Tuesday, December 11, 2018
ভারতে ৫ রাজ্যের নির্বাচনে বিজেপি ভরাডুবির পথে

ইতিমধ্যেই ৯০টি আসনের মধ্যে ৫৮টি আসনে এগিয়ে গিয়েছে কংগ্রেস। বিজেপি মাত্র ২৪টি আসনে এগিয়ে থাকলেও রাজ্য থেকে ক্ষমতা হারানোর জন্য তারা তৈরি। অন্যদিকে, মধ্যপ্রদেশে জোর টক্কর হলেও বিজেপিকে পিছনে ফেলে কংগ্রেস দ্রুত এগিয়ে চলেছে বলে ভোট গণনায় স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। মধ্যপ্রদেশে ২৩০টি বিধানসভা আসনের মধ্যে কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ১১৭টি আসনে। অন্যদিকে ১০৩টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি।
বহুজন সমাজ পার্টি এগিয়ে ৫টি এবং অন্যান্যরা ৯টি আসনে। তেলেঙ্গানায় ৮২ আসনে এগিয়ে থেকে জাদু সংখ্যা পার করে দিয়েছে চন্দ্রশেখর রাওয়ের তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি। মাত্র ২২টি আসনে এগিয়ে কংগ্রেস ভাল ফল করতে চলেছে। বিজেপি এগিয়ে মাত্র ১টি আসনে। মিজোরামে অবশ্য কংগ্রেস ক্ষমতা হারাতে চলেছে। মিজো ন্যাশানাল ফ্রন্টের চেয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে কংগ্রেস। মিজো ন্যাশানাল ফ্রন্ট ২৬টি আসনে এগিয়ে। ৯ আসনে এগিয়ে কংগ্রেস। বিজেপি এগিয়ে মাত্র ১টি আসনে এবং অন্যান্যরা এগিয়ে চারটি আসনে। রাজস্থানে কংগ্রেস এগিয়ে আছে ১০৩ টি আসনে। অপরদিকে বিজেপি এগিয়ে আছে ৭১ টি আসনে।
ভোটগণনার এই প্রবণতা দেখেই টুইটারে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরপর তিনটি টুইটে তিনি বলেছেন, মানুষ বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। এটা জনতার রায় এবং জনতার জয়। এই জয় গণতন্ত্রের জয়। এ পাঁচ রাজ্যের মধ্যে এতদিন তিনটিতেই বিজেপি ক্ষমতায় ছিল। বিশ্লেষকরা বলছেন, এর ফলে লোকসভা ভোটে বেশ সংকটে পড়তে চলেছে বিজেপি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশে ফিরেছেন ঐশি

আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়েও কথা বলেন তিনি। তার ভাষ্য, পড়াশোনা করতে হবে। আমি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারিনি। কিছুদিনের মধ্যে কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হব। এরপর পড়াশোনায় মন দেব। সময় আর সুযোগ যদি পাই, তাহলে শোবিজে কাজ করব। সবাইকে বলতে শুনি, সিনেমায় নায়ক হিসেবে শাকিব খানকে চাই।
আমার তেমন কোনো পছন্দ নেই। মানসম্মত একটা গল্প, একজন ভালো অভিনেতা আর ভালো পরিচালক হলেই কাজ করব। নাটকের ক্ষেত্রেও একই ভাবনা। ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ ভ্যানেসাকে নিয়ে ঐশি বলেন, ভ্যানেসা আগে জানত, বাংলাদেশ নামে একটা দেশ আছে। আমি বাংলাদেশ সম্পর্কে খুঁটিনাটি অনেক কিছু জানিয়েছি। আমি ওকে বলেছি, তুমি যদি আমাদের দেশে আসো, তাহলে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমুদ্রসৈকত ঘুরিয়ে দেখাব। আমার দেশের ক্রিকেট দলের বিশ্বে সুনাম আছে। ক্রিকেটের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান কিন্তু আমার দেশের। এটা জেনে সে খুব খুশি হয়েছে। আরও বলেছি, আমার দেশের মানুষ অসাধারণ মনের অধিকারী। আমার কথা শুনেই সে বাংলাদেশে আসার ইচ্ছে প্রকাশ করে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১০ বছরে দ্রুত বেড়েছে ধনী-গরিব বৈষম্য -সিপিডির গবেষণা

এছাড়া আগামী নির্বাচনে বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলোকে অর্থায়নের পদ্ধতি ইশতেহারে তুলে ধরার সুপারিশ করেছে সংস্থাটি। এদিকে নির্বাচন এখন বড় বিনিয়োগে পরিণত হয়েছে। ফলে যোগ্য ও সৎ প্রার্থীরা মনোনয়ন পাচ্ছে না বলেও মনে করেছে সিপিডি। গতকাল ব্র্যাক সেন্টার মিলনায়তনে সিপিডি আয়োজিত ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এসব কথা বলেন।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুনের সঞ্চলনায় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, রিসার্চ ফেলো তৌফিক ইসলাম খান।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ১০ বছরে উন্নয়নের ধারায় বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। কিন্তু প্রথম ৫ বছরের চেয়ে দ্বিতীয় ভাগের ৫ বছরে এসে অর্থনীতি ব্যবস্থাপনার গুণগত মান কমেছে আর দ্রুত বেড়েছে ধনী-গরিবের বৈষম্য। উন্নয়নের জন্য নতুন নতুন উদ্যোগেও বেশ ঘাটতি দেখা গেছে। গত ৫ বছরে দেশের রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা কমে যাওয়ার সঙ্গে এর সম্পর্ক থাকতে পারে বলেও ধারণা সিপিডির। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক হলেও জীবন ও জীবিকা সম্পর্কিত বিষয়গুলো আলোচনার জন্য উঠে আসেনি। তাই আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী ইশতেহারে এ বিষয়গুলো স্পষ্ট করার পাশাপাশি মানুষের জীবন মান বাড়ানোর বিষয়কে স্থান দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। গত ১০ বছর ধরে ছড়ানো ছিটানো উন্নয়ন এবং ব্যাপক বৈষম্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো বৈষম্যকে হ্রাস করা।
দেবপ্রিয় বলেন, আমরা আগেই বলেছি নির্বাচনটা অনেক ক্ষেত্রে বড় ধরনের বিনিয়োগে পরিণত হয়েছে। এখানে যতখানি না মানুষের ভোটাধিকার, তার থেকে বেশি ওইখানে (বিনিয়োগ) গেছে। নির্বাচনী ব্যয় এখন অনেক সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে বাধ্য করছে। এ ব্যয় নিয়ে তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সামর্থ্য নেই।
নির্বাচনী ব্যয় গণতন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা হয়ে উঠছে কি না তা এখন বড় বিষয়- এমন মন্তব্য করে দেবপ্রিয় বলেন, নির্বাচনী ব্যয়কে আগামীতে রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য করা যায় কি না দেখতে হবে। নির্বাচনী ব্যয়ে স্বচ্ছতা নিয়ে আসতে হবে। নির্বাচনী ব্যয়ের যে ঘোষণা দেয়া হয়, তা পরে পরিবীক্ষণ করার আগ্রহ বা সক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের আছে বলে অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের কাছে মনে হয়নি।
তিনি বলেন, হলফনামায় সম্পদের যে বিবরণ দেয়া হয় তা আনুষ্ঠানিকতা হিসেবেই থেকে যায়। এটাকে দলিল হিসেবে তার সত্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ কেউ নেয় না। নির্বাচন কমিশনের সেই সক্ষমতা না থাকলেও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সেই সক্ষমতা রয়েছে। সুতরাং এটা তাদের আগ্রহের বিষয় হওয়া উচিত।
ঋণখেলাপির বিষয়ে দেবপ্রিয় বলেন, ঋণখেলাপি হিসেবে যারা ধরা পড়েছেন, তাদের ঋণের পরিমাণ খুব বড় বিষয় না। আমরা প্রকাশ্যভাবে যেটুকু জানি, সেটা হলো- সব থেকে বড় বড় ঋণ গ্রহীতা যারা নির্বাচনে এসেছেন তারা বহু আগেই তাদের ঋণের প্রভাবগুলো অন্যান্য সংযোগ ব্যবহার করে ঋণকে সমন্বয় অথবা অন্য কোনো ব্যবস্থায় নতুন একটি ঋণ দিয়ে সেই ঋণের অর্থায়ন করে রেখেছেন। অর্থাৎ লোক দেখানো একটা ব্যবস্থার এর মধ্যে চালু রয়েছে। সেটার প্রকৃত মূল্যায়ন করার জায়গা হয় তো নির্বাচন কমিশনের নয়, সেটা দেখভাল করার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। এর জন্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে অন্যান্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থার যে সমন্বয় থাকার কথা ছিল, সেটা আমরা দেখি না।
দেবপ্রিয় বলেন, গত এক দশ ধরে প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সময়কালে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষিত হয়েছে, ভৌত অবকাঠামো খাতে বড় ধরনে বিনিয়োগের ফলে জ্বালানি সংকট অনেকখানি নিরসন হয়েছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে যে ব্যাপকতা প্রয়োজন ছিল সেটাও অনেকখানি বিস্তৃত হয়েছে। এর সঙ্গে সঙ্গে আমরা দেখেছি সামাজিক সুরক্ষার জন্য এক ধরনের রাজনৈতিক সদিচ্ছা সেটাও কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রকাশিত হয়েছে। সমগ্রিকভাবে এই সময়কালে (২০০৮-১৮) বাংলাদেশের বড় ধরনের উন্নয়ন আমরা লক্ষ্য করেছি।
তিনি বলেন, আমরা দেখেছি অর্থনীতির গুণগতমান দ্বিতীয়ভাগে (২০১৪-১৮) এসে প্রথমভাগের তুলনায় পতন ঘটেছে। সামাজিক বিভিন্ন ধরনের বৈষম্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া সরকারের নতুন ধরনের নীতি নিয়ে নতুন উদ্যোগে যাওয়ার ক্ষেত্রে যে উদ্যম, সেই উদ্যমেও আমরা কিছুটা ঘাটতি লক্ষ্য করেছি। এর বড় একটি কারণ রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা কমে যাওয়ার কারণে অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা কমে গেছে।
দেবপ্রিয় বলেন, নির্বাচনী আলোচনায় কোনো অর্থনৈতিক বিষয় আসেনি। বাংলাদেশে এই মুহূর্তে নির্বাচনী প্রক্রিয়া যেভাবে আগাচ্ছে, তাতে নির্বাচন কিভাবে হবে? কেমন করে হবে? কারা করবে? কীভাবে করবে? এসব বিষয়ের প্রাধান্য রয়েছে। জীবন-জীবিকার বিষয় কিন্তু এখনো এই নির্বাচনী বিতর্কের মধ্যে স্থান লাভ করেনি। এটি বড় একটি পরিতাপের বিষয়।
নির্বাচনী ইশতেহারের বিষয়ে তিনি বলেন, মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলো যখন নির্বাচনী ইশতেহার দিবেন তাকে শুধু এটা বললে হবে না উনারা কী চান। ওনারা কীভাবে এটা অর্জন করবেন, সে কথাটিও বলতে হবে। উনারা অনেক গগনস্পর্শী আকাঙ্ক্ষা আমাদের সামনে তুলে ধরবেন। কিন্তু সেটাকে অর্জন করার পদ্ধতি, তার অর্থায়নের সুযোগ একই সঙ্গে তাদের বলতে হবে।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে সিপিডির বিশেষ ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ২০১৪ সালের তুলনায় ২০১৭ সালে কর-জিডিপির হার কমেছে। ২০১৪ সালে কর-জিডিপির হার ছিল ১০.৪০ শতাংশ, যা ২০১৭ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ১০.২০ শতাংশ। এই কর-জিডিপির হার কমার অন্যতম কারণ কর বহির্ভূত রাজস্ব কমে যাওয়া। ২০১৪ সালে কর বহির্ভূত রাজস্ব ছিল জিডিপির ১.৮০ শতাংশ, যা ২০১৭ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ১.২০ শতাংশ।
এ সময় তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে রাজস্ব আয় বাড়ার লক্ষ্যে প্রত্যক্ষ কর বাড়ানোর ক্ষেত্রে কি ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে তার সুনির্দিষ্ট ব্যক্তব্য দেয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, রাজস্ব সংশ্লিষ্ট আইনগুলো অনেকদিন ধরে হয়ে আছে। কিন্তু এগুলো আমরা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পারছি না।
বাজেট বাস্তবায়নের হার নিয়েও কিছুটা সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রতি বছর বাজেটের আকার বাড়ছে। কিন্তু প্রকৃত বাস্তবায়নের হার কমছে। ২০১৪ অর্থবছরে বাজেট বাস্তবায়নের হার ছিল ৮১.৮০ শতাংশ, যা কমে ২০১৭ অর্থবছরে দাঁড়িয়েছে ৭৫.৩০ শতাংশ। তিনি বলেন, ১৯৯৯ সালের পর ২০১৭-১৮ সালে আমাদের ব্যালেন্স অব পেমেন্ট প্রথমবারের মতো ঋণাত্মক হয়ে গেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিদেশিদের ভ্রমণ বন্ধ! by মিজানুর রহমান

কাজেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিদেশিদের নিরাপত্তায় অতিরিক্ত ফোর্র্স মোতায়েন করা কঠিন। এ অবস্থায় ভোটের আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত জাতিসংঘসহ সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থা-সংগঠনের প্রতিনিধি এবং কূটনীতিকদের যাতায়াতকে ‘নিরুৎসাহিত’ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে জাতিসংঘের অধীন সংস্থাগুলোকে সরকারের ওই সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানিয়ে দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে সেগুনবাগিচার দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা মানবজমিনকে বলেন, এ নিয়ে জাতিসংঘের অধীন সংস্থাগুলোর যারা রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংশ্লিষ্ট তাদের আগেই চিঠি দেয়া হয়েছে। মধ্য জানুয়ারি পর্যন্ত তাদের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভ্রমণ পরিকল্পনা না করতে বলা হয়েছে।
কিন্তু তারপরও বিভিন্ন সংস্থার তরফে প্রায় প্রতিদিনই ভ্রমণ পরিকল্পনার চিঠি আসছে। বিষয়টি বিব্রতকর, আমরা ‘না’ বলতে পারছি না। আবার হ্যাঁ-ও বলছি না। এ পর্যন্ত কত চিঠির জবাব পেন্ডিং বা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, আমরা কাউকেই হ্যাঁ বলছি না।
পূর্বানুমতি রয়েছে এমন ব্যক্তিদেরও নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে জানিয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, তাদের জানুয়ারির পর ভ্রমণ পরিকল্পনা করতে বলা হচ্ছে। এ-ও বলা হচ্ছে সারা বছরই তো রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিদেশি মুভমেন্ট ছিল। তাদের নিরাপত্তায় সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়তি সদস্যরা মোতায়েন ছিলেন। জানুয়ারিতে সেটি পুনর্বহাল করা হবে। উল্লেখ্য, স্পর্শকাতর অন্য এলাকা পার্বত্য চট্টগ্রামে বিদেশি মুভমেন্ট বন্ধের বিষয়েও প্রায় অভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেখানে স্থানীয় প্রশাসনের তরফে নির্দেশনা জারির কথা রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচনে আপনারা তো ইনশাআল্লাহ হেরে যাচ্ছেন -ড. কামাল হোসেন

কিছু একটি করুন। আল্লাহর ওয়াস্তে এই সুযোগগুলো নেন। আর কয়েকদিন পর তো সাধারণ মানুষ হয়ে যাবেন।
আপনাদেরকে যেন ৩১ তারিখ মোবারকবাদ দিতে পারি সেই সুযোগ দেন। কিছু ভালো কাজ করে না গেলে পরে আফসোস করবেন যে সুযোগ পেয়েও কিছু ভালো কাজ করলাম না! তিনি বলেন, বর্তমান সংসদ সদস্যরা বিনাভোটে নির্বাচিত হলেও এখনো তারা সংসদ সদস্য হিসেবেই বিবেচিত। তাই তাদের অবস্থান থেকে এখনো কিছু করতে পারেন তারা। তাই যাবার আগে প্লিজ একটা কিছু করে যান। কারণ আপনারা তো বলছেন, দেশের জন্য অনেক উন্নয়ন করেছেন। তাই বিনা বিচারে যারা এভাবে মারা যাচ্ছে তাদের ব্যাপারে খোঁজ নিন। কিছু একটা করুন। তাহলে জাতিকে বলতে পারবেন, হ্যাঁ আমরা বিনাবিচারে হত্যার ব্যাপারে ক্ষমতার শেষ সময়ে হলেও পদক্ষেপ নিয়েছি। নির্বাচনের সময় মাঠে থাকবেন জানিয়ে ড. কামাল হোসেন বলেন, আমি তো মাঠেই আছি। কথা বলছি, জনমত গঠন করছি, সমর্থন সৃষ্টি করছি। এই ৮০ বছর বয়সে এর চেয়ে আর কি করার আছে? তিনি বলেন, মানুষ ভোট দিতে না পারলে স্বাধীনতা থাকবে না। আমরা সবাই ভোট দেবো। রাস্তাঘাট, পাড়ায় ও মহল্লায় নেমে যান। ভোট চাওয়া অপরাধ নয়। সবাই জনগণের কাছে ভোট চান।
এসময় তিনি ৫৮টি নিউজ পোর্টাল বন্ধ করে দেয়াকে উদ্বেগের বিষয় উল্লেখ করে বলেন, এ বিষয়ে আপনারাও সতর্ক হোন। গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হলে ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। নাগরিক হিসেবে নীরব হয়ে গেলে চলবে না। নিজের বাড়ি দখল করে নেয়ার সময়ও চুপ থাকলে হবে না। প্রতিবাদ করতে হবে। ১৮ কোটি দেশের মালিক যদি এক হয়ে যাই, যদি মালিকানা ভোগ করার জন্য পাড়ায়-মহল্লায় এক হয়ে যাই তাহলে সরকারের লোকজন কিছুই করতে পারবে না। বিনা বিচারে হত্যাকাণ্ড মহামারি আকার ধারণ করছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, দেশে স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি নাই। দেশে গণতন্ত্র না থাকার কারণে এসব হত্যাকাণ্ড বাড়ছে। দেশে আইনের শাসন ও সুশাসন নিশ্চিত হওয়া জরুরি। দেশের মালিক জনগণ, আর জনগণের মালিকানা তাদেরকে ফিরিয়ে দিতে হবে। ড. কামাল বলেন, দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন কিংবা গুম-খুনের সঠিক তদন্ত হওয়া উচিত। এসব ঘটনার জন্য সরকারের জবাবদিহি করা উচিত। এসময় তিনি একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত বিচারবহির্ভূত হত্যার পরিসংখ্যান উল্লেখ করে বলেন, বিনা বিচারে হত্যাকাণ্ড ভয়াবহভাবে বেড়েছে। ২০১১ সালে ছিল ৬০ জন, ২০১২ সালে ৫০ জন, ২০১৩ সালে ৪০ জন।
আর ২০১৮ সালে তা বেড়ে ৩২১ জন হয়েছে। এটা মহামারি। এটা মহারোগ। এটি কীভাবে হয়েছে? কীভাবে সম্ভব? শাসন ব্যবস্থার রুগ্ণাবস্থার কারণে এটি হয়েছে। দেশে গণতন্ত্রহীনতার কারণে এটি ঘটেছে। তিনি বলেন, এভাবে মানুষ বিচারহীন ভাবে মরতে পারে না। এটি বন্ধ করতে হবে। এ ব্যাপারে রাষ্ট্রের সকল উচ্চ স্তরের ব্যক্তিদের নিয়ে তদন্ত করতে হবে। এটি বন্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে। এর কারণগুলো বের করে প্রতিকার কীভাবে করা যায় তা বের করতে হবে। কারণ মানবাধিকার নিশ্চিত করা সরকার ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং কর্তব্য। তিনি বলেন, ৪৭ বছর পরও অস্বাভাবিক মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। এটা দেখে উদ্বিগ্ন না হয়ে পারছি না। সরকারের উদ্দেশে ড. কামাল বলেন, এর বিরুদ্ধে জরুরিভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে সরকারের কাছে আবেদন করছি। আপনারা সব ক্ষমতা রাখেন। এটি কেন হলো তা বের করুন। আপনারা না পারলে আমাদের বলুন, আমরা সহযোগিতা করতে এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছি।
বাংলাদেশ মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুরুল হুদা মিলু চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছি?লেন- সাবেক শিক্ষামন্ত্রী শেখ শহিদুল ইসলাম, সাবেক রাষ্ট্রদূত মোফাজ্জল করিম, মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ পরিষদের মহাসচিব ফরিদ উদ্দিন ফরিদ, আফজাল হোসেন সেলিম, অ্যাডভোকেট ড. মো. শাহজাহান প্রমুখ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফগানিস্তানের এক লড়াকু নারী নার্গিস

