Tuesday, May 5, 2020
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখবেন যেভাবে

চিকিৎসকদের মতে, জীবনযাত্রা এবং খাদ্যতালিকায় কিছু পরিবর্তন আনতে পারলে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। যেমন-
১. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে হলে লবণ খাওয়া কমাতে হবে। কারণ, অতিরিক্ত লবণ রক্তে মিশে শরীরে সোডিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট করে। তখন রক্তচাপ অস্বাভাবিক ভাবে বাড়তে থাকে।এছাড়া শরীরে সোডিয়ামের ভারসাম্য ঠিক না থাকলে কিডনির সমস্যাও হতে পারে।
২. আয়ুর্বেদ চিকিৎসা অনুযায়ী, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে মধু অত্যন্ত কার্যকরী । ১ কাপ হালকা গরম পানিতে ১ চামচ মধুর সঙ্গে কয়েক ফোঁটা অ্যাপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে খান। প্রতিদিন সকালে এটি খেতে পারলে রক্তচাপ বা হাইপারটেনশনের মতো সমস্যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
৩. কলাতে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।দিনের যে কোনও সময়, সারাদিনে অন্তত একটা কলা খাওয়ার চেষ্টা করুন।
৪. পুষ্টিবিদদের মতে, কমলার রসের সঙ্গে ডাবের পানি মিশিয়ে দিনে ২ থেকে ৩ বার খেতে পারলে রক্তচাপ বা হাইপারটেনশনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
৫. তরমুজে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ, লাইকোপিন, পটাশিয়াম এবং ফাইবার থাকে যা উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশনের মতো সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
৬. ওটসে খুব কম পরিমাণে সোডিয়াম থাকে। এছাড়া এতে উচ্চমাত্রার ফাইবার থাকায় এটি রক্তচাপ বা হাইপারটেনশনের মতো সমস্যা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
৭. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে মশলাদার খাবারের পরিবর্তে সবুজ শাক-সবজি খেতে পারেন। কারণ সবুজ সবজিতে উপস্থিত ফাইবার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফলিক অ্যাসিড উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। সূত্র : জি নিউজ
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উইগনারস ফ্রেন্ড by ড. সাজিদ হক
কোয়ান্টাম বলবিদ্যা বলে, বাক্স না খুললে আমরা বলতে পারি, বিড়ালটা জীবিত ও মৃতের এক ধরনের মিশ্র বা সমন্বিত অবস্থায় আছে। কেবল বাক্স খুললেই অর্থাৎ পরিমাপ (measurement) করলে নিশ্চিতভাবে জানা যাবে বিড়ালটা জীবিত না মৃত কোন অবস্থায় আছে। আর বিষয়টা নিয়ে পদার্থবিজ্ঞানে অনেক জল ঘোলা হয়েছে। আসলে কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় পরিমাপ করা কী, তা নিয়ে বেশ কিছু জটিলতা আছে। ‘ঈশ্বর জুয়া খেলেন না’—আইনস্টাইনের বিখ্যাত এই উক্তির জন্মও এই জটিলতা থেকেই। তবে শ্রডিঙ্গারের এই বিড়ালের গল্পের একটা এক্সটেনশন বা বর্ধিত অংশ আছে, যেটা হয়তো অনেকেই জানেন না। অপেক্ষাকৃত স্বল্প পরিচিত এই বর্ধিত অংশটি ‘উইগনারস ফ্রেন্ড’ নামে পরিচিত। আমাদের আজকের আলোচনা বিষয়টি নিয়ে।
কোয়ান্টাম বলবিদ্যা (Quantum Mechanics) পদার্থবিজ্ঞানে অনেক অদ্ভুত অদ্ভুত সমস্যার জন্ম দিয়েছে। কোয়ান্টাম বলবিদ্যার গাণিতিক কাঠামোটা ক্ল্যাসিক্যাল পদার্থবিজ্ঞানের মতো সোজাসাপ্টা না। বিষয়টি শিখতে শিক্ষার্থীদের অনেক পরিশ্রম করতে হয়। আমার পিএইচডি পাঠ্যসূচিতে দুইটা আবশ্যকীয় কোয়ান্টাম বলবিদ্যার কোর্স ছিল। যে শিক্ষক আমাদের পড়াতেন তিনি আমাদের যে সাপ্তাহিক হোমওয়ার্ক দিতেন, তার সমস্যাগুলো হতো বেশ জটিল এবং দীর্ঘ, করতে ৭০/৮০ পাতা লেগে যেত। সপ্তাহজুড়ে খাওয়া-ঘুম বাদ দিয়ে তা শেষ করতে হতো। যেটুকু সময় ঘুমাতাম, দুঃস্বপ্ন দেখতাম ভয়ংকর সব ম্যাট্রিক্স ডায়াগোনালইজ করতে চেষ্টা করছি। কী যে ভয়ংকর পরিশ্রম!
