Showing posts with label আনন্দ. Show all posts
Showing posts with label আনন্দ. Show all posts

Friday, June 19, 2015

ফ্যাশনের আনন্দধারা by আশরাফ উল্লাহ

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড–প্রথম আলো ঈদ ফ্যাশন প্রতিযোগিতা
অনুষ্ঠিত হয় গত শনিবার। অনুষ্ঠানে বাহারি পোশাকে
র‍্যাম্প মাতান মডেলরা l সৌরভ দাশ
দুটি মিল।
প্রথম আলো ঈদ ফ্যাশন প্রতিযোগিতার ১৭ বছর। বলা যায় টগবগে তারুণ্য। অপর দিকে, শুরু থেকেই তারুণ্যের জয়জয়কার। প্রতিবারই একই রীতি। এবারও ব্যতিক্রম নয়। তরুণেরাই অগ্রগামী।
ধরুন ইকবাল হোসেনের কথা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া এই তরুণ এবার জিতেছেন দুটি পুরস্কার। শিশুদের পোশাকে প্রথম ও সালোয়ার–কামিজে তৃতীয়। ইকবালের বুটিক হাউসের নাম ফোঁড়। নামেই চমক। তাঁর কাছে এই স্বীকৃতি এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা। বললেন, ‘আমি ফোঁড়ে স্বপ্ন বুনি। আজ স্বপ্নপূরণের পথে এগিয়ে গেলাম এক ধাপ।’ শুধুই কি ইকবাল? কাজের স্বীকৃতি পেয়ে উচ্ছ্বসিত সাজিয়া আফরিন, আবদুল্লাহ ইবনে সৈয়দ, আমেনা হক খান, জয়তুন নাহার, নাসরিন ফাতেমারা। তাঁরাও জিতেছেন পুরস্কার।
সেরাদের সেরা জত্রিতা বুটিকসের উম্মে কুলসুম সুলতানা ঠিক তরুণদের কাতারে না পড়লেও তাঁর উচ্ছ্বাসও কম নয়। চারটি পুরস্কার হাতে নিয়ে তিনিও আপ্লুত। মঞ্চ থেকে নেমে আনন্দ ভাগাভাগি করেছেন অন্য ডিজাইনারদের সঙ্গে। তাঁর বুটিক হাউস বান্দরবানে। ২০০৯ সাল থেকে প্রতিযোগিতায় আসছেন। পুরস্কারও জিতেছেন। কিন্তু অধরা ছিল সেরাদের সেরার মুকুট। এবার তা হাতের মুঠোয়।
উম্মে কুলসুম সুলতানা বললেন, ‘নিজের কাজের প্রতি আত্মবিশ্বাস ছিল। ফলও পেয়েছি হাতে হাতে। খুব ভালো লাগছে।’
নতুন ডিজাইনাররা পরখ করেন যোগ্যতা, পুরোনোরা ঝালাই করেন ভাবনা। আর দর্শকেরা দেখেন হাল ফ্যাশনের ট্রেন্ড। ফ্যাশনে চট্টগ্রামের একমাত্র প্ল্যাটফরমই যে এটি।
এবার অনুষ্ঠানে। সন্ধ্যা নামতেই পাঁচ তারকা হোটেল র্যা ডিসন ব্লুর মোহনা মিলনায়তন গমগম করছিল দর্শকে। কেউ দিচ্ছেন কফিতে চুমুক। কেউ ব্যস্ত সেলফি তোলায়। সাড়ে সাতটায় আয়োজনের পর্দা উঠল রবীন্দ্রনাথের গানে—‘মম চিত্তে নিতি নৃত্যে’। ঝলমলে মঞ্চে আলো ছড়াল এক ঝাঁক নৃত্যশিল্পী। সমবেত নৃত্যে মাতিয়ে তোলেন আসর।
এরপর ক্যাটওয়াক। পোশাকে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে গেলেন মডেলরা—যা ছড়িয়ে গেল দর্শকদের মধ্যেও। তাই তো প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানের আহ্বানে দর্শক সারি থেকে মঞ্চে উঠে আসা শিক্ষাবিদ সাফিয়া গাজী রহমানের কণ্ঠেও উৎসবের আমেজ। বললেন, ‘আমার কাছে মনে হচ্ছে ঈদ এসে গেছে।’
এর মধ্যে শুরু হয়ে গেল বাদ্যযন্ত্রের টুংটাং আওয়াজ। মঞ্চে এলেন কুমার বিশ্বজিৎ। ঘড়ির কাঁটা তখন নয়টা পেরিয়ে। উঠেই বললেন, ‘অনারা গম (ভালো) আছননি।’ দর্শক সারি থেকে সমস্বরে চিৎকার ‘ভালা আছি’। গান শুরু করলেন ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’ দিয়ে। তাঁর সঙ্গে গলা মেলালেন দর্শকেরাও। গান শেষে বললেন, ‘গম লাগেরনি।’ তখন তুমুল করতালিতে ফেটে পড়ে মিলনায়তন। একে একে চারটি গান করেন। কুমার বিশ্বজিতের গানের সঙ্গে আসর আরও জমিয়ে তোলে প্রখ্যাত বাদ্যযন্ত্রশিল্পী মিঠুন চক্রবর্তীর ঢোলের বাদন।
অবশেষে পুরস্কারের পালা। বিচারকদের চূড়ান্ত বিচারে ১২টি বিভাগে স্বীকৃতি পান ২৫ জন ডিজাইনার। তাঁদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা, সহপৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান রিজেন্ট এয়ারওয়েজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাশরুফ হাবিব ও শিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ। এবার ক্লিক ক্লিক...। সবার মুখে হাসি, উচ্ছ্বাস।

