Friday, July 4, 2014
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়- শিক্ষামন্ত্রী-টিআইবি পাল্টাপাল্টি
অন্যদিকে সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আমাদের প্রতিবেদনটি গবেষণা প্রতিবেদন। এটা প্রত্যাহারের কোন সুযোগ নেই। আমরা যা করেছি সেটা সঠিক। তাই ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। যদি ক্ষমা চাইতে হয় সেটা অন্য কোন কারণে ভুল হলে চাইতে পারি। ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এ ধরনের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতিবাজরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, আমরা কোন গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশের পর এ ধরনের প্রতিক্রিয়া হয়। এটা নতুন কিছু নয়। ইফতেখারুজ্জামান বলেন, শিক্ষামন্ত্রণালয়ের যে শক্তি-সামর্থ্য আছে তা দুর্নীতিবাজদের শনাক্ত করার কাজে লাগানো উচিত। শিক্ষামন্ত্রীর এ ধরনের বক্তব্যের মাধ্যমে বোঝা যায় তারা বিষয়টা অস্বীকার করার চেষ্টা করছেন। এর ফলে বিরাট একটা খাত হুমকির মুখে পড়বে। কেননা, এখানে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষার্থী পড়ালেখা করেন। ইফতেখারুজ্জামান বলেন, যেসব বিশ্ববিদ্যালয় ভাল করছে আমরা তো তাদের কথাও বলেছি। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে যে অনিয়ম-দুর্নীতি হচ্ছে এটা তো দিবালোকের মতো পরিষ্কার। ইফতেখারুজ্জামান বলেন, শিক্ষামন্ত্রী আমাদেরকে ক্ষমা চাইতে বলছেন, যদি আমাদের প্রতিবেদন সঠিক হয় তখন তিনি কার কাছে ক্ষমা চাইবেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দাঙ্গা আতঙ্কে ব্রাজিলে লক্ষাধিক সেনা, পুলিশ মোতায়েন
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রাজিল জিতলে এক বাংলাদেশ, হারলে দু-টুকরো by কাজল ঘোষ

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আধুনিক কবিতা হচ্ছে কালোপযোগী নতুন কবিতা by আবুল হোসেন
সাতচল্লিশের ভারত বিভক্তির পরে এই অঞ্চলের মধ্যবিত্ত শ্রেণীর জীবন ও সাহিত্য শিল্পে শুরু হয় নতুন উদ্দীপনা। সেই সময়ে তৎকালীন পূর্ববাংলার কবিতায় দ্বিমুখী ধারার আর্বিভাব ঘটে। একটি ধারা পাকিস্তানি আদর্শের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বাংলা সাহিত্যে ইসলামী চেতনা প্রবর্তনের জন্য উৎসাহী হয়ে উঠেছিলেন। আর একটি ধারার কবিতায় অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও তিরিশোত্তর নতুন কবিতার লক্ষণ প্রত্যক্ষযোগ্য হয়ে ওঠে। এই ধারার অগ্রগণ্য কবি ছিলেন আবুল হোসেন। ১৯৪০ সালে প্রকাশিত তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ নববসন্ত। এই গ্রন্থটি প্রকাশের মধ্যে দিয়ে নতুন ধারার কাব্যযাত্রা শুরু হয়। এই প্রগতিশীল ধারাটি দিন দিন বিকশিত হতে থাকে। আবুল হোসেনের গ্রন্থসংখ্যা ২৫। তার অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ- বিরস সংলাপ (১৯৬৯), হাওয়া, তোমার কি দুঃসাহস (১৯৮২), দুঃস্বপ্ন থেকে দুঃস্বপ্নে (১৯৮৫), এখনো সময় আছে (১৯৯৬), নির্বাচিত কবিতা (১৯৯৭), আর কিসের অপেক্ষা (২০০০), কবিতা সংগ্রহ (২০০০), ছোটদের কাব্য-রাজ রাজরা (১৯৯৭) ইত্যাদি। এছাড়াও রয়েছে- অনুবাদ কবিতা, গদ্য ও আÍজীবনীগ্রন্থ। এসব গ্রন্থে তিনি তার বলিষ্ঠতার স্বাক্ষর রেখেছেন।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আশীর্বাদধন্য এই কবি ১৯৪৭-পরবর্তী তৎকালীন পূর্বপাকিস্তান, বর্তমান বাংলাদেশ ভূখণ্ডের কবিতাকে প্রগতিশীল চিন্তার বাহন করে এগিয়ে গেছেন। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৬৩ সালে লাভ করেছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ১৯৮০ সালে পেয়েছেন সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক। এছাড়াও তিনি পদাবলী পুরস্কার, মাযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার, নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদকসহ আরও সম্মাননা লাভ করেছেন। কবিতার শুদ্ধতায় বিশ্বাসী ছিলেন তিনি। তার কাব্য বিশ্বাসে কবিতার পরিমাণ মুখ্য ছিল না, কবিতার মানই ছিল আসল নিক্তি। ২৯ জুন ৯২ বছর বয়সে কবি মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট বৃহত্তর খুলনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম-ইসমাইল হোসেন, মাতা মেহেরুন্নেসা। স্ত্রী সাহানা হোসেন, ১৯৯৪ সালে প্রয়াত হয়েছেন। তাদের দুই ছেলে-সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন ও সোহেল রেজা খালেদ হোসেন। দুজনই বাংলাদেশের দুই আর্থিক সংস্থার প্রধান নির্বাহী। দুই মেয়ে-ফারাহ্ হোসেন (প্রবাসী), নাজ হোসেন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।
দীর্ঘদিন আগে, ২০০৫ সালের ১৩ জানুয়ারি আমরা গিয়েছিলাম কবির ধানমণ্ডির বাড়ি-সাহানায়। তখন তিনি বেশ সচল, ধারাবাহিক আত্মজীবনী লেখায় ব্যস্ত ছিলেন। ২০০৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল তার প্রথম আত্মজীবনী আমার এই ছোট্ট ভুবন, ২০০৫ সালেই প্রকাশিত হয় আরেক ভুবন, এরপর ২০০৭ সালে দুঃস্বপ্নের কাল, ২০০৯ সালে স্বপ্নভঙ্গের পালা ও ২০১৩ সালে সর্বশেষ প্রকাশিত হয় অপরাহ্নের স্মৃতি। আমাদের দীর্ঘ সময় দিয়েছিলেন। সাহিত্যের নানা প্রসঙ্গে আলাপ হয়েছে। তবে আমাদের আলাপ সীমাবদ্ধ ছিল কবিতায়। দীর্ঘ সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ সাহিত্যে পত্রিকা কবি সম্মেলন-এ প্রকাশ করা হয়েছিল। কবির স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকার প্রকাশ করা হল।
কবি বেশ প্রত্যয়ী কণ্ঠে শুরু করলেন তার জীবনকথা, কবিতার কথা। বললেন-আমি ছোটবেলা থেকেই সাহিত্যের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ি। কয়েকটা ছোট ঘটনার মধ্যে দিয়ে আমার কবিতার পথে আসা। আমি যখন ক্লাস ফোরে পড়ি তখন স্কুলের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কিছু বই উপহার পাই। বইগুলো পেয়ে কী-যে খুশি হয়েছিলাম- তা স্মৃতিতে এখনও উজ্জ্বল হয়ে আছে। একটার পর একটা বইগুলো পড়ে ফেলি। এর মধ্যে একটা বইয়ের নাম সোনার তরী, নিচে লেখকের নাম শ্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বইটা নেড়েচেড়ে দেখলাম। তখন ছবির বই হলে পছন্দ হতো খুব। তবুও বইটা পড়তে শুরু করি। দুটো লাইন পড়েই কিসের যেন শিহরণ জাগল মনে। ছন্দের দোলায় দুলে উঠলাম আমি- গগনে গরজে মেঘ ঘন বরষা/কুলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা...কবিতাটি পড়ে যে কিছু বুঝেছিলাম তা নয়, তবুও ভালো লাগল পড়তে। কবিতাটি পড়ে আমার মনে হল- কী করে মানুষ এমনভাবে লিখতে পারে? আমি কি কখনও এ রকম লিখতে পারব!
আমি পড়তাম খুব। পড়ার অভ্যাসটা কোত্থেকে পেয়েছিলাম জানি না। স্কুলপাঠ্য বইয়ের বাইরের বই স্কুল-লাইব্রেরি থেকে নিয়ে, বন্ধুদের থেকে ধার নিয়ে পড়তাম। গল্পের বা অ্যাডভেঞ্চারের বই নয়, কবিতার আবেদনটা সম্পূর্ণই আলাদা। সেই সময় আমার প্রিয় কাগজ ছিল-মৌচাক, মাস পয়লা, শিশুসাথী প্রভৃতি। এ থেকে আমি প্রথম সাহিত্যের প্রেরণা পাই। সেই সময় বিয়ের আসরে, বর-কনের উদ্দেশ্যে উপহার নামে কিছু একটা লিখে বিয়ের আসরে বিলি করা হতো। আমিও আমার বড় বোনের বিয়ে উপলক্ষে উপহার-এ একটি কবিতা লিখে ফেললাম। সেটি বিয়ের আসরে বিলিও করা হল। এটি লিখে আমার স্কুল-শিক্ষকসহ অনেকের প্রশংসা পেয়েছি। সেই উৎসাহে লেখা হতে লাগল, কবিতার পর কবিতা। তবে আমার প্রথম কবিতা ছাপা হয় স্কুল ম্যাগাজিনে-চৌদ্দ অক্ষরের পয়ারে লেখা একটি কবিতা।
ষ বাংলা কবিতায় তিরিশের পালাবদলের পরে আপনার আগমন ঘটলেও এই অঞ্চলের কবিতায় তখনও রবীন্দ্রবলয় এবং ইসলামী পুনর্জাগরণের ভাবনাপুষ্ট আবহ বিরাজমান ছিল, আপনি এ থেকে বেরিয়ে এলেন কী করে?
আবুল হোসেন : আমি যখন ছেলেবেলায় প্রথম কবিতা লিখি, সেটা রবীন্দ্রনুসারী হয়ে যেত। তারপর যখন অন্যদের কবিতাও বেশি করে পড়া শুরু করলাম, তখন বুঝতে পারলাম যে আমাকে ভিন্নরকম কবিতা লেখার চেষ্টা করতে হবে-যা রবীন্দ্র অনুসারী হবে না। করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, কালিদাস রায় কিংবা যতীন্দ্রমোহন বাগচী- কেউ রবীন্দ্রনাথ থেকে সরে যেতে পারেননি; পেরেছিলেন-যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত, আর পেরেছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম। বিদ্রোহীতে তিনি মাত্রাবৃত্তকে ভেঙে আলাদা সুর সৃষ্টি করতে পেরেছিলেন।
আমার মনে হল যে, আমি রবীন্দ্র-নজরুলের দিকে যেতে পারি না। সে সময় জসীমউদ্দীনও আলাদা ধারায় লেখা শুরু করলেন। তিনি লোকগীতির ধারায় লোকগাথা রচনায় মনোযোগী হলেন। এভাবে আলাদা হওয়ার চেষ্টা করেছেন কেউ কেউ, আমার মধ্যেও সে প্রচেষ্টা ছিল। আমি নিজের মতো লিখতে চেয়েছি।
আপনি শুরুতেই কি সচেতনভাবে আলাদা হতে চেয়েছিলেন?