মূল বিষয়ে ফেরা যাক। ‘উইগনারস ফ্রেন্ড’ নামটি এসেছে বিখ্যাত হাঙ্গেরিয়ান নোবেল বিজয়ী পদার্থবিদ ইউজিন উইগনারের নাম থেকে। পদার্থবিজ্ঞানে গ্রুপ থিওরি প্রবর্তন করার পেছনে তাঁর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা আছে। গ্রুপ থিওরি হলো গণিতের একটা শাখা, যা সিমেট্রি নিয়ে কাজ করে। তা ছাড়া ম্যানহাটন প্রজেক্টেও তার বেশ ভালো ভূমিকা ছিল। একটা মজার তথ্য হলো, উইগনারের ছোট বোন মারগিত (Margit) ছিলেন আরেক ভুবনবিখ্যাত পদার্থবিদ পল ডিরাকের স্ত্রী। ইউজিন উইগনার প্রিন্সটনসহ বহু নামকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ন্যাশনাল ল্যাবে কাজ করেছেন। তিনি অল্প কিছুদিন আমার পিএইচডি ইনস্টিটিউশন ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন-ম্যাডিসনেরও শিক্ষক ছিলেন। উইগনার ১৯৬১ সালে কোয়ান্টাম বলবিদ্যার পরিমাপসংক্রান্ত একটা চিন্তা পরীক্ষার রূপরেখা দেন, সেটাই ‘উইগনারস ফ্রেন্ড’ নামে পরিচিত। এখন প্রশ্ন হলো, উইগনারস ফ্রেন্ড নামের এই চিন্তা পরীক্ষা ব্যাপারটা আসলে কী?

তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে এক ধরনের কাল্পনিক পরীক্ষা চিন্তা করার চল আছে। একে বলা হয় গেডাঙ্কেন পরীক্ষা বা চিন্তা পরীক্ষা। শ্রডিঙ্গারের বিড়াল বা উইগনারস ফ্রেন্ডও এই ধরনেরই চিন্তা পরীক্ষা। খুব গভীর কোনো ধারণার অবতারণা করার জন্য এই ধরনের কল্পিত পরীক্ষা সাজানো হয়। চলুন উইগনারস ফ্রেন্ড পরীক্ষাটি কী, তা জেনে নেওয়া যাক। তবে ব্যাপারটি সামান্য পরিবর্তন করে অনেকটা গল্পের মতো করে বলার চেষ্টা করছি।
ধরুন পদার্থবিদ উইগনারের বন্ধু শ্রডিঙ্গারের বিড়ালের পরীক্ষাটা করতে চাচ্ছেন। পরীক্ষাটা করতে হলে তাঁর একটা বিড়াল দরকার। বন্ধুর নিজের কোনো বিড়াল নেই। তবে উইগনারের একটা বিড়াল আছে, কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এই পরীক্ষার পর বিড়ালটার মারা যাওয়ার একটা বড় আশঙ্কা আছে। তবে পদার্থবিজ্ঞানের প্রতি প্রগাঢ় অনুরাগের কারণে মরার আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও উইগনার বিড়ালটি পরীক্ষার জন্য দিতে রাজি হলেন। কিন্তু নিজের প্রিয় বিড়ালকে নিয়ে এই বিপজ্জনক পরীক্ষার সময় পরীক্ষাগারে উপস্থিত থাকা উইগনারের পক্ষে সম্ভব হলো না। তিনি বন্ধুকে বললেন, পরীক্ষাটি শেষ হয়ে যাওয়ার পর ফিরবেন। যা-ই হোক, উইগনার চলে গেলেন এবং বন্ধু পরীক্ষাটি শেষ করলেন। একটু পর উইগনার ফিরে দরজায় নক করলেন। বন্ধু দরজা খোলার পর জানতে চাইলেন কী ঘটেছে এবং বন্ধু বলার পর তিনি জানতে পারলেন বিড়ালের ভাগ্য।
