Sunday, March 24, 2019
মালিতে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত শতাধিক
স্থানীয় এক কর্মকর্তা জানান, হামলা চালানোর আগে ওগোসাগৌ গ্রামটি ঘিরে ফেলে বন্দুকধারীরা। ক্ষুদ্র জাতিসত্তার ফুলানি সম্প্রদায়ের মানুষ ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। দেশটিতে জাতিগত বিদ্বেষ দিন দিন বেড়ে চলার কারণে জাতিসংঘের কয়েকজন রাষ্ট্রদূত মালিতেই অবস্থান করছিলেন। সে সময় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
সংবাদ সংস্থা এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্থানীয় এক নিরাপত্তাকর্মী জানান, ভয়াবহ ওই হামলায় বন্দুক ও চাপাতি ব্যবহৃত হয়েছে। প্রতিবেশী গ্রাম ওউঙ্কোরোর মেয়র চিক হারাউনা সানকার এ হামলাকে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছেন।
ডগন শিকারি ও আধা যাযাবর ফুলানি সম্প্রদায়ের লোকজনের মধ্যে জমি আর পানির দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছে। ফুলানিদের সঙ্গে সন্ত্রাসী দলগুলোর সম্পর্ক আছে বলে অভিযোগ করেছে ডগনরা। এদিকে ফুলানিরা দাবি করেছে, মালির সেনাবাহিনী অস্ত্র দিয়ে শিকারিদের তাদের ওপর হামলা চালাতে সহায়তা করেছে।
গত বছর ডগন শিকারি ও ফুলানিদের মধ্যকার সংঘর্ষে শতাধিক নিহত হয়। মালিভিত্তিক আল–কায়েদা জঙ্গি দলের একটি শাখা শুক্রবার বলেছে, তারা মালির সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। এতে ২০ জনেরও বেশি সেনা নিহত হয়েছে। মালিভিত্তিক আল–কায়েদা বলছে, ফুলানিদের প্রতি সহিংসতার প্রতিবাদে তারা এই হামলা চালিয়েছে।
![]() |
| মালির এই গ্রামেই বন্দুকধারীরা হামলা চালায়। ছবি: বিবিসির সৌজন্যে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ওয়াসিমকে ক্লিয়ারলি খুন করা হয়েছে’ by ওয়েছ খছরু

এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন- ‘ওয়াসিমকে ক্লিয়ারলি খুন করা হয়েছে। এটা হত্যাকান্ড।’ দুপুর ১২ টার দিকে চৌহাট্রা এলাকা দিয়ে আবু সিনা ছাত্রাবাসে যাওয়ার সময় ছাত্র বিক্ষোভের মুখে পড়েন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। শিক্ষার্থীরা তার গাড়িও আটকে দেয়। পরে মুহিত সহ আওয়ামী লীগ নেতারা এসে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন আবুল মাল আবদুল মুহিত ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী।
আবুল মাল আবদুল মুহিত এ সময় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন- ওয়াসিমকে খুন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে দায়ীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের এভাবে রাস্তা দখল করে আন্দোলন থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করেন। বলেন- মানুষকে কষ্ট দেওয়া উচিত নয়। পরে অবশ্য শিক্ষার্থীরা আবুল মাল আবদুল মুহিতের গাড়ি ছেড়ে দেয়।
এদিকে- দুপুর দেড় টার পর শিক্ষার্থীরা তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষনা করে চৌহাট্রা এলাকা ত্যাগ করেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন- ওয়াসিমের খুনিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে তারা আগামী তিন দিন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করবে। এই সময়ের মধ্যে দাবি পুরন না হলে তারা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষনা করবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘জৈশ-ই-মোহাম্মদ’ নিয়ে চীনের আগ্রহ কোথায়?

কাশ্মীর অঞ্চলকে ঘিরে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সাম্প্রতিক যে যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়েছিল, তার সূচনা করে জৈশ-ই-মোহাম্মদ নামের পাকিস্তানভিত্তিক একটি সন্ত্রাসী সংগঠন৷ কাশ্মীরে বোমা হামলা করে ভারতের ৪০ সেনা হত্যার পর এর দায় স্বীকার করে সংগঠনটি৷ এর আগেও ২০০১ সালে ভারতের পার্লামেন্ট ভবনে হামলা ও পাঠানকোট হামলায় এই সংগঠনটির জড়িত থাকার কথা আলোচিত হয়েছে৷ হামলার পর ভারত আবারো দাবি তুলেছে, পাকিস্তান যেন সে দেশের অভ্যন্তরের এমন সন্ত্রাসকে দমন করতে তৎপর হয়৷ একইসঙ্গে জৈশ-ই-মোহাম্মদের নেতা মাসুদ আজহারকে তাদের কাছে সোপর্দ করার দাবিও জানিয়েছে ভারত৷
মাসুদ আজহারকে যেন সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করা হয়, সেজন্য তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বার বার আবেদন জানায়৷ গত ২৭ ফেব্রুয়ারি আজহারকে সন্ত্রাসী ঘোষণা দেবার বিষয়টি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব আকারে নিয়ে যায় ফ্রান্স৷ নিরাপত্তা পরিষদের সব স্থায়ী সদস্য এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিলেও ভেটো দেয় চীন। ভারতের কাছে চীনের এই আচরণ সে দেশটির সঙ্গে পাকিস্তানের মিত্র সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ হলেও চীন বলেছে যে, আজহারের বিরুদ্ধে আরো তদন্তের প্রয়োজন আছে৷
বেইজিং সবসময়ই বলে এসেছে যে, তারা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে৷ কিন্তু আজহারের বিষয়টিকে তারা ‘প্রক্রিয়াগত দুর্বলতা' বলছে। এ বিষয়ে চাইনিজ অ্যাকাডেমি অফ সোশ্যাল সায়েন্সেসের এশিয়া প্যাসিফিক ইনস্টিটিউটের ভারত বিষয়ক বিশেষজ্ঞ লিউ জিয়াওজু বলেন, যখনই কোনো আ্ক্রমণ হয়, ভারত আজহারের সংগঠনের ওপর দোষ চাপায়, কিন্তু কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারে না৷ যখনই এমন কোনো ঘটনা ঘটে, ভারত দোষারোপ করে পাকিস্তানকে, অথচ প্রমাণ দেয় না৷
তবে ইসলামাবাদের প্রতি বেইজিংয়ের এমন আগ্রহের কারণ অর্থনৈতিক বলেও মনে করেন জার্মান ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাফেয়ার্সের প্রধান ক্রিস্টিয়ান ভাগনার৷তিনি বলেন, চীনের জন্য নির্বাচিত সরকারের চেয়ে সেনাবাহিনী অনেক ভালো। আজহারের বিরুদ্ধে ভোট দিলে পাকিস্তান আর্মির সঙ্গে তাদের সম্পর্কে ফাটল দেখা দিতে পারে বলে তাঁর ধারণা। তবে ভাগনার মনে করেন, চীন তার অবস্থান পালটানোর আগেই পাকিস্তান সেনাকে তাদের কৌশল পরিবর্তন করতে হবে৷ তিনি মনে করেন, পাকিস্তানের জন্য কোনো আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অবরোধ সামলাবার উপায় নেই৷
পাকিস্তানের সাবেক অর্থমন্ত্রী সাঈদ সালমান শাহ বলেন, সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর পশ্চিমা বিশ্বের, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে৷ যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়, তাহলে সেসব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ সাহায্য পাওয়া পাকিস্তানের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে। তবে অর্থনীতিবিদ আজরা তালাত সাঈদ বলেন যে, নিরাপত্তা পরিষদে চীনের আপত্তির কারণ পাকিস্তান নয়, বরং ভারত৷ মাসুদ আজহারের বিষয়ে চীনের এমন অবস্থানের কারণ ভারতের সঙ্গে তাদের বিরোধ, ইসলামাবাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতা এবং তিব্বতের নেতা দালাই লামাকে দেশটির সহযোগিতা, এ সব কারণেও ভারতকে কখনো সমর্থন করে না চীন৷
ভারতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান ব্রুকিংস ইন্ডিয়ার ফেলো ধ্রুব জয়শঙ্কর বলেন, বিষয়টি প্রতীকী হলেও আজহারকে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করা ভারতের জন্য জরুরি৷ পাকিস্তান আগে কখনো চিহ্নিত গ্রুপগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি৷ আর জৈশ-ই-মোহাম্মদ তো এর মধ্যেই তালিকাভূক্ত। আজহারের ওপর সন্ত্রাসী তকমা থাকলে তাকে গ্রেফতার করা ভারতের জন্য সহজ হবে, তবে তাকে বৈশ্বিকভাবে সন্ত্রাসী ঘোষণা করা হলে ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় গুরুত্ব দিয়ে দেখতে চাইছে বলে প্রতীয়মান হবে৷
সূত্র: ডয়েচে ভেলে
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
থাইল্যান্ডে ভোট আজ

এ নির্বাচনে ১৮ থেকে ২৬ বছর বয়সের মধ্যে ৭০ লাখেরও বেশি ভোটার প্রথমবার ভোট দেবেন। তাই সব দলই তাদের দিকে দৃষ্টি রেখেছে। অর্থাৎ এই ভোটাররাই পাল্টে দিতে পারেন নির্বাচনী হিসাবনিকাশ।
ভোট গ্রহণের আগে শনিবার সন্ধ্যায় সবার প্রতি একটি বিবৃতি দিয়েছেন থাই রাজা মাহা ভাজিরালংকর্ন। এতে ভোট গ্রহণকালে শান্তি ও শৃংখলা বজার রাখার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। রাতে জাতীয় টেলিভিশনে এই বিবৃতি প্রচার করা হয়। এতে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয় ভাল মানুষদের সমর্থন দিতে। উল্লেখ্য, আজকের এই ভোটকে দেখা হচ্ছে সেনাবাহিনীপন্থি দলগুলো ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রাপন্থি দলগুলোর মধ্যকার লড়াই হিসেবে।