Thursday, June 18, 2015

বাড়তি কিছু...

অতিথিদের সঙ্গে বিজয়ী ডিজাইনাররা
বিশ্বজিৎ নামের বিভ্রাট
ক্যাটওয়াক, নাচ আর কথামালার ফাঁকে দর্শকদের ইতিউতি। কখন আসবেন? কখন গাইবেন শিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ? এ রকম গুঞ্জন। অবশেষে উপস্থাপক ইমতু গান গাওয়ার জন্য মঞ্চে ডাকলেন বিশ্বজিৎ চৌধুরীকে। দর্শকেরা দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে গেলেন। নাম ভুল করল নাকি। কিন্তু না। মঞ্চে এলেন প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বজিৎ চৌধুরী। তিনি এসে শোনালেন বিশ্বজিৎ নামের বিভ্রাটের গল্প। বললেন, ‘এই মানুষটিকে আমি সব সময় ঈর্ষা করি। আমরা নামে এক। কিন্তু খ্যাতিতে তিনি আমার থেকে অনেক এগিয়ে।’
শাড়ি ক বিভাগে কিউ
শাড়ি ক বিভাগে কিউ
শাড়ি খ বিভাগে কিউ
শাড়ি খ বিভাগে কিউ
পাঁচতারকায় গ্রামীণ ছোঁয়া
শব্দযন্ত্রে বেজে ওঠে গান—‘মনেরও বাগানে ফুটিল ফুল রে, রসিক ভ্রমর আইল না’। গানের সুরে সুরে পালকি চড়ে মঞ্চে প্রবেশ করে গ্রামীণ বধূ। আবার কারও হাতে একতারা। নৃত্যশিল্পীদের এই পরিবেশনা ক্ষণিকের জন্য হলেও পাঁচতারকা হোটেলের মিলনায়তনে সৃষ্টি হয় গ্রামীণ আবহ।
জ্ঞানী মডেলক্যাটওয়াকের ফাঁকে ফাঁকে চলছে নানা আয়োজন। এরই মধ্যে উপস্থাপকের ডাকে মঞ্চে আসেন চট্টগ্রামের মডেল মীম। এসেই চঞ্চল উপস্থাপক ইমতুর প্রশ্নের জেরার মুখে পড়তে হয় তাঁকে। তাঁর প্রতি ছুটতে থাকে একের পর এক বিশাল সব প্রশ্ন। কিন্তু উত্তর—হ্যঁা, হু। এই এক-দুই শব্দের উত্তর দীর্ঘ করার প্রাণান্তকর চেষ্টা করতে থাকেন উপস্থাপক। কিন্তু মডেল অনড়। শেষ পর্যন্ত কী আর করা! মডেলের উপাধি ‘জ্ঞানী’।তখন চলছে কথামালা। বক্তব্য দিচ্ছিলেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান। তাঁর পাশে পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা ও সহপৃষ্ঠপোষক রিজেন্ট এয়ারওয়েজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাশরুফ হাবিব। মঞ্চের পাশের আসনে বসে অনুষ্ঠান উপভোগ করছিলেন চট্টগ্রামের খ্যাতনামা ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সানশাইন গ্রামার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাফিয়া গাজী রহমান। হঠাৎ তাঁকে মঞ্চে আমন্ত্রণ জানান প্রথম আলোর সম্পাদক। অনুরোধ করেন কিছু বলার জন্য। কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এই শিক্ষাবিদ। তিনি বলেন, ‘আজ আমার গর্বের দিন। মঞ্চে রয়েছে আমার ছাত্র মাশরুফ।’ প্রিয় ছাত্রের মাথায় স্নেহের পরশ বুলিয়ে দেন এই শিক্ষিকা। এ সময় অধ্যক্ষ ও ছাত্রকে সবার সামনে একসঙ্গে ক্যাটওয়াক করার অনুরোধ জানান মতিউর রহমান। সম্পাদকের অনুরোধে সাড়া দিয়ে র্যা ম্পে হাঁটেন দুজনই। গ্রন্থনা:
ছাত্র-শিক্ষিকার ক্যাটওয়াক
সুজন ঘোষ
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান। পাশে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা (ডানে), রিজেন্ট এয়ারওয়েজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাশরুফ হাবিব (বঁায়ে) ও প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বজিৎ​ চৌধুরীঅনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান। পাশে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা (ডানে), রিজেন্ট এয়ারওয়েজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাশরুফ হাবিব (বঁায়ে) ও প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বজিৎ​ চৌধুরী