এখন প্রশ্ন হলো, সমস্যাটা কোথায়? আসলে কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় ভৌত অবস্থার পরিমাপসংক্রান্ত সমস্যা বলে একটা সমস্যা আছে। আর উইগনার পরীক্ষাটি কোয়ান্টাম বলবিদ্যার সেই পরিমাপসংক্রান্ত জটিলতারই একটা প্রকাশ। জটিলতার মূল কারণ, এ ক্ষেত্রে কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় দুজন পর্যবেক্ষক বা অবজারভার কোনো একটা ভৌত অবস্থা সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন পরস্পরবিরোধী সিদ্ধান্তে উপনীত হয়। বিষয়টি বোঝার জন্য আবার শ্রডিঙ্গারের বিড়ালের গল্পে ফিরে যাওয়া যাক। আগেই বলা হয়েছে, কোয়ান্টাম বলবিদ্যা অনুযায়ী বাক্স খোলার আগে বিড়ালটা জীবিত ও মৃতের একটা মিশ্র বা সমন্বিত অবস্থায় আছে। শুধু বাক্সটা খুললে, অর্থাৎ যখন পরিমাপ করা হবে, তখন এই মিশ্র অবস্থা থেকে জীবিত অথবা মৃত একটি নির্দিষ্ট অবস্থায় বিড়ালটিকে পাওয়া যাবে।
কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় এভাবেই বস্তুর অবস্থা এবং পরিমাপকে সংজ্ঞায়িত করা হয় এবং পরিমাপের ফলে একটা সমন্বিত অবস্থা থেকে সুনির্দিষ্ট অবস্থায় পরিবর্তিত হওয়াকে কোয়ান্টাম বলবিদ্যার ভাষায় ওয়েভ ফাংশন কোলাপ্স বা তরঙ্গ ফাংশনের পতন বলা হয়। কিন্তু কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় এই ওয়েভ ফাংশন কোলাপ্স ঠিক কীভাবে হয়, সেটা পরিষ্কার না। আর এটাই পরিমাপসংক্রান্ত সমস্যা নামে পরিচিত। এখানে বলে রাখি, কোয়ান্টাম বলবিদ্যার এই যে গাণিতিক কাঠামো তার সফলতা নিয়ে বিন্দুমাত্র কোনো সংশয় নেই এখন পর্যন্ত। যা-ই হোক, এখন উইগনারের বন্ধুর পরীক্ষাটিতে ফিরে আসা যাক। বন্ধুটি যখন বাক্স খুলে দেখবেন বিড়ালটা জীবিত (অথবা মৃত) ঠিক সেই সময় উইগনারের (যিনি পরীক্ষাগারের বাইরে বেড়াতে গেছেন) দিক থেকে চিন্তা করলে বিড়ালটা কিন্তু একটা বেশ জটিল মিশ্র অবস্থায় আছে। লক্ষ করুন, নতুন এই মিশ্র অবস্থাও দুটি অংশের একটা সমন্বিত রূপ। তবে এই মিশ্র অবস্থা আগের মিশ্র অবস্থা থেকে একটু ভিন্ন, কারণ এখন এর সঙ্গে উইগনারের বন্ধুর অবস্থাও জড়িয়ে আছে। চিন্তার সুবিধার্থে ভাবা যেতে পারে বিড়ালটা মরে গেলে বন্ধু হয়তো বিষণ্ন থাকবেন আর বিড়ালটা বেঁচে থাকলে বন্ধু হয়তো প্রসন্ন থাকবেন। এরপর বেশ খানিকক্ষণ পরে যখন উইগনার ফিরে এসে বন্ধুকে জিজ্ঞেস করেছেন, তখন তাঁর ক্ষেত্রে ওয়েভ ফাংশন কোলাপ্স হয়েছে। তবে বন্ধুর দিক থেকে ভাবলে ওয়েভ ফাংশন কোলাপ্স অনেক আগেই হয়ে গেছে, যা কিনা উইগনারের দিক থেকে চিন্তা করলে হচ্ছে আরও পরে। তাহলে ওয়েভ ফাংশন কোলাপ্স আসলে হলো কখন? মনে করিয়ে দিচ্ছি, ওয়েভ ফাংশন কোলাপ্স হওয়ার অর্থ হচ্ছে বিড়াল জীবিত না মৃত, তা নির্ধারিত হয়ে যাওয়া। তা ছাড়া বন্ধুর ক্ষেত্রে ঠিক যে অবস্থায় ওয়েভ ফাংশন কোলাপ্স করছে অর্থাৎ যে ফলাফল দেখা গেছে, উইগনারের ক্ষেত্রেও কি সব সময় তা-ই?

