Monday, September 16, 2019
একতরফা অনেককেই ভালবেসেছিলাম: -শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় by কাজল ঘোষ

ছেলেবেলায় ময়মনসিংহের সময়কাল মনে করে খ্যাতনামা এই লেখক বলেন, এটা আমার জন্মভূমি। দেশভাগের বাস্তবতায় আজ ওপাড়ে। তবুও পরিযায়ী পাখির মতো আমি এখানে ছুটে আসি।
নিজের লেখক সত্ত্বা নিয়ে নিজেরই প্রশ্ন। শীর্ষেন্দু মনে করেন, তিনি বাইচান্স লেখক। বলেন, লেখক হব এমন চিন্তা মাথায় নিয়ে লিখেছি বিষয়টি তা নয়। আমি আসলে বাই চান্স লেখক। প্রথাগত লেখক সংজ্ঞার মধ্যে আমি পরি না।
ছেলেবেলায় দুরন্ত ছিলাম। এতটাই দুরন্ত ছিলাম যে আমার ডাক নাম হয়ে গেল দুষ্টুর সমার্থক। পাড়ার সকলে রুনু নামে ডাকত। পাড়ায় কোন দুষ্টু ছেলে মেয়ে দেখলে বলত এটা রুনুর মতো হয়েছে। খেলাধুলা ছিল আমার পছন্দের বিষয়। আর বই পড়ার অভ্যেস ছিল। হাতের কাছে যা পেতাম তাই পড়তাম।
জীবনে প্রেম করতে পারেন নি শীর্ষেন্দু মুখোপাধায়। বলেন, আমার কোনও প্রেমিক ছিল না। আমার প্রেমগুলো ছিল একতরফা। একতরফাভাবে আমি অনেককেই ভালবেসেছিলাম। পরে একজনই আমাকে ভালবেসেছিল। যাকে পেয়ে যাওয়ায় আর কাউকে খুঁজতে হয়নি। এখনও পর্যন্ত সেই আছে আমার সঙ্গে।
সাম্প্রতি সময়ে ভারত সরকারের করা এনআরসি নিয়ে তিনি বলেন, এনআরসির নামে আসামে যা হচ্ছে তা বিপজ্জনক। সরকার যেভাবে তাড়াতে চাইছে সেটা সম্ভব নয়। এতগুলো লোককে এভাবে তাড়ানো সম্ভব এটা মনে হয় না। পশ্চিমবঙ্গের চিত্র ভিন্ন। সেখানে ব্যাবসায়িক, চাকরিসহ নানা কারণে বহু ধরণের লোকের বাস। তাছাড়া পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এর বিরুদ্ধে।
বাংলা ভাষা কি সঙ্কটে আছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বাংলা হচ্ছে ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম ভাষা। ভাবুনতো যদি এর সঙ্গে বাংলাদেশ যুক্ত হতো; বাংলাদেশ যদি আলাদা রাষ্ট্র না হতো তাহলে বাংলা হতো পুরো ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রভাষা। কাজেই সব মিলিয়ে যে পরিস্থিতি তাতে বাংলা ভাষা কোন ধরণের হুমকিতে আছে আমার কাছে তা কখনই মনে হয় না।
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের অনেক লেখায় চোরদের প্রতি মমতার প্রকাশ রয়েছে। আবার ভুতদেরও তিনি তাঁর লেখায় এঁকেছেন অনেক মানবিকভাবে। বিজ্ঞানমনষ্কতার এ যুগে এগুলো একধরণের রহস্যের জন্ম দেয়। শীর্ষেন্দুর সোজা সাপটা জবাব, চোরদের নিয়ে আমি নির্মম হতে পারি না। মনে হয়, চোর আমার বাসায় এলে তাকে কাছে বসিয়ে দু চারটি কথা বলি। চোর ডাকাত এই চরিত্রগুলো নানাভাবে আমাকে ভাবায়। ভুত বিষয়ক অনেক লেখা পড়ে বাচ্চারা আমাকে ফোন করে বলে, যে সে আর ভুতকে ভয় পাচ্ছে না। তখন আমার ভাল লাগে। মনে হয়, যাক লেখাটি মনে ধরেছে।
আশির্ধ্বো এই লেখকের জীবনবোধ, সাহিত্য চর্চা, লেখক হওয়া, নানা বিশ্বাসে বন্দি জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। পাঠকের সঙ্গে মিলিত হয়েছেন বাতিঘরে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাসি হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা প্রাক্তন স্বামীর by রুদ্র মিজান

র্যাব জানিয়েছে, গত ১লা মে হাসিকে হত্যা করে সোহেল। ওই দিন সকাল সাড়ে ৮টায় হাসির ভাড়া বাসায় জোর পূর্বক প্রবেশ করে সে। হাসির কাছে টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে বেদম মারধর করে হাসিকে। চোখে এবং মাথার মারাত্বক আঘাত প্রাপ্ত হয়ে অজ্ঞান হয়ে ফ্লোরে পড়ে যান হাসি। সোহেলের পা ধরে জীবন ভিক্ষা চান। বাঁচার আকুতি জানান। কিন্তু মন গলে না সোহেলের। হাসির চুল ধরে
ফ্লোরের টাইলসের সঙ্গে উপর্যুপরি মাথায় আঘাত করতে থাকে। একপর্যায়ে খাটের নীচে থাকা ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে দেয়। এক পর্যায়ে আশপাশের লোকজন গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতলে ভর্তি করে তাকে। অবশেষে নিউরোলজী সায়েন্সের আইসিওতে লাইফ সাপোর্টে ছয় দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে গত ৭ ই মে মারা যান হাসি।
হত্যাকাণ্ডের চার মাস আগে সোহেল রানার সঙ্গে বিয়ে হয় হাসি আক্তারের।বিয়ের পর পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সোহেলসহ তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মনোমালিন্য দেখা দেয় হাসির। শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন তিনি। বাধ্য হয়েই হত্যাকাণ্ডের দুই মাস আগে সোহেলকে ডিভোর্স দেন।
বিবাহ বিচ্ছেদের পরে হাসি আক্তার মানসিক বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। তারপরও বেঁচে থাকার তাগিদে তিনি একটি এনজিওতে চাকরি নেন। সাভার থানার আমীন বাজারের শিবপুরে নাজিম উদ্দিনের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস শুরু করেন। ডির্ভোস হলেও হাসির সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখতে নানা কৌশল অবলম্বন করে সোহেল। অফিসে যাওয়া আসার পথে উত্যক্ত করে তাকে। এমনকি টাকাও দাবি করে। এসব বিষয়ে কঠোর হলে হাসিকে হত্যার পরিকল্পনা করে সোহেল। অবশেষে বাসায় গিয়ে হাসিকে হত্যা করে সে।
এ ঘটনায় হাসির মা বাদি হয়ে সাভার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পলাতক সোহেল রানাকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।গ্রেপ্তার সোহেল রানা ব্রাহ্মনবাড়ীয়া জেলার নবীনগর থানার বিদ্যাকুট গ্রামের আবুল কাশেমের পুত্র।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চাই না এমন ছাত্র রাজনীতি by কাজল ঘোষ

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাই। উদ্দেশ্য পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন। বিষয় টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র। মধুর ক্যান্টিন। টিএসসি। ডাস চত্বর। কলাভবন। অপরাজেয় বাংলা। সবকিছু যেন ইতিহাসের পরিক্রমা। এক গৌরবময়তায় ঠাসা। ভাল লাগে এসব। ঘুরে বেড়াই। সতীর্থদের নিয়ে হাকিম চত্বর, মল চত্বর আর শ্যাডোতে ইয়ার্কি মারি। এ যেন এক অন্য ভুবন। পড়া আর শোনা। চলচ্চিত্রের বাঘা বাঘা সব পরিচালকদের ফিল্মি দুনিয়ার নাটবল্টু নিয়ে গবেষণা করা। শাহবাগ থেকে চারুকলা পার হয়ে নজরুলের মাজার ধরে এগুলেই মধুর ক্যান্টিনে যাওয়ার আগে সমাজকল্যাণ বিভাগের ভবন। বন্ধুদের জন্য ডিপার্টমেন্টের খোলা চত্বরে দাঁড়িয়ে আছি। আর তখনই সাদা অ্যালিয়ন গাড়ির আগমন। যাকে ঘিরে মূল রাস্তা থেকে মধুর ক্যান্টিন পর্যন্ত ভিড়।
ভাষা আন্দোলন। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান। সত্তরের নির্বাচন পরবর্তী ছাত্র রাজনীতি। নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী গণ-আন্দোলনে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের ভূমিকা। ধারাবাহিক এ ঘটনাপ্রবাহ মনে করিয়ে দেয় ছাত্র রাজনীতির গৌরবময় ভূমিকার কথা। আর দু হাজার পনের পরবর্তী ছাত্র রাজনীতি। শুধুই টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাস্তানি, মাদকে পূর্ণ।
বাহ, অনেক উন্নতি হয়েছে ছাত্র রাজনীতির। ছাত্র নেতারা এখানে নিজেদের শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করে না। কোন কাজ না করেও সরকারি দলের ছাত্র সংগঠনের বাড়ি, গাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট অনেক ক্ষেত্রে দলের সিনিয়র অনেক নেতাদেরও ছাড়িয়ে।
কদিন আগে উবার মোটোতে চড়েছি। কিছুদূর যাবার পর কর্তব্যরত সার্জেন্ট পুলিশ মোটো চালককে তার কাগজপত্র প্রদর্শন করতে বললে সে জানায়, সে ছাত্রলীগ করে। নরম সুরে কিছু বলে সার্জেন্টকে বাইকটি ছেড়ে দিতে দেখলাম। গ্রামের বাড়ি থেকে ট্রেনে ঢাকায় ফিরছি। নরসিংদী জংশন থেকে একদল ছাত্র ওঠেছে। সবার হাতেই টাচ ফোন। সবাই দেশ চালাবার নানা ফন্দি ফিরিস্তি নিয়ে আলোচনায় মত্ত। যখনই টিকিট দেখতে চেয়েছে তখন সমস্বরে বলে ওঠলো, বুঝুইন না। টিহিট ছাইন যে? মিঁউ মিঁউ সুরে টিকিট চেকার আফনেরা কই জন ইডাতো কইবাইন? এক হোমরার আওয়াজ, আ্যই সমানে যা। কথা কম। তারপর একের পর এক আশপাশের যাত্রীদের সিট দখল, নয়তো জোর করে চেপে বসে পরা চলে কিছুক্ষণ। এরা সবাই নাকি ছাত্রলীগ। মনে হলো, এটাতো খুউব সামান্য। যেখানে কিছুই হচ্ছে না ছাত্রলীগকে ট্যাক্স না দিলে সেখানে এটা অল্পই। সামগ্রিক চিত্রতো আরও খারাপ।
একটি জাতীয় দৈনিকে ছবি ছাপা হয়েছে ছাত্রলীগ সভাপতি ফিরছেন ঢাকায়। সিলেট এয়ারপোর্টে বিমান ঘিরে ভিড়। সবাই তাদের নেতাকে বিদায় দিচ্ছেন। বিমানবন্দরে কিসের নিরাপত্তা, কিসের কি? ছাত্রলীগ বলে কথা। অথচ দেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য ভিড় দেখা যায় না বিমানবন্দরে। এগুলো ছোট ছোট মাসলম্যানগিরির উদাহরণ। এমনটা হাজার বলা যাবে। বর্তমান সময়ে খোদ দলের প্রধানই এ নিয়ে ফাইল তলব করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কমিশন বাণিজ্যের রেট নিয়ে আলোচনা এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সরব। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক ব্যবসা আর টাকার বিনিময়ে কমিটি গঠন ছাত্রলীগের আয়ের প্রধান উৎস। অভিযোগ আকারে বিষয়গুলো দীর্ঘদিন ধরে এলেও এবার ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই নেতৃত্ব তা প্রমাণ করলেন। সবশেষ জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হল নির্মাণে কমিশন চাওয়ার ঘটনাটি আলোচনায় এলে সবার টনক নড়ে। গণমাধ্যমকে ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম রাব্বানী বলেছেন, এটা তাদের ন্যায্য পাওনা। ঈদের খরচের জন্যই তা চাওয়া হয়েছিল। ধন্যবাদ দিতে হয় জাবি উপাচার্যকে। তিনি গণভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি জানিয়ে এসেছেন। নাহলে ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের অভিযোগ শুধু মৌখিক আলোচনাতেই সীমাবব্ধ থাকত।
ছাত্রলীগের বাইরে অপর বড় ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলও আলোচনায়। বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় হল দখল আর টেন্ডারবাজি নিয়ে তারাও ছিল আলোচনায়। তবে ছাত্রদল সবচেয়ে বয়সিদের দখলে থাকা সংগঠনের তকমা পেয়ে আসছে অনেক দিন থেকেই। এখানে কারও বয়স বাড়ে না। ছাত্রদলের কাউন্সিল নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।
কিন্তু সব ছাপিয়ে বড় একটি প্রশ্ন কি হবে এই ছাত্র রাজনীতি দিয়ে? যেখানে পড়াশোনা নিয়ে কোনও আলোচনা নেই, ছাত্রদের কল্যাণে কোন ভূমিকা নেই, সমাজের আপদকালীন মুহূর্তে কোন তৎপরতা চোখে পরে না। ডেঙ্গু সমস্যা বলি, দুর্নীতি বলি, মাদকের ব্যাপকতা বলি কোথাও সমাজ বিনির্মাণে তাদের অবদান নেই। এমন ছাত্ররাজনীতির প্রয়োজন আদৌ আছে কি?
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীর: মৃত্যু পর্যন্ত যুদ্ধ করবে পাকিস্তান