চলতি হাওয়ার সঙ্গে ঐতিহ্যের সংমিশ্রণ by আহমেদ মুনির

দর্শকে ঠাসা পাঁচতারকা হোটেল র‍্যাডিসন ব্লুর মোহনা মিলনায়তন
সালোয়ার–কামিজের কিউ
চলতি হাওয়া বা ফ্যাশনের ট্রেন্ডের সঙ্গে থাকতে হবে ঐতিহ্যের সংমিশ্রণ। কাটিং বা স্টাইলে চাই মৌলিকত্ব। ফিনিশিংও হতে হবে নিখুঁত। সব মিলিয়ে পোশাকটা হবে পরিধানযোগ্য। এবারের ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড-প্রথম আলো ঈদ ফ্যাশন শোতে সেরা পোশাক নির্বাচন করতে গিয়ে এসবই খেয়াল করেছেন পাঁচ বিচারক শিল্পী আহমেদ নেওয়াজ, ডিজাইনার আইভি হাসান, এইচ এম ইলিয়াস, নূরে জান্নাত নিপা ও সিমাত মাহমুদ।
শিল্পী আহমেদ নেওয়াজ, আইভি হাসান ও এইচ এম ইলিয়াস অভিজ্ঞ তিন বিচারক ডিজাইনারদের কাজ নিয়ে সন্তুষ্ট নন পুরোপুরি। অবশ্য এ ক্ষেত্রে তরুণদের দোষও দিচ্ছেন না তাঁরা। নতুনদের মাথায় অনেক কিছু থাকবে না, এটাই স্বাভাবিক। গত বিশ বছরে চট্টগ্রামের ফ্যাশন আন্দোলন একটা সুস্পষ্ট ধারা তৈরি করেছে। এ বিষয়টা ধরিয়ে দেওয়ার জন্য তরুণ ডিজাইনারদের নিয়ে কর্মশালা ও গ্রুমিং করানোর প্রস্তাবও দিলেন তাঁরা।
আহমেদ নেওয়াজ বলেন, ‘মৌলিক ডিজাইন ও দেশি পোশাকশিল্পকে প্রমোট করার কথা মাথায় রেখে আমরা ফ্যাশন আন্দোলনের সূচনা করেছি। কিন্তু এখনকার অনেকের মাথায় এটা নেই। তাই আমি মনে করি তরুণ ডিজাইনারদের প্রতিযোগিতার তিন থেকে ছয় মাস আগ থেকেই গ্রুমিং করানো শুরু করা উচিত।’ উইমেন চেম্বারের সহসভাপতি ও ডিজাইনার আইভি হাসান দায়ী করলেন বিদেশি সংস্কৃতির আগ্রাসনকে। গতকাল প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘ট্রেন্ড ফলো করতে গিয়ে দেশের সংস্কৃতি ভুলে যাব, এটা কেমন কথা?’ তবে এরপরও চূড়ান্ত বাছাইয়ে বেশ ভালো পোশাকই উঠে এসেছে বলে তিনি জানালেন। জামদানি, মসলিন, সিল্কের কাপড়কে প্রাধান্য দিয়েছেন তাঁরা বাছাই করতে গিয়ে। এবার ঋতুর সঙ্গে মানানসই হালকা রঙের পোশাকই বেশি চলছে। পাশাপাশি মেয়েদের লম্বা ঝুলের ফ্লোর টাচ গাউন ধরনের সালোয়ার বেশি জমা পড়েছে।
বুটিক হাউস শৈল্পিকের স্বত্বাধিকারী ও ডিজাইনার এইচ এম ইলিয়াস অবশ্য হালের ট্রেন্ড পোশাকে আনার মধ্যে দোষের কিছু দেখছেন না। তিনি বলেন, ‘ট্রেন্ড অনুযায়ী তৈরি না করলে ক্রেতারা কেন সেই পোশাক কিনবেন?’ তরুণ ডিজাইনারদের মধ্যে অন্য ঘাটতি লক্ষ করেছেন তিনি। ইলিয়াস বলেন, ‘ডিজাইনারদের অনেকেরই কোনো অবকাঠামো নেই। তাই ডিজাইন ভালো হলেও ফিনিশিং ভালো হয়নি অনেকের পোশাকের।’
এবার প্রতিযোগিতায় জমা পরা পোশাকের মধ্যে সালোয়ার–কামিজ ও শাড়ির কাজ ভালো ছিল বলে মন্তব্য করেন ডিজাইনার নূরে জান্নাত নিপা। তাঁর মতে, উৎসবের পোশাকে চলতি ট্রেন্ডটা উঠে আসবে। পাশাপাশি প্যাটার্ন আর রঙের বৈচিত্র্যও থাকতে হবে।
বিজিএমইএর ফ্যাশন ইনস্টিটিউটের শিক্ষক সিমাত মাহমুদও এবার বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশি ডিজাইনের সঙ্গে পাশ্চাত্য ধাঁচের সংমিশ্রণ আর ভারসাম্যপূর্ণ পোশাক সেরা বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Tuesday, January 13, 2015