বর্তমানে তিনি নিজ দেশ আফগানিস্তানে নারী শিক্ষা এবং নারী ক্ষমতায়নের প্রচারণা চালান। তার এই অনুপ্রেরণাদায়ক কাজের জন্যই তিনি বিবিসির প্রভাবশালী ১০০ নারীর একজন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন।
নিজের জীবনের কাহিনী এবং আফগানিস্তানের সমাজব্যবস্থা নিয়ে নার্গিস বলেন, জন্মের পর আমার ফুফু এবং অন্য আত্মীয়রা মায়ের উপর চাপ দিতে থাকেন, যাতে তিনি আমার বাবার দ্বিতীয় বিয়েতে সম্মতি দেন। আফগানিস্তানে একজন পুরুষের দুইজন, এমনকি তিন জন স্ত্রী থাকা বিরল কোনো বিষয় নয়। কখনও কখনও একাধিক বিয়ের কারণ হিসেবে বলা হয়, একজন নতুন স্ত্রী মানে হল একটি ছেলে সন্তান হবার নতুন সুযোগ। যখন আমার মা তাদের এই প্রস্তাবে অসম্মতি জানান, তখন তারা আমার বাবাকে অন্য কারো ছেলে সন্তানের সঙ্গে আমাকে বিনিময় করে নেবার পরামর্শ দেয়। এমনকি তারা এমন একটি পরিবারেরও সন্ধান পায়, যারা নিজেদের ছেলের বদলে আমাকে নিতে ইচ্ছুক ছিল। বাচ্চা বদল করা আমাদের সংস্কৃতির অংশ নয়। এই ঘটনার কথা আমি কখনও শুনি নি। কিন্তু আফগানিস্তানের সমাজব্যবস্থায় ছেলেদের বেশি মূল্য দেয়া হয়। কেননা তাদেরকে পরিবারের জীবিকা-নির্বাহক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ছেলে সন্তান না থাকার কারণে মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে আমার মাকে কথা শুনাতো। যাতে তিনি বিপর্যস্ত হন এবং হীনমন্যতায় ভোগেন। আমাকে বদল করার বিষয়টি আমার মা প্রত্যাখ্যান করা সত্ত্বেও কিছু বয়স্ক মানুষ আমার বাবাকে বিভিন্ন কথা শুনাতে লাগল। তিনি স¤পূর্ণ ভিন্ন মানসিকতার মানুষ ছিলেন। তিনি ওইসব মানুষদের বলতেন, তিনি আমাকে ভালোবাসেন এবং তিনি একদিন প্রমাণ করবেন যে, একটি ছেলে যা পারে, একটি মেয়েও সেগুলো অর্জন করার সক্ষমতা রাখে। আমার বাবার জন্য এসব কিছু সহজ ছিল না। তিনি একজন সেনাসদস্য ছিলেন এবং এর আগে সাবেক সোভিয়েত সমর্থিত শাসনামলে তার কাজ করার ইতিহাস রয়েছে। আর সেই সময়ে আমাদের জেলা ধর্মীয় ও মৌলবাদে বিশ্বাসীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিল। তাই গ্রামের কিছু মানুষ আমার বাবাকে ঘৃণা করত এবং আমাদের সঙ্গে সামাজিক স¤পর্ক রাখত না। আমার বাবা নিজের কথায় বিশ্বাস রাখতেন। সবসময় নিজে যা বলতেন, তাই করতেন। বাবাই একমাত্র ব্যক্তি, আমার চরিত্রে যার ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে। আমাদের জেলা তালেবান জঙ্গিরা নিয়ন্ত্রণে নেয়ার পর অবস্থা সবচেয়ে খারাপ হয়ে যায়। ১৯৯৮ সালে আমার বাবা পাকিস্তানে পালিয়ে যান এবং কিছুদিন পরেই আমরাও সেখানে চলে যাই। সেখানে আমাদের জীবন সহজ ছিল না। বাবা এক জুতার কারখানার ম্যানেজারের কাজ পান। সে সময়ই সম্ভবত তাদের জীবনের সবচেয়ে ভালো ঘটনাটি ঘটে। তাদের একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়।
২০০১ সালে তালেবান শাসন ক্ষমতাচ্যুত হলে আমরা কাবুলে ফিরে যাই। তখন আমাদের নিজেদের বাড়ি ছিল না। চাচার বাড়িতে থাকতাম আমরা। সেখানকার রক্ষণশীল সংস্কৃতি হওয়া সত্ত্বেও আমি এবং আমার বোন স্কুলে যেতে শুরু করি। আমি কাবুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাবলিক পলিসি এন্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিষয়ে পড়াশুনা শেষ করি। দুই বছর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বেশি নম্বর নিয়ে আমি স্নাতক পাস করি। সেই পুরো সময়টাতে আমার বাবা কখনও আমাকে সমর্থন করা বন্ধ করেন নি।
কয়েক বছর আগে আমি আর আমার বোন স্টেডিয়ামে ক্রিকেট খেলা দেখতে যাই। স্টেডিয়ামে বেশি নারী উপস্থিত ছিল না। ফলে আমাদের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ আমাদের নিয়ে সমালোচনা এবং নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে শুরু করে। স্টেডিয়ামে পুরুষদের মধ্যে আমাদেরকে দেখে বেহায়াও বলতে থাকে। অনেকে আবার বলেছিল, আমরা ব্যাভিচার ছড়ানোর চেষ্টা করছি এবং আমেরিকানরা আমাদেরকে টাকা দিয়েছে। যখন আমার বাবা ফেসবুকে কিছু কমেন্ট দেখলেন, তখন তিনি বললেন, তুমি সঠিক কাজ করেছো। আমি খুশি যে তুমি কিছু সংখ্যক বোকাকে উত্যক্ত করেছো। জীবন অনেক ছোট। যতটা পারো সেটা উপভোগ কর।
তিন বছর আগে গজনিতে আমাদের গ্রামে আমি একটি স্কুল খুলতে চেয়েছিলাম। এ নিয়ে বাবার সঙ্গে কথা বলি। তিনি আমাকে বলেন, সাংস্কৃতিক বিধিনিষেধের কারণে এ কাজ প্রায় অসম্ভব। নিরাপত্তাজনিত কারণে একজন ছেলের পক্ষেও এ কাজে অসুবিধা রয়েছে। তিনি বলেন, স্কুলের বদলে মাদ্রাসা করতে চাইলে তার একটি সম্ভবনা থেকে যায়। শেষ পর্যন্ত আমি নিজের গ্রামই অতিক্রম করতে পারি নি। আমি ও আমার এক বোন এখনও এই স্বপ্ন পূরণের আশা করি। ইতিমধ্যে, আমি বেশ কয়েক বছর ধরে এই অঞ্চলে নারী শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং ক্ষমতায়নের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন এনজিওর সঙ্গে কাজ করেছি। মেয়েদের স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবার অধিকার এবং চাকরির অধিকার নিয়ে বিভিন্ন আলোচনায় উপস্থিত থেকেছি।
বিয়ের ব্যাপারে আমি নিজের জন্য এমন কাউকে বেছে নিতে পছন্দ করব যিনি আমার বাবার মতো চারিত্রিক গুণাবলি স¤পন্ন। যিনি আমাকে সমর্থন করবেন এবং আমাদের পাশে দাঁড়াবেন। যার পরিবার আমাকে সমর্থন করবে। যদি তারা তা না করেন, তাহলে আমি তাদেরকে বুঝাবো। তাদের মানসিকতা পরিবর্তনের চেষ্টা করব। আমি বিশ্বাস করি, আমি জীবনে যা অর্জন করেছি, তার সঙ্গে আপস করব না।
এই বছরের শুরুতে আমার বাবা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তার মৃত্যুতে আমি এমন একজনকে হারিয়েছি, যার প্রতিনিয়ত সমর্থনে আমি আজকের এই আমি হয়ে উঠতে পেরেছি। আমি জানি তার আশির্বাদ সব সময় আমার সঙ্গে থাকবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আওয়ামী লীগ আর জাতীয় পার্টির বিচিত্র আসন ভাগাভাগি

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তাদের মহাজোটের অন্যতম শরিক জাতীয় পার্টিকে ২৯টি আসন ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু এর বাইরে আরও প্রায় দেড়শ' আসনকে উন্মুক্ত হিসেবে উল্লেখ করে জাতীয় পার্টি সেগুলোতে তাদের লাঙ্গল প্রতীকে প্রার্থী দিয়েছে। এই আসনগুলোতে নৌকারও প্রার্থী থাকছে। এই পরিস্থিতি হয়েছে কেন?
জাতীয় পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, মহাজোট থেকে মাত্র ২৯টি আসন পেয়ে তারা সন্তুষ্ট হতে পারেননি।
কিন্তু সেই আসনগুলো তো তারা নিয়েছেন। তার পরে আবার আরও ১৪৫টি আসনে লাঙ্গল প্রতীকে প্রার্থী দেয়া হলো কেন - এ নিয়েই সৃষ্টি হয়েছে রহস্যের ।
দলটির নেতা জেনারেল এরশাদও পর্দার আড়ালে চলে গেছেন। মনোনয়ন প্রক্রিয়া শুরুর পর তিনি ছিলেন হাসপাতালে। ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনের সময়ও জেনারেল এরশাদ এক ধরণের রহস্য সৃষ্টি করে রেখেছিলেন।এবার দলটির নেতাদের অনেকে মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ তুলেছিলেন প্রকাশ্যে।
বিশ্লেষকদের অনেকে বলছেন, জোটের বাইরে প্রার্থী দেয়ার ক্ষেত্রে দলের ভিতরের চাপ বা পরিস্থিতি সামাল দেয়ার বিষয়টি একটি কারণ হতে পারে। তবে জাতীয় পার্টির নেতৃত্ব সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
মশিউর রহমান রাঙ্গা বলেছেন, তাদের দলে প্রার্থী বেশি হওয়াতেই তারা জোটের বাইরে উন্মুক্ত আসনে প্রার্থী দিয়েছেন।
"এখন প্রার্থীরা নির্বাচন করতে চায়। আমরাও চাই, সবাই নির্বাচনমুখী হোক। ভোটের সময় কর্মিরা সবাই আশা করে যে নিজের এলাকা থেকে প্রার্থী হবে। সুতরাং তাদের খুশি রাখাটাও আমাদের দায়িত্ব। এখন পাঁচজন ভাল প্রার্থী। তার মধ্যে জোটের জন্য একজন বেছে নেয়া খুব কঠিন হয়" - বলছেন তিনি।
জাতীয় পার্টির আরও কয়েকজন নেতার সাথে কথা বলে ধারণা পাওয়া গেছে যে দলটি আওয়ামী লীগের কাছে ৫৪টি আসন চেয়েছিল, কিন্তু তাতে সমঝোতা হয়নি। তাদের দলের নেতা জেনারেল এরশাদের চাওয়া অনুযায়ী আসন না পাওয়াতেই দলটি বাড়তি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। কিন্তু মশিউর রহমান রাঙ্গা তাদের দলের অতিরিক্ত প্রার্থী দেয়ার বিষয়কে মহাজোটের কৌশল বলে দাবি করেছেন।
"নির্বাচনে যদি আমরা দেখি, আমাদের জোটের বাইরে অন্য কেউ জিতে যেতে পারে, তখন কিন্তু আমারা সেখানে এক হয়ে যাব। এছাড়া উন্মুক্ত আসন থাকায় আমাদের এজেন্ট বেশি থাকবে। আমাদের লোকজন বেশি থাকবে। এটা একটা কৌশল হিসেবে আমরা করেছি। আমাদের মহাজোটে কোন মনোমালিন্য নিয়ে আমরা এটা করি নাই।আমরা আলোচনা করেই এটা করেছি।"
জাতীয় পার্টির অন্যান্য সূত্রগুলো বলছে, তাদের জোটের একটা কৌশল ছিল যে, বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিলে মহাজোটের বাইরে থেকে জাতীয় পার্টি সব আসনে নির্বাচন করবে।
শেষপর্যন্ত বিএনপিসহ বিরোধী জোট নির্বাচনে অংশ নেয়ায় মহাজোটের অনেক কৌশল পাল্টাতে হয়েছে।
এরপরও শেষ পর্যায়ে গিয়ে বিএনপি এবং তাদের জোট শরিকরা ভোটযুদ্ধ থেকে সরে যায় কিনা, এখনও সেই সন্দেহ রয়েছে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি এবং তাদের মহাজোটে।
সে ধরণের পরিস্থিতি হলেও যাতে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন দেখানো যায়, এই বিষয়কে অন্যতম একটি কারণ বলা যেতে পারে। দল দু'টোর কয়েকজন নেতার সাথে কথা বলে এমন ধারণাই পাওয়া যায়।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা: দীপু মণিও বলেছেন, শরিকদলের অতিরিক্ত প্রার্থী রাখার কারণে তাদের ভোটে তেমন কোন প্রভাব পড়বে না বলে তিনি মনে করেন।আসন বন্টন নিয়ে হয়তো আমরা সবক্ষেত্রে একমত হতে পারিনি।কিন্তু আমাদের নির্বাচনে এর বড় কোন প্রভাব পড়বে না।"
তিনি আরও বলেছেন, "যারা আমাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে আছেন।যেভাবে তারা এখনও এগুচ্ছেন। যদিও তারা নির্বাচনে এসেছেন, কিন্তু তাদের পুরো যে প্রক্রিয়া, তাতে তারা শেষপর্যন্ত নির্বাচনে কি করবে, সেটিওতো দেখবার বিষয়। কাজেই সবকিছুকে মাথায় রেখেই আমরা নিজস্ব নির্বাচনী কৌশল বা কর্মকান্ড আমরা পরিচালনা করবো, এবং এক্ষেত্রে আমরা যেটা করছি, তা আমাদের আলোচনার ভিত্তিতেই হচ্ছে। কারণ মহাজোটে আমাদের ঐক্য অটুট আছে।"
শুধু জাতীয় পার্টিই নয়, আওয়ামী লীগের আরেক শরিক অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্প ধারা জোট থেকে তিনটি আসন পাওয়ার পর অতিরিক্ত ২০টি আসনে কুলা প্রতীকে প্রার্থী দিয়েছে।
হাসানুল হক ইনুর নেতৃত্বাধীন জাসদও কয়েকটি উন্মুক্ত আসনে প্রার্থী দিয়েছে।
তবে মহাজোটের কৌশল যাই থাকুক না কেন আওয়ামী লীগের তৃণমুলের নেতা কর্মিদের মাঝে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
সূত্রঃ বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জেনুইন নির্বাচন চেয়ে কূটনীতিকদের বিবৃতি

আগামী ৩০শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে ইউরোপের ১০ জন রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারের সই করা ওই বিবৃতিতে জেনুইন বা প্রকৃত রাজনৈতিক পছন্দের প্রতিফলন ঘটে এমন নির্বাচনী প্রক্রিয়াই চাওয়া হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে এই প্রথম ইউরোপের দেশগুলোর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক এবং সম্মিলিত বিবৃতি এলো। এর আগে অবশ্য এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন, জাতিসংঘ, ইইউ, ভারত, চীনসহ বাংলাদেশের বন্ধু-উন্নয়ন সহযোগীরা বিভিন্ন মাধ্যমে তাদের আকাঙ্ক্ষার বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। সেখানে মোটা দাগে দুটি বিষয় ছিল।
প্রথমত. নির্বাচনটি অংশগ্রহণমূলক হওয়া, দ্বিতীয়ত. সহিংসতামুক্ত এবং স্বচ্ছ নির্বাচনী প্রক্রিয়া। ইউরোপের শীর্ষ কূটনীতিকরা এবারের বিবৃতিতে নাগরিকদের সর্বজনীন ভোটাধিকার, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার সমর্থন ও সুরক্ষায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।
পাশাপাশি তারা এসব বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার ও নির্বাচন কমিশন যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তাকে স্বাগত জানান। নাগরিকদের জন্য চলমান জাতীয় উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় ‘অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন’ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ উল্লেখ করে কূটনীতিকরা আইনের শাসন যথাযথভাবে মেনে চলতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে তারা গণতান্ত্রিক দায়িত্ব পালন ও নির্বাচনী সহিংসতা থেকে বিরত থাকতে সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বানও জানান। গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজের ভূমিকার বিষয়ে কূটনীতিকরা বলেন- স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজের সমালোচনামূলক পর্যবেক্ষণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী দূতরা হলেন- ইউরোপীয় ইউনিয়ন ডেলিগেশন প্রধান রাষ্ট্র রেন্সজে তেরিঙ্ক, বৃটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেইক, স্পেনের রাষ্ট্রদূত ড. অ্যালভারো ডি স্যালাস গিমেনেজ ডি অ্যাজকারেত, সুইডিশ রাষ্ট্রদূত শার্লটা স্লাইটার, ফরাসি রাষ্ট্রদূত মেরি অ্যানিক বার্ডিন, জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার ফ্যারেনহোল্টজ, ডাচ রাষ্ট্রদূত হ্যারি ভিরওয়েজ, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এসট্রুপ পিটারসন, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লেকেন ও সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেনে হোলেনস্টেইন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচনে জয়-পরাজয়ে যা ফ্যাক্টর হতে পারে