তিনি আরো যোগ করেন কাশ্মীর ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া ও ইউরোপীয়ান দেশগুলোর দ্বারস্থ হয়েছে পাকিস্তান। ভারত কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন বাতিল করার সিদ্ধান্তের পর বিশ্বজুড়ে এ ইস্যুতে হালকা যে প্রতিক্রিয়া হয়েছে সে বিষয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেন ইমরান খান। তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যজনক হলো, সবকিছু বড় বাজার সংক্রান্ত, কিছু দেশ বড় বাজার দেখছে, তরা ভারতকে ১০০ কোটি মানুষের একটি বড় বাজার হিসেবে দেখছে। তারা এটা অনুধাবন করছে না যে, তারা যদি এখনই হস্তক্ষেপ না করে, তাহলে এতে যে করুণ পরিণতি বয়ে আনবে তাতে শুধু এই উপমহাদেশই ক্ষতিগ্রস্ত হবে এমন নয়। পুরো বিশ্বের বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এতে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সম্ভাব্য পারমাণবিক যুদ্ধ
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে যোগ দিতে গিয়ে বলেছেন, কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ‘দুর্ঘটনাক্রমে যুদ্ধ’ শুরু হয়ে যেতে পারে। এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত কিনা তা জানতে চাইলে ইমরান বলেন, অবশ্যই একমত। এখন যা ঘটছে তা হলো, ভারত বড় মাপের অথবা ছোট মাপের গণহত্যা চালাচ্ছে। জনগণের ওপর যে জাতিগত আক্রমণ করা হচ্ছে, আমার মনে হয় না নাৎসী জার্মানির পর তা প্রত্যক্ষ করা গেছে আর কোথাও। ৬ সপ্তাহ ধরে কাশ্মীরে অবরুদ্ধ ৮০ লাখ মুসলিম। যে কারণে ইস্যুটি ভারত ও পাকিস্তানের উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে তা হলো, অবৈধ দখলদারিত্ব সম্প্রসারণ ও কাশ্মীরে গণহত্যার দিক থেকে দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে ভারত। তারা সন্ত্রাসে সমর্থন দেয়ার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে মনোযোগ ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। গত ফেব্রুয়ারিতে কাশ্মীরের একটি তরুণ আত্মঘাতীয় হামলা চালিয়েছিল ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি বহরে। ওই সময়ও এই একই কাজ করেছিল ভারত। এ জন্য তারা পাকিস্তানকে দায়ী করেছিল এবং পাকিস্তানে বোমা মেরেছিল। তাই আমাদের আশঙ্কা, আবারও সেই একই ঘটনা ঘটবে। কারণ, তারা কাশ্মীরে যা করছে তার প্রতিক্রিয়া হবে। এরপর তারা দায়ী করবে পাকিস্তানকে। উদ্দেশ্য কাশ্মীরে গণহত্যা থেকে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি সরিয়ে নেয়া।
কখন পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্র প্রথম ব্যবহার করা হবে এ বিষয়ে পাকিস্তানের নীতি সম্পর্কে ইমরান খান বলেন, কোনোই দ্বিধা নেই। আমি বলেছি, পাকিস্তান কখনো আগে যুদ্ধ শুরু করবে না। এ বিষয়ে আমি আবারও পরিষ্কার করে বলছি। আমি শান্তিকামী, যুদ্ধবিরোধী। তা সত্ত্বেও আমি পরিষ্কার করে বলছি, যখন দুটি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী দেশ যুদ্ধ করে- যদি তা প্রচলিত যুদ্ধও হয়- তবু তা একটি পারমাণবিক যুদ্ধে রূপ নেয়ার খুব বেশি সম্ভাব্যতা থাকে। যদি এমন প্রচলিত যুদ্ধ করতেই হয় তাহলে নিজেদের স্বাধীনতার জন্য মৃত্যু পর্যন্ত লড়াই করবে পাকিস্তান।
ইমরান খান বলেন, যখন পারমাণনিক অস্ত্রধর একটি দেশ মৃত্যু পর্যন্ত লড়াই করে, তখন এ যুদ্ধের ফলে করুণ পরিণতির সৃষ্টি হয়। এ জন্যই আমরা জাতিসংঘ ও প্রতিটি আন্তর্জাতিক ফোরামের দ্বারস্থ হচ্ছি এবং তাদেরকে এখনই পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানাচ্ছি। কারণ, এমন যুদ্ধ, বিপর্যয় ভারত উপমহাদেশের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে।
জাতিসংঘকে যে বার্তা দেবেন
এ মাসেই শেষের দিকে বসছে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন। তাতে যোগ দেবেন ইমরান খান। সেখানে কাশ্মীর ইস্যুটি তুলে ধরবেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে আমি জলবায়ুু পরিবর্তন নিয়ে কথা বলবো। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে যে কয়েকটি দেশ আছে তার মধ্যে পাকিস্তান অন্যতম। এ নিয়ে বিস্তারিত কথা বলবো। এরপরে কথা বলবো ইসলামভীতি নিয়ে। এই ইসলামভীতির কারণে মুসলিমরা দুর্ভোগের শিকার হন, বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলোতে এবং অবশ্যই ভারতে। কাশ্মীরে যা ঘটছে তাতে আমার আলোচনার প্রধান বিষয় হবে কাশ্মীর পরিস্থিতি।
সংলাপ
ভারতের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে তার মত জানতে চাইলে ইমরান বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের সময় থেকেই, সেটা গত আগস্ট, বলে আসছি, বার বার ভারতের সঙ্গে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছি। আমরা সভ্য প্রতিবেশীর মতো বসবাস করার জন্য এমন আহ্বান জানিয়েছি। আমাদের মধ্যকার মতপার্থক্য দূর করার আহ্বান জানিয়েছি। তিনি আরো বলেছেন, একমাত্র কাশ্মীর সমস্যার সমধান হতে হবে রাজনৈতিকভাবে। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্যের গুরুত্বটা এখানেই। দুই দেশই দারিদ্র্যের কারণে ভুগছে। জলবায়ুু পরিবর্তনের দুর্যোগ থেকে ভুগছে দুই দেশই। আমাদের উভয়ের রেেছ একই রকম সমস্যা। তাই আমি তাদের দ্বারস্থ হয়েছি এবং বলেছি, আসুন আলোচনা শুরু করি। আমাদের মতভেদ দূর করি। আমি বার বার এটা চেষ্টা করেছি। কিন্তু আমি এখন বুঝতে পেরেছি তা ভুলভাবে দেখা হয়েছে। এই ডানপন্থি বিজেপির বর্ণবাদী, ফ্যাসিস্ট সরকার আমাদেরকে এমনভাবে দেখছে, মনে হচ্ছে আমরা তাদেরকে দেখে ভয় পেয়ে গিয়েছি। তারা এটাকে আত্মতুষ্টি হিসেবে দেখছে।
ট্রাম্পের প্রস্তাব
৫ই আগস্ট কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন বাতিল করে ভারত। এর আগেই কাশ্মীর সঙ্কট সমাধানে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু ভারত বিষয়টিকে দ্বিপক্ষীয় বলে তার সেই প্রস্তাব উড়িয়ে দিয়েছে। বলেছে, এ সঙ্কট সমাধান হতে হবে শুধু ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আলোচনায়। তবে লক্ষ্য করার বিষয়, এখন ভারত বলছে তারা পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করতে পারে শুধু পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীর ইস্যুতে। এসব ইস্যুতে আল জাজিরাকে ইমরান খান বলেছেন, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের ডনাল্ড ট্রাম্প। এমন প্রস্তাব দেয়ার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই। যদি তিনি এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন, গুরুত্ব দিয়ে হস্তক্ষেপ করেন, তাহলে এ সমস্যার একটি সমাধান হবে বলে নিশ্চয়তা দেয়া যায়। ইমরান খান বলেন, দ্বিতীয়ত, যদি তারা সরাসরি হস্তক্ষেপও না করে, তবু জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে তাদের ক্ষমতা আছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কূপ থেকে উদ্ধার ৪৪টি মরদেহ শনাক্ত করেছেন মেক্সিকোর বিজ্ঞানীরা

মেক্সিকোর ওই অঞ্চলের বাসিন্দারা প্রথমে সেখান থেকে আসা দুর্গন্ধের অভিযোগ করার পর সেপ্টেম্বরের গোড়ার দিকে মানবদেহের ওই অংশগুলো উদ্ধার করে কর্তৃপক্ষ। দেশটির মাদক সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হলো জেলিস্কো। এটা সহিংসতাপূর্ণ রাজ্যগুলোরও অন্যতম একটি। চলতি বছর এ রাজ্যে মরদেহের সন্ধান পাওয়ার এটা দ্বিতীয় বড় ঘটনা।
মানবদেহগুলোর বেশিরভাগ অংশ কেটে ফেলা হয়েছিল, এজন্য কর্তৃপক্ষকে ওইগুলো শনাক্ত করতে বিভিন্ন অংশ একত্র করতে হয়। তবে এখনও অনেক অংশ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় একটি সংস্থা যারা নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ করে। তারা শনাক্তকরণে সহায়তার জন্য আরও বিশেষজ্ঞ পাঠানোর জন্য সরকারের কাছে আবেদন করেছে। তারা জানিয়েছে, স্থানীয় ফরেনসিক বিভাগ ওই কাজে নিযুক্ত, তবে তাদের এ কাজ সম্পন্ন করার মতো প্রয়োজনীয় দক্ষতা নেই।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে লড়তে সেনাবাহিনী মোতায়েনের পর থেকে মেক্সিকোতে মাদক সংশ্লিষ্ট সহিংসতা বেড়েছে। তখন থেকে দুই লাখেরও বেশি মানুষ হত্যার শিকার হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে ৩৭ হাজার মানুষ। স্বজনদের অভিযোগ, নিখোঁজ বা গুম যাওয়া ব্যক্তিদের সন্ধান পেতে মেক্সিকো সরকার খুব বেশি সক্রিয় নয়। এর আগেও ২০১৭ সালের মার্চে ভেরাক্রুজ রাজ্যের একটি গণকবর থেকে ২৫০টি মাথার খুলি উদ্ধার করা হয়। তার আগে গুয়েরেরো রাজ্যের ৪৩ জন শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়ে গেলে তাদের সন্ধান করতে গিয়ে বেশ কয়েকটি গণকবরের সন্ধান পাওয়া যায় ওই রাজ্যে। ৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার এমন আরও একটি গণকবরের সন্ধান পায় কর্তৃপক্ষ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আলোচনায় শোভন রাব্বানীর বিলাসী জীবন