ভাড়া না নিয়েই শিশু একাডেমীতে পিঠা উৎসব! by মানুসরা হোসাইন

রাজধানীর দোয়েল চত্বরের বিপরীতে অবস্থিত বাংলাদেশ শিশু একাডেমী প্রাঙ্গণে কাল বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় পিঠা উৎসব। আজ মঙ্গলবার সে উপলক্ষে একাডেমীর সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদ।
অভিযোগ উঠেছে, যথাযথভাবে কর্তৃপক্ষের অনুমতি এবং ভাড়া নেওয়া ছাড়াই এ ধরনের আয়োজন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ অভিযোগ করেছেন শিশু একাডেমীতে কর্মরত বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই।
জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদের সদস্যসচিব হলেন মোশাররফ হোসেন। তিনি শিশু একাডেমীর পরিচালক। অন্যদিকে আজ সংবাদ সম্মেলন শেষে উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তির নিচে ঠিকানা হিসেবে টিএসসি (তৃতীয় তলা), দৃষ্টির মহড়াকক্ষ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; উল্লেখ করা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই সংগঠনটি মোশাররফ হোসেনের। সংগঠনটি এবার ২১তম জাতীয় পিঠা উৎসব পালন করতে যাচ্ছে।
শিশু একাডেমীতে কর্মরত একাধিক মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী একাডেমীর সম্মেলনকক্ষটি একাডেমী এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের (একাডেমী মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা) বিভিন্ন অনুষ্ঠান হয়। এটি বাণিজ্যিকভাবে ভাড়া দেওয়া হয় না। অন্য কোনো সংগঠন এটি ব্যবহার করতে পারে না। কিন্তু সেই সম্মেলনকক্ষেই আজ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শিশু একাডেমীতে কোনো অনুষ্ঠান করতে হলের ভাড়া দিতে হয়। যে সংগঠন অনুষ্ঠান করবে তাদের সঙ্গে একাডেমীর চুক্তিও করতে হয়। আজ বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত এ ধরনের কোনো চুক্তি হয়েছে বা ভাড়া নিয়েছে, সে ধরনের কোনো তথ্য দিতে পারেননি শিশু একাডেমীর সংশ্লিষ্টরা। তবে একাডেমীর হিসাব বিভাগ, প্রশাসন বিভাগে কথা বলতে গেলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এক ব্যক্তি প্রতিবেদককে অনুরোধ করে বলেন, ‘আপনারা তো সবই বুঝেন। আপনি পরিচালক স্যারের সঙ্গে কথা বলুন। ভাড়া নিয়ে থাকলে সে সংক্রান্ত কাগজপত্র পরিচালক স্যারকে দিতে পারে। আমাদের কাছ পর্যন্ত তা আসেনি।’
তবে শিশু একাডেমীর পরিচালক মোশাররফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন,‘সব ধরনের শর্ত পূরণ করে বৈধভাবেই এ উৎসব করা হবে। ভাড়াও নেওয়া হয়েছে।’ একাডেমী তার সম্মেলনকক্ষ ভাড়া দেয় বলেও জানালেন পরিচালক। চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে মোট কত টাকা ভাড়া, তা জানতে চাইলে সে সম্পর্কে তিনি কিছু বলেননি। তবে তিনি উল্লেখ করেন, এক বেলা অনুষ্ঠানের জন্য একাডেমীকে দুই হাজার টাকা দিতে হয়।
জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদের মিডিয়া ও প্রচার উপ-কমিটির আহ্বায়ক মিনহাজুর রহমান প্রথম আলোকে জানান, প্রত্যেকবার এ পিঠা উৎসব রমনা বটমূলে অনুষ্ঠিত হয়। এবার সেখানে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রেরও একটি অনুষ্ঠান থাকায় তাঁরা নিজেরাই সে জায়গা ছেড়ে দিয়েছেন।
শিশু একাডেমীতে অনুষ্ঠান করার জন্য ভাড়া নিয়েছেন কি না, জানতে চাইলে মিনহাজুর রহমানও মোশাররফ হোসেনসহ দাপ্তরিক পদে যাঁরা আছেন তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে বলেন।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তারিক-উল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘শুনেছি সেখানে নাকি উৎসব হবে। একাডেমীর প্রাঙ্গণ ভাড়া দেওয়ার সিস্টেম আছে। ভাড়া নিয়ে থাকলে পিঠা উৎসব তো হতেই পারে।’ তবে সংগঠনটি ভাড়া নিয়েছে কি না, তা পরে খোঁজ নিয়ে জানাবেন বলে জানান সচিব।
পিঠা উৎসব পরিষদের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কাল বিকেল চারটায় উৎসবের উদ্বোধন হবে। চার দিনব্যাপী এ উৎসব বেলা আড়াইটায় শুরু হয়ে চলবে রাত আটটা পর্যন্ত। তবে শুক্রবার সকাল ১০টা থেকেই উৎসব শুরু হবে। জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক হচ্ছেন ওসমান গণি।