বড় দুই রাজনৈতিক শক্তি আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি ২০০৮ সালে যখন নির্বাচনে মুখোমুখি হয়েছিল, তার সঙ্গে আজকের বাংলাদেশের অনেক ফারাক।
এই দশ বছরে অনেক পরিবর্তন ঘটে গেছে বাংলাদেশে। যার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাব পড়বে নির্বাচনী ফল নির্ধারণে। এক্ষেত্রে মোটা দাগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন কোনগুলি?
বিবিসির বিচারে এরকম পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হচ্ছে:
১. কর্তৃত্ববাদী শাসন
২. সমাজ ও রাজনীতির ইসলামীকরণ
৩. বিকাশমান অর্থনীতি
৪. নয়া প্রযুক্তি ও সোশ্যাল মিডিয়া বিস্তার
৫. বিপুল সংখ্যক তরুণ ভোটার
এসব পরিবর্তন নিয়ে বিবিসি বাংলা কথা বলেছে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে। জানার চেষ্টা করেছে এই পরিবর্তনগুলি কী ধরণের প্রভাব ফেলতে পারে এবারের নির্বাচনে:
১. কর্তৃত্ববাদী শাসন
২০০৮ সালের সঙ্গে ২০১৮ সালের বাংলাদেশের যে বিরাট পরিবর্তনের কথা অনেকে উল্লেখ করছেন, তা হচ্ছে বাংলাদেশে কর্তৃত্ববাদী শাসন ব্যবস্থার প্রত্যাবর্তন।
দশ বছর আগে বাংলাদেশে যখন নির্বাচন হয়েছিল, তখন তার আগের দুবছর দেশটির ক্ষমতায় ছিল একটি সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার।
নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরে আসছে বলে তখন একটা আশাবাদ তৈরি হয়েছিল।
কিন্তু এ বছর প্রকাশ করা এক রিপোর্টে একটি জার্মান গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশকে নতুন পাঁচ স্বৈরতান্ত্রিক দেশের কাতারে ফেলেছে।
২০১৪ সালে বাংলাদেশে যে নির্বাচনটি হয়েছিল, সেটি ছিল কার্যত একতরফা নির্বাচন, যেখানে প্রধান বিরোধী দলের কোন অংশগ্রহণ ছিল না।
এই নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় ফিরে আসা আওয়ামী লীগের জোট সরকার ক্রমশ আরও বেশি করে কর্তৃত্ববাদী শাসনের দিকে ঝুঁকেছে বলে মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর আলী রীয়াজ। তাঁর মতে, এই প্রবণতা বাংলাদেশে গত এক দশকের খুবই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।
"আওয়ামী লীগের মধ্যে কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা স্পষ্ট হয়েছে, আমরা তার বিভিন্ন রকম লক্ষণ দেখতে পেয়েছি। গুম কিংবা বিচার বহির্ভূত হত্যার ব্যাপক বিস্তার এক ধরণের ভয়ের পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
বাংলাদেশে আমরা যেটাকে ডেমোক্রেটিক স্পেস বলি, ক্রমাগতভাবে সেটি সংকুচিত হয়েছে- কথা বলার জায়গা, মত প্রকাশের জায়গা, সমাবেশের জায়গা, প্রতিবাদের জায়গা, সেগুলো সংকুচিত হয়েছে।"
তার মতে এর ফলে বাংলাদেশে সেই শক্তির ভূমিকা প্রবল হয়েছে, যাদেরকে বর্ণনা করা হয় 'ডীপ স্টেট' বলে।
"যে কোন পরিস্থিতিতে যখনই রাজনৈতিক শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হয়, তখন শক্তিপ্রয়োগের ধারা অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে। তার ওপর নির্ভরতা বৃদ্ধি পায়। তখন যাদেরকে 'ডীপ স্টেট' বলে চিহ্ণিত করা হয়, তাদের ভূমিকা বাড়াটা স্বাভাবিক।"
বাংলাদেশে এ ধরণের রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য লেখক এবং গবেষক সলিমুল্লাহ খান অবশ্য সমানভাবে দোষী করছেন বিরোধী দল বিএনপিকেও।
তার মতে রাজনৈতিক শক্তির দুর্বলতার কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
"এটা কেন হয়েছে, কিভাবে হয়েছে সেটা আমাদের মনে রাখতে হবে। ধরুন ২০১৪ সালের নির্বাচন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যেভাবে একতরফাভাবে অর্ধেকের বেশি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অর্ধেকেরও বেশি আসনে তাদের প্রার্থীদের জিতিয়ে আনলো, সেটাতে সরকারের যেমন দায় আছে, যাদের বিরোধী দল হিসেবে নির্বাচনে যাওয়ার কথা ছিল, যারা যায়নি, তাদেরও দায় আছে।"
২. সমাজ ও রাজনীতির ইসলামীকরণ
দশ বছর আগে বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রধান দুই দল ছিল আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি, এখনও তাই। বাংলাদেশের রাজনীতিতে বাম-ডান এবং ধর্মনিরপেক্ষ ও ধর্মভিত্তিক রাজনীতির যে মেরুকরণ, সেখানে এই দুই দল ছিল দুই বিপরীত মেরুর প্রতিনিধিত্বকারী প্রধান দল।
এই দুটি দল তাদের সেই অবস্থান কতটা ধরে রাখতে পেরেছে? নাকি তাদের দুর্বলতার কারণে নতুন কোন রাজনৈতিক শক্তি বাংলাদেশে জায়গা করে নিচ্ছে?
অধ্যাপক আলী রীয়াজের মতে বাংলাদেশে বিগত কয়েক দশকের মোটা দাগের যে রাজনৈতিক বিভাজন, যার একদিকে আওয়ামী লীগ এবং আরেক দিকে বিএনপি, সেই অবস্থায় পরিবর্তন ঘটছে। বাংলাদেশের রাজনীতি এবং সমাজে রক্ষণশীল ইসলামী দল এবং গোষ্ঠীগুলো শক্তিশালী হয়ে উঠছে।
"সামাজিকভাবে বাংলাদেশে যে ইসলামীকরণ হয়েছে, তাতে করে সমাজে তাদের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। এই ধরণের সামাজিক শক্তির গ্রহণযোগ্যতা রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে বাধ্য। শুধু তাই নয়, সাংগঠনিকভাবেও ইসলামপন্থী এই শক্তি, যাদেরকে আমি রক্ষণশীল ইসলামপন্থী শক্তি বলি, তারা শক্তিশালী হচ্ছে। সমাজে গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সর্বোপরি তাদের প্রভাব বিস্তার ক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।"
অধ্যাপক রীয়াজের মতে, এর পাশাপাশি বড় দলগুলোর শক্তিক্ষয় ঘটছে, আর সেই শূন্য স্থান দখল করছে ইসলামপন্থীরা।
"সাংগঠনিকভাবে গত দশ বছরে আওয়ামী লীগও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে সরকারের থাকার কারণে, সরকার ব্যবস্থার মধ্যে দল পরিচালনার কারণে। বিএনপি তো অবশ্যই সাংগঠনিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে , বর্তমান পরিস্থিতিতে বিএনপি চাপের মুখে থাকার কারণে যতটা গুটিয়ে গেছে, ততটুকু স্পেস তৈরি হয়েছে আসলে এই ইসলামপন্থী দলগুলোর জায়গা নেয়ার।"
বাংলাদেশের রাজনীতি যে ক্রমশ দক্ষিণপন্থার দিকে ঝুঁকছে, সে বিষয়ে একমত লেখক এবং গবেষক ড: সলিমুল্লাহ খানও। ঢাকার ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের অধ্যাপক ড: খানের মতে, "শেষ বিচারে বাংলাদেশের রাজনীতি অনেক বেশি ডানপন্থী হয়েছে। আমি একটা উদাহরণ দেই আপনাকে। যাদেরকে আপনি ইসলামপন্থী বলছেন, অথবা বিএনপির জোট, অথবা বদরুদ্দোজা চৌধুরী বা ড: কামাল, অথবা আওয়ামী লীগ - সকলেই একটা জায়গায় একদিকে সরে গেছে। এরা সবাই ব্যক্তিগত সম্পত্তি অভিলাষী শক্তিশালী বুর্জোয়া দলে পরিণত হয়েছে।"
"এখন তাহলে আপনার সামনে চয়েসটা কি। আপনি কি গুলিতে মারা যাবেন নাকি ফাঁসিতে মরবেন। আমরা এখন যে পরিস্থিতিতে আছি, এটিকে আমরা বলি একটা নয়া ঔপনিবেশিক পরিস্থিতি। যেখানে আপনার যে কোন চয়েসই আপনাকে খারাপ দিকে নিয়ে যাবে, যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি বিদ্রোহ করতে না পারেন। এটা অত্যন্ত ভয়াবহ পরিস্থিতি।"
অধ্যাপক আলী রীয়াজের মতে, রক্ষণশীল ইসলামপন্থী দলগুলোর এই উত্থানের পেছনে রাষ্ট্রক্ষমতারও প্রচ্ছন্ন একটা সমর্থন আছে।
"যেমন ধরুণ হেফাজতে ইসলাম। রাষ্ট্রীয়ভাবেও আসলে সমর্থন পাচ্ছে হেফাজতে ইসলাম বা হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক শক্তিগুলো। আর আমার মনে হচ্ছে, সরকারি দলও যেন চাইছেন এই ধরণের শক্তিগুলো যেন জায়গা করে নিতে পারে।।"
৩. অর্থনীতির বিকাশ
২০০৮ সালের সঙ্গে ২০১৮ সালের বাংলাদেশের সবচেয়ে দৃশ্যমান পরিবর্তন সম্ভবত অর্থনীতিতে। দশ বছর আগের তুলনায় বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার বেড়ে প্রায় তিন গুণে দাঁড়িয়েছে। বেড়েছে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হারও।
ঢাকার সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের ড: ফাহমিদা খাতুন বলছেন, "অর্থনীতির আকার, যেটাকে আমরা মোট দেশজ উৎপাদন বলি, সেটা কিন্তু অনেক বেড়েছে। যেমন ২০০৮ সালের তুলনায় বাংলাদেশের অর্থনীতির জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার, সেটা ৬ শতাংশ থেকে সাত দশমিক ৮৬ শতাংশ হয়েছে। এটা তো একটা বিরাট পরিবর্তন। "
"এর পাশাপাশি মাথাপিছু আয়, সেখানেও বিরাট পরিবর্তন এসেছে। ২০০৮ সালে ৬৮৬ ডলার ছিল যেটা, সেটা এখন ২০১৮ সালে ১৭৫৮ ডলার হয়েছে। সেদিক থেকে তো একটা ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। চরম দারিদ্রের হার দশ বছর আগে ছিল ১৯.৬ শতাংশ। সেটা এখন কমে দাড়িয়েছে ১৪.৮ শতাংশে। এভাবে দারিদ্রের হারটাও আামরা কমাতে পেরেছি।"
এই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে ক্ষমতাসীনরা নি:সন্দেহে তাদের সাফল্য হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করবে। কিন্তু ফাহমিদা খাতুন বলছেন, এই খাতে গত দশ বছরে অনেক বড় বড় আর্থিক কেলেংকারি এবং অনিয়মও ঘটেছে, যার ফল হতে পারে নেতিবাচক।
"আপনি ধরুন আর্থিক খাতের অবস্থাই। এখানে ব্যাংকিং খাতের অবস্থা ধরুণ। বা পুঁজি বাজারে ধস নেমেছে। তার মানেটা কি। তার মানে হচ্ছে, এখানে সুশাসনের অভাবে, এখান থেকে যে অর্থ বেরিয়ে যাচ্ছে, এটি কিন্তু গুটিকয়েকের হাতে যাচ্ছে। এবং এই গুটিকয়েক কারা? সামান্য কয়েকজন প্রভাবশালী। আমরা এটাকে বলি ক্রনি ক্যাপিটালিজম। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দেখেছি, যখন ক্রাইসিস হয়, এটার বহিঃপ্রকাশ কিন্তু খুব খারাপভাবে দেখা যায়।"
অর্থনীতিতে এই সাফল্যের পাশাপাশি সমাজে যে ধনবৈষম্য তৈরি হয়েছে, এবং প্রবৃদ্ধির সাথে তাল রেখে নতুন কর্মসংস্থান হয়নি, সেটি একটা সংকট তৈরি করতে পারে বলে হুঁশিয়ার করে দিচ্ছেন তিনি।
অর্থনীতিতে এসব পরিবর্তন, রাজনীতির ওপর কি প্রভাব ফেলছে? অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলছেন, সমাজে যে নতুন মধ্যবিত্ত শ্রেণী তৈরি হচ্ছে, রাজনৈতিক চিন্তা চেতনায় তাদের সঙ্গে পুরোনো মধ্যবিত্তের একটা বিরাট ফারাক দেখা যাচ্ছে।
"বাংলাদেশে যে নতুন মধ্যবিত্ত শ্রেণী তৈরি হয়েছে, তাদের মধ্যে আসলে গণতান্ত্রিক আকাঙ্খা, অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, এগুলোর ব্যাপারে এক ধরণের অনীহা আছে। কারণ হচ্ছে, এই মধ্যবিত্ত শ্রেণীর উদ্ভব, বিকাশ, সবই ঘটছে আসলে এক ধরণের অস্বচ্ছ রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে।"
ড: সলিমুল্লাহ খানের মতে, অর্থনৈতিক উন্নতির যে দাবি বাংলাদেশে করা হচ্ছে, তা বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক কাঠামোতে কোন মৌলিক পরিবর্তনই আনেনি।
"পরিস্থিতিটা ভয়াবহ। বাংলাদেশে এখন একটা নতুন মধ্যবিত্ত শ্রেণী তৈরি হয়েছে, যারা নিজেদের স্বার্থে জাতীয় স্বার্থকে বিসর্জন দিচ্ছে। প্রয়োজন হলে তাদের ইসলামী হতেও বাধা নেই, প্রয়োজন হলে তাদের ইসলামবিরোধী হতেও বাধা নেই। আমি মনে করি, এরকম একটা মেরুদন্ডহীন মধ্যবিত্ত শ্রেণী, জাতিকে তার জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করার দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে দিতে পারে না। বাংলাদেশের বিপর্যয়টা এখানেই। অর্থনৈতিক উন্নতির যে কথা বলা হয় এটা হাস্যকর একারণে যে আমাদের কোন স্ট্রাকচারাল পরিবর্তন হয়নি।"
৪ . দু কোটির বেশি নতুন ভোটার
২০০৮ সালে বাংলাদেশে সর্বশেষ যে নির্বাচন হয়েছিল, তারপর বাংলাদেশে নুতন ভোটার হয়েছেন প্রায় আড়াই কোটি।
এই নতুন ভোটারদের প্রায় সবাই বয়সে তরুণ, এবারের নির্বাচনে এই তরুণ ভোটারদের সমর্থন কোন দিকে যায়, সেটা নিসন্দেহে বড় ভূমিকা রাখবে ফলাফল নির্ধারণে। এই তরুণদের রাজনৈতিক চিন্তাভাবনা সম্পর্কে আমরা কি আঁচ করতে পারি?
অধ্যাপক আলী রীয়াজ মনে করেন, গত দশ বছরে এই তরুণরা বেড়ে উঠেছেন এমন এক শাসনব্যবস্থায়, যেখানে তাদের মধ্যে প্রচলিত ধারার সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ খুব বেশি দেখা যায়নি।
"গত দশ বছরের এই যে নতুন ভোটার, যার বয়স এখন ধরুণ ১৮ বা ১৯। দশ বছর আগে যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছিল, তখন তাদের বয়স ছিল ৮ বছর বা ৯ বছর। তারা গত দশ বছর ধরে কেবল যে এক দলের শাসন দেখেছে তা নয় কিন্তু। আপনাকে মনে রাখতে হবে আর কি কি রাজনৈতিক ঘটনা তারা প্রত্যক্ষ করেছে। যে ধরণের অগণতান্ত্রিক পরিবেশে তারা বেড়ে উঠেছে, তাতে এরা প্রচলিত ধারার রাজনীতিতে উৎসাহিত হয়নি। সাম্প্রতিককালে যে দুটি আন্দোলন হয়েছে, যে দুটিতে তরুণরা যুক্ত হয়েছিল, আমার মনে হয়েছে, তারা প্রচলিত, প্রথাসিদ্ধ রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে, তারা ভিন্ন এক ধরণের রাজনীতি তৈরি করার চেষ্টা করেছেন। সেগুলো প্রধানত ইস্যুভিত্তিক।"
তার মানে কি এই যে, নতুন তরুণ ভোটাররা বাংলাদেশের প্রচলিত দুই প্রধান দলের রাজনৈতিক স্রোতের বাইরে থাকবে? সলিমুল্লাহ খান মনে করেন, এই তরুণদের রাজনৈতিক সমর্থন শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যেই ভাগ হয়ে যাবে:
"আমার বিশ্বাস আগামী নির্বাচনে এই তরুণ সমাজের ভূমিকা বিভক্ত থাকবে। তারা যে এই জোটকে সবচেয়ে বেশি ভোট দেবে, ঐ জোটকে নয়, সেটা সঠিক নয়।"
৫. সোশ্যাল মিডিয়া
বাকী বিশ্বের মতো, বাংলাদেশেও যোগাযোগের ক্ষেত্রে এক বিরাট বিপ্লব ঘটিয়ে দিয়েছে নতুন প্রযুক্তি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
ফেসবুক বাংলাদেশে এখন এতটাই জনপ্রিয় যে, সামনের নির্বাচনে মূলধারার গণমাধ্যমের পাশাপাশি এটিও যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকবে তা নিয়ে কারোই কোন সংশয় নেই।
দশ বছরের আগের বাংলাদেশের সঙ্গে আজকের বাংলাদেশের আরেকটি বড় পার্থক্য এই সামাজিক মাধ্যম, বলছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরিন।
"সোশ্যাল মিডিয়াকে তো অবশ্যই একটা বড় ধরণের পরিবর্তন হিসেবে দেখতে হবে। গত দশ বছরে যোগাযোগের ধরণ যেমন বদলেছে, তেমনি লোকজন কোন ধরণের মাধ্যম ব্যবহার করছে, সেখানেও একটা পরিবর্তন এসেছে। আমাদের কাছে যে উপাত্ত আছে, তাতে আমরা দেখছি, বাংলাদেশে যারাই ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, তাদের শতকরা ৮৮ ভাগ ফেসবুক ব্যবহার করেন। গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনে কিন্তু মানুষকে একজায়গায় জড়ো করতে সোশ্যাল মিডিয়া বড় ভূমিকা রেখেছিল। কাজেই রাজনীতিতে সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব আর অস্বীকার করার উপায় নেই।"
অধ্যাপক নাসরিন বলছেন, এর পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া হয়ে উঠেছে বাংলাদেশে মানুষের প্রতিবাদ এবং সংগঠিত হওয়ার একটি বিকল্প পরিসর।
এক্ষেত্রে তিনি উদাহরণ দিচ্ছেন সাম্প্রতিককালে তরুণদের সরকারী চাকুরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং নিরাপদ সড়কের আন্দোলন।
এই সোশ্যাল মিডিয়াকে এবারের নির্বাচনে কারা কতটা কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে পারেন, সেটাও তাদের ভাগ্য নির্ধারণে ভালোই ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন গীতি আরা নাসরিন।
সূত্র- বিবিসি বাংলা
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘নির্বাচনটা সরকারি দলের জন্য একটি বড় পরীক্ষা’ -আনু মুহাম্মদ