নেতা হওয়ার আগে স্বাভাবিক জীবনযাপন করলেও দেশের বৃহৎ ছাত্র সংগঠনটির দায়িত্ব নেয়ার সঙ্গে সঙ্গে যেন আলাদিনের চেরাগ হাতে পেয়েছিলেন তারা। শোভন-রাব্বানীর বিলাসবহুল জীবন নজর কাড়তো সবার। দুই নেতাই বসবাস করতেন বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে। তাদের আবাসস্থল ঘিরে রাত দিন থাকতো নেতাকর্মীদের জটলা। দুই জন দুপুর গড়িয়ে বিছানা ছাড়তেন। চলাফেরা করতেন দামি গাড়িতে। ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র বলে এ সংগঠনের কোন নেতা বা কর্মী কোন ধরণের ব্যবসা বাণিজ্যে যুক্ত থাকতে পারবেন না। কিন্তু গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করেই ব্যবসায় জড়ান সাধারণ সম্পাদকের পদ হারানো গোলাম রাব্বানী।
শোভন-রাব্বানী দু’জনে রাজধানীর কাঁঠালবাগান ও হাতিরপুলে ভাড়া ফ্ল্যাটে থাকতেন। কাঁঠালবাগানে শোভন যে বাসায় থাকেন এর মাসিক ভাড়া ৭০ হাজার টাকা। আর হাতিরপুলে ২ হাজার ৬০০ বর্গফুটের একটি ফ্লাটে থাকেন রাব্বানী। এর জন্য ৪০ হাজার টাকা ভাড়া দিতে হয়। নেতাকর্মীদের মধ্যে বলাবলি আছে মোতালেব প্লাজার ১৪০১ নম্বর ফ্লাটটি রাব্বানীর ক্রয় করা। এছাড়াও নেতা হওয়ার পর রাব্বানী টয়োটা কোম্পানির নোয়া মডেলের একটি মাইক্রোবাস ব্যবহার শুরু করেন। শোভনেরও রয়েছে এমন একটি গাড়ি। রাব্বানী ডাকসু নেতা হওয়ার পর ডাকসু ভবনে নিজের জন্য বরাদ্দকৃত কক্ষে এসি লাগিয়েছেন। যদিও ডাকসুর অন্য নেতাদের কক্ষে কোন এসির ব্যবস্থা নেই। ছাত্রলীগের বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, হাতিরপুলে ‘দ্য পারফেক্ট কাট’ নামে বিলাসবহুল সেলুনটিরও মালিক গোলাম রাব্বানী। এছাড়া ঢাকার বাইরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ নেতাই আকাশ পথ ব্যবহার করতেন। নিয়ম ভেঙে বিমানবন্দরে তাদের প্রটোকল দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
শুধু শোভন বা রাব্বানীই যে বিলাসী জীবন যাপন করতেন তা নয় তাদের সময়ে কেন্দ্রীয় ও হল ছাত্রলীগের দায়িত্বে থাকা অনেক নেতাও এমন বিলাসী জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। তাদের অনেকেই নতুন গাড়ি, মোটরবাইকে চলাচল করতে দেখা যায়। এসব নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা হওয়ার পর শোভন-রাব্বানী সংগঠন থেকে নিজেকে নিয়েই বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ১১১টি সাংগঠনিক শাখার মাত্র দু’টিতে তারা কমিটি দিয়েছেন গত ১৪ মাসে। তিনটিতে সম্মেলন হলেও কমিটি গঠনের খোঁজ নেই। ভাই রাজনীতির কারণে বিভিন্ন কর্মসূচিও প্রাণহীন ছিল। নিয়মিত রাত জেগে ছাত্র রাজনীতির আতুরঘর বলে পরিচিত মধুর ক্যান্টিনেও ছিলেন অনিয়মিত। কখনো কখনো আসলেও অবস্থান করতেন কম সময়। শুধু মধুর ক্যান্টিন নয়, বঙ্গবন্ধু এভিনিউর দলীয় কার্যালয়েও তাদের দেখা মেলতো না। দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র সাতবার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়েছিলেন তারা। কার্যনির্বাহী কমিটির সভাও হয়নি নিয়মিত। ১০ মাস পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে মাত্র ১টি কার্যনির্বাহী সভা করেছেন শোভন-রাব্বানী। সেটি শুরু করতে চার ঘণ্টা বিলম্ব করেছিলেন। যার কারণে উপস্থিত অনেকে সে সময় ক্ষোভ প্রাকশ করেছিলেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন তীব্র গরমের মধ্যেও শুরু করতে প্রায় চার ঘণ্টা বিলম্ব করেছিলেন শোভন-রাব্বানী। শোভন-রাব্বানীর উপস্থিত হতে দেরী হওয়ায় সম্মেলন শুরু হতেও বিলম্ব হয়। তীব্র গরমে সেদিন ওয়াসি নামে ছাত্রলীগের এক কর্মী সম্মেলনস্থলে অসুস্থ হয়ে মারা যান। এর জন্য শোভন-রাব্বানীকে দায়ী করা হয়।
শুধু তাই নয় সেদিন শোভন-রাব্বানী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও বসিয়ে রাখেন বেশ কিছু সময়। এছাড়াও বিভিন্ন কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের অনেক সিনিয়র নেতার পর হাজির হতেন শোভন-রাব্বানী। যেটাকে শিষ্টাচার বহির্ভূত বলেই মনে করেন আওয়ামী লীগের নেতারা। ছাত্রলীগের দায়িত্বে থাকা চার নেতাসহ আওয়ামী লীগের অনেক জ্যেষ্ঠ নেতার ফোনও রিসিভ করতেন না তারা। সাংবাদিকরাও মুঠোফোনে পেতেন না শোভন-রাব্বানীকে। সর্বত্রই ‘আপার (শেখ হাসিনা) ছাত্রলীগ’ বলে নিজেদের জাহির করতেন তারা। কিন্তু সংগঠন শক্তিশালী করার কোন উদ্যোগ ছিল না। ছিলেন চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও কমিটি বাণিজ্যের মতো জঘন্য সব অভিযোগে অভিযুক্ত। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের বরাদ্দ থেকে ৪ থেকে ৬ শতাংশ কমিশন দাবি করেন শোভন রাব্বানী। বিষয়টি নিয়ে পাল্টাপাল্টির মধ্যে রাব্বানীর সঙ্গে জাবি ছাত্রলীগের কথোপকথনের একটি অডিও টেপ প্রকাশ হয়েছে।
টাকার বিনিময়ে কমিটি গঠনের বিষয়টিও সামনে আসে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিবের টাকার বিনিময়ে নেতা হওয়ার অডিও ক্লিপ ফাঁস হয় গেল সপ্তাহে। যেখানে তিনি ৪০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে নেতা হওয়ার তদবির করেন। এদিকে গত ১৩ই সেপ্টেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদীন রাসেল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে দাবি করেছেন রাব্বানী কমিটি ঠিক করে দিতে তাদের কাছে মাসিক চাঁদা দাবি করেছেন। জয়নুল আবেদনী রাসেল স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘জনাব রাব্বানী সাহেব, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটি স্থগিত করে আমাকে আর তরিকুলকে ডেকে নিয়ে মাসে কত টাকা করে যেন চেয়েছিলেন কমিটি ঠিক করে দেয়ার জন্য? আর জগন্নাথের নতুন ক্যাম্পাসে বালু ভরাটের কাজের জন্য যে ঠিকাদারটা পাঠিয়েছিলেন তার নাম মনে আছে? বালু ভরাট ঘনফুট কত টাকা করে যেন বলেছিলেন? আপনি ভুলে গেলেও আমি ভুলি নাই। সেগুলো প্রমাণসহ দেওয়া হয়েছে। আমাদের কমিটি ভেঙ্গে যে মজাটা নিয়েছিলেন সেই মজাটা এখন আমি পাচ্ছি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাগরিকত্ব দিলেই আমরা মিয়ানমারে ফিরতে পারি: চীনা রাষ্ট্রদূতকে রোহিঙ্গা নেতা
| কক্সবাজারে চীনা রাষ্ট্রদূত |
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানিয়েছে, চীনের রাষ্ট্রদূতসহ একটি প্রতিনিধি দল রোববার বিমানযোগে কক্সবাজার পৌঁছান। দুপুর ১২টার দিকে তারা বান্দরবান জেলার নাইখ্যাংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের নো ম্যানস ল্যান্ডে থাকা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।
চীনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মত বিনিময়ে মিয়ানমার সরকারের প্রতি রেহিঙ্গাদের অবিশ্বাস ও অনাস্থার কথা জানিয়ে রোহিঙ্গা নেতা দিল মোহাম্মদ বলেন, ‘মিয়ানমার সরকারকে বিশ্বাস করা যায় না। এর আগেও তারা অনেকবার বিশ্বাস ভঙ্গ করেছে। তাই সরাসরি নাগরিকত্ব ও সহায় সম্বল ফেরত দিলেই আমরা ফিরতে পারি।’
কয়েকদফা প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেয়া হলেও রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরার ব্যাপারে অনাগ্রহের কারণ জানতে চান চীন থেকে আসা প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
আরসা বা কোনো এনজিও সংস্থার লোকজন রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরতে অনুৎসাহিত করছে কিনা চীনের প্রতিনিধি দলের এমন প্রশ্নের জবাবে রোহিঙ্গারা জানান, মিয়ানমারের পক্ষ থেকে এমন গুজব ছড়ানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে মিয়ানমারে ফেরত যেতে কেউ বাধা দিচ্ছে না। তাদের দাবিগুলো মেনে নিলে এখনই চলে যেতে প্রস্তুত সবাই।
জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এর প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, বান্দরবানের তুমব্রু খালের কাছে শূন্যরেখায় (নো ম্যানস ল্যান্ড) প্রায় এক হাজার ৩০০ রোহিঙ্গা পরিবার রয়েছে। উখিয়া ও টেকনাফের অন্য ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নাগরিক সুবিধা থাকলেও এখানে কিছুই নেই। রোহিঙ্গাদের নিয়ে দেড়শ’র মতো এনজিও কাজ করলেও এদিকে কারও নজর নেই। তবে জাতিসংঘের খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) আওতায় ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব রেড ক্রস (আইসিআরসি) প্রতি মাসে দু’বার করে নো-ম্যানস ল্যান্ডে ত্রাণ দিচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ২৫ আগস্ট রাখাইনের ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলার ঘটনা জেরে মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন শুরু করে। প্রাণ বাঁচাতে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। উখিয়া-টেকনাফের ৩৪টি শিবিরে এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।
এদিকে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর চুক্তি সই করে। পরে দুই দেশ ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারি মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে ‘ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট’ নামে চুক্তি করে।
চুক্তি অনুযায়ী, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর দুই বছরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনও একজন রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফেরত যায়নি। রোহিঙ্গাদের প্রথম দলের ফেরার কথা ছিল গত বছরের ১৫ নভেম্বর। কিন্তু রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ না থাকার কথা বলে তারা ফিরতে রাজি না হওয়ায় এ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। এরপর এ বছরের ২২ আগস্ট থেকে তিন হাজার ৪৫০ জন রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর দিন নির্ধারণ করা হয়। সাক্ষাৎকারের সময় রোহিঙ্গারা প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে নানা শর্ত জুড়ে দেয়ায় প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সফল হয়নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'প্রোটোকল' ছাড়াই রাজনীতি করবো: -আল নাহিয়ান খান জয় by সিরাজুল ইসলাম রুবেল
![]() |
| আল নাহিয়ান খান জয় |
তিনি বলেন, 'জননেত্রী শেখ হাসিনা যেহেতু আমাদের ওপর আস্থা রেখে এ পর্যায়ে এসে দায়িত্ব দিয়েছেন, তিনি দেশকে যেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, সে এগিয়ে নেওয়ার রাজনীতি আমরা অনুসরণ করবো।’
দায়িত্ব পাওয়ার পর পর গত শনিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অসুস্থ শিক্ষার্থীকে দেখতে তিনিসহ ছাত্রলীগের নতুন দায়িত্ব পাওয়া সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যান। তাদের সঙ্গে ছিলেন সদ্য দায়িত্ব হারানো সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক শোভন ও রাব্বানী। এসময় তাদের সামনে-পেছনে ছিল বরাবরের মতো ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের মোটরসাইকেলের বহর। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে তাদের বাজানো হর্নে হাসপাতালের অসুস্থ রোগী ও তার স্বজনরা বিরক্তি প্রকাশ করে। দলের সবাই কেন্দ্রীয় নেতাদের এভাবে চলাফেরাকে বলছেন ‘প্রোটোকল’ রাজনীতি।
বিষয়টি সম্পর্কে ছাত্রলীগ সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, '‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ একটি বৃহৎ সংগঠন। এক্ষেত্রে আমাদের যে ‘প্রটোকলের রাজনীতি’, তা পরিহার করেই রাজনীতি করবো। আমরা চেষ্টা করবো যেন সংগঠনের মধ্যে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। আমাদের পার্টি অনেক বড়। তাই অনেক অনুপ্রবেশকারী বিশৃঙ্খলা করতে চায়। আমরা ঝামেলা সৃষ্টিকারীদের চিহ্নিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো এবং তাদের সতর্ক করে দেবো যে, এভাবে রাজনীতি করলে আপনারা সংগঠনে থাকতে পারবেন না।’’
প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশানুযায়ী দায়িত্ব পালনে কতটুকু সফল হবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন। তিনি চেয়েছিলেন এই ছাত্রসংগঠনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় হবে, যার জন্য এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। এই সংগঠনকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু যে পরিকল্পনা নিয়েছিলেন, সেটি বাস্তবায়নে আমরা কাজ করবো। প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ক্ষুধা দারিদ্র্যমুক্ত যে বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছেন, সে নির্দেশনুযায়ী পাশে থেকে আমরা কাজ করবো।’
সদ্য দায়িত্ব হারানো শোভন-রাব্বানীর কর্মকাণ্ড থেকে কোনও শিক্ষা নেবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'আসলে আমরা মানুষ, আমাদের ভুল থাকবে৷ প্রধানমন্ত্রী চাচ্ছেন উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে। সেক্ষেত্রে আমাদের সবাইকে সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। যেহেতু প্রধানমন্ত্রী আমাদের ওপর ছাত্রলীগের দায়িত্ব দিয়েছেন, সে দায়িত্ব সুন্দর এবং সুষ্ঠুভাবে পালন করাটাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য থাকবে।
গণমাধ্যমে ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতিবাচক খবরে এর জনপ্রিয়তা কিছুটা কমেছে বলে অনেক মনে করছেন, সংগঠনকে জনপ্রিয় করতে আপনারা কী পরিকল্পনা নিচ্ছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'বাংলাদেশ ছাত্রলীগ একটি জনপ্রিয় সংগঠন। শিক্ষার্থীরা যা চায় তার সঙ্গে আমরা সব সময় একাত্মতা প্রকাশ করবো। আমরা শিক্ষার্থীবান্ধব ছাত্র রাজনীতি করবো। একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ছাত্রলীগ আমরা দেশরত্নকে উপহার দেবো।
ছাত্রলীগের সব ইউনিটে পূর্ণাঙ্গ কমিটির বিষয়ে কী ভাববেন—এমন প্রশ্নের জবাবে আল নাহিয়ান খান জয় বলেন,' আমাদের হাতে সময় আছে মাত্র একবছর। এ সময়ের মধ্যে সকল ইউনিটের কমিটি সম্মেলনের মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে দেওয়া চেষ্টা করবো।'
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গোয়ালঘরে মা by আশরাফুল ইসলাম