সমস্যাটার আরেকটা দিক হচ্ছে, যদি অন্য কোনো পর্যবেক্ষকের অস্তিত্ব আছে ধরা হয়, যেমন বাক্সের ভেতরকার কোনো একটা অণুকে যদি পর্যবেক্ষক ধরে নেওয়া হয়, তাহলে তার পরিপ্রেক্ষিতে বিড়ালটার অবস্থা আবার ভিন্ন। এভাবে বিভিন্ন পর্যবেক্ষকের জন্য অসংখ্য ভিন্ন ভিন্ন অবস্থা থাকতে পারে। অন্যভাবে বললে, ভিন্ন ভিন্ন কোয়ান্টাম বিশ্ব কি তাহলে একই সঙ্গে বিরাজমান? বাস্তবতা তাহলে কী? এই জটিলতা থেকে বের হওয়ার জন্য উইগনার সচেতন পর্যবেক্ষক (conscious observer) বলে একটা ধারণার প্রস্তাব করেন। তাঁর বক্তব্য হলো, একজন সচেতন পর্যবেক্ষক বা অবজারভারের উপস্থিতিতেই কেবল ওয়েভ ফাংশন কোলাপ্স করবে। সচেতনতা কোয়ান্টাম পরিমাপের ক্ষেত্রে একটা অত্যাবশ্যকীয় শর্ত। অন্যভাবে বললে, সচেতনতাই হলো বাস্তবতা। অনেকটা দর্শনের মতো শোনাচ্ছে তাই না? অনেকটা যেন, I think, therefore I am--রেনে দেকার্টের বিখ্যাত এই দার্শনিক উক্তির প্রতিধ্বনি মনে হচ্ছে। আধুনিক দর্শনের জনক দেকার্টেও কিন্তু একজন গণিতজ্ঞ এবং পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন।
মূলত সচেতনতার গুরুত্ব বোঝাতেই উইগনার এই চিন্তা পরীক্ষার অবতারণা করেন। আসলে উইগনার বিশ্বাস করতেন, কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় পরিমাপের ক্ষেত্রে সচেতন পর্যবেক্ষক একটা প্রয়োজনীয় ব্যাপার। বন্ধুর দিক থেকে শুরু করা যাক। উইগনারের ব্যাখ্যা বলে, বন্ধু যখন বাক্সটা খুলবেন, তখন তার সচেতনতা পরিমাপ (অর্থাৎ বাক্সটি খোলা) দিয়ে প্রভাবিত হবে এবং তা বিড়ালের মিশ্র/সমন্বিত অবস্থা থেকে একটা সুনির্দিষ্ট অবস্থা নির্ণয় করবে। কিন্তু গল্পের উইগনারের যেহেতু এই সম্পর্কিত কোনো তথ্য পাওয়ার উপায় নেই, তার দিক থেকে বিড়াল ও বন্ধু মিলিয়ে এক ধরনের মিশ্র/সমন্বিত অবস্থা আছে। কিন্তু যখন তিনি বন্ধুকে পরীক্ষার ফলাফল সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন, তখন পর্যবেক্ষক হিসেবে তার সচেতনতা বন্ধুর উত্তর থেকে প্রভাবিত হবে এবং এর ফলে উইগনারও একই উপসংহারে পৌঁছাবেন।
এই ব্যাখ্যায় এখন পর্যন্ত মোটামুটি সব ঠিকঠাক আছে। কিন্তু ধরা যাক, উইগনার তাঁর বন্ধুকে আবার জিজ্ঞেস করে জানতে পারলেন যে এই পরীক্ষার ফলাফল অর্থাৎ বিড়ালের সত্যিকার অবস্থা তাঁর বন্ধু বেশ আগে থেকেই জানেন। মানে উইগনার জিজ্ঞেস করার আগেই। কাজেই উইগনার দৃষ্টিকোণ থেকে ভাবলে মিশ্র ও সমন্বিত অবস্থার দুটি অংশের ভেতর যেকোনো একটি অংশ (বিড়াল জীবিত+বন্ধু প্রসন্ন অথবা মৃত+বন্ধু বিষণ্ন) আছে। কিন্তু তাতে এখনো বন্ধুর অংশটা আছে। কাজেই আবার একটা সমস্যা তৈরি হচ্ছে। কিন্তু উইগনার বলতে চাচ্ছেন, একটা সচেতন পর্যবেক্ষক এবং একটা inanimate পর্যবেক্ষকেরা পরীক্ষা পদ্ধতি (বাক্সের ভেতরের অণু যেমন) কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় সম্পূর্ণ আলাদা দুটি ব্যাপার। কাজেই উইগনারের দৃষ্টিকোণ থেকে বন্ধুকে বিড়ালের সঙ্গে যোগ করে একটা মিশ্র অবস্থা তৈরি করা যাবে না। উইগনারের বক্তব্য হলো, একটা সচেতন পর্যবেক্ষকের জন্য পদার্থবিদ্যার নিয়মগুলো খানিকটা ভিন্ন।