আবুল হোসেন : আমার সবসময় মনে হতো কবিতার প্রচলিত যে ধারা-তা থেকে কিছু বর্জন করে এবং কিছু গ্রহণ করে এগিয়ে যেতে হবে। একজন কবিকে যদি সত্যিকার কবি হতে হয়, তাহলে তার নিজের ভাষা খুঁজে বের করতে হবে। কবিকে নিজের কথা নিজের মতো করে বলতে হবে। নিজের একটা কাব্যভাষা তৈরি করতে হবে। যে কাজ সবাই করেছেন, সে কাজ করলে কোনো জায়গা হবে না কাব্যের ভুবনে।
আমি সমর সেনকে খুব পছন্দ করতাম। সমর সেনের কবিতা থেকেই আমি আমার পথ খুঁজে পেয়েছিলাম। তিনি প্রকৃত গদ্য কবিতার পথিকৃৎ। রবীন্দ্রনাথও গদ্য কবিতা লিখেছেন, কিন্তু তা কাহিনীনির্ভর। সমর সেন সাম্যবাদী হলেও প্রকৃত রোমান্টিক গদ্য কবিতা লিখেছিলেন। আমি সমর সেনের কাছ থেকে এটুকু নিলাম যে-কবিতাকে গদ্যের কাছাকাছি নিয়ে আসতে হবে। আমিও চেয়েছিলাম কবিতার ভাষা মুখের ভাষার দিকে যাবে। আর একটি জিনিস মনে রাখতাম-কবিতাকে গদ্যের কাছাকাছি নিলেও কবিতায় ছন্দ রক্ষিত হবে। আমার প্রথম বই নববসন্ত-এ তা পুরোপুরি আমি করতে পারিনি। তা করতে আমার আরও ৩-৪ বছর সময় লেগে গিয়েছিল।
ষ চল্লিশের কবিদের মধ্যে একমাত্র বয়োজ্যেষ্ঠ কবি হিসেবে আপনার
প্রতিক্রিয়া কী?
আবুল হোসেন : আমি এই বিষয়টাকে খুব গুরুত্ব দিই না। কেউ যদি বলেন যে-উনি আমাদের জ্যেষ্ঠ কবি, তাতে কবিতার কিছু আসে যায় না। আমার মনে হয় যে, বিধাতা আমার প্রতি সদয়, আমি এখনও কর্মক্ষম আছি। আমি চাই-আমি যেন শেষদিন পর্যন্ত কর্মক্ষম থেকে যেতে পারি। আমি জীবনযাপন করি নিয়মমাফিক, খাওয়া-দাওয়াও স্বনিয়ন্ত্রিত। সারাজীবন নিয়ম মেনেই চলেছি, এখনও চলি।
[আগামী সংখ্যায় সমাপ্য]
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আজকেই ব্রাজিলের সবচেয়ে কঠিন ম্যাচ: পিটার শিল্টন

হতে পারে ঘরের মাঠে কোটি কোটি দেশবাসীর প্রত্যাশা মেটানোর চাপ নেইমারদের সাধারণ মানের পারফরম্যান্সের অন্যতম ফ্যাক্টর। যদিও এ বার ওদের বোঝা উচিত যে, ওরা কোয়ার্টার ফাইনাল উঠে পড়েছে। শুরুতেই ছিটকে পড়ার যে অসহ্য চাপ ছিল সেটা একটু হালকা হয়েছে। যার মানে, ওদের এখন ঝকঝকে টিমগেম খেলা উচিত।
কলম্বিয়ার সঙ্গে ব্রাজিল এর আগে চোদ্দো বার মুখোমুখি হয়ে মাত্র এক বার হেরেছে। সেটাও সম্ভবত বছর তেইশ আগে। সুতরাং ব্রাজিল আজ ফেভারিট। কিন্তু তার জন্য ব্রাজিলকে নিজেদের খেলার উন্নতি করতে হবে। দু’দলের মধ্যে শেষ চারটে ম্যাচই ড্র হয়েছে। যার মধ্যে তিনটেই গোলশূন্য ভাবে। তাই সাম্প্রতিককালের নিরিখে এই টুর্নামেন্টে আজই ব্রাজিল সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষের সামনে। হামেস রদ্রিগেজকে কী ভাবে নেইমাররা সামলায় তার উপর ম্যাচের ভাগ্য অনেকটা নির্ভর করছে।
এই বিশ্বকাপে বারবার সিস্টেমকে ছাপিয়ে ব্যক্তিগত দক্ষতার জয়গান হচ্ছে। লোকে আর্জেন্তিনা বা ব্রাজিল দলের চেয়ে বেশি করে আচ্ছন্ন মেসি বা নেইমার নিয়ে। সম্ভবত সাংবাদিক সম্মেলনে এদের বেশি করে দেখা যাওয়াটাও হাইপের কারণ। নিজেদের ক্যারিশমাতেই এরা সমস্ত মনোযোগ কেড়ে নিচ্ছে। গোলকিপারদের ক্ষেত্রে একই ব্যাপার ঘটা নিয়ে আমার অবশ্য কোনও অভিযোগ নেই। দেখে ভাল লাগছে যে, এ বার গোলকিপাররা মঞ্চের কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে অন্য সব বিশ্বকাপের চেয়ে বেশি। সম্ভবত এ বারের অ্যাটাকিং খেলা কিপারদের বেশি নজরে এনে দিচ্ছে। ওচোয়া, এনিয়েমা কিংবা টিম হাওয়ার্ডের মতো গোলকিপাররা যতটা বেশি প্রশংসা কুড়িয়েছে, ফুটবলে ততটা সচরাচর তোলা থাকে স্ট্রাইকারদের জন্য। নিজে গোলকিপার ছিলাম বলে যেটা দেখে আরও ভাল লাগছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তুমি সাংবাদিক হইছ? আগে তো দেশপ্রেমিক ছিলা! by তুষার আবদুল্লাহ

সেখানেই শেষ নয়। চলমান রাজনৈতিক সহিংসতার সময়েও ঐ একই প্রশ্ন উঠছে। সাংবাদিকদের সামনে পেট্রোলবোমা মেরে মানুষকে ঝলসে দেয়া, বার্ন ইউনিটে যখন মানুষ যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে তখন সেখানে দাঁড়িয়ে লাইভ করা বা পিটিসি(পিস টু ক্যামেরা) দেয়া, এগুলো অনৈতিক বলেই প্রশ্ন উঠছে নিরন্তর।
একটি বাসে পেট্রোলবোমা ছোড়া হবে সেই খবর পেয়ে গিয়ে বসে থাকা, পেট্রোলবোমা ছোড়ার দৃশ্য ধারণ করা। রিকশায় ককটেল মারা খবর আগে থেকে পেয়ে দাঁড়িয়ে থাকা সেই ছবি’টির জন্য। এগুলো সাংবাদিকতার নৈতিকতার মধ্যে পড়ে কিনা তা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। যদিও সাংবাদিকদেরই একটি অংশ বলছে সোর্সের কাছে খবর পেয়ে গিয়ে সাংবাদিক আগে থেকে অপেক্ষা করতেই পারেন। কিন্তু কেবল টিভি বা পত্রিকার ক্যামেরায় ছবি দেয়ার জন্য যদি কারো শরীর ঝলসে যায়, তাহলে তো নৈতিকতার প্রশ্ন উঠবেই। যার শরীরের ৬০ ভাগেরেও বেশি পুড়ে গেছে, জীবন-মরণের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে যে, তার অনুভূতি জানা, তার সামনে দাঁড়িয়ে পিটিসি দেয়া কতোটা সমর্থনযোগ্য?
এখানে আবারো সাংবাদিকতাকে নৈতিকতার দাঁড়িপাল্লায় তোলা হচ্ছে। টেলিভিশন চ্যানেলগুলো ‘বোকা বাক্সে’র মতোই কাজটি করে যাচ্ছে মহা উৎসাহে। বোকামি প্রদর্শনের প্রতিযোগিতা এখন তুঙ্গে।এই কাজটি করার জন্য রিপোর্টারদের দায়ী করতে পারছি খুব কমই।কারণ এক-দুইবার তারা ভুল করে বা ইচ্ছে করে এই এধরনের কাজ করে ফেলতেই পারে। কিন্তু যাদের হাত দিয়ে খবরটি প্রকাশ বা প্রচার হলো, তাদের দায় বেশি।তারা কেন প্রশ্রয় দিচ্ছেন? এটাতো সম্পাদকীয় নীতি’র অংশ। যদিও এখন টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর মূল সম্পাদকীয় নীতি হচ্ছে অনুকরণ। এই অনুকরণ নীতি নিয়ে চলছে যেসব টেলিভিশন চ্যানেল সেখানে অগোছালোপনা, বোকামি অপ্রতাশিত হতে পারে না।
অর্ণব খুদে দর্শক। কিন্তু তার পর্যবেক্ষণকে অশ্রদ্ধা করার সুযোগ নেই। রিপোর্টাররা যে টেলিভিশন নামক বাক্সটিতে যেমন খুশি তেমন করে যাচ্ছে, টেলিভিশনকর্তারা প্রতিযোগিতা,টিআরপি ধরে রাখার দোহাই তুলে বাক্সটিকে যেভাবে ব্যবহার করছেন, তার অসংগতিটা অর্নবের চোখেও পড়েছে।এই কাজগুলো করতে গিয়ে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো নৈতিকতা, ঠিক-বেঠিকের কাণ্ডজ্ঞান ভুলে বসে আছে, তা মনে করিয়ে দিতেই হয়তো অর্ণবের কণ্ঠ থেকে উচ্চারিত হয়েছে: ‘তুমি তো সাংবাদিক হয়ে গেছো!’ অর্থাৎ, দেশপ্রেমিকের বা মানবিক গুণাবলীশূন্য হয়ে পড়ছেন সংবাদকর্মী বা রিপোর্টাররা।খুদে দর্শক অর্ণব আমাদের সেই ভাবনার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তাঁর আলো ও আগুন by মুহম্মদ নূরুল হুদা
নব্বুই পার হয়েছেন বছর দুই আগেই। পরিমিত, প্রায়-নিশ্চিত পদক্ষেপে এগোচ্ছিলেন শতবর্ষের পথে। আমরা অপেক্ষা করছিলাম তার সৃষ্টিশীলতার শতবর্ষ উদ্যাপন করব তাকে সামনে রেখেই।
কিন্তু তিনি আমাদের নিশব্দ প্রতীক্ষাকে অগ্রাহ্য করে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। তার ‘কবিতাসমগ্র’-র ফ্ল্যাপে সম্পাদক কবি মনজুরে মওলা যথার্থই লিখেছিলেন, ‘আমাদের প্রবীণতম তিনি। হয়তো নবীনতমও, কে বলতে পারে।’ প্রবীণতম বলার পরপরই তাকে ‘হয়তো নবীনতম’ বলার কারণটাও মূলত কাব্যিক। কেননা তিনি সময় ও প্রবণতার দিকে চোখ রেখে সত্তর বছরেরও অধিককাল ধরে সৃষ্টিশীল পঙ্ক্তিচয়নে বারবার পরিমিত পরিবর্তনের স্বাক্ষর রেখেছেন; অনেকটা সদ্য-প্রকাশিত নতুন কবির মতোই। ফলে সচেতন কাব্যচর্চার শেষমুহূর্ত পর্যন্ত তিনি কবিতা লিখেছেন কিশোর কবির প্রতিশ্র“তি ও পরিণত কবির পরিশীলনকে সম্পৃক্ত করে। বয়সকে সৃষ্টিশীল কৌশলে পরাজিত করার এই দক্ষতা খুব কম কবিই আয়ত্ত করতে পারেন। এই দক্ষতাকেই আমরা বলতে চাই কবির সৃষ্টিশীলতার অন্যরকম ভেতর-আগুন। খুব কম কেউ তেমন দক্ষতার অধিকারী। আবুল হোসেন সেই বিরলপ্রজদেরই একজন।
সেই তিনিই, সেই বিরলপ্রজ বার্ধক্যজয়ীই, হঠাৎ করে শারীরিকভাবে তিরোহিত হলেন। পরিণত বয়সেই চলে গেলেন তিনি, তবু বলব, হঠাৎ করেই গেলেন। সুদীর্ঘ জীবনে কোনো কিছুতেই খুব তাড়াহুড়ো করেননি। বৈষয়িক জীবনটা যেমন যাপন করেছেন ছক কেটে কেটে, তেমনি সৃষ্টিশীলতার পথেও হেঁটেছেন ধীর পদবিন্যাসে, পরিকল্পিত কাঠামো ও পরিমিত চরণ-সজ্জায়। সৃষ্টিশীলতার কাছে পূর্ণ-সমর্পিত এই কবি তাই প্রার্থনা করেছেন (সম্ভবত স ষ্টার কাছে) : ‘কাকে কি দিচ্ছ আমি তা জানি না,/ জানতেও চাইব না।/ যাকে খুশি দিও সারা দুনিয়ার/ সোনাদানা বালাখানা/ আমার জন্যে রেখে দিও শুধু/ তোমার কলমখানা।’ এত সহজ এত স্বতঃস্ফূর্ত এত অকপট এত নিরাবেগ এত যুক্তিশীল কাব্যপ্রার্থনা দ্বিতীয়টি পড়েছি বলে মনে পড়ে না। এই অনায়াস নির্মিতি দীর্ঘ নিরীক্ষার ফল। তাঁর সেই সুনিরীক্ষিত পথ-চলা পরবর্তী প্রজন্মের কবিদের জন্যে পরোক্ষ প্রেরণা হয়ে এসেছে। স্বীকার করি, আমার ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয়নি।