৯০ বছর বয়সী এই বৃদ্ধার নামে দুই শতক জায়গা ছিলো। সেটিও লিখে দিয়েছেন ছোট দুই ছেলে হেলাল উদ্দিন ও নিজাম উদ্দিনের নামে। এরপর থেকে ছেলেরাও আর তার কোন খোঁজ নেন না। স্বামী-সন্তান থেকেও যেন কেউ নেই শমলা বিবির।
শমলা বিবির ছেলেরা স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন আর পরিপাটি সুন্দর ঘরে বসবাস করেন। কিন্তু মায়ের স্থান হয়নি তাদের সঙ্গে। অগত্যা পরিত্যক্ত মালামালের মতো তারও ঠাঁই হয়েছে বাড়ির গোয়ালঘরে। গোয়ালঘরের এক কোণে মাথা গুজে খেয়ে, না খেয়ে দিন কাটে তার।
গত দু’বছর ধরে গোয়ালঘরে গরুর পাশাপাশি নোংরা পরিবেশের মধ্যে একটি ভাঙা চৌকিতে শুয়ে দিন পার করছেন এই সর্বংসহা নারী। সেই গোয়ালঘরে জ্বলে না কোন বৈদ্যুতিক বাতি। এক অন্ধকার প্রকোষ্ঠের মতোই সেখানে দিন-রাত কাটে তার। গোয়ালঘরের গোমূত্রের গর্ত, আবর্জনা আর নোংরা পরিবেশে মশার অসহনীয় উৎপাতকে সঙ্গী করে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুকেই নিয়তি হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন এই জনমদুঃখী মা।
শমলা বিবির এই অসহায়ত্ব পীড়া দেয় ঢাকা থেকে স্বামীর সঙ্গে বাড়িতে বেড়াতে আসা মেয়ে নূরজাহান বেগমকে। ভাই হেলাল উদ্দিনকে তার বৈদ্যুতিক মিটার থেকে মায়ের থাকার ঘর গোয়ালঘরে বৈদ্যুতিক বাতির সংযোগ দিতে বলেন। কিন্তু মাস শেষে তার অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল বহন করতে হবে বলে বৈদ্যুতিক বাতির সংযোগ দিতে অস্বীকৃতি জানান হেলাল। মায়ের দুর্ভোগ আর দুর্দশা সইতে না পেরে স্বামী মানিক মিয়াকে হোসেনপুর থানায় অভিযোগ দিতে পাঠান নূরজাহান।
গতকাল শনিবার দুপুরে মানিক মিয়া অভিযোগ নিয়ে হোসেনপুর থানায় গেলে বিষয়টি জানতে পারেন হোসেনপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সোনাহর আলী। অভিযোগ শুনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সোনাহর আলী সেই মাকে দেখতে হোসেনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও অফিসার ফোর্সসহ বিকালেই ছুটে যান উপজেলার শাহেদল বড়বাড়িতে।
হোসেনপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সোনাহর আলীকে শমলা বিবি জানান, দুই বছর ধরে তিনি গোয়ালঘরে খেয়ে না খেয়ে দিন পার করছেন। সারাদিন গোয়ালঘরে, একবারও কেউ তার খোঁজ নিতে আসে না। এই বয়সটাই যেন তার কাছে এক বিরাট অভিশাপ।
এ সময় হোসেনপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সোনাহর আলী স্থানীয় দুই ইউপি সদস্যকে ডেকে আনেন। দুই ইউপি সদস্যসহ স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে শমলা বিবিকে ছোট ছেলে নিজাম উদ্দিনের ঘরে তুলে দেন তারা। শমলা বিবির ভরণপোষণের দায়িত্ব নেন দ্বিতীয় ছেলে ইমান উদ্দিনের ব্যবসায়ী ছেলে ওমর ফারুক। এছাড়া ৪ ছেলে গিয়াস উদ্দিন, ইমান উদ্দিন, হেলাল উদ্দিন ও নিজাম উদ্দিন ১০ দিনের মধ্যে নতুন ঘর নির্মাণ করে দেয়ার লিখিত অঙ্গীকার করেন।
এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সোনাহর আলী বলেন, শমলা বিবির চার ছেলে নতুন ঘর নির্মাণ করার অঙ্গীকার করেছেন। তবে সেই অঙ্গীকার তারা কতটা রাখেন সেটি বলা যাচ্ছে না। এ কারণে পুলিশের পক্ষ থেকে তারা এই দুখিনী মায়ের থাকার জন্য একটি নতুন ঘর নির্মাণ করে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। নতুন ঘর নির্মাণ করে দেয়া ছাড়াও এই মায়ের থাকার জন্য যাবতীয় জিনিসপত্রের ব্যবস্থাও করে দেবে পুলিশ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাব্বানীর ডাকসু জিএস পদে থাকা নিয়ে প্রশ্ন by মোহাম্মদ ওমর ফারুক

এদিকে ডাকসু’র জিএস পদ থেকে গোলাম রাব্বানী ও ঢাবির সিনেট সদস্য পদ থেকে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে অপসারণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন। এই দাবিতে গতকাল ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের নেতাকর্মীরা। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জাহিদ সুজন বলেন, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির দায়ে ইতিমধ্যে গোলাম রাব্বানী ও শোভনকে ছাত্রলীগ থেকে অপসারণ করেছে। এখন সময়ের দাবি তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা। সেইসঙ্গে ঢাবিতে তাদের যত পদপদবী আছে এগুলো থেকে তাদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে অপসারণ করতে হবে। চাঁদাবাজ ছাত্রনেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। এছাড়াও বামপন্থী নেতাকর্মীরা ঢাকসুর জিএসকে অপসারণের দাবিতে প্রতিবাদ মিছিল করেন ক্যাম্পাসে। ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী বলেন, জিএস এর বিরুদ্ধে যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয়, নৈতিক ভাবেই সে এখানে থাকতে পারে না। ডাকসুর মতো একটি সংগঠনে শিক্ষার্থীরা তাকে মেনে নেবে না। শুধু জিএস নয় এখানে আরো অনেক নেতা আছেন যারা ভর্তি জালিয়াতি করে ডাকসু নির্বাচন করেছে। সেই জায়গা থেকে বলতে পারি পুরো ডাকসুই এখন একটি বির্তকিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই নেতা যাদের কমিটি থেকে পদত্যাগ করতে বলেছেন নেত্রী। কিন্তু তারা তো তাদের দলে আছে। এমন দুর্নীতি বা চাঁদাবাজির বিষয়টি যদি তাদের বিরুদ্ধে চলেই আসে আমার কাছে মনে হয় তাদের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল কেইস হওয়া উচিৎ। আর ডাকসুর জিএস পদটি নৈতিকতার দিক থেকে দেখলে বর্তমান জিএস পদটি ধরে রাখতে পারে না। সেটা নৈতিকতার বিষয়।
ডাকসুর গঠনতন্ত্র থেকে জানা যায়, ভিসি সংসদের সর্বোচ্চ স্বার্থে যেকোনো সময় যেকোনো কার্যনির্বাহীকে অথবা সদস্যকে অপসারণ করতে পারবেন। এছাড়া তিনি চাইলে নির্বাহী সংসদকেই বাতিল করতে পারবেন এবং নতুন নির্বাচন ঘোষণা করতে পারবেন অথবা সংসদ গতিশীল রাখার জন্য তিনি যা উপযুক্ত বলে মনে করেন তাই করতে পারবেন। এছাড়া ভিসি সিন্ডিকেটের অনুমোদনক্রমে যতকাল পর্যন্ত উপযুক্ত মনে করবেন সংসদকে স্থগিত করার কর্তৃত্ব রাখবেন। গঠনতন্ত্রের পাঁচ নম্বর অধ্যায়ে আছে, পদাধিকারবলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সংসদের প্রেসিডেন্ট হবেন। ছাত্র সংসদের উদ্যোগে যতগুলো সভা হবে (নির্বাহী কমিটির সভাসহ অন্যান্য) তিনি সেসব সভায় সভাপতিত্ব করবেন। এছাড়া তিনি নিয়ম-নীতি অনুসরণ করে সংসদ চলছে কি না সেটা দেখবেন, জরুরি অবস্থায়, অচল অবস্থায় অথবা গঠনতন্ত্র লঙ্ঘনে উপাচার্য সংসদের যথাযথ ভূমিকা বিবেচনা করে পদক্ষেপ নিতে পারবেন। এছাড়া উপাচার্য এসব নিয়মের ব্যাখা দিতে পারবেন এবং তার ব্যাখাই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
এ বিষয়ে ডাকসুর সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন একেক রকম নিয়ম নীতি নিয়ে চলে। সব কিছু এক নিয়মে চলে না। আমি চাইলেই ডাকসুর জিএসকে তার পদ থেকে অপসারণ করতে পারি না। এই বিষয়ে যে স্বিদ্ধান্তই নেয়া হবে গঠনতন্ত্র এবং নিয়মনীতি অনুসরন করেই নেয়া হবে।
তবে ছাত্রলীগের একাধিক নেতাকর্মীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ছাত্রলীগের পদ থেকে যেহেতু অনিয়ম ও দুর্নীতির দায়ে তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে জিএস পদটিও তার আর থাকবে না। কয়েকদিনের মধ্যেই রাব্বানী এই পদটি থেকে পদত্যাগ করতে পারেন বলে মনে করছেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বিশ্বের তেল সরবরাহ

শনিবারের এই ড্রোন হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে। হুথি বিদ্রোহীদের সমর্থন দেয় ইরান। হুথিদের অত্যাধুনিক ড্রোন নির্মাণেও সহায়তা দিয়েছে তেহরান। কিন্তু মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও দাবি করেছেন, ইয়েমেন থেকে এই ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছেন।
বিশ্বের বৃহত্তম তেল কোম্পানির আরামকোর মালিকানাধীন বড় দুটি তেল স্থাপনায় এই ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় ক্ষতির মুখে পড়েছে সবচেয়ে বড় তেল প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র আবকাইক। এছাড়া পশ্চিমাঞ্চলে খুরাইস তেল ক্ষেত্রে হামলার পর সেখানেও আগুন জ্বলছে। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ দাহারান থেকে ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থিত আবকাইক তেল স্থাপনা। আর সৌদির দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল স্থাপনা খুরাইস ওই স্থান থেকে আরও ২০০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থিত।
সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সূত্র উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, ড্রোন হামরায় প্রতিদিন ৫০ লাখ ব্যারেল উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। যা সৌদি আরবের তেল উৎপাদনের অর্ধেক এবং বিশ্বের মোট উৎপাদনের ৫ শতাংশ। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় তেলের উৎপাদন আরও কমাতে পারে সৌদি আরব।
আইএইচএসে মারকিটের তেল পরামর্শক রজার ডিওয়ান বলেন, আবাইক হলো তেল সরবরাহ ব্যবস্থার হৃদপিণ্ড। মাত্রই এটা একটি হার্ট অ্যাটাকে পড়েছে। এর তীব্রতা আমরা জানি না।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক র্যাপিডান এনার্জি গ্রুপের রবার্ট ম্যাকনেলি বলেন, বিশ্বের তেল সরবরাহের জন্য আবাইক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এই ঘটনায় তেলের দাম বাড়ছে। যদি এই ব্যাঘাত দীর্ঘমেয়াদী হয় এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায় তাহলে তেলের আরও বেড়ে যাবে। এমনিতেই উল্লেখমাত্রায় বেড়েছে দাম।
ড্রোন হামলার ঘটনায় ইতোমধ্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে সৌদি আরব। ভয়াবহ ওই হামলার পর সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে মিত্র দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস)। এ সময় যুবরাজ ট্রাম্পকে সাফ জানিয়ে দেন, এ হামলার জবাব দিতে তার দেশ প্রস্তুত রয়েছে।
সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ)-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার টেলিফোনে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে যুবরাজের কথা হয়েছে। এ সময় এমবিএস জানান, ‘সন্ত্রাসী হামালা মোকাবিলায় রিয়াদ সক্ষম ও প্রস্তুত।’
যুক্তরাষ্ট্রের সৌদি দূতাবাসের এক বিবৃতি বলা হয়েছে, ট্রাম্প এমবিএস-কে জানিয়েছেন, ‘ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দেশটিকে সহায়তায় প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র।’
এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সৌদি আরবে প্রায় ১০০ হামলার পেছনে তেহরান জড়িত। উত্তেজনা হ্রাসের সব আহ্বানের মধ্যেও ইরান এখন বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহে ভয়াবহ হামলা শুরু করেছে।’
ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি জানিয়েছে তারা পরিস্তিতি নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করছে। এক মুখপাত্র বলেন, আমরা সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। আপাতত বাজারে তেলের সরবরাহ যথেষ্ট রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শোভন-রাব্বানীকে নিয়ে যা ছিল গোয়েন্দা রিপোর্টে

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জনগণের সঙ্গে পুলিশের নিবিড় সম্পর্ক থাকতে হবে