আসন্ন নির্বাচনটাকে আপনি কিভাবে দেখছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেখার সময় হয়নিতো এখনো। সবকিছু দেখবে নির্বাচন কমিশন।
ভোটার হিসেবে আমরা ভোট দিব। সেটা যেন ঠিকমত হয় তা নিশ্চিত করাটা হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের কাজ। এবং যারা নির্বাচন প্রার্থী তারা সবাই যেন তাদের বক্তব্য প্রচার করতে পারে। আবার কেউ যেন সীমা লঙ্ঘন না করে।
এবারের নির্বাচনের বৈশিষ্ট হচ্ছে ৯১ সালের পর প্রথম সরকারি কোনো দল ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় নির্বাচন হচ্ছে। ১৯৮৮, ৯৬ এবং ২০১৪ এই তিনটি সময়ে যে সরকারি দল থাকা অবস্থায় নির্বাচন হয়েছে সেগুলো আমাদের ইতিহাসে খুবই খারাপ দৃষ্টান্ত রেখেছিল। এবারের নির্বাচনটা সরকারি দলের জন্য একটি বড় পরীক্ষা। তারা কি আগের যে খারাপ দৃষ্টান্ত সেটা অনুসরন করবে নাকি নতুন একটি দৃষ্টান্ত রাখবে যে সরকারি দল ক্ষমতায় থেকেও নির্বাচন ঠিকমত হতে পারে।
কেমন নির্বাচন দেখতে চান এ প্রসঙ্গে প্রখ্যাত এই অর্থনীতিবিদ বলেন, বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশার সীমা অনেক নিচে চলে আসছে। তাদের সামান্য প্রত্যাশা হচ্ছে শান্তিপূর্ণভাবে এবং নিরাপদে সবাই ভোট দিতে পারবে। এবং ভোট কেন্দ্র ভোটারদের হাতে থাকবে সস্ত্রাসীদের হাতে নয়।
নির্বাচনে সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন ছাড়াও অন্যান্য সময় সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন ও সম্পত্তি দখলের ঘটনাসহ নানান ঘটনা ঘটে। যে সকল রাজনৈতিক দলের নেতারা সংখ্যালঘুর সম্পত্তির দিকে লোভী দৃষ্টিতে তাকায় কিংবা দুর্বলদের ওপর নির্যাতন করাই যাদের রাজনীতি তাদের কাছে প্রতিশ্রুতির আশা করাটাও মুশকিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উন্মুক্ত আসনের রাজনীতির নেপথ্যে কী?

