Tuesday, June 19, 2018
বিশ্বকাপ ও সেক্স

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফেসবুকে প্রেম এবং বাংলাদেশী যুবতীর পরিণতি

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাতিসংঘ-মিয়ানমার সমঝোতা: চুক্তির অস্পষ্টতায় রোহিঙ্গা সংগঠনগুলোর ক্ষোভ, নাগরিকত্বের প্রশ্ন উপেক্ষার অভিযোগ
![]() |
| উখিয়ায় কুতুপালং শিবিরের রোহিঙ্গারা আসন্ন বর্ষার প্রস্তুতি হিসেবে ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরি করছে |
গত ৬ জুন (বুধবার) নেপিদোতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে মিয়ানমার ও জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ‘রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে এই চুক্তিটিকে গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ’ হিসেবে চিহ্নিত করেন মিয়ানমারে নিয়োজিত জাতিসংঘের আবাসিক এবং মানবিক সহায়তাবিষয়ক সমন্বয়কারী নাট ওৎসবি। রবিবার (১০ জুন) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে রোহিঙ্গা সংগঠনগুলো ওই চুক্তি নিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন।
মিয়ানমার সরকার সমঝোতা চুক্তি সম্পন্নের পর দাবি করে, এর মধ্য দিয়ে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে। তবে মিয়ানমার সরকারের বিবৃতিতে রোহিঙ্গা শব্দটি উল্লেখ করা হয়নি। তাদের ‘বাস্তুচ্যুত মানুষ’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে। ১০ জুন রোহিঙ্গা সংগঠনগুলোর বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, চুক্তিতে রোহিঙ্গা সংকটের ‘মূল কারণ’-এর কথা উল্লেখ করা হয়নি; বিশেষ করে, রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের প্রশ্নটি সুরাহা করা হয়নি। বিবৃতিতে বলা হয়, প্রত্যাবাসনের জন্য শরণার্থীদের ‘নিরাপত্তা, মর্যাদা ও পূর্ণাঙ্গ নাগরিকত্ব ও অধিকারের’ ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এগুলো নিশ্চিত হলেই তারা রাখাইন রাজ্যে বসবাস করতে পারবে। কক্সবাজারের কুতুপালং শিবিরে বসবাসরত এক রোহিঙ্গা নাম প্রকাশ না করার শর্তে মিয়ানমার ফ্রন্টিয়ারকে চুক্তি নিয়ে নিজের অবস্থান জানান। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পূর্ববর্তী উদ্যোগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘লোকজন (রোহিঙ্গা) চিন্তায় আছে, অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করেই যদি তারা ফিরে যায় তবে আগের মতো অবস্থা হবে।’
মিয়ানমারে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি ও মানবিক সহায়তাবিষয়ক সমন্বয়কারী নাট ওৎসবি ফ্রন্টিয়ারকে বলেন, ‘রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছা, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে যথাযথ পরিবেশ গড়ে তোলার কাজে সহায়তার জন্য ইউএনএইচসিআর ও ইউএনডিপি মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষর করেছে।’
সমঝোতা চুক্তি সংক্রান্ত মিয়ানমার সরকারের বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছিল, ২৫ বছর আগে ২ লাখ ৩০ হাজার বাস্তুচ্যুতর প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘকে সহায়তা করেছিল মিয়ানমার।’ তবে রোহিঙ্গা সংগঠনগুলো মিয়ানমার ও জাতিসংঘের মধ্যে স্বাক্ষরিত পূর্ববর্তী প্রত্যাবাসন চুক্তিগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে বলছে, সেই চুক্তিগুলো রোহিঙ্গাদের জন্য পর্যাপ্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। রোহিঙ্গাদের বাড়ি-ঘর পুনর্নির্মাণ করে দিতে এবং তাদের আন্তর্জাতিক সুরক্ষা দিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীসহ ‘রাষ্ট্র ও আঞ্চলিক ক্রীড়ানকদের’ প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে বিবৃতিতে। সেইসঙ্গে রোহিঙ্গা নিধনে দায়ীদের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের মুখোমুখি করারও সুপারিশ করা হয়েছে।
রোহিঙ্গা সংগঠনগুলোর অভিযোগ, কমিউনিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা না করেই, তাদের মতামত ছাড়াই চুক্তিটি সম্পাদিত হয়েছে। এমনকী ওই চুক্তির বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। মিয়ানমারে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি ও মানবিক সহায়তাবিষয়ক সমন্বয়কারী নাট ওৎসবি জানান, চুক্তির বিষয়বস্তু প্রকাশের ব্যাপারে আলোচনা চলছে। ফ্রন্টিয়ারকে তিনি বলেন, ‘সমঝোতা স্মারকটি হলো ইউএনএইচসিআর, ইউএনডিপি ও মিয়ানমার সরকারের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতামূলক রূপরেখা প্রতিষ্ঠার জন্য একটি আইনি চুক্তি। সমঝোতা স্মারকের বিষয়বস্তু প্রকাশের ব্যাপারে তিন পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হলে তিন পক্ষেরই সম্মতি লাগবে। বাংলাদেশে থাকা শরণার্থী ও রাখাইনের সব সম্প্রদায়ের লোকজনসহ স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলাপ করার কথা রয়েছে জাতিসংঘের দুই সংস্থার ।’
