Monday, November 17, 2014
ছোট খবর
স্বর্ণে সেরা ইরান
ইরানের আজারবাইজান প্রদেশে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় স্বর্ণ প্রক্রিয়াকরণ স্থাপনা চালু হয়েছে। এ কেন্দ্র চালুর ফলে ইরানে এখন বার্ষিক সোনার উৎপাদন বেড়ে দ্বিগুণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পশ্চিম আজারবাইজান প্রদেশে অবস্থিত জারেহ শুরান স্বর্ণ প্রক্রিয়াকরণ এ স্থাপনার উদ্বোধন করেন ইরানের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসহাক জাহাঙ্গীরী। স্থাপনার প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হওয়ার পর ইরান আশা করছে এখান থেকে ৩ টন বিশুদ্ধ সোনা উৎপাদন করা যাবে। এছাড়া, ১.২৫ টন রুপা ও ৫০০ কেজি মারকারি উৎপাদন করা সম্ভব হবে। বিবিসি
ওয়াশিংটন
গির্জায় জুমার নামাজ
সবাইকে অবাক করে দিয়ে খ্রিস্টানদের পবিত্র ধর্মীয় স্থান গির্জায় শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় করেছে আমেরিকান মুসলমানদের একটি গ্র“প। শুক্রবার ওয়াশিংটনের জাতীয় গির্জায় এ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে, গির্জায় জুমার নামাজ আদায়ের বিষয়টি মুসলিম জনগণের জন্য উন্মুক্ত ছিল না। এ উপলক্ষে গির্জার চারপাশে ব্যাপক নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। কেবল যারাই আমন্ত্রণ পেয়েছেন তাদের নামাজ আদায়ের সুযোগ দেয়া হয়। অন্য কেউ যাতে না আসতে পারে তা জন্য পুলিশ গির্জা প্রবেশের আগে সবাইকে চেক করে। আয়োজকরা জানান, জুমার নামাজ গির্জায় আদায়ের বিষয়টি প্রচার করা হলে আমাদের বিভিন্ন হুমকি পেতে হয়। এর জন্য বাড়তি নিরাপত্তা নিয়েছি। এক খ্রিস্টান মহিলা নামাজের বিরোধিতা করে বলেন, গির্জায় নামাজ আদায়ের বিষয়টি নিয়ে এর আগে কোনো ধরনের কথাবার্তা হয়নি, কাউকে জানানো হয়নি। ডন
ইসলামাবাদ
সেনাপ্রধান যুক্তরাষ্ট্রে
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল রাহেল শরিফ যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেছেন। দুদেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সম্পর্কের আরও উন্নয়ন ঘটাতে রোববার প্রথম ওয়াশিংটন সফরে যান তিনি। খবর ডনের। যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে রাহেল শরিফ মার্কিন সেনাবাহিনীর জয়েন্টস চিফ অব স্টাফসের চেয়ারম্যান জেনারেল মার্টিন ডেম্পসের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আলোচনায় আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর করণীয় এবং সহযোগিতার বিষয়টি স্থান পাবে। এদিকে, সম্পর্কের উন্নয়নের বিষয়টি জোর দিতে পাকিস্তান সফর করেছেন আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঙ্গে দুই দেশের সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেঁচে গেলেন মহিলা এমপি নিহত ৩
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমেরিকা আবিষ্কার করেন মুসলমানরা : এরদোগান
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাপানে মার্কিন ঘাঁটির ভাগ্য নির্ধারণী ভোট
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজা পুনর্গঠনে ৭৭০ কোটি ডলার!
অবশ্য, আনুমানিক হিসাব অনুযায়ী গাজায় প্রতিদিন ৬ হাজার টন সিমেন্টের প্রয়োজন রয়েছে।
গত জুলাইয়ে ইসরাইলের সঙ্গে ৫০ দিনের যুদ্ধে গাজার বেসামরিক জনগোষ্ঠী ও অবকাঠামো ব্যাপক ধ্বংসের শিকার হয়েছে। অসম এ যুদ্ধে সামরিক দিক থেকে ইসরাইলকেও চড়া মূল্য দিতে হয়েছে।
এদিকে গাজা পুনর্নির্মাণে আন্তর্জাতিক দাতারা ৫৪০ কোটি ডলার দেয়ার অঙ্গীকার করেছে। কিন্তু ফিলিস্তিন বিশেষজ্ঞদের পাঠানো সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গাজা পুনর্নির্মাণে প্রায় ৭৭০ কোটি ডলার প্রয়োজন। শীতকাল এগিয়ে এলেও গাজায় এখনও গৃহহীন রয়েছে এক লাখের বেশি ফিলিস্তিনি।
২০০৮ সাল থেকে ইসরাইলের চাপিয়ে দেয়া তিনটি ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের শিকার হয়েছে গাজা উপত্যকা।
এসব যুদ্ধের কোনোটাতেই সামরিক দিক থেকে ইসরাইল সুবিধা করতে পারেনি। কিন্তু ইসরাইলি সাময়িক শক্তির নির্বিচার হামলায় গাজার জনজীবন ভয়াবহ ধ্বংসের মুখে পড়েছে।
এছাড়া দীর্ঘকাল ধরে গাজার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। কংক্রিটসহ সব ধরনের নির্মাণসামগ্রী গাজায় ঢোকার ওপর বাধা নিষেধ রয়েছে।
সর্বশেষ এ যুদ্ধে নারী-শিশুসহ অন্তত ২১০০ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১১ হাজার লোক আহত হয়েছিল।
গাজায় চিকিৎসক প্রবেশে
ইসরাইলের নিষেধাজ্ঞা
নরওয়ের চিকিৎসক ম্যাডস গিলবার্টের গাজায় প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইসরাইল। গাজার আলশিফা হাসপাতালে তিনি দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন।
কিছুদিন আগে গাজায় হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে সাত সপ্তাহ ধরে যে যুদ্ধ সংঘটিত হয় তাতে আহত ফিলিস্তিনিদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেন তিনি। সম্প্রতি ৬৭ বছর বয়সী গিলবার্ট গাজায় প্রবেশ করতে চাইলে বাধা দেয় ইসরাইলি সেনাবাহিনী। বৈধ কাগজপত্র থাকার পরও তাকে গাজায় প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি।
চিকিৎসকের পাশাপাশি গিলবার্ট একজন মানবাধিকার কর্মী। গাজায় বিভিন্ন সময় ইসরাইলের চালানো সহিংসতার কড়া সমালোচনা করেছেন তিনি।
নরওয়ের ওই চিকিৎসক জানান, ইসরাইলি সেনারা তাকে নিরাপত্তার অজুহাতে গাজায় প্রবেশ করতে দেয়নি।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আহ্বানে তিনি সেখানে যাচ্ছিলেন জানিয়ে গিলবার্ট বলেন, গাজায় তার প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের অর্থ হল মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা। তিনি এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ইসরাইল সরকার চায়, গাজার সাধারণ মানুষের ওপর তাদের অব্যাহত হামলার খবর যেন বিশ্ববাসী না জানতে পারে।
তিনি বলেন, এ নিষেধাজ্ঞা তার ওপর নয়, বরং গাজার মানুষের আন্তর্জাতিক সহায়তা পাওয়ার অধিকারের ওপর আরোপ করা হয়েছে। আলজাজিরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক মার্কিনিসহ ১২ পণবন্দির শিরশ্ছেদ
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইএস ধ্বংসে কয়েক বছর লাগবে
রোববার বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান মার্টিন ডেম্পসে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইরাক কুর্দি বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, আমি মনে করি এই যুদ্ধ একটি নতুন মোড় নিতে শুরু করেছে। ইরাকি ও কুর্দি সেনারা দক্ষতার সঙ্গে আইএসের মোকাবেলা করছে। তবে এ লড়াই শেষ হতে কয়েক বছর লেগে যাবে। তিনি আরও বলেন, ইরাকি সরকার বিবদমান সুন্নি ও শিয়া সম্পদায়ের মধ্যে কতটা বিশ্বাস অর্জন করতে পারবে তার ওপরই নির্ভর করছে এ লড়াইয়ের ভবিষ্যৎ।
ইরাকি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করার জন্য তিনি শনিবার বাগদাদ সফরে যান। এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ইরাকি সেনাবাহিনীর এক কর্নেল জানিয়েছিলেন, দেশের বৃহৎ তেল শোধনাগার বাজি তারা পুনর্দখল করে নিয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে এটি দখল করে রেখেছিল আইএসের যোদ্ধারা। এদিকে শনিবার আইএস আরও ৩৬ জনকে পণবন্দি করেছে বলে ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে। সম্প্রতি এই জঙ্গি গোষ্ঠীটি একটি ইরাকি গোত্রের লোকজনের ওপর গণহত্যা চালিয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্রাম দত্তক নিলেন সোনিয়া-রাহুল
কংগ্রেসের সূত্রে জানা গেছে, সোনিয়া বেছে নিয়েছেন তার কেন্দ্র রায়বেরেলির জগৎপুর ব্লকের উদয়া গ্রাম আর রাহুল নিয়েছেন আমেথির জগদীশপুর ব্লকের দিহ গ্রাম। দিহ গ্রাম সংলগ্ন এলাকাটিতে শিল্পায়নের ছোঁয়া লেগেছিল রাহুলের বাবা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর আমলে। অন্যদিকে উদয়া গ্রামটি রানা বেণীমাধবের জন্মস্থান হওয়ার সুবাদে তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। বেণীমাধবকে ১৮৫৭ সালে প্রথম ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা বলা হয়।
কংগ্রেস অবশ্য এটাও বলেছে, সোনিয়া-রাহুল দুটি গ্রাম দত্তক নিয়েছেন মানেই এটা নয় যে মোদির প্রকল্প অনুমোদন করছেন তারা।
স্বাধীনতা দিবসের ভাষণের প্রতিশ্র“তি মতো গত মাসে প্রয়াত জয়প্রকাশ নারায়ণের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গ্রাম যোজনা প্রকল্পের সূচনা করেন মোদি। তিনি ঘোষণা দেন, ২০১৯ সালের মধ্যে দেশের প্রত্যেক এমপি তিনটি করে গ্রাম মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে সারা দেশে প্রায় আড়াই হাজার গ্রাম ব্যাপক উন্নতির মুখ দেখবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কারাগারে দেহ ব্যবসা!
