও থামছে না। এ ব্যাপারে ওয়াকার বলেন, ‘এখানে সত্যিকার প্রশ্ন হলো, ইসরাইল রাষ্ট্র ও হবু ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের সীমান্তরেখা কীভাবে টানা হবে, তা নিয়ে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যা বলেছেন, তাতে কিন্তু এই ইস্যুতে আলোচনার পথ রুদ্ধ হয়ে যায় নি।’
কিন্তু অবশিষ্ট রাষ্ট্রদূতদের কেউই এ কথা মানতে রাজি নন। প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের আমলে ২০০১ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত রাষ্ট্রদূত ছিলেন ড্যানিয়েল সি. কার্টজার। তার ভাষ্য, ‘ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের অনেক নেতিবাচক দিক আছে। কূটনৈতিকভাবে তো বটে, মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়াতেও এটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কোনো ইতিবাচক দিক দেখা যাচ্ছে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা (যুক্তরাষ্ট্র) আন্তর্জাতিকভাবে ফের একঘরে হয়ে গেলাম, শুধু ইসরাইল সরকার ছাড়া। প্রেসিডেন্ট বলছেন, তিনি শান্তি আলোচনার মধ্যস্থতা করতে চান। কিন্তু এই ভূমিকা পালনের সুযোগ আমরা নিজেরাই রুদ্ধ করছি।’ ড্যানিয়েল সি. কার্টজারের এই দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গেই বেশিরভাগ রাষ্ট্রদূত সহমত পোষণ করেছেন।
কিন্তু ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের পক্ষে অনেকের যুক্তি হলো, দ্বি-রাষ্ট্র কেন্দ্রীক শান্তি প্রক্রিয়া তো নিস্তেজ হয়ে গেছে। একে নাড়ানোর দরকার ছিল। প্রেসিডেন্ট ঠিক তা-ই করেছেন। এ ব্যাপারে কার্টজার বলেন, ‘শান্তি প্রক্রিয়া মৃতপ্রায়, তা সত্য। কিন্তু এটিকে নাড়া দিতে হলে দরকার ছিল আরও নাটকীয় ভূমিকা। শান্তি প্রক্রিয়াকে পুনর্জ্জীবিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের একপেশে হওয়ার দরকার ছিল না। কেউ আপনাকে বলেনি, এক পক্ষের অবস্থান মেনে নিন, অন্য পক্ষকে খালি হাতে ফিরিয়ে দিন।’
২০০৫ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বুশের আমলে রাষ্ট্রদূত ছিলেন রিচার্ড এইচ. জোন্স। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এই সিদ্ধান্তকে হামাস ও জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট সহিংসতা উস্কে দিতে ব্যবহার করবে। তিনি অনুমান করেন যে, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ইসরাইলকে বয়কটের আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা জোরদার করবে। তার মতে, ‘এটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত। এর ফলে ইসরাইল ও ওই অঞ্চলে অনেকের প্রাণ যাবে। বিশেষ করে, ইসরাইলি সেটেলাররা একে ব্যবহার করে নিজেদের তৎপরতা বৃদ্ধি করবে।’
কিছু রাষ্ট্রদূতের অবশ্য পশ্চিম জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে মেনে নিতে আপত্তি নেই। কিন্তু তারা বলেছেন, এটিও হওয়া উচিত বৃহত্তর কৌশলের অংশ হিসেবে, যাতে করে ইসরাইলিরা তাদের বসতি স্থাপন প্রক্রিয়া স্থগিত বা শ্লথ করে। পাশাপাশি, সেক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে পূর্ব জেরুজালেমকেও স্বীকৃতি দিতে হবে। বিল ক্লিনটনের আমলে দুই বার ইসরাইলে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন মার্টিন এস. ইন্ডিক। এ বছর নিউ ইয়র্ক টাইমসে লেখা এক উপ-সম্পাদকীয়তে তিনিও ঠিক এই প্রস্তাবই রেখেছিলেন। সেটি অবশ্য ট্রাম্পের শপথ গ্রহণেরও আগে। এখন তিনি বলছেন, ‘এ নিয়ে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে, প্রেসিডেন্ট আমার পরামর্শ আমলে নেন নি। আমি বলেছিলেন, জেরুজালেম নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও চলুক। তবে তিনি একটা কাজ করেছেন যে, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও, তিনি কিন্তু শহরটির সীমানা নির্ধারণ করে দেন নি। কিন্তু উভয় পক্ষই নিজ নিজ স্বার্থে এই সূক্ষ্ম বিষয়টি চেপে যাবে।’
১৯৮৮ থেকে ১৯৯২ পর্যন্ত রাষ্ট্রদূত ছিলেন উইলিয়াম আন্দ্রেজ ব্রাউন। পরে ক্লিনটন জমানায় চীফ অব মিশন হিসেবে ফের যান ইসরাইলে। তিনি বলেন, একবার তিনি প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশকে চিঠি দিয়ে বলেছিলেন জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস সরানো হোক। তিনি বলেন, ‘তখন আমার উদ্দেশ্য ছিল মাদ্রিদ শান্তি আলোচনায় ইসরাইলকে অংশ নিতে উৎসাহ দেওয়া।’ ১৯৯১ সালের মাদ্রিদ আলোচনা কিছুটা বেগ পাওয়ার পরই বিখ্যাত অসলো শান্তি প্রক্রিয়ার জন্ম হয়। আন্দ্রেজ ব্রাউন বলেন, বুশ প্রশাসনে তার ওই প্রস্তাবের বিপক্ষে ছিলেন অনেকেই। তাই তা আর আমলে নেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, ‘বুশ যদি শেষমেশ তার পরামর্শ আমলে নিতেনও, তবে তা করা হতো খুবই সতর্কতার সঙ্গে, যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।’ ব্রাউন মনে করেন, ট্রাম্প যেভাবে কাজটা করেছেন, সেটি ছিল খুবই দৃষ্টিকটু।
উইলিয়াম কাল্ডওয়েল হ্যারপ রাষ্ট্রদূত ছিলেন ১৯৯২ থেকে পরের বছর পর্যন্ত। তার মতে, ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত ছিল ‘কিছুটা কা-জ্ঞানহীন কাজ, অনেকটা যেন মর্ষকামী পদক্ষেপ।’ হ্যারপ আরও বলেন, ‘ট্রাম্প বারবার ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে শান্তি আনার ‘গ্রেট ডিলে’র কথা শুনিয়েছেন। কিন্তু তিনি নিজেই নিজের সম্ভাবনাকে খর্ব করেছেন।’ তার মতে, ট্রাম্প নির্দিষ্ট করে বলতে পারতেন তিনি দূতাবাস সরাবেন পশ্চিম জেরুজালেমে। হ্যারপ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘মানুষকে আশা দিতে হবে তো। বেশিদিন লাগবে না, আমরা দেখবো ফিলিস্তিনিরা তাদের রাষ্ট্রের পক্ষে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায় করতে আরও উঠেপড়ে লেগেছে। ইন্তিফাদার মতো কিছু একটা আসার সম্ভাবনা খুব বেশি। রক্ত আরও ঝরবে।’
হ্যারপের পরের বছরজুড়ে ইসরাইলে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন এডওয়ার্ড পি. জেরেজিয়ান। তিনি অবশ্য এখনও অসলো শান্তিচুক্তি নিয়ে আশাবাদী। তবে জেরেজিয়ানও মনে করেন ট্রাম্প ভারসাম্য রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
জেরেজিয়ান প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের আমলে হোয়াইট হাউজের মুখপাত্রও ছিলেন। তার মতে, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী স্বীকৃতি দিয়ে, আবার জেরুজালেমের সীমানা নির্দিষ্ট না করে বলার মধ্যে স্ব-বিরোধীতা রয়েছে। তিনি বলেন, বলা হচ্ছে, এই স্বীকৃতির মাধ্যমে বাস্তবতাকে স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত মার্কিন অবস্থান স্পষ্ট করার বদলে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে বেশি।
প্রেসিডেন্ট বুশ ও বারাক ওবামা - উভয়ের আমলে রাষ্ট্রদূত ছিলেন জেমস বি. কানিংহ্যাম। তিনি মনে করেন, ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত বেশ গুরুতর একটি ভুল। তিনি বলেন, দূতাবাস সরানোর পদক্ষেপ যৌক্তিক মনে হতো যদি আপনি তা নিজেকে ব্যতিক্রম প্রমাণের জন্য না করে, কোনো কৌশলের অংশ হিসেবে করতেন। তার মতে, এটি ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র কাউকে অধিকতর নিরাপদ করছে না। মধ্যপ্রাচ্যও স্থিতিশীল হচ্ছে না।
ইসরাইলে নিযুক্ত সর্বশেষ সাবেক রাষ্ট্রদূত ড্যানিয়েল বি. শ্যাপিরো প্রেসিডেন্ট ওবামার আমলে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বলেন, ‘জেরুজালেম ইসরাইলের রাজধানী। একে ওভাবে স্বীকৃতি দেওয়াটা যথাযথ। বাস্তবতাকে স্বীকৃতি দেওয়া পর্যন্ত ঠিক আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু এখানে যে সুযোগ হেলায় হারানো হয়েছে তা হলো এই সিদ্ধান্ত একটি বৃহত্তর কৌশলগত উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে নেওয়া হয়নি। সেটি হলো দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান। সেক্ষেত্রে প্রতিবেশী আরব রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে আরও শলাপরামর্শ করার দরকার পড়তো। এছাড়া ফিলিস্তিনিরা যে জেরুজালেমকে চান, তার কী হবে, সেটিও সুনির্দিষ্ট করে বলা হতো।’ তিনি বলেন, কোনো কৌশলকে মাথায় না রেখে, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ায়, ট্রাম্পের মেয়ের জামাই ও জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত জ্যাসন গ্রিনব্লাট যেই শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করছেন, তা বাধাগ্রস্থ হবে।
ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পেছনে কারণ কী থাকতে পারে? এমন প্রশ্নের জবাব দিতে বেশিরভাগ সাবেক রাষ্ট্রদূতই অনীহা প্রকাশ করেছেন। তবে কেউ কেউ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে ইসরাইলের কট্টর সমর্থক ও ট্রাম্পের ইভাঞ্জেলিক্যাল খ্রিস্টান সমর্থকদের তুষ্ট করতেই তিনি এই পদক্ষেপ নিয়ে থাকতে পারেন।
তবে রিগ্যান প্রশাসনের আমলে ইসরাইলে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করা থমাস আর. পিকারিং বলেন, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত একটি গুরুতর ভুল। প্রেসিডেন্ট সম্ভবত নিজের ‘ইগো’র কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অথবা, রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারাভিযানের সম্পর্ক নিয়ে স্পেশাল কাউন্সেল রবার্ট মুয়েলার যে তদন্ত চালাচ্ছেন, তা থেকে জনগণের দৃষ্টি অন্যত্র সরাতেই তিনি এই কৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন।
ওয়াগ দ্য ডগ ছবির সঙ্গে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তকে তুলনা করেন পিকারিং। ছবিটিতে দেখা যায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার নিজের এক যৌন কেলেঙ্কারি থেকে মানুষের মনোযোগ সরাতে রীতিমত যুদ্ধ বাঁধিয়ে ফেলেন।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জেরুজালেম ইস্যুতে একঘরে যুক্তরাষ্ট্র!