জাপানি সংবাদমাধ্যম এনএইচকে-তে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সুচি’র বিশেষ সাক্ষাৎকার প্রচারের দুইদিন পরই বিবৃতিটি দেয় রোহিঙ্গা সংগঠনগুলো। ওই সাক্ষাৎকারে সুচি বলেছিলেন, প্রত্যাবাসনের জন্য আস্থা গড়ে তোলার দায়িত্বটি মিয়ানমার ও বাংলাদেশ দুই দেশের উপরেই বর্তায়। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, আস্থা স্থাপনের বিষয়টি কেবল মিয়ানমারের উপর বর্তায় না। আমি মনে করি, আস্থা স্থাপনের জন্য অন্য পক্ষকেও জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে।’
গত বছরের আগস্টে রাখাইনে নিরাপত্তা বাহিনীর তল্লাশি চৌকিতে হামলার পর রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। খুন, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা। আন্তর্জাতিক চাপ জোরালো হওয়ার এক পর্যায়ে প্রত্যাবাসন চুক্তিতে বাধ্য হয় মিয়ানমার। তবে সেই চুক্তির পর বেশ খানিকটা সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও ধোঁয়াশা কাটছে না। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ৮ হাজার রোহিঙ্গার নাম প্রস্তাব করা হলেও মাত্র ৬০০ জনকে ফেরত নিতে চেয়েছে মিয়ানমার। এরমধ্যেই প্রত্যাবাসন প্রশ্নে জাতিসংঘ ও মিয়ানমারের মধ্যে সমঝোতা চুক্তিটি স্বাক্ষর হয়।
মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি চুক্তি স্বাক্ষরের পর এক প্রতিবেদনে জানায়, এতে নাগরিকত্বের প্রশ্নের মীমাংসা না হওয়ায় বহু বছর ধরে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের মিথ্যা আশ্বাস পেয়ে আসা রোহিঙ্গারা হতাশ হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশে পালিয়ে আসা তৈয়ব আলী নামে রোহিঙ্গা এপিকে সে সময় বলেন, প্রথমে রাখাইনে থেকে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের স্বীকৃতি দিতে পারে ইয়াঙ্গুন সরকার। কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরে তিনি বলেন, ‘যখন আমরা দেখে শুনে নিশ্চিত হবো যে তারা নাগরিক অধিকার উপভোগ করছে, তখন আমরা ফিরে যাবো।’
উল্লেখ্য, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে রোহিঙ্গারা রাখাইনে থাকলেও মিয়ানমার তাদের নাগরিক বলে স্বীকার করে না। উগ্র বৌদ্ধবাদকে ব্যবহার করে সেখানকার সেনাবাহিনী ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে স্থাপন করেছে সাম্প্রদায়িক অবিশ্বাসের চিহ্ন। ছড়িয়েছে বিদ্বেষ। ৮২-তে প্রণীত নাগরিকত্ব আইনে পরিচয়হীনতার কাল শুরু হয় রোহিঙ্গাদের। এরপর কখনও মলিন হয়ে যাওয়া কোনও নিবন্ধনপত্র,কখনও নীলচে সবুজ রঙের রশিদ,কখনও ভোটার স্বীকৃতির হোয়াইট কার্ড, কখনও আবার ‘ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড’ কিংবা এনভিসি নামের রং-বেরঙের পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানুষকে। ধাপে ধাপে মলিন হয়েছে তাদের পরিচয়। ক্রমশ তাদের রূপান্তরিত করা হয়েছে রাষ্ট্রহীন বেনাগরিকে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেক্সিকোর ভক্তদের উল্লাস কি আসলেই সেদেশে ভূমিকম্প তৈরি করেছিল?

খেলার ৩৫ মিনিটের মাথায় বলটি যখন নেট স্পর্শ করে তখন ফুটবলপ্রেমীরা এমনভাবে লাফাতে শুরু করলো যে তাদের পদভারে কেঁপে উঠলো মেক্সিকোর মাটি। দেশটির কোন কোন সংবাদ মাধ্যমে এও বলা হলো, সমর্থকদের লাফালাফিতে দেশটিতে মৃদু ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু আসলেই কি এরকম হতে পারে?
দেশটিতে ভূমিকম্প নিয়ে যে সরকারি প্রতিষ্ঠানটি গবেষণা, মনিটর ও জরিপ পরিচালনা করে, সেই ইন্সটিটিউট অফ জিওলজিক্যাল এন্ড এটমোসফেরিক ইনভেস্টিগেশন বলছে, সেসময় আসলেই ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়েছিল।
প্রতিষ্ঠানটির এক টুইট বার্তায় এরকমটাই দাবী করা হয়েছে: "রাশিয়ায় ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে জার্মানির বিরুদ্ধে মেক্সিকোর গোল করার পর উল্লাসের কারণে মেক্সিকো সিটিতে কৃত্রিম ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়েছে।"
নিচের ছবিতে ভূকম্পনের যে গ্রাফটি (সিসমোগ্রাম) তুলে ধরা হয়েছে তাতে লাল কালি দিয়ে ভূকম্পনের সময়টিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে সিসমোমিটারের কাছে স্থানীয়ভাবে কী ধরনের ভূকম্পনের সৃষ্টি হয়েছিল।আসলেই কী ঘটেছিল?