খবরে বলা হয়, থাইল্যান্ডের রাজনীতি অনেক দিন ধরেই অস্থিতিশীল। বিশেষ করে এখানে লড়াই চলছে সেনাবাহিনীর সমর্থক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার সমর্থকদের মধ্যে। ২০১৪ সালে রক্তপাতহীন সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাবাহিনী যখন ক্ষমতা দখল করে তখন তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল শৃংখলা ও গণতন্ত্র ফেরানোর। কিন্তু বার বারই তারা ভোটকে স্থগিত করেছে। এরই মধ্যে নতুন সংবিধান প্রণীত হয়েছে। সমালোচকরা বলেন, সেনাবাহিনী যে সংবিধান প্রণয়ন করেছে তাতে নির্বাচনের ফল যা-ই আসুক, তাতে তাদের প্রভাব অব্যাহত থাকবে।
থাকসিন সিনাওয়াত্রাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে ২০০৬ সালে। তারপর থেকে তিনি স্বল্প সময়ের জন্য দেশে ফিরেছিলেন। কিন্তু ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ার পর তিনি স্বেচ্ছা নির্বাসনে জীবন কাটাচ্ছেন। তা সত্ত্বেও দেশের গ্রামীণ জীবনে ভীষণ জনপ্রিয় তিনি। ব্যাপক সমর্থন আছে তার এখনও। ২০০১ সালের নির্বাচনের পর প্রতিটি নির্বাচনে তার প্রতি অনুগত দলগুলো বিজয়ী হয়েছে।
এবার নির্বাচনে তার প্রতি অনুগত দল পুয়ে থাই। তারা কি জেনারেল প্রায়ুথ চান ওচার বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারবে কিনা তা সময়ই বলে দেবে। ২০১৪ সালে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও থাকসিন সিনাওয়াত্রার বোন ইংলাক সিনাওয়াত্রাকে ক্ষমতাচ্যুত করেন প্রায়ুত চান ওচা। এই নির্বাচনে নবগঠিত সেনাবাহিনীপন্থি দল পালাং প্রাচা রাথ পার্টি সেই প্রায়ুত চান ওচাকে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে। নির্বাচনে আর যেসব প্রথম সারির দল আছে তার মধ্যে রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী অভিজিত ভেজাজিভার নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেট, তরুণ টেলিকম বিষয়ক বিলিয়নিয়ার থানাটর্ন জুয়াঙরুঙরুয়াংকিট নেতৃত্বাধীন নতুন ফিউচার ফরোয়ার্ড পার্টি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইন্টারনেটে ব্ল্যাকমেইল by রুদ্র মিজান

সূত্রমতে, এই চক্রে জড়িতরা নিজেদের নানাভাবে পরিচয় দেয়।
তাদের অনেকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে মামলাও রয়েছে। চক্রটির বেশির ভাড় সদস্য সুন্দরী। তাদের সঙ্গে এক শ্রেণির পুরুষও জড়িত। চক্রটি নানা কৌশলে বিত্তশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে। তারপর নির্জনে বা বাসায় ডেকে নিয়ে সর্বস্ব লুটে নেয়। তাদের একজন বর্ষা আহমেদ। ফেসবুকে এই নামেই পরিচিত তিনি। নিজেকে মিডিয়া জগতের কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন। কখনো কখনো খ্যাতনামা পরিচালক, অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গে ছবি তোলে তা আপলোড করেন। বর্ষার প্রতারণার শিকার এক ব্যক্তি জানান, দীর্ঘদিন থেকেই ওই তরুণী তার বন্ধু তালিকায় ছিলেন। প্রায়ই নিজের বিভিন্ন ছবি আপলোড করেন। মাঝে-মধ্যে হাই-হ্যালো হতো। হঠাৎ একদিন ওই তরুণী ক্ষুদেবার্তা দিয়ে জানায়, বাড়িতে গিয়ে খুব সমস্যায় পড়েছে। তার টাকার দরকার। কয়েক হাজার টাকা হলেই চলবে। ঢাকায় এসে টাকাটা ফেরত দেবে।
বর্ষার কথাগুলো বিশ্বাস হচ্ছিল না। মাত্র কয়েক হাজার টাকার জন্য ভার্চুয়াল এক ফ্রেন্ডকে এভাবে বলা যেতে পারে তা বিশ্বাস করতে পারছিলেন না ওই ব্যক্তি। তিনি ভেবেছিলেন হয়তো ফেসবুক আইডিটি হ্যাক হয়েছে। তাই বললেন, ভিডিও কল দেন। মুহূর্তের মধ্যেই ভিডিও কল দিয়ে নিজের চেহারা প্রদর্শন করলো বর্ষা। অল্প কথা বলেই জানালো পরে কথা হবে। তারপর বর্ষার কথামতো এক হাজার টাকা বিকাশ করেন তিনি। এরপর থেকেই বর্ষার ফোন বন্ধ। ফেসবুকে ব্লক। একইভাবে আরেক মধ্য বয়সী ব্যক্তির কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বর্ষা।
এই চক্রের আরেক সদস্য নাজমা। থাকেন যাত্রাবাড়ী এলাকায়। নিজেকে মডেল হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন পঁয়ত্রিশ ঊর্ধ্ব এই নারী। সূত্রমতে, এই নাজমার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে ফেসবুকে, ফোনে এমনকি রাস্তায় বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হয়ে সখ্য গড়ে তোলেন। তারপর বাসায় ডেকে নেন তিনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, যাত্রাবাড়ীর বিবির বাগিচা এলাকার বাসায় সন্ধ্যার দিকে ডেকে নেন নাজমা। তারপর কিছুক্ষণের মধ্যেই কয়েক যুবক নাজমাসহ তাকে ঘিরে ধরে। তারা ছবি তোলে। হুমকি দেয় পুলিশে ধরিয়ে দেবে। অভিযোগ করা হয় অনৈতিক সম্পর্কের। বাধ্য হয়েই সর্বস্ব দিয়ে মুক্তি পান তিনি। তবে এ বিষয়ে সামাজিক কারণে কোথাও কোনো অভিযোগ করেননি।
এই নাজমা, বর্ষা এখন আশ্রয় নিয়েছেন বিগো লাইভে। রাত ১১টার পর সেজেগুজে বিগোতে উপস্থিত হন। রাত বাড়তে থাকে। জমতে থাকে আড্ডা। গানে-আড্ডায় গভীর রাত। দর্শক অনেকেই থাকলেও ভিডিও কলে নেন মূলত প্রবাসীদের। তারপর তাদের সঙ্গে পার্সনাল ফোন নম্বর আদান প্রাদান। পরবর্তীতে ইমোতে ভিডিও কলে কথা বলেন। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রদর্শন করেন প্রবাসীদের সামনে। এজন্য বিকাশে টাকা নেন তারা। ঘণ্টা হিসেবে টাকা দিতে হয় প্রবাসীদের। সূত্রমতে নাজমা, বর্ষা, শান্তা, মনিসহ অন্তত দুই শতাধিক সুন্দরী নারী রয়েছে যারা বিগো থেকে প্রতি রাতে হাজার-হাজার টাকায় হাতিয়ে নেয়।
এই চক্রের আরেক সদস্য শান্তা। মূলত অনৈতিক কাজের মাধ্যমে টাকা রুজিই তার পেশা। সন্ধ্যার পরপর সেজেগুজে উপস্থিত হতেন ফটুপাথে। ফার্মগেট, পান্তকুঞ্জ, জাতীয় নাট্যমঞ্চ এলাকায় দেখা যায় তাকে। ছিনতাইকারীদের সঙ্গে রয়েছে তার ঘনিষ্ঠতা। খদ্দের সংগ্রহ করে নির্জন এলাকায় বা হোটেলে যাওয়ার পথে ছিনতাইকারীরা গতিরোধ করে সর্বস্ব লুটে নেয়। এতে সহযোগিতা করে শান্তা নিজেই। পরবর্তীতে ছিনতাইয়ের টাকা ভাগাভাগি হয়। এই শান্তাও এখন বিগো লাইভে নিয়মিত থাকেন। কথা বলে, ইমোতে শরীর প্রদর্শন করে টাকা রুজি করেন। এ ছাড়াও রাজধানীর অন্তত অর্ধশত তৃতীয় লিঙ্গের অধিকারীরাও নেচে-গেয়ে মাতিয়ে রাখে বিগো। তাদের সঙ্গে কথা বলে এবং ইমোতে তাদের দেখে এক শ্রেণির বিকৃত রুচির পুরুষরা অর্থ দিয়ে থাকেন।
এই চক্রটিকে নিয়ে কাজ করছে ডিএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিট। অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নাজমুল ইসলাম বলেন, ইন্টারনেট ব্যবহার করে যারা অশ্লীলতা ছড়াচ্ছে। তরুণ-কিশোরদের বিপদগামী করছে। ব্ল্যাকমেইল করছে। ইন্টারনেটকে নিরাপদ করতে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ইন্টারনেটকে নিরাপদ করতে সাইবার ক্রাইম ইউনিট তৎপর রয়েছে বলে জানান তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২৯ নদীর দূষণ বিপজ্জনক স্তরে by ইফতেখার মাহমুদ

• দেশের নদীর পানি দূষণের কিছু কারণ সমীক্ষায়।
• শিল্পকারখানা বর্জ্য পরিশোধন না করে নদী ফেলছে।
• মাত্রাতিরিক্ত সার–কীটনাশকও নদীতে পড়ছে।
• গৃহস্থ বর্জ্য ফেলার সবচেয়ে বড় ভাগাড়ও নদী।
দেশের ২৯টি প্রধান নদ–নদীর দূষণমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। বিশেষত শুষ্ক মৌসুমে নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত এগুলোর পানির দূষণ বিপজ্জনক স্তরে পৌঁছাচ্ছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের এক সমীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে। মৎস্য অধিদপ্তর ও আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফিশ দেশের মাছের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ৯টি নদী নিয়ে আরেকটি সমীক্ষা করেছে। তাতে দেখা গেছে, মাছের এসব উৎস মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে পড়েছে। এসব নদীর পানিতে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মাত্রার ভারী ধাতু পাওয়া যাচ্ছে।
আজ বিশ্ব পানি দিবস। এবারের দিবসের প্রধান প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য পানির অধিকার নিশ্চিত করতে হবে’।
দেশের নদীর পানি ধারাবাহিকভাবে দূষণের কিছু অভিন্ন কারণ ওই দুই সমীক্ষায় উঠে এসেছে। মূলত নদীগুলোর তীরে গড়ে ওঠা বেশির ভাগ শিল্পকারখানা তাদের বর্জ্য পরিশোধন না করে নদী ফেলছে। কারখানাগুলোতে বর্জ্য পরিশোধন যন্ত্র থাকলেও তার বেশির ভাগই চালানো হচ্ছে না। কৃষিকাজে ব্যবহৃত হওয়া মাত্রাতিরিক্ত সার ও কীটনাশকও সেচের পানির সঙ্গে ধুয়ে নদীতে পড়ছে। হাটবাজার, শহর ও বস্তি এলাকার গৃহস্থ বর্জ্য ফেলার সবচেয়ে বড় ভাগাড়ও এই নদী।