ওই জেলের অভিযোগ বাক্সে ওই চিঠিগুলো পোস্ট করেছিলেন নারী বন্দিরা, যা পৌঁছায় এক বিচারকের হাতে। তিনিই এরপর কর্ণাটক হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে তা পাঠিয়ে দেন। চিঠিতে আরও অভিযোগ করা হয়, জেল কর্তৃপক্ষের কথা না মানলে বাড়ির লোকের সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হতো না নারী বন্দিদের। প্যারোলে মুক্তির ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি করা হবে, এমন হুমকি দেয়া হতো। প্রবল সমালোচনার মুখে রাজ্যের শিশু ও নারীকল্যাণ দফতরকে ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কর্ণাটক সরকার। ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে বলা হয়েছে। কারাগারের সহকারী ইন্সপেক্টর জেনারেল ভিএস রাজা এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, সমগ্র জেল সিসিটিভির আওতাভুক্ত।জেলের সুনাম নষ্ট করার জন্য কেউ ষড়যন্ত্রমূলক এ ঘটনা রটিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে ভারতে প্রথম শ্রেণীর বন্দিরা কারাগারে নানা ধরনের বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকেন। বিশেষ সেলে বরাদ্দ পাওয়ার জন্য প্রতি মাসে তারা ২০ হাজার রুপি অ্যাডভান্স এবং ১০ হাজার রুপিভাড়া দিয়ে থাকেন। ব্যাঙ্গালুরুর এ কারাগারটিতে অনেক হাই-প্রোফাইল বন্দি রয়েছেন। এদের মধ্যে অন্যতম হলেন তামিলনাড়ুর সাবেক মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা এবং কর্ণাটকের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদ্দুরাপ্পা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাশিয়াকে সুস্পষ্ট বার্তা দেয়া হয়েছে
তিনি রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, জি২০ সম্মেলনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আমেরিকা আগামী কয়েক মাস বা বছরগুলোতে কি করতে যাচ্ছে তা রাশিয়াকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। এদিকে সম্মেলনে ইউক্রেনের সংকট নিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভাদিমির পুতিন পশ্চিমা নেতাদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। সম্মেলনে বৈশ্বিক অর্থনীতি ঢেলে সাজানো নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি ভূ-রাজনৈতিক টানাপোড়েনও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সাধারণত এমন সম্মেলনে আয়োজক দেশের নেতাই আগে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেন। তবে ব্রিসবেন সম্মেলনে পুতিন প্রচলিত নিয়ম ভেঙে আয়োজক দেশের নেতার বক্তব্যের আগেই গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন।
পুতিন বলেন, কিছু বিষয়ে আমাদের মতের মিল হয়নি। তবে আলোচনা ছিল সম্পূর্ণ, গঠনমূলক ও খুবই সহায়ক। তিনি এ সম্মেলন আয়োজনের জন্য অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবোটকে ধন্যবাদও জানান। এদিকে সম্মেলন শেষ হওয়ার আগেই অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে যান রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভাদিমির পুতিন। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, শনিবার শুরু হওয়া দুদিনের এ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক ইশতেহার ঘোষণার আগেই রোববার অস্ট্রেলিয়া ছাড়েন পুতিন। ইউক্রেন-সংকট নিয়ে শনিবার সম্মেলনের প্রথম দিনেই পশ্চিমাদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। এর আগে কানাডার প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হার্পারের সঙ্গে তার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। কানাডার প্রধানমন্ত্রী তাকে গেট আউট অব ইউক্রেন বলে মন্তব্য করার পর এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। তবে হার্পারের মুখপাত্র জ্যাসন ম্যাকডোনাল্ড দাবি করেন যে- কানাডীয় নেতা পুতিনকে বলেন, আমার মনে হয় আপনার সঙ্গে আমার করমর্দন করা দরকার তবে আপনাকে আমার একটি কথা বলার আছে- ইউক্রেন থেকে আপনার বেরিয়ে যাওয়া দরকার। এদিকে এশিয়ার বৃহত্তম শক্তি চীন ২০১৬ সালে জি-২০ সম্মেলন আয়োজন করবে। ব্রিসবেনে দুদিনের জি-২০ সম্মেলনের পর রোববার অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবোট এ কথা বলেন। অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে তুরস্ক জি-২০ গ্র“পের সভাপতির দায়িত্ব পেল। আগামী বছর আনতোলিয়ায় জি-২০ গ্র“পের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তবে ২০১৬ সালের সম্মেলন হবে চীনে। এএফপি।
২০১৬ সালে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন হবে চীনে
অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে তুরস্ক জি-২০ গ্র“পের সভাপতির দায়িত্ব পেল। আগামী বছর আনতোলিয়ায় জি-২০ গ্র“পের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তবে ২০১৬ সালের সম্মেলন হবে চীনে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ছে
পেট্রোবাংলার অধীনস্থ ৬টি কোম্পানি রোববার সব ধরনের গ্যাসের দাম ১১২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। আর বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) গত মাসে বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য ১৮.১২ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব করে। উভয় ক্ষেত্রে জানুয়ারি থেকে দাম বৃদ্ধি কার্যকরে আবেদন করা হয়েছে।প্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাই করে ডিসেম্বরে গণশুনানি করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সদস্য সেলিম মাহমুদ। এরপর মূল্য বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হবে, যা আগামী জানুয়ারি থেকেই কার্যকর হতে পারে বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে।সব ধরনের গ্যাসের দাম বাড়ছে : বিইআরসি সূত্র জানায়, সব কোম্পানি একই হারে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করার জন্য গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রয়োজন বলে যুক্তি দিয়েছে বিতরণ কোম্পানিগুলো। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি. জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্র্রিবিউশন কোম্পানি লি., বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ও সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি পৃথক প্রস্তাব দিয়েছে। কোম্পানিগুলো ১ জানুয়ারি থেকে গ্যাসের নতুন দাম কার্যকর করার আবেদন করেছে।আবাসিক খাতে এক চুলার গ্যাসের দাম ৪০০ থেকে বাড়িয়ে ৮৫০ টাকা এবং দুই চুলা ৪৫০ থেকে বাড়িয়ে এক হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আবাসিকে মিটার ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে প্রতি হাজার ঘনফুট ১৪৬ টাকা ২৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২৩৫ টাকা বা ৬০ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রতি ইউনিট (এক হাজার ঘনফুট) ১১৮ টাকা ২৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২৪০ টাকা করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। বাণিজ্যিক গ্রাহকদের জন্য ২৬৮ টাকা ০৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৩৫০ টাকা, শিল্প গ্রাহকদের জন্য ১৬৫ টাকা ৯১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২২০ টাকা, চা শিল্পে ১৬৫ টাকা ৯১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২০০ টাকা, বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ৭৯ টাকা ৯২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮৪ টাকা এবং সার কারখানায় ৭২ টাকা ৯২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকা করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।এছাড়াও প্রস্তাবে সিএনজি ফিলিং স্টেশনের গ্যাসের পাইকারি দাম প্রতি হাজার ঘনফুটে ২৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩২ টাকা করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সাধারণের প্রতি হাজার ঘনফুট ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ টাকা করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এর আগে ৩০ অক্টোবর সব বিতরণ কোম্পানির পক্ষে পেট্রোবাংলা গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। সেই প্রস্তাব আইন অনুসারে যথাযথ হয়নি উল্লেখ করে কমিশন তা গ্রহণ করেনি। ফেব্র“য়ারি মাসে পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে জ্বালানিমন্ত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করার অনুমোদন চাওয়া হয়। ওই সময় তারা একটি প্রাথমিক প্রস্তাবও প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দেয়। সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করার অনুমোদন দেন। এর আগে সর্বশেষ ২০০৯ সালে নির্বাহী আদেশে করা হয়। এরপর সিএনজির মূল্য কয়েক ধাপে সমন্বয় করা হলেও শিল্প, আবাসিক ও অন্যান্য খাতের গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়নি।বাড়ছে বিদ্যুতের দাম : অক্টোবরে পিডিবি বিদ্যুতের পাইকারি বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠায় বিইআরসিতে। প্রতি ইউনিটের দাম (কিলোওয়াট/ঘণ্টা) ০.৮১ টাকা করার জন্য কমিশনের কাছে সুপারিশ করে পিডিবি। এ প্রস্তাব কার্যকর হলে বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য ইউনিটপ্রতি ৪.৭০ টাকা থেকে বেড়ে ৫.৫১ টাকা হবে। আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে বর্ধিত হার কার্যকর করার সুপারিশ করেছে পিডিবি।পিডিবির হিসাবনুযায়ী এখন প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ হচ্ছে ৬.৫৪ টাকা। এতে প্রতি ইউনিটে পিডিবির লোকসান হচ্ছে ১.৮৪ টাকা। তাই দাম বাড়ানো প্রয়োজন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের আদালতে আজ সাক্ষ্য দেবেন ফেলানীর বাবা
ভারতে রওনা দেয়ার সময় কাঁদতে কাঁদতে ফেলানীর বাবা বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে কষ্টদায়ক দৃশ্যটি আমি নিজের চোখে দেখেছি। আগেরবার বিচার পাইনি। এবার ন্যায়বিচারের আশা নিয়ে যাচ্ছি। আমার একটাই চাওয়া, ফেলানীর খুনি অমিয় ঘোষের ফাঁসি। নুরুল ইসলাম জানান, তিনি আদালতে খুলে বলবেন সেদিন কিভাবে তার মেয়ে ফেলানীকে খুব কাছে থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল।
অ্যাডভোকেট এসএম আব্রাহাম লিংকন বলেন, পুনর্বিচারের ভেতর দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে আগেরবার ন্যায়বিচার হয়নি। বিএসএফের হাবিলদার অমিয় ঘোষ আত্মস্বীকৃত খুনি। আশা করছি, তার সাজা নিশ্চিতের মাধমে ফেলানীর বাবা ও বাংলাদেশ ন্যায়বিচার পাবে।
মেজর এটিএম হেমায়েতুল ইসলাম বলেন, ন্যায়বিচার হলে সীমান্তে রক্তপাত বন্ধ হবে। বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় (অনিচ্ছাকৃত খুন) এবং বিএসএফ আইনের ৪৬ ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। এ ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন এবং সর্বনিু ৭ বছরের কারাদণ্ড।
২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ভোরে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্য অমিয় ঘোষ ১৫ বছরের কিশোরী ফেলানীকে গুলি করে হত্যা করে। ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্স কোর্টে ফেলানী হত্যার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। ওই বিচারে বিএসএফ সদস্যকে নির্দোষ ঘোষণা করে রায় দেয়া হয়। রায় প্রত্যাখ্যান করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ দাবি করে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনারের কাছে মানবাধিকার সংগঠন আসকের (আইন ও সালিশ কেন্দ্র) মাধ্যমে আবেদন করেন ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি পুনর্বিচারের সিদ্ধান্ত নেয় বিএসএফ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুদকে আইনমন্ত্রীর অস্বাভাবিক বিল
দুদকের প্রশাসন সূত্র জানায়, আনিসুল হকের দাবিকৃত ভ্রমণ-ভাতা অস্বাভাবিক মনে হওয়ায় গত অর্থবছরেই বিলটি নিয়ে আপত্তি তোলে অডিট বিভাগ। আনিসুল হকও এ আপত্তির ব্যাপারে কোনো ব্যাখ্যা দেননি। দুদক তাই বিলও পরিশোধ করেনি।
পদ্মা সেতু প্রকল্পে পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে ২০১২ সালের ১৭ ডিসেম্বর সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। দেড় বছরেরও বেশি সময় তদন্তের পর চলতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর দুদক মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ অক্টোবর ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ আদালত মামলার সব আসামিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন। এর মাধ্যমে পরিসমাপ্তি ঘটে বহুল আলোচিত পদ্মা সেতু দুর্নীতি মামলার। সূত্র জানায়, মামলার তদন্তকালে রমেশের ডায়েরিসহ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে দুবার কানাডা সফর করেন দুদকের তৎকালীন প্রধান আইনজীবী আনিসুল হক। প্রথম দফা সফর করেন ২০১৩ সালের ১৯ থেকে ২৪ মে পর্যন্ত। দ্বিতীয় দফা সফর করেন একই বছরের ৩০ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর। দুই ভ্রমণ মিলিয়ে তিনি ২১ লাখ ৬৫ হাজার ৩৫৬ টাকার বিল করেন।