ইন্সটিটিউটের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দলের বিরুদ্ধে গোল হওয়ার পর মেক্সিকোর সমর্থকরা যখন উল্লাস করতে শুরু করে তখন স্থানীয়ভাবে তাদের দুটো সিসমোমিটারে ভূকম্পনের মাত্রা ধরা পড়তে শুরু করে।
এই ইন্সটিটিউটের ব্লগে বলা হয়: "খেলার ৩৫ মিনিট সাত সেকেন্ডের সময় মেক্সিকো একটি গোল দিয়ে দেয়, তখন আমাদের মনিটিরং সিস্টেমে ভূকম্পনের একটি মাত্রা ধরা পড়ে। এই কম্পনের ত্বরণ ছিল ৩৭মি/এস২ যা মেক্সিকো সিটির ভেতরে কমপক্ষে দুটো সেন্সরে ধরা পড়ে। বড় ধরনের উল্লাসের কারণেই সম্ভবত এই কম্পনের সৃষ্টি হয়েছে।"তবে ইন্সটিটিউটের পক্ষ থেকে এও উল্লেখ করা হয়েছে যে "এধরনের কম্পন খুব একটা বড় ঘটনা নয়।"
তারা বলছেন, সমবেত সমর্থকরা যেখানে উল্লাস করছিল তার খুব কাছে অবস্থিত অত্যন্ত স্পর্শকাতর এসব যন্ত্রে এই কম্পন ধরা পড়ে।
যেসব জায়গায় ফুটবল ভক্তরা জড়ো হয়েছিল তার একটি রাজধানী মেক্সিকো সিটির এঞ্জেল অফ ইন্ডিপেন্ডেস ভাস্কর্য চত্বর যার খুব কাছেই আছে একটি সিসমোমিটার। এই যন্ত্রটিতেই সেসময়কার ভূকম্পনের মাত্রা ফুটে ওঠে।
এটা কি ভূমিকম্প ছিল নাকি ছিল না?
ইন্সটিটিউট অফ জিওলজিক্যাল এন্ড এটমোসফেরিক ইনভেস্টিগেশনের ব্লগে এটা পরিষ্কার করে বলে দেওয়া হয়েছে এই কম্পন এতোটাই মৃদু যে তার সাধারণ লোকজনের পক্ষে অনুভব করা বা বুঝতে পারা সম্ভব নয়।
"এই ঘটনা কোন মাত্রা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। সেকারণে এটিকে ভূমিকম্প বলা যাবে না। যদি এটাকে ভূমিকম্প বলতে হয় তাহলে এর সাথে 'কৃত্রিম' শব্দটিও জুড়ে দিতে হবে। এটা যে ভৌগলিক ও প্রাকৃতিক কারণে ঘটেনি সেটা পরিষ্কার করে দিতে হবে।"এরকম কি আগেও ঘটেছিল?
হ্যাঁ, হয়েছিল। ১৯৮৮ সালে আমেরিকান এক ফুটবল টুর্নামেন্টের সময়। লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটি এবং অবার্নের ম্যাচের সময় লুইজিয়ানা যখন খেলার একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল করে তখন টাইগার স্টেডিয়ামে এরকম ভূকম্পনের সৃষ্টি হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূবিজ্ঞান বিভাগে স্থাপিত সিসমোমিটারে ধরা পড়েছিল এই ভূকম্পন। এরপর থেকে ওই ম্যাচটি পরিচিত হয়ে ওঠে "ভূমিকম্পের খেলা' হিসেবে।
অতি সম্প্রতি, ২০১৬ সালে নরিচের বিরুদ্ধে যখন লেস্টার সিটি শেষ মুহূর্তে গোল করে তখনও ইংল্যান্ডের মাটিতে এরকম কম্পনের সৃষ্টি হয়েছিল।
সূত্রঃ বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হতাশার অন্ধকার রাজ্যে ফেভারিটরা

‘জার্মানির হারই প্রমাণ করে বিশ্বকাপ কত কঠিন’
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে হারিয়ে সবাইকে চমকে দেয় মেক্সিকো। আর ইসকো অ্যালারকন বলেন, বিশ্বকাপ যে কতটা কঠিন এ ম্যাচের ফল থেকেই বুঝা যায়। এ ম্যাচের পর দলের সবাইকে সতর্ক করেছেন তিনি। ইসকো বলেন, বিশ্বকাপ আসলেই কঠিন। জার্মানি ও মেক্সিকো ম্যাচের ফলই তা বলে দিচ্ছে। জার্মানি চ্যাম্পিয়ন দল। কিন্তু এক ম্যাচে যে কোনো কিছুই ঘটতে পারে। মেক্সিকো দুর্দান্ত খেলেছে। এ ম্যাচে জার্মানিকে সব দিক দিয়েই তারা প্রতিরোধ করেছে এবং ম্যাচ জিতে নিয়েছে। এটাই প্রমাণ করে বিশ্বকাপ কতটা কঠিন এবং আসরের প্রত্যেকটা দলই কঠিন প্রতিপক্ষ। নিজ দল স্পেন সম্পর্কে ইসকো বলেন, আমাদের দলের সবাই এখন উজ্জীবিত। প্রত্যেকটি ম্যাচের জন্য আমরা নিজেদের খুব ভালোভাবে প্রস্তুত করছি। বিশ্বকাপের দুইদিন আগে বরখাস্ত হয়েছেন স্পেন জাতীয় দলের কোচ হুলেন লোপেতেগি। তার অনুপস্থিতি দলে কোনো প্রভাব পড়ছে না বলে মনে করেন ইসকো। তিনি বলেন, এ বিষয়টাকে আমরা সামান্য এক ঘটনা হিসেবে মনে করছি। বিশ্বকাপে আমোদের স্বপ্ন অনেক বড়। এখানে অনেক কিছুই ঘটতে পারে। আর সব বাধা উতরে আমাদের সেরাটা দিয়ে সাফল্য পেতে হবে। এটা বিশ্বকাপ, যা প্রত্যেক দিন আসে না এবং সবার খেলার সুযোগও হয় না। আমরা খুব ভালো করেই জানি বিশ্বকাপ সবার জন্য কঠিন এবং চ্যালেঞ্জের। এবারের আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পর্তুগালের সঙ্গে ৩-৩ গোলে ড্র করে স্পেন। আগামীকাল নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ইরানের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মৌলভীবাজারে ভয়াবহ বন্যা, নিহত ৭ by ইমাদ উদ দীন

রাজনগরের ৮৫টি গ্রামের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি
রাজনগর (মৌলভীবাজার), মৌলভীবাজারের রাজনগরে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার উন্নতি হলেও সবখানেই রয়ে গেছে ধ্বংসের চিহ্ন। ১৯৮৮ সালের পর এমন বন্যা কেউ দেখেনি বলেই মত বয়স্ক মানুষদের। ঈদের দুইদিন আগে (বুধবার) থেকে মনু নদীর পানি বাড়তে থাকলেও কোথাও বাঁধ ভাঙার ভয় ছিল না। আকস্মিক উজান থেকে নেমে আসা পানিতে মনুনদীর বন্যা প্রতিরক্ষা বাঁধের বেশ কয়েটি স্থানে ভাঙন দেখা দেয়। এতে উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের ৪২টি গ্রাম ও মনসুরনগর ইউনিয়নের ৩৩টি গ্রাম পুরোপুরি এবং টেংরা ইউনিয়নের ১০টি গ্রামসহ ৮৫টি গ্রাম তলিয়ে যায়। এতে ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। পানিবন্দি মানুষদের উদ্ধারে রাজনগরে ৫০ সদেস্যের সেনাবাহিনীর একটি দল উদ্ধার তৎপরতা চালায়। উদ্ধার তৎপরতা ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারও ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ১৫টিরও বেশিও ফ্লাডসেন্টার খুলা হয়েছে। এদিকে রাজনগরে নগদ ২ লাখ বিশ হাজার টাকা ও ১৬৫ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে মনসুরনগর ইউনিয়নে নগদ ৯০ হাজার টাকা ও ৭০ টন চাল এবং কামারচাক ইউনিয়নে নগদ ১ লাখ টাকা ও ৮৫ টন চাল ও টেংরা ইউনিয়নে ২০ হাজার টাকা ও ১০ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
গতকাল সোমবার বিকালে মনসুরনগর ইউনিয়নের কদমহাটা এলাকায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বন্যাপরিস্থিতি পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি পর্যাপ্ত ত্রাণ ও নগদ টাকা দেয়া হয়েছে বলে বন্যাকবলিত মানুষদের আশ্বস্ত করেন।
এছাড়াও ঈদের দিন থেকে মৌলভীবাজারের সঙ্গে এই উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। গতকাল সোমবার বিকালে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং টিমের সহায়তায় মৌলভীবাজার-কুলাউড়া সড়কে মেরামত কাজ শুরু হয়েছে। ফলে হাল্কা যান চলাচল শুরু হয়েছে।
কদমহাটা, মালিকোনা, আশ্রাকাপনসহ বেশ কয়েকটি স্থানে মনু নদীর বন্যা প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় শুক্রবার রাত থেকে কদমহাটা, শ্বাসমহল, প্রেমনগর আশ্রাকাপন, মহলাল, দক্ষিণ মহলাল, মালিকোনা, চাটুরা, বনমালী পঞ্চেশ্বর, সরখরনগর, খাসপ্রেমনগর, বরকাপনসহ ওই ইউনিয়নের সবক’টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
কামারচাক ইউনিয়নে মশাজান, কামারচাক, ভোলানগর, দস্তিদারের চক, ইসলামপুর, জালালপুর, তেঘরি, করাইয়া, মৌলভীরচক, আদমপুর, মেলাগড়, শান্তকুল, পঞ্চানন্দপুর, একাসন্তোষ, হাটিকরাইয়া, তেঘরি, চাটিকোনাগাঁও, মুর্তিকোনাসহ ওই ইউনিয়নের পুরো ৪২টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন।
এদিকে ছোট ছোট ক্যানেলগুলো দিয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করায় রাজনগর সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ খারপাড়া এলাকার মুজিবনগর গুচ্চগ্রাম তলিয়ে গেছে।
কদমহাটা উচ্চ বিদ্যালয়, তারাপাশা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, পোর্টিয়াস মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, মহলাল উচ্চ বিদ্যালয়, কামারচাক বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রসহ ১৫টিরও বেশি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
ধান-চাল, গবাধিপশু নিয়ে মানুষ বেকায়দায় পড়েছেন। নিজেরা আশ্রয় পেলেও গবাধিপশুর থাকার জায়গার ব্যবস্থা করতে পারছেন না। এছাড়া চুরি হওয়ার ভয়ে অনেকে গবাদিপশু রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন।
এদিকে এখন পর্যন্ত এ উপজেলায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ১৬ জুন শনিবার টেংরা ইউনিয়নের সৈয়দনগর গ্রাম থেকে মৃত ইসমাইল উল্লার অসুস্থ স্ত্রী কর্পুল বিবিকে (৮০) স্পিড বোটে করে পানিবন্দি অবস্থা থেকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নেয়ার পর তার মৃত্যু হয়। এর আগে গত ১৩ জুন বুধবার উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের হাটিকরাইয়া গ্রামের মো. মিছবা মিয়ার ছেলে ইমন মিয়া (১০) নিখোঁজ ছিল। পরদিন বৃহস্পতিবার ভাসমান অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায় একটি বাড়ির পাশে।