পরিবেশ অধিদপ্তরের সমীক্ষাটি করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস)। সারা দেশে প্রধান নদ–নদীগুলোর পানির মান পরীক্ষার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ১৩২টি পর্যবেক্ষণকেন্দ্র আছে। গত দুই বছরে সমীক্ষায় এসব কেন্দ্রসহ আর কোথায় কোথায় দূষণ ছড়িয়ে পড়ছে, তা দেখা হয়।একই সঙ্গে ভূ-উপগ্রহের ছবি ও মাঠ জরিপের মাধ্যমে নতুন দূষণ এলাকাও চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, ২৯টি প্রধান নদ–নদীর পানির দূষণ বিপজ্জনক স্তরে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল্লাহ আল মহসীন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘এত দিন আমরা দেশের পানি, মাটি ও বায়ুদূষণ রোধে আলাদা প্রকল্প ও উদ্যোগ নিতাম। কিন্তু পরিবেশের এই সব কটি উপাদানের দূষণ পরস্পর সম্পর্কিত। যেমন মাটি দূষিত হলে তা নদীকেও দূষিত করে। বায়ু সবকিছুকেই দূষিত করে। তাই সামগ্রিকভাবে পরিবেশদূষণ রোধে একটি বড় প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।’
পরিবেশ অধিদপ্তরের সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রতিদিন রাজধানীর চারপাশের নদীগুলোতে সাড়ে ৪ হাজার টন বর্জ্য ও ৫৭ লাখ গ্যালন দূষিত পানি গিয়ে পড়ছে। এ ছাড়া রাজধানীর বাইরে আশুলিয়া, সাভার, নতুন চামড়াশিল্প নগরী, টঙ্গী এলাকায় শিল্পকারখানা বাড়ছে। চট্টগ্রামের কর্ণফুলীর তীরে, পদ্মায় মাওয়া ঘাটের পাশে, মেঘনার তীরে দ্রুত শিল্পায়ন হচ্ছে। এসব কারখানার বেশির ভাগই বর্জ্য পরিশোধন যন্ত্র ব্যবহার করছে না বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
গত বছরের অক্টোবরে মৎস্য অধিদপ্তর ও মৎস্য উন্নয়নবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফিশ ৯টি নদীর ১১টি স্থান থেকে পানির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করেছে। রাজধানীর চারপাশের পাঁচটি নদী অর্থাৎ বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যার পানি এতটাই দূষিত হয়ে পড়েছে যে সেখানকার বেশির ভাগ স্থানে মাছের পক্ষে বেঁচে থাকা কঠিন। পদ্মার শরীয়তপুর ও মুন্সিগঞ্জের পাশে ইছামতী নদীতেও প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর অ্যামোনিয়ার পরিমাণ মানমাত্রার চেয়ে বেশি। তা ছাড়া এসব নদীতে ক্রোমিয়াম, আয়রন ও জিংকের মতো ভারী ধাতু মানমাত্রার চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে মানমাত্রা প্রতি লিটারে দশমিক ৫ মাইক্রোগ্রাম। অথচ এসব নদীতে পাওয়া গেছে প্রতি লিটারে দশমিক ৮ থেকে ৮ দশমিক ২ মাইক্রোগ্রাম।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান প্রথম আলোকে বলেন, ‘নদী–জলাশয় রক্ষা করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু আমরা দেখছি, আমাদের নদীগুলো দূষণের পর্যায় থেকে এখন মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আর নদী মরে যাওয়া মানে মানুষের খাওয়ার পানি, মাছ ও জলজ প্রাণীর বাসস্থান হারিয়ে যাওয়া। তাই অন্তত নদী রক্ষায় সরকার তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড by সাজেদুল হক ও অনিম আরাফাত

আক্রান্ত মুসলিম সম্প্রদায়কে অভয় দিলেন, তোমরাই আমরা। জাসিনদা আরডেনের সাদাসিধে চলাফেরা সেদিনই অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। পশ্চিমা দুনিয়ার শাসকদের জন্য এটা অবশ্য ব্যতিক্রম কোনো ঘটনা নয়। কিন্তু গত এক সপ্তায় যা যা হলো তাতে নিউ ইয়র্ক টাইমস পর্যন্ত আফসোস করেছে, আমেরিকার যদি একজন আরডেন থাকতো।
পৃথিবীটা এমনিতেই খুব খারাপ একটা সময় অতিক্রম করছে। দেশে দেশে ডনাল্ড ট্রাম্প, নরেন্দ্র মোদিদের উত্থান। ভোটের বাজিতে উত্রাতে উস্কে দেয়া হচ্ছে ঘৃণা। আকাশে বোমারু বিমান। এ যেন সেই সময় যে সময়ের বয়ান দিতে গিয়ে আল মাহমুদ লিখেছেন, ‘ভাবো, ইতিহাসের গতিরুদ্ধ। মানুষের আর কোনো ইতিহাস থাকবে না। পুঁজি থাকবে, সাম্রাজ্যবাদী বিশ্ববিচরণশীল লুণ্ঠন থাকবে, কিন্তু না বলার মতো কোনো দেশ থাকবে না। কেবল মহাকাশব্যাপী ঈগলখচিত বোমারু বিমানগুলো উড়বে- কিন্তু মাটি, পাহাড় বা সাগর থাকবে না।’
সেই সময়ে দাঁড়িয়ে দুনিয়াতে এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন আরডেন। ৩৮ বছর বয়সী এই প্রধানমন্ত্রী উত্রে গেলেন তার জীবনের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষায়। এমন পরীক্ষার টেবিলে নিউজিল্যান্ডের আগের কোনো প্রধানমন্ত্রীকে বসতে হয়নি। এমনিতে নিউজিল্যান্ড শান্তির দেশ হিসেবে পরিচিত। খুন-খারাবি নেই বললেই চলে। সেখানে এক শ্বেতাঙ্গ সন্ত্রাসী চরম ঘৃণা নিয়ে হামলা চালালেন মসজিদে। হত্যা করলেন ৫০ মুসল্লিকে। এই নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডে তোলপাড় তৈরি হয় সারা দুনিয়াতেই। তবে ঘটনাটি যে হঠাৎ করেই ঘটেনি তা বহু পর্যবেক্ষকই স্বীকার করেন। পশ্চিমা রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যমের একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে এ ঘৃণা ছড়িয়ে আসছে। ইসলামভীতি তৈরিতে নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে আসছেন তারা।
কিন্তু নিউজিল্যান্ডে মসজিদে সন্ত্রাসী হামলা এটা আবার সামনে নিয়ে আসে যে সন্ত্রাসের কোনো ধর্ম নেই, জাত নেই। নিউজিল্যান্ড, এ দেশটির জনগণ ও প্রধানমন্ত্রী তামাম দুনিয়ার সামনে নজির হাজির করেন- কেবলমাত্র ভালোবাসা দিয়েই পরাজিত করা সম্ভব ঘৃণাকে। তারা একযোগে মুসলমানদের পাশে এসে দাঁড়ান। তাদের অভয় দেন। সংহতি প্রকাশ করেন। হিজাব পরে আরডেন এবং তার দেশের নারীরা বার্তা দেন মুসলিম নারীদের। ‘সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই’- সেই চিরায়ত উচ্চারণ দীপ্তকণ্ঠে ফিরে আসে আরডেনের মুখে।
মুহূর্তেই সারা দুনিয়ার মানুষের মন জয় করে নেন তিনি। আক্রান্ত নূর মসজিদের ইমাম যখন বলেন, নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী যেভাবে এই ঘটনার নিন্দা করেছেন, শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন তা গোটা বিশ্বে একটি দৃষ্টান্ত। এটা শুধু নূর মসজিদের ইমামের কথাই নয়, এটা যেন এখন সারা পৃথিবীরই কথা। মুক্ত দুনিয়ার মানুষ, রাজনীতিবিদরা আকুণ্ঠ প্রশংসায় মেতেছেন আরডেনের। বিশ্ব সংবাদ মাধ্যমও যোগ দিয়েছে এ দৌড়ে। নিউ ইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, গার্ডিয়ান থেকে সারা পৃথিবীর সংবাদ মাধ্যমে এক প্রশংসিত নাম আরডেন। সবারই প্রশ্ন এমনও হয় নাকি। আরডেনের প্রশংসা করে নিউ ইয়র্ক টাইমসের সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, আতঙ্ক কীভাবে সামাল দিতে হয় তা আরডেনের কাছ থেকে শেখা উচিত বিশ্বের। অন্যদিকে, গার্ডিয়ানে লেখা হয়েছে সত্যিকারের নেতা।
আরডেনকে নোবেল দেয়ার পিটিশন:
এই পরিস্থিতিতে জাসিনদা আরডেনকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দেয়ার দাবি উঠেছে। এরই মধ্যে দুটি পিটিশন করা হয়েছে। একটি পিটিশন করা হয়েছে চেঞ্জ ডট অর্গ (ঈযধহমব.ড়ৎম)-এ। আরেকটি করা হয়েছে ফরাসি ওয়েবসাইট আভাজ ডট অর্গ (অঠঅঅত.ড়ৎম)-এ। অনলাইনে এ দুটি পিটিশনে এরই মধ্যে স্বাক্ষর করেছেন কয়েক হাজার মানুষ। এ খবর দিয়েছে অনলাইন নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড। ফরাসি সাইটে লেখা হয়েছে, ক্রাইস্টচার্চে বিয়োগান্তক ঘটনার পর উপযুক্ত, উন্মুক্ত ও শান্তিপূর্ণভাবে যে পদক্ষেপ নিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিনদা আরডেন, আমরা আশা করি আগামীতে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার তার হাতে তুলে দেয়া হবে। ধারণা করা হচ্ছে, ফরাসি সাইটে এই আবেদনটির উদ্যোক্তা ফরাসি কবি ড. খাল তোরাবুলি।
নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড লিখেছে, গত সপ্তাহের ওই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর দেশকে যেভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন তার জন্য সারা বিশ্ব তার প্রশংসা করেছে। তার এ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে দুবাইয়ের বুর্জ খলিফায় তাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তাতে একজন মুসলিম নারীকে তিনি আলিঙ্গন করছেন- এমন একটি ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। মুসলিমদের প্রতি তিনি যে আন্তরিক সহানুভূতি ও সমর্থন দেখিয়েছেন তার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ। বলেছেন, এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের ১৫০ কোটি মুসলিমের শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন জাসিনদা।
নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে আমিরাতের ‘সালাম’: বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন বুর্জ খলিফায় ফুটিয়ে তোলা হলো আরডেনকে। এতে দেখানো হয়েছে, তিনি ক্রাইস্টচার্চে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত মুসলিমদের পরিবারের সদস্যদের জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দিচ্ছেন। হামলার পর মুসলিমদের প্রতি তিনি যে সমর্থন, সম্মান দেখিয়েছেন তার প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করতে শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থিত বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন বুর্জ খলিফায় তাকে এভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়। সিডনি মর্নিং হেরাল্ডকে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে অনলাইন দ্য স্ট্রেইটস টাইমস।
প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ৮২৯ মিটার উঁচু বুর্জ খলিফার চারদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। তার মধ্যে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে এই টাওয়ার। এর উপরেই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে আরডেনকে। তিনি মাথায় স্কার্ফ পরা। মসজিদে হামলায় নিহতদের এক নারী স্বজনকে জড়িয়ে ধরে আছেন তিনি। তার মাথার একটু উপরে আরবিতে লেখা ‘সালাম’ যার অর্থ শান্তি। বুর্জ খলিফার এমন ছবি টুইট করেছেন সংযুুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ।
শেখ মোহাম্মদ শুক্রবার টুইটে লিখেছেন, মসজিদে হামলায় শহীদদের সম্মানে নিউজিল্যান্ড নীরব আজ (শুক্রবার)। সন্ত্রাসী হামলার পর বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের মধ্যে এক হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। তারপর নিউজিল্যান্ড ও এ দেশের প্রধানমন্ত্রী জাসিনদা আরডেন যে আন্তরিক সহানুভূতি ও সমর্থন দিয়েছেন তাতে ১৫০ কোটি মুসলিমের শ্রদ্ধা পেয়েছেন তিনি।
কে এই আরডেন
নিউজিল্যান্ডের একদম প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে উঠে এসেছেন জাসিনদা আরডেন। ১৯৮০ সালের ২৬শে জুলাই নিউজিল্যান্ডের হ্যামিল্টনে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার বাবা ছিলেন একজন পুলিশ কর্মকর্তা। মা একটি স্কুলের খাবার পরিবেশনের দায়িত্বে ছিলেন। জাসিনদা মরিন্সভিল্লে কলেজে পড়াশোনা করেছেন। ২০০১ সালে তিনি ওয়াইকাটো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি দেশটির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হেলেন ক্লার্কের অফিসে গবেষণা কাজে নিয়োজিত হন। এ ছাড়া তিনি বৃটেনে প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেছেন। রাজনীতির সঙ্গে এভাবেই যুক্ত হন তিনি। তবে তার ফুপি ম্যারি আরডেন লেবার পার্টির সঙ্গে সংযুক্ত থাকায় কিশোরী বয়সেই রাজনীতির সঙ্গে পরিচিত হয়ে উঠেন তিনি।
২০০৮ সালে সমাজতান্ত্রিক তরুণদের আন্তর্জাতিক সংগঠনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন জাসিনদা আরডেন। সে বছরই তিনি প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডের বাম ঘরানার দল লেবার পার্টির একজন এমপি নির্বাচিত হন। এর ঠিক দশ বছরের মধ্যেই তিনি নিজেকে লেবার পার্টির সব থেকে যোগ্য নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন। ২০১৭ সালের ১লা মার্চ তিনি লেবার পার্টির ডেপুটি প্রধান নির্বাচিত হন। ওই বছরের ১লা আগস্ট তিনি লেবার পার্টির প্রধান নেতা নির্বাচিত হন। সেপ্টেম্বরের নির্বাচনে তিনি জোট গঠনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে সক্ষম হন। জাসিন্দা আরডেন পার্টির প্রধান হওয়ার আগে আন্ড্রু লিটল ছিলেন এ পদে। তার সময়ে লেবার পার্টির জনপ্রিয়তায় ব্যাপক ধস নামে। ফলে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। দলের কঠিন সময়ে এর হাল ধরে তাকে পুনরায় জনপ্রিয় করে তোলেন জাসিনদা আরডেন।
রাজনৈতিক নানা সমীকরণ মিলিয়ে ২০১৭ সালের ২৬শে অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন তিনি। ক্ষমতায় বসেই তিনি ঘোষণা দেন, তার সরকার হবে শক্তিশালী ও সংবেদনশীল। ক্ষমতায় বসার কিছুদিন পরেই গর্ভবতী হন জাসিনদা। তবে এ জন্য তিনি দায়িত্বে গাফিলতি করেন নি। গর্ভবতী অবস্থায়ই তিনি ইউরোপ সফর করেছেন, রাষ্ট্রনায়কের দায়িত্বও পালন করেছেন সফলভাবে। শেষদিকে মাত্র ৬ সপ্তাহের মাতৃত্বকালীন ছুটি নিয়েছেন আরডেন। ২০১৮ সালে ‘ফোর্বসের পাওয়ার উইমেনের’ তালিকায় জায়গা করে নেন তিনি। আছেন টাইম ম্যাগাজিনে সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকাতেও। জলবায়ু পরিবর্তন, শিশু দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে কাজ করছেন তিনি। নিজ দেশে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একট সহানুভূতিশীল সরকার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জিএম কাদের আউট: মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে নিয়ে নানা জল্পনা

আগের দিন রাতে পার্টির কো-চেয়ারম্যানের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার পরের দিন বিরোধী দলের উপনেতার পদও কেড়ে নেন। জাপা চেয়ারম্যানের হঠাৎ এই সিদ্ধান্তে নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। মুখে মুখে প্রশ্ন কী হচ্ছে পার্টিতে। কে বা কারা নিচ্ছেন পার্টির সিদ্ধান্ত।
পার্টির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা খুব বেশি ভালো নেই। এ অবস্থায় পার্টির গুরুত্বপূর্ণ পদে এমন পরিবর্তনে নানা সন্দেহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আকস্মিকভাবে পার্টিতে যোগ দিয়ে প্রেসিডিয়াম সদস্য ও পরে এমপি হওয়া মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছে নানা জল্পনা। পার্টিতে তার অবস্থান সন্দেহের চোখে দেখছেন অনেকে। এক-এগারোর সময়ের বিতর্কিত এই সেনা কর্মকর্তা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে জাতীয় পার্টি থেকে এমপি হন। পরে এরশাদের প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টাও হন লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। জাপার একাধিক সূত্র জানায়, পার্টি চেয়ারম্যানের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ভূমিকা থাকতে পারে। এ ছাড়া ভবিষ্যতে তাকে আরো গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখা যেতে পারে বলে নেতাকর্মীরা আলোচনা করছেন। ওই সূত্রের দাবি দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রেসিডিয়ামের বৈঠকে অংশ নিলেও অন্য নেতাদের সঙ্গে পার্টি নিয়ে খুব একটা আলোচনা হয় না নবাগত এ নেতার। তাই পার্টিতে তার কি ভূমিকা হবে- এটি কারও কাছে স্পষ্ট নয়।
সর্বশেষ শুক্রবার রাতে পার্টির কো-চেয়ারম্যান থেকে এবং গতকাল বিরোধী দলের উপনেতা থেকে জিএম কাদেরকে সরিয়ে দেন এরশাদ। পৃথক চিঠিতে তিনি এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। নির্বাচনের কিছুদিন আগে মহাসচিব পদ থেকে রুহুল আমিন হাওলাদারকে সরিয়ে দেন এরশাদ। এ পদে মশিউর রহমান রাঙ্গাকে বসান। এরশাদের অত্যন্ত বিশ্বস্ত ছিলেন রুহুল আমিন হাওলাদার। তিনি রাজনীতিতেও এরশাদের সঙ্গী কয়েক দশকের। অপসারণের পরে রুহুল আমিন হাওলাদার পার্টির কর্মকাণ্ড থেকে অনেকটা অন্তরালে চলে যান। নিজের মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় এবার তিনি এমপিও হতে পারেন নি। রুহুল আমিন হাওলাদারকে অপসারণের পরে জাপা কারা চালায় সে প্রশ্নটি সামনে আসে। পদ চলে যাওয়ার পরে পার্টির কোনো সভা-সমাবেশে সামনে আসেন নি হাওলাদার। এদিকে জাপার সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও এরশাদের স্ত্রী বেগম রওশন এরশাদ দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় নন। তিনিও নেতাকর্মীদের থেকে দূরে। পার্টির দুই একটি সমাবেশে তাকে দেখা গেলেও তা নিয়মিত নয়। তাকে কেউ প্রয়োজনেও পান না বলে অভিযোগ রয়েছে। নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ না রাখলেও এরশাদের অনেক সিদ্ধান্তে তার ভূমিকা রয়েছে বলে জানা যায়। এরশাদ যেসব সিদ্ধান্ত নেন তাতে রওশন এরশাদের ভূমিকা রয়েছে বলে নেতাকর্মীদের ধারণা। এদিকে পার্টির অভ্যন্তরে নানা মেরূকরণের কারণে তৃণমূলে ক্রমে শক্তিহীন হয়ে পড়ছে জাপা। নেতাকর্মীরা হতাশ হয়ে রাজনীতি ছেড়ে দিচ্ছেন অথবা অন্য দলে যোগ দিচ্ছেন। চলমান উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলটির প্রার্থীরা কোথাও প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারছেন না।
যদিও প্রধান বিরোধী দলগুলো এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না।