Thursday, January 8, 2015

মিয়ামিতে সুন্দরীদের মিলনমেলা

সারা বিশ্বের সুন্দরীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পর্যটন নগরী মিয়ামি। ৯০টি দেশের সেরা সুন্দরীরা এরই মধ্যে তাদের পা ফেলেছেন সেখানে। কারো দীঘল কালো চুল। কেউ বা স্বল্প বসনে। কেউ বা নিজের শরীরটাকে সবার সামনে উপস্থাপন করতে চেষ্টা করছেন সৌন্দর্য্যময় উপায়ে। কেউ বা বিশ্বশান্তির জন্য প্রত্যাশা করছেন। আগামী ২৫শে জানুয়ারি মিয়ামিতে হবে মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতার চূড়ান্তপর্ব। তার আগে ২১শে জানুয়ারি হবে প্রিলিমিনারি ইভেন্ট। এর মধ্যে রয়েছে গাউন সন্ধ্যা, সুইমস্যুট ও ইন্টারভিউপর্ব।  বিশ্ব সুন্দরীর এই খেতাব জিততে এখন তাদের চলছে রিহার্সাল। এ জন্য আগেভাগেই সুন্দরীরা গিয়ে হাজির হয়েছেন মিয়ামির অল্প পরিচিত শহর ডোরেলে। সেখানেই হবে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা। মিস ইউনিভার্স-২০১৪ খেতাব বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে ২৫শে জানুয়ারি। এতে এবার অংশ নিয়েছেন ভারতের সুন্দরী নয়নীতা লোধ। এছাড়া, সেখানে গিয়ে হাজির হয়েছেন আলবেনিয়া, এল সালভাদর, গ্রেট বৃটেন, হাইতি সহ কয়েক ডজন দেশের প্রতিযোগী। তারা প্রতিযোগিতার মূল মঞ্চে ওঠার আগে সেরে নিচ্ছেন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। কেউবা চুলের স্টাইল ঠিক করাতে দিন-রাত পার করে দিচ্ছেন। কেউ বা গাউনটি কেমন হবে তা নির্বাচনে ব্যস্ত। কেউ বা শরীরে লাবণ্য ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করছেন। ২১শে জানুয়ারি প্রিলিমিনারি রাউন্ডের পর ৯০ সুন্দরীর মাঝ থেকে বাছাই করা হবে শীর্ষ ১৫ সুন্দরীকে। তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হবে একই রাতে ন্যাশনাল কস্টিউমে। ডোরেল শহরের এএফআইইউ এরিনা’য় বসবে বিশ্বসেরা সুন্দরীদের মেলা। সেখানে উপস্থিত থাকবেন মিস ইউনিভার্স-২০১৩ বিজয়ী মিস ভেনিজুয়েলা গাব্রিয়েলা ইসলার। এবার মিস ইউনিভার্স বিজয়ীর মাথায় বিজয় মুকুট পরিয়ে দেবেন তিনি। মিস ইউনিভার্স অর্গানাইজেশনের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে ট্রাম্প ও পলা এম শুগার্ট সম্প্রতি বলেছেন, ‘টুডে’ নামের শো-এর উপস্থাপিকা নাতালি ও এমএসএনবিসি’র উপস্থাপক থমাস রবার্ট এবারের মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় উপস্থাপক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। তিন ঘণ্টা ধরে চলবে এ অনুষ্ঠান। প্রচারিত হবে এনবিসি’তে। তবে লোকমুখে কথা ছড়িয়ে পড়েছে যে, এবার বিচারক হিসেবে থাকবেন ফিলিপিনো বক্সার, ম্যানি পাকুইয়া।