অডিট বিভাগ কেন আপত্তি দিয়েছে- কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা যায়, আনিসুল হক দুবারই কানাডা সফর করেছেন একই রুটে। প্রথমবার বিজনেস ক্লাসের বিমান ভাড়া ধরা হয়েছে (যাওয়া-আসা) ৪ লাখ ৩২ হাজার টাকা। ট্রানজিট ভাতা (২৪ ঘণ্টা করে ২টি) ৮ হাজার ৩১২ টাকা। টার্মিনাল চার্জ (৩টি) ৪ হাজার ৯৮৭ টাকা। অন্যান্য ভাতা ৬৬ হাজার ৪৯৮ টাকা। পরবর্তী সফরে বিমান ভাড়া দাবি করা হয় ১৬ লাখ ১৪ হাজার ৭২৬ টাকা। ট্রানজিট ভাতা ১৬ হাজার ১৮০ টাকা। টার্মিনাল চার্জ (৪টি) ৬ হাজার ৪৭২ এবং অন্যান্য ভাতা ১৬ হাজার ১৮০ টাকা। প্রথমবার ৬ দিন কানাডা অবস্থান করে ভ্রমণ-ভাতা দাবি করেন ৫ লাখ ১১ হাজার ৭৯৮ টাকা। দ্বিতীয়বার ৪ দিন অবস্থান করলেও বিল করেন ১৬ লাখ ৫৩ হাজার ৫৫৮ টাকা।
বর্তমান আইনমন্ত্রীর অস্বাভাবিক ভ্রমণ-ভাতা দাবিকে অনিয়ম আখ্যা দিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, যেহেতু অডিট আপিত্ত উঠেছে তাই আনিসুল হকের উচিত হবে দাবিকৃত ভ্রমণ বিলের সঙ্গে পর্যাপ্ত প্রমাণাদি দাখিল করা। এটি যদি এয়ারলাইন্স কিংবা টিকিট-মূল্যের তারতম্যের কারণে হয়ে থাকে তাহলে বিষয়টি খোলাসা করে ব্যাখ্যা দেয়া প্রয়োজন। না হলে এটি প্রশ্নবিদ্ধ থেকে যাবে। দুদকের একজন আইনজীবী হিসেবে যা তার কাছে প্রত্যাশিত নয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুদকের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মো. সহিদুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, অডিট আপত্তি থাকায় বিলটি পরিশোধ করা হয়নি। ফাইল না দেখে বিলের সঠিক অঙ্কটি বলতে পারছি না। আমাদের বাজেটও প্রায় শেষ। এ কারণেই হয়তো পরিশোধ সম্ভব হয়নি।
ভ্রমণ-ভাতার বিলের বিষয়ে জানতে শনিবার বিকালে ফোন করলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তার সহকারী একান্ত সচিব রাশেদুল কাওসার জীবন বলেন, স্যার একাধিকবার মৌখিকভাবে দুদককে বিলটির জন্য তাগিদ দিয়েছেন বলে জানি। তবে স্যারই ভালো বলতে পারবেন। তিনি এখন বিমানে, লন্ডন যাচ্ছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আনসার আল ইসলাম আল কায়দার সংগঠন
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, এবিটির উগ্রপন্থীদের টার্গেটে রয়েছেন মিরপুরের মনিপুরী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল ফরহাদ হোসেন ও ভাইস প্রিন্সিপাল আবদুর রহিম। উগ্রপন্থীরা ইসলামবিরোধী নাস্তিক আখ্যায়িত করে ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে বিষ প্রয়োগ করে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল এই দুই শিক্ষককে।জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি) শেখ নাজমুল আলম যুগান্তরকে বলেন, এবিটির অপারেশন টিমের প্রধান রানাকে গ্রেফতারে ডিবি পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। এই রানাকে পাওয়া গেলে এবিটির কর্মকাণ্ডে জড়িত আরও নতুন সদস্যের বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিমকার্ড বিক্রির আগে যাচাই হবে পরিচয়পত্র
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নয় মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৭ হাজার কোটি টাকা
এ বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেছেন, ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বাড়লে মুনাফা কমে যায়। এতে সামগ্রিকভাবে এ খাতের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়। আর ব্যাংকগুলো আয় বাড়াতে গ্রাহকের ওপর সার্ভিস চার্জ আরোপ করে, ঋণের সুদের হার বাড়িয়ে দেয়। খেলাপি ঋণ কমলে গ্রাহকরা স্বল্প সুদে ঋণ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক রাজনৈতিক বিবেচনায় পুনঃতফসিলের সুযোগ দেয়ায় ঢালাওভাবে সবাই সুবিধা নিচ্ছে। ফলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ অনেক কমেছে। তা না হলে এর পরিমাণ আরও বেড়ে যেত।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে কিছু ব্যবসায়ী ঋণ পরিশোধ করছে না। সার্বিকভাবে ব্যবসায়ীদের ঋণ পরিশোধের ব্যাপারে সক্ষমতাও বাড়েনি। কারণ ব্যবসা বাণিজ্যের অবস্থা এখন ভালো হয়নি। বিষয়গুলো বিবেচনা করে খেলাপি ঋণ আদায়ে ব্যাংকগুলোকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও বেড়ে যাবে বলে আশংকা প্রকাশ করেছেন তিনি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত জুন পর্যন্ত খেলাপি ঋণের মধ্যে অবলোপনের পরিমাণ ৩১ হাজার ৪৩৯ কোটি টাকা। খেলাপি ঋণের সঙ্গে অবলোপনের পরিমাণ মিলিয়ে খেলাপি ঋণের মোট পরিমাণ আরও বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৮৮ হাজার কোটি টাকার বেশি। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকিং খাতে মোট ঋণের স্থিতি ৪ লাখ ৯৩ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু ৩ মাস আগে জুন শেষে মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ৭৭ হাজার ৪৩৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ ঋণ যে হারে বেড়েছে, তার চেয়ে বেশি হারে খেলাপি বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছিল ৭ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা। আর জুন পর্যন্ত তা ১০ হাজার ৭৬২ টাকা এবং সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তা ১৬ হাজার ৭১৭ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।
খেলাপি ঋণ বাড়ার কারণে একদিকে ব্যাংকগুলো ঝুঁকিতে পড়েছে, অন্যদিকে আয় থেকে বাড়তি প্রভিশন রাখতে হচ্ছে। এখন পর্যন্ত আটটি ব্যাংকের ৩ হাজার ৫৪৩ কোটি টাকার প্রভিশন ঘাটতি রয়েছে। মুনাফা থেকে এই প্রভিশন করায় ব্যাংকগুলোর লভ্যাংশ দেয়ার পরিমাণ কমে যাচ্ছে। একই কারণে বেড়ে যাচ্ছে সুদের হার। অথচ ব্যাংকগুলোর পরিচালকদের চাপে রাজনৈতিক বিবেচনায় ঋণ বিতরণ, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের দুর্বলতায় খেলাপি ঋণ বাড়ছে, কিন্তু তাদের কিছুই হচ্ছে না। এর দায় পড়ছে ঋণ গ্রহীতা ও শেয়ারহোল্ডারদের ওপর। বাড়ছে আমানতাকীদের ঝুঁকির মাত্রা।
সরকারি ব্যাংক : সরকারি চারটি ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৭৮০ কোটি টাকায়। প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৭৫ কোটি টাকায়। গত ডিসেম্বর শেষে সরকারি চার ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ১৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা। ওই সময়ে এদের খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৪ হাজার কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১০ হাজার ৯৫০ কোটি, জনতা ব্যাংকের ৩ হাজার ৯৩১ কোটি, অগ্রণী ব্যাংকের ৪ হাজার ১৮৫ কোটি এবং রূপালী ব্যাংকের ১ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা।
খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ যুগান্তরকে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে খেলাপি ঋণ বেশি মাত্রায় বেড়েছে। এটি উদ্বেগজনক। তার মতে, তিন কারণে খেলাপি ঋণ বাড়ছে। এরমধ্যে রয়েছে- সরকারি ব্যাংকে সরকার এবং বেসরকারি ব্যাংক মালিকদের চাপে ব্যাংকগুলো অসৎ ব্যবসায়ীদের ঋণ দিতে বাধ্য হচ্ছে। মালিক পক্ষের কথা না শুনলে এমডি ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের চাকরি চলে যায়। তিনি বলেন, হলমার্ক কেলেংকারিতে জড়িতদের কীভাবে সরকার দায় মুক্তি দেয়ার চেষ্টা করছে। এটি গ্রহণযোগ্য নয়। আর ব্যাংকের মালিকরা কোনো নিয়মের তোয়াক্কা করে না। দ্বিতীয়ত, ব্যাংকারদের মধ্যে পেশাদারিত্বের মান কমে গেছে। তৃতীয়ত, তাদের মধ্যে সততা এবং নৈতিকতার অভাব রয়েছে।
বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে গত ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ১৪ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা- যা ওই সময়ে বিতরণ করা মোট ঋণের ৪ দশমিক ৫৪ শতাংশ। গত সেপ্টেম্বর শেষে এর পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা- যা মোট ঋণের ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ। ওই সময়ে বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা।
বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে এবি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৪৫৭ কোটি, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ৬৪৩ কোটি, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ২৫৪ কোটি, ব্যাংক এশিয়ার ৮৯৫ কোটি, ব্র্যাক ব্যাংকের ৮১২ কোটি, ঢাকা ব্যাংকের ৮২০ কোটি, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ৪৫২ কোটি, ইস্টার্ন ব্যাংকের ৬৫২ কোটি টাকা। বেসরকারি এক্সিম ব্যাংকের ৪৭১ কোটি, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের ৩২৮ কোটি, আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের ৭৪৪ কোটি, আইএফআইসি ব্যাংকের ৫২৯ কোটি, ইসলামী ব্যাংকের ২ হাজার ৮৬৯ কোটি, যমুনা ব্যাংকের ৫৩৮ কোটি, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ৬৩০ কোটি, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ৩১৬ কোটি, ন্যাশনাল ব্যাংকের ৯৬২ কোটি, ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের ৮২৪ কোটি, ওয়ান ব্যাংকের ৪৬২ কোটি, প্রিমিয়ার ব্যাংকের ৮৩০ কোটি, প্রাইম ব্যাংকের ১ হাজার ২৬৭ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ রয়েছে। বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে পূবালী ব্যাংকের ৯৬০ কোটি, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের ৬৩৩ কোটি, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের ৪৬৮ কোটি, সাউথইস্ট ব্যাংকের ৭৬৪ কোটি, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ৮১৫ কোটি, সিটি ব্যাংকের ৬৫৯ কোটি, ট্রাস্ট ব্যাংকের ২৯৬ কোটি, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ১ হাজার ৭৫ কোটি এবং উত্তরা ব্যাংকের ৭২০ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ রয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মাহফুজুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, খেলাপি ঋণ সব সময় এক রকম থাকে না। কখনও বাড়ে, আবার কখনও কমে। তবে এখনও তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়নি। আমরা ঋণ আদায় বাড়িয়ে খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনার চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, সার্বিকভাবে দেশের অর্থনীতি ভালো হচ্ছে, এটাই আমাদের জন্য সুখবর। ফলে খেলাপি ঋণের মাত্রাও কমে যাবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোতে নয় মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা। গত ডিসেম্বর শেষে এদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৮ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকা- যা মোট ঋণের ২৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে হয়েছে ১২ হাজার ৬৬১ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৩৮ শতাংশ।
এর মধ্যে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ৪৯১ কোটি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ৪ হাজার ৫৬৮ কোটি, বেসিক ব্যাংকের ৬ হাজার ১৪৮ কোটি এবং রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ১ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ রয়েছে।
বিদেশী ব্যাংকগুলোর মধ্যে ব্যাংক আল ফালাহর ৬১ কোটি, সিটি ব্যাংক এনএর ২২ কোটি, কমার্স ব্যাংক অব সিলোনের ২২ কোটি, হাবিব ব্যাংকের ৬৩ কোটি, হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশনের ১৩৭ কোটি, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের ৬৪৬ কোটি, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ৫৮৩ কোটি, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার ৮৮ কোটি এবং উরি ব্যাংকের ১৫ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ রয়েছে। দেশের ৮টি ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি খাতের সোনালী ব্যাংকের ১ হাজার ৮৬ কোটি, রূপালী ব্যাংকের ১০০ কোটি টাকা। বেসরকারি খাতের বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ৫১ কোটি, ন্যাশনাল ব্যাংকের ৫৩ কোটি, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ১২০ কোটি টাকা। বিদেশী ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের ৩১৬ কোটি টাকা। বিশেষায়িত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ১ হাজার ৫৮১ কোটি এবং রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ২৩৫ কোটি টাকা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নেপোলিয়নের হ্যাট নিলামে