পার্টির এমন দুঃসময়ে প্রেসিডিয়াম সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ভূমিকা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে নানা জল্পনা। তিনি গত ১৫ই নভেম্বর জাপায় প্রাথমিক সদস্য পদ পান। একই সঙ্গে রাতারাতিই পার্টির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের সদস্য হন। এ ছাড়া এরশাদের প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব দেয়া হয় তাকে। পার্টির অনেক সিদ্ধান্তে তার হাত রয়েছে বলে নেতাদের ধারণা। জাপার রাজনীতিতে তার হঠাৎ প্রবেশ ও উদ্দেশ্য নিয়ে তখনই প্রশ্ন দেখা দেয়। এ ছাড়া দলে তার পদ পাওয়া নিয়েও অন্য একটি দলের হাত রয়েছে বলে জানান জাপার এক প্রেসিডিয়াম সদস্য। জাপার গত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গার উপস্থিতিতে এ নিয়ে নেতারা তর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। পার্টির সদস্য ফরম পূরণ করেই হুট করে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বা চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হওয়ায় সিনিয়র অনেক নেতাই ক্ষুব্ধ হন।
এদিকে পার্টি সূত্র বলছে সামনে আরো গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আসছে। অনেকেই পদ হারাতে পারেন। আবার নতুন দায়িত্ব পেতে পারেন। এক্ষেত্রে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী গুরুত্বপূর্ণ পদে আসতে পারেন বলে নেতাকর্মীরা ধারণা করছেন।
জাপা প্রেসিডিয়াম সদস্য ও এরশাদের একান্ত সচিব মেজর (অব.) খালেদ আখতার মানবজমিনকে বলেন, জাপায় বহিষ্কার আর পদায়ন তেমন কোনো কিছু নয়। জিএম কাদের পার্টির চেয়ারম্যান নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছেন বলে আমি শুনেছি। এ কারণে স্যার এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে স্যার যে চিঠি দিয়েছেন তাতেই স্ব-বিরোধী কথা রয়েছে। তিনি পার্টির কাউন্সিলের কথাও বলেছেন আবার তাকে অব্যাহতিও দিয়েছেন। তবে জাপায় কে কখন আসল, কে কার লোক, ভেতরে ভেতরে কি পরিকল্পনা আছে, তা আমরা কিছু জানি না। হঠাৎ এরশাদ এমন সিদ্ধান্ত কেন নিলেন, এখানে অন্য কারও হাত আছে কিনা এমন প্রশ্নে খালেদ আখতার সরাসরি কোনো উত্তর দেননি। তিনি বলেন, সবই তো আপনারা জানেন। এ দেশে সুস্থ রাজনীতি আর নেই।
দুই দিনে দুই পদ হারালেন কাদের: শুক্রবার রাতে পার্টি চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ জিএম কাদেরকে পার্টির কো-চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেন। সাংগঠনিক নির্দেশ নামে এ চিঠিতে এরশাদ উল্লেখ করেন, ইতিপূর্বে আমি জিএম কাদেরকে পার্টির ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকারী হিসেবে ঘোষণা এবং আমার অবর্তমানে পার্টির সকল সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা প্রদান করেছিলাম। কিন্তু জিএম কাদের তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি শুধু দায়িত্ব পালনে ব্যর্থই হননি, দলের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি দায়িত্বে আসার পর থেকে পার্টি আরো ঝিমিয়ে পড়ছে।
এ ছাড়া পার্টির অধিকাংশ সিনিয়র নেতারাও জিএম কাদেরের নেতৃত্বকে মেনে নিতে অপারগতা প্রকাশ করেছে। তাই আমি পূর্বের আদেশ পরিবর্তন করে জিএম কাদেরকে পার্টির কো-চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি দিচ্ছি। সাংগঠনিক নির্দেশে এরশাদ আরো উল্লেখ করেন, জিএম কাদের পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে থাকবেন। এদিকে গতকাল এক চিঠিতে জিএম কাদেরকে বিরোধী দলের উপনেতার পদ থেকেও সরিয়ে দেন। যদিও আগের দিনের চিঠিতে তিনি জানিয়ে ছিলেন এ পদের বিষয়ে পার্লামেন্টারি পার্টিতে সিদ্ধান্ত হবে। গতকালের চিঠিতে নিজ ক্ষমতা বলে তাকে এ পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার কথা জানান এরশাদ। একই চিঠিতে রওশন এরশাদকে সংসদের বিরোধী দলের উপনেতা করা হয়েছে। গতকালই ওই চিঠি স্পিকারের দপ্তরে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। চিঠিতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছেন জাপা চেয়ারম্যান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিউজিল্যান্ডে ভালোবাসার পদযাত্রা

অর্থাৎ টেরেন্ট আমাদের মাঝে বিভক্তি সৃষ্টি করতে চেয়েছিল।
কিন্তু সে আমাদেরকে শুধুই শক্তিশালী করেছে। আরেকটি প্ল্যাকার্ডে লেখা ‘মুসলিমস ওয়েলকাম, রেসিস্ট নট’। যার অর্থ দাঁড়ায়- মুসলিমদের স্বাগতম, বর্ণবাদকে নয়। গতকালকের এই পদযাত্রায় যারা অংশ নিয়েছেন তাদের সবাই দৃশ্যত ছিলেন নীরব। তারা মৃদুস্বরে গেয়েছেন শান্তির বাণী। ওদিকে ইসলামের পবিত্র ভূমি মক্কা শরীফে শুক্রবার জুমার নামাজের পর নিউজিল্যান্ডে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া।
গতকালকের র্যালির আয়োজকদের অন্যতম ১৬ বছর বয়সী মানাইয়া বাটলা। তিনি পড়াশোনা করেন। বলেছেন, আমি মনে করি বিভিন্ন সময়ে ঘৃণা অনেক অন্ধকারকে সামনে এনেছে। কিন্তু সেই অন্ধকারের পাশাপাশি ভালোবাসা হয়েছে আরো শক্তিশালী। সেই ভালোবাসা অন্ধকারকে দূর করে দিয়েছে।
শনিবারও আল নূর মসজিদ খোলা আছে। এর আশেপাশে পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র পুলিশ। তারা হামলার শিকার লিনউড মসজিদও খুলে দিচ্ছে বলে জানিয়েছে। আল নূর মসজিদের বাইরে আশিক শেখ নামে একজন বলেছেন, এই সেই মসজিদ যেখানে আমরা নামাজ আদায় করি। আমরা একে অন্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি। আবার আমরা সেখানে ফিরে আসতে পেরেছি। হামলার দিনেও তিনি এই মসজিদে উপস্থিত ছিলেন। ওই হামলায় নিহত হয়েছেন তার দুই প্রতিবেশী।
ওই হামলায় নিহতদের বেশির ভাগই বিদেশি অভিবাসী। এর মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, সোমালিয়া ও আফগানিস্তানের অভিবাসী।
গতকালের র্যালিতে নিরাপত্তা ছিল জোরালো। নির্বিঘ্নে যেন র্যালি করতে পারেন তারা এ জন্য কয়েক ডজন সশস্ত্র পুলিশ অফিসার ও বাস মোতায়েন করা হয়েছিল রাস্তায়। র্যালিতে অংশ নিতে অকল্যান্ড থেকে ছুটে এসেছেন ভারতীয় পরামর্শক গ্রুপ ‘শক্তি’তে কর্মরত শীলা নায়ার। তিনি বলেছেন, এই সমর্থন আমাদেরকে আশার সঞ্চার করেছে। অভিবাসী ও শরণার্থী সম্প্রদায় নিউজিল্যান্ডে সমঅধিকারের দাবি রাখে। এই সংহতির প্রশংসা করি আমরা। এই সংহতিকে ধরে রাখতে হবে। একে নষ্ট হতে দেয়া যাবে না। এভাবেই একটি সমাজ পরিবর্তিত হয়।
ওদিকে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিনদা আরডেন। তার সময়োপযোগী ও বুদ্ধিদীপ্ত পদক্ষেপের জন্য। হামলার পর পরই দ্রুততার সঙ্গে তিনি এর নিন্দা জানিয়েছেন। ছুটে গেছেন মুসলিমদের কাছে। শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নিহতদের প্রতি। তাদের স্বজনদের জানিয়েছেন সমবেদনা।
প্রতিদিন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেছেন তিনি। যোগ দিয়েছেন অনেক শোক অনুষ্ঠানে। এমনকি লাশ দাফনের সময়ও তিনি উপস্থিত ছিলেন। প্রতিটি সময় তিনি মুসলিমদের রীতি অনুযায়ী মাথায় ওড়না পরে হাজির হয়েছেন। সামরিক স্টাইলের আধা স্বয়ংক্রিয় এবং অ্যাসল্ট রাইফেল বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার সারা দেশে ২ মিনিট নীরবতা পালনের ঘোষণা দেন তিনি। সেই ঘোষণা অনুযায়ী তিনি নিজে ছুটে যান মুসলিমদের কাছে। মাথায় ওড়না পরে তিনি ইমামের বয়ান শোনেন। নিজে পবিত্র হাদিস পাঠ করে শোনান। এদিন আল নূর মসজিদে উপস্থিত হন অন্য ধর্মের বিপুল সংখ্যক নারী-পুরুষ। নারীদের মাথায় ওড়না বা স্কার্ফ পরে থাকতে দেখা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর এমন পদক্ষেপ এবং তার সরকারের গৃহীত কর্মকাণ্ড বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে। এ জন্য শুক্রবার তাকে টুইটারে ধন্যবাদ জানিয়েছেন দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাখতুম। এতে তিনি লিখেছেন, জাসিনদা আরডেন ও নিউজিল্যান্ড এই সমর্থন, সহানুভূতি দেখানোয় আপনি ১৫০ কোটি মুসলিমের শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন।
২০১৩ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী নিউজিল্যান্ডের মোট জনসংখ্যা ৪৮ লাখ। এর মধ্যে শতকরা মাত্র এক ভাগের সামান্য বেশি মুসলিম জনগোষ্ঠী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিজ্ঞানী ড. মোজাফ্ফরের মানবেতর জীবন by রিপন আনসারী