আমি তাকে দেখেছি বিশ শতকের ষাট দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে।
কিন্তু হৃদ্যতা বলতে যা বোঝায়, তা হয়েছে তারও প্রায় তিনদশক পরে। তখন আমি উপ-পরিচালক হিসেবে কাজ করছি বাংলা একাডেমির ভাষা ও সাহিত্য উপবিভাগে। একটা নিরাপদ ও সশ্রদ্ধ দূরত্বে থেকেছি বরাবর। কিন্তু যখনি কাছে গেছি তখনি শ্রদ্ধায় নুয়ে পড়েছি এই পিতৃপ্রতিম কবি-অভিভাবকের প্রতি। বাংলাদেশের কবিতায় এই অভিভাবকত্ব তিনি বজায় রেখেছিলেন অর্ধ-শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে। তবে সরবে নয়, নীরবে; বলা যেতে পারে তর্করহিত সঙ্গোপনে। এর কারণও অবশ্য মানুষ ও কবি আবুল হোসেনের নান্দনিক নিসঙ্গতা, যা যে কোনো শুদ্ধাচারী স ষ্টার সচেতন অন্বেষণ। সেই সৃজনসম্মত অন্বেষণের একপর্যায়ে তিনি অনুবাদ করেছিলেন বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ভাষার বিভিন্ন কালের কবিদের কিছু প্রিয় পঙ্ক্তি। সেগুলো একত্রিত করে বানিয়েছিলেন এক অত্যাশ্চর্য পাণ্ডুলিপি : ‘অন্যখেতের ফসল’। বাংলা একাডেমিতে ‘ভাষা ও সাহিত্য’ উপবিভাগে এসেছিল সেই পাণ্ডুলিপি। ফলে মানুষ আবুল হেসেনের সঙ্গে সঙ্গে তার লেখার সঙ্গেও ব্যক্তিক পরিচিত লাভের সুযোগ পাই। এই পাণ্ডুলিপিটি গ্রন্থাকারে বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়েছে জুন ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে (শ্রাবণ ১৩৯৭)। এটি অনূদিত গ্রন্থ হলেও মৌলিক কবিতার মতো সুপাঠ্য ও উত্তীর্ণ। ইয়েটসের ‘কাঠবিড়ালি’ শীর্ষক ছোট্ট কবিতার পুনর্সৃষ্টি, এক কথায়, অনবদ্য : ‘আমার সঙ্গে খেলবি আয়/ দৌড়ে অমন পালাস কেন/ গাছ থেকে গাছে ডালপালায়?/ বন্দুক আছে আমার যেন,/ গুলি করে মেরে ফেলব তোরে,/ চেয়েছি যখন এইটুকুই/ মাথাটা চুলকে দেবো শুধুই।/তারপরে যাস দৌড়ে জোরে।’
এতেই অনুমিত হয় কত গভীর কত নৈর্ব্যক্তিক কাব্যবোধ ও পুনর্সৃষ্টির শক্তি নিয়ে এসেছিলেন এই কবি। প্রথম কাব্য ‘নব বসন্ত’ (১৯৪০, উৎসর্গ : কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) থেকে শুরু করে সর্বশেষ ‘কালের খাতায়’ (২০০৮) শীর্ষক মাত্র আটটি (অগ্রন্থিত কবিতা বাদে) মৌলিক কাব্যে শব্দবিন্যাসে, পঙ্ক্তির বৈচিত্র্যায়নে, উচ্চারণের মৌলিকতায়, ভুয়োদর্শনে, ব্যঙ্গে, সরস সহজতায় তিনি যে কাব্যভুবন নির্মাণ করেছেন, তা তার সৃষ্টিসত্তার অনন্যতারই স্বাক্ষরবহ। একই সঙ্গে তা উত্তরকালের কবিতাসাধকের জন্য পাঠযোগ্য কাব্যভাষ্য। এ দেশের মাটি, মানুষ, সমাজ, ভাষা, সংস্কৃতি, জাতি থেকে শুরু করে বিগত একশ’ শতাব্দীর বাঙালির ইতিহাসের প্রায় সব বিষয়কেই তিনি কোনো-না-কোনোভাবে ধারণ করেছেন তার কবিতায়। কিন্তু কখনও বক্তব্যকে তুলে ধরতে গিয়ে যেমন উচ্চকণ্ঠ হননি, তেমনি প্রতিপাদ্যকে গৌণ করে মেতে ওঠেননি অতিনান্দনিকতায়। তার বেশকিছু কবিতা আমার কাছে মনপ্রিয়তায় ঘুরে ঘুরে কথা কয়। যেমন ‘মেহেদীর জন্য’, ‘ডিএইচ রেলওয়ে’, কিংবা ‘তোমাকে নিয়েই যত খেলা’। এগুলো কাঠামোগতভাবেই একটার সঙ্গে অন্যটা মেরুর অবস্থানে, কিন্তু উচ্চারণের হার্দ্যতায় অনির্বচনীয় ও সমতলীয়।
তিরিশোত্তর বাংলা কবিতার ধারার সঙ্গে তিনি যুক্ত করেছেন তার পাঠসমৃদ্ধ বিশ্বকবিতার নানাকৌণিক প্রবণতাও। ফলে বাঙালি কবি হয়েও তিনি বিশ্বকবিতার সঙ্গে সম্পৃক্ত। স্ট্রুগা কবিতা সম্মেলনে গিয়ে তিনি সমকালীন বিশ্বকবিদের একাংশের সঙ্গে মিশতে মিশতে তাদেরকে নিয়ে কবিতা লিখে বসেন; কিংবা দূরদেশে ভ্রমণে গিয়ে এক কালো কাঠবিড়ালিকে পিকাসোর মূর্তির উপর বসে পড়তে দেখে স্মরণ করেন ইয়েট্সকে। এই নিয়ে তিনি লেখেন অ্যাবসার্ড ভাবনার এক অন্যরকম এক কবিতা (‘প্রিন্সটনে কালো এক কাঠবিড়ালি’)। নব্বুই-অতিক্রমী তরুণ কবি আবুল হেসেনের এই হচ্ছে মৃত্যু-অতিক্রমী বদল প্রবণতা। আর মৃত্যু বরাবরই তার চেতনায় সত্তার এক স্বাভাবিক বিবর্তন। আলো থেকে আঁধার নয়, বরং এক আলো থেকে অন্য এক আলোতে প্রত্যাবর্তন। ‘মানুষের আলো নিভে গেলে/ কী থাকে? আঁধার?/ নাকি আরও এক আলো?’ কবির পক্ষপাত সেই অন্য এক আলোর দিকে। তবে আরেক সহজাত সত্য হচ্ছে সত্তাবদলের মুহূর্তে উদ্গত দুর্জ্ঞেয় এক অশ্র“বিন্দু। ‘তবু কী আশ্চর্য এই / দুর্জ্ঞেয় পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ার সময়/ যার চোখে পানি টলমল/ করেনি এমন মানুষ কি কেউ/ কোনদিন দেখেছে কোথাও?’ না, দেখিনি আমরাও। তাই আমাদের কালের এই প্রায়-নীরব প্রায়-নিঃসঙ্গ কবি-বিটপীর প্রতি উত্তর প্রজন্মের বিনম্র শ্রদ্ধাশ্রু।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মানবাধিকার পরিস্থিতি
বস্তুত কোনো অপরাধের ঘটনার পর তার কূলকিনারা করতে আইন-শৃংখলা বাহিনীর ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে একদিকে, অন্যদিকে হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে তাদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও গোপন থাকছে না। খোদ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানও এমন অভিযোগ তুলেছিলেন। আইন-শৃংখলা ও মানবাধিকার রক্ষার দায়িত্ব যাদের ওপর ন্যস্ত, তারাই যদি অপরাধীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়, তাহলে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি হতে বাধ্য। প্রকৃতপক্ষে আইন-শৃংখলা ব্যবস্থার যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া এবং আইন-শৃংখলা রক্ষার নামে আইন-শৃংখলা বাহিনীর অপতৎপরতা বন্ধে সুনিশ্চিত পদক্ষেপ নেয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। র্যাব-পুলিশের জবাবদিহিতা নিশ্চিত না করার কারণে একের পর এক বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটে চলেছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনও এক্ষেত্রে কার্যকর কোনো ভূমিকা পালন করতে পারছে না। এ কমিশনের চেয়ারম্যানকে আমরা মাঝে-মধ্যেই অপরাধ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে দেখি। কিন্তু ওই পর্যন্তই। তার সব অনুযোগ, উৎকণ্ঠা অরণ্য রোদনে পর্যবসিত হয়। দেশী-বিদেশী বেশ কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থা ইতিপূর্বে দেশের মানবাধিকার ও আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কিন্তু সরকার বিষয়টির প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দেয়নি।

বর্তমান বাস্তবতায় অধিকারের প্রতিবেদনটি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিতে হবে। মানবাধিকার পরিস্থিতির বর্তমান চিত্রের জন্য সরকার বহুলাংশে দায়ী। সুতরাং পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানোর দায় সরকারেরই এবং তা করতেই হবে। এটা এমন কোনো কঠিন কাজও নয়। সরকারের তৎপরতায় জঙ্গি-উৎপাত সহনীয় পর্যায়ে নেমেছে। অপহরণ-গুম-হত্যার ব্যাপারেও সরকার যদি আন্তরিক হয়, তাহলে এ সংকটও কাটানো সম্ভব। সবচেয়ে বড় ব্যাপার, আইন-শৃংখলা বাহিনীর বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের যে অভিযোগ উঠেছে, সে ব্যাপারে সরকারকে নিতে হবে কঠোর অবস্থান। নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় র্যাবের তিন সদস্যকে যেভাবে আইনের আওতায় আনা হয়েছে, প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রেই একই ধরনের আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এক মাসের বিরতির পর রমজানে র্যাব আবারও নিয়মিত টহলে নেমেছে। নারায়ণঞ্জের ঘটনার পর টহল কার্যক্রম থেকে র্যাবকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। র্যাবের টহল কার্যক্রমের বিরোধিতা করার কিছু নেই। তবে র্যাবের হাইকমান্ড ও প্রত্যেক সদস্যকেই খেয়াল রাখতে হবে, অতীতে তাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উঠেছে, এখন থেকে তেমনটা যেন আর না ওঠে। র্যাবের হৃত ভাবমূর্তি উদ্ধার করতে হবে র্যাবকেই। জনগণেরও উচিত হবে আইন-শৃংখলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে র্যাবসহ অন্যান্য আইন-শৃংখলা বাহিনীকে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ম্যারাডোনা পেরেছেন, মেসি পারবেন?