পদার্থবিদ উইগনারের এই সচেতন পর্যবেক্ষকের ধারণা যে সবাই গ্রহণ করেছেন, তা না। অনেক প্রশ্ন আছে। প্রশ্ন হলো, সচেতন পর্যবেক্ষক কাকে বলা হবে? শুধু মানুষকে? বাস্তবতা তাহলে কী? বহু বিশ্বের একটা ধারণা আছে যাতে সচেতন পর্যবেক্ষকের প্রয়োজন পড়ে না। মোট কথা, অনেক পাল্টা যুক্তি আছে। উইগনারস ফ্রেন্ডের কোনো সর্বজনসম্মত বোধ (understanding) এখনো নেই। অন্য ধারণাগুলো নিয়ে অন্য কোনো সময় আলোচনা করা যাবে। আজকে এখানে শেষ করা যাক।
>>>ড. সাজিদ হক: শিক্ষক ও গবেষক, স্ট্রিং থিওরি অ্যান্ড কসমোলজি, ইউনিভার্সিটি অব উইন্ডসর, কানাডা
ই-মেইল: shajidhaque@gmail.com
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অ্যাজমা সম্পর্কে সবাই সচেতন হোন by ডা: মোকসুদ বিল্লাহ

১৯৯৮ সালে GINA (Global Initiative for Asthma) নামক প্রতিষ্ঠান স্পেনের বার্সেলোনাতে ৩৫টিরও বেশি দেশ নিয়ে সর্বপ্রথম ‘বিশ্ব অ্যাজমা দিবস’ পালন করে। চিকিৎসকদের সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় ও নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব আরোপ করা, রোগীদের এর উত্তেজক কারণ সম্পর্কে সচেতন করা এবং কিভাবে এটাকে এড়িয়ে চলা যায়, সে ব্যাপারে পরামর্শ দেয়াই ছিল দিবসটির উদ্দেশ্য।
বেশির ভাগ দেশেই বিশ্ব অ্যাজমা দিবস পালিত হচ্ছে। চিকিৎসকেরা এক হাজার ৮০০ বছর আগেই অ্যাজমা চিনতে পেরেছিলেন। সর্বপ্রথম গ্রিক চিকিৎসক আরটিয়াস অ্যাজমা সম্পর্কে দ্বিতীয় শতাব্দীতে বর্ণনা দেন। অ্যাজমা শব্দটি গ্রিক শব্দ ‘আর্জিন’ থেকে উৎপত্তি হয়েছে। অ্যাজমা হলো ফুসফুসের দীর্ঘ দিনের প্রদাহঘটিত রোগ। যার কারণে বুকে সাঁই সাঁই শব্দ, শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপবোধ এবং কাশি দেখা দেয়।
এটি মানবদেহের অসংক্রামক রোগগুলোর অন্যতম। এটি বংশগত রোগ। যাদের শ্বাসনালী অ্যালার্জির প্রতি অতিসংবেদনশীল তাদের দেখা দেয় অ্যাজমা। বিশ্বে ৩৩৯ মিলিয়ন লোক অ্যাজমাতে আক্রান্ত এবং প্রতিদিন গড়ে ১০০ জন এতে মারা যায়। কম ও মাঝারি আয়ের দেশে এর প্রভাব বেশি। ছেলে শিশুরা আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি। বয়স্কদের ক্ষেত্রে পুরুষদের তুলনায় মহিলারা বেশি আক্রান্ত হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অ্যাজমাতে হঠাৎ করেই মানুষ আক্রান্ত হয়। অ্যাজমাতে শ্বাসনালী চেপে যায়, এতে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। অ্যাজমা তৈরির কারণ হলো অ্যালার্জি। ক্লিমেনস ফন পির্কে নামের