একজন কাজের মহিলা আর গ্রামের প্রতিবেশীরাই তার বেঁচে থাকার অবলম্বন। মানুষটি আর কেউ নন, তিনি হচ্ছেন দেশের অহঙ্কার বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার বিজ্ঞানী ড. মোজাফ্ফর হোসেন। সরজমিন মানিকগঞ্জ শহর থেকে প্রায় চার কিলোমিটার পথ পেরুলেই নির্জন কান্দা পৌলি গ্রাম। এ গ্রামের অহঙ্কার ছিলেন বিজ্ঞানী ড. মোজাফ্ফর হোসেন। বাড়ি গিয়ে দেখা গেল এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য। একটি ঘরের বারান্দায় চেয়ারে বসিয়ে রাখা হয়েছে তাকে। জিজ্ঞেস করা হলো কেমন আছেন? কোনো উত্তর নেই। ফ্যাল ফ্যাল করে শুধু তাকিয়ে থাকেন। এরপর নিজেই শুরু করলেন এলোমেলো গান আর কবিতা। তার দেখাশোনার দায়িত্বে আছেন রোকেয়া বেগম নামের এক কাজের মহিলা। প্রতি মাসে ঢাকা থেকে কিছু টাকা পাঠায় ড. মোজাফ্ফর হোসেনের স্ত্রী লিপি। অসুস্থতার জন্য কোনো ওষুধ সেবন করানো হয় না। শুধুমাত্র ২৫ পাওয়ারের একটি করে ট্রিপটি খাইয়ে ঘুম পারানোর চেষ্টা করা হয়। গায়ে ভালো কোনো পোশাক নেই, দুবেলা খাবারও ঠিকমতো জুটে না। তারপরও দায়িত্বে থাকা রোকেয়া বেগম নিজে খেয়ে না খেয়ে তার মুখে খাবার তুলে দেয়ার চেষ্টা করেন। কথা হয় রোকেয়া বেগমের সঙ্গে। ড. মোজাফ্ফর হোসেনের সেবা করতে করতে তিনিও ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। জানালেন, তিন মাস ধরেই বাচ্চা ছেলেমেয়েদের মতো তার সেবা করতে হচ্ছে। পায়খানা-প্রস্রাবের সবই এক হাতেই করতে হয়। মানুষটির স্ত্রী-সন্তানরা যে এত পাষাণ হয় তা ভাবতে কষ্ট হয়। ঢাকা থেকে যেদিন তাকে গ্রামে দিয়ে গেল- মানুষটির দিকে তাকানো যেতো না। মনে হয় পেটে-পিঠে লেগে গেছে। মুখখানি কালো ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। তারা যে কয় টাকা দেয় তা দিয়ে একজন রোগীর খাওয়া-দাওয়া ও সেবা-যত্ন করা কঠিন। সব সময়ই খেতে চায়। ওই টাকার মধ্যে আমি যতটুকু পারি তা দিয়েই খাবার জোগাড় করি। মানসিক ভারসাম্য হারালেও মৃত মা-বাবার কথা মনে করে প্রায় রাতেই চিৎকার করে কাঁদতে থাকেন। থামানো যায় না। পাড়া-প্রতিবেশীরা সব সময়ই সহযোগিতা করেন। তা না হলে মানুষটিকে লালন পালন করা যেত না। মানুষটির ভালো চিকিৎসা হলে ভালো হয়ে যেতো। খুব কষ্ট লাগে তার জন্য। তাই নিজের বাবার মতোই দেখার চেষ্টা করি। ড. মোজাফ্ফরের বাল্যবন্ধু ডাক্তার সাঈদ আল মামুন জানান, সম্ভবত মোজাফ্ফর অ্যালজেইমার রোগে আক্রান্ত। এই রোগে আক্রান্তদের স্মরণ শক্তি কমে যায়। অতীত-বর্তমানের কথা ভুলে যায়। কাউকে চিনতে পারে না। অনেক সময় উচ্চস্বরে চিৎকার করে। কিন্তু এভাবে বিনা চিকিৎসায় তাকে নিঃসঙ্গভাবে ফেলে রাখা হলে অবস্থা আরো বেশি খারাপের দিকে যাবে। তাই তাকে পরিবারের সদস্যদের সময় দেয়া উচিত।
পাশাপাশি তাকে ভালো নিউরোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে রাখতে হবে। তবে ড. মোজাফ্ফরের স্ত্রী লিপির সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি ভিন্ন কথা বলেন। তার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, মোজাফ্ফর জটিল রোগে আক্রান্ত। ঢাকায় থাকাকালিন অবস্থায় আশেপাশের প্রতিবেশীরা প্রতিদিনই তার পাগলামির বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতো। সে কারণে তাকে গ্রামের বাড়ি রাখা হয়েছে। স্বামীর সেবা- যত্নের জন্য গ্রামের এক নারীকে বেতন দেয়া হয়। চিকিৎসা সেবাও দিয়ে যাচ্ছি। ডাক্তার বলেছে তার স্বামী কখনো স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে না। সব সময়ই পাগলের মতো আচরণ করেন। ওষুধ কি খাওয়াচ্ছেন এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, মনে হয় ওষুধ শেষ হয়ে গেছে, আমি ঢাকা থেকে দিয়ে আসবো। তিনি জানান, দুই ছেলে লেখাপড়া করছে। তাই সন্তানদের সঙ্গে আমি ঢাকা থাকছি।
জানা গেছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র ছিলেন বিজ্ঞানী ড. মোজাফ্ফর হোসেন। পিএইচডি করেন রসায়নের ওপর। বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার থাকাকালিন অবস্থাতেই তার মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। ২০১৪ সালে চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ার পর মানসিকভাবে আরো বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন। সে সময় এককালিন অর্ধ কোটি টাকা পেলেও সবই স্ত্রীর জিম্মায় চলে যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে কিছু দিন চিকিৎসা করানো হলেও সুফল পাননি। বড় ছেলে অর্ণব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ছোট ছেলে আরিয়ান এইচএসসিতে লেখাপড়া করছেন। মায়ের সঙ্গে দুই ছেলে ঢাকায় থাকেন। আর গ্রামে অযত্ন-অবহেলা এবং বিনা চিকিৎসায় ধুঁকে ধুঁকে মরছেন ড. মোজাফ্ফর হোসেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভাই কাদেরকে যে কারণে সরালেন এরশাদ by তানভীর সোহেল

বিশেষ করে ২১ মার্চ এরশাদের বারিধারার বাসায় ছোট ভাই জি এম কাদের সঙ্গে অনেক কথা বলেন। সেখানে উপস্থিত জাতীয় পার্টির একজন নেতা নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, ‘ওই দিন স্যার (এরশাদ) জিএম কাদেরের প্রশংসা করেন এবং দোয়া করেন। স্যার বলেন, তুমি (কাদের) খুব ভালো করছ। ভালো ভাবে দল চালাচ্ছ। দোয়া করি।’
এর ঠিক একদিনের মাথায় অর্থাৎ ২২ মার্চ জি এম কাদেরকে দল পরিচালনায় ব্যর্থ উল্লেখ করে কো চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ করেন এইচ এম এরশাদ। শুধু তাই না আজ ২৩ মার্চ শনিবার জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতার পদ থেকেও জিএম কাদেরকে সরিয়ে দিয়ে সেই পদে সাবেক বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদকে নিয়োগ করেছেন এরশাদ।
এইচ এম এরশাদ নিজেই সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা।
ভাই ও দলীয় প্রধান এইচ এম এরশাদের এমন সিদ্ধান্তে অবাধ হয়েছেন জিএম কাদের। তিনি প্রথম আলোকে বলেছেন, পুরো বিষয়টা অদ্ভুত লেগেছে।
২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভাই এরশাদের নির্দেশে অংশ নেননি জি এম কাদের। অথচ ওই নির্বাচনে দলের অনেক নেতাই এরশাদের নির্দেশ মানেননি। ভাইয়ের প্রতি জিএম কাদেরের আনুগত্য নিয়ে দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে কোনো সংশয় নেই। তাহলে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ কেন হঠাৎ করে এই সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।
জাতীয় পার্টিতে জিএম কাদেরের পক্ষে যেমন নেতারা আছেন তেমনি বিরোধী পক্ষও রয়েছে। ফলে এ নিয়ে দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া গেছে।
জিএম কাদেরকে যারা পছন্দ করেন তারা এইচ এম এরশাদের এই হঠাৎ সিদ্ধান্তের পেছনে দুটি কারণ দেখছেন। এক. জিএম কাদেরের কারণে দলের দলের প্রভাবশালী নেতারা দলের ওপর নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে পারছেন না। দুই. ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের একটি অংশও জাতীয় পার্টিকে তাদের ইচ্ছেমতো ব্যবহার করতে পারছেন না। জিএম কাদের পুরোপুরি সরকারের ‘মুঠোর’ লোক নন বলেই তাদের মত। মূলত এই দুটি কারণে এইচ এম এরশাদকে ‘ভুল’ বুঝিয়ে বা ‘চাপে’ ফেলে জিএম কাদেরকে দলের দায়িত্বপূর্ণ অবস্থান থেকে সরিয়ে দিয়েছেন।
এই পক্ষটি এর পেছনে জাতীয় পার্টির ৫ জন নেতার হাত আছে বলে মনে করছেন। এদের মধ্যে চারজনই আওয়ামী লীগের বা ক্ষমতাসীনদের পছন্দের লোক বলে দলে পরিচিত। একজন এরশাদের ঘনিষ্ঠ, যাকে সরকারপন্থীদের অনেকেই পছন্দ করেন না।
এরশাদের বনানী কার্যালয়ে বসেন এমন একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, জিএম কাদেরের সঙ্গে আওয়ামী লীগের একটি অংশের সম্পর্ক অনেক দিন ধরেই ভালো যাচ্ছিল না। ২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জন করা এবং পরবর্তীতে ওই সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ব্যাপারে সমালোচনা করাটা আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই ভালো ভাবে নেননি। ওই সময় থেকে দূরত্ব শুরু। এটা আর কখনো ঠিক হয়নি।
অপর পক্ষটি অবশ্য বলছেন, এরশাদের সঙ্গে জিএম কাদেরের মনোমালিন্যই এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জিএম কাদের প্রথম আলোকে বলেন, দলের সবাই তো বলছে আমি দল ভালো পরিচালনা করছিলাম। তাহলে কেন এই সিদ্ধান্ত তা বলতে পারব না। তিনি বলেন, দলের মধ্যে ৪/৫ জন আছেন যারা আমি থাকি তা চাননি। এঁরা জ্যেষ্ঠ সদস্য। তারাই এইচ এম এরশাদকে ভুল বুঝিয়ে এমনটা করেছেন।
আপনার ব্যাপারে এইচ এম এরশাদের কোনো আপত্তি বা অসন্তোষ ছিল না জানতে চাইলে জিএম কাদের বলেন, না, তিনি আমাকে পছন্দ করেন। আমি যেভাবে দল চালাচ্ছি সেটাকে সমর্থন করেন। কাদের বলেন, যেদিন আমাকে অপসারণ করা হলো (২২ মার্চ) তার আগের দিন (২১ মার্চ) তিনি আমাকে দোয়া করেছেন। বলেছেন, তুমি খুব ভালো দল চালাচ্ছ। যেভাবে এগোচ্ছে সেভাবে এগিয়ে যাও।
অবশ্য এরশাদের ঘনিষ্ট এক নেতা প্রথম আলোকে বলেন, দলীয় চেয়ারম্যান দলের ভালোর জন্যই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, জিএম কাদের হয়তো আবেগের বশে দলের কোনো কোনো নেতাকে দায়ি করছেন। কিন্তু এটা একেবারেই ঠিক না। দলের চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ যে সিদ্ধান্ত দেন সেটাই সবাই মেনে নেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আট দিনের ব্যবধানে শিশু-কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের হাতে দুই কিশোর খুন, বলছে পুলিশ by আসাদুজ্জামান