তার পরিহিত এসব হ্যাটের ২০টি এখনও রয়েছে। দু-তিনজন ব্যক্তি বিশেষের কাছে থাকলেও বাদবাকিগুলো বিশ্বের নানা জাদুঘরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অবিস্মরণীয় মওলানা ভাসানী by ফকির আলমগীর
আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনে সম্পূর্ণ এক ভিন্ন প্রকৃতিক মানুষ ছিলেন মওলান ভাসানী। তার রাজনীতির প্রধান লক্ষ্য ছিল নির্যাতিত-শোষিত সাধারণ মানুষের শোষণ-বঞ্চনার অবসান ঘটানো। সে কারণেই তিনি সারা জীবন অন্যায়-অবিচারের প্রতিবাদ করেছেন, নির্যাতন-শোষণ-বঞ্চনার অবসানের জন্য লড়াই করে গেছেন- সর্বক্ষণ জনতার পাশে দাঁড়িয়ে থেকেছেন এক বিশাল মহীরুহের মতো। ক্ষমতার কাড়াকাড়িতে যাননি কখনও। যে কোনো দুর্যোগে, যে কোনো বিপর্যয়ে এ অভিভাবককে জনসাধারণ সব সময়ই পাশে পেয়েছেন। তাই মওলানা ভাসানী ছিলেন তাদের ঘরের মানুষ। এখনও ঘরে ঘরে উচ্চারিত তার নাম।
এ মহান জননায়ক ছিলেন অনেক দূরের অভিযাত্রী, দুর্গম পথের পথিক। অথচ সাদাসিধা এক অনন্যসাধারণ মানুষ। এ জনপদের মানুষের ভিড়ের মধ্যে, তাদের রুচি আর আচার-আচরণের মধ্যে তিনি মিশে ছিলেন আজীবন। সাদা লুঙ্গি, পাঞ্জাবি আর মাথায় বেতের টুপি পরা এ মানুষটিকে এ দেশের মানুষ থেকে কখনও আলাদা করে দেখা যায়নি। কিন্তু যখন তিনি সব দুঃশাসনের বিরুদ্ধে এক বিশাল জলোচ্ছ্বাসের মতো গর্জন করে উঠেছেন, তখনই সবাই তাকে চিনেছে আলাদা করে। তবু তিনি ছিলেন আত্মীয়ের মতো, অভিভাবকের মতো, বিপদের বন্ধুর মতো।
আসামের লাইন প্রথাবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭৬ সালের ঐতিহাসিক ফরাক্কা মার্চ- মওলানা ভাসানীর রাজনৈতির জীবনের এক ধারাবাহিক লড়াইয়ের ইতিহাস। এ সংগ্রামের ধারা অভিন্ন সূত্রে গ্রথিত- মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সে সংগ্রাম।
মওলানা ভাসানীর বিভিন্ন ভাবমূর্তি আছে আমাদের সামনে। কখনও তিনি রাজনৈতিক নেতা, কখনও সমাজ-সংস্কারক, কখনওবা ধর্মীয় নেতা। আবার অনেকের চোখেই তিনি ছিলেন লাল পতাকা বিপ্লবের অগ্রদূত। এসব কারণে কখনও কখনও তিনি যে ভুল বোঝাবুঝির শিকার হননি তা নয়। কেউ সরে গেছে, কেউ কাছে এসেছে, কেউ ফিরে এসেছে মওলানার পাশে। কিন্তু তিনি ছিলেন তার আদর্শে অবিচল। এখানেই মওলানা ভাসানী স্বাতন্ত্র্যে উদ্ভাসিত। এটাই ভাসানীর রাজনীতি। আর সে আদর্শ ছিল দেশের দরিদ্র জনসাধারণের মুক্তি। এ আদর্শ বাস্তবায়নের জন্যই তিনি লড়াই করেছেন, অন্যায়-অবিচারের প্রতিবাদ করেছেন আমৃত্যু।
আসামের লাইন প্রথা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শুরু তার রাজনৈতিক জীবন। ব্রিটিশের ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে তার লড়াই, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে তার অবদান এবং সর্বশেষে স্বাধীন বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও এর স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণে তিনি যে অবদান রেখে গেছেন তা শুধু বাংলাদেশের মানুষ নয়, উপমহাদেশের মানুষও স্মরণ করবেন দীর্ঘদিন। যেখানেই শোষণ, যেখানেই বঞ্চনা, যেখানেই সাধারণ মানুষের মুক্তির লড়াইয়ের প্রশ্ন- সেখানেই আছেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর দরিদ্র জনসাধারণের মুক্তির লক্ষ্যে তিনিই প্রথম মুসলিম লীগ থেকে বেরিয়ে এসে গড়ে তুলেছিলেন বিরোধী দল। কারণ তিনি জানতেন, মুসলিম লীগ সরকার ক্ষমতার মোহে একসময় এক অন্ধশক্তিতে পরিণত হতে পারে। আর তার ফলে সাধারণ মানুষ পড়বে সংকটে। মুসলিম লীগ শাসনামলে সাধারণ মুনুষের কল্যাণ নিশ্চিত হয়নি। মওলানা ভাসানী জানতেন, এ দেশের রাজনীতিতে চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স প্রতিষ্ঠার জন্যই তিনি বিরোধী দল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ভাষা আন্দোলন, স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের নির্বাচন, জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংরক্ষণ- প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন পথিকৃত। সেই ১৯৫৭ সালে কাগমারী সম্মেলনে তিনি পাকিস্তানের বিমাতাসুলভ শাসক গোষ্ঠীকে ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলে বিদায় জানিয়েছিলেন, বীজ বপন করেছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের। মওলানা ভাসানী বুঝতে পেরেছিলেন, পাকিস্তানের পশ্চিম অংশের শাসকরা ধর্ম ও জাতীয় সংহতির নামে পূর্ব বাংলার মানুষকে শোষণ করছে। তাই তাদের সঙ্গে একই রাষ্ট্রের বাঁধনে অবস্থান করা আর সম্ভব নয়। সে কারণে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীন স্বতন্ত্র জাতিসত্তা সম্পর্কেও মওলানা ভাসানী সম্যক অবহিত ছিলেন। এ কারণেই তিনি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পাকিস্তানি স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে প্রবল গণআন্দোলন গড়ে তোলেন। ১৯৭০ সালের নভেম্বরে পল্টন ময়দানে ভাষণদানকালে এ কথাটিই বারবার উচ্চারণ করে জাতিকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন তিনি। তার স্বাধীনতার স্বপ্ন সফল হয়েছিল। মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য হিসেবে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
শহর তার রাজনীতির কেন্দ্র ছিল না, গ্রামে গ্রামে ঘুরতেন তিনি। সব সময় তার সংযোগ ছিল গ্রামের কামার-কুমার-তাঁতি-জেলে, কৃষক-শ্রমিক-মজুরের সঙ্গে। কখনও তিনি ঘুরতেন নৌকায়, কখনও হেঁটে। সন্তোষই তার ঠিকানা ছিল। রাজধানীর প্রাসাদ রাজনীতিতে বিশ্বাস ছিল না তার। শহরের রাজনীতিকরা নিজেদের প্রয়োজনেই যেতেন মওলানা ভাসানীর কাছে। তারাই কখনও কখনও ভাসানীকে আমন্ত্রণ করে আনতেন শহরে। তিনি ছিলেন সংগ্রামে ও সংকটে বিশাল সহায়। কখনোই কোনো পদমর্যাদা, লোভ-লালসা-মোহ তাকে আকৃষ্ট করতে পারেনি। তিনি সব সময় জনগণের পাশে থেকে বিভিন্ন জনমুখী কর্মসূচি পালন করেন। সরল-সহজ জীবনযাপন করেছেন তিনি। একই সঙ্গে সরল প্রাণের কৃষক-মজুররা তার প্রিয় ছিল।
স্বাধীন বাংলাদেশে যখন গণতন্ত্রের নামে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেয়া হচ্ছিল একের পর এক, কেড়ে নেয়া হচ্ছিল বাক-ব্যক্তি স্বাধীনতা, তখনও সিংহের মতো গর্জে উঠেছেন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী। আদর্শ থেকে তিনি বিচ্যুত হননি কখনও। তিনি লড়াই করেছেন সব কালাকানুনেরও বিরুদ্ধে। আজ যখন সারা দেশে বিভেদ-বিভাজন-হানাহানি, তখন মওলানা ভাসানী হতে পারতেন সংহতির কণ্ঠস্বর। মিলিত প্রাণের সংগ্রাম। তিনি হতে পারতেন জাতীয় ঐক্যের প্রতীক।
মনে পড়ে, গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যার জন্য তিনি এক বিশাল জনতা নিয়ে ফারাক্কা বাঁধ পর্যন্ত মিছিল করেছেন। আন্তর্জাতিক নদীর পানির হিস্যা চাই আমরা- এ দাবিও এক বিশাল সাহসের সঞ্চার করেছে এ দেশের অধিকার সচেতন মানুষের মনে। কানসাট থেকে ফুলবাড়ীর আন্দোলন কিংবা তেল-গ্যাসের যে আন্দোলন- সবকিছুর মূলেই রয়েছে মওলানা ভাসানীর প্রেরণা।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মজলুম জননেতার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছে সবাই। তাই আজ তাকে রাজনৈতিক বিতর্কের ঊর্ধ্বে রেখে গণমানুষের কল্যাণে তার অভিজ্ঞতা ও শিক্ষাকে কাজে লাগাতে হবে। আজ সেই মহান জননায়ক মওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার স্মৃতির প্রতি আমরা গভীর শ্রদ্ধা জানাই।
ফকির আলমগীর : গণসঙ্গীত শিল্পী
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেয়র আরিফকে জড়ানোর প্রতিবাদে সিলেট উত্তাল

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আড়াইহাজারে দখলে লোপাটে অপ্রতিদ্বন্দ্বী এমপি বাবু

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যোগ্য প্রচার পায়, না প্রচার যোগ্য বানায়? by মাহবুব কামাল
পাঠক লক্ষ্য করুন, যেসব পত্রিকায় জিল্লুর রহমান সিদ্দিকীর মৃত্যু-সংবাদ প্রথম পাতায় গুরুত্ব দিয়ে ছাপা হয়েছে, সেগুলোর পাঠক ভাববেন যে, তিনি বড় মাপের মানুষ ছিলেন। আবার সংবাদটি ছোট করে ভেতরের পাতায় ছাপা হয়েছে যেগুলোয়, সেগুলোর পাঠক মনে করেছেন, তিনি অন্য দশজন শিক্ষকের মতোই একজন। মৃত্যু-সংবাদে মহাপ্রয়াণ শব্দটি ব্যবহার করলে পাঠক ধরে নিতেন তিনি একজন মহাপুরুষ ছিলেন। অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে, সত্যটা আসলে কী, সেটা নির্ধারণ করে থাকে মিডিয়াই, সাধারণ মানুষ নয়। মিডিয়া ক্রপ-আপ করলে বস্তুটা ছোট, ব্লো-আপ করলে বড়।
গ্লোবাল পারসপেক্টিভটা একটু দেখি নিই আমরা। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তির নাম কি ওবামা? না। তাহলে কে? এর উত্তর বহুবচনে হবে- টেড টার্নার, রুপার্ট মারডকসহ মিডিয়া সম্রাটরাই বেশি শক্তিশালী। ওবামা আমাকে ধ্বংস করে দিতে পারেন (তিনি আফগানিস্তান-ইরাকে এমনটা করেছেনও), নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। কিন্তু টেড টার্নাররা নিয়ন্ত্রণ করছেন (এই নিয়ন্ত্রণ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা সবার থাকে না) আমাদের চিন্তা-পদ্ধতি, ব্যবহারিক জীবন, সংস্কৃতি, এমনকি জিহ্বার রুচিও। আগে খেতাম ম্যাগডোনাল্ডস, এখন কেএফসিও খেতে শিখেছি। এই নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিটি এত সূক্ষ্ম এবং কখনও কখনও এত দীর্ঘমেয়াদি যে, মনেই হবে না আমি নিয়ন্ত্রিত হচ্ছি।
মিডিয়া তাৎক্ষণিকভাবে সরাসরিও নিয়ন্ত্রণ অথবা প্রভাবিত করতে পারে মানুষের জীবন। অনেক আগে দূরদর্শনে কলকাতার জনপ্রিয় লেখক শংকরের একটি সাক্ষাৎকার দেখেছিলাম। বললেন- দ্বারে দ্বারে ঘুরি, কেউ লেখা ছাপে না, কেউ কেউ জানোয়ার ভেবে দূর দূর করে তাড়িয়ে দেয়। তো একদিন সাগরদা (দেশ-এর সাবেক সম্পাদক সাগরময় ঘোষ) দয়াপরবশ হয়ে একটা গল্প ছাপলেন। ব্যস মানুষ হয়ে গেলাম! এবার উল্টোটা দেখুন। এ দেশে প্রভা নামের একটি মেয়ে করে খাচ্ছিলো। সামান্য ঘটনা, বাইরে থেকে ছিটকিনি খোলা সম্ভব হলে রাজধানীর অন্তত ৫ শতাংশ ঘরে এমন ঘটনা দেখতে পাওয়া যাবে; অথচ সেই দোষে মিডিয়া তাকে মানুষ থেকে জন্তুতে (প্রকাশ্য যৌনতা অর্থে) নামিয়ে দিল! বেশ কিছুদিন পর আবার খেয়াল চাপলো মিডিয়ার- মেয়েটা অনেক ভুগেছে যখন, দিলাম মাফ করে। ভালো লাগছে যে, সে ক্রমশই আবার মানুষের আকার ধারণ করছে।
মিডিয়া যেহেতু সত্যি সত্যিই শক্তিমান, স্বৈরশাসকের মতো কাগুজে বাঘ নয়, তাই হুঙ্কার তার সঙ্গে যায় না। দুর্বলের মস্তক উদ্ধত থাকে থাকুক, সবলের মাথা অবনত থাকলেই তাকে আরও সুন্দর দেখায়। অথচ একটি শক্তিশালী দৈনিক বক্সিং রিংয়ের বাইরে থাকা, প্রতিদ্বন্দ্বী নয় এমন এক নির্দোষকে কীভাবে ঘুষি মারছে, দেখুন।
বছর পাঁচেক আগে স্পেশাল ট্রিটমেন্টে প্রথম পাতায় শিরোনাম করা হলো- রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের জঙ্গি কানেকশন। প্রয়াত জিল্লুর রহমানের সামরিক সচিব এই মেজর জেনারেল (এখন অবসরে) এহতেশাম উল হককে আমি চিনি। পাপ্পু (তার ডাক নাম) আমার এক অনুজপ্রতিমের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। যা হোক, হেডিং পড়ে মনে হতে পারে, পাপ্পু কোনো জঙ্গি-অপারেশন কমান্ড করেছেন বা তার ক্যাপাসিটিতে জঙ্গিদের অস্ত্র সরবরাহ করেছেন অথবা জঙ্গিদের প্রচারপত্র ছাপানোর টাকা দিয়েছেন কিংবা কোনো জঙ্গির সঙ্গে তার টেলিফোন-আলাপ ট্যাপ করে জানা গেছে অনেক তথ্য। না, এসব কিছুই নয়। হেডিং পড়ার পর পাপ্পুর আত্মীয়-স্বজনদের প্রেসার একসেলারেটেড হাইপার টেনশনে ২০০তে উঠে গেলে কী হবে, রিপোর্টের বডিতে ঢোকার পর তা নেমে এসেছে ১২০-এরও নিচে। তো, তিনি কীভাবে জঙ্গি? রিপোর্টটিতে যতই কায়দা করা হোক, আসলে তিনি যখন সিলেটে বিডিআরের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন, তখন এক অসহায় যুবকের জন্য একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির ব্যবস্থা করেছিলেন। সে পরে জঙ্গি হিসেবে শনাক্ত হয়েছে। প্রতিবেদনটি ছাপা হওয়ার পর পাপ্পুকে রংপুরের জিওসি হিসেবে বদলি করা হয়েছিল। আমার নিয়মিত রংপুর সফরের একটিতে তার সঙ্গে দেখা হলে তিনি বলেছিলেন- আপনি তো সাংবাদিক, আপনি কি সব জঙ্গিকেই চেনেন? আপনিই যদি না চেনেন, আমি চিনবো কীভাবে? বলে রাখি, পরবর্তী সময়ে সামরিক অথবা অন্য কোনো গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে পাপ্পুর জঙ্গি কানেকশন খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক, এই সংবাদের পেছনে কি ছিল কোনো বিশেষ এজেন্ডা, নাকি এটা স্রেফ সেনসেশনাল জার্নালিজম?