একজন অস্ট্রিয়ান শিশু চিকিৎসক ১৯০৬ সালে এই অ্যালার্জি শব্দটি প্রথম প্রয়োগ করেন। যেসব জিনিস থেকে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া হয় তাকে বলে ‘অ্যালার্জিন’। অ্যালার্জি হলো নির্বিষ প্রোটিন। যা সাধারণত সুস্থ মানবদেহে কোনো ধরনের সমস্যা করে না। যারা নির্দিষ্ট কোনো অ্যালার্জিক বস্তুর প্রতি সংবেদনশীল, তাদের শরীরের সাথে প্রত্যক্ষ সংযোগ ঘটলেই প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। সাধারণত ফুল, ফুলের পরাগরেণু, ঘাস, গাছপালা, ছত্রাক, বিভিন্ন ধরনের গ্যাস, বেডিং, কার্পেট, ফার্নিচার, আরশোলা, কৃমি, ইয়েস্ট, ধূমপান, বায়ুমণ্ডলের দূষণ ও ধুলা, ধোঁয়া, আবহাওয়ার পরিবর্তন ও তারতম্য, ঝড়-বৃষ্টি, কলকারখানার দূষণ, ঠাণ্ডা বাতাস, ঘাম, আইকা, তারপিন, ওয়াশিং পাউডার, সিনথেটিক রাবার, বার্নিশ, প্লাস্টিক, ধাতব পদার্থ : প্লাটিনাম, নিকেল, ক্রোমিয়াম, কোবাল্ট, পারফিউম, স্প্রে, অটোমোবাইলের টক্সিন, হাসপাতালের রাবার গ্লাভস, পেনিসিলিন, টেট্রাসাইক্লিন ইত্যাদি কারণে মানুষ অ্যাজমায় আক্রান্ত হয়। তা ছাড়া মানসিক দুশ্চিন্তা, উত্তেজিত হওয়া, মানসিক অসুস্থতা, ঝগড়া-বিবাদ, মনোমালিন্য, আবেগ, ব্যায়াম ইত্যাদি কারণেও অ্যাজমা হয়। পোষাপ্রাণী- বিড়াল, কুকুর, ইঁদুর, গরু, ছাগল, প্রাণীর পশম, কবুতর, মুরগি, পাখির পশম, বিভিন্ন ধরনের খাবার- গরুর গোশত, গরুর দুধ, চিংড়ি মাছ, ইলিশ মাছ, সাগরের মাছ, হাঁসের গোশত, বাদাম, শাকসবজি, অ্যালকোহল, কফি, ঝাল জাতীয় খাবার, ফ্রিজের ঠাণ্ডা খাবার, ফলের রস, পানীয়, অনিয়মিত খাবার গ্রহণ এবং অধিক মোটা হওয়ার কারণেও মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয়।
এ ছাড়াও অ্যাজমা হওয়ার কারণের মধ্যে রয়েছে সিজারিয়ান, টিকা দেয়া, রাস্তার পাশে বসবাসকারী শিশু, যে সব শিশু নির্দিষ্ট সময়ের আগে জন্মগ্রহণ করে, অল্প বয়সী মায়েদের শিশু এবং যে মায়েরা গর্ভকালীন ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবন করে তারা এতে আক্রান্ত হয়। কিছু রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে অ্যাজমায় আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি, যেমন- Gastro-esophageal reflux, ডায়াবেটিস মেলিটাস, লিভার ডিজিজ ইত্যাদি। বর্তমানে মোবাইল ফোন, টিভি থেকেও অনেকে অ্যাজমায় আক্রান্ত হচ্ছে।
অ্যাজমা থেকে বাঁচার জন্য অ্যালার্জিনকে এড়িয়ে চলতে হবে। অ্যালার্জিক খাবার খাওয়া যাবে না। কিন্তু বিশেষ অসুবিধা হচ্ছে তাদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করা। খাবারে কারো অ্যালার্জি আছে কি না তা পরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট খাদ্যের লঘু দ্রবণ জিভের তলায় কয়েক ফোঁটা দিয়ে দেখা হয়, জিভ বা ঠোঁটের কোণ স্ফীত হলো কি না।