* মেক্সিকো বিশ্বকাপে ম্যারাডোনা করেছিলেন পাঁচ গোল, করিয়েছিলেন পাঁচটি। টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনার ১৪ গোলের ১০টিতেই প্রত্যক্ষ অবদান ছিল ম্যারাডোনার। ২০১৪ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালের আগ পর্যন্ত মেসি করেছেন চার গোল। আর্জেন্টিনার সাত গোলের ছয়টিতেই মেসির প্রত্যক্ষ অবদান।
* দুজনের উচ্চতা কাছাকাছি। ম্যারাডোনা—৫ ফুট ৫ ইঞ্চি। মেসি—৫ ফুট ৭ ইঞ্চি।
* দুজনই বাঁ-পায়ে জাদু দেখাতে সিদ্ধহস্ত। অবশ্যই দুজনের জার্সি নম্বর ১০।
* ম্যারাডোনা-মেসি—দুজনের প্রথম বড় শিরোপা অনূর্ধ্ব ২০ বিশ্বকাপ।
* কাকতালীয় হলে সত্য, দুজনের আন্তর্জাতিক অভিষেক হাঙ্গেরির বিপক্ষে।
* ছিয়াশির বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক ছিলেন ম্যারাডোনা, ২০১৪ বিশ্বকাপে মেসি।
* মেক্সিকো বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা কোচ কার্লোস বিলার্দোর রণ-পরিকল্পনা সাজিয়েছিলেন ম্যারাডোনাকে ঘিরে। ব্রাজিল বিশ্বকাপে আলেসান্দ্রো সাবেলার রণ-পরিকল্পনা মেসিকে ঘিরে।
* ১৯৮২ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বেই মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা-বেলজিয়াম। সে ম্যাচে বেলজিয়ামের কিংবদন্তি গোলরক্ষক জাঁ মারি ফাফকে পরাস্ত করতে পারেনি আর্জেন্টিনা। তবে ওই ম্যাচের একটি স্মরণীয় ছবি আজও দেখা মেলে—ম্যারাডোনাকে ঘিরে ধরেছেন ছয় বেলজিয়ান ডিফেন্ডার। ঠিক চার বছর পর, মেক্সিকো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে কী নির্মম প্রতিশোধ! ফাফকে দুই-দুইবার পরাস্ত করে বেলজিয়ামের জালে বল জড়িয়ে দিলেন ম্যারাডোনা। আর এ ম্যাচটি হয়েছিল আয়োজক দেশের রাজধানীতে অবস্থিত আজতেকা স্টেডিয়ামে। সর্বশেষ দুটি মৌসুমে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ তথা এ সময়ের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়াকে একবারও পরাস্ত করতে পারেননি মেসি। ছিয়াশি বিশ্বকাপে ম্যারাডোনা যেভাবে ফাফকে হারিয়েছিলেন, আগামীকাল ব্রাসিলিয়ার মানে গারিঞ্চা স্টেডিয়ামে (আয়োজক দেশের রাজধানীতে অবস্থিত) মেসি পারবেন কোর্তোয়াকে হারাতে?
২৮ বছরের এ দীর্ঘ সময়ের এক প্রান্তে সাফল্যের গল্প। আরেক প্রান্ত এখনো অপূর্ণ। সব অপূর্ণতা এবার পূরণ করতে পারবেন মেসি?
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রকস্টার গেমসের বিরুদ্ধে লিন্ডসে লোহানের মামলা
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটন আদালতে টেক-টু ইন্টারেকটিভ সফটওয়্যার ও রকস্টার গেমসের বিরুদ্ধে ২ জুলাই এই মামলা হয়েছে। কাকতালীয় বিষয় হলো, লিন্ডসের ২৮তম জন্মদিন ছিল ২ জুলাই।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, লিন্ডসের সঙ্গে গ্র্যান্ড থেপট অটো ফাইভ ভার্সনে লেসি জোনাস চরিত্রটির বাহ্যিক অবয়ব, কণ্ঠ ও পোশাকের অদ্ভুত সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ভিডিও গেমটিতে হলিউডের একটি হোটেল দেখানো হয়েছে, যেখানে একটা সময় থাকতেন লিন্ডসে। ভিডিও গেমটির একটি অংশে দেখা যায়, পাপারাজ্জিদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সাহায্য চাচ্ছে লেসি জোনাস। এসব থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, লিন্ডসের চরিত্র অবলম্বনেই লেসি জোনাস চরিত্রটি সৃষ্টি করা হয়েছে।
গ্র্যান্ড থেপট অটো ফাইভ ভিডিও গেমটি মুক্তি পায় গত বছরের সেপ্টেম্বরে। মুক্তির প্রথম দিনেই ৮০০ মিলিয়ন ডলার আয় করে হইচই ফেলে দেয় গ্র্যান্ড থেপট অটো ফাইভ। সম্প্রতি এক খবরে এমনটিই জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
এদিকে মাদকাসক্তি, মামলা, সাজা, হলিউডে ডুবন্ত ক্যারিয়ার—সবকিছু মিলিয়ে চরম দুঃসময় পার করার পর মঞ্চ নাটকের মাধ্যমে আবার নতুন করে অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু করতে যাচ্ছেন লিন্ডসে। গত জুন মাসে লন্ডনের ওয়েস্ট অ্যান্ড থিয়েটারের ‘স্পিড-দ্য-প্লো’ মঞ্চ নাটকে ক্যারেন চরিত্রে নিজের অন্তর্ভুক্তির খবর নিশ্চিত করেন লিন্ডসে। মার্কিন নাট্যকার ও চলচ্চিত্রনির্মাতা ডেভিড ম্যামেট রচিত ‘স্পিড-দ্য-প্লো’ (১৯৮৮) নাটকটিতে এর আগে ক্যারেন চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন মার্কিন গায়িকা ও অভিনেত্রী ম্যাডোনা।
মার্কিন চলচ্চিত্র ব্যবসার খুঁটিনাটি নানা বিষয় নিয়ে রচিত হয়েছে ব্যঙ্গাত্মক নাটক ‘স্পিড-দ্য-প্লো’। নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে এক টুইটার বার্তায় লিন্ডসে লেখেন, ‘মঞ্চ নাটকটির সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পেরে আমি সত্যিই অনেক উচ্ছ্বসিত।’ তিনি আরও লেখেন, ‘স্বপ্ন নিয়ে বাঁচতে হবে। কখনোই হাল ছাড়া যাবে না।’

>>লিন্ডসে লোহানের দাবি, তাঁর সঙ্গে লেসি জোনাস চরিত্রটির বাহ্যিক অবয়ব, কণ্ঠ ও পোশাকের অদ্ভুত সাদৃশ্য রয়েছে।
প্রসঙ্গত, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগে ২০০৭ সালে মামলা হয় লিন্ডসের বিরুদ্ধে। পরবর্তী সময় মাদকাসক্তি, বুনো জীবনযাপনসহ আরও নানা সমস্যায় জড়িয়ে দুর্বিষহ হয়ে ওঠে লিন্ডসের জীবন। তাঁর অভিনয় ক্যারিয়ারে ধস নামে। মারাত্মক আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যেও পড়তে হয় তাঁকে।
লিন্ডসে অভিনীত ‘লিজ অ্যান্ড ডিক’ (২০১২), ‘দ্য ব্লিং রিং’ (২০১৩), ‘দ্য ক্যানিওনস’ (২০১৩) ছবিগুলো সাফল্যের মুখ না দেখায় হতাশ হয়ে পড়েন লিন্ডসে। আদালতের নির্দেশে মাদকাসক্তি পুনর্বাসনকেন্দ্রে গত বছর চিকিত্সার প্রক্রিয়া শেষ করেন তিনি।
লিন্ডসের জন্ম ও বেড়ে ওঠা যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে। কিন্তু অভিমানে এখন তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করছেন। এ প্রসঙ্গে ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, ব্রিটিশ সংস্কৃতি লিন্ডসের দারুণ পছন্দ। এরই মধ্যে লন্ডনে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য অভিবাসনের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন তিনি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দল নয়, বাণিজ্যে বিভোর আ.লীগের নেতা-কর্মীরা by আনোয়ার হোসেন
দলের বিভিন্ন পর্যায়ে কথা বলে জানা গেছে, ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা দলটির নেতা-কর্মীদেরও এখন আর দলীয় কর্মকাণ্ডে আগ্রহ নেই। যার বড় উদাহরণ দলের ৬৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানমালা।
৬৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের জন্য আওয়ামী লীগ পাঁচটি উপকমিটি করে। প্রায় দুই মাস ধরে একাধিক বৈঠক করেন এসব কমিটির নেতারা। এ ছাড়া ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগও একাধিকবার প্রস্তুতি সভা করেছে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান সফল করতে। এত আয়োজনের পরও ২৫ জুন প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে নেতা-কর্মীর সমাগম খুবই কম হওয়ায় প্রধান অতিথি সজীব ওয়াজেদ জয় অনুষ্ঠানে আসেননি। লতিফ সিদ্দিকী, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তসহ কয়েকজন নেতা অনুষ্ঠান চালালেও মঞ্চের সামনে কর্মী সমাগম ছিল বড়জোর এক শ। ২৬ জুন দ্বিতীয় দিন আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কর্মসূচিতে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, আবদুল মান্নান, হাছান মাহমুদ, আবদুস সোবহানসহ সাতজন নেতা এলেও কোনো কর্মীর উপস্থিতি ছিল না। এমনকি প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাজেদা চৌধুরীও আসেননি। বিব্রত সাত নেতা কর্মীর অপেক্ষায় কিছুক্ষণ মঞ্চে বসে থাকেন। পরে ইতস্তত ঘোরাঘুরি করে মলিন মুখে চলে যান, আলোচনা অনুষ্ঠান আর হয়নি। পরে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার থেকে আসা শিল্পীরা দর্শক ছাড়াই দেশাত্মবোধক কবিতা আবৃত্তি ও গান পরিবেশন করেন।
এরপর একই স্থানে তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাতেও জমায়েত আশানুরূপ ছিল না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নূহ-উল-আলম লেনিন প্রথম আলোকে বলেন, এসব কর্মসূচি ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগই সফল করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের কর্মসূচির ক্ষেত্রে কিছুটা সমন্বয়ের অভাব ছিল। তবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অন্য কর্মসূচিগুলো সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে।
আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল একজন নেতা বলেন, এখন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে খুব কম লোকই নিজ উদ্যোগে আসে। সাংসদ বা নেতারা টাকা খরচ করে বড় জমায়েত নিশ্চিত করেন। সাধারণত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেসব অনুষ্ঠানে থাকেন, তাতে লোক জমায়েতের একটি প্রতিযোগিতা থাকে নেতাদের মধ্যে।
তবে এবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাপনী দিনের অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা থাকা সত্ত্বেও জমায়েত ভালো হয়নি। অথচ এর কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী চীন সফর শেষে ফিরলে বিমানবন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত তাঁর যাত্রাপথে যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ রাস্তায় ব্যাপক জনসমাগম করেছিল। কিন্তু প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভাগুলোতে তাদের উপস্থিতি দেখা যায়নি।
এ অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে আসা একজন নেতা বলেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে হঠাৎ করেই সহ-সম্পাদক নিয়োগের হিড়িক পড়ে যায়। তিন দফায় প্রায় সাড়ে পাঁচ শ সহ-সম্পাদক নিয়োগ দেওয়া হয়। এখন এসব সহ-সম্পাদককে আর দলীয় কার্যালয়ে দেখা যায় না। তাঁদের অনেকে সচিবালয়, নগর ভবন, রাজউক, খাদ্য ভবন, শিক্ষা ভবন, বিদ্যুৎ ভবনসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে তদবিরে ব্যস্ত।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কেবল ঢাকায়ই নয়, সারা দেশেই ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের বড় অংশই অর্থ উপার্জনের প্রতি বেশি মনোযোগী হয়ে পড়েছেন। ফলে সাংগঠনিক কাজে যুক্ত হয়ে ‘সময় নষ্ট’ করতে আগ্রহী নন কেউ।
তার ওপর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ মাঠপর্যায়ে নিষ্ক্রিয় থাকায় রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হওয়ার চাপও বোধ করছেন না বলে একাধিক নেতা মন্তব্য করেছেন।
গত দুই দিনে আওয়ামী লীগের পাঁচজন কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে এই প্রতিবেদকের কথা হয়। তাঁরা বলেন, দলীয় ফোরামে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষ পর্যায়ের বাইরে বাকি কেন্দ্রীয় নেতাদের ভূমিকা খুবই কম। এ জন্যই সবাই সরকার ও দলে নিজের অবস্থান তৈরি কিংবা ধরে রাখাকেই বড় কাজ বলে মনে করেন।
আর মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মীদের বড় অংশ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে তদবির কিংবা টেন্ডারবাজিকেই বেশি লাভজনক মনে করেন। আর, এসব ‘বাণিজ্যের’ নিয়ন্ত্রণ ও এলাকায় আধিপত্য নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় হানাহানির ঘটনা ঘটছে। নারায়ণগঞ্জের সাত খুন, ফেনীতে উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যা এবং কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, খুলনাসহ বিভিন্ন জেলায় অভ্যন্তরীণ সংঘাত এর বড় উদাহরণ।
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের এক নেতা বলেন, অধিকাংশ মন্ত্রী-সাংসদ হয়েছেন বিনা ভোটে। ফলে মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মী কিংবা ভোটারের সঙ্গে তাঁদের কোনো যোগাযোগ নেই। বিরোধী দলের দুর্বল অবস্থানের কারণে সরকার, সংসদ ও দল—যে যেখানে আছেন, সবাই মনে করছেন, আগামী পাঁচ বছর নিরাপদ। তাই সবাই নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একজন নেতা বলেন, টানা ক্ষমতায় থাকলে একটি দলের যেসব সমস্যা হয়, এর সব কটি উপসর্গই আওয়ামী লীগে দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, সরকারের বাজেট, গুম-খুনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিষয় নিয়েও দলীয় ফোরামে কোনো আলোচনা হয় না। একক সিদ্ধান্ত দেন দলীয় ও সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা। তিনি বিষয়ভেদে কয়েকজন নেতার সঙ্গে আলোচনা করলেও ওই সব নেতা মতামত দিয়ে থাকেন নেত্রীর মনোভাবের ওপর ভিত্তি করে।
দলীয় উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র জানায়, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদ, সভাপতিমণ্ডলী, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক কিংবা বর্ধিত সভাগুলোতে যেসব সিদ্ধান্ত হয়েছে, এর বেশির ভাগই ছিল দিবসভিত্তিক কর্মসূচি নিয়ে। অন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের মধ্যে ছিল জেলা-উপজেলা পর্যায়ে দলের সম্মেলন করা। সময়-তারিখ ঠিক করে দেওয়ার পরও দেশের অধিকাংশ জেলা-উপজেলার সম্মেলন সম্পন্ন করতে পারেনি আওয়ামী লীগ।
দলের সভাপতিমণ্ডলীর একজন সদস্য নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, বর্তমান কমিটি হওয়ার পর গত দেড় বছরে সভাপতিমণ্ডলীর একটি সভা হয়েছে, সেটিও পরিচিতিমূলক। এরপর আর কোনো সভা হয়নি। ২০০৮ সালের পর কার্যনির্বাহী সংসদের যত বৈঠক হয়েছে, সেগুলোতে গালগপ্পই হয়েছে বেশি। দিবসভিত্তিক কর্মসূচির বাইরে কোনো কিছু হয়নি। দলের প্রধান আগে থেকে যা ভেবে রেখেছেন, সেই অনুযায়ী একটা সূচনা বক্তব্য দিয়েছেন। এরপর সেই বক্তব্যে দ্বিমত পোষণ কিংবা বিতর্ক করার সাহসও দেখাননি কোনো নেতা।
সাত জেলা-মহানগর কমিটি সময়মতো হচ্ছে না: যুগ্ম সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের নিয়ে দুই দফা বৈঠক করে পাঁচটি জেলা ও দুটি মহানগর কমিটির সম্মেলনের দিন-তারিখ ঠিক করেছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৩০ জুনের মধ্যে কিশোরগঞ্জ, পটুয়াখালী, বরগুনা ও মুিন্সগঞ্জ জেলা কমিটির সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শুধু মুিন্সগঞ্জের সম্মেলন হয়েছে এবং সেখানে পুরোনো নেতারাই ফিরে এসেছেন।
সৈয়দ আশরাফের নিজের জেলা কিশোরগঞ্জে ১৯৯৭ সালের পর সম্মেলন হয়নি। ১২ জুলাই ঠাকুরগাঁওয়ের সম্মেলন বাতিল করা হয়েছে রমজান মাসের কারণ দেখিয়ে। বরগুনা ও পটুয়াখালী জেলা কমিটির সম্মেলন পেছানো হয়েছে। রাজশাহী ও খুলনা মহানগরে সম্মেলন হওয়ার কথা চলতি মাসের মাঝামাঝি। খুলনায় তালুকদার আবদুল খালেক ও সাংসদ মিজানুর রহমানের মধ্যে দ্বন্দ্বের জের ধরে কয়েকবার মারামারি হয়েছে। সেখানে সম্মেলন নিরবচ্ছিন্ন করার বিষয়ে শঙ্কা আছে দলের হাই কমান্ডে।
নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুরসহ নিজেদের মধ্যে হানাহানিতে লিপ্ত জেলাগুলোতে সম্মেলনের দিন-তারিখ ঠিক করারই সাহস পাচ্ছে না দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকেরা।
ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়েছে দেড় বছর আগে। কমিটি গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাকে। এখনো এই কমিটি হয়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত পাঁচ বছরে সাংগঠনিক বিষয়ে নানা সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও তার বেশির ভাগেরই বাস্তবায়ন হয়নি। বিভাগীয় মহাসমাবেশ, জেলা-উপজেলার কাউন্সিল, তৃণমূলে সাংগঠনিক সফর ও বর্ধিত সভা, সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন অভিযান, দলীয় কার্যালয় স্থাপনসহ এমন অনেক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে পারেনি দলটি।
অবশ্য দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নূহ-উল-আলম লেনিন প্রথম আলোকে বলেন, রমজান আর সংসদ অধিবেশনের কারণে তৃণমূলের সম্মেলন একটু দেরি হচ্ছে। আর, যে সাতটা জেলা-মহানগরের সম্মেলনের সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেগুলো ঈদের পর হয়ে যাবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঝিমিয়ে আছে বিএনপি! -বড় কর্মসূচি নেই, সংগঠনও গোছানো হয়নি by রিয়াদুল করিম
আবার সাংগঠনিকভাবেও বিএনপি গোছানো আছে বলা যাবে না। মূল দল ও অঙ্গ, সহযোগী সংগঠনের কমিটিগুলো পুনর্গঠনের ঘোষণা দিলেও কাজ এগোয়নি। এতে আটকে গেছে দল গোছানোর প্রক্রিয়াও।
দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের বৈঠকে দল পুনর্গঠন এবং শুরুতে হরতাল-অবরোধের মতো কর্মসূচিতে না গিয়ে জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি দেওয়ার পক্ষে মত দেওয়া হয়। কিন্তু গত ছয় মাসে তেমন কোনো কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামতে পারেনি দলটি। গত মে মাসে গুম-খুনের প্রতিবাদে কিছু কর্মসূচি পালন করেছে দলটি।