মাত্র ৮ দিনের ব্যবধানে কিশোর গ্যাং সদস্যদের হাতে চানখাঁরপুলের আশপাশে দুই কিশোর খুন হয়। কিশোর আরিফ হোসেন খুনের (১৫ মার্চ) আগে ৭ মার্চ চানখাঁরপুল-সংলগ্ন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দক্ষিণ পাশে কিশোর সিজানকে (১৫) খুন করা হয়। পুলিশ বলছে, চকবাজার ও বংশাল এলাকায় অন্তত ৭ থেকে ৮টি গ্রুপ আছে । প্রতিটি গ্রুপে সদস্য ৩০ থেকে ৪০ জন। এরা এলাকার বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনজুর হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ছয়জন শিশু-কিশোর আরিফ হোসেনকে নৃশংসভাবে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে। চারজন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দিও দিয়েছে। এদের বয়স ১০ থেকে ১৫ বছর। এই শিশু-কিশোরদের গ্যাংয়ের নাম ‘মাফিয়া’। এর সদস্য ১২ জন। রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, হাইকোর্ট মাজার, দোয়েল চত্বর ও চানখাঁরপুল এলাকায় ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছিল এই গ্যাংয়ের সদস্যরা।
গত ১৫ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল-সংলগ্ন ফুটপাতে আরিফ হোসেন নামের এক কিশোর ছুরিকাঘাতে নিহত হয়। এ ঘটনায় আরিফের চাচাতো ভাই নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় সেদিন খুনের মামলা করেন। মামলার পর আরিফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ছয় শিশুকে গ্রেপ্তার করে শাহবাগ থানা-পুলিশ। ছয় শিশুর মধ্যে চারজন আরিফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের নির্দেশে ছয় শিশুকেই টঙ্গীর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।
নিহত আরিফের স্বজন ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আরিফের বয়স ছিল ১৫ বছর। কিশোরগঞ্জের একটি স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ত সে। বাবা হেলাল মিয়া ব্রেইন স্ট্রোক করে বিছানায় পড়ে আছেন ১০ বছর। আরিফের বড় ভাই আওলাদ পুরান ঢাকার একটি স্যান্ডেল কারখানায় কাজ করেন। স্কুলে ছুটি থাকলে ভাইয়ের কারখানায় খণ্ডকালীন কাজ করত আরিফ। শুক্রবার (১৫ মার্চ) ছুটির দিন হওয়ায় ভাই আওলাদসহ অন্যদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলার জন্য হাইকোর্ট মাজারের মাঠে আসে আরিফ। খেলা শেষে বিকেল সাড়ে ৫টায় কার্জন হলের সামনে দিয়ে আরিফসহ অন্যরা নাজিমুদ্দিন রোডের বাসায় ফিরছিল। কার্জন হলের সামনের ফুটপাত দিয়ে যাওয়ার সময় এক শিশু আরিফের গায়ে লেবুর খোসা ছুড়ে মারে। আরিফ তখন গালি দেয়। সঙ্গে সঙ্গে কিশোর গ্যাং ‘মাফিয়া’ দলের সদস্যরা আরিফকে লাথি মেরে ফেলে দেয়। মারপিট করে। তাদের একজন আরিফকে জাপটে ধরে। তখন গ্যাংয়ের নেতা ১০ বছর বয়সী একটি শিশু চাকু দিয়ে আরিফের পিঠে আঘাত করে। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় আরিফকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেদিন রাত ১০টায় তার মৃত্যু হয়।
আদালতকে শাহবাগ থানা-পুলিশ প্রতিবেদন দিয়ে বলেছে, এই শিশুরা সেদিন কার্জন হলের সামনে লেবুর শরবত খাওয়ার পর আরিফের গায়ে লেবুর খোসা ছুড়ে মারে। আরিফ তাদের গালি দেয়। তখন আরিফকে লাথি মেরে ফেলে দিয়ে ছুরিকাঘাত করে তারা পালিয়ে যায়।
খুনের আগে ছিনতাই
শাহবাগ থানার এসআই মনজুর হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, আরিফ হোসেনকে খুন করার আগে মাফিয়া গ্যাংয়ের সদস্যরা হাইকোর্ট মাজার এলাকায় ছিনতাই করে। যে শিশুটি আরিফ হোসেনকে ছুরিকাঘাত করে, সে খুব ধূর্ত ও দুর্ধর্ষ। ছুরি দিয়ে আঘাত করার পর দলের এক সদস্যকে ওই শিশু বলেছিল, ছুরি ভালো করে ধুয়ে ফেলতে, যাতে হাতের ছাপ বোঝা না যায়। আটক করার পর ওই কিশোর বলেছিল, তারা মোবাইল ছিনতাই করে না। মোবাইল ছিনতাই করলে ধরা পড়ার সম্ভাবনা বেশি। মোবাইল ট্র্যাকিং করে সহজে পুলিশ ধরে ফেলে।
মনজুর হোসেন আরও বলেন, মাফিয়া গ্যাংয়ের প্রধান কিশোরটির বয়স ১৫ বছর। সেকেন্ড ইন কমান্ড, যে কিনা আরিফকে হত্যা করেছে, তার বয়স ১০ বছর। আইনের সংস্পর্শে আসা এসব শিশুর বয়স খুবই কম। কিন্তু খুনসহ মারাত্মক সব অপরাধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তারা জড়িত। দুই বছর ধরে মাফিয়া গ্যাংয়ের সদস্যরা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত।
কিশোর আরিফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত শিশুদের সবার বাড়ি চানখাঁরপুলের আশপাশে। তারা নাজিমুদ্দিন রোড, হোসেনি দালান, চকবাজার ও বংশাল এলাকায় থাকে।
মামলার বাদী ও নিহত আরিফ হোসেনের চাচাতো ভাই নাসির উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, আরিফের বাবা ১০ বছর ধরে গুরুতর অসুস্থ। ব্রেইন স্ট্রোক করার পর থেকে তিনি শয্যাশায়ী। তাঁর বড় ছেলে আওলাদ ঢাকায় চাকরি করে সংসার চালিয়ে আসছিলেন। ছুটি পেলে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া আরিফ ঢাকায় ভাইয়ের কাছে এসে কাজ করত। আরিফ ছিল খুব শান্ত ও ভদ্র। তার মতো ভালো ছেলে হয় না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যারা ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না তারা কীভাবে গণতন্ত্রের কথা বলে -মির্জা ফখরুল

সেটা বললেই তো হয়ে যায়। জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাস আয়োজিত প্রয়াত কবি আল মাহমুদের শোকসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আলমগীর বলেন, একটা ছদ্মবেশ ধারণ করে মানুষকে বিভ্রান্ত ও প্রতারণা করে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে পুরোপুরি। সরকার আজকে বাংলাদেশটাকে কারাগারে পরিণত করেছে। পুরো বাংলাদেশের মানুষের অধিকার তারা কেড়ে নিচ্ছে। আজকে সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিককে কারাগার পাঠায়। কেউ ভিন্নমত পোষণ করলে তাদের ওপর নির্যাতন নেমে আসে। আমাদের শত শত নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে আটক করা হয়েছে এবং তাদেরকে জামিন দেয়া হচ্ছে না। আমাদের আবদুস সালাম পিন্টু (বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান) ১০ বছর ধরে মিথ্যা মামলায় কারাগারে আটক রয়েছেন।
সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল একবছর ধরে কারাগারে রয়েছেন। তাদের জামিন দেয়া হচ্ছে না। অথচ জামিন দেয়া হয় মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, মহিউদ্দীন খান আলমগীর, আবদুর রহমান বদিকে- যারা দুর্নীতিবাজ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। মির্জা আলমগীর বলেন, এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি। তারা ক্ষমতা দখল করে আছে বেআইনিভাবে। তারা বাংলাদেশকে একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চলেছে এবং করেও ফেলেছে। উদ্দেশ্য- বাংলাদেশকে একটা নতজানু পরনির্ভরশীল দেশে পরিণত করা। বর্তমান সরকার আজকে পরাশক্তিগুলোর কাছে বিক্রি হয়ে গেছে। দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা আলমগীর বলেন, আমরা কঠিন সময় পার করছি। তবে বিশ্বাস রেখে কাজ করে গেলে কঠিন সময়ও সহজ হয়ে যাবে মনে করছি। কঠিন সময় সহজ হয়ে আসবে যদি আমরা সবাই মনে করি, ‘হ্যাঁ, আমরা পারবো।’ তাহলে আমরা অবশ্যই পারব, আমরা জয়ী হবো- এই বোধ আনতে হবে। এই বোধ না আনতে পারলে আমরা সফল হতে পারবো না। আমাদের বুকের ওপর যে পাথর আছে, সে পাথর সরাতে পারব।
তাই কখনও হতাশ হবেন না। হতাশ হওয়ার প্রশ্নই আসে না। যে রাজনীতি মানুষের কথা বলে, সে রাজনীতি কখনও পরাজিত হবে না। কবি আল মাহমুদের প্রতি স্মৃতিচারণ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আল মাহমুদকে শহীদ মিনারে সম্মান দেখানো হয়নি। এরা সম্মান দেখাবে কোথা থেকে। আমার তো সন্দেহ হয়, তারা কি একুশ ও একাত্তরের চেতনায় বিশ্বাস করে? করে না। বাংলাদেশের স্বাধীনতাটাকে তারা কতটুকু বিশ্বাস করে- এ প্রশ্ন করেন মির্জা আলমগীর। সাহিত্য ও সংগীতের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে আন্দোলনের বোধ জাগ্রত করতে জাসাসের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। সংগঠনের সহসভাপতি বাবুল আহমেদের সভাপতিত্বে শোকসভায় অন্যদের মধ্যে গীতিকার ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গাজী মাজহারুল আনোয়ার, নয়াদিগন্তের সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন, কবি আবদুল হাই শিকদার ও জাসাসের সাধারণ সম্পাদক হেলাল খান বক্তব্য দেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইএসের দিন শেষ?