কী এর নেপথ্যে।
এরশাদ বাংলাদেশের রাজনীতিতে বরাবরই রহস্য পুরুষ। প্রতিটি নির্বাচনের আগেই তিনি রহস্য তৈরি করেন। ইচ্ছায়-অনিচ্ছায়। এবার তিনি ঠিক কী করছেন তা বলা মুশকিল। মাঝে মাঝে তিনি হাসপাতালে যান।
কখনো প্রকাশ্যে আসেন, আবার কখনো চলে যান পর্দার আড়ালে। একবার মহাসচিব পরিবর্তন করেন, আবার বাদ দেয়া মহাসচিবকে মঞ্চে ফেরান। তার রাজনীতি বুঝা সত্যিই মুশকিল। কেন তিনি ১৪৫ আসনে প্রার্থী রেখে দিলেন তা অপার রহস্য। অনেক পর্যবেক্ষক বলছেন, বিএনপি জোট নির্বাচনে আসবে না- এমনটাই ধারণা ছিল ক্ষমতাসীন মহলের। বিরোধী জোট নির্বাচনে আসায় শেষ পর্যন্ত অনেক কৌশলে পরিবর্তন আনতে হচ্ছে। কয়দিন আগে জাপার নবনিযুক্ত মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টকশোতে সংযুক্ত হয়ে ইঙ্গিত দেন, বিএনপি যদি নির্বাচন থেকে সরে যায় তবে জাপা মনোনয়ন দাখিল করা সব আসনেই নির্বাচন করবে। বিএনপি শেষ পর্যন্ত নির্বাচন থেকে সরে যায়নি। তবে বিএনপি ভবিষ্যতে যদি ভোটের লড়াই থেকে পিছুটান দেয়, তারপরও যেন একতরফা নির্বাচনের তকমা নিতে না হয় সেজন্য এতবেশি সংখ্যক আসন উন্মুক্ত রাখা হয়েছে বলে কোনো কোনো বিশ্লেষক মনে করেন। একই কারণে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনও ২৯৮ আসনে প্রার্থী দিয়েছে।
মহাজোটের অন্তর্ভুক্ত দলগুলোর বেশি সংখ্যক আসনে প্রার্থী দেয়ার নেপথ্যে আরেকটি কারণও আলোচনায় রয়েছে। একাধিক প্রার্থী থাকার সুযোগে প্রতিটি কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দল বেশি সংখ্যক এজেন্ট নিয়োগের সুযোগ পাবে। সরকারি কৌশলের অংশ হিসেবেই জাতীয় পার্টি এত বেশি সংখ্যক আসনে প্রার্থী দিয়েছেন কি-না এ নিয়ে অবশ্য বিশ্লেষকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন, সরকার হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের চাওয়া অনুযায়ী আসন বণ্টন না করার কারণেই তিনি এতগুলো আসনে প্রার্থী দিয়ে রেখেছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সামনের কয়েকটি দিন প্রতিদিনই ভোটের রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আজ থেকে ভোট রাজনীতি মাঠে গড়াচ্ছে। আসন বণ্টন নিয়ে দুটি প্রধান দল এবং জোটেই অসন্তোষ রয়ে গেছে। ক্ষমতাসীন দল নানামুখী চাপ প্রয়োগ করে বিদ্রোহীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু শরিকদের অনেকেই প্রাপ্ত আসন নিয়ে সন্তুষ্ট নন। বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিতরা ঢাকায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছেন, কার্যালয়ে তালা দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে। তবে দলটির নীতিনির্ধারকরা মনে করেন, ২/১ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। বিএনপির এখন পর্যন্ত প্রধান দুশ্চিন্তা রয়ে গেছে নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে পরিপূর্ণভাবে প্রচারণায় নামতে পারেন কি-না তা নিয়ে।
বিএনপি নেতাদের অনেকেই আশঙ্কা করছেন, গ্রেপ্তার আর দমনপীড়ন আরো তীব্র হতে পারে। ভোটের প্রকৃতি কেমন হবে তা ১৫ই ডিসেম্বরের পর স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকার একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জয়নবকে বাঁচাতে বিশ্ব জুড়ে দুর্লভ রক্তের সন্ধান

এ বছরেরই প্রথম দিকে জয়নবের দেহে নিউরোব্লাস্টোমা নামে এক রোগ ধরা পড়ে যা খুবই বিরল এবং আগ্রাসী এক ধরণের ক্যান্সার।
জয়নবের রক্ত যে গ্রুপ তা অতিশয় দুর্লভ এবং বিরল, কারণ তার রক্তের লোহিতকণিকায় 'ইন্ডিয়ান বি' নামের একটি এ্যান্টিজেন নেই। এ রক্ত পাওয়া যাবে শুধুমাত্র ভারতীয়, পাকিস্তানী বা ইরানীদের মধ্যে যাদের রক্তের গ্রুপ 'ও' বা 'এ' - তাদের মধ্যে।
কিন্তু এই ভারতীয়, পাকিস্তানী বা ইরানীদের মধ্যেও মাত্র ৪ শতাংশেরও কম লোক আছে যাদের রক্তে সেই 'ইন্ডিয়ান বি' এ্যান্টিজেনটি অনুপস্থিত।
জয়নবের রক্তের গ্রুপ এতই বিরল যে তার সাথে রক্তদাতার রক্তের হুবহু মিল না হলে তার দেহ সেটাকে গ্রহণ করবে না।
এ পর্যন্ত ১ হাজার লোকের রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছে- কিন্তু জয়নবকে দেয়া যাবে এমন রক্তদাতা পাওয়া গেছে মাত্র তিন জন। এর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাওয়া গেছে মাত্র দু'জন দাতা, আর যুক্তরাজ্যে পাওয়া গেছে একজন।
ডাক্তাররা বলছে, জয়নবের যথাযথ চিকিৎসার জন্য ৭ থেকে ১০ জন দাতা প্রয়োজন।
ওয়ানব্লাড নামে একটি প্রতিষ্ঠান জয়নব মুগলের জন্য এখন বিশ্বের নানা দেশে রক্তের অনুসন্ধানের নেতৃত্ব দিচ্ছে। ওয়ানব্লাডের ফ্রিডা ব্রাইট বলছেন, জয়নবের রক্ত এতই বিরল যে গত ২০ বছরে আমি প্রথম এরকম ঘটনা দেখলাম।
তিনি বলছেন, জয়নবের জন্য রক্ত পাওয়া গেলেও এতে কিন্তু তার রোগ সারবে না - তবে ক্যান্সার চিকিৎসার ধকল সহ্য করার ক্ষমতা তৈরি হবে।
"কেমোথেরাপির ফলে জয়নবের টিউমারের আকার ইতিমধ্যেই ছোট হয়ে আসছে, কিন্তু তার আরো হাড়ের মজ্জার প্রতিস্থাপন দরকার হবে।"
জয়নবের বাবা রাহিল মুগল বলছেন, "তার ক্যান্সার হয়েছে শুনে আমরা অনেক কেঁদেছি।" তিনি এবং জয়নবের মা নিজেরা রক্ত দিতে চেয়েছিলেন -কিন্তু ডাক্তাররা বলেছেন যে তাদের রক্ত জয়নবের শরীর গ্রহণ করবে না।
কিন্তু তার পর অন্য অনেকে রক্ত দেবার প্রস্তাব করেন এবং এভাবেই বিষয়টি ছড়িয়ে যায়।
রাহিল মুগল বলছেন, দাতারা জয়নবের জন্য যা করছেন তা তাদের অভিভূত করেছে, এবং সেটা তারা কখনো ভুলবেন না।
সূত্র-বিবিসি বাংলা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আতঙ্ক নয়, আস্থার পরিবেশ চায় কমিশন

নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশ্য করে সিইসি বলেন, আপনারা সংবিধান ও আইনের ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করবেন। আপনি স্বাধীন, আপনি নিরপেক্ষ, আপনি বিচারক, বিচারকের মাইন্ড আপনাকে অ্যাপ্লাই করতে হবে। কেএম নূরুল হুদা বলেন, নির্বাচন কীভাবে সুষ্ঠুভাবে করবেন, সেটি আপনি আপনার মেধা, প্রজ্ঞা দিয়ে বিবেচনা করবেন। সংবিধান, জাতি, রাজনৈতিক দল ও ভোটারের কাছে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কমিশন দায়বদ্ধ। আস্থা অর্জনের জন্য নিরপেক্ষভাবে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন সিইসি। বিচারকদের উদ্দেশ্যে মাহবুব তালুকদার বলেন, আমরা নির্বাচনের মাধ্যমে হলুদ গণতন্ত্র চাই না। চাই স্বচ্ছ ও স্বাভাবিক গণতন্ত্র। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করে স্বচ্ছ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই। মাহবুব তালুকদার বলেন, বিচারকের দৃষ্টি হতে হবে নির্মোহ। তিনি অবশ্যই আইনানুগ মন বা ‘লিগ্যাল মাইন্ডের’ অধিকারী হবেন। যিনি এই অবস্থান থেকে বিচ্যুত হবেন, তিনি বিচারকের যোগ্যতা হারাবেন। তিনি বলেন, ত্রিশ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীন হয়েছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সংরক্ষণ ও পরিপালনের পূর্বশর্ত হলো আইনের শাসন। আইনের শাসন না থাকলে যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় তাকে আমরা হলুদ গণতন্ত্র বলতে পারি। নির্বাচনী ব্যবস্থাপনাকে আইনসিদ্ধ করার বিষয়ে এসব বিচারকের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে বলে উল্লেখ করে মাহবুব তালুকদার বলেন, নির্বাচনে অনিয়ম বা বিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করলে তা নির্বাচনকে ত্রুটিমুক্ত করার বিষয়ে অবদান রাখবে। বিচারকের দৃষ্টি হতে হবে নির্মোহ। তিনি অবশ্যই আইনানুগ মন বা ‘লিগ্যাল মাইন্ডের’ অধিকারী হবেন। যিনি এই অবস্থান থেকে বিচ্যুত হবেন, তিনি বিচারকের যোগ্যতা হারাবেন। অনিয়ম ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় শাস্তি প্রদানের ক্ষেত্রে বিচারকদের সর্বোচ্চ সতর্কতার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন মাহবুব তালুকদার। জানান, কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন ভুয়া সাক্ষ্য প্রমাণে শাস্তি না পায়। মাহবুব তালুকদার বলেন, আপনাদের কাছে চাওয়া খুব সামান্য। একজন ভোটার নির্বিঘ্নে বাড়ি থেকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ইচ্ছানুযায়ী প্রার্থীকে ভোট দিয়ে যাতে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, এটুকুই তো চাওয়া। রাজনৈতিক বাস্তবতায় এই সামান্য চাওয়া বাস্তবায়িত করতে এক বিশাল কর্মযজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় ১২ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী নির্বাচনী ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছে। কোনো প্রার্থী যেন ভোটের মাধ্যমে নিজের উপযুক্ততা প্রমাণ না করে সংসদের পবিত্র আসনে বসতে না পারে, তা অবশ্যই নিশ্চিত করতে বিচারকদের সজাগ থাকার নির্দেশ দেন মাহবুব তালুকদার। তিনি বলেন, কালো টাকা ও পেশিশক্তির সুযোগ নিয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সংসদে কেউ যেন না যায় তার জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। এজন্যই সমগ্র জাতির প্রত্যাশা একটি পরিচ্ছন্ন সন্ত্রাসমুক্ত শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। সুষ্ঠু নির্বাচন আর সন্ত্রাস একসঙ্গে চলতে পারে না। সুষ্ঠু নির্বাচন মানে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। নির্ভয়ে সাহসিকতার সঙ্গে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রতি আহ্বান জানান এই কমিশনার। কেউ এ বিষয়ে শিথিলতা দেখালে বা পক্ষপাতিত্ব করলে ১৯৯১ সালের আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি। পরে দিনব্যাপী ব্রিফিংয়ে নির্বাচনের নানা বিষয়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের অবহিত করেন নির্বাচন কমিশন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন কিনা- এমন প্রশ্নে বিচারকদের একক কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারেনি কমিশন। ব্রিফিংয়ে অংশ নেয়া একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জানান, কেন্দ্রে প্রবেশের বিষয়ে একজন নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, তারা প্রবেশ করতে পারবেন। আবার আরেকজন নির্বাচন কমিশনার কেন্দ্রে প্রবেশের বিষয়ে আইনি বাধার কথা তুলে ধরেছেন। আরো কয়েকজন বিচারক জানান, এমন ধোঁয়াশা নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে কিছুটা চ্যালেঞ্জের। আমাদের বিষয়টা আরো খোলাসা করার প্রয়োজন ছিল। মঙ্গলবার আরো ২১৫ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এই ব্রিফিংয়ে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে ইসি সচিবালয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাঠের লড়াই শুরু