তবে কর্মকাণ্ডে স্থবিরতা এসেছে, এ কথা মানতে রাজি নন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি গত বুধবার প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপিতে স্থবিরতা এসেছে, তা কিছুতেই বলা যাবে না। কিছুদিন আগে জয়পুরহাটে বিএনপি চেয়ারপারসন সমাবেশে করেছেন। এরপর ফেনীতে কর্মসূচি হয়েছে। রমজান মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত ইফতারের মাধ্যমে সামাজিক কর্মসূচিতে থাকবে বিএনপি। এর মাধ্যমে সারা দেশে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডও চলবে।
গত জুন মাসে মাঠে বিএনপির কোনো কর্মসূচি ছিল না বললেই চলে। তবে এ সময়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে অন্তত ১৭টি আলোচনা বা প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনসহ আরও কিছু ‘নামসর্বস্ব’ সংগঠন। এসব অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বা দলের স্থায়ী কমিটির কোনো না কোনো সদস্য বক্তব্য দিয়েছেন। এর বাইরে গত মাসে কর্মসূচির মধ্যে ছিল ঢাকার বাইরে জয়পুরহাটে বিএনপির চেয়ারপারসনের সমাবেশ, ফেনীতে মহাসচিবের গণসংযোগ, ঢাকা বিভাগে নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং সরকারের বক্তব্যের জবাব দিতে কয়েকটি সংবাদ ব্রিফিং।
এর আগে গত মে মাসে নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের ঘটনার পর গুম-খুনের প্রতিবাদে মাঠে নামার চেষ্টা করেছিল বিএনপি। গুম-খুনের প্রতিবাদে গণ-অনশন এবং কয়েকটি বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে দলটি। এর মধ্যে ঢাকায় তিনটি কর্মসূচিতে বাধার মুখে পড়ে। এর প্রতিবাদে কয়েকটি বিক্ষোভ কর্মসূচি দেওয়া হয়েছিল। সেসব কর্মসূচিতে দলীয় নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি ছিল নগণ্য।
দলীয় প্রধান খালেদা জিয়া বলেছিলেন, উপজেলা নির্বাচনের পর তাঁরা দল গুছিয়ে আন্দোলন শুরু করবেন। উপজেলা নির্বাচন শেষ হলেও বিএনপি কোনো কর্মসূচি দেয়নি। সর্বশেষ তিনি বলেছেন, ঈদের পর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এবং ১৯-দলীয় জোটের শরিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত আন্দোলনের কোনো রূপরেখা ঠিক করা হয়নি। এ নিয়ে দল বা জোটে বিস্তারিত আলোচনাও হয়নি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপি আন্দোলনে যাওয়ার জন্য এখনো প্রস্তুত নয়। এ কারণে সংগঠিত হওয়ার জন্য সময় নিচ্ছে। ঈদুল ফিতরের পর কিছু কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে। তবে এ জন্য মাঠপর্যায়ে দলকে প্রস্তুত করতে হবে। অক্টোবরে গিয়ে হয়তো বড় ধরনের কর্মসূচি আসতে পারে।
আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত কি না, জানতে চাইলে বিএনপির কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি খোরশেদ আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘দল যেহেতু করি, ম্যাডামের নির্দেশ যেভাবে হোক পালন করব।’
থেমে গেছে দল পুনর্গঠন: ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের এক মাসের মাথায় গত ৪ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দল গুছিয়ে আবার আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এর এক দিন পর দলের স্থায়ী কমিটির সভায় ঢাকা মহানগর বিএনপির কমিটি এবং ছাত্রদলের কমিটি পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। পরবর্তীকালে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়া বলেছিলেন, সব অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন এবং বিএনপির সব জেলা কমিটি পুনর্গঠন করা হবে। দল গুছিয়ে উপজেলা নির্বাচনের পর বিএনপি আবার আন্দোলনে নামবে।
গত চার মাসে শুধু শ্রমিক দলের নতুন কমিটি করা হয়েছে। কয়েকটি জেলায় বিএনপির কমিটি ভেঙে আহ্বায়ক কমিটি দেওয়া হয়েছে। আর কোনো তৎপরতা এখন আর নেই।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগরের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে খালেদা জিয়া এক মাসের মধ্যে নতুন কমিটি করতে বলেছিলেন। কিন্তু চার মাসেও সে কাজ হয়নি। দলীয় সূত্র বলছে, কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধ চাঙা হয়ে উঠলে পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া থমকে যায়।
এর আগে ৬ ফেব্রুয়ারির স্থায়ী কমিটির সভায় ছাত্রদলের কমিটি পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল; তাও বাস্তবায়িত হয়নি। সংগঠনটির নেতারা বলছেন, খালেদা জিয়া নিয়মিত ছাত্রদের দিয়ে কমিটি করার ঘোষণা দেওয়ায় ছাত্র ও অছাত্র নেতাদের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষককে ছাত্রদলের নেতা নির্বাচনের দায়িত্ব দেওয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। এরপর সবকিছু থেমে যায়।
গত এপ্রিলে এসে জেলা নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করেন খালেদা জিয়া। ওই মাসে পঞ্চগড়, সৈয়দপুর, সিলেট, চট্টগ্রাম উত্তর, নওগাঁ, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ উত্তর, সুনামগঞ্জসহ কয়েকটি জেলার কমিটি ভেঙে আহ্বায়ক কমিটি করে দেওয়া হয়। তবে রংপুরের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পর সেখানে এক পক্ষ বিক্ষোভ করে। এরপর আর আহ্বায়ক কমিটি গঠনের কার্যক্রমও থেমে যায়।
দল গোছানোর বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রথম আলোকে বলেন, ‘দল পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়নি। ১০-১২টি জেলা কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। এটি একটি প্রক্রিয়া, কিছু সময় লাগে।’
হতাশা: বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, ২৯ ডিসেম্বর গণতন্ত্রের অভিযাত্রা কর্মসূচি সফল না হওয়ায়, বিশেষ করে ঢাকার নেতা-কর্মীরা মাঠে না থাকায় তৃণমূলের কর্মীরা হতাশ হন। এরপর আবার ঘোষণা দিয়ে ঢাকা মহানগর কমিটি করতে না পারা বা অন্য সংগঠনগুলো পুনর্গঠন না করা তাঁদের সে হতাশাকে আরও বাড়িয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, দল তাঁদের সামনে কোনো সম্ভাবনা দেখাতে পারছে না।
দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের বক্তব্যেও অনেক সময় হতাশার বিষয়টি বেরিয়ে এসেছে। গত ২১ জুন জাতীয় প্রেসক্লাবে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের এক অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল বলেছিলেন, ‘কত বলব, বলতে বলতে আমরা ক্লান্ত হয়ে গেছি। শুনতে শুনতে আপনারা ক্লান্ত।’ তবে হতাশ না হয়ে আন্দোলনের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুন্দর এক প্রাচীন শহর

পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত সমাধান না হওয়া যত রহস্য আছে, তার মধ্যে অন্যতম হল এ আটলান্টিস। যিশুখ্রিস্টের জন্মের ৩৫৫ বছর আগে আটলান্টিসের কথা প্রথম জানিয়েছিলেন গ্রিক দার্শনিক প্লেটো। আজ থেকে প্রায় দশ-বারো হাজার বছর আগে অতলান্তিক মহাসাগরের কাছে অবস্থিত এই দেশটিতে নাকি ছিল অত্যন্ত উন্নত এক সভ্যতা। অনেকের বিশ্বাস, গ্রিক দ্বীপ ক্রিটের কাছাকাছি ছিল আটলান্টিস।
এক ভয়ংকর ভূমিকম্প আর প্রবল জলোচ্ছ্বাসের ফলে এক রাতের মধ্যে অতলান্তিক মহাসাগরের নিচে তলিয়ে যায় এ শহর। এ নিয়ে যে কত বই, গল্প, প্রবন্ধ লেখা হয়েছে তার ইয়ত্তা নেই। তৈরি হয়েছে ‘আটলান্টিস : দ্য লস্ট কন্টিনেন্ট’, ‘আটলান্টিস : দ্য লস্ট এম্পায়ার’-এর মতো বেশ কয়েকটি সিনেমাও।
আশ্চর্য শহর
সে ছিল এক সব পেয়েছির দেশ। প্লেটোর কথা অনুযায়ী আটলান্টিস ছিল এক স্বর্গোদ্যান। অত্যন্ত উর্বর এখানকার মাটিতে ফলমূল, শাকসবজির কোনো অভাব ছিল না। মনমাতানো গন্ধে ভরা রঙ বেরঙের সুন্দর ফুলে ভরে থাকত সবুজ এ রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকা। পাহাড়, সমুদ্র আর অরণ্যে ঘেরা অসাধারণ প্রাকৃতিক শোভায় সমৃদ্ধ এ রাজ্যে সোনা, রুপো, তামা ইত্যাদি খনিজ সম্পদেরও কোনো অভাব ছিল না। সেচ ব্যবস্থা ছিল অত্যন্ত উন্নত। শিল্প ও স্থাপত্যের ক্ষেত্রে উৎকর্ষের একেবারে চরম সীমায় পৌঁছেছিল সেই শহর। নানা ধরনের জীবজন্তু ছিল। ঘোড়া আর হাতিকে পোষ মানাত মানুষ। বিজ্ঞানে প্রচণ্ড উন্নত ছিল আটলান্টিস। ইঞ্জিনিয়াররা ছিলেন অত্যন্ত দক্ষ। তাদের তৈরি বন্দর, প্রাসাদ, মন্দির, খাল এবং জাহাজ তৈরি বা মেরামতির ব্যবস্থা ইত্যাদিতে ছিল অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তির ছোঁয়া। বিশেষ বিশেষ জায়গায় ঠাণ্ডা ও গরম জলের ঝরনার ব্যবস্থা ছিল। সুখে-শান্তিতে বসবাস করত মানুষজন।