অবশ্য উপরের প্রতিবেদনটির নিচে সামান্য হলেও মাটি ছিল। কোনো কোনো পত্রিকা কখনও কখনও শূন্যের মাঝারে দরজা-জানালা-বারান্দাসহ ঘর তৈরি করে। আমার উদ্দিষ্ট পত্রিকাটি সমাজের অনেক উপকার করে থাকে। আমি নিজেও এটি বাসায় রাখি। পত্রিকার কর্তৃপক্ষের কাছে তাই দুটি নিবেদন। এক. অর্ধসত্য কখনও কখনও মিথ্যার চেয়েও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। দুই. উপকার করতে চাইলে ষোলো আনাই করবেন, না হলে দরকার নেই। বারো আনা করলে আমরা বলতেই থাকব- শালা বাকি চার আনা দেয়নি বলেই আমার এক টাকা হয়নি।
কোনো ঝুঁকিপূর্ণ ভালো লেখা ছাপা না হওয়া এবং আরও অনেক ক্ষেত্রে পত্রিকাগুলোর কর্তৃপক্ষ বলে থাকেন- এটা আমাদের সম্পাদকীয় নীতির পরিপন্থী। যুক্তিশাস্ত্রের এই ফ্যালাসি বেশ মজার। চর্ম রক্ষার বর্ম অথচ বলা হচ্ছে নীতি! বছর পনেরো আগে বিদেশ থেকে ফেরার সময় শাহ্জালালে যখন কাস্টমস করছিলাম, মাইকে শুনতে পেলাম- পাঁচ হাজার ডলারের বেশি থাকলে ডিক্লায়ার করতে হবে, নতুবা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমি প্যান্টের দুই পকেটের ভেতরের কাপড় বের করে উল্টিয়ে দেখাতে দেখাতে বললাম- পৃথিবীর কোন্ এয়ারপোর্টে এমন আপমানজনক ঘোষণা দেয়া হয়? কাস্টমস কর্মকর্তা বললেন- এটা আমাদের নিয়ম। বললাম- আমি তো নিয়মটাকেই চ্যালেঞ্জ করছি, কার নিয়ম জিজ্ঞেস করিনি। এবার বলি, আমরা বলছি নীতি বা পলিসির কথা। এটা সম্পাদকের কি-না, সেটা দ্বিতীয় প্রশ্ন। এডিটোরিয়াল পলিসি এডিটর কিংবা প্রকাশকের নয়, পাঠকের স্বার্থ দেখবে- এটাই হওয়ার কথা। কিন্তু আমরা দেখছি, এডিটোরিয়াল পলিসিটি এডিটোরিয়াল ইন্টারেস্টের ভিত্তিতেই সাজানো হয়। সবচেয়ে বড় কথা, মুক্তবাজার অর্থনীতি ও মুক্তবাজার চিন্তার এই দুনিয়ায় একটা পলিসি দিয়ে আরেকটা পলিসি কি আটকানো যায়? নাকি তা সম্ভব?
ক্লিনটন বলেছিলেন, অভিবাসনই (immigration) আমেরিকার শক্তি। তিনি ভুল বলেছেন; আমেরিকার শক্তি হচ্ছে, সমাজটা ফেসলেস- মুখাবয়বহীন। কেউ কারও চেহারার দিকে তাকায় না, পারফরমেন্সই সেখানে শেষ কথা। ম্যাডোনার চেহারার দিকে তাকালে ওকে আর পৃষ্ঠপোষকতা দেয়া হতো না, কারণ ও তো একটা স্ট্রিট গার্ল! চেহারায় না তাকিয়ে গলা শুনেছে বলেই তাকে শিরোনাম করতে পেরেছে মিডিয়া। সোফিয়া লরেন জন্মের পর ইতালির নেপল্সেই থেকে গেলে কী হতেন বলা মুশকিল। ইউরোপ এখনও পুরোপুরি কনজারভেটিজম থেকে মুক্ত হতে পারেনি। বাস্টার্ড হিসেবে হয়তো অনাদৃতই থেকে যেতেন তিনি, হলিউডে হয়েছেন বিপুল সমাদৃত। আবার তার বিরুদ্ধে যখন আয়কর ফাঁকির অভিযোগ আনা হলো, মিডিয়া তার পক্ষে দাঁড়ালো না। কেন দাঁড়াবে? তিনি কোটি কোটি মানুষের হৃদয় ভেঙেছেন ভালো কথা, শৃঙ্খলা তো ভাঙতে পারেন না।
উপরের পত্রিকাটি সাকিবের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। তিনি দেশের গৌরব মানি, নিক্সন কি আমেরিকার গৌরব ছিলেন না? তিনিই একমাত্র আমেরিকান, যিনি দুই টার্মে ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও দুই টার্মে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পেরেছিলেন; তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আমেরিকার ন্যাভাল ফোর্সকে সার্ভ করেছেন; ভিয়েতনাম যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে ভিয়েতনামিজ তো বটেই, অনেক আমেরিকানের প্রাণ বাঁচিয়েছেন। তিনি শুধু আমেরিকানদের নয়, সমগ্র মানবজাতির গর্ব ছিলেন। তারই কল্যাণে (অ্যাপোলো ১১-এর উৎক্ষেপক হিসেবে) এই মর্ত্যরে মানুষ দূর স্বপ্নলোকে পৌঁছেছিল, তিনিই এই গ্রহের প্রথম মানুষ, যিনি চাঁদের মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাহলে ব্রাডলি কেন লাগলেন তার পেছনে, যে কারণে তাকে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে নেমে যেতে হলো? আমেরিকানদের জন্য কন্ট্রিবিউশনের বিপরীতে তার ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি কতটা বড় বা ছোট অপরাধ? উত্তর হলো, কোনো কোনো অপরাধ অখণ্ড, স্বয়ংসম্পূর্ণ; তাকে টুকরো করা যায় না। আর তাই, সাজাটা কী হওয়া উচিত, ভাবতে এক সেকেন্ডও লাগেনি আমেরিকানদের। আবার ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়ার আগেই পদত্যাগ করে নিক্সন অপেক্ষার সময় কমিয়ে দিয়েছেন (নিক্সন যেদিন পদত্যাগ করেন, সেদিন আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতার শাস্তি দেখতে পেয়ে আমেরিকানদের সঙ্গে আমিও খুশি হয়েছিলাম)। সাকিবের শাস্তি নিয়ে গবেষণার হেতু কী?
বস্তুত, সমাজটাকে মুখাবয়বহীন করে তুলতে না পারলে কিছুই হওয়ার নেই। মামা-চাচা-খালু, ভাগ্নে-ভাগ্নি-ভাতিজা-ভাতিজি, শ্বশুর-শাশুড়ি, শ্যালক-শ্যালিকা, চেয়ারম্যান-এমডি, মন্ত্রী-সচিব, এমনকি প্রধানমন্ত্রী- সব পরিচয় মুছে ফেলে নাগরিক-এর স্টিকার লাগাতে হবে সবার কপালে। এবং নিজ নিজ অবস্থানে থেকে কার কী করা চলে, কী করা চলে না; কার দায়িত্ব কী, অধিকার কী- এসব দিয়েই বিচার করতে হবে তাকে, অন্যকিছু দিয়ে নয়। সবচেয়ে বড় কথা, জার্নালিজম ফেভার-ডিসফেভারের কোনো মাধ্যম নয়, it is a gentleman's game- এই খেলায় ফাউল করার চেয়ে ওয়াক-আউট অনেক ভালো।
মাহবুব কামাল : সাংবাদিক
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এইচ টি ইমাম তিন দিন পর বললেন অমন কথা বলেননি- নীরবতা ভাঙলেও অনুশোচনা নেই
গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচন ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের প্রতিষ্ঠিত করা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে দল ও সরকারের ভেতরে-বাইরে প্রচণ্ড সমালোচনার মুখে পড়েন। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ক্ষুব্ধ হন বলে দলীয় সূত্রগুলো জানায়। গত শুক্রবার আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকে দলের সব জ্যেষ্ঠ নেতা এইচ টি ইমামের ওই বক্তব্যের সমালোচনা করেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রতি বিরক্তি ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
গত বুধবার ছাত্রলীগের এক সভায় এইচ টি ইমাম ৫ জানুয়ারির নির্বাচন সম্পর্কে বলেন, ‘নির্বাচনের সময় বাংলাদেশ পুলিশ ও প্রশাসনের যে ভূমিকা, নির্বাচনের সময় আমি তো প্রত্যেকটি উপজেলায় কথা বলেছি, সব জায়গায় আমাদের যাঁরা রিক্রুটেড, তাঁদের সঙ্গে কথা বলে, তাঁদের দিয়ে মোবাইল কোর্ট করিয়ে আমরা নির্বাচন করেছি। তাঁরা আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, বুক পেতে দিয়েছেন।’
গণমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর এই মনোভাব প্রকাশের পরদিন গত শনিবার হঠাৎ করেই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আওয়ামী লীগের প্রচার উপপরিষদের বৈঠক ডাকেন এইচ টি ইমাম। তিনি প্রচার উপপরিষদের চেয়ারম্যান। বৈঠকটি গতকাল বেলা ১১টায় হওয়ার কথা থাকলেও তিনি উপস্থিত হননি। আজ বেলা ১১টায় আবার তিনি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন।
প্রচার উপপরিষদের বৈঠকে তাঁর অনুপস্থিতিতে সভাপতিত্ব করেন প্রচার উপপরিষদের সদস্যসচিব হাছান মাহমুদ। এইচ টি ইমাম বৈঠক ডেকে কেন উপস্থিত হননি জানতে চাইলে হাছান মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গেছেন। তাই তিনি বৈঠকে আসতে পারেননি।’ হঠাৎ করে কেন প্রচার উপপরিষদের বৈঠক ডাকা হলো—এই প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এটা আমাদের নিয়মিত বৈঠক।’ বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা কিছু সেমিনার করব’।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী গতকাল তাঁর কার্যালয়ে যাননি। এইচ টি ইমাম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাঁর নিজ অফিসকক্ষে দীর্ঘ সময় অবস্থান করলেও তিনি প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পাননি। তবে তিনি আওয়ামী লীগের একজন কেন্দ্রীয় নেতা এবং প্রধানমন্ত্রীর অপর দুজন উপদেষ্টা যাঁরা সাবেক আমলা, তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি নানাভাবে যোগাযোগ করে গণভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ লাভেরও চেষ্টা চালান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, সাক্ষাতের সুযোগ না পেলেও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছে। তবে কী ধরনের যোগাযোগ তা তিনি খোলাসা করেননি।
দল ও সরকারে বিরূপ অবস্থানের মধ্যে এইচ টি ইমাম হঠাৎ করে প্রচার উপপরিষদের বৈঠক ডাকার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগের একজন কেন্দ্রীয় নেতা প্রথম আলোকে বলেন, ‘দলে নিজের অবস্থান সুসংহত বোঝাতেই তিনি বৈঠক ডেকেছেন। কারণ প্রচারবিষয়ক এমন কোনো কাজ ছিল না যে তাঁর তড়িঘড়ি বৈঠক ডাকতে হবে।’
দলের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, এইচ টি ইমাম প্রচার উপপরিষদের বৈঠকে অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। কিন্তু দলীয় সভানেত্রীর অনুমতি ছাড়া বৈঠক করা ঠিক হবে না বলে তাঁর কয়েকজন অনুসারীর পরমর্শে শেষ পর্যন্ত তিনি উপস্থিত হননি। এরপর তিনি প্রধানমন্ত্রীর মনোভাব বোঝার জন্য তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন।

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোন পথে রাজনীতি by মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন
বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়ে যথারীতি আবেদন করেছে। কিন্তু ঢাকা মহানগর পুলিশ অনুমতি দেয়নি। পত্রিকায় এসেছে, এ বিষয়ে উপকমিশনারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেছেন, বিএনপি যদি ঘরোয়া সমাবেশ ও কর্মসূচি পালন করতে চায়, সে ক্ষেত্রে তাদের নিরাপত্তা দেয়া হবে। এর অর্থ কী দাঁড়ায়? বিএনপি রাজপথে বা মুক্ত স্থানে কর্মসূচি পালন করতে পারবে না? দেশে তো সামরিক শাসন নেই, জরুরি অবস্থাও জারি নেই; তাহলে কোন অবস্থা জারি আছে? এ প্রশ্ন ওঠা তো স্বাভাবিক। এসব রাজনীতি ও দেশের জন্য কোনো ভালো খবর তো নয়ই বরং চরম মন্দ খবর। এর জের রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের নাগরিককে একসময় বইতে হবে। কাজেই রাজনীতিকে তার সঠিক পথে চলতে দেয়া উচিত । রাজনীতির গতি রোধ করা কোনোভাবেই সমীচীন নয়। নদীর স্রোত, বাতাসের গতিবেগ ও মানুষের আবেগ যেমন আটকে রাখা যায় না, তেমনি রাজনীতির গতিও রোধ করা যায় না। এই নির্মোহ সত্য অনুধাবন করা সবার জন্য অপরিহার্য।