গতকাল দুপুরে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৩৬তম বিসিএসের সহকারী পুলিশ সুপারদের (এএসপি) শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী পুলিশের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূলে জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে জনবান্ধব পুলিশ গঠনে আপনাদের অগ্রপথিকের ভূমিকা পালন করতে হবে। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় জনগণের মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার ও আইনের শাসনকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘জনগণের আস্থা বিশ্বাস অর্জন করার জন্য পুলিশ সদস্য নিয়োগে স্বচ্ছতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবার পুলিশ সদস্য নিয়োগ নিয়ে কোনোভাবেই কোনো লোক দুর্নীতি ও ঘুষ দেয়ার কথা বলতে পারেনি। আগামীতে এ পদক্ষেপে এগিয়ে যেতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারা মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করতে যাচ্ছেন। মনে রাখতে হবে, একজন মানুষ তার সবচেয়ে বিপদের সময় পুলিশের কাছে সাহায্যের জন্য আসে। তাই আপনাদের সেবা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে গণমানুষের আস্থা অর্জনে সচেষ্ট থাকতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু তার বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে সর্বদা পুলিশকে জনগণের পুলিশ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য অনুপ্রাণিত করতেন। বঙ্গবন্ধু পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলতেন- আপনারা স্বাধীন দেশের পুলিশ। আপনারা বিদেশি শোষকদের পুলিশ নন, জনগণের পুলিশ। আপনাদের কর্তব্য জনগণের সেবা করা, জনগণকে ভালোবাসা, দুর্দিনে জনগণকে সাহায্য করা।’ আমি আশা করি- আপনারা জাতির পিতার সেই প্রত্যাশা পূরণে আপনাদের উপর অর্পিত পবিত্র দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে সর্বদা সচেষ্ট থাকবেন।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সময়ে অপরাধের ধরন প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। গতানুগতিক অপরাধের পাশাপাশি সাইবার ক্রাইম, মানিলন্ডারিং, মানব পাচার ইত্যাদি বৈশ্বিক অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকের মতো অশুভ সামাজিক ব্যাধি। সমাজ থেকে এসব অপকর্ম নির্মূলে এবং সমসাময়িক সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সবাইকে সর্বদা সচেষ্ট থাকতে হবে। জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশ পুলিশের অব্যাহত সাফল্য শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। এদেশের মাটিতে কোনোভাবেই জঙ্গি, সন্ত্রাসী ও যুদ্ধাপরাধীদের ঠাঁই হবে না।’
তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তির অপব্যবহার করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল বিভিন্ন সময় গুজব রটিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। এসব গুজব। রটনাকারীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সচেতন করার কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।’
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় হেলিকপ্টারযোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ একাডেমিতে পৌঁছান। পরে প্যারেড মাঠে গেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী তাকে স্বাগত জানান। এরপর প্রধানমন্ত্রী অভিবাদন মঞ্চে গিয়ে নবীন পুলিশের সশস্ত্র সালাম গ্রহণ করেন। পরে একটি খোলা জিপে চড়ে তিনি নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী সহকারী পুলিশ সুপারদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। প্যারেডে ১৭ জন নারী অফিসারসহ ১১৭ জন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-৪ আসনের এমপি প্রকৌশলী এনামুল হক, রাজশাহী-৫ আসনের এমপি ডা. মনসুর রহমান, রাজশাহী-৩ আসনের এমপি আয়েন উদ্দিন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি আবিদা আঞ্জুম মিতা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২৫ বছর ধরে শিকলবন্দি রতন

জানা যায়, রতন মিয়া অবিবাহিত। তিনি কোনো পড়াশোনা করেননি। বাড়িতেই কৃষিকাজ করতেন। প্রায় ৩০বছর আগে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হন। এ কারণে বছর তিনেক পর ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন তিনি। এর কিছুদিন পর থেকেই তাঁকে শিকলবন্দি করে রাখা হয়েছে।
সরেজমিনে রতন মিয়ার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির পূর্বপাশের বসতঘরের বারান্দার একটি ছোট অন্ধকার কক্ষের মাঝখানে একটি পাকা পিলার। পিলারের সঙ্গে রতন মিয়ার ডান পা শিকল দিয়ে বাঁধা। মেঝেতে একটি বিছানায় তিনি দু’হাঁটু ঘেঁরে মাথা নিচু করে বসে আছেন। মাঝে মধ্যে হালকা একটু মুখ নাড়িয়ে কথা বলেন। এ কক্ষেই তার খাওয়া-দাওয়া, প্রশ্রাব-পায়খানা ও ঘুমানোসহ যাবতীয় সবকিছু।
রতন মিয়ার বড় ভাই আঙ্গুর মিয়া বলেন, রতন মিয়া আর দশজন বালকের মতোই সুস্থ ও সবল ছিল। সংসারের কাজকর্ম স্বাভাবিক নিয়মেই করে যেত। কিন্তু প্রায় ৩০বছর আগে তাদের জমিতে পাশের বাড়ির হযরত আলীর একটি গরু ছুটে গিয়ে ধান গাছ খাচ্ছিল। খবর পেয়ে রতন মিয়া ওই গরুটিকে ধরে নিয়ে বাড়ি নিয়ে আসছিল। এসময় হযরত আলী দৌড়ে এসে রতন মিয়ার হাত থেকে গরুটি নিয়ে যেতে চেষ্টা করে। এসময় দুজনের মধ্যে তর্ক বিতর্ক ও দস্তাদস্তির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে হযরত আলী গরু বাঁধার একটি খুঁটি দিয়ে রতন মিয়ার মাথার একপাশে সজোরে আঘাত করে। এতে রতন মিয়ার প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। পরে স্থানীয়ভাবে তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিছুদিন পর রতন মিয়া অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করে। পরে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার একটি হাসপাতালে নিয়ে কয়েক দফা চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি।
চিকিৎসক বলেছেন, রতন মিয়া কোনদিনই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে না। পরে তাঁকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয়।
আঙ্গুর মিয়া আরও বলেন, বাড়িতে আনার পর তাঁর অস্বাভাবিক আচরন বাড়তে থাকে। বাড়ির বাইরে গেলেই লোকজনের ওপর চড়াও হয় এবং লোকজনকে মারতে শুরু করে। তাই তাঁকে বাধ্য হয়ে বাড়িতে শিকলবন্দি করে রাখা হয়েছে। তবে তাঁর সেবাযত্নে কোন কমতি নেই।
হযরত আলীর বিষয়ে জানতে চাইলে আঙ্গুর মিয়া বলেন, বিষয়টি তখন গ্রামীণ দরবার শালিসের মাধ্যমে মিমাংসা হয়ে যায়।
তবে ঢাকার কোন হাসপাতাল এবং কোন চিকিৎসকের অধীনে রতন মিয়ার চিকিৎসা করিয়েছিলেন সে ব্যাপারে সঠিক কোন তথ্য দিতে পারেননি বড় ভাই আঙ্গুর মিয়া।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো.রুহুল আমীন বলেন, মানসিক ভারসাম্যহীনদের জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তরের কোন ব্যবস্থা নেই। তবে রতন মিয়ার যদি প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড না থাকে তাহলে আমরা এ বিষয়ে ব্যবস্থা করে দিতে পারব।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.নাহিদ হাসান বলেন, বিষয়টি আমি সাংবাদিকদের মাধ্যমে অবগত হয়েছি। খোঁজখবর নিয়ে বিষয়টি দেখা হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তোমরা সাইলেন্ট থাকো: -জাবি ছাত্রলীগ নেতাকে রাব্বানী

গোলাম রাব্বানী: হ্যাঁ, অন্তর, কোথায় আছো, টাকা নেওয়ার সময় ছিল কে কে ?
হামজা রহমান অন্তর: জুয়েল ভাই, চঞ্চল ভাই ও সাদ্দাম ভাই ছিল আর কি।
গোলাম রাব্বানী : টাকাটা দিছে কোথায়?
ভাই, ম্যামের বাসায়, সাদ্দাম ভাইয়ের সাথে একটু কথা বলেন। আমার পাশেই আছে।
গোলাম রাব্বানী : আচ্ছা দাও দাও!
সাদ্দাম হোসাইন :ভাই স্লামুআলাইকুম।
গোলাম রাব্বানী : ওয়াইস সালাম, সাদ্দাম কি খবর ভাই।
সাদ্দাম হোসাইন : ভাই খবর তো আপনাকে জানাইছি ভাই, খবর তো ভাল না, বেশি একটা। আমি আপনাকে বলছিলাম না ভাই- আমি, তাজ, জুয়েল চঞ্চল আমরা চারজন ছিলাম ওই মিটিংয়ের সময়। আজকে কিছুক্ষণ আগে জাহাঙ্গীরনগর ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে প্রেস রিলিজ দিছে আপনাদের বিপক্ষে।
গোলাম রাব্বানী : সেটা তো দেখলাম।
সাদ্দাম হোসাইন : বিষয়টা হচ্ছে ভাই, বামের সাথে সেটিংয়ে গেছে। বৈঠক হইছে বামের সাথে। তারপর বৈঠকে বিচার বিভাগীয় তদন্ত বাদে বাকিগুলা বামের সাথে মেনে নিছে। আর বিচার বিভাগীয় তদন্তের ব্যাপারে মানবে কিনা আগামী বুধবার পর্যন্ত ভাই। তিনদিন সময় দিছে।
গোলাম রাব্বানী: আন্দোলন নিয়া?
সাদ্দাম হোসাইন: হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ।
গোলাম রব্বানী: ম্যাম তো বলছে যে আন্দোলনেও নাকি আমরা করাচ্ছি। সামথিং লাইক ওরকম কিছু। আন্দোলন কারা করতেছে ওটাও তো আমরা জানি না। আমাদের এটা তো আমরা জানি না।
সাদ্দাম হোসাইন: ভাই বিষয়টা হচ্ছে উনি ছাত্রলীগের উপর দিয়ে সবকিছু করে নিজের ফ্যামিলিকে সেইভ করতে চাচ্ছে আর কি। উনি বাঁচতে চাচ্ছেন। আর প্রধানমন্ত্রীর রেফারেন্স দিয়ে অনেকগুলা কথা বলছে আপনার বিপক্ষে, মানে সেন্ট্রাল ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। এবং যুগান্তরে ভাই, নিউজটা কি দেখছেন.......
গোলাম রাব্বানী: ওটা দেখছি, আচ্ছা টাকা যখন দিছিলো তখন তুই ছিলি না!
সাদ্দাম হোসাইন: ছিলাম ভাই আমি আর তাজ ছিলাম। এখন আপনি ভাই বলেন। কি করতে হবে আমরা করতেছি। সমস্যা নাই।
গোলাম রব্বানী: তুই আর কে ?
সাদ্দাম হোসাইন: আমি আর তাজ, আমার বন্ধু ভাই।
গোলাম রাব্বানী: অহ তাজ তাজ, সহ-সভাপতি! তুই হলি জয়েন্ট সেক্রেটারি। টাকাটা কিভাবে! ম্যাডাম দিছিলো নাকি অন্য কেউ ছিলো?
সাদ্দাম হোসাইন: ওইখানে আর কেউ ছিলো না। ব্যাপারটা হচ্ছে ম্যাডাম আমাদের সাথে ডিলিংটা করছে। টাকাটা আমাদের হলে পৌঁছায় দিছে।
গোলাম রাব্বানী: ওহ হলে পৌছাই দিছে টাকা!
সাদ্দাম হোসাইন: হ্যাঁ হ্যাঁ। কথা তো হইছেই। আমি আর জুয়েলসহ তিনজনের সাথেই কথা হইছে।
গোলাম রাব্বানী: কয় টাকা দিছে?
সাদ্দাম হোসাইন: আমাদেরকে বলছে হচ্ছে এক কোটি। আমরা বাকিটা জানি না। জুয়েল-চঞ্চলের সাথে আলাদা ডিল হইতে পারে। বাট আমাদের সাথে বসে মিমাংসা..........
গোলাম রাব্বানী: আমি শুনলাম যে ১ কোটি ৬০ লাখ.....
সাদ্দাম হোসাইন: ব্যাপারটা হচ্ছে ভাই ৬০ এরটা আমরা জানি না। ওখানে বসে ভাগ করে দিছে ৫০ হচ্ছে জুয়েলের, ২৫ আমাদের আর ২৫ চঞ্চলের।
গোলাম রাব্বানী: ওহ ম্যাডাম ওভাবে ভাগ করে দিছে! জুয়েল ভাল ছেলে ঐ জন্য ৫০ আর চঞ্চল ক্যাম্পাসের বাইরে থাকে ঐজন্য ২৫.....
সাদ্দাম হোসাইন: চঞ্চল তো ভাই ওই ঝামেলায় আমাদের বাদ দিতে পারে নাই।
গোলাম রাব্বানী: ও সেক্রেটারির টাকাই তোদেরকে দিছে।
সাদ্দাম হোসাইন: আমরা বলছি আমাদের ২৫% দিতে হবে। চঞ্চলকে ২৫% দিতে হবে। আমাদেরকে না জানাইয়া ওদের আলাদা ৬০ লাখ টাকা দিছে। এটা হতে পারে। আমরা ওটা জানি না। আমরা ১ কোটির হিসাব জানি।
গোলাম রাব্বানী: কিন্তু তোমার ম্যাডাম যে এখানে আমাদের নাম জড়াইলো, আমার তো কোন আইডিয়াই নাই।
সাদ্দাম হোসাইন: ভাই উনি খুব নোংরামি করতেছে ভাই। আপনারা ভাই সিদ্ধান্ত নেন। আমাদের কি করা লাগবে আমরা করতেছি।
গোলাম রাব্বানী: তোমাদের কিছু করা লাগবে না। তোমরা সাইলেন্ট থাকো। যেহেতু আপার কানে দিয়েছে, আমিও বুঝতেছি সে নিজে সেফ হওয়ার জন্য নিজের ফ্যামিলিকে সেফ করার জন্য। আরেকটি জিনিস, এই ৬টা কাজ ডিল করছে কে বেসিক্যালি?
সাদ্দাম হোসাইন: তার ছেলে, মূলত হচ্ছে তার ছেলে, তার পিএস সানোয়ার ভাই আর হচ্ছে পিডি, আর হচ্ছে তার হাজবেন্ড। এই হচ্ছে চারজন।
গোলাম রাব্বানী: স্বামী, ছেলে, পিএস সানোয়ার ও পিডি নাসির? আগে থেকে ৬টা কোম্পানি রেডি করে রাখছে না!
সাদ্দাম হোসাইন: শুরু থেকেই তারা সবকিছু করছে ভাই। টেকনিক্যাল কমিটিতে ওরা ছিল।
গোলাম রাব্বানী: টেকনিক্যাল কমিটিতে ওরা ছিল! না না ওরা তো থাকতে পারে না। এটার নিয়ম নেই।
সাদ্দাম হোসাইন: কথা হলো উনিতো সবাইকে ফেরত টেরত পাঠালো না! ছিনাই নিচ্ছিল। তখন আমরা বললাম সবাইকে ড্রপ করাতে দিতে হবে। তখন সবাইকে ড্রপ করাতে দিল। কিন্তু কাজ হচ্ছে... হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল ওটা নাটক ছিল। শিডিউল বিক্রির টাইমে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়ছে ইচ্ছে করে। যেন কেউ যোগাযোগ করতে না পারে।
গোলাম রাব্বানী: ওহ আচ্ছা আচ্ছা। সিডিউল বিক্রির টাইমে সে হাসপাতালে ভর্তি হইছে ইচ্ছা করে?
সাদ্দাম হোসাইন: হ্যাঁ ভাই।
গোলাম রাব্বানী: তুই জানলি কেমনে এইটা?
সাদ্দাম হোসাইন: সিডিউল বিক্রির সময় উনি হাসপাতালে ছিলেন। সিডিউল বিক্রি শেষ উনি...............
গোলাম রাব্বানী: আমি তোর সাথে কথা বলব নি প্রয়োজন হলে। ম্যাম আমাদের সম্পর্কে যা মিথ্যাচার করলো!
সাদ্দাম হোসাইন: আমি ফোন দিলে ভাই...
গোলাম রাব্বানী: আচ্ছা। থ্যাংকিউ থ্যাংকিউ
এই বিষয়ে জানতে চাইলে জাবি ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসাইন বলেন,
‘তার সেন্ট্রাল ছাত্রলীগের সেক্রেটারি নেত্রী বানাইছে। তার কথা শোনা আমাদের দায়িত্ব ছিল। অনেক কথায় তার সাথে হয়ছে। আগে পরে অনেক কথায় হয়ছে। আগে পরের কথাও তো জড়িত। সে সেন্ট্রাল সেক্রেটারি সে যা বলতে বলছে তাই বলছি যা করতে বলছে তাই করছি। এই ফোন কলের আগে পরেও ফোন কল ছিল। সে তো এখন এক্স। আমি আসলে কোন কথার প্রেক্ষিতে এসব বলছি মনে নেই। মনে করে জানাবো। ’
উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘অডিওতে আমি টাকা দিয়েছি এমন গল্প ফাঁদছে। আমার সাথে টাকার কোন দেখা হইনি। এই মিথ্যাটা সত্য করার দায়িত্ব আমার না। ওরা করুক। আর ওরা তো বলতেই পারে। সাদ্দাম বলতে পারে রাব্বানীকে যে উপাচার্য আমাদেরকে টাকা দিলেন বলে আমরা টাকা পেলাম। রাব্বানীর যেহেতু পদ নেই এটা সে যে ষড়যন্ত্র থেকে এসব বলাতে পারে। কিন্তু নিশ্চিত থাকেন আমরা বাসায় কোন টাকা পয়সার কোন কথাই বলি নি, আনিওনি।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাঁশখালী অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট by মোঃ আব্দুল জাব্বার