আটলান্টিস রহস্য ভেদ করার জন্য বহু বছর আগে থেকেই পণ্ডিত ও গবেষকরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে আটলান্টিস বলে কোনো দেশের আদৌ কোনো অস্তিত্ব ছিল না কোনোদিন। আবার অনেকে বিশ্বাস করেন সত্যিই পৃথিবীর বুকে একসময় ছিল অত্যন্ত উন্নত এই সভ্যতা। তবে সম্প্রতি এক চাঞ্চল্যকর খবর দিয়েছেন আমেরিকার একটি রিসার্চ টিমের মুখ্য গবেষক, কানেকটিকাটের হার্টফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর রিচার্ড ফ্রিয়ান্ড। তারা নাকি জানতে পেরেছেন হারিয়ে যাওয়া আটলান্টিসের সুলুকসন্ধান। তিনটি দেশের গবেষকদের একটি দল মাটি ভেদ করতে পারে এরকম অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে স্পেনের ‘দোনানিয়া ন্যাশনাল পার্ক’-এর মাটির নিচে খুঁজে পেয়েছেন ক্যানাল সিস্টেমের প্রমাণ। স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ছবি দেখে তাদের ধারণা হয়েছে, এই ন্যাশনাল পার্কের বিস্তীর্ণ জলাভূমির নিচে চাপা পড়ে আছে একটা আস্ত শহর, আর সেটা যে রহস্যে ঘেরা আটলান্টিসই, তাতে কোনো সন্দেহ নেই তাদের। স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি বিশ্লেষণ করে জার্মান পদার্থবিদ রাইনার কুন বলেছেন, যিশুখ্রিস্টের জন্মের ৮০০ থেকে ৫০০ বছর আগে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল আটলান্টিস। ফ্রিয়ান্ড বলেছেন, গবেষণা চলছে এবং খুব শিগগিরই হারিয়ে যাওয়া এ শহরের অস্তিত্বের যাবতীয় প্রমাণ পেশ করবেন তারা।
সত্যিই কি সমাধান হতে চলেছে আটলান্টিস রহস্য? হারিয়ে যাওয়া গার্ডেন অফ ইডেনের ধ্বংসাবশেষ কি শেষ পর্যন্ত খছুজে পাওয়া যাবে? যদি সত্যিই প্রাচীন এ সভ্যতার অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়, তাহলে তা হবে মহেঞ্জোদারো, হরপ্পা, মিশর, ব্যাবিলন ইত্যাদির সভ্যতার চেয়ে অনেক পুরনো। আর তখন যে পৃথিবীর ইতিহাস আবার নতুন করে লিখতে হবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তাঁর আলো ও আগুন by মুহম্মদ নূরুল হুদা

কিন্তু তিনি আমাদের নিশব্দ প্রতীক্ষাকে অগ্রাহ্য করে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। তার ‘কবিতাসমগ্র’-র ফ্ল্যাপে সম্পাদক কবি মনজুরে মওলা যথার্থই লিখেছিলেন, ‘আমাদের প্রবীণতম তিনি। হয়তো নবীনতমও, কে বলতে পারে।’ প্রবীণতম বলার পরপরই তাকে ‘হয়তো নবীনতম’ বলার কারণটাও মূলত কাব্যিক। কেননা তিনি সময় ও প্রবণতার দিকে চোখ রেখে সত্তর বছরেরও অধিককাল ধরে সৃষ্টিশীল পঙ্ক্তিচয়নে বারবার পরিমিত পরিবর্তনের স্বাক্ষর রেখেছেন; অনেকটা সদ্য-প্রকাশিত নতুন কবির মতোই। ফলে সচেতন কাব্যচর্চার শেষমুহূর্ত পর্যন্ত তিনি কবিতা লিখেছেন কিশোর কবির প্রতিশ্র“তি ও পরিণত কবির পরিশীলনকে সম্পৃক্ত করে। বয়সকে সৃষ্টিশীল কৌশলে পরাজিত করার এই দক্ষতা খুব কম কবিই আয়ত্ত করতে পারেন। এই দক্ষতাকেই আমরা বলতে চাই কবির সৃষ্টিশীলতার অন্যরকম ভেতর-আগুন। খুব কম কেউ তেমন দক্ষতার অধিকারী। আবুল হোসেন সেই বিরলপ্রজদেরই একজন।
সেই তিনিই, সেই বিরলপ্রজ বার্ধক্যজয়ীই, হঠাৎ করে শারীরিকভাবে তিরোহিত হলেন। পরিণত বয়সেই চলে গেলেন তিনি, তবু বলব, হঠাৎ করেই গেলেন। সুদীর্ঘ জীবনে কোনো কিছুতেই খুব তাড়াহুড়ো করেননি। বৈষয়িক জীবনটা যেমন যাপন করেছেন ছক কেটে কেটে, তেমনি সৃষ্টিশীলতার পথেও হেঁটেছেন ধীর পদবিন্যাসে, পরিকল্পিত কাঠামো ও পরিমিত চরণ-সজ্জায়। সৃষ্টিশীলতার কাছে পূর্ণ-সমর্পিত এই কবি তাই প্রার্থনা করেছেন (সম্ভবত স ষ্টার কাছে) : ‘কাকে কি দিচ্ছ আমি তা জানি না,/ জানতেও চাইব না।/ যাকে খুশি দিও সারা দুনিয়ার/ সোনাদানা বালাখানা/ আমার জন্যে রেখে দিও শুধু/ তোমার কলমখানা।’ এত সহজ এত স্বতঃস্ফূর্ত এত অকপট এত নিরাবেগ এত যুক্তিশীল কাব্যপ্রার্থনা দ্বিতীয়টি পড়েছি বলে মনে পড়ে না। এই অনায়াস নির্মিতি দীর্ঘ নিরীক্ষার ফল। তাঁর সেই সুনিরীক্ষিত পথ-চলা পরবর্তী প্রজন্মের কবিদের জন্যে পরোক্ষ প্রেরণা হয়ে এসেছে। স্বীকার করি, আমার ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয়নি।
আমি তাকে দেখেছি বিশ শতকের ষাট দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে।
কিন্তু হৃদ্যতা বলতে যা বোঝায়, তা হয়েছে তারও প্রায় তিনদশক পরে। তখন আমি উপ-পরিচালক হিসেবে কাজ করছি বাংলা একাডেমির ভাষা ও সাহিত্য উপবিভাগে। একটা নিরাপদ ও সশ্রদ্ধ দূরত্বে থেকেছি বরাবর। কিন্তু যখনি কাছে গেছি তখনি শ্রদ্ধায় নুয়ে পড়েছি এই পিতৃপ্রতিম কবি-অভিভাবকের প্রতি। বাংলাদেশের কবিতায় এই অভিভাবকত্ব তিনি বজায় রেখেছিলেন অর্ধ-শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে। তবে সরবে নয়, নীরবে; বলা যেতে পারে তর্করহিত সঙ্গোপনে। এর কারণও অবশ্য মানুষ ও কবি আবুল হোসেনের নান্দনিক নিসঙ্গতা, যা যে কোনো শুদ্ধাচারী স ষ্টার সচেতন অন্বেষণ। সেই সৃজনসম্মত অন্বেষণের একপর্যায়ে তিনি অনুবাদ করেছিলেন বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ভাষার বিভিন্ন কালের কবিদের কিছু প্রিয় পঙ্ক্তি। সেগুলো একত্রিত করে বানিয়েছিলেন এক অত্যাশ্চর্য পাণ্ডুলিপি : ‘অন্যখেতের ফসল’। বাংলা একাডেমিতে ‘ভাষা ও সাহিত্য’ উপবিভাগে এসেছিল সেই পাণ্ডুলিপি। ফলে মানুষ আবুল হেসেনের সঙ্গে সঙ্গে তার লেখার সঙ্গেও ব্যক্তিক পরিচিত লাভের সুযোগ পাই। এই পাণ্ডুলিপিটি গ্রন্থাকারে বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়েছে জুন ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে (শ্রাবণ ১৩৯৭)। এটি অনূদিত গ্রন্থ হলেও মৌলিক কবিতার মতো সুপাঠ্য ও উত্তীর্ণ। ইয়েটসের ‘কাঠবিড়ালি’ শীর্ষক ছোট্ট কবিতার পুনর্সৃষ্টি, এক কথায়, অনবদ্য : ‘আমার সঙ্গে খেলবি আয়/ দৌড়ে অমন পালাস কেন/ গাছ থেকে গাছে ডালপালায়?/ বন্দুক আছে আমার যেন,/ গুলি করে মেরে ফেলব তোরে,/ চেয়েছি যখন এইটুকুই/ মাথাটা চুলকে দেবো শুধুই।/তারপরে যাস দৌড়ে জোরে।’
এতেই অনুমিত হয় কত গভীর কত নৈর্ব্যক্তিক কাব্যবোধ ও পুনর্সৃষ্টির শক্তি নিয়ে এসেছিলেন এই কবি। প্রথম কাব্য ‘নব বসন্ত’ (১৯৪০, উৎসর্গ : কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) থেকে শুরু করে সর্বশেষ ‘কালের খাতায়’ (২০০৮) শীর্ষক মাত্র আটটি (অগ্রন্থিত কবিতা বাদে) মৌলিক কাব্যে শব্দবিন্যাসে, পঙ্ক্তির বৈচিত্র্যায়নে, উচ্চারণের মৌলিকতায়, ভুয়োদর্শনে, ব্যঙ্গে, সরস সহজতায় তিনি যে কাব্যভুবন নির্মাণ করেছেন, তা তার সৃষ্টিসত্তার অনন্যতারই স্বাক্ষরবহ। একই সঙ্গে তা উত্তরকালের কবিতাসাধকের জন্য পাঠযোগ্য কাব্যভাষ্য। এ দেশের মাটি, মানুষ, সমাজ, ভাষা, সংস্কৃতি, জাতি থেকে শুরু করে বিগত একশ’ শতাব্দীর বাঙালির ইতিহাসের প্রায় সব বিষয়কেই তিনি কোনো-না-কোনোভাবে ধারণ করেছেন তার কবিতায়। কিন্তু কখনও বক্তব্যকে তুলে ধরতে গিয়ে যেমন উচ্চকণ্ঠ হননি, তেমনি প্রতিপাদ্যকে গৌণ করে মেতে ওঠেননি অতিনান্দনিকতায়। তার বেশকিছু কবিতা আমার কাছে মনপ্রিয়তায় ঘুরে ঘুরে কথা কয়। যেমন ‘মেহেদীর জন্য’, ‘ডিএইচ রেলওয়ে’, কিংবা ‘তোমাকে নিয়েই যত খেলা’। এগুলো কাঠামোগতভাবেই একটার সঙ্গে অন্যটা মেরুর অবস্থানে, কিন্তু উচ্চারণের হার্দ্যতায় অনির্বচনীয় ও সমতলীয়।
তিরিশোত্তর বাংলা কবিতার ধারার সঙ্গে তিনি যুক্ত করেছেন তার পাঠসমৃদ্ধ বিশ্বকবিতার নানাকৌণিক প্রবণতাও। ফলে বাঙালি কবি হয়েও তিনি বিশ্বকবিতার সঙ্গে সম্পৃক্ত। স্ট্রুগা কবিতা সম্মেলনে গিয়ে তিনি সমকালীন বিশ্বকবিদের একাংশের সঙ্গে মিশতে মিশতে তাদেরকে নিয়ে কবিতা লিখে বসেন; কিংবা দূরদেশে ভ্রমণে গিয়ে এক কালো কাঠবিড়ালিকে পিকাসোর মূর্তির উপর বসে পড়তে দেখে স্মরণ করেন ইয়েট্সকে। এই নিয়ে তিনি লেখেন অ্যাবসার্ড ভাবনার এক অন্যরকম এক কবিতা (‘প্রিন্সটনে কালো এক কাঠবিড়ালি’)। নব্বুই-অতিক্রমী তরুণ কবি আবুল হেসেনের এই হচ্ছে মৃত্যু-অতিক্রমী বদল প্রবণতা। আর মৃত্যু বরাবরই তার চেতনায় সত্তার এক স্বাভাবিক বিবর্তন। আলো থেকে আঁধার নয়, বরং এক আলো থেকে অন্য এক আলোতে প্রত্যাবর্তন। ‘মানুষের আলো নিভে গেলে/ কী থাকে? আঁধার?/ নাকি আরও এক আলো?’ কবির পক্ষপাত সেই অন্য এক আলোর দিকে। তবে আরেক সহজাত সত্য হচ্ছে সত্তাবদলের মুহূর্তে উদ্গত দুর্জ্ঞেয় এক অশ্র“বিন্দু। ‘তবু কী আশ্চর্য এই / দুর্জ্ঞেয় পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ার সময়/ যার চোখে পানি টলমল/ করেনি এমন মানুষ কি কেউ/ কোনদিন দেখেছে কোথাও?’ না, দেখিনি আমরাও। তাই আমাদের কালের এই প্রায়-নীরব প্রায়-নিঃসঙ্গ কবি-বিটপীর প্রতি উত্তর প্রজন্মের বিনম্র শ্রদ্ধাশ্রু।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফিলিস্তিনি কিশোরকে হত্যা করে বদলা?