বিএনপিকে যদি নিরাপত্তার অজুহাতে সমাবেশ করতে না দেয়া হয়ে থাকে, তাহলে সেটা সরকারের ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে পরিগণিত হতে বাধ্য। কারণ বিএনপি অতীতে যত বড় বড় সমাবেশ করেছে, তার সব ক’টিই ছিল শান্তিপূর্ণ ও স্বতঃস্ফূর্ত। কোনো গোলযোগ জনসমাবেশগুলোয় হয়নি। তাছাড়া কয়েক দিন আগেও খালেদা জিয়া দেশের বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ করেছেন এবং সেগুলো সবই ছিল শান্তিপূর্ণ ও স্বতঃস্ফূর্ত। সুতরাং নিরাপত্তার অজুহাত এখানে ধোপে টেকে না। বিএনপিকে সমাবেশ করতে না দেয়ার ইচ্ছাটাই এখানে কাজ করেছে প্রবলভাবে। এমন হয়ে থাকলে এটা অবশ্যই ভুল ও হঠকারী সিদ্ধান্ত।
একজন সাধারণ মানুষ ভুল করলে এর খেসারত তিনি নিজে অথবা তার পরিবার দিয়ে থাকে। কিন্তু সরকার যদি ভুল করে বা ভুল সিদ্ধান্ত নেয়, এর খেসারত দিতে হয় রাষ্ট্র তথা জনগণকে। তাই সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হয় ভেবেচিন্তে ও ঠাণ্ডা মাথায়। শুধু সমাবেশের ক্ষেত্রেই নয়, দেশের চলমান রাজনীতি এবং একটি মধ্যবর্তী নির্বাচনের ব্যাপারেও সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে ঠাণ্ডা মাথায়। কথায় আছে, একটি ঠাণ্ডা মাথার সিদ্ধান্ত হাজারও উত্তেজিত মাথার সিদ্ধান্তের চেয়ে উত্তম।
ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করলে মধ্যবর্তী নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ নির্বাচনের ওপর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভরশীল। বাংলাদেশ বিশ্বে কোন
মর্যাদায় আসীন হবে তা নির্ভর করছে এই নির্বাচনের ওপর। এ নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা করা প্রকারান্তরে বাংলাদেশের অসীম সম্ভাবনা ধ্বংস করার শামিল। দেশের ভালো চাইলে সব দলের অংশগ্রহণে আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের চিন্তা করতে হবে। তাহলেই বাংলাদেশের জন্য বয়ে আনা সম্মান মানুষের কাজে লাগবে।
আসলে বিএনপিকে কৌশলে নির্বাচনের বাইরে রাখার একটা খেলা চলছে। দলটিকে কোনোভাবে নির্বাচনের বাইরে রাখতে
পারলেই যেন সরকার বেঁচে যায়। বিএনপির উচিত সরকারের এই বিপজ্জনক কৌশলকে অত্যন্ত পরিপক্বতার সঙ্গে মোকাবেলা করা এবং আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়া। কারণ
সরকার মুখে যাই বলুক, দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি একটি মধ্যবর্তী নির্বাচনের ইঙ্গিতই দেয়।
ভোটের রাজনীতিতে শাসক দল এতটা অসহায় হয়ে পড়েছে যে, সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা শুনলেই তারা ভয় পায়। সংবিধানের দোহাই দিয়ে পার পেতে চায়। বিএনপিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করতে চায়। রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন আছে, জামায়াতের সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের একটা গোপন সমঝোতার প্রক্রিয়া চলছে। যুদ্ধাপরাধের বিচার ইস্যুতে দেশের রাজনীতি একটি জটিল সমীকরণের মধ্যে দাঁড়িয়ে। এই সমীকরণকে পুঁজি করে সরকার পার পেতে চায়। এই বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে ক্ষমতাসীন দলের জন্যই বিপদ ডেকে আনবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন।
রাজনীতিতে কোন কাজটি এ মুহূর্তে করতে হবে এবং কোনটির জন্য করতে হবে অপেক্ষা- এটি নির্ধারণ করা অপরিহার্য। চাপ প্রয়োগ ছাড়া কোনো রাজনৈতিক দাবি আদায় হয়েছে- এমন নজির ইতিহাসে নেই। আওয়ামী লীগের মতো দলের কাছ থেকে রাজনৈতিক সুবিধা আদায় করতে হলে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের কোনো বিকল্প নেই। এই ঐক্য গড়ার এখনই যথাযথ সময়। সময়ের কাজ সময়ে না করলে পরে পস্তাতে হয়।
একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকার পরিবেশ এখন আর নেই। দীর্ঘ গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতায় দেশে অনেক পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। মানুষ যার যার ভোট নিজে দিতে শিখেছে। প্রায় ৯ কোটি ভোটারের ছবিসহ পরিচয়পত্র তৈরি হয়েছে, যা বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের ক্ষেত্রে এক মাইলফলক। এখন ইচ্ছা করলেও একজনের ভোট আরেকজনে দিতে পারেন না বা দেয়ার পরিবেশও নেই। তথ্যপ্রযুক্তি ও গণমাধ্যম বহুদূর এগিয়েছে। বলা যায়, একটি বিশ্বমানের গণমাধ্যম বাংলাদেশে কাজ করছে, যা মানুষের ভোটাধিকার রক্ষায় সর্বদা সচেষ্ট। একে ফাঁকি দেয়ার ক্ষমতা কোনো দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির নেই। তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে মুহূর্তের মধ্যেই যে কোনো খবর সম্প্রচার হয়ে যায় বিশ্বজুড়ে। তাই নির্বাচনে জালিয়াতি বা ভোট ডাকাতি করে কেউ পার পাবে না। ফুটেজ থেকে যাবে গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে- এই ভয়ে নির্বাচনে জালিয়াতি বা ভোট ডাকাতি করতে কেউ উৎসাহী হবে না।
বাংলাদেশ ঐক্যের দিক থেকে বিশ্বে একটা নিদর্শন ছিল। কিন্তু এখন জাতি হিসেবে সব দিক থেকে আমরা বিভক্ত। বিভক্ত জাতি সাহসহীন, আশাহীন বিপন্ন এক জাতিতে পরিণত হয়। সবকিছু বিপন্ন হওয়ার আগে সরকারের উচিত বিরোধী দলকে আস্থায় নেয়া এবং সংকট দূর করে দেশকে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দিকে ধাবিত করা। এর জন্য শাসক দলকে অবশ্যই সংকীর্ণ দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি ত্যাগ করতে হবে, জাতীয় ঐক্যের পথ প্রশস্ত করতে হবে।
হিংসা-বিদ্বেষ ও অনৈক্য-বিভাজনের রাজনীতি দিয়ে বর্তমান ক্রান্তি সময় অতিক্রম করা অসম্ভব। এখন প্রয়োজন দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে উদারনৈতিক রাজনীতি। সর্বোপরি নির্দলীয় সরকারের অধীনে পক্ষপাতহীন, সুষ্ঠু মধ্যবর্তী নির্বাচনের ব্যবস্থা করলে সরকারের হারানো জনপ্রিয়তা যেমন পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে,
তেমনি শাসক দলকেও মানুষ নতুন চোখে দেখবে। সর্বোপরি দেশ এগিয়ে যাবে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতির পথে।
মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন : রাজনীতি বিশ্লেষক
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিল শুনানি মঙ্গলবার

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চায়ের কাপে তুফান by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
লতিফ সিদ্দিকীর কিছু বক্তব্য নিয়ে সম্প্রতি যে ঝড় উঠেছে, তা চায়ের পেয়ালায় তুফান নয়, সত্যিকার ঝড়। তিনি সত্য সত্যই ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মনে আঘাত লাগে এমন কিছু কথা বলেছেন। কিন্তু নিউইয়র্কের বন্ধুদের কাছে খবর নিয়ে জেনেছি, লতিফ সিদ্দিকীও মিডিয়া চক্রান্তের শিকার হয়েছেন। অন্তত জয় ওয়াজেদ সম্পর্কে তার বক্তব্য টুয়িস্ট করা হয়েছে। ঢাকাতেও এখন দেখছি, যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা এটা প্রমাণ করার জন্য একটি দুটি নিরপেক্ষতার মুখোশধারী ইংরেজি ও বাংলা দৈনিক উঠেপড়ে লেগেছে।
লতিফ সিদ্দিকীর বক্তব্য নিয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে না পেরে এবার টার্গেট করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমামকে। গত বুধবার (১২ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে ছাত্রলীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি কিছু বক্তব্য রেখেছেন। কাগজে তার বক্তব্য পাঠের আগেই ঢাকা থেকে আওয়ামী লীগের সমর্থক ও বিরোধী দুই ধরনেরই কিছু লোকের টেলিফোন পেতে শুরু করি। তারা জানান, এইচটি ইমাম এমন কথা বলেছেন যাতে সরকারের ভাবমূর্তি দারুণভাবে নষ্ট হয়েছে। সরকার যে নির্বাচনে অনিয়ম করেছেন সেটাও তিনি খোলাসা করে দিয়েছেন। তাকে অবিলম্বে সরকারি গদি থেকে অপসারণ করা উচিত।
এইচটি ইমাম সত্যই কী বলেছেন তা জানতে উদগ্রীব হলাম। তাকে আমি জানি ছাত্রাবস্থা থেকে। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা আগরতলায় ছিলাম। এই যুদ্ধে তার সাহসী ভূমিকা দেখেছি। দোষেগুণে মানুষ। তাকে নিয়ে অনেক বিতর্ক। সরকারের ভেতরে-বাইরে অনেকে তাকে ঈর্ষা করেন। কারণ তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছের মানুষ। তার রাজনৈতিক উপদেষ্টা। ক্ষমতার খুব কাছাকাছি যারা থাকেন, তারা সব সময়ই ঈর্ষা ও অপবাদের শিকার হন। এসব অপবাদের কোনোটা সত্য, কোনোটা মিথ্যা।
এইচটি ইমামের সম্পর্কেও সত্য-মিথ্যা অনেক অপবাদ আছে। কিন্তু তার সঙ্গে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠতার সুবাদে জানি, তিনি একজন বিচক্ষণ ও অভিজ্ঞ মানুষ। কাঁচা রাজনীতিকদের মতো বেফাঁস কথা বলার লোক তিনি নন। ফলে তার বক্তব্য সম্পর্কিত খবর ও খবরভাষ্য দুদিন ধরে ছেপেছে যে নিরপেক্ষ দৈনিকটি, তার পাতা উল্টালাম। পত্রিকাটি প্রথম দিন (১৩ নভেম্বর) ছেপেছে এইচটি ইমামের বক্তব্য। তা কিছুটা টুয়িস্ট করা (আমি ঢাকায় ছাত্রলীগের এক নেতাকে টেলিফোন করে তার বক্তব্যের রেকর্ড করা পুরো ভাষণটি শুনেছি)। পরদিন নির্বাচনী অনিয়ম খোলাসা করলেন এইচটি ইমাম শীর্ষক প্রতিবেদনে তার বক্তব্যের ভাষ্য নিজেদের মনমতো করে সাজানো হল এবং এই ভাষ্যের পক্ষে সুধীজন বলে যাদের প্রতিক্রিয়া ছাপানো হয়েছে তারা সবাই এই পত্রিকাগোষ্ঠীর নিজস্ব ঘরানার লোক। যেমন- সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। এদের লেখা আমি পড়ি। এরাও নিরপেক্ষতার ভান করে সব সময় সরকারের খুঁত ধরেন এবং ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে যে অনিয়ম হয়েছে, নিরপেক্ষ দৈনিকটির এই প্রচারণার সহযোগী।