বাঁশখালীই কো-পার্কের পিকনিক সেট, দ্বিতলরেস্ট কর্নার, দেশের দীর্ঘতম ঝুলন্ত সেতু, সাসপেনশন ব্রিজ, দোলনা, স্পট, দ্বিতীয়রেস্ট হাউস, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর ব্যারাক ৪ ইউনিট, গেট, প্রধান ফটক, পাখি ও বন্যপ্রাণী অবলোকন টাওয়ার, ভাসমান পাটফরম, লেক, কংক্রিটে শাবের ছাতা, রিফ্রেশমেন্ট কর্নার, ফেনোরোমিক ভিউটা ওয়ার সহ নানা বিনোদনের ক্ষেত্রগুলোর অনেকটাই সংস্কারের অভাবে জীর্ণশীর্ণ হয়ে পড়েছে। ঝুলন্ত সেতুটি এখন এক মরণ ফাঁদ। যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও ঘটে যেতে পারে ঝুলন্ত সেতুতে। শিগ্র ইপার্কের সংস্কার করা না হলে পর্যটক শূন্য হয়ে পড়বে পার্কটি।
লোহাগাড়া থেকে আসা এক পর্যটক শরিফুল ইসলাম বলেন, বাঁশখালী ইকোপার্কে আগের মতো চিরচেনা সৌন্দর্য চোখে পড়েনা। এখানে বন্য-প্রানীর খাঁচা, ফুলের উদ্যান, স্বচ্ছ লেকে জল যান থাকলে কিছুটা বিনোদন খুঁজে পেতো সাধারাণ পর্যটক। পার্কে যাতায়তের একমাত্র সড়কটির দূরাবস্থার কারণে এক রকম পর্যটক শূন্য হয়ে পড়েছে এই পর্যটন কেন্দ্রটি। তবে এই ইকোপার্কের উন্নয়নে নতুন করে বরাদ্দ প্রদান সহ সার্বিক উন্নয়ন কর্মকা-ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে আবার পর্যটকদের দৃষ্টি কাড়বে পার্কটি এমনটি মন্তব্য করেন শিলকুপ ইউপি চেয়ারম্যান মুহাম্মদম হসিন। বাঁশখালী ইকোপার্কের (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা রেইঞ্জার আনিছুজ্জান শেখ জানান, ইকোপার্কের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি, নতুন করে কর্টেজ নির্মাণ, কনক্রিটের ছাতা সহ নানা স্পট গুলো সংস্কার, লেকে বিনোদনের জন্য জল যান বৃদ্ধি সহ নানা সংস্কারের জন্য আমরা একটি প্রজেক্ট সাবমিট করেছি। আশা করি খুব কম সময়ে পার্কের সৌন্দর্য্য ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবো। বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার বলেন, বাঁশখালী ইকোপার্কে রয়েছে প্রকৃতির অপূর্ব সমন্বয়। সংস্কারের মাধ্যমে এটিকে আধুনিক একটি পর্যটন স্পটে রূপান্তরিত করার ব্যাপারে আশা বাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেট সফরে যে বিতর্কের জন্ম দেন শোভন by ওয়েছ খছরু

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি আরবে ভয়াবহ ড্রোন হামলার পেছনে ইরান: যুক্তরাষ্ট্র

শুধু সৌদি আরবেই নয়, সারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেলক্ষেত্র সৌদি আরবের আবকাইক। এছাড়া খুরাইস তেলক্ষেত্রেও ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে ভয়াবহ ক্ষতি হয় এসব তেলক্ষেত্রে। সৌদি আরবের মোট তেল উত্তোলন অর্ধেক কমে গেছে। ফলে এর বড় রকমের প্রভাব পড়বে বিশ্ব তেলবাজারে। রাষ্ট্রীয় সৌদি আরামকোর মালিকানাধীন এ তেলক্ষেত্রে হামলার দায় ইয়েমেনের বিদ্রোহী হুতিরা স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে। তাদের এমন বিবৃতি প্রত্যাখ্যান করে এ জন্য সরাসরি ইরানকে দায়ী করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ নিয়ে শনিবার মোহাম্মদ বিন সালমান ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মধ্যে ফোনে কথা হয়। ওয়াশিংটনে অবস্থিত সৌদি আরবের দূতাবাস থেকে বলা হয়েছে, ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানকে ট্রাম্প বলেছেন, ড্রোন হামলার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবকে নিরাপত্তা সুরক্ষিত করতে সহযোগিতায় প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র। তিনি আরো বলেছেন, এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ব অর্থনীতিতে আঘাত লেগেছে।
২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনে চলমান গৃহযুদ্ধে লড়াই করছে হুতিরা। তাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে লিপ্ত সৌদি আরব-সংযুক্ত আরব আমিরাত নেতৃত্বাধীন জোট। সৌদি আরবে ওই হামলার দায় স্বীকার করে হুতিরা। তারা জানায়, এতে ১০টি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। এতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেলক্ষেত্রে আবকাইকে এবং খুরাইসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে জানেন এমন ঘনিষ্ঠ দুটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ড্রোন হামলা ও আগুনের কারণে সৌদি আরবে একদিনে ৫০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আরামকোর প্রাথমিক শেয়ার বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছিল সৌদি আরব এমন সময়ে ওই হামলা চালানো হয়েছে। এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দিকে ইঙ্গিত করে টুইট করেছেন। তিনি লিখেছেন, (প্রেসিডেন্ট হাসান) রুহানি ও (পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভাদ) জারিফ যখন কূটনৈতিক উপায় অবলম্বনের কথা বলছেন তখন সৌদি আরবে প্রায় ১০০ হামলার নেপথ্যে রয়েছে তেহরান। উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানানোর মধ্যে ইরান এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় অপ্রত্যাশিত হামলা চালিয়েছে। তার এ অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ দেখাননি মাইক পম্পেও।
ওদিকে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সরবরাহের জন্য তেহরানকে দায়ী করেছে রিয়াদ। তারা বলছে, এসব অস্ত্রই সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরে হামলায় ব্যবহার করা হচ্ছে। ইয়েমেনে অবস্থানরত জাতিসংঘের বিশেষ দূত মার্টিন গ্রিফিথস শনিবার বলেছেন, সর্বশেষ এই পরিস্থিতিতে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সব পক্ষকে তিনি সংযত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। বলেছেন, এমন ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুত্বর হুমকি। এরই মধ্যে এ অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ভঙ্গুর হয়ে উঠেছে। তাকে আরো জটিল করে তুলেছে এই অবস্থা। জাতিসংঘ ইয়েমেন যুদ্ধের যখন একটি রাজনৈতিক সমাধান বের করার চেষ্টা করছে, তাকে বিপন্ন করছে এসব ঘটনা। ইয়েমেনে এরই মধ্যে গৃহযুদ্ধ বহু মাত্রা পেয়েছে। এই ড্রোন হামলার পর সেই উত্তেজনা আরো বৃদ্ধি পাবে নিশ্চিত। এই গৃহযুদ্ধে এরই মধ্যে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। চরম এক দুর্ভিক্ষের কবলে পড়েছে লাখ লাখ মানুষ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শক্তিপ্রয়োগে কাশ্মীর দখল করা হলে ভারতের প্রতিবেশীরা আনাকাঙ্ক্ষিত শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে by রানা মিত্তর