আশ্রাকাপন এলাকার কাপ্তান মিয়া (৬০) মৌলভীবাজার কুলাউড়া সড়কে ধান শুকাচ্ছিলেন। এ সময় তার ছবি তুলতে গেলে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘৩০-৩২ মণ ধান ছিল। সব পানিতে ভিজে গেছে।’ এ সময় পাশ থেকে তার স্ত্রী বলেন, ‘এখন ছবি তুলিয়া কিতা অইতো। আমরা পানি আছলাম, কেই দেখাত আইলানা, এখন আইয়া কিতা খরতা’।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌসী আক্তার বলেন, পানি কমার কারণে মানুষজন বিভিন্ন ফ্লাড সেন্টার থেকে বাড়ি ফিরছে। আমরা যে ত্রাণ পেয়েছি তা সুষ্ঠুভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বণ্টনই এখন মূল কাজ। এজন্য আমার টেগ অফিসারদের বলে দেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় করে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার পক্ষে কানাডার অধিকাংশ নাগরিক

গত বছরের আগস্টে রাখাইনে নিরাপত্তা বাহিনীর তল্লাশি চৌকিতে হামলার পর রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। খুন, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা। আন্তর্জাতিক চাপ জোরালো হওয়ার এক পর্যায়ে প্রত্যাবাসন চুক্তিতে বাধ্য হয় মিয়ানমার। তবে সেই চুক্তির পর বেশ খানিকটা সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও ধোঁয়াশা কাটছে না। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ৮ হাজার রোহিঙ্গার নাম প্রস্তাব করা হলেও মাত্র ৬০০ জনকে ফেরত নিতে চেয়েছে মিয়ানমার। এরমধ্যেই প্রত্যাবাসন প্রশ্নে জাতিসংঘ ও মিয়ানমারের মধ্যেও একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সেখানেও নাগরিকত্বের প্রশ্নটির সুরাহা না হওয়ায় চুক্তি নিয়ে হতাশ রোহিঙ্গারা।
রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা প্রশ্নে শুরু থেকেই সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছে কানাডা। মিয়ানমার ও বাংলাদেশে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর নিয়োগকৃত বিশেষ দূত বব রে তার প্রতিবেদনে বলেছিলেন,রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিতে আগ্রহ দেখানোর পাশাপাশি তাদের জন্য মানবিক সহায়তা জোরদারে কানাডার ভূমিকা রাখা উচিত। এছাড়া রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার প্রমাণ সংরক্ষণ প্রক্রিয়ায় কানাডার সংশ্লিষ্টতার সুপারিশ করেন বব রে। সম্প্রতি কানাডার ত্রিশটি মানবাধিকার ও মানবিক সহায়তা সংস্থার জোট কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর বিশেষ দূত বব রে’র প্রতিবেদনের সুপারিশ বাস্তবায়নের আহ্বান জানায়। চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে কানাডায় অনুষ্ঠিত জি-সেভেন বৈঠকের সময় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ভূমিকা রাখার জন্য গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা, সিনেট, হাউজ অফ কমনস এবং কানাডীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া প্রশ্নে সম্প্রতি কানাডীয় টিভি চ্যানেল সিটিভির পক্ষ থেকে গবেষণা প্রতিষ্ঠান 'ন্যানোস রিসার্চ' একটি জরিপ পরিচালনা করে। গত ৩০ মে থেকে ৩ জুন পর্যন্ত ১০০০ প্রাপ্তবয়স্ক কানাডীয়’র মধ্যে জরিপটি করা হয়। শনিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ৬২ শতাংশ মানুষ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার পক্ষে। এরমধ্যে ৩৭ শতাংশ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমর্থন জানিয়েছে, আর বাকি ২৫ শতাংশ ‘মৃদুভাবে সমর্থন’ জানিয়েছেন। এছাড়া ১৮ শতাংশ কানাডীয় সরাসরি রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার উদ্যোগের বিরোধিতা করেছেন। আর ১৪ শতাংশ করেছেন ‘মৃদু বিরোধিতা’।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিশুদের পার্ক ও মেলায় উপচেপড়া ভিড়

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইয়েমেনবাসীর ঈদে দুর্ভিক্ষের ছাপ, দুষ্প্রাপ্য খাদ্যে সৌদি সেনাদের উদযাপন

হুদাইদাতে থাকা বই বিক্রেতা আহমেদ আব্দুল্লাহ নাসের তার স্ত্রী ও সন্তানদের রাজধানী সানাতে পাঠিয়ে দিয়েছেন। তার ধারণা, সেখানে থাকলে তারা নিরপদ থাকবে। কিন্তু তাদের অনুপস্থিতিতে তিনি নিঃসঙ্গ। ইন্ডিপেন্ডেন্টকে তিনি বলেছেন, ‘আমার ছেলের বয়স ৫ বছর। চলমান যুদ্ধকে বুঝে নেওয়ার মতো বোধ সে এরইমধ্যে অর্জন করেছে। সে আমার কাছে বিমান হামলা এবং ওই খারাপ লোকগুলোর বিষয়ে জানতে চায়। আমি তাকে বেশি কিছু বলি না। আমি চাই না, সে চিন্তিত হয়ে পড়ুক। আমি আশা করি আমার পাঠানো পোশাক ও মিষ্টি পেয়ে তারা আনন্দিত হয়েছে। এসবের জন্য অর্থ জমানো এখন আর সহজ নয়।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘আমার পরিবারের ভাগ্য অন্যদের তুলনায় ভালো। হুদাইদার অনেক মানুষ এখন একবেলা খেয়ে থাকে। যুদ্ধের ভেতর থেকে পালিয়ে যাওয়ার চিন্তা অনেকেই করে, কিন্তু সানাতে যাওয়ার জন্য যে তেল খরচ হবে আর যে পরিবহন ভাড়া লাগবে তা দেওয়ার সাধ্য তাদের নেই।’