এইচটি ইমাম তো কোনো বড় রাজনৈতিক নেতা নন। কিন্তু অসৎ সাংবাদিকতা দ্বারা বড় বড় রাজনৈতিক নেতার বক্তব্যও যে টুয়িস্ট ও বিকৃত করে তাদের রাজনৈতিক জীবন শেষ করে দেয়ার চেষ্টা করা হয়, তার ভূরি ভূরি প্রমাণ আমার জানা। একবার শেরেবাংলা ফজলুল হক ঢাকার আরমানিটোলা ময়দানের এক জনসভায় মওলানা ভাসানীর মুক্তি দাবি করে (মওলানা ভাসানী তখন জেলে) বলেছিলেন, মওলানা ভাসানী একজন নিঃস্বার্থ রাজনৈতিক নেতা। কখনও পদ বা ক্ষমতার লোভে রাজনীতি করেন না। আমারও রাজনীতি করার স্বার্থ ছিল। মন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আশা ছিল। কিন্তু মওলানা ভাসানী এ রকম কোনো আশা বা স্বার্থ নিয়ে রাজনীতি করেননি। পরদিন মুসলিম লীগ সমর্থক একটি কাগজ হক সাহেবের বক্তব্যের আগের ও পরের অংশ বাদ দিয়ে বিরাটভাবে ছেপেছিল, সারা জীবন স্বার্থের জন্য রাজনীতি করেছি, ফজলুল হক সাহেবের স্বীকৃতি। কারও বক্তব্য টুয়িস্ট বা বিকৃত করে ছাপার সাংবাদিকতা সবচেয়ে অসৎ সাংবাদিকতা। ব্রিটেন স্বাধীন সাংবাদিকতার দেশ। কিন্তু এই দেশেও এই ধরনের অসৎ সাংবাদিকতাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধের আওতায় আনা হয়েছে। ছাত্রলীগের আলোচনা সভায় দেয়া এইচটি ইমামের বক্তব্যকেও টুয়িস্ট করা হয়েছে। তার রেকর্ডকৃত যে বক্তৃতা শুনেছি, তাতে ছাত্রদের চাকরি-বাকরি পাওয়া প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, লিখিত পরীক্ষায় তোমাদের ভালো করতেই হবে। তোমরা পড়াশোনা করে ভালোভাবে পরীক্ষা দাও। ভাইভা পরীক্ষা সম্পর্কে তিনি বলেছেন, এই পরীক্ষাতেও তোমাদের ভালো করতে হবে। প্রয়োজনে আমি তোমাদের কোচিং ক্লাস নিতে পারি।
এখানে অন্যায় কী বলা হল? নিরপেক্ষ পত্রিকাটি তার বক্তব্য ছাঁটকাট করে ছেপেছে, তোমাদের লিখিত পরীক্ষায় ভালো করতে হব। তারপরে আমরা দেখব। ছাত্রছাত্রীরা লিখিত পরীক্ষা দিলেই আমরা দেখব। অর্থাৎ তাদের চাকরির ব্যবস্থা হয়ে যাবে! বক্তব্য এমনভাবে টুয়িস্ট করা কি অসৎ সাংবাদিকতা নয়? লক্ষণীয় নিরপেক্ষ দৈনিকটির খবর ভাষ্যের শেষের দিকে আমি প্রয়োজনে কোচিং ক্লাস নিতে রাজি আছি কথাটি বলা আছে। কিন্তু কথাটি এমন অসংলগ্নভাবে বসানো হয়েছে, তার প্রকৃত অর্থ বোঝা সচেতন পাঠকের পক্ষেও কষ্টকর। যেমন খবর ভাষ্যে বলা হয়েছে, তোমাদের মধ্য থেকে যারা প্রতিষ্ঠিত হতে চাও, আমি প্রয়োজনে কোচিং ক্লাস নিতে রাজি আছি। কোচিং ক্লাস করার কথা বলা হয়েছিল ভাইভা পরীক্ষা সম্পর্কে। নিরপেক্ষ পত্রিকাটি এই বক্তব্যেও অসংলগ্নতা সৃষ্টি করে পাঠকদের বিভ্রান্ত করতে চেয়েছে।
অসৎ সাংবাদিকতা কতটা নিুগামী হতে পারে, তার প্রমাণ পাওয়া যায় এইচটি ইমামের নির্বাচন সংক্রান্ত বক্তব্যের বিকৃত ভাষ্য প্রচারের মধ্যে। শুধু তার বক্তব্যকে বিকৃত করা নয়, তার মধ্যে অসংলগ্নতাও তৈরি করা হয়েছে। এইচটি ইমাম বলেছেন, বিএনপি শুধু যে আলোচনায় আসেনি বা নির্বাচন বয়কট করেছে তা নয়, তারা নির্বাচন প্রতিরোধ করার নামে যে ধ্বংসযজ্ঞ, যে নিষ্ঠুরতা ২০১৩ সালে পুরো বছর করেছে তার কোনো নজির নেই। তারা জামায়াতকে নিয়ে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল। নির্বাচনের সময়ের প্রত্যেকটি উপজেলায় কথা বলছি। পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা দেখেছি। আমাদের যারা রিক্রুটেড, তাদের দ্বারা মোবাইল কোর্ট করিয়ে নির্বাচন করেছি। আমাদের যে ১৯ জন পুলিশ ভাই প্রাণ দিয়েছে জামায়াত-শিবিরের আক্রমণে, তারা কারা? সব আমাদের মানুষ। এই বক্তব্য দ্বারা কি স্বীকার করা হল, সরকার নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেছেন বা তাতে অনিয়ম করেছেন? এটা তো নিরপেক্ষ পত্রিকাটির এবং তাদের সুশীল সমাজের প্রচারণা। নির্বাচন কমিশনার আবদুল মোবারক স্পষ্টই বলেছেন, নির্বাচন পরিচালনা করেছে নির্বাচন কমিশন। আইন-শৃংখলা বাহিনী নির্বাচন কমিশনের আওতায় কাজ করেছে। তথাপি নিরক্ষেপ দৈনিকটির ভাষ্য, ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচন নিয়ে মানুষের ধারণা এতদিন অনুমাননির্ভর ছিল। এখন এইচটি ইমাম তা খোলাসা করে দিয়েছেন।
উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে দেয়া আর কাকে বলে? এইচটি ইমাম বলেছেন, নির্বাচন প্রতিহত করতে জামায়াত-শিবিরের যে সশস্ত্র গুণ্ডামি আরম্ভ হয়েছিল তা মোকাবেলা করার কথা। বলেছেন এই মোকাবেলায় যেসব পুলিশ প্রাণ দিয়েছেন তাদের কথা। পশ্চিমবঙ্গে একবার রাজ্য নির্বাচনের সময় মাওবাদীরা কয়েকটি নির্বাচন কেন্দ্রে সশস্ত্র হামলা চালায়। সিপিএম সরকারের সমর্থক ক্যাডার বাহিনী একদল পুলিশের সহায়তায় এই হামলা প্রতিরোধ করে। মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু এই পুলিশদের সাহসিকতার প্রশংসা করে তাদের আমাদের লোক বলে উল্লেখ করেছিলেন। নির্বাচন কমিশন তো তাদের দায়িত্ব পালন করছিলেনই, তাদের শান্তি রক্ষার কাজে সহায়তা দানের জন্য জ্যোতি বসু এই বিশেষ ব্যবস্থা করেছিলেন। তাতে কেউ বলেনি বামফ্রন্ট সরকার নির্বাচনে অনিয়ম করেছে বা হস্তক্ষেপ করেছে।
এসব প্রচারণা উপলক্ষ মাত্র। আসল লক্ষ্য শেখ হাসিনা। ভালো হোক আর মন্দ হোক, যেসব সহযোগীর পরামর্শ ও বিচক্ষণতার ওপর নির্ভর করে হাসিনা সরকার টিকে আছে তাদের মধ্যে এইচটি ইমাম একজন। এদের বিতর্কিত করে সরানো গেলে প্রধানমন্ত্রী দুর্বল হবেন, তার পতন ঘটানো সহজ হবে এটাই এই চায়ের কাপে তুফান তোলার লক্ষ্য। এইচটি ইমামের বিরুদ্ধে বাজারে অনেক অভিযোগ আছে। সেই অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ পেলে তার ভিত্তিতে তাকে তার পদ থেকে অপসারণের দাবি তোলা যেতে পারে। তা না করে তার বক্তব্যকে বিকৃত করে যারা আপাতত তাকে আক্রমণের টার্গেট করেছে তাদের আসল টার্গেট শেখ হাসিনা।
এই খেলা আমরা ভারতেও দেখেছি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর দুই প্রভাবশালী উপদেষ্টা ছিলেন পিএন হাকসার এবং ডিপি ধর। তারাও ছিলেন আমলা। তবে কংগ্রেসের অনেক রাজনৈতিক নেতার চেয়ে প্রজ্ঞাবান ও দূরদর্শী ছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী তাদের পরামর্শের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। কংগ্রেসের ভেতরে ও বাইরে যারা ইন্দিরাবিরোধী ছিলেন, তারা ইন্দিরাকে ঘায়েল করতে না পেরে পিএন হাকসার ও ডিপি ধরের বিরুদ্ধে প্রথমে প্রচারণায় নামেন। এ দুজনের সঙ্গেই ইন্দিরা গান্ধীর ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করেন। ভুল বোঝাবুঝি এমন পর্যায়ে গিয়েছিল যে, হাকসারের সঙ্গে ইন্দিরা গান্ধী মুখ দেখাদেখি বন্ধ করে দেন। ডিপি ধরের মৃত্যু ঘটে আকস্মিক হৃদরোগে। পিএন হাকসার চাকরি ছেড়ে দেন। ইন্দিরা গান্ধী সম্পূর্ণ একা ও অসহায় হয়ে পড়েন। তাকে নির্বাচনে পরাজিত করে ক্ষমতা থেকে সরাতে বিরোধী শিবিরের আর কোনো অসুবিধা হয়নি। বাংলাদেশেও এখন এই একই ধরনের হাসিনাবিরোধী চক্রান্ত শুরু হয়েছে। এই চক্রান্ত শুধু আওয়ামী লীগের বাইরে নয়, ভেতরেও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ সম্পর্কে সজাগ ও সতর্ক থাকা দরকার। এইচটি ইমামের বক্তব্যকে টুয়িস্ট করে চায়ের কাপে যে ঝড় তোলা হয়েছে, তার লক্ষ্য অদূর ভবিষ্যতে আসল ঝড় সৃষ্টি করা- তার টার্গেট হবেন শেখ হাসিনা। সময় থাকতে প্রধানমন্ত্রীর শক্ত অবস্থান গ্রহণ করা প্রয়োজন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কারণ অনুসন্ধানে গোয়েন্দারা মাঠে
এদিকে ফেসবুকে শফিউল ইসলাম হত্যার দায় স্বীকার করেছে ‘আনসার আল ইসলাম বাংলাদেশ-২’ নামের একটি জঙ্গি সংগঠন। হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই এ হত্যার দায় স্বীকার করে তারা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়। তবে এর আগে এ সংগঠনের কোনো নাম শোনা যায়নি এবং তাদের কোনো কর্মকাণ্ডও দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, শফিউল ইসলাম হত্যার তদন্তেও ক্ষেত্রে প্রতিটি বিষয় মাথায় রেখেই তদন্ত চালানো হচ্ছে। এজন্য শুধু জঙ্গি কিংবা রাজনৈতিক কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে না। অন্যান্য বিষয়ও মাথায় রাখা হচ্ছে।
ভারত ও বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতার বিরুদ্ধে যৌথ কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামীকাল ভারত থেকে একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে আসছে। তারা বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের সঙ্গে কাজ করবে। উভয় দেশের জঙ্গি প্রতিরোধসহ সব বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে জঙ্গি নির্মূল করা হবে। তবে কতদিন ভারতীয় প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে কাজ করবে সে বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী পরিষ্কার কিছু বলতে পারেননি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কম বয়সী স্বামীর জন্য ইসলাম গ্রহণ করতেও রাজি
ব্রিটেনের জেন ম্যাকলফি (৪৭) ও তিউনিসিয়ার মোহাম্মদের (৩২) মধ্যে অনলাইনে সাক্ষাত হয় ২০১১ সালে। ওই সময়ে জেনের প্রথম বিয়েটা ভেঙে গিয়েছিল। তিনি ছুটে যান তিউনিশিয়ায়। প্রায় এক বছর পর তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। কথা ছিল বিয়ের পর মোহাম্মদ ব্রিটেনে তার স্ত্রীর বাড়িতে চলে আসবেন। কিন্তু ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ মোহাম্মদকে ভিসা দিতে অস্বীকার করে। তাদের মতে, মোহাম্মদের ইংরেজি জ্ঞান অত্যন্ত দুর্বল। স্বামীকে ইংল্যান্ডে নিয়ে আসতে জেন ইতোমধ্যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সাহায্যও চেয়েছেন।
তিনি তার স্বামীর ধর্ম ইসলাম গ্রহণ করার সংকল্পও ঘোষণা করেছেন। ইতোমধ্যে তিনি হিজাবও পরা শুরু করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, অনেকেই মনে করছে, এই বিয়ের পেছনে কোনো অসৎ উদ্দেশ্য আছে। আমি জানি, তেমন কিছুই নেই।
তিনি বলেন, লোকজন মনে করে, তিউনিশিয়ার সব মানুষ লম্পট। কিন্তু তাদের বিষয়টি প্রমাণ করা দরকার। আর লম্পট লোক সারা দুনিয়াতেই আছে, এমনকি ইংল্যান্ডেও আছে।
তিনি বলেন, তিউনিশিয়ায় আমি যাদের দেখা পেয়েছি, সবাই ভালো মানুষ। একবারও যদি মনে হতো, এই বিয়ের তার কোনো খারাপ ইচ্ছা আছে, তবে বিয়েটা করতাম না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বের প্রবীণতম বৃদ্ধ ১৭৯ বছরেও সুস্থ
বিশ্বের প্রবীণতম এই বৃদ্ধের বাড়ি ভারতের বেঙ্গালুরুতে। তার নাম রয়েছে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেও।
মহাস্টা মুরেসির জন্ম ১৮৩৫ সালে। এমনটাই দাবি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেইলি রিপোর্ট ডট কমের। তবে এ খবরের সত্যতা কতটা, তা তর্কযোগ্য।
ওয়েবসাইটির আরো দাবি, মুরেসি নাকি এখন দুঃখ করে বলেন, ‘চোখের সামনে আমার নাতি-নাতনিরা মারা-গেছে। কিন্তু মৃত্যু আমাকে গ্রাস করেনি। আমি তাই মরার আশা ছেড়ে দিয়েছি।’

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের অনেক প্রাপ্তির সিরিজ
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কলম্বিয়ায় জেনারেল রুবেন দারিও অপহৃত
কর্তৃপক্ষ জানায়, জেনারেল রুবেনকে উদ্ধারের জন্য ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, ফার্ক বিদ্রোহীরা তাকে অপহরণ করেছে।