দেশের ইতিহাসে প্রথম বারের মতো ক্ষমতাসীন দলের অধীনে হতে যাওয়া নির্বাচনে মূল লড়াইয়ে আছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ও নির্বাচন সামনে রেখে গড়ে উঠা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। প্রায় তিনশ’ আসনেই মূল লড়াইয়ে থাকছেন এ দুই জোটের প্রার্থীরা। এর মধ্যে নৌকা নিয়ে লড়ছেন ২৭২ জন। আর ধানের শীষে লড়ছেন ২৯৮ জন।
গত কয়েক দিনে আলোচনা-পর্যালোচনা করে দল ও জোটের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। এ নিয়ে দুই জোটে ক্ষোভ-বিক্ষোভ দেখা গেছে। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হয়েছেন অনেকে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের অনেককে আলোচনার মাধ্যমে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করানো হয়েছে। তবে শেষ মুহূর্তেও কয়েকজন প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেবে মাঠে আছেন। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে যারা প্রার্থী হয়েছেন তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন। এছাড়া দলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যারা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হবে তাদের আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হবে। এদিকে মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির সঙ্গে ২৯ আসনে সমঝোতার কথা বলা হলেও দলটি ১৭৩টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। জোটের অন্য শরিকরা পেয়েছে ১৬টি আসন।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রধান শরিক বিএনপি ২৪২টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। অন্য ৫৮টি আসন শরিকদের জন্য ছেড়ে দিয়েছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ হওয়ায় এবার প্রচার মাঠে নজর সব দলের। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই এই জোট লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই বলে অভিযোগ করে আসছে। জোটের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে প্রচারে সমান সুযোগ দেয়ার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া জোটের অনেকে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষেত্রেও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পক্ষপাতের অভিযোগ আনা হয়েছে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে। নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলছেন, এতদিন ধরে চলা আলোচনা সমালোচনার একটি চিত্র বোঝা যাবে প্রচার-প্রচারণার শুরু থেকে। প্রার্থীরা নির্বিঘ্নে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন কিনা এ প্রশ্ন রয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক দল ও ভোটারদের মাঝে।
এদিকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিনে গতকাল অনেকে তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। ৩০০ সংসদীয় আসনে চূড়ান্ত লড়াইয়ে থাকছেন বাকি প্রার্থীরা। গতকাল রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীরা হাজির হয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। অনেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির মাধ্যমে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। ইসি সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলই নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে। নির্বাচনের তফসিল ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, দল ও জোটগুলোকে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠাতে হবে। যার অনুলিপি দিতে হবে নির্বাচন কমিশনে। এর আগে গত ২৮শে নভেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন পর্যন্ত ৩ হাজার ৬৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো থেকে মোট ২ হাজার ৫৬৭টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ৪৯৮টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। দলগুলোর মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৬৪টি আসনে ২৮১ জন এবং বিএনপি ২৯৫টি আসনে ৬৯৬জন ও জাতীয় পার্টি ২১০টি আসনে ২৩৩ জন প্রার্থী দিয়েছিল।
গত ২রা ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে ২ হাজার ২৭৯টি মনোনয়নপত্র বৈধ ও ৭৮৬টি বাতিল ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এরমধ্যে ৫৪৩টি আপিল আবেদন জমা পড়ে। ২৪৩টি আবেদন গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট প্রর্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। অন্যদিকে ৩০০ জনের আবেদন খারিজ করা হয়েছে। ফলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৫২২ জন। স্বতন্ত্র প্রার্থী আছেন ১৮৫ জন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতীক পেয়ে প্রচারযুদ্ধে প্রার্থীরা

ঘরোয়া বৈঠক, মতবিনিময় করে তারা প্রথম দিন পার করেছেন। আজ থেকে প্রধান দুই জোটের প্রার্থীরা প্রচারণায় নামবেন বলে জানিয়েছেন। প্রতীক বরাদ্দের পর গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীরা নিজ নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে প্রচারণায় নেমে পড়েন।
তারা স্ব স্ব এলাকায় মানুষের সঙ্গে দলীয় প্রতীক সংবলিত লিফলেট ও পোস্টার নিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় প্রার্থীদের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা নির্বাচনী বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে পক্ষে ভোট চাইতে থাকেন। এদিকে আগামীকাল থেকে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করছে প্রধান দুই জোট। নিজ নির্বাচনী এলাকা গোপালগঞ্জে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার জিয়ারত ও জনসভার মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অন্যদিকে একই দিনে সিলেট হজরত শাহজালাল ও শাহপরান (রহ.) এর মাজার জিয়ারত ও এম এ জি ওসমানীর কবর জিয়ারত করে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। এ কর্মসূচিতে ফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবন। এ ছাড়া গতকাল বিচ্ছিন্নভাবে জোটের শীর্ষ নেতারা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণা শুরু করেন।
এদিকে ইসি কর্মকর্তারা জানান, প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারেন। নির্বাচনী আচরণ বিধি অনুযায়ী, প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে প্রচার কাজ শুরু করতে হবে। আর এটা বন্ধ করতে হবে ভোটগ্রহণ শুরু ৩২ ঘণ্টা পূর্বে। সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে ৩০শে ডিসেম্বর সকল ৮টায়। অর্থাৎ প্রচারণা বন্ধ করতে হবে ২৮শে ডিসেম্বর রাত ১২টায়। ১০ই ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ হলে সেখানে থেকে ২৮শে ডিসেম্বর মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত মোট সময় দাঁড়ায় ১৯ দিন। সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা অনুসারে, প্রার্থীদের প্রচারণার ক্ষেত্রে পোস্টার রঙ্গিন করা যাবে না। পোস্টারে প্রার্থী ছাড়া দলীয় প্রধানের ফটো ব্যবহার করা যাবে। যা দড়িতে ঝুলিয়ে প্রচার করতে হবে। ৪শ’ বর্গফুট এলাকার বেশি বড় কোনো প্যান্ডেল করে প্রচার চালানো যাবে না।
তবে কাপড়ের তৈরি ব্যানার করে প্রচার চালানো গেলেও ডিজিটাল ডিসপ্লে ব্যবহার করা যাবে না। জনসাধারণের চলাচলের অসুবিধা হয়, এমন কোনো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকবে হবে। মাইকে প্রচার হতে হবে দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা মধ্যে। একই সঙ্গে একই নির্বাচনী এলাকাতেই কোনো অবস্থাতেই তিনটির বেশি লাউড স্পিকার নয়। নির্বাচনী এলাকায় প্রতি ইউনিয়ন আর পৌর এলাকার ওয়ার্ড প্রতি নির্বাচনী ক্যাম্প করতে হবে একটি। মোটরসাইকেলসহ যেকোনো মটরগাড়িতে করে মিছিল, মশাল মিছিল বা শোভাযাত্রা একদম নিষিদ্ধ। বিদ্যুৎ ব্যবহার করে কোনো প্রকার আলোকসজ্জা করা যাবে না। নির্বাচনী প্রচারণায় প্রতীক হিসেবে জীবন্ত কোনো প্রাণী ব্যবহার নিষিদ্ধ। পোস্টারের সাইজ দৈর্ঘ্যে ৬০ সেন্টিমিটার ও প্রস্থে ৪৫ সেন্টিমিটার এবং ব্যানার কোনো ভাবেই তিন মিটারের বেশি হবে না।
প্রচারের অংশ হিসেবে যে কোনো প্রকার দেয়াল লিখন, পোস্টানো সাঁটানো দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রচারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয় ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে অন্য কোনো প্রার্থী বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সম্মানহানিকর কিছু করতে পারবে না। দেয়া যাবে না কোনো উস্কানিমূলক বক্তব্যও। প্রচারণায় সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সকল সুবিধা ত্যাগ করে প্রচার কাজে অংশ নিতে হবে। কোনো ডাক বাংলা ব্যবহার, সরকারি গাড়ি ব্যবহারসহ প্রটোকলও ছাড়তে হবে। ইসি কর্মকর্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষ আইনে অনুমতি থাকায় নিরাপত্তা কারণে প্রটোকল পাবেন।
এমপি থেকে শুরু করে সিটি করপোরেশনের মেয়ররাও সুবিধাভোগীদের বাইরে থাকবেন। তবে সরকারি কাজে তারা সরকারি সুবিধা পাবেন। কিন্তু সরকারি কাজে গিয়ে নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারবেন না। দলীয় প্রধান ছাড়া অন্য কেউ হেলিকপ্টারও ব্যবহার করতে পারবে না। এবারের নির্বাচনে আড়াই হাজারের মতো প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। মহাজোট ও ২০ দলীয় জোট দলগুলো এবার প্রায় এক হাজারের কাছাকাছি প্রার্থী দিয়েছে। এ ছাড়া স্বতন্ত্র থেকেও দুই শতাধিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ২৮শে নভেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময়। এতে মোট ৩ হাজার ৬৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। আগামী ৩০শে ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদার রিটে আদেশ আজ: এজলাসে ইইউর ভোট বিশেষজ্ঞ