মুফতি চরমপন্থী বা খামখেয়ালিপূর্ণ কেউ নন। তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী, ২০১৬ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত হিন্দু জাতীয়তাবাদী বিজেপির সাথে জোট গঠন করেছিলেন। ফলে তার সাবেক জোটকে মারাত্মক অভিযোগে অভিযুক্ত করার মধ্যে বিশেষ তীব্রতা রয়েছে। তার এই টুইটের আগে নরেন্দ্র মোদির বিজেপি সরকার এমন এক সাংবিধানিক ক্যু করেন, যা ভারতের ইতিহাসে নজিরবিহীন।
এতে ঘোষণা করা হয়, ভারতের একমাত্র মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য ভাগ করা হবে এবং এর স্বায়ত্বশাসন বিলুপ্ত করা হলো। ১৯৪৭ সালে কাশ্মীরের পাকিস্তানে না গিয়ে ভারতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার অংশ হিসেবে অনুচ্ছেদ ৩৭০ যোগ করা হয়েছিল। এতে পররাষ্ট্র ছাড়া অন্য সব বিষয়ে রাজ্যটিকে বেশ বড় মাত্রায় স্বায়ত্বশাসন দেয়া হয়েছিল। গত মে মাসে বিপুলভাবে জয়ী হওয়া নির্বাচনের ইশতেহারে বিজেপি এই মর্যাদা বাতিলের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু কোনো ধরনের পরামর্শ ছাড়াই বিজেপি তা করবে, তা কেউ প্রত্যাশা করেনি। গত সপ্তাহজুড়ে পুরো অঞ্চলে ব্যাপকভাবে সামরিকিকরণ করা হয়। ঘোষণার পর মুফতি ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহসহ প্রখ্যাত রাজনীতিবিদদের গৃহবন্দী করা হয়। মুফতি ২৪ ঘণ্টা ধরে টুইট করতে পারেননি।
ভারতের মানচিত্র তার সংবিধানের চেয়ে বেশি অপরিবর্তনীয় নয়। গত অর্ধ শত বছরে বিদ্যমান রাজ্যগুলো থেকে নতুন কয়েকটি রাজ্য গঠিত হয়েছে। তবে কাশ্মীর ভিন্ন। এর স্পর্শকাতরতা ও ভারসাম্যের জন্য বাকি ভারত থেকে এটি ছিল ভিন্ন, ঠিক যেমন উত্তর আয়ারল্যান্ড একইসাথে যুক্তরাজের অংশ, আবার এ থেকে ভিন্নও।
ইতিহাসে অনেক নজিরই আছে, যেখানে দেখা যায়, আকস্মিক বিভক্তি ভুল প্রমাণিত হয়েছে। ১৯০৫ সালে ভারতের ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড কার্জন ঘোষণা করেন যে বাংলা ভাগ করা হবে। কিন্তু জাতীয়তাবাদী তীব্র কষাঘাতে ১৯১১ সালে পরের ভাইস রয় তা বাতিল করতে বাধ্য হন। নয়া দিল্লির বিজেপি সরকার সম্ভবত কাশ্মীর বিভক্ত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী ব্যবহার করবেন। কিন্তু নানা নজিরে দেখা যায়, এ ধরনের দখলদারিত্ব শান্ত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। অধিকন্তু, গণতান্ত্রিক সমাজে পরিচিত ও জনবহুল সংখ্যালঘু কোনো এলাকাকে ধরে রাখলে দেশে বা বিদেশে ভাবমূর্তি ভালো হয় না।
আকস্মিক পদক্ষেপে মোদি সরকারের যুদ্ধাংদেহী মনোভাবও দেখা যায়। এ ধরনের আরেকটি নজির রয়েছে। ১৯৭৫ সালে ইন্দিরা গান্ধী সরকার রাষ্ট্রপতির ডিক্রির মাধ্যমে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধীদের গ্রেফতার করা হয়, সংবাদপত্রগুলোর প্রকাশ স্থগিত করেন, গণতান্ত্রিক ও আইনগত রক্ষাকবচগুলো স্থগিত করা হয়। আপত দৃষ্টিতে কাশ্মীরে গৃহীত ব্যবস্থাদির সাথেও এর মিল রয়েছে। পার্লামেন্টে আলোচনা ছাড়াই সাংবিধানিক ক্ষমতার ব্যবহার, কাশ্মীরের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেফতার, ইন্টারনেট ও টেলিকমগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
সাবেক অর্থমন্ত্রী অরুন জেটলির মতো ব্যক্তিরা টুইট করে বলেছেন যে এই পরিবর্তনের ফলে কাশ্মীরে আরো বেশি চাকরি ও বেশি রাজস্ব আদায় হবে। কিন্তু এই ধরনের অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য সাংবিধানিক ক্যু ও সামরিক শক্তি বাড়ানোর প্রয়োজন ছিল না।
ভয় রয়েছে যে অকাশ্মীরীরা যাতে কাশ্মীরে জমি কিনতে পারে, সেই ব্যবস্থা করার জন্যই অনুচ্ছেদ ৩৭০ বাতিল করা হয়েছে। আর ভূমি ক্রয়ের মাধ্যমে রাজ্যের জনসংখ্যায় দ্রুত পরিবর্তন করে এর মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতার অবসান ঘটানো হবে।
কেবল সম্পত্তির মালিকানাই নয়। আরো বিষয় রয়েছে। ১৯৪৭ সালে বলা হয়েছিল যে ভারত হিন্দু রাষ্ট্র হবে না। এটা হবে সেক্যুলার রাষ্ট্র। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি সেক্যুলারবাদের অবসান ঘটিয়ে হিন্দুবাদকে সামনে নিয়ে আসতে চাইছেন।
ভারত সবসময়ই গর্ব করে বলত যে তারা রাজনৈতিক সাফল্য অর্জন করার জন্য সামরিক শক্তির চেয়ে সাংবিধানিক আইন প্রয়োগ করে। এখন দেখা গেল এটা ছিল ভণ্ডামি। ভারতের নিরাপত্তা বাহিনী গত কয়েক দশকে বিপুলসংখ্যক লোককে হত্যা করেছে।
এসব কাজ ভারতের অন্তত একটি প্রতিবেশী দেখছে এবং তা থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে। কাশ্মীর সঙ্কটের একই সপ্তাহে কয়েক হাজার মাইল পূর্বে হংকংয়ে গোলযোগ শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত বেইজিং তুলনামূলক সংযমের পরিচয় দিয়ে আসছে, সেখানকার বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ থেকে বিরত থেকেছে। বিক্ষোভকারীদেরকে কঠোর পরিণামের হুঁশিয়ারি দিলেও এখন পর্যন্ত সৈন্য পাঠায়নি চীন। কাশ্মীরে ভারত সরকারের ভূমিকা বেইজিংয়ের নেতাদের ভাবার অবকাশ দেবে। তারা চিন্তা করবে, একটি গণতান্ত্রিক দেশ যদি শক্তি প্রয়োগ করে, খেয়ালখুশি মতো সেন্সরশিপ আরোপ করে, তবে একটি একনায়কতান্ত্রিক দেশ কেন উচ্চতর মানদণ্ড অনুসরণ করবে? দেশে গণতান্ত্রিক রীতিনীতির যুদ্ধাংদেহী আচরণ হয়তো বৃহত্তর পরিমণ্ডলে আরো মারাত্মক প্রভাব ফেলবে, যেখানে স্নায়ুযুদ্ধের পর থেকে উদারব্যবস্থা সবচেয়ে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
>>>লেখক: অধ্যাপক, আধুনিক চীনের ইতিহাস ও রাজনীতি, সেন্ট ক্রস কলেজ, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক পরিবারেই ১৪ অন্ধ by খালিদ হাসান

পিতা আব্দুল জব্বার আলী ছিলেন অন্ধ। তার ঘর আলোকিত করে তিন ছেলে ও তিন মেয়ে জন্ম নিলেও আলো ফোটেনি তাদেরও চোখে। বাবা আব্দুল জব্বারের মৃত্যুর পর মানুষের দুয়ারে সাহায্য চেয়ে চেয়ে বড় হয়েছেন শহিদুল, বুলু, টুলু, জহিলা, শহিদা ও মমেনা নামের ছয় ভাই বোন। তিন বোনকে বিয়ে দিয়ে নিজেরাও সন্তানের চোখে পৃথিবী দেখার আশায় করেছিলেন বিয়ে। কিন্তু জন্মান্ধ ও দুঃখী ছয় ভাই বোনের সে আশাও পূরণ হয়নি। সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় তাদের সন্তানরাও জন্ম নেয় অন্ধ হয়ে। তিন বোনকে বিয়ে দিলেও গর্ভের সন্তানরা অন্ধ হয়ে জন্ম নেয়ায় তাদের তালাক দিয়ে সন্তানদের রেখে চলে যায় স্বামীরা। তাই বাধ্য হয়ে তিন ভাইয়ের সঙ্গে একই অন্নে মানুষের করুণায় মানবেতর জীবনযাপন করছে এই অন্ধ পরিবার। পরিবারের মেজ ভাই বুলু মিয়ার দুই মেয়ের মধ্য বুলবুলি নামের এক মেয়ে জন্ম নেয় অন্ধ হয়ে। বিয়ের পর বড়বোন জহিলার ঘর আলোকিত করে জন্ম নেয় রুমি, মীম ও জীম বাবু, মেজবোন শহিদার ঘরে শরীফ, শ্যামলী ও ছোটবোন মমেনার ঘরে জন্ম নেয় মানিক ও রাজিয়া নামের দুই ফুটফুটে সন্তান। কিন্তু জন্মান্ধ হওয়ায় এদের কেউই দুনিয়ার আলো দেখতে পায়নি। গরিব ও অন্ধ সন্তান জন্ম দেয়ার কারণে তাদের তিন বোনের কপালে বেশিদিন জোটেনি স্বামীর সংসার। জন্মান্ধ ছোট ছোট বাচ্চাদের রেখে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটায় পাষণ্ড স্বামীরা। অবশেষে শিশু বাচ্চাদের নিয়ে অন্ধ ভাইদের সঙ্গে ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবন চালাচ্ছেন তারা। পরিবারের বড়ছেলে জন্মান্ধ শহিদুল ইসলাম জানান, আমাদের কেউ কাজে নেয় না। দেখতে পাই না বলে কোনো কিছু করতেও পারি না। তাই মানুষের কাছে সাহায্য চাই। আর এক ভাই বুলু মিয়া জানান, বাবার রেখে যাওয়া এই ছোট বাড়িতে অতিকষ্টে জীবন যাপন করছেন তারা। এদিকে, বোনেরাও জানালেন তাদের কষ্টের কথা। জানালেন ফুটফুটে শিশু সন্তানদের রেখে তাদের স্বামীরা ঘটিয়েছে বিবাহ বিচ্ছেদ। এখন মানুষের দুয়ারে ঘুরে ঘুরে সাহায্যের টাকায় অতিকষ্টে জীবন চালাতে হচ্ছে তাদের। এই ১৪ জন জনম দুঃখী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর মধ্যে মাত্র দুইজন পাচ্ছেন প্রতিবন্ধী ভাতা। বারবার ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যের কাছে ধরনা ধরেও আর কারো কপালে জোটেনি ভাতা কার্ড। স্থায়ী সাহায্যের মাধ্যমে তাদের পাশে দাঁড়াবে সরকার এমনটাই প্রত্যাশা এই অন্ধ পরিবারের।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাতিল জাহাজের শীর্ষ গন্তব্য এখন বাংলাদেশ by মনিরা মুন্নি