জেনারেল রোবেন ছাড়াও আরো দুজন বেসামরিক লোককেও গতকাল অপহরণ করা হয়েছে।
রোববার বিকেলে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে একটি এনার্জি প্রজেক্ট পরিদর্শনে গিয়েছিলেন রোবেন।
প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল কার্লোস তার টুইটার বার্তায় বলেছেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রুবেন আলজেটকে ‘অপহরণ’ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জুয়ান কার্লোস পিনজনকে ঘটনা তদন্তে কুইবোর চোকো শহরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা অপহরণকারীদের (লক্ষণ দেখে মনে হচ্ছে ফার্ক বিদ্রোহীরা জড়িত) যত দ্রুত সম্ভব তাকে নিরাপদে ও সুস্থ অবস্থায় মুক্তি দেয়ার আহবান জানাচ্ছি।’
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কুইদো এলাকায় থাকা স্থল বাহিনীর সঙ্গে ওই জেনারেলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ওই এলাকায় বামপন্থী ফার্ক বিদ্রোহীরা সক্রিয় রয়েছে।
কলম্বিয়ায় ১৯৬৪ সালে গেরিলা সংগঠনটি গঠিত হয়। সংগঠনটির এখন প্রায় আট হাজার যোদ্ধা রয়েছে।

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উত্তাল ক্যাম্পাস : কলেজ অধ্যক্ষসহ আটক ৫

শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. কামরুল হাসান মজুমদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক প্রণব কুমার পাণ্ডের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন, ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ছাদেকুল আরেফিন মাতিন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ওয়ারদাতুল আকমাম, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের প্রশাসক প্রফেসর সফিকুন্নবী সামাদী, প্রফেসর আবুল কাশেম, প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক প্রফেসর জাহিদুল হাসান প্রমুখ।
দুপুর ১২টার দিকে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল ছাত্রজোট। মিছিলটি ক্যাম্পাসের টুকিটাকি চত্বর থেকে শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য দেন রাবি শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সহ-সভাপতি খাদিমুল বাশার, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সহ-সভাপতি মিঠুন রায়, ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন সুজন। সমাবেশ থেকে অবিলম্বে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়।
এর আগে সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে শোক-পদযাত্রা বের করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক জোট। পদযাত্রাটি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সেখানে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে। এতে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট নাট্যজন মলয় কুমার ভৌমিক, অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা, অধ্যাপক এসএম আবু বকর, অধ্যাপক নীলুফার সুলতানা, অধ্যাপক শাহ আযম শান্তুনু প্রমুখ। সমাবেশ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।
শনিবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন চৌদ্দপাই এলাকায় শিক্ষকদের আবাসিক এলাকায় প্রফেসর শফিউল ইসলামকে কুপিয়ে আহত করে সন্ত্রাসীরা। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যান তিনি। কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে সে সম্পর্কে পুলিশ এখনও কিছু বলতে পারেনি। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনো মামলাও হয়নি।
নগরীর মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন যুগান্তরকে বলেন, পুলিশ মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে এ পর্যন্ত তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের প্রশাসক প্রফেসর ইলিয়াছ হোসেন জানান, বিশ্ববিদালয়ের পক্ষ থেকে মামলা হয়েছে।
চিরনিদ্রায় শফিউল ইসলাম : গাইবান্ধা প্রতিনিধি জানান, রোববার দুপুরে অধ্যাপক ড. একেএম শফিউল ইসলামকে তার গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের হিয়াতপুরে দাফন করা হয়েছে। এর আগে সকালে তার মৃতদেহ পৌঁছলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। কান্নায় ভেঙে পড়েন তার মাসহ আত্মীয়স্বজন। তাকে এক নজর দেখার জন্য পরিচিত মহল ও এলাকাবাসী বাড়িতে ভিড় জমায়। বাদ জোহর হিয়াতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। হাজারো মানুষ ওই জানাজায় অংশ নেন। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়। নিহত শফিউল ইসলামের একমাত্র ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্র জেভিন ইসলাম তার বাবার হত্যাকারী হিসেবে জঙ্গি সংগঠনগুলোকে দায়ী করেছেন। তিনি হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে বিচারের মাধ্যমে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
নিন্দা, প্রতিবাদ ও মানববন্ধন : ড. শফিকুল ইসলাম হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে খুনিদের দ্রুত বিচার দাবি করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ ও বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন। নির্মম এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে মানববন্ধন হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকায় ব্যস্ত ভারতীয় গোয়েন্দারা

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কী ছিল সেই ডকুমেন্টসে?

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
November
(2026)
-
▼
Nov 17
(84)
- ছোট খবর
- বেঁচে গেলেন মহিলা এমপি নিহত ৩
- আমেরিকা আবিষ্কার করেন মুসলমানরা : এরদোগান
- জাপানে মার্কিন ঘাঁটির ভাগ্য নির্ধারণী ভোট
- গাজা পুনর্গঠনে ৭৭০ কোটি ডলার!
- এক মার্কিনিসহ ১২ পণবন্দির শিরশ্ছেদ
- আইএস ধ্বংসে কয়েক বছর লাগবে
- গ্রাম দত্তক নিলেন সোনিয়া-রাহুল
- কারাগারে দেহ ব্যবসা!
- রাশিয়াকে সুস্পষ্ট বার্তা দেয়া হয়েছে
- বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ছে
- ভারতের আদালতে আজ সাক্ষ্য দেবেন ফেলানীর বাবা
- দুদকে আইনমন্ত্রীর অস্বাভাবিক বিল
- আনসার আল ইসলাম আল কায়দার সংগঠন
- সিমকার্ড বিক্রির আগে যাচাই হবে পরিচয়পত্র
- নয় মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৭ হাজার কোটি টাকা
- নেপোলিয়নের হ্যাট নিলামে
- অবিস্মরণীয় মওলানা ভাসানী by ফকির আলমগীর
- মেয়র আরিফকে জড়ানোর প্রতিবাদে সিলেট উত্তাল
- আড়াইহাজারে দখলে লোপাটে অপ্রতিদ্বন্দ্বী এমপি বাবু
- যোগ্য প্রচার পায়, না প্রচার যোগ্য বানায়? by মাহবুব...
- এইচ টি ইমাম তিন দিন পর বললেন অমন কথা বলেননি- নীরবত...
- কোন পথে রাজনীতি by মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন
- খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিল শুনানি মঙ্গলবার
- চায়ের কাপে তুফান by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
- কারণ অনুসন্ধানে গোয়েন্দারা মাঠে
- কম বয়সী স্বামীর জন্য ইসলাম গ্রহণ করতেও রাজি
- বিশ্বের প্রবীণতম বৃদ্ধ ১৭৯ বছরেও সুস্থ
- বাংলাদেশের অনেক প্রাপ্তির সিরিজ
- কলম্বিয়ায় জেনারেল রুবেন দারিও অপহৃত
- উত্তাল ক্যাম্পাস : কলেজ অধ্যক্ষসহ আটক ৫
- ঢাকায় ব্যস্ত ভারতীয় গোয়েন্দারা
- কী ছিল সেই ডকুমেন্টসে?
- থানাই দোহারের কোর্ট কাচারি!
- বিয়ের রাতেই তালাক
- আসামির পক্ষ নিচ্ছে শ্রম মন্ত্রণালয়
- সিলেট বিভাগে হরতাল চলছে
- বাংলাদেশের ইতিহাস
- কাল মেসি বনাম রোনালদো
- বিতর্কিত বক্তব্যে অটল এইচ টি ইমাম
- ১৮ বছরের আগেই বিয়ে হচ্ছে মেয়েশিশুদের
- জানুয়ারিতে বাড়ছে গ্যাস-বিদ্যুতের দাম
- উখিয়া রেজুখাল- একটি ব্রিজের জন্য...
- কাসিগকে হত্যা ‘সম্পূর্ণ অনৈতিক’: ওবামা
- মোদি নিজে ঘুমান না, মন্ত্রীদেরকেও ঘুমোতে দেন না
- অবৈধ ভিওআইপি বন্ধে বিটিআরসিকে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার ...
- জয়ের স্বপ্ন পাপিয়ার by জাহিদুর রহমান
- সৌদি নারীদের ব্যাংকে ১০ হাজার কোটি ডলার
- লাখ ডলারে আনা হচ্ছে সংসদের মূল নকশা by কাজী সোহাগ
- রূপকথার এক প্রেমকাহিনী by হাসনাইন মেহেদী
- ‘কুঁড়েঘরে জীবন কাটিয়েছেন ভাসানী’ by কাজী সুমন
- ইবোলা নির্মূলে কাজ করার অঙ্গীকার
- নরওয়ের অসলোতে প্রতিবাদী স্বর্ণা by এনামুল হক
- পোস্টমর্টেম রিপোর্টে টুনি’র আত্মহত্যা পরিবারের প্র...
- ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাহায্য চেয়ে অপরাধ করিনি’ -এইচ...
- ঘটনা জানার অধিকার মার্কিনদের আছে
- রহস্যময় সেই ডুবোজাহাজের ছবি
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হত্যা- তিন ক্লু নিয়ে...
- অস্ত্রই খুঁজে নেবে হামলার লক্ষ্য
- চট্টগ্রাম টেস্টের জয়ে রচিত হলো নতুন ক্রিকেট ইতিহাস...
- গর্বাচেভের সঙ্গে ড. ইউনূস
- বক্তব্য বিকৃত করা হয়েছে: এইচ টি ইমাম
- এশিয়ার নিরাপত্তা হুমকিমুক্ত হতে হবে
- আফগানিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ পাকিস্তান
- বড় মামার কাছে একটি আবেদনপত্র
- বাংলাদেশ, উত্তর-পূর্ব ভারত ও মিয়ানমারকে নিয়ে পর্যট...
- মাহজাবিন হত্যা- টিপু দম্পতির জামিন ছেলে রিমান্ডে
- সিলেটে আজ হরতাল, মেয়র আরিফের পক্ষে আন্দোলনে কাউন্স...
- খাগড়াছড়ি সেনানিবাসে গ্রেনেড বিস্ফোরণে ২ বিজিবি সদস...
- চিনে ফেলায় রত্নাকে হত্যা করা হয়েছে
- কয়রায় বিশুদ্ধ পানির তীব্র সঙ্কট
- ‘প্রধানমন্ত্রীর পূর্ণ আস্থা রয়েছে’ -এইচ টি ইমাম
- মোদিহীন দিল্লিতে মমতা- তিস্তা চুক্তি অনিশ্চিত
- সংস্কারপন্থিদের সবুজ সঙ্কেত খালেদার by কাফি কামাল
- নিউ ইয়র্কের রাস্তায় নগ্ন মডেল
- আলুটিলায় রহস্যময় গুহা by আজহার হীরা
- প্রধানমন্ত্রীর ‘নির্দেশে’ কাল এইচ টি ইমামের সংবাদ ...
- গণতান্ত্রিক বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ: প্রধা...
- জয় বাচ্চা মানুষ, এখনো সে গণতন্ত্র শিখেনি: বি চৌধুরী
- জামায়াতের সঙ্গে জোট নির্বাচন ও আন্দোলনভিত্তিক: ফখরুল
- আগামী বছর ঢাকার সব বস্তিতে পানি সরবরাহ
- এক হাজার ইউনিয়নে অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপনের তাগিদ
- জয়কে নিয়ে বক্তব্যে সচেতন হোন, ফখরুলকে সেতুমন্ত্রী
- আসিফ আদনানের জামিন স্থগিত
-
▼
Nov 17
(84)
-
▼
November
(2026)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...