তাদের বক্তব্য, জেরুজালেমের পরিচয় ঠিক কী হবে, সেটা ইসরায়েল ও প্যালেস্তাইনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে, চুক্তিপত্র স্বাক্ষর করে স্থির করা উচিত। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সব দেশের অবস্থান বরাবরই এক— জেরুজালেমকে ইসরায়েল ও প্যালেস্তাইন, দুই দেশেরই রাজধানী ঘোষণা করা হোক। সেটা না করলে আখেরে জেরুজালেমের সার্বভৌমত্ব বজায় রাখা সম্ভব নয়। দিন দুয়েক আগে ইইউ-এর বিদেশনীতি বিষয়ক দফতরের প্রধান ফেডেরিকা মোঘেরিনিও এ কথা জানিয়েছিলেন।
এ প্রসঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি নিকি হ্যালির বক্তব্য, ওই দু’দেশের সীমান্ত নিয়ে কোন মন্তব্য করেননি ট্রাম্প।
আর জেরুজালেমের সার্বভৌমত্ব যে ইসরায়েল ও প্যালেস্তাইনকে আলোচনার মাধ্যমে বজায় রাখতে হবে, সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। হ্যালির কথায়, আমরা জানতাম, প্রশ্ন উঠবেই। কিন্তু আমাদের এই সিদ্ধান্ত শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। ভয়ে পিছিয়ে গিয়ে তো কোন লাভ নেই। বাস্তবে যে পরিস্থিতি, আমাদের সিদ্ধান্তে সেটাই প্রতিফলিত হয়েছে।
কিন্তু হ্যালির কোন কথাতেই কোন কাজ হয়নি। এই প্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংগঠনের বৈঠকে এভাবে একঘরে হয়ে যেতে দেখা গেল যুক্তরাষ্ট্রকে। আনন্দবাজার।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুদ্ধ এড়াতে উত্তর কোরিয়াকে প্রস্তাব জাতিসংঘের

জাতিসংঘের বিবৃতিতে বলা হয়, উত্তর কোরিয়া সফরকালে দেশটির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন জাতিসংঘের রাজনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা জেফরি ফেল্টম্যান। জবাবে উত্তর কোরিয়াও জাতিসংঘের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ স্থাপনে সম্মত হয়েছে।
ফেল্টম্যান বলেন, যুদ্ধ এড়াতে নিয়মিত যোগাযোগ চালু করার কোনো বিকল্প নেই। সাম্প্রতিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক মহলে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। সবাই এর শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়।
গত ৫ ডিসেম্বর শুরু হওয়া চারদিনের এ সফরে ফেল্টম্যান উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রী রি ইয়ংসহ উচ্চপর্যায়ের কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে বেশ কিছু বৈঠক করেন। জানা গেছে, সফর শেষে ফেল্টম্যান চীনের সঙ্গেও আলোচনা করেন।
পিয়ংইয়ংয়ের ক্ষেপণাস্ত্র ও পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের আঞ্চলিক মিত্র দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের বিরোধ চলছে।
সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ার ৪ হাজার ৫০০ কিলোমিটার কৌণিক দূরত্বে উড়ানো ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষার পর এই উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুসলিম বিশ্বে ক্ষোভের আগুন