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, আইএসের খেলাফতের সমাপ্তি টানার ঘোষণা দেওয়ার পরপরই উল্লাসে মেতে উঠেছে সিরিয়া। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে শুরু হয়েছে উদ্যাপন। তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, খেলাফত শেষ হলেও সহিংসতার আশঙ্কা শেষ হয়ে যায়নি। এখনো আইএস বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি। কারণ, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএস ছড়িয়ে পড়েছে নাইজেরিয়া থেকে ফিলিপাইন পর্যন্ত। আর সিরিয়াতেও একেবারে নিকেশ হয়নি আইএস, বিক্ষিপ্তভাবে টিকে আছে এর অস্তিত্ব।
প্রায় পাঁচ বছর ধরে আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলেছে সিরিয়ায়। অবশেষে সেখানের আইএস উচ্ছেদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলো। গতকাল রাতেই অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দিয়েছিল যে, সিরিয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে আইএস। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই ঘোষণা দেন। কিন্তু এর পরপরই এসডিএফ জানায়, যুদ্ধ নাকি তখনো চলছে! আজ শনিবার এসডিএফ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে যে, আইএসের খেলাফত শেষ।
চলতি মার্চ মাসের শুরু থেকে এসডিএফ জোট আইএসের ওপর চূড়ান্ত আক্রমণ শুরু করে। এ সময় সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলের বাহুজে আইএসের শক্ত ঘাঁটি অবশিষ্ট ছিল। ওই এলাকায় জঙ্গিদের পাশাপাশি অনেক বেসামরিক মানুষও ছিল। এ কারণে হামলার মাত্রা কিছুটা কমাতে হয়েছিল।
আইএসের বিরুদ্ধে বিজয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে এসডিএফের মিডিয়া উইংয়ের প্রধান মুস্তাফা বালি বলেছেন, ‘আইএসের ১০০ ভাগ পরাজয় হয়েছে।’ এসডিএফের জেনারেল কোবানি বলেছেন, আইএসের গোপন দলগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চলমান থাকবে। তিনি বলছেন, এই গোপন দলগুলো মধ্যপ্রাচ্য ও পুরো বিশ্বের জন্য বিশাল হুমকি।
এদিকে আইএসের খেলাফত শেষ হওয়ার ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্বনেতারা। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাঁখো বলেছেন, এর মধ্য দিয়ে তাঁর দেশের অন্যতম হুমকি দূর হলো। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বলেছেন, আইএসের হুমকি থেকে ব্রিটিশ জনগণ ও অন্যান্যদের রক্ষা করতে তাঁর সরকার বদ্ধপরিকর।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে বাস থেকে ফেলে ‘হত্যা’

ভাড়া নিয়ে বাগ-বিতণ্ডার জের ধরে সিলেটের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের ছাত্র ওয়াসিম আব্বাসকে চলন্ত বাস থেকে ফেলে হত্যার অভিযোগ করেছে শিক্ষার্থীরা। শনিবার বিকেলে সিলেটের শেরপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গতকাল রাতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সিলেটের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় বিক্ষোভ করেছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় ওই এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
নিহত ছাত্র ওয়াসিম আব্বাসের বাড়ি হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায়। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়ো টেকনোলজি ফ্যাকাল্টি বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীরা।
ওয়াসিম আব্বাস গতকাল সকালে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে নিজ এলাকায় বিয়ের অনুষ্ঠানে যায়। বিকেলে তারা নবীগঞ্জের টোলপ্লাজায় আসে। সেখান থেকে সিলে-ময়মনসিংহ রুটে চলাচলকারী উদার পরিবহনের একটি বাসে সিলেটের উদ্দেশ্য রওয়ানা দেয়। পাশ্ববর্তী শেরপুরে আসার আগে ভাড়া নিয়ে বাসের কন্ট্রাক্টরের সঙ্গে বাগ বিতন্ডা হয় আব্বাসের। ভাড়া নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় এক পর্যায়ে তাদেরকে শেরপুরে নামিয়ে দেয়া হয়। তবে বাসে থেকে যান ওয়াসিম আব্বাস। তিনি বাস থেকে নামার আগেই বাসটি ছেড়ে দেয়। এ সময় বাসের কন্ডাক্টর দরজা বন্ধ করে দেয়।
এ সময় বাসে সঙ্গে ঝুলে থাকেন ওয়াসিম আব্বাস। এক পর্যায়ে তিনি বাসের নিচে চাপা পড়েন। ওয়াসিমের বন্ধুরা জানিয়েছেন- ওয়াসিম নামার আগেই বাসটি ছেড়ে দেয়। এক পর্যায়ে ওয়াসিম বাসের চাকার নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওয়াসিমকে মৃত ঘোষণা করেন। সিকৃবি’র ছাত্র শিপলু রায় অভিযোগ করেন- তারা সিলেট-ময়মনসিংহ সড়কে নামার সময় হেলপার তাদের ধাক্কা দেন এবং জোর করে দরজা লাগিয়ে দেয়াতে ওয়াসিম বাসের নিচে চাপা পড়েন। হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে- পরে স্থানীয়রা বাসটিকে ওসমানী নগরের বেগমপুর এলাকা থেকে ধাওয়া করে পুলিশ আটক করেছে।
গাজীপুরে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই কলেজছাত্র নিহত হয়েছে। এ সময় তাদের এক সহপাঠীসহ আরও দুজন আহত হয়েছেন। শনিবার দুপুরে মহানগরের সালনা এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো- গাজীপুর মহানগরের মাস্টারবাড়ি এলাকার জুম্মান হোসেন নাছির (১৮) ও ভীমবাজার এলাকার রবিন (২২)। আহত হলো- দক্ষিণ বাউপাড়া এলাকার আলামিন (১৮) সবাই স্থানীয় লিঙ্কন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। এ ছাড়া আহত অপরজন হলো অটোরিকশার যাত্রী আসোয়াত (১১)। গাজীপুর সদর থানার এসআই শহিদুল ইসলাম জানান, মহানগরের ইটাহাটা এলাকার লিঙ্কন কলেজ থেকে মোটরসাইকেলে চড়ে তিন বন্ধু বাড়িতে যাওয়ার পথে দুপুর পৌনে ১টার দিকে দক্ষিণ সালনা এলাকায় কনকর্ড গার্মেন্টের সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বিপরীতগামী একটি অটোরিকশার সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলের তিন আরোহী ছিটকে মহাসড়কের ওপর পড়ে যায়। এ সময় ময়মনসিংহগামী সৌখিন পরিবহনের একটি বাস কলেজছাত্র নাছিরকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই সে নিহত হয়। অপরদিকে আহত রবিনকে ঢাকা মেডিকেলে নেয়ার পথে সে মারা যায়। তাদের সঙ্গে থাকা অপর একজন আহত হয়। তাদের উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান এসআই।
ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের মেদিনীমণ্ডল এলাকায় উল্টোপথে গিয়ে এক শিক্ষার্থীকে পিষে দিলো ‘বনফুল পরিবহন’ নামে একটি বাস। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় ওই শিক্ষার্থী। শনিবার বেলা ২টার দিকে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের মেদিনীমণ্ডল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিক্ষার্থীর নাম অনন্ত (১২)। সে মেদিনীমণ্ডল আনোয়ার চৌধুরী উচ্চবিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ও উত্তর মেদিনীমণ্ডল এলাকার মালয়েশিয়া প্রবাসী রাজা মিয়ার ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার বেলা ২টার দিকে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের মেদিনীমণ্ডল এলাকা দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিল অনন্ত। এ সময় বেপরোয়া ঢাকা-খুলনা রোডের বনফুল পরিবহন (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-২১৮০) নামে একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টোপথে গিয়ে শিক্ষার্থী অনন্তকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় অনন্ত। এরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে রাখে। প্রায় এক ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-সোনামসজিদ মহাসড়কের একাডেমি মোড় এলাকায় ট্রাক চাপায় বাইসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তি হলো- শিবগঞ্জ উপজেলার চককীর্তি ইউনিয়নের ডুবলি ভান্ডারের সলি মণ্ডলের ছেলে মনিরুল ইসলাম মিনু (৬৫)। এ ঘটনায় ট্রাক চালক শিবগঞ্জ উপজেলার রানীহাটি নিচুধুমির আবদুল করিমের ছেলে আল-আমিন গুরুতর আহত হলে তাকে চিকিৎসার জন্য সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়। পুলিশ জানায়, শনিবার বিকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা সোনামসজিদগামী একটি খালি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো ট ১৮-০০৩৯) শিবগঞ্জ একাডেমি মোড় এলাকায় পৌঁছলে মনিরুল ইসলাম বাইসাইকেল নিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিল। এ সময় ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাইসাইকেলকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই মনিরুল মারা যান। পরে ট্রাকটি একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। পরে খবর পেয়ে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1421)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
March
(458)
-
▼
Mar 24
(15)
- মালিতে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত শতাধিক
- ‘ওয়াসিমকে ক্লিয়ারলি খুন করা হয়েছে’ by ওয়েছ খছরু
- ‘জৈশ-ই-মোহাম্মদ’ নিয়ে চীনের আগ্রহ কোথায়?
- থাইল্যান্ডে ভোট আজ
- ইন্টারনেটে ব্ল্যাকমেইল by রুদ্র মিজান
- ২৯ নদীর দূষণ বিপজ্জনক স্তরে by ইফতেখার মাহমুদ
- লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড by সাজেদুল হক ও অনিম আরাফাত
- জিএম কাদের আউট: মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে নিয়ে নানা জল...
- নিউজিল্যান্ডে ভালোবাসার পদযাত্রা
- বিজ্ঞানী ড. মোজাফ্ফরের মানবেতর জীবন by রিপন আনসারী
- ভাই কাদেরকে যে কারণে সরালেন এরশাদ by তানভীর সোহেল
- আট দিনের ব্যবধানে শিশু-কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের হাত...
- যারা ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না তারা কীভাবে গণতন্ত্...
- আইএসের দিন শেষ?
- সিলেটে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে বাস থেকে ফেলে ‘হত্যা’
-
▼
Mar 24
(15)
-
▼
March
(458)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