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। তাকে সহায়তা করেন ব্যারিস্টার নওশাদ জমির ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
তাকে সহায়তা করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত ঘোষ।
রিট আবেদনের শুনানি চলাকালে এজলাসে উপস্থিত ছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘ইলেকশন এক্সপার্ট মিশনের’ আইনজ্ঞ ইরিনি মারিয়া গোনারি।
শুনানিতে খালেদা জিয়ার আইনজীবী বলেন, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৬ (২) (ঘ) রিট আবেদনকারীর জন্য প্রযোজ্য হবে না। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আদালত বলতে বিচারিক আদালতের রায় হবে না। কারণ বিচারিক আদালতের রায়ই চূড়ান্ত নয়। আরো দুটি পর্যায় রয়েছে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির জন্য। সর্বোচ্চ আদালতে দণ্ডিত ও সাজা না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই। দুটি মামলায় বিচারিক আদালত সাজা হয়েছে। একটিতে হাইকোর্টে সাজা হয়েছে। কিন্তু দণ্ড ও সাজা চূড়ান্ত হবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে। যেহেতু রিট আবেদনকারী (খালেদা জিয়া) ইতিমধ্যে আপিল করেছেন এবং এ আপিল বিচারাধীন সেহেতু তিনি নির্বাচনে অংশ নেয়ার যোগ্য।
এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, বিচারিক আদালত ও হাইকোর্টে দুর্নীতির মামলায় ড. মহিউদ্দীন খান আলমগীর ও মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার সাজা হয়েছিল বিচারিক আদালতে। নৈতিক স্খলনজনিত কারণে যদি প্রার্থিতা বাতিল হয় তাহলে তারা কিভাবে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী পদে বহাল ছিলেন? শুধু তাই নয় তারা দুইজন পুরো পাঁচ বছর স্বপদে বহাল ছিলেন?
আদালতের উদ্দেশ্যে এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, এটা এমন একটা আদালত যার এখতিয়ার আছে রিট আবেদনকারীকে নির্বাচনে লড়ার সুযোগ দেয়ার। কারণ এ আদালত সাংবিধানিক আদালত। সংবিধানের ব্যাখ্যা দেয়ারও এখতিয়ার আছে।
রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সংবিধানের ৬৬ (২) (ঘ) শুনানিতে পড়া শেষ করে বলেন, এ রিট আবেদন চলতে পারে না। পাঁচজন দণ্ডিত ব্যক্তি দণ্ড স্থগিত চেয়ে আবেদন করলে সম্প্রতি হাইকোর্ট বলেছেন, দণ্ডিতদের দণ্ড স্থগিত হতে পারে কিন্তু সাজা স্থগিত হয় না। ফলে আপিল করে স্থগিতাদেশ পেলেও দণ্ডিত ব্যক্তি নির্বাচন করতে পারবেন না। এই আদেশ আপিলেও বহাল রয়েছে। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ বনাম রাষ্ট্র মামলার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, এ মামলায় তিনি তার সাজার কারণে সংসদ সদস্য পদে অযোগ্য হয়েছিলেন।
দণ্ডিতরা আপিল করে স্থগিতাদেশ পেলো আর নির্বাচনে অংশ নিলো এটা সংবিধানের ৬৬ (২) (ঘ) এর পরিপন্থী। এখন এ রিটেও যদি আবেদনকারীকে নির্বাচনের অংশ নেয়ার আদেশ দেয়া হয় তাহলে সেটা হবে সংবিধানের লঙ্ঘন। নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রভাব পড়বে। অন্যদিকে দণ্ডিতরা উৎসাহিত হবে। তারা মনে করবে দণ্ডিত হয়েছি তো কি হয়েছে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ পেলেই হবে।
তখন আদালত বলেন, আপিল চলাকালীন সময়ে হলে আপনার অবস্থান কি? অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সংবিধানের ৬৬ (২) (ঘ) এর দুটি অংশ রয়েছে। একটি হলো নৈতিক স্খলনের অপরাধে দণ্ডিত হলে কোনো ব্যক্তি পদে থাকতেও পারবেন না আবার নির্বাচনে প্রার্থীও হতে পারবেন না।
গত সোমবার তিনটি আসনে প্রার্থিতা বাতিল করে নির্বাচন কমিশনের দেয়া সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়েছিল। রিট আবেদনটি দাখিল করেন ব্যারিস্টার নওশাদ জমির।
শুনানি শেষে খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তারা ও নির্বাচন কমিশন আপিলে বেআইনিভাবে তার তিনটি মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিল। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হলে শুনানি শেষে কাল (আজ বুধবার) আদেশের দিন ধার্য করেছেন।’
তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ন্যায়বিচারের জন্য উচ্চ আদালতে এসেছেন। আমরা আশা করছি, বেগম খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার পাবেন এবং জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।’
শুনানিতে ইইউর আইনজ্ঞ
রিট আবেদনের শুনানি চলাকালে এজলাসে উপস্থিত ছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘ইলেকশন এক্সপার্ট মিশনের’ আইনজ্ঞ ইরিনি মারিয়া গোনারি। এজলাসের শেষ সারিতে দাঁড়িয়ে তিনি উভয়পক্ষের আইনগত যুক্তি ও আদালতের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন। নির্বাচন বিশেষজ্ঞ হিসেবে এরআগে ইরিনি মারিয়া গোনারি ইইউর রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন।
এর আগে গত ৮ই ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে আপিলের শুনানির পর সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসনের মনোনয়নপত্র বাতিল করে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে অপর তিন কমিশনার মনোনয়ন বাতিলের পক্ষে রায় দিলেও কমিশনের সদস্য মাহবুব তালুকদার মনোনয়ন বহালের পক্ষে রায় দেন। ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠ সিদ্ধান্তে মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়। গতকাল রিটার্নিং কর্মকর্তার মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত ও আপিলে নির্বাচন কমিশনের আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনটি দায়ের করেন তার আইনজীবীরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সন্তানদের সঙ্গে দূরত্ব নয় বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলুন -অভিভাবকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন- প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি। সচিব নাসিমা বেগম এনসিডি স্বাগত বক্তৃতা করেন। এ বছর নারীর ক্ষমতায়নে আসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ দেশের বিশিষ্ট ৫ জন মহিলাকে বেগম রোকেয়া পদক-২০১৮তে ভূষিত করা হয়।
তারা হচ্ছেন- সাবেক প্রতিমন্ত্রী জেবুন্নেসা তালুকদার, কুমিল্লা মহিলা কলেজের সাবেক শিক্ষয়িত্রী অধ্যাপক জোহরা আনিস, সুনামগঞ্জের বিশিষ্ট সমাজ ও সাংস্কৃতিক কর্মী শিলা চৌধুরী, বিশিষ্ট লেখিকা এবং সমাজকর্মী রমা চৌধুরী এবং ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার লেখিকা ও সমাজকর্মী রোকেয়া বেগম।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিতা-মাতাকে বিশেষ করে মায়েদের তাদের সন্তানকে বেগম রোকেয়ার আদর্শে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আমরা চাই আমাদের নারীরা সুশিক্ষিত হবে এবং নিজের সন্তানকে উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে। জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস এবং মাদক থেকে ছেলে-মেয়েরা যেন দূরে থাকে সেজন্য মায়েদের বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বেগম রোকেয়াকে নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং সত্যিকারের প্রগতিশীল ব্যক্তিত্ব আখ্যায়িত করে বলেন, বেগম রোকেয়া আমাদের যে শিক্ষা দিয়ে গেছেন এবং তাঁর যে স্বপ্ন ছিল আজকে কিন্তু পৃথিবী সেদিকেই এগিয়ে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশকে এইদিকে আমরা অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছি। নারীদের জন্য তার সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার মাতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ ৬ মাসে বর্ধিত করেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী আসন এক-তৃতীয়াংশে উন্নীত করা হয়েছে, জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যের আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করে ৫০ করা, মহিলা উদ্যোক্তাদের কম সুদে ঋণ, ২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে আড়াই লাখ ল্যাকটেটিং মা ও ৭ লাখ গর্ভবতী দরিদ্র মায়ের ভাতার পরিমাণ ৫০০ টাকার পরিবর্তে ৮০০ টাকা করা হয়েছে।
ন্যাশনাল হেল্পলাইন সেন্টার ১০৯ চালু, ৩ দফা বাড়িয়ে পোশাক শ্রমিকদের বেতন ৮ হাজার টাকায় উন্নীত করা, কর্মজীবী মহিলাদের জন্য হোস্টেল নির্মাণ এবং ৪ হাজার ৮৮৩টি কিশোর-কিশোরী ক্লাব স্থাপনের মধ্য দিয়ে কিশোর-কিশোরীকে বিভিন্ন সৃজনশীল, গঠনমূলক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের প্রশিক্ষণ প্রদানের উদ্যোগও তুলে ধরেন তিনি। দেশের ২ কোটি ৪০ লাখ ছেলে-মেয়েকে বৃত্তি এবং উপ-বৃত্তি দেয়া হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব বৃত্তি-উপ-বৃত্তির শতকরা ৭৫ শতাংশই নারীরা পাচ্ছে। প্রতিমাসের শুরুতে ১ কোটি ৩০ লাখ মায়ের কাছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাঁর সন্তানের বৃত্তির টাকা পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও শতকরা ৬০ ভাগ নিয়োগ নারীদের মধ্য থেকেই করা হচ্ছে। আজ বাংলাদেশে রাজনীতি, পররাষ্ট্রনীতি, আইন প্রণয়ন, নীতি-নির্ধারণ, প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উচ্চপর্যায়, অর্থনীতি, সাংবাদিকতা, ক্রীড়া, তথ্য-প্রযুক্তি, শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি এবং খেলাধুলাসহ পেশাভিত্তিক সকল স্তরে নারীদের গর্বিত পদচারণা রয়েছে।
এভারেস্ট বিজয় থেকে শুরু করে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের কর্মকাণ্ডে নারীরা সাফল্যের সঙ্গে ভূমিকা রাখছেন। নারীর ক্ষমতায়নের চিত্র তুলে ধরতে তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এদেশের প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, বিরোধী দলের নেতা এবং সংসদ উপনেতা এই চারটি পদেই নারীরা আসীন, যার নজির বিশ্বে বিরল। প্রধানমন্ত্রী এ সময় জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১, নারী উন্নয়নে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০১৩-২০২৫, পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন-২০১০ এবং এই সংক্রান্ত বিধিমালা-২০১৩ প্রণয়ন এবং নারীদের সুরক্ষা প্রদানে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন। পুরস্কারপ্রাপ্তদের সাবেক প্রতিমন্ত্রী জেবুন্নেসা তালুকদার অনুষ্ঠানে পদক বিজয়ীদের পক্ষে নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, আজকে যতটুকু আমরা এগুতে পেরেছি তার পথ দেখিয়েছেন বেগম রোকেয়া। কারণ, তিনি নারী সমাজকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে এসেছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিয়ে নিয়ে এলাহিকান্ড

তাতে তাকে দেখা যায় অলঙ্কারখচিত পোশাকে আর শরীরে বিলাসি ও দামী স্বর্ণালঙ্কার। এ জন্য তাকে কি পরিমাণ ফি দেয়া হচ্ছে তা প্রকাশ করা হয় নি। এ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন আরো অনেক সেলিব্রেটি। এর মধ্যে আছেন বলিউড মাত করা সব প্রথম সারির অভিনেতা, অভিনেত্রীও।
সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে বেশ কয়েকটি গ্লামারাস বিয়ে হয়েছে। তার সঙ্গে যেন মুকেশ আম্বানির মেয়ে ইশা আম্বানির বিয়ের আয়োজন গ্লামারে, আতিশয্যে ও মনোযোগের দিক দিয়ে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। আম্বানি পরিবার এরই মধ্যে যোগ দিয়েছিলেন অভিনেত্রী দীপিকা পাড়–কোনে ও অভিনেতা রণবীর সিংয়ের বিয়েতে। আর গত সপ্তাহান্তে বিয়ে হয়েছে আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া ও যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় গায়ক নিক জোনাসের। ওই বিয়েতে যোগ দিয়েছিলেন ইশা আম্বানি।
তবে মুকেশ আম্বানি বলে কথা। তার মেয়ের বিয়ের প্রকৃত আনুষ্ঠানিকতা বুধবার। কিন্তু এ উৎসব সাপ্তাহিক ছুটির দিন পর্যন্ত চলবে। এর মধ্য দিয়ে ভারতে সবচেয়ে ধনী ও সবচেয়ে গ্লামারাস বিয়ের অন্যতম হতে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানের জাকজমক ফুটিয়ে তুলতে সেলিব্রেটি ব্লগার, বিনোদন বিষয়ের লেখক ও লাইফস্টাইল ম্যাগাজিনগুলো হাঁকিয়ে লিখে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, রিয়ালায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুকেশ আম্বানির ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ ৪৭০০ কোটি ডলার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সতর্ক করা হয়েছে মিয়ানমারের মন্ত্রীকে

মুখপাত্র ইউ জাও হতাই প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে ৭ই ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি বলেন, মন্ত্রী যা বলেছেন সে বিষয়ে এরই মধ্যে তার সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন শীর্ষ নেতারা।
মূল বিষয় হলো, যখন মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলা হয় তখন সরকারের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিছু বলা অনুমোদিত নয়। আরেকটি জিনিস হলো, সরকারি নীতি ও একান্ত ব্যক্তিগত শব্দ ব্যবহারকে পরিস্কারভাবে আলাদা করা উচিত।
গত মাসে কায়িন রাজ্যে মিয়াইং গাই নগু সায়াড’র অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিয়ে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখছিলেন থুরা ইউ অং কো। ওই সময় তিনি রোহিঙ্গাদের বোঝাতে ‘এক্সট্রিম রিলিজিয়ন’ শব্দের ব্যবহার করেন। বলা হয়, তিনি বলেছেন, একটি এক্সট্রিম রিলিজিয়ন আছে। পরে তিনি ন্যাপিততে বলেন, এক্সট্রিম রিলিজিয়ন দেশের ভিতরকার মুসলিমদের বুঝাতে ব্যবহার করা হয় নি। এটা ব্যবহার করা হয়েছে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ‘বাঙালিদের’ (যারা রোহিঙ্গা) বোঝাতে।
এমন শব্দ ব্যবহারের কারণে এরই মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছিল বাংলাদেশ। তবে রিপোর্টে বলা হয়েছে, মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে শরণার্থী প্রত্যাবর্তন ইস্যু আক্রান্ত হবে না। চুক্তি অনুযায়ীই কাজ হবে। ইউ জা হতাই বলেন, দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী আমরা প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখবো। স্থানীয় সুনির্দিষ্ট কিছু রিপোর্ট যা প্রকাশিত হচ্ছে তাতে এ প্রক্রিয়ার ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না। আমাদেরকে এগুলোর পার্থক্য বুঝতে হবে। প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়া প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ীই হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1421)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
December
(211)
-
▼
Dec 11
(19)
- ভারতে ৫ রাজ্যের নির্বাচনে বিজেপি ভরাডুবির পথে
- দেশে ফিরেছেন ঐশি
- ১০ বছরে দ্রুত বেড়েছে ধনী-গরিব বৈষম্য -সিপিডির গবেষণা
- রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিদেশিদের ভ্রমণ বন্ধ! by মিজানুর...
- নির্বাচনে আপনারা তো ইনশাআল্লাহ হেরে যাচ্ছেন -ড. কা...
- আফগানিস্তানের এক লড়াকু নারী নার্গিস
- আওয়ামী লীগ আর জাতীয় পার্টির বিচিত্র আসন ভাগাভাগি
- জেনুইন নির্বাচন চেয়ে কূটনীতিকদের বিবৃতি
- নির্বাচনে জয়-পরাজয়ে যা ফ্যাক্টর হতে পারে
- ‘নির্বাচনটা সরকারি দলের জন্য একটি বড় পরীক্ষা’ -আনু...
- উন্মুক্ত আসনের রাজনীতির নেপথ্যে কী?
- জয়নবকে বাঁচাতে বিশ্ব জুড়ে দুর্লভ রক্তের সন্ধান
- আতঙ্ক নয়, আস্থার পরিবেশ চায় কমিশন
- মাঠের লড়াই শুরু
- প্রতীক পেয়ে প্রচারযুদ্ধে প্রার্থীরা
- খালেদার রিটে আদেশ আজ: এজলাসে ইইউর ভোট বিশেষজ্ঞ
- সন্তানদের সঙ্গে দূরত্ব নয় বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়...
- বিয়ে নিয়ে এলাহিকান্ড
- সতর্ক করা হয়েছে মিয়ানমারের মন্ত্রীকে
-
▼
Dec 11
(19)
-
▼
December
(211)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...