গত কয়েকদিনে ইয়েমেনের আধাসামরিক বাহিনী এবং সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের যৌথ বাহিনী হুদাইদার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। তারা হুথি বিদ্রোহীদের হাত থেকে শহরটির পুনর্দখল নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। এখন পর্যন্ত শুধু সুইডেন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে অস্ত্রবিরতির প্রস্তাব এনেছে। কিন্তু বরাবরের মতো কুয়েত সেটার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবারেও ইয়েমেন যুদ্ধ প্রসঙ্গে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি নিরাপত্তা পরিষদ। অথচ ইয়েমেন সরকারের মুখপাত্র রাজেশ বাডি বৃহস্পতিবার ঘোষণা দিয়ে দিয়েছিলেন, ‘গোল্ডেন ভিক্টরি’ নামের অভিযানটি স্থগিত করা হয়েছে। ইন্ডিপেন্ডেন্ট-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুথিদের দখল থেকে ইয়েমেনকে উদ্ধার করতে যারা দেশটিকে সহায়তা করছে তারাও যে সবসময় ইয়েমেনর সঙ্গে একমত হয়েই সব করছে, তা নয়। হুদাইদার যুদ্ধকে এখন পর্যন্ত ইয়েমেনে চলা যুদ্ধের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মোকাবেলা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যার ফলাফলের প্রভাব পড়বে পুরো দেশে।
যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে সবার আগে ঝুঁকিতে পড়বে হুদাইদা বন্দর। অথচ ওই বন্দর দিয়েই ইয়েমেনের জন্য ৭০ শতাংশ ত্রাণ পাঠানো হয়। যুদ্ধে যদি ত্রাণ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয় তাহলে ইতোমধ্যেই দুর্ভিক্ষের শিকার হুদাইদাবাসী পুরোপুরি অনাহারে থাকতে বাধ্য হবে। ত্রাণ বন্ধ হয়ে গেলে আরও ২ কোটি ৮ লাখ মানুষের বেঁচে থাকা কষ্টকর হয়ে যাবে। আহমেদের জন্য অনেক বড় দুশ্চিন্তার কারণ হুদাইদা বন্দর বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি। বন্দর যদি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আমদানি করা যে বই তিনি বিক্রি করেন তা ইয়েমেনে পৌঁছাবে না। আর পুরো শহর এডেনের মতোই অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে যাবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার মেলানিয়া ট্রাম্প

মেক্সিকো সীমান্তে অবৈধ অভিবাসন প্রত্যাশীদের রুখতে সম্প্রতি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এ নিয়ে সমালোচনার জবাবে শুরু থেকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলে আসছেন, তিনি নতুন কোনও অভিবাসন নীতি গ্রহণ করেননি। বিগত ডেমোক্র্যাট প্রশাসনের নেওয়া নীতি মেনেই মেক্সিকো সীমান্তে অবৈধ অভিবাসন প্রত্যাশীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিচ্ছেন তিনি। অবশ্য অবৈধ অভিবাসীদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্নকরণের ঘটনা পূর্ববর্তী মার্কিন প্রশাসনগুলোতেও দেখা গেছে। তবে মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, সে সংখ্যাটা অনেক কম ছিল। অতীতে দেখা গেছে, যেসব লোক অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতো এবং অপরাধের কোনও রেকর্ড ছিল না তাদেরকে আইনের আওতায় অপরাধী সাব্যস্ত না করে শুধুই অস্থায়ীভাবে আটক করা হতো কিংবা বিতাড়িত করার সুপারিশ করা হতো। মা ও শিশুরা সাধারণত একসঙ্গেই থাকতো। তবে ট্রাম্প প্রশাসন সব ধরনের অবৈধ অভিবাসন প্রত্যাশীর বিরুদ্ধে আইনগত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করার প্রথম ৬ সপ্তাহেই প্রায় ২ হাজার শিশু পরিবার-বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অতীতে এমন নজির দেখা যায়নি।