কারণ, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ এ বিষয়ে যে রেজুলেশন নিয়েছে এটা তা অনুসরণ করে করা হচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্ত ওই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক নয়। আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন অনুযায়ী আমরা পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনি ভূমি হিসেবে বিবেচনা করি। তা দখল করে নেয়া হয়েছে’। জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানীর স্বীকৃতি দেয়ায় শুক্রবার সারা মুসলিম জাহান ক্ষোভে ফেটে পড়ে। এদিন ফিলিস্তিনে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী গুলি করে হত্যা করেছে কমপক্ষে দু’জনকে। আহত হয়েছে অনেক মানুষ। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানীর স্বীকৃতি দেন। এর ফলে গাজা উপত্যকা, পশ্চিম তীর, জেরুজালেম যেন যুদ্ধক্ষেত্রে রূপ নেয়। মুখোমুখি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে ফিলিস্তিনি মুসলিম ও ইসরাইলের সেনারা। এদিনটি ফিলিস্তিনের যোদ্ধাগোষ্ঠী হামাস ক্ষোভ দিবস পালনের আহ্বান জানায় মুসলিমদের প্রতি। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল কুদরা বলেছেন, প্রথমে ইসরাইলের সেনাবাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন ৩০ বছর বয়সী এক ফিলিস্তিনি। এরপরে নিহত হয়েছেন ৫৪ বছর বয়সী মাহের আতাল্লাহ। প্রথম জন নিহত হন গাজায়। দ্বিতীয় জন গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে। শুক্রবার সারাবিশ্বের মুসলিমরা প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঘোষণায়। অনেক স্থানে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকায়। কোথাও পোড়ানো হয়েছে ডনাল্ড ট্রাম্পের কুশপুত্তলিকা। প্রতিশোধ নিতে ইসরাইলের যুদ্ধবিমান থেকে গাজা উপত্যকায় হামলা করা হয়েছে। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, এতে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। ওদিকে জেরুজালেমে আল আকসা মসজিদের বাইরে বিপুল সংখ্যক মুসলিম জড়ো হন। তাদের ওপর ইসরাইলি সেনারা কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। ওদিকে পশ্চিম তীর ও গাজায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৭৬৭ জন। এর মধ্যে ৬১ জনের গায়ে গুলি লেগেছে। ২০০ জন আহত হয়েছেন রাবার বুলেটে। ৪৭৯ জন আহত হয়েছেন কাঁদানে গ্যাসে। এ ছাড়া আহত হয়েছেন ২৭ জন। এ তথ্য দিয়েছে রেড ক্রিসেন্ট। আগে থেকেই হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করে ইসরাইল। রামাল্লাহর পশ্চিম তীরে অসংখ্য কাঁদানে গ্যাস সহ একটি জিপ মোতায়েন করে তারা। সেখান থেকে সেনারা মুহুর্মূহু কাঁদানে গ্যাস ছুড়তে থাকে। এ সময় ওই এলাকা কাঁদানে গ্যাসে অন্ধকার হয়ে যায়। ইসরাইলি সেনাবাহিনী নিশ্চিত করে বলেছে, তারা সীমান্তের কাছে দু’জনকে গুলি করেছে। ওদিকে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানতেন জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী স্বীকৃতি দেয়া হলে তা নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি হবে, দেখা দেবে উদ্বেগ। কিন্তু তিনি তা করেছেন ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি স্থাপনের জন্য একটি অগ্রাধিকার হিসেবে। তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আগের চেয়ে সেখানে শান্তি স্থাপনে অধিকতর প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অন্য সময়ের চেয়ে আমরা তার অনেক বেশি কাছাকাছি চলে এসেছি। অন্যদিকে জাতিসংঘে নিয়োজিত ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের শুক্রবারের জরুরি বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুসরণের জন্য সব দেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। বলেছেন, সবাই যেন জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী মেনে নেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছে জাতিসংঘ। ওদিকে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে শুক্রবার বিক্ষোভ করেছেন মুসলিমরা। তারা পুড়িয়েছেন ট্রাম্পের কুশপুত্তলিকা। এখানে ক্রীড়ামন্ত্রী খায়ের জামালুদ্দিনের নেতৃত্বে বিক্ষোভে অংশ নেন হাজারেরও বেশি মুসলিম। তারা বিক্ষোভ র্যালি নিয়ে এগিয়ে যান কুয়ালালামপুরে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের দিকে। এ সময় রাস্তায় ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। স্লোগান দেয়া হয় ‘ইসলাম দীর্ঘজীবী হোক’, ‘খতম হোক ইহুদিবাদ’। অনেকের হাতে ছিল ব্যানার। তাতে লেখা ‘মুক্ত ফিলিস্তিন’। আবার কোনোটায় লেখা ‘জেরুজালেম হলো ফিলিস্তিনের রাজধানী’। বিক্ষোভ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের কর্মকর্তাদের কাছে প্রতিবাদলিপি দেয়ার পর জনতার উদ্দেশে ভাষণ দেন মন্ত্রী খায়ের। তিনি ডনাল্ড ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে বলেন, প্রেসিডেন্ট আপনি একটি অবৈধ ঘোষণা দিয়েছেন। জেরুজালেমকে ইসরাইল দখল করে নিয়েছে। আপনার সেখানে পা পর্যন্তও রাখা উচিত নয়। দেখুন, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জেগে উঠেছে বিশ্ব। উলিয়া আকামাহ বিন হুসামুদ্দিন বলেন, জেরুজালেমের মর্যাদা কি হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা উচিত নয়। এটা বুঝা উচিত ট্রাম্পের। এতে বক্তব্য রাখেন নুরুল হাদায়া মেসারি নামে একজন ছাত্র। তিনি বলেন, সৌদি আরবে মক্কা ও মদিনা যেমন মুসলিমদের কাছে পবিত্র, তেমনি জেরুজালেমও তাদের কাছে পবিত্র। ইরানের রাজধানী তেহরান ‘আমেরিকা নিপাত যাক’ স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে। ওদিকে তুরস্ক, আফগানিস্তান, জর্ডান, পাকিস্তান, সোমালিয়া, মিশর সহ দুনিয়ার প্রায় সব মুসলিম দেশের লাখ লাখ মুসলিম রাস্তায় নেমে পড়েন। তারা ফিলিস্তিনি ভূমির জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করার স্লোগান দেন। শুক্রবার রাতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে ইউরোপে। বড় বড় বিক্ষোভ হয়েছে লন্ডন, বার্লিন ও ব্রাসেলসে। ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করছেন অমুসলিম দেশগুলোর রাষ্ট্র প্রধানরাও। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেছেন, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কমন সেন্সের বিরুদ্ধে গিয়েছে। ভিয়েনায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রন মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি এক বৈঠকে বলেন, আমি দায়িত্বশীল সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে শত শত মুসলিম বিক্ষোভ করেছেন। এ সময় তারা স্লোগান দিয়েছেন ‘জেরুজালেম আমাদের এবং তা আমাদেরই থাকবে’। আরো স্লোগান দিয়েছেন ‘আমেরিকা নিপাত যাক’। ‘ইসরাইল নিপাত যাক’। ইস্তাম্বুলের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত অটোম্যান ফেইথ মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করে তারা বিক্ষোভে শরিক হন। ট্রাম্পের ঘোষণার বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। তিনি আগামী ১৩ই ডিসেম্বর ইস্তাম্বুলে ইসলামিক দেশগুলোর সহযোগিতামূলক সংস্থা ওআইসি’র জরুরি বৈঠক আহ্বান জানিয়েছেন। ইন্দোনেশিয়ায় বিক্ষোভকারীরা রাজধানী জাকার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের দিকে অগ্রসর হয়। এ সময় তাদের হাতে ছিল ফিলিস্তিন ও ইন্দোনেশিয়ার পতাকা। তারা দূতাবাসের সামনে গিয়ে টায়ারে, ট্রাম্পের ছবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পতাকায় অগ্নিসংযোগ করে। কাশ্মীরের শ্রীনগরে ও ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে শত শত মুসলিম বিক্ষোভ করেছেন। এ সময় তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলবিরোধী স্লোগান দেন। অগ্নিসংযোগ করেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পতাকায়। তবে শ্রীনগরের পুরনো অংশে আগে থেকে কর্তৃপক্ষ কারফিউ জারি করে। বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় শহরের প্রধান মসজিদে শুক্রবারের নামাজ আদায় করতে দেয়া হয় নি। কাশ্মীরী নেতারা ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে মুসলিমবিরোধী বলে আখ্যায়িত করেছেন।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একযােগে কাজ করার আহ্বান রিজিয়া রেজার