এই সময়টাকে পুরো বিশ্বে জাহাজ ভাঙ্গা হয়েছে ৩৭৪টি এবং এর মধ্যে ১৫৬টি ভাঙ্গা হয়েছে বাংলাদেশে। যেটা মানুষের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ উভয়েরই অপূরণীয় ক্ষতি করছে। এনজিও শিপব্রেকিং প্ল্যাটফর্মের (এনএসপি) প্রকাশিত তথ্যে এটা বেরিয়ে এসেছে।
এনএসপি আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর একটা সংগঠন যারা জাহাজ ভাঙ্গার কারণে সৃষ্ট পরিবেশগত ক্ষতির বিষয়টি কমিয়ে আনার জন্য কাজ করছে। সেই সাথে পুরো বিশ্ব জুড়েই যাতে জাহাজ ভাঙ্গার কাজটি পরিবেশকে রক্ষা করে করা হয়, সেজন্য চেষ্টা করছে তারা।
২০১৯ সালে বাংলাদেশে জাহাজ ভাঙ্গার কাজ ৬৭.৭৮ শতাংশ বেড়ে গেছে। ২০১৮ সালে জাহাজ ভাঙ্গা হয়েছিল ৯৩টি।
২০১৯ সালের প্রথমার্ধে ভারত বাতিল জাহাজ আমদানি করে ১১৬টি। ২০১৮ সালের জানুয়ারি-জুন সময়কালে তারা আমদানি করেছিল ১৭২টি।
তুরস্ক এ সময়ে ভেঙ্গেছে ৪৭টি জাহাজ, এর পর রয়েছে পাকিস্তান – যারা ভেঙ্গেছে ১৬টি, এরপর ইউরোপিয় ইউনিয়ন ১১টি এবং চীন ভেঙ্গেছে ছয়টি।
প্রাপ্ত তথ্যে আরও দেখা গেছে যে, ২০১৯ সালের প্রথমার্ধে দক্ষিণ এশিয়ার উপকূলে ২৮৮টি ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ বিক্রি হয়েছে। আগের বছর একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ৩২১।
২০১৯ সালের প্রথম চতুর্থাংশে যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব ও সিঙ্গাপুরের জাহাজ মালিকরা তাদের অধিকাংশ জাহাজ দক্ষিণ এশিয়ার শিপইয়ার্ডগুলোর কাছে বিক্রি করেছে। এরপর রয়েছে যথাক্রমে গ্রিক ও দক্ষিণ কোরিয়ান জাহাজ মালিকরা।
বাংলাদেশের চট্টগ্রামে, ভারতের আলাংয়ে, এবং পাকিস্তানের গাদানি ইয়ার্ডের কাছে এই জাহাজগুলো বিক্রি করা হয়। ‘ক্যাশ বায়াররা’ জাহাজগুলো কিনে শেষ সফরের জন্য জাহাজগুলোকে প্রস্তুত করে এইসব ইয়ার্ডে এনে বিক্রি করে।
২০১৮ সালে ইয়ার্ডগুলোর কাছে ৭৪৪টি বড় সমুদ্রগামী বাণিজ্যিক জাহাজ বিক্রি করা হয়েছে।
এগুলোর মধ্যে ৫১৮টি জাহাজ ভাঙ্গা হয় বাংলাদেশ (১৮৫), ভারত (২৫৩) এবং পাকিস্তানের (৮০) শিপইয়ার্ডগুলোতে। এগুলো মিলিতভাবে পুরো বিশ্বের ভাঙ্গা জাহাজের ৯০.৪ শতাংশ।
বাংলাদেশের জাহাজ ভাঙ্গার প্রক্রিয়াকে ‘নোংরা ও বিপজ্জনক’ আখ্যা দিয়ে এনএসপি বলেছে যে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিবেশ ও শ্রম আইনের দুর্বল প্রয়োগের কারণে এখানে পরিবেশ, কর্মী ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের মানুষের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে।
তারা জানিয়েছে, জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তিনজন কর্মী জাহাজ ভাঙ্গার সময় প্রাণ হারিয়েছে এবং আরও চারজন মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে।
মানবাধিকার গ্রুপটি বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যাতে দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য বাংলাদেশ শিপ রিসাইক্লিং অ্যাক্ট, ২০১৮টি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উত্তর মেরুতে আরেকটি বরফ গলার বছর
ড্যানিশ মেটারোলজিক্যাল ইনস্টিটিউটের (ডিএমআই) জলবায়ু বিশেষজ্ঞ রুথ মট্রাম সতর্ক করেছেন, ২০১২ সালের উত্তর মেরু সমুদ্রে বরফের সর্বনিম্ন পরিমাণ এবং গ্রিনল্যান্ডে বরফ গলার পরিমাণের দুটি রেকর্ড ভাঙার সম্ভাবনা রয়েছে। এ বছরের আবহাওয়ার হালচালের ওপর তা নির্ভর করবে।
গত মাসে গ্রিনল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ডিএমআইয়ের বরফ গলার ছবি তুলেছিলেন এক বিজ্ঞানী। ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুব দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। মহাসাগরীয় ও আবহাওয়া স্টেশন নিয়ে গবেষণা করছিলেন স্টিফেন ওলসেন। এ সময় স্টিফেনের কয়েকটি কুকুর সমুদ্রের খাঁড়িতে ধাক্কা দিলে বরফ গলা পানির কয়েক ইঞ্চি নিচে ডুবে যায়। ছবিতে দেখা যায়, উজ্জ্বল নীল আকাশের নিচে তুষারমুক্ত ঝকঝকে পাহাড় পেছনে রেখে পানির ওপর দিয়ে হাঁটছে কুকুরগুলো।
মট্রাম বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ছবিটি খুব আলোড়ন তুলেছে। কারণ, উত্তর মেরু কীভাবে কদলে যাচ্ছে, তা খুব স্পষ্টভাবে ছবিটিতে ফুটে উঠেছে।
স্টিফেনের অভিযানের স্থানীয় সঙ্গীরা জানান, বরফ যে এত আগেই গলতে শুরু করবে, এটি তাঁরা আশা করেননি। বরফ খুব পুরু বলে ওই পথে যাতায়াত করতেন তাঁরা, তবে সামনের রাস্তায় পানি ক্রমে গভীর হতে থাকায় আর আগে বাড়তে পারেননি।
ছবিটি তোলার আগের দিন, অর্থাৎ ১২ জুন নিকটবর্তী আবহাওয়া কেন্দ্র কানাকে ১৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। ২০১২ সালের ৩০ জুনের রেকর্ড থেকে আর মাত্র শূন্য দশমিক ৩ পয়েন্ট দূরে আছে এ বছরের তাপমাত্রা। মট্রাম ব্যাখ্যা করেন, এবারের শীত বেশ শুষ্ক ছিল। শীতের পরপরই সম্প্রতি উষ্ণ বাতাস, পরিষ্কার আকাশ, সূর্যের তাপ—সব মিলিয়ে দ্রুত বরফ গলার একটি আবহ সৃষ্টি হয়।
দ্রুত তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় লোকজনের জীবনযাত্রাও দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে। বরফ পাড়ি দিয়ে শিকারে যাওয়ার সময় কমে এসেছে। প্রতিকূল পরিবেশে তাদের টিকে থাকা অনেকাংশে নির্ভর করে এই শিকারের ওপর। কাজেই জলবায়ুর এমন পরিবর্তন বাস্তুসংস্থানে পরিবর্তন আনছে।
গত এক দশকে উত্তর মেরুতে মেরু ভালুকের সংখ্যা প্রায় ৪০ শতাংশ কমে গেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ ভালুকের সংখ্যা কমে যেতে থাকার কারণ হিসেবে জমাট বরফের পরিমাণ সংকুচিত হয়ে আসার বিষয়টিকে দায়ী করেছে। নারহোয়েল নামে বিশালাকৃতির তিমির সঙ্গে খুনে তিমিদের বাসস্থান মিলে যাওয়ায় হুমকির মুখে নারহোয়েলের অস্তিত্ব।
![]() |
| উজ্জ্বল নীল আকাশের নিচে তুষারমুক্ত ঝকঝকে পাহাড় পেছনে রেখে পানির ওপর দিয়ে কুকুরের হেঁটে যাওয়ার ছবিটি আলোড়ন তুলেছে। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভবিষ্যতে খাবার সংকটে পোকামাকড়ই সমাধান!

সত্যি কথা বলতে পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আর ভবিষ্যত পৃথিবীর খাদ্য সমস্যার সমাধান হিসেবে এমন উদ্যোগ গ্রহণের পক্ষেই ধীরে ধীরে মতামত গড়ে উঠছে বিজ্ঞানীদের মাঝে। গবাদিপশুর খামারের কারণে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ ভূমি এবং পানি দূষণ ঘটছে। সেই সাথে দূষিত হচ্ছে চারপাশের বাতাস। খামার প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে ধ্বংস হচ্ছে বনভূমি। সেই সাথে গবাদিপশুর শ্বাস থেকে নির্গত গ্রিন হাউজ গ্যাস সব মিলিয়ে পরিবেশের জন্য সব দিক থেকেই বেশ ক্ষতির কারণ গবাদি পশু প্রতিপালন। সেদিক থেকেই নতুন দিনের বিবেচনায় ঠাঁই পাচ্ছে উদ্ভিদ এবং পোকামাকড়। তবে পোকামাকড় হবে জেনেটিক প্রযুক্তির যেন অল্প খেলেই আপনি পেতে পারেন পরিপূর্ণ পুষ্টি!
সম্প্রতি ফ্রন্টেয়ার ইন সাসটেইনেবল ফুডস ম্যাগাজিনে প্রকাশিত আমেরিকার টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা প্রতিবেদনে উদ্ভিদভোজী কীটপতঙ্গের মাংস, এর পুষ্টিবৃদ্ধি এবং অন্যান্য বিষয়ে ব্যাপক আকারে গুরুত্ব প্রদান করা হয়। গবেষকরা দাবি করেন, ল্যাবরেটরিতে উৎপন্ন এইসব পোকা সাধারণ প্রোটিন উৎসের সমান পুষ্টি দিতে সক্ষম হবে।
গবেষণা প্রবন্ধের মূল লেখক নাটাইলি রুবিও বলেন, ‘পরিবেশ, গণস্বাস্থ্য এবং প্রাণীজীবনের উন্নয়নে আমাদের কার্যক্রম বর্তমান গবাদিপশু প্রতিপালন পদ্ধতির কারণে অনেকখানিই ব্যাহত হচ্ছে। তাই আমাদের লক্ষ্য সময়ের সাথে টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা প্রচলন করা’।
জীন প্রযুক্তির মাধ্যমে উদ্ভুত প্রোটিন উৎস বা ল্যাবে উৎপন্ন পোকার মাধ্যমে মাটি ও পানি দূষণের পাশাপাশি বনায়ন উজাড় এবং জীববৈচিত্র্য নষ্টের বিরুদ্ধে ভাল একটি অবস্থান নেয়া যাবে বলে বিশ্বাস করেন গবেষক দল। যদিও এর বিপরীতে ভারী প্রোটিনের চাহিদা কতটা কমবে এবং উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীলতা কতটা নেমে আসবে তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।
কিন্তু বিষয়টা যখন খাদ্য সংক্রান্ত তখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এর স্বাদ কেমন হবে? খেয়ে কি আসলেই তৃপ্ত হওয়া যাবে? জেনেটিক প্রযুক্তির ফলে পোকা মাকড়ের মাঝে বাড়তি পুষ্টি এবং প্রোটিন সররাহের পাশাপাশি কি স্বাদও পরিবর্তন করা সম্ভব?
এই প্রশ্নের জবাবে রুবিও জানান, এখনই এ ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। খুব ভাল সম্ভাবনা থাকা স্বত্তেও এখনই এইসব পোকামাকড় খাবার হিসেবে গ্রহণ করার জন্য একেবারেই প্রস্তুত নয়। আমরা এখনো দুইটি মূল বিষয়ে নিজেদের উন্নতি করতে চাইছি। প্রথমত, প্রতিটি পতঙ্গের চামড়া নিয়ে ব্যাপক পরিমাণ চর্বি এবং মাংসের আলাদা আলাদা স্তর গড়ে তোলা। আর দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ হিসেবে এতে সত্যিকারের মাংসের স্বাদ নিয়ে আসা। এজন্য আমরা মাশরুমের প্রতি সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছি যা বেশ সম্ভাবনাময় একটি বিকল্প হতে পারে।
এছাড়া একইসাথে বেশ কিছু পোকার সংকরায়নের মাধ্যমেও স্বাদে নতুন কিছু আনার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন গবেষকরা। কিন্তু গবেষয়াণ শেষে তাদের এই উদ্যোগ ঠিক কতটা মেনে নিবে পৃথিবীর মানুষ বা অতিরিক্ত পোকামাকড় ভক্ষণের কারণে প্রকৃতিতে জীবের ভারসাম্য কতটা রক্ষা হবে সে নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।
তথ্যসূত্র: সায়েন্স ডেইলি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'জয় শ্রীরাম': হিন্দু দেবতার জয়ধ্বনি যেভাবে পরিণত হলো মুসলিম হত্যার হুংকারে by গীতা পান্ডে
![]() |
| প্রাণভিক্ষা চাইছেন তাবরেজ আনসারী। এই ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। |
![]() |
| কার্টুনিস্ট সতীশ আচার্য্য মনে করেন রামের নামে এই সহিংসতা ভারতে ধর্মীয় বিবাদ উস্কে দেবে। |
![]() |
| তাবরেজ আনসারী হত্যার বিরুদ্ধে মুসলিমদের বিক্ষোভ |
![]() |
| কোটি কোটি হিন্দুর কাছে দেবতা রাম হচ্ছেন ন্যায়পরায়ণতা আর দয়াশীলতার প্রতীক। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
September
(820)
-
▼
Sep 16
(35)
- একতরফা অনেককেই ভালবেসেছিলাম: -শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্য...
- হাসি হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা প্রাক্তন স্বামীর by রু...
- চাই না এমন ছাত্র রাজনীতি by কাজল ঘোষ
- কাশ্মীর: মৃত্যু পর্যন্ত যুদ্ধ করবে পাকিস্তান
- কূপ থেকে উদ্ধার ৪৪টি মরদেহ শনাক্ত করেছেন মেক্সিকোর...
- আলোচনায় শোভন রাব্বানীর বিলাসী জীবন
- নাগরিকত্ব দিলেই আমরা মিয়ানমারে ফিরতে পারি: চীনা রা...
- 'প্রোটোকল' ছাড়াই রাজনীতি করবো: -আল নাহিয়ান খান জয় ...
- গোয়ালঘরে মা by আশরাফুল ইসলাম
- রাব্বানীর ডাকসু জিএস পদে থাকা নিয়ে প্রশ্ন by মোহাম...
- সৌদি তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে...
- শোভন-রাব্বানীকে নিয়ে যা ছিল গোয়েন্দা রিপোর্টে
- জনগণের সঙ্গে পুলিশের নিবিড় সম্পর্ক থাকতে হবে
- ২৫ বছর ধরে শিকলবন্দি রতন
- তোমরা সাইলেন্ট থাকো: -জাবি ছাত্রলীগ নেতাকে রাব্বানী
- বাঁশখালী অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট by মোঃ আব্দুল...
- সিলেট সফরে যে বিতর্কের জন্ম দেন শোভন by ওয়েছ খছরু
- সৌদি আরবে ভয়াবহ ড্রোন হামলার পেছনে ইরান: যুক্তরাষ্ট্র
- শক্তিপ্রয়োগে কাশ্মীর দখল করা হলে ভারতের প্রতিবেশীর...
- এক পরিবারেই ১৪ অন্ধ by খালিদ হাসান
- বাতিল জাহাজের শীর্ষ গন্তব্য এখন বাংলাদেশ by মনিরা ...
- উত্তর মেরুতে আরেকটি বরফ গলার বছর
- ভবিষ্যতে খাবার সংকটে পোকামাকড়ই সমাধান!
- 'জয় শ্রীরাম': হিন্দু দেবতার জয়ধ্বনি যেভাবে পরিণত...
- উগান্ডার এতো মানুষ ভারতে আসছে কেন?
- বিকিনিতে কাজল আগরওয়াল
- হলমার্ক কেলেঙ্কারি, ছয় বছরে এক টাকাও ফেরত আসেনি by...
- পৃথিবীর সেরা ডিজাইনের ১৩ হোটেল by সাদ তারেক
- ভারতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার জটিলতাকে অবহেলা করার প...
- পাকিস্তানেই রশীদ ডালিম ও মোসলেহউদ্দিন: মেহনাজ রশীদ...
- বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আগ্রহী যুক্তর...
- ১৫ বছর বয়সে ধর্ষণের শিকার!
- ভাসমান পেয়ারা বাজার মাসে কোটি টাকা লেনদেন by মোহাম...
- নতুন ভিডিওতে ঝড় তুললেন নোরা
- অন্তঃসত্বা কিশোরীকে বিয়ে, অতঃপর...
-
▼
Sep 16
(35)
-
▼
September
(820)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