মার্কিন স্বরাষ্ট্র দফতর-হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান বলরেছ, ১৯ এপ্রিল থেকে ৩১ মে সময়ের মধ্যে আটক হওয়া ১৯৪০ পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির সঙ্গে থাকা ১৯৯৫ জন শিশু পরিবার-বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এদের মধ্যে কার বয়স কতো, মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা জানানো হয়নি। ওই শিশুরা হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিস বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। মামলা নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলমান অবস্থায় সরকারের ডিটেনশন ফ্যাসালিটিজ ও ফস্টার কেয়ারে রাখা হয়েছে তাদের। এভাবে শিশুদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখার নীতির বিরোধিতা করেছেন মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। মেলানিয়ার মুখপাত্র সিএনএন-কে জানান, ‘পরিবারের কাছ থেকে শিশুদের বিচ্ছিন্ন করার দৃশ্যকে মেলানিয়া ঘৃণার চোখে দেখেন। তিনি আশা করেন, কংগ্রেসে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট দুই পক্ষ শেষ পর্যন্ত অভিবাসন আইন সংস্কারের প্রশ্নে একমত হতে পারবে।’
ডোনাল্ড ট্রাম্প শিশুদের এই বিচ্ছিন্নকরণ প্রক্রিয়ার জন্য দায়ী করছেন ‘ডেমোক্র্যাটদের প্রণীত’ আইনকে। তবে অতীতের অভিবাসন নীতির সঙ্গে সাম্প্রতিক পদক্ষেপের পার্থক্য টানতে গিয়ে সমালোচকরা উল্লেখ করেছেন সে দেশের জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের নেওয়া সিদ্ধান্তকে। ডিপার্টমেন্টের পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশন্স-এর গত মাসে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন, অপরাধী-নিরপরাধ নির্বিশেষে প্রথমবারের মতো কেউ অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করলেও তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করে আইনের আওতায় নেওয়া হবে। শিশুদের যেহেতু অপরাধী বিবেচনা করার সুযোগ নাই, সে কারণে তারা পূর্ণ বয়স্ক অভিভাবকদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছেন।
জেফ সেশন্স এ মাসে বাইবেলকে উদ্ধৃত করে অবৈধ অভিবাসন প্রত্যাশীদের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতির পক্ষে যুক্তি হাজির করেন। বাইবেল থেকে সেইন্ট পলকে উদ্ধৃত করে সেশন্স বলেন,তিনি জনসাধারণকে সরকারের নির্দেশনা মেনে চলতে বলেছিলেন,কেননা স্রষ্টা তার নির্দেশনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব সরকারকে দিয়েছেন। অভিবাসন প্রশ্নকে এরসঙ্গে যুক্ত করে তিনি বলেন,‘আমাদের নীতি সাময়িকভাবে শিশুদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারে তবে এই সিদ্ধান্ত অপ্রয়োজনীয় ও অন্যায্য নয়’। তবে মেলানিয়ার অবস্থান ভিন্ন। তিনি মনে করেন যাবতীয় আইন অনুসরণের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের এমন একটি দেশ হওয়া উচিত, যার শাসনকার্য পরিচালিত হবে হৃদয়গত বোধ দিয়ে।
উল্লেখ্য, ফার্স্ট লেডি হিসেবে হোয়াইট হাউসে আসার পর থেকেই শিশুদের সুরক্ষার প্রশ্নটিকে মনযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছেন। সাইবার অপরাধ ও আফিমের মহামারী থেকে শিশুদের সুরক্ষাসহ বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সোচ্চার হতে দেখা গেছে তাকে। গত মে মাসে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে মেলানিয়া বলেন, ভবিষ্যতেও তিনি শিশুদের নিয়ে কাজ করবেন। শিশুদের নির্দিষ্ট একটি সমস্যার সমাধানে আটকে না থেকে শিশুদের সুরক্ষামূলক বিভিন্ন ইস্যুতে কাজ করার প্রত্যয় জানান তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘রমজানের ঐ রোজার শেষে’ গান জনপ্রিয় কিভাবে হল?

সন্ধেয় ঈদের চাঁদ দেখা গেছে এমন ঘোষণার সাথে সাথেই পাড়ায় মহল্লায় প্রথমেই শোনা যায় হৈ হুল্লোড়।
আর তার পরপরই টেলিভিশন ও রেডিওতে বাজতে শুরু করে এই গানটি। অনেকের কাছেই এই গানটি না বাজলে ঠিক ঈদ বলে মনে হয়না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী বুশরা ফারিজমা হুসাইন বলছেন, "গানটি না শুনলে মনেই হয়না যে ঈদ শুরু হয়েছে"
ইশরাত জাহান বলছেন এই গান নিয়ে তার রয়েছে অনেক স্মৃতি। "কাজিনদের সাথে গানটি শুনতে শুনতে রীতিমতো নাচতাম আমরা"
কিন্তু কোথায় এই গানটির যাত্রা শুরু? আর কিভাবে তা বাংলাদেশে ঈদ আনন্দের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হয়ে উঠলো?
বাংলাদেশের জাতিয় কবি কাজি নজরুল ইসলাম গানটি লিখেছিলেন ১৯৩১ সালে জনপ্রিয় শিল্পী আব্বাসউদ্দিন আহমেদের অনুরোধে। সেই গল্পই করছিলেন তার ছেলে শিল্পী মুস্তাফা জামান আব্বাসি।
তিনি বলছেন, "আব্বা নজরুলকে বলতেন কাজিদা। তিনি একদিন বললেন কাজিদা এই যে পেয়ারু কাওয়াল ঈদের সময় কত সুন্দর গান রচনা করে আর এইচএমভি থেকে যখন গ্রামোফোন বের হয়, হাজার হাজার কপি মুসলমানরা কিনে নেয়। তুমি এরমক একটা গান লেখো না?"