নিজস্ব প্রতিবেদন: মিয়ানমারের মুসলিমদের উপর অমানষিক নির্যাতন ও নারকীয় গণহত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ও বিশিষ্ট নারী নেত্রী মিসেস রিজিয়া রেজা চৌধুরী| একইসাথে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
রোববার বেলা ১১টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলায় মিলনায়তনে ৬৯তম বিশ্ব মানবধিকার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তেব্যতিনি এসব কথা বলেন ।
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন লোহাগাড়া উপজেলা সভাপতি অধ্যাপক হামিদুর রহমােনর সভাপতিত্ত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান পিপিএম(বার) , আলহাজ্ব মোস্তফিজুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ এ.কে. ফজলুল হক , বাংলাদেশ জাতীয় সমাজ কল্যাণ পরিষদ সদস্য মো আরমান বাবু (রুমেল) , বড়হাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জুনাইদ চৌধুরী, লোহাগাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো নরুল ইসলামসহ প্রমুখ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাতকানিয়া বাড়ছে বিলুপ্ত প্রায় কালোজিরা ধানের চাষ
এক সময় কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় ছিল কালো জিরা ধান। সর্বত্র চাষ হতো কালো জিরা ধান। গ্রামীণ জীবনে এই ধানটি ছিল অপরিহার্য। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে এই ধানের জায়গা দখল করে নিয়েছে উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান। এক সময় গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে সংরক্ষণ করা হতো কালো জিরা ধান। সুগন্ধি এ চালের নাম শুনলে জিভে জল আসে।
এই সুগন্ধি চিকন চাল দিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠানে তৈরি হয় পিঠাপুলি, পোলাও, বিরিয়ানি, খিচুড়ি, ক্ষির, পায়েস, ফিরনি ও জর্দাসহ আরো সুস্বাদু মুখরোচক নানা ধরনের খাবার। বিভিন্ন পূজাপার্বণের ভোগ, মিষ্টান্ন রান্নার কাজে কালো জিরা চাল ব্যবহার করে।
.
এ ধানের অত্যন্ত মিষ্টি সুগন্ধের জন্য প্রসিদ্ধ। ক্ষেতে কালোজিরা পাকলে এর মিষ্টি গন্ধে পুরো এলাকার বাতাস মৌ মৌ করে। ধানের রং কালো হলেও এর স্বাদ ভিন্ন। যার কারণে এ ধানের বাজার মূল্য অন্য ধানের চেয়ে তিন গুণ বেশি। ৮০ দশকে সাতকানিয়াসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামে কালোজিরা ধানের ব্যাপক চাষ হলেও বেশ কয়েক যুগ ধরে প্রজাতিটি অনেকটা বিলুপ্ত প্রায়।
বর্তমান বাজারে কালোজিরা প্রজাতির ধানের দাম অন্য ধানের তুলনায় বেশি থাকায় এবং আবহাওয়াবান্ধব হওয়ায় কৃষকরা পুনরায় কালোজিরা চাষের দিকে ঝুঁকছে। সাতকানিয়া কৃষি অফিসসূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নে কালোজিরা ধান উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে ২০ হেক্টর।
সরেজমিনে ঘুরে ও কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ বছর জমিতে তারা পাইজাম, বিনা-৭, হাইব্রীড, ব্রি-৭২, ব্রি-৪১, ব্রি-৪৯, ব্রি-৫২, বিআর-১১, বিআর-১০, বিআর-২২, বিআর-২৩, পাইজাম, বিনি জাতের ধানের সাথে কালোজিরা ধানের চাষ করেছেন।
উপজেলার সোনাকানিয়া গারাংগিয়া গ্রামের কৃষকরা জানায়, তাদের ক্ষেতের কালোজিরা ধান পেকে গেছে, রোগ বালাই কম এবং ফলনও হয়েছে বেশি।তারা আরো বলেন, বিভিন্ন প্রজাতির ধানের চাষের মধ্যে কালোজিরা ধানের ফলন সবার নজর কাড়ছে। এ ধানের বাজার মূল্য একটু বেশি চাহিদাও রয়েছে প্রচুর।
সাতকানিয়া উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এসএম জহির জানান, আমন ধান রোপনের সময় কালোজিরা ধান রোপন করা হয়। কালোজিরা ধানের এ বছরের ফলন যথেষ্ট হয়েছে। বাজার মূল্য বেশি হওয়ার কথা স্বীকার করে তিনি জানান, আগের চেয়ে বর্তমানে এ ধানের বাজার দর অনেক বেশি। কৃষকরা যদি অন্যান্য ধানের মত কালোজিরা ধানের ব্যাপক চাষ শুরু করেন তাহলে অনেক বেশি লাভবান হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জেরুজালেম: ওআইসির বিশেষ সম্মেলনে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি
রোববার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইউএনসিএলওএস সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী এ কথা জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতির এ সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
আরব দেশগুলোর আহ্বান উপেক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন। এরপরই করণীয় নিয়ে ওআইসির বর্তমান চেয়ারম্যান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগান এই বিশেষ সম্মেলন আহ্বান করেছেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী বলেন, বুধবারের ওই শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়েছেন তুরস্কের রাষ্ট্রপতি। সোমবার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকা থেকে তুরস্কের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ রওনা হবেন।
সংবাদ সম্মেলনে ব্রিফিং করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী। ছবি: পিআইডিতার সফরসঙ্গী হিসেবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমও রয়েছেন। মূল সম্মেলনের আগে মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) জোটের সদস্য দেশগুলোর কর্মকর্তাদের মধ্যেও বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
গত ৬ ডিসেম্বর আল-কুদস আস-শরীফ বা জেরুজালেমকে (১৯৬৭ সাল থেকে ইসরাইলের দখলাধীন) ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয় যুক্তরাষ্ট্রের সরকার। একই সঙ্গে তেল আবিবে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তরের কথাও বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এতে আল-কুদস আস-শরীফ তথা ফিলিস্তিন-ইসরাইল শান্তি প্রক্রিয়া এক অপ্রত্যাশিত হুমকির মধ্যে পড়েছে এবং আরব-ইসরাইল দ্বন্দ্বে নতুনভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
বিক্ষোভে ফেটে পড়ছে ফিলিস্তিনিরা। নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। এ ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশও।
সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ওআইসি আল-কুদস কমিটির সক্রিয় সদস্য হিসেবে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে আসছে। ওআইসি জোটের পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের ৪৫তম সম্মেলন (সিএফএম) ২০১৮ সালে ঢাকায় আয়োজন করা হবে।
‘বাংলাদেশ বর্তমানে সংস্থাটির নির্বাহী কমিটির সদস্য। ঢাকায় ৪৫তম সিএফএম আয়োজনের মাধ্যমে শিগগির সিএফএম-এর সভাপতিত্ব লাভ করবে দেশটি।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্কের উদ্বোধন, কর্মসংস্থান ২০ হাজার তরুণের
প্রধানমন্ত্রী বলেন, হাইটেক পার্কগুলো রপ্তানিতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখতে পারবে। যশোরের মতো স্থানে এমন একটি আধুনিক সুযোগ সম্বলিত পার্ক মানুষকে আকৃষ্ট করবে।
তিনি বলেন, এর মাধ্যমে খুলনা বিভাগের ১০ জেলা আরো এগিয়ে যাবে। যশোর, মেহেরপুর, ঝিনাইদহসহ এসব জেলার ছেলেরা এখানে কাজ পাবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, সিলিকন ভ্যালির আদলে তৈরি এই ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্ক’। এটি আমাদের দেশে একখণ্ড সিলিকন ভ্যালি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মানা করেছিলেন তার নামে যশোরের হাইটেক পার্ক এর নাম করণ না করতে। কিন্তু সরকারের অর্থায়নে এটি প্রথম হাইটেক পার্ক। এই বিষয়টি স্মরণীয় করে রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নামে এই হাইটেক পার্কের নামকরণ করা হয়।
প্রযুক্তি পার্ক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গির আলম বলেন, এই পার্কের মূল ভবনে প্রায় ৫৫টি কোম্পানিকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে জাপানের দুটি কোম্পানিও রয়েছে। এর মাধ্যমে ২০ হাজার তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
তিনি আরো বলেন, খুলনা বিভাগের ১০টি জেলাকে টার্গেট করে যশোরে এই সফটওয়্যার প্রযুক্তি পার্কটি স্থাপন করা হয়েছে। এখানে দেশি ও বিদেশি আইটি শিল্প প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করতে পারবে। এই পার্কে সফটওয়্যার উন্নয়ন, ফ্রিল্যান্সিং, আউটসোর্সিং, কলসেন্টার, গবেষণা এবং উন্নয়ন কাজ করা যাবে।
প্রকল্প পরিচালক জানান, প্রায় অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠান এখানে প্রযুক্তি পণ্য উদ্ভাবন করবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আগে ২০১০ সালে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় উদ্বোধন করার সময় যশোরে আন্তর্জাতিক মানের একটি আইটি পার্ক স্থাপন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
তাঁর ওই ঘোষণার আলোকে ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে শহরের শংকরপুর এলাকায় বেপজায় আইটি পার্কের নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
মাত্র চার বছরে এই পার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেয়া হলো।
এটি নির্মাণে ৩০৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। পার্কে ১৫তলা এমটিবি ভবন, ১২তলা বিশিষ্ট ফাইভ স্টার মানের ডরমেটরি ভবন, রাষ্ট্র পরিচালিত আর্ট কনভেনশন সেন্টার এবং আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কসহ সব ধরনের আধুনিক সুবিধা সম্বলিত প্রায় ২ দশমিক ৩২ লাখ বর্গফুট স্পেস থাকবে। প্রতিটি ফ্লোরে ১৪ হাজার বর্গফুট স্পেস থাকবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচন অবাধ করার সম্পূর্ণ দায়িত্ব প্রশাসনের ওপর: সিইসি
রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের বেজমেন্ট-২ এ ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে এক সভায় সিইসি এসব কথা বলেন।
কে এম নূরুল হুদা বলেন, নির্বাচন অবাধ করার সম্পূর্ণ দায়িত্ব প্রশাসনের ওপর। নির্বাচনী কর্মকর্তারা আপনাদের সাহায্য ও সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল। এর বাইরে কোনো কিছু নেই। সেটা হলো একজন ভোটার ভোট দিতে যেতে পারবেন। তিনি কোনো বাধার সম্মুখীন হবেন না। যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দিতে পারবেন এবং ভোট দিয়ে তিনি আবার নিরাপদে বাড়িতে ফিরে যেতে পারবেন। এর মধ্যে তিনি কোথাও বাধার সম্মুখীন হবেন না। অবাধে যেতে পারবেন কেউ বাধা দেবে না।
সিইসি বলেন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের একটি বিষয়ে সতর্ক করে বলতে চাই, আপনারা যেমন সাহায্য-সহযোগিতা করেন। আবার যদি কেউ ব্যত্যয় ঘটান, যদি তার দায়িত্ব পালন না করেন, গাফলতি করেন, তাহলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে, কঠোরভাবে। আমাদের হাতে যে আইন আছে, সরকার যে আইন আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে সেই আইনে প্রত্যেকের দায়িত্ব নির্ধারিত আছে। সেই নির্ধারিত দায়িত্বের ব্যত্যয় যদি কেউ করে তাহলে আমরা আইনের মাধ্যমেই তার ব্যবস্থা নেব। কমিশন এই ব্যাপারে এতোটুকু আপোস করবে না।
তিনি বলেন, আপনাদের মাধ্যমে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে। তাতে আমরা খুব খুশি। আমাদের লক্ষ্য একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেয়া। আর এটা প্রকাশ হবে আমাদের নির্বাচনী যে অঙ্গীকার, নির্বাচনে আপনাদের যে ভূমিকা তার সফল বাস্তবায়নের ওপর। এটা আপনাদের কাছে আমরা প্রত্যাশা করি। নির্বাচন অবাধ হবে, গ্রহণযোগ্য হবে, বিশ্বাস যোগ্য হবে এবং স্বচ্ছ হবে।
স্বচ্ছতা বলতে আমাদের কর্মকাণ্ডগুলো পরিষ্কার করা, দৃশ্যমান করা। আমাদের কোনো কাজ গোপন নয়। গোপন শুধু গোপন ভোটকক্ষে গিয়ে ভোটারদের ভোট দেয়া। এটা ভোটারদের বিষয়, তারা কাকে ভোট দেবে। এ ছাড়া নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে আপনার আমার সব কাজ সবাই দেখতে পারবে, বুঝতে পারবে। ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে কোনো বাধা ছাড়াই ভোটকেন্দ্রে যাবে এবং ভোট দিয়ে তারা নিরাপদে বাসায় যাবে এটা নিশ্চিৎ করতে হবে। সব প্রার্থী যাতে সমান সুযোগ পায় তার ব্যবস্থা করতে হবে- যোগ করেন সিইসি।
সভায় চার নির্বাচন কমিশনার, ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্বরত বিভিন্ন বাহিনীর প্রতিনিধি, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত রয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাতকানিয়ায় শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের হাতে প্রধান শিক্ষক অবরুদ্ধ
পরে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা অতিরিক্ত টাকা ফেরত ও সরকার নির্ধারিত ফি‘তে ফরম পূরণ করার আশ্বাস থানা পুলিশ গিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক শংকর বসাককে উদ্ধার করে নিয়ে এসেছে।