Wednesday, January 7, 2015

খুশিতে হারিয়ে যাওয়ার একদিন- আনন্দ ভ্রমণ ২০১৫ -মানবজমিন পরিবার

দুই বছরের প্রতীক্ষার অবসান। শীতের সকালে রোধ ঝিলিক দেয়নি তখনও। তার আগেই মানবজমিন অফিস সরগরম। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে উপস্থিতি। চেনা-অচেনা মুখ। তবে সবাই মানবজমিন পরিবারের সদস্য। কেউ সহকর্মী কেউ বা তাদের পরিবারের সদস্য। সবার মাঝে আনন্দের ঝলকানি আর একটি উৎসবমুখর দিন অতিবাহিত করার প্রত্যাশা। মানবজমিন পরিবারের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ। এই আনন্দ উৎসবটি আয়োজনে ছিল দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি। সকাল তখন ৯টা। উদ্দেশ্য রাজধানীর অদূরে ধামরাইর মোহাম্মদী গার্ডেন। কাওরান বাজার মানবজমিন অফিসের সামনে থেকে একে একে ৬টি বাস গন্তব্যে ছেড়ে যাচ্ছে, ভ্রমণে অংশ নেয়া প্রতিটি সদস্যের মাঝে তখন খুশির জোয়ার। এর আগে অফিসে সকালের নাস্তা ও উপহার সামগ্রী হস্তান্তরের মাধ্যমে শুরু হয় আনুষ্ঠানিকতা। এ নিয়ে দিনব্যাপী ছিল নানা আয়োজন। সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল র‌্যাফেল ড্র।
এবারের আয়োজনে ঢাকা অফিসে কর্মরত কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গী ছিলেন ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার স্টাফ রিপোর্টার এবং তাদের পরিবারের সদস্যরাও। প্রায় সোয়া ঘণ্টা সড়কপথে যাত্রার পর মোহাম্মদী গার্ডেনে পৌঁছালে ফুল ছিটিয়ে স্বাগত জানানো হয় মানবজমিনের সংবাদকর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের। সবার আগে গিয়ে পৌঁছান মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী ও সম্পাদক মাহবুবা চৌধুরী। তাদের সঙ্গে ছিলেন টেকনিক্যাল এডিটর ব্যারিস্টার মেহজাবিন রহমান চৌধুরী মিশু। সেখানে গিয়েই শুরু হয় হই-হুল্লোড়। বিশাল বাগান। সুইমিংপুল। খালি মাঠ। পুকুর। ওয়াচ টাওয়ার। বড়রা গার্ডেনে ঢুকেই ফটোসেশন শুরু করেন। শিশুরা খোলা জায়গা পেয়ে শুরু করে দৌড়াদৌড়ি আর খেলাধুলা।
আনন্দ ভ্রমণের আগের দিন থেকে সেখানে গিয়ে আয়োজনের সমন্বয় করছিলেন বিনোদন বিভাগের মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন। দুপুরের খাবার আয়োজন থেকে শুরু করে স্পটের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের দেখাশোনা ছিল মূলত তার উপরই। তাকে সহযোগিতা করেন মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি রিপন আনসারী, ধামরাই প্রতিনিধি আজহারুল ইসলাম রাজু, সাটুরিয়ার প্রতিনিধি মতিয়ার রহমান এবং সাভারের স্টাফ রিপোর্টার হাফিজ উদ্দিন। ঢাকা থেকে সাজিয়ে নেয়া হয় দিনের কর্মসূচি। কিছুক্ষণ বিশ্রাম ও ফটোসেশনের পর শিশুদের খেলা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মূল আনুষ্ঠানিকতা। এরপর ছিল মহিলাদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা মিউজিক্যাল পিলো ও মিউজিক্যাল চেয়ার। এসময়ই প্রস্তুতি শুরু হয় পুরো আনন্দ ভ্রমণের বিশেষ ও উত্তেজনাপূর্ণ আয়োজন ফুটবল খেলা। দুটি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত খেলায় সাদা-কালো রঙের জার্সি গায়ে দিয়ে মাঠে নামেন প্রধান সম্পাদক দলের সদস্য রিপোর্টিং বিভাগের কর্মীরা। আর লাল-সাদা জার্সি পরে মাঠ দাবড়ে বেড়ান সম্পাদক দলের হয়ে প্রশাসন এবং বিজ্ঞাপন বিভাগের কর্মীরা। এই জার্সিগুলো দেয়া হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ক্রিকেট সংগঠক হানিফ ভূঁইয়ার সৌজন্যে। ৩০ মিনিটেই খেলার প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য। তবে দ্বিতীয়ার্ধের প্রথমেই জয়সূচক গোল করে দলকে এগিয়ে নেন প্রধান সম্পাদক দলের কাফি কামাল। খেলাটি শেষ হয় ১-০ গোলের ব্যবধানে। প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী ও সম্পাদক