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই আমার বিরুদ্ধে মামলা: সারকোজি
![]() |
| নিকোলা সারকোজি |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হোয়াইট হাউসেও বৈষম্য!
![]() |
| হোয়াইট হাউস |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তাপস পালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাই নেয়নি তৃণমূল
![]() |
| তাপস পালের |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্লেবয় যুদ্ধে নেইমার- আবারও মাঠের বাইরের বিতর্কে জড়ালেন নেইমার

ব্রাজিলের প্লেবয়ের সম্পাদক সের্গিও হাভিয়ার এক ই-মেইল প্রতিক্রিয়ায় এপিকে বলেন, কোন আইনি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত তারা কোন ফরমান পাননি। তাই জুন সংখ্যা সারা দেশের বাজারে আগের মতোই সহজলভ্য থাকবে। জুনের গোড়ায় প্লেবয় নিউজস্ট্যান্ডে হিট করার পর প্যাট্রিসিয়া বলেন, নেইমারের সঙ্গে তিনি একদা রোমান্টিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। ২০১৩ সালে তারা দুজনে একসঙ্গে তিন মাস ডেটিং করেছেন। এর অবসান ঘটেছিল যখন নেইমার তার বর্তমান বান্ধবী ব্রাজিলীয় টিভি তারকা ব্রুনা মার্কেজিনের প্রেমে পড়েন। অবশ্য ব্রুনোর সঙ্গে গত জানুয়ারিতে তার সম্পর্ক ভেঙে পড়ার খবর বেরিয়েছিল।
গত ১২ই জুন ব্রাজিল ও ক্রোয়েশিয়ার ম্যাচের আগে নেইমার দুজনের একটি ছবি অনলাইনে পোস্ট করলে অনুমান করা হয় যে, তারা আবারও জুটি বেঁধেছেন। অষ্টাদশী ব্রুনোকে অবশ্য প্যাট্রিসিয়া ঈর্ষা করেন। কারণ ড্যান্সিং উইথ দ্যা টিয়ার্স তারকা ব্রুনোর ৩০ লাখ ফ্যান রয়েছে তার ইন্সট্রাগ্রাম অ্যাকাউন্টে।
প্লেবয়কে ২১ বছর বয়সী জর্দান বলেন, নেইমার মানুষ হিসেবে চমৎকার। তার হাস্যরসবোধ অসামান্য। ওঁর সঙ্গে রিও তে আমার প্রথম চোখাচোখি হয়। সেটা ২০১২ সালের ডিসেম্বরের কথা। তখন কিছুই ঘটেনি। এরপর ওঁর সঙ্গে আবার সাক্ষাৎ হয় একটি সমুদ্র সৈকতে। কাকতালীয়ভাবে সেটা ছিল বর্ষবরণের উপলক্ষ। প্লোরিয়ানপলিসের বীচে দেখা হলো। কথা হলো। এরপর থেকে আমরা নিয়মিতভাবে মিলিত হতে থাকি। ব্রুনো ওর জীবনে প্রবেশের আগ পর্যন্ত আমরা ভালই ছিলাম।
জর্দান আরও বলেন, খেলার মাঠে একটি বাধা-ধরা নিয়ম মেনে খেলতে হয়। কিন্তু শয্যায় কোন বাধা-ধরা নিয়ম নেই। যাকে তুমি পছন্দ করো তার সঙ্গে কোন রাখঢাক নেই। কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। সমালোচকরা বলছেন, ব্রাজিলীয় মিডিয়ার অনেকেই বলছেন, নেইমারের সঙ্গে ওর ঘনিষ্ঠতা বানানো, অতিরঞ্জিত।
তারা বলছেন, নেইমার কেবল মাঠের লড়াইয়ে জয় পাচ্ছেন তাই নয়, তিনি অব্যর্থ গোল করতে পেরেছেন আইনি লড়াইয়েও। ফুটবল প্লেবয় নেইমার ব্রাজিলের সাময়িকী প্লেবয়ের সঙ্গে যুদ্ধে আছেন। তবে এতে তিনি যে জয় পাবেনই সেটা বলা কঠিন।
আদালতে নেইমার আর্জি দিয়েছিলেন ব্রাজিল থেকে প্রকাশিত প্লেবয়ের চলতি সংখ্যা বাজার থেকে তুলে নিতে হবে। কারণ এতে তার সাবেক বান্ধবী, না ঠিক হলো না, কারণ নেইমার ভুলেও স্বীকার করেননি যে, মেয়েটি তার সাবেক বান্ধবী, বরং নেইমারের ফুটবল কেরিয়ারের আইনি অভিভাবক এন আর স্পোর্টস প্যাট্রিসিয়া জর্দানকে নেইমারের ইমপোস্টার গার্লফ্রেন্ড বা স্বঘোষিত বান্ধবী হিসেবে চিহ্নিত করেছে। কিন্তু স্বঘোষিত বলে দিলেই তো হলো না। নেইমারের অসংখ্য রোমান্টিক ছবি রয়েছে প্যাট্রিসিয়ার সঙ্গে।
প্লেবয়ের কভারে তাকে দেখা যাচ্ছে সেক্সি ভঙ্গিতে। শরীরের বিশেষ ভাঁজে লেখা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, প্যাট্রিসিয়া জর্দান, দি ব্রান্টি দ্যাট এনচ্যান্টেড নেইমার। এই আলোকচিত্র প্রকাশ করে প্লেবয় কোন অন্যায় করেনি। কারণ এটা মিথ্যা নয়। আর আদালত প্লেবয়ের এই সংখ্যাটি তুলে নিতে বললেও এই সংখ্যাটি যেভাবে ঝড় তুলেছে সে তুলনায় প্রতিদিন ৪৫০০ ডলারের জরিমানা তুচ্ছ মনে করা হচ্ছে। এমনকি মনে করা হচ্ছে প্লেবয় বাজার থেকে একটি কপিও না সরিয়ে তার পক্ষে পরবর্তী আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি লাভজনক মনে হতে পারে। ৪৫০০ ডলার করে জরিমানা অন্তত বিশ্বকাপ ফাইনাল পর্যন্ত ধরে রাখা হতে পারে। গত বুধবার আদালত ওই আদেশ দিলেও প্লেবয় এখনও পর্যন্ত তা তামিল করার কোন মনোভাব দেখাচ্ছে না।
নেইমারের পক্ষে প্রচারিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নেইমার জুনিয়রের ব্যক্তি জীবন সম্পর্কে প্লেবয় মিথ্যা ছড়িয়েছে। এটা করতে গিয়ে তারা নেইমারের আইনি অভিভাবক এন আর স্পোর্টের কাছ থেকে কোন অনুমতি নেয়নি। এতে আইনের লঙ্ঘন ঘটেছে। কারণ নেইমারের সুনাম, যশ, প্রভাব, প্রেস্টিজ সব কিছুই এন আর স্পোর্টের সঙ্গে বাঁধা। তারা অবশ্য বিস্তারিত আর কিছুই বলেনি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আওয়াজ সর্বস্ব অমৃতা by মাহমুদ মানজুর

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রাজিল বিশ্বকাপ- ফুটবলের সঙ্গে কি সেক্সের কোন যোগসূত্র আছে
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সীমান্ত চুক্তি ও ভিসামুক্ত প্রবেশ নিয়ে আলোচনা হয়নি- বিজেপি নেতাদের সুষমা

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রাজিল বিশ্বকাপে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই by পিন্টু আনোয়ার

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘আগামী পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকবো’ -সজীব ওয়াজেদ জয়
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধর্ম, সমাজ, সংস্কৃতি by ড. মাহফুজ পারভেজ
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
July
(592)
-
▼
Jul 04
(34)
- বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়- শিক্ষামন্ত্রী-টিআইবি পাল্...
- দাঙ্গা আতঙ্কে ব্রাজিলে লক্ষাধিক সেনা, পুলিশ মোতায়েন
- ব্রাজিল জিতলে এক বাংলাদেশ, হারলে দু-টুকরো by কাজল ঘোষ
- আধুনিক কবিতা হচ্ছে কালোপযোগী নতুন কবিতা by আবুল হোসেন
- আজকেই ব্রাজিলের সবচেয়ে কঠিন ম্যাচ: পিটার শিল্টন
- তুমি সাংবাদিক হইছ? আগে তো দেশপ্রেমিক ছিলা! by তুষা...
- তাঁর আলো ও আগুন by মুহম্মদ নূরুল হুদা
- মানবাধিকার পরিস্থিতি
- ম্যারাডোনা পেরেছেন, মেসি পারবেন?
- রকস্টার গেমসের বিরুদ্ধে লিন্ডসে লোহানের মামলা
- দল নয়, বাণিজ্যে বিভোর আ.লীগের নেতা-কর্মীরা by আনে...
- ঝিমিয়ে আছে বিএনপি! -বড় কর্মসূচি নেই, সংগঠনও গোছান...
- সুন্দর এক প্রাচীন শহর
- তাঁর আলো ও আগুন by মুহম্মদ নূরুল হুদা
- ফিলিস্তিনি কিশোরকে হত্যা করে বদলা?
- রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই আমার বিরুদ্ধে মামলা: সারকোজি
- হোয়াইট হাউসেও বৈষম্য!
- তাপস পালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাই নেয়নি তৃণমূল
- প্লেবয় যুদ্ধে নেইমার- আবারও মাঠের বাইরের বিতর্কে ...
- আওয়াজ সর্বস্ব অমৃতা by মাহমুদ মানজুর
- ব্রাজিল বিশ্বকাপ- ফুটবলের সঙ্গে কি সেক্সের কোন যোগ...
- সীমান্ত চুক্তি ও ভিসামুক্ত প্রবেশ নিয়ে আলোচনা হয়নি...
- ব্রাজিল বিশ্বকাপে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই by পিন্টু আনোয়ার
- ‘আগামী পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকবো’ -সজীব ওয়াজেদ জয়
- ধর্ম, সমাজ, সংস্কৃতি by ড. মাহফুজ পারভেজ
- জিএসপি পুনর্বহাল এখনই নয় by কাউসার মুমিন
- সুষমা স্বরাজের বাংলাদেশ সফরের আদ্যোপান্ত শুনলেন মজিনা
- বিএনপি-জামায়াত নামের বিষবৃক্ষ আপনারাই সৃষ্টি করেছে...
- তবু বন্ধ হবে না নির্যাতন by আসিফ নজরুল
- এই অনিয়ম-বিশৃঙ্খলা চলতেই থাকবে?- মাথাভারী প্রশাসন
- চল চল নদী দখল করি!- জেলা প্রশাসন ও ভূমি জরিপ অধিদপ...
- ‘কুকুর তত্ত্ব’ by শিমুল এলাহী
- সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধের বাতিল আইন ফিরছে! জেগে উঠুন ...
- সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধের বাতিল আইন ফিরছে! অর্জনটি হা...
-
▼
Jul 04
(34)
-
▼
July
(592)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...