চরতি এলাকার মো. লোকমান জানান, এসএসসির ফরম পূরণে সরকার নির্ধারিত ফি এর চেয়ে ৩ গুণ বেশি টাকা আদায় করছিল স্কুলের প্রধান শিক্ষক। এ অভিযোগে স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা স্কুলে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে কেন অতিরিক্ত ফি নেওয়া হচ্ছে তা জানতে চাওয়া হয়। প্রধান শিক্ষক যথাযথ উত্তর দিতে না পারায় ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। প্রধান শিক্ষক ও স্কুল পরিচালনা কমিটির নানা অনিয়মের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল হোসেন জানান, স্কুলের এক প্রধান শিক্ষককে তালাবদ্ধ করে অবরুদ্ধ রাখার খবরে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে শিক্ষার্থী-অভিভাবক, স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। স্কুলের প্রধান শিক্ষক এসএসসির ফরমপূরণে নির্ধারিত ফি’র চেয়ে বেশি নেয়া হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন। এ প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বুঝিয়ে প্রধান শিক্ষককে স্কুল থেকে নিয়ে আসা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক শংকর বসাক বলেন, ‘স্কুল পরিচালনা কমিটির নির্দেশনায় এসএসসির ফরম পূরণের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়। এর প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফি নেয়া হচ্ছে। যারা এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষায় পাস করেছে, তাদের নিয়ে সমস্যা হয় নি। যারা কয়েক বিষয়ে ফেল করেছে তাদের ফরম পূরণ নিয়ে বিষয়ে একটু সমস্যা হয়েছে। বিষয়টি থানা পুলিশ ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অবহিত রয়েছে।’
তবে, অতিরিক্ত ফি আদায়ের বিষয়ে কোন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের লিখিত অভিযোগ পেলে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন
তিনি বলেন, ‘এসএসসির ফরম পূরণে সরকার নির্ধারিত ফি’র বাইরে কোন প্রতিষ্ঠানকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করতে দেয়া হবে না। যেই প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত ফি নিবে সেই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিডিএ’র তিন প্রকৌশলী গ্রেফতার
রোববার দুপুরে তাদের সিডিএ ভবন থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) লুৎফুল কবির বলেন, তিন প্রকৌশলীকে গ্রেফতারের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দুদকের পরিদর্শক (প্রসিকিউশন) এমরান হোসেন বলেন, জরুরি অবস্থার সময় ৩০টি মামলা দায়ের হয়েছিল। এর মধ্যে ১৫টি বিচারাধীন আছে। ১৫টি তদন্তাধীন আছে। তদন্তাধীন মামলাগুলোতে গ্রেফতার দেখিয়ে তিন প্রকৌশলীকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফারিয়ার ‘মা ভার্সেস বউ’
অনুষ্ঠানের নাম ‘মা ভার্সেস বউ’। ১০ পর্বের নতুন এই অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করবেন ফারিয়া। তিনি বলেন, অনুষ্ঠানটির ডিজাইনটা দারুণ। আর মজার হবে বলে মনে হয়েছে আমার। আয়োজনও থাকছে বড়।
জানা গেছে, ১০ পর্বের এই অনুষ্ঠানের বাজেট প্রায় তিন কোটি টাকা। অনুষ্ঠানের প্রতিটি পর্বে একজন অতিথির সঙ্গে মা আর তার ছেলের বউ অংশ নেবেন। সেখানে তাদের নিয়ে পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। আগামীকাল সোমবার ইউটিউবে মুক্তি দেয়া হবে এর ট্রেলার।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করছেন তানিম রহমান অংশু। প্রতিটি পর্বের দৈর্ঘ্য হবে ১৫ মিনিট। মূলত চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করার প্রায় মাস তিনেক আগে থেকেই সব ধরনের অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন নুসরাত ফারিয়া।
‘মা ভার্সেস বউ’ অনুষ্ঠানটির শুটিং হবে ১৭ থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত। নতুন বছরের জানুয়ারি মাসে বঙ্গবিডি আর গ্রামীণফোনের বায়োস্কোপ চ্যানেলে অবমুক্ত করা হবে অনুষ্ঠানটি।
হালের আলোচিত এই নায়িকাকে আশিকী, বাদশা-দ্য ডন, প্রেমী ও প্রেমী, ধ্যাততেরিকি ছবিগুলোতে দেখা গেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চুয়েটের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের দু’দিনব্যাপী আর্ন্তজাতিক কনফারেন্স শুরু
তিনি আরো বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশের কাতারে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে। সেজন্য টেকসই উন্নয়নের বিকল্প নেই। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ইস্যু হচ্ছে টেকসই উন্নয়ন। পৃথিবীর সব উন্নত দেশ তাদের শিল্পায়ন ও নগরায়নের জন্য টেকসই প্রযুক্তিকে বেছে নিচ্ছে। বাংলাদেশেও এখন টেকসই উন্নয়নকে খুব গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। চুয়েটের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের আয়োজনে এই আন্তর্জাতিক কনফারেন্স থেকে টেকসই উন্নয়ন ও প্রযুক্তি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পাওয়া যাবে বলে আমরা আশাবাদী।
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং কনফারেন্স চেয়ার অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে উক্ত কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়েটের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম মহোদয়। এতে গেস্ট অব অনার ছিলেন চুয়েটের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. রনজিৎ কুমার সূত্রধর, কনফারেন্সের টেকনিক্যাল চেয়ার ও পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রশীদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কনফারেন্স সেক্রেটারি ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল হোসেন।
এবারের কনফারেন্সে বাংলাদেশ ছাড়াও সুইডেন, জাপানসহ পৃথিবীর ৯ টি দেশ হতে পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের অন্তত দেড় শতাধিক শিক্ষক, গবেষক, বিজ্ঞানী, প্রফেশনাল এবং উদ্যোক্তাগণ অংশগ্রহণ করছেন। কনফারেন্সে পদার্থ বিজ্ঞানের বিষয়ের পাশাপাশি প্রযুক্তি সর্ম্পকিত তথা বর্তমান বিশ্বের আলোচিত ইস্যু ‘টেকসই উন্নয়ন ও প্রযুক্তি’ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধসমূহ উপস্থাপিত হচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওয়াশিংটনের সঙ্গে মুসলিম দেশগুলোর সম্পর্ক ছিন্নের প্রস্তাব কাবুলের
পার্লামেন্টের আলোচনায় কয়েকজন সদস্য কঠোর ভাষায় প্রেসিডেন্টের ট্রাম্পের সমালোচনা করেছেন।
ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে উসকে দেয়ার মতো এ ধরনের ঘোষণায় সব মুসলিম দেশগুলোর উচিত ধর্মীয় মূল্যবোধ ও হুমকির প্রতিরোধ করা। প্রস্তাবে আরো বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এ ধরনের পদক্ষেপ বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলবে।
যুক্তরাষ্ট্র তাদের সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত দেশটির সঙ্গে কূটনীতিক ও বাণিজ্যক সম্পর্ক স্থগিত করতে আহ্বান জানানো হয়েছে আফগান পার্লামেন্টের ওই প্রস্তাবে।
শুক্রবার আফগান জনগণ ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে। কাবুলে আবদেল রহমান মসজিদের সামনে সবচেয়ে বড় মিছিল বের করে আফগানরা। সেখানে ট্রাম্পবিরোধী স্লোগান দিয়ে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের দাবি জানানো হয়।
৬ ডিসেম্বর জেরুজালেমকে ইসরায়েলের ‘অবিভক্ত’ রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটন বলছে, তারা তেল আবিব থেকে তাদের দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়ে নেবে।
জেরুজালেম নিয়ে ওয়াশিংটনের এই নাটকীয় পদক্ষেপে অধিকৃত ফিলিস্তিন, তুরস্ক, মিশর, জর্ডান, তিউনিশিয়া, আলজেরিয়া, ইরাক ও অন্যান্য মুসলিম দেশে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে তুরষ্ক যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘পুলিশ কাউকে নিয়ে গেলে আত্মীয়দের জানাতে হবে’