আব্বাসউদ্দিন বয়সে একটু ছোট হলেও দু জনের সম্পর্ক বন্ধুর মতোই ছিল।
আব্বাসউদ্দিন আহমেদ তাঁর স্মৃতিকথায় লিখে গেছেন সেই সময়কার রেকর্ড কোম্পানি এইএমভির কর্মকর্তা ভগবতী ব্যানার্জি তখন বলেছিলেন, মুস্তাফা জামান আব্বাসির ভাষায়, "তিনি বললেন আব্বাস সাহেব মুসলমানদের পয়সা নেই। তারা রেকর্ড কিনতেও পারবে না। পুঁজোর সময় গান বিক্রি হয়। ঈদের সময় কোন গান বিক্রি হবে না"
ছেলের ভাষায়, নাছোড়বান্দা আব্বাসউদ্দিন রাজি করিয়েছিলেন সেসময়কার এইচএমভি কোম্পানির ভগবতী ব্যানার্জিকে।
গানটি এর পর এক বসায় লেখা ও সুর করা। তিনি বলছিলেন, "নজরুল আব্বাকে বললো পান নিয়ে আসো আর চা। আব্বা অনেকগুলো পান নিয়ে এলো। আর বললো চা আসছে। নজরুল একটা কাগজ নিয়ে এই গানটি লিখলেন। তারপর বললেন সুরটা এখনই করি না পরে করবো? আব্বাসউদ্দিন বললেন, কাজিদা আপনার মনের যে অনুভূতিটা, যেটা গানের মধ্যে প্রকাশ করেছেন এখন না করলে সেই মজাটা হবে না। এই সেই ইতিহাস"
গানটি প্রথম গেয়েছেন আব্বাসউদ্দিন নিজেই। লেখার কদিন পরেই রেকর্ড করা হয়েছিলো।
কবি নজরুলকে নিয়ে বাংলাদেশে প্রথম গবেষণা শুরু করেন অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম।
তিনি বলছেন, সেসময়কার বাঙালী মুসলিম সমাজ এই গানটি তখন লুফে নিয়েছিল।
তিনি বলছেন, "অন্য এলাকায় মুসলিমরা গান করলেও বাঙালী মুসলিমের কাছে সঙ্গীত ছিল অপাঙতেও। কিন্তু এই গানটিতে ধর্মীও ভাবধারা আর ঈদের যে খুশি সেটা খুব চমৎকারভাবে ধরা পরেছে"
সেই থেকে এই গানের শুধু উত্থানই হয়েছে। এমনকি অমুসলিম শিল্পী সতিনাথ মুখার্জি সহ আরো অনেকের কণ্ঠে শোনা গেছে গানটি।
আব্বাসউদ্দিনের ছেলে ও মেয়ে মুস্তাফা জামান আব্বাসি ও ফেরদৌসি রহমানও গানটি জনপ্রিয় করেছেন। কিন্তু গানটিকে ধীরে ধীরে আরো বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতার।
ঈদের চাঁদ দেখা গেলেই এই গানটি বাজানোর একটি রীতি প্রচলন করেছে সরকারি এই দুটি সম্প্রচার প্রতিষ্ঠান, বলছিলেন অধ্যাপক ইসলাম।
তবে মুস্তাফা জামান আব্বাসি বলছেন গানটি আসলে জনপ্রিয় করেছে বাংলার মুসলমান।
তিনি আরো বলছেন, "আব্বাস উদ্দিন মারা গেছেন ১৯৫৯ সালে। তার পরে এত বছর গানটি কারা গাইলো? আমরাইতো গাইলাম। আব্দুল আলিম, আব্দুল হালিম চৌধুরী, বেদার উদ্দিন আহমেদ, সোহরাব হোসেন, এদের নাম আমরা ভুলে যাবো কেন?"
আর অধ্যাপক ইসলাম বলছেন, এই গানটি দিয়েই বাংলায় মুসলিমদের মধ্যে সঙ্গীতের জনপ্রিয়তার শুরু, শোনা ও চর্চার শুরু।
তিনি বলছেন, নজরুলই তার সূচনা করেছেন।
এরপর ইসলামের নানা দিক ও ঈদকে নিয়ে গান রচনার চেষ্টা আরো অনেকেই করেছেন কিন্তু তাতে এতটা সফল কেউই হননি, বলছিলেন অধ্যাপক ইসলাম।
সূত্রঃ বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
June
(201)
-
▼
Jun 19
(11)
- বিশ্বকাপ ও সেক্স
- ফেসবুকে প্রেম এবং বাংলাদেশী যুবতীর পরিণতি
- জাতিসংঘ-মিয়ানমার সমঝোতা: চুক্তির অস্পষ্টতায় রোহিঙ্...
- মেক্সিকোর ভক্তদের উল্লাস কি আসলেই সেদেশে ভূমিকম্প ...
- হতাশার অন্ধকার রাজ্যে ফেভারিটরা
- মৌলভীবাজারে ভয়াবহ বন্যা, নিহত ৭ by ইমাদ উদ দীন
- রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার পক্ষে কানাডার অধিকাংশ নাগরিক
- শিশুদের পার্ক ও মেলায় উপচেপড়া ভিড়
- ইয়েমেনবাসীর ঈদে দুর্ভিক্ষের ছাপ, দুষ্প্রাপ্য খাদ্য...
- ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার মেলানিয়া ট্রাম্প
- ‘রমজানের ঐ রোজার শেষে’ গান জনপ্রিয় কিভাবে হল?
-
▼
Jun 19
(11)
-
▼
June
(201)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