মাহবুবা চৌধুরী বিজয়ী দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা সম্পাদক বাবর আশরাফুল হক। খেলায় রেফারির দায়িত্ব পালন করেন স্পোর্টসের সামন হোসেন। এদিকে খেলা চলাকালে স্টেজে সংগীতানুষ্ঠান শুরু হয়। গান পরিবেশন করেন বিটিভি ও বেতারের শিল্পী লুতু সরকার, রেজানুর রহমান এবং মানবজমিনের আল আমিন। জোহরের নামাজ ও খাবারের পর শুরু হয় মূল আকর্ষণ র‌্যাফেল ড্র। মানবজমিন পরিবারের প্রত্যেক সদস্যই এতে পুরস্কৃত হন। ল্যাপটপ থেকে শুরু করে ফ্রিজ, মোবাইল ফোন, ট্যাব, বিমান টিকিটসহ ছিল দামি পুরস্কার। প্রত্যেকেই মঞ্চে এসে টোকেন তুলে নিজের ভাগ্য নিজে নির্ধারণ করেন। এ পর্ব পরিচালনা করেন মানবজমিন-এর নির্বাহী সম্পাদক শামীমুল হক, বার্তা সম্পাদক কাজল ঘোষ, ফিচার এডিটর মু.আ. কুদ্দুস ও প্রধান প্রতিবেদক লুৎফর রহমান। এবারই প্রথম আনন্দ ভ্রমণে অংশ নেয়া মানবজমিন পরিবারের সদস্যদের জন্য লটারির মাধ্যমে বিশেষ পুরস্কার দেন প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী। এ পুরস্কার পান সম্পাদনা সহকারী বিভাগের জহিরুল ইসলাম রাকিব।
লটারির জন্য নিজের টোকেন তুলতে নাম ডাকা হয় একে একে। পুরস্কার নিতে এসে আনন্দ ভ্রমণে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, এ আয়োজন সফল হয়েছে সবার অংশগ্রহণে। তিনি আয়োজনে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, স্পন্সর করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। পাশাপাশি মোহাম্মদী গার্ডেন কর্তৃপক্ষকেও ধন্যবাদ জানান। আর সম্পাদক মাহবুবা চৌধুরী তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে প্রতিবছর আনন্দ ভ্রমণ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।
যাদের প্রতি কৃতজ্ঞ
এবারের র‌্যাফেল ড্রতে যাদের সৌজন্যে পুরস্কার দেয়া হয় তারা হচ্ছেন- প্রাক্তন ছাত্রলীগ ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক নুরে আলম সিদ্দিকী, জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের পক্ষে নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ তেলায়েত হোসেন, ক্যাবল অপারেটর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাবেক সভাপতি এসএম আনোয়ার পারভেজ, কৃষিবিদ রেজাউল ইসলাম মুকুল, বেঙ্গল সাইয়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহের উদ্দিন সরকার, নাসা গ্রুপের পরিচালক শহিদুল ইসলাম মিঠু, অভিনেতা মতিউর রহমান, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নূরুজ্জামান খান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফয়জুর রহমান (বকুল), আফজাল হোসেন এবং বুড়িগঙ্গা মৎস্য বাজার-এর মালিক আবু বকর সিদ্দিক, ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ডা. রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, যুবদল সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নিরব, সাবেক এমপি ও জাসদ নেতা এডভোকেট শাহ জিকরুল আহমেদ খোকন, ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুন, সিদ্ধিরগঞ্জ যুবলীগের সভাপতি আলহাজ মতিউর রহমান মতি, যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সভাপতি জাকির চৌধুরী, নাভানা গ্রুপ, শাহনুর ইলেক্ট্রনিক্স (টিসিএল), হামদর্দ ল্যাবরেটরি (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশ, ওয়ালটন, সিটিসেল, প্রাণ গ্রুপ, আকিজ গ্রুপ, জিসান ইন্টারন্যাশনাল, ওকাপিয়া, গাজী ট্রেডার্স, মমতাজ হারবাল প্রোডাকটস, লোলেন কসমেটিক্স, মিজান হারবাল, ফ্যাশন প্যারাডাইস, প্রিয়ন্তি, প্রতিভা কমিউনিকেশন, ইউনিভার্সেল ফুড লিমিটেড, অডিও প্রযোজনা সংস্থা লেজারভিশন, সাংস্কৃতিক সংগঠন মেলোডি এন্টারটেইনমেন্ট, এইমটেল, হাজারী এন্টারপ্রাইজসহ আরও অনেক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি।