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যারাই ভিন্নমত প্রকাশ করছে সরকার তাদেরকে গুম করছে : ফখরুল

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চারটি নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জেরুজালেম ইস্যু থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরে আসতে হবে: সৌদি আরব

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বসবেন না কপটিক পোপ

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি যুবরাজ ৪৫০ মিলিয়ন ডলারে কিনলেন এক ছবি!

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকা- নারায়ণগঞ্জ সড়কে ২৫ কিলোমিটার যানজট

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে কমিশন গঠনের প্রতিবেদন ১১ ফেব্রুয়ারি

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুরো দেশকে কারাগার বানিয়েছে সরকার: মির্জা ফখরুল

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপের প্রস্তাব

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘জয়-বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান ঘোষণার শুনানি ১৮ জানুয়ারি

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রধানমন্ত্রী সোমবার ফ্রান্স যাচ্ছেন

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রংপুরের পর জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি: এরশাদ

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চীন-নেপাল রেলপথ : উদ্বিগ্ন ভারত

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির উপশহর নোইদায় ২৫ বছর বয়সী এক গৃহকর্মীকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে এক ব্যবসায়ী ও তার অপর এক গৃহকর্মীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে একটি বিশেষ আদালত। ২০০৬ সালে এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা হয়। শুক্রবার ইন্ডিয়ান সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (সিবিআই) আদালত এ রায় দেয়। ব্যবসায়ী মনিন্দ্র সিংহ পানধার ও তার পুরুষ গৃহকর্মী সুরিন্দ্র কোলির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার এক দিন পর এ রায় দেয়া হলো। নোইদার নিথারি গ্রামে ওই ব্যবসায়ীর নিজ বাড়িতে এ অপরাধ সংঘটিত হয়। কোলির বিরুদ্ধে এ অপরাধ ছাড়াও আগে আরো আটটি অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। পানধারের বিরুদ্ধে তিনটি মামলায় অভিযোগ করা হয়। এর দু’টি প্রমাণিত হওয়ায় তাকেও মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। মৃত্যুদণ্ড দেয়ার সময় বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক পি কে তিওয়ারি বলেন, কোলি ও পানধার দু’জনই ২০০৬ সালে গৃহকর্মী অঞ্জলীকে ধর্ষণ ও হত্যার সাথে জড়িত। তারা কঠোর শাস্তি পাওয়ার উপযুক্ত। আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘কোলি ওই গৃহকর্মীকে টেনে-হেঁচড়ে বাড়িতে নিয়ে আসে ও তাকে অচেতন করে ধর্ষণ করে এবং তার পর মেয়েটির মাংস খায়। তাই তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া ছাড়া আইনের কাছে আর কোনো বিকল্প নেই। মহিন্দ্র সিংহও একই অপরাধে জড়িত। তাদের দু’জনকেই ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।’ অঞ্জলী নোইদায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। ২০০৬ সালের অক্টোবরে তিনি নিখোঁজ হন বলে জানানো হয়। ডিসেম্বরে কোলিকে গ্রেফতার করার পর তার হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে পুলিশ জানতে পারে। ওই বছরই পুলিশ পানধারের বাড়ির কাছ থেকে ১৬ জনের খুলি ও হাড় উদ্ধার করে। এদের বেশির ভাগই শিশু।
About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিঃসন্তান দম্পতি হঠাৎ ৫১ সন্তানের মা–বাবা

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফিলিস্তিনিদের জেরুসালেম ছাড়তে বলল সৌদি আরব!

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইএসের সাথে যুদ্ধের সমপ্তি ঘোষণা ইরাকের

•জানুয়ারি ২০১৪: আইএস সৈন্যদের ফালুজা ও রামাদি দখল
•জুন ২০১৪: ছয়দিন যদ্ধের পর মসুল দখল করে আইএস
•২৯ জুন ২০১৪: আবু বকর আল-বাগদাদিকে খলিফা করে নিজেদের নাম ইসলামিক স্টেট ঘোষণা করে আইএস
•আগস্ট ২০১৪: সিঞ্জর দখল। প্রায় ২ লক্ষ মানুষ সিঞ্জর পর্বতমালার দিকে আত্মগোপন করে। যুক্তরাষ্ট্রের বিমান আক্রমণ শুরু।
•মার্চ ২০১৫: ইরাকি সৈন্য ও তাদের শিয়া মিত্রবাহিনীর তিক্রিত পুনরুদ্ধার
•ডিসেম্বর ২০১৫: রামাদি পুনরুদ্ধার
•জুন ২০১৬: ফালুজা পুনরুদ্ধার
•অক্টোবর ২০১৬: ইরাকি সৈন্য, শিয়া মিলিশিয়া, কুর্দিশ সেনা ও আন্তর্জাতিক মিত্রবাহিনীর মসুল অবরোধ
•জুলাই ২০১৭: মসুল পুনরুদ্ধার
•ডিসেম্বর ২০১৭: আইএস'এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ শেষ হওয়ার ঘোষণা ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর
About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না’