অ্যাজমা থেকে বাঁচতে হলে রোগীকে অবশ্যই এর উত্তেজক কারণ সম্পর্কে জ্ঞান দিতে হবে এবং এগুলো এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিতে হবে। কার্পেট এবং তুলা বা পশমের তৈরি জিনিসপত্র বাসাবাড়িতে রাখা উচিত হবে না। যে সব পোষা প্রাণীর পশম, ধুলাবালু উত্তেজক কারণ হিসেবে ভূমিকা রাখে, সেগুলো বাদ দিতে হবে। পোষা প্রাণী এড়িয়ে চলতে হবে, ধূমপান বাদ দিতে হবে, ধূমপানের গন্ধ যেন নাকে না যায়, সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রতিদিন বালিশের কভার, তোয়ালে, বিছানার চাদর পরিষ্কার করতে হবে। সম্পূর্ণ বাড়ি সপ্তাহে একদিন পরিষ্কার করতে হবে। বায়ুদূষণ, কলকারখানার ধোঁয়া এবং অন্যান্য উত্তেজক ধোঁয়া এড়িয়ে চলতে হবে। ফ্লোরে এবং স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় ঘুমানো বন্ধ করতে হবে। শ্বাসনালী ভালো রাখতে হলে নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে আট গ্লাস পানি খেতে হবে। প্রতিদিন কিছু সময় জোরে জোরে শ্বাস নেয়ার অভ্যাস করতে হবে। ইতিবাচক মনোভাবে মানিয়ে চলতে হবে। ভরা পেটে ঘুমানো ঠিক নয়।
অ্যাজমা হলে বাড়িতে থাকা অবস্থায় রোগীকে মুখের মাধ্যমে শ্বাস নিতে বলতে হবে। অল্প করে বারবার নরমাল পানি পান করতে বলতে হবে, যাতে কফ তরল হয়ে বের হতে পারে। পর্যাপ্ত অক্সিজেন আছে এ ধরনের পরিবেশে থাকতে বলতে হবে। কথা বলা, হাসাহাসি এবং উত্তেজিত হওয়া পরিহার করে, চলাফেরা এড়িয়ে স্থির হয়ে বসে থাকবে অথবা তার যে অবস্থায় ভালো লাগে সে অবস্থায় থাকবে। যদি রোগীর অবস্থা খারাপের দিকে যেতে থাকে, অর্থাৎ শ্বাসকষ্ট ক্রমাগতভাবে বাড়তে থাকে, চোখ মুখ নীল বর্ণ হয়ে যেতে থাকে, খুবই অস্থিরতা অনুভব করে, নাড়ি বাড়তে থাকে, প্রচুর ঘাম হতে থাকে, একটা লাইন কথা একেবারে বলতে না পারে, তন্দ্রা খুবই অনুভব করে, তাহলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতির মতো হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায়ও অ্যাজমার ভালো ওষুধ আছে। যেমন- ব্রায়োনিয়া, আর্সেনিক অ্যালবাম, পালসেটিলা, স্পঞ্জিয়া, একোনাইট, নাক্স ভম, সালফার ইত্যাদি। স্টেরয়েডবিহীন, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত, শক্তিকৃত এবং একক ওষুধের মাধ্যমে অ্যাজমা রোগীদের ভালোভাবে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব। এ জন্য দরকার দক্ষ ও উচ্চতর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসক।
লেখক : অ্যাজমা বিশেষজ্ঞ; নির্বাহী পরিচালক : ইনস্টিটিউট অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন অ্যান্ড রিসার্চ, নিকুঞ্জ-২, খিলক্ষেত, ঢাকা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ▼ 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...