Thursday, July 18, 2013

হলিউড টপচার্ট

১. ডেসপিক্যাবল ২: স্টিভ ক্যারল, মিরান্ডা কসগ্রোভ, ক্রিসটেন উইগ
২. গ্রোউন আপস ২: অ্যাডাম স্যান্ডলার, কেভিন জেমস, ক্রিস রক

বলিউড টপচার্ট

১. ভাগ মিলখা ভাগ: ফারহান আখতার, সোনম কাপুর, প্রকাশ রাজ
২. লুটেরা: রণবীর সিং, সোনাক্ষী সিনহা

হলিউড আসুন ভিলেন হই

যুগটা হিরোদেরও নয়, সুপারহিরোদের। এই যুগে ব্যাটম্যান, সুপারম্যানদের জয়জয়কার। সবাই নায়ক বনতে চায়। সাজতে চায় সুপার হিরো। সুপার হিরোদের পেশির তাকদের কাছে যে হার মানে ভিলেন।

বলিউড ভাগ মিলখা ভাগ

১৯৪৭ সাল। দেশভাগের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় জীবনের অন্তিমক্ষণে সিং পরিবার। মিলখা সিং-এর বয়স তখন মাত্র ১২ বছর। কিছু বুঝে ওঠার আগেই কিশোর মিলখার চোখের সামনেই মেরে ফেলা হলো বাবা-মা, ভাইবোনদের।

গানের ন্যান্সি অন্য ন্যান্সি by মেহেদী মাসুদ

: ন্যান্সি, আপনি এখন কোথায় আছেন?
: ময়মনসিংহে, শ্বশুরবাড়িতে।
: নতুন জীবন। কেমন লাগছে?
: ভালো। জায়েদ (ন্যান্সির স্বামী) পৌরসভায় চাকরি করছে, ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত।

Thursday, July 11, 2013

ইমরানের ভুবনে by শফিক আল মামুন

২০০৮ সাল। মঞ্চে চলছে ‘চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠ’-এর চূড়ান্ত দশের প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগীদের একজন ইমরান। গাইছেন মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকীর গাওয়া পুরোনো দিনের ‘ওই দূর-দূরান্তে, মন-মনান্তে’ গানটি।

হলিউড টপচার্ট

১. ডেসপিসেবল মি: স্টিভ ক্যারেল, রাসেল ব্র্যান্ড, মিরান্ডা ক্রসগ্রোভ
২. দ্য লোন রেঞ্জার: জনি ডেপ, আর্মি হ্যামার,

বলিউড টপচার্ট

১. লুটেরা: রণবীর সিং, সোনাক্ষী সিনহা
২. পুলিশগিরি: সঞ্জয় দত্ত, প্রাচি দেশাই,

বলিউড দুই লুটেরার গল্প

ছবিতে নেই কোনো আইটেম গান। নেই গ্ল্যামারের ছিটেফোঁটা কিংবা বারের ফ্লোরে নাচানাচি। অসাধারণ সিনেমাটোগ্রাফি খোঁচা মেরে বলবে—ভিনদেশে গিয়ে ছবি শুট করার আদৌ কি প্রয়োজন আছে? নির্মল আনন্দ বলতে যা বোঝায়, তা-ই যেন নতুন আলোয় আবার দেখা গেল সেলুলয়েডের রঙিন ফিতায়।

হলিউড নামে কীই-বা এসে যায়

জন্ম নিল এই তো সেদিন। অথচ এরই মধ্যে ‘তারকা’ হয়ে উঠেছে সে। বিশ্বজুড়ে বিনোদন-সাংবাদিকেরা এরই মধ্যে তাকে নিয়ে লিখতে লিখতে খরচ করে ফেলেছেন টনকে টন কাগজ। আসলে তাকে নিয়ে লেখা হচ্ছে তার জন্মের বহু আগ থেকেই।

Thursday, July 4, 2013

আমি কী ভাবছি সুয়োরানি-দুয়োরানির পালাবদল by নুরুল আলম আতিক

তারা ঝলমল ভুবনের মানুষেরা সব সময় ব্যস্ত থাকেন নাটক-চলচ্চিত্রের কাজে। তাঁদের চিন্তাজগতে কত রঙের আলো খেলা করে? জেনে নিন তারকাদের নিজের লেখায়...

আজ যে ঘুঁটেকুড়ানি কাল সে রাজরানি।

হলিউড টপচার্ট



১. মনস্টারস ইউনিভার্সিটি: বিলি ক্রিসটাল, জন গুডম্যান, ডেভ ফলি
২. দ্য হিট: স্যান্ড্রা বুলক, মেলিসা ম্যাকার্থি, বিল বার

বলিউড টপচার্ট

১. ঘনচক্কর: বিদ্যা বালান, এমরান হাশমি, রাজেশ শর্মা
২. রনঝনা: ধানুস, সোনম কাপুর, অভয় দেওল

হলিউড টম হ্যাঙ্কসের জন্মদিন

দেখতে ফরসা, মিষ্টি চেহারার ছেলেটিকে স্কুলে সবাই থমাস জেফ্রি হ্যাঙ্কস নামে চিনত। মজার ব্যাপার হলো, প্রচণ্ড লাজুক স্বভাবের হলেও যথেষ্ট ভালো এবং দায়িত্বশীল ছেলেটি কখনো বিপদে পড়ত না। ছোট্ট সেই ছেলেটি এখন ছয় ফুটের এক মধ্যবয়সী অভিনেতা।