ইসরাইলের প্রতি ট্রাম্পের সর্বোচ্চ সেবার নানা রহস্য
মুসলমানদের প্রথম কিবলার শহর বায়তুল মুকাদ্দাস তথা জেরুসালেমকে দখলদার ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্বীকৃতি ঘোষণার পর ফিলিস্তিন প্রসঙ্গ আবারও মুসলিম বিশ্বের প্রধান আলোচ্য বিষয়ে পরিণত হয়েছে। মুসলিম বিশ্বের প্রতিবাদ উপেক্ষা করে গত বুধবার বায়তুল মুকাদ্দাসকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই শহরে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের প্রক্রিয়াও শুরু করার ঘোষণা দেন ট্রাম্প। তার ওই ঘোষণার পর বিশ্বজুড়ে মার্কিন ও ইসরাইল বিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয় এবং ফিলিস্তিন ও মুসলিম বিশ্বের নেতৃবৃন্দ ট্রাম্পের ওই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছেন। মার্কিন কংগ্রেস ১৯৯৫ সালের ২৩ অক্টোবর তেলআবিব থেকে বায়তুল মুকাদ্দাসে আমেরিকার দূতাবাস স্থানান্তরের প্রস্তাব পাস করেছিল। কিন্তু সেই থেকে এ পর্যন্ত তথা ২২ বছর পর্যন্ত মার্কিন সরকারগুলো ওই প্রস্তাব বাস্তবায়নের সাহস করেনি। বায়তুল মুকাদ্দাস তথা আলকুদসকে ইসরাইলের দখল করা ভূখণ্ড বলে মনে করে জাতিসংঘ। তাই এ দখলদারিত্ব পুরোপুরি অবৈধ। জাতিসংঘের প্রস্তাবে বায়তুল মুকাদ্দাসসহ ১৯৬৭ সালে ইসরাইলের দখল-করা সব ভূখণ্ড ফিলিস্তিনিদের কাছে ফিরিয়ে দিতে বলা হয়েছে। আর ইসরাইলের এমন একটি অবৈধ দখলদারিত্বকে স্বীকৃতি দিয়ে ট্রাম্প আগুন নিয়ে খেলা শুরু করেছেন বলে বিশ্বের বহু নেতা ও বিশ্লেষক মন্তব্য করেছেন। প্রশ্ন হল ট্রাম্প কেনো এমন একটি ধ্বংসাত্মক পদক্ষেপ নেয়ার জন্য বর্তমান সময়কে বেছে নিলেন? ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পালন ছিল এর অন্যতম কারণ। এ ছাড়াও পশ্চিম-এশিয়াসহ মুসলিম বিশ্বের পরিস্থিতি এবং মার্কিন ঘরোয়া রাজনীতিও তার এ সিদ্ধান্তে প্রভাব রেখেছে। রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্প ও তার ঘনিষ্ঠদের গোপন যোগাযোগ ফাঁস হওয়ার কেলেঙ্কারিকে ম্লান করার চিন্তাও ট্রাম্পের এই ধ্বংসাত্মক পদক্ষেপের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। রাশিয়া বিষয়ক এই কেলেঙ্কারির কারণে ট্রাম্প ঘরোয়া রাজনীতিতে ব্যাপক চাপের শিকার হন এবং এর ফলে অনাস্থার শিকার হয়ে ট্রাম্প ক্ষমতা হারাতে পারেন বলেও বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছিলেন। ট্রাম্প আগামী মার্কিন নির্বাচনেও রিপাবলিকান দলের বিজয় নিশ্চিত করতে এ দলের ভোট-ব্যাংক হিসেবে খ্যাত ইহুদিবাদী খ্রিস্টানদের ভোটও আকৃষ্ট করতে চান।
About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
-
▼
2017
(8870)
-
▼
December
(1121)
-
▼
Dec 10
(79)
- সেই আরবও নেই, সেই জেরুজালেমও নেই by মাহমুদ ফেরদৌস
- ব্রেক্সিট: যেসব ইস্যুতে সমঝোতা হলো
- জেরুজালেম: সাবেক প্রায় সব মার্কিন রাষ্ট্রদূতের দ্বিমত
- জেরুজালেম ইস্যুতে একঘরে যুক্তরাষ্ট্র!
- যুদ্ধ এড়াতে উত্তর কোরিয়াকে প্রস্তাব জাতিসংঘের
- মুসলিম বিশ্বে ক্ষোভের আগুন
- মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একযােগে কাজ করার ...
- সাতকানিয়া বাড়ছে বিলুপ্ত প্রায় কালোজিরা ধানের চাষ
- জেরুজালেম: ওআইসির বিশেষ সম্মেলনে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি
- শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্কের উদ্বোধন, কর্মসংস্থান ...
- নির্বাচন অবাধ করার সম্পূর্ণ দায়িত্ব প্রশাসনের ওপর:...
- সাতকানিয়ায় শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের হাতে প্রধান শিক্ষ...
- সিডিএ’র তিন প্রকৌশলী গ্রেফতার
- ফারিয়ার ‘মা ভার্সেস বউ’
- চুয়েটের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের দু’দিনব্যাপী আর্ন্ত...
- ওয়াশিংটনের সঙ্গে মুসলিম দেশগুলোর সম্পর্ক ছিন্নের প...
- ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে তুরষ্ক যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি
- ‘পুলিশ কাউকে নিয়ে গেলে আত্মীয়দের জানাতে হবে’
- যারাই ভিন্নমত প্রকাশ করছে সরকার তাদেরকে গুম করছে :...
- চারটি নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্...
- জেরুজালেম ইস্যু থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরে আসতে হবে: ...
- মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বসবেন না কপটিক পোপ
- সৌদি যুবরাজ ৪৫০ মিলিয়ন ডলারে কিনলেন এক ছবি!
- ঢাকা- নারায়ণগঞ্জ সড়কে ২৫ কিলোমিটার যানজট
- অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে কমিশন গঠনের প্রতিবেদন ১১ ফে...
- পুরো দেশকে কারাগার বানিয়েছে সরকার: মির্জা ফখরুল
- যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপের প্রস্তাব
- ‘জয়-বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান ঘোষণার শুনানি ১৮ জানুয়ারি
- প্রধানমন্ত্রী সোমবার ফ্রান্স যাচ্ছেন
- রংপুরের পর জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি: এরশাদ
- চীন-নেপাল রেলপথ : উদ্বিগ্ন ভারত
- নিঃসন্তান দম্পতি হঠাৎ ৫১ সন্তানের মা–বাবা
- ফিলিস্তিনিদের জেরুসালেম ছাড়তে বলল সৌদি আরব!
- আইএসের সাথে যুদ্ধের সমপ্তি ঘোষণা ইরাকের
- ‘ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না’
- উ. কোরিয়াকে ‘নিউক্লিয়ার ব্ল্যাকমেইল’ করেছে যুক্তরা...
- স্ত্রীর প্রার্থিতা বাতিলের জন্য স্বামী-সন্তানদের দাবি
- মামলার বাদীই খুনি : প্রেমিকসহ স্ত্রী গ্রেফতার
- ঈশ্বরগঞ্জে মাছ নেই : ব্রহ্মপুত্রনদে অভয়াশ্রমের দাবি
- নারায়ণগঞ্জে ব্যাংকে আগুন : প্রহরী নিহত
- নিউইয়র্কে মৌসুমের প্রথম তুষারপাত
- ফিলিস্তিনে ব্যাপক বিক্ষোভ, জাতিসঙ্ঘে একঘরে হয়ে পড়ে...
- ‘জেরুসালেম হবে ইসরাইলের কবরস্থান’
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগে ধীরে চলো নীতি
- কাল মিলতে পারে সূর্যের দেখা
- বিচারকদের গেজেট প্রকাশে আরো ৩ দিন সময়
- শপিংয়ে ছেলেদের চাইতে মেয়েরা বেশী আগ্রহী
- বিতর্কিত এমপিদের মনোনয়ন অনিশ্চিত
- একটি গোপন চিঠি আর এক কন্যা শিশুর গল্প
- ‘অপু নতুন করে জালিয়াতির আশ্রয় নিচ্ছে’
- দেশের ৮০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছে: প্রধান...
- ট্রাম্পের ঘোষণা আন্তর্জাতিক আইনের ভয়াবহ লঙ্ঘন: আরব...
- জয়িতা পুরস্কার পেলেন রিজিয়া রেজা চৌধুরী
- শিক্ষার্থীবিহীন স্কুল
- নোবেলে পুরুষদের আধিপত্য
- সত্যিই ‘রক্তচোষা’ মানুষ!
- দেশ ও মানুষের কল্যাণে আজীবন কাজ করব
- বর্তমান পরিস্থিতি অনিশ্চিত ঝড়ের পূর্বাভাস
- বাধা আসবে পেরিয়ে যেতে হবে
- ৫ জনের ছবি ক্যাবল নেটওয়ার্কে প্রকাশ করেছে পুলিশ
- কালীগঙ্গার উত্তর পার ঢেলে সাজানো হবে
- রাজশাহীতে বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি নিহত
- টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩
- ১৪ দলের সভা সোমবার
- খালেদা জিয়াকে চায় বিএনপি ফের জয়ী হতে মরিয়া আ’লীগ
- ব্যবসায়ীকে তুলে নেয়ার চেষ্টাকালে ডিবির টিম আটক
- থামছে না গুম খুন
- অবশেষে হচ্ছে বিচারকদের চাকরির বিধিমালা
- আজ সারা দিন ঝরবে বৃষ্টি
- বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির গেজেট প্রকাশে আরও সময় পেল স...
- আনিসুল হক, আপনাকে শ্রদ্ধা
- এক মৃত্যুহীন প্রাণ
- নেপালের নির্বাচনে ভারতঘেঁষা জোট জয়ের পথে
- গুজরাট নির্বাচনে ইভিএম জালিয়াতির অভিযোগ
- তুঘলকি প্রকল্পে তোলপাড় by নূর মোহাম্মদ
- মূল পরিকল্পনাকারী হেলালের ফের রিমান্ড
- নাসিক মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে নিরাপত্তাকর্মী নিহত
- বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যেতে হবে -রোকেয়া পদক প্রদান অনুষ...
- রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পে নয়, বাড়িতে ফেরাতে হবে
-
▼
Dec 10
(79)
-
▼
December
(